• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Singer

বিনোদুনিয়া

Sara Harding : প্রয়াত মার্কিন গায়িকা সারা হার্ডিং

ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত মার্কিন গায়িকা সারা হার্ডিং। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৯ বছর। তাঁর মা ম্যারি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে এই দুঃসংবাদটা জানান। লেখেন,খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আমার সুন্দরী কন্যা সারা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। অনেকেই জানেন যে সারা ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিল এবং শেষ দিনের চিকিৎসা পর্যন্ত ও লড়াই চালিয়ে যায়। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।১৯৮১ সালের ১৭ নভেম্বর বার্কশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন সারা। পরে ম্যাঞ্চেস্টারের স্টকপোর্টে স্থানান্তরিত হন তিনি। সারার মৃত্যুতে পপস্টারঃ দ্য রাইভালস এর বিচারক জেরি হরনার টুইট করে লেখেন,শান্তিতে ঘুমাও সারা হার্ডিং। টিভির সঞ্চালক ডেভিনা ম্যাকল টুইট করে লেখেন,এই খবরটা পেয়ে খুবই দুঃখিত। তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের জন্য রইল অনেক ভালোবাসা। তাঁর প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড ক্যালাম বেস্ট লেখেন,তোমাকে আমি মিস করবো। তোমার মায়ের জন্য অনেক ভালোবাসা রইল। জেএলএসের সঙ্গীতশিল্পী অরিটস উইলিয়ামস জানান,আমাদের যখন দেখা হল খুবই ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। খুব ভালো একজন ব্যক্তিত্ব।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Arijit Singh : আবু ধাবির মঞ্চে পারফর্ম করবেন অরিজিৎ সিং

ধীরে ধীরে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বেশ কিছু ছবির শুটিংও শুরু হয়েছে। আস্তে আস্তে স্টেজ পারফরম্যান্সও হচ্ছে। এবার স্টেজ পারফর্ম করবেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। যতটুকু জানা যাচ্ছে সেই খবর অনুযায়ী ১৯শে নভেম্বর আবু ধাবির বৃহত্তম বিনোদন কেন্দ্র ইতিহাদ এরিনায় একটি লাইভ কনসার্ট করবেন। এটি মধ্য়প্রাচ্য়ের বৃহত্তম অত্যাধুনিক এন্টারটেনমেন্ট জোন বলে পরিচিতও। পাঁচ বছরে এখানে এটিই প্রথম কনসার্ট হতে চলেছে।বলিউডের গায়কদের মধ্যে বর্তমানে প্রথম সারিতেই রয়েছেন অরিজিৎ সিং। শুধু ভারতেই নয়, দেশের গণ্ডী পেরিয়ে তাঁর ভক্তকূলের সংখ্যা নেহাত কম নয়। হিন্দি ও বাংলা দুই ভাষাতেই তাঁর গান জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।২০১৪ সালে অরিজিত্ সিংহ জিত্ গাঙ্গুলীর সুুর ও কমপোজ করা মুসকুরানে গানটি গান। এই গানের জন্য সে বছর তিনি সবচেয়ে বেশি নমিনেশন পান। ২০১৬ সালে তিনি সুরাজ ডুবা হ্যায় গানের জন্য ও ২০১৭ সালে এ দিল হ্যায় মুশকিল গানের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। এভাবে ধীরে ধীরে তিনি বাংলা এবং বলিউডের সঙ্গীত জগতে নিজের একটি আলাদা জায়গা তৈরি করে নেন। অরিজিত্ সিংহ ২০১৬ থেকে ২০২০ পর্যন্ত টানা ৫ বার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পেয়ে রেকর্ড তৈরি করেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kailash Kher : শহরে কৈলাস খের, গানে গানে কাটল সন্ধ্যা

এসভি শপি কলকাতার যে ডব্লিউ ম্যারিওট হোটেলে তাদের পুজোর গান নমো দুর্গে লঞ্চ করল। এই পুজোর গানটি গেয়েছেন সকলের প্রিয় গায়ক কৈলাস খের। গান লঞ্চ, তার মধ্যে কৈলাস খের সব কিছু মিলিয়ে বরণ সন্ধ্যেটা মায়াবী হয়ে উঠেছিল। কৈলাস খের ছাড়াও ছিলেন টলিউডের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিয়া গাঙ্গুলি ও শ্রীমা ভট্টাচার্য। তারা দুজনেই এই গানে অভিনয় করেছেন।পদ্মশ্রী কৈলাস খেরকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। তাঁর হাতে পুস্পস্তবক তুলে দেওয়া হয়। এখানে উপস্থিত হয়ে তিনি জানালেন,কলকাতায় মানুষরা সবাই খুব ভালো। কলকাতায় আসতে তাঁর খুবই ভালো লাগে। এত মানুষ আজ এখানে এসেছেন সত্যিই খুব ভালো লাগছে। সবাইকে আমার তরফ থেকে নমস্কার ও প্রণাম জানাই। সবাই নমো দুর্গে শুনবেন এবং আপনাদের ফিডব্যাক জানাবেন। শুধু তাই নয় কোভিড পরিস্থিতি নিয়েও কথা বললেন তিনি। জানালেন,কোভিড পরস্থিতিতে চারপাশের অবস্থা খুব ভালো নয়। তাই সাবধানে থাকবেন। সুস্থ থাকবেন। দর্শকদের অনুরোধে কয়েকটা গানও গাইলেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে তাঁর বিখ্যাত গান তেরি দিওইয়ানি গানটি। কৈলাস খেরের গান শোনার জন্য মানুষ সিট ছেড়ে স্টেজের সামনে ভিড় জমিয়েছেন। এ এক আলাদা অনুভূতি।মঞ্চে যান রিয়াও। কৈলাস খেরের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়াতে পেরে বেশ খুশি এই টলি অভিনেত্রী। এরকম একটা প্রোজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে তিনি খুব খুশি। এরকম একটা মায়াবী অনুষ্ঠান শেষ হয় সারেগামাপা খ্যাত স্নিগ্ধজিতের গান দিয়ে। স্নিগ্ধজিত যখন গাইছিলেন তখনও দর্শকের কোনও ভাটা পড়েনি।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rupankar Bagchi : সফল অস্ত্রোপচার, বাড়ি ফিরলেন রূপঙ্করের স্ত্রী

হারনিয়ায় অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছিল। গত ২১ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি হন চৈতালি লাহিড়ী। সুস্থ হয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন রূপঙ্করের স্ত্রী। স্ত্রীর বাড়ি ফেরার ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন কলকাতার এই জনপ্রিয় গায়ক। ক্যাপশনে লিখেছেন,বাড়িতে স্বাগত কমরেড।স্ত্রী বাড়ি ফেরায় রূপঙ্কর যেমন খুব খুশি তেমনি তার বন্ধু ও সহকর্মীরাও খুশি হয়েছেন। কমেন্ট বক্সে অনেককেই শুভেচ্ছাবার্তা জানাতে দেখা গেছে। এর আগে স্ত্রীর সফল অস্ত্রোপচারের খবরটা সোশ্যাল মিডিয়াতেই জানান রূপঙ্কর। লিখেছিলেন,এখন ও একদম ঠিক আছে। যদিও চৈতালির ফোনে সব ফোন ধরা আমার পক্ষে এই মুহূর্তে সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই এই পোস্ট করলাম। সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।রূপঙ্কর ও তাঁর স্ত্রী ১৯৯৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২২ বছর একসঙ্গে কাটিয়ে ফেলেছেন দুজনে। ১৫ তম বিবাহবার্ষিকীতে দেহদান করেছিলেন দুজনে। এছাড়া স্ত্রীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যেই প্রকাশ পায়। এবার কাছের মানুষকে বেশ কয়েকদিন পর কাছে পেয়ে বেশ খুশি আমাদের মনের গভীরে জায়গা করে নেওয়া রূপঙ্কর।

আগস্ট ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indian Idol: বাংলার অরুনিতা না পবনদীপ? কে হবেন ১২তম ইন্ডিয়ান আইডল

ইন্ডিয়ান আইডল ১২ এর মেগা গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতার ৭৫তম বছর উদযাপনের দিন, আগামী ১৫ আগস্ট। ইন্ডিয়ান আইডল ১২-এর সুদীর্ঘ সফর এবার আরও একটি রেকর্ড স্থাপন করবে, কারণ গ্র্যান্ড ফিনালে পর্বটি টেলিভিশনে ১২ ঘণ্টা ধরে সম্প্রচারিত হবে। অলকা ইয়াগনিক, কুমার সানু, উদিত নারায়ণ-সহ বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটি গায়ক ও সিনেমা জগতের বিখ্যাত সেলিব্রিটি এবং এই অনুষ্ঠানের প্রাক্তন প্রতিযোগীরাও গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলেও গ্র্যান্ড ফিনালে-তে উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদবানিও গ্রেটেস্ট ফিনালে এভার -এ যোগ দেবেন। ফিনালে জেতার দাবিদার আশ্চর্য বালক পবনদীপ রাজন, শামুখা প্রিয়া, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং নিহাল তাওরোর ও বাংলার বনগাঁর অরুণিতা কাঞ্জিলাল-র মধ্যে।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমইন্ডিয়ান আইডলের ১২ জন প্রতিযোগীর অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশন যতটা দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছে, ততটাই অরুণিতা কাঞ্জিলালের সঙ্গে পবনদীপ রাজনের রোমান্টিক সম্পর্ক দর্শকের মনে নানা প্রশ্নের উঁকি দিয়েছে। তাদের সম্পর্কের কথা তুলতেই রাজন স্পষ্ট করে বলেছেন যে তাদের মধ্যে রোমান্টিক কিছু নেই। সত্যি বলতে কি, আমরা সবাই একসঙ্গে এতটা সময় কাটিয়েছি যে আমরা অবিচ্ছেদ্য। আমি মনে করি এটা সবার সঙ্গেই ঘটে যখন আপনার বন্ধুত্বকে আপনি সম্মান করতে শিখবেন তখন মানুষের মধ্যে নানারকম প্রশ্নের উঁকি দেবে। তার নানা মানে তৈরি হবে। আমি মনে করি সময় হলে মানুষ সত্যিটা বুঝতে পারবে যে আমাদের মধ্যে নিখাদ বন্ধুত্ব ছাড়া কিছুই ছিল না। এই মুহূর্তে, আমরা সকলেই তরুণ শিক্ষানবিস এবং কর্মজীবনে মনোনিবেশ করতে হবে। বাকি বিষয়গুলির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি চাই আমাদের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হোক।আরও পড়ুনঃ সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচিপবনদীপ রাজন ২০১৫ সালে দ্য ভয়েস -এর বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীতকে আরও জানার ইচ্ছা / চেষ্টা তাঁকে ইন্ডিয়ান আইডল-১২ তে নিয়ে আসে। এই অনুষ্ঠানই তাঁকে এই প্রজন্মের মিথ বানিয়ে দিয়েছে। শো চলাকালীন, আমরা অনেক শিল্পীকে গান গাইতে গাইতে নাচতে দেখেছি, অনেককেই গিটার বাজিয়ে গান গাইতে দেখেছি। পবনদীপ রাজন এক বিষ্ময় বালক। তিনি নিজেকে সরস্বতীর বর-পুত্র প্রমান করেছেন। কোনও দিন তিনি গ্র্যান্ড পিয়ানো বাজিয়ে অরিজিত সিংয়ের শায়দ কভি না কেহ সাকু ...... গান গাইছেন তো পরের এপিসোডে পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন বাজিয়ে রণধীর কাপুরকে ডেডিকেট করে মেরা নাম জোকার থেকে মুকেশের জিনা ইঁহা মরনা ইঁহা ইসকা সিবা জানা কাঁহা... গাইছেন। বিচারক ও বিশিষ্ট আমন্ত্রিত ব্যাক্তিরা বাকরুদ্ধ হয়ে দেখছেন / শুনছেন একজন কন্ঠসঙ্গীত শিল্পী রীতিমত পেশাদার তবলিয়ার মত লয়কারি ও তেহাই দিয়ে তবলা বাজিয়ে আশা ভোঁশলে ও ভুপিন্দার সিংয়ের গজল কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়... গাইছেন। যা শুনে বিশিষ্ট সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী বলে ওঠেন বেটা ওস্তাদ জাকির হোসেন-ও এটা করার আগে দুবার ভাববে, এর আগের এপিসোডে পবনদীপ বাপ্পীদাকে টেবিল বাজিয়ে গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুধ দুরন্ত-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়ালপবনদীপ রাজনের জন্ম ১৯৯৬-র ২রা জুলাই উত্তরাখণ্ডের চম্পাওয়াতে। শৈশবেই তার সঙ্গীত যাত্রা শুরু। তার বাবা একজন বিখ্যাত কুমায়ুনি গায়ক এবং তিনি পবনকে সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে তৈরি করার ও এই সাফল্যের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। যখন তিনি মাত্র দেড় বছরের তখন তাঁর বাবা তাঁকে একটি তবলা উপহার দেন। পবনদীপের সঙ্গীত শিক্ষা ও সঙ্গীত জীবনকে আরও উন্নত করতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য চণ্ডীগড়ে চলে যান।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীলসঙ্গীত-বোদ্ধা দর্শক মহলে তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। একজন মানুষকে একটা বাদ্যযন্ত্র শিখে তা মঞ্চে পরিবেশন করতে কমপক্ষে ১০-১২ বছর লেগে যায়। সেখানে মাত্র ২৫ বছর বয়সে পবনদীপ গীটার, পিয়ানো, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, হারমোনিয়াম, তবলা, পাঞ্জাবী ঢোল, নাল সমান দক্ষতায় বাজিয়ে চলেছেন সঙ্গে অননুকরণীয় সুরেলা গলার গান। মঃ রফি, কিশোর কুমার, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ যখন যাঁর গানই তিনি গাইছেন তাঁর মধ্যে পবনদীপ সুলভ একটা ছাপ থাকছে। কখনই তিনি কোনও শিল্পীকে হুবহু অনুকরণ করে গাইছেন না। সামাজিক মাধ্যমে হু হু করে বেড়ে চলেছে তাঁর ফ্যান ফলোয়ার। এই মুহুর্তে তাঁর ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার ১.১ মিলিয়ন।আরও পড়ুনঃ ৭০০ এপিসোডে পা দিল শ্রীময়ীইতিমধ্যে, গ্র্যান্ড ফিনালে শেষ হওয়ার আগেই অরুণিতা এবং পবনদীপ প্লেব্যাক গানের রেকর্ডিং করে ফেলেছে। এই জুটি সম্প্রতি সঙ্গীত সুরকার এবং ইন্ডিয়ান আইডল-১২ এর বিচারক বিশিষ্ঠ গায়ক সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার জন্য গান গেয়েছেন। হিমেশ রেশমিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তাদের হিমেশ কে দিল সে অ্যালবামের জন্য তাদের গান তেরি উমিদ প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ছিল অ্যালবামে প্রকাশিত তৃতীয় গান। প্রথম গানটি সানসিন শো এর বাদ দেওয়া এক প্রতিযোগী সাওয়াই ভাট গেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় গান দাগা টাইটেলটি করেছিলেন মোহাম্মাদ দানিশ। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হিমেশ বলেন, পবনদীপ এবং অরুনিতা এই গানটি পেশাদার অভিজ্ঞ শিল্পীর মতো গেয়েছেন। তাঁদের গান শুনে কখনই মনে হয়নি তাঁরা নতুন প্রতিভা।সঙ্গীতরসিক মানুষে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, অপেক্ষা আর মাত্র এটা দিনের, তারপরই জানাযাবে ২০১২-র ইন্ডিয়ান আইডলের চাম্পিয়ান কে? পবনদীপ, অরুণিতা না অন্য কেউ?

আগস্ট ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shovan : দীপ্সিতার জন্মদিনে শুভেচ্ছা 'দাদান' শোভনের

দীপ্সিতা ধর। খুব পরিচিত একটি নাম। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে যিনি হয়ে উঠেছিলেন সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকার তারুণ্যের মুখ। সোমবার ছিল তার জন্মদিন। দীপ্সিতার এই বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানালেন দাদা শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। শেয়ার করলেন দাদা-বোনের ছোট বেলার নানা টুকরো ছবি।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রীসোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে শোভন লিখেছেন, শুভ জন্মদিন বোনু। ফ্রম দাদান। মোট চারটে ছবি শেয়ার করেছেন শোভন। নানা বয়সের নানা মুহূর্তের ছবি। পারিবারিক অ্যালবাম থেকে ছবি ঠাই পেয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। শুভেচ্ছা বার্তা ভেসে এসেছে এই বাম যুবনেত্রীর জন্য।আরও পড়ুনঃ অক্ষয় কুমারের স্টান্ট ভয় পান তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্নাপ্রসঙ্গত গায়ক শোভন দীপ্সিতার মাসতুতো দাদা। এর আগে বোনের হয়ে প্রচারে গান বাঁধতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। ভোটের সময় তার মাসির মেয়ের জন্য গান বাঁধতে দেখা গিয়েছিল শোভনকে। তবে সেই গানের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শ তুলে ধরতে চাননি এমনটাও জানান।

আগস্ট ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aditi Munshi : শিল্পী অদিতি মুন্সীর নতুন উদ্যোগ

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রসারের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক গৌরবময় উন্নয়ন সাধনে তারা বদ্ধপরিকর। তাই শিল্প সংস্কৃতির বিকাশকে অব্যাহত রাখতে রাজারহাট-গোপালপুর এলাকার সমস্ত গুণী ও প্রতিভাবান শিল্পীদের জন্য এক সংস্কৃতি উন্নয়নক্ষেত্রের আয়োজন করা হয় শিল্পী অদিতি মুন্সীর উদ্যোগে। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে নাগেরবাজার অজিতেশ মঞ্চে তার শুভ সূচনা করেন। এলাকার সাংস্কৃতিক গরিমা বর্ধন ও প্রগতির জন্য এই ক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদী।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিএরকম একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেমেন্দ্র ঘোষ, দেবাশিষ দেব, গৌতম দাস, শ্রীদ্ধা প্রামানিক প্রমুখ। শিল্পী অদিতি মুন্সী বলেন এই ফোরাম টলিউড ফোরামের থেকে কোনো আলাদা নয়। কোনো ভিন্ন নয়। সমগ্র শিল্প জগতের উন্নয়নের কল্যাণে এই উদ্দ্যোগ। এরকম একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে উচ্ছ্বসিত সকলে।

জুলাই ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

R. D. Burman: "ফিরে এলাম দূরে গিয়ে......" পঞ্চম

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় অগণিত দর্শককুলের প্রানের পঞ্চম রাহুল দেব বর্মণ, আরডি বর্মণ হিসাবে অধীক পরিচিত। ষাট-এর দশক থেকে নব্বই-এর দশক সারা ভারত দাপিয়ে বেড়িয়েছিলেন তাঁর গানের ঝুলি নিয়ে। ওই সময় কালে তিনি বলিউড সঙ্গীত জগতে একছত্র অধিপতি ছিলেন। ভারতীয় ফিল্মি ও আধুনিক সঙ্গীতে পশ্চিমি মেলবন্ধন তাঁর হাত ধরেই শুরু। সাতের দশকে তাঁর সুরারোপিত গানগুলিতে যার ছাপ স্পষ্ট। এই ধারা আজকের সঙ্গীত প্রজন্মকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করেছে।১৯৩৯ এর ২৭শে জুন কলকাতায় তাঁর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক এসডি বর্মণ এবং তার মায়ের নাম মীরা। সঙ্গীত জগতে তিনি বহুল পরিচিত পঞ্চম নামে। হিন্দুস্থানি সঙ্গীতে যে সাতটি স্বর আছে পা হল পঞ্চম স্বর। কীভাবে এই পঞ্চম নামটি তাঁর নামের সঙ্গে একাত্ম হয়েছিলো সেটা নিয়ে কিছুটা মতবিরোধ রয়েছে। একটি সুত্রে জানা যায় যে শিশু রাহুলের কান্না শচীনকর্তাকে ভারতীয় সঙ্গীতের পঞ্চম নোটের কথা মনে করিয়ে দেয়। আর একটি সূত্রে জানা যায় যে একবার অশোক কুমার শচীনকর্তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গিয়ে দেখেন ছোট্টো রাহুল তীব্র স্বরে কাঁদছেন। রসিক মানুষ আশোককুমার রাহুলের সঙ্গে স্বরমিলিয়ে পা, পা, পা, পা বলতে থাকেন এবং সেই থেকেই অশোক কুমার তাঁর নাম রেখেছিলেন পঞ্চম। ডাক নাম যেভাবেই আসুক না কেন ছোট বেলা থেকে এই সুর ও স্বর তাঁকে সঙ্গীতের সমুদ্রেই এনে ফেলল।তাঁর গানবাজনা শিক্ষার শুরু খুব ছোটবেলা থেকেই। শচীন দেব বর্মনের বাড়ির সাঙ্গীতিক পরিবেশ ছোটো রাহুলের বাড়িতে বেড়ে ওঠার পিছনে বিশেষ প্রভাব রেখেছিল। শচীন দেব বর্মন গানের টানে সপরিবারে কলকাতা থেকে বোম্বে অধুনা মুম্বাই-য়ে চলে যান। সেখানেই রাহুল প্রবাদপ্রতিম আলী আকবর খানের কাছে সরোদ শিখতে শুরু করেছিলেন। সহজাত সঙ্গীত প্রতিভার করণে তিনি হারমোনিকা সহ বহু সুরের যন্ত্র ও তাল বাদ্য বাজাতে পারতেন। রাহুল মাত্র নয় বছর বয়সে একটি গানের সুর দেন। ১৯৫৬ তে হিন্দি ছবি ফান্টুস এ ব্যবহার করেছিলেন। কিশোর কুমারের কন্ঠে গানটি ছিলো আয়ে মেরি টোপি পালাত কে আ। তিনি তাঁর পেশাদার সঙ্গীত জীবন শুরু করেন ১৯৫৮তে। সহকারি সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে শোলোয়াঁ সাল (১৯৫৮), চলতি কা নাম গাড়ি (১৯৫৮) এবং কাগজ কা ফুল (১৯৫৭) সিনেমাতে তাঁর বাবাকে সহায়তা করতে শুরু করেন। ১৯৫৯ এ গুরু দত্তের রাজ সিনেমায় তিনি প্রথম সঙ্গীত পরিচালক হিসাবে কাজ শুরু করেন। তাঁর দূর্ভাগ্য এই সিনেমাটি মাঝ পথেই বন্ধ হয়ে যায়। সংগীত পরিচালক হিসাবে প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি ছিল মেহমুদের পরিচালিত ছোটে নবাব (১৯৬১)। সেই তাঁর যাত্রা শুরু যা ভারতের সঙ্গীত দর্শনে এক নতুন আঙ্গিকের পথ দেখায়।ষাটের দশকে আমরা অনেক পরিণত পঞ্চমকে পাই। তাঁর তারুণ্যে প্রানবন্ত পঞ্চম কখনও তিনি তাঁর বাবার সহকারী সংগীত পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন, কখনও তিনি নিজেই অভিনেতা, আবার নিজের সিনেমায় সুর দিচ্ছেন। বাবাকে বন্দিনী (১৯৬৩), গাইড (১৯৬৫5), জুয়েল থিফ (১৯৬৭) এর মতো একের পর এক হিট ছবিতে সহায়তা করেছিলেন। অন্যদিকে তিনি ভূত বাংলা (১৬৫) এবং প্যার কা মৌসম (১৯৬৭) এর মতো ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন। তাঁর সুরারোপিত প্রথম হিট ছবি তিসরি মঞ্জিল (১৯৬৬)। এই সিনেমাটি তাঁকে তাঁর কেরিয়ারের একটি বড় মাইলস্টোন। এই ছবিটিই তাঁকে বলিউডে প্রতিষ্ঠা দেয়। সমসাময়িকদের মতে, এই ছবিতেই তিনি শচীনকর্তার ছায়া থেকে বেড়িয়ে আসেন। এর পর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এর পর তিনি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত পরিচালকদের বড় বাজেটের চলচ্চিত্রের জন্য সংগীত পরিচালকের দায়িত্ব হাতে পান। সাতের দশক শুরুর আগেই রাহুল একটি ব্রান্ড-এ পরিণত হয়। এই সময় পাড়োসন (১৯৬৮), ওয়ারিস (১৯৬৯) এর মতো একের পর এক সফল ছবি তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সাতের দশক পঞ্চমএর দশক বললে কোনও রকম অত্যুক্তি হয় না। ওই দশকে তাঁর অমর সৃষ্টি অমর প্রেম (১৯৭১), হরে রামা হরে কৃষ্ণ (১৯৭১), সীতা অউর গীতা (১৯৭২) এবং শোলে-র (১৯৭৫) সুর তাঁকে সঙ্গীতপ্রেমীদের মনের মনিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।সাতের দশক যেমন তাঁকে হাত উজার করে দিয়েছে, তেমন ভাবেই কষ্টও দিয়েছে। তাঁর প্রথমা স্ত্রী রীতা প্যাটেলের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় ১৯৭১ এ। সবচেয়ে বড় আঘাত তিনি পান তাঁর বাবার প্রয়াণে। ১৯৭৫ এ শচীন দেব বর্মন পরলোকগমন করেন। তিনি শুধু পঞ্চম এর পিতা ছিলেন না, একাধারে বন্ধু, দিকপ্রদর্শক, সঙ্গীত গুরু। তাঁর বাবার মৃত্যু তাঁর কেরিয়ারের জন্য খুব খারাপ হতে পারত। কিন্তু তিনি লিজেন্ড, থেমে থাকেননি। দশকের পর দশক এক সে বরকর এক সফল ছবির সুরে মাতিয়ে দিয়েছেন আসমুদ্র হিমাচল। খাতা পেন দিয়ে লিখে শেষ করা যাবে সে সমস্ত সিনেমার নাম। তাঁর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা হাম কিসি সে কম নেহি (১৯৭৭), গোলমাল (১৯৭৯), কুদরত (১৯৮০) এবং বার্নিং ট্রেন (১৯৮০)। আটের দশক এক পরিণত পঞ্চমকে পেয়েছিল। ১৯৮০ সালে তিনি আশা ভোঁসলেকে বিয়ে করেছিলেন।তাঁর সুরারোপিত বেশ কিছু হিট গান নিয়ে বিতর্কেরও দানা বাধে। সমলোচকদের মতে পঞ্চমএর সুরে পাশ্চাত্য ভাবধারার প্রাধান্য খুব বেশী ছিল। তাঁরা উল্লেখ করেন বেশ কিছু হিন্দি সিনেমার গান সরাসরি সে সমস্ত গান থেকেই কপি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ আও টুইস্ট করে (ভূত বাংলো - ১৯৬৫) Lets Twist Again by Chubby Checker থেকে নেওয়া, তেরা মুঝসে হে পহেলে কা নাতা কোই (আ গলে লাগ জা - ১৯৭৩) The Yellow Rose of Texas (Traditional Texas folksong) থেকে নেওয়া হয়েছে, বা তুমসে মিলকে (পারিন্দা - ১৯৮৯) When I Need You (Hammond Sager) এর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সুর করা। তাঁর গানের সুরে বিদেশী ভাবধারার প্রাধান্য নিয়ে পঞ্চম বারবার উল্লেখ করেছেন মেলবন্ধনের কথা, সঙ্গীত কে কখনই সীমানা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। সঙ্গীত হল সামাজের দর্পন। একটা সুরই একটা জাতি ও তাদের রীতিনীতিকে এক লহমায় চিনিয়ে দেয়। তাঁর সুরে যেমন ভারতীয় রাগরাগিণী-র প্রভাব আছে সাথে সাথে পাশ্চাত্য সঙ্গীতকেও তিনি তাঁর অনেক গানে ব্যবহার করেছেন। সঙ্গীতপ্রেমীদের মতে তিনিই ভারতে প্রথম মার্গসঙ্গীতের সাথে পাশ্চাত্য সঙ্গীতের যুগলবন্দী ঘটিয়ে এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বহুমুখী গানের সুরে দিকভ্রষ্ট হয়ে তাঁর সমলোচকরা রণে ভঙ্গ দেন।আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ নিম্নমুখী হতে থাকে। তাঁর সিগনেচার সুর যেন আর মানুষকে টানছিল না। পঞ্চমের গানগুলি জনসাধারণের উপর প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হচ্ছিল। তাঁর পশ্চিমি ঘরানার গানগুলি বাপ্পি লাহিড়ি-র পশ্চিমা অনুপ্রাণিত ডিস্কোর কাছে হেরে যাচ্ছে। ১৯৮৮ সালে তিনি মাত্র ৪৯ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। অস্ত্রোপচারের পর সাময়িক ভাবে তিনি তাঁর সঙ্গীত থেকে বিরত থাকেন। নব্বইয়ের দশকে তিনি আবার বিধু বিনোদ চোপড়ার সিনেমা ১৯৪২ এ লাভ স্টোরি-তে সুরারোপ করেন। আবার ইতিহাস। ৫৪ বছর বয়সে পঞ্চম আরেকবার হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন। ১৯৯৪ এর ৪ঠা জানুয়ারী তিনি সুরালোক থেকে পরলোকে যাত্রা করেন। পঞ্চমের মৃত্যুই তাঁর সঙ্গীতসত্তাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। যে মানুষগুলি নব্বইয়ের দশকে তাঁকে বাদের খাতায় ফেলে দিয়েছিল, তাঁর অবর্তমানে তাঁর সৃষ্টি নিয়েই তাদের মাতামাতি। স্রষ্টার মৃত্যু হয়, সৃষ্টি অমর। তাঁরই গানে ফিরে এলাম দূরে গিয়ে......।

জুন ২৭, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূলে বাংলার কীর্তন-কন্যা

ভোটের আগে সক্রিয় রাজনীতিতে তারকা এবং বিশিষ্টদের যোগদানের পালা অব্যাহত। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সি। বৃহস্পতিবারই তৃণমূল ভবনে সৌগত রায়ের হাত থেকে শাসকদলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন তিনি। টেলিভিশনের পর্দা থেকে অনুষ্ঠানের মঞ্চ, সর্বত্র কীর্তনের সুরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অদিতি। এর আগে রাজ্য সরকারের একাধিক অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ দেন গায়িকা। যোগদান মঞ্চে গানও গাইলেন তিনি। বৃহস্পতিবারই শশী পাঁজার নেতৃত্বে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন টেলিভিশন অভিনেত্রী সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন ঊষা চৌধুরী।শাসক শিবিরে যোগ দেন ভোজপুরী অভিনেতা-পরিচালক ধীরজ পণ্ডিতও।এর আগে সায়ন্তিকা ছাড়াও আসন্ন ভোটের আগে তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন দীপঙ্কর দে, রাজ চক্রবর্তী, মানালি দে, জুন মালিয়া, কাঞ্চন মল্লিক, সৌরভ দাস, সায়নী ঘোষের মত হেভিওয়েট তারকারা। রণিতা দাস, সৌপ্তিক চক্রবর্তী, শ্রীতমা ভট্টাচার্যের মতো টেলিভিশন তারকারাও শাসকদলে নাম লিখেছেন। অন্যদিকে পদ্ম শিবেরে যোগ দিয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ , যশ দাশগুপ্ত , পাপিয়া অধিকারী, সৌমিলী বিশ্বাস, হিরণ চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকারের মতো তারকারা। ওদিকে আবার শোনা যাচ্ছে বামেদের হয়ে ভোটে লড়তে পারেন বাদশা মৈত্র। কার্যত প্রায় গোটা টলিউড এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়েছে।এবার অদিতিও নেমে পড়লেন সক্রিয় রাজনীতিতে।সূত্রের খবর, প্রার্থীও করা হতে পারে কীর্তন শিল্পীকে।

মার্চ ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

শ্রেয়ার ঘরে সুখবর, আসছে নতুন অতিথি

মা হতে চলেছেন জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে নিজেই সে কথা জানালেন শ্রেয়া। আর এই খবরে স্বভাবতই আপ্লুত তাঁর ভক্তরা। ইতিমধ্যে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী শিলাদিত্যকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী তথা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী-সহ আরও অনেকে।বৃহস্পতিবার নিজের টুইটার এবং ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন শ্রেয়া। যেখানে নিজের বেবি বাম্পে ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। এই ছবির সঙ্গেই ক্যাপশনে সুখবরটি জানিয়েছেন জনপ্রিয় এই গায়িকা। সঙ্গে লেখেন, পরিবারের নতুন অতিথি আসছে। শিলাদিত্য এবং আমি এই খবর আপনাদের জানাতে পেরে খুবই খুশি। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে আপনাদের ভালবাসা এবং আশীর্বাদ প্রয়োজন।তাঁর এই পোস্টের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসেছেন শ্রেয়া এবং তাঁর স্বামী। দম্পতিকে অভিনন্দন জানান মিমি চক্রবর্তী ,বিশাল দাদলানি, রাঘব সাচ্চার-সহ বলিউড, টলিউডের অনেক সেলিব্রিটিই। এছাড়া শ্রেয়ার ভক্তকুলও তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি।

মার্চ ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বাংলার মধুরার মধুর কন্ঠে মাতোয়ারা মুম্বাই

তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা। ২০০৯ এর শেষের দিকে শহর থেকে গ্রাম-বাংলা এই গানের জাদুতে মেতে থাকতো। সকলের মুখে মুখে ঘুরে বেরানো এই গানের মুর্ছনায় একটাই প্রশ্ন ছিল কে এই মধুর সঙ্গীত শিল্পী? কি মায়াময় কণ্ঠ! শিল্পী ছিলেন মধুরা ভট্টাচার্য।যখন তিনি দশম শ্রেণিতে পড়েন সেই ২০০৫ সাল থেকেই পেশাগতভাবে গান গাইছেন মধুরা। আজ তিনি দেশের অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা হিসাবে পরিচিত। প্লেব্যাক, বাংলা, হিন্দি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন এবং মঞ্চে এক ব্যস্ততম খ্যাতনামা শিল্পী।২০০৫ সালে ইটিভি, কালার্স বাংলায় সুপারহিট টেলিভিশন মেগা সিরিয়াল বহ্নিশিখা দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু, তারপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্টার জলসা, জি-বাংলা, কালার্স বাংলা, লাইফ ওকে চ্যানেলে ৮০ টিরও বেশি সুপার হিট টিভি সিরিয়ালে টাইটেল সং-এ কণ্ঠ দেন তিনি। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য মা, বোঝেনা সে বোঝেনা, মেরি মা, কিরণমালা, রাগে অনুরাগে, চোখের বালি, গোয়েন্দা গিন্নী, পুণ্যি পুকুর, মিলন তিথি, জয়ী, কুঞ্জছায়া, প্রথমা কাদম্বনি।২০০৭-তে তিনি ইন্ডিয়ান আইডল-এ অংশ নিয়েছিলেন, ২০০৯-তে অল ইন্ডিয়া মিউজিক প্রতিযোগিতা সিতারোঁ কো চুনা হ্যায়-এ ১১ জন কঠিন প্রতিযোগির সঙ্গে লড়াই করে দ্বিতীয় স্থান আধিকার করে ভারত জোড়া খ্যাতি লাভ করেন।মধুরা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সঙ্গীত নিয়ে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। মধুরার এই সংগীত সাধনার প্রেরণা তাঁর মা শম্পা দেবী, তিনি আকাশবাণী ও দূরদর্শন-এর নিয়মিত সংগীতশিল্পী, বাবা প্রাক্তন বিচারপতি তুষারকান্তি ভট্টাচার্য সরকারি আধিকারিক হলেও খুব ভাল আবৃত্তিকার ও লেখক।তাঁর প্রথম বাংলা ছবিতে আত্মপ্রকাশ প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়ের মাহাকাল ছবিতে। তারপর থেকে তাঁর দৌড় আর থামানো যায়নি। সঙ্গীত রসিকদের মতে, তাঁর নামকরণ যে কতটা সার্থক তা তাঁর গান শুনলেই বোঝা যায়। প্রথম জীবনে তিনি নিলাক্ষী নামে পরিচিত ছিলেন। মনে করা হয় সাফল্যকে আরও মসৃন ও শিখরে নিয়ে যাওয়ার জন্যই তিনি নাম পরিবর্তন করে মধুরা হন।মধুরা মুম্বাই ও কলকাতার বহু বিখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে সিনেমায় ডুয়েট ও একই মঞ্চে আনুষ্ঠান করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, উদিত নারায়ণ, বাবুল সুপ্রিয়, অভিজিৎ, কুমার সানু, শান, শফতত আমানত আলি, অঙ্কিত তিওয়ারি, অরিজিৎ সিংহ। এর পাশাপাশি অরুনধতি, দিওয়ানা, কি করে তোকে বোলবো, তোর নাম, তিনপাত্তি, শিকারি, উড়োচন্ডী, গুগলি-র মত বকব্লাস্টার সিনেমায় টলিউড এবং বলিউড-এর বিখ্যাত সংগীত পরিচালক জিৎ গাঙ্গুলি, দেবোজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রাদীপ দাশগুপ্ত এবং আরও অনেকের সঙ্গে কাজ করেছেন। অপর্না সেন পরিচালিত সিনেমা আরশিনগরে মওলা গানের জন্য মধুরাকে শ্রেষ্ট সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে টেলিসিনে পুরস্কার প্রদান করা হয়।ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য মধুরাকে চিনে আয়জিত ১০ম এশিয়া আর্ট ফেস্টিভ্যাল আমন্ত্রন জানানো হয়। অনুষ্ঠানগুলি বেজিং সহ আরও ১৪টি প্রদেশে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে আমন্ত্রণমূলক আনুষ্ঠান করেন। তাঁকে ২০১৭ সালে উত্তর আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সে (এনএবিসি) আমন্ত্রিত করা হয়েছিল। ২০১৮-তে টরন্টো, ২০১৮ এবং ২০১৯-তে মধুরা তাঁর সহ সঙ্গীত শিল্পীদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে সাঙ্গীতের মাধুর্য্য ছড়িয়ে আসেন।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়ছবিঃ ফেসবুক

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
কলকাতা

গড়িয়াহাটে 'সত্যাগ্রহ' কবীর সুমনের

নেতাজির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে জয় শ্রীরাম স্লোগান এবং তা নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই অবস্থায় দলমত নির্বিশেষে অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে এই ঘটনাকে সামগ্রিকভাবে বাংলার অপমান বলে নিন্দা জানিয়ে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, সংগীতশিল্পী কবীর সুমন । রবিবার সকালে তিনি গড়িয়াহাট মোড়ে পোস্টার নিয়ে এককভাবেই প্রতিবাদে শামিল হন। পোস্টারে লেখা জয় বাংলা। এই প্রতিবাদকে তিনি সত্যাগ্রহের সঙ্গে তুলনা করলেন।সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ, যে যার মতো কথা বলতেই পারেন। কিন্তু নেতাজির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যা হল, সেটা ফ্যাসিস্টদের আচরণ। জয় বাংলা এই বাংলায় অন্য কোনও কিছুর জয় নয়, শুধু বাংলারই জয় হবে। আমাদের প্রতিবাদ সত্যাগ্রহের মতো।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বন্ধুর সঙ্গে বাগদান সেরে ফেললেন ইমন

জাতীয় পুরস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তীর বিয়ে নিয়ে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এবার সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার বাগদানপর্ব সেরেই ফেললেন এই স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী। পাত্র সংগীত পরিচালক নীলাঞ্জন ঘোষ। হাওড়ার লিলুয়ায় বাড়ি ইমন চক্রবর্তীর। মায়ের কাছেই প্রথম সংগীত শিক্ষা। তাঁর কাছ থেকেই শিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথের সুরকে ভালবাসতে। ধীরে ধীরে বাংলার সংগীত জগতে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন ইমন। আরও পড়ুনঃ আচ্ছন্নভাব থাকলেও শারীরিক উন্নতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ২০১৭ সালে পান জাতীয় স্বীকৃতি। অনুপম রায়ের সুরে তুমি যাকে ভালবাসো গানটির সুবাদে জাতীয় পুরস্কার পান ইমন। জানা গিয়েছে, বহুদিনের বন্ধু নীলাঞ্জনের সঙ্গে ডিসেম্বর থেকে প্রেম শুরু সংগীতশিল্পীর। দুজনে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সম্পর্ককে পরিণতি দিতে চান।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal