• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ১৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! অশান্তি হলেই বন্ধ শুনানি, সময়সীমা বাড়াতে পারে কমিশন

এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা আরও বাড়তে পারে। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে অন্তত আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের জেলাশাসকদের উদ্দেশে এক বিশেষ ও কড়া নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশে বলা হয়েছে, শুনানি কেন্দ্রে অশান্তি তৈরি হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি।সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া ও ইটাহার, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন চরম বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে এসেছে। কোথাও বচসা, কোথাও ধাক্কাধাক্কি, আবার কোথাও শুনানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার রিপোর্ট ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে তলব করা হয়েছে। এমনকি উত্তর দিনাজপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এই আবহেই নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, যদি শুনানি কেন্দ্রের পরিবেশ উত্তপ্ত হয় বা ভোটাররা ভয় পেয়ে সেখানে যেতে না পারেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে শুনানি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনওভাবেই শুনানি পুনরায় শুরু করা যাবে না।কমিশন সূত্রে খবর, সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় এখন শুনানি শেষ করার ক্ষেত্রে অতটা তাড়াহুড়ো নেই। তার বদলে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই আপাতত কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।উল্লেখ্য, তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসেই ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি করতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পরেই নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াল কমিশন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী শনিবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। সেই সময় যাতে কোনও রকম অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, তার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, শুনানি বন্ধ হলে ভোট পিছিয়ে যেতে পারে। সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পরিস্থিতি তৈরি হবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সেটাই চাইছে। পাল্টা তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শর্মা-সিংহের যুগলবন্দি, নাগপুরে রানের বন্যা, নজিরের রাতে নিউ জ়িল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজ়ে এগোল ভারত

নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরু করল দাপুটে জয় দিয়ে ভারত। নাগপুরে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে সর্বাত্মক আধিপত্য দেখিয়ে ৪৮ রানে জয় তুলে নিল সূর্যকুমার যাদবের দল। এই ম্যাচে একাধিক নজির গড়ার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শক্তিশালী বার্তাও দিয়ে রাখল টিম ইন্ডিয়া।টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউ জ়িল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তবে সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল প্রমাণিত হতে চলেছে, তা বুঝিয়ে দেন ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই। আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস শুরু করেন অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। যদিও সঞ্জু (১০) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দুবছরের বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ঈশান কিশনও (৮) ব্যর্থ হন। ২৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে সাময়িক চাপে পড়ে ভারত।চাপের মুহূর্তে দায়িত্ব নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও অভিষেক শর্মা। অভিষেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। অন্যদিকে সূর্য সংযত ব্যাটিং করে ইনিংস গুছিয়ে নেন। ২২ বলে ৩২ রানের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন সূর্যকুমার। এই ইনিংস তাঁর ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেয়, যা বিশ্বকাপের আগে কোচ গৌতম গম্ভীরের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির।তবে ম্যাচের আসল নায়ক অভিষেক শর্মা। ৩৫ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডের বোলারদের কার্যত দিশেহারা করে দেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ৮টি ছক্কা। নিখুঁত টাইমিং, শক্তিশালী শট আর অনায়াস আগ্রাসনে তিনি প্রমাণ করে দেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কেন তাঁকে অন্যতম ভয়ংকর ব্যাটার বলা হয়।অভিষেকের গড়া ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ভারতের রান পাহাড়ে পরিণত করেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরে নেমে ফিনিশারের ভূমিকায় ফের সাফল্য পেলেন কেকেআরের এই ব্যাটার। ২০ বলে অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে হার্দিক পাণ্ড্যও (১৬ বলে ২৫) কার্যকর অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৩৮ রান তোলে ভারতটি-টোয়েন্টিতে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যা ভারতের সর্বোচ্চ দলগত স্কোর। একই সঙ্গে এই ম্যাচে ১৪টি ছক্কা মারে ভারত, এটিও নতুন রেকর্ড। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৪তম বার ২০০-এর বেশি রান করল ভারতযা আর কোনও দলের নেই।লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউ জ়িল্যান্ড। মাত্র ১ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে (০) ও রাচিন রবীন্দ্র (১) ফিরে যান। অর্শদীপ সিং ও হার্দিক পাণ্ড্যের নিখুঁত নতুন বলের স্পেলে কার্যত ম্যাচের শুরুতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে কিউয়িরা। টিম রবিনসন (২১) কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও বরুণ চক্রবর্তীর বলে বিদায় নেন।এর পর গ্লেন ফিলিপ্স ও মার্ক চাপম্যান পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। বিশেষ করে ফিলিপ্সের ব্যাটিং ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করে। ৪০ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে তিনি ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন। তবে অক্ষর পটেলের বলে ফিলিপ্স আউট হতেই ম্যাচ ফের ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চাপম্যানও (৩৯) বরুণের শিকার হন।শেষদিকে ড্যারেল মিচেল (২৮) ও স্যান্টনার (২০) চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান রেটের চাপ সামলাতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানেই থেমে যায় নিউ জ়িল্যান্ডের ইনিংস।ভারতের বোলারদের মধ্যে বরুণ চক্রবর্তী ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন। শিবম দুবে ২৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার। অর্শদীপ ও হার্দিকও একটি করে উইকেট পান। তবে জসপ্রীত বুমরাহ প্রত্যাশামতো প্রভাব ফেলতে পারেননি। পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে একাধিক সহজ ক্যাচ ফসকে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে কিছুটা চিন্তা বাড়াবে ভারতীয় শিবিরে।এই ম্যাচে একমাত্র অস্বস্তির কারণ অক্ষর পটেলের চোট। ফিল্ডিং করতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস নিয়ে তৈরি হল নতুন প্রশ্নচিহ্ন।সব মিলিয়ে, ব্যাটিংয়ে আগ্রাসন, রেকর্ড গড়া স্কোর এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বোলারদের সাফল্যে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ভারত। সিরিজ়ের শুরুতেই নিউ জ়িল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখল সূর্যকুমারের দলটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা যে ভয়ংকর প্রতিপক্ষ হতে চলেছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

‘কোর্টে হার, ভোটে হার’! সুপ্রিম রায়ের পর বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

তৃণমূল কংগ্রেসের করা এসআইআর মামলায় ইতিমধ্যেই বড় রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত তৃণমূলের বেশির ভাগ দাবিকেই মান্যতা দিয়েছে। সেই রায় ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ভোটের মুখে এই রায়কে ঘাসফুল শিবিরের জন্য বড় স্বস্তি বলেই মনে করা হচ্ছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর বারাসতের জনসভা থেকে তীব্র ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আজ কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাব। সবাই তৈরি থাকুন।বারাসতের মঞ্চ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে অভিষেক বলেন, বাংলা কোনও সাধারণ রাজ্য নয়। এই মাটি উত্তর প্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ বা গুজরাট নয়। এই মাটিই স্বাধীনতা আন্দোলন আর নবজাগরণের পথ দেখিয়েছে।অভিষেক আরও বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে জানিয়েছে, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতিরা নির্দেশ দিয়েছেন, বিএলএ-২-রা শুনানিতে থাকতে পারবেন। যাঁরা শুনানিতে যাচ্ছেন, তাঁদের রসিদও দিতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ জারি রেখে অভিষেক বলেন, এসআইআর নিয়ে বিজেপির খেলা শেষ। যাঁরা এক কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলেছিল, এই রায় সেই সব মানুষের জয়। তাঁর দাবি, এই জয় মা-মাটি-মানুষের জয়, এই জয় বাংলার জয়।অভিষেক আরও বলেন, ভোটাধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। যারা সেই অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল, তাদের দেশের সর্বোচ্চ আদালত কড়া জবাব দিয়েছে। শেষে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে প্রশ্ন তোলেন, কার ক্ষমতা বেশি ১০ কোটি মানুষের, না বিজেপির জমিদারদের?

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের দাবিতে সিলমোহর, এসআইআর শুনানিতে বিএলএ-দের অনুমতি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রে বিএলএ-দের থাকার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস শুরু থেকেই সরব ছিল। সোমবার সেই দাবিতেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, এবার থেকে বিএলএ-রা শুনানিতে থাকতে পারবেন। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে তাঁরা কোনও ভোটারের হয়ে সওয়ালও করতে পারবেন।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাব। তবে এই রায়কে তৃণমূলের নৈতিক জয় হিসেবে মানতে নারাজ বিজেপি।এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই তৃণমূলের একাধিক দাবি মান্যতা পায়। দুসপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, তাঁরা নিজের পক্ষে সওয়াল করার জন্য যে কাউকে সঙ্গে রাখতে পারবেন। আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী বা বিএলএ-দের সাহায্য নেওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তার জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটারকে স্বাক্ষর বা টিপসই দিয়ে লিখিত অনুমতি দিতে হবে। সেই অনুমতি থাকলেই বিএলএ কোনও ভোটারের হয়ে শুনানিতে হাজির থাকতে পারবেন।এই রায় প্রসঙ্গে তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এতদিন বিএলএ-দের শুনানিতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। নির্বাচন কমিশনের একাধিক আপত্তিও ছিল। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, কোনও ভোটার চাইলে শুনানিতে অন্যের সাহায্য নিতে পারেন। সেই সাহায্যকারী হিসেবে বিএলএ-দেরও রাখা যাবে।তৃণমূল এই রায়কে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে। তবে বিজেপির বক্তব্য, যেখানে গণতন্ত্রই ঠিকমতো চলছে না, সেখানে নৈতিক জয়ের প্রশ্নই ওঠে না। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এখনও ফর্ম সেভেন জমা দিতে গেলে তা ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এই কাজ তৃণমূলই করছে বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, যতদিন না পুরো প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে, ততদিন নির্বাচন হওয়া উচিত নয়।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে সিঙ্গুরে মোদির বড় ডাক! পরিবর্তনের বার্তা, তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পালাবদলের মাটি সিঙ্গুরে এসে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বাঙালি অস্মিতার কথা তুলে ধরেন এবং রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেন। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে সরব হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা ও বাঙালিকে বঞ্চনার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। সেই আবহে সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে মোদি দাবি করেন, বিজেপির মতো করে কেউ বাংলাকে সম্মান দেয়নি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সরকারের আমলেই বাংলা ভাষা ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার নতুন পথ খুলেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের উদ্যোগেই দুর্গাপুজো ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপিকে অবাঙালিদের দল হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ মোকাবিলায় বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসঙ্গকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সিঙ্গুরের সভা থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মোদি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল রাজ্য ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করছে। তিনি বলেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন সুবিধা দেয় এবং তাদের রক্ষা করতে আন্দোলনেও নামে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১১ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির প্রয়োজনীয়তার কথা জানালেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে ভুয়ো নথির মাধ্যমে যারা দেশে থেকে গিয়েছে, তাদেরও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সিএএ কার্যকর করে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে একদিকে বাঙালি আবেগ, অন্যদিকে নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা দিতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

যে জমি দেখেছিল টাটার স্বপ্ন, সেখানেই মোদীর সভা! সিঙ্গুরে ইতিহাসের মোড়

যে জমি এক সময় বড় শিল্পের স্বপ্ন দেখেছিল, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কাজের আশা জড়িয়ে ছিল, সেই জমিতেই আজ বড় রাজনৈতিক সভা। হুগলির সিঙ্গুরে সেই জমিতেই সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিন এই সিঙ্গুর ছেড়েই টাটার ন্যানো কারখানা চলে গিয়েছিল গুজরাটের সানন্দে। তারপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। সেই জমিতে আর শিল্প ফেরেনি, চাষও হয়নি। সেই দীর্ঘ অধ্যায়ের মাঝেই আজ ফের সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র নজর।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা ও অসমকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই আজ আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন তিনি। হুগলির সিঙ্গুর থেকেই প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বেশি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একই সঙ্গে একটি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও সূচনা করবেন তিনি।এ দিন অসম থেকে সরাসরি বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর তিনটের পর থেকে একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেম প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় তৈরি হবে একটি ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল এবং একটি রোড ওভার ব্রিজ। প্রায় ৯০০ একর এলাকা জুড়ে বলাগড়কে আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যার বার্ষিক পণ্য পরিবহণ ক্ষমতা প্রায় ২.৭ মিলিয়ন টন হবে।এই প্রকল্পে দুটি কার্গো জেটি তৈরি হবে। একটি কনটেনারবাহী পণ্যের জন্য এবং অন্যটি ড্রাই বাল্ক কার্গোর জন্য ব্যবহৃত হবে। এর ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহর এলাকা থেকে ভারী পণ্য পরিবহণ অনেকটাই সরানো যাবে। কলকাতায় যানজট ও দূষণ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহণের নিরাপত্তা বাড়বে এবং নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কম খরচে পণ্য পরিবহণের সুবিধা পাওয়ায় আঞ্চলিক শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছনো আরও সহজ হবে। এই প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।এ দিন কলকাতায় একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক ক্যাটামারানেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্টের জন্য কোচি শিপইয়ার্ডে তৈরি এই ক্যাটামারানটি ছয়টি ইলেকট্রিক জাহাজের মধ্যে একটি। ৫০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম এই হাইব্রিড ইলেকট্রিক ক্যাটামারানে রয়েছে আধুনিক প্রপালশন ব্যবস্থা ও লিথিয়াম-টাইটানেট ব্যাটারি প্রযুক্তি। এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মোডে যেমন চলতে পারে, তেমনই দীর্ঘ সময় হাইব্রিড মোডেও চলতে সক্ষম। হুগলি নদী বরাবর যাত্রী পরিবহণ, পর্যটন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জয়রামবাটি থেকে বরগোপীনাথপুর হয়ে ময়নাপুর পর্যন্ত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। এটি তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর নতুন রেললাইন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই রেলপথ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ময়নাপুর থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন পরিষেবাও শুরু হবে। এর ফলে বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দারা সরাসরি রেল যোগাযোগের সুবিধা পাবেন। দৈনন্দিন যাত্রী, পড়ুয়া এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।বাংলার জন্য তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনেরও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই ট্রেনগুলি কলকাতা থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনাল, শিয়ালদহ থেকে বারাণসী এবং সাঁতরাগাছি থেকে তাম্বরমের মধ্যে চলবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মাটি থেকেই উন্নয়ন ও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সিঙ্গুর সফরের আগেই বিস্ফোরক পোস্টার! ‘নাগরিকত্ব হরণ সভা’ লিখে তীব্র বার্তা

বিধানসভা ভোটের মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সিঙ্গুর সফরকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। টাটাদের বিদায়ের ১৭ বছর পরে এই প্রথম সিঙ্গুরে পা রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সফরের আগেই সিঙ্গুরের রতনপুর এলাকায় দেখা গেল বিতর্কিত পোস্টার। রাস্তার ধারে একাধিক জায়গায় ওই পোস্টার লাগানো রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের লাগানো ওই পোস্টারগুলিতে প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি নিশানা করা হয়েছে। একটি পোস্টারে লেখা, নাগরিকত্ব হরণ সভা। অন্য একটি পোস্টারে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, বাঙালিকে কেন ধোঁকা দিলে? পাশাপাশি ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে দেখে নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগিয়েছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ উঠেছে রাজনৈতিক শিবিরে। বিজেপির দাবি, মোদীর সভার আগে ভয় পেয়ে তৃণমূল এই কাজ করিয়েছে। পাল্টা শাসক দলের বক্তব্য, এটি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। তাদের দাবি, বিজেপির নীতির বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ।স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ মাইতি বলেন, সকালে উঠে তিনি দেখেন এলাকায় পোস্টার লাগানো হয়েছে। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বাংলার সঙ্গে আচরণ করেছেন, তাতে এই ধরনের প্রতিবাদ আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। তাঁর দাবি, ভোট এলেই প্রধানমন্ত্রী বাংলায় আসেন, ভোট না থাকলে আসতেন না। তিনি আরও বলেন, বিজেপি রাজ্যে একটি আসনও পাবে না।এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরে সরকারি সভা করতে চলেছেন। ওই সভা থেকে প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বালাগড়ে বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করারও কর্মসূচি রয়েছে। সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নতুন করে টাটা গোষ্ঠীকে ফেরানোর কথা বলেন কি না, কিংবা রাজ্যে নতুন শিল্প বিনিয়োগের কোনও বার্তা দেন কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। তার সঙ্গে পোস্টার বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাও এখন দেখার।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস, বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি ও ১২ জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপে নতুন তীর্থক্ষেত্র

শিলিগুড়ি জেলার মাটিগাড়ায় এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের সূচনা হল বুধবার। মহাকাল মহাতীর্থ-সহ একাধিক জনহিতকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭.৪১ একর জমির উপর গড়ে উঠতে চলা মহাকাল মহাতীর্থকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির নির্মাণ করা হবে। মন্দির চত্বরে থাকবে ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ এবং ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির। দুটি প্রবেশপথ, চার কোণে চার দেবতার মূর্তি, সাংস্কৃতিক হল ও কনভেনশন সেন্টার এই মহাতীর্থকে এক পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। মহাকাল মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট, যার মধ্যে ১০৮ ফুট উচ্চ ব্রোঞ্জের মূল মূর্তি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই মন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু মন্দির নয়, মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও এখানে তৈরি করা হচ্ছে। বাংলার এই পুণ্যতীর্থ যুগ-যুগান্ত ধরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে থাকবে।ভাষণে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভূমি। কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক, দিঘায় জগন্নাথ ধাম ও দুর্গা অঙ্গন নির্মাণের পাশাপাশি রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানের উন্নয়ন ও সংস্কারে নিরন্তর কাজ করেছে। তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ মন্দির, ফুল্লরা মন্দির, মদনমোহন মন্দির থেকে শুরু করে পাথরচাপুরি মাজার, মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরএকাধিক তীর্থক্ষেত্রের সংস্কার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন, জাহের থান ও মাঝি থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন, কবরস্থান সংস্কার এবং ইসকনকে ৭০০ একর জমি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ রাজ্যের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভাবনাকেই তুলে ধরে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি রক্ষায় দার্জিলিং ও কলকাতার বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও স্মরণ করান তিনি।মতুয়া সমাজ, রাজবংশী, তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ সব শ্রেণির মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম মুখে প্রচার করা যায় না, ধর্ম হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ভাষণের শেষে তিনি মহাদেবের আশীর্বাদে বিশ্বচরাচরে শান্তি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।মাটিগাড়ার মহাকাল মহাতীর্থ প্রকল্প শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

দেবলীনা নন্দীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ! ফেসবুক লাইভে কী বললেন দুই যুবক?

গত কয়েকদিন ধরেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী ও সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দী। আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনার পর থেকেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা চলছে সোশাল মিডিয়ায়। এরই মাঝে প্রকাশ্যে এল নতুন অভিযোগ, যা ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শনিবার বিকেলে নীল ও রিভু নামে দুই যুবক ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেবলীনা নন্দীর ফেসবুক পেজ তাঁরা পরিচালনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেবলীনাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তাঁরা নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি, ভিডিও এডিট এবং পেজ ম্যানেজমেন্টের কাজ করেছেন। তাঁদের হাত ধরেই নাকি দেবলীনারের ফলোয়ার সংখ্যা ৭০ হাজার থেকে বেড়ে ১২ লক্ষে পৌঁছয়। কিছু মিউজিক ভিডিওর কাজও করেছেন তাঁরা।অভিযোগকারীদের দাবি, কাজ ছাড়ার পর দেড় বছর কেটে গেলেও তাঁদের প্রাপ্য টাকা দেননি দেবলীনা। বহুবার বকেয়া টাকা চাওয়া হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁদের আরও দাবি, একাধিকবার ফোনে দেবলীনারের মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রতিবারই নাকি বলা হয়েছে, দেবলীনা অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি।এই ফেসবুক লাইভ ছড়িয়ে পড়তেই সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয় জোর আলোচনা। কমেন্ট বক্সে কেউ দেবলীনাকে কটাক্ষ করেন, আবার কেউ অভিযোগকারীদের প্রশ্ন তোলেন, এতদিন পরে কেন তাঁরা এই কথা প্রকাশ্যে আনলেন।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে পারিবারিক সমস্যার কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন দেবলীনা নন্দী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এই বিতর্কের মধ্যেই কয়েক ঘণ্টা পর অভিযোগকারীরা তাঁদের আগের ফেসবুক লাইভ ডিলিট করে নতুন একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তাঁরা জানান, প্রথম ভিডিও প্রকাশের পর দেবলীনা নিজে ফোন করে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্ত বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেন। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি দেবলীনা নন্দী।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

অমর্ত্য সেনের বয়সে গরমিল? এসআইআর নোটিস নিয়ে বিস্ফোরক দাবি অভিষেকের

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটে এক জনসভা থেকে তিনি এই দাবি করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অমর্ত্য সেনের পূরণ করা এসআইআর ফর্মে তথাকথিত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, অর্থাৎ তথ্যগত গরমিল রয়েছে বলেই তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে।কমিশন সূত্রের দাবি, অমর্ত্য সেন ও তাঁর মায়ের বয়সের পার্থক্য নথিতে মাত্র ১৫ বছর দেখানো হয়েছে, যা তথ্যগতভাবে অসঙ্গত। সেই কারণেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।রামপুরহাটের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সভায় আসার পথে তিনি শুনেছেন, অমর্ত্য সেনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি ভারতের হয়ে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছেন, যাঁর জন্য দেশ বিশ্বমঞ্চে গর্বিত, সেই মানুষকেই এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হায় রে পোড়া কপাল!এই ঘটনার মধ্যেই বুধবার সকালে বোলপুরের শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের প্রতিচী বাড়িতে যান স্থানীয় বিএলও শ্যামাব্রত মুখোপাধ্যায়। যদিও বর্তমানে অমর্ত্য সেন ওই বাড়িতে নেই। তাঁর আবাসেই এসআইআর সংক্রান্ত নোটিস পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।এই প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, শুধু অমর্ত্য সেন নন, ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা মহম্মদ সামিকেও এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি বিশ্বকাপ জিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন, তাকেও ছাড় দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবকেও নোটিস পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন অভিষেক। দেবের সঙ্গে তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি প্রসঙ্গটি নিয়ে সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকেও আলোচনা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির আড়ালেই ভোট চুরির আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্মে সামান্য তথ্যগত গরমিল দেখিয়ে সাধারণ ভোটারদের বারবার শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। শুরু থেকেই তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ভোটারের নামকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র অজুহাতে সন্দেহজনক তালিকায় রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরপ্রদেশে বাদ ২.৮১ কোটি ভোটার! ‘এরা কারা, সময়েই বুঝবেন’—ইঙ্গিত শুভেন্দুর

উত্তরপ্রদেশে মোট ১২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৮১ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। বাংলায় এসআইআর নিয়ে যখন তীব্র বিতর্ক চলছে, তখন উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে একাধিকবার শোনা গিয়েছিল, যোগী রাজ্যে প্রায় ৪ কোটির বেশি নাম বাদ যেতে পারে। এই নিয়ে প্রশাসনের অন্দরেও চাপানউতোর চলেছিল।উত্তরপ্রদেশে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা কি রোহিঙ্গাএই প্রশ্নই সাংবাদিক বৈঠকে করা হয় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। উত্তরে স্পষ্ট কিছু না বললেও বাংলা ও বিহারের প্রসঙ্গ টেনে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, এরা কারা তা ১৪ ফেব্রুয়ারি বুঝতে পারবেন। বিহারের সংখ্যাটা তিনি জানেন বলেও দাবি করেন। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যাটা তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি জানাবেন বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, বিহারে কত অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন তিনি জানেন, তবে এখনই বলবেন না।শুভেন্দুর দাবি, যখন আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভ হবে, রেশন কার্ড বন্ধ হবে, প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনা থেকে নাম বাদ যাবে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হবে, তখনই বোঝা যাবে কে ভারতীয় নাগরিক নন। সময়ই সব কথা বলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রসঙ্গত, বাংলায় এসআইআর নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্কের শেষ নেই। খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। বর্তমানে চলছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্ব। প্রতিদিনই শুনানি কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।এর মধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় চা বাগান শ্রমিকদের নথির বৈধতা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, দার্জিলিং থেকে শুরু করে তরাই ও ডুয়ার্সের চা বাগান এলাকাগুলিতে শ্রমিকরা বংশপরম্পরায় বসবাস করছেন। তাঁদের অনেকের কাছেই স্কুল সার্টিফিকেট নেই, এমনকি প্রয়োজনীয় কোনও নথিও নেই। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্র সরকার ২০০৬ সালে বন অধিকার আইন এনেছিল বলে জানান তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, এসআইআর-এর জন্য যে ১১ দফা নথি চাওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে ফরেস্ট রাইটস অ্যাক্টের নথিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি প্রথম তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। সেই দাবিকে সামনে রেখেই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নোবেলজয়ীকেও কাগজ দেখাতে হবে! এসআইআর নোটিসে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া অভিষেকের

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও এসআইআর বা স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার এক কাউন্সিলর দাবি করেছিলেন, অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেব, অভিনেত্রী লাবণী সরকার-সহ একাধিক তারকাকে এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এমনকী ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে বলেও খবর ছড়ায়। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অমর্ত্য সেনকেও প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পথে আসতে আসতেই তিনি শুনেছেন যে অমর্ত্য সেনকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যিনি ভারতের হয়ে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছেন, যাঁর জন্য বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল হয়েছে, সেই মানুষকেই শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে।এদিন ফের একবার এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্থা করে শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে। বীরভূমের মানুষ এই ঘটনার জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে বীরভূম থেকে তৃণমূলকে জেতানোর আবেদনও জানান সাংসদ।অভিষেক দেব ও মহম্মদ শামিকে নোটিস পাঠানো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা দেব এবং দেশের হয়ে খেলা ক্রিকেটার শামিকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, একের পর এক মানুষকে আনম্যাপ করার চেষ্টা চলছে। তিনি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আগামী দিনে বিজেপিকেই আনম্যাপ করে দিতে হবে। যদিও দেব এই প্রসঙ্গে টিভি৯ বাংলাকে জানিয়েছেন, তিনি এই ধরনের কোনও নোটিসের কথা জানেন না।অন্যদিকে, অমর্ত্য সেনকে এসআইআর নোটিস পাঠানো নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বানানে ভুল থাকতে পারে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চয়ই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। তাঁর দাবি, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতেও আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা গিয়েছিলেন এবং শুনানি হয়েছে। একইভাবে প্রয়োজন হলে অমর্ত্য সেনের বাড়িতেও বিএলও যেতে পারেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

একধাক্কায় উধাও ২.৮৯ কোটি ভোটার! উত্তর প্রদেশে প্রকাশ্যে খসড়া ভোটার তালিকা

উত্তর প্রদেশে প্রকাশিত হল খসড়া ভোটার তালিকা। এই তালিকা প্রকাশের পরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ একধাক্কায় তালিকা থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ২.৮৯ কোটি ভোটারের নাম। এর জেরে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা কমে দাঁড়াল প্রায় ১২ কোটিতে। আগে এই সংখ্যা ছিল ১৫ কোটিরও বেশি।এই তথ্য জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তিনি জানান, স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরে রাজ্যের প্রায় ১২ কোটি ভোটার এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন। কিন্তু প্রায় ১৮ শতাংশ ভোটার সেই ফর্ম জমা দেননি। যাঁরা ফর্ম জমা দেননি, তাঁদের নামই খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের মধ্যে ৪৬.২৩ লক্ষ ভোটার ইতিমধ্যেই প্রয়াত। প্রায় ২.১৭ কোটি ভোটার রাজ্যের বাইরে বা অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছেন। এছাড়াও ২৫.৪৭ লক্ষ ভোটারের নাম একাধিক জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। এই কারণেই তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের দাবি, গোটা এসআইআর প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলিও সহযোগিতা করেছে।সোমবার এই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন এই তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ বা দাবি জানাতে পারবেন। যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।অন্যদিকে, ৬ জানুয়ারি থেকে নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। যেসব ভোটারের ম্যাপিং এখনও হয়নি, তাঁদের ডাকা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যেই ৯১ শতাংশের বেশি ভোটারের ম্যাপিং সম্পন্ন হয়েছে। যাঁদের ম্যাপিং বাকি রয়েছে, তাঁদের বাড়িতে নোটিস পাঠানো হবে।নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৬ মার্চ প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কমিশন আরও জানিয়েছে, যাঁদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করার প্রয়োজন নেই। তবে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের অবশ্যই ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে।যাঁরা স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছেন, তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র সঙ্গে যোগাযোগ করে ফর্ম ৮ পূরণ করে জমা দিতে পারবেন। কমিশনের তরফে সকল ভোটারকে নিজের নাম খসড়া তালিকায় আছে কি না, তা যাচাই করার অনুরোধ করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকায় বড় ছাড়! নথি না থাকলেও মিলবে ভোটাধিকার, কারা পেলেন সুবিধা?

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনে বড় ছাড় দিল নির্বাচন কমিশন। এবার নথি দেখালেও চলবে, না দেখালেও কোনও সমস্যা নেই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, জনজাতি, যৌনকর্মী ও রূপান্তরকামীদের জন্য এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।কমিশনের মতে, যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে নথি জোগাড় করা অনেক সময় অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকেই গ্রামাঞ্চল বা ভিনরাজ্য থেকে শহরে আসেন এবং সামাজিক নানা কারণে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে না। ফলে জন্ম শংসাপত্র বা ঠিকানার প্রমাণ সংগ্রহ করা তাঁদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। আবার অনেকে পারিবারিক বা সামাজিক চাপে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। সেই সময় প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে আনা সম্ভব হয় না। অনেকেই নিজের পেশা গোপন রাখেন বলেও নথি জমা দিতে ভয় পান।একই ধরনের সমস্যার কথা তুলে ধরে আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন রূপান্তরকামীরাও। তাঁরা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেন। রূপান্তরকামী সংগঠনের এক প্রতিনিধি জানান, তাঁদের মধ্যে অনেকেই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। কারও নাম পুরনো ভোটার তালিকায় থাকলেও অনেকের নাম নেই। তাঁদের ক্ষেত্রে গুরু মা-র নাম ব্যবহার করার অনুমতির দাবি জানানো হয়েছিল।ইতিমধ্যেই রাজ্যে ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশিত হয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় শুনানি চলছে। এই পরিস্থিতিতে যৌনকর্মী ও রূপান্তরকামীদের দাবিতে সিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে নথি দেখানো বাধ্যতামূলক নয়। রূপান্তরকামীদের ক্ষেত্রে গুরু মা-দের পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদেরও নথি ছাড়াই শুনানিতে হাজির হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য স্থানীয় স্তরে ইআরও-দের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নথি না থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্য করার জন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে আবেদন জানানো হয়েছে।ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে মানবিক ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 26
  • 27
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

trinamool-organisational-reshuffle-kunal-ghosh-north-kolkata-president-arnab-bandyopadhyay

তৃণমূল কংগ্রেসে বড় সাংগঠনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের তরফে প্রকাশিত নতুন তালিকা অনুযায়ী উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। এতদিন এই পদে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকেও সরানো হয়েছে সায়নী ঘোষকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়।দলের অন্দরে চলা রাজনৈতিক আলোচনা এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। দীর্ঘদিন ধরে দলের মুখপাত্র এবং অন্যতম সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত কুণাল ঘোষ। সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়ে সরব ছিলেন।অন্যদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। উত্তর কলকাতার সাংগঠনিক দায়িত্ব এখন কুণাল ঘোষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যুব সংগঠনের নেতৃত্বেও নতুন মুখ আনা হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী দিনের লড়াইকে সামনে রেখে দল নতুন করে সংগঠন সাজানোর চেষ্টা করছে। সেই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই রদবদলের ফলে দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় কী প্রভাব পড়ে এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কীভাবে কাজ করেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ ঘিরে ভয়াবহ সংকট! ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের আগে বাড়ছে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার আবহে আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি-সাত সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে দুই নেতার। সূত্রের খবর, সম্মেলনের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। সম্ভাব্য বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।দীর্ঘ সময় পর দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক হতে চলেছে বলেও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ করা হয়। বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলি এই জলপথের উপর নির্ভরশীল।ভারতের ক্ষেত্রেও হরমুজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে। ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক কিছু সামুদ্রিক ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক সমস্যা নয়, বরং তা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মোদি ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠক থেকে কী বার্তা উঠে আসে এবং আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে বিশ্ব কূটনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

অবতরণের আগেই ভয়াবহ বিপর্যয়! অসমে বায়ুসেনার বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু পাঁচ সেনাকর্মীর

অসমের জোরহাটে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পাঁচ সেনা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে জোরহাট বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও পাঁচজনকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমোয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু ডেনিস আলম। নিহত সেনা কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, শনিবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় জোরহাট বিমানঘাঁটির মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। এরপরই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিমানে।দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল ও উদ্ধারকারী দল। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও বিমানে থাকা পাঁচ সেনা কর্মীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জোরহাটে বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই অসমের কার্বি আংলং জেলায় একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এল অসমে।দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো পাঁচ বায়ুসেনা কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ। তাঁদের এই আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মত অনেকের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

ভূপেন্দ্র যাদবের পর অমিত শাহ! দিল্লিতে সুদীপের একের পর এক বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে রাজনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে। লোকসভায় বহু বছর তিনি তৃণমূলের দলনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত।সূত্রের দাবি, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে বৈঠক শেষে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে কিছু সময় আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এই বৈঠকের পর থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংসদদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরে আসেন।দিল্লিতে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি! মদন মিত্রের ফ্ল্যাট থেকে কী কী নিয়ে গেল ইডি?

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে প্রায় ১১ ঘণ্টা। দিনের শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ফিরে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মদন মিত্রের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার সীতারাম পাহাড়ির দাবি, সকালে ইডি আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পর বেশ কিছু কাগজপত্র তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। পাশাপাশি মদন মিত্রের খোঁজও করেন তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর, শনিবার একেবারে ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির পাঁচ থেকে ছয় জন আধিকারিক। তবে অভিযান শুরু করতেই সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।দীর্ঘ সময় ধরে ফ্ল্যাটের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তল্লাশি শুরু করা সম্ভব হয়। এরপর ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়।শুধু জোকার ফ্ল্যাট নয়, একই সঙ্গে মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশির পর তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার ২৫০ কোটির দুর্নীতির অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর ঘিরে তোলপাড়

একের পর এক মামলা, তলব এবং তদন্তের মধ্যেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এল। আমফান পরবর্তী ত্রাণ বিতরণে প্রায় ২৫০ কোটির আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।অভিযোগকারীদের দাবি, ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি তৈরির জন্য উপভোক্তাদের ২০ হাজার টাকা এবং ঘর মেরামতের জন্য ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হয়। কিন্তু সেই ত্রাণ বণ্টন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, বহু পাকা বাড়িকে ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে সরকারি অর্থ দেওয়া হয়েছে। এমনকী একই পরিবারের বা একই ছাদের নীচে বসবাসকারী একাধিক ব্যক্তির নামে আলাদা আলাদা করে আর্থিক সাহায্য মঞ্জুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, সরকারি সাহায্যের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একাধিক উপভোক্তার নাম একই মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একটি নম্বরে ১৩ জন এবং অন্য একটি নম্বরে ৮ জন উপভোক্তার তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ বিতরণের তথ্যও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। তাঁর অভিযোগ, ত্রাণ বণ্টনের নামে বৃহৎ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে এবং তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সম্প্রতি এক বিজেপি নেতা অভিযোগ করেছিলেন, প্রায় সাড়ে সাত বছর আগে তাঁর উপর হামলার ঘটনায় অভিষেকের ভূমিকা ছিল। সেই অভিযোগ নিয়েও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।নতুন এফআইআর দায়ের হওয়ার পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে। আমফান ত্রাণ বণ্টনকে কেন্দ্র করে ওঠা এই অভিযোগের তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে কি আরও এক বড় ভাঙন? দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে সুদীপ, তুঙ্গে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও উসকে দিল দিল্লির একটি বৈঠক। উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করায় নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অন্যতম অভিজ্ঞ সাংসদ হিসেবে পরিচিত। লোকসভায় বহু বছর তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে সেই দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল। যদিও তখন প্রকাশ্যে কোনও অসন্তোষ দেখাননি সুদীপ।তবে বর্তমানে তৃণমূলের অন্দরে বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ এবং সাংসদদের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই পরিস্থিতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়, তবে সেখানে সুদীপ গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে পারেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু একজন সাংসদ নন, তিনি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গঠন করেন, তখন প্রথম সারির যাঁরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুদীপ অন্যতম। যদিও পরবর্তী সময়ে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একসময় তিনি দল ছেড়েও বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ফিরে আসেন।সম্প্রতি তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সুদীপের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পেয়েছেন তিনি। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।তবে এই বৈঠক শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু দিল্লির এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ! মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির অভিযান

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার ভোরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণেশ্বর এবং জোকার ফ্ল্যাটে একযোগে অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জোকার ওই ফ্ল্যাটে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মদন মিত্র নিয়মিত থাকেন না। স্থানীয় বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তাঁকে সেখানে দেখা যায়নি। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়।একই সময়ে দক্ষিণেশ্বর এবং ভবানীপুরের আরও একটি ঠিকানাতেও পৌঁছে যায় ইডির দল। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ অর্থের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।শুধু মদন মিত্রের ঠিকানাই নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এদিন একযোগে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডির একটি দল। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, বিভিন্ন সরকারি কাজের বরাত এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কোনও অনিয়ম জড়িত ছিল কি না।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে এই তল্লাশি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে।

জুন ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal