• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Man

রাজ্য

Asha worker: আশাকর্মী মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি কর্মী ইউনিয়নের, বিক্ষোভ-মিছিল

মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে আশা কর্মী মণিকা বোসকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে তাঁর সৎ ছেলে ও বৌমা। এই দুই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সকল আশা কর্মীরা।নিহত মণিকা বোসের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স হাতে নিয়ে এদিন র্যালি করে জামালপুর ব্লক হাসপাতাল থেকে জামালপুর থানায় পৌছান কয়েক শো আশা কর্মী। সেখানে দাঁড়িয়েই শ্লোগান তুলে তাঁরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি জানান। পরে দাবির বিষয়টি নিয়ে আশা কর্মীরা থানায় স্মারকলিপিও জমা দেন। মৃত আশা কর্মীর বাবা কাশীনাথ নন্দীও এদিন থানা চত্ত্বরে হাজির থেকে চোখের জল মুছতে মুছতেই তাঁর মেয়ের খুনিরদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশপশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের পূর্ব বর্ধমান জেলা ইনচার্য ঝর্ণা পাল জানিয়েছেন,তাঁদের সহকর্মী বছর ৪৫ বয়সী মণিকা বোস জামালপুর ব্লক হাসপাতাল অধীনে কাজ করতেন। প্রকৃত অর্থেই মণিকা ছিলেন একজন করোনা যোদ্ধা। জামালপুর থানা সংলগ্ন কালাড়াঘাট গ্রামে তাঁর স্বামীর বাড়ি। বাবার বাড়ি কালাড়াঘাটের অনতি দূরে জামালপুরের হাওয়াখানা পাড় এলাকায়। ঝর্না পাল বলেন, কালাড়াঘাট নিবাসী দিলীপ বোষের স্ত্রী তাঁর পুত্রসন্তান সুভাষকে জন্ম দেওয়ার কয়েক বছর পর মারা যান। এরপর সংসার সামলানো ও নাবালক সন্তান সুভাষকে প্রতিপালনের জন্য ব্যবসায়ী দিলীপ বোস পুনর্বিবাহের মনস্থির করেন। বছর ১৬ আগে দিলীপ বোসের সঙ্গে মণিকার সঙ্গে বিয়ে হয়। মণিকা নিজে নিঃসন্তান থেকে গিয়ে সুভাষকে পুত্র স্নেহে বড় করে তেলেন। বছর ১০-১১ আগে দিলীপ বোস মারা যান। তারপরেও সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। মণিকার সংসারে অশান্তি শুরু তাঁর সৎ ছেলে সুভাষ ছয় মাস আগে মণিকার মতামতকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিছের ইচ্ছায় বর্ধমানের বড়শুলের তরুণী আল্পনাকে বিয়ে করার পর থেকে। মণিকা এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। তাই গত সোমবার মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে করোনা যোদ্ধা মণিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁরই সৎ ছেলে ও বৌমার বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দী জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে মণিকার সৎ ছেলে সুভাষ বোস ও তার স্ত্রী আল্পনা বোসকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের নির্দেশে তারা এখন জামালপুর থানার পুলিশি হেপাজতে রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভবিনিসুতোয় প্রসঙ্গে অনিন্দিতা সরকারএদিন থানায় স্মারকলিপি প্রদান করে সকল আশা কর্মীরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ ছেলে সুভাষ ও বৌমা আল্পনার দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করার দাবি এদিন পুলিশকে জানান। একই দাবি থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে রাখেন আশা কর্মী মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দীও। থানায় হাজির হওয়া আশা কর্মী শম্পা দাস, মিতা বিশ্বাস প্রমুখরা বলেন, আমাদের সহকর্মী মণিকাকে এই ভাবে খুন হতে হবে তা আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি। আমরা চাই মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর সাজা।যথাযথ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আশা কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারা।

আগস্ট ২০, ২০২১
রাজ্য

সাঁতরে খড়ি নদি পেরিয়ে জমিতে যেতে গিয়ে তলিয়ে গেলেন প্রৌঢ়

সাঁতরে ভরা খড়ি নদি পেরিয়ে চাষের জমিতে যাওয়ার সময়ে তলিয়ে গেলেন এক প্রৌঢ় চাষি। তাঁর নাম সাহাদাত মোল্লা (৭০)। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের শুশুনিয়া পঞ্চায়েতের ভোজপুর গ্রামে তার বাড়ি। এই খবর পেয়ে পুলিশ ও ব্লক বিপর্যয় ব্যবস্থাপন দপ্তরের কর্তাদের পাশাপাশি এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ঘটনাস্থলে পৌছান। তারই মধ্যে কালনা থেকে ডুবুরির দল এসে নদিতে নেমে সাহাদাত মোল্লার খোঁজ চালানো শুরু করে। যদিও এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তার হদিশ মেলেনি। এই অবস্থায় চরম উৎকন্ঠায় রয়েছেন চাষি সাহাদাত মোল্লার পরিবার।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কপলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্তেশ্বরের খড়ি নদির পারেই রয়েছে ভোজপুরের বাসিন্দা সাহাদাত মোল্লার কৃষি জমি। বছরের অন্যান্য সময়ে নদিতে তেমন জল থাকে না বলে এলাকার আর পাঁচটা চাষির মতো তিনি তখন হেঁটে নদি পেরিয়ে জমিতে যেতেন। তবে বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ডিভিসির ছাড়া জলে খড়ি নদিতে এখন কানায় কানায় জল । সহাদাত এদিন সকালে ভরা নদী সাঁতরে জমিতে যেতে গিয়ে তলিয়ে যান। ঘটনা প্রত্যক্ষ করে এলাকার কয়েকজন নদীর জলে নেমে তাঁর খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু খোঁজ পান না। পরে ডুরিরা নদির জলে সন্ধান চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। প্রৌঢ় চাষির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Minor Marriage: চার হাত এক হওয়ার মুহূর্তে ব্যাকুল খুদে প্রেমিকার স্বপ্ন ভঙ্গ

বিয়ের বয়স না হলেও প্রেমিককেই জীবনসঙ্গী হিসাবে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল খুদে প্রেমিকা। তাই বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার মণ্ডলহাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রেমিকা সটান চলে আসে পুর্বস্থলীর হলদি-নপাড়া এলাকা নিবাসী প্রেমিকের বাড়িতে। তাঁদের বিয়ের সব আয়োজনও সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ওই রাতেই সেখানে পৌছে যাওয়ায় ছাদনাতলায় বসার আগেই স্বপ্নভঙ্গ হল প্রেমিকার। সাবালিকা হয়ে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসার জন্য প্রেমিকাকে এখন পার করতে হবে পাঁচ পাঁচটা বসন্ত।দুই পরিবারের কাছ থেকে তেমনই মুচলেখা আদায় করে নিয়েছে পুলিশ ও চাইল্ড লাইন কর্তৃপক্ষ । নবালিকা অবশ্য সেই শর্তেই শেষমেষ সন্মতি জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার মণ্ডলহাট এলাকা নিবাসী নাবালিকার বয়স মাত্র ১৩ বছর। পূর্বস্থলীর হালদি-নপাড়া নিবাসী তাঁর প্রেমিকের বয়স কুড়ি। এই যুবককে বিয়ে করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল প্রেমিকা। তাই বুধবার সে সটান চলে আসে প্রেমিক যুবকের বাড়িতে।প্রেমিকাকে নিরাশ করতে না চেয়ে যুবকের পরিবার দুজনের চার হাত এক করার যাবতীয় আয়োজনও সম্পূর্ণ করে ফেলেন।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারসেই খবর গোপনে পৌছে যায় পূর্বস্থলী থানার পুলিশের কাছে। পাত্র পাত্রী ছাতনা তলায় বিয়ের পিড়িতে বসার আগেই পুলিশ তাদের তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। পুলিশের তরফে খবর দেওয়া হয় চাইল্ড লাইনে। এদিন কাটোয়া থেকে চাইল্ড লাইনের টিম পূর্বস্থলী থানায় পৌছেয়া। ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত ওই নাবালিকার বিয়ে দেওয়া যাবে না বলে দুই পরিবার চাইল্ডলাইনের কাছে মুচলেখা দেয়। তার পর তারা ছাড়া পায়।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে কুখ্যাত দুস্কৃতিচাইল্ড লাইন আধিকারিক সুচেতনা ভট্টাচার্য বলেন, অল্প বয়সে ছেলে, মেয়েদের বিয়ে দিলে তাদের শারীরিক ও মানসিক কি ক্ষতি হতে পারে তা দুই পরিবারকে বোঝানো হয়। বিবাহ সংক্রান্ত বয়সসীমা মানার ব্যাপারে দুই পরিবার এদিন মুচলেখা দিয়েছেন। নাবালিকাকে তাঁর বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pistol: ২৫ মিটার পিস্তলের ফাইনালে পৌঁছতে ব্যর্থ মানু-রাহি

টোকিও অলিম্পিকের শুটিংয়ে ভারতের হতাশা অব্যাহত। ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিশ্র বিভাগে ব্যর্থতার পর মহিলাদের ২৫ মিটার পিস্তলের যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকেই ছিটকে গেলেন ভারতীয় শুটাররা। মানু ভাকের কিছুটা লড়াই করলেও অনেক পিছিয়ে থেকে প্রতিযোগিতা শেষ করেন রাহি সার্নোবত ২৫ মিটার পিস্তল ইভেন্টের প্রিসিশন ও র্যাপিড কোয়ালিফিকেশন রাউন্ড মিলিয়ে মোট ৫৮২ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হন মানু। ৪৪ জন প্রতিযোগীর মধ্যে তিনি শেষ করেন ১১ নম্বরে। অন্যদিকে ৫৭৩ পয়েন্টে থেমে যান রাহি সার্নোবত। তিনি শেষ করেন ৩২ নম্বরে।অলিম্পিক শুটিংয়ে অনেক প্রত্যাশা ছিল। সবথেকে বেশি পদক জয়ের সম্ভাবনা ছিল এই ইভেন্টেই। দলগত, মিশ্র বিভাগে চূড়ান্ত ব্যর্থ ভারতীয় শুটাররা। এর মধ্যেই অলিম্পিকের ষষ্ঠ দিনে ২৫ মিটার এয়ার পিস্তলের মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগের যোগ্যতা অর্জন পর্বে নেমেছিলেন মানু ভাকের ও রাহি সার্নোবত।রাহি সার্নোবত এই প্রথম টোকিও অলিম্পিকের শুটিং রেঞ্জে কোনও ইভেন্টে নামলেন। মানু ভাকের অবশ্য আগের দলগত ও মিশ্র ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন। দুটি বিভাগেই তিনি হতাশ করেছেন। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রিসিশন রাউন্ডে অবশ্য ভাল ফল করলেন। প্রথম দিন প্রিসিশন রাউন্ডে মানু ভাকের মোট স্কোর করেন ২৯২। ছিলেন ৫ নম্বরে। দ্বিতীয় দিনে র্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে স্কোর করেন ২৯০। দুই রাউন্ড মিলিয়ে স্কোর ৫৮২।অন্যদিকে, এই ইভেন্টে রাহি সার্নোবতের ওপর প্রত্যাশা বেশি ছিল ক্রীড়াপ্রেমীদের। এই তরুণ মহিলা শুটার প্রিসিশন রাউন্ডের প্রথম দিনে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। ২৮৭ পয়েন্টে থেমে যান। শেষ পর্যন্ত তাঁর স্থান হয় ২৫ নম্বরে। র্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে তিনি সংগ্রহ করেন ২৮৬। দুই রাউন্ড মিলিয়ে সংগ্রহ করেন ৫৭৩। প্রিসিশন রাউন্ডে পিছিয়ে পড়ায় রাহি সার্নোবতের কাছে ফাইনালে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে গিয়েছিল।

জুলাই ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Uttam-Manna: মহানায়ক উত্তম কুমার ও মান্না দে বাংলার সিনেমার 'আমি যামিনী তুমি শশী '

সিনেমা / ছায়াছবি যে দিন নির্বাক থেকে সবাক হল প্রায় তখন থেকেই ছবির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জুড়ে গেল গান। সঙ্গে এটাও বোঝা গেল গানও একটা ছায়াছবিকে একক ভাবে জনপ্রিয় করতে পারে। ছবি শেষ হলেও গানের রেশ দর্শকের কানে বাজতে থাকে। তাঁদের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ায়। ফলে সিনেমার নাম অনেক সময় ভুলে গেলেও, আমরা গান দিয়ে তাঁকে খুঁজতে চেষ্টা করি।আমি কেবল মান্না দে-র গান শুনি। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মোঃ রফি একবার তাঁর ভক্তদের বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন মান্না দে মুম্বাই তথা বলিউড প্লেব্যাক জগতের প্রাণ এবং ১০০ বছর পরেও মানুষের মনে সেই স্থানেই তিনি থাকবেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নিয়মিত চর্চার সঙ্গে সঙ্গে গলার অসাধারন সুর, বহুমুখী গান করার দক্ষতা তাঁকে কিংবদন্তি গায়কের স্থানে বসিয়ে রেখেছে।রাজকাপুর-মুকেশ, অমিতাভ- কিশোর, শশী কাপুর-মঃ রফি এরকম অনেক অভিনেতা গায়কের জুটির নাম জানা যায়। সেই রকমই, তৎকালীন সময়ে মহানায়ক উত্তম কুমারের ঠোঁটে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান ছিল সমার্থক। তাঁদের এমনই বোঝাপড়া ছিলো কখনই বোঝা যেত না উত্তমকুমার হেমন্তর গানে লিপ দিচ্ছেন। এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ছাড়া অন্য কোনও শিল্পীর গাওয়া গানে মহানায়ক স্বচ্ছন্দ বোধও করতেন না, একথা তিনি অনেক সাক্ষাতকারে বলেছেন। সেই মহানায়কের লিপে এবার ভাবা হল অন্য শিল্পীর গান।বাংলা সিনেমায় মান্না দের প্রবেশ এবং তাও মহানায়ক উত্তম কুমারের লিপে গান সেটা বেশ আকর্ষণীয়। ১৯৬৬ তে উত্তম কুমার অভিনীত শঙ্খবেলার সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত যখন মান্না দে-কে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, তখন সকলেই প্রায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। মান্না দে হেঁসে বললেন এটা একটা বিপর্যয় ছিল। প্রযোজক ও পরিবেশক বলেছিলেন, অসম্ভব। এই গান হেমন্তকে দিয়েই করাতে হবে। পরিচালক অগ্রদূত ও সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত অনড় ছিলেন। অবশেষে সবাই নিমরাজি হয়ে সহমত হলেন। ছবিতে আরেক মহান শিল্পী কিন্নর কন্ঠী লতা মঙ্গেশকরও গান গেয়েছিলেন। সঙ্গীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত মুম্বাই গিয়ে দেখলেন সমস্ত রেকর্ডিং স্টূডিও ব্যস্ত। অনেক টালবাহানার পর সঙ্গীত পরিচালক নৌসাদজি কে অনুরোধ করে কোনওরকমে দিন ঠিক করলেন। মেহবুব স্টূডিওতে মাত্র একটা রিহার্সাল করে প্রথম টেকেই তৈরি হল ইতিহাস। আর কে না জানে কত বড় হিট গান তৈরি হল কে প্রথম কছে এসেছি...! মান্না দে-র কন্ঠের নিখুঁত রোম্যান্টিক ফ্লেবার বাঙ্গালি সিনেমা ও সঙ্গীত প্রেমিদের মোহিত করে দিল। এক অন্য অধ্যায় শুরু হল।সবাই শঙ্খবেলা সিনেমায় প্রথমবার উত্তমের মুখে মান্নার গলায় গানের কথা জানলেও,আসলে মহানায়কের মুখে মান্নার প্রথম গান ১৯৫৯ এ গলি থেকে রাজপথ সিনেমায়। যদিও শঙ্খবেলা আগে মুক্তি পাওয়ায় এটিকেই প্রথম গান বলে সবাই জানে।মান্না দের তাঁর একটি সাক্ষাতকারে একবার বলেছিলেন, আমার মনে আছে আমি যখন উত্তমের হয়ে প্রথম গান করি সেটি ছিল বাংলা সিনেমা গলি থেকে রাজপথ। ১৯৫৯ সালে সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত আমাকে লাগ লাগ ভেলকির খেলা গানটি করান। উত্তমের কণ্ঠস্বর হিসাবে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যে স্তরে পৌঁছেছিলেন আমি সে স্তরে পৌঁছতে পারব কিনা তা নিয়ে আমার যথেষ্ঠ সন্দেহ ছিল। সর্বোপরি তিনি ছিলেন উত্তম কুমারের ঘোস্ট ভয়েস। তবে আমি উত্তমবাবুর জন্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গির গানগুলি করার পরে উত্তম আমায় বলেছিলেন, আপনি এই গানগুলিতে আমার কণ্ঠস্বর যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন তা অন্য কোনও গায়কই দিতে পারেননি। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং আপনার মধ্যে কোনও তুলনা হতে পারে না, কারণ আপনারা দুজনেই নিজের মতো করেই দুর্দান্ত। উত্তমকুমার, সুধীন দাশগুপ্ত এবং মান্না দে, এই ত্রয়ীর বহু সিনেমার গান বাঙ্গালির মনে রেশ রয়ে গেছে, যেমন - কোখনো মেঘ (১৯৮৬; এক দুই তিন), মঞ্জরি অপেরা (১৯৭০ মরন তোমার হার), ছদ্মবেশী (১৯৭১ আমি কোন পথে যে চলি, বাঁচাও কে আছো মরেছি যে প্রেম করে), হার মানা হার (১৯৭২ এসেছি আলাদিন, এসেছি আমি এসেছি) এবং আরও অনেক কাল জয়ী গান।তাঁদের জুটিতে প্রথম রিলিজ হওয়া সিনেমা শঙ্খবেলা সুপারহিট হল। গানগুলি মানুষের মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। কিন্তু সিনেমা পাড়ায় বহু মানুষ মহানায়কের কানে কানে বলতে থাকলেন মান্না দেকে দিয়ে গান করালে আপনার ছবি আর হিট হবে না। পরের ছবিতে সুরকার অনিল বাগচি। আদ্যন্ত হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ঘরানার সুরকার বাগচি, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিভিন্ন রাগ রাগিণীকে লঘু সঙ্গীতের উপযুক্ত করে ছোটো ছোটো গলার কাজ রেখে তৈরি করা তার সুর শুনে আপামর জনতা ধন্য ধন্য করে উঠল।এর মধ্যে একদিন সকালে মুম্বাইয়ে গান রেকর্ডিং-এর উদ্দেশ্যে মান্না দে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। দেখেন উল্টোদিকের রাস্তায় কানে হেডফোন লাগিয়ে একটা ওয়াকম্যান নিয়ে উত্তমকুমার প্রাতঃভ্রমন করছেন। মান্না দেকে দেখে উত্তম হেঁসে বলে উঠলেন এতে আপনার গানই বাজছে। গানগুলিতে যে ছোট ছোট কাজ লাগিয়েছেন গলায়, তাতে একেবারেই ফেঁসে গেছি, সারাদিন শুনে শুনে শুধু গেয়েই যাচ্ছি, কিন্তু কিছুতেই যেন ঠিকঠাক করতে পারছি না মান্না দে শুনে আবাক! পরে এক সাক্ষাতে বলেছিলেন একজন মানুষের ডেডিকেশন কোন উচ্চতায় থাকলে তবে একটা উত্তমকুমার হওয়া যায়। সেই আরব সাগরের তীরে প্রাতঃভ্রমন কালীন অভ্যাস করা গান বাংলা সিনামার এক যুগান্ত সৃষ্টি করল। ছবি, গান ও উত্তমের অভিনয় অবিস্মরণীয়। ছবিটি ছিল অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি। এরপরে বিমল কর পরিচালিত স্ত্রী সিনেমা-তে উত্তম ও সৌমিত্র দুই মহারথী অভিনয় করেছিলেন। মজার ব্যপার উত্তমের গলায় মান্না আর সৌমিত্রর লিপে হেমন্ত গান গেয়েছিলেন। উত্তমের লিপে মান্না দের গাওয়া ঝাড়বাতি র গৌরব বর্ণনা করে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা সাবার মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। উত্তম আর সৌমিত্রর পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা দুটি ছবিতেই সুরকার নচিকেতা ঘোষ এবং গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার। মজার ব্যাপার, গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার স্ত্রী সিনেমা-তে যে ঝাড়বাতির মহিমা বর্ণনা করে লিখলেন হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা - রাত কে যে দিন করেছে গাইলেন মান্না দে, পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা তে সেই গীতিকার লিখলেন ভালবাসার আগুল জ্বালাও - ওই ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও এই গানও গাইলেন সেই মান্না দে।গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার একবার শচীন দেব বর্মনের জন্য একটা গান লিখলেন, যেকোনও কারনেই সেই গান আর তাঁকে দিয়ে গাওয়ানো যায়নি। তিনি পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়কে গিয়ে বললেন সে কথা। গানটা দেখালেন। অরবিন্দবাবু তাঁকে বলেন, এই গান উত্তমের গলায় দারুন মানাবে, তিনি জানালেন ওই গান তাঁর ছবিতে ব্যবহার করবেন। গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার তাঁকে বললেন, গানে অনেক নাটকীয়তা আছে অভিনেতা এবং গায়ককেও গানের মধ্যে অভিনয় করতে হবে। অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় গৌরিপ্রসন্নকে জানালেন, এই গানের সুর করবে নচিকেতা ঘোষ আর গান গাইবে মান্না দে। ছবির নাম নিশিপদ্ম, গানটা না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না। বলাবাহুল্য ছবিতে উত্তম-মান্নার এক অনবদ্য যুগলবন্দী সাক্ষী থাকলো জনতা। এই ভাবেই শুরু হয়ে গেলো উত্তম-মান্নার জয়যাত্রা। যার আবেশে শুধু আপামর দর্শক নয় মজে ছিলেন শিল্পী, অভিনেতা, কলাকুশলী সকলে।মান্না দে এবং উত্তম কুমার জুটিতে ৫৪ টি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। তিনি অন্যান্য সংগীত পরিচালকদের জন্যও বহু গান গেয়েছিলেন এবং সে গানও সমান জনপ্রিয় ছিল। মান্না-উত্তম জুটির শ্রেষ্ঠ সিনেমাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি (অমি যে জলসাঘরে বা আমি যামিনী তুমি শশী হে), নিশিপদ্ম (১৯৭০, সংগীত পরিচালক নচিকেতা ঘোষ, না না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না বা যা খুশি ওরা বলে বলুক), আলো আমার আলো (১৯৭২, সংগীত: পবিত্র চ্যাটার্জী, এই এতো আলো, এতো আকাশ), মৌচাক (পাগলা গারদ কোথায় আছে), দেবদাস (১৯৭৯, সংগীত পরিচালক জগন্ময় মিত্র ও কালিপদ সেন, শাওন রাতে যদি)। মান্না দে এবং উত্তম কুমারের যুগলবন্দি আগামী ১০০ বছরেও পুরনো হবে না!

জুলাই ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Manoj Tiwary : মন্ত্রী মনোজকে রেখেই ঘোষিত হল বাংলার প্রাথমিক দল

রাজনীতিতে যোগদান করার পরেও তিনি জানিয়েছিলেন ক্রিকেট মাঠ থেকে এখনই সরছেন না। ভোটে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন। দায়িত্ব আরও বেড়েছে। তবুও ক্রিকেট মাঠকে এখনই বিদায় জানাচ্ছেন না মনোজ তেওয়ারি। সামনের মরশুমেও বাংলার হয়ে খেলতে চান। সেকথা সিএবি কর্তাদের আগেই জানিয়েছিলেন। তাই মন্ত্রী মনোজকে রেখেই সামনের মরশুমের জন্য ৩৯ জনের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে সিএবি।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?২৩ জুলাই থেকে শুরু হবে বাংলার ফিটনেস ক্যাম্প। এই ফটনেস ক্যাম্পে যে ৩৯ ক্রিকেটারকে ডাকা হয়েছে, তাঁরা হলেন: অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ ঘরামি, অভিষেক রমন, অভিষেক দাস, বিবেক সিং, অঙ্কুর পাল, অনুষ্টুপ মজুমদার, মনোজ তিওয়ারি, কাজি জুনেইদ সইফি, সুদীপ চ্যাটার্জি, কাইফ আহমেদ, ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরি, রনজ্যোৎ সিং খৈরা, সুমন্ত গুপ্ত, ঋদ্ধিমান সাহা, অগ্নিভ পান, শুভঙ্কর বল, অভিষেক পোড়েল, শ্রীবৎস গোস্বামী, শাহবাজ আহমেদ, করণলাল, ঋত্বিক চ্যাটার্জি, প্রভাত মৌর্য্য, অর্নব নন্দী, মহম্মদ হামিদ, ঈশান পোড়েল, আকাশ দীপ, মুকেশ কুমার, গীত পুরি, মহম্মদ কাইফ, গোলাম মোস্তফা, দেবপ্রতিম হালদার, সায়ন ঘোষ, সৌম্যদীপ মন্ডল, প্রদীপ্ত প্রামানিক, সুজিত কুমার যাদব, প্রয়াস রায় বর্মন, শ্রেয়ান চক্রবর্তী, অঙ্কিত মিশ্র।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংপ্রথম দিন থেকেই ফিটনেস ক্যাম্পে ক্রিকেটারদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ক্রিকেটারদের ফিটনেস দেখে তারপর বাংলার সম্ভাব্য দল বেছে নেওয়া হবে। ফিটনেসের মাপকাঠিও বেধে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট মানে পৌঁছলে তবেই ক্রিকেটাররা দলে জায়গা পাবেন। ২৩ জুলাই থেকে ক্রিকেটারদের ফিটনেস ক্যাম্পে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হলেও জাতীয় দলে থাকা ক্রিকেটারদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। ঈশান পোড়েল জুলাই মাসের শেষে শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ফিরবেন। দেশে ফিরে ক্যাম্পে যোগ দেবেন। তবে ঋদ্ধিমান সাহা ও মহম্মদ সামি ক্যাম্পে যোগ দিতে পারবেন না। সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে এই দুই ক্রিকেটার আইপিএল খেলতে চলে যাবেন। ঈশান পোড়েলও আইপিএল খেলতে চলে যাবেন। তবে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে অভিমন্যু ঈশ্বরণ ক্যাম্পে যোগ দেবেন।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Mongalkote: মঙ্গলকোটে শুটআউট -নিহত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে খুন। বাইক দাঁড় করিয়ে কাছ থেকে গুলি চালিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। মৃত ব্যক্তির নাম অসীম দাস। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের সিওর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। গূলি লাগার পর রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন অসীমবাবু। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কেরএদিকে, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে মারার ঘটনা জানাজানি হতেই মঙ্গলকোটজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়েই মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী-সহ অন্য তৃণমূল নেতারা মঙ্গলকোট হাসপাতালে পৌঁছে যান। একইভাবে ঘটনার কথা জানার পর জেলার উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। দুষ্কৃতীদের খোঁজে পুলিশ পার্শ্ববর্তী জেলার সীমান্তে জোরদার নজরদারি চালানোর পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালানো শুরু করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিন রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত ৬৮, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরজানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মত এদিন সন্ধ্যায় কাশেমনগর বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে একাই সিওর গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন অসীম দাস। পথে বাড়ির কাছেই সিওর মোড়ের কাছে কেউ দাদা বলে ডেকে অসীম দাসের মোটরসাইকেল দাঁড় করায়। এরপরেই খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। উত্তেজনা চরমে ওঠায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিতৃণমূল নেতা অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় বিজেপির যোগসাজোস রয়েছে বলে দাবি করেছেন মঙ্গলকোটের তৃমূলের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী। একই অভিযোগ করে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ার বদলা নিতে মঙ্গলকোটের বিজেপি কর্মীরা এখন সন্ত্রাস ও খুনের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে। খুনিরা কেউ পার পাবেনা বলে দেবু টুডু জানিয়েদেন। মঙ্গলকোট বিধানসভার পর্যবেক্ষক তথা বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন,অসীম দাস দক্ষ সংগঠক ছিলেন। বিজেপির লোকজনই পরিকল্পনা করে তাকে খুন করেছে। মৃতর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বুধবার মঙ্গলকোট যাচ্ছেন বলে অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন। যদিও বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অনীল দত্ত পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। তা ধাপাচাপা দিতেই তৃণমূলের নেতারা বিজেপির দিকে আঙুল তুলছে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করেলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে বিজেপি নেতা অনিল দত্ত মন্তব্য করেছেন।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজনীতি

Minister WB: বিজেপিকে রুখতে ঝাঁড়ফুক বা পানিপোড়া, নাহলে ৭০-৮০ ডিগ্রির দাওয়াই, হুঙ্কার রাজ্যের মন্ত্রীর

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়পেট্রোপণের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের কু-পুত্র বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। রবিবার নিজের বিধানসভা এলাকা পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রাম ও সাতগেছিয়া বাজার এলাকায় হওয়া দলের প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। সেই কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখতে উঠে নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে কার্যত তুলোধনা করেন গ্রন্থাগার মন্ত্রী। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সারা রাজ্যের পাশাপাশি এদিন পেট্রোপণ্যের লাগামছাড়া মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মন্তেশ্বরের সাতগেছিয়া ও কুসুমগ্রামে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় । সেই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী এদিন আরও বলেন, সেই সব গ্রাম আমি চিনি যেখানে বিজেপির কর্মীরা অনেক মুসলমান বাড়ির সামনে কাঁফন রেখেছিল। যারা রেখেছিল তারাও মুসলমান। তাদেরও টুপি আছে, দাড়িও আছে।নামাজ তারাও পড়ে। তবে তারা কুড়ি হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে গিয়েছে। সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ওইসব বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে এরপরেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা প্রথমে ওদের ঝাড়ফুঁক তেল ও পানি পোড়া দেব । তাতে যদি ঠিক হয়ে যায় তো ঠিক আছে। না হলে ৭০ ডিগ্রি বা ৮০ ডিগ্রির বিষয়টি পরে ভেবে দেখা হবে।পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে এইসব বিস্ফোরক মন্তব্য করার পাশাপাশি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের কু-পুত্র বলেও কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী।বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংবিধানের শপথ নেওয়া রাজ্যের একজন মন্ত্রী যে ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আপমান করছেন তা কার্যত নজিরবিহীন। একই সঙ্গে কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্য থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে এই রাজ্যে বিরোধীদের নিকেশ করতে চায় শাসক দল।তারই ইঙ্গিত স্বরুপ মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ঝাড়ফুঁক, তেলপোড়া, পাণি পোড়া, ৭০ডিগ্রি, ৮০ডিগ্রির প্রসঙ্গ তুলেছেন। তবে এই সব হুঁশিয়ারী দিয়ে লাভ কিছু হবে না। কারণ দেশের আইনি শাসন ব্যবস্থা অনুযায়ী বিরোধীদেরও রাজনীতি করার ও মত প্রকাশের আধিকার রয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২১
দেশ

Covid Package: রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভার

মোদির নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরই কোভিড মোকাবিলায় বড় প্যাকেজ ঘোষণা। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৩,১২৩ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করল কেন্দ্র। রদবদলের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে আয়োজিত সেই বৈঠকে অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলার উদ্দেশে এই আপৎকালীন বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বরাদ্দ অর্থের মধ্যে ১৫ হাজার কোটি টাকা সরাসরি কেন্দ্র খরচ করবে। ৮ হাজার কোটি টাকা রাজ্যগুলির মধ্যে বণ্টন করা হবে। আগামী নমাসের মধ্যে এই কর্মসূচি কার্যকর করা হবে বলে কেন্দ্র জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে সিরাজকে খেলানোর ভাবনাবুধবার হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে গুজরাতের বিজেপি নেতা মনসুখ মাণ্ডব্যকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর মনসুখ বলেন, এই টাকায় দেশের ৭৩৬টি টি জেলায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে শিশু চিকিৎসা বিভাগ গড়া হবে। ব্যবস্থা হবে ২০ হাজার আইসিইউ শয্যার। পাশাপাশি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত রাখা হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই সক্রিয়তা।নতুন এই ঘোষণা থেকে পরিষ্কার, করোনার মোকাবিলাকেই অগ্রাধিকার দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বিরোধীদের অভিযোগ, দেশে করোনা সংকটের মোকাবিলার ব্যর্থতার অভিযোগই হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে দেওয়ার প্রধান কারণ। আর এদিনও বৈঠকের পরেই করোনার প্যাকেজ ঘোষণা বুঝিয়ে দিল, মোদি সরকার অতিমারির মোকাবিলায় মরিয়া পদক্ষেপ করতে চাইছে।

জুলাই ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

EURO 2020‌: স্পেনকে হারানোর পর স্বপ্ন বেড়ে গিয়েছে অভিমানী মানচিনির

নাসরীন সুলতানা২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে না পারার কী শাপমোচন হতে চলেছে ইতালির? প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গেছে রবার্তো মানচিনির দল। মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে লুই এনরিকের স্পেনকে রোমাঞ্চকর, রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে টাইব্রেকারে ৪২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে ইতালি। সামনে মাত্র আর একটা হার্ডলস।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারএকসময় ইতালি ছিল বিশ্ব ফুটবলে রীতিমতো সাড়া জাগানো দল। মাঝে শক্তিক্ষয় করে অনেকটা পেছনের সারিতে চলে গিয়েছিল। ২০১৮ বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারাটা ইতালির কাছে ছিল একটা বড় ধাক্কা। ১৯৫৮ সালের পর সেবছর প্রথম বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ইতালি। ইওরো কাপে ইতালি যে চমক দেখাতে পারে, বছর দুয়েক আগেও অতিবড় আজুরি সমর্থকও ভাবতে পারেননি। কিছুদিন আগে পর্যন্তও ইতালি ছিল বিদ্রুপের উপাদান। ইতালি যে সাফল্য পেতে পারে কেউ বিশ্বাস করেনি। রবার্তো মানচিনির কোচিংয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইতালি। স্পেন বধের পর বিশ্বাসটা বেড়েছে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানস্পেনকে হারানোর পর কিছুটা যেন অভিমানী ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি। তিনি বলেন, আমাদের ওপর তো কারও ভরসা ছিল না। কেউ ভাবেনি আমরা এই পর্যন্ত পৌঁছতে পারি। তবুও একটা ফাইনালে পৌঁছে গেলাম। মানচিনি আরও বলেন, ফুটবলাররা এই ইওরো কাপে কিছু একটা করে দেখাতে চেয়েছিল। ওরা চেয়েছিল এমন ফুটবল উপহার দিতে, যাতে দর্শকরা উপভোগ করতে পারে। স্পেনের বিরুদ্ধেও উপভোগ্য ফুটবল খেলেছে। সব ম্যাচ যে সহজেই জিতব, এটা হতে পারে না। প্রচুর পরিশ্রম করে জিততে হয়। সেমিফাইনালেও আমাদের জিততে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। জানতাম স্পেনের বিরুদ্ধে আমাদের কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়তে হবে। সেটাই হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তফুটবলারদের পাশাপাশি সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি ইতালির কোচ। মানচিনি বলেন, সমর্থকরাই প্রেরণা। প্রতিটা ম্যাচে মাঠে হাজির থেকে যেভাবে গোটা দলকে উদ্বুদ্ধ করে গেছে, কৃতজ্ঞতা জানাতেই হবে। স্পেনকে হারিয়ে স্বপ্ন বেড়ে গেছে ইতালির কোচের। এখন চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন দেখা শুরু করে দিয়েছেন। ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর মানচিনির লক্ষ্য সেটা ৩৪এ নিয়ে যাওয়া।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Anubrata Mondal: পায়ে হাত দিয়ে 'মহামানব' অনুব্রতকে প্রণাম বিডিওর!

ভরা মঞ্চে তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অরিন্দম মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এমনই দৃশ্যের সাক্ষী হল গুসকরা। অনুব্রতকে মহামানব আখ্যা দিয়েছেন ওই বিডিও। অনুব্রতর দরাজ সার্টিফিকেট অরিন্দমকে, ওঁর নাম আছে। প্রকাশ্যে এক জন বিডিও-র এমন আচরণে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘনিয়েছে বিতর্কও। যদিও এ নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের ওই বিডিও।বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের গুসকরায় একটি সেফ হোমের উদ্বোধন করেন অনুব্রত। তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গ্রামীণ উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানও। সেই অনুষ্ঠানে ছিলেন আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের বিডিও। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাতে গিয়ে অনুব্রতকে প্রণাম করেন ওই বিডিও। আবার স্বাগত জানানোর সময় অনুব্রতকে মহামানব আখ্যাও দেন তিনি। বলেন, এই প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যেমন উদ্যোগী মানুষ, তেমনই অনুব্রতও মহামানব।বিডিও-র উদ্দেশে অনুব্রত পাল্টা বলেন, ওঁর নাম আছে। উনি যখন এই প্রস্তাব নিয়ে আসেন তখন আমি রাজি হয়ে যাই। এখন কোথাও যাচ্ছি না। তবে আজ এসেছি। এই সেফ হোমটা গুসকরার মানুষের খুব কাজে লাগবে। এটা একটা বড় কাজ হল। অনুব্রতর মতে, সবচেয়ে বড় কথা আপনারা এক জন ভাল বিডিও পেয়েছেন। যে বিডিও-র মাধ্যমে আপনারা এগিয়ে যাবেন।

জুন ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Mithun Chakraborty: ডায়লগ মামলায় মহাগুরুকে জেরা পুলিশের

মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chackraborty) ভার্চুয়াল জিজ্ঞাসাবাদ করল মানকিতলা থানার পুলিশ। নির্বাচনী প্রচারে আপত্তিকর মন্তব্য করার জেরেই জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হল মাহাগুরুকে। জানা গিয়েছে, ১৫ মিনিট ধরে মিঠুন চক্রবর্তীকে প্রশ্ন করেন মানিকতলা থানার পুলিশ আধিকারিকরা।মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে, সিনেমার এই বিখ্যাত ডায়গল ব্যবহার করেই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল তাঁকে। রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর ও শান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগে মানিকতলা থানায় অভিযোগ জমা পড়ে মহাগুরুর বিরুদ্ধে। ভারতীয় দন্ডবিধির ১৫৩(এ), ৫০৪,৫০৫ একাধিক ধারায় এফআইএর রুজু হয়। এরপর হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন মিঠুন চক্রবর্তী।হাইকোর্টই মিঠুন চক্রবর্তীকে মামলায় সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো এরপর ভার্চুয়ালি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মানিকতলা থানার পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছেন, এই মন্তব্য করার প্রেক্ষিত কী? আর এই মন্তব্যের আড়ালে কি কোনও উদ্দেশ্য ছিল কি না তাও জানতে চান মানিকতলা থানার তদন্তকারী আধিকারকিরা।একুশের নির্বাচনের ঠিকে আগেই ব্রিগেডের মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলেন পদ্ম পতাকা। সেসময় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অসংখ্য মানুষের ভিড়। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল আবার মহাগুরু ভক্তও। সেখানে দর্শকদের ইচ্ছায় নিজের সিনেমার বিখ্যাল ডায়লগ বলেছিলেন মহাগুরু। এরপর বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুলতে একাধিক রোড শো, সভা করেছেন মহাগুরু। সেখানেও ২০১৪ সালের তাঁর সিনেমার এই বিখ্যাত ডায়লগ বলেছেন মহাগুরু। কিন্তু তাতেই হল বিপত্তি।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

G-7: বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নতুন মন্ত্র ‘এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য’

করোনা (Coronavirus) নামক মহামারি গোটা বিশ্বকে শিখিয়ে দিয়েছে, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে একত্রিত হওয়াটা জরুরি। বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশগুলির সংঠন জি-সেভেনের বৈঠক থেকে সেই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাতের ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্র এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য। অর্থাৎ, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও এদিন বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্ববোধের পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে করোনা ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে পেটেন্ট প্রত্যাহারের আর্জি জানান মোদি (Narendra Modi)।Participated in the @G7 Summit session on Health. Thanked partners for the support during the recent COVID-19 wave.India supports global action to prevent future pandemics.One Earth, One Health is our message to humanity. #G7UK https://t.co/B4qLmxLIM7 Narendra Modi (@narendramodi) June 12, 2021করোনা আবহে এবছর ভার্চুয়ালি আয়োজন করা হয়েছিল জি-সেভেন (G-7) আউটরিচ প্রোগ্রামের। ভার্চুয়াল বৈঠকে আমন্ত্রিত ছিলেন এ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে যোগ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden), জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন প্রমুখ। ওই বৈঠকে শুরুতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সমর্থন করার জন্য G-7 সদস্য দেশগুলিকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় যে সমস্ত শিল্পপতিরা ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি। করোনাকে দমন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরির কথা বলেন তিনি। করোনা ভ্যাকসিনের উপর পেটেন্ট প্রত্যাহার সংক্রান্ত মোদির দাবিকে সমর্থন করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ টিকা তৈরির কাজে ভারতের মতো দেশকে কাঁচামাল দিয়ে সাহায্য করার আর্জি জানান। এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত মোদির বক্তব্য সমর্থন করেছেন জার্মান চ্যান্সেলার অ্যাঞ্জেলা মর্কেলও।

জুন ১৩, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত মনমোহন সিং

করোনায় আক্রান্ত দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। গায়ে জ্বর থাকায় সম্প্রতি লালারসের নমুনা পরীক্ষা করান তিনি। সোমবার সেই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরেই বিকেল ৫টা নাগাদ দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এমস)-এর ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ৮৮ বছরের মনমোহনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। তাই বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।গত ৪ মার্চ দিল্লির এমস-এ গিয়েই সস্ত্রীক প্রতিষেধকের প্রথম ডোজ নেন মনমোহন। তার একমাসের মধ্যেই দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার পর গত ২২ মার্চ দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান ৪ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ৮ সপ্তাহ করে দেয় সরকার। মনমোহন এবং তাঁর স্ত্রী প্রতিষেধকের দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন কি না, জানা যায়নি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে নেটমাধ্যমে মনমোহনের আরোগ্য কামনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটারে তিনি লেখেন, এই মাত্র খবর পেলাম যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংজি কোভিড পজিটিভ। ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি মনমোহনের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেন। তিনি লেখেন, প্রিয় মনমোহনজি, আপনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। এই কঠিন সময়ে আপনার পথপ্রদর্শন এবং পরামর্শ প্রয়োজন দেশের।কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধি টুইটারে লেখেন, মনমোহন সিংজি এবং ওঁর পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি। ওঁকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করে জিতুন উনি।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
রাজ্য

আইকোর মামলায় এবার মানস ভুঁইঞাকে তলব ইডির

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার ভুয়ো আর্থিক সংস্থা আইকোর মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তলব পেলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইঞা। সূত্রের খবর, তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী শুক্রবারের মধ্যে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে ওই নোটিসে। পাশাপাশি, একই মামলার তদন্তে তলব করা হয়েছে মদন মিত্রর ছেলে স্বরূপ মিত্রকে। তাঁকে ২৩ তারিখ ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। যদিও ইডির এই নোটিস প্রাপ্তি নিয়ে কেউই কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি।এর আগে বুধবার রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও আগামী সপ্তাহে ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই আইকোর মামলাতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি, কলকাতা পুরসভার এক বিদায়ী কাউন্সিলরকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। এর আগেও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তবে নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে তিনি পরে দেখা করবেন বলে জানিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, আইকোরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পার্থ ও বাপ্পাদিত্যকে মঞ্চে দেখা গিয়েছিল। চিটফান্ড সংস্থাটির সঙ্গে তাঁদের আর্থিক কোনও লেনদেন ছিল কি না, তা জানতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে।এবার আইকোর মামলায় ইডির সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মানস ভুঁইঞাও। তাঁকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য। পাশাপাশি, তৃণমূলের আরেক নেতা মদন মিত্রর ছেলে স্বরূপকেও ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এভাবে বিভিন্ন মামলায় শাসকদলের নেতাদের স্ক্যানারে এনে চাপ তৈরির চেষ্টা করছে। আইকোর মামলায় ইডির নোটিস পেয়ে কি মানস ভুঁইঞা সরাসরি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হবেন নাকি অন্যভাবে সাড়া দেবেন, সেদিকেই নজর ওয়াকিবহাল মহলের।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজনীতি

ইস্তেহারে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি কংগ্রেসেরও

সোমবার বাংলার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। সেখানে রাজ্যের প্রতি পরিবারকে মাসিক মোটা অঙ্কের সরাসরি অর্থসাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে নারী সুরক্ষা ও শিক্ষার উপর। এদিকে এদিন কংগ্রেসের আরও দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। বিধাননগর আসনটি থেকে কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাটোয়া থেকে প্রার্থী হচ্ছেন প্রবীর গঙ্গোপাধ্যায়।ছত্তিশগড়ের মডেলেই বাংলায় পরিবার পিছু সরাসরি আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিল কংগ্রেস। তাদের ইস্তেহারে বলা হয়েছে, বঙ্গে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে প্রতি পরিবারকে মাসিক ৫ হাজার ৭০০ টাকা সরাসরি অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দাবি, লকডাউনের ফলে বাজারে চাহিদা কমেছে। সেই চাহিদা বাড়াতে প্রতি পরিবারের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া দরকার। বারবার কেন্দ্র সরকারকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। তাই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে আমরাই এই ব্যবস্থা করব। যাতে মানুষের হাতে টাকার জোগান বাড়ে। ফলে বাজারের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে। তাতে কর্মসংস্থান বাড়বে। উল্লেখ্য, বামেদের তরফে মাসিক ৯ হাজার টাকা সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের তরফে সাধারণ পরিবারকে মাসিক ৫০০ টাকা ও তপসিলি জাতি-উপজাতির পরিবারকে মাসিক হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আর বিজেপির তরফে পরিবার পিছু সরাসরি অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি না থাকলেও, মহিলাদের বিনামূল্য পরিবহণ, শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরাসরি আর্থিক সাহায্য ছাড়াও নারী ও মহিলা সুরক্ষায় জোর দিয়েছে কংগ্রেস। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কর্মসংস্থান ও শিল্পের উন্নয়ন নিয়েও। এদিন অধীর জানিয়েছেন, কংগ্রেসের তরফে আন্দোলন ডট ইন নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। যেখানে দলের সমর্থক-কর্মীরা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি, মতামত তুলে ধরতে পারেন। রাজনৈতিক মহল বলছে, এবার নির্বাচনে বঙ্গবাসীর মন জয় করতে এবার সব দলই পরিবার পিছু সরাসরি অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কংগ্রেসও সেই পথেই হাঁটল।

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

একাধিক প্রতিশ্রুতির ঝুলি নিয়ে ইস্তেহার প্রকাশ করলেন অমিত শাহ

রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতা লাগোয়া পূর্বাঞ্চলীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রে বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপির ইস্তেহারে রয়েছে একাধিক চমক। ইস্তেহার প্রকাশের আগে শাহ বলেন, ইস্তেহার শুনে আমাকে প্রশ্ন করবেন না যে এর টাকা কোথা থেকে আসবে? আমি বণিক পরিবারের সদস্য, পাই পয়সার হিসাব করে ইস্তেহার বানিয়েছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ অন্য নেতৃবৃন্দ। এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে অমিত শাহ বলেন, এটা সংকল্প পত্র। এটা মেনেই বিজেপি সরকার চলবে। সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এই ইস্তেহার। এই ইস্তেহার খুব গুরুত্বপূর্ণ বিজেপির কাছে। বাংলায় রাজনৈতিক হিংসা চরমে। রাজনীতির দুরবৃত্তায়ণ হয়েছে। বাংলায় ভোট ব্যাংকের রাজনীতি। তৃণমূলের কুশাসনে বাংলার কালো অধ্যায়। এই আমলে পিছিয়ে পড়েছেন মহিলারা।ইস্তেহার প্রকাশ করে অমিত শাহ বলেন, বিজেপি সবসময় সংকল্পপত্রকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়েছে। সংকল্পপত্রের উপর ভিত্তি করেই বিজেপি সরকার চালিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতে কীভাবে সোনার বাংলা তৈরি করব, তা এই সংকল্পপত্রে আছে। রাজ্যের মানুষের মতামত নিয়ে সংকল্পপত্র তৈরি হয়েছে। সোনার বাংলা কোনও অলীক কল্পনা নয়। অতীতে বাংলা ভারতের থেকে এগিয়ে থাকত। বাংলা থেকেই স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। জনগণমন, বন্দেমাতরমের সৃষ্টি হয়েছে বাংলার মাটিতেই। শিক্ষা, বিজ্ঞান, সাহিত্য সব ক্ষেত্রে বাংলা এগিয়ে ছিল। কিন্তু গত ৭৩ বছর ধরে বাংলা একটু একটু করে পিছিয়ে গিয়েছে। ১৯৬৭ সালের পর থেকে বাম ও মমতার শাসন বাংলাকে পিছিয়ে দিয়েছে। নারীসুরক্ষায় বাংলা আজ পিছিয়ে পড়েছে। গত ১০ বছরে তৃণমূলের কুশাসনে অন্ধকার ঘনিয়ে এসেছে। তোষণ, দুর্নীতি, গোরুপাচার, অনুপ্রবেশ ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। মমতা প্রশাসনের রাজনীতিকরণ করেছেন। রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন করেছেন মমতা। পঞ্চায়েত ভোটে মানুষ ভোট দিতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্র কাঠামোকে ভেঙেছেন মমতা। কংগ্রেস, বাম, তৃণমূলকে স্বাধীনতার পর থেকে সুযোগ দিয়েছেন। একবার বিজেপিকে সুযোগ দিন, সোনার বাংলা তৈরি করব।বিজেপি-র ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, রাজ্য সরকারি চাকরিতে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ। কিষাণ সম্মান নিধিতে বকেয়া ১৮ হাজার টাকা ব্যাংক ট্রান্সফার। তারপর বছরে ১০ হাজার টাকা প্রতিবছর দেওয়া হবে। মৎস্যজীবীদের বছরে ৬ হাজার টাকা অনুদান। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের প্রত্যেক গরিবকে আনা হবে। অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে। সরস্বতী, দুর্গাপুজোর জন্য আদালতে যেতে হবে না। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। আগামী ৫ বছর শরণার্থী পরিবারকে বছরে ১০ হাজার টাকা অনুদান। কেজি থেকে পিজি পর্যন্ত মহিলাদের পঠনপাঠন বিনামূল্যে। সরকারি বাসে মহিলাদের যাতায়াত বিনামূল্যে। রাজ্যে আরও ৩টি এইমস তৈরি হবে। ক্ষমতায় এসেই ৭ম বেতন কমিশন বসাব। নোবেল পুরস্কারের মতো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে পুরস্কার চালু হবে। বিধবাদের পেনশন ১ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার করা হবে। মহিলাদের সুরক্ষায় পুলিশে পৃথক ব্যাটেলিয়ন চালু হবে। কৃষকদের জন্য ৫ হাজার কোটির তহবিল তৈরি হবে। মৎস্যজীবীদের জন্য ৩ লক্ষ টাকার দুর্ঘটনা বিমা। মৎস্যজীবীদের সব নৌকা যন্ত্রচালিত করা হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে ১০ হাজার কোটির তহবিল। স্কুল পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের জন্য বিদ্যাসাগরের নামে ২০ হাজার কোটির তহবিল। রাজ্য সরকারি চাকরির জন্য কমন এলিজিবল টেস্ট চালু হবে। শৈলেন মান্না স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি তৈরি করা হবে। আধাসেনায় নারায়ণী সেনা ব্যাটালিয়ন চালু হবে। রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা নিশ্চিহ্ন করব। এমএসএমই-তে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টার ছাড়াই ঋণ। শহরে পরিকাঠামো উন্নয়নে ৩০ হাজার কোটি বরাদ্দ। বাগডোগরা বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের তৈরি হবে। গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মানের গড়ে তুলতে ২৫০০ কোটির তহবিল। সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহার আবশ্যিক করার চেষ্টা। শান্তিনিকেতনকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠা দিতে ১৫০ কোটি বরাদ্দ হবে। বাংলায় মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার প্রশ্ন। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে মনীষীদের জন্য চেয়ার থাকবে।বিজেপির ইস্তেহারে আরও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, টলিউডের কলাকুশলীদের সাহায্য করা হবে। রাজ্যে ৯টি পৃথক পর্যটন সার্কিট তৈরি হবে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ৫ টাকায় ৩ বেলার আহারের ব্যবস্থা হবে। এসসি, এসটি সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইন প্রক্রিয়া চালু হবে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি হবে। চা বাগানের শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৩৫০ করা হবে। আদিবাসী পড়ুয়াদের জন্য মডেল স্কুল তৈরি হবে। কলকাতার উন্নয়নে ২২ হাজার কোটির তহবিল। কালীঘাটের আদিগঙ্গার সংস্কার করা হবে।

মার্চ ২১, ২০২১
কলকাতা

আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে জখম ব্যক্তি

মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল শুক্রবার কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আচমকাই সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। আর এরপরই সিংহের আঁচড়ে রক্তাক্ত হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আপাতত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আর এই ঘটনা রীতিমতো উস্কে দিয়েছে সেই শিবার স্মৃতি। যেখানে শিবা নামের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গলায় মালা পরাতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক যুবক।প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এদিন আর পাঁচজন সাধারণ দর্শকের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু কেউ কিছু বোঝার আগেই আচমকা ঢুকে পড়েন সিংহের খাঁচায়। প্রথমে গাছে উঠে সামনের পাঁচিল টপকান। তারপর উঁচু ফেন্সটি টপকে ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপর সামনের ছোট নালা পেরিয়ে সিংহের এনক্লোজারে ঢুকে পড়েন। সেসময় একটি সিংহ ছাড়া ছিল। সেই পশুরাজই ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। এরপর ছোট আরেকটি ঘরে ওই ব্যক্তিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মী এবং সিংহের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরাই ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। দেখা যায়, সিংহের থাবা এবং আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত ওই ব্যক্তির সারা শরীর। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। জানা গিয়েছে, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার আলিপুর চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তাহারে একগুচ্ছ চমক

তৃণমূল ভবন থেকে বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কী কী প্রতিশ্রুতি রইল তৃণমূলের ইস্তেহারে, দেখে নেওয়া যাক এক নজরে: বছরে চার বার দুয়ারে সরকার। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জাত-ধর্ম নির্বিশেষে বিধবা ভাতা। দুয়ারে দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। দেড় কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। বাংলার প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ১.৬ কোটি পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক ৫০০ টাকা। তপসিলি পরিবারকে বছরে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৬৮ লক্ষ কৃষককে প্রতি বছর দশ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। কোনও জামিনদার লাগবে না। সরকার-ই জামিনদার। ১০ লক্ষ টাকা ঋণ মিলবে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে। মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর করতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স। মাহিষ্য, তিলি, তামুলি, সাহা, কিষানদের ওবিসি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ১০ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট গড়ে তোলা হবে। বড় শিল্পে ৫ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ করা হবে। ৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্বের হার কমিয়ে অর্ধেক করা হবে। দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির অঙ্গীকার। ইতিমধ্যে দুয়ারে রেশন অর্থাৎ বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার মতো পরিকল্পনার কথা প্রচারে গিয়ে বলেছেন মমতা। তার পাশাপাশিই রইল পিছিয়ে পড়া নানা সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়নের কথা। রইল পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গীকারও।ইতিমধ্যে জাতিগত শংসাপত্র দেওয়া নিয়ে কড়াকড়ি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও মূল্যে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যে, জাতিগত শংসাপত্র পেতে যেন কোনও সমস্যা না হয়। তার পর থেকেই কয়েক লক্ষ শংসাপত্র দেওয়ার কাজ হয়েছে দুয়ারে সরকারের শিবিরে। এ কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। ইস্তেহারেও এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাজেটে যে প্রকল্পগুলোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোও চলবে।

মার্চ ১৭, ২০২১
কলকাতা

মণীশ খুনে গ্রেপ্তার শার্পশুটার

অবশেষে পুলিশের জালে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনে অভিযুক্ত শার্প শুটার অনীশ ঠাকুর। তামিলনাড়ুতে একটি ডাকাতি ঘটনায় তাঁকে আটক করে সে রাজ্যের পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, অনীশকে রাজ্যে আনতে সিআইডি টিম যাচ্ছে।সূত্রের খবর, মণীশ শুক্লাকে হত্যার পর দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে গা ঢাকা দীয়েছিল অনীশ। শেষমেশ তামিলনাড়ুতে দুষ্কৃতীদের একটি গ্যাংয়ে শামিল হয়ে যায় সে। সেখানেই একটি ডাকাতির চেষ্টা চালায় ওই সমাজবিরোধীরা। কিন্তু এবার আর ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি অনীশের। পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। পরিচয় যাচাই করে তামিলনাড়ু পুলিশ জানতে পারে যে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত অনীশ। তারপরই বিষয়টি জানানো হয় লালবাজারকে। ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে রাজ্যে আনতে কলকাতা থেকে আজই সিআইডি টিম তামিলনাড়ু যাচ্ছে বলে খবর।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal