• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

কলকাতা

জোড়া রদবদল রাজ্য প্রশাসনে, সরলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

ফের রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তিু জারি করে আমলাস্তরে জোড়া রদবদল করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর একাধিক পদের রদবদল করেছেন। দুটি পরিবর্তন সেই তালিকায় নবতম সংযোজন।নির্বাচনের আগে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের সচিব ছিলেন সংঘমিত্রা ঘোষ। নির্বাচনের মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে একাধিক আধিকারিককে সরানো হয়। সেই সময় কমিশনের অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার পদে আনা হয় ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সংঘমিত্রা ঘোষকে। ভোট মিটে যাওয়ার পর সরকার গঠন হতেই তাঁকে পুরনো পদেই ফেরানো হল। আরেক অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার স্মারকি মহাপাত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল। বদলে তাঁকে রাজ্যে অর্থদপ্তরের সচিব পদে নিয়োগ করা হল। তিনি ২০০২ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ২০০-রও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ভোট মিটতেই রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিক পদে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ভোটের পরই বদলানো হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসক এবং এসডিপিও-কে। তেমনই রাজ্য পুলিশের আরও একাধিক পদে বদল আনা হয়েছে।বীরভূমের জেলাশাসকের পদে ডিপি কারনামের জায়গায় আসতে চলেছেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এর আগে খাদ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। ডিপি কারনামকে করা হয়েছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ডিরেক্টর। এছাড়া তিনি বিশ্ববাংলা কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাবেন। শ্রী নিখিল নির্মলকে করা হয়েছে বস্ত্রমন্ত্রকের ডিরেক্টর। এদিকে, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। অন্যদিকে, ধবল জৈনকে করা হয়েছে হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার। এছাড়া সরানো হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসক পার্থ ঘোষকেও। তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে। যে পদে এতদিন ছিলেন ধবল জৈন। সেই রদবদলের তালিকা এদিন আরও দীর্ঘ হল।

মে ২০, ২০২১
রাজনীতি

অনেক টানাপড়েনের পর নন্দীগ্রামে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী

ভোটের ফল প্রকাশ পাওয়ার পর একেবারে শেষ লগ্নে এসেও ধোঁয়াশা কাটল না নন্দীগ্রাম নিয়ে। জেলার রিটার্নিং অফিসার অবশ্য শুভেন্দু অধিকারীকেই জয়ী ঘোষণা করেছেন। যার কিছুক্ষণ পরই রীতিমতো গণনার কাগজ প্রকাশ করে নিজেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জয়ী ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।সাম্প্রতিক সময়ে যে যে নেতা তৃণমূল নেতা দলবদল করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একমাত্র শুভেন্দু অধিকারীই এ দিন সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন নন্দীগ্রামে। যদিও তাঁর জয়ের রাস্তাটা সহজ ছিল না। ভোটগণনা শুরু হওয়ার পর থেকে এগিয়েই ছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু, কয়েক রাউন্ড ভোট গণনার পরই এগিয়ে যান মমতা। চলতে থাকে সাপ লুডোর খেলা। কখনও এগিয়ে যান শুভেন্দু, কখনও এগোতে থাকেন মমতা।এই প্রবণতা অব্যাহত ছিল শেষ রাউন্ড গণনা পর্যন্ত। বিকেলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২০০ ভোটের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে জিতেছেন মমতা। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শুভেন্দু জিতেছেন নন্দীগ্রামে। কমিশনের পক্ষ থেকেও এমনটাই জানানো হয়। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে তৃণমূল। মমতা জানান যে তিনি আদালতে যাবেন। যা নিয়ে এখনও জলঘোলা অব্যাহত। পুর্নগণনার আবেদন জানিয়েছে শাসকদল।অন্যদিকে, কমিশনের তরফে জয়ী তকমা পাওয়ার পর শুভেন্দু টুইটে লেখেন, আমার ওপর বিশ্বাস এবং ভরসা রাখার জন্য নন্দীগ্রামের প্রতিটি মানুষকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই জয় নন্দীগ্রামে প্রতিটি মানুষের জয়। আগামী দিনে নন্দীগ্রামের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করাই আমার সংকল্প।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

বাংলা থাকল নিজের মেয়ের হাতেই

সেই এক পায়েই বাংলা দখল করে দেখালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট প্রচারের জনসভা থেকে এভাবেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাঙা পায়েই ময়দানে নেমেছিলেন জননেত্রী। কেন্দ্রের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীদের প্রচারের বিরুদ্ধে কার্যত একাই ২৯৪টি আসনে লড়েছেন। লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ওঠা গেরুয়া ঝড়কে বিধানসভা ভোটে একার নেতৃত্বে রুখে দিয়েছেন তিনি। সেই দীর্ঘ লড়াই আর আত্মত্যাগের আজ মধুর ফল পেলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপিকে অনেকখানি পিছনে ফেলে ম্যাজিক ফিগারের অনেক বেশি আসন নিয়ে আরও একবার বঙ্গে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করল মমতার তৃণমূল সরকার। দিদির কাছেই রইল বাংলা। একুশের নির্বাচনের আগে অদ্ভুত এক দলবদলের আবহ তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের ঘরভাঙা নিয়ে একটা সময় দলের অন্দরেও চিন্তার ভাঁজ পড়ে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামটাই যে বাংলার মানুষের বিশ্বাস অর্জনের জন্য যথেষ্ট ছিল, তা তৃতীয়বারের জন্য প্রমাণ করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী। দলত্যাগীদের নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত হতে দেখা যায়নি তাঁকে। বরং বলে দিয়েছিলেন, যাঁরা বেরিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের নিয়ে না ভেবে, যাঁরা দীর্ঘ দশ বছর জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে নিয়েই লড়াই জিতবেন। এমনকী নিজের গড় ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ার চ্যালেঞ্জও স্বেচ্ছায় নিয়েছিলেন। যে ভূমি আন্দোলন থেকে তৃণমূলের উত্থান হয়েছিল, সেই মাটিতেই জয়ের নয়া ইতিহাস গড়ার শপথ নিয়েছিলেন। বিজেপি প্রার্থী তথা পূর্ব মেদিনীপুরের ঘরের ছেলে শুভেন্দু অধিকারীকে হারিয়ে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে অসম্ভব কিছুই নয়। দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে ইতিহাস গড়েছিলেন মমতা। ২০১৬ সালে সবুজ ঝড়ে উড়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। সেই মমতা সাম্রাজ্যের পতন ঘটাতে এবার একের পর এক বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা এসে বঙ্গে প্রচার করেছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৮টি সভা করে গিয়েছেন। কিন্তু মমতার জনপ্রিয়তা, তাঁর প্রতি রাজ্যবাসীর বিশ্বাস, আস্থা-ভরসাকে টলাতে পারেননি শাহ-নাড্ডা-স্মৃতি ইরানিরা। কেন্দ্রীয় শক্তির চোখ রাঙানিকে কখনওই ভয় করেননি তিনি। বরং ভাঙা পা নিয়েই মিটিং-মিছিল, জনসভা চালিয়ে গিয়েছেন। দশ বছর পরও বিধানসভা ভোটে তিনিই ফ্যাক্টর, তা আজ স্পষ্ট হয়ে গেল। দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যে ভারতীয় রাজনীতির সেরা নক্ষত্রদের মধ্যে অন্যতম, তা নিয়ে আর কোনও দ্বিধা রইল না।

মে ০২, ২০২১
কলকাতা

ভোটগণনার আগে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তপ্ত বেলেঘাটা

আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। কিছুক্ষণের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যাবে বাংলার দায়িত্ব যাচ্ছে কার হাতে, তৃণমূল না বিজেপি। তার আগে উত্তেজনা ছড়াল বেলেঘাটায়। বিজেপির বুথ এজেন্টের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কোচবিহার থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে বেলেঘাটা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক বুথ এজেন্টের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপর বাইকে ১০ থেকে ১২ জন যুবক বেলেঘাটা মেন রোড এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয়। বোমাবাজি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেইসময় অভিযুক্তরা পুলিশের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। মারধরও করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা। পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই বোমার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। অন্যদিকে, ভোটগণনা শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে কোচবিহার মাথাভাঙ্গার পঞ্চানন মোড় এবং বাইশগুড়ি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তাজা বোমা। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর যায় পুলিশে। ইতিমধ্যেই বোমাটি উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাবাজি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুরে। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকে প্রকাশ্যে এসেছে অশান্তির খবর। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত পুলিশ।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

কড়া নিরাপত্তায় রাজ্যে শুরু হল গণনা

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আট দফা ভোট শেষে এবার ফলপ্রকাশের পালা। ২৯২ টি আসনে শুরু ভোটগণনা। বাকি ২টি আসনের প্রার্থীর মৃত্য়ুতে সেখানে ভোট হয়নি। কোভিডবিধি মেনে, প্রত্যেক গণনাকর্মী, রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা কর তবেই কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় জেলার প্রশাসনিক ভবনগুলিতে শুরু হয়েছে ভোটের গণনা। মোতায়েন ২৪২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল ৮.৪০: পোস্টাল ব্যালট গণনায় নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। পুরুলিয়া, রঘুনাথপুরে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থীরা। বাঘমুন্ডি আসনে এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী নেপাল মাহাতো। সকাল ৮.৩৬: দমদমে পিছিয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী ব্রাত্য বসু। মানিকতলায় এগিয়ে সাধন পাণ্ডে। সকাল ৮.৩২: জামুড়িয়ায় এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী ঐশী ঘোষ। বারাকপুর, ভাটপাড়া, হাবড়া, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণে এগিয়ে বিজেপি। সকাল ৮.২৮: পোস্টাল ব্যালট গণনায় হাসন, সুজাপুরে এগিয়ে সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীরা।সকাল ৮.২০: দাঁতন, মুরারই, মঙ্গলকোট, খড়গপুর সদর, রানাঘাট দক্ষিণে এগিয়ে তৃণমূল। রানিগঞ্জ, কেশিয়াড়ি, চন্দ্রকোণা, আলিপুরদুয়ার, দিনহাটা, মাদারিহাটে এগিয়ে বিজেপি। সকাল ৮.১২: পোস্টাল ব্যালট গণনার শুরুতে ৬ আসনে এগিয়ে বিজেপি, ৩ আসনে এগিয়ে তৃণমূল। কেতুগ্রাম, আসানসোল উত্তর, সবং, নলহাটিতে এগিয়ে তৃণমূল, মেমারি, সিউড়ি, দুবরাজপুরে বিজেপি এগিয়ে। সকাল ৮.০৪: গণনার শুরুতেই পানিহাটিতে অসুস্থ কংগ্রেসের এজেন্ট। গরমে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। হাসপাতালে ভরতি করাতে হল। এই গণনাকেন্দ্রে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। গণনা ঘিরে শুরুতেই গন্ডগোল। সকাল ৮: ভোটগণননা শুরু রাজ্যের ২৯২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ২ টি কেন্দ্রে ভোট হয়নি। প্রথম আধঘণ্টা পোস্টাল ব্যালটের গণনা। তারপর হবে ইভিএমের ভোটগণনা।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

অধিকাংশ বুথ ফেরত সমীক্ষায় 'বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়'

আসল পরিবর্তন নাকি বাংলার নিজের মেয়ে। বাংলার নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল জানা যাবে আগামী ২ মে। কিন্তু তার আগে বুথ ফেরত সমীক্ষায় যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তাতে তৃণমূল সমর্থকরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতেই পারেন। অধিকাংশ সংস্থার বুথ ফেরত সমীক্ষা দেখা যাচ্ছে, বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। আগের থেকে আসন সংখ্যা অনেকটা বাড়ালেও তৃণমূলকে গদিচ্যুত করতে পারছে না গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে বাম, কংগ্রেস, এবং আইএসএফের জোট কার্যত ধুলিস্যাত হয়ে যাচ্ছে। যদিও, সিএনএক্সের বুথ ফেরত সমীক্ষায় অন্য ফল দেখাচ্ছে। যদিও সবশেষে বলে রাখা দরকার, এগজিট পোল বা বুথ ফেরত সমীক্ষা কোনওভাবেই ভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করে না। এটা সম্ভাব্য ফলাফলের আভাসমাত্র। অতীতে বহুবার দেখা গিয়েছে এগজিট পোল বা বুথ ফেরত সমীক্ষার সঙ্গে আসল ফলাফল একেবারেই মেলেনি। সমস্ত সমীক্ষক সংস্থা এগজিট পোলের যে ফলাফল প্রকাশ করেছে, আসল ফলাফল তার উলটো হয়েছে। আবার এগজিট পোলের সঙ্গে আসল ফলাফল হুবহু মিলে গিয়েছে, এমন নজিরও কমবেশি আছে। টিভি নাইন-সি ভোটার- ১৪২-১৫২ (তৃণমূল), ১২৫-১৩৫ (বিজেপি), সংযুক্ত মোর্চা (১৬-২৬), অন্যান্য-০টাইমস নাও-সি ভোটার- ১৫৮ (তৃণমূল), ১১৫ (বিজেপি), ২২ (সংযুক্ত মোর্চা), অন্যান্য-০রিপাবলিক টিভি-সিএনএক্স- ১২৮-১৩৮ (তৃণমূল), ১৩৮-১৪৮ (বিজেপি), ১১-২১ (সংযুক্ত মোর্চা), অন্যান্য-০এবিপি নিউজ-সি ভোটার- ১৫২- ১৬৮ (তৃণমূল), ১০৯- ১২১ (বিজেপি), ১৪-২৫ (সংযুক্ত মোর্চা), অন্যান্য-০বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুজিত ঘোষের বক্তব্য, এরাজ্যে লোকসভা-২০১৯ নির্বাচনে অনেক সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্ট মুখ থুবড়ে পড়েছিল। গতবছর বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে। অতএব ২ মে প্রকৃত ফল জানা যাবে। বিজেপি ভাল ফল করবে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অনেকেই সমীক্ষার ওপর আশা রাখছেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

শহরে বোমাবাজি ও অশান্তির আবহে রাজ্যে শুরু ভোটগ্রহণ

বঙ্গে আজ শুরু হয়েছে অষ্টম তথা শেষ দফার ভোট। উত্তর কলকাতা-সহ মোট ৪ জেলার ৩৫ টি কেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েটের ভাগ্য পরীক্ষা চলছে। এছাড়া পুনর্নির্বাচন কোচবিহারের শীতলকুচির ১২৬ নং বুথেও। নিরাপত্তায় মোতায়েন মোট ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোভিডবিধি কড়াভাবে মেনেই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রদান করছেন ভোটাররা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেই নানাবিধ অশান্তির আবহেই চলছে ভোটগ্রহণ।সকাল ৯.৩১: বোমাবাজি রবীন্দ্র সরণিতে। বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের গাড়ি লক্ষ্য করে সরাসরি বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ। তাঁকে হত্যার চক্রান্ত চলছে, অভিযোগ প্রার্থীর। এর আগে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে। সকাল ৯.২০: চৌরঙ্গির তৃণমূল প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুথে ঢুকতে বাধা কেন্দ্রীয় বাহিনীর। মেট্রোপলিটান স্কুলের বুথে ঢুকতে পারলেন না তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসায় জড়ান তিনি।সকাল ৯: শীতলকুচিতে পুনর্নির্বাচনের দিনও উত্তেজনা। তৃণমূল প্রার্থী তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়ের সঙ্গে পুলিশের বচসা। তিনি পুলিশকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে পার্থপ্রতিমের বক্তব্য, বিজেপি এখানে অশান্তির চেষ্টা করছে।সকাল ৮.৪৯: বীরভূমের নানুর বিধানসভার সিংগী গ্রামে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৮.৪৪: নানুরের সন্ত্রস্ত এলাকা বন্দর গ্রামে দীর্ঘক্ষণ পর ভোটগ্রহণ শুরু। ভোটারদের বাধাদানের অভিযোগ ঘিরে তৃণমূল-বিজেপির হাতাহাতি চরম আকার নেয়। শেষপর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শুরু হয় ভোট।সকাল ৮.১৪: ভোটের সকালে খাস কলকাতায় বোমাবাজি, মহাজাতি সদনের সামনে ২ টি বোমা ফেটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা, এলাকায় আতঙ্ক। ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ।সকাল ৮.১১: কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অতীন ঘোষকে বুথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। বাকবিতন্ডায় না জড়িয়ে তিনি শান্তভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এজেন্টকে ডেকে বুথের খবরাখবর নেন তিনি। সকাল ৮.০৫: মানিকতলার ৫৬ নং বুথে বিজেপি এজেন্টকে হেনস্তা, পরিচয়পত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কমিশনে অভিযোগ দায়ের।সকাল ৮: ময়ূরেশ্বরে ভোট শুরু হতেই উত্তেজনা। বাড়তি জমায়েত হঠাতে লাঠি হাতে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী।সকাল ৭.৪৮: ভোটের শুরুতেই বীরভূমের নানা জায়গায় রাজনৈতিক অশান্তি। এসবের মাঝে এদিন আরও নজরদারি বাড়ল অনুব্রত মণ্ডলের উপর। সকাল ৭.৪৪: বীরভূমের লাভপুরে হাতিয়া গ্রামে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের সর্মথকেরা লাভপুর থানার পুলিশ নিয়ে এসে ভাঙচুর করে।সকাল ৭.৪০: বোলপুরের ১১৪ নং ওয়ার্ডে উত্তেজনা। বিজেপি কর্মীরা ভিড় করে বুথ জ্যাম করছেন, তৃণমূল সর্মথকদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। সকাল ৭.৩৫: মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় রাজনৈতিক অশান্তি। কংগ্রেস কর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ হোসেনপুর এলাকা। সকাল ৭.৩০: নির্বিঘ্নে পুনর্নির্বাচন শুরু কোচবিহারের শীতলকুচির ১২৬ নং বুথে। গত ১০ তারিখ এখানে ভোট চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়। এরপর আজ সেখানে আবার ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৭.২১: সাতসকালেই ভোটের লাইনে মিঠুন চক্রবর্তী। কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের ভোটার তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে সকলের উদ্দেশে মহাগুরুর বার্তা, ভালভাবে ভোট দিন, ওটা আপনার অধিকার।সকাল ৭.১১: ভোট শুরু হতেই বেলেঘাটায় জমায়েত ঘিরে বিশৃঙ্খলা। বুথের সামনে বাজার বসলে তা তুলে দেয় পুলিশ। তা নিয়েই বিক্রেতাদের সঙ্গে পুলিশের বচসা, উত্তেজনা। চলে লাঠিচার্জ, অশান্তি এড়াতে কয়েকজনকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ।সকাল ৭.০৮: বীরভূমের সিউড়ির সদাইপুর গ্রামে ২৮১ নং বুথে অশান্তি। অভিযোগ, বুথে পৌঁছনোর আগেই সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখানো, ভোটে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুথের বাইরে বোমাবাজি চলে বলেও অভিযোগ। আতঙ্কিত ভোটাররা। সকাল ৭.০২: বীরভূমের মুরারইয়ে সাফুয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৫৩: ভোট শুরুর আগে এন্টালি কেন্দ্রে উত্তেজনা। বিজেপি পোলিং এজেন্টকে বাধা, কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ। কাঠগড়ায় শাসকদল। এ নিয়ে কমিশনে অভিযোগ দায়ের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের। পরে বাহিনী ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। মধ্য কলকাতার এই কেন্দ্রে রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। সকাল ৬.৫০: মালদহের ইংরেজবাজারে বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৪৭: ভোটের সকাল থেকেই উত্তপ্ত অনুব্রতর গড়। বীরভূমের নানুরে ১৩১ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ।সকাল ৬.৩৮: মালদহের সুজাপুরে ভোট শুরুর আগেই উত্তেজনা। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.৩০: বীরভূমের একাধিক বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। বেলডি গ্রামের ঘটনায় অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৬.২০: ভোটের আগের রাতে ব্যাপক বোমাবাজি নানুরে।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
কলকাতা

ভোটের সকালে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে বোমাবাজি

নির্বাচন অশান্তির আশঙ্কায় শহর কলকাতার নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন করা হয়েছিল অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীও। কিন্তু তা সত্ত্বেও অশান্তি এড়ানো গেল না। সাতসকালে ভোট শুরু হতে না হতেই বোমাবাজির ঘটনা ঘটল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মহাজাতি সদনের সামনে। আর তার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের অন্তর্গত এই এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। আতঙ্কিত ভোটারদের সাহস জোগান তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের মত, কলকাতায় ভোটের দিন এমন ঘটনা নজিরবিহীন।জানা গিয়েছে, সকাল ৭.৫০ নাগাদ আচমকাই প্রবল শব্দে কেঁপে ওঠে মহাজাতি সদনের সামনের ফুটপাথ। সেখানে কয়েকজন তখনও ঘুমিয়ে ছিলেন। প্রচণ্ড শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তাঁদের। তাঁরা জানিয়েছেন, ২ টি বোমা ফেটেছে। চারিদিকে পড়ে রয়েছে তার খণ্ডাংশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। পৌঁছে যান জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিবেক গুপ্তা। তিনি চারদিক খতিয়ে দেখেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, চলন্ত গাড়ি থেকে বোমা ছোঁড়া হয়েছে। স্প্লিন্টার জাতীয় কিছু ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয়নি। তা সত্ত্বেও ভোটের সকালেই সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মতো এলাকায় এ ধরনের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।জোড়াসাঁকোর বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, এই সময় তাঁর ওই এলাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তাঁকে বাধা দিতেই এই বোমাবাজি করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি কাঠগড়ায় তুলেছেন তৃণমূলকেই। পাশাপাশি জানিয়েছেন, এসব বাধা উপেক্ষা করেই তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন। এ নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা। তবে তাঁদের সাহস জোগাতে এলাকায় মোতায়েন বাড়তি নিরাপত্তা বাহিনী। এই ঘটনার খবর পেয়েই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল, তার সন্ধানে নেমেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

আজ শেষ দফার নির্বাচন, বিশেষ নজর উত্তর কলকাতায়

শেষ দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। শেষ দফায় ভোট রয়েছে উত্তর কলকাতায়। কলকাতা উত্তরে যে কোনও ধরণের অশান্তি রুখতে কড়া প্রশাসন। ভোটের অশান্তি রুখতে সেখানে মোতায়েন থাকছে ১০৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । রাখা হয়েছে ৪০ নাকা চেকিং পয়েন্ট। বহিরাগতরা এসে যাতে কোনও অশান্তি পাকাতে না পারে তার জন্যে থাকছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ নজর।উত্তর কলকাতার ২৯ টি থানা এলাকায় ভোটকেন্দ্র থাকছে ৫৪৭টি। বুথ থাকছে ২০৮৩টি। উত্তর কলকাতার ৭ বিধানসভাকে ভাগ করা হয়েছে ৯৮ সেক্টরে। আর গোটা এলাকা জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার পাশাপাশি থাকছে ৬ হাজার কলকাতা পুলিশ। যে সব জায়গা সংবেদনশীল, উত্তেজনাপ্রবণ সেই সব জায়গায় বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। মোট ২১ জন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকবেন দায়িত্বে।রাস্তায় থাকবেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনাররাও। উত্তর কলকাতার জন্যে থাকছে ৮৭ আর টি ভ্যান। ২৯ হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ৯০ কুইক রেসপন্স টিম, থাকছে প্রায় ১০০০ বাইক। বিশেষ বাহিনীর প্রায় ১০০ টহলদারি গাড়িও থাকছে। এছাড়া গঙ্গার প্রতিটি ঘাটে নজর রাখবে জল পুলিশ। হাওড়া ব্রিজেও থাকছে নাকা চেকিং পয়েন্ট।যে ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১টি বুথ, সেখানে হাফ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। যেখানে দুটি ও চারটি বুথে থাকবে সেখানে দুই সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, যেখানে নটি বুথে থাকবে, সেখানে থাকবে ৩ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। উত্তর কলকাতার যে সব জায়গা নজরে রাখা হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম কাশীপুর-বেলগাছিয়া। কারণ, এখানে লাগাতার রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েই চলেছে বেশ কয়েকদিন ধরে। নজর রয়েছে বেলেঘাটার দিকেও। নজরে রয়েছে ট্যাংরা, তপসিয়া, মাঠপুকুর, এন্টালি-সহ বেশ কিছু জায়গা। এছাড়া শিয়ালদা ও বউবাজারের বেশ কিছু হোটেলে চলছে নজরদারি। বড়বাজার, এসপ্ল্যানেড এলাকার গেস্ট হাউজ, হোটেলেও নজরদারি চালাচ্ছে কলকাতা পুলিশ।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

দিনভর লুকোচুরি, কমিশনকেই দুষলেন অনুব্রত

রাত পোহালেই রাজ্যে অষ্টম তথা শেষ দফার নির্বাচন। বীরভূম-সহ মোট চার জেলার ৩৫টি আসনে ভোট। তবে ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগে খবরের শিরোনামে রইলেন সেই বীরভূমের জেলা সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। নির্বাচন কমিশনের চোখে ধুলো দিয়ে বেলা ১২টা থেকে ঘুরে বেড়ালেন নানুর এবং সেই সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা। শেষপর্যন্ত অবশ্য তারাপীঠের মন্দিরে তাঁর হদিশ মেলে। কিন্তু এজন্য যে তিনি দায়ী নন, পুরো দোষটাই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের, বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেকথাই বললেন বীরভূমের কেষ্ট।সন্ধ্যেবেলা সাংবাদিক সম্মেলনে এভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে অনুব্রতকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই ঘটনায় আমার দোষ কোথায়? এটা তো যাঁরা আমি আমাকে খুঁজে পায়নি, তাঁদের দোষ। আমি কি করব? আমি তারাপীঠে পুজো দিয়ে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম। শেষপর্যন্ত জেলাশাসক ফোন করলেন। আমি বললাম কোথায় আপনার লোক? উনি বললেন, যাচ্ছে যাচ্ছে। একটু দাঁড়ান। আমি যদি চলে যেতাম তাহলে আমাকে ধরতেই পারত না। আমিই অপেক্ষা করলাম।এরপরই নির্বাচন কমিশনের কাঠগড়ায় তুলে তাঁর মন্তব্য, বীরভূমে নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশে পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের ছেড়ে সাধারণ লোককে, আমাদের সমর্থকদের থানায় ডেকে পাঠাচ্ছে। আমি চাই শান্তিপূর্ণ ভোট হোক। এখানে একজন আসামী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘুরছে অথচ তাকে ধরছে না। আমাকে প্রতিবারই নজরবন্দি করে। তাতে আমি কিছু মনে করি না। কিন্তু এইভাবে সাধারণ লোককে হেনস্তা করছে সেটা খারাপ লাগছে। আর কদিনই বা করবে। ২ তারিখের পর তো আর পারবে না। আগামীকাল খেলা হবে। তবে কীভাবে খেলব সেটা বলব না। খেলা মানে তো ঝগড়া মারামারি নয়। ভালোভাবেও তো খেলা যায়।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
দেশ

ভ্যাকসিনের ২ টি ডোজ না-নিলে গণনাকেন্দ্রে প্রার্থীকে প্রবেশাধিকার নয়: কমিশন

করোনা সংক্রমণের আবহে নতুন নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। বুধবার তারা জানিয়েছে, প্রার্থীদের যদি টিকার ২টি ডোজ না নেওয়া থাকে, তবে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না তাঁরা। দেখাতে হবে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্টও। গণনার ৪৮ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে প্রার্থীদের। কমিশন জানিয়েছে, দেশে বাড়তে থাকা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখেই এই কোভিড-নির্দেশিকা।রবিবার, ২ মে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ৪ রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোট গণনা। এদিকে দেশে আঠারোর্ধ্বদের টিকাকরণ শুরু হবে ১ মে থেকে। পশ্চিমবঙ্গে আবার তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ শুরু হবে ৫ মে। কমিশনের এই নির্দেশে তাই প্রশ্ন উঠেছে ৪৫ বছরের কমবয়সি প্রার্থীদের গণনা কেন্দ্রে প্রবেশাধিকারের ব্যাপারেও। যে সব প্রার্থী এখনও টিকা নিতে পারেননি, তাঁরা কী করবেন।এর আগে মঙ্গলবারই দেশে করোনা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে বাংলা, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতে জয়ের উদযাপনেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কমিশন। বুধবার নতুন নির্দেশিকায় তারা জানিয়েছে, প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টরা আরটি-পিসিআর টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট দেখালে তবেই গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।এই রিপোর্ট কোনওভাবেই ৪৮ ঘণ্টার বেশি পুরনো হলে চলবে না। তবে আরটি-পিসিআর টেস্টের পাশাপাশি র্যা পিড অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্টও গ্রাহ্য হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। এ ছাড়া প্রার্থীদের বলা হয়েছে, তাঁদের গণনা এজেন্টের তালিকাও গণনার তিন দিন আগে পেশ করতে হবে।বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে অষ্টম ও শেষ দফার ভোট। ৪ জেলা মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং কলকাতায় ৩৫ টি কেন্দ্রে ভোট হবে। ৪ রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেই ভোট হয়েছে একাধিক দফায়। অসমে ৩ দফায় ভোট শেষ হলেও বাংলায় ৮ দফায় ভোটের ঘোষণা করে কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ইতিমধ্যেই সমালোচনা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, মাদ্রাজ হাইকোর্টও জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর দায় এড়িয়ে যেতে পারে না কমিশন। এ ব্যাপারে ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
রাজ্য

শেষ দফাতেও মোতায়েন ৭৫৩ কোম্পানি বাহিনী

কোভিড আতঙ্ক ক্রমেই গ্রাস করছে। এর মধ্যেই আগামী বৃহস্পতিবার শেষ দফার ভোট। গত দুই দফার মত এবারও ঝামেলা, অশান্তি এড়াতে নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের অতি সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। এই দফাতেও বাহিনী মোতায়েনে কোন ফাঁক রাখা হচ্ছে না।কমিশন সূত্রে খবর, এই দফায় মোট ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট রয়েছে বীরভূম, কলকাতা উত্তর, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলায়। এরমধ্যে ২২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে বীরভূম জেলায়, কলকাতা উত্তরে ৯৫ কোম্পানি, মালদায় মোতায়েন থাকবে ১১০ কোম্পানি আধাসেনা, মুর্শিদাবাদের জন্য রাখা হচ্ছে ২১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট পরিচালনার জন্য বুথের দায়িত্বে থাকবে মোট ৬৪১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকি ১১২ কোম্পানি ভোটের অন্যান্য কাজের মোতায়েন থাকবে। এবারের ভোট পর্বে মোট ১০৭১ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে এসেছিল। যার মধ্যে ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়ে গিয়েছে। বাকি ৩১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ইতিমধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।শেষ দফায় ২৮৩ জন প্রার্থী ৩৫টি বিধানসভা আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মোট বুথের সংখ্যা ১১ হাজার ৮৬০। সব কটি বুথ স্যানিটাইজার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভোটের দিন কোভিড বিধি মানতে জেলা গুলিকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের প্রথম সাত দফার নির্বাচনেও মূলত কমিশনের উপরই ভরসা রেখেছিল নির্বাচন কমিশন। আর তাতে কমবেশি সাফল্যও এসেছে। বিশেষ করে সপ্তম দফায় মালদহ, মুর্শিদাবাদের মতো জেলাতেও লেটার মার্কস পেয়ে উতরে গিয়েছে কমিশন। শেষ দফাতেও মালদহ, মুর্শিদাবাদে ভোট। সঙ্গে আবার যোগ হয়েছে বীরভূম। সাম্প্রতিক অতীতে এই জেলায় ভোটে অশান্তির নজির আছে। শেষ দফাতেও সেই ভাবেই ভোট করানোর টার্গেট নিয়েছে কমিশন।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
রাজ্য

বীরভূমের ভোটের আগে ফের নজরবন্দি অনুব্রত

ভোটের আগে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফের নজরবন্দি করল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ৩০ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত কমিশনের নজরবন্দি তিনি। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আইনি পথে হাঁটতে পারেন দাপুটে তৃণমূল নেতা ।অষ্টম দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল বীরভূমে ভোটগ্রহণ। তার আগে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সেই জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতার উপর কড়া নজর রাখবে কমিশন। ভোটের মরশুমে এত দীর্ঘ সময় কোনও রাজনৈতিক নেতাকে নজরবন্দি করে রাখা নিঃসন্দেহে বেনজির সিদ্ধান্ত বলে দাবি করছে ওয়াকিবহাল মহল। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে উনিশের লোকসভা নির্বাচনের সময় অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। তবে সেটা ছিল শুধুমাত্র ভোটের দিন। যদিও তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সেবারের ভোটের সময়ে খোশমেজাজেই ছিলেন তিনি। কোথায় কেমন ভোট হচ্ছে, দিনভর সেই তথ্য নিজের নখদর্পণে রেখেছিলেন তিনি। এবারও ভোটের আগে থেকেই অনুব্রতকে নজরবন্দি করল কমিশন। যদিও কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিচলিত নন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর কথায়, এটা তো কমিশনের রুটিন কাজ। প্রতিবারই করে। তবু খেলা হবে। ভয়ঙ্কর খেলা হবে। প্রয়োজনে সিআরপিএফের পায়ে বল দিয়ে দেব, ওঁরা খেলবে। কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, এবার অনুব্রতর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ হলে ও আদালতে যাবে। এদিন নেত্রীর কথা মনে করিয়ে অনুব্রত বলেন, আমি এবার কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাব।প্রসঙ্গত, এবার কমিশনের কড়া নজরে রয়েছে বীরভূম। ভোটের সময় জেলার পুলিশ সুপার করে পাঠানো হয়েছে নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ভোটের দিন কয়েক আগেই তৃণমূল নেতা অনুব্রতকে নোটিস পাঠিয়েছিল আয়কর দপ্তর। এমনকী, গোরুপাচার মামলায় তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআইও। যদিও কোভিড পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। এর পরই প্রকাশ্যে এল নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশিকা।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

২ মে-র বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। মহামারি আবহে দেশের পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এহেন পরিস্থিতিতে ২ মে ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।২ মে কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে করোনা আবহেও বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলি যে জয়ের উল্লাসে হাজার হাজার সমর্থকদের নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়বে সেই আশঙ্কা ছিল। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ মে ভোটগণনার সময় ও পরে কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় বিধানসভা ভোট করানো নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিল বাংলায় অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফার ভোট। কিন্তু সংক্রমণের গ্রাফ বিপজ্জনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় প্রার্থীদের প্রচারে কাটছাঁট করেছে নির্বাচন কমিশন।উল্লেখ্য, করোনাকালে দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সোমবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি। ফলে রীতিমতো চাপ বেড়েছে কমিশনের উপর। আর তার ফলেই এবার বিজয় মিছিলে রাশ টানা হয়েছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

২ মে-র বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। মহামারি আবহে দেশের পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এহেন পরিস্থিতিতে ২ মে ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।২ মে কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে করোনা আবহেও বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলি যে জয়ের উল্লাসে হাজার হাজার সমর্থকদের নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়বে সেই আশঙ্কা ছিল। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ২ মে ভোটগণনার সময় ও পরে কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় বিধানসভা ভোট করানো নিয়ে গোড়া থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছিল কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিল বাংলায় অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফার ভোট। কিন্তু সংক্রমণের গ্রাফ বিপজ্জনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় প্রার্থীদের প্রচারে কাটছাঁট করেছে নির্বাচন কমিশন।উল্লেখ্য, করোনাকালে দেশে ভোটগ্রহণ চলছে। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সোমবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি। ফলে রীতিমতো চাপ বেড়েছে কমিশনের উপর। আর তার ফলেই এবার বিজয় মিছিলে রাশ টানা হয়েছে বলেই মত বিশ্লেষকদের।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় শান্তির সপ্তম দফা

বড় কোনও অপ্রিতীকর ঘটনা ছাড়াই প্রায় শান্তিপূর্ণভাবে রাজ্যে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে।তবে বিভিন্ন জেলা থেকে ভোট ঘিরে দিনভর বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তির ছবি সামনে এসেছে।সপ্তম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।ভোট শেষের পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব জানিয়েছেন, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার পাঁচ জেলায় গড়ে ৭৫.০৫ শতাংশ। এই দফায় বিশেষ কোনও হিংসার ঘটনা নেই বলে জানিয়েছে কমিশন। হিংসা ছড়ানোর আশঙ্কায় আগে থেকেই ৭৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ১৪৪ ধারা ভঙ্গের জন্য ১১ জন ও অন্যান্য নির্দিষ্ট কেসের ভিত্তিতে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।দিনভর ছোট ছোট কিছু হিংসার ঘটনা ঘটলেও এদিন ভোট পর্বের শেষলগ্নে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদার মালতিপুর।সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীকে মারধর এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের বুথ এজেন্টকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের মহিলা কর্মী-সমর্থকদের।কলকাতা বন্দরের গার্ডেনরিচেও ভোটের শেষ লগ্নে কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেস সংঘর্ষ লাগাতার ইটবৃষ্টিকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। বিরাট বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মাঝেরহাটে কলকাতা বন্দরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে বিজেপি সমর্থকদের জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।মালদার চাঁচলে ভোট দিতে যাওয়ার পথে তৃণমূল সমর্থক হিসাবে পরিচিত দম্পতির উপর ব্লেড দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে কমগ্রেসের বিরুদ্ধে। তবে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর জানিয়েছে এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই।কলকাতার বেকবাগান, বেনিয়াপুকুর এলাকাতে দুপুরে বেআইনি জমায়েতে হঠাৎ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অভিযানকে ঘিরে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায়। হবিবপুরে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ বাহিনীর বিরুদ্ধে। বুথের মধ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাসবিহারীর বিজেপি প্রার্থী সুব্রত সাহার এজেন্টকে আটক করেছে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ অস্বীকার বিজেপি এজেন্টের দাবি তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্রে ভোট ঘিরে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ধস্তাধস্তি বাধে। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে৷মুর্শিদাবাদের রানীনগরে দুই তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বাড়ি ভাঙার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়েন দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের। পাণ্ডবেশ্বরে বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে।মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের ৮৩ নং বুথের কিছুটা দূরে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। মারধরে ওই নেতার হাত ও ভেঙে যায় বলে অভিযোগ। ফরাক্কাতেওয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে বেধড়ক মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ও ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্বের মলানদিঘিতে ভোটদাতাদের মধ্যে খাবার বিলির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

আজ রাজ্যে সপ্তম দফার নির্বাচন

আজ রাজ্যে সপ্তম দফার নির্বাচন। ৫ জেলার ৩৪ আসনে হবে ভোটগ্রহণ। করোনা মোকাবিলার জন্য অতিরিক্ত সতর্কতাও নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের ৬, পশ্চিম বর্ধমানের ৯, মালদহের ৬, মুর্শিদাবাদের ৯ এবং কলকাতার ৪টি আসনে হবে ভোটগ্রহণ।আর এই ভোটগ্রহণের মাধ্যমেই একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। সেই তালিকায় যেমন রয়েছে রাজ্যের চার মন্ত্রী, তেমনই রয়েছেন অভিনেতা, তারকা এমনকী বিশিষ্ট ছাত্রনেতা। এরা হলেন,ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মলয় ঘটক, দেবাশিস কুমার, তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, রুদ্রনীল ঘোষ, ফুয়াদ হালিম, ঐশী ঘোষ।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • ...
  • 26
  • 27
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal