• ২৬ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc,

রাজনীতি

পঞ্চায়েতে অশান্তি: অতর্কিতে চলল গুলি, চোপড়ায় প্রাণ ঝরল সিপিএম প্রার্থীর

পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনেও অশান্তি চরমে। গুলিতে প্রাণ ঝরল। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক সিপিএম প্রার্থীর। বৃহস্পতিবার মিছিল করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাচ্ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী ও কর্মীরা। জানা গিয়েছে, বিডিও অফিসে ঢোকার বেশ কিছুটা আগেই মিছিল লক্ষ্য করে গুলি চলে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বাম ও কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন প্রার্থী ও কর্মী। তাঁদের মধ্যেই এক সিপিএম প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুলিচালনার অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।গত কয়েক দিন ধরেই মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছে ভাঙড়, ক্যানিং। বোমার ফুলঝুড়ি দেখেছে রাজ্যবাসী। চোপড়াতেও আশঙ্কা ছিলই। এদিন পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এদিন একসঙ্গে মিছিল করে চোপড়া বিডিও অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী এবং কর্মীরা। রাস্তা দিয়ে বেশ কিছুটা যাওয়ার পর বিডিও অফিসের বেশ কিছুটা আগে ঘটে যায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড। অতর্কিতে ছুটে আসা গুলিতে মৃত্যু হয় একজনের, বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলেছে। রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কয়েকজন। চিৎকার-চেঁচামেচিতে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। গোটা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। ঘটনার সময় কোনও পুলিশ ছিল না। এই পরিস্থিতিতেও মনোনয়ন জমা দিতে বদ্ধপরিকর বাম-কংগ্রেস।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজনীতি

ভাঙড়ে মনোনয়ন ঘিরে ধুন্ধুমার, মুড়ি-মুরকির মত বোমাবাজি, এখনও ভোট বাকি

পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমার চতুর্থ দিনেও বাংলায় হিংসা ছড়াল। মঙ্গলবারও উত্তপ্ত হল ভাঙড়। আইএসএফ প্রার্থীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়-২ ব্লকে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মনোনয়ন জমা না দিতে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন আইএসএফ কর্মীরা। প্রতিরোধ করলেই উভয় দলের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এদিকে আরাবুল ইসলামের ছেলের গাড়ির ড্যাস বোর্ডে মিলেছে তাজা বোমা।এর মধ্যেই বোমাবাজি শুরু হয় ভাঙড়ের ২ ব্লক অফিসের এক কিলোমিটারের মধ্যে। বিজয়গঞ্জ বাজারের কাছে মাঠ এলাকায় মুড়ি-মুরকির মত বোমা পড়তে থাকে। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি, হয়। ছোড়া হয় ইট-পাথর। ফলে শুরুর দিকে পিছু হঠতে থাকে পুলিশ। এর মিনিট পাঁচেক পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় হয় পুলিশ বাহিনী। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আহত হয়েছেন এক এসআই।স্থানীয়দের দাবি, সাত রাউন্ড গুলি চলেছে।। অশান্তি এড়াতে মনোনয়ন কেন্দ্রের এক কিলোমিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয়নি তা সোমবার থেকে একাধিক হিংসার ঘটনাতেই স্পষ্ট। প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে বিডিও অফিসের কাছে মনোনয়নের সময় প্রচুর মানুষ জড়ো হলেন হলেন তা নিয়েই। ভাঙড়ে অশান্তির খবর সামনে আসতেই কমিশনকে জেলা শাসককে ফোন করে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা।ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি বলেছেন, আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনময় ঠেকাতেই এই কাজ করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। সকালেই আমি পুলিশকে ফোন করে সতর্ক করেছিলাম। কিন্তু, পুলিশ পদক্ষেপ করেনি। তাই যা হওয়ার তাই হচ্ছে। পুরোটাই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে জানান নওসাদ। পাল্টা তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার দাবি, সকাল থেকেই এলাকা অশান্ত করে তুলেছে আইএসএফ। বোমাবাজিতে তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। যথেচ্ছভাবে তাদের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে সোমবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। দফায় দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি চলে রাতভরই। ভোর হতেই শুরু হয় বোমাবাজি। আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বে মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা আইএসএফ প্রার্থীদের। সেই নিয়ে যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় তার জন্য সকাল থেকে রাস্তায় নেমে টহল দিচ্ছিল কাশিপুর থানা এবং বারুইপুর থানার পুলিশ। ছিল ব়্যাফ। ভাঙড়ের অতিরিক্ত ডিএসপি মহিদুল্লা এবং বারুইপুরের ডিএসপি শঙ্কর চ্যাটার্জীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ঠেকানো গেল না হিংসা।

জুন ১৩, ২০২৩
রাজনীতি

অভিষেকের ঠাকুরনগর সফর ঘিরে ধুন্ধুমার, ভোটের আগে ঠাকুরবাড়ি কেন: শান্তনু

চলল চোর চোর স্লোগান। গরু চোর, কয়লা চোর। বন্ধ রাখা হল মন্দিরের মূল ফটক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুরনগরের সফর ঘিরে রবিবাসরীয় দুপুরে ধুন্ধুমার কাণ্ড। পাশের মন্দিরে পুজো দিতে হল তৃণমূলের যুবরাজকে। মতুয়া মহাসংঘের কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ, কালো পতাকাও দেখালেন তৃণমূলের কর্মীদের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের উদ্দেশে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন অভিষেক। তাঁর হুঙ্কার, আমি ৩ মাস অন্তর ঠাকুরবাড়িতে আসব, দম থাকলে আটকে দেখাক।তৃণমূল কংগ্রেসের নবজোয়ার যাত্রা এখন চলছে উত্তর ২৪ পরগনায়। এদিন হাবড়ার অনুষ্ঠানের আগে ঠাকুরবাড়িতে যাওয়ার কর্মসূচি ছিল অভিষেকের। কিন্তু অভিষেকের ঠাকুরবাড়ি প্রবেশ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। শান্তনু ঠাকুর ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ভিড় জমান। কেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় ঠাকুরবাড়িতে রাজনীতি করতে আসছেন সেই প্রশ্ন তোলেন শান্তনু ঠাকুর। শান্তনুর কটাক্ষ, অভিষেক কে? কোন মন্ত্রী ও? বাংলার মন্ত্রী না কেন্দ্রের? এত সাজগোজ হচ্ছে, মন্ত্রী এলেও হয় না, প্রধানমন্ত্রী যখন এসেছিলেন, তখনও হয়নি। ও কে? সাধারণ সাংসদ। ওঁর লোকসভায় এসব হোক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে, সাংসদ হিসেবে অভিষেক কে? সূর্যের আলোয় চাঁদ যেমন আলোকিত হয়, ও তাই হয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে ও যেমন সাংসদ, আমিও সাংসদ। ভোটের আগে ঠাকুরবাড়িতে এই মুহূর্তে কী আছে?অভিষেক শান্তনুকে নিশানা করে বলেন, উনি যে বাড়িতে থাকেন, সেখানকার জলের ব্যবস্থা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে রাস্তা দিয়ে হেঁটে তৃণমূলকে চমকাচ্ছেন সেই রাস্তাও মুখ্যমন্ত্রীর করে দেওয়া। চাইলে ভিড় ভেঙে মন্দিরে ঢুকতে ৫ মিনিট লাগবে। ধর্মকে সামনে রেখে রাজনীতি করছেন শান্তনু ঠাকুর। মতুয়া-মাটিকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। আমার কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না, আমি পুজো দিতে এসেছিলাম। অভিষেকের বক্তব্য, মতুয়া মন্দির কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়। আগামী দিনে মানুষ এর জবাব দেবে।অভিযোগ উঠেছে, অভিষেকের আসার আগে জোর করে ঠাকুরনগরের মন্দিরের ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকী ভেঙে ফেলা হয় অভিষেকের এই কর্মসূচি উপলক্ষ্যে তৈরি হওয়া তোরণ। একদিকে ভিতরে মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। সঙ্গে তুমুল স্লোগান। অন্য়দিকে তখন বাইরে বিক্ষোভ চলতে থাকে তৃণমূল কর্মীদের। শান্তনু ঠাকুর জানিয়ে দেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চলে গেলে ঠাকুরবাড়ি গোবরজলে শোধন করা হবে।

জুন ১১, ২০২৩
রাজ্য

পুরসভা-নগরোন্নয়ন দফতরে সিবিআই, করমন্ডলের দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিষ্ফোরক মমতা

রেল দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্ত শুরু হওয়ার পরের দিনই রাজ্যের ১৪টি পুরসভা ও সল্টলেকের নগরোন্নয়ন দফতরে হানা দেয় সিবিআই। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে করমন্ডল এক্সপ্রেসে নিহতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সাহায্য দেয় রাজ্য সরকার। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন সিবিআই তদন্ত নিয়ে। করমন্ডল এক্সপ্রেসে সিবিআই তদন্ত প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এতবড় ঘটনা কী করে ধামাচাপা দেওয়া যায় তার প্রচেষ্টা চলছে। কেন দুর্ঘটনা ঘটল, কেন এত লোক মারা গেল? ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সঠিক তদন্ত হল না। কোনও এভিডেন্স নেই। এদিকে সিবিআই নগরোন্নয়ন দফতরে ঢুকে গেছে। এখন কি বাথরুমেও ঢুকবে? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এসব করে ধামচাপা দেওয়া যাবে না। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে চাঁদের চূড়ান্ত শাস্তি হোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কর্পোরেশনে জল,কল দেখতে গেলে আগামী দিন কিন্তু ভয়ঙ্কর হবে, হুঁশিয়ার দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, টাকা দয়া করে দিচ্ছেন না। আমরা ১৫ লক্ষ টাকা দিতাম। আমরা এক্সট্রা করছি(রাজ্য সরকার)।

জুন ০৭, ২০২৩
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে অভিষেকের ক্ষোভের কড়া জবাব দিলীপ ঘোষের, কেন?

ইডির কাছে যে তথ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায় দিয়েছেন তা জেনে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগ করেছেন অভিষেক। মঙ্গলবার এর জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, না, সবাই জানে তো, আপনি রাজার ছেলে! হাকডাক করে যাচ্ছেন, লোকে জানে না! আপনি কোথায় খান? কোথায় ঘুমোন ? আপনার কত টাকা পয়সা আছে{ সব পাবলিক জেনে গিয়েছে। লুকোনোর আর কিছু নেই। আমরা সাধারণ মানুষ আমাদের নিয়ে পাবলিক ভাবে না। তাছাড়া সবাই এসব জানেন। আরেকটু বিদেশ মন্ত্রকে খোঁজ করলে সব পাওয়া যায়।অভিষেক দাবি করেছেন তিনি নন্দীগ্রামে ২০ কিমি পদযাত্রা করেছেন, তারই পুরস্কার তাঁর স্ত্রীকে ইডির তলব। এই প্রসঙ্গে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, জীবনে প্রথম হাঁটাহাঁটি করছেন। সবে তো একটু ঘাম বেরিয়েছে। রোদে একটু মুখটা পুড়ুক! তাহলে রাজনীতি বোঝা যাবে। আপনি কার জন্য হাঁটছেন? নিজের ভবিষ্যতের জন্য! নিজের পার্টির জন্য হাঁটছেন। তাতে জনগণের কি যায় আসে!! মানুষ তো আপনার কথা ভুলেই গিয়েছে।রুজিরাকে তলব করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছেন অভিষেক। তাঁরও জবাব দিয়েছে দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, কোথায় চাঁদ আর কোথায় বাঁদর! কে কাকে চ্যালেঞ্জ করছে। লোকে হেসে মরে যাচ্ছে এসব দেখে। যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন, গলির লোক গলিতেই থাকুন। রাজপথে আসতে পারবেন না কোনদিন। যতই আপনি তুলসী গাছে জল ঢালুন অশ্বত্থ গাছ হবে না কখনও। অশ্বত্থ গাছ অশ্বত্থ গাছই থাকবে। আর ছাগলকে নিয়ে যতই গরুর গোয়ালে বাঁধুন, সে গরু হবে না কোনও দিন।সোমবার রুজিরা ছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককেও ইডি তলব করেছে। দিলীপ ঘোষের দাবি, আগেও ডেকেছে। আরও অনেককে ডাকবে। এই যে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকার কয়লা কেলেঙ্কারি চলছে। তার ভাগ অনেকেই পেয়েছে। আমরাও জানি সবাই জানে। ডাকা হয়নি এতদিন। এবার ডাক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কটক সফর নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, এ সবই ড্রামা। কটক কেন? কেন দার্জিলিং গেলেন না! উঠল বাই কটক যাই!উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, কেন ইডি ছাড় দিচ্ছে দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু ্অধিকারীকে? বিজেপি করে বলে? কেন তাঁদের ডাকছে না? প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক। অন্য দিকে জঙ্গলমহলে কুড়মিদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কুড়মিদের সঙ্গে শুভেন্দুর ভাল সম্পর্ক বলেই জানে জঙ্গলমহল। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই বিবাদ মেটাতে প্রয়োজন শুভেন্দু অধিকারীকে।

জুন ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রী হলে কি রাতারাতি আশ্চর্যসাধন করবেন বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন? ঘোষণা করে কি বললেন 'মহাগুরু'?

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ মিঠুন চক্রবর্তীর। শুধু অভিযোগ করেই ক্ষান্ত হননি মিঠুন, মুখ্যমন্ত্রী হলে কি করবেন তা-ও ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, এ রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। আইএএস, আইপিএস, স্কুল, কলেজ, সরকারি অফিস, যেখানেই হাত দেবেন, দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। পুরো সিস্টেমটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কোনও ২-৪ জন নেতাকে গ্রেফতার করলে কিছু হবে না। কারণ একজন দুজনের কাজ এটা নয়। সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত।জাতীয় পুরস্কার প্রাপক অভিনেতা তথা একসময়ের তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইটে লিখেছেন, মিঠুন চক্রবর্তী সারদার টাকা নিয়েছেন, অ্যালকেমিস্ট চিট ফান্ডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর। আরও একাধিক বিতর্কে জড়িত। গ্রেফতারি এড়াতে @MamataOfficial-র দেওয়া রাজ্যসভার এম পি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বেইমানি বিজেপির কথা বলা পুতুল হয়েছেন। এখন তিনি বাংলাকে অপমান করছেন, কুৎসা করছেন। উল্লেখ্য সারদা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারিতে দীর্ঘ দিন জেলবন্দি ছিলেন তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ।এরপরই একসময়ের যুবকদের হার্টথ্রব মিঠুনের দাবি, আমায় মুখ্যমন্ত্রী করে দিলে ৬ মাসের মধ্যে গোটা সিস্টেম বদলে দেব। পশ্চিমবঙ্গ আর এই পশ্চিমবঙ্গ থাকবে না। কোনও প্রজন্মকে শেষ করতে গেলে আগে শিক্ষাকে শেষ করো। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাই না। রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে গেলে পরিবর্তন করতে হবে। সেটা ঠিক করবে মানুষ। আর যদি রাজনৈতিক দল বলতে বলেন, তাহলে আমি বলব বিজেপি।রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নীরবতা নিয়েও মিঠুন চক্রবর্তীর তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলায় যখনই কোনও ঘটনা ঘটেছে আমরা কিন্তু জেগেছি। তার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু এখন আমরা প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছি। কারণ, যারা প্রতিবাদের সামনে থাকেন তাদের আত্মা বিক্রি হয়ে গেছে। তাদের আত্মা মরে গেছে কি না জানি না। মরে গেলে আর জাগবে না। পড়াশুনো করা লোকেদের আবার কী আবেদন করব? তারা তো সব জেনে শুনে করছেন।

জুন ০২, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূল নেত্রী মমতার অনুরোধে পাটনায় বিরোধী জোটের বৈঠকের ডাক নীতীশের

একজোট হয়ে ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বৈঠকে বসতে চলেছে দেশের প্রধান বিরোধী দলগুলি। আগামী ১২ জুন পাটনায় এই বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বিহারের মুখ্য়মন্ত্রী নীতীশ কুমার। এর আগে তাঁকে এই বৈঠক ডাকতে অনুরোধ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্য়ে বিরোধী জোটে শান দিতে নবান্নে এসে বৈঠক করে গিয়েছেন নীতীশ। এই বৈঠকে থাকার কথা রয়েছে কংগ্রেসেরও। তৃণমূল ছাড়া বৈঠকে অংশ নেবে আরজেডি, জেডিইউ, ডিএমকে, এনসিপি সহ অধিকাংশ বিরোধী দল। এর আগে নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন জেডি কুমারস্বামী, নীতীশ কুমার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ভগবন্ত মান। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধীদের বৈঠক সফল হলেই একমাত্র বিজেপির সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব। তবে বিরোধীদের মধ্য়ে যে ধরনের দ্বন্দ্ব রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে জোট কতটা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও সন্দেহ আছে।

মে ২৮, ২০২৩
রাজনীতি

অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রার কনভয়ে হামলা, মন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, কি বলছে কুড়মি সমাজ?

অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের নবজোয়ার যাত্রায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের গড় শালবনিতে যাত্রাপথে কনভয় লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটবৃষ্টি চলে। দেওয়া হয় চোর চোর স্লোগান। রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ির কাঁচ ভাংচুর করা হয়। বাইক আরোহী তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে গোপীবল্লভপুরের দলীয় কর্মসূচিতে অভিষেক বলেন, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি রয়েছে। পাশাপাশি কুড়মি সমাজের এই ঘটনায় কোনও হাত নেই বলেই মনে করেন অভিষেক। তিনি কুড়মি সমাজকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে বিবৃতি দাবি করেছেন তিনি। যদিও কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে তাঁরা এই হামলার ঘটনায় নেই। এটা দেখার কথা পুলিশ-প্রশাসনের।পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এক মাস ধরে তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচির মাধ্য়মে জনসংযোগ করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধেয় পশ্চিম মেদিনীপুরের গড় শালবনিতে অভিষেকের কনভয় যাওয়ার আগেই রাস্তা পুলিশে পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ ছিল। অভিযোগ, কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকেই অভিষেকের কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে।অভিষেকের কনভয়ে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা ঝাড়গ্রামের তৃণমূল বিধায়ক বীরবাহা হাঁসদা। বীরবাহার গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয়। আদিবাসী কুড়মি সমাজের নামে বিজেপি এই বিক্ষোভে উসকানি দিচ্ছে বলে দাবি করেন অভিষেক। গোপীবল্লভপুরের সভায় অভিষেক বলেন, এর পিছনে কারা রয়েছে আমরা সব জানি। আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হয়, গুণ্ডামি হয় না। এর পিছনে কারা আছেন আমরা খুঁজে বের করব। বীরবাহার গাড়িচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে প্ররোচনায় পা না দিতে আবেদন জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, রাজেশ মাহাতকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। আমি তাঁর কাছে জবাব চাই। আমাদের ১২-১৩ জন আহত হয়েছেন।কুড়মি সমাজের বক্তব্য, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই। অন্য একটা পয়েন্টে তাঁদের বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল। এদিকে আগামিকাল শালবনিতে জনসংযোগ কর্মসূচিতে যেতে পারেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তার আগে এগরায় বেআইনি বাজি কারখানায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

মে ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ, অভিষেক বললেন, ‘নির্যাসশূন্য। শুভেন্দুকে কেন ডাকছে না সিবিআই?’

রাজ্য়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। শনিবার সকাল ১১টায় নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে ঢোকেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েছেন রাত 8টা 40 মিনিটে। জিজ্ঞাসাবাদের পরই সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শূন্য। আমারও সময় নষ্ট। তদন্তকারীদেরও সময় নষ্ট। অযথা তাঁকে ডাকা হয়েছে বলে এদিনও দাবি করেন অভিষেক। পাশাপাশি অভিষেক তুলোধোনা করেন বিজেপির। নাম না করে তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। অভিষেক বলেন, প্রথম দিন থেকেই আমাকে টার্গেট করেছে। বিজেপির জন্য এক আইন, আমার জন্য এক আইন। আমি দিল্লির পোষা কুকুর হয়ে থাকব না। আমরা বশ্যতা স্বীকার করব না। সর্বভারতীয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি লাগিয়েও মাথানত করাতে পারছেন না। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার হয়ে থাকব। সব চোর, দুর্নীতিগ্রস্ত বিজেপির সম্পদ। অভিষেকের প্রশ্ন, সুদীপ্ত সেন চিঠি লিখে অধীর, সুজন, শুভেন্দুর নাম বলেছে। একজনকেও ডাকা হয়েছে? সুদীপ্ত সেনের চিঠির ভিত্তিতে কেন শুভেন্দুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না? প্রসন্ন রায়ের বাড়িতে দিলীপের দলিল, তাঁকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ নয়? নারদায় টাকা নিতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে, তাঁকে ডাকা হয়েছে?তদন্ত প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, যাঁদের নাম জিজ্ঞাসা করছেন, তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদে। পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদে দলের দায়িত্বে কে ছিলেন? অথচ, শুভেন্দু অধিকারীকে ডাকছে না। তদন্ত চলছে এর থেকে বেশি বলা যাবে না বলেও জানিয়ে দেন অভিষেক।

মে ২০, ২০২৩
রাজনীতি

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেককে তলব সিবিআইয়ের, তৃণমূলের 'যুবরাজ' বাঁকুড়া থেকে কলকাতায়

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন তিনি নবজোয়ার কর্মসূচিতে বাঁকুড়ায় ছিলেন। শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে কলকাতার নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। ইতিমধ্যে বাঁকুড়া থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। বাঁকুড়ার জনসভায় অভিষেক হাজির না থাকায় বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবারই হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল কুন্তল ঘোষ ও অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারবে সিবিআই। আর সেই নির্দেশের পরের দিনই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলব পাওয়ার পর সংবাদ মাধ্যমের কাছে তিনি বলেছেন, একটা ডেভালপমেন্ট আছে। আমি আজ কলকাতায় ফিরব। অভিষেক তখন বাঁকুড়ায় ছিলেন। এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ সিবিআইয়ের নোটিস পেয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তারপরেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন কলকাতায় ফিরবেন।কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ছিল, ধৃত কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে অভিষেককে জেরা করা উচিত। সেই মামলা সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে হাইকোর্টে ফিরে আসে। বেঞ্চ বদল হয়। মামলার শুনানি যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। তিনি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ই বহাল রাখেন। বিচারপতি বদলালেও বিচার বদলায়নি। সেইসঙ্গে আদালতের সময় নষ্ট করার জন্য অভিষেক ও কুন্তলকে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।গতকালের ওই নির্দেশের পর পশ্চিম বর্ধমান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, আমরা পালিয়ে যাওয়ার লোক নই। মাথা উঁচু করে থাকা লোক। তদন্তের মুখোমুখি হতে আমরা ভয় পাই না। ডিভিশন বেঞ্চ বা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ভাববো। একজন নাগরিক হিসাবে সেই রাস্তা আমার সামনে খোলা আছে। তবে তদন্ত এজেন্সিকে আমি সবসময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। যদি আমায় সমন পাঠানো হয় তাহলে দরকারে আমি জনসংযোগ যাত্রা একদিন থামিয়ে আমি তদন্তে সাহায্য করে আসব।বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের পর ডিভিশন বেঞ্চে আপিলও করেছিলেন অভিষেক। তবে শুক্রবার ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খান তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। দ্রুত বিচারের প্রক্রিয়া মানল না হাইকোর্ট। মামলা ফিরে যায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। নতুন বেঞ্চ তৈরি হলে শুনানি হবে বলে জানায় হাইকোর্ট।

মে ১৯, ২০২৩
রাজ্য

দিনভর এগরার গ্রাম ক্ষোভের আগুনে ফুটলো, রাতে এল ৬জনের নিথর দেহ

বেআইনি বাজি তৈরির কারখানা ৯ জনের মৃত্যুর পর আজ, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে যান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না। এর শেষ দেখে ছাড়ব। পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তৃণমূলের নেতৃত্ব গ্রামে এলে চোর চোর বলে স্লোগান তোলে স্থানীয়রা। তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়্যা, দোলা সেন, সৌমেন মহাপাত্রদের বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। পাশাপাশি এই বিষ্ফোরণ কাণ্ডে কোনও বিষ্ফোরক সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তা নিয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে স্থানীয়রা। এই কেস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। এদিন রাতে ৬ জনের নিথর দেহ গ্রামে আসে। সমস্ত নিস্তব্ধতা ভেঙে গ্রামে প্রিয়জন হারাদের পরিবারে কান্নার রোল ওঠে। অভিযুক্ত ভানু ভাগ এখনও পলাতক। তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছে পুলিশ।গ্রামবাসীদের দাবি ভানু বাগের কারখানায় বোমা তৈরি হত। এদিন ফরেন্সিক বিশেজ্ঞরাও নমুমা সংগ্র করে। বাজি প্রস্তুতকারকেদর বক্তব্য, তাঁদের বদনাম করা হচ্ছে। যেখানে পরিবেশ বান্ধব বাজি ছাড়া কিছু প্রস্তুত করাই বেআইনি সেখানে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা কোথায়? এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রামে পৌঁছাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। চোর চোর স্লোগান চলতে থাকে। মানস ভুঁইয়্যারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দেন সঠিক তদন্তের। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে। ভানু বাগের কারখানায় বারে বারে বিষ্ফোরণ ঘটলেও কীভাবে দিনের পর দিন বেআইনি ভাবে কারখানা চালাতে পারে তা নিয়ে এদিনও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। এখন দেখার বিষয় কবে ভানু বাগ কবে গ্রেফতার হন।

মে ১৭, ২০২৩
রাজনীতি

বঙ্গে কেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ? কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার রাতে দমদমে নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। অমিত শাহর রাজ্য সফর নিয়ে গতকাল নবান্নে কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগে মনিপুর যাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মনিপুরে সংঘর্ষে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পর বাড়িতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মনিপুর জুড়ে ১৪৪ কার্ফু জারি রয়েছে। সেই মনিপুর ছেড়ে বাংলায় কেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, অমিত শাহ বাংলায় আসতেই পারেন। তাতে মনে করার কিছু নেই। কিন্তু আগে মনিপুরে নয় কেন? যে রাজ্য হিংসায় জ্বলছে। বাংলায় কিছু ঘটলে পরের দিনই তো প্রতিনিধি পাঠিয়ে দেন।মঙ্গলবার একাধিক কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহর। ভারত-বাংলাদেশ পেট্রোপল সীমান্তে সরকারি অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে অমিত শাহ যাবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। এদিন বিকেলে সায়েন্স সিটির মঞ্চে খোলা হাওয়া আয়োজিত রবীন্দ্র স্মরণ অনুষ্ঠানেও হাজির থাকবেন অমিত শাহ। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপিকে বহিরাগত তকমা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে। সেই তকমা ঘোচাতেই বিজেপির রবীন্দ্র স্মরণ। বিজেপি যে বাঙালি বিদ্বেষী নয় তা বোঝাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির।

মে ০৯, ২০২৩
রাজ্য

মালদায় গোষ্ঠীকলহ মেটাতে কড়া বার্তা অভিষেকের, বৈঠক জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে

দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে রীতিমতো ক্লাস নিয়ে কোন্দল মেটানোর পরামর্শ দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুরে মালদা সফর শেষ করে মুর্শিদাবাদে যাওয়ার আগে ইংরেজবাজার ব্লকের সুস্থানি মোড় এলাকায় দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বেশ কয়েকজন নেতা মন্ত্রীকেও ধমক দিয়েছেন তিনি । দলে যাতে কোনোরকম গোষ্ঠী কোন্দল না থাকে এবং যারা সক্রিয় দলীয় নেতা, তারা যাতে হাত গুটিয়ে বসে না থাকে তাদেরকে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দুপুর ১২ টা থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠকটি চলে প্রায় দুই ঘন্টা। বৈঠক শেষেই কনভয় নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , এদিনের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের দুই রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ও তাজমুল হোসেন। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম নূর, তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী। ছিলেন অন্যান্য বিধায়ক চন্দনা সরকার, সাবিত্রী মিত্র, মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি রফিকুল হোসেন, ইংরেজবাজার এবং পুরাতন মালদা পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু, চৌধুরী কার্তিক ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠক চলাকালীন এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী তাজমুল হোসেনকে উদ্দেশ্য করে বলেন আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কে প্রার্থী হবে, সেটা ঠিক করবে রাজ্য নেতৃত্ব। আপনার কোনও অনুগামী যাকে, তাকে প্রার্থী করার কথা বলছে। এটা কিন্তু ঠিক নয়, বিষয়টা দেখুন। দলের জেলা সভাপতি রহিম বক্সীকে বলেন রতুয়া মালতিপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় ফজলুল হকের মত বেশ কিছু নেতারা বসে রয়েছেন কেন। তাঁদেরকে দলে গুরুত্ব দিচ্ছেন না কেন। তাঁদেরকে কাজে লাগান। বিষয়টি দেখুন। বিধায়ক নিহার ঘোষের উদ্দেশ্যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চাচলে একটি ব্লকে দুইজন সভাপতি কেন। বিষয়টি বসে মিটিয়ে ফেলুন।এদিন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন সাংসদকে নাকি অভিযোগ করেছিলেন সুজাপুরের বিধানসভার অন্তর্গত কালিয়াচক ১ ব্লক কমিটি ঠিকভাবে গঠন হয়নি। অনেক আজেবাজে মানুষকে নেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দলীয় কমিটিতে কোনরকম দুর্নীতি পরায়ন লোককে রাখা যাবে না। জেলা সভাপতি ও মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনসহ অন্যান্য নেতৃত্বরা বসে এই সমস্যার সমাধান করবেন। হবিবপুরের ব্লক সভাপতি প্রদীপ বাস্কেকে উদ্দেশ্য করে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আপনাকে তো দেখা যায় না। কোথায় থাকেন আপনি। দলের জন্য ঠিকমতো কাজ করুন । মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়ান। ইংরেজবাজার ব্লকের সভানেত্রী প্রতিভা সিংহকে সাংসদ অভিষেক বলেন, কৃষ্ণেন্দু সাথে আপনার এত বিবাদ কেন। পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা প্রতিভা সিংহ কৃষ্ণেন্দুকে এজন্য দায়ী করেছেন। এরকম ভাবেই যেদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা ও ব্লকের দায়িত্ব থাকা বেশ কিছু নেতা-নেত্রীদের কোন দল মেটানোর বিষয়ক রীতিমতো ধমক দিয়েছেন। সবমিলিয়ে দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে এক প্রকার ক্লাস নিয়ে সমস্ত সমস্যা এবং কোন্দল মেটানোর পরামর্শ দিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে উপস্থিত মালদা জেলার সমস্ত নেতা-নেত্রীদের আগামী সাতদিনের মধ্যে যেসব এলাকায় বিক্ষোভ, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে সেগুলি মিটিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চাঁচোল, হরিশ্চন্দ্রপুর, ইংরেজবাজার সহ একাধিক ব্লকে দলীয় নেতৃত্বের কাজকর্ম নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বৈঠক শেষে এসব প্রসঙ্গ নিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন , সকলকে একসঙ্গে চলার বার্তা দিয়েছেন আমাদের প্রিয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন কোথাও কোনওরকম দলের সমস্যা থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে হবে। তবে গোষ্ঠী কোন্দল আমাদের নেই । কিছু বহিরাগত মানুষ লোকজনের সাথে মিশে নানান ধরনের ভুলভাল বার্তা দিয়েছে, সেটাও আমরা জানিয়েছি। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীশূন্য করাটাই আমাদের এখন লক্ষ্য । যা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলে গিয়েছেন । আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের তৃণমূলের ফল খুবই ভালো হবে সে ব্যাপারেও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে

মে ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

বাংলায় বিজেপির লোকসভায় লক্ষ্য ৩৫, অভিষেক জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের ২০২৬ বিধানসভার টার্গেট

বিজেপির লক্ষ্য লোকসভা, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধানসভা। অমিত শাহ বীরভূমে সভা করে এরাজ্যে বিজেপির লোকসভার লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে গিয়েছেন, এবার বিধানসভার লক্ষ্য ঘোষণা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহর ঘোষণা ছিল ২০২৪-এ এরাজ্য থেকে বিজেপির আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫, অন্য দিকে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন আগামী ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের লক্ষ্য ২৪০ আসন।তৃণমূল কংগ্রেসের টার্গেট লোকসভা নয়, বাংলার বিধানসভা। বিপুল সংখ্যক বিধায়ক নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে চায় ঘাসফুল শিবির। রবিবার জনসংযোগ যাত্রায় বের হয়ে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তিনি একের পর এক জেলা সফর করছেন। যা শেষ হবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরে, ২৪ জুন।এদিন এই সফরে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় সভা করেন অভিষেক। সেখানেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে দলের লক্ষ্যমাত্রাও ঠিক করে দেন। অভিষেক সভায় বলেন, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৪০ আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে। পাশাপাশি এবারের পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল যে ব্যাপক সাফল্য পাবে, সেটাও স্পষ্ট করে দেন তিনি।অভিষেক আগের মতোই বলেন, সিবিআই আর ইডিকে দিয়ে ধমকে-চমকে কোনও লাভ হবে না। অন্য কোনও দল ভয় পেতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবে ভয় পাওয়ানো যায় না। আমাকেও তো নোটিস পাঠিয়েছে। কিন্তু, তাতে কোনও লাভ হবে না। যত নোটিস আসবে, আন্দোলন ততই বাড়বে। তৃণমূল কংগ্রেসকে আটকানো যাবে না। তারপরই পরপর বিধানসভা নির্বাচনের সাফল্যের হিসেব পেশ করেন অভিষেক। তিনি জানিয়ে দেন, ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ১৮৪ আসন পেয়েছিল। ২০১৬ সালে পেয়েছে ২১১ আসন। ২০২১ সালে পেয়েছে ২১৪ আসন। ২০২৬ সালে সেটাই বেড়ে হবে ২৪০। যত ধমকাবেন, যত চমকাবেন, তৃণমূল কংগ্রেস ততই শক্তিশালী হবে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরুপাচার কাণ্ডে দিল্লিতে ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত কন্যা সুকন্যা

গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডলেক ১১ অগাস্ট সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। এখন তিনি তিহার জেলে রয়েছেন। এবার গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি তলব করেছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মন্ডলকে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এদিন জবাবে অসঙ্গতি মেলায় সুকন্যাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, তাঁর ব্যক্তিগত হিসাবরক্ষককে। ইডি সূত্রে খবর, বারে বারে ইডিকে বিভ্রান্তি করে চলেছিল সুকন্যা। তিনি নিজে নাকি টাকা পয়সার হিসেব রাখতেন। একধাক্কায় কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন তিনি? এই প্রশ্নের সঠিক জবাব তিনি দিতে পারেননি। শেষমেষ এদিন গ্রেফতার করা হয় সুকন্যাকে। আগামিকাল তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, ৫ দিনের হেফাজত চাইবে ইডি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া, আইনি প্রক্রিয়ায় দল নাক গলাবে না{ তবে মাতৃহারা সুকন্যাকে বাইরে রেখে কি তদন্ত করা যেত না? বিজেপির প্রতিক্রিয়া, গরুপাচার কাণ্ডে জড়িত বলেই গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রত কন্যাকে। আগেই বলা হয়েছিল অভিযুক্ত কেউ ছাড়া পাবে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২৩
রাজ্য

১০০ নয় কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিষ্ফোরক তাপস

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন ধৃত তাপস মন্ডল। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার মুখে তাপস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আদালত থেকে বেরিয়ে কথা বলব। আদালত থেকে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন তাপস মন্ডল।তাপস বলেন, ১০০টাকা নয় কুন্তল তুলেছে ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল। অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলেছে কুন্তল। কুন্তল একাই ৫০০ কোটি টাকা তুলেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিওএ সেভাবে কোনও চাপ দেয়নি।কুন্তলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রক্ষিতে বিজেপির বক্তব্য়, শীর্ষ মহল না এত বড় দুর্নীতি সম্ভব নয়। যদিও কুন্তল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে ঘাঁটি গেড়েছেন মুকুল, আদৌ বিজেপি নেতৃত্ব নতুন করে তাঁকে স্বীকৃতি দেবে?

মুকুল রায় গতকাল থেকে দিল্লিতে প্রকাশ্যে এসেছেন, বিজেপির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন। প্রথম সিপিএমের নাম মুখে এনেও পরে তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধোনা করেছেন। ছেলেকে বিজেপি করতে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু বিজেপির কোনও নেতার সঙ্গে এখনও অবধি মুকুল রায়ের বৈঠক করতে দেখা যায়নি। কেন্দ্রীয় বিজেপি মুকুল রায় সম্পর্কে কি ভাবছে তা-ও কিছু জানায়নি। বরং তৃণমূল কংগ্রেস মুকুলকে ঝেড়ে ফেলে দিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র মুকুল ইস্যুতে উৎপাত থেকে জঞ্জাল বলতেও ছাড়েননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, বঙ্গ রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক মুকুল দিনভর মিডিয়াতে ভেসে থাকলেন। উত্তাপ ছড়ালেন রাজনৈতিক মহলে। মুকুল কেন দিল্লিতে? রাজনৈতিক মহল তাঁর দিল্লি যাত্রা নিয়ে নানা মতে বিভক্ত। সিপিএম সাংসদ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য স্পষ্ট দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় মুকুলকে বিজেপির কাছে পাঠিয়েছে। এটা তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির গট-আপ। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব মুকুলের বক্তব্যকে কোনও গুরুত্ব দিতে চাইছে না। মুকুল রায় নিজে সারদা ও নারদা-কাণ্ডে অভিযুক্ত। অন্য দিকে বিধায়কদের দ্বারা প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে নিয়ে ময়দানে জোরালো ভাবে নেমে পড়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তারপর শুভ্রাংশুর নিখোঁজ তত্ব নিজেই খারিজ করে দিয়েছেন মুকুল রায়। কৃষ্ণনগরের বিধায়ক দিল্লি গিয়েছেন কোনও পারিবারিক সদস্য বা কোনও সক্রিয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে নয়, গাড়ির চালক ও রাধুনিকে নিয়ে দিল্লি গিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, যে উদ্দেশ্যেই মুকুল রায় দিল্লি যাক না কেন বিজেপির হয়ে তার বানী ও তৃণমূলের বিরুদ্ধএ যতই আক্রমণ করুক রাজনীতিতে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। বিজেপি নেতাদের তাঁর সঙ্গে কোনও বৈঠক না হওয়ায় চাতক পাখির মতো মুকুল যেন যেন জল জল করে যাচ্ছেন, অভিমত রাজনৈতিক মহলের। এবার দেখার বিষয় বাংলার রাজনীতিতে চানক্য বলে পরিচিত মুকুল কতদিন ধরে দিল্লিতে থেকে যান। কবে বিজেপি নেতৃত্ব প্রকাশ্যে নতুন করে তাঁকে স্বীকৃতি দেয়, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে 'নিখোঁজ' মুকুল শেষমেশ রাতে ধরা দিলেন, জানালেন তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন

মুকুল রায় নাকি নিখোঁজ? বাবাকে কোন দুজন যুবক সল্টলেকের বাড়ি থেকে এয়ারপোর্টে নিয়ে গিয়েছে। রীতমতো এয়ারপোর্ট অথরিটি, এয়ারপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়। এমনকী বীজপুর থানায়ও অভিযোগ দায়ের করে শুভ্রাংশু। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ দিল্লিও চলে গিয়েছে মুকুল রায়ের খোঁজ করতে। কিন্তু রাতেই সংবাদ মাধ্যমে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি স্বেচ্ছায় দিল্লি এসেছেন। কেউ তাঁকে জোর করেনি। তাঁর সঙ্গে শুভ্রাংশুর সঙ্গে কথা হয়েছে।গতকাল রাতে মুকুল রায় দুজন সঙ্গীকে নিয়ে দিল্লিতে যাওয়ার পর থেকে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড় হয়ে যায়। প্রথম দফায় মুকুল নিখোঁজ বলে তোলপাড় হয়ে যায় শুভ্রাংশুর বক্তব্যের পর। তারপর গতকাল রাতেই দিল্লি বিমানবন্দরে দেখা মেলে মুকুল রায়ের। তিনি দিল্লিতে কয়েক দিন থাকবেন বলেও প্রতিক্রিয়ায় জানিয়ে দেন। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সারা দিন মুকুলের কোনও খোঁজ মেলেনি। তারই মধ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা ফেসবুক পোস্ট করেন প্রত্যাবর্তন। ফের হইচই শুরু হয়ে যায় এই পোস্টকে কেন্দ্র করে।শেষমেশ রাতে এক সংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি বিজেপিতে থেকেই রাজনীতি করবেন। শুভ্রাংশুর বিজেপিত যোগদান করা উচিত। কোনও দিন আমি তৃণমূল করিনি। ১০০ শতাংশ নিশ্চিত তৃণমূল আর করব না। মুকুলের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আশার পর ফের শোরগোল পরে যায় রাজনৈতিক মহলে। সেভাবে আর মুকুলের প্রতিক্রিয়ার জবাব দিতে পারেননি পুত্র শুভ্রংশু। এখন দেখার বিষয় ফের কি গেরুয়া উত্তরীয় গলায় পরতে চলেছেন মুকুল? এই চর্চাই চলছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে যাওয়ায় অটো টালাতে বাধা

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সভায় যাওয়ার অপরাধে দুই আটো চালককে কাজে যোগ দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত অটো ইউনিয়নের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে সোমবার আটলা মোড়ে রামপুরহাট-তারাপীঠ রাস্তা অবরোধ করল বিজেপি। পরে পুলিশি আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায়।অবরোধকারীদের বক্তব্য, ১৪ এপ্রিল সিউড়িতে জনসভা করতে এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওই সভায় কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতার বক্তব্য শুনতে গিয়েছিলেন অটো চালক প্রভাত হাজরা, অসিত মণ্ডল। তারপর থেকেই ওই দুই অটো চালককে রাস্তায় অটো চালাতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েও সমস্যার সমাধান হয়নি। বাধ্য হয়ে আটলা মোড়ে অবরোধ করে বিজেপি।বীরভূম জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল, বিজেপির মহিলা মোর্চার বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রশ্মি দে অবরোধে হাজির ছিলেন। তাঁদের দাবি, পুলিশ তাঁদের পথ অবরোধ করতে বাধ্য করেছে। অসিত মণ্ডলের বক্তব্য, রামনবমীর দিন আমরা অটোতে গেরুয়া পতাকা ঝুলিয়ে ছিলাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিন সিউড়িতে বিজেপি কর্মীদের নিয়ে গিয়েছিলাম। সেই কারণে আমাদের অটো চালাতে দিচ্ছে না। বেকার বসে আছি। অটো ইউনিয়নের বক্তব্য, নিয়ম না মেনে যত্রতত্র যাত্রী তোলার জন্য ওই দুজনকে সাত দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

সিবিআইয়ের হানায় বেকায়দায়! বীরভূমে নয়া দলের ঘোষণা প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতির

শনিবার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের তল্লাশি, রবিবার অনুব্রত মন্ডলের জেলায় নয়া দল গঠন। এই দেশে যে কত কিছুই সম্ভব তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সারদা-কাণ্ডের তদন্তের সময় জোর জল্পনা ছিল মুকুল রায় নতুন দল গঠন করবেন। কিন্তু সেই রাস্তায় যেতে দেখা যায়নি তৎকালীন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে। সোজা দিল্লি গিয়ে গেরুয়া উত্তরীয় পরেছিলেন মুকুল। কিন্তু এবার সিবিআইয়ের নজরে থাকা তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি বিভাস চন্দ্র অধিকারী নতুন দল গঠন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। রবিবার বিকেলে নলহাটির কৃষ্ণপুর গ্রামে তাঁর ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের আশ্রমেই নতুন দলের আত্মপ্রকাশ করেন। নতুন দলের নাম দেওয়া হয় সাড়া ভারত আর্য মহাসভা।নয়া দল ঘোষণার পর বিভাস চন্দ্র অধিকারী বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে কোন দলের ক্ষতি হবে বা কোন দলের লাভ হবে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। তবে দলের মূল লক্ষ্য হবে আর্য ভারত গঠন। মানুষকে সঠিক দিশা দিতে দল কাজ করে যাবে। বিভাসবাবু জানান, কয়েক দিনের মধ্যে বীরভূম জেলায় একটা সভা করার পর কলকাতার বুকে সভা হবে।এদিনের বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যাদের অধিকাংশই তৃণমূল কর্মী সমর্থক। তবে লাভ ক্ষতি ভাবতে চান না দলের নয়া সর্বভারতীয় সভাপতি বিভাস চন্দ্র অধিকারী। তিনি বলেন, আমাদের দলে যে কেউ আসতে পারে। আমরা কোন সম্প্রদায় নিয়ে দল করি না। ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র চেয়েছিলেন আর্য মহাসভা নামে দল গঠন হোক। যে দলের কাজ হবে মানুষকে সঠিক দিশা দেখানো। আমরা ঠাকুরের সেই ইচ্ছাকে সম্মান দিয়ে এগিয়ে যাব।

এপ্রিল ১৬, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ...
  • 38
  • 39
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নির্মলাকে ‘ঈর্ষাকাতর’ বলেই ক্ষান্ত নন কল্যাণ! কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন

পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার জবাব দিতে গিয়ে তাঁকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্মলা সীতারমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঈর্ষা করেন বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ।কল্যাণ বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি দেখছেন নির্মলা সীতারমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঈর্ষা করেন। তাঁর বক্তব্য, নির্মলা কোনওদিন প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। এমনকি কোনও প্রদেশের নেত্রী হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্যসভা থেকে তাঁকে এনে মন্ত্রী করা হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ। অর্থ বিষয়ক দায়িত্ব সামলানোর মতো অভিজ্ঞতা তাঁর নেই বলেও দাবি করেন তৃণমূল সাংসদ। নির্মলাকে ঝগড়ুটে গোছের বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কল্যাণের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলের নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের আগে জানতে হবে তাঁর হাতে বোতল ছিল কি না। তিনি বলেন, নেত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করতেই কল্যাণ এ ধরনের মন্তব্য করছেন। তৃণমূলের মধ্যে নিজের পুরনো পদ ফিরে পেতেই তিনি আরও আক্রমণাত্মক হচ্ছেন বলেও দাবি বিজেপি নেতার।প্রসঙ্গত, সংসদে নির্মলা সীতারমণ পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দুর্গাপুরের একটি মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং নদিয়ার কালীগঞ্জে বোমাবাজিতে তামান্না খাতুনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সেই সময় তিনি মন্তব্য করেন, বাংলায় বোমা চলে, আইন চলে না। সেই মন্তব্যের জবাব দিতেই তৃণমূলের তরফে তীব্র আক্রমণ শানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনাকে ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

পুণেতে খুন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক! বজরং দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ, বিজেপিকে বয়কট পরিবারের

বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রের পুণেতে বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বজরং দলের সদস্যরা তাঁদের ছেলেকে খুন করেছে। সেই কারণে বিজেপির কোনও নেতা বা মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের বরাবাজারের তুমড়াশোলের বাঁধডি গ্রামের বাসিন্দা সুখেন মাহাতো পুণেতে কাজ করতেন। বুধবার রাতে তাঁর খুনের ঘটনা সামনে আসে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের প্রতিনিধি দল নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। সমবেদনা জানানো হয় পরিবারের সদস্যদের।বৃহস্পতিবার বিজেপির পক্ষ থেকেও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা নিহতের বাড়িতে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু সেই খবর পেতেই পরিবার বিজেপিকে কার্যত বয়কট করার ঘোষণা করে। কুড়মি জনজাতির ওই পরিবার জানিয়ে দেয়, তারা বিজেপির কোনও নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবে না।এই ঘটনায় জঙ্গলমহলের বিভিন্ন কুড়মি সংগঠন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। নিহতের কাকা দীনেশচন্দ্র মাহাতো অভিযোগ করেন, বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে বজরং দলের সদস্যরা তাঁদের ছেলেকে নির্মমভাবে খুন করেছে। তাঁর দাবি, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুবিচার চান।নিহতের বাবা ধীরেন মাহাতো বলেন, পেটের দায়ে ছেলে মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়েছিল। অর্থের অভাবে ছেলেদের বেশি পড়াশোনা শেখাতে পারেননি। মারাঠি ভাষা জানত না। হয়তো বাংলা ভাষায় কথা বলেছিল, সেটাই কারও অপছন্দ হয়েছিল। সেই কারণেই ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে তাঁর সন্দেহ।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জানিয়েছেন, তিনি ওই পরিবারের পাশে রয়েছেন। অন্যদিকে পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বলেন, যে কোনও মৃত্যু দুঃখজনক। তিনি স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, জঙ্গলমহল থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ কাজের জন্য ভিনরাজ্যে যাচ্ছেন, তাহলে উন্নয়ন কোথায় হয়েছে?পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শান্তিরাম মাহাতো অভিযোগ করেন, বাংলা ভাষায় কথা বলায় বাংলাদেশি সন্দেহে প্রান্তিক কুড়মি সম্প্রদায়ের ওই যুবককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা জঙ্গলমহল মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।পুণে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

‘সুপরিকল্পিত প্রহসন’! বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ শেখ হাসিনার

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুপরিকল্পিত প্রহসন বলে কটাক্ষ করলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আওয়ামী লিগের সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে একটি বার্তা দেন তিনি। সেখানে তাঁর দাবি, দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। মানুষ এই নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সেই জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে, নির্বাচনের দিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং ব্যালট বাক্স দখলের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের তরফে ভোটকে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ বলা হয়েছে। ভোটের পর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর। তবে তাঁর এই দাবির সঙ্গে একমত নন শেখ হাসিনা।হাসিনার অভিযোগ, ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, টাকার বিনিময়ে ভোট কেনাবেচা, ব্যালটে জোর করে সিল মারা এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের সই নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই এই প্রহসনের শুরু। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল নগণ্য বলেও দাবি করেন তিনি। রাজধানী ঢাকাসহ বহু জায়গায় ভোটকেন্দ্র কার্যত ফাঁকা ছিল বলে তাঁর অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বেলা দুটো পর্যন্ত দেশের ৩৬ হাজারের বেশি কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়েছে ৪৭ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের হার ছিল প্রায় ১৪.৯৬ শতাংশ।শেখ হাসিনার দাবি, আওয়ামী লিগ ছাড়া এই নির্বাচনকে দেশের মানুষ মেনে নেয়নি। গত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লিগের সমর্থক, ভোটার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, গ্রেফতার ও ভয় দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ভয়ভীতি উপেক্ষা করেই মানুষ এই নির্বাচন বর্জন করেছে। তাই দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল না বলেই দাবি করেন তিনি।বাংলাদেশের এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও গভীর হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

জ্বর-শ্বাসকষ্ট থেকে নিপা, তারপর মৃত্যু! আতঙ্ক বাড়িয়ে রাজ্যের প্রথম বলি

পশ্চিমবঙ্গে চলতি মরশুমে প্রথম নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ ৩৯ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। যদিও হাসপাতাল সূত্রে দাবি করা হয়েছে, নিপা নয়, হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয়েছে ওই নার্সের।মৃতার নাম সৌমি রায় চৌধুরী। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন। পরে পরীক্ষা করে জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত। গত ৪ জানুয়ারি তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা শুরু হয়। টানা ৩৯ দিন চিকিৎসার পর তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, শেষ দিকে তিনি নাকি নিপামুক্ত হয়েছিলেন।স্বাস্থ্য দপ্তর আগেই নিপা আক্রান্ত ও তাঁদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। বলা হয়েছে, যাঁরা দীর্ঘ সময় আক্রান্তের খুব কাছাকাছি ছিলেন, তাঁরাই বেশি ঝুঁকিতে। উপসর্গ না থাকলেও ২১ দিন আলাদা থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সময় স্বাস্থ্যকর্মীরা দিনে দুবার করে খোঁজ নেবেন বলেও জানানো হয়েছে।চিকিৎসকদের মতে, নিপা ভাইরাস রুখতে সচেতনতা খুব জরুরি। বিশেষ করে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। বাদুড় বা অন্য কোনও পশুর কামড় দেওয়া ফল খাওয়া যাবে না। এই সময়ে খেজুর রস না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পেয়ারা, লিচু বা অন্য ফল খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। রাস্তায় কাটা ফল খাওয়া এড়ানোই ভালো। নইলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।রাজ্যে নিপা আক্রান্তের এই প্রথম মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

চক্ষুদান নাকি চোখ বিক্রি? নদিয়ায় গ্রেফতারি ঘিরে তুমুল বিতর্ক, জামিন পেলেন আমির

মায়ের মৃত্যুর পর চক্ষুদান করেছিলেন। কিন্তু সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে চোখ বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার হতে হয়েছিল সমাজকর্মী ও স্কুল শিক্ষক আমিরচাঁদ আলিকে। নদিয়ার কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা আমিরচাঁদকে তড়িঘড়ি গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে জেলেও যেতে হয়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিন পেলেন তিনি।সম্প্রতি আমিরচাঁদের মায়ের মৃত্যু হয়। তাঁর দাবি, মায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী তিনি একটি স্বীকৃত সংস্থার মাধ্যমে চক্ষুদান করেন। পরে সেই সংস্থা চক্ষু সংগ্রহ করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়। চক্ষুদানের সমস্ত কাগজপত্রও তাঁর কাছে ছিল। তা সত্ত্বেও গ্রামের এক ব্যক্তি থানায় অভিযোগ করেন, আমির নাকি মায়ের চোখ বিক্রি করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ আমির ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে থানায় নিয়ে যায়। পরে আদালতে তোলা হলে আমিরকে জেলে পাঠানো হয়।এই ঘটনায় আরও বিতর্ক তৈরি হয় যখন আমিরের ভাইও প্রথমে চোখ বিক্রির অভিযোগ তোলেন। তবে বৃহস্পতিবার আদালতে আমিরকে তোলা হলে তাঁর জামিনের আবেদনে কেউ আপত্তি জানাননি। এমনকি তাঁর ভাইও জানান, তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তিনি বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে অভিযোগ করেছিলেন। দাদা ভাল কাজই করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মানবাধিকার কর্মী রঞ্জিত শূর এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের এই পদক্ষেপ অঙ্গদান ও চক্ষুদান আন্দোলনের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। মানুষ ভয় পেতে পারেন। ভবিষ্যতে কেউ চক্ষুদান করতে চাইলে আগে পুলিশের অনুমতি নিতে হবে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চক্ষুদানের কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কেন এমন তড়িঘড়ি গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আদালতে জামিন মেলার পর আপাতত স্বস্তিতে আমিরচাঁদ আলি ও তাঁর পরিবার। তবে ঘটনাটি রাজ্যে অঙ্গদান নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা কি নাশকতা? পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানি সুইচ বন্ধ করেছিলেন?

আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানটি ভেঙে পড়েছিল, তা নিছক দুর্ঘটনা নাও হতে পারে। ইতালির দৈনিক কোরিয়ের ডেলা সেরা এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে বিমানের জ্বালানি সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যদিও ভারতের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ এখনও চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।ইতালির ওই সংবাদপত্র দুটি সূত্রের বক্তব্য তুলে ধরে জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, পাইলটের পদক্ষেপের ফলেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাইলট ইচ্ছা করে জ্বালানি সুইচ কাটঅফ মোডে নিয়ে যান। এর ফলে দুটি ইঞ্জিনেই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং বিমান দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে পড়ে। ভারতীয় তদন্তকারীদের একটি অংশও এমনটাই মনে করছেন বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সেখানে পাইলট-ইন-কমান্ড ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালকে প্রাথমিকভাবে দায়ী করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই এই নিয়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে কোরিয়ের ডেলা সেরা। বিমান দুর্ঘটনা রুখতে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্যের নিয়মিত মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণের সুপারিশও করা হতে পারে।গত বছরের ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি উড়ানের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি গোটা দেশকে নাড়িয়ে দেয়।এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক রিপোর্টেও বলা হয়েছে, বিমানটি যখন গতি নিয়ে উপরে উঠছিল, তখনই দুটি ইঞ্জিনের জ্বালানি কাটঅফ মোডে চলে যায়। ফলে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রিপোর্টে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে একজন পাইলট অন্যজনকে প্রশ্ন করেন, ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন? উত্তরে অপর পাইলট বলেন, আমি কিছু বন্ধ করিনি। এই কথোপকথন ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য।তবে পাইলটদের সংগঠনের দাবি, প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে সব তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তাদের অভিযোগ, জ্বালানি সুইচের সম্ভাব্য ত্রুটি ও অন্যান্য যান্ত্রিক সমস্যার দিকগুলি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। তারা আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

সংসদে দেশবিরোধী মন্তব্য? রাহুলের পদ বাতিল চেয়ে বড় পদক্ষেপ বিজেপির

অপরাধমূলক মানহানির মামলায় আগে একবার রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে তিনি সেই পদ ফিরে পান। এবার ফের তাঁর সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে জানিয়েছেন, তিনি লোকসভায় রাহুলের বিরুদ্ধে একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছেন।নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ, রাহুল গান্ধী সংসদে দাঁড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে দেশবিরোধী ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। তাঁর বক্তব্যে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি বিজেপি সাংসদের। দুবে বলেন, আমি লোকসভায় রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রস্তাব জমা দিয়েছি। জর্জ সোরসের মতো দেশবিরোধী শক্তির মদতে এই সদন থেকে গোটা দেশকে বিভ্রান্ত করেছেন তিনি। সবটাই দেশের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশে। আমার দাবি, রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করা হোক এবং তাঁকে আজীবন নির্বাচনে লড়তে না দেওয়া হোক। তাঁর দাবি, এই প্রস্তাব নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হওয়া উচিত।বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। প্রথমে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের অপ্রকাশিত আত্মজীবনী নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। পরে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন। লোকসভায় দাঁড়িয়ে রাহুল বলেন, আপনারা ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন, আপনাদের লজ্জা হয় না? আপনারা ভারত মাতাকে বিক্রি করেছেন। আপনারা আমেরিকার কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেছেন। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন।রাহুল আরও দাবি করেন, যদি ইন্ডিয়া জোট সরকার আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করত, তাহলে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলত ভারতকে সমান মর্যাদা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রাক্তন সেনাপ্রধান নারাভানের বইয়ের প্রসঙ্গ তুলেও তিনি সরকারকে আক্রমণ করে চলেছেন।রাহুলের এই বক্তব্যের পর থেকেই বিজেপির একাংশ ক্ষুব্ধ। তাদের অভিযোগ, সংসদে দাঁড়িয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য করছেন বিরোধী দলনেতা। কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনার কথাও বলেন। তবে নিশিকান্ত দুবে সরাসরি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তুলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন।এখন দেখার, লোকসভায় এই প্রস্তাব নিয়ে আদৌ আলোচনা হয় কি না এবং এই বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

‘ভাষার জন্য অত্যাচার, তারপর খুন’— পুণে কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মমতা, গ্রেপ্তারের দাবি

মহারাষ্ট্রের পুণেতে পুরুলিয়ার এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত এবং একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ। মৃত শ্রমিকের পরিবারের পাশে পুরো বাংলা রয়েছে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার সকালে সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, এক যুবককে তাঁর ভাষা, পরিচয় এবং শিকড়ের কারণে অত্যাচার করা হয়েছে। শেষে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, আমি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। সুখেনের পরিবারকে বলছি, এই অকল্পনীয় শোকের মুহূর্তে বাংলা আপনাদের পাশে আছে।নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম সুখেন মাহাতো, বয়স ৩১ বছর। তাঁর বাড়ি পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের বরাবাজারের তুমড়াশোলের বাঁধডি গ্রামে। তিনি পুরুলিয়ার ৭৮ নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। পুণের কোরেগাঁও ভিমা এলাকার সনৎ বাড়ি অঞ্চলে একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় কাজ করতেন সুখেন। তাঁর দাদা তুলসিরাম মাহাতোর সঙ্গেই একই সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তিনি।অভিযোগ, শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই রাজ্যের পিছিয়ে পড়া কুড়মি জনজাতির এই পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করা হয় এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার শিফটে কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সুখেন। কর্মস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।বুধবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি মহারাষ্ট্র পুলিশ। পুণের শিকারপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।এই ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা এবং ভিনরাজ্যে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষা নিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal