• ৮ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Interview

কলকাতা

পূর্ণ নম্বর পেয়েও চাকরি নয়! একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগে ফ্রেশারদের বিস্ফোরক অভিযোগ

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে সামনে এল এক অভূতপূর্ব ছবিপূর্ণ নম্বর পেয়েও চাকরি পেলেন না বহু ফ্রেশার প্রার্থী। শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হল নতুন ইন্টারভিউ তালিকা, আর তার পর থেকেই তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে। বিশেষ করে বাংলায়, ইংরেজিতে, অঙ্কে ও ইতিহাসে যে ধরনের কাট-অফ দেখা গেল, ফ্রেশারদের কাছে তা যেন প্রবল ধাক্কা।ইংরেজিতে কাট-অফ ৭৭, বাংলায় ৭৩, অঙ্কে ৭১ এবং ইতিহাসে ৭৫ নম্বর। পরীক্ষায় যাঁরা নিজেদের বিষয়ের লিখিত অংশে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন, তাঁদের অনেকেই জানাচ্ছেনপূর্ণ নম্বর থাকলেও তাঁরা কাট-অফ পেরোতে পারেননি। বহু নতুন প্রার্থী প্রশ্ন তুলছেন, অভিজ্ঞতার নম্বরের কারণে কি ইন-সার্ভিস শিক্ষকেরাই এভাবে সুবিধা পাচ্ছেন? কারণ দেখা যাচ্ছে, যাঁরা বিষয়ের নম্বর কম পেয়েছেন, তাঁরাও অভিজ্ঞতার নম্বর ভরসায় তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। ফ্রেশারদের মতে, এই পরিস্থিতি তাঁদের জন্য অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করছে।স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্র জানাচ্ছে, মোট ২০ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থীকে ডাকা হয়েছে ইন্টারভিউয়ের জন্য। তাঁদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ফ্রেশার। কিন্তু আশ্চর্যভাবে দেখা যাচ্ছে, অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও বহু ইন-সার্ভিস শিক্ষক আবার নথি যাচাই প্রক্রিয়ায় ডাক পাননি। কমিশন সূত্রের দাবি, এঁদের মধ্যে ৯০ শতাংশ নবম-দশমের নিয়োগ পর্যায়ে ডাক পেয়ে যেতে পারেন। যদিও নবম-দশমের নথি যাচাই এখনও শুরু হয়নি।মোট শূন্যপদ ৩৫ হাজার ৭২৬। এর মধ্যে একাদশ-দ্বাদশে শূন্যপদ রয়েছে ১২ হাজার ৫১৪টি। এবার ১৪ সেপ্টেম্বর হয়েছিল একাদশ-দ্বাদশের লিখিত পরীক্ষা, যেখানে আবেদন করেছিলেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার প্রার্থী। আর ৭ সেপ্টেম্বর নেওয়া হয়েছিল নবম-দশমের পরীক্ষা, যার আবেদনকারী প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার। এত বিপুল আবেদনকারীর মধ্যে মাত্র ২০ হাজারের কিছু বেশি প্রার্থী ইন্টারভিউ ডাক পেয়েছেন। আর সেই তালিকাতেই দেখা যাচ্ছে পূর্ণ নম্বরধারী বহু ফ্রেশার বাদ, আর কম নম্বর পেয়েও অভিজ্ঞতার জোরে তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছেন ইন-সার্ভিস শিক্ষকরা।এই পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ফ্রেশার প্রার্থীদের অনেকেই প্রশ্ন তুলছেননতুনদের কি ইচ্ছাকৃতভাবে পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে? একইসঙ্গে উঠছে আরও অভিযোগএকদিকে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের পর সরকার ও কমিশন স্বচ্ছতার কথা বললেও বাস্তব চিত্র কি সত্যিই তেমন? পূর্ণ নম্বর পেয়েও চাকরি না মেলার ব্যাখ্যা কারও কাছেই স্পষ্ট নয়।একাদশ-দ্বাদশের ফল সামনে আসতেই নিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে আবার নতুন করে অনিশ্চয়তা বাড়ল। ফ্রেশারদের দাবি, যদি বিষয়ভিত্তিক পূর্ণ নম্বরও চাকরির পথে যথেষ্ট না হয়, তাহলে তাঁদের লড়াই কতটা সুষ্ঠু তা নিয়েই প্রশ্ন রয়ে যায়।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজনীতি

ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে দিলীপ ঘোষ নানা ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন

২০ মে ধর্মঘটসিপিআইএম ধর্মঘট ডাকছে বা কি করছে ভারতবর্ষের লোকের এটাই কি এসে যায় তারা কোথায় আছে। তারা আছে মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য ব্রিগেড করতে হয় মাঝেমধ্যে। তাদের অভিযোগের কোন গুরুত্ব নেই। যদি ওরা মানুষের কথা ভাবতো তাহলে মানুষ বর্জন করত না। ভাত দিতে পারেনি। মোদী সকলকে ভাত দিচ্ছে। মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্য বদল নিয়েআমরাও বলছি বদল হবে আমরাও বদল চাইছি কিন্তু বদল হলে কি হবে বিজেপি আসবে ওরা দিবা স্বপ্ন দেখছে।শালবনীতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জীবনে হাজার হাজার সালাম নাচ করেছে কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয়েছে কত জায়গায় তার কোন রিপোর্ট দেয়নি। বেঙ্গল সামিট করেন প্রতিবছর কিন্তু সেখানে কি ফলাফল হয় তার কোন শ্বেতপত্র বার করুন। কেউ আসতে চায় না। সত্যিকারের কটা ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে চাকরি হয়েছে সেটা দেখান। কোথায় গেল দেওচাপাচামী। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেন ঢপ দেন মানুষ জেনে গেছে।এসএসসি ভবন অভিযানএই অভিযান চলতে থাকবে কিন্তু কোর্টের থেকেও সমাধান হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একই কথা বলেছে। কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তারাই সেই নির্দোষ বদল করে যোগ্যদের চাকরি দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বলছে না যোগ্য লোকদের চাকরি ফেরত দেওয়ার কথা। এটা উনি কিছুতেই বলবে না কারণ আট হাজার লোক তাহলে উনার বাড়ি ঘেরাও করবে। সুকান্ত মজুমদার মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেনতুমি এর আগে মোথাবাড়িতেও গেছেন যখন ওখানে গন্ডগোল হচ্ছিল বিরোধী দলনেতাও গেছিলেন। পার্টি পুরোপুরি বাস্তহারা নিপীড়িতদের সঙ্গে রয়েছে। গোটা বাংলায় রয়েছে।দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ যাবেন?আমি যাব মুর্শিদাবাদ এরা যাচ্ছে। গন্ডগোলের দিন আমি ওখানেই ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে আসতে দেয়নি। আমি সভা করতে যায় প্রতিবাদ করতে যাই এখন ত্রান দিতে সবাই যাচ্ছে।ব্রিগেডের মাঠ ভরলেও ব্যালট ভরে না বিমান বসু এর বক্তব্যমানুষকে কি ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ব্রিগেডে নিয়ে আসেন। গতকাল ব্রিগেডে যে কজন লোক ছিল সেই কয়জনই সিপিআইএমের সমর্থক রয়েছে বাংলায়। প্রতিবছর দুর্গাপুজো কালীপুজোর মতো ওদের প্রতি বছর একটা ব্রিগেড হয় দেখা হয় খাওয়া দাওয়া হয়।মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্যলাল ঠাণ্ডা দেখতে পাই আমরা তৃণমূলের লোকরা লাগিয়ে দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিস চালানোর পয়সা তাদের চা খাওয়ার পয়সা তৃণমূল দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিসের চাবি থাকে তৃণমূলের লোক এর কাছে। এইভাবে সিপিএমকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন কতদিন থাকবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

পুজো মানে আড্ডা, খাওয়া, আর অষ্টমীতে অঞ্জলী অবশ্যই : সুচরিতা বিশ্বাস

শ্যুটিং এ ব্যস্ত সারাদিন। মিউজিক ভিডিও থেকে মডেলিং জগতে বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুচরিতা বিশ্বাস। বেশকিছু ব্রান্ডের শ্যুটে নাম কেড়েছেন তিনি। শ্যুটিং এর ব্যস্ত শিডিউলে কি প্ল্যান এই বছরের পুজো? সরাসরি আমাদের সাথে খোলা আড্ডায় এই পুজোর প্ল্যান শেয়ার করলেন অভিনেত্রী, মডেল সুচরিতা বিশ্বাস।১) ব্যস্ত শিডিউল, শ্যুটিং এর পাশাপাশি এই পুজোতে কি প্ল্যান তোমার?উত্তর : পুজো তে সত্যি বলতে কোনো প্ল্যান নেই। তবে ঘুরতে বেরোনো, আড্ডা দেওয়া তো থাকবেই। ২) পুজোতে কলকাতা থাকতে ভালোবাসো? নাকি অন্য কোথাও ছুটি কাটানো?উত্তর : পুজো মানেই কলকাতা। কলকাতা ছেড়ে পুজোর সময় অন্য কোথাও থাকার মানেই হয়না।৩) এই বছরের পুজো প্ল্যান কি?উত্তর : এবার পুজোতে প্রচুর খাওয়াদাওয়া হবে, নতুন পোষাক পরে অঞ্জলী দেবো পরিবারের সাথে। ঠাকুর দেখবো।৪) আষ্টমি তে কি ড্রেশ করবে? আষ্টমীর প্ল্যান কি?উত্তর : অষ্টমী তে সাবেকি সাজে বন্ধু দের সাথে বেরোনোর প্ল্যান আছে। ৫) শ্যুটিং এর মাঝে শপিং কি সব কমপ্লিট?উত্তর : শুটিং এর মাঝে শপিং তো করতেই হবে তাই অনলাইনে ভরসা। কারণ শপিংমলে গিয়ে কেনা সম্ভব না। তবে এখনও কেনাকাটি কমপ্লিট হয়নি, কিছুটা বাকি আছে।৬) এবার পুজোর তোমার ফ্যাশন প্ল্যান কি?উত্তর : সব রকমেরই ট্রেন্ডি ড্রেস পরবো এবার পুজোতে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেত্রী মধুমিতা চক্রবর্তী

জনতার কথাঃ Shrees Creation এর এই অনুষ্ঠান নিয়ে কি বলবেন? মধুমিতা চক্রবর্তীঃ ভীষণ ভালো লাগছে। এতদিন পর আবার আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছি। এই দিনটার অপেক্ষাতেই আমরা সকলে ছিলাম। আজকের অনুষ্ঠানটা ভীষণই ইউনিক। সত্যি কথা বলতে বুটিকের এই ধরণের অনুষ্ঠান আমরা এর আগে খুব একটা দেখিনি। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি আমরা সবাই যেন আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারি। জনতার কথাঃ আপনার এখন কি কি প্রোজেক্ট চলছে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ এই মুহূর্তে তিনটে ছবির কাজ চলছে। আর একটা সিরিয়ালের কাজ চলছে লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার। জনতার কথাঃ ছবিগুলো কি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ একটা ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছে। দুটো ছবির ডাবিং হয়েছে। এর মধ্যে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে চিনে বাদাম। জনতার কথাঃ আর কোনো প্রোজেক্ট কি আসছে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ ধর্ম অধর্ম বলে একটা ছবির শুটিং চলছে। আমরা আশা করছি একটু একটু করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবো।জনতার কথাঃ দর্শকদের কি বার্তা দেবেন?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ দর্শকদের একটাই কথা বলবো সাবধানে থাকুন। সেই সঙ্গে হলে এসে বাংলা সিনেমা দেখুন। বাংলা সিনেমার পাশে থাকুন। একটা পুরো ইন্ডাস্ট্রি আপনাদের ওপর ভরসা করেই বেঁচে আছে।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ছবি করার অনুভূতিটাই আলাদা : পিয়ালী

দুর্গাপুরের মেয়ে। ২০১১ থেকে তিনি মডেলিং করছেন। ২০১৬ থেকে সিরিয়ালের কাজ শুরু তার। শেষ সিরিয়াল সান বাংলায় দেবী। আপাতত তিনি ধারাবাহিক থেকে বিরতি নিয়েছেন। এখন নতুন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী পিয়ালী দাস। তাঁর মধ্যেই সময় বের করে জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী। জনতার কথাঃ তোমার তো দেবী শেষ হল। এখন নতুন কি কাজ আসছে? পিয়ালীঃ আমার নতুন কাজ একটা ফিচার ফিল্ম। খুব যে কমার্শিয়াল ভর্তি নাচগান আছে ওরকম নয়। পুরোটাই আর্ট ফিল্মের মতো। খুব ভালো একটি গল্প নিয়ে আমরা আসছি। জনতার কথাঃ এটা তোমার ফার্স্ট ফিল্মের কাজ। কতটা এক্সাইটেড লাগছে? পিয়ালীঃ প্রচন্ড এক্সাইটেড। আমি রাতে ঘুমোতে পারছি না। সারাক্ষণ স্ক্রিপ্ট পড়ছি। আমার সঙ্গে ফোনে বা সামনাসামনি যেই কথা বলছে তাদের সঙ্গে আমি পাগলের মতো ডিসকাস করছি যে এরকম একটা চরিত্র পেয়েছি। ছবি করার অনুভূতিটাই আলাদা। জনতার কথাঃ চরিত্রটা নিয়ে সংক্ষেপে একটু বলো। পিয়ালীঃ চরিত্রটা প্রচন্ড বোল্ড, প্রচন্ড ইমোশনাল। তার জীবনে প্রচুর ওঠানামা রয়েছে। তার মধ্যেও সে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছে এবং লড়াই করে চলেছে।জনতার কথাঃ শুটিং টা কবে শুরু হচ্ছে?পিয়ালীঃ শুটিং শুরু হচ্ছে ২০২২ এর ৩১ মার্চ। জনতার কথাঃ ছবিটা কি হলে না ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে?পিয়ালীঃ প্রথমে বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে যাবে। তারপর হলে মুক্তি পাবে ছবিটা।

মার্চ ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘জনতার কথা’-র মুখোমুখি অভিনেত্রী ‘নন্দিনী সোনালী’

অভিনেত্রী নন্দিনী সোনালী। বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত। রমাপ্রসাদ বণিকের কাছে তাঁর থিয়েটারের প্রশিক্ষণ হয়। বর্তমানে তিনি শর্ট ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজে কাজ করছেন। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র মুখোমুখি হলেন নন্দিনী। জনতার কথাঃ তোমার থিয়েটারের জার্নিটা কিভাবে শুরু হয়? নন্দিনীঃ বেসিক্যালি আমি মফঃস্বলের মেয়ে। থিয়েটারের জার্নি যদি বলা হয় পাড়ার নাটক। সেখান থেকে রমা স্যারের কাছে আসি একটা ওয়ার্কশপের জন্য। এরকম পরপর দুটো ওয়ার্কশপ করি। তারপরে স্যার যখন আমাকে প্রোডাকশনের জন্য ডাকেন আমি বলি প্রোডাকশন করবো। তারপর স্যার মারা যান। তাঁর সঙ্গে কোনও প্রোডাকশন করা হয়ে ওঠেনি।এরপর আমার বাবা মারা যান। আমি চার বছর থিয়েটারের সঙ্গে ছিলাম না। তারপরে আমি আবার থিয়েটারে ব্যাক করি।জনতার কথাঃ শর্ট ফিল্ম, ওয়েব সিরিজের কাজ কবে থেকে শুরু হয়?নন্দিনীঃ ২০১৭-র ১লা বৈশাখ আমার কাছে একটা হটাত কল আসে। একটা মিউজিক ভিডিও হবে। সেটার জন্য আমাকে ডাকা হয়েছে। আমি যাই দেখা করতে। সেটা কিউ এর একটা মিউজিক ভিডিও ছিল। সেদিন রাত্রিবেলা শুট। আমি যাই। হোল নাইট আমরা শুট করি। সেই থেকে আমার ক্যামেরার সামনে কাজ করা শুরু।জনতার কথাঃ কিউ এর তারানাথ তান্ত্রিক-এ কাজ করেছো। সেটা হইচই-তে দেখানো হয়েছে। সেই এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?নন্দিনীঃ তারানাথ তান্ত্রিক-এর জার্নিটা ভীষণ অদ্ভুত। আমার কাছে যখন প্রথম কল আসে তখন আমি নর্থ বেঙ্গলে একটা শুটে ছিলাম। কিউ ফোন করে বলে একটা অডিশনের জন্য আমাকে আসতে হবে। আমি বললাম আমি তো কলকাতায় নেই নর্থ বেঙ্গল। কিউ তারপরে আর কিছু বলেনি। আমি আর কলকাতায় ফিরতে পারিনি আমার শুট ছিল বলে। হটাত করে কিউ আমায় ফোন করে বলে যে একটা ছোট চরিত্র আছে করে দে। আমি বললাম ওকে, ঠিক আছে। সেই থেকে আমার তারানাথ তান্ত্রিক এর জার্নি। আমাদের শুট হয় ডানকুনি তে। ভোরবেলায় কল টাইম। যেখানে শুট হয় সেটা রাজবাড়ি গোছের কিন্তু রাজবাড়ি নয়। সেটা আমাদের ইউনিটেরই কারোর বাড়ি ছিল। সেটাও একটা অদ্ভুত এক্সপিরিয়েন্স।জনতার কথাঃ তোমার কারেন্ট প্রোজেক্ট রেড ক্যানভ্যাস। সেখানে তাজু দার সঙ্গে কাজ করেছো। তাজুদার ব্যাপারে তো সবাই জানে উনি কতটা ভালো মানুষ। তাছাড়া এখানে রুক্মা রয়েছে। অলিভয়া রয়েছে। রণজয় আছে। এছাড়া আরও অনেকে আছে। রেড ক্যানভ্যাসের জার্নিটা নিয়ে সংক্ষেপে কিছু বলো।নন্দিনীঃ তাজুদার সঙ্গে আমি লাস্ট ইয়ার একটা ফিল্মে কাজ করি। সেটা এডিট চলছে। সেটাই আমার তাজুদার সঙ্গে প্রথম কাজ। তারপর এই ডিসেম্বরে তাজুদা হটাত আমাকে ফোন করে বলে আমি একটা ওয়েব করছি। সেটায় একটা চরিত্র আছে তোকে করতে হবে। আমি বলললাম ওকে। যেহেতু আমার চুল ছোট আর আমার চরিত্রের জন্য চুলটা বড় থাকলে বেশ ভালো হত। এরকম একটা ব্যাপার। তখন তাজুদা বলে তুই চুল কাটবি না। তারপরেই আমার পুরুলিয়ার একটা প্রোজেক্ট ছিল। ডকু ফিচার। ট্রাইবাল ডকু ফিচারের ওপর। সেটা করতে যাই। সেখানে চুলগুলো ছোট ছোট বিনুনি করা। যখন আমি ফিরবো আমি জানি তার পরের দিন থেকেই এই ওয়েবের শুট। যখন ফিরি চুলটা খোলা, নরম্যাল একটা চুলে ফেরত আনা, তারপর একটা বড় চুল আড অন করা সব মিলিয়ে দারুণ এক্সপিরিয়েন্স।জনতার কথাঃ বাকিদের নিয়ে কি বলবে?নন্দিনীঃ আমার কখনও মনে হয়নি আমি স্টার কাস্টদের সঙ্গে কাজ করছি। আমার কখনও মনে হয়নি যে দে আর স্টার। দে আর আওয়ার ইউনিট। সেই ফিলটাই কেউ আমাকে করায়নি। খুব ভালোভাবে কটা দিন গেছে। জনতার কথাঃ আপকামিং আর কি কি কাজ আসছে?নন্দিনীঃ একটা ফিচার এর এডিটিং এর কাজ চলছে। একটা শর্ট ফিল্ম এর এডিটিং চলছে। আমার একটা সাইলেন্ট শর্ট ফিল্ম হোয়াইট নয়েস এর রেজাল্ট বেরোনোর কথা আছে। বিদেশে বেস্ট আকট্রেসের নমিনেশনে আছে। তাছাড়া একটা সিনেমার কথা চলছে। ওয়েবের কথা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুখোমুখি সায়ক চক্রবর্তী

ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ সায়ক চক্রবর্তী। তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন পরিচালক শুভেন্দু রাজ ঘোষের পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি বিফোর ইউ ডাই এর প্রিমিয়ারে। জনতার কথাঃ কেমন লাগল ছবিটা?সায়কঃ স্টোরি তো খুবই ভালো। ক্যামেরা খুবই ভালো। আর হিরো খুবই ভালো অভিনয় করেছে। জনতার কথাঃ তুমি তো অভিনয়ের পাশাপাশি ইউটিউবও করছো। দুটো ব্যালেন্স কিভাবে করছো?সায়কঃ আমি প্রচণ্ড ল্যাদখোর। আমার আরেকজন পার্টনার সে ও প্রচণ্ড ল্যাদ খায়। তাই দুজনে দুজনকে চিয়ার আপ করি। চলো আমাদের ভ্লগ করতে হবে। জনতার কথাঃ তোমার এখন প্রোজেক্ট কি চলছে?সায়কঃ প্রোজেক্ট তো আমার এখন কাঞ্চি চলছে। আর পাশাপাশি ইউটিউব চলছে। জনতার কথাঃ আর তোমার তো ছবিও আসছে। শিবু দার প্রোডাকশনে।সায়কঃ আসছে। বাট কবে আসছে আমি নিজেও জানিনা এখনও।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Piyali Chatterjee : আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল - পিয়ালী চ্যাটার্জি

পরিচালক সপ্তাশ্ব বসুর নতুন ছবি জতুগৃহ-র শুটিং শেষ হয়ে গেল। শুটিং ফ্লোরে জনতার কথা-র মুখোমুখি এই ছবির প্রধাণ চরিত্র পিয়ালী চ্যাটার্জি। জনতার কথাঃ তোমার ফার্স্ট প্রোজেক্ট অ্যাস অ্যা লিড। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?পিয়ালীঃ ভীষণ ভালো এক্সপিরিয়েন্স। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করেছি। আমার কো-অ্যাক্টর, ডিরেক্টর ভীষণ পরিমাণে সাপোর্টিভ। জনতার কথাঃ বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?পিয়ালীঃ বনি কো-অ্যাক্টর পরে। আগে ভীষণ ভালো বন্ধু। ও শুটিং-এর মাঝে এত মজা করে। ওকে টিভির পর্দায় দেখে মনেই হয় না ও এতটা ফ্রি, ফ্র্যাঙ্কলি। ভীষণ সাপোর্টিভ-ও।জনতার কথাঃ পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু কে নিয়ে কি বলবে?পিয়ালীঃ আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল। আমরা ভীষণ মজা করেছি। জুন থেকে আমাদের শুটিং স্টার্ট হয়। জুন টু আজকে ডিসেম্বরের লাস্ট ডে শুট। পাঁচ মাসের জার্নি। ভীষণ ভালোভাবে কাটিয়েছি।জনতার কথাঃ প্রোডিউসারের কথা কি বলবে? প্রোডিউসার না থাকলে হয়তো তোমাকে এইভাবে লিড কাস্টে দেখতে পেতাম না।পিয়ালীঃ একদম। প্রোডিউসারের কথা তো সবার আগে। রক্তিম চ্যাটার্জি না থাকলে হয়তো পিয়ালী চ্যাটার্জি থাকতো না। আমি তো এটাই উইশ করবো সব মেয়েরা এরকম সাপোরটিং হাজব্যান্ড পাক।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ananda : মুখোমুখি আনন্দ চৌধুরী

জনতার কথা ঃ নতুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ডিজিফ্লিক্স টিভি এল। কি বলবে এটা নিয়ে?আনন্দ ঃ দেখুন ওটিটির একটা তো মার্কেট ক্রিয়েট হয়েই আছে। প্যান্ডামিকের সময় থেকে আমরা দেখেছি একটা অল্টারনেটিভ মোড অফ এন্টারটেনমেন্ট মানুষ পেয়েছে। এখন সিনেমাহল খুলেছে। তার জন্য কিন্তু ওটিটির ভিউয়ারশিপ কম হয়নি। আই ফিল যত বাংলায় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আসবে মানুষের কাজের ওপারচুনিটিও বাড়বে এবং কন্টেন্ট হিসাবে আমরা আরও বেশি কন্টেন্ট পাবো। জনতার কথা ঃ বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জন্য ওটিটি প্ল্যাটফর্ম কতটা ভাল? আমরা অনেক ডিরেক্টর ও অ্যাক্টরদের দেখতে পাই ওটিটির সৌজন্যে।আনন্দ ঃ অনেক আপকামিং অ্যাক্টরদেরও কাজের সুযোগ বাড়বে এবং থিয়েটার ব্যাকগ্রাউন্ডের আর্টিস্টদের ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। এটা পসিবল হয়েছে কারণ ওটিটি তে প্রোডিউসার সেই রিস্কটা নিতে রাজি আছে। তাই আমার মনে হয় এটা খুব বড় অপারচুনিটি এবং অ্যাক্টরদের জন্য অনেক বড় স্কোপ খুলে দেবে। জনতার কথা ঃ তোমার কি কি প্রোজেক্ট চলছে এবং আপকামিং আর কি কি প্রোজেক্ট আসছে?আনন্দ ঃ এই মুহূর্তে আমি দুটো টেলিভিশন প্রোজেক্টে আছি। একটা সান বাংলা ও একটা জি বাংলা তে। কন্যাদান ও এই পথ যদি না শেষ হয় চলছে। এর পাশাপাশি সুমন ভঞ্জর ছবি আমি অপু তে অভিনয় করেছি। সীমান্ত বলে একটি ছবি রয়েছে পাইপলাইনে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Gulshanara: থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে

ভালো অভিনেত্রী মানেই যে তিনি নেটিজেনদের কাছে জনপ্রিয় হবেনই এমনটা নয়। এমন বেশ কিছু অভিনেত্রীকে আমরা খুঁজে পাবো যাদের অভিনয় নিয়ে সেইভাবে আলোচনা না হলেও তাঁরা তাঁদের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে বেশ কিছু মানুষের মনে বিশেষ জায়গা করে নেন। এরকমই একজন হলেন টলিউডের অভিনেত্রী গুলশানারা খাতুন। চূর্ণী গাঙ্গুলীর তারিখ-এ বেশ ভালো অভিনয় করেছিলেন তিনি। বর্তমানে অরুণ রায়ের ৮/১ তে কমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন। আগামী দিনে আরও বেশ কিছু ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমরা তাঁকে দেখতে পাবো। বড়পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। শুটিং-এর ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় বার করে ফোনে জনতার কথায় সাক্ষাৎকার দিলেন গুলশানারা।জনতার কথাঃ ৮/১২ তে কমলার চরিত্রটা কেমন?গুলশানারাঃ চরিত্রটা সম্পর্কে এখন পুরোটা রিভিল করতে পারবো না। তবে যতটুকু বলা যায় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের যে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন হয় সেই বিপ্লবী আন্দোলনের একজন মহিলা কমরেড ছিল কমলা। তবে কমলা আসলে একা তো স্ট্যান্ডআউট করেনি। পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ মেয়েরা, বাড়ির মেয়েরা ইংরেজদের কাছে অত্যাচারিত হওয়ার পর বেরিয়ে এসে যেভাবে সশস্ত্র বিপ্লবকে মদতপুষ্ট করেছে নানাভাবে কমলাও সেরকম একজন মেয়ে বিপ্লবী যে এই গোটা বিনয়-বাদল-দীনেশের পিছনের যে ইতিহাস সেই ইতিহাসের একটি অংশ।জনতার কথাঃ এই চরিত্রটাকে পোট্রে করার জন্য কি কি হোমওয়ার্ক করেছো?গুলশানারাঃ এই বছর যখন লকডাউন হয় তখন আমাদের যিনি চিত্রনাট্য লিখেছেন সৌনাভ দা যোগাযোগ করেন। অরুণ দা ও যোগাযোগ করেন এবং আমাকে বলা হয় যে একটি বিপ্লবী চরিত্র, তার সময়কাল এইটা। তো সেই সময়ের কিছুটা ইতিহাস আমাকে পড়তে বলা হয়। সেই সময় বাড়ির মেয়েরা কিভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তাদের ফিলোজফি কি, কর্মকাণ্ড কি সেইগুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে বলা হয়। তখন আমি স্ক্রিপ্টটা পুরোটা পড়িনি। তো আমি চরিত্রের খানিকটা ব্রিফিং শুনে পড়াশোনা করতে শুরু করি। লকডাউনের পরে একদিন অরুণদা বসে স্ক্রিপটা শোনায় এবং আমার যে যে অভিনয়ের জায়গা ছিল সেটা নিয়ে একটা প্রাইমারি ওয়ার্কশপ করা হয় এবং পুরো টিম আমাকে বোঝায় যে গোটা জিনিসটা কীভাবে এগোবে। আমি প্রিপারেশন নিয়েছি বলতে এক তো অরুণদার সঙ্গে প্রায়ই ফোনে কথা বলতাম। পড়াশোনাটা, রিসার্চ ওয়ার্ক খানিকটা কাজে লেগেছে এবং পুরো টিমটা আমাকে বিভিন্ন সময়ে ইমপুট দিয়ে গেছে। সেটা আমার মেপআপ থেকে শুরু করে স্টাইলিং, ডিরেকশন, মিউজিক সবকিছুই।জনতার কথাঃ বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েরা সেইভাবে হয়তো বিনয়-বাদল-দীনেশ কে সেইভাবে জানেনা বা জানানো হয়নি। যারা জানে না তাদের কি এই ছবি দেখার পর বিনয়-বাদল-দীনেশ কে নিয়ে আগ্রহ জন্মাবে একটু হলেও?গুলশানারাঃডেফিনেটলি। তবে শুধুমাত্র বিনয়-বাদল-দীনেশ নয়। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাড়ির ছেলে-মেয়েরা কারণ বিনয়-বাদল-দীনেশ তিনজনেই তখন মিড টোয়েন্টিস-এ। শুধুমাত্র সাহস কে মাথায় রেখে এবং দেশের স্বাধীনতাকে মাথায় রেখে তারা যেভাবে রাইটার্স অ্যাটাক করেছিল এবং যেরকম সাহসীকতার পরিচয় দিয়েছিল তাঁদের সেই সেই বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া গল্পটা জানা ভীষণ দরকার। ওডিও-ভিজুয়াল মাধ্যম তো আমাদের অনেক বেশি ট্রিগার করে, আমাদের রি-ভিজিট করতে সাহায্য করে তো আমার ধারণা এই ছবিটা যেভাবে তৈরি হয়েছে, তার গল্প যেভাবে এগিয়েছে এবং এন্টার ডিরেক্টোরিয়াল যে আউটলুকটা, মিউজিক, সবটা মিলিয়ে মানুষকে রিভিজিট করতে সাহায্য করবে। অকারণ চোখরাঙানির বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করা যায় সেই ইন্সপিরেশনটা বোধহয় মানুষ এই ছবি থেকে আবার পাবেন।জনতার কথাঃ তুমি অনেকদিন ধরে থিয়েটার করছো বলে এই ছবিতে অভিনয় করাটা কিছুটা সহজ হয়েছে বলে মনে হয়?গুলশানারাঃ সহজ হয়েছে বলবো না। তবে থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে। কারণ থিয়েটার একটা স্কুল, একটা বেস।সিনেমায় অভিনয় সম্পূর্ণ আলাদা। তবে থিয়েটার আমাকে অনেকটা সাহায্য করেছে চরিত্রের গভীরে ঢুকে, বুঝে তার যাপনটাকে আরও জীবন্ত করে তুলতে।জনতার কথাঃ আগামী দিনে আর কি কি প্রোজেক্টে আমরা তোমাকে দেখতে পাবো?গুলশানারাঃ ২০২২ এর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমার করা প্রথম ফিচার ফিল্ম অ্যাস অ্যা লিড আমি ও আমার মাধুরী সেটা দেখানো হবে বেঙ্গলি প্যানোরামার আন্ডারে। এটা মাধুরী দীক্ষিত কে ডেডিকেট করে একটি ছবি। শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় লুকোচুরি, চিনেবাদাম আসছে। ন্যাশানাল ওটিটি তে একটি হিন্দি শর্ট ফিল্ম আসছে। ন্যাশনাল ওটিটি তে এটা আমার প্রথম হিন্দি কাজ। এছাড়া কিছু সিরিয়াল আসছে। যেটা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারবো না। এছাড়া গোরা ও উত্তরণ আসছে হইচই তে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shresttha : 'জনতার কথার' মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা

আকাশ আট-এ শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র মায়া-র চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা প্রামাণিক। ধারাবাহিক নিয়ে জানালেন অনেক কথা। জনতার কথাঃ মায়া চরিত্র করে তোমার কেমন লাগছে?শ্রেষ্ঠাঃ খুবই ভালো লাগছে। মায়া চরিত্রটা খুবই স্নিগ্ধ, সরল একটা মেয়ে। মায়ার অলরেডি তিনবার মিসক্যারেজ হয়ে গেছে। এটা ফোরথ টাইম ছিল। খুবই ভালো একটা ক্যারেক্টার। আমি খুবই ভালোবেসে ফেলেছি ক্যারেক্টারটাকে।মেয়েদের ব্রতকথাজনতার কথাঃ মায়া ও বিমলার মধ্যে কতটা ভালো বন্ডিং?শ্রেষ্ঠাঃ অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুবই ভালোবাসে। বিমলা মায়া কে খুবই ভালোবাসে। অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুব ভালো বাসলেও বিমলা যেহেতু নেহেটিভ ক্যারেক্টার ওকে সেই পার্টতা তো করতেই হয়। আমি আর ঐশ্বর্য ওখানে বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে গেছি। খুব ভালো লাগে একসাথে থাকতে। একসাথে গল্প করতে। আমাদের মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং খুব ভালো। আমাদের থিঙ্কিং অনেকটা ম্যাচ করে যার জন্যা আমাদের মধ্যে এত তাড়াতাড়ি ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গেছে। জনতার কথাঃমেয়েদের ব্রতকথার বাকি টিম কেমন?শ্রেষ্ঠাঃ গোটা ইউনিট খুবই ভালো। এটা আমার ফার্স্ট প্রজেক্ট। ফার্স্ট মেগা এস অ্যা লিড। আমি অনেক জায়গায় শুনেছি জে অনেক টিমে অনেককিছু হত বাঁ হয়। আমাদের টিমটা এরকমই। আমরা খুব মজা করে কাজ করি।জনতার কথাঃ সামনে বড়দিন আসছে। প্ল্যান রয়েছে? শ্রেষ্ঠাঃকোনও প্ল্যান নেই। মেয়েদের ব্রতকথা-র শুটিং থাকলে সেটেই সমস্ত প্ল্যান হবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Falaque : দীপাবলির আড্ডাগুলো আমি ভীষণ এনজয় করি

দুর্গাপুজোর পর আজ লক্ষ্মীপুজোও। কালীপুজোও আসতে খুব বেশি দেরি নেই। অনেকেই কালীপুজোর প্ল্যান করতে শুরু করেছেন। দীপাবলির ভাবনা রয়েছে অভিনেত্রী ফালাক রশিদ রায়েরও। পুজোতে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি FIR। এবার কালীপুজোয় কি প্ল্যান জানালেন টলি ক্রাশ ফালাক।জনতার কথাঃ দীপাবলির প্ল্যান কি?ফালাকঃ ধনতেরস থেকে আমার দীপাবলির প্ল্যান শুরু হবে। কিছু গয়না কিনবো। প্রচুর মিষ্টি অর্ডার দেবো। আমার মিষ্টি খেতে খুব ভালো লাগে। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসি। দীপাবলির আড্ডাগুলো আমি ভীষণ এনজয় করি। সো এইগুলোই করবো।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে কি ভালো লাগে?ফালাকঃ বাজি ফাটাতে ভালো লাগে। তবে লাইট যেটা দিয়ে হয় সেটা বেশি ভালো লাগে আমার। সাউন্ড আর যেটাতে প্রচুর স্মোক সেটা আমার ভালো লাগেনা। আমার প্রচন্ড নিঃশ্বাস কষ্ট হয় তাতে। আমার নিজের একটা পেট আছে। তাই আমি বুঝি তাদেরও কত কষ্ট হয়। তাই আমি ফুলঝুরি আর চরকি এইগুলোতেই আনন্দ করি।জনতার কথাঃ দীপাবলিতে কি কি মিস করো?ফালাকঃ আমি আগে করতাম। যেটা এখন সময় পাই না। রঙ্গোলি বানাতে খুব ভালো লাগতো। দীপাবলির সময় রঙ্গোলি আর অল্প একটু প্রদীপ জ্বালানো এটা খুব ভালো লাগে। তবে রঙ্গোলির এখন সময় পাই না।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Durga Puja : অনেকদিন পর পুজো এবার ভালো কাটছেঃ অঙ্কিতা

আজ মহাঅষ্টমী। গতবছর দুর্গাপুজোটা একটু ফ্যাকাশে গেলেও এই বছর পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা হলেও ভালো। সাধারণ মানুষের মতো তারকারাও দুর্গাপুজোতে জমিয়ে মজা করছেন। এবারের দুর্গাপুজো কেমন কাটছে সায়ন্তনকে জানালেন টলিউড অভিনেত্রী অঙ্কিতা ব্রহ্মা। জনতার কথাঃ এবার পুজো কেমন কাটছে?অঙ্কিতাঃ অনেকদিন পর পুজো এবার ভালো কাটছে। গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেটার। জনতার কথাঃ হেক্টিক লাইফস্টাইল থেকে বেরিয়ে কতটা মজা করছো?অঙ্কিতাঃ সপ্তমীর সকাল অবধি কাজ চলেছে। সন্ধ্যে থেকে মজা করছি। অষ্টমীতেও সকালে মজা হল। আর ইচ্ছা আছে বাইরে লং ড্রাইভে যাব। যতটা ডিস্টেন্স মেন্টেন করে মজা করা যায় সেই চেষ্টাই করবো।জনতার কথাঃ পুজোয় এখনও পর্যন্ত পেটপুজো কতটা হল?অঙ্কিতাঃ সপ্তমীর বিকেল থেকে পেটপুজো শুরু হল। খুব ভালো ভালো খাবার খাচ্ছি। কলকাতার ভালো ভালো রেস্টুরেন্টগুলো এক্সপ্লোর করছি। জনতার কথাঃ পুজোতে এবার কি মিস করছ?অঙ্কিতাঃ পুজোতে সেই আনন্দটা মিস করছি। যে আনন্দটা আগে পেতাম কিন্তু এখন পাচ্ছিনা সেই আনন্দ মিস করছি। বাট বাই গড গ্রেস সিচুয়েশন অনেকটাই স্টেবল হয়েছে আগের থেকে। সেই হিসাবে ঠিক আছি।জনতার কথাঃ জনতার কথা-র দর্শকদের দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানিও।অঙ্কিতাঃ দর্শকদের জানাই পুজোর শুভেচ্ছা। খুব ভালোভাবে পুজো কাটাও। খুব সতর্ক থাকো। আর নিয়মগুলো ফলো করো।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saheb Halder : পুজো মানে আমার কাছে ঠাকুর দেখা নয়, বাড়িতে থাকা - সাহেব হালদার

পরিচালক পাভেল, পরমব্রত চট্টপাধ্যায়, অঙ্কুশের সাথে ছবির শ্যুটিং-এ ব্যস্ত। তার মাঝেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র প্রতিনিধি সায়ন্তন সেন এর সাথে দুর্গাপুজো নিয়ে এক্সক্লুসিভ আড্ডা দিলেন অভিনেতা ও পিআর সাহেব হালদার।জনতার কথা : তোমার এবারের পুজোর প্ল্যান কী?সাহেব : পুজো মানে এই নয় যে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ানো। পুজো মানে আমার কাছে সারা দিনটা বাড়িতে থাকা। এই বছর অনেকগুলো সিনেমা তৈরী হচ্ছে। যেগুলো আমার কোম্পানি প্রোমোশন দেখছে। তাই চাপটা প্রচুর। তবে আশা করছি ভাল সময় কাটবে। পুজোতে আমি খুব কম ঠাকুর দেখি। পঞ্চমী, ষষ্ঠী পর্যন্ত আমাদের শুটিং চলে। এবছরেও পুজোয় খুব হেকটিক সিডিউল রয়েছে।জনতার কথা : বাড়িতে পুজোটা কীভাবে উপভোগ করো?সাহেব : খাওয়া-দাওয়া হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। হয়তো দশমীর দিনে ঠাকুরটা দেখতে যাওয়া হয়। তাও বাড়ির পাশে ক্লাবের ঠাকুর দেখতে যাই। আমার ফ্ল্যাটের পাশে পুজো হয়।জনতার কথা : কোভিড পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে অন্য কিছু কি পরিকল্পনা রয়েছে?সাহেব : এবারে আরও মজা হবে। আমি আমার ফ্ল্যাটটা শিফ্ট করেছি। আমার জানালার সামনেই পুজো হচ্ছে। আমার জানালা থেকেই প্যান্ডেলটা দেখা যায়। এবছর অনেকটা রাত জাগবো। তবে তার মানে রাত জেগে ঠাকুর দেখা নয়।জনতার কথা : এবছর পুজোর আগে সাহেব হালদার এতো প্রোজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত। পুজোটা কতটা স্পেশাল?সাহেব : না সেটা নয়। তবে হ্যাঁ পুজোর আগে আমার বেশ কয়েকটি প্রোজেক্ট আসছে। আসছে বছর আবার হবে পার্ট ২, শব, সত্যজিৎ দাসের কলঙ্কিনী রাধার শুটিং চলছে। ১৫ তারিখ থেকে একটা প্রোজেক্ট শুরু হওয়ার কথা।জনতার কথা : শব নিয়ে কিছু বলো।সাহেব : শবের জন্য সবার আগে ধন্যবাদ জানাবো সৌম্যজিৎ দা কে। সৌম্য দা খুব বিশ্বাস করে আমাকে চরিত্রটা দিয়েছে। অনেক কিছু শিখেছি দাদার কাছ থেকে। আর ডিরেক্টর সুমিত মন্ডলকেও অনেক থ্যাংকস। সৌরভ দাস খুব ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারাটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।জনতার কথা : ১৫ তারিখের প্রোজেক্টটা নিয়ে আমরা কী কিছু জানতে পারি?সাহেব : আশা করছি এই প্রোজেক্টটা তোমাদের ভাল লাগবে। এটা বেসিক্যালি থ্রিলার একটা ওয়েব সিরিজ। ৬টা এপিসোড। এই থ্রিলার ওয়েব সিরিজে মার্ডার, রহস্য, ভালবাসা সবকিছুর বন্ধনে জড়িয়ে আছি আমি। (বাকি নামগুলো সাহেব বলতে চাইছিল না, কিন্তু অনেক বলার পর জানাল) এই ওয়েব সিরিজে রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি রয়েছেন। এছাড়া আরও কিছু পরিচিত মুখ আছেন। এইটুকু এখন বলতে পারি।জনতার কথা : পুজোর আগে বড় বড় ছবির ঘোষণা করেছো। পাভেল এর কলকাতা চলন্তিকা, পরমব্রর চট্টোপাধ্যায় এর এন্টিডট। অঙ্কুশ, শুভশ্রীর সাথে কাজ। কি বলবে এগুলো নিয়ে?সাহেব : দেখুন এই ছবিগুলোর কাস্ট নাম শুনে বুঝতেই পারছেন ছবি গুলো বড় ছবি। তবে বড় ছবি যেহেতু তাই প্ল্যানটা খুব ভালো করে করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sanjib Banerjee : অভিনয় জীবনের গল্প বললেন অভিনেতা সঞ্জীব ব্যানার্জি

বাড়ি হাওড়া কিন্তু এমন এক জায়গায় যেখান থেকে কলকাতা ঢুকতে ৫ মিনিটও লাগে না। ফলে কলকাতায় আসা যাওয়া করতে কোনো অসুবিধা হয় না। কারণ হাওড়া হলেও এটা কলকাতাই বলা যায়। ফলে স্ট্রাগল করতে একটু সুবিধা হয়। বাড়িতে থাকেন বাবা মা এক পিসি আর আমি। জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ করার মানুষ একজনই...আমি। অভিনয় আমার প্যাশন..একদম মন থেকে প্রচণ্ড ভালোবেসে করি। বলা যেতে পারে অভিনয় আমার প্রথম গার্লফ্রেন্ড।অভিনেতা হিসাবে আমার জীবন শুরু হয়নি এমনকি কোনোদিন ভাবিও নি যে অভিনেতা হবো। কিন্তু ওটা হয়তো রক্তেই ছিলো। আমি একজন ব্যবসায়ী ছিলাম। এখনও একজন ছোট ব্যবসায়ী কিন্তু অভিনয় আমার পেশা..আমার ধ্যান, জ্ঞান সবকিছুই। শুনেছি আমার ঠাকুরদা নিজে অভিনয় করতেন না কিন্তু করাতেন। উনি নাটক লিখতেন এবং চরিত্র অনুযায়ী অভিনয় করাতেন।আমার কাজের শুরু আকাশ আটে..উমার সংসারে। আমার অতি প্রিয়, সম্মানীয় অ্যাক্টর/ডিরেক্টর অনিন্দ সরকার আমায় প্রথম সুযোগ দেন। তারপর ধিরে ধিরে অনেক জায়গায় অনেক চরিত্রে কাজ করি। কোথাও বাবা, কোথাও ডক্টর আবার কোথাও বা মুসলিম ছেলের চরিত্রে। শেষ মেগার কাজ আলোছায়া তে। একজন কেমিষ্ট হয়ে কাজ করি আলোছায়াতে। পরে আরও কিছু মেগায় যেমন রিমলি, বীণাপানি থেকে ডাক আসলেও কাজ করতে পারিনি, সেই সময় অন্য শুট থাকায়। অভ্যাস না থাকলেও লকডাউনে কিছু হোমশুট করি যেমন জনসেবা, কেষ্ট, বড়মেয়ে, মার্ডার ফর মাস্ক এবং আরও কিছু।জীবনের প্রথম টেলিফিল্ম কোন এক গাঁয়ের কথা যা মিউজিক বাংলা, ধুম মিউজিকে দেখানো হয়। পরের কাজ তরী,বাল্য বিবাহের বিরূদ্ধ্বে..যার জন্য আমি একটি অ্যাওয়ার্ড পাই। এটাও ধুম মিউজিক, মিউজিক বাংলায় দেখানো হয় এছাড়া প্রায় ১৩ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নমিনেটেড হয়। এরপর হল রিলিজের জন্য অভিনয় করি.. আদর্শ তে। একজন রিটায়ার্ড আদর্শবান মাষ্টার মশাইয়ের আদর্শ নিয়ে গল্প এবং নাম ভূমিকায় আমি।পরবর্তী ছবি একটি চিঠির গল্প যার একটা প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমি কাজ করেছি এবং এটির ট্রেলার ভারত ও বাংলাদেশে একই সঙ্গে মুক্তি পেতে চলেছে আগামী মহালয়ার দিন।বাংলাদেশের চ্যানেল ৬ এই ছবির মিডিয়া পার্টনারও। বোম্বের একটি হিন্দি ফিল্মে কাজ করেছি ছোট্ট একটি চরিত্রে। এছাড়া করেছি ওয়েব সিরিজের কাজ। যেখানে আমি ছিলাম একজন মারকুটে পুলিশ অফিসার।কথা কম। ডান্ডা চলতো বেশি। কিছু ফিল্মের কাজ ফাইনাল হয়ে আছে.. যার শুট শুরু হবে পূজোর পর। নাম বলা বারণ..তাই এখনই বলতে পারবো না। মালয়ালম ফিল্ম থেকে কাজ করার অফার আছে। ওখানকার পরিস্থিতি ঠিক হলে হয়তো কাজ করবো। কাজের অফার আছে বাংলদেশ থেকেও। নিশ্চই কাজ করবো।নিজেকে ধন্য মনে করবো যদি ডিরেক্টর সন্দীপ রায় কোনদিনও কোনো কাজের জন্য আমায় যোগ্য মনে করেন। কাজ করার খুব ইচ্ছে ডিরেক্টর কৌশিক গাঙ্গুলী, ডিরেক্টর রাজ চক্রবর্তী, গৌতম ঘোষ, অপর্ণা সেন, পরমব্রত। এনাদের মতো মানুষদের কাছে। যদিও আমি কাউকে ছোট ভাবিনা এবং কাজের ব্যপারে আমি কাজটাকেই ভালোবাসি। কে ডিরেক্ট করছেন তাকে নয়। তাই ছোট, বড়, নামি, অনামি। সব ডিরেক্টরই আমার পছন্দের। সকলের কাছেই আমি কাজ করতে চাই।কাজ করতে চাই মেগায়। স্নেহাশীষবাবু (ব্লুজ), শৈবাল বাবু (ম্যাজিক মোমেন্ট) র কাছে। আমি স্নেহাশীষ দার লেখার খুব ভক্ত। করতে চাই বেশ কিছু চ্যালেনজিং চরিত্র যেখানে অনেক শেড আছে। তবে সম্পূর্ণটাই নির্ভর করছে এবং আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, কে কি ভাবে আমায় দেখছেন এবং আমার কাছে তারা কেমন অভিনয় চাইছেন। সাংসারিক জীবনে কেউ নেই। অপেক্ষায় আছি। যাকে ভালোবাসি এখনও, সে আমায় ভুল বুঝে দূরে সরে আছে। তাকে আমি বৃষ্টি বলে ডাকি। বই পড়তে, ঘোড়ায় চড়তে আর রাইফেল চালাতে খুব ভালোবাসি।ভালোবাসি নিজে ড্রাইভ করে লং ড্রাইভে যেতে। নতুন নতুন রান্নার এক্সপেরিমেন্ট করতে খুব ভালো লাগে।ভালোবাসি সমুদ্রের উদ্দামতা, পাহাড়ের গম্ভীরতা আর জঙ্গলের গভীরতা.. তিনটেই। এই হলাম মোটামুটিভাবে। আমি। সব তো একসঙ্গে, একইদিনে বলা সম্ভব নয় তাই অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেলো। সেসব আবার পরে হবে। অন্য কোনোদিন।

অক্টোবর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ankan Mallick : আমি খুবই খুশি যে আমাকে এই ক্যারেক্টারটার জন্য চুজ করেছে

বয়স সবে ১০ পেরিয়েছে। কিন্তু এই বয়সেই দর্শকদের ভালো কাজ উপহার দিচ্ছে অঙ্কন মল্লিক। সম্প্রতি সে বাঁশুরি ছবিতে অনুরাগ কাশ্যপ ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর সঙ্গে অভিনয় করেছে। এই ছবির জন্য স্পেনের ইমাজিন ইন্ডিয়া ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা শিশুশিল্পীর পুরস্কার জিতে নিয়েছে। পুরস্কার জেতার পর স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত অঙ্কন। জনতার কথার সঙ্গে সেই আনন্দ ভাগ করে নিল ফোনের ইন্টারভিউয়ের। জনতার কথাঃ স্পেন থেকে সেরা শিশুশিল্পীর পুরস্কার পেলে। কেমন লাগলো?অঙ্কনঃ হ্যাঁ এটা আমার জন্য খুব বড় ওপারচুনিটি। আমি মুভিটা করার পরে স্পেনে এই অ্যাওয়ার্ডটা পেয়েছি। আমি খুবই খুশি এই অ্যাওয়ার্ডটা পেয়ে। থ্যাঙ্কস টু তুহাই স্যার অ্যান্ড দ্য হোল টিম ফর দিস ওপারচুনিটি। আমি খুবই খুশি যে আমাকে এই ক্যারেক্টারটার জন্য চুস করেছে। ওরা নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ডিক্লেয়ার করেছে আমি অ্যাওয়ার্ডটা পাচ্ছি। তবে এখনও হাতে এসে পৌঁছায়নি। জনতার কথাঃ এই খবরটা পাওয়ার পর বাবা-মা কতটা খুশি?অঙ্কনঃ এটা আনএক্সপেক্টেড ছিল। আমি ভাবতেই পারিনি এই অ্যাওয়ার্ড টা পাবো। বাবা-মা ও খুব খুশি হয়েছে।জনতার কথাঃ বন্ধুরা ও স্কুলের টিচাররা এখন কি বলছে?অঙ্কনঃ বন্ধুরা বলছে তুই তো অনেক বড় স্টার হয়ে গেলি। আমাদের সঙ্গে কথা বলবি তো? আমি বললাম হোয়াই নট? তোরা তো আমার ফ্রেন্ডস। অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি সেটা আলাদা ব্যাপার। আর এখন যেহেতু স্কুল বন্ধ তাই হোয়াটসঅ্যাপে যে টিচারদের সাথে কথা হয় তারা উইশ করেছে। জনতার কথাঃ আপকামিং আর কি কি প্রোজেক্ট আসছে?অঙ্কনঃ আপকামিং একটা মুভি আসছে নাম আকরিক। তথাগত আঙ্কেকের ডায়রেকশনে করা। আমি ছাডাও ঋতু আন্টি, ভিক্টর স্যার রয়েছেন। রিসেন্ট আমরা হিমাচলে শুট করে ফিরেছি। নতুন কিছু প্রোজেক্টের রিলিজ আসছে। জনতার কথাঃ সামনে পুজো আসছে। পুজোয় কি প্ল্যান? অঙ্কনঃ পুজোতে কলকাতাতেই থাকবো। আর ফ্যামিলির সঙ্গে পুরো সেলিব্রেট করবো। জনতার কথাঃ পুজোর শপিং হয়ে গেছে?অঙ্কনঃ শপিং হাফ ডান। এখনও কিছুটা বাকি আছে করা।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Prantik Banerjee : 'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়

গতবছর ১৫ই নভেম্বর আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আমাদের সকলের প্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তবে তাঁর অভিনীত কয়েকটি প্রোজেক্ট এখনও রিলিজ হওয়া বাকি। যার মধ্যে রয়েছে ওয়েব সিরিজ আনন্দ আশ্রম। যেটি একটি ভৌতিক গল্পের ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে। আর এই ওয়েবেই মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় কে। আর এই ওয়েবেই প্রান্তিকের বিপরীতে দেখা যাবে বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ স্বস্তিকা দত্তকে। এটা স্বস্তিকার প্রথম ওয়েবে কাজ। আনন্দ আশ্রম এবং আগামী প্রোজেক্ট নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি প্রান্তিক।জনতার কথাঃ এই ওয়েব সিরিজে কোন ক্যারেক্টারে আমরা তোমাকে দেখতে চলেছি?প্রান্তিকঃ ক্যারেক্টারটা বেসিক্যালি ছবি বানায়। একজন ডকুমেন্ট্রি ফিল্মমেকার। সে এই ছবি বানানোর দৌড়ে একটা পুরনো বাড়ির গল্প খুঁজে পায়। এই গল্পের সার্চের সাথেই বাকি বিষয়টা আছে। ভৌতিক বিষয়টাও এখানে ইমোশনাল স্পেসে ভৌতিক। ভয়াবহ বিষয়টা নয়। এখানে ফিল্মমেকার হিসাবে আমি বাড়ির পুরো তথ্যগুলো বার করি। পাবলিকের সামনে নিয়ে আসি। জনতার কথাঃ স্বস্তিকার সঙ্গে অভিনয় করছো। প্রথম ওয়েবে কাজ করছে স্বস্তিকা। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?প্রান্তিকঃ আমার তো খুবই ভাল এক্সপিরিয়েন্স। এক্টুও দেখে মনে হয়নি যে ওর ওয়েবে ফার্স্ট কাজ। সি ইজ অ্যা ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। টেলিভিশনে তার কাজ দেখেছি। এখানেও খুবই ভাল কাজ করেছে। আমাদের দুজনের একসাথে এত ভাল বন্ডিং হয়েছে সেটা প্রচন্ডভাবেই ওয়ার্ক করেছে। জনতার কথাঃ সৌমিত্রবাবুর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? প্রান্তিকঃ প্রথমত বলতে চাই উনার মতো ব্যক্তিত্বের সাথে আমি কোনও কাজ করে উঠতে পারিনি। একটা থিয়েটারের দৌলতে তাঁর সাথে আলাপ ছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এটা আমার কাছে বিরাট প্রাপ্য তাঁর শেষ কাজটাতে অন্তত এক্টুখানি পাশে থাকতে পারছি। এরকম একজন মানুষের সান্নিধ্যে আমি কোনোওভাবে আসতে পারছি এটাই আমার কাছে একটা বড় পাওয়া। জনতার কথাঃ আপকামিং কি কি কাজ আসছে?প্রান্তিকঃ বড়পর্দার জন্য রিলিজ বলতে হৃদপিণ্ড এবং সিন্ডিকেট। হইচই তে একটা ভূতের সিরিজের ওপর কাজ আছে। সেটা নিয়ে কিছু রিভিল করা যাবেনা। পোস্টমর্টাম বলে একটা ইন্টারেস্টিং শর্ট ফিল্ম করলাম। একটা শর্ট ফিল্মের ডাবিং শেষ করলাম। প্লাস টেলিভিশনে দুটো শো চলছে। কড়ি খেলা জি তে এবং মন ফাগুন স্টারে। এদিক-ওদিক মিলিয়ে মোটামুটি চলছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yuvraj Anandraj Thakre : নিজের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন যুবরাজ আনন্দরাজ ঠাকরে

পরিচালক শুভেন্দু দাস তার নতুন ছবি আত্মনির্ভর ভারত-এর নির্মাণ এর কাজ শুরু করবেন। এটি একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্র। এই তথ্যচিত্রের মূল চরিত্র যুবরাজ আনন্দরাজ ঠাকরের ওপর যার শরীরের ৭০% অংশ অকেজো।যুবরাজ আনন্দরাজ ঠাকরেকে সামনাসামনি পেয়ে তার লড়াইয়ের গল্প শুনল জনতার কথা।জনতার কথা ঃআত্মনির্ভর ভারত যেখানে অনুপ্রেরণামূলক গল্প পাবেন দর্শকরা। আপনার এখানে অভিনয় করার ইচ্ছা হল কেন?যুবরাজ ঃ আত্মনির্ভর ভারত রিয়েল স্টোরি। আমি যে লড়াই করেছি সেই লড়াইয়ের গল্প বলে এই ছবিটি। গল্পটা প্রথমে মারাঠিতে ছিল। সেখান থেকে হিন্দিতে ট্র্যান্সফর্ম করেন প্রযোজক রাজীব পাল। তারপর পরিচালক শুভেন্দু দাস গল্পটা শোনেন এবং তার খুব ভালো লাগে। এই গল্পের ওপর আমাকে কাজ করতে হবে। তারপর কাজ শুরু হয়।জনতার কথাঃ শুটিং কোথায় হয়েছে?যুবরাজঃ শুটিং ইন্দোর, মহারাষ্ট্র ও কলকাতাতে হয়েছে।জনতার কথাঃ শুটিং এর কোনও অভিজ্ঞতা শেয়ার করো।যুবরাজঃ শুটিং করতে গিয়ে অনেক লড়াই করতে হয়েছে। কারণ চরিত্রটা তো রিয়েল। আমার বাবা, মা, শিক্ষক, আমি যে স্কুলে পড়েছি, আমার শারীরিক যে সমস্যা রয়েছে সবটাই দেখানো হয়েছে। গল্পটা তো খুব যন্ত্রণার। শুটিং এর সময় অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।জনতার কথাঃ শুভেন্দুর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন?যুবরাজঃ পরিচালক শুভেন্দু দাসের সঙ্গে অভিনয় করে আমার সত্যিই খুব ভালো লেগেছে। আমি গর্বিত শুভেন্দুর সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি বলে। সবাইকে বলবো আপনারা অবশ্যই ছবিটা দেখবেন। অনেক কিছু শিখতে পারবেন।ছবি ঃ প্রকাশ পাইন

আগস্ট ২৬, ২০২১
বিদেশ

Taliban: তালিবানি অন্ধকারের মধ্যেই কী আশার আলো? মহিলা সঞ্চালককে সাক্ষাৎকার তালিবান নেতার

তালিবানি আতঙ্কের পরিবেশে অনেকটা উলটপুরাণই বটে। একটি আফগান সংবাদমাধ্যমের মহিলা সঞ্চালক বেহেস্তা আরঘান্দকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তালিবান মিডিয়া সেলের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক মাওলাই আবদুল্লা হেমাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ছবিটি। তাহলে কী সত্যিই বদল এসেছে তালিবানি রক্ষণশীল ধারণায়? প্রশ্ন উঠছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ কাবুলের দখল নিয়েছে তালিবানরা। গোটা আফগানিস্তানের তাদের দখলে আসা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। গোটা বিশ্ব যখন আগের অন্ধকার যুগ ফিরে আসার আতঙ্কে বুঁদ। শরিয়ত আইনের কঠোর শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ার আশঙ্কায় যখন আতঙ্কে মহিলারা, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এই ছবিটি। আফগানিস্তানে তালিবান রাজ কায়েম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা পৃথিবী। কারণ, শরিয়ত আইন মেনে চলা তালিবানরা বরাবরই মহিলাদের কঠোর নিয়মের মধ্যে বেঁধে রাখতে পছন্দ করে। মহিলাদের পড়াশোনার অধিকার, বাইরে কাজের অধিকার, পছন্দ মতো পোশাক পরার অধিকারকে মান্যতা দেয় না তারা। অন্তত অতীত তাই বলছে। কিন্তু এবার আফগানিস্তান নিজেদের কবলে নিয়ে নেওয়ার পর থেকেই মহিলাদের শিক্ষা, চাকরির জন্য আশ্বাসবানী শোনা যাচ্ছে তালিবানদের তরফে। যদিও তাতে ভরসা করতে সাহস দেখাচ্ছেন না কেউই। নারীদের প্রতি তালিবানদের ভূমিকা ঠিক কী হবে, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিকমহল। এরইমধ্যে মহিলা সঞ্চালককে তালিবানি মিডিয়া সেলের আধিকারিকের দেওয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিশ্বকে অন্য বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। কিন্তু ভবিষ্যতই বলবে তালিবানিযুগে মহিলা স্বাধীনতা ঠিক কতটা উড়ান পায়।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজ্য

Court Order: আদালতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নয়

উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে বিশেষ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইন্টারভিউ চললেও আদলতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগ নয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া যাবে না। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ওই নির্দেশে ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, ইন্টারভিউ লিস্ট অনুযায়ী ইন্টারভউ নিতে হবে। চাকরি প্রার্থীদের অরিজিনাল মার্কশিট আদালতে দিতে হবে। অভিযোগকারী প্রার্থীদের তথ্য ভান্ডার গড়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখবে হাইকোর্ট। তারপর নিয়োগ নিয়ে অনুমতি দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশএদিকে ১৯ জুলাই থেকে উচ্চ প্রাথমিকে ইন্টারভিউ নেওয়া শুরু হয়েছে। চলবে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার।

জুলাই ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal