• ৮ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ২২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

রাজ্য

ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব আওড়ালেন জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রীর নিশানায় কারা?

রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পৃরায় ২০ ঘন্টার ওপর মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চলেছে। গ্রেফতার হয়ে মন্ত্রী বলেন, গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হলাম আমি। পরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হওয়ার প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির ষড়যন্ত্রের শিকার তিনি।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছটা থেকে সল্টলেক BC ২৪৪ ও ২৪৫ নম্বর বাড়িতে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদের প্রায় একুশ ঘন্টা পর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেপ্তার করে সল্টলেক এর বাড়ি থেকে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে আনা হয়। শুক্রবার ভোর ৩.২২ মিনিট নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে বের করা হয়। ৩.৩০ মিনিট নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে আনা হয়। রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তথা বালুকে গ্রেফতার করেছে ইডি। আজ তাঁকে আদালতে তোলা হবে।যেন দুর্গাপুজো মেটার অপেক্ষা ছিল। একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সাতসকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ঐডি হানা দিয়েছে মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়িতেও। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় একযোগে ৯ জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডির অফিসারদের।জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই ধৃত বাকিবুর রহমানকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য। তারই ভিত্তিতে এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির তল্লাশি।রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে এর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রাহমনাকে। তদন্তে নেমে বাকিবুরের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনকী দুবাইয়েও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মেলে। রয়েছে একাধিক হোটেল। বাকিবুর রহমানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সূত্রের।

অক্টোবর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

রেশন কাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয়র বাড়িতে ইডির তল্লাশি, কড়া হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিজয়ার শুভেচ্ছার পালা চলছে বাংলায়। রেড রোডে পুজোর কার্নিভালের প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু তার আগেই নিজের কালীঘাটের বাড়ি লাগোয়া দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে ইডি তল্লাশি নিয়ে সোচ্চার হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে দাবি করলেন তিনি।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। তল্লাশি জারি রয়েছে। এই প্রসঙ্গেই বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। সোচ্চার হলেন মোদী সরকারের বিরুদ্ধে।বনমন্ত্রীর বাড়িতে ইডির অভিযানকে ডার্টি গেম বলে সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি। এবার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। পুজো সবে শেষ হয়েছে। জেলায় জেলায় আজ কার্নিভাল রয়েছে। সবাই বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তার মধ্যেই মন্ত্রীদের বাড়িতে হানা দিতে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রত্যেকদিন আমাদের সব মন্ত্রীদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি করছে। তাহলে সরকারটা বাকি থাকে কেন? এটা ডার্টি গেম। এ ভাবে মুখ বন্ধ করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া কোনও তদন্ত ও তল্লাশি হতে পারে না। তাও গায়ের জোরে কেন্দ্র এটা করাচ্ছে। তল্লাশির নামে শাড়ি, সাজগোজের জিনিসের ছবি তুলছে। এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিচয়। তাঁর প্রশ্ন কেন, একটাও বিজেপির ডাকাতের বাড়িতে তল্লাশি হচ্ছে না?এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সিবিআই বা ইডি দিয়ে হেনস্থার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী তাঁর পরিবারকেও নিশানা করা হচ্ছে বলেও সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। এবার মমতা বললেন, আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে বলছি বলে এক একটা মন্ত্রীর বাড়িতে প্রত্যেকদিন তল্লাশি শুরু করেছে। তাঁদের স্ত্রী, বাচ্চা, বাড়ির লোকদেরও রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। এটা কি প্রতিহিংসা নয়? আমি মনে করি এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।এরপরই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গ তুলে কড়া হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, বালুর হাই ব্লাড সুগার রয়েছে। তল্লাশির সময় ও যদি মারা যায়, তাহলে আমরা বিজেপি ও ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর করব।এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের প্রয়াত সাংসদ সুলতান আহমেদের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, সুলতান আহমেদের ঠিক এভাবেই মৃত্যু হয়েছিল। এজেন্সির নোটিস পাওয়ার পরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সুলতান দা। একই কারণে আমাদের সাংসদ ও প্রাক্তন ফুটবলার প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে। ওরা বাইরে এটা বলতে পারেননি।

অক্টোবর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলা: রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রীর বাড়িতে সাতসকালেই হানা ইডির

যেন দুর্গাপুজো মেটার অপেক্ষা ছিল। একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সাতসকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ঐডি হানা দিয়েছে মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়িতেও। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় একযোগে ৮ জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালাচ্ছে ইডির অফিসারদের। জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই ধৃত বাকিবুর রহমানকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য। তারই ভিত্তিতে এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির তল্লাশি। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে বাড়িতেই রয়েছেন মন্ত্রী।রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে এর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রাহমনাকে। তদন্তে নেমে বাকিবুরের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনকী দুবাইয়েও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মেলে। রয়েছে একাধিক হোটেল। বাকিবুর রহমানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সূত্রের।তদন্তকারীদের অনুমান, বাকিবুরের মাধ্যমেই দুর্নীতির বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালীর যোগ রয়েছে বলেও সন্দেহ কেন্দ্রীয় সংস্থার। দফায়-দফায় বাকিবুর রাহমানকে জেরা করেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের হাতে।এদিকে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মনে করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে অনেক আগেই কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি হওয়া উচিত ছিল। তিনি এদিন বলেন, অনেক আগেই এই তল্লাশি হওয়া উচিত ছিল। বাকিবুর রহমান ধরা পড়েছে। তার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি খুঁজে পাওয়া গেছে। এটা তো জানে সবাই, ওপেন সিক্রেট। এই সম্পত্তির মালিক আসলে কে। বাকিবুর একা এত সম্পত্তি কোথা থেকে পেল। কারও সাহায্য ছাড়া এত সম্পত্তি করল কোথা থেকে। একজন সাধারণ মানুষের দুবাইয়ে ব্যবসা, বাংলাদেশে ব্যবসা। কয়েকশো একর জমির কথা নাকি শোনা যাচ্ছে। এই টাকা তো অন্য কারও টাকা। সেই টাকা বাকিবুরের নামে আছে। শুধু রেড করে হবে না এদের জেলের ভিতরে ঢোকাতে হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

শারদ উৎসবে বর্ধমানে বস্ত্র উপহার বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের

শারদ উৎসবকে আরও আনন্দমুখর করে তুলতে বস্ত্র উপহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব। রবিবার সকালে বর্ধমানে বিজয় তোরণের সামনে কয়েকশো মহিলার হাতে শারদ উৎসবের উপহার স্বরূপ শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, দুই কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদার ও শাহাবুদ্দিন খান, বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী। রবিবার বিধায়ক খোকন দাস বেঙ্গল প্রেস ক্লাব-এর বস্ত্র উপহার অনুষ্ঠানে এসে মহিলাদের হাতে শাড়ি উপহার তুলে দেন। এসো, ভাগ করে নিই আনন্দ এই আবেদন ছিল সাংবাদিক সংগঠনের। এই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক বস্ত্র উপহার দেওয়া হয়েছে।খোকন দাস বলেন, প্রতি বছরের মতো এবছরও বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিকরা দুর্গাপূজা উপলক্ষে সবার হাতে নতুন বস্ত্র দেওয়ার আয়োজন করেছে। দুর্গাপুজো বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব। প্রতিটি মানুষ পুজোর সময় একটা নতুন জামা কাপড় পড়বেন, একথা ভাবেন। বেঙ্গল প্রেস ক্লাব মানুষের পাশে থাকে। সাংবাদিক সংগঠনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন খোকন দাস।বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের একটা মিল আছে। পুলিশ সারাদিন রাস্তায় থাকে, সাংবাদিকরাও সারাদিন রাস্তায় থাকেন। রাস্তায় থেকে তাঁরা বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও অনেক সময় খবর সংগ্রহ করতে হয়। এখানে শুধু খবর সংগ্রহই নয়, সাথে সাথে তাঁরা সামাজিক দায়িত্বও পালন করছেন। প্রত্যেকটা সংগঠনের একটা সামাজিক দায়িত্ববোধ থাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব এই বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে তাদের সেই সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন। রাসবিহারী হালদারও সাংবাদিক সংগঠনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিজয়প্রকাশ দাস, সাধারণ সম্পাদক সৌগত সাঁই জানিয়েছেন, ২০০৮ সাল থেকে তাঁদের সংগঠন নানা ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। আগামিদিনেও তাঁরা মানুষের পাশে থাকতে দায়বদ্ধ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঋষিগোপাল মন্ডল।

অক্টোবর ১৫, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টানা সাড়ে ৮ ঘন্টা ইডির জেরা অভিষেক পত্নী রুজিরাকে

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গতকাল, মঙ্গলবার রাতে নথি জমা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক তার পরের দিন এই মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে সাদা ইনোভাতে চেপে হাজির অভিষেক-পত্নী রুজিরা। এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত সপ্তাহে ইডির সমন পেয়েছেন রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা ইডি জেরা করে অভিষেকের স্ত্রীকে। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ সিজিওতে ঢুকেছেন রুজিরা। বাইরে বেরিয়েছেন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে সিজিওর গেটের সামনে থেকেই গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান। গাড়ির জানলার কাচ তুলে দেওয়ায় ভিতরটা অস্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।এদিন সকাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্স ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। এমনকী চারিদিকে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। এই প্রথম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তলব করল রুজিরাকে। এর আগে অন্য মামলায় রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। তাঁকে জেরা করে লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস মামলার হদিশ পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। সেই সংস্থার সিইও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। পরে অভিষেককে তলব করে ইডি। তাঁকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। বেরিয়ে অভিষেক বলেছিলেন ৯ ঘণ্টা জেরার নিট ফল শূন্য। ২০২২ সালের জুন মাসে শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির হয়েছিলেন রুজিরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সির কড়া সমালোচনা করেছিলেন। কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছিল ইডি। পরে তাঁকে দিল্লিতেও তলব করা হয়। রুজিরা যদিও ইডির ডাকে দিল্লি যাননি। তার বদলে কলকাতার ইডির দফতরে যান তিনি। পরে কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলাতে রুজিরার বিদেশে যাওয়ার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিসও জারি করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই নোটিস তুলে নিতে হয়েছিল ইডিকে।

অক্টোবর ১১, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপালের আশ্বাসে আপাতত ধরনায় ইতি তৃণমূলের, তবে হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখলেন অভিষেক

২০ মিনিট রাজ্যপাল-অভিষেক বৈঠক। তারপর তুলে নেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের ধরনা। মমতার নির্দেশে ধরনা তুলে নেওয়া হয় বলে জানান অভিষেক ল। তবে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্যের বকেয়া টাকা না পেলে ফের পথে নামবে তৃণমূল। পাশাপাশি আইনি পথেও হাঁটবে দল, ঘোষণা করেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়। এদিনই আবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের উদ্দেশে তিনটি চোখা চোখা বাক্যবাণ ছুড়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জোড়-ফুলের বিশ্বাস এতেই চাপে পড়বেন রাজ্যপাল।রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দিয়েছে তৃণমূল। সেখানে ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে উদ্ভূত সমস্যা এবং তাঁদের দাবি বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়েছে। এই প্রতিনিধি দলে ৭ জন ভুক্তভোগীও ছিলেন। তৃণমূলের দাবি, বাংলার ২১ লক্ষের বেশি মানুষ ১০০ দিনের কাজ করেও তাঁদের হকের টাকা পাননি। সেই অর্থ কেন্দ্রের থেকে আদায়ে তদারকি করুক রাজ্যপাল। এই প্রসঙ্গে তিনটি প্রশ্ন রাজ্যপালের কাছে রেখেছে তৃণমূল।১) এটা কি ঠিক নয় যে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ১০০ দিনের কাজে বাংলার ২১ লাখের বেশি মানুষ শ্রম ও সময়দান করেও তাঁদের হকের পারিশ্রমিক পাননি? দুবছর পরেও২) সব শর্ত ও নিয়ম মেনেই বাংলার এইসব বঞ্চিত মানুষগলো কাজ করেছেন। কেন তাহলে দুবছরের বেশি সময় ধরে তাঁদের প্রাপ্য আটকে রাখা হল? কেনইবা কেন্দ্রীয় সরকার এঁদের অস্বিত্ব অস্বীকার করছে?৩) ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের ২ নং শিডিউলের ২৯ নম্বর ধারায় সাফ বলা রয়েছে যে, শ্রমিকরা মাস্টার রোল শেষের ১৫দিনের মধ্যে পারিশ্রমিক পাবেন। অন্যথায় ১৬তম দিন থেকেই প্রত্যহ ০.০৫ শতাংশ হারে সুদ যুক্ত হবে। এই অনুসারে পারিশ্রমিক না পাওয়া মানুষগুলো শুধু তাঁদের বিগত ২ বছরের পারিশ্রমিকই নয়, সেই অর্থ সুদ সহ পাওয়ার অধিকারী। তাহলে কী কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার এই গরিব মানুষগুলোকে তাঁদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছেন না?তৃণমূল সূত্রে খবর, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া টাকা নিয়ে তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে এদিনের বৈঠকে কথা দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। রাজ্যপালও বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিয়েছেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২৩
কলকাতা

বাংলা সহ নানা অহিন্দি রাজ‍্যে 'হিন্দি দিবস' এর নামে হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে রাজপথে মশাল মিছিল

১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটি হিন্দি দিবস হিসাব পালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ও বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন বাংলা পক্ষ আজকের দিনটিকে কালো দিন বলে আক্ষা দিচ্ছে৷ বাংলা পক্ষের মতে, বাংলা সহ সমস্ত অহিন্দি ভাষার দ্বিতীয় শ্রেণীর হওয়ার দিন ১৪ই সেপ্টেম্বর। বাংলা পক্ষের যুক্তিতে, ভারতীয় যুক্ত রাষ্ট্রের কেন্দ্র সরকার হিন্দি ভাষার ব্যবহার ও প্রসারকে উৎসাহিত করতে শুধু নয়, হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দিতে আজকের দিনটিকে বেছে নিয়েছে। শুধু আজকের দিনটিই নয় এক পক্ষকাল ধরে সব কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে হিন্দি পক্ষ পালনের নামে প্রশাসনিক থেকে শিক্ষা, সবস্তরেই হিন্দি ব্যবহার করতে উৎসাহিত বা বাধ্য করা হয়।বাংলা পক্ষ মনে করে, ভারতের মতো একটি বহুভাষিক যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র একটি ভাষার জন্য এই উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিরোধী ও অহিন্দি জাতিগুলির মৌলিক অধিকার হরণের হীন প্রচেষ্টা। ভারতের হিন্দিভাষী অঞ্চল থেকে যে কর আদায় হয়, তার পরিমাণ অহিন্দি জাতিগুলির এলাকা থেকে আদায় হওয়া করের থেকে অনেক কম। অথচ সেই অহিন্দি জাতির করের টাকাতেই রাষ্ট্র জুড়ে হিন্দি ভাষার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে উৎসব হচ্ছে। ভারতের সব অহিন্দি জাতির মতোই বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষ এই বিমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদ করছে।বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষের সেই প্রতিবাদের একটি রূপ আজ দেখা গেল কলকাতার রাজপথে মশাল মিছিলের মাধ্যমে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মশাল মিছিলে বাঙালির গর্জন দেখলো কলকাতার রাজপথ। বাংলা পক্ষ আজ রবীন্দ্রসদন চত্বর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে দাবি ওঠে হিন্দি আগ্রাসন তথা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস করার। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক তথা শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক মামুদ আলি মন্ডল, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। মিছিল শেষে হাজরা মোড়ের পথসভা থেকে গর্গ চট্টোপাধ্যায়, আজকের দিনটিকে সকল অহিন্দি জাতির জন্য কালো দিন আখ্যাদিয়ে বলেন আজ থেকে প্রতিটা বছর বাংলা জুড়ে ১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটিকে মশাল মিছিল করে কালো দিন হিসাবে পালন করবে। আমাদের টাকায় মানে অহিন্দি জাতির টাকায় অহিন্দি জাতির উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। বাংলা ভাষার সমানাধিকার চাই। আমরা হিন্দি বিরোধী না। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের নখ -দাঁত উপড়ে দেব। আমরা সকল অহিন্দি জাতি একসাথে লড়াই করছি, লড়াই আরও জোরদার হবে।কৌশিক মাইতি বলেন বাংলা পক্ষ হিন্দি ভাষার বিপক্ষে নয়, কিন্তু হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিপক্ষে। বিহার, উত্তর প্রদেশে হিন্দি দিবস সাড়ম্বরে পালিত হোক, কিন্তু বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো অহিন্দি রাজ্যে হিন্দি দিবস পালন মানে আগ্রাসন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
রাজ্য

উপাচার্য নিয়োগে জটিলতা কাটাতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, গঠন করা হবে সার্চ কমিটি

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব চরমে চলছে। এরইমধ্যে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগে আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল নবান্ন। রাজ্য সরকারের যুক্তি, আনন্দ বোস যে পদ্ধতিতে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন তা আইনসম্মত নয়। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা ছাড়াই এককভাবে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন আচার্য। এদিন ছিল সেই মামলার শুনানি। নির্দেশে জানানো হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগের জন্য শীর্ষ আদালতই সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে। সেই সার্চ কমিটিতে কাদের সদস্য করা হবে সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার, রাজ্যপাল এবং ইউজিসি-কে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩ থেকে ৫ জনের নাম পাঠাতে হবে। সেই সুপারিশ করা নামের মধ্যে থেকে ব্যক্তিদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট সার্চ কমিটি গঠন করবে। যে কমিটি স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে।সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, রাজ্যপাল আচার্য হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের নিয়োগ কর্তা। অর্থাৎ তিনি অ্যাপয়ন্টিং অথরিটি। কিন্তু রাজ্যপাল উপাচার্যদের নির্বাচন কর্তা নন। কারণ, রাজ্যপালের কাছে কোনও সিলেকশন কমিটি নেই।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৭ সেপ্টেম্বর।শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, রাজ্য-রাজ্যপালের ভিন্ন মত থাকতে পারে। কিন্তু আদালত তার মধ্যে ঢুকতে চায় না। আদালত স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের লক্ষ্যে শুধু পদক্ষেপ করবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
রাজ্য

জেলাশাসকের উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের ভিডিও প্রকাশ

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ জেলাশাসকের মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের এক তথ্যচিত্রের উদ্বোধন হল। তথ্যচিত্রটির উদ্বোধন করেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা। তিনি জানান, এই জেলার অনেক জায়গা আছে যেগুলি পর্যটকরা সেভাবে জানে না, সেই জায়গাগুলিকে এই ভিডিওর মাধ্যমে পর্যটন মানচিত্রে নিয়ে এসে মানুষের মধ্যে আরও জনপ্রিয় করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, পর্যটনে এই জেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ছাড়াও জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় প্রদর্শিত হবে।জেলাশাসক জানান, সামনেই দুর্গাপুজো, জেলার পুজো কমিটিগুলোকেও আমরা এই ভিডিও দেখানোর অনুরোধ করতে পারি। এছাড়াও জেলার ওয়েবসাইটে এই ভিডিওর লিঙ্ক দেওয়া থাকবে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরকে এই ভিডিওটি পাঠিয়ে দিয়েছেন যাতে রাজ্যের পর্যটন নিয়ে যে সমস্ত প্রচার করা হয় সেখানে যাতে দেখনো হয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এদিন বলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলার পর্যটন বৈচিত্র অনেক বেশী। এখানে যেমন উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় স্থান আছে তেমনই ডোকরা, শোলা, তাঁত, কাঠের তৈরি কারুশিল্পেও উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। জেলায় বিস্তীর্ণ বনভূমি আছে। এছড়াও এই জেলায় কুমুদরঞ্জন মল্লিক, রাসবিহারী ঘোষ, রাসবিহারী বোস, কাসিরাম দাস, উপেন্দ্রনাথ ব্রম্ভচারী-র মতো বিশিষ্ট মানুষদের জন্মস্থান। জেলার প্রান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে গঙ্গা, অজয়, দামোদরের মত নদ নদী।প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও জানান, যাঁরা এই জেলায় বেড়াতে আসতে চান, এই ভিডিও তাঁদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার বিশ্বাস, এই ভিডিওটি দেখার পরে অনেকেই এই জেলায় বেড়াতে আসার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হবে।আজকের এই ভিডিও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল ও টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল)। তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, এই ভিডিওটি সর্বস্তরে প্রচার করা হবে। এর ফলে দেশের ও রাজ্যের মানুষ আরও ভালো ভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলাকে জানতে পারবে এবং এখানে বেড়াতে আসবে।টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল) জনতার কথাকে জানান, জেলাশাসক শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা শিংলার উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় পূর্ব বর্ধমান জেলার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, হস্তশিল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংমিশ্রনে একটি ভিডিও তৈরী করা হয় যা আজ জেলাশাসকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত করা হলো। ভিডিওটি পূর্ব বর্ধমান জেলার অনাবিষ্কৃত পর্যটন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে। ভিডিওটি প্রকাশের মূল লক্ষ্য জেলার পর্যটন সম্ভাবনার প্রচার করা। আগামী দিনে পর্যটনের উন্নয়নে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুর্গাপূজা উৎসবের আগে আমরা জেলার পর্যটনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, পর্যটন দফতর হাতছাড়া বাবুলের, সমবায় গেল অরূপের

নবান্নের আনাচে-কানাচে কয়েকদিন করেই চলছিল জল্পনা। অবশেষে সোমবার তা সত্যি হল। প্রথম একাদশে থাকবেন বলে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। ডানা ছাঁটা হল মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। পর্যটন দফতর থেকে সরানো হল বালিগঞ্জের বিধায়ককে। পর্যটন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হল ইন্দ্রনীল সেনকে। বাবুল সুপ্রিয়কে তথ্য-প্রযুক্তি ও অচিরাচরিত শক্তি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে তথ্য-সংস্কৃতি ও কারিগরি দফতরের সঙ্গেই বাড়তি পর্যটন দফতর সামলাতে হবে ইন্দ্রনীল সেনকে।বাবুল সুপ্রিয় সঙ্গেই দায়িত্ব ছাঁটা হয়েছে প্রবীণ মন্ত্রী অরূপ রায়েরও। সমবায় দফতর থেকে সরানো হয়েছে অরূপ রায়কে। তাঁকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি এদিনের রদবদলে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও প্রদীপ মজুমদারের দায়িত্ব বেড়েছে। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বনদফতরের পাশাপাশি শিল্প পুনর্গঠন দফতরের দায়িত্ব পাচ্ছেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে সমবায় দফতর সামলাতে বলা হয়েছে পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে। এছাড়া, বিপ্লব মিত্র আপাতত ক্রেতা সুরক্ষা দফতর সামলাবেন।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, মন্ত্রিসভার রদবদলের সিদ্ধান্তেট অনুমোদন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দিয়েছেন। এছাড়াও বাকিটা পরে করে দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

কলকাতার কাছেই লক্ষ লক্ষ টাকার কোকেন সহ ভিন রাজ্যের ৩ সহ গ্রেফতার ৭

শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের একটি দল গোপনে ইকোস্পেস দ্বীপে আলিয়া ইউনিভার্সিটি বাস-স্ট্যান্ডের কাছে সার্ভিস রোডের কাছে অপেক্ষা করছিল। এলাকাটি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের টেকনোসিটি থানার অধীনে। কিছুক্ষণ পরে ছয় যুবক ঘটনাস্থলে আসে, চার চাকার আলট্রোজ টাটা গাড়িতে চারজন এবং একটি বাজাজ পালসার মোটর সাইকেলে দুজন এবং নিষিদ্ধ সামগ্রী নেওয়ার জন্য অন্য সপ্তম ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করে।জানা গিয়েছে, এসটিএফ সাতজনকে আটক করা হয় এবং তল্লাশির পর মোট ১৬৫ গ্রাম কোকেন বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে দুজন উত্তর প্রদেশ ও একজন বিহারের বাসিন্দা। বাকিরা কলকাতা সংলগ্ন এলাকাতেই থাকে। আগ্রার রাহুল সিং ও অবিনাশ কুমার, বিহারের মধুবনীর অভিষেক ঠাকুর রয়েছে এই চক্রে। লেকটাউনের ঋষি সাগর ও সান্টি সিং, বাগুইআটির প্রফুল্ল কাননের রিকি দত্ত ও রাহুল দত্ত। ধৃতদের বয়স ১৯ থেকে ২৬ বছর। একমাত্র রাহুলের বয়স ৩৭.জানা গিয়েছে, সাতজনের মধ্যে অভিষেক ঠাকুর এবং রাহুল দত্ত একটি মোটর সাইকেলে ছিলেন যেখানে অন্য চারজন ঋষি সাগর, রাহুল সিং, রিকি দত্ত এবং সন্টি সিং একটি চার চাকার গাড়িতে আসছিলেন এবং চালানটি গ্রহণ করতে অবিনাশ কুমারের সাথে দেখা করেছিলেন। মোট ১৬৫ গ্রাম কোকেনসহ সাতজনকেই হাতেনাতে ধরা হয়। বাজেয়াপ্ত মাদকদ্রব্যের বাজারমূল্য আনুমানিক ৩৫ লাখ টাকা। ধৃতদের হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়েছে। হাওড়ার এক এনডিপিএস মামলায় এই ধরপাকর বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

শেষ ৩০ মিনিট ১০ জনে খেলেই ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন! বাগানিরা "সেই মাঠেই বদলা নিল"!

সবুজ মেরুন ব্রিগেড ডুরান্ডের গ্রুপ লিগে হারের মধুর বদলা নিলো ফাইনালে। চিরশত্রু ইস্টবেঙ্গলের কাছে লিগের ম্যাচে সাড়ে চার বছর অপরাজিত থেকে হারতে হয়েছিল মোহনবাগানকে। আজ রবিবাসরীয় ফাইনালের ডার্বিতে সেই লাল-হলুদকেই পরাজিত করে ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হল সবুজ-মেরুন। এটি মোহনবাগানের ১৭ তম ডুরান্ড খেতাব। ইস্টবেঙ্গলকে টপকে মোহনবাগানই এই খেতাবের সর্বোচ্চ দাবিদার। এত দিন ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যৌথ ভাবে ১৬ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মোহনবাগান। টিকেটের চূড়ান্ত অব্যবস্তা, টিকিটের হাহাকার, দীর্ঘদিন পর দুই প্রধান ফাইনালে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী সব মিলিয়ে রবিবারের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন এক অস্ত্রবিহীন যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল।সাড়ে চার বছর ধরে টানা আটটি ম্যাচে হারের ধাক্কা কাটিয়ে লাল হলুদ ডুরান্ডের লিগ পর্বের ডার্বিতে জয়ের মুখ দেখে সমর্থকরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কিন্তু সেই জয়ের রেশ কাটতে না কটতেই চিংড়ির কাছে পড়াজিত ইলিশ। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই যে ডার্বির মুকুট লাল হলুদের মাথায় গিয়েছিল তা আবার পাল তোলা নৌকা মশালর থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেলো।ঠিক যেন রূপকথা, জয় মোহনবাগান 💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/TNpEi1D1IJ Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) September 3, 2023খেলার ৬০ মিনিটের মাথায় লাল কার্ড দেখেন মোহনবানের অনিরুদ্ধ। লাল হলুদের বাম দিকের মাঝমাঠের প্লেয়ার যেখানে দাঁড়ায় ঠিক সেই জায়গায় ইস্টবেঙ্গালের সিভেরিয়ো একটি উচু বল হেডে ক্লিয়ার করতে গিয়েছিলেন। ঠিক সে সময়-ই আচমকা বলের নাগাল পেতে অনিরুদ্ধ তাঁর ডান পা ওপরে তুললে সিভেরিয়োর মুখে লাগে। অনিচ্ছাকৃত ভুল হলেও ঐ ঘটনাতে মারাত্মক চোট পেতে পারতেন লাল হলুদ খেলোয়াড়। ফুটবলের নিয়মে এটি অমার্জনীয় অপরাধ। রেফারি অনিরুদ্ধকে হলুদ কার্ড দেখান, কিন্তু ওটি তাঁর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড হওয়ায় রেফারি তাঁকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তখনো খেলার ৩০ মিনিট বাকি। ফলাফল গোলশূন্য, ম্যচের ফল যেকোনো দিকেই যেতে পারে। বীনা মেঘে বজ্রপাত হয় বাগান শিবিরে, তখন বাগান গ্যালারীতে শ্মশানের নিস্তব্ধতা।মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র জয়সুচক গোলটি করেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। ১০ জন হয়ে যাওয়ার পরও ইস্টবেঙ্গল সেইভাবে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে ব্যার্থ হয়। ম্যাচের শেষ আধ ঘণ্টা সেই ভাবে বোঝাই গেলো না যে মোহনবাগান দশ জনে খেলছে। টানা আটটি ডার্বি জেতার পর হেরে গিয়ে আবার ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে যেটুকু সুতো ছেড়েছিল আবার গুটিয়ে নিলো মেরিনার্সরা।প্রথমার্ধে থেকেই দুদলের খেলাই উদ্দেশহীন লেগেছে। কোন আক্রমণ-ই সেইভাবে গোলমুখে দানা বাঁধলো না। দেখা গেলো না গোল লক্ষ করে জোরালো কোন শট। সৃজনশিলতা ও সৃষ্টিশীলতা যেমন ছিলো না তেমনই খেলায় প্রান প্রতিষ্টা করতে ব্যর্থ দুই দল-ই। দুই দলেরই দূর্বলতম জায়গা রক্ষণ। তাই যেকোনো আক্রমণ দেখেই মনে হচ্ছিল এই বুঝি গোল হয়ে গেলো। দুই দলই একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি।১৭তম ডুরান্ড জয় 💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/REQZe95DAZ Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) September 3, 2023এইরকম হাইভোল্টেজ ম্যাচ গোল শুন্য থাকলে যা হওয়া উচিত তাই হচ্ছিল। দুই দলই বলের থেকে বেশী শরীরে ধাক্কা মারা পছন্দ করছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ ক্রমশ শারীরিক ফুটবলে পর্যবসিত হয়ে ওঠে। বুমোস, বোরহা, ক্রেসপো তিন তিন জন হলুদ কার্ড দেখে ফেলেন। ধাক্কাধাক্কি, ঠেলাঠেলি, হাতাহাতির চুড়ান্ত পরিণতি অনিরুদ্ধ থাপা-র লাল কার্ড। তবে শেষ হাসি সবুজ-মেরুন-ই হাঁসে। দশ জনে হয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মোহনবাগানের হয়ে জয়সূচক গোল করে যান পেত্রাতোস। অজি তারকার একক প্রচেষ্টার গোলেই শেষমেশ ডার্বি এবং ডুরান্ড জয় পায় বাগান।দশ জনে হয়ে যাওয়ার পরেও মোহনবাগানকে আক্রমণের রাস্তা থেকে সরে আসতে দেননি কোচ ফেরান্দো। পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসাবে সেই সময় যেকোনও কোচই রক্ষণ বিভাগের খেলোয়াড় নামিয়ে খেলাটার গতি মন্থর করে দিতে চাইবে। বাগান কোচ ফেরান্দো তখন বুমোসের পরিবর্ত হিসাবে কামিংসকে নামান। অন্যদিকে লিস্টন কোলাসোকে নামান আশিক-কে তুলে নিয়ে। ফেরান্দো-র সেই সিদ্ধান্তগুলি কতটা সঠিক ছিলো তার প্রমান মিলে গেলো ১০ জন হবার ১০ মিনিট বাদেই।চিরকাল রেলায় আছে থাকবে মোহনবাগান 💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/of6f1pSOq2 Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) September 3, 2023খেলার ৭০ মিনিটে গোল পাবার পর মোহনবাগান তাঁদেরকে নিজেদের অর্ধে গুটিয়ে নেন। ১০ জনে খেলেও শেষমেশ ২০ মিনিট তাঁরা কোনও অঘটন ঘটাতে দেননি। লাল হলুদ খেলোয়াররা একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও আসল কাজ করতে ব্যর্থ হয়। মোহনবাগানের রক্ষণ ভেদ করতে তাঁরা পারেননি। সেমিফাইনাল ম্যাচ জিতে মোহনবাগানিদের স্লোগান এই মাঠেই বদলা নেব শেষমেশ সত্যি হল।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

পিছিয়ে পরেও অনবদ্য 'কামব্যাক'! ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ

ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। আবার এক মহারণের আসা জিইয়ে রেখে মোহনবাগানকে চ্যলেঞ্জ ছুঁড়ে দিলো তারা। মঙ্গলবারের খেলাকে যদি এককথায় বর্ণিত করতে হয় তাহলে বলা ভালো হার না মানা হার। যতটাই ছন্নছাড়া ফুটবল তাঁরা খেলেছে ঠিক তটটাই অদম্য জেদ দেখা গেলো তাঁদের খেলায়।এ এক অন্য ইস্টবেঙ্গল। বিনা রণে না দিব সূচাগ্র মেদিনী। দু দুবার পিছিয়ে গিয়েও সেমিফাইনালের মত নকআউটের খেলায় এভাবে ফিরে এসে ম্যাচ জেতা যায়, তা যারা খেলা না দেখেছেন বিশ্বাস করানো যাবেনা। টানা খড়া চলছে ট্রফির, একটা সাফল্যের জন্য, জানপ্রান লড়িয়ে জয়ের জন্য ঝাঁপালেন সকলে। আজকের ম্যচে ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র পাওনা কার্লেস কুয়াদ্রাত। কুয়াদ্রাত-ই হয়ত বা এই নাছোড় মনোভাব করোনার মত ছড়িয়ে দিয়ে গেলেন দলের মধ্যে। টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে ইউনাইটেড কে হারিয়ে ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল।এভাবেও ফিরে আসা যায়? একদম যায়! 👊We are the first finalists of #DurandCup 2023! ❤️💛#DurandCup #JoyEastBengal #EmamiEastBengal #NEUFCEEBFC pic.twitter.com/d0aoJZoyCi East Bengal FC (@eastbengal_fc) August 29, 2023তাঁদের রক্ষণভাগ, মাঝমাঠ ও ফরোয়ার্ড-এর মধ্যে বোঝাপড়া এতটাই নড়বড়ে ছিল আজ যে, টানা তিন-চারটে পাস নিজেদের মধ্যে খেলতেই নাভিশ্বাস উঠেছে। ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের কোনও কিছুই ঠিক যেন আজ ঠিক হচ্ছিল না। যার পরিণাম স্বরূপ দু দুটি গোল হজম করতে হল। ইস্টবেঙ্গলের অগোছালো খেলার সুযোগ নিয়ে সেই সময় বেশ ভাল ফুটবল খেলল নর্থইস্ট। বেশ কয়েকটি গোলের সুযোওগ তারা তৈরি করে।খেলার ২২ মিনিটের মাথায় প্রথম ধাক্কা দেয় নর্থইস্ট। বাঁ প্রান্তে বক্সের বাইরে থেকে বল নিয়ে ফাল্গুনী ডিপ করে ভিতরে ঢুকে এসে সামনে থাকা খেলোয়ারের উপর দিয়ে বক্সের ভিতরে হালকা করে বল ভাসিয়ে দেন লাল-হলুদ ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে হেডে গোলে বল জালে জড়িয়ে দেন করেন জাবাকো। ১-০ এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। প্রথমার্ধের খেলা ১-০ পিছিয়ে মাঠ ছাড়েন লাল-হলুদ।দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু থেকেই তেরেফুঁড়ে খেলা শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। তাঁদের খেলায় দেখে অনেক সংগঠিত মনে হচ্ছিল। প্রথমার্ধের থেকে লাল-হলুদকে অনেল ভাল ফুটবল খেলতা দেখা যায়। যাখনিই মনে হচ্ছিলো ইস্টবেঙ্গল বুঝি সমতা ফেরাবে খেলায় ঠিক সেই সময়, খেলার ৫৬ মিনিটের মাঝমাঠ থেকে লম্বা থ্রু ধরে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ ভাগ কে দাঁড় করিয়ে রেখে এক অনবদ্য গোল করে ব্যবধান ২-০ করে দেন নর্থইস্টের ফাল্গুনী।𝙏𝙝𝙞𝙨 𝙬𝙞𝙣, 𝙩𝙝𝙞𝙨 𝙩𝙚𝙖𝙢... ❤️💛Our senior mens team has made it to the final of a top-flight #IndianFootball competition after 5️⃣ years! 👊#DurandCup #JoyEastBengal #EmamiEastBengal #NEUFCEEBFC pic.twitter.com/lEVuPFgDKP East Bengal FC (@eastbengal_fc) August 29, 2023২-০ পিছিয়ে পড়েও ইস্টবেঙ্গলের খেলার অগোছালো ভাব কিছুতেই কাটছিলো না। ভুল পাসে ভরা ম্যচ দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পরছিল দর্শকরা। ঠিক সেই রকম সময়েই ম্যাচের ৭৭ মিনিটের মাথায় আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় লাল-হলুদ। ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড় ক্লেইটন সিলভার ক্রস ধরে নাওরেমের গোল লক্ষ করে শট নেন, সেই শট নর্থইস্ট ডিফেন্ডার দীনেশ সিংহের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সজা গোলে। ব্যবধান কমতেই অন্য ইস্টবেঙ্গল দেখা মিলল। ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে তাঁরা নর্থইস্ট অর্ধে। ক্লেইটন নামার পর আক্রমণের চাপ আরও বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। গোলের ব্যবধান কমে যাওয়ায় অনেকটা সেফ খেলার উদ্দশ্যে পাহাড়ি দল নিজেদেরকে গুটিয়ে নেয়।সবাই যখন ধরে নিয়েছে ডুরান্ড ফাইনালে যাচ্ছে পাহাড়ি দল নর্থইস্ট ইউনাইটেড ঠিক তখনই চমক! অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে হেডে গোল করে কোলকাতা ডার্বির নায়ক নন্দকুমার সমতায় ফেরান লাল-হলুদকে। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় ২-২ ফলে। খেলা গড়ায় ট্রাইব্রেকারে। পেনাল্টিতে শুটআউটে ৫-৩ গোলে জয়লাভ করে ইস্টবেঙ্গল। টাইব্রেকারে ইস্টবেঙ্গলের নায়ক গোলরক্ষক প্রভসুখন। নর্থইস্টের তৃতীয় পেনাল্টি শট বাঁচিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে ফাইনালে তুললেন তিনি। ১৯ বছর আগে শেষবার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল লাল-হলুদ শিবির। ইতিহাসের কি পুনরাবৃত্তি হবে ২০২৩-এ? অপেক্ষায় লাল-হলুদ শিবির।

আগস্ট ২৯, ২০২৩
রাজ্য

ইমাম, মোয়াজ্জেমদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ভাতা বাড়ল পুরোহিতদেরও

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় ভাতা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। তার ফলে ইমামদের ভাতা বেড়ে হল ৩,০০০ টাকা। মোয়াজ্জেমদের ভাতা বেড়ে হল ১,৫০০ টাকা। তাঁরা কোনওকিছু করতে চাইলে ঋণও পেতে পারেন। ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের সঙ্গেই সভায় পুরোহিতদের ভাতাও ৫০০ টাকা করে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার ফলে পুরোহিতদের ভাতা বেড়ে হল ১,৫০০ টাকা। তিনি বলেন, রাজ্যে তিনটি অর্থনৈতিক করিডর হচ্ছে। তাই রাজ্য ছেড়ে বাইরে যাওয়ার কথা কাউকে ভাবতে হবে না। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ভাতা বাড়ানোর ঘোষণায় খুশি নন ইমাম-মোয়াজ্জেমরা। এই ব্যাপারে রাজ্য ইমামস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, আমরা চাই ইমামদের ভাতা ২,৫০০ টাকা আর মোয়াজ্জেমদের ১,০০০ টাকা বাড়ানো হোক। দরকার হলে আগামী মাসে ফের ইমাম-মোয়াজ্জেমদের নিয়ে সভা ডাকুন। এটাই আমাদের অনুরোধ।

আগস্ট ২১, ২০২৩
রাজ্য

১৮ অগাষ্ট বাংলার এই জেলায় পালিত হল স্বাধীনতা দিবস, কেন ১৫ অগাস্ট নয়?

একই দেশ। কিন্তু স্বাধীনতা দিবসের দিন ভিন্ন। গত মঙ্গলবার ১৫ অগাস্ট দেশ জুড়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। কিন্তু মালদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ১৫ নয়, ১৮ অগাস্ট। এই দিনে স্বাধীনতা পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলা। আর সেই পুরনো স্মৃতিকে সামনে রেখেই শুক্রবার মালদায় পালিত হলো স্বাধীনতা দিবস। ১৯৪৭ সালে ভারত যখন স্বাধীন হয়েছিল। ইংরেজরা দেশ ছেড়েছিল। ঠিক সেই সময় মালদা জেলা পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমানে বাংলাদেশ) অধীনে চলে গিয়েছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যখন সর্বত্র ছিল আলোর রোশনাই তখন মালদা ডুবেছিল গাঢ় অন্ধকারে। সেই সময়কার স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ব্যারিস্টারদের হস্তক্ষেপেই তিনদিন পর স্বাধীনতা পায় আমের জন্য খ্যাত মালদা জেলা। মালদার কালেক্টরের ভবনে পূর্ব পাকিস্তানের ঝান্ডা নামিয়ে উড়ানো হয় ভারতীয় তিরঙ্গা। আর সেই পুরনো স্মৃতিকে বজায় রেখেই আজও মালদায় ১৮ আগস্টে সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে স্বাধীনতা দিবস।শুক্রবার মালদা শহরের গ্রন্থাগারের বই বাগানে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাসের উদ্যোগে এবং মালদার বিশিষ্ট শিল্পীরা হাজির ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। অন্যদিকে ইংরেজবাজার পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকায় স্থানীয় কাউন্সিলর অম্লান ভাদুড়ীর নেতৃত্বে ১৮ আগস্ট উপলক্ষে মালদার স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়। এদিন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রবীণ মানুষদের উপস্থিতিতে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উত্তরবঙ্গ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট যখন ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়। তখন গোটা দেশ এই স্বাধীনতার উৎসবে মেতে উঠেছিল। সেই সময় মালদা ছিল পরাধীন। পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) অধীনে চলে গিয়েছিল মালদা জেলার দশটি থানা। এই নিয়ে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়। মালদার কালেক্টারে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উড়েছিল। কিন্তু সেই সময় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ব্যারিস্টারদের হস্তক্ষেপেই শুরু হয় সীমানা নির্ধারণের লড়াই। এরপর ১৮ আগস্ট মালদা জেলা ভারতের অংশ বলেই ঘোষণা করা হয়। আর সেই ১৮ আগস্ট থেকেই শুরু হয় মালদার স্বাধীনতা দিবস। পূর্ব স্মৃতি ও অতীত বিজড়িত অনেক কাহিনী মালদার এই স্বাধীনতাকে ঘিরে জড়িয়ে রয়েছে। দুটি জায়গাতেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। কচিকাঁচা থেকে বড়রা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

রিমিক্সের ভিড়ে খোলা হাওয়া মধুরা'র বাংলা দেশাত্মবোধক গানের ভিডিও অ্যালবাম 'ন হন্যতে'

ভারতের ৭৭ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সঙ্গীতশিল্পী মধুরা ভাট্টাচার্যের প্রযোজনায় প্রকাশিত হল অরিজিনাল বাংলা গান;ন হন্যতে ও তার মিউজিক ভিডিও। এই গানটির সুর দিয়েছেন সঙ্গীত শিল্পী মধুরা নিজেই। গানটি কথা লিখেছেন সৃজন। রিলিজ করেছে মধুরার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ও লেবেল MADHURAA থেকে। ভারতের স্বাধীনতা ৭৬ বছর পুর্তী উপলক্ষে ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতেই মূলত তাঁর এই উপস্থাপনা বলে জানান শিল্পী মধুরা। মধুরা তার নিজের দাদু (মাতামহ) শ্রী সাধনানন্দ মিশ্র কে (যিনি, দেশ ভাগের বিরুদ্ধে, অনশনে অন্যতম ভূমিকা পালন করে, জেলও খেটেছিলেন) তাঁর এই গান উৎসর্গ করেছেন।বাংলা সঙ্গীত জগতে মধুরা ভট্টাচার্য অতি পরিচিত নাম। টেলিভিশন সিরিয়াল থেকে রুপালি পর্দায় তাঁর অবাধ বিচরণ। বাংলা সিরিয়ালে গাওয়া তাঁর একাধিক হিট টাইটেল ট্র্যাক আজও বাঙ্গালির ঘরে ঘরে বাজতে শোনা যায়। ন হন্যতে গানটির যন্ত্রানুসঙ্গ ও ব্যবস্থাপনা সোমনাথ রায় ও সুব্রত বোস এর।ন হন্যতে, কথাটির অর্থ, যার ক্ষয় নেই বা মৃত্যু নেই! ন হন্যতে নামটির সাথে আমদের সম্ভবত প্রথম পরিচয় সাহিত্যিক মৈত্রেয়ী দেবীর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসে। জানা যায় মৈত্রেয়ী দেবী তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক মির্চা এলিয়াদের লেখা Bengali Nights বা লা নুই বেঙ্গলী বইয়ের প্রত্যুত্তরে, ন হন্যতে বইটি লেখেন। মৈত্রেয়ী দেবী এই উপন্যাসটি লিখে ১৯৭৬ সালে সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পান। ন হন্যতে কথাটি ভগবত গীতা থেকে নেওয়া। আত্মার সম্বন্ধে সেখানে বলা হয়েছে (গীতা ২.২০):অজো নিত্যঃ শাশ্বতোঽয়ং পুরাণো, ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে।অর্থাৎ, (আত্মার) জন্ম নেই, (আত্মা) নিত্য, শাশ্বত, প্রাচীন শরীরকে হত্যা করলেও, একে হত্যা করা যায় না।ন হন্যতে গান টির প্রথমে ঘর ছেড়ে এসেছে, ঘরেরই হিফাজতে - প্রাণপাতে দ্বিধাহীন, নশ্বর দেহেও ন হন্যতে এই চারটি লাইনেই তাঁর সঙ্গীত প্রাজ্ঞ্যতার প্রমান দিয়েছেন শিল্পী মধুরা ভাট্টাচার্য। তাঁর গায়কী নিয়ে অতি বড় মূর্খও প্রশ্ন করবে না। কিন্তু তাঁর সুরারোপিত গান সত্যিই মনোরম। ৭ মাত্রার ৩|২|২ ছন্দের রুপক তালে, এই অনবদ্য গানটি মুক্তি পাওয়ার দু দিনের মধ্যেই সঙ্গীত পিপাসুদের মন জয় করতে সমর্থ হয়েছে।ন হন্যতে গানে র্যাপের অংশটির মূল আকর্ষন, গীতিকার ও র্যাপার সৃজনের অনবদ্য র্যাপের সাথে সাথে মধুরার অনবদ্য আলাপ। আহির ভৈরব রাগের আলাপের মুর্ছনায় সঙ্গীত পিপাসু শ্রোতারা মুগ্ধ হতে বাধ্য। ছোট থেকেই শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিমাপ্রাপ্ত মধুরা তাঁর সঙ্গীত প্রজ্ঞ্যার প্রতি সুবিচার করেছেন বলেই সমলোচকদের ধারণা।মধুরা এই প্রজেক্ট এর কথা বলতে গিয়ে, এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত সকলকে ও ঈশ্বরকে বারবার ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তার মতে, তার সঙ্গীত গুরুজি শ্রী সন্দীপ নাগ, ভিডিওগ্রাফার অভিষেক আগরওয়াল, লিরিসিস্ট সৃজন, মিউজিক আরেঞ্জর সোমনাথ রায়, সুব্রত বোস, ষ্টুডিও ভায়োলিনা ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার তরুণ দাস, এনাদের একজনকেও ছাড়া এই গানটি এতো অল্প সময়ে, মাত্র ৬/৭ দিনের মধ্যে কমপ্লিট করা সম্ভব হতোনা।

আগস্ট ১৫, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

৪ বছর বাদ ডার্বি জয় ইস্টবেঙ্গলের, মোহনবাগানের বিশ্বকাপার কোনও কাজে এল না

ইস্টবেঙ্গল: ১ (নন্দকুমার) মোহনবাগান: ০East Bengal vs Mohun Bagan match: দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিট। তছনছ হয়ে গেল মোহনবাগান ডিফেন্স। নন্দকুমারের শট জাল কাঁপিয়ে দিল সবুজ মেরুনের। ওই এক গোলের ব্যবধান আর কমানো গেল না। যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জ্বলল লাল হলুদ মশাল। ৪ বছর পর ডার্বি জয় পেল ইস্টবেঙ্গল।বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্কটিশ-অজি বিশ্বকাপারের পা পড়ল ডার্বির মেগা মঞ্চে। জ্বলে উঠল গ্যালারি। কিন্তু নিমিষেই তা উধাও হয়ে গেল নন্দকুমারের গোলে। মোহনবাগান গ্যালারিতে তখন শ্মশানের নিরবতা।ভারতীয় ফুটবলে উইঙ্গাররাও যে অনায়াসে খেলার ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারে তা শনিবার যুব ভরতীর ডার্বিতে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন নন্দকুমার। বোরহার থেকে বল রিসিভ করে যেভাবে নন্দকুমার চলতি ডুরান্ডের অন্যতম দর্শনীয় গোল করলেনন। তাও আবার ট্রান্সফার মার্কেটে ঝড় তোলা অনিরুদ্ধ থাপাকে মাটি ধরিয়ে। এবার আলোচনায় নন্দকুমার। শেষবার যুব ভারতী লাল-হলুদ আবির ভেসেছিল আইলিগে। আইএসএল জমানায় এবারই প্ৰথম।ম্যাচের আগেই লাল হলুদ বস কার্লেস কুয়াদ্রাত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মোহনবাগানকে বধ করতেই মাঠে নামবে ইস্টবেঙ্গল। তা যে কেবল কথার কথা ছিল তা নয়। স্প্যানিয়ার্ড তা বুঝিয়ে দিলেন। এবার আইএসএল-এ খাতায় কলমে সর্বশ্রেষ্ঠ স্কোয়াড গড়েছে নাকি মোহনবাগান। এত শক্তিশালী স্কোয়াডের মালিক হয়েও ফার্নান্দোর ফ্লুইড পাসিং ফুটবল বন্ধ করে দিলেন কুয়াদ্রাত। স্রেফ দুটো প্ল্যানিংয়ে। লিস্টন কোলাসোকে সেভাবে নড়তে পারলেন না মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বলের সাপ্লাই না পেয়ে। কোলাসোকে একেবারে বোতলবন্দি করলেন খাবরা। জেভিয়ের সিভেরিও, নন্দকুমার, মহেশরা টানা মোহনবাগান রক্ষণের উপর চাপ বাড়িয়ে গেলেন। শুভাশিস, হ্যামিল, আনোয়াররা টানা সেই চাপ ধরে রাখতে পারলেন না।ম্যাচের শুরুতে অবশ্য সাদিকু বেশ চনমনে ফুটবল উপহার দিচ্ছিলেন। ভয় ধরাচ্ছিলেন ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে। মাঝমাঠের দখল নিয়ে ইস্টবেঙ্গল খেলায় আধিপত্য কায়েম করে।ম্যাচের প্ৰথম পর্ব বাদ দিলে ডার্বি বেশিক্ষণ ধরেই ঘুম পাড়িয়ে দিল। কুশলী কুয়াদ্রাত ম্যাচ বেঁধে রাখতে চেয়েছিলেন মিডফিল্ডেই। জানতেন, লিস্টন, মনবীরদের কাছে বলের সাপ্লাই কমে গেলেই ভুলের বহর বাড়বে বাগানে। ঠিক সেটাই হল। খেলার শেষ দশ মিনিট যুবভারতীতে মুষলধারে বৃষ্টি।ইস্টবেঙ্গল প্ৰথম একাদশ: প্রভসুখন গিল, নুঙ্গা, খাবরা, নন্দকুমার, মন্দার রাও দেশাই, সাউল ক্রেসপো, বোরহা হেরেরা, সৌভিক চক্রবর্তী, নাওরেম মহেশ, জর্ডন এলসে, জেভিয়ের সিভেরিওমোহনবাগান প্রথম একাদশ: বিশাল কাইথ, ব্রেন্ডন হ্যামিল, আনোয়ার আলি, শুভাশিস বোস, আশিস রাই, গ্লেন মার্টিন্স, হুগো বুমোস, অনিরুদ্ধ থাপা, আর্মান্দো সাদিকু, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসো

আগস্ট ১২, ২০২৩
শিক্ষা

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন, বদল ঘটবে প্রশ্নের ধাঁচেও

বদলে যাচ্ছে রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা পদ্ধতি। আগামী ২০২৪ সালের একাদশ শ্রেণিতে যেসব পড়ুয়া ভর্তি হবে তারাই নয়া পদ্ধতিতে প্রথম পরীক্ষা দেবে।এবার পড়াশুনার পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে। সেমিস্টার পদ্ধতি শুরু হতে চলেছে। একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় সেমেস্টার পদ্ধতি চালু করতে চলেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে যে সব পড়ুয়া একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবে, সেই সব পড়ুয়ারা এই নয়া নিয়মের আওতায় পড়বে। সেমেস্টার পদ্ধতিতে মূল্যায়নের প্রথম ফলাফল ঘোষণা হবে ২০২৬ সালে। ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন সেমেস্টার পদ্ধতিতে করার প্রস্তাব রাজ্যকে দিয়েছিল সংসদ। গত সোমবার সংসদের প্রস্তাবেই অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।সংসদ সূত্রে খবর, একাদশ শ্রেণিতে দুটি এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি সেমেস্টার হবে। ২০২৪ সালে যেসব পড়ুয়া একাদশে ভর্তি হবে তারা নভেম্বরে প্রথম সেমেস্টারে বসবে। একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় তথা শেষ সেমেস্টার হবে ২০২৫ সালের মার্চে। ওই বছর নভেম্বরে হবে দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম সেমেস্টার। ২০২৬ সালের মার্চে হবে দ্বাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমেস্টার।দ্বাদশ শ্রেণির দুটো সেমেস্টারের উপর মূল্যায়ন করে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। প্রশ্ন পত্রেও আসবে পরিবর্তন। নভেম্বর মাসে দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম সেমেস্টারে প্রশ্ন হবে এমসিকিউ ধরণের। অর্থাৎ ওএমআর শিটে উত্তর লিখতে হবে পড়ুয়াদের। আপাতত এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। দ্বাদশের দ্বিতীয় সেমেস্টারে পড়ুয়াদের বিষয়ের উপর ছোট, বড় মিলিয়ে প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। তবে প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা একটাই হবে। সেমেস্টার অনুয়ায়ী প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা ভাগ হবে না।সংসদ সূত্রে খবর, সর্বভারতীয় স্তরে প্রায় সব পরীক্ষাই ওএমআর শিটে দিতে হয়। তাই বাংলার পড়ুয়াদেট সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অভ্যস্ত করতেই ওএমআর ফরম্যাটে পরীক্ষার এই আয়োজন।

আগস্ট ০৯, ২০২৩
রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব

এসএসসিতে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি গিয়েছিল তৎকালীন শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ের। এবার আরেক মন্ত্রীর মেয়ে বড় পদ পেলেন শিক্ষা দফতরে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব পদে নিযুক্ত হলেন প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। যিনি সম্পর্কে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে । ৩১ জুলাই নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও এই নিয়োগের বিষয়টি জানা গিয়েছে বুধবারই। প্রিয়দর্শিনী তিন বছর সচিবের দায়িত্ব সামলাবেন বলেই নির্দেশিকায় উল্লেখ রয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় কন্যা আশুতোষ কলেজের মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা হিসাবে কর্মরতা ছিলেন।তাপস কুমার মুখোপাধ্যায় স্বয়ং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন। তাপসবাবুর যুক্তি ছিল, আগামী বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। কিন্তু ৪ তারিখ তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর নতুন যিনি তাঁর জায়গায় আসবেন, তিনি সেই দায়িত্ব সামলাতে মুশকিলে পড়বেন। তাই আগেভাগেই পদ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন তাপসবাবু। প্রশাসন তাপস মুখোপাধ্যায়ের আবেদনকে মান্যতা দিয়েছে। সংসদের সচিব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাঁকে। শেষমেষ প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে সচিব হিসাবে পেল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তবে নির্দেশের প্রতিলিপি হাতে না মেলায় এখনই সংবাদ মাধ্যমে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি প্রিয়দর্শিনী।রাজ্যের এক মন্ত্রীর মেয়েকে শিক্ষা প্রশাসনে নিয়োগ ঘিরে জোর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপা এবং কন্যা প্রিয়দর্শিনীর মল্লিকের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল প্রধান বিরোধী দল। বিজেপি-র অভিযোগ ছিল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কয়েক কোটি টাকার আর্থিক তছরূপ করেছিলেন। এর সঙ্গে জড়িত মন্ত্রীর স্ত্রী ও কন্যাও। রীতিমতো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং আয়কর রিটার্ন-এর কাগজপত্র পেশ করে অভিযোগের বিষয়টি জোড়ল করতে চেয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব।

আগস্ট ০২, ২০২৩
রাজ্য

কলকাতায় সিবিআই ডিরেক্টর, গতি বাড়বে তদন্তের?

বুধবার সিবিআই ডিরেক্টর হবার পর প্রথমবার কলকাতায় এলেন প্রবীণ সুদ। বুধবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সোজা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে যান প্রবীণ। সেখানে দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি দফায় দফায় বৈঠক করপন। সেখানে তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন সিবিআইয়ের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।সিবিআই সূত্রে খবর, কলকাতার সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব শেষে, বিভিন্ন তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়েও আলোচনা শুরু করেন সিবিআই ডিরেক্টর প্রবীণ সুদ। প্রতিটি মামলাগুলির কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, কি কি তথ্য উঠে এসেছে এবং আদালতের নির্দেশে কোন মামলার গতিপ্রকৃতি কত পর্যন্ত এগিয়েছে সবটাই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চান তিনি। সিবিআই অফিসারদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশে তিনি দেন বলে সূত্রের খবর।প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, ইতিমধ্যে সিবিআই এর ভূমিকা নিয়ে আদালত বেশ কয়েকবার উষ্মা প্রকাশ করেছে। হাইকোর্টের এক বিচারপতিকে সম্প্রতি একটি মামলার শুনানিতে বলতে শোনা গিয়েছিল সিবিআই অফিসাররা যদি সঠিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিবিআই-এর বিরুদ্ধে নালিশ করতে বাধ্য হবেন। এখন দেখার বিষয় সিবিআই এর নবনিযুক্ত ডিরেক্টর প্রবীণ সুদ কলকাতায় আসার পর সিবিআই এর আধিকারিকদের এই রাজ্যে যে সকল মামলা তাদের হেফাজতে রয়েছে তা নিয়ে তাদের পরবর্তী ভূমিকা কি হয়।

আগস্ট ০২, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে তৃণমূলের ডাবল আক্রমণ! উত্তর থেকে দক্ষিণে ঝড় তুলবেন মমতা-অভিষেক

আর মাত্র একমাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে থেকেই জোরকদমে প্রচারে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের দুই প্রান্ত থেকে প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৪ মার্চ আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। একই দিনে মাটিগাড়া এবং ময়নাগুড়িতেও সভা করবেন তিনি।অন্যদিকে, একই দিন দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় তাঁর প্রথম জনসভা হওয়ার কথা। এরপর ২৫ মার্চ তিনি নন্দীগ্রাম সহ দুই মেদিনীপুরে একাধিক সভা করবেন। দাসপুর, কেশিয়ারি ও নারায়ণগড়ে জনসভা এবং নন্দীগ্রামে কর্মী বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ভবানীপুরে কর্মীসভা করার পরই উত্তরবঙ্গে চলে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গের সব আসনেই প্রথম দফায় ভোট হওয়ায় সেখানে বিশেষ জোর দিচ্ছেন তিনি। একদিনে একাধিক সভা করে প্রচার তীব্র করতে চান তৃণমূল নেত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকা এখনও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। সেই কারণে সেখানে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে দলীয় শক্তি আরও মজবুত করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও জানা গিয়েছে, মার্চ মাস জুড়ে উত্তরবঙ্গের একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা ও রোড শো করবেন অভিষেক। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় জনসংযোগ কর্মসূচিও চালাবেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজ্যে জোরদার প্রচার শুরু করে বিজেপিকে টক্কর দিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মার্চ ২১, ২০২৬
দেশ

১৩ বছর কোমায়, শেষমেশ ইচ্ছামৃত্যুর পথে! এইমসে শুরু ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দীর্ঘ ১৩ বছর কোমায় থাকা হরিশ রানার ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে দিল্লির এইমসে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে তাঁর জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফিডিং টিউব এবং ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়া হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। বর্তমানে তাঁকে সাধারণ বেডে রাখা হয়েছে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।হরিশ রানার অবস্থার উপর নজর রাখছে এইমসের একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড। যদিও জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তবুও তাঁর কষ্ট কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের লক্ষ্য, তাঁকে যতটা সম্ভব যন্ত্রণামুক্ত রাখা।এই কঠিন সময়ে হরিশ রানার পরিবারও এইমসেই রয়েছেন। তাঁর বাবা-মা এবং ভাই নিয়মিত কাউন্সেলিংয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে কৃত্রিম পুষ্টি ও অন্যান্য সহায়তা বন্ধ করা হয় এবং রোগীর যন্ত্রণা কমানোর দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য মৃত্যু দ্রুত ঘটানো নয়, আবার অকারণে দীর্ঘায়িত করাও নয়, বরং রোগীর স্বস্তি নিশ্চিত করা।ইচ্ছামৃত্যুর ক্ষেত্রে সর্বোত্তম স্বার্থ নীতি মেনে চলা হয়। যখন রোগী নিজের সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন না, তখন পরিবার এবং চিকিৎসকরা মিলে তাঁর জন্য কী ভাল হবে তা ঠিক করেন। হরিশ রানার ক্ষেত্রেও সেই নিয়মই অনুসরণ করা হয়েছে।আদালত এই সিদ্ধান্তের আগে ৩০ দিনের একটি সময়সীমা দিয়েছিল, যাতে পরিবার ও চিকিৎসকরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে পারেন। শেষে সকলের মতামতের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা! মলদ্বীপে উল্টে গেল স্পিডবোটে গৌতম সিংহানিয়া

মলদ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়লেন রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌতম সিংহানিয়া। স্পিডবোটে ভ্রমণের সময় সেটি আচমকা উল্টে যায়। কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেও এই ঘটনায় চোট পান তিনি। পরে সেখান থেকে মুম্বই ফিরে এসেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই স্পিডবোটে মোট সাতজন পর্যটক ছিলেন, যার মধ্যে পাঁচজন ভারতীয়। শুক্রবার গভীর রাতে, প্রায় ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভি ফেলিধু দ্বীপের কাছে বোটটি উল্টে যায়।দুর্ঘটনায় বোটে থাকা এক ভারতীয় পর্যটক, হরি সিং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বাকি যাত্রীরাও কমবেশি আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।ঘটনাটি কেয়োধু এলাকার দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় দুই নটিক্যাল মাইল দূরে ঘটে। কাছেই রয়েছে ফুলিধু নামের একটি ছোট দ্বীপ, যা তার সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্র ভ্রমণের জন্য পরিচিত। এই অঞ্চল ডাইভিংয়ের জন্যও জনপ্রিয়।এই দুর্ঘটনার পর পর্যটন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামার স্বপ্ন থামল? আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মায়ের প্রার্থী হওয়ায় আইনি বাধা

আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মা বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়াই করতে চেয়েছিলেন। তবে আইনি জটিলতার কারণে আপাতত সেই সম্ভাবনা থমকে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এই মুহূর্তে তাঁর প্রার্থী হওয়া সম্ভব নয়।প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিবাদে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া নিয়ে সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্তর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্যাতিতার মা। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে, যা তিনি মেনে নেবেন না। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মেয়ের মৃত্যুর বিচার পাওয়ার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং তা তৃণমূলের বিরুদ্ধেই।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই পানিহাটি এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র হয়েছে। যদিও নির্যাতিতার মা এই বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি, তবুও শেষ পর্যন্ত বিজেপি কাকে প্রার্থী করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সবার।অন্যদিকে, সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত ইতিমধ্যেই প্রচারে নেমে পড়েছেন। তাঁর প্রচারের মূল বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে নির্যাতিতার ন্যায়বিচার, নারী সুরক্ষা, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং বেকারত্বের সমস্যা। পাশাপাশি যুব সমাজের উন্নয়নের কথাও তিনি তুলে ধরছেন।এই পরিস্থিতিতে পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধান লড়াইয়ে কে এগিয়ে থাকবে, সিপিএম না বিজেপিতা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

মার্চ ২১, ২০২৬
দেশ

সন্ত্রাস বন্ধ না হলে জলও নয়! রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতের

পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ বন্ধ না করা পর্যন্ত সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে কোনও আলোচনা করবে না বলে রাষ্ট্রসংঘে স্পষ্ট জানিয়ে দিল ভারত। বিশ্ব জল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পি হরিশ এই মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, চুক্তির পবিত্রতার কথা বলার আগে পাকিস্তানকে মানব জীবনের মূল্য বুঝতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে। তাই তাদের আচরণ না বদলালে এই চুক্তি নিয়ে কোনও কথাবার্তা হবে না।ভারত জানায়, তারা সবসময় দায়িত্বশীল উজান অঞ্চলের দেশ হিসেবে আচরণ করেছে। কিন্তু এই দায়িত্ব একতরফা হতে পারে না। পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদকে নীতির অংশ হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।এই অনুষ্ঠানে মূলত সবার জন্য নিরাপদ জল ও পরিষ্কার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত অভিযোগ করে, পাকিস্তান সেখানে নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে তুলে ধরে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করেছে।এরপরই পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন পি হরিশ। তিনি বলেন, ভারত সদিচ্ছা ও বন্ধুত্বের মানসিকতা নিয়ে সিন্ধু জলচুক্তি করেছিল। কিন্তু পাকিস্তান সেই বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধ এবং বহু সন্ত্রাসবাদী হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, পাকিস্তান সমর্থিত হামলায় বহু নিরীহ ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন।উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে গত বছরের সন্ত্রাসবাদী হামলার পর থেকেই ভারত এই চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। ১৯৬০ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ভারতের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক নিয়মভঙ্গ বলে অভিযোগ করেছে পাকিস্তান।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! পুলিশের ভূমিকা কমিয়ে আধা সেনার হাতে দায়িত্ব? জল্পনা তুঙ্গে

ভোটের আগে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভোটের কয়েক দিন আগে থেকেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হতে পারে। সূত্রের খবর, জেলা প্রশাসন, পুলিশ আধিকারিক এবং পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে কমিশনের তরফে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের পাঁচ দিন আগে থেকে এলাকায় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে।এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে রাজ্য পুলিশের ভূমিকা অনেকটাই সীমিত হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ মূলত আইনগত কাজ ও নথিপত্র সামলাবে, আর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে আধা সেনার হাতে। ভোটের দিনেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আগে বুথে ভোটারদের লাইনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিভিন্ন সহায়তার দায়িত্বে পুলিশ থাকত, এবার সেই দায়িত্ব অন্যভাবে ভাগ করা হতে পারে।অন্যদিকে, প্রার্থীদের জন্য নতুন নিয়মও জারি করেছে কমিশন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁদের সমাজমাধ্যমে থাকা সব অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। কোন কোন মাধ্যমে তাঁদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং কতগুলি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তা হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।ভোটের আগে ভুয়ো প্রচার রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, সমাজমাধ্যম বা ইন্টারনেটে কোনও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে নির্দিষ্ট কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন দিলে তা নিয়মভঙ্গ বলে গণ্য হবে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নিয়ম প্রার্থী, রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।এছাড়া বিজ্ঞাপনের অনুমোদন নিয়ে কোনও আপত্তি থাকলে তার জন্য আলাদা আপিলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে প্রচার বা খবর প্রকাশ হচ্ছে কি না, তাও নজরে রাখা হবে।এদিকে, অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও ইদের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার প্রথম তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে এবং ওই সপ্তাহেই দ্বিতীয় তালিকাও আসতে পারে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বহু আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি এই মাসের মধ্যেই আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসতে পারে বলে খবর।সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজ্যে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, তবুও নরম নন ট্রাম্প! কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাত নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি চান না তিনি। তাঁর দাবি, এই সংঘাতে ইরান দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই এখন যুদ্ধ থামানোর প্রশ্নই ওঠে না।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু তিনি যুদ্ধবিরতি চান না। তাঁর কথায়, যখন প্রতিপক্ষকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তখন যুদ্ধ থামানো ঠিক নয়।ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর হামলা এবং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খুব ভালো এবং দুই দেশই একই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর মতে, তারা জয় চায় এবং সেই দিকেই এগোচ্ছে।হরমুজ প্রণালী নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখতে আরও সাহায্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে চিন ও জাপানের মতো দেশ এগিয়ে এলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে। ইরানের কারণে এই পথ আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা পুনরায় চালু করতে জাহাজের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার কাছে হরমুজ প্রণালী ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলির মতো তারা এই পথের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়।উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বর্তমান সংঘাতের জেরে ইরান এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বহু দেশে তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

“নাম কাটা নিয়ে লড়াই চলবে”—রেড রোডে মমতার বক্তব্যে চড়ল পারদ

শুক্রবার ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বাংলা ও উর্দুদুটি ভাষাতেই বার্তা দেন। সেখানে তিনি সকলকে পবিত্র ইদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।শনিবার কলকাতার রেড রোডে ইদের নামাজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আগের মতোই সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যায় তাঁকে। সেখানেই তিনি এসআইআর ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক মানুষের নাম এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়ে তাঁরা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, দেশের প্রতি তাঁর গর্ব রয়েছে এবং তিনি বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা দিতে চান।রেড রোডে ইদের নামাজের প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছিল। কলকাতা খিলাফত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রতি বছরের মতো এ বারও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। নামাজ পরিচালনা করেন ইমাম কারী ফজলুর রহমান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এক মাসের রোজা শেষে হাজার হাজার মানুষ এই নামাজে অংশ নেন।এদিকে ভোটের আবহে রাজ্য রাজনীতি ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত। এই পরিস্থিতিতে ইদের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেও নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। একই সঙ্গে এদিন আবহাওয়াও ছিল প্রতিকূল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের বেশিরভাগ জেলাতেই বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।এর মধ্যেই সম্প্রতি রাজ্যের পুরোহিত ও ইমাম মোয়াজ্জেমদের জন্য মাসিক ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে তাঁরা প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে পাবেন। তাঁর কথায়, এই সম্প্রদায়ের মানুষ সমাজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মার্চ ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal