• ১৬ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

রাজ্য

বোতলের ভিতরে মা কালী! মহাদেবের কোলে শিশুর মতো শুয়ে দেবী, বাঁকুড়ার শিল্পীর সৃষ্টি দেখে অবাক নেটপাড়া

কাচের বোতলের ভিতরে আস্ত মা কালী! তাও আবার প্রচলিত রূপে নয়। মহাদেবের বুকে পা দিয়ে দাঁড়িয়ে নেই দেবী। বরং দেবাদিদেব মহাদেবের কোলেই শিশুর মতো শুয়ে রয়েছেন তিনি। আর এমনই এক অভিনব শিল্পকর্ম তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন বাঁকুড়ার শিল্পী ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।সাধারণত কালীমূর্তিতে মহাদেবের বুকের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দেবীকে। কিন্তু সেই চেনা ছবির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অন্য ভাবনায় মূর্তিটি তৈরি করেছেন ইন্দ্রনীল। সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, গোটা মূর্তিটি তৈরি হয়েছে একটি কাচের বোতলের ভিতরে। ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন রঙের সুতো। সরু তারের সাহায্যে একের পর এক সুতো বোতলের ভিতরে ঢুকিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন তিনি।কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন গানটি মা কালীর ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রচলিত কালীমূর্তির সঙ্গে এই গানের ভাবনা জড়িয়ে রয়েছে। তবে ইন্দ্রনীলের তৈরি মূর্তিতে ফুটে উঠেছে দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের এক অন্য দিক।এই শিল্পকর্ম তৈরির পিছনে রয়েছে শিল্পীর নিজস্ব ভাবনা। ইন্দ্রনীলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অসুর বধের পর প্রচণ্ড ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠেন দেবী। তাঁকে শান্ত করতে মহাদেব তাঁর সামনে শুয়ে পড়েন। দেবীর পা মহাদেবের বুকে পড়তেই শান্ত হন তিনি। পৌরাণিক কাহিনির এই পরিচিত দৃশ্যের পরের অংশটিই নিজের কল্পনায় সাজিয়েছেন শিল্পী।তাঁর ভাবনায়, দেবী শান্ত হওয়ার পর মহাদেব তাঁকে নিজের কোলে তুলে নেন। ছোট্ট শিশুর মতো বুকে আগলে আদর করেন। দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের মধ্যে থাকা ভালোবাসা, স্নেহ এবং মমতার সেই ছবিই ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। প্রচলিত চিত্রকল্পের বাইরে গিয়ে এমন ভাবনা তাঁর শিল্পকর্মকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ বছর ধরে ছবি আঁকা এবং নানা ধরনের সৃজনশীল শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বোতলের ভিতরে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরি করাই তাঁর বিশেষ পরিচিতি। বাংলার পরিচিত বোতলশিল্পীদের মধ্যেও তিনি অন্যতম।দীর্ঘ শিল্পীজীবনে দেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সামনে নিজের কাজ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন ইন্দ্রনীল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের সাধনা, ধৈর্য এবং অভিনব ভাবনার জোরেই নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন বাঁকুড়ার এই শিল্পী।একটি ছোট্ট কাচের বোতলের ভিতরে রঙিন সুতোর সাহায্যে এমন সূক্ষ্ম কাজ সত্যিই নজর কাড়ার মতো। আর মা কালী ও মহাদেবের পরিচিত সম্পর্ককে এক নতুন ভাবনায় তুলে ধরে শিল্পী বুঝিয়ে দিয়েছেন, শিল্পের জগতে কল্পনার কোনও সীমা নেই।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মাসের শেষের অপেক্ষা নয়! আগাম বেতন তুলতে পারবেন সরকারি কর্মীরা, নয়া প্রকল্প আনল রাজ্য

চিকিৎসার খরচ, সন্তানের পড়াশোনা কিংবা হঠাৎ পারিবারিক আর্থিক সমস্যার জন্য টাকার প্রয়োজন হলে আর মাসের বেতনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য আগাম বেতন তোলার নতুন প্রকল্প চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্যালারি অ্যাডভান্স স্কিম নামের এই প্রকল্পে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে আগাম টাকা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের স্থায়ী সরকারি কর্মী ও আধিকারিকেরা এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন। অর্থ দপ্তরের ই-গভর্ন্যান্স গোষ্ঠীর মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থাটি পরিচালিত হবে। প্রকল্পে দুধরনের সুবিধা রাখা হয়েছে। একটি স্বল্পমেয়াদি অগ্রিম এবং অন্যটি দীর্ঘমেয়াদি অগ্রিম।স্বল্পমেয়াদি অগ্রিমের ক্ষেত্রে কোনও কর্মী সংশ্লিষ্ট মাসে তাঁর মোট প্রাপ্য বেতনের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত আগাম তুলতে পারবেন। তবে সেই টাকা ৬০ দিনের মধ্যে অথবা পরবর্তী বেতন চক্রের মধ্যেই ফেরত দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা মিটিয়ে দিলে কোনও সুদ দিতে হবে না। পাশাপাশি প্রসেসিং ফি, প্ল্যাটফর্ম ফি বা অন্য কোনও পরিষেবা বাবদ খরচও নেওয়া হবে না।তবে কর্মীর নিজের ভুলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে দেরি হলে সর্বোচ্চ এক শতাংশ লেনদেন ফি নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, সরকারি দফতর বা ডিডিও-র কারণে কোনও কাজে দেরি হলে কর্মীর কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না।দীর্ঘমেয়াদি অগ্রিমের ক্ষেত্রে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ২ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৬০ মাস পর্যন্ত সময় পাওয়া যেতে পারে। তবে কর্মীর অবসরের নির্ধারিত সময়ের পরে কিস্তি চলতে পারবে না। ঋণদাতার ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম মেনে ঋণের পরিমাণ ঠিক হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই ঋণের পরিমাণ কর্মীর মাসিক মোট বেতনের সর্বোচ্চ ৩০ গুণ পর্যন্ত হতে পারে।তবে ঋণের কিস্তি বা ইএমআই বাবদ প্রতি মাসে মোট বেতনের ৫০ শতাংশের বেশি কাটা যাবে না। ঋণ নেওয়ার আগে সুদের হার এবং অন্যান্য খরচের বিস্তারিত তথ্য কর্মীদের জানাতে হবে। সে জন্য কি ফ্যাক্ট স্টেটমেন্ট দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের আগেই পুরো টাকা শোধ করে দিলেও কোনও অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না।এই প্রকল্পে একসঙ্গে একটির বেশি অগ্রিমের সুবিধা নেওয়া যাবে না। আগের অগ্রিমের পুরো টাকা শোধ করার পরেই নতুন করে আবেদন করা যাবে। পুরো ব্যবস্থাটি রাজ্যের ডব্লিউবিআইএফএমএস এবং এইচআরএমএস পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। কর্মীর ডিজিটাল সম্মতি নিয়ে তাঁর বেতন থেকে সরাসরি কিস্তির টাকা কেটে নেওয়া হবে। কোনও কর্মী চাকরি ছেড়ে দিলে বা অবসর নিলে তাঁর চূড়ান্ত পাওনা থেকে বকেয়া টাকা মেটানোর ব্যবস্থা থাকবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বছরে আর ৫০ দিন নয়, সরকারি কর্মীদের ছুটি কমে হচ্ছে ৪০ দিন! নবান্নে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ছুটির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের কাজে গতি আনা এবং সরকারি দফতরে কাজের পরিবেশ উন্নত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, বছরে সরকারি কর্মচারীদের ছুটির সংখ্যা কমিয়ে ৪০ দিনে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা বছরে প্রায় ৫০ দিন ছুটি পান। সেই তালিকা ছোট করতে অর্থ দফতরের সঙ্গে আলোচনা করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানান, অর্থসচিব প্রথমে ৪৫ দিনের একটি ছুটির তালিকা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট নন তিনি। তাই ছুটির সংখ্যা আরও কমিয়ে ৪০ দিনে নামিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সরকারি দফতরগুলিতে প্রচুর কাজ জমে রয়েছে। সেই কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। প্রশাসনের কাজে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে কর্মসংস্কৃতি ফিরিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য। সেই কারণেই ছুটির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, অর্থসচিবকে ডেকে ছুটির সংখ্যা কমানোর কথা জানিয়েছিলেন। অর্থসচিব ৪৫ দিনের একটি তালিকা দিলেও তিনি তা আরও কমিয়ে ৪০ দিন করার নির্দেশ দিয়েছেন।তবে কোন কোন উৎসব বা বিশেষ দিনের ছুটি বাতিল করা হতে পারে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নতুন ছুটির তালিকায় কোন কোন দিন থাকবে এবং কোন কোন দিন বাদ পড়বে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা।উল্লেখ্য, আগের সরকারের আমলে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের পাশাপাশি মনীষীদের জন্মদিন উপলক্ষেও ছুটি দেওয়া হত। ফলে সরকারি ছুটির তালিকা বেশ দীর্ঘ হয়েছিল। এ বার সেই তালিকায় কাটছাঁট করতে চাইছে নতুন সরকার।অন্যদিকে, সরকারি কর্মীদের ছুটি কমানোর ঘোষণার পাশাপাশি রাজ্যের রাজস্ব আদায় নিয়েও বড় দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ঘাটতি ছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর কোনও অতিরিক্ত কর চাপানো ছাড়াই রাজস্ব আদায় বাড়াতে পেরেছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সরকারের প্রথম ছমাসেই আগের সরকারের পুরো অর্থবর্ষের তুলনায় চার হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। তবে কোন কোন ক্ষেত্র থেকে এই অতিরিক্ত রাজস্ব এসেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি।সব মিলিয়ে একদিকে সরকারি কর্মীদের ছুটির সংখ্যা কমানোর উদ্যোগ, অন্যদিকে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির দাবিদুই বিষয়েই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর নতুন ছুটির তালিকায়। শেষ পর্যন্ত কোন কোন ছুটিতে কোপ পড়ে, সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা! টাকা রাখা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত একটি দলীয় কার্যালয় থেকে এই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। টাকার উৎস নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখনই মুখ খুললেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, পরিকল্পিত ভাবে ওই টাকা সেখানে রাখা হয়েছিল। গোটা ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।বুধবার সরিষার একটি তৃণমূলের পার্টি অফিসে তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে এই খবর জানান। জানা গিয়েছে, ওই পার্টি অফিসটি মগরাহাট পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক শামিম আহমেদের।টাকা উদ্ধারের ঘটনা সামনে আসতেই সমাজমাধ্যমে নিজের বক্তব্য জানান অভিষেক। তাঁর দাবি, প্রায় ছমাস আগে বিজেপির দুষ্কৃতীদের হামলায় ওই জায়গায় ভাঙচুর হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে পুলিশি তদন্তে জায়গাটিকে অপরাধস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাঁর অভিযোগ, সেই জায়গাতেই পরিকল্পনা করে ভুয়ো এবং জাল প্রমাণ রাখা হয়েছে।অভিষেকের বক্তব্য, এর পিছনে উদ্দেশ্য হল ন্যায়বিচারের পথে বাধা তৈরি করা এবং পুলিশি তদন্তকে প্রভাবিত করা। পাশাপাশি আইন ও প্রশাসনকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।এই ঘটনার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদেরও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা এই ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করেছেন এবং যাঁরা তাঁদের নির্দেশে কাজ করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে দায় নিতে হবে। প্রমাণ জাল করা, তদন্তে বাধা দেওয়া কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো কাজের জন্য কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অভিষেক আরও জানিয়েছেন, রাজনৈতিক মদত, সরকারি পদ কিংবা পুলিশের ক্ষমতা ব্যবহার করে কেউ আইনের হাত থেকে রেহাই পাবেন, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সহকারী সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই এই বিপুল পরিমাণ টাকার বিষয়ে তথ্য পান তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই সরিষার ওই পার্টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। তার পরেই উদ্ধার হয় নগদ টাকা। তবে এই টাকার উৎস কী এবং কী কারণে এত টাকা সেখানে রাখা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত চলছে।অন্যদিকে, এই ঘটনা নিয়ে অভিষেককে নাম না করে আক্রমণ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, উদ্ধার হওয়া এই টাকা খুব বেশি কিছু নয়। হয়তো ভুল করে ওই টাকা সেখানে রেখে যাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, বেনামে জমি কেনার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।সব মিলিয়ে ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে কোটি টাকার বেশি নগদ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। একদিকে অভিষেকের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, অন্যদিকে শুভেন্দুর পাল্টা কটাক্ষ। উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস এবং এর পিছনে আসল ঘটনা কী, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষায় হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি, পুজোর আগে নদী থেকে কী ভাবে ফিরলেন মা?

বর্ষায় মন্দির থেকে হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি। পুজোর আগে সেই মূর্তিই ফিরে এল গ্রামে। সুন্দরবনের পুঁইজালীতে এই ঘটনায় খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। মায়ের মূর্তি ফিরে পাওয়ায় আনন্দে মেতেছেন গ্রামবাসীরা। নতুন করে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্দির কমিটি।ঘটনার সূত্রপাত রায়মঙ্গল নদীতে। মাছ ধরতে গিয়ে জালে মা কালীর একটি মূর্তি পান এক মৎস্যজীবী। মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা বাবলু মণ্ডল সেই মূর্তিটি উদ্ধার করে নিজের গ্রামে নিয়ে যান। পরে গ্রামের একটি মন্দিরে সেটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মূর্তি উদ্ধারের ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন গ্রামের কয়েক জন যুবক।সেই ভিডিও দেখেই মূর্তিটি চিনতে পারেন সুন্দরবনের পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি তাঁদের গ্রামের কালীমন্দিরের। বর্ষার সময় মন্দির থেকে সেটি হারিয়ে গিয়েছিল।এর পরেই মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা ও মন্দির কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়। মাধবকাটির মন্দির কমিটির সদস্যেরা নিজেদের মতো করে বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা মূর্তিটি তাঁদের বলে প্রমাণ দেওয়ার পর সেটি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মাধবকাটি মন্দির কমিটির এক সদস্য বলেন, আমরা মায়ের মূর্তিটি নদীতে পেয়েছিলাম। পুঁইজালী গ্রামের কমিটি দাবি করে, মূর্তিটি তাঁদের। বিষয়টি থানায় জানিয়েছিলাম। ওঁরা প্রমাণ দিয়েছেন। তাই আমরা মূর্তিটি তাঁদের হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছি।পুঁইজালী পুজো কমিটির সদস্য উত্তম পাত্র বলেন, আমাদের প্রতিমা হারিয়ে গিয়েছিল। এখানকার মন্দির কমিটি ও প্রশাসন সেটি আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। পুঁইজালী কালীমন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি ফিরে পেয়ে আমরা খুবই খুশি।পুজোর আগে হারানো মূর্তি ফিরে পাওয়ায় এখন আনন্দে মেতেছেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। মন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বিগ বস বাংলায় ফিরতেই রাজবীরের চুমু! নন্দিনীকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ দাসের মা

বিগ বস বাংলার দুর্গে ফিরলেন নন্দিনী দত্ত। তবে সাধারণ ভাবে নয়, ভূত জুলির সাজে। মঙ্গলবারের পর্বে তাঁকে দেখেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রাজবীর। জড়িয়ে ধরে চুমুতে ভরিয়ে দেন নন্দিনীকে। কিন্তু তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি অভিনেতা সৌরভ দাসের মায়ের। তাঁর মতে, প্রেমেরও একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর ও নন্দিনী সেই সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।রবিবারের পর্বে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের ভোটে বিগ বস বাংলার দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন নন্দিনী। সেই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর-সহ অন্য প্রতিযোগীরা। দুর্গ ছাড়ার আগে প্রেমিকাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন রাজবীর। তবে পরে জানা যায়, নন্দিনী আসলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েননি। তাঁকে দুদিনের জন্য রাখা হয়েছিল গোপন ঘরে।মঙ্গলবার রাতে ভূত জুলির সাজে ফের মূল দুর্গে প্রবেশ করেন নন্দিনী। জানা যায়, বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে ফিরেছেন তিনি। নন্দিনীকে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীর। তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করেন। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে। খোদ সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা সৌরভ দাসের মা। তাঁর কথায়, মিষ্টি প্রেম হতেই পারে। কিন্তু এটা একটা নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চরম বাড়াবাড়ি হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর আর নন্দিনী সেই সীমাটাই পার করে গিয়েছে। শো দেখাই ছেড়ে দেব ভেবেছিলাম।বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই শোয়ের পারিবারিক চরিত্র বজায় রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মিলবে সিএএ শংসাপত্র?

মতুয়াদের নাগরিকত্বের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। রবিবার ঠাকুরনগরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত শুনানি শেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। নাগরিকত্ব পাওয়ার পর যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের নাম ফের তোলার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। সেই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায় ১২ জন প্রবেশনারি আইএএস আধিকারিককে নিয়োগ করেছে নবান্ন।সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ-তে আবেদনের ক্ষেত্রেও সম্প্রতি কিছুটা সুবিধা হয়েছে। আগে আবেদনের সঙ্গে বাংলাদেশি নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করতে না পেরে অনেকেই আবেদন করতে পারছিলেন না। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার সেই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ায় সিএএ-তে আবেদনের সংখ্যা বেড়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বনগাঁ মহকুমায় ৪২ হাজার ৭৮২ জন সিএএ-তে আবেদন করেছেন। গোটা উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৯২ হাজার ছাড়িয়েছে। মতুয়া অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আবেদন করার আগ্রহ বেড়েছে। অনেকেই ফর্ম পূরণ করছেন। ঠাকুরবাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।সিএএ-তে আবেদন করার পরেও দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের শংসাপত্রের অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। কারও শুনানি হয়ে গিয়েছে, আবার কারও আবেদন এখনও প্রশাসনিক দফতরে পড়ে রয়েছে। কবে নাগরিকত্ব মিলবে, তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল আবেদনকারীদের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় আশার আলো দেখছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশ।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এত দিন প্রয়োজনীয় কর্মী ও পরিকাঠামোর অভাবে আবেদন এবং শুনানির কাজে দেরি হচ্ছিল। ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তেন অনেকে। শুনানির জন্য দূরে জেলাশাসকের দফতরেও যেতে হত। নথি যাচাই করতেও সময় লাগছিল। নতুন ব্যবস্থায় মহকুমা স্তরেই ফর্ম পূরণ ও শুনানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে আবেদনকারীদের হয়রানি কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজে ১২ জন প্রবেশনারি আইএএস আধিকারিক নিয়োগের সিদ্ধান্তেও খুশি মতুয়া সম্প্রদায়ের অনেকেই।হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, উদ্বাস্তু মতুয়াদের মধ্যে নতুন করে আনন্দ ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, আগে তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, মতুয়াদের নাগরিকত্ব সুরক্ষিত না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বসাবেন না। সিএএ কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এখন তিনি তা বসিয়েছেন বলেও জানান অসীম।বাগদার নতুন আবেদনকারী নরোত্তম বিশ্বাসের কথায়, আগে তিনি সিএএ নিয়ে আশঙ্কার কারণে আবেদন করেননি। তাঁর দাবি, আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড থাকলেই নাগরিকত্ব প্রমাণ করা যায়। কিন্তু পরে দেখেছেন, অনেকে সিএএ-তে আবেদন করেও নাগরিকত্ব হারাননি। তাই তিনিও আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এ দিন উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ, ঠাকুরনগর, বাগদা ও গাইঘাটা-সহ মতুয়া অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় মিছিল বের হয়। ডঙ্কা, কাঁসি ও নিশান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মতুয়া ভক্তদের একাংশ। নদিয়ার বিভিন্ন এলাকাতেও একই ছবি দেখা যায়। হরিণঘাটায় উদ্বাস্তু মতুয়া ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের মানুষ ডঙ্কা ও কাঁসর বাজিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। তাঁদের সঙ্গে উৎসবে যোগ দেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারও।দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র না পাওয়া এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কায় অনিশ্চয়তায় ছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশ। এ বার প্রশাসনিক তৎপরতায় সেই সমস্যা কতটা মেটে, সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

কেদারতালে তুষারধস, নিখোঁজ বাঁকুড়ার পাঁচ পর্যটক! উদ্ধার দুই জনের দেহ, বাকিদের কী হল?

উত্তরাখণ্ডের কেদারতালে ট্রেকিং করতে গিয়ে তুষারধসে নিখোঁজ হয়েছেন বাঁকুড়ার পাঁচ বাসিন্দা-সহ মোট আট জন। গত পাঁচ দিন ধরে তাঁদের খোঁজে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে উত্তরাখণ্ড প্রশাসন। মঙ্গলবার উদ্ধারকারী দল এক মহিলা ও এক পুরুষের দেহ উদ্ধার করেছে। তবে তাঁরা বাঁকুড়ার নিখোঁজ পাঁচ অভিযাত্রীর মধ্যে রয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।উত্তরাখণ্ড পুলিশের রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিংয়ের উদ্ধারকারী দল যৌথ ভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি পথের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ উত্তরকাশী জেলা প্রশাসন জানায়, তুষারধসের ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়া এক মহিলা ও এক পুরুষের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।খারাপ আবহাওয়ার কারণে মঙ্গলবার বিকেল ৩টে নাগাদ দিনের মতো উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে বেস ক্যাম্পে ফিরে যায় দল। প্রশাসন জানিয়েছে, বুধবার সকালে ফের তল্লাশি শুরু হবে। উদ্ধার হওয়া দুই জনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার পাঁচ বাসিন্দা। তাঁদের নাম তাপস বাউড়ি, রতন ঘোষ, মনোজ খোভাস, রিন্টু মণ্ডল এবং উদয় ঘোষ। এ ছাড়াও উত্তরপ্রদেশের বর্তিকা বর্মা এবং উত্তরকাশীর বাসিন্দা সিদ্ধার্থ রানার খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজ রয়েছেন এক গাইডও। তাঁদের প্রত্যেকের বয়স ২৩ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। এই দুর্ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ হয়েছেন কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।জানা গিয়েছে, গত ২৭ অক্টোবর ১২ জনের একটি দল গঙ্গোত্রী থেকে কেদারতালের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। শুরুতে আবহাওয়া ভালোই ছিল। ওই দলে ছিলেন সাত জন অভিযাত্রী, এক জন গাইড, এক জন রাঁধুনি এবং তিন জন মালবাহক। কিন্তু পথে হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করে। চার জন নিরাপদে ফিরে আসতে পারলেও বাকি আট জন তুষারধসে আটকে পড়েন।২৯ অক্টোবর আচমকাই আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন হয়। শুরু হয় তুষারঝড়। পাহাড়ের উপর থেকে নেমে আসে তুষারধস। তাতেই আটকে পড়েন অভিযাত্রীরা। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে প্রথম দিকে উদ্ধারকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।পরে হেলিকপ্টারের সাহায্যেও তল্লাশি শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। একাধিক উদ্ধারকারী দল দুর্গম এলাকায় নিখোঁজদের খোঁজ চালাচ্ছে। মঙ্গলবার দুজনের দেহ উদ্ধার হলেও বাঁকুড়ার পাঁচ বাসিন্দা-সহ বাকি নিখোঁজদের সন্ধান এখনও মেলেনি। বুধবার সকালে নতুন করে উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার কথা।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরাখণ্ডে ভয়াবহ তুষারঝড়ে নিখোঁজ ৮, বাঁকুড়ার ৫ যুবকের খোঁজে চলছে তল্লাশি!

উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিং করতে গিয়ে ভয়াবহ তুষারঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন ৮ অভিযাত্রী। তাঁদের মধ্যে ৫ জনই পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দা। গত কয়েক দিন ধরে তাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সময় যত এগোচ্ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে নিখোঁজ অভিযাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে।নিখোঁজ পাঁচ বাঙালি অভিযাত্রীর নাম তাপস বাউরী, রতন ঘোষ, রিন্টু মণ্ডল, উদয় ঘোষ এবং মনোজ খাওয়াস। প্রথম চারজনের বাড়ি বাঁকুড়ার শালবনী গ্রামে। অন্যদিকে, মনোজ খাওয়াসের বাড়ি কেশরা গ্রামে। বাকি তিনজনের মধ্যে দুজন উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্ণৌ এবং একজন উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশির বাসিন্দা।জানা গিয়েছে, শেরপা ও সহকারী-সহ মোট ১২ জনের একটি দল উত্তরাখণ্ডের গঙ্গোত্রী থেকে কেদারতাল পর্যন্ত ট্রেকিংয়ে গিয়েছিল। নির্দিষ্ট দিনে গঙ্গোত্রীর বেস ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করেন তাঁরা। কিন্তু পথে প্রায় ৪ হাজার মিটার উচ্চতায় আচমকাই তুষারঝড়ের মুখে পড়ে দলটি। এর পর থেকেই দলের ৮ সদস্যের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে, দলের শেরপা ও সহকারী-সহ মোট চারজন কোনওরকমে ৩০ অক্টোবর গন্তব্যে পৌঁছন। তাঁরাই বাকি আটজনের নিখোঁজ হওয়ার খবর দেন। খবর পেয়েই উদ্ধারকাজ শুরু করে উত্তরাখণ্ড সরকার।নিখোঁজদের খোঁজে গত দুদিন ধরে তল্লাশি চালাচ্ছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। হেলিকপ্টারের সাহায্যে হিমালয়ের দুর্গম এলাকায় চলছে অভিযান। উত্তরাখণ্ড সিভিল অ্যাভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির হেলিকপ্টার ব্যবহার করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ আটজনের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, উচ্চ হিমালয়ের ওই এলাকায় আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ। তুষারপাত এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মাঝেমধ্যেই উদ্ধারকাজে বাধা তৈরি হচ্ছে। ফলে তল্লাশি অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।এদিকে, বাঁকুড়ার পাঁচ যুবকের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রিয়জনদের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন পরিবারের লোকজন। প্রশাসনের তরফে নিখোঁজ অভিযাত্রীদের পরিবারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।এখন সকলের নজর উত্তরাখণ্ডের উদ্ধার অভিযানের দিকে। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও নিখোঁজ আট অভিযাত্রীর সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। কবে তাঁদের খোঁজ মিলবে, সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

‘এখানের জমি পুরো শেষ’, মমতার দিল্লি সফর নিয়ে বড় কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের! কী বললেন বিজেপি নেতা?

মঙ্গলবার সকালে খড়্গপুরে চায়ের আড্ডায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। মমতার দিল্লি সফর নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, আমিও গত বার পিছনের দরজা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলাম। এ বার দল পুরো হেরে গিয়েছে। এখানকার জমি পুরো শেষ। তাই জমি ফিরে পেতেই দিল্লি গিয়েছেন।দিলীপের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, রাজ্যে রাজনৈতিক জমি হারিয়েই দিল্লি সফরে গিয়েছেন মমতা। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।দুর্গাপুজোর ফুটবল খেলা এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, তাঁর স্ত্রী এবং মেয়ে আভেরী সেনকে তলব করেছে কলকাতা পুলিশের লালবাজার। এই প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতাদের ছেলেমেয়েরা বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। আগামী দিনে আরও অনেক তথ্য সামনে আসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে তদন্তের মাধ্যমেই অভিযোগের সত্যতা জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা।মেটিয়াবুরুজের গণধর্ষণের অভিযোগ নিয়েও সরব হয়েছেন দিলীপ। এই ঘটনায় সাত জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রভাবশালীদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বেতাজ বাদশা গ্রেফতার হবেন কি না, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বলেন, তদন্ত এগোলেই সব বিষয় সামনে আসবে। যাঁরা দোষী, পুলিশ তাঁদের ছাড়বে না। তাঁর কথায়, বাংলায় কোনও অপরাধীই প্রভাব খাটিয়ে পার পাবে না।এ দিন এসআইআর নিয়েও বিরোধীদের আক্রমণ করেন দিলীপ। এসআইআর নিয়ে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই প্রসঙ্গেই বিরোধীদের নিশানা করেন বিজেপি নেতা।দিলীপের অভিযোগ, মানুষের সমর্থন না পেয়েও বিরোধী নেতারা রাস্তায় নেমে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। দীপাবলির বাজারে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করাই তাঁদের উদ্দেশ্য বলে দাবি করেন তিনি। রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই বিরোধীরা এই ধরনের কর্মসূচি করছেন বলেও কটাক্ষ করেন দিলীপ।একই দিনে মমতার দিল্লি সফর, ইন্দ্রনীল সেনকে তলব, মেটিয়াবুরুজের গণধর্ষণের অভিযোগ এবং এসআইআর নিয়ে একের পর এক মন্তব্য করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুললেন বিজেপি নেতা।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বদলের বাংলায় নন্দনেও বড় পরিবর্তন! মুছে গেল মমতার নাম, অক্ষত জ্যোতি বসুর ফলক

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর এ বার কলকাতার নন্দনেও বড় পরিবর্তন। চলচ্চিত্র উৎসবের আগে নন্দন চত্বর থেকে সরাসরি সরানো হয়নি, তবে রং করে ঢেকে দেওয়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম লেখা একটি ফলক। অন্য দিকে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নামাঙ্কিত ফলকটি এখনও অক্ষত রয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।১৯৮০ সালে নন্দনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। এর পাঁচ বছর পরে, ১৯৮৫ সালে নন্দনের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়। দীর্ঘ দিন ধরেই নন্দন বাংলার চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিচর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।এর পর রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে নন্দন-সহ বিভিন্ন জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম লেখা ফলক বসানো হয়েছিল। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। সেই রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহেই এ বার নন্দনে মমতার নাম লেখা ফলকে রং করে দেওয়ার ঘটনা সামনে এল। তবে জ্যোতি বসুর নাম লেখা ফলকটি সরানো হয়নি।ঘটনাটির রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে চলচ্চিত্র উৎসবের প্রস্তুতির মধ্যে। এ দিনই নবান্নে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের লোগো প্রকাশ করা হয়। এ বারের লোগোয় আগের নীল, সাদা ও কালোর পাশাপাশি গেরুয়া রংও দেখা গিয়েছে। একই দিনে নন্দনে মমতার নাম লেখা ফলকে রং দেওয়ার ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।এই বিষয়ে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উপদেষ্টা মিঠুন চক্রবর্তীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, এখন আর কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম দেখতে চান? অন্য দিকে, তৃণমূলের মুখপাত্র উপসনা চৌধুরী এই ঘটনার সমালোচনা করেছেন। তাঁর দাবি, এখন স্বৈরাচারী সরকার চলছে। মুখ্যমন্ত্রী আসলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন গত ১৫ বছরের রাজ্যে কী কী হয়েছে।নন্দনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম লেখা ফলকে রং দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। কেন ওই ফলকে রং করা হল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট, কী বদল করা হল?

কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হল। বাড়ির সামনে আগে থেকেই লোহার ব্যারিকেড ছিল। এবার সেই ব্যারিকেডের উচ্চতা আরও বাড়ানো হয়েছে। নতুন করে লোহার কাঠামো বসানো হয়েছে দৃশ্যরোধক দেওয়ালের সামনের অংশেও। এই পদক্ষেপ ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর থেকেই দলের নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ এবং সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে দলকে। বিভিন্ন জায়গায় চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার ডিম ছোড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেও আগে ডিম ছোড়ার অভিযোগ উঠেছিল।এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে গত জুন মাসে কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে অস্থায়ী দৃশ্যরোধক দেওয়াল বসানো হয়। সূত্রের খবর, তৃণমূল নেত্রীর বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ডিরেক্টর সিকিউরিটির তরফে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই দৃশ্যরোধক দেওয়ালের সামনের দিকে লোহার কাঠামো আরও উঁচু করা হয়েছে।আগে ব্যারিকেডের নীচের অংশে লোহার কাঠামো থাকলেও উপরের অংশ খোলা ছিল। এবার সেই ফাঁকা অংশেও নতুন করে লোহার ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। ফলে বাড়ির সামনে নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আরও উঁচু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ডিম হামলার মুখে পড়েছিলেন কুণাল ঘোষ। অভিযোগ, কালো পোশাক পরা এক যুবক তাঁর সামনে এসে মাথা লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ে। এই ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন কুণাল।তাহলে কি এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতেই বাড়ানো হল ব্যারিকেডের উচ্চতা? কে বা কারা এই নতুন লোহার কাঠামো বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে? এখনও পর্যন্ত সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হওয়ায় এই প্রশ্নগুলিই এখন সামনে আসছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের হাহাকার! মজুত ১০ হাজারেরও কম, অস্ত্রোপচার পিছনোর আশঙ্কা

রাজ্যজুড়ে রক্তের জোগান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্ক মিলিয়ে এই মুহূর্তে বাংলায় রক্তের মজুত ১০ হাজার ইউনিটেরও কম বলে জানা গিয়েছে। অথচ প্রতিদিন রাজ্যে প্রায় তিন হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, বর্তমান মজুত দিয়ে আগামী দিনে চাহিদা মেটানো কঠিন হতে পারে। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগী, ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসা, জটিল অস্ত্রোপচার এবং দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয়। এই পরিস্থিতিতে রক্তের জোগান নিয়ে চিন্তায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। শনিবারের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতায় রক্তের মজুত ছিল প্রায় ৫৬০ ইউনিট।রক্তের জোগান নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর অস্ত্রোপচারের জন্য রক্ত পাওয়া যাচ্ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে। রোগীর পরিবারের অনুরোধে শনিবার রাতে সেখানে যান বরাহনগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর উদ্যোগে সমস্যার সমাধান হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর সজল প্রশ্ন তোলেন, একজন বিধায়ককেই যদি রক্তের জন্য এত সমস্যায় পড়তে হয়, তা হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে?তবে রাজ্যে রক্তের ঘাটতির কথা মানতে চাননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, কোনও বিরল রক্তের গ্রুপের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তবে সাধারণ ভাবে রক্তের ঘাটতি নেই। ও নেগেটিভ বা এবি নেগেটিভ-এর মতো বিরল গ্রুপের রক্ত পেতে সমস্যা হলে মানিকতলার কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাঙ্কের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। সেখানে পর্যাপ্ত রক্ত মজুত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরে রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ডি আশিসের মতে, রক্ত পাচার নিয়ে নানা খবর ছড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে রক্তদান নিয়ে অনীহা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, রক্তদান করেও লাভ নেই, কারণ সেই রক্ত পাচার হয়ে যেতে পারে। তাঁর বক্তব্য, এই ধারণার প্রভাব রক্তদান আন্দোলনের উপর পড়ছে। অন্য দিকে, রক্তের অভাবে কিছু অস্ত্রোপচার পিছিয়ে দিতে হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে সংগৃহীত রক্তের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে বিভিন্ন ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, কলেজ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে। কিন্তু রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন ক্লাবে নতুন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। ডি আশিসের বক্তব্য, নতুন কমিটিগুলি দায়িত্ব নেওয়ার পর রক্তদান শিবির আয়োজন করতে সময় লাগতে পারে। ফলে এই সময়ে বড় শিবিরের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ব্লাড ডোনর অর্গানাইজেশনের জাতীয় সভাপতি বিশ্বরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, রবিবার একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আরও বেশি মানুষকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আবেদন জানানো হচ্ছে। রক্তের জোগান বাড়াতে সম্প্রতি স্বাস্থ্য দপ্তরও নির্দেশিকা জারি করেছিল। হাসপাতাল সংলগ্ন পুজো কমিটিগুলিকে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে রক্তের মজুত বাড়াতে নিয়মিত রক্তদান শিবির আয়োজন এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে রাজ্যে রক্তের প্রকৃত ঘাটতি কতটা, তা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

হুডখোলা গাড়িতে রাহুল সামনে, মমতা পিছনের সারিতে! বাংলার ভোটে হারের পর বদলে গেল সমীকরণ?

হুডখোলা গাড়ির সামনের সারিতে রাহুল গান্ধী। তাঁর পিছনের সারিতে ফারুক আবদুল্লা ও ডি রাজা। তৃতীয় সারিতে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের পাশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খারাপ ফলের পর বিরোধী জোটে মমতার অবস্থান বদলেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।একসময় বিভিন্ন আন্দোলনে সামনের সারিতে দেখা যেত মমতাকে। বিরোধী রাজনীতিতেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূলের বড় ধাক্কার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলেছে। রামলীলা ময়দানে যাওয়ার পথে হুডখোলা গাড়িতে রাহুল গান্ধীকে সামনের সারিতে এবং মমতাকে পিছনের দিকে দেখা গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ছবি বিরোধী জোটে নেতাদের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।ওই গাড়িতে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ফারুক আবদুল্লা, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে এবং তেজস্বী যাদবও। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও দেখা যায়। তবে তিনি ছিলেন পিছনের সারিতে।বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রয়োজনে বাম ও কংগ্রেসের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। যদিও বাংলায় সেই প্রস্তাবে তেমন সাড়া মেলেনি। এর পর দিল্লিতে গিয়ে একাধিক বার রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মমতা। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী জোটে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়ে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রামলীলা ময়দান এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে অন্তত ২০০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-যুক্ত ক্যামেরা।হুডখোলা গাড়িতে কোন নেতা কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। তবে শুধু আসন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিরোধী জোটে কোনও নেতার গুরুত্ব কমেছে বা বেড়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। সমাবেশে নেতাদের বক্তব্য এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর।

নভেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

বছরখানেক আগে গুলিবিদ্ধ, এ বার রেললাইনের ধারে পুলিশ আধিকারিকের দেহ! রহস্য ঘনাল বাঁকুড়ায়

বছরখানেক আগে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। এ বার সেই পুলিশ আধিকারিক জয়ন্ত পালের মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া শহরের কেঠারডাঙা রেলগেটের কাছে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। আরণ্যক এক্সপ্রেসের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।জয়ন্ত পাল বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ইনস্পেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর দেহ উদ্ধারের পর পুলিশ সেটি বাঁকুড়ার সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। রেললাইন পারাপারের সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মৃত্যুর কারণ জানতে জয়ন্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা।এর আগে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হাওড়ার ঘোষপাড়ার একটি পেট্রল পাম্পে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন জয়ন্ত। তাঁর বাঁ হাতে গুলি লাগে। সেই সময় তিনি হুগলির চণ্ডীতলা থানার আইসি পদে কর্মরত ছিলেন। ওই গুলিকাণ্ডের পর এক তরুণীকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। জানা গিয়েছিল, ওই তরুণী হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসিন্দা। সামাজিক মাধ্যমে জয়ন্তের সঙ্গে তাঁর আলাপ ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। জয়ন্ত এবং ওই তরুণীকে এলাকার একটি বহুতলেও একাধিক বার দেখা গিয়েছিল বলে জানা যায়। যদিও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর তরুণীর মা দাবি করেছিলেন, তিনি জয়ন্তকে চিনতেন না। এই ঘটনাকে ঘিরে তখন নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে জয়ন্তকে সাসপেন্ড করে রাজ্য পুলিশ। সেই সময় রাজ্য পুলিশের এডিজি পদে থাকা জাভেদ শামিম জানিয়েছিলেন, কাউকে কিছু না জানিয়ে থানা থেকে বেরিয়ে অন্য জেলায় চলে গিয়েছিলেন জয়ন্ত। কর্তব্যরত অবস্থায় নিয়মভঙ্গের অভিযোগেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।সাসপেনশন ওঠার পর জয়ন্ত একে একে খানাকুল, চণ্ডীতলা এবং সিঙ্গুর থানায় দায়িত্ব সামলান। পরে তিনি বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ইনস্পেক্টর পদে যোগ দেন। সেই জয়ন্তেরই এ বার মৃত্যু হল বাঁকুড়ার রেলগেটের কাছে। তাঁর মৃত্যুর পিছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

নিজের লোকসভা কেন্দ্রেই যেতে পারতেন না রচনা! ইন্দ্রনীলকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সাংসদের

নিজের লোকসভা কেন্দ্রের একটি বিধানসভা এলাকায় যেতে হলেও অনুমতি নিতে হত তাঁকে। এমনই দাবি করলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার হওয়ার পর চন্দননগরে নিজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। রচনার দাবি, তৃণমূলে থাকার সময় চন্দননগরে কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত। এমনকি তাঁকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগেও অনুমতি নেওয়ার কথা বলা হত বলে জানিয়েছেন সাংসদ। তবে গায়ক হিসেবে ইন্দ্রনীলের প্রশংসাও করেছেন তিনি।চন্দননগর পুলিশের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রচনা। সেখানে তিনি জানান, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম এমন অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন। ২০২৪ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরেও কেন তাঁকে চন্দননগরের অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি।রচনার দাবি, তৃণমূলে থাকার সময় চন্দননগরের তৎকালীন বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় কোনও অনুষ্ঠানে যেতে পারতেন না তিনি। শুধু তাই নয়, তাঁকে কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগেও ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত বলে দাবি করেছেন রচনা।তাঁর কথায়, একই দলের সাংসদ থাকলেও ইন্দ্রনীলের সঙ্গে সেই ভাবে কাজ করা হয়নি। ওঁর বিধানসভা এলাকায় কোনও অনুষ্ঠানে যেতে হলে অনুমতি নিয়েই যেতে হত। এমনকি কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগে ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত। দলের কর্মীরাই এ বিষয়টি আমাকে জানিয়েছিলেন।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে অবশ্য বেশি কিছু বলতে চাননি রচনা। তিনি জানিয়েছেন, এখন তিনি অন্য দলের সাংসদ। তাই আগের দলের কোনও নেতাকে নিয়ে মন্তব্য করতে চান না। একই সঙ্গে আইনি বিষয়টি আদালতেই মীমাংসা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ইন্দ্রনীল সেনের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য না করলেও গায়ক হিসেবে তাঁর প্রশংসা করেছেন রচনা। তাঁর কথায়, ইন্দ্রনীল সেন যখন গায়ক ছিলেন, তাঁর অনেক ক্যাসেট বিক্রি হয়েছে। শিল্পী ইন্দ্রনীল গায়ক হিসেবে ভালো ছিলেন।উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর দুর্গাপুজোর ই-পাস সংক্রান্ত মামলায় ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বউবাজার থানায় মাস আর্ট নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং বিশেষ প্রবেশপত্র বিক্রির ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ভ্রমণ সংস্থার এজেন্ট এই অভিযোগ দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত করছে লালবাজারের গোয়েন্দা শাখা।ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
রাজ্য

‘বড় চোর জেলে যাবেই’, বারুইপুরের সভা থেকে কাকে নিশানা করলেন শুভেন্দু?

বড় চোর জেলে যাবেই, চিন্তা করবেন না। ধৈর্য রাখুন। শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারও নাম না করেই তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, আপনাদের মনে প্রশ্ন আছে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোর যাবে। আমার রাজনীতিতে সহ্য, ধৈর্য ধরি। সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক নেতার গ্রেফতারির প্রসঙ্গেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি সেই তালিকায় ইন্দ্রনীল সেন ও অজিত মাহাতোর নামও উঠে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ দিনের সভা থেকে তৃণমূল ও সিপিএমের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, সিপিএম ও তৃণমূল এখন একসঙ্গে কাজ করছে। দুই পক্ষকে নিশানা করে তিনি বলেন, বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্যের লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, সাহস থাকলে আপনি লড়ুন। আবার হারাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, ওঁরা কলকাতায় না থেকে দিল্লি যাচ্ছেন। আপনি দিল্লি যান। পশ্চিমবঙ্গে আপনার আর কিছু হবে না।উল্লেখ্য, দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক এবং পরবর্তী কিছু প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএমের একাংশের অবস্থানে মিল দেখা গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখে দিল্লিতে কেরলের সিপিএম নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের সংসদীয় নেতৃত্বের একাংশের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে। এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই এম এ বেবির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চা খাওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, হেরেই পঞ্চত্বপ্রাপ্তি একটা দলের।এ দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নাম না করে নিশানা করেন শুভেন্দু। ডিজে প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গোটা জেলায় গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছ। ২০১৪ সালের পর থেকে একটাও ভোট করতে দাওনি। ৭ লক্ষ ভোটে জিতেছেন উনি। কিন্তু ৬ মাস কোথায়? সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন। রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। তারই জবাবে এ দিনের সভা থেকে নাম না করে পাল্টা আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু। তবে বড় চোর বলতে কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

মেরুদণ্ড বিক্রি করেনি বলেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ইন্দ্রনীল! বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়

দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিয়ে বেরোনোর পর তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে চাপানউতোর। ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য দিকে, দুর্নীতির টাকা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে অভিষেক বলেন, বিজেপির শাসনকালে যাঁরা মেরুদণ্ড না বিকিয়ে লড়াই করছেন, তাঁরাই জেলে যাচ্ছেন। আর যাঁরা চোর, চিটিংবাজ, তাঁরা বিজেপির পতাকা ধরলেই সাত খুন মাফ হয়ে যাচ্ছে। এটাই হচ্ছে মোদীজির নতুন ভারত। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।দুর্গাপুজোর পাস সংক্রান্ত মামলায় বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের মুখোমুখি হতে গিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল। সেখান থেকে বেরোনোর পরেই তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকেরা। ইন্দ্রনীল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী ছিলেন।তদন্তকারীদের অভিযোগ, তাঁর মন্ত্রিত্বের সময়ে দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে বিপুল অঙ্কের আর্থিক দুর্নীতি হয়েছিল। সেই দুর্নীতির সঙ্গে ইন্দ্রনীল সরাসরি যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাস আর্ট প্রতারণা মামলার তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। অন্য দিকে, কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারির পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, দুর্নীতির টাকা মমতার কাছেও পৌঁছেছিল। শুভেন্দু বলেন, আমরা জানতাম, মমতা ও ইন্দ্রনীল দুজনে একে অপরের পরিপূরক ছিলেন। একা খেয়েছেন বলা ভুল হবে। মমতার সঙ্গে একই গাড়িতে ঘুরতেন। গান গাইতেন।শুভেন্দু আরও বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত সকলকেই জেলে যেতে হবে। তাঁর দাবি, রাজ্যে সরকার বদলের পরে ইন্দ্রনীলের মুখে নতুন সরকারের প্রশংসাও শোনা গিয়েছিল। তবে দুর্নীতির অভিযোগে কাউকে আড়াল করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি এবং তাঁকে ঘিরে অভিষেক ও শুভেন্দুর মন্তব্যে দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি মামলা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। তবে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তা নিয়ে ওঠা রাজনৈতিক দাবিগুলির সত্যতা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল-মমতা, পাল্টা বিজেপির তোপ, দিল্লিতে মোতায়েন ২০ হাজার আধাসেনা!

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই অভিযানে যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা, বাম নেতারা এবং সমাজবাদী পার্টির কর্মীরা। অন্য দিকে, একই সময়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, বিরোধীরা বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে ২০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন রয়েছেন। আরও এক মাস তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।রবিবারই সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী জোট। পরিকল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেবেন। কিন্তু রবিবার রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সময় দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীরা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। সেগুলি নিয়ে শুনানিও চলছে। আদালতকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না বলেও বার্তা দেন তিনি।তবে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ না মেলায় অভিযান বাতিল করেনি বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথমে বাসে যাত্রা শুরু হলেও পরে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পায়ে হেঁটে এগোতে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বাম যুবনেত্রী নেহা বোরাকও।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের জন্যই তাঁরা বিচার চাইছেন। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা না হলেও সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিরোধীদের। সিপিআই নেতা ডি রাজার বক্তব্য, বিরোধী নেতারা আদালত চত্বর পর্যন্ত যাবেন। পরে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল পিটিশন জমা দেবে।অন্য দিকে, বিরোধীদের এই কর্মসূচির পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। দলের নেতা শিবরাজ সিং চৌহান অভিযোগ করেন, বিরোধীরা দেশের সংবিধানকে অসম্মান করছেন। তাঁর দাবি, ইন্ডিয়া জোট বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধী অতীতে বিজেপির পাশাপাশি রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধেও লড়াইয়ের কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করে শিবরাজের কটাক্ষ, এই ধরনের কাজের জন্যই এক দিন কংগ্রেস মুছে যাবে।এ দিকে, সমাজমাধ্যমে রাহুল গান্ধীও পাল্টা বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, শিবের তাণ্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মিছিল শিবের মিছিল, এখানে যে কেউ যোগ দিতে পারেন। কাউকে আটকানো হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে ঘিরে ভোট চুরির অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং বিরোধীদের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানসব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে দিল্লিতে। এক দিকে আদালতে পিটিশন জমার প্রস্তুতি, অন্য দিকে বিজেপির পাল্টা আক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি আরও এক মাস বজায় রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 97
  • 98
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দিঘার মন্দিরের প্রসাদ বিতরণেও টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ! তদন্তে নেমে কী পেল লালবাজার?

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ থেকে অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালনপর্যটন দফতরের একাধিক কাজের বরাত পেয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। গত পাঁচ বছরে এমন অন্তত ১৫০টি টেন্ডারের খোঁজ পেয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযোগ, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ওই তিনটি সংস্থাকেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি এ বার পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক দাবি, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১৫০টি টেন্ডার পেয়েছে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। এই টেন্ডারগুলির মোট আর্থিক মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।লালবাজার সূত্রে খবর, বিভিন্ন সময়ে ব্যানার লাগানো, রেড রোডে কার্নিভালের আয়োজন, রাস্তা সাজানো, অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালন, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিলির মতো কাজের জন্য টেন্ডার দিয়েছিল পর্যটন দফতর। গোয়েন্দাদের দাবি, এই কাজগুলির অধিকাংশের বরাত পেয়েছে ওই তিনটি সংস্থা। সংস্থাগুলির সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের যোগ রয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেগুলির উপর প্রাক্তন মন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই তদন্তের মধ্যেই বুধবারও লালবাজারে হাজিরা দেননি ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন। এর আগে মঙ্গলবারও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সে দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান তিনি। বুধবার ফের তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার তাঁকে আবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ বারও হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে। প্রয়োজনে গ্রেফতারির কথাও ভাবা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।গোয়েন্দাদের দাবি, ইন্দ্রনীলের সংস্থার সঙ্গে তাঁর মেয়ের সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা আবার ইন্দ্রনীলের সংস্থায় ফিরে যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই আভেরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা।সূত্রের খবর, জেরায় ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, দুর্নীতির বিষয়ে তাঁর স্ত্রী সব জানেন, তিনি নিজে কিছু জানেন না। এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনে তাঁর স্ত্রীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত অভিযোগে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে লালবাজার। এই মামলায় নতুন এমপিও আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তদন্তকারীরা। তবে টেন্ডার বণ্টন বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও বেআইনি কাজ হয়েছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তারির পর উধাও ছিলেন ‘ঘনিষ্ঠ’ শুভ, শেষ পর্যন্ত কোথা থেকে ধরল পুলিশ?

পুজোর পাস বিক্রির মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভ। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলায় তিনি অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। ইন্দ্রনীল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন শুভ। তিনি ইন্দ্রনীলের সংস্থা মাস আর্ট-এর সচিব ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনও খারিজ হয়ে যায়। বুধবার রাতে মধ্য কলকাতার পোদ্দার কোর্টের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।এই গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্তেরা কোটি কোটি টাকা চুরি করেছেন। ইন্দ্রনীলকে ডাকাত এবং ধ্রুবজ্যোতিকে নিকৃষ্টতম চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, পুজোর পাস বিক্রির পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের লজ সংস্কার, বইমেলা, গানমেলা এবং চলচ্চিত্র উৎসবের মতো সরকারি অনুষ্ঠানের কাজ ঘনিষ্ঠ সংস্থাগুলিকে পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের অভিযোগ, সেই টাকা ইন্দ্রনীল নিজে এবং তাঁর আত্মীয়দের সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মন্ত্রিত্বের প্রভাব খাটিয়ে ইন্দ্রনীল তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সংস্থাকে সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দিতেন। আদালতে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তিন জনের গোপন জবানবন্দি ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে মাস আর্ট সোসাইটি, গিডি ক্রিয়েশন, থার্ড আই ক্রিয়েশন এবং রূপকার নামে কয়েকটি সংস্থার নাম। অভিযোগ, বিভিন্ন মেলা ও অনুষ্ঠানের কাজের বরাত পেত এই সংস্থাগুলি। তদন্তকারীদের দাবি, একটি পর্যায়ে গিডি ক্রিয়েশন ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল। থার্ড আই ক্রিয়েশন-এর হাতে যায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার কাজ। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, এই সংস্থার অনুষ্ঠান আয়োজনের আগের অভিজ্ঞতা ছিল না বলে অভিযোগ।অন্য দুটি সংস্থাকেও আলাদা খাতে প্রায় ৬০ কোটি টাকার কাজ দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, থার্ড আই ক্রিয়েশন ৩৬ কোটি ৯ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার এবং রূপকার ৮ কোটি ২১ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল।তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, গিডি ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কাটমানির টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। গিডি ক্রিয়েশন থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা এবং থার্ড আই ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট-এর অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া, গিডি ক্রিয়েশন থেকে ইন্দ্রনীলের মেয়ের অ্যাকাউন্টে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, মোট ২০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আরও বিপুল পরিমাণ কাটমানি লেনদেনের তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই দিকেও তদন্ত চলছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে উঠতে পারবেন না সবাই? সান্দাকফু ভ্রমণে কী কড়া নিয়ম আনল জিটিএ?

সান্দাকফু ও ফালুটে বেড়াতে যাওয়ার আগে এ বার থেকে আরও সতর্ক হতে হবে পর্যটকদের। পাহাড়ে ওঠার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করল গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সান্দাকফু-ফালুট রুটে একাধিক নতুন ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। থাকছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা।জিটিএ সূত্রে খবর, সান্দাকফু-ফালুট রুটের থাকুম ভ্যালি, সাবারগ্রাম এবং ফালুটে ট্রেকার ও সাধারণ পর্যটকদের জন্য রাতে থাকার জায়গায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে পাঠানো হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পালস অক্সিমিটার এবং প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স। অসুস্থ পর্যটকদের দ্রুত পাহাড়ের নীচে নামিয়ে আনার জন্য মানেভঞ্জনে ২৪ ঘণ্টার জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও চালু রাখা হয়েছে।শুধু সরঞ্জাম দেওয়াই নয়, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় হোমস্টে কর্তৃপক্ষ, গাড়িচালক ও গাইডদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। ট্রেকিং রুট এবং ল্যান্ডরোভার সংগঠনের মাধ্যমে তাঁদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে জিটিএ। কোনও পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়লে কী ভাবে দ্রুত সাহায্য করতে হবে, তা শেখানো হচ্ছে তাঁদের।গাইড ও গাড়িচালকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও পর্যটকের তীব্র মাথাব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট কিংবা হাঁটতে অসুবিধা হলে তাঁকে আর উপরে উঠতে দেওয়া যাবে না। দ্রুত নীচে নামিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যটক ও স্থানীয়দের সাহায্যের জন্য মানেভঞ্জনে পর্যটক তথ্যকেন্দ্র এবং সান্দাকফুতেও বিশেষ কর্মী রাখা হয়েছে।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগ এ বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, সান্দাকফু ও ফালুটে ট্রেকিং করতে যাওয়া পর্যটকদের যাত্রা শুরুর আগে শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখাতে হবে। ল্যান্ডরোভারে যাঁরা সেখানে যাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। শংসাপত্র না থাকলে মানেভঞ্জনের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। পরীক্ষায় কেউ পাহাড়ে ওঠার অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হলে তাঁকে আর উপরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগের কর্তা দাওয়া গ্যালপো শেরপা জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, দার্জিলিং জেলার সিঙ্গালিলা শৈলশিরায়, ভারত-নেপাল সীমান্তের কাছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সান্দাকফু ও ফালুট। ট্রেকিং কিংবা বেড়াতে গিয়ে উচ্চতার কারণে অক্সিজেনের অভাবে অনেক পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কখনও কখনও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। সেই বিপদ এড়াতেই পর্যটকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে জরুরি চিকিৎসাসব দিকেই নজর বাড়াচ্ছে জিটিএ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

‘প্রতিবাদের যুগ চলছে, আদালতে এলেন কেন?’ সংরক্ষণ মামলায় আবেদনকারীকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

প্রশ্নফাঁস থেকে ভোটচুরি, নির্বাচন ও এসআইআর নিয়ে দেশজুড়ে চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এই আবহেই সংরক্ষিত বিধানসভা আসনে পরিবর্তনের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এক ভোটার। শুনানির সময় তাঁকে প্রশ্ন করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আন্দোলনের পথে না হেঁটে তিনি আদালতে এলেন কেন, তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্য, এটা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের যুগ। সম্ভবত আপনারও সেই পথ অনুসরণ করা উচিত ছিল। জবাবে আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, তাঁদের প্রতিবাদ করার কোনও ইচ্ছা নেই। তা ছাড়া তাঁর গলাও ব্যথা।উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুর জেলার ১৯১-কাদিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার জগদীশ সিং এই মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, ১৯৫২ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে কাদিপুর বিধানসভা আসনটি তফসিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। এই ব্যবস্থায় মাত্র চার-পাঁচটি পরিবার উপকৃত হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।জগদীশের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভা আসনে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করা হোক। পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনে যেমন পর্যায়ক্রমে সংরক্ষিত আসন বদলের নিয়ম রয়েছে, বিধানসভা আসনের ক্ষেত্রেও তেমন ব্যবস্থা চালুর কথা বিবেচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিক আদালত।আবেদনকারীর যুক্তি, সংরক্ষিত আসন পরিবর্তনের কোনও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় সংবিধানের ১৪, ১৫ ও ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর ফলে ওই কেন্দ্রের ভোটারেরা প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সীমিত সুযোগ পান। কারণ, তাঁরা কেবল তফসিলি জাতির প্রার্থীদেরই ভোট দিতে পারেন।মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চে। শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, ভোটদানের ক্ষেত্রে ভোটারেরা যে জাতপাতকেই একমাত্র গুরুত্ব দেন, এমনটা ধরে নেওয়া যায় না।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে ভোটারেরা প্রার্থীর ধর্ম বা জাতপাতের বদলে রাজনৈতিক দল এবং তাদের আদর্শ বিবেচনা করে ভোট দেবেন, সেটাই প্রত্যাশিত।তবে সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন আনার দাবিতে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। ফলে আবেদনকারীর দাবি আপাতত আদালতের সমর্থন পেল না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

‘মবোক্রেসি গণতন্ত্রের বিকল্প নয়’, কৃষ্ণনগরে দাঁড়িয়ে কাদের নিশানা করলেন শমীক?

কৃষ্ণনগরেও বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও পদযাত্রা। বুধবার এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কৃষ্ণনগরের পোস্ট অফিস মোড়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তথাকথিত ককরোচ পার্টির নেতাদের কুশপুতুল এবং আরশোলার প্রতীকী মূর্তি পোড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দেশের অখণ্ডতা ও সংহতি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।সমাবেশ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন শমীক। তাঁর অভিযোগ, পরিবারতন্ত্র থেকেই দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের জন্ম হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছে। তাঁর আরও দাবি, বিদেশি মদতে কিছু শক্তি দেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। টুকরে টুকরে গ্যাং-এর সদস্যেরা সাধারণ মানুষকে উস্কে দিয়ে বিশৃঙ্খলা ছড়াতে চাইছে।শমীকের কথায়, ভারতের গণতন্ত্রের ভিত অনেক গভীর। কোনও ভাবেই উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসন গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে বাম ও কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী শক্তি হিসেবে বাম ও কংগ্রেস কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই দুই দল তৃণমূলের কাছে নিজেদের সঁপে দিয়েছে। অন্যদিকে, জনসমর্থন হারিয়ে তৃণমূলও রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত উন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বাংলার মানুষ বোমা-বারুদের রাজনীতি চান না। তাঁরা চান শিল্প, কারখানা এবং কাজের সুযোগ। রাজ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না থাকায় বহু যুবককে কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সমাবেশে নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ দেবনাথও বক্তব্য রাখেন। তাঁর অভিযোগ, দেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও কয়েক জন বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এ ধরনের কাজ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং বামপন্থীদের সমালোচনা করে অভিজিতের দাবি, জাতীয়তাবাদী ও সনাতনী সমাজ একজোট হলে দেশবিরোধী শক্তিকে বাংলা তথা দেশ থেকে সরাতে বেশি সময় লাগবে না।কৃষ্ণনগরের এই সমাবেশ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যে সাধারণ মানুষের অধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষায় হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি, পুজোর আগে নদী থেকে কী ভাবে ফিরলেন মা?

বর্ষায় মন্দির থেকে হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি। পুজোর আগে সেই মূর্তিই ফিরে এল গ্রামে। সুন্দরবনের পুঁইজালীতে এই ঘটনায় খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। মায়ের মূর্তি ফিরে পাওয়ায় আনন্দে মেতেছেন গ্রামবাসীরা। নতুন করে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্দির কমিটি।ঘটনার সূত্রপাত রায়মঙ্গল নদীতে। মাছ ধরতে গিয়ে জালে মা কালীর একটি মূর্তি পান এক মৎস্যজীবী। মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা বাবলু মণ্ডল সেই মূর্তিটি উদ্ধার করে নিজের গ্রামে নিয়ে যান। পরে গ্রামের একটি মন্দিরে সেটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মূর্তি উদ্ধারের ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন গ্রামের কয়েক জন যুবক।সেই ভিডিও দেখেই মূর্তিটি চিনতে পারেন সুন্দরবনের পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি তাঁদের গ্রামের কালীমন্দিরের। বর্ষার সময় মন্দির থেকে সেটি হারিয়ে গিয়েছিল।এর পরেই মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা ও মন্দির কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়। মাধবকাটির মন্দির কমিটির সদস্যেরা নিজেদের মতো করে বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা মূর্তিটি তাঁদের বলে প্রমাণ দেওয়ার পর সেটি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মাধবকাটি মন্দির কমিটির এক সদস্য বলেন, আমরা মায়ের মূর্তিটি নদীতে পেয়েছিলাম। পুঁইজালী গ্রামের কমিটি দাবি করে, মূর্তিটি তাঁদের। বিষয়টি থানায় জানিয়েছিলাম। ওঁরা প্রমাণ দিয়েছেন। তাই আমরা মূর্তিটি তাঁদের হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছি।পুঁইজালী পুজো কমিটির সদস্য উত্তম পাত্র বলেন, আমাদের প্রতিমা হারিয়ে গিয়েছিল। এখানকার মন্দির কমিটি ও প্রশাসন সেটি আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। পুঁইজালী কালীমন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি ফিরে পেয়ে আমরা খুবই খুশি।পুজোর আগে হারানো মূর্তি ফিরে পাওয়ায় এখন আনন্দে মেতেছেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। মন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

দুবাই থেকে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে! ১৭ নভেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

দুবাই থেকে দেশে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে। আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। পাথর পাচার এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত টুলু বর্তমানে পরিবারকে নিয়ে দুবাইয়ে রয়েছেন।বীরভূমে পাথর পাচার ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে জেলা পুলিশ। অভিযোগ, সরকারি কর্মীদের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে খনিজ পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় ডিসিআর এড়িয়ে যেতেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে সেই অঙ্ক প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বলে দাবি তদন্তকারীদের।এই মামলায় পুলিশের তৎপরতা বাড়তেই এলাকা ছেড়ে চলে যান টুলু। পরে তিনি দুবাইয়ে আশ্রয় নেন বলে জানা গিয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে তাঁর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তিনি জানান, আদালতের রক্ষাকবচ পেলে দেশে ফিরতে রাজি টুলু। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ টুলুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে।আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে মুকুল বলেন, টুলু মণ্ডল দাউদ ইব্রাহিম নন। তিনি দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে দুবাইয়ে বৈধ ব্যবসা করছেন।এর পরেই রাজ্য পুলিশের বক্তব্য জানতে চান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শী নাগুর বেঞ্চ। রাজ্য পুলিশের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, টুলু দেশে ফিরলে আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৭ নভেম্বরের মধ্যে টুলুকে ভারতে ফেরার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি আদালত জানায়, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পরবর্তী রক্ষাকবচের জন্য স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে হবে টুলুকে।ফলে আপাতত দুবাই ছেড়ে দেশে ফিরতে হবে টুলু মণ্ডলকে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পাথর পাচার ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত চলবে। মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বিগ বস বাংলায় ফিরতেই রাজবীরের চুমু! নন্দিনীকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ দাসের মা

বিগ বস বাংলার দুর্গে ফিরলেন নন্দিনী দত্ত। তবে সাধারণ ভাবে নয়, ভূত জুলির সাজে। মঙ্গলবারের পর্বে তাঁকে দেখেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রাজবীর। জড়িয়ে ধরে চুমুতে ভরিয়ে দেন নন্দিনীকে। কিন্তু তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি অভিনেতা সৌরভ দাসের মায়ের। তাঁর মতে, প্রেমেরও একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর ও নন্দিনী সেই সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।রবিবারের পর্বে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের ভোটে বিগ বস বাংলার দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন নন্দিনী। সেই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর-সহ অন্য প্রতিযোগীরা। দুর্গ ছাড়ার আগে প্রেমিকাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন রাজবীর। তবে পরে জানা যায়, নন্দিনী আসলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েননি। তাঁকে দুদিনের জন্য রাখা হয়েছিল গোপন ঘরে।মঙ্গলবার রাতে ভূত জুলির সাজে ফের মূল দুর্গে প্রবেশ করেন নন্দিনী। জানা যায়, বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে ফিরেছেন তিনি। নন্দিনীকে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীর। তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করেন। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে। খোদ সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা সৌরভ দাসের মা। তাঁর কথায়, মিষ্টি প্রেম হতেই পারে। কিন্তু এটা একটা নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চরম বাড়াবাড়ি হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর আর নন্দিনী সেই সীমাটাই পার করে গিয়েছে। শো দেখাই ছেড়ে দেব ভেবেছিলাম।বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই শোয়ের পারিবারিক চরিত্র বজায় রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal