• ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Interview

কলকাতা

পূর্ণ নম্বর পেয়েও চাকরি নয়! একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগে ফ্রেশারদের বিস্ফোরক অভিযোগ

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে সামনে এল এক অভূতপূর্ব ছবিপূর্ণ নম্বর পেয়েও চাকরি পেলেন না বহু ফ্রেশার প্রার্থী। শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হল নতুন ইন্টারভিউ তালিকা, আর তার পর থেকেই তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে। বিশেষ করে বাংলায়, ইংরেজিতে, অঙ্কে ও ইতিহাসে যে ধরনের কাট-অফ দেখা গেল, ফ্রেশারদের কাছে তা যেন প্রবল ধাক্কা।ইংরেজিতে কাট-অফ ৭৭, বাংলায় ৭৩, অঙ্কে ৭১ এবং ইতিহাসে ৭৫ নম্বর। পরীক্ষায় যাঁরা নিজেদের বিষয়ের লিখিত অংশে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন, তাঁদের অনেকেই জানাচ্ছেনপূর্ণ নম্বর থাকলেও তাঁরা কাট-অফ পেরোতে পারেননি। বহু নতুন প্রার্থী প্রশ্ন তুলছেন, অভিজ্ঞতার নম্বরের কারণে কি ইন-সার্ভিস শিক্ষকেরাই এভাবে সুবিধা পাচ্ছেন? কারণ দেখা যাচ্ছে, যাঁরা বিষয়ের নম্বর কম পেয়েছেন, তাঁরাও অভিজ্ঞতার নম্বর ভরসায় তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। ফ্রেশারদের মতে, এই পরিস্থিতি তাঁদের জন্য অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করছে।স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্র জানাচ্ছে, মোট ২০ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থীকে ডাকা হয়েছে ইন্টারভিউয়ের জন্য। তাঁদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ফ্রেশার। কিন্তু আশ্চর্যভাবে দেখা যাচ্ছে, অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও বহু ইন-সার্ভিস শিক্ষক আবার নথি যাচাই প্রক্রিয়ায় ডাক পাননি। কমিশন সূত্রের দাবি, এঁদের মধ্যে ৯০ শতাংশ নবম-দশমের নিয়োগ পর্যায়ে ডাক পেয়ে যেতে পারেন। যদিও নবম-দশমের নথি যাচাই এখনও শুরু হয়নি।মোট শূন্যপদ ৩৫ হাজার ৭২৬। এর মধ্যে একাদশ-দ্বাদশে শূন্যপদ রয়েছে ১২ হাজার ৫১৪টি। এবার ১৪ সেপ্টেম্বর হয়েছিল একাদশ-দ্বাদশের লিখিত পরীক্ষা, যেখানে আবেদন করেছিলেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার প্রার্থী। আর ৭ সেপ্টেম্বর নেওয়া হয়েছিল নবম-দশমের পরীক্ষা, যার আবেদনকারী প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার। এত বিপুল আবেদনকারীর মধ্যে মাত্র ২০ হাজারের কিছু বেশি প্রার্থী ইন্টারভিউ ডাক পেয়েছেন। আর সেই তালিকাতেই দেখা যাচ্ছে পূর্ণ নম্বরধারী বহু ফ্রেশার বাদ, আর কম নম্বর পেয়েও অভিজ্ঞতার জোরে তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছেন ইন-সার্ভিস শিক্ষকরা।এই পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ফ্রেশার প্রার্থীদের অনেকেই প্রশ্ন তুলছেননতুনদের কি ইচ্ছাকৃতভাবে পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে? একইসঙ্গে উঠছে আরও অভিযোগএকদিকে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের পর সরকার ও কমিশন স্বচ্ছতার কথা বললেও বাস্তব চিত্র কি সত্যিই তেমন? পূর্ণ নম্বর পেয়েও চাকরি না মেলার ব্যাখ্যা কারও কাছেই স্পষ্ট নয়।একাদশ-দ্বাদশের ফল সামনে আসতেই নিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে আবার নতুন করে অনিশ্চয়তা বাড়ল। ফ্রেশারদের দাবি, যদি বিষয়ভিত্তিক পূর্ণ নম্বরও চাকরির পথে যথেষ্ট না হয়, তাহলে তাঁদের লড়াই কতটা সুষ্ঠু তা নিয়েই প্রশ্ন রয়ে যায়।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজনীতি

ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে দিলীপ ঘোষ নানা ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন

২০ মে ধর্মঘটসিপিআইএম ধর্মঘট ডাকছে বা কি করছে ভারতবর্ষের লোকের এটাই কি এসে যায় তারা কোথায় আছে। তারা আছে মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য ব্রিগেড করতে হয় মাঝেমধ্যে। তাদের অভিযোগের কোন গুরুত্ব নেই। যদি ওরা মানুষের কথা ভাবতো তাহলে মানুষ বর্জন করত না। ভাত দিতে পারেনি। মোদী সকলকে ভাত দিচ্ছে। মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্য বদল নিয়েআমরাও বলছি বদল হবে আমরাও বদল চাইছি কিন্তু বদল হলে কি হবে বিজেপি আসবে ওরা দিবা স্বপ্ন দেখছে।শালবনীতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জীবনে হাজার হাজার সালাম নাচ করেছে কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয়েছে কত জায়গায় তার কোন রিপোর্ট দেয়নি। বেঙ্গল সামিট করেন প্রতিবছর কিন্তু সেখানে কি ফলাফল হয় তার কোন শ্বেতপত্র বার করুন। কেউ আসতে চায় না। সত্যিকারের কটা ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে চাকরি হয়েছে সেটা দেখান। কোথায় গেল দেওচাপাচামী। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেন ঢপ দেন মানুষ জেনে গেছে।এসএসসি ভবন অভিযানএই অভিযান চলতে থাকবে কিন্তু কোর্টের থেকেও সমাধান হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একই কথা বলেছে। কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তারাই সেই নির্দোষ বদল করে যোগ্যদের চাকরি দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বলছে না যোগ্য লোকদের চাকরি ফেরত দেওয়ার কথা। এটা উনি কিছুতেই বলবে না কারণ আট হাজার লোক তাহলে উনার বাড়ি ঘেরাও করবে। সুকান্ত মজুমদার মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেনতুমি এর আগে মোথাবাড়িতেও গেছেন যখন ওখানে গন্ডগোল হচ্ছিল বিরোধী দলনেতাও গেছিলেন। পার্টি পুরোপুরি বাস্তহারা নিপীড়িতদের সঙ্গে রয়েছে। গোটা বাংলায় রয়েছে।দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ যাবেন?আমি যাব মুর্শিদাবাদ এরা যাচ্ছে। গন্ডগোলের দিন আমি ওখানেই ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে আসতে দেয়নি। আমি সভা করতে যায় প্রতিবাদ করতে যাই এখন ত্রান দিতে সবাই যাচ্ছে।ব্রিগেডের মাঠ ভরলেও ব্যালট ভরে না বিমান বসু এর বক্তব্যমানুষকে কি ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ব্রিগেডে নিয়ে আসেন। গতকাল ব্রিগেডে যে কজন লোক ছিল সেই কয়জনই সিপিআইএমের সমর্থক রয়েছে বাংলায়। প্রতিবছর দুর্গাপুজো কালীপুজোর মতো ওদের প্রতি বছর একটা ব্রিগেড হয় দেখা হয় খাওয়া দাওয়া হয়।মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্যলাল ঠাণ্ডা দেখতে পাই আমরা তৃণমূলের লোকরা লাগিয়ে দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিস চালানোর পয়সা তাদের চা খাওয়ার পয়সা তৃণমূল দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিসের চাবি থাকে তৃণমূলের লোক এর কাছে। এইভাবে সিপিএমকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন কতদিন থাকবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

পুজো মানে আড্ডা, খাওয়া, আর অষ্টমীতে অঞ্জলী অবশ্যই : সুচরিতা বিশ্বাস

শ্যুটিং এ ব্যস্ত সারাদিন। মিউজিক ভিডিও থেকে মডেলিং জগতে বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুচরিতা বিশ্বাস। বেশকিছু ব্রান্ডের শ্যুটে নাম কেড়েছেন তিনি। শ্যুটিং এর ব্যস্ত শিডিউলে কি প্ল্যান এই বছরের পুজো? সরাসরি আমাদের সাথে খোলা আড্ডায় এই পুজোর প্ল্যান শেয়ার করলেন অভিনেত্রী, মডেল সুচরিতা বিশ্বাস।১) ব্যস্ত শিডিউল, শ্যুটিং এর পাশাপাশি এই পুজোতে কি প্ল্যান তোমার?উত্তর : পুজো তে সত্যি বলতে কোনো প্ল্যান নেই। তবে ঘুরতে বেরোনো, আড্ডা দেওয়া তো থাকবেই। ২) পুজোতে কলকাতা থাকতে ভালোবাসো? নাকি অন্য কোথাও ছুটি কাটানো?উত্তর : পুজো মানেই কলকাতা। কলকাতা ছেড়ে পুজোর সময় অন্য কোথাও থাকার মানেই হয়না।৩) এই বছরের পুজো প্ল্যান কি?উত্তর : এবার পুজোতে প্রচুর খাওয়াদাওয়া হবে, নতুন পোষাক পরে অঞ্জলী দেবো পরিবারের সাথে। ঠাকুর দেখবো।৪) আষ্টমি তে কি ড্রেশ করবে? আষ্টমীর প্ল্যান কি?উত্তর : অষ্টমী তে সাবেকি সাজে বন্ধু দের সাথে বেরোনোর প্ল্যান আছে। ৫) শ্যুটিং এর মাঝে শপিং কি সব কমপ্লিট?উত্তর : শুটিং এর মাঝে শপিং তো করতেই হবে তাই অনলাইনে ভরসা। কারণ শপিংমলে গিয়ে কেনা সম্ভব না। তবে এখনও কেনাকাটি কমপ্লিট হয়নি, কিছুটা বাকি আছে।৬) এবার পুজোর তোমার ফ্যাশন প্ল্যান কি?উত্তর : সব রকমেরই ট্রেন্ডি ড্রেস পরবো এবার পুজোতে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেত্রী মধুমিতা চক্রবর্তী

জনতার কথাঃ Shrees Creation এর এই অনুষ্ঠান নিয়ে কি বলবেন? মধুমিতা চক্রবর্তীঃ ভীষণ ভালো লাগছে। এতদিন পর আবার আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছি। এই দিনটার অপেক্ষাতেই আমরা সকলে ছিলাম। আজকের অনুষ্ঠানটা ভীষণই ইউনিক। সত্যি কথা বলতে বুটিকের এই ধরণের অনুষ্ঠান আমরা এর আগে খুব একটা দেখিনি। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি আমরা সবাই যেন আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারি। জনতার কথাঃ আপনার এখন কি কি প্রোজেক্ট চলছে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ এই মুহূর্তে তিনটে ছবির কাজ চলছে। আর একটা সিরিয়ালের কাজ চলছে লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার। জনতার কথাঃ ছবিগুলো কি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ একটা ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছে। দুটো ছবির ডাবিং হয়েছে। এর মধ্যে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে চিনে বাদাম। জনতার কথাঃ আর কোনো প্রোজেক্ট কি আসছে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ ধর্ম অধর্ম বলে একটা ছবির শুটিং চলছে। আমরা আশা করছি একটু একটু করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবো।জনতার কথাঃ দর্শকদের কি বার্তা দেবেন?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ দর্শকদের একটাই কথা বলবো সাবধানে থাকুন। সেই সঙ্গে হলে এসে বাংলা সিনেমা দেখুন। বাংলা সিনেমার পাশে থাকুন। একটা পুরো ইন্ডাস্ট্রি আপনাদের ওপর ভরসা করেই বেঁচে আছে।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ছবি করার অনুভূতিটাই আলাদা : পিয়ালী

দুর্গাপুরের মেয়ে। ২০১১ থেকে তিনি মডেলিং করছেন। ২০১৬ থেকে সিরিয়ালের কাজ শুরু তার। শেষ সিরিয়াল সান বাংলায় দেবী। আপাতত তিনি ধারাবাহিক থেকে বিরতি নিয়েছেন। এখন নতুন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী পিয়ালী দাস। তাঁর মধ্যেই সময় বের করে জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী। জনতার কথাঃ তোমার তো দেবী শেষ হল। এখন নতুন কি কাজ আসছে? পিয়ালীঃ আমার নতুন কাজ একটা ফিচার ফিল্ম। খুব যে কমার্শিয়াল ভর্তি নাচগান আছে ওরকম নয়। পুরোটাই আর্ট ফিল্মের মতো। খুব ভালো একটি গল্প নিয়ে আমরা আসছি। জনতার কথাঃ এটা তোমার ফার্স্ট ফিল্মের কাজ। কতটা এক্সাইটেড লাগছে? পিয়ালীঃ প্রচন্ড এক্সাইটেড। আমি রাতে ঘুমোতে পারছি না। সারাক্ষণ স্ক্রিপ্ট পড়ছি। আমার সঙ্গে ফোনে বা সামনাসামনি যেই কথা বলছে তাদের সঙ্গে আমি পাগলের মতো ডিসকাস করছি যে এরকম একটা চরিত্র পেয়েছি। ছবি করার অনুভূতিটাই আলাদা। জনতার কথাঃ চরিত্রটা নিয়ে সংক্ষেপে একটু বলো। পিয়ালীঃ চরিত্রটা প্রচন্ড বোল্ড, প্রচন্ড ইমোশনাল। তার জীবনে প্রচুর ওঠানামা রয়েছে। তার মধ্যেও সে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছে এবং লড়াই করে চলেছে।জনতার কথাঃ শুটিং টা কবে শুরু হচ্ছে?পিয়ালীঃ শুটিং শুরু হচ্ছে ২০২২ এর ৩১ মার্চ। জনতার কথাঃ ছবিটা কি হলে না ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে?পিয়ালীঃ প্রথমে বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে যাবে। তারপর হলে মুক্তি পাবে ছবিটা।

মার্চ ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘জনতার কথা’-র মুখোমুখি অভিনেত্রী ‘নন্দিনী সোনালী’

অভিনেত্রী নন্দিনী সোনালী। বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত। রমাপ্রসাদ বণিকের কাছে তাঁর থিয়েটারের প্রশিক্ষণ হয়। বর্তমানে তিনি শর্ট ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজে কাজ করছেন। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র মুখোমুখি হলেন নন্দিনী। জনতার কথাঃ তোমার থিয়েটারের জার্নিটা কিভাবে শুরু হয়? নন্দিনীঃ বেসিক্যালি আমি মফঃস্বলের মেয়ে। থিয়েটারের জার্নি যদি বলা হয় পাড়ার নাটক। সেখান থেকে রমা স্যারের কাছে আসি একটা ওয়ার্কশপের জন্য। এরকম পরপর দুটো ওয়ার্কশপ করি। তারপরে স্যার যখন আমাকে প্রোডাকশনের জন্য ডাকেন আমি বলি প্রোডাকশন করবো। তারপর স্যার মারা যান। তাঁর সঙ্গে কোনও প্রোডাকশন করা হয়ে ওঠেনি।এরপর আমার বাবা মারা যান। আমি চার বছর থিয়েটারের সঙ্গে ছিলাম না। তারপরে আমি আবার থিয়েটারে ব্যাক করি।জনতার কথাঃ শর্ট ফিল্ম, ওয়েব সিরিজের কাজ কবে থেকে শুরু হয়?নন্দিনীঃ ২০১৭-র ১লা বৈশাখ আমার কাছে একটা হটাত কল আসে। একটা মিউজিক ভিডিও হবে। সেটার জন্য আমাকে ডাকা হয়েছে। আমি যাই দেখা করতে। সেটা কিউ এর একটা মিউজিক ভিডিও ছিল। সেদিন রাত্রিবেলা শুট। আমি যাই। হোল নাইট আমরা শুট করি। সেই থেকে আমার ক্যামেরার সামনে কাজ করা শুরু।জনতার কথাঃ কিউ এর তারানাথ তান্ত্রিক-এ কাজ করেছো। সেটা হইচই-তে দেখানো হয়েছে। সেই এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?নন্দিনীঃ তারানাথ তান্ত্রিক-এর জার্নিটা ভীষণ অদ্ভুত। আমার কাছে যখন প্রথম কল আসে তখন আমি নর্থ বেঙ্গলে একটা শুটে ছিলাম। কিউ ফোন করে বলে একটা অডিশনের জন্য আমাকে আসতে হবে। আমি বললাম আমি তো কলকাতায় নেই নর্থ বেঙ্গল। কিউ তারপরে আর কিছু বলেনি। আমি আর কলকাতায় ফিরতে পারিনি আমার শুট ছিল বলে। হটাত করে কিউ আমায় ফোন করে বলে যে একটা ছোট চরিত্র আছে করে দে। আমি বললাম ওকে, ঠিক আছে। সেই থেকে আমার তারানাথ তান্ত্রিক এর জার্নি। আমাদের শুট হয় ডানকুনি তে। ভোরবেলায় কল টাইম। যেখানে শুট হয় সেটা রাজবাড়ি গোছের কিন্তু রাজবাড়ি নয়। সেটা আমাদের ইউনিটেরই কারোর বাড়ি ছিল। সেটাও একটা অদ্ভুত এক্সপিরিয়েন্স।জনতার কথাঃ তোমার কারেন্ট প্রোজেক্ট রেড ক্যানভ্যাস। সেখানে তাজু দার সঙ্গে কাজ করেছো। তাজুদার ব্যাপারে তো সবাই জানে উনি কতটা ভালো মানুষ। তাছাড়া এখানে রুক্মা রয়েছে। অলিভয়া রয়েছে। রণজয় আছে। এছাড়া আরও অনেকে আছে। রেড ক্যানভ্যাসের জার্নিটা নিয়ে সংক্ষেপে কিছু বলো।নন্দিনীঃ তাজুদার সঙ্গে আমি লাস্ট ইয়ার একটা ফিল্মে কাজ করি। সেটা এডিট চলছে। সেটাই আমার তাজুদার সঙ্গে প্রথম কাজ। তারপর এই ডিসেম্বরে তাজুদা হটাত আমাকে ফোন করে বলে আমি একটা ওয়েব করছি। সেটায় একটা চরিত্র আছে তোকে করতে হবে। আমি বলললাম ওকে। যেহেতু আমার চুল ছোট আর আমার চরিত্রের জন্য চুলটা বড় থাকলে বেশ ভালো হত। এরকম একটা ব্যাপার। তখন তাজুদা বলে তুই চুল কাটবি না। তারপরেই আমার পুরুলিয়ার একটা প্রোজেক্ট ছিল। ডকু ফিচার। ট্রাইবাল ডকু ফিচারের ওপর। সেটা করতে যাই। সেখানে চুলগুলো ছোট ছোট বিনুনি করা। যখন আমি ফিরবো আমি জানি তার পরের দিন থেকেই এই ওয়েবের শুট। যখন ফিরি চুলটা খোলা, নরম্যাল একটা চুলে ফেরত আনা, তারপর একটা বড় চুল আড অন করা সব মিলিয়ে দারুণ এক্সপিরিয়েন্স।জনতার কথাঃ বাকিদের নিয়ে কি বলবে?নন্দিনীঃ আমার কখনও মনে হয়নি আমি স্টার কাস্টদের সঙ্গে কাজ করছি। আমার কখনও মনে হয়নি যে দে আর স্টার। দে আর আওয়ার ইউনিট। সেই ফিলটাই কেউ আমাকে করায়নি। খুব ভালোভাবে কটা দিন গেছে। জনতার কথাঃ আপকামিং আর কি কি কাজ আসছে?নন্দিনীঃ একটা ফিচার এর এডিটিং এর কাজ চলছে। একটা শর্ট ফিল্ম এর এডিটিং চলছে। আমার একটা সাইলেন্ট শর্ট ফিল্ম হোয়াইট নয়েস এর রেজাল্ট বেরোনোর কথা আছে। বিদেশে বেস্ট আকট্রেসের নমিনেশনে আছে। তাছাড়া একটা সিনেমার কথা চলছে। ওয়েবের কথা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুখোমুখি সায়ক চক্রবর্তী

ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ সায়ক চক্রবর্তী। তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন পরিচালক শুভেন্দু রাজ ঘোষের পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি বিফোর ইউ ডাই এর প্রিমিয়ারে। জনতার কথাঃ কেমন লাগল ছবিটা?সায়কঃ স্টোরি তো খুবই ভালো। ক্যামেরা খুবই ভালো। আর হিরো খুবই ভালো অভিনয় করেছে। জনতার কথাঃ তুমি তো অভিনয়ের পাশাপাশি ইউটিউবও করছো। দুটো ব্যালেন্স কিভাবে করছো?সায়কঃ আমি প্রচণ্ড ল্যাদখোর। আমার আরেকজন পার্টনার সে ও প্রচণ্ড ল্যাদ খায়। তাই দুজনে দুজনকে চিয়ার আপ করি। চলো আমাদের ভ্লগ করতে হবে। জনতার কথাঃ তোমার এখন প্রোজেক্ট কি চলছে?সায়কঃ প্রোজেক্ট তো আমার এখন কাঞ্চি চলছে। আর পাশাপাশি ইউটিউব চলছে। জনতার কথাঃ আর তোমার তো ছবিও আসছে। শিবু দার প্রোডাকশনে।সায়কঃ আসছে। বাট কবে আসছে আমি নিজেও জানিনা এখনও।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Piyali Chatterjee : আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল - পিয়ালী চ্যাটার্জি

পরিচালক সপ্তাশ্ব বসুর নতুন ছবি জতুগৃহ-র শুটিং শেষ হয়ে গেল। শুটিং ফ্লোরে জনতার কথা-র মুখোমুখি এই ছবির প্রধাণ চরিত্র পিয়ালী চ্যাটার্জি। জনতার কথাঃ তোমার ফার্স্ট প্রোজেক্ট অ্যাস অ্যা লিড। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?পিয়ালীঃ ভীষণ ভালো এক্সপিরিয়েন্স। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করেছি। আমার কো-অ্যাক্টর, ডিরেক্টর ভীষণ পরিমাণে সাপোর্টিভ। জনতার কথাঃ বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?পিয়ালীঃ বনি কো-অ্যাক্টর পরে। আগে ভীষণ ভালো বন্ধু। ও শুটিং-এর মাঝে এত মজা করে। ওকে টিভির পর্দায় দেখে মনেই হয় না ও এতটা ফ্রি, ফ্র্যাঙ্কলি। ভীষণ সাপোর্টিভ-ও।জনতার কথাঃ পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু কে নিয়ে কি বলবে?পিয়ালীঃ আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল। আমরা ভীষণ মজা করেছি। জুন থেকে আমাদের শুটিং স্টার্ট হয়। জুন টু আজকে ডিসেম্বরের লাস্ট ডে শুট। পাঁচ মাসের জার্নি। ভীষণ ভালোভাবে কাটিয়েছি।জনতার কথাঃ প্রোডিউসারের কথা কি বলবে? প্রোডিউসার না থাকলে হয়তো তোমাকে এইভাবে লিড কাস্টে দেখতে পেতাম না।পিয়ালীঃ একদম। প্রোডিউসারের কথা তো সবার আগে। রক্তিম চ্যাটার্জি না থাকলে হয়তো পিয়ালী চ্যাটার্জি থাকতো না। আমি তো এটাই উইশ করবো সব মেয়েরা এরকম সাপোরটিং হাজব্যান্ড পাক।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ananda : মুখোমুখি আনন্দ চৌধুরী

জনতার কথা ঃ নতুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ডিজিফ্লিক্স টিভি এল। কি বলবে এটা নিয়ে?আনন্দ ঃ দেখুন ওটিটির একটা তো মার্কেট ক্রিয়েট হয়েই আছে। প্যান্ডামিকের সময় থেকে আমরা দেখেছি একটা অল্টারনেটিভ মোড অফ এন্টারটেনমেন্ট মানুষ পেয়েছে। এখন সিনেমাহল খুলেছে। তার জন্য কিন্তু ওটিটির ভিউয়ারশিপ কম হয়নি। আই ফিল যত বাংলায় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আসবে মানুষের কাজের ওপারচুনিটিও বাড়বে এবং কন্টেন্ট হিসাবে আমরা আরও বেশি কন্টেন্ট পাবো। জনতার কথা ঃ বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জন্য ওটিটি প্ল্যাটফর্ম কতটা ভাল? আমরা অনেক ডিরেক্টর ও অ্যাক্টরদের দেখতে পাই ওটিটির সৌজন্যে।আনন্দ ঃ অনেক আপকামিং অ্যাক্টরদেরও কাজের সুযোগ বাড়বে এবং থিয়েটার ব্যাকগ্রাউন্ডের আর্টিস্টদের ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। এটা পসিবল হয়েছে কারণ ওটিটি তে প্রোডিউসার সেই রিস্কটা নিতে রাজি আছে। তাই আমার মনে হয় এটা খুব বড় অপারচুনিটি এবং অ্যাক্টরদের জন্য অনেক বড় স্কোপ খুলে দেবে। জনতার কথা ঃ তোমার কি কি প্রোজেক্ট চলছে এবং আপকামিং আর কি কি প্রোজেক্ট আসছে?আনন্দ ঃ এই মুহূর্তে আমি দুটো টেলিভিশন প্রোজেক্টে আছি। একটা সান বাংলা ও একটা জি বাংলা তে। কন্যাদান ও এই পথ যদি না শেষ হয় চলছে। এর পাশাপাশি সুমন ভঞ্জর ছবি আমি অপু তে অভিনয় করেছি। সীমান্ত বলে একটি ছবি রয়েছে পাইপলাইনে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Gulshanara: থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে

ভালো অভিনেত্রী মানেই যে তিনি নেটিজেনদের কাছে জনপ্রিয় হবেনই এমনটা নয়। এমন বেশ কিছু অভিনেত্রীকে আমরা খুঁজে পাবো যাদের অভিনয় নিয়ে সেইভাবে আলোচনা না হলেও তাঁরা তাঁদের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে বেশ কিছু মানুষের মনে বিশেষ জায়গা করে নেন। এরকমই একজন হলেন টলিউডের অভিনেত্রী গুলশানারা খাতুন। চূর্ণী গাঙ্গুলীর তারিখ-এ বেশ ভালো অভিনয় করেছিলেন তিনি। বর্তমানে অরুণ রায়ের ৮/১ তে কমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন। আগামী দিনে আরও বেশ কিছু ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমরা তাঁকে দেখতে পাবো। বড়পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। শুটিং-এর ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় বার করে ফোনে জনতার কথায় সাক্ষাৎকার দিলেন গুলশানারা।জনতার কথাঃ ৮/১২ তে কমলার চরিত্রটা কেমন?গুলশানারাঃ চরিত্রটা সম্পর্কে এখন পুরোটা রিভিল করতে পারবো না। তবে যতটুকু বলা যায় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের যে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন হয় সেই বিপ্লবী আন্দোলনের একজন মহিলা কমরেড ছিল কমলা। তবে কমলা আসলে একা তো স্ট্যান্ডআউট করেনি। পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ মেয়েরা, বাড়ির মেয়েরা ইংরেজদের কাছে অত্যাচারিত হওয়ার পর বেরিয়ে এসে যেভাবে সশস্ত্র বিপ্লবকে মদতপুষ্ট করেছে নানাভাবে কমলাও সেরকম একজন মেয়ে বিপ্লবী যে এই গোটা বিনয়-বাদল-দীনেশের পিছনের যে ইতিহাস সেই ইতিহাসের একটি অংশ।জনতার কথাঃ এই চরিত্রটাকে পোট্রে করার জন্য কি কি হোমওয়ার্ক করেছো?গুলশানারাঃ এই বছর যখন লকডাউন হয় তখন আমাদের যিনি চিত্রনাট্য লিখেছেন সৌনাভ দা যোগাযোগ করেন। অরুণ দা ও যোগাযোগ করেন এবং আমাকে বলা হয় যে একটি বিপ্লবী চরিত্র, তার সময়কাল এইটা। তো সেই সময়ের কিছুটা ইতিহাস আমাকে পড়তে বলা হয়। সেই সময় বাড়ির মেয়েরা কিভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তাদের ফিলোজফি কি, কর্মকাণ্ড কি সেইগুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে বলা হয়। তখন আমি স্ক্রিপ্টটা পুরোটা পড়িনি। তো আমি চরিত্রের খানিকটা ব্রিফিং শুনে পড়াশোনা করতে শুরু করি। লকডাউনের পরে একদিন অরুণদা বসে স্ক্রিপটা শোনায় এবং আমার যে যে অভিনয়ের জায়গা ছিল সেটা নিয়ে একটা প্রাইমারি ওয়ার্কশপ করা হয় এবং পুরো টিম আমাকে বোঝায় যে গোটা জিনিসটা কীভাবে এগোবে। আমি প্রিপারেশন নিয়েছি বলতে এক তো অরুণদার সঙ্গে প্রায়ই ফোনে কথা বলতাম। পড়াশোনাটা, রিসার্চ ওয়ার্ক খানিকটা কাজে লেগেছে এবং পুরো টিমটা আমাকে বিভিন্ন সময়ে ইমপুট দিয়ে গেছে। সেটা আমার মেপআপ থেকে শুরু করে স্টাইলিং, ডিরেকশন, মিউজিক সবকিছুই।জনতার কথাঃ বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েরা সেইভাবে হয়তো বিনয়-বাদল-দীনেশ কে সেইভাবে জানেনা বা জানানো হয়নি। যারা জানে না তাদের কি এই ছবি দেখার পর বিনয়-বাদল-দীনেশ কে নিয়ে আগ্রহ জন্মাবে একটু হলেও?গুলশানারাঃডেফিনেটলি। তবে শুধুমাত্র বিনয়-বাদল-দীনেশ নয়। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাড়ির ছেলে-মেয়েরা কারণ বিনয়-বাদল-দীনেশ তিনজনেই তখন মিড টোয়েন্টিস-এ। শুধুমাত্র সাহস কে মাথায় রেখে এবং দেশের স্বাধীনতাকে মাথায় রেখে তারা যেভাবে রাইটার্স অ্যাটাক করেছিল এবং যেরকম সাহসীকতার পরিচয় দিয়েছিল তাঁদের সেই সেই বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া গল্পটা জানা ভীষণ দরকার। ওডিও-ভিজুয়াল মাধ্যম তো আমাদের অনেক বেশি ট্রিগার করে, আমাদের রি-ভিজিট করতে সাহায্য করে তো আমার ধারণা এই ছবিটা যেভাবে তৈরি হয়েছে, তার গল্প যেভাবে এগিয়েছে এবং এন্টার ডিরেক্টোরিয়াল যে আউটলুকটা, মিউজিক, সবটা মিলিয়ে মানুষকে রিভিজিট করতে সাহায্য করবে। অকারণ চোখরাঙানির বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করা যায় সেই ইন্সপিরেশনটা বোধহয় মানুষ এই ছবি থেকে আবার পাবেন।জনতার কথাঃ তুমি অনেকদিন ধরে থিয়েটার করছো বলে এই ছবিতে অভিনয় করাটা কিছুটা সহজ হয়েছে বলে মনে হয়?গুলশানারাঃ সহজ হয়েছে বলবো না। তবে থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে। কারণ থিয়েটার একটা স্কুল, একটা বেস।সিনেমায় অভিনয় সম্পূর্ণ আলাদা। তবে থিয়েটার আমাকে অনেকটা সাহায্য করেছে চরিত্রের গভীরে ঢুকে, বুঝে তার যাপনটাকে আরও জীবন্ত করে তুলতে।জনতার কথাঃ আগামী দিনে আর কি কি প্রোজেক্টে আমরা তোমাকে দেখতে পাবো?গুলশানারাঃ ২০২২ এর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমার করা প্রথম ফিচার ফিল্ম অ্যাস অ্যা লিড আমি ও আমার মাধুরী সেটা দেখানো হবে বেঙ্গলি প্যানোরামার আন্ডারে। এটা মাধুরী দীক্ষিত কে ডেডিকেট করে একটি ছবি। শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় লুকোচুরি, চিনেবাদাম আসছে। ন্যাশানাল ওটিটি তে একটি হিন্দি শর্ট ফিল্ম আসছে। ন্যাশনাল ওটিটি তে এটা আমার প্রথম হিন্দি কাজ। এছাড়া কিছু সিরিয়াল আসছে। যেটা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারবো না। এছাড়া গোরা ও উত্তরণ আসছে হইচই তে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shresttha : 'জনতার কথার' মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা

আকাশ আট-এ শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র মায়া-র চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা প্রামাণিক। ধারাবাহিক নিয়ে জানালেন অনেক কথা। জনতার কথাঃ মায়া চরিত্র করে তোমার কেমন লাগছে?শ্রেষ্ঠাঃ খুবই ভালো লাগছে। মায়া চরিত্রটা খুবই স্নিগ্ধ, সরল একটা মেয়ে। মায়ার অলরেডি তিনবার মিসক্যারেজ হয়ে গেছে। এটা ফোরথ টাইম ছিল। খুবই ভালো একটা ক্যারেক্টার। আমি খুবই ভালোবেসে ফেলেছি ক্যারেক্টারটাকে।মেয়েদের ব্রতকথাজনতার কথাঃ মায়া ও বিমলার মধ্যে কতটা ভালো বন্ডিং?শ্রেষ্ঠাঃ অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুবই ভালোবাসে। বিমলা মায়া কে খুবই ভালোবাসে। অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুব ভালো বাসলেও বিমলা যেহেতু নেহেটিভ ক্যারেক্টার ওকে সেই পার্টতা তো করতেই হয়। আমি আর ঐশ্বর্য ওখানে বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে গেছি। খুব ভালো লাগে একসাথে থাকতে। একসাথে গল্প করতে। আমাদের মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং খুব ভালো। আমাদের থিঙ্কিং অনেকটা ম্যাচ করে যার জন্যা আমাদের মধ্যে এত তাড়াতাড়ি ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গেছে। জনতার কথাঃমেয়েদের ব্রতকথার বাকি টিম কেমন?শ্রেষ্ঠাঃ গোটা ইউনিট খুবই ভালো। এটা আমার ফার্স্ট প্রজেক্ট। ফার্স্ট মেগা এস অ্যা লিড। আমি অনেক জায়গায় শুনেছি জে অনেক টিমে অনেককিছু হত বাঁ হয়। আমাদের টিমটা এরকমই। আমরা খুব মজা করে কাজ করি।জনতার কথাঃ সামনে বড়দিন আসছে। প্ল্যান রয়েছে? শ্রেষ্ঠাঃকোনও প্ল্যান নেই। মেয়েদের ব্রতকথা-র শুটিং থাকলে সেটেই সমস্ত প্ল্যান হবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Falaque : দীপাবলির আড্ডাগুলো আমি ভীষণ এনজয় করি

দুর্গাপুজোর পর আজ লক্ষ্মীপুজোও। কালীপুজোও আসতে খুব বেশি দেরি নেই। অনেকেই কালীপুজোর প্ল্যান করতে শুরু করেছেন। দীপাবলির ভাবনা রয়েছে অভিনেত্রী ফালাক রশিদ রায়েরও। পুজোতে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি FIR। এবার কালীপুজোয় কি প্ল্যান জানালেন টলি ক্রাশ ফালাক।জনতার কথাঃ দীপাবলির প্ল্যান কি?ফালাকঃ ধনতেরস থেকে আমার দীপাবলির প্ল্যান শুরু হবে। কিছু গয়না কিনবো। প্রচুর মিষ্টি অর্ডার দেবো। আমার মিষ্টি খেতে খুব ভালো লাগে। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসি। দীপাবলির আড্ডাগুলো আমি ভীষণ এনজয় করি। সো এইগুলোই করবো।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে কি ভালো লাগে?ফালাকঃ বাজি ফাটাতে ভালো লাগে। তবে লাইট যেটা দিয়ে হয় সেটা বেশি ভালো লাগে আমার। সাউন্ড আর যেটাতে প্রচুর স্মোক সেটা আমার ভালো লাগেনা। আমার প্রচন্ড নিঃশ্বাস কষ্ট হয় তাতে। আমার নিজের একটা পেট আছে। তাই আমি বুঝি তাদেরও কত কষ্ট হয়। তাই আমি ফুলঝুরি আর চরকি এইগুলোতেই আনন্দ করি।জনতার কথাঃ দীপাবলিতে কি কি মিস করো?ফালাকঃ আমি আগে করতাম। যেটা এখন সময় পাই না। রঙ্গোলি বানাতে খুব ভালো লাগতো। দীপাবলির সময় রঙ্গোলি আর অল্প একটু প্রদীপ জ্বালানো এটা খুব ভালো লাগে। তবে রঙ্গোলির এখন সময় পাই না।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Durga Puja : অনেকদিন পর পুজো এবার ভালো কাটছেঃ অঙ্কিতা

আজ মহাঅষ্টমী। গতবছর দুর্গাপুজোটা একটু ফ্যাকাশে গেলেও এই বছর পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা হলেও ভালো। সাধারণ মানুষের মতো তারকারাও দুর্গাপুজোতে জমিয়ে মজা করছেন। এবারের দুর্গাপুজো কেমন কাটছে সায়ন্তনকে জানালেন টলিউড অভিনেত্রী অঙ্কিতা ব্রহ্মা। জনতার কথাঃ এবার পুজো কেমন কাটছে?অঙ্কিতাঃ অনেকদিন পর পুজো এবার ভালো কাটছে। গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেটার। জনতার কথাঃ হেক্টিক লাইফস্টাইল থেকে বেরিয়ে কতটা মজা করছো?অঙ্কিতাঃ সপ্তমীর সকাল অবধি কাজ চলেছে। সন্ধ্যে থেকে মজা করছি। অষ্টমীতেও সকালে মজা হল। আর ইচ্ছা আছে বাইরে লং ড্রাইভে যাব। যতটা ডিস্টেন্স মেন্টেন করে মজা করা যায় সেই চেষ্টাই করবো।জনতার কথাঃ পুজোয় এখনও পর্যন্ত পেটপুজো কতটা হল?অঙ্কিতাঃ সপ্তমীর বিকেল থেকে পেটপুজো শুরু হল। খুব ভালো ভালো খাবার খাচ্ছি। কলকাতার ভালো ভালো রেস্টুরেন্টগুলো এক্সপ্লোর করছি। জনতার কথাঃ পুজোতে এবার কি মিস করছ?অঙ্কিতাঃ পুজোতে সেই আনন্দটা মিস করছি। যে আনন্দটা আগে পেতাম কিন্তু এখন পাচ্ছিনা সেই আনন্দ মিস করছি। বাট বাই গড গ্রেস সিচুয়েশন অনেকটাই স্টেবল হয়েছে আগের থেকে। সেই হিসাবে ঠিক আছি।জনতার কথাঃ জনতার কথা-র দর্শকদের দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানিও।অঙ্কিতাঃ দর্শকদের জানাই পুজোর শুভেচ্ছা। খুব ভালোভাবে পুজো কাটাও। খুব সতর্ক থাকো। আর নিয়মগুলো ফলো করো।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saheb Halder : পুজো মানে আমার কাছে ঠাকুর দেখা নয়, বাড়িতে থাকা - সাহেব হালদার

পরিচালক পাভেল, পরমব্রত চট্টপাধ্যায়, অঙ্কুশের সাথে ছবির শ্যুটিং-এ ব্যস্ত। তার মাঝেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র প্রতিনিধি সায়ন্তন সেন এর সাথে দুর্গাপুজো নিয়ে এক্সক্লুসিভ আড্ডা দিলেন অভিনেতা ও পিআর সাহেব হালদার।জনতার কথা : তোমার এবারের পুজোর প্ল্যান কী?সাহেব : পুজো মানে এই নয় যে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ানো। পুজো মানে আমার কাছে সারা দিনটা বাড়িতে থাকা। এই বছর অনেকগুলো সিনেমা তৈরী হচ্ছে। যেগুলো আমার কোম্পানি প্রোমোশন দেখছে। তাই চাপটা প্রচুর। তবে আশা করছি ভাল সময় কাটবে। পুজোতে আমি খুব কম ঠাকুর দেখি। পঞ্চমী, ষষ্ঠী পর্যন্ত আমাদের শুটিং চলে। এবছরেও পুজোয় খুব হেকটিক সিডিউল রয়েছে।জনতার কথা : বাড়িতে পুজোটা কীভাবে উপভোগ করো?সাহেব : খাওয়া-দাওয়া হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। হয়তো দশমীর দিনে ঠাকুরটা দেখতে যাওয়া হয়। তাও বাড়ির পাশে ক্লাবের ঠাকুর দেখতে যাই। আমার ফ্ল্যাটের পাশে পুজো হয়।জনতার কথা : কোভিড পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে অন্য কিছু কি পরিকল্পনা রয়েছে?সাহেব : এবারে আরও মজা হবে। আমি আমার ফ্ল্যাটটা শিফ্ট করেছি। আমার জানালার সামনেই পুজো হচ্ছে। আমার জানালা থেকেই প্যান্ডেলটা দেখা যায়। এবছর অনেকটা রাত জাগবো। তবে তার মানে রাত জেগে ঠাকুর দেখা নয়।জনতার কথা : এবছর পুজোর আগে সাহেব হালদার এতো প্রোজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত। পুজোটা কতটা স্পেশাল?সাহেব : না সেটা নয়। তবে হ্যাঁ পুজোর আগে আমার বেশ কয়েকটি প্রোজেক্ট আসছে। আসছে বছর আবার হবে পার্ট ২, শব, সত্যজিৎ দাসের কলঙ্কিনী রাধার শুটিং চলছে। ১৫ তারিখ থেকে একটা প্রোজেক্ট শুরু হওয়ার কথা।জনতার কথা : শব নিয়ে কিছু বলো।সাহেব : শবের জন্য সবার আগে ধন্যবাদ জানাবো সৌম্যজিৎ দা কে। সৌম্য দা খুব বিশ্বাস করে আমাকে চরিত্রটা দিয়েছে। অনেক কিছু শিখেছি দাদার কাছ থেকে। আর ডিরেক্টর সুমিত মন্ডলকেও অনেক থ্যাংকস। সৌরভ দাস খুব ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারাটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।জনতার কথা : ১৫ তারিখের প্রোজেক্টটা নিয়ে আমরা কী কিছু জানতে পারি?সাহেব : আশা করছি এই প্রোজেক্টটা তোমাদের ভাল লাগবে। এটা বেসিক্যালি থ্রিলার একটা ওয়েব সিরিজ। ৬টা এপিসোড। এই থ্রিলার ওয়েব সিরিজে মার্ডার, রহস্য, ভালবাসা সবকিছুর বন্ধনে জড়িয়ে আছি আমি। (বাকি নামগুলো সাহেব বলতে চাইছিল না, কিন্তু অনেক বলার পর জানাল) এই ওয়েব সিরিজে রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি রয়েছেন। এছাড়া আরও কিছু পরিচিত মুখ আছেন। এইটুকু এখন বলতে পারি।জনতার কথা : পুজোর আগে বড় বড় ছবির ঘোষণা করেছো। পাভেল এর কলকাতা চলন্তিকা, পরমব্রর চট্টোপাধ্যায় এর এন্টিডট। অঙ্কুশ, শুভশ্রীর সাথে কাজ। কি বলবে এগুলো নিয়ে?সাহেব : দেখুন এই ছবিগুলোর কাস্ট নাম শুনে বুঝতেই পারছেন ছবি গুলো বড় ছবি। তবে বড় ছবি যেহেতু তাই প্ল্যানটা খুব ভালো করে করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sanjib Banerjee : অভিনয় জীবনের গল্প বললেন অভিনেতা সঞ্জীব ব্যানার্জি

বাড়ি হাওড়া কিন্তু এমন এক জায়গায় যেখান থেকে কলকাতা ঢুকতে ৫ মিনিটও লাগে না। ফলে কলকাতায় আসা যাওয়া করতে কোনো অসুবিধা হয় না। কারণ হাওড়া হলেও এটা কলকাতাই বলা যায়। ফলে স্ট্রাগল করতে একটু সুবিধা হয়। বাড়িতে থাকেন বাবা মা এক পিসি আর আমি। জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ করার মানুষ একজনই...আমি। অভিনয় আমার প্যাশন..একদম মন থেকে প্রচণ্ড ভালোবেসে করি। বলা যেতে পারে অভিনয় আমার প্রথম গার্লফ্রেন্ড।অভিনেতা হিসাবে আমার জীবন শুরু হয়নি এমনকি কোনোদিন ভাবিও নি যে অভিনেতা হবো। কিন্তু ওটা হয়তো রক্তেই ছিলো। আমি একজন ব্যবসায়ী ছিলাম। এখনও একজন ছোট ব্যবসায়ী কিন্তু অভিনয় আমার পেশা..আমার ধ্যান, জ্ঞান সবকিছুই। শুনেছি আমার ঠাকুরদা নিজে অভিনয় করতেন না কিন্তু করাতেন। উনি নাটক লিখতেন এবং চরিত্র অনুযায়ী অভিনয় করাতেন।আমার কাজের শুরু আকাশ আটে..উমার সংসারে। আমার অতি প্রিয়, সম্মানীয় অ্যাক্টর/ডিরেক্টর অনিন্দ সরকার আমায় প্রথম সুযোগ দেন। তারপর ধিরে ধিরে অনেক জায়গায় অনেক চরিত্রে কাজ করি। কোথাও বাবা, কোথাও ডক্টর আবার কোথাও বা মুসলিম ছেলের চরিত্রে। শেষ মেগার কাজ আলোছায়া তে। একজন কেমিষ্ট হয়ে কাজ করি আলোছায়াতে। পরে আরও কিছু মেগায় যেমন রিমলি, বীণাপানি থেকে ডাক আসলেও কাজ করতে পারিনি, সেই সময় অন্য শুট থাকায়। অভ্যাস না থাকলেও লকডাউনে কিছু হোমশুট করি যেমন জনসেবা, কেষ্ট, বড়মেয়ে, মার্ডার ফর মাস্ক এবং আরও কিছু।জীবনের প্রথম টেলিফিল্ম কোন এক গাঁয়ের কথা যা মিউজিক বাংলা, ধুম মিউজিকে দেখানো হয়। পরের কাজ তরী,বাল্য বিবাহের বিরূদ্ধ্বে..যার জন্য আমি একটি অ্যাওয়ার্ড পাই। এটাও ধুম মিউজিক, মিউজিক বাংলায় দেখানো হয় এছাড়া প্রায় ১৩ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নমিনেটেড হয়। এরপর হল রিলিজের জন্য অভিনয় করি.. আদর্শ তে। একজন রিটায়ার্ড আদর্শবান মাষ্টার মশাইয়ের আদর্শ নিয়ে গল্প এবং নাম ভূমিকায় আমি।পরবর্তী ছবি একটি চিঠির গল্প যার একটা প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমি কাজ করেছি এবং এটির ট্রেলার ভারত ও বাংলাদেশে একই সঙ্গে মুক্তি পেতে চলেছে আগামী মহালয়ার দিন।বাংলাদেশের চ্যানেল ৬ এই ছবির মিডিয়া পার্টনারও। বোম্বের একটি হিন্দি ফিল্মে কাজ করেছি ছোট্ট একটি চরিত্রে। এছাড়া করেছি ওয়েব সিরিজের কাজ। যেখানে আমি ছিলাম একজন মারকুটে পুলিশ অফিসার।কথা কম। ডান্ডা চলতো বেশি। কিছু ফিল্মের কাজ ফাইনাল হয়ে আছে.. যার শুট শুরু হবে পূজোর পর। নাম বলা বারণ..তাই এখনই বলতে পারবো না। মালয়ালম ফিল্ম থেকে কাজ করার অফার আছে। ওখানকার পরিস্থিতি ঠিক হলে হয়তো কাজ করবো। কাজের অফার আছে বাংলদেশ থেকেও। নিশ্চই কাজ করবো।নিজেকে ধন্য মনে করবো যদি ডিরেক্টর সন্দীপ রায় কোনদিনও কোনো কাজের জন্য আমায় যোগ্য মনে করেন। কাজ করার খুব ইচ্ছে ডিরেক্টর কৌশিক গাঙ্গুলী, ডিরেক্টর রাজ চক্রবর্তী, গৌতম ঘোষ, অপর্ণা সেন, পরমব্রত। এনাদের মতো মানুষদের কাছে। যদিও আমি কাউকে ছোট ভাবিনা এবং কাজের ব্যপারে আমি কাজটাকেই ভালোবাসি। কে ডিরেক্ট করছেন তাকে নয়। তাই ছোট, বড়, নামি, অনামি। সব ডিরেক্টরই আমার পছন্দের। সকলের কাছেই আমি কাজ করতে চাই।কাজ করতে চাই মেগায়। স্নেহাশীষবাবু (ব্লুজ), শৈবাল বাবু (ম্যাজিক মোমেন্ট) র কাছে। আমি স্নেহাশীষ দার লেখার খুব ভক্ত। করতে চাই বেশ কিছু চ্যালেনজিং চরিত্র যেখানে অনেক শেড আছে। তবে সম্পূর্ণটাই নির্ভর করছে এবং আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, কে কি ভাবে আমায় দেখছেন এবং আমার কাছে তারা কেমন অভিনয় চাইছেন। সাংসারিক জীবনে কেউ নেই। অপেক্ষায় আছি। যাকে ভালোবাসি এখনও, সে আমায় ভুল বুঝে দূরে সরে আছে। তাকে আমি বৃষ্টি বলে ডাকি। বই পড়তে, ঘোড়ায় চড়তে আর রাইফেল চালাতে খুব ভালোবাসি।ভালোবাসি নিজে ড্রাইভ করে লং ড্রাইভে যেতে। নতুন নতুন রান্নার এক্সপেরিমেন্ট করতে খুব ভালো লাগে।ভালোবাসি সমুদ্রের উদ্দামতা, পাহাড়ের গম্ভীরতা আর জঙ্গলের গভীরতা.. তিনটেই। এই হলাম মোটামুটিভাবে। আমি। সব তো একসঙ্গে, একইদিনে বলা সম্ভব নয় তাই অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেলো। সেসব আবার পরে হবে। অন্য কোনোদিন।

অক্টোবর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ankan Mallick : আমি খুবই খুশি যে আমাকে এই ক্যারেক্টারটার জন্য চুজ করেছে

বয়স সবে ১০ পেরিয়েছে। কিন্তু এই বয়সেই দর্শকদের ভালো কাজ উপহার দিচ্ছে অঙ্কন মল্লিক। সম্প্রতি সে বাঁশুরি ছবিতে অনুরাগ কাশ্যপ ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর সঙ্গে অভিনয় করেছে। এই ছবির জন্য স্পেনের ইমাজিন ইন্ডিয়া ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা শিশুশিল্পীর পুরস্কার জিতে নিয়েছে। পুরস্কার জেতার পর স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত অঙ্কন। জনতার কথার সঙ্গে সেই আনন্দ ভাগ করে নিল ফোনের ইন্টারভিউয়ের। জনতার কথাঃ স্পেন থেকে সেরা শিশুশিল্পীর পুরস্কার পেলে। কেমন লাগলো?অঙ্কনঃ হ্যাঁ এটা আমার জন্য খুব বড় ওপারচুনিটি। আমি মুভিটা করার পরে স্পেনে এই অ্যাওয়ার্ডটা পেয়েছি। আমি খুবই খুশি এই অ্যাওয়ার্ডটা পেয়ে। থ্যাঙ্কস টু তুহাই স্যার অ্যান্ড দ্য হোল টিম ফর দিস ওপারচুনিটি। আমি খুবই খুশি যে আমাকে এই ক্যারেক্টারটার জন্য চুস করেছে। ওরা নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ডিক্লেয়ার করেছে আমি অ্যাওয়ার্ডটা পাচ্ছি। তবে এখনও হাতে এসে পৌঁছায়নি। জনতার কথাঃ এই খবরটা পাওয়ার পর বাবা-মা কতটা খুশি?অঙ্কনঃ এটা আনএক্সপেক্টেড ছিল। আমি ভাবতেই পারিনি এই অ্যাওয়ার্ড টা পাবো। বাবা-মা ও খুব খুশি হয়েছে।জনতার কথাঃ বন্ধুরা ও স্কুলের টিচাররা এখন কি বলছে?অঙ্কনঃ বন্ধুরা বলছে তুই তো অনেক বড় স্টার হয়ে গেলি। আমাদের সঙ্গে কথা বলবি তো? আমি বললাম হোয়াই নট? তোরা তো আমার ফ্রেন্ডস। অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি সেটা আলাদা ব্যাপার। আর এখন যেহেতু স্কুল বন্ধ তাই হোয়াটসঅ্যাপে যে টিচারদের সাথে কথা হয় তারা উইশ করেছে। জনতার কথাঃ আপকামিং আর কি কি প্রোজেক্ট আসছে?অঙ্কনঃ আপকামিং একটা মুভি আসছে নাম আকরিক। তথাগত আঙ্কেকের ডায়রেকশনে করা। আমি ছাডাও ঋতু আন্টি, ভিক্টর স্যার রয়েছেন। রিসেন্ট আমরা হিমাচলে শুট করে ফিরেছি। নতুন কিছু প্রোজেক্টের রিলিজ আসছে। জনতার কথাঃ সামনে পুজো আসছে। পুজোয় কি প্ল্যান? অঙ্কনঃ পুজোতে কলকাতাতেই থাকবো। আর ফ্যামিলির সঙ্গে পুরো সেলিব্রেট করবো। জনতার কথাঃ পুজোর শপিং হয়ে গেছে?অঙ্কনঃ শপিং হাফ ডান। এখনও কিছুটা বাকি আছে করা।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Prantik Banerjee : 'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়

গতবছর ১৫ই নভেম্বর আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আমাদের সকলের প্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তবে তাঁর অভিনীত কয়েকটি প্রোজেক্ট এখনও রিলিজ হওয়া বাকি। যার মধ্যে রয়েছে ওয়েব সিরিজ আনন্দ আশ্রম। যেটি একটি ভৌতিক গল্পের ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে। আর এই ওয়েবেই মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় কে। আর এই ওয়েবেই প্রান্তিকের বিপরীতে দেখা যাবে বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ স্বস্তিকা দত্তকে। এটা স্বস্তিকার প্রথম ওয়েবে কাজ। আনন্দ আশ্রম এবং আগামী প্রোজেক্ট নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি প্রান্তিক।জনতার কথাঃ এই ওয়েব সিরিজে কোন ক্যারেক্টারে আমরা তোমাকে দেখতে চলেছি?প্রান্তিকঃ ক্যারেক্টারটা বেসিক্যালি ছবি বানায়। একজন ডকুমেন্ট্রি ফিল্মমেকার। সে এই ছবি বানানোর দৌড়ে একটা পুরনো বাড়ির গল্প খুঁজে পায়। এই গল্পের সার্চের সাথেই বাকি বিষয়টা আছে। ভৌতিক বিষয়টাও এখানে ইমোশনাল স্পেসে ভৌতিক। ভয়াবহ বিষয়টা নয়। এখানে ফিল্মমেকার হিসাবে আমি বাড়ির পুরো তথ্যগুলো বার করি। পাবলিকের সামনে নিয়ে আসি। জনতার কথাঃ স্বস্তিকার সঙ্গে অভিনয় করছো। প্রথম ওয়েবে কাজ করছে স্বস্তিকা। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?প্রান্তিকঃ আমার তো খুবই ভাল এক্সপিরিয়েন্স। এক্টুও দেখে মনে হয়নি যে ওর ওয়েবে ফার্স্ট কাজ। সি ইজ অ্যা ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। টেলিভিশনে তার কাজ দেখেছি। এখানেও খুবই ভাল কাজ করেছে। আমাদের দুজনের একসাথে এত ভাল বন্ডিং হয়েছে সেটা প্রচন্ডভাবেই ওয়ার্ক করেছে। জনতার কথাঃ সৌমিত্রবাবুর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? প্রান্তিকঃ প্রথমত বলতে চাই উনার মতো ব্যক্তিত্বের সাথে আমি কোনও কাজ করে উঠতে পারিনি। একটা থিয়েটারের দৌলতে তাঁর সাথে আলাপ ছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এটা আমার কাছে বিরাট প্রাপ্য তাঁর শেষ কাজটাতে অন্তত এক্টুখানি পাশে থাকতে পারছি। এরকম একজন মানুষের সান্নিধ্যে আমি কোনোওভাবে আসতে পারছি এটাই আমার কাছে একটা বড় পাওয়া। জনতার কথাঃ আপকামিং কি কি কাজ আসছে?প্রান্তিকঃ বড়পর্দার জন্য রিলিজ বলতে হৃদপিণ্ড এবং সিন্ডিকেট। হইচই তে একটা ভূতের সিরিজের ওপর কাজ আছে। সেটা নিয়ে কিছু রিভিল করা যাবেনা। পোস্টমর্টাম বলে একটা ইন্টারেস্টিং শর্ট ফিল্ম করলাম। একটা শর্ট ফিল্মের ডাবিং শেষ করলাম। প্লাস টেলিভিশনে দুটো শো চলছে। কড়ি খেলা জি তে এবং মন ফাগুন স্টারে। এদিক-ওদিক মিলিয়ে মোটামুটি চলছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yuvraj Anandraj Thakre : নিজের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন যুবরাজ আনন্দরাজ ঠাকরে

পরিচালক শুভেন্দু দাস তার নতুন ছবি আত্মনির্ভর ভারত-এর নির্মাণ এর কাজ শুরু করবেন। এটি একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্র। এই তথ্যচিত্রের মূল চরিত্র যুবরাজ আনন্দরাজ ঠাকরের ওপর যার শরীরের ৭০% অংশ অকেজো।যুবরাজ আনন্দরাজ ঠাকরেকে সামনাসামনি পেয়ে তার লড়াইয়ের গল্প শুনল জনতার কথা।জনতার কথা ঃআত্মনির্ভর ভারত যেখানে অনুপ্রেরণামূলক গল্প পাবেন দর্শকরা। আপনার এখানে অভিনয় করার ইচ্ছা হল কেন?যুবরাজ ঃ আত্মনির্ভর ভারত রিয়েল স্টোরি। আমি যে লড়াই করেছি সেই লড়াইয়ের গল্প বলে এই ছবিটি। গল্পটা প্রথমে মারাঠিতে ছিল। সেখান থেকে হিন্দিতে ট্র্যান্সফর্ম করেন প্রযোজক রাজীব পাল। তারপর পরিচালক শুভেন্দু দাস গল্পটা শোনেন এবং তার খুব ভালো লাগে। এই গল্পের ওপর আমাকে কাজ করতে হবে। তারপর কাজ শুরু হয়।জনতার কথাঃ শুটিং কোথায় হয়েছে?যুবরাজঃ শুটিং ইন্দোর, মহারাষ্ট্র ও কলকাতাতে হয়েছে।জনতার কথাঃ শুটিং এর কোনও অভিজ্ঞতা শেয়ার করো।যুবরাজঃ শুটিং করতে গিয়ে অনেক লড়াই করতে হয়েছে। কারণ চরিত্রটা তো রিয়েল। আমার বাবা, মা, শিক্ষক, আমি যে স্কুলে পড়েছি, আমার শারীরিক যে সমস্যা রয়েছে সবটাই দেখানো হয়েছে। গল্পটা তো খুব যন্ত্রণার। শুটিং এর সময় অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।জনতার কথাঃ শুভেন্দুর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন?যুবরাজঃ পরিচালক শুভেন্দু দাসের সঙ্গে অভিনয় করে আমার সত্যিই খুব ভালো লেগেছে। আমি গর্বিত শুভেন্দুর সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি বলে। সবাইকে বলবো আপনারা অবশ্যই ছবিটা দেখবেন। অনেক কিছু শিখতে পারবেন।ছবি ঃ প্রকাশ পাইন

আগস্ট ২৬, ২০২১
বিদেশ

Taliban: তালিবানি অন্ধকারের মধ্যেই কী আশার আলো? মহিলা সঞ্চালককে সাক্ষাৎকার তালিবান নেতার

তালিবানি আতঙ্কের পরিবেশে অনেকটা উলটপুরাণই বটে। একটি আফগান সংবাদমাধ্যমের মহিলা সঞ্চালক বেহেস্তা আরঘান্দকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তালিবান মিডিয়া সেলের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক মাওলাই আবদুল্লা হেমাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ছবিটি। তাহলে কী সত্যিই বদল এসেছে তালিবানি রক্ষণশীল ধারণায়? প্রশ্ন উঠছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ কাবুলের দখল নিয়েছে তালিবানরা। গোটা আফগানিস্তানের তাদের দখলে আসা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। গোটা বিশ্ব যখন আগের অন্ধকার যুগ ফিরে আসার আতঙ্কে বুঁদ। শরিয়ত আইনের কঠোর শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ার আশঙ্কায় যখন আতঙ্কে মহিলারা, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এই ছবিটি। আফগানিস্তানে তালিবান রাজ কায়েম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা পৃথিবী। কারণ, শরিয়ত আইন মেনে চলা তালিবানরা বরাবরই মহিলাদের কঠোর নিয়মের মধ্যে বেঁধে রাখতে পছন্দ করে। মহিলাদের পড়াশোনার অধিকার, বাইরে কাজের অধিকার, পছন্দ মতো পোশাক পরার অধিকারকে মান্যতা দেয় না তারা। অন্তত অতীত তাই বলছে। কিন্তু এবার আফগানিস্তান নিজেদের কবলে নিয়ে নেওয়ার পর থেকেই মহিলাদের শিক্ষা, চাকরির জন্য আশ্বাসবানী শোনা যাচ্ছে তালিবানদের তরফে। যদিও তাতে ভরসা করতে সাহস দেখাচ্ছেন না কেউই। নারীদের প্রতি তালিবানদের ভূমিকা ঠিক কী হবে, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিকমহল। এরইমধ্যে মহিলা সঞ্চালককে তালিবানি মিডিয়া সেলের আধিকারিকের দেওয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিশ্বকে অন্য বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। কিন্তু ভবিষ্যতই বলবে তালিবানিযুগে মহিলা স্বাধীনতা ঠিক কতটা উড়ান পায়।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজ্য

Court Order: আদালতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নয়

উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে বিশেষ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইন্টারভিউ চললেও আদলতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগ নয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া যাবে না। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ওই নির্দেশে ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, ইন্টারভিউ লিস্ট অনুযায়ী ইন্টারভউ নিতে হবে। চাকরি প্রার্থীদের অরিজিনাল মার্কশিট আদালতে দিতে হবে। অভিযোগকারী প্রার্থীদের তথ্য ভান্ডার গড়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখবে হাইকোর্ট। তারপর নিয়োগ নিয়ে অনুমতি দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশএদিকে ১৯ জুলাই থেকে উচ্চ প্রাথমিকে ইন্টারভিউ নেওয়া শুরু হয়েছে। চলবে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার।

জুলাই ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

৮.৪ ওভারেই পাকিস্তানকে উড়িয়ে ভারত, বোলিংয়ে ঝড়—তবু ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভাবাচ্ছে হরমনপ্রীতদের

দুবাইয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটে জয় ভারতের। বোলারদের দাপটে ম্যাচ একতরফা হলেও মাত্র ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট হারানোয় প্রশ্ন উঠল ভারতের টপ অর্ডার নিয়ে। নকআউটের আগে এটাই এখন হরমনপ্রীতদের সবচেয়ে বড় চিন্তা।দুবাইয়ের আকাশে তখনও ম্যাচের উত্তাপ। কিন্তু মাঠে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হওয়ার পরই যেন ফলাফল লেখা হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৫৫। ভারতের সামনে লক্ষ্য ৫৬। ক্রিকেটের হিসাব বলছিল, এই রান তাড়া করতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। শেষ পর্যন্ত হলও তাই।মাত্র ৮.৪ ওভারেই জয় তুলে নিল ভারত। পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপে নিজেদের দাপট আরও একবার প্রতিষ্ঠা করল হরমনপ্রীত কৌরের দল।তবে এই জয় যতটা স্বস্তির, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ছোট্ট একটা অস্বস্তি। কারণ, ৫৬ রানের মতো মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতেও ভারতের টপ অর্ডারের তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারশেফালি বর্মা, প্রতিকা রাওয়াল এবং স্মৃতি মন্ধানাদ্রুত ফিরে গেলেন। ম্যাচের গুরুত্বের নিরিখে যা হয়তো বড় সমস্যা নয়, কিন্তু নকআউটের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা ভারতকে এই জায়গাটাই ভাবাবে।প্রথম বলেই ছক্কা, তারপরই থেমে গেল শেফালির ঝড়৫৬ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা। শেফালি বর্মা যেন শুরুতেই ঘোষণা করে দিলেনএই ম্যাচকে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই।কিন্তু সেই ঝড় স্থায়ী হল না।মাত্র ১২ রানেই শেফালিকে ফিরিয়ে দিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা। বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে তিনিই পাকিস্তানের একমাত্র উল্লেখযোগ্য লড়াইটা উপহার দিলেন।এরপর তিন নম্বরে নেমে প্রতিকা রাওয়ালও ব্যর্থ। জেমাইমা রদ্রিগেজের জায়গায় এখনও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার অপেক্ষায় থাকা প্রতিকা মাত্র ৪ রান করেই ফাতিমার শিকার। একই ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা ফিরিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। কিন্তু সেই উত্তেজনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।মন্ধানার আউট নিয়েও রয়ে গেল প্রশ্নআগের ম্যাচে দুর্দান্ত শতরান। ফলে স্মৃতি মন্ধানার দিকে প্রত্যাশার চোখ ছিল স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু এ দিন শুরু থেকেই তাঁকে কিছুটা মন্থর দেখাচ্ছিল।৯ রানেই ফাতিমা সানার বলে আউট হয়ে গেলেন মন্ধানা। যদিও তাঁর আউট নিয়ে বিতর্কের জায়গা থাকল। বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। কিন্তু এই এশিয়া কাপে ডিআরএস না থাকায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা।তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর অবশ্য আর কোনও বিপদ হতে দেননি হরমনপ্রীত ও দীপ্তি শর্মা।অভিজ্ঞতার ভারেই ম্যাচ শেষ করে দিল ভারতের মিডল অর্ডার। হরমনপ্রীত অপরাজিত থাকলেন ১৮ রানে, দীপ্তির অপরাজিত ইনিংস ১২ রানের। আর শেষটা এল অধিনায়কের ছক্কায়।৮.৪ ওভার। ৭ উইকেটের জয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও একটি সহজ সাফল্য।ভারত-পাকিস্তানফারাকটা ক্রমেই স্পষ্টমহিলাদের টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের আধিপত্য যে কতটা একপেশে, এই ম্যাচ তারই আরেকটি উদাহরণ।দুদল এখনও পর্যন্ত ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত জিতেছে ১৫ বার, পাকিস্তান তিনবার। এশিয়া কাপে ছবারের সাক্ষাতে এটি ভারতের পঞ্চম জয়। ২০২২ সালে পাকিস্তানের জয়টি এখনও এই ফরম্যাটে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের শেষ সাফল্য।অর্থাৎ পরিসংখ্যানের খাতাতেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের দাপট অটুট। কিন্তু এ দিন ভারতের আসল শক্তি ব্যাট হাতে নয়বল হাতে।চার স্পিনার, ৯ উইকেটদুবাইয়ে ঘূর্ণির সামনে অসহায় পাকিস্তানটস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফাতিমা সানা। পরিকল্পনা ছিল পরিষ্কারস্কোরবোর্ডে বড় রান তুলে ভারতকে চাপে ফেলা।শুরুটাও মন্দ ছিল না। দুই ওপেনার সাবধানে খেলছিলেন। প্রথম উইকেটে ২৭ রানও উঠে গিয়েছিল। তারপরই ম্যাচের চেহারা বদলে গেল।ভারতীয় স্পিনাররা বল হাতে আসতেই পাকিস্তানের ব্যাটিং যেন হঠাৎ পথ হারিয়ে ফেলল। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে মুনিবা আলিকে ফিরিয়ে শেফালি শুরু করলেন ধসের। তারপর একের পর এক উইকেট।পরের ১৩ ওভারে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন-আপের পতন ছাড়া আর কিছুই দেখা গেল না। দুই ওপেনার বাদে কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারলেন না। মন্থর উইকেটে ভারতীয় স্পিনের মোকাবিলা করার কোনও উত্তরই যেন ছিল না পাকিস্তানের ব্যাটারদের কাছে। শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানেই অল আউট পাকিস্তান।চরণি-রাওয়াতের ঘূর্ণিতে কাঁপল পাকিস্তানভারতের চার স্পিনার মিলে তুলে নিয়েছেন পাকিস্তানের নয়টি উইকেট। বাকি একটি রান আউট।সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন শ্রী চরণি। চার ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তিন উইকেট। চলতি বছরে টি-টোয়েন্টিতে তাঁর উইকেট সংখ্যা এখন ৩৪। আর দুটি উইকেট পেলেই এক বছরে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি উইকেটের রেকর্ড তাঁর দখলে চলে আসবে।প্রেমা রাওয়াতও সমান বিধ্বংসী। চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে তিন উইকেট।দীপ্তি শর্মা ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। শেফালি বর্মার ঝুলিতেও এসেছে একটি উইকেট।অর্থাৎ পাকিস্তানের ১০ উইকেটের মধ্যে নয়টিই ভারতীয় স্পিনের শিকার। এটাই সম্ভবত ম্যাচের সবচেয়ে বড় ছবি।শুধু একটি জায়গাতেই অস্বস্তিবোলিং নিয়ে ভারতের চিন্তার কারণ প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু ফিল্ডিংয়ে একটি ঘটনা নজরে পড়েছে। দুই পেসার ক্রান্তি গৌড় এবং নন্দিনী শর্মার বলে মুনিবা আলির ক্যাচ ফস্কেছেন প্রতিকা রাওয়াল। ক্যাচ দুটি ধরা পড়লে পেসারদের নামের পাশেও উইকেট থাকত।কোচ অমল মুজুমদারের কাছে সেটিও অবশ্যই নোট করার মতো বিষয়।তবে তার থেকেও বড় প্রশ্ন টপ অর্ডার।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করার সুযোগও কি নষ্ট হল?ম্যাচ যখন কার্যত হাতের মুঠোয়, তখন ভারত চাইলে রিচা ঘোষ বা ভারতী ফুলমালিদের আগে নামিয়ে কিছুটা পরীক্ষা করতে পারত। কম রান তাড়া করার ম্যাচে তাঁদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেত।ভারত অবশ্য সেই পথে হাঁটেনি।জয় এসেছে দ্রুত। কিন্তু নকআউটের আগে এমন ম্যাচেই তো বেঞ্চের শক্তি যাচাই করে নেওয়া যায়।আর এখানেই ভারতের সামনে প্রশ্নটা আরও স্পষ্টবোলিং যদি এতটাই শক্তিশালী হয়, ব্যাটিংয়ের প্রথম সারিও কি একই রকম ধারাবাহিক?নকআউটের আগে সতর্কবার্তাপাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারানোর জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। বরং ভারতীয় স্পিনাররা যে ভয়ঙ্কর ছন্দে রয়েছেন, তা প্রতিপক্ষের জন্য বড় সতর্কবার্তা।কিন্তু পাকিস্তানের মতো দুর্বল স্কোরের দলের বিরুদ্ধে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে যায়। বড় ম্যাচে সেই সুযোগ মিলবে না।আজ ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট পড়েছেতবু জয় এসেছে অনায়াসে।কাল যদি লক্ষ্য হয় ১৫০ বা ১৬০, তখন?সেই কারণেই এই জয় ভারতের জন্য নিছক আর একটি জয় নয়। ৫৫ রানে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেওয়া যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, তেমনই টপ অর্ডারের অনিয়মিত ছন্দ নকআউটের আগে হরমনপ্রীতদের কপালে সামান্য ভাঁজও ফেলবে।দুবাইয়ে পাকিস্তানের রাতটা ছিল দুঃস্বপ্নের। ভারতের কাছে রাতটা ছিল স্বস্তির। কিন্তু সেই স্বস্তির আড়ালেই ভবিষ্যতের বড় ম্যাচের জন্য একটি প্রশ্ন রেখে গেল এই জয়স্পিনাররা পথ দেখাচ্ছেন, এবার কি ব্যাটাররা সেই পথ ধরে শেষ পর্যন্ত হাঁটতে পারবেন?

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

শতবর্ষের মঞ্চে মোদীর মুখে জেন জি-র ভাষা! এসআরসিসির প্রাক্তনীদের নিয়ে বললেন, ‘ওজি’

দেশের অন্যতম পরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সের শতবর্ষ উদ্যাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শিক্ষক দিবসের দিনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের যুব সমাজের প্রশংসা করার পাশাপাশি এসআরসিসির প্রাক্তনীদেরও বিশেষ ভাবে সম্মান জানান তিনি। তাঁদের প্রশংসা করতে গিয়ে জেন জি-র প্রচলিত ভাষা ব্যবহার করে ওজি শব্দটিও বলেন প্রধানমন্ত্রী।এসআরসিসিতে দীর্ঘ ১৩ বছর পর গেলেন মোদী। এর আগে ২০১৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি এই প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই পুরনো দিনের কথা মনে করিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসআরসিসির যাত্রা শুরু হয়েছিল দরিয়াগঞ্জের একটি ছোট জায়গা থেকে। একশো বছরে সেই প্রতিষ্ঠান এখন বিশাল এক মহীরুহে পরিণত হয়েছে এবং বহু প্রজন্মের পড়ুয়াকে পথ দেখিয়েছে।কলেজের প্রতিষ্ঠাতা শিল্পপতি স্যার শ্রী রামের কথাও স্মরণ করেন মোদী। তিনি বলেন, ১৯২৬ সালে শ্রী রাম এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একশো বছরে এই প্রতিষ্ঠান দেশকে বহু বিদ্বান, প্রশাসক, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারক দিয়েছে। আগামী ২৫ বছরে বিকশিত ভারতের যাত্রাতেও এসআরসিসির পড়ুয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।এর পরেই এসআরসিসির প্রাক্তনীদের কৃতিত্বের কথা বলতে গিয়ে জেন জি-র পরিচিত শব্দ ব্যবহার করেন মোদী। তিনি বলেন, তরুণদের ভাষায় এসআরসিসির প্রাক্তনীরাই আসল ওজি। তাঁদের সাফল্য শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাঁরা প্রতিষ্ঠানের গৌরব বাড়িয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে দেশের যুব সমাজের সঙ্গে সরাসরি মত বিনিময়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মোদী বলেন, তিনি তরুণদের স্বপ্ন, তাঁদের সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের নিজেদের মুখ থেকে শুনতে চান। সেই লক্ষ্যেই বিজেপির তরফে জেন জি-র সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে নতুন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এসআরসিসির অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে মেট্রোয় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর কথাও হয়। ফলে একই দিনে মেট্রো থেকে শুরু করে এসআরসিসির মঞ্চদুই জায়গাতেই যুব সমাজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ নিয়ে বিশেষ নজর পড়ে।এসআরসিসির শতবর্ষ উপলক্ষে এর আগেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এপ্রিল মাসে কলেজের শতবর্ষ স্মরণে একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ দিনের অনুষ্ঠানে এসআরসিসিকে জাতীয় কর্পোরেট পরিচালন কেন্দ্রের মর্যাদা পাওয়ার জন্যও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এই স্বীকৃতি পাওয়া একমাত্র কলেজ এসআরসিসি। শতবর্ষের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি, যুব সমাজ নিয়ে তাঁর বক্তব্য এবং প্রাক্তনীদের ওজি বলে প্রশংসাসব মিলিয়ে এ দিনের অনুষ্ঠান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ থামাতে মস্কোয় ট্রাম্পের দুই দূত! তার মধ্যেই তিন দিনের জন্য হামলা বন্ধ করল রাশিয়া

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ফের তৎপর আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই শনিবার মস্কোয় পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার। তাঁদের সফরের মধ্যেই বড় ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আগামী তিন দিন ইউক্রেনে কোনও হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছে মস্কো।রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রায় চার বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। দীর্ঘ এই সংঘাত থামাতে আন্তর্জাতিক মহল থেকে বার বার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথে বড় কোনও সমাধান হয়নি। এই পরিস্থিতিতেই ফের আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা শুরু করেছে আমেরিকা।এর আগে যুদ্ধবিরতির জন্য একাধিক বার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের বিশেষ দূতদের মস্কো সফরকে নতুন করে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, মার্কিন দূতেরা রাশিয়া সফরে থাকাকালীন কিয়েভের তরফে কোনও বিমান হামলা চালানো হবে না। একই সঙ্গে মস্কোকেও একই পদক্ষেপ করার আহ্বান জানান তিনি। জেলেনস্কি বলেন, আলোচনা এবং মার্কিন দূতদের সফর সুষ্ঠু ভাবে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া উচিত।এর পরেই শনিবার রাশিয়ার তরফে তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হয়। পুতিনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে নতুন করে যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই তিন দিনের বিরতি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পরিণত হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।জানা গিয়েছে, স্থায়ী ভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার লক্ষ্যে একটি মার্কিন প্রস্তাব নিয়ে মস্কোয় গিয়েছেন স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার। সেই প্রস্তাবে ঠিক কী রয়েছে, তা এখনও প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। তবে এই সফরকে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট এবং শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনার পর আগামী রবিবার কিয়েভে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন দূতদের। সেখানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হওয়ার কথা। ফলে মস্কো এবং কিয়েভদুই জায়গাতেই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর পথ খোঁজা হচ্ছে।তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার আগেও ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। শুক্রবার কিয়েভের নিরাপত্তা পরিষেবার সদর দফতর-সহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে মস্কোর বিরুদ্ধে। পাল্টা রাশিয়ার ভূখণ্ডেও দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন।এই পরিস্থিতিতে পুতিনের তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই বিরতি কতটা কার্যকর হয় এবং এর পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা কতটা এগোয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

পহেলগাঁওয়ের সেই হামলার নেপথ্যে কে? কাশ্মীরে সেনার গুলিতে লস্কর কমান্ডার ইয়াসিরের মৃত্যু

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার স্মৃতি এখনও দেশবাসীর মনে তাজা। এর মধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে লস্কর-ই-তইবার কমান্ডার ইয়াসির নিহত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার অন্যতম চক্রী হিসেবে তার নাম উঠে এসেছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় ইয়াসিরের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েছিলেন নিরাপত্তাবাহিনীর গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ইউসমার্গের জঙ্গলঘেরা পাহাড়ি এলাকায় যৌথ অভিযান শুরু করে সেনার বিশেষ বাহিনী এবং ৫৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস।তল্লাশি অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইয়াসিরের গুলির লড়াই শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ইয়াসির গুলি চালায় বলে সূত্রের দাবি। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর ইয়াসির নিহত হয় বলে খবর।সূত্রের আরও দাবি, পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী হিসেবে পরিচিত সুলেমান মুসার গোষ্ঠীর সঙ্গে ইয়াসিরের যোগাযোগ ছিল। সে ওই গোষ্ঠীর সদস্যও ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রায় এক বছর আগে সেই গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে যায় ইয়াসির। এরপর আলাদা ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াসির নিরাপত্তাবাহিনী ও গোয়েন্দাদের নজরে ছিল বলে সূত্রের খবর। তার গতিবিধি এবং যোগাযোগের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বুদগামের জঙ্গলঘেরা এলাকায় অভিযানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইয়াসিরের সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ ছিল, তার নেটওয়ার্ক কতটা ছড়িয়েছিল এবং পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে তার ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তার যোগাযোগের সূত্র ধরে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।এর আগে গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে সেনার অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে জানা যায়। নিহতদের মধ্যে সুলেমান মুসা এবং তার দুই সঙ্গী ছিল বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে ওই জঙ্গিদের যোগ থাকার অভিযোগও উঠেছিল।ইয়াসিরের মৃত্যুর পর পহেলগাঁও হামলার তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। তার যোগাযোগ এবং জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত এগোলে হামলার নেপথ্যের আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
শিক্ষা

‘শিক্ষাষ্টকম্’ মডেলের জাতীয় স্বীকৃতি, জাতীয় সম্মানে সম্মানিত পূর্ব বর্ধমানের জেলা শিক্ষা আধিকারিক

আনন্দ, সৃজনশীলতা আর সামগ্রিক বিকাশবিদ্যালয় শিক্ষার এই নতুন ভাবনাই এবার পেল জাতীয় স্বীকৃতি। পূর্ব বর্ধমানের জেলা শিক্ষা আধিকারিক পৌষালী চক্রবর্তীর পরিকল্পিত শিক্ষাষ্টকম্ মডেল জাতীয় স্তরে পুরস্কৃত হল। বিদ্যালয়কে শুধু পুঁথিগত শিক্ষার জায়গা না রেখে শিশুদের আনন্দ, সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার এই উদ্যোগই এনে দিল এই বিশেষ সম্মান।৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর সভাগৃহে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পৌষালী চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয় পুরস্কার ও শংসাপত্র। পূর্ব বর্ধমানের শিক্ষাক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।শিক্ষাষ্টকম্ মডেলের মূল ভাবনা হলবিদ্যালয়ের সঙ্গে পড়ুয়াদের সম্পর্ককে আরও নিবিড় করে তোলা এবং শিক্ষার পরিবেশকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে কোনও পড়ুয়া মাঝপথে স্কুলছুট না হয়। দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা কমানো এবং বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলাও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।এই মডেলটি গড়ে উঠেছে আটটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের ওপর। ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রয়েছে পরিবেশ সচেতনতা, ডিজিটাল শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন বা স্কিলিং, শিক্ষাগত সহায়তা, স্বাস্থ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা। অর্থাৎ, শুধুমাত্র পরীক্ষার ফল নয়একজন পড়ুয়ার সার্বিক বিকাশকেই এখানে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা হয়েছে।এই মডেলের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পরিসরে এমন একটি পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে, যেখানে পড়ুয়ারা নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবে, আনন্দের সঙ্গে শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। একইসঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামাজিক সচেতনতার যোগসূত্রও তৈরি করছে শিক্ষাষ্টকম্।জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়ার পর পৌষালী চক্রবর্তীর বক্তব্যেও উঠে এসেছে এই উদ্যোগের নেপথ্যে থাকা সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা। তিনি বলেন, জেলাশাসকের সহযোগিতা না পেলে এই পুরস্কার আমরা পেতাম না। বিদ্যালয় পরিদর্শক থেকে শিক্ষকরা সবাই সঙ্গ দিয়েছেন। তাই এই পুরস্কার সবার সঙ্গেই ভাগ করে নিয়েছি।তবে জাতীয় সম্মানের আনন্দের মধ্যেও তাঁর নজর রয়েছে আরও বড় লক্ষ্যের দিকে। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ রোধের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও এখনও যে পথ অনেকটা বাকি, তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাল্যবিবাহ রোধ করতে পেরেছি অনেকটা। পুরোটা তো পারিনি। চেষ্টা করব আগামীতে শূন্য বাল্যবিবাহ করার জন্য।একদিকে স্কুলছুট রোধ, অন্যদিকে পড়ুয়াদের বিদ্যালয়মুখী করে তোলা, তাদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার বিকাশ এবং সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতনতাএই সমস্ত লক্ষ্যকে একসূত্রে বেঁধেছে শিক্ষাষ্টকম্। আর সেই ভাবনাই এবার দিল্লির মঞ্চে পেল জাতীয় স্বীকৃতি। পূর্ব বর্ধমানের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই সম্মান তাই শুধু একজন আধিকারিকের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিদর্শক, প্রশাসন এবং পড়ুয়াদের সম্মিলিত প্রয়াসেরও স্বীকৃতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মাসে ৮৯ শিশুর মৃত্যু! মালদহ মেডিক্যালে বড় পদক্ষেপ, সরানো হল হাসপাতালের সুপারকে

মালদহ মেডিক্যাল কলেজে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সামনে আসার পর হাসপাতালের সুপার তথা এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি, প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর কারণ আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এক দিনে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর সামনে আসে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সরকারি হাসপাতালে কী ভাবে এত শিশুর মৃত্যু হল।এর পরেই স্বাস্থ্যভবনের তরফে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যায়। তদন্তের পরে তৈরি করা রিপোর্টে এক মাসে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৮৯ বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান প্রলয় আচার্য জানিয়েছিলেন, শিশুমৃত্যুর পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তদন্তে অপুষ্টিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জন্মের পর শ্বাসকষ্ট, হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা, জন্ডিস এবং কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুদের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞ দলের তরফে জানানো হয়েছিল, শিশুমৃত্যুর সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করা হবে। সেই রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পরেই এবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে পদক্ষেপ করা হল।শিশুমৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। কোন শিশুর কী শারীরিক সমস্যা ছিল, হাসপাতালে কখন ভর্তি করা হয়েছিল এবং চিকিৎসার সময় কী পরিস্থিতি ছিল, সেই সমস্ত বিষয় তদন্তের আওতায় রয়েছে।মালদহ মেডিক্যাল কলেজে এক মাসে এত শিশুমৃত্যুর তথ্য সামনে আসার পরেই হাসপাতালের পরিষেবা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টে একাধিক চিকিৎসাগত ও শারীরিক কারণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এখন প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর পৃথক তদন্ত শেষ হওয়ার পরেই গোটা পরিস্থিতির আরও স্পষ্ট ছবি সামনে আসবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আরও বড় বিপদ সামনে? গঙ্গা-পদ্মা মিশে গেলে মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে বহু এলাকা!

নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধসের জেরে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ কার্যত ব্যাহত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মেরামতের কাজ চলছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আজকের মধ্যেই রেললাইনের কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এই ধসের ঘটনায় শুধু রেল যোগাযোগ নয়, ফরাক্কার ভাঙন নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।নিউ ফরাক্কা রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের এক দিকে রয়েছে ভাগীরথী বা হুগলি নদীর প্রবাহ, অন্য দিকে রয়েছে গঙ্গার মূল স্রোত বা পদ্মার দিক। স্থানীয় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের জায়গা হল, এই দুই জলধারার মধ্যের স্থলভাগের দূরত্ব এখন প্রায় দেড় কিলোমিটার বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।নদীভাঙন আরও বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে এই স্থলভাগের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে গঙ্গা ও পদ্মার জলধারা একে অপরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও দাবি বিশেষজ্ঞের।নদী বিশেষজ্ঞ কৌশিক চক্রবর্তীর দাবি, ফরাক্কা বাঁধ তৈরি হওয়ার পর থেকেই নদীর জলপ্রবাহ এবং চর তৈরির ক্ষেত্রে নানা পরিবর্তন দেখা যায়। তাঁর মতে, জল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বাংলাদেশে জল সরবরাহ এবং ১৯৯৬ সালের জলচুক্তির পর পরিস্থিতির পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, এরপর নদীর গতিপথে চর তৈরি হওয়া এবং নীচের দিকে জলপ্রবাহ কমে যাওয়ার মতো পরিবর্তন দেখা যায়। কয়েক বছর পর থেকেই ভাঙন ভয়াবহ আকার নেয়।নিউ ফরাক্কার কাছে ভাঙন আরও বাড়লে তার প্রভাব শুধু রেললাইনের উপরেই পড়বে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মধ্যে রেল ও সড়ক যোগাযোগও দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্যাহত হতে পারে। ধুলিয়ান, বল্লারপুরের মতো এলাকাও বড় বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞের দাবি।রেললাইন মেরামত করে যোগাযোগ স্বাভাবিক করা সম্ভব হলেও নদীভাঙন ঠেকানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। কারণ নদীভাঙনের জেরে বসতি, রাস্তা, রেলপথ এবং চাষের জমি একসঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।গঙ্গা ও পদ্মার জলধারা সত্যিই এক জায়গায় মিশে যাবে কি না, তা নিয়ে অবশ্যই আরও বিস্তারিত সমীক্ষা ও বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তবে নিউ ফরাক্কার কাছে নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি যে উদ্বেগের, সে বিষয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।কৌশিক চক্রবর্তীর দাবি, ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে ওই এলাকার ভৌগোলিক চরিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে পরিবর্তন হলে তার প্রভাব শুধু জমি বা নদীর উপর সীমাবদ্ধ থাকবে না, সরাসরি অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।ফলে নিউ ফরাক্কার রেললাইন মেরামত হয়ে গেলেই যে গোটা সমস্যা মিটে যাচ্ছে, তা নয়। আপাতত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন নদীভাঙন কী ভাবে ঠেকানো হবে এবং গঙ্গা-পদ্মার মাঝের বিস্তীর্ণ স্থলভাগকে কী ভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। এই প্রশ্নের উত্তরেই নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

চার বছর পর ফের অন্ধকারের আশঙ্কা? কয়লার মজুত তলানিতে, উৎসবের মরশুমে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা

চার বছর বাদে ফের কি বড় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশে? কয়লার সরবরাহে সমস্যা এবং বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশের একাধিক বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম কয়লা মজুত রয়েছে বলে খবর।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ সেপ্টেম্বরের হিসাব বলছে, দেশের ৫০টি বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরকার নির্ধারিত সীমার মাত্র ৪৮ শতাংশ কয়লা মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ কয়লায় বড়জোর ৯ দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো সম্ভব বলে জানা গিয়েছে। ফলে কয়লার সরবরাহ দ্রুত না বাড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার ঘাটতির পিছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রথমত, আগস্ট মাসে প্রবল গরমের কারণে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়তে পারে।দ্বিতীয়ত, বর্ষার কারণে কয়লা উত্তোলন এবং সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। এর ফলে দেশের সবচেয়ে বড় ৫০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুত কমেছে বলে খবর। বর্তমানে ওই কেন্দ্রগুলিতে প্রায় ২ কোটি ৮২ লক্ষ টন কয়লা রয়েছে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী মজুত থাকার কথা প্রায় ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ টন। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় মজুত অনেকটাই কম।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কয়লার সরবরাহ না বাড়ানো হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শেষ বার ২০২২ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গিয়েছিল। এবার সেপ্টেম্বরে উৎসবের মরশুমে চাহিদা আরও বাড়লে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কয়লার গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি। মোট জ্বালানির প্রায় ৭০ শতাংশই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে আসে বলে জানা যায়। ফলে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার সরবরাহ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। কয়লার জোগানে দীর্ঘ সময় সমস্যা হলে তার প্রভাব সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর পড়তে পারে।তবে এখনই দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে বলে মানতে চাইছে না কয়লা মন্ত্রক। মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের দাবি, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লা সরবরাহের উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আন্তঃমন্ত্রক বিশেষজ্ঞ দলও কাজ করছে।প্রয়োজনে কয়লা আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর। উৎসবের মরশুমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লে যাতে সরবরাহে বড় কোনও সমস্যা না হয়, সে জন্য আগেভাগেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।তবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার মজুত কম থাকা এবং সামনে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাএই দুই বিষয় একসঙ্গে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। এখন দ্রুত কয়লার জোগান বাড়ানো যায় কি না, তার উপরই অনেকটাই নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal