• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Singer

বিনোদুনিয়া

'মেয়েদের জন্মদিনে চালের পায়েস খাওয়া যাবে না' জন্মদিনে কি বলতে চাইলেন লোপামুদ্রা?

৮ ফেব্রুয়ারি ছিল সঙ্গীতশিল্পী লোপামুদ্রা মিত্রর জন্মদিন। এই জন্মদিন তিনি শান্তিনিকেতনে উদযাপন করলেন। সেখান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। সেই ভিডিওতে ছোটবেলার স্মৃতি থেকে শুরু করে ৫৫ তম জন্মদিন উদযাপনের আনন্দ তাঁর প্রিয় মানুষ থেকে শুরু করে অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওতে লোপামুদ্রা বলেন তাঁর বাড়িতে নিয়ম ছিল মেয়েদের চালের পায়েস খাওয়া যাবে না। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুড়ি অতিথি নিবাসে তিনি এই বিশেষ দিনটি কাটান। তিনি অত্যন্ত অবেগপ্রবন হয়ে পড়েন সেখানকার আতিথেয়তায়, এবং বলেন এটা তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি। সেখানে তাঁকে একেবারে অন্ধকারে রেখে সোনাঝুড়ি অতিথি নিবাসের পক্ষ থেকে তাঁর জন্মদিন একটা সারপ্রাইস দেন চিতুদি। লোপামুদ্রা জানান তাঁর জন্মদিনে চিতুদি চালের পায়েস, পালং শাক, ডাল, পোস্ত, চিংড়ি মাছের মালাইকারি, খাসির মাংস, ইলিশ মাছ ভাজা ও পাঁপড় বানিয়েছিল জন্মদিনের মেনুতে। তিনি আরও বলেন যে, এরকম আনন্দ তিনি জীবনে বহুদিন পাননি বলেও উল্লেখ করেন।তবে এই ছোট্ট ভিডিওতে নিজের অজান্তেই একটা নীরব প্রতিবাদ বা আক্ষেপও করে বসেছেন। মেয়েদের জন্মদিনে চালের পায়েস খাওয়া যাবে না। এটা যতটা না সংস্কার তাঁর চেয়েও অনেক বেশী পুরুষ-মহিলা ভেদাভেদ। সেই প্রচলন আজও প্রবাহমান। তিনি তাঁর এই বিশেষ দিনে চালের পায়েস খেয়ে নীরবে একটা শ্লেষ ছুঁড়ে দিলেন তথাকথিত পুরুষ শাসিত সমাজের দিকে।ভিডিওর নীচে কমেন্ট বক্সে অনেক কমেন্ট ও আসে। লাজবন্তী রায় লেখেন, শুভ জন্মদিন লোপাদি। খুব ভালো কাটুক তোমার আগামীদিন গুলো। এছাড়া ভারত ও বাংলাদেশ থেকে আরও অনেকের শুভেচ্ছা এই বিশেষ দিনে পেয়েছেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

যতদিন সঙ্গীত থাকবে, ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে

আমার শৈশবটাই শুরু হয়েছে লতাজির গান শুনে। আমার মা আমাকে ছোটো বেলায় লতাজির গান শোনাতো। সেই স্মৃতি যে কত সুন্দর বলে বোঝানো যাবে না। কত সুন্দর সুন্দর গান শুনতে শুনতেই বড় হয়ে উঠেছি। আমি ভাবি আজকের দিনে শৈশবটা এরকম হয় কিনা জানি না। আজকের দিনেও বাচ্ছারা লতাজির গান শুনতে শুনতে বড় হচ্ছে কিনা বলতে পারবো না।আজকের প্রজন্মের কথা না জানলেও আমার শৈশবটা খুবই সুন্দর ছিলো। আমার জীবনে প্রথম লতাজির গাওয়া গান যারে, যারে উরে যারে পাখি। এই গানটি মা-বাবার হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে পাড়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতাম। আজকের দিনের মত সেই সময় এত বেশী রিয়েলিটি শো ছিলো না। পাড়ায় পাড়ায় বিভিন্ন ক্লাবে গানের কম্পিটিশন হত। সেখানে যোগ দিতাম।আমি ছোট বেলায় লতাজির গাওয়া পিয়া বিনা বাসিয়া, দিল হুম হুম করে, এরি পবন আমি গাইতাম। এ ছাড়াও ওনার গাওয়া বিভিন্ন গান আমি মঞ্চে পরিবেসন করতাম। এই কয়েকদিন আগেই আমি ওনার গান ইয়ে শামা শামা হ্যায় প্যার কা...। ওনার গান যেমন শুনতে ভালো লাগে সেরকমই আমরা যাঁরা সঙ্গীত পরিবেশন করি, তাঁদের কাছে ওনার গান গাওয়া-টাও তার থেকে বেশী আনন্দের।আমি ব্যাক্তিভাবে মনে করি ওনার গান শুনেই অনেক কিছু শেখা যায়। আমি নিশ্চিত এই কথাটার সঙ্গে অনেক শিল্পীই সহমত হবেন। তাই আমরা যাঁরা আজও ওনার গান পুনঃনির্মাণ করার চেষ্টা করি সেটা শুধু চেষ্টাই থেকে যাই, তাঁর ধারে কাছে পৌছানো যায় না। একজন শিল্পীকে ওই যায়গায় পৌছাতে গেলে কতটা ডিসিপ্লিনড হতে হয় তাঁর অন্যতম উধাহরণ লতা মঙ্গেশকর। আজকের দিনটা আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে, ভীষণ ভীষণ খারাপ লাগছে বলতে, যাকে আমি মন প্রাণ দিয়ে ছোট বেলা থেকে ভালোবেসে গিয়েছি তিনি আর আজ আমাদের মধ্যে নেই এটা ভাবতে পারছি না। কিন্তু তিনি তাঁর গানের মাধ্যমে আজও আমাদের মধ্যে থেকে গেছেন এবং থেকে যাবেন। উনি আমাদের কাছে অমর। যতদিন সঙ্গীত থাকবে ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে। আমরা সারাজীবন তাঁকে এই ভাবেই ভালোবেসে যাবো।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি", এই কটাক্ষ জেদ বাড়িয়েছে সৌমিতা সাহার

দেবী সরস্বতীর মূর্তি পূজার প্রচলন বাংলা তথা সমগ্র ভারতে আর সকল বাড়ির মতো আমার বাড়িতেও রয়েছে। চতুর্থীর সকাল থেকেই ঘোর অন্ধকার করে বজ্রপাত সহ যে ভীষণ বৃষ্টিপাত হয় তাঁর অর্থ আজ ষষ্টির সকালে বোঝা গেল। মনে হয় দেবীর উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেই মর্ত্যলোক ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছিল। কালের অমোঘ নিয়মকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা কারও নেই, তাই ষষ্টি-র প্রভাতে দেবী সরস্বতীর ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে তাঁর মানস কন্যা লতা কে নিয়ে দেবী পাড়ি দিলেন সুরোলোকে। যেন দেবী এইবারে ধরাধামে এসেছিলেনই তার মানসকন্যা কে নিয়ে যেতে। দীর্ঘ দিনের অসুস্থতা ভোগ করে ইহলোকের মায়া কাটিয়ে, সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার পরম প্রিয় লতাজি। আজ যেন দেশের প্রতিটি সঙ্গীত প্রেমীর ঘরে নেমে এসেছে প্রিয়জন বিয়োগের শোক। সেই ছেলে বেলা থেকেই আর পাঁচটা মেয়ের মত লতাজির গান শুনে বড় হয়েছি। তিনি যেন আমাদের সকল অভিব্যাক্তিতে রয়েছেন। কখনও বা আছেন আমাদের অহেতুক আক্রমণের ভাষায়। রাত বিরেতে রেওয়াজ করায় পাড়া প্রতিবেশী আড়ালে আবডালে প্রায়ই আমার অভিভাবকদের ঠেস দিয়ে শুনিয়েছেন মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি! প্রথম সেই পেটে প্রজাপতি সুরসুরি দেওয়া প্রেমের জিন্দেগী অউর কুছ ভি নেহি, তেরি মেরি কাহানি হ্যায় অনুভুতিতে যেমন ছিলেন তিনি। তেমনিই ছিলেন আষাঢ় শ্রাবণ মানে না এমন এর স্মৃতি চারণে। লতাজির মতো মানুষের মৃত্যু হয় না। গীতায় আছে, न जायते म्रियते वा कदाचि- न्नायं भूत्वा भविता वा न भूयः | अजो नित्यः शाश्र्वतोSयं पुराणो न हन्यते हन्यमाने शरीरे অর্থাৎ আত্মা অবিনশ্বর, তাঁর মৃত্যু হয় না। শিল্পীর মৃত্যু হয়, শিল্পের নয়। আমার মতো যে মানুষগুলো যাঁদের এতো বোঝার মতো জ্ঞান নেই তাঁদের জন্য লতাজি ছিলেন, আছেন, থাকবেন। কবেই সহজ ভাবে গেয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন নাম গুম জায়েগা, চেহেরা ইয়ে বদল জায়েগা, মেরি আওয়াজ হি পেহচান হ্যাই...গর ইয়াদ রহে

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"ইয়ে মেরে বতন কে লোগো..." শুনে চোখে জল এসেছিল নেহেরুর

সঙ্গীতের আকাশ প্রদীপ চলে গেলেন দুূরে তারার দেশে। না যেও না রজনী এখনও বাকি বলে তাঁকে আর আটকানো যাবে না। বসন্ত পঞ্চমী রজনী পার করে সঙ্গীতের বরপুত্রি মা দেবী সরস্বতীর হাত ধরে চললেন সুরের লোকে। করোনার করাল গ্রাসে চলে গেলেন আরও এক কিংবদন্তী। ২০২০ থেকে এই সর্বগ্রাসী অতিমারিতে এক এক করে অনেক মহান শিল্পী, অভিনেতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সহ সাধারন মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। হিন্দী বাংলা সহ মোট ৩৬ টির-ও বেশী আঞ্চলিক ভাষায় তিনি গান করেছেন। ১৯৬২ তে ভারত চীন যুদ্ধের ঠিক পরের বছর ১৯৬২-র প্রজাতন্ত্র দিবসে পণ্ডিত নেহেরু-র আহ্বানে সুর-সম্রাজ্ঞী দিল্লী-র ন্যাশানাল স্টেডিয়ামে রাষ্টপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের উপস্থিতিতে কবি প্রদীপের লেখা ও রামচন্দ্রর সুরারোপিত ইয়ে মেরে বাতন কে লোগো... পরিবেশন করেন। লতা মঙ্গেশকরের অনবদ্য পরিবেশনায় পণ্ডিত নেহেরুর চখে জল এসে যায়। তিনি লাতাজির কন্ঠে দেশাত্মবোধক আবেদনে মুর্ছিত হয়ে ওই রকম জনবহুল পরিবেশে ও নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। এই গানটিকে জাতীয় সংহতির এক আদর্শ গান হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে এবং জন গণ মন, বন্দে মাতরম এবং সারে জাহান সে... র পাশাপাশি অন্যতম জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান হিসেবে বিবেচিত হয়।লতা মঙ্গেশকর প্রায় এক হাজারেরও বেশি ভারতীয় সিনেমায় ও আধুনিক গানের অ্যালবামে গান গেয়েছেন। তাঁর গাওয়া মোট গানের সংখ্যা দশ হাজারেরও বেশি। এছাড়া ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষাতে ও বিদেশি ভাষায় গান গাওয়ার একমাত্র রেকর্ডটি তাঁরই দখলে।কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর তার সঙ্গীত জীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। সঙ্গীতে তাঁর অবদানের জন্য ২০০১ সালে তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মাননা ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর পর তিনিই দ্বিতীয় সঙ্গীত শিল্পী যিনি এই সন্মানে ভুষিত হন। ১৯৮৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০০৭ সালে ফ্রান্স সরকার তাকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মননা লেজিওঁ দা ওনার অফিসার খেতাবে ভূষিত করে।এছাড়াও লতাজি ৩টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৫টি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার (বিএফজে), ৪টি শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ২টি বিশেষ ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা (Life Time Achivement Award) পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে লন্ডনে রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এক সময় মনে হত তিনি যে উচ্চতায় পৌঁছেছেন তাতে সেই পুরস্কার নিজেই ধন্য হত তাঁর হাতে যেতে পেরে। কারণ পরবর্তী পুরস্কার প্রপকরা বলতে পারবেন এই পুরস্কার লতাজিও পেয়েছেন।লতাজি ১৯৯৯ এ ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণ, ১৯৬৯ এ তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৭ এ মহারাষ্ট্র ভূষণ পুরস্কার, ১৯৯৯ এ এনটিআর জাতীয় পুরস্কার, জি সিনে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, ২০০৯ এ এএন আর জাতীয় পুরস্কার। তিনি ১৯৬৯ রে নতুন প্রতিভাদের উঠে আসতে সাহায্য করার জন্য শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তী কালে তিনি ১৯৯৩-এ ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ১৯৯৪ ও ২০০৪ এ দুবার ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার তাঁকে প্রদান করেন।পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লতা-ই সর্বজ্যেষ্ঠ। তার বাকি ভাইবোনেরা হলেন - আশা, ঊষা, মীনা ও একমাত্র ভাই হৃদয়নাথ। স্বয়ং মা সরস্বতীর আশির্বাদ-ধন্যা কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯ র ২৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের (অধুনা মধ্যপ্রদেশ) রাজধানী ইন্দোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর একজন প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ (মারাঠি ও কোঙ্কিণী) এবং নাট্য অভিনেতা ছিলেন। তাঁর মাতা শেবন্তী (পরবর্তী নাম পরিবর্তন করে সুধামতি হন)। মঞ্চাভিনেতা এবং সঙ্গীতজ্ঞ দীননাথ তাঁর ছোট্ট মেয়ে লতাকে প্রথমে হেমা বলে ডাকতেন। পরে দীননাথের ভাব বন্ধন নাটকের লতিকা নামের এক চরিত্রে অনুপ্রানিত হয়ে সে নাম পরিবর্তন করে লতা রাখা হয়। খুব কম বয়সে লতা তাঁর বাবাকে হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর পুরো পরিবারের দ্বায়িত্ব এসে পরে কিশোরী লতার কাঁধে। তিনি আশা, ঊষা, মীনা এবং হৃদয়নাথকে প্রতিপালনের জন্য এই ছোট্টো বয়সে উপার্জনের জন্য তাকে রাস্তায় বেরিয়ে পরতে হয়। বাবার অকাল মৃত্যুর পর পরিবারিক বন্ধু বিনায়ক দামোদর কর্নাটকি পাশে না থাকলে হয়ত খুবই সমস্যায় প্রতেন কিশোরী লতা ও পরিবার। নবযুগ চিত্রপট ছায়াছবি সংস্থার মালিক বিনায়কের উদ্যোগে লতা মরাঠি ছবিতে গান গাওয়া ও অভিনয়ের সুযোগ পায়। পরিবারের পাশে থাকতেই ছবিতে অভিনয় করেছেন ছোট্টো লতা। তখন সবে মাত্র ১৩! তিনি রুপালি পর্দার জগত তাঁর মন জয় করতে ব্যর্থ, সেখানে তিনি বেশি দিন থাকেননি। অভিনয় করার কথা মন থেকে ত্যাগ করেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁর নিজের জীবন নিয়ে বলতে গিয়ে এই প্রায়ই নিজের অভিনয় জীবন প্রসঙ্গে বলতেন লতা।বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকরের নির্দেশে ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে কোনও সময়েই কে এল সায়গল ব্যতীত অন্য কোনও গান গাইবার অনুমতি ছিল না লতার। বাবা চাইতেন লতা শুধুমাত্র ধ্রপদী গান নিয়েই বড় হয়ে উঠুক। তাঁর আঠারো বছর বয়েসে তিনি তাঁর উপার্যনের পয়সায় জীবনে যেদিন প্রথম রেডিও কিনে আনলেন, এবং সেই রেডিওতে প্রথম যে খবরটা শুনলেন সেটা কে এল সায়গল-র মৃত্যু সংবাদ। রেডিওটি বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গেই ফেরত দিয়ে দেন তিনি।পরিবারের তাগিদে উপার্যনের জন্য তিনি বিভিন্ন মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেসন করতেন। প্রথম বার মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করে লতা ২৫ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। খেমচাঁদ প্রকাশের সুরে অশোককুমার-মধুবালা অভিনীত মহল-এ আয়েগা আনেওয়ালা গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ সেই যে উর্ধমুখী হয়, তাঁর পর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি সুরের সরস্বতী লতাকে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"না যেওনা রাজনী এখনো বাকি" 'দেবী সরস্বতী'-র বরপুত্র ভারতরত্ন তাঁর সাথেই চললেন সুরলোকে

না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন ভারতের কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর।তাঁর মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন সান্থানাম। কোভিড পরবর্তী জটিলতার জেরেই মৃত্যু হল লতা মঙ্গেশকরের, জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিন সকাল ৮.১২ মিনিটে প্রয়াত হন লতা মঙ্গেশকর। চিকিত্সক প্রতীত সামধানি জানান, মাল্টি অর্গ্যান ফেলিউরের জেরেই মৃত্যু হল লতা মঙ্গেশকরের, কোভিড আক্রান্ত হয়ে প্রায় ২৮ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। ভারতীয় সঙ্গীতে লতা মঙ্গেশকরের অবদান অনস্বীকার্য। ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। দীর্ঘ কেরিয়ারে ত্রিশ হাজারের বেশি গান রেকর্ড করেছেন। ২০০১ সালে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ভারত রত্নে ভূষিত হন। এর আগে পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ-এর মতো নাগরিক সম্মানও দেওয়া হয় লতা মঙ্গেশকরকে। চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ পুরস্কার দাদা সাহেব ফালকে দ্বারাও সম্মানিত হয়েছেন তিনি। ১৯২৯ সালে ইন্দোরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন লতা। সঙ্গীত জগতের অবিসংবাদী সম্রাজ্ঞী হওয়ার আগে শিশু অভিনেতা হিসেবেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করেছিলেন এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী। ১৯৪২ সালে একটি মারাঠি ছবির সৌজন্যে প্রথম গান রেকর্ড করেন তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জাদু সৃষ্টি করে গেছেন। ছোট-থেকে বড় সকলেই সুরের সরস্বতীর অন্ধভক্ত। করোনায় আমরা হারালাম লতা মঙ্গেশকরকে। তবুও তিনি আমাদের মনের মণিকোঠায় চিরবিরাজমান থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কোভিডমুক্ত লতা মঙ্গেশকর

লতা মঙ্গেশকর ও তাঁর ফ্যানদের জন্য খুশির খবর। করোনা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে থাকার পর অবশেষে আজ তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন।রবিবার বিকেলে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সেই খবরটাই জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপে। রাজেশ টোপে জানিয়েছেন, লতা মঙ্গেশকর যে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন, তাঁর সঙ্গে কথা বললাম। তিনি জানালেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ১৫ দিন পরে ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আনা হয়েছে তাঁকে। তিনি চোখ খুলে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলছেন। কেবল অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে গায়িকাকে। দুর্বলতা এবং সংক্রমণ রয়ে গিয়েছে তাই সময় লাগছে। তবে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ৮ মার্চ কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মুম্বইয়ের বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন লতা মঙ্গেশকর।পরে ৯২ বছর বয়সী গায়িকার নিউমোনিউয়াও ধরা পরে। আইসিসিউতে রাখতে হয় তাঁকে। অবশেষে কোভিডমুক্ত হলেন লতা মঙ্গেশকর।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধর্ষণের অভিযোগ হলিউডের গায়ক ক্রিস ব্রাউনের বিরুদ্ধে

জোর করে মাদক সেবন করানোর পাশাপাশি ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে হলিউডের গায়ক ক্রিস ব্রাউনের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারিণী ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০ কোটি ডলার দাবি করেছেন গায়কের কাছে। অভিযোগপত্রে জানানো হয়েছে, জাহাজে পার্টি চলার সময়ে ক্রিস তাঁকে একটি পানীয় দেন।সেটা খাওয়ার পর থেকেই অভিযোগকারিণীর শরীরে অস্বস্তি শুরু হয়। মাথা ঘোরায়। পরে প্রতিবাদ করলেও ক্রিস তাঁকে জাহাজেরই এক ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।অভিযোগপত্রে লেখা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ওই সময়ে মহিলা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন বলে পুলিশের কাছে যাননি। তাই আদালতে মামলা ঠুকেছেন সরাসরি। অভিযোগকারিণীও এক জন গায়িকা। নৃত্যশিল্পীও বটে। মামলার কথা সকলের কাছে পৌঁছে যাওয়ার পর ক্রিস তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন। যেখানে লেখা, মিথ্যের ধরনটা নিশ্চয়ই আপনারা সকলে বুঝতে পারছেন। আমি যখনই কোনও গান নিয়ে কাজ করা শুরু করি, তারা আজেবাজে কথা বলে আমার নামে। তারা বলতে ক্রিস কাদের কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট নয়।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
কলকাতা

গুরুতর অসুস্থ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, গ্রিন করিডর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এসএসকেএমে

গুরুতর অসুস্থ সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁকে গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে নিজে ফোন করে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় শিল্পীকে কিছুটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে হয় মুখ্যমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, এর পর শিল্পীর মেয়েকে ফোন করে সন্ধ্যা দেবীর খবরাখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত যে কোনও প্রয়োজনে রাজ্য সরকার সাহায্য করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।সূত্রের খবর, ফুসফুসে সংক্রমণ রয়েছে তাঁর। বুধবার সন্ধ্যে থেকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন শিল্পী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। কিন্তু বুধবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয় পরিবার। বিষয়টি জানানো হয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মৌসুমী দাসকে।বুধবার রাত থেকে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে শিল্পীর। শিল্পীর আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছে, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেই সব পদক্ষেপ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, সঙ্গীতশিল্পীকে এসএসকেএমের উডবার্ন ভর্তি করা হচ্ছে। সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকও রয়েছেন। দু দিন আগেই কেন্দ্রের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন গীতশ্রী।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অ্যাডেলের কান্নার কারণ কি?

অ্যাডেল মানেই সবাই তাঁকে হাসিখুশি মেজাজে দেখে। যাকে দেখলেই অনেকের মন ভালো হয়ে যায়। কিন্তু সেই অ্যাডেলের দুঃখে রয়েছে। কাঁদছেন। ভারী হয়ে যাচ্ছে গলা। তিনি ক্ষমাও চাইলেন। কিন্তু ৩৩ বছর বয়সী এই গায়িকার হটাত এরকম হওয়ার কারণটা কি? আসলে করোনা তাঁর কান্নার মূল কারণ। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে চলছিল তাঁর কনসার্টের প্রস্তুতি। অ্যাডেলের ধারাবাহিক ২৪টি কনসার্টের প্রথমটি সিজারস প্যালেস হোটেলের কলোসিয়াম থিয়েটারে হওয়ার কথা ছিল শুক্রবার। আগামী এপ্রিল পর্যন্ত সপ্তাহে দুটি করে অনুষ্ঠানে গাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। যেটা গত নভেম্বরে ঘোষণা করেন। থিয়েটারটিতে রয়েছে ৪ হাজার ৩০০ আসন। দিনতারিখ ঠিক করা কনসার্ট করোনার কারণে পিছিয়ে গেল। এই খবর জানাতে এসেই ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর সংগীত দলের অনেক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় প্রথম অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে সিদ্ধান্তটি নিলেন এই জনপ্রিয় গায়িকা। টানা ৩০ ঘণ্টা ঘুমাননি অ্যাডেল। এমনটা জানিয়ে অ্যাডেলের আক্ষেপ, সমাধান সম্ভব হয়নি। হাতে সময় নেই! যে সকল ভক্তরা ইতিমধ্যে লাস ভেগাসে চলে এসেছেন, তাঁদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন গ্র্যামিজয়ী এই তারকা। তিনি বলেছেন, আমি দুঃখিত। জানি, এটা শেষ মুহূর্ত। আমি খুব মর্মাহত এবং সত্যিই বিব্রত। যাঁরা অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন, তাঁদের কাছে আমি দুঃখিত।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন লতা মঙ্গেশকর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতের বর্ষীয়ান গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। আসতে আসতে সুস্থ হচ্ছেন তিনি। তবে এখনও হাসপাতালে থাকতে হবে তাঁকে। চিকিৎসকরা হ্যাঁ বললেই বাড়িতে আসবেন তিনি। লতা মঙ্গেশকরের মুখপাত্র জানিয়েছেন তিনি আপাতত স্থিতিশীল আছেন। লতার চিকিৎসক প্রতীত সমদনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লতাজি এখনও আইসিইউ-তেই আছেন। ওঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য আমরা সব রকমের চেষ্টা করছি আমরা। আপনারা ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন। জানা গেছে এখন তরল খাদ্যের পাশাপাশি ভাত-রুটিও খেতে পারছেন লতা মঙ্গেশকর। বাইরে থেকে এখন আর অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না। পুরোপুরি সুস্থ হলেই বাড়ি ফিরবেন তিনি।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Lata Mangeshkar : করোনায় আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, আপাতত স্থিতিশীল

করোনা আক্রান্ত বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে এই কিংবদন্তি গায়িকাকে। মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আইসিইউতে বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে লতার ভাইঝি রচনা বলেছেন, উনি আপাতত স্থিতিশীল। এই বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে তাঁকে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর জন্য ধন্যবাদ। দয়া করে ওঁর জন্য প্রার্থনা করবেন। আরও জানা গেছে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন কিন্তু পরিবারের কোনও সদস্যকে এই মুহূর্তে তাঁকে দেখতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের ডাক্তার প্রতীক সামদানি জানিয়েছেন লতা মঙ্গেশকরকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তোলার জন্য ডাক্তাররা চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখছে না। এমনিতেই লতা বেশ কয়েক বছর ধরে গৃহবন্দি আছেন। বাইরে খুব বেশি বেরোন না। তবে নেটমাধ্যমে সক্রিয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টুইট করতে দেখা যায় তাঁকে। মনে করা হচ্ছে, তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনও ব্যক্তি অথবা পরিচারিকার থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন তিনি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Arijit Singh : করোনায় আক্রান্ত অরিজিত সিং, সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটা জানালেন

করোনায় আক্রান্ত গায়ক অরিজিত সিং। সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও কোভিড পজিটিভ। জানা গেছে অরিজিত সিং-এর মৃদু উপসর্গ রয়েছে। আপাতত বাড়িতে নিভৃতবাসেই রয়েছেন তিনি। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন গায়ক। তিনি লিখেছেন, আমি এবং আমার স্ত্রী কোভিড পজিটিভ। আমরা একদম ঠিক আছি এবং নিজেদের নিভৃতবাসেই রেখেছি।গত জুন মাসে করোনা আক্রান্তদের সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছিলেন অরিজিৎ। তাদের জন্য অনলাইন কনসার্টও করেন তিনি। করোনায় আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো অরিজিত সিং এবার নিজেই করোনায় আক্রান্ত হলেন। তাঁর অনুরাগীরা পোস্টে কমেন্ট করে দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।উল্লেখ্য বিগত কয়েকদিন ধরে বলিউড ও টলিউডে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সঙ্গীতের মধ্যে সোনু নিগম ও বিশাল দাদলালির কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার সকলের প্রিয় অরিজিত সিং করোনায় আক্রান্ত হলেন।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sonu Nigam : সপরিবারে কোভিড পজিটিভ সোনু নিগম

বলিউডে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর পরপর আসছে। বিগত কয়েকদিনে অনেক বলিউড তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এবার সপরিবার কোভিডে আক্রান্ত বলিউড গায়ক সোনু নিগম। টুইট করে সোনু নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। কোভিডে আক্রান্ত তাঁর স্ত্রী মধুরিমা নিগম এবং ছেলে নীভম।বর্তমানে সপরিবারে দুবাইতে রয়েছেন সোনু। কয়েক দিনের মধ্যেই ভুবনেশ্বরে একটি শো-এর শ্যুটিংয়ের জন্য যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। সোনু জানিয়েছেন, সামান্য উপসর্গ রয়েছে তাঁর। তবে অসুস্থ নন তিনি। মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে দুবাইয়ে। দেশে ফেরার কথা ছিল। ভুবনেশ্বরে একটি রিয়ালিটি শোয়ের শ্যুটিংয়ের কথা রয়েছে। কিন্তু কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ায় আপাতত নিভৃতবাসেই রয়েছি। যত বার পরীক্ষা করিয়েছি, তত বারই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি সুস্থ আছি। কিন্তু আমার জন্য যাঁদের ক্ষতি হল তাঁদের জন্য খারাপ লাগছে।সম্প্রতি সুমনা চক্রবর্তী, একতা কপূর, জন আব্রাহাম এবং তাঁর স্ত্রী প্রিয়া রুঞ্চল, প্রেম চোপড়া-সহ অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে করিনা কাপুর, নোরা ফতেহির মতো তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তাঁরা এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Jeet Gannguli : করোনায় আক্রান্ত জিৎগাঙ্গুলি, টুইট করে জানালেন খবর

আজ থেকে শুরু হয়েছে নতুন বছর। ২০২১ কে বিদায় জানিয়েছে ২০২২ কে স্বাগত জানিয়েছি আমরা। কিন্তু এই খুশির দিনে মন ভারাক্রান্ত করা খবর। কোভিড পজিটিভ জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বলিউড ও টলিউড-র জনপ্রিয় সুরকার সঙ্গীত শিল্পী বছরের প্রথম দিনেই এই খবরটা জানালেন।I have tested positive for Covid-19. As of today,I have mild symptoms, but Im feeling ok and have isolated myself. I am following the protocol given by my doctor and health professionals.If you have been in contact with me, request you to please get tested immediately. Jeet Gannguli (@jeetmusic) January 1, 2022জিৎ টুইট করে লিখলেন, কোভিড আক্রান্ত হয়েছি। মৃদু উপসর্গ রয়েছে আমার। শরীর আপাতত ঠিকই আছে। নিভৃতবাসে রয়েছি। চিকিৎসকদের কথা মেনে চলছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পদক্ষেপ করছি। একইসঙ্গে এই কয়েক দিনে যাঁদের আমার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ করেছেম তারা যেন কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেন।ইতিমধ্যে ঋতাভরী চক্রবর্তীর দিদি, অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা এবং মা শতরূপা সান্যাল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। বাড়িতেই বড়দিনের পার্টি দিয়েছিলেন শতরূপা। সেখান থেকেই রোগ ছড়ায়। কোভিড পজিটিভ ঋতাভরীর সহকারী মধুজাও। এবার জিত গাঙ্গুলির কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর এল।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Mekhla Dasgupta : পরনে লাল বেনারসি, বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন সারেগামাপা খ্যাতা গায়িকা

কেন রোদের মতো হাসলে না / আমায় ভালোবাসলে না / আমার কাছে দিন ফুরালেও আসলে না। এই মন কেমনের জন্মদিন / চুপ করে থাকা কঠিন / তোমার কাছে খরস্রোতাও গতিহীন। যার গাওয়া এই গান সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ জনপ্রিয় জয় সেই মেখলা দাশগুপ্ত সাতপাঁকে বাঁধা পড়লেন। সারেগামাপার রিয়েল্যিটি শো থেকে প্রথম পরিচিতি পাওয়া মেখলা বিয়ে করলেন তার আট বছরের বন্ধু অর্কপ্রভ চৌধুরী কে। শিলিগুড়ির ছেলে অর্কপ্রভ কর্পোরেট অফিসে কাজ করেন।রিজেন্ট পার্কের একটি বিলাসবহুল ভিলায় বুধবার সন্ধ্যায় বসেছিল মেখলার বিয়ের আসর। বিয়ের দিন লাল বেনারসি তে দারুণ লাগছিল তাকে। মেখলার এই স্পেশাল ডে তে উপস্থিত ছিলেন গানের জগতের একাধিক নাম। দুর্নিবার সাহা, মীনাক্ষী মুখার্জি, অরিত্র দাশগুপ্ত, গৌরব সাহা, শোভন গাঙ্গুলি, জয় সরকার, জয়তী চক্রবর্তী সহ আরও অনেকে। কোভিডের মধ্যে বিয়ে তাই অতিথির লিস্ট খুব বেশি বড় করতে পারেননি মেখলা।কয়েকদিন আগেই নতুন পরিবারকে নিয়ে দিদি নাম্বার ১ এ গিয়েছিলেন এই গায়িকা। সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করেন। তার ছোটবেলার বন্ধুরা তাকে আইবুড়োভাত রেঁধে খাইয়েছিলেন। এবার চার হাত এক হল মেখলা-অর্কপ্রভর।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rupankar Bagchi : চাকরি পেলেন রূপঙ্কর, কিন্তু কিসের?

রূপঙ্কর বাগচী কে এবার দর্শকরা শুনতে পাবেন রেডিওতে। গত মার্চ মাসে অল ইন্ডিয়া রেডিও তে আধুনিকগানের ক্যাটাগরিতে অডিশন দেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী শিল্পী। সদ্য তার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। সেই আনন্দের খবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। পাকা হল তার মাসিক ৭৪০০ টাকার চাকরি।ফেসবুকে ফলাফলের ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে সংগীত শিল্পী লিখেছেন, অল ইন্ডিয়া রেডিওর অডিশন দিইনি আগে কোনওদিন। গত বছর লকডাউনে এক ওলটপালট অবস্থায় দিয়ে ফেলেছিলাম। আজ রেজাল্ট বেরোলো! দিব্য লাগছে।রূপঙ্করের পোস্টে শুভেচ্ছার বন্যা। জীবনে অপরিকল্পিত যে অনেক কিছু ভালো হয়, তা সংগীত শিল্পীর পোস্টেই ধরা পড়েছে।রূপঙ্কর বাগচীর গান সকলেরই প্রিয়। তার গান খারাপ সময়ে মন ভালো করে দেয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তার স্বাভাবিক জীবনের ছন্দপতন হয়েছে। যদিও তার মধ্যে একটি মন ভালো করার কথা সকলের সঙ্গে শেয়ার করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pota : আবারও পটার সঙ্গী রাধা

আমাদের সকলের প্রিয় পটার গাওয়া নতুন মিউজিক ভিডিও আসতে চলেছে। এই মিউজিক ভিডিওর নাম ভিজতে এসো রাধা। একটু অন্যধরণের একটা প্রোজেক্ট দেখতে চলেছেন দর্শকরা।এই মিউজিক ভিডিওর লিরিক্স লিখেছেন রাজীব চক্রবর্তী। পরিচালনা ও সুরকার ইশানু চক্রবর্তী। কলঙ্কিনী রাধার পর আবার রাধার সঙ্গে দেখা করবেন পটা।এই প্রোজেক্ট নিয়ে তিনি জনতার কথা কে জানালেন,অদ্ভুত ভালো একটা গান। রাজীব দা পেন ডাউন করেছে। সুর করেছে ঈশানু। প্রেম বলতে তো রাধা বিষয়টা চলে আসে। কৃষ্ন বিষয়টাও চলে আসে। এক্ষেত্রে হয়তো একটু অন্যরকম ভাবে ভাবনা। আমরা যেটা ভিডিও করেছি সেখানে দেখানো হচ্ছে একটি মেয়ে একটা জায়গাতে ভীষণ ভালো পারফর্মার কিন্তু তার জীবনে হঠাৎ একটা পরিবর্তন আসে সেখান থেকে জিরো পয়েন্টে চলে আসে। সেখান থেকে হোপ সে আবার চলতে আরম্ভ করবে। সেই তাগিদটার জায়গা থেকে এই গানটা পুরোটা তৈরি করা।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rupankar : কোন রহস্য উদ্ঘাটন করতে মহিলার রূপ ধরলেন রূপঙ্কর?

রূপঙ্কর বাগচী, যার গানের গলা আমাদের সবসময় মুগ্ধ করে। সোলো অ্যালবাম থেকে শুরু করে সিনেমার গান সবেতেই রূপঙ্করের গান অভিনবত্বের ছাপ রাখে। সেই রূপঙ্কর হঠাৎ এমন কাজ করে বসলেন যা সবাইকে অবাক করেছে। অনেকে আবার খুব হেসেছেনও। কিন্তু কি এমন করলেন তিনি?নিজের ফেসবুক পেজে শাড়ি পড়ে একটি ছবি পোস্ট করেছেন রূপঙ্কর। শুধু শাড়ি পড়াই নয়, মাথায় আবার ঘোমটাও দিয়েছেন। ক্যাপশনে লেখেন,রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।দেখতে বাড়ির নতুন বউয়ের মতো লাগছে। যা দেখে অনেকেই হাসি থামাতে পারেননি। বেশ মজাদার কমেন্টও এসেছে অনেকের থেকেই। তাঁর বিশেষ বন্ধু, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী মনোময় ভট্টাচার্য্য এহেন ছবি দেখে কমেন্ট করেন একই অঙ্গে এত রূপ।পোস্ট করার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কমেন্ট ও লাইক-এ ভর্তি হয়ে যায় তাঁর পোস্টটি। কমেন্টগুলোর মধ্যে লেখক বিনোদ ঘোষাল লিখেছেন, একাকী ঘরে ঘোমটা দিয়ে এ কী করলেন গায়ক রূপঙ্কর! মুহুর্তে ভাইরাল হল সেই দৃশ্য। সঙ্গীতশিল্পী জোজো মজা করে লেখেন, ও রূপু বৌদি। আজ যেহেতু আবার কন্যা দিবস এক শুভান্যুধ্যায়ী কমেন্টে লিখেছেন, শুভ কন্যা দিবস। তন্ময় রায় নামে জনৈক ব্যাক্তি আবার লিখেছেন, বধুয়া আমার চোখে জল এনেছে বিনা কারণে। এরকম আরও অনেক হাসির ও মজাদার কমেন্ট এসেছে তার ছবির কমেন্ট বক্সে। সবচেয়ে মজার কমেন্টটি করেছেন মিঠে কোরা নামের এক ব্যাক্তি, তিনি বর্তমান রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় এক প্রকল্প-এর তুলনা টেনে লিখেছেন রহস্য উন্মোচিত হয়েছে,লক্ষ্মী ভান্ডারের বিজ্ঞাপনে....ছবি তোলার আগের মুহূর্ত।আসলে শোনা যাচ্ছে একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন তিনি। আর তার জন্যই এমন পোষাকে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। তবে এটা রূপঙ্করের প্রথম অভিনয় নয়। এর আগেও বিদায় ব্যোমকেশ, আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা তে অভিনয় করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aditi Munshi : নতুন গান প্রকাশ অদিতি মুন্সীর

সংগীতশিল্পী অদিতি মুন্সীর ভক্তের সংখ্যা কম নয়। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শুধু নন, বাংলাদেশের অনেকেও তাঁর ভক্ত। তাঁর গান আলাদা ভক্তি এনে দেয়। মনকে শান্ত করে। রাধাষ্টমী উপলক্ষে নতুন কীর্তন প্রকাশ করলেন তিনি। অনুরাগীদের সঙ্গে ফেসবুকের দেওয়ালে সেই গানের লিঙ্কি শেয়ার করেন তিনি। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষে পালিত হয় রাধাষ্টমী। কথায় আছে শ্রীরাধিকার জন্ম এই তিথিতে। বৈষ্ণব সম্প্রদায় ধুমধাম করে শ্রীরাধিকার পুজো করে এই তিথিতে। পদকর্তা গোবিন্দ দাস রচিত শ্রীরাধার পূর্বরাগ পর্যায়ের একটি রচনা রাধাষ্টমী উপলক্ষে বেছে নিয়েছেন অদিতি। সেই গানের ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে অদিতি লেখেন, করুণাময় ভগবান কৃপা না করলে এই সাধন ও মনন সম্ভব নয়। আর সাধক ভবাপাগলা বলেন, গানই সর্বশ্রেষ্ঠ সাধনা, তাই সংগীতের মধ্যে দিয়েই সেই পরমেশ্বরের চরণ বন্দনা করি | সংগীত নিয়ে ছোটবেলা থেকেই চর্চা করেন অদিতি। সংগীত ক্ষেত্রেই তাঁর উচ্চশিক্ষা। সংগীত ক্ষেত্রে অদিতির প্রথম পছন্দ কীর্তন। বিধায়ক পদের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি নিজের সংগীত চর্চায় কোনও ত্রুটি রাখেননি তিনি।আরও পড়ুনঃ শহরের উপকথা নিয়ে পোর্শিয়াঅদিতির নতুন গানে যন্ত্রানুষঙ্গে সাহায্য করেছেন সুভাষ বসু, সৌম্যজ্যোতি ঘোষ, মৃগনাভি চট্টোপাধ্যায় এবং সোমনাথ রায়। গানের শ্যুট করা হয়েছে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের বনেদি বাড়ির পুরনো পরিবেশ দেখা যাবে এই গানের ভিডিওতে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shohorer Upokotha : 'শহরের উপকথা' নিয়ে পোর্শিয়া

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে বাপ্পার পরিচালিত ফিচার ফিল্ম শহরের উপকথা। বাদল সরকারের বাকী ইতিহাস অবলম্বনে এই ছবি নির্মাণ করছেন পরিচালক। আর এখানেই টাইটেল ট্র্যাক গেয়েছেন পোর্শিয়া সেন। সৌম্য ঋত এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর আগে দ্য টেরেসে ফ্যাশন কার্নিভালছবিতে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। এমনটাই জানিয়েছেন পোর্শিয়া। এই প্রসঙ্গে তিনি জানালেন,সৌম্য ঋত দার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই ভাবছি কাজ করবো। কিন্তু কানেকশনটা ঠিকমতো না হলে কাজটা ঠিক হয়না। তারপর একদিন দাদা বললো চলে এসো একটা রেকর্ডিং আছে। তার আগে গানটা পাঠালো। শুনে বললাম গানটা খুব ভালো। গেলাম, গাইলাম।আরও পড়ুনঃ এমডিজে জোড়ি নাম্বার ওয়ানের গ্র্যান্ড ফিনালশহরের উপকথা তিনি আরও কথা শেয়ার করলেন। বললেন,আমি ভেবেছিলাম সিনেমাটা হয়তো আরেকটু সময় নেবে রিলিজ করতে। কিন্তু তাড়াতাড়িই রিলিজ করে যাচ্ছে। তবে গানের ফিডব্যাক খুব ভালো পাচ্ছি। কাছের মানুষ অনেকেরই খুব ভালো লেগেছে। আবার অনেকে নিজে থেকে শুনে টেক্সট করেছে। তো গানের রেসপন্স এখনও অবধি ভালোই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal