• ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc,

রাজনীতি

টসেই ফিরল কপাল, গণনায় টাই নিয়েও ভয়ঙ্কর অভিযোগ

টসে জিতলো তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী, তাই নিয়ে শুরু হলো বিতর্ক। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ভোট গণনা কেন্দ্রে জয়ের জন্য টস হয়। তৃণমূলের তরফ থেকে হেড চাওয়া হয়। আর টসে হেড পড়াতেই জিতে যায় তৃণমূল। আর এই টস পদ্ধতির বিরোধিতা করে আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি প্রার্থী সমীর দাস।রাজারহাট বিষ্ণুপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের খামার এলাকার ১৪৮ নম্বর পার্টের ভোট গননা শুরু হয়। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, ভোট গণনার পর তাকে জানানো হয় সে জিতে গেছে। এরপরে পুনরায় গণনা করানো হয়। অভিযোগ দ্বিতীয় বার গণনায় একটি ব্যালট ছিঁড়ে ফেলে কমিয়ে দেওয়া হয়। যার ফলে তৃণমূলের সাথে টাই হয়। বিজেপি প্রার্থীর অনুমতি না নিয়ে টস করে নির্বাচন কমিশনের লোকজন ও ভেতরে কাউন্টিংয়ের লোকজন। এর পরিপেক্ষিতে আমরা কোর্টে যাবো সিদ্ধান্ত নিয়েছি।বিজেপি প্রার্থীর এজেন্ট অসীম ব্যানার্জীর দাবি, আমি বারবার করে অনুরোধ করেছিলাম প্রার্থী নেই আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। ওরা বলছে এটাই আমাদের নিয়ম। ক্যান্ডিডেট এর বদলে আপনি কাউন্টিং এজেন্ট হিসাবে সিদ্ধান্ত নিন। আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না আপনি লিখিত দিন। উনি আমাকে একটা লিখিত দিয়েছেন।তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্ট অসীম দাসের দাবী, টাই হয়েছিল। রি কাউন্টিং করিয়েছি। বিপক্ষ যারা ছিল তারাও দাঁড়িয়েছিল। তারাও দেখেছে। ফের টাই হয়। এরপর দু পক্ষ সিদ্ধান্ত হয়। ভেতরে যারা অফিসার ছিল তাদের সাথে আলোচনা করে দুপক্ষের সিদ্ধান্ত হয় টস হবে। টসে আমরা জয় লাভ করেছি। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। সূত্রের খবর, তৃণমূল এবং বিজেপি উভয়প্রার্থী ৪১৩ টি করে ভোট পায়। এরপর পুনরায় গণনা করা হয়। তাতেও একই ফলাফল আসায় টস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টসে বিজেপি প্রার্থী সমীর দাসকে হারিয়ে জিতে যায় তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত দাস।

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজনীতি

জয়ের সার্টিফিকেট হাতে নিয়েই তৃণমূলে যোগ, ফের 'বায়রন বিশ্বাস'

ভোটে জিতেই আর এক মুহূর্ত দেরি নয়। পঞ্চায়েতে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে গ্রাম সভার আসনে ২৩ ভোটে জিতেই সটান তৃণমূলে যোগদিয়ে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার সহজপুরের ১৬৯ সংসদ প্রার্থী গীতা হাসদা। এরপরইএই পঞ্চায়েতে মোট ১৮ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ১৭ টি আসনেই জয়লাভ করেছিল, একটি আসনে কেবলমাত্র সিপিএম জয় লাভ করে। আর গননা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসার পরই তিনি তৃণমূলের যোগদান করেছেন বলে জানান সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন আগে আমি তৃণমূলটাই করতাম কিছু রাগের কারণে সিপিএম এ যোগদান করেছিলাম। ফের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলাম। চাপের কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান এমন বামেদের দাবি হলেও, দাবি মানতে চাইনি শাসক দল।

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

গ্রাম বাংলার দখল কার হাতে? সকাল ৮টা থেকে শুরু পঞ্চায়েতের ভোট গণনা

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গননা কেন্দ্রগুলিকে। প্রতি গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁর সাথেথাকছে রাজ্য পুলিশও। ভোট গণনা চলবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে। অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে আর কিছুক্ষণ পরেই, গ্রাম বাংলার রাশ কার দখলে যাবে? গননা কেন্দ্র গুলিতে এসে পরেছেন ভোট কর্মীরা, প্রয়োজনীয় ঔষধ ছাড়া আর কিছু নিয়েই ভিতরে প্রবেশ নিশিদ্ধ। সকাল ৮টা থেকেই শুরু হবে ২০২৩ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা। সারা রাজ্যের মোট ৩৩৯টি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সুত্রে জানা যাচ্ছে, তিনটি স্তর (গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ) মিলিয়ে প্রায় ১২% আসনে (মোট ৭৩৮৮৭ টি আসনের মধ্যে ৯০০৯ টি আসনে) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৩২২৯টি আসনের মধ্যে বিনা যুদ্ধে জয় ৮০০২ টি আসনে। পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৯৭৩০ টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ৯৯১ টি আসনে। জেলা পরিষদের মোট ৯২৮টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ১৬টি আসনে।এখানে উল্লেখ্য, ২০১৮ মতো ২০২৩ এও পঞ্চায়েত ভোটেও দেখা গেছে ভয়াবহ হিংসার ছবি। ভোট ঘোষণা র দিন থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ধরলে ২০১৮-কেও ছাপিয়ে গেল ২০২৩। বিরধীদের রোষনলের মুখে নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। যে শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত ভোটের আশ্বাস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নবজোয়ার কর্মসুচীতে দিয়েছিলেন সেটা কি তাহলে শুধুই কথার কথা ছিল? এনিয়ে পাল্টা জবাব পালটা জবাব চলছে। আজ মঙ্গলবার ফলাফল।পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক বিপরীত ছবি দেখা গেলো পুননির্বাচনে,লাগামছাড়া সন্ত্রাসের ছবি উধাও! পুলিস ও কেন্দ্রীয়বাহিনী দাপিয়ে বেরালো বুথ ও সংলগ্ন এলাকা, রূটিন রুট মার্চ, এরিয়া ডোমিনেসন সবই করতে দেখা গেলো। সেখানেই প্রশ্ন বিরোধীদের, তাহলে কি এটা ড্যমেজ কন্ট্রোল? ৮ই জুলাই কোথায় ছিলো পুলিশের এই সক্রিয়তা? বিরোধীদের আরও দাবী হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্তেও কেনো সমস্ত বুথে দেখা যায়নি সশস্ত্র বাহিনী কে? তাহলে কি এটা দিদি-মোদি পরিকল্পনারই ফসল?বিরোধীদের দাবী, ভোটের দিন যেভাবে সারা রাজ্যে বুথে বুথে অশান্তি হয়েছে, বন্দুক হাতে দাপাদাপি করতে দেখা গিয়েছে রাজনৈতিক কর্মীদের, মুড়ি মুড়কির মতো বোমা পড়েছে, দেদার ছাপ্পা, কিন্তু কোথাও কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী কে দেখা যায়নি। পূর্ববর্ধমান জেলার মেমারি-র বাম নেতা অভিজিৎ কোনার (খোকন) তাঁর সামাজিক মাধ্যমে ছবি দিয়ে দাবী করেছেন, আজ ৮/৭/২০২৩ পশ্চিমবঙ্গে অবাধে লুটপাটের পঞ্চায়েত নির্বাচন চলছে।হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্বেও মেমারি ১ ব্লক,মেমারি ২ ব্লক সহ পূর্ব বর্ধমান জেলার কোন বুথেই কেন্দ্রীয়বাহিনী নেই। আজ সকাল ৭.১৮ মিনিটে মেমারি ষ্টেশনে অসংখ্য পুলিশের জমিয়ে গল্প, হাওয়া খাওয়ার ফটো দেখুন।ভোট হচ্ছে গ্রামে,আর পুলিশ রয়েছে রেল স্টেশনে। এতদিন কেন্দ্রীয়বাহিনী নিয়ে TMC-BJP র নাটক এখন বুঝতে পারছেন? কেন্দ্র ও রাজ্যের বোঝাপড়া বুঝুন। তবে বিভিন্ন বুথে প্রতিরোধের ঘটনাও ঘটছে।কোথা ব্যালট বক্স ভোট কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার ভোট কক্ষের ভিত্রেই বোতলে জল নিয়ে গিয়ে ঢেলে দেওয়া হয়েছে ব্যলট বক্সের ভিতর। কিন্তু কোথাও পুলিশর দেখা মেলেনি, না মিলেছে হাইকোর্টের নির্দেশে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীও!

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

মঙ্গলবার ভোটগণনা, তার আগেই ভয়ঙ্কর অভিযোগে এনআইএ-র জালে বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী

বীরভূমের নলহাটি থেকে এনআইএর হাতে গ্রেফতার মনোজ ঘোষ নামে এক অস্ত্র ব্যবসায়ী। অভিযোগ, ওড়িশা ঝাড়খন্ড অন্ধ্রে মাওবাদী ও নকশালদের আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ করত ধৃত মনোজ ঘোষ। সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের পুলিশ ধৃত এক নকশালবাদী নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মনোজের হদিস পায়। সেইমতো গত ২৮ শে জুন এন আই এ মনোজের বাড়িতে হানা দিয়ে বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরক, ডিটোনেটার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করে। সেই সময় মনোজ পলাতক ছিল।গত ৭ জুলাই সে গ্রামে ফেরে। সেই খবর যায় এন আই এর কাছে। রবিবার রাতে তাকে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে এনআইএ। ধৃত মনোজ ঘোষ এবারে নলহাটিতে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন। মনোজের নামে পাথর ও কয়লা খাদান আছে বেশ কয়েকটি। যেগুলির সব কটাই অবৈধ ও বেআইনী। এগুলোর লাইসেন্সও নকল।

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

কুন্তলের চিঠি মামলায় ধাক্কা অভিষেকের, এখনই হস্তক্ষেপ নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

তৃণমূলের সাসপেন্ডেন্ট যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশের উপর এখনই হস্তক্ষেপ করতে চায়নি সুপ্রিম কোর্ট। কুন্তলের চিঠির ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একদফা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। পরে ওই মামলার তদন্তেই তৃণমূলের নবজোয়ার যাত্রার মাঝেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে ফের তলব করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি জানিয়েছিলেন পঞ্চায়েত ভোটের পর যাবেন। কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁকে হেনস্থা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন অভিষেক। সুপ্রিম কোর্টে মামলাও দায়ের করেছিলেন তিনি। সেই আর্জি মামলায় এদিন দেশের প্রদান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ছিল। সোমবারের শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি আদালতে জানান যে, তাঁর মক্কেলকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রান করা হচ্ছে। এতে অভিষেকের ব্যক্তি স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে।তবে সর্বোচ্চ আদালত অভিষেকের আইনজীবীর যুক্তি শুনতে চায়নি। সোমবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, বেআইনি লেনদেন মামলার সূত্রে কাউকে জেরা করার অধিকার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের রয়েছে। তদন্তে সহযোগিতা করতে অসুবিধা কোথায়? তবে প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, অভিষেক চাইলে নতুন করে মামলা করতে পারেন। মামলাটি ফের কলকাতা হাইকোর্টে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও আর্থিক জরিমানার বিষয়টি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।গত মার্চের শেষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ মিনারে দলের ছাত্র-যুবদের সভা থেকে অভিযোগ করেছিলেন যে, কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি তার নাম বলানোর জন্য গ্রেফতার হওয়াদের উপর চাপ দিচ্ছে। প্রায় একই অভিযোগ উঠে আসে কুন্তলের মুখেও। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ফেব্রুয়ারিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে। তারপরই এপ্রিলে কুন্তল দাবি করেছিলেন, অভিষেকের নাম বলানোর জন্য জেরার সময় তাঁর উপর চাপ তৈরি করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির গোয়েন্দারা। এই মর্মে নিম্ন আদালতের বিচারকের কাছে একটি চিঠি দিয়েছিলেন কুন্তল।কুন্তলের ওই চিঠির প্রেক্ষিতেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় অভিষেককে জেরা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে সেই মামলা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অন্য বেঞ্চে সরানো হয়। বিচারপতি অমৃতা সিনহা পুরনো নির্দেশই বহাল রাখেন।

জুলাই ১০, ২০২৩
রাজ্য

কোথায় কত বুথে পুননির্বাচন? কেন্দ্রীয় বাহিনির কি দেখা মিলবে বুথে বুথে?

রাজ্যের কতগুলি বুথে পুনর্নির্বাচন?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথদখল ও ছাপ্পা ভোট ও অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের ২২টি জেলার মধ্যে ১৯টিতেই পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহন পক্রিয়া শুরু হয়েছে। একনো পর্যন্ত কোনও গণ্ডগোলের খব্র পাওয়া যাইনি। সব মিলিয়ে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।কোন কোন জেলার কটি বুথে পুনর্নির্বাচন?রাজ্যে মোট ১৯টি জেলাতে পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন, তাঁর মধ্যে মুর্শিদাবাদের ১৭৫টি বুথ, মালদহের ১০৯টি বুথ, নদিয়ার ৮৯টি বুথ, কোচবিহারের ৫৩টি বুথ, উত্তর ২৪ পরগনার ৪৬টি বুথ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথ, উত্তর দিনাজপুরের ৪২টি বুথ, দক্ষিণ দিনাজপুরের ১৮টি বুথ, পূর্ব মেদিনীপুরের ৩১টি বুথ, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১০টি বুথ, হুগলির ২৯টি বুথ, জলপাইগুড়ি এবং বীরভূমের ১৪টি করে বুথ, হাওড়া এবং বাঁকুড়ার ৮টি করে বুথ, পূর্ব বর্ধমানের ৩টি বুথ, পশ্চিম বর্ধমানের ৬টি বুথ, পুরুলিয়ার ৪টি বুথ এবং আলিপুরদুয়ারের ১টি বুথে সোমবার পুর্নির্বাচন হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে পুর্নির্বাচন হচ্ছে না।প্রতি বুথে কত জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত অফিসার জানিয়েছেন, বুথ প্রতি এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হবে, তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিত। রবিবার বিকালে কমিশন জানিয়েছিল, বুথ প্রতি হাফ সেকশন (৪জন) মোতায়েন থাকবে। পরে বিএসএফ আইজি জানিয়েছে, প্রতি বুথে মোতায়েন করা হবে এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী (৮জন)।

জুলাই ১০, ২০২৩
রাজ্য

বিরোধীদের দাবি ১০হাজার বুথে পুনর্নির্বাচন, পাত্তা না দিয়ে প্রায় ৭০০ বুথে সোমবার ভোট

বিরোধীদের দাবি পুরোপুরি না-মানলেও কয়েকটি বুথে ফের নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবারই পুনর্নির্বাচন করানো হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি, শনিবারের ভোটে যে হারে ছাপ্পা, রিগিং ও সন্ত্রাস হয়েছে। যা হয়েছে, সেটা আসলে প্রহসন। তাতে অত কম বুথে পুনর্নির্বাচন করে কোনও লাভ নেই। অন্তত ১০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনকে পুনরায় স্বচ্ছ নির্বাচন করাতে হবে। যদিও শ্যাম রাখি না-কূল, এই পরিস্থিতিতে পড়া রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই দাবি মানতে নারাজ।শনিবার রাজ্যে একদিনের পঞ্চায়েত ভোটে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অবাধে ভোট লুঠ, ব্যালট বাক্স নষ্ট, বুথ দখল, হিংসা, গুলিচালনা, বোমাবাজি তথা এককথায় অরাজকতার অভিযোগ উঠেছে ভোট ঘিরে। তারপরই বিরোধীরা দাবি, সমস্ত বুথে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ ও ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো যেসব বুথে অরাজকতা হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করাতে হবে। সেই দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল কমিশন। গুটি কয়েক বুথে পুনরায় ভোট ঘোষণায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।তার পাশাপাশি, ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত রাজ্যে এসে পৌঁছেছিল ৬৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপর শনিবার সন্ধ্যা এবং রবিবার সকালে আরও কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছয়। সেই সব বাহিনীকে পুনর্নির্বাচনের কাজে লাগানো হবে বলেই কমিশন জানিয়েছে। একইসঙ্গে, রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৭১ শতাংশ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে আমরা ৭ হাজার বুথে পুনরায় ভোট চেয়েছিলাম। সেটা জেলাস্তরে সব মিলিয়ে ছিল ১০ হাজার। কিন্তু ৬০০-এর বেশি বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজনীতি

ভোটের দিনেও দলবদল। তৃণমূল যোগদান বিজেপি প্রার্থীর

ভোটের দিনেও দলবদল। তৃণমূল যোগদান করলেন বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির ১৯ নম্বর আসনের বিজেপি প্রার্থী কালি চরণ হেমরম ওরফে কালিয়া। পঞ্চায়েত সমিতির ওই আসনে বিজেপি প্রার্থী কালিচরণের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন বনহাট অঞ্চলের বিদায়ী প্রধান জহিরুল ইসলাম। কালিচরণ বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হতেই আমি নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ালাম। ওই আসনে তৃণমূল প্রার্থী রয়েছেন মঙ্গল মুর্মু। ওই আসনে বিজেপি তৃণমূল ছাড়া অন্য কোন দলের প্রার্থী নেই।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজ্য

চোখের সামনে 'ভোটলুঠ', নিরাপত্তার অভাব, আর কখনও ভোটের কাজে নয়, শপথ প্রিসাডিংয়ের

ভোট গ্রহণের প্রথম তিক্ত অভিজ্ঞতায় মহিলা পরিচালিত বুথের ভোট কর্মীরা তিতিবিরক্ত। চাকরি না থাকলেও আর কখনও ভোটের কাজে অংশগ্রহণ করতে চান না তাঁরা। এদিন ঘটনার পর থেকে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ। ভয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন প্রিজাইডিং অফিসার অঙ্গনা শেঠ।বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজচন্দ্রপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ এবার মহিলা পরিচালিত ছিল। সেখানে পাঁচজন মহিলা ভোট কর্মী ছিলেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ছিল একজন জুনিয়ার কনস্টেবল এবং একজন সিভিক ভলন্টিয়ার। ভোট কর্মীরা জানান, বেলা ১১ টা পর্যন্ত ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। তখন প্রায় ২০০ ভোট হয়ে গিয়েছিল। তারপরেই একদল দুষ্কৃতী মুখে কাপড় বেঁধে লাঠি হাতে ভিতরে ঢুকে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে স্ট্যাম্প মেরে বক্সে ঢোকাতে শুরু করে। এরকম কিছুক্ষণ চলার পর আরও কিছু দুষ্কৃতী ভিতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বুথের ভিতর তাণ্ডব চালায়।অঙ্গনা শেঠ বলেন, আমাদের মহিলা পরিচালিত বুথ হলেও ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। একপ্রকার আমাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। দুষ্কৃতীরা আমাদেরও মারতে উদ্যত হয়। জুনিয়ার কনস্টেবল এবং সিভিক দুজনেই নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল। বাইরে তখন ধুন্দুমার চলছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে দুটি মোটর বাইক।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহিরাগত দুষ্কৃতীরা এখানে মোটরবাইক নিয়ে ভোট লুঠ করতে এসেছিল। এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষই তাদের মোটরবাইক জ্বালিয়ে দিয়েছে।ঘটনার পর থেকে মহিলা ভোট কর্মীদের চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল আতঙ্কের চাপ।। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কান্নায় ভেঙে পরেন। পুলিশকে খবর দেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ পুলিশের দেখা মেলেনি। ফলে চাকরি চলে গেলেও তাঁরা যে ভোট প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে কখনও অংশগ্রহণ করবেন না সেটা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

ব্যালট বক্স বাইকে করে সোজা থানায় নিয়ে গেল তৃণমূল কর্মীরা

ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালদার চাঁচল মহকুমায় তৃণমূল এবং বিরোধীদল বিজেপি ও কংগ্রেস, সিপিএমের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে অনেক বুথ থেকে নিরাপত্তার অভাব বোধ করে সরে গিয়েছেন অফিসার থেকে ভোট কর্মীরা। কিন্তু মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের যে ব্যালট বাক্স তা লুঠ হতে দেননি চাঁচল থানার খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর ও দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও তৃণমূল কর্মীরা। শনিবার সংশ্লিষ্ট গ্রামের ১৯৬ বুথের ভোটদান পর্ব দুপুরের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। আর তারপরেই সেখানে শাসক-বিরোধী গোলমালের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। জানা গিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে ব্যালট বাক্স যাতে লুঠ না হয়, তারজন্য স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরাই সেই ভোট সম্পন্ন হওয়া ব্যালট বাক্স বাইকে করে সটাং থানায় নিয়ে এনে জমা দিলেন কর্তব্যরত চাঁচল থানার পুলিশ অফিসারদের কাছে।স্থানীয় তৃণমূলের একাংশ কর্মীদের বক্তব্য, খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর দুর্গাপুর গ্রামের ১৯৬ নম্বর বুথের ভোটদান পর্ব দুপুরের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। তারপরে সেখানে গোলমাল শুরু করে কংগ্রেস, সিপিএমের জোট আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তাদের সঙ্গে এই গোলমালে সামিল হয় বিজেপির স্থানীয় কর্মীরা বলেও অভিযোগ। নিরাপত্তার অভাব বোধ করে ভোট কর্মীরা বুথ থেকে সরে পড়েন । সেই পরিস্থিতিতে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা গোলমাল থামানোর চেষ্টা করে। তখনই ফাঁকা হয়ে যায় ওই নির্বাচন কেন্দ্রটি। সেই সময় ব্যালট বাক্স লুঠের চেষ্টা চালিয়েছিল হামলাকারীরা। তখনই তিনটি ব্যালট বাক্স উদ্ধার করে চাঁচল থানায় নিয়ে এনে জমা দেওয়া হয়েছে।জেলা কংগ্রেসের সহ-সভাপতি ইশাখান চৌধুরী। তিনি বলেন, এসব তৃণমূলের বানানো গল্প। ওরাই ওই বুথ থেকে ব্যালট লুঠ করে ছাপ্পা দেওয়ার পর পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজ্য

পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার বলি বেড়েই চলেছে, ক্ষিপ্ত রাজ্যপালের তোপ কমিশনারকে

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা, হত্যা অব্যাহত। এদিন রাজ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। হিংসা নিয়ে আগেও ন্রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে সতর্ক করেছেন রাজ্যপাল। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। বৃহস্পতিবার ফের সরব হয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। কাল বাদ পরশু রাজ্যে ভোট। তার আগে বেনজিরভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার নিন্দার মুখর হলেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান। রাজ্যপাল এদিন নিজের ভাষণে কখনও মহাভারত, কখনও শেক্সপিয়ার, আবার কখনও টিএন সেশন, স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিচারণ করেছেন।রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, আমি ভেবেছিলাম, বাংলার গ্রামে মঞ্চে গিয়ে দেখব, চিত্ত হেথায় ভয় শূন্য, উচ্চ হেথায় শির। কিন্তু এসে দেখলাম একেবারে উল্টোটা। মানুষের মনে ভয়, মাথা হেঁট হয়ে আছে। গ্রামে গিয়ে বিধবার কান্না শুনেছি, পুত্রহারা মায়ের কান্না দেখেছি। কী করে এসব বন্ধ হবে, যখন রক্তাসুরের হাতেই ক্ষমতা। তবে মনে রাখতে হবে, রক্তাসুর থাকলে মহাকালীও থাকবে। নরক থেকে শয়তান উঠে এসেছে, তারা নৃত্য করছে, ক্যানিং, ভাঙড়, বাসন্তী, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদের মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। শয়তানরা এখন সব এখানেই।কমিশনারকে কটাক্ষ, আমি আপনাকে নিয়োগ করেছি, আর আপনি আমাকে হতাশ করেছেন। আপনি কর্তব্য পালনে ফেল করেছেন। রাস্তায় যে শবদেহ পড়ে আছে তার জন্য আপনিই দায়ী। আপনি কি অশ্বথামা হতে চান? রাতের অন্ধকারের চোরের মতো ঢুকে পাণ্ডবদের ছেলেমেয়েকে যে কুচিয়ে কেটেছিল, নাকি আপনি জুজুৎসু হবেন, যিনি অর্ধমকে ছেড়ে এসেছিলেন। ভোটে আধাসামরিক বাহিনীর যথাযথ মোতায়েন, রুট মার্চ, স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার বিষয়গুলি নিয়ে কমিশনারকে পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, গোটা রাজ্যে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন হচ্ছে। সেখানে মাত্র ৭-৮টা বুথের ঘটনা নিয়ে এত প্রলাপের কোনও অর্থ হয় না। রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে রাজনীতি করছেন।

জুলাই ০৭, ২০২৩
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন বীরভূমের মহম্মদবাজারে, অভিযোগের তির তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ সহ সভাপতিকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।মৃত বিজেপির বুথ সভাপতির নাম দিলীপ মাহারা (৪৮)। বাড়ি বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের হিংলো অঞ্চলের সারেন্ডা গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের কুলু পুকুরের কাছে চন্দ্রপুর গ্রাম যাওয়ার রাস্তার ধারে তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। তাঁর স্ত্রী ছবি হিংলো গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নম্বর আসনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ওই আসনে সিপিএম, তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চন্দ্রপুর গ্রামের সারদা সাহা। বিজেপির দাবি কৌশলগত কারণে তারা ছবিকে নির্দল প্রার্থী করেছে।এদিকে ঘটনার পর থেকে চন্দ্রপুর-সারেন্ডা রাস্তার উপর মৃতদেহ রেখে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম জেলা সাংগঠনিক সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ দলের জেলা নেতারা। দাবি ওঠে, পুলিশ কুকুর এনে ঘটনার তদন্ত করতে হবে। বিজেপির দাবি মেনে বিকেলের দিকে পুলিশ কুকুর এলে অবস্থান বিক্ষোভ উঠে যায়। ধ্রুব সাহা বলেন, খুব কাছ থেকে মাথার পিছনে গুলি করা হয়েছে দিলীপ মাহারাকে। গুলির খোল পাওয়া গিয়েছে। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়রা এরকম ঘটনা ঘটিয়ে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করে পাঁচ বছরের জন্য চুরির লাইসেন্স পেতে চাইছে। পুলিশের পক্ষপাতিত্ব করছে। তাই এই খুনের ঘটনা ঘটল। আমরা মহম্মদবাজার থানার ওসিকে ক্লোজ করার জন্য সাত দিন আগে পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। জেলা রিটার্নিং অফিসার তথা জেলাশাসককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আমরা প্রশাসনকে বলেছিলাম এই ওসি থানায় থাকলে নিরপেক্ষ ভোট হবে না। তাই আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি। আমরা দাবি করছি ওসির বিরুদ্ধেও সিবিআই তদন্ত করতে হবে।ছবি মাহারা বলেন, বুধবার বিকেলে ঘর থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। এদিন সকালে মৃত্যুর খবর পাই। তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় স্বামীকে খুন করেছে। একই বক্তব্য তাঁর ছেলে উৎপল মাহারার। তিনি বলেন, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় হুমকি দিতে শুরু করে। মনোয়ন তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল। কিন্তু মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় বাবাকে হারাতে হল। আমরা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইছি।সারেন্ডা গ্রামের বিজেপি প্রার্থী পরিতোষ পাল বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকে তৃণমূলের কালী বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি বাড়ি হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই কারণে আমরা সব আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছিলাম। একজন তুলে নিলে আরেকজন থেকে যাবে এই ভেবে। সেই ভেবেই ছবিকে প্রার্থীকে করা হয়েছিল। কিন্তু ভয়ে গা ঢাকা দেওয়ায় মনোনয়ন তোলার সময় আসতে পারেননি। তবে ওই পরিবার আমাদের বিজেপির সক্রিয় কর্মী। আমরা পুলিশকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ কোনরকম সাহায্য করেনি। এমনকি এদিন সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গুলির খোল চুপচাপ নিয়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের চাপে পরে ফের একই জায়গায় রাখতে বাধ্য হয়।এদিকে বিজেপির দাবি মেনে পুলিশ কুকুর এসে ঘটনাস্থলের পর সোজা চলে যায় পুকুর ঘাটে। সেখান থেকে দিলীপের বাড়ি হয়ে পৌঁছে যায় প্রতিবেশী প্রদীপ মাহারার বাড়িতে। পুলিশ প্রদীপ মাহারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কেউ যুক্ত নয়। ওটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্য হয়েছে। জেলা পুলিস সুপার রাজ নারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, তদন্ত চলছে। পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

কুণাল-শুভেন্দু নন্দীগ্রামে মুখোমুখি, তৃণমূলের সভা থেকে চোর চোর স্লোগান

শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বৃহস্পতিবার ছিল শেষদিনের প্রচার। ডান-বাম সব দলই প্রার্থীদের প্রচারে শেষ ল্যাপে ব্যস্ত। তার মধ্যেই নিজের গড় নন্দীগ্রামে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। চোর-চোর স্লোগান শুনতে হল তাঁকে। কনভয় যাওয়ার সময় নন্দীগ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষের উসকানিতে এই কাণ্ড ঘটেছে বলে বিজেপির দাবি।নন্দীগ্রামে এদিন তৃণমূলের প্রচারসভা চলছিল। স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দলের প্রচারে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। প্রচারসভা চলাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর কনভয় যাওয়ার সময় শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য করে ওঠে চোর চোর স্লোগান। চোর চোর চোরটা, শিশিরবাবুর ছেলেটা বলে কটাক্ষ করা হয়। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের উপস্থিতিতেই ওঠে চোর চোর স্লোগান। তিনিই কার্যত সভা বন্ধ করে ইশারায় স্লোগান দিতে নির্দেশ দেন।চোর চোর স্লোগান শুনে গাড়ির ভিতর থেকে মাথা বের করে বিরক্তি দেখান শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা মেজাজ হারান, আঙুল তুলে শাসিয়ে বলেন, অ্যারেস্ট করাব সবকটাকে। তা সত্ত্বেও চলে চোর-চোর স্লোগান। শুভেন্দুর সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা যাঁরা ভিডিও করছিলেন তাঁদের সরিয়ে দেন। কনভয় চলে যাওয়া পর্যন্ত চলছিল স্লোগান।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

বিজেপি থাকলে দেশ জলাঞ্জলিতে যাবে, অভিষেক

বিজেপি ভাইরাস। তৃণমূল কংগ্রেস ভাইরাসের ভ্যাকসিন। বিজেপি দলের প্রধানমন্ত্রী বড় ঢপ মারছে আর সেই দলেরই এই রাজ্যের বিরোধী নেতা সুকান্ত ও শুভেন্দু ছোট ঢপ মারছে। এই বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করতে না পারলে বাংলা সহ গোটা দেশের ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলি দিতে হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কালনা বৈদ্যপুরে অনুষ্ঠিত জনসভা থেকে এই ভাষাতেই কেন্দ্রের সরকার ও বিজেপিকে তুলো ধনা করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড হ্যান্ড কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি রাজ্যের পাওনা আদায়ের জন্য এদিনের সভাবঞ্চ থেকেই অভিষেক দিল্লি চলো এই ডাকও দিলেন।কালনায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাম ও কংগ্রেসকে ধর্তব্যের মধ্যেই রাখেননি। তবে তাঁর নিশানায় আগা গোড়াই ছিল কেন্দ্রের সরকার ও বিজেপি। অভিষেক বলেন, প্রায় দুআড়াই বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ এই রাজ্যের বিজেপি নেতারা মিলে বাংলার পাওনা ন্যায্য টাকা আটকে রেখে দিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৭ লক্ষ ৮২ হাজার জন মানুষের একশ দিনের কাজের টাকা ওরা আটকে রেখেছে।৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন এর জবাব বাংলার মানুষকে দিতে হবে। সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ আসনে জয়ী করতে হবে তৃণমূলের প্রার্থীদের। ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মানুষ তৃণমূলকে জিতিয়েছিল বলেই লক্ষীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী ও রূপসী প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন বলে অঅভিষেক সভায় উপস্থিত সবাইকে স্নরণ করিয়ে দেন।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজ্য

গণনাকেন্দ্র, প্রার্থী ও এজেন্টদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট

ভোটের আগে বেলাগাম হিংসার ছবি বাংলায়। এখনও বাকি ভোট। তারপরও হিংসার আশঙ্কা করছেন বিরোধী দলগুলো। এই প্রেক্ষিতে গণনাকেন্দ্র, প্রার্থী ও এজেন্টদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, ভোটের পর গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। নিরাপত্তা দিতে হবে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও এজেন্টদের।৮ই জুলাই, আগামী শনিবারই পশ্চিমবঙ্গে এক দফায় হতে চলেছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ভোটের আগে যে ভাবে রাজ্যে বেগালাম হানাহানি চলছে, প্রাণ যাচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে একাধিক মামলা চলছে আদালতে। এক মালায় এদিন ২০১৮-র পঞ্চায়েত ভোটের ভয়ঙ্কর স্মৃতি ও ২০২১ সালের বিধানসভায় ভোটের দিন ও ভোট পরবর্তী হিংসার কথা তুলে ধরে এদিন মামলাকারীর তরফে আদালতে তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রার্থী ও এজেন্টদের নিরাপত্তার দাবিতে প্রথমে মামলাকারী কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেখানে সুবিচার না মেলায় মামলা করেন আদালতে।

জুলাই ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েত ভোটে এবার নয়া ইস্যু 'ছাতা ধর' রাজনীতি

ছাতা এবার রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রবিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ একটি ছবি টুইট করে বলেন যে, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুইয়ের মাথায় ছাতা ধরে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুদিন আগে অন্ডালের একটি নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই। সেখানে দেখা যায় যে বিধায়কের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, তিনি ছাতা ধরে রয়েছেন বিধায়কের মাথায়। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে কাঁকসায় তৃণমূলের একটি সভায় শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায়ের মাথায় পুলিশের ছাতা ধরার টুইট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার পাল্টা টুইট কুনালের। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক লক্ষন ঘড়ূইয়ের পাল্টা কটাক্ষ, ওর কথায় কি উত্তর দেব, সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা আসামী। পাশাপাশি তিনি বলেন আমি বিধায়ক, আমাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমার নিরাপত্তা রক্ষীর। কিন্তু কে প্রভাত চ্যাটার্জী? প্রশ্ন তোলেন তিনি

জুলাই ০৩, ২০২৩
রাজ্য

'তিহারে বসে বাপ-বেটি বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে, একই দশা হবে পিসি-ভাইপোর'- সুকান্ত

আপনাদের এখানকার বড় নেতা এখন দিল্লির তিহার জেলে বসে বেদের মেয়ে জোসনা সিনেমার গান গাইছেন জেলখানায় সম্বল, থালা বাটি কম্বল। এখন আবার বাপ বেটি পাশাপাশি বসে গাইছেন। অপেক্ষা করুন কয়েক মাস। পিসি আর ভাইপো একইভাবে সঙ্গে ওই গান করবেন। রবিবার বিকেলে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ষাটপলসা মোরে জনসভায় এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, আপনারা তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করে যান। আমার কাছে খবর আছে আপনারা যখন দলীয় পতাকা বাঁধতে যাচ্ছিলেন তখন এই থানার ওসি বলেছিলেন গুলি চালিয়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি একজন কার্যকর্তার গায়ে গুলি চালান, হাইকোর্টে গিয়ে আপনার উর্দি খুলে দিতে না পারলে আমার নাম সুকান্ত মজুমদার নয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জটিল মণ্ডলকে আক্রমণ করে বলেন, বালি পাচারের টাকা খাবেন। একটা অংশ পুলিশকে দেবেন আর আমাদের লোকেদের ধমকাবেন চমকাবেন এটা চলতে দেওয়া যাবে না। এখন বলছি শুধরে যান। মনে রাখবেন আপনাদের বড় বড় আইপিএসদের সিবিআই, ইডি ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি তো থানার ওসি। আপনাকে তুলে নিয়ে যেতে দুমিনিট সময় লাগবে না।অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগে শুনতে পেতেন খেলা হবে। কিন্তু এখন শুনতে পান? আগে ওরা কথায় কথায় দিল্লি যেত। এখন দিল্লি যেতে বললে তারা বলে দিল্লি যাব না। আরও বড় বড় চোর রয়েছে। উপর তোলার চোরদের আমরা টাইট করব। নিছু তলার চোরদের আপনারা শায়েস্তা করুণ। আপনাদের বড় নেতা চরাম চরাম, পাঁচন, নকুলদানার দাওয়াই দিতেন। এখন শোনা যাচ্ছে বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে। জেলখানা সম্বল, থানা বাটি কম্বল। আমরা দিল্লি গেলে শুনি। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুণ পিসি আর ভাইপো পাশাপাশি একই সঙ্গে বসে একই গান গাইবেন।নগর উন্নয়ন মন্ত্রী শনিবার বলেছিলেন ২৪ সালে আমারই সরকার গড়ব। সেই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, ২৪ সালে যদি তৃণমূল সরকার গড়ে তাহলে হাতিও জামা প্যান্ট পরে ঘুরবে। আর পারলে আমার বিরুদ্ধে সিবিআই লাগান। তবে বলে রাখি ভোটের দিন কাউকে বুথ লুঠ করতে দেবেন না। তাঁর জন্য ঝাণ্ডার সঙ্গে মোটা মোটা ডাণ্ডা রাখন। কেউ বুথ লুঠ করতে এলে শায়েস্তা করুণ। পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে এক মাসের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেব।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজনীতি

১০ ঘন্টার ওপর টানা ED-র জিজ্ঞাসাবাদ TMC নেত্রী সায়নীকে, জেরায় কি উঠে আসছে?

ইডির তলবের পর থেকে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে লুকোচুরি চলছিল। তবে নির্ধারিত শুক্রবারেই সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজিরা হন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেত্রী সায়নী ঘোষ। ১০ ঘন্টার ওপর টানা জিজ্ঞাসাবাদ চলছে সায়নীকে। ইডি দফতরে ঢোকার মুখে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরেছিলেন সায়নীকে। একের পর এক প্রশ্ন ধেয়ে আসে তাঁর দিকে। নিয়োগ দুর্নীতির এই তদন্তে ইডিকে সব ধরনের সহযোগিতার বার্তা দিয়েছেন সায়নী। কুন্তল ঘোষকে কিভাবে চেনেন সেই প্রশ্ন তখন এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ধৃত কুন্তল ঘোষের মোবাইল চ্যাট ঘেঁটে সায়নী ঘোষের নাম পায় ইডি। যুব তৃণমূলের এই নেত্রীর ব্যাপারে তাই বিশদে জানতে চেয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই কারণেই তাঁর ব্যাঙ্ক ডিটেলস, সম্পত্তির খতিয়ান-সহ তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। এদিন, নির্ধারিত সময়ের আগেই ইডির দফতরে হাজির হন সায়নী।এদিন সায়নী বলেন, দলের প্রচারে ছিলাম। আমাকে ৪৮ ঘণ্টার নোটিশে তলব করা হয়েছে। সশরীরে উপস্থিত হয়েছি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এই তলব। তদন্তে ১০০ শতাংশ সহযোগিতা করব। কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা কি জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইডি? সূত্রের খবর, প্রথম দফায় জিজ্ঞাসাবাদে সায়নী ঘোষের কাছে জানতে চায় কুন্তল ঘোষের সঙ্গে আপনার কিভাবে পরিচয়?সায়নূর জবাব শুধুমাত্র পার্টির কর্মী হিসেবেই যোগাযোগ ছিল। সেখান থেকেই পরিচয়। তারপরেই তার একাধিক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম।কিভাবে আপনার সঙ্গে লেনদেন হয়েছিল?এই প্রশ্নে সায়নী নিশ্চুপ থাকেন।ইডি যাবতীয় যা নথি আনতে বলেছিল সমস্ত নথি জমা দিয়েছে সায়নী। এক ইডি আধিকারিক বলেন সে সমস্ত নথি আমরা পরে খতিয়ে দেখব।ইডি জিজ্ঞাসা করে, এত বড় পদে থাকার কারণেই কি এত বিপুল পরিমাণ টাকা আপনার ক্ষেত্রে ফ্লাট থেকে শুরু করে একাধিক জায়গায় এবং আপনার সাথে লেনদেন করেছে?উত্তরে সায়নী জানায় একেবারেই না। এদিন সমস্ত বয়ান তিনি নিজে লিখে দিয়েছেন সায়নী।

জুন ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বিদেশে থেকে পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন দাখিল, আদালতের চাপে বাতিল কমিশনের

বিদেশে গেলেও মন পড়েছিল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে। হঠাৎ ভোট ঘোষণা করে মনোনয়ন পত্র দাখিলের চটজলদি তারিখও ঘোষণা করে দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আরবে বসে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্য মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মহিরুদ্দিন গাজি। সেই মনোনয়ন নিয়ে আদালতে মামলাও হয়। শেষমেশ বৃহস্পতিবার মহিরুদ্দিন গাজির মনোনয়ন বাতিল করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আরবে মক্কায় বসে কীভাবে মিনাখাঁর বিডিও অফিসে মনোয়ন জমা দিলেন মহিরুদ্দিন গাজি? এই প্রশ্নই তুলেছিল বিরোধীরা। প্রার্থী পদ বাতিলের আবেদন জানিয়ে আদালতে মামলাও হয়। এই নিয়ে আদালতে কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। ওই মামলায় নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করেছিল আদালত।জবাবে আদলতকে কমিশন জানিয়েছিল যে, মনোনয়নে প্রস্তাবককে দিয়ে সম্মতি পাঠানো বিধি সম্মত হলেও, হলফনামায় সই প্রার্থীকেই নিজে এসে করতে হয়। কিন্তু তা হয়নি। কারণ, প্রার্থীর সই ১০ জুন করা হয়েছিল। আর প্রার্থী হজ করতে বিদেশে গিয়েছিলেন ৪ঠা জুন।

জুন ২৯, ২০২৩
রাজ্য

বিডিওদের একাংশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন দিলীপ ঘোষ

রোজই পঞ্চায়েত ভোট শিরোনামে কোচবিহারের নাম উঠে আসে। নবজোয়ার যাত্রার সূত্রপাত হয়েছে এই জেলা থেকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন কো। খুন-খারাবির ঘটনাও ঘটছে। বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি সিতাই, শীতলকুচি আর দিনহাটা হল উপদ্রুত এলাকা। আমাদের লোকসভায় মানুষ জিতিয়েছে। বিধানসভার দুটো আসন জিতেছি। পরে উপ-নির্বাচনে কি হয়েছে আপনারা দেখেছেন। বাইরে থেকে লোক এনে ওখানে ওরা এসব কাজ করে। বিএসএফ ওখানেই গুলি চালিয়েছিল। জনজোয়ার ওরা ওখান থেকেই শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ওখান থেকেই প্রচার শুরু করেছেন। রাজনীতিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ কোচবিহার। কিন্তু ওখানকার মানুষ উন্নয়নের কোনও স্বাদ পান না। যদি স্বাদ পেয়ে থাকেন, তাহলে বলব, হাইওয়ে তৈরি হয়েছে। মোদী করেছেন। বন্দে ভারত চালু হয়েছে সেটাও মোদী করেছেন। কেন্দ্র সুবিধা করেছে। আর মমতা ব্যানার্জি মানুষের প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন।একাধিক জেলার বিডিওদের বিরুদ্ধেই মূলত অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে চলেছে কমিশন। ভাঙড়, মিনাখার বিডিওদের শোকজ করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, বিডিওরাই গণ্ডগোলের মাথা। বিডিও অফিস ঘুঘুর বাসা। পঞ্চায়েত ভোট ওখান থেকেই পরিচালনা হচ্ছে। মনোনয়ন দিয়েও বাতিল করা ওখান থেকেই হচ্ছে। তৃণমূলকে অনৈতিক ভাবে সুবিধা দেওয়া। বাধ্য হয়ে বা ভালো সাজার জন্য বিডিওরা এইসব কাজ করছেন। অত্যন্ত নিন্দনীয়। ১০০ দিনের কাজের টাকা বিডিও অফিস থেকেই লুঠ হচ্ছে। বিডিও অফিস গুলো এখন দুর্নীতির আখড়া।সায়নী ঘোষের নামে ইডি সমন পাঠিয়েছি। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি বলেন, তৃণমূল যুব আছে কোথায়? সায়নী নেত্রী হতে গেছিল। উনি আজ কোথায়? পুরনো বা নতুন মামলা দিয়ে বিজেপি প্রার্থীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিনা কারণে বাড়িতে পুলিশের গাড়ি পাঠিয়ে বলা হচ্ছে থানায় আসুন। চমকানো হচ্ছে। সরাসরি বলা হচ্ছে মনোনয়ন প্রত্যাহার করুন। তৃণমূল কংগ্রেসের জোর নেই নির্বাচন করার। পুলিশ ও সরকারি কর্মীদের কাজে লাগিয়ে ভোটে জেতার চেষ্টা চলছে। আমার মনে হয়, সেই দিন চলে গেছে। দাবি দিলীপ ঘোষের।

জুন ২৯, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

কমনওয়েলথ গেমসের দলে নীরজ, তবে কি এখনও পুরোপুরি ফিট নন অলিম্পিক সোনাজয়ী তারকা?

চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভারতের তারকা জ্যাভলিন নিক্ষেপক নীরজ চোপড়া। তাঁকে শর্তসাপেক্ষে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ঘোষিত ৩২ সদস্যের ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স দলে রাখা হয়েছে। রবিবার দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। তবে নীরজকে শর্তসাপেক্ষে দলে রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রীড়ামহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই কৌতূহল, অলিম্পিক সোনাজয়ী এই তারকা কি এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি?এবারের দলে রয়েছেন দেশের একাধিক তারকা অ্যাথলিট। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় রেকর্ড নিয়ে আলোচনায় থাকা স্প্রিন্টার গুরিন্দরবীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন তেজস্বিন শঙ্কর, তাজিন্দরপাল সিং তুর এবং সর্বেশ কুশারের মতো অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদরাও।গত মে মাসে রাঁচিতে আয়োজিত ফেডারেশন কাপে বেশ কয়েকজন ভারতীয় অ্যাথলিট দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে কমনওয়েলথ গেমসের যোগ্যতা অর্জন করেন। তবে পুরুষদের চার গুণ একশো মিটার রিলে দলটি সুযোগ হাতছাড়া করে। বিশ্ব রিলে প্রতিযোগিতায় ব্যাটন বদলের সময় দুর্ঘটনার জেরে ভারতীয় দল অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিল। যদিও পরে তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে ভালো সময় করলেও শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।জ্যাভলিন বিভাগে নির্ধারিত মান পূরণ করতে না পারা অ্যাথলিটদের জন্য গত ১৩ জুন জলন্ধরে অতিরিক্ত বাছাইপর্বের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে রোহিত যাদব এবং যশবীর সিং নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স করে যোগ্যতা অর্জন করেন। দুজনেই নির্ধারিত দূরত্বের বেশি জ্যাভলিন ছুড়ে নজর কাড়েন।ফেডারেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন নীরজ। গত বছর দোহা ডায়মন্ড লিগে প্রথমবার নব্বই মিটারের গণ্ডি পেরনোর পর থেকেই তিনি পিঠের চোটে ভুগছিলেন। তবে ফেডারেশনের দাবি, নীরজ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন।ফেডারেশনের আশা, কমনওয়েলথ গেমস শুরুর আগে নীরজ প্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে যোগ্যতার সব শর্ত পূরণ করতে পারবেন। তাই তাঁকে দলে রাখা হয়েছে শর্তসাপেক্ষে।এদিকে ট্রিপল জাম্পার সেলভা প্রভুকেও বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে নির্ধারিত যোগ্যতা মান অতিক্রম করেছেন। ফলে তাঁকেও নিয়ে আশাবাদী ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স মহল।এখন সকলের নজর কমনওয়েলথ গেমসের দিকে। নীরজ চোপড়া কত দ্রুত প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন এবং ভারতীয় অ্যাথলিটরা কতটা সফল হন, সেটাই দেখার।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

‘ওনার কাছ থেকে কোনও উপহার চাই না’, মমতার দেওয়া গয়না ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা সাংসদপুত্রের

তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন বিতর্ক সামনে এল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সোনার গয়না ও পুজোর উপহার ফেরানোর সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে তিনি জানান, বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীকে দেওয়া সোনার হার এবং তাঁকে দেওয়া পুজোর পোশাক ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।বৈদ্যনাথ তাঁর পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত কিছু কারণেই এই উপহারগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি লেখেন, এই সৌজন্যের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে উপহারগুলি আর নিজেদের কাছে রাখতে চান না।ছেলের এই সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ছেলে ও পুত্রবধূর সিদ্ধান্তে তিনি গর্বিত।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। কাকলি ঘোষ দস্তিদার দীর্ঘদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে মনে করা হচ্ছে।কিছু দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে এক সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তিনি নিজের ছেলের জন্য দলের টিকিট চেয়েছিলেন। সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় তিনি অন্য রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পরে দলের আরও কয়েকজন নেতার মুখেও একই ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। এই মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন বৈদ্যনাথ, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ওই উপহারগুলি ফেরত দিয়ে আসবেন। এমনকি সোনার হার দীর্ঘদিন তাঁদের কাছে থাকার কারণে যদি কোনও অতিরিক্ত অর্থ বা সুদ দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাতেও তিনি প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন।এখানেই থামেননি বৈদ্যনাথ। তাঁর অভিযোগ, পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। সেই কারণে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের দুই সাংসদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বিরোধ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা পুরসভায় শুভেন্দুর বড় কর্মসূচি, আমন্ত্রণ পেলেন তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলররাও

সোমবার কলকাতা পুরসভায় বিশেষ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাত ধরেই মহানগর জুড়ে শুরু হতে চলেছে স্বচ্ছতাকে স্বাগত শীর্ষক বিশেষ সাফাই অভিযান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অনুষ্ঠানে শুধু শাসক দলের প্রতিনিধিরাই নন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদেরও। পাশাপাশি কলকাতার সমস্ত বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি আগেও দেখা গিয়েছে। তবে কলকাতা পুরসভার সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদের এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর মাধ্যমে সৌজন্য ও সহযোগিতার বার্তা দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু-সহ পুরসভার একাধিক প্রাক্তন মেয়র পারিষদ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর বিকল্প মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এই অনুষ্ঠানে যোগ নাও দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, আগামী ২১ জুন রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বড় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে কলকাতাকে আরও পরিচ্ছন্ন করে তুলতে শহর জুড়ে ছয় দিনের বিশেষ সাফাই অভিযান শুরু করছে প্রশাসন।এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা পুরসভায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। রবিবার ছুটির দিন হলেও পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে-সহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক পুরভবনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি তদারকি করেছেন বলে সূত্রের খবর।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণার টাকা মিলেছে, এবার কবে যুবশক্তি? মালদহ থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি এবং বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প আদৌ চালু হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। এর মধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। তবে যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প এখনও চালু না হওয়ায় অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার মালদহের এক সভা থেকে তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। তাঁর দাবি, প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।এরপর যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই দুই প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। খুব শীঘ্রই বেকার ভাতা চালু করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর প্রকল্প দুটির সুবিধাপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বাজেটে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সেই প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরে নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দেয়, ক্ষমতায় এলে যুবশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি যাঁরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের এককালীন ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল।সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত, প্রকল্প চালুর আগে উপভোক্তাদের তালিকা খতিয়ে দেখা হবে। যোগ্য ব্যক্তিরাই যাতে সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতেই যাচাই প্রক্রিয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে যুবশক্তি প্রকল্প চালু হওয়ার আগে আবেদন ও যাচাই সংক্রান্ত নিয়মাবলি নিয়েও শীঘ্রই বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

স্পিকারের দরজায় অভিষেকের চিঠি! বিদ্রোহী সাংসদদের বড় পরিকল্পনার আগেই দিল্লিতে তৃণমূলের পাল্টা চাল

দিল্লিতে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। সূত্রের খবর, আজই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা ব্লক গঠনের আবেদন জানাতে পারেন তৃণমূলের একাংশ সাংসদ। তার আগেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি নিয়ে স্পিকারের দিল্লির বাসভবনে পৌঁছলেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ।জানা গিয়েছে, তিন পাতার ওই চিঠি আগেই ই-মেলের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল। রবিবার সাগরিকা ও কীর্তি সরাসরি স্পিকারের হাতে সেই চিঠি তুলে দেন। চিঠিতে অভিষেকের আবেদন, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে যেন আলাদা স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, এমন পদক্ষেপের কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ভিত্তি নেই।স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর কীর্তি আজাদ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিভাজনকে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর আশা, আইন ও সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার।অন্যদিকে, সাগরিকা ঘোষের বক্তব্য, লোকসভার মধ্যে তৃণমূলের সাংসদদের নিয়ে আলাদা ব্লক তৈরির উদ্যোগ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। এর কোনও আইনি বৈধতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।এ দিন দিল্লিতে একজোট হন বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদরা। সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন। এরপর তাঁদের স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, তাঁরা আলাদা ব্লক গঠন করে এনডিএকে সমর্থনের আবেদন জানাতে পারেন।এই পরিস্থিতিতেই স্পিকারের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী হবে। ফলে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে নামেননি নেইমার, তবু ব্রাজিলের গোলের নেপথ্যে তিনিই! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল চর্চা

চোটের কারণে মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। শুধু তাই নয়, তিনি রিজার্ভ বেঞ্চেও ছিলেন না। তবু ম্যাচের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, মাঠে না নেমেও ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ গোলের নেপথ্যে ছিলেন নেইমারই।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। ম্যাচের ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল চাপে পড়ে গেলেও ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বাঁদিক থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক ইয়াসির বোনোর কিছুই করার ছিল না।তবে গোলের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, প্রথমার্ধে জলপান বিরতির সময় মাঠের ধারে এসে ভিনিসিয়াসের সঙ্গে কথা বলছেন নেইমার। কিছুক্ষণ পরে ব্রুনো গিমারেসকেও ডেকে পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিও দেখে অনেকের ধারণা, ভিনিসিয়াসকে আরও বেশি করে বক্সের ভিতরে ঢুকে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন নেইমার। কারণ ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ডকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বাইরে খেলতে দেখা গিয়েছিল।মজার বিষয় হল, সেই কথোপকথনের কিছুক্ষণ পরেই গিমারেসের পাস থেকে গোল করেন ভিনিসিয়াস। আর সেই কারণেই সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করছেন, মাঠের বাইরে থেকেও ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন নেইমার।যদিও এই ম্যাচে খেলেননি তিনি, তবে পরের ম্যাচে নেইমারকে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও তিনি প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেক সমর্থকের মতে, দলটিকে একেবারেই চেনা ব্রাজিলের মতো লাগেনি। রাফিনহাদের খেলায় ধার ও গতি দুটোরই অভাব ছিল। অন্যদিকে মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানী ভবনে মুখোমুখি অভিষেক-কুণাল! সাড়ে তিন ঘণ্টার জেরা ঘিরে বাড়ছে রহস্য

সই জাল কাণ্ডের তদন্তে নতুন মোড়। রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের নেতা কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডি। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা জেরার পর ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন কুণাল ঘোষ। বেরিয়ে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে এর বেশি কিছু বলতে চাননি।অন্যদিকে, রাত পর্যন্ত ভবানী ভবনেই ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, টানা প্রায় আট ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এই মামলায় গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করেছিল সিআইডি। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সেই জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলেই রবিবার তাঁকে ফের তলব করা হয়। দুপুর বারোটার মধ্যে হাজিরার নির্দেশ থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান অভিষেক। এরপর বিভিন্ন নথি সামনে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা।দুপুর সাড়ে তিনটার কিছু পরে ভবানী ভবনে পৌঁছন কুণাল ঘোষ। সূত্রের দাবি, প্রথমে দুজনকে আলাদা করে জেরা করা হয়। পরে অভিষেক ও কুণালকে মুখোমুখি বসিয়ে একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই জেরাই চলে দীর্ঘ সময় ধরে।জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে কুণাল ঘোষ সরাসরি কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। যদিও সেখানে যাওয়ার কারণ নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।সই জাল কাণ্ডকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এর আগে তদন্তের সূত্রে সিআইডি আধিকারিকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের পাশের দফতরেও তল্লাশি চালিয়েছিলেন। ফলে এই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড় শক্তিপ্রদর্শন! ওম বিড়লার বাড়িতে ১৭ সাংসদ, তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে জল্পনা

দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি রবিবার আরও নাটকীয় হয়ে উঠল। বিকেলে তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। পরে সামনে আসে একটি ছবি, যেখানে তৃণমূলের ১৭ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদকে একসঙ্গে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও।সূত্রের খবর, সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন ব্লক গঠনের দাবি জানাতে পারেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সাংসদ তাঁদের পাশে রয়েছেন। সেই দাবিকে সামনে রেখেই তাঁরা নতুন রাজনৈতিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।রবিবার সকাল থেকেই একের পর এক সাংসদ দিল্লিতে পৌঁছতে শুরু করেন। তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চান। সেই কারণেই তিনি তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান।অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবির স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছনোর আগেই সেখানে যান তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। যদিও স্পিকারের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। তাঁরা স্পিকারের দফতরে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি জমা দেন। সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, লোকসভায় একটি রাজনৈতিক দলের দুটি পৃথক ব্লক থাকতে পারে না।এর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষুব্ধ সাংসদরা স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছন। যে ছবি সামনে এসেছে, সেখানে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, মালা রায়, অরূপ চক্রবর্তী, দীপক অধিকারী, ইউসুফ পাঠান, জুন মালিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার এবং মিতালি বাগ-সহ মোট ১৭ জন সাংসদকে দেখা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।এই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর সোমবারের দিকে। স্পিকারের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা কী দাবি জানান এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব কী হয়, তা নিয়েই তুঙ্গে আলোচনা।

জুন ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal