• ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজনীতি

কর্নাটকে পদ্ম জলে, বিপুল আসন নিয়ে কুর্সি ধরল হাত

কর্নাটক বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি কংগ্রেসের অর্ধেক আসনেও জয় পেল না। কংগ্রেসের ঝড়ে উড়ে গিয়েছে পদ্ম। জেডিএসও কোনওরকমে ধরে রেখেছে নিজেদের অস্তিত্ব। মোদ্দা কথা কর্নাটকে হেরে বিজেপি আপাতত দক্ষিণ ভারত থেকে বিদায় নিল। লোকসভা নির্বাচনের আগে মনোবল বাড়ল হাতশিবিরের।কর্নাটক বিধানসভা ইতিমধ্যে ১৩৫টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। ১টি আসনে এগিয়ে আছে। অর্থাৎ মোট ১৩৬টি আসন পেতে চলেছে রাহুল গান্ধির দল। কংগ্রেস এবার আগের থেকে ৫৬টি আসন বেশি পেয়েছে। অন্য়দিকে বিজেপি মোট ৬৫টি আসন পেয়েছে বিজেপি। গতবারের থেকে ৩৯টি আসন কম পেয়েছে। জেডিএস ১৯টি আসন পাচ্ছে, অন্য়দের দখলে যেতে চলেছে ৪টি আসন।জেডিএস গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকে ১৮টি আসন কম পেয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি এই জয়ের জন্য কর্নাটকের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই জয়কে ভালবাসার জয় বলে আখ্য়া দিয়েছেন রাহুল। রাহুলের কথায়, ঘৃনার বাজার বন্ধ হল ভালবাসার দোকান খুলল কর্নাটকে। বিজেপির হয়ে একাধিক জনসভা ও রোডশো করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তা কাজে লাগেনি দক্ষিণের ওই রাজ্য়ে। কর্নাটক জয়ের জন্য কংগ্রেসকে ধন্যবাদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মে ১৩, ২০২৩
দেশ

এক্সিট পোল কি বলছে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে? কে এগিয়ে বিজেপি না কংগ্রেস?

কর্নাটকে কে আসবে ক্ষমতায়, বিজেপি না কংগ্রেস? নাকি ত্রিশঙ্কু হবে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল। ভোট মিটতেই রীতিমতো গবেষণা শুরু হয়ে গিয়েছে। একাধিক সংস্থা এদিন এক্সিট পোলে আগাম ফলাফল প্রকাশ করেছে। কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হলে জেডিএসই তখন হবে সরকার গঠনের চাবিকাঠি। ২০১৮ -তে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ব্যাপক আসন নিয়ে সরকার গঠন করবে বলে বেশিরভাগ নিউজ চ্যানেলন এক্সিট পোল প্রকাশ করেছিল। কিন্তু বাস্তবে বিজেপি বা কংগ্রেস কেউই একক সংখ্যাগড়িষ্ঠতা পায়নি। সামনের বছর লোকসভা নির্বাচন। তাই এবারের বিধানসভা নির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ফল খারাপ হলে ক্ষমতাসীন বিজেপিরও চাপ বাড়বে। কংগ্রেস আসনে এগিয়ে থাকলে তাঁদের মনোবল বাড়বে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।এবার কোনও কোনও কেন্দ্রে বিজেপি, কংগ্রেস এবং জেডি(এস)-এর মধ্যেও তুমুল লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে। টাইমস নাও-ইটিজি এক্সিজ পোলে বলছে, বিজেপি ৮৫, কংগ্রেস ১১৩, জেডি (এস) ২৩ আসনে পেতে পারে। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার এক্সিট পোল অনুযায়ী কংগ্রেসের কপালে জুটতে পারে ১২২-১৪০ আসন। বিজেপির ৬২-৮০ আসন ও জেডি (এস) পেতে পারে ২০-২৫ আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে ০-৩টি আসন। এবিপি-সি-ভোটারের সমীক্ষাতেও এগিয়ে কংগ্রেস। তাঁদের সমীক্ষা হল, কংগ্রেস ১০০-১১২, বিজেপি ৮৩-৯৫, জেডি (এস) ২১-২৯, অন্যান্য ২-৬।জি নিউজ-ম্যাট্রিজও এগিয়ে রেখেছে হাতশিবিরকে। ওদের সমীক্ষা অনুযায়ী কংগ্রেস ১০৩-১১৮, বিজেপি ৭৯-৯৪, জেডি (এস) ২৫-৩৩, অন্যান্য ২-৫। TV9 ভারতবর্ষ-পোলস্ট্রেট-এর সমীক্ষা নিম্নরূপ- কংগ্রেস ৯৯-১০৯, বিজেপি ৮৮-৯৮, জেডি (এস) ২১-২৬, অন্যান্য ০-৪। জন কি বাতের এক্সিটপোলও বলছে কংগ্রেস পেতে পারে ৯১-১০৬, বিজেপি ৯৪-১১৭, জেডি (এস) ১৪-২৪, অন্যান্য ০-২। এখন দেখার বিষয় বাস্তব ফল কি হয়, কোন সংস্থার এক্সিট পোল মেলে।

মে ১০, ২০২৩
রাজনীতি

বাংলায় বিজেপির লোকসভায় লক্ষ্য ৩৫, অভিষেক জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের ২০২৬ বিধানসভার টার্গেট

বিজেপির লক্ষ্য লোকসভা, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধানসভা। অমিত শাহ বীরভূমে সভা করে এরাজ্যে বিজেপির লোকসভার লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে গিয়েছেন, এবার বিধানসভার লক্ষ্য ঘোষণা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহর ঘোষণা ছিল ২০২৪-এ এরাজ্য থেকে বিজেপির আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫, অন্য দিকে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন আগামী ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের লক্ষ্য ২৪০ আসন।তৃণমূল কংগ্রেসের টার্গেট লোকসভা নয়, বাংলার বিধানসভা। বিপুল সংখ্যক বিধায়ক নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে চায় ঘাসফুল শিবির। রবিবার জনসংযোগ যাত্রায় বের হয়ে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তিনি একের পর এক জেলা সফর করছেন। যা শেষ হবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরে, ২৪ জুন।এদিন এই সফরে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় সভা করেন অভিষেক। সেখানেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে দলের লক্ষ্যমাত্রাও ঠিক করে দেন। অভিষেক সভায় বলেন, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৪০ আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে। পাশাপাশি এবারের পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল যে ব্যাপক সাফল্য পাবে, সেটাও স্পষ্ট করে দেন তিনি।অভিষেক আগের মতোই বলেন, সিবিআই আর ইডিকে দিয়ে ধমকে-চমকে কোনও লাভ হবে না। অন্য কোনও দল ভয় পেতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবে ভয় পাওয়ানো যায় না। আমাকেও তো নোটিস পাঠিয়েছে। কিন্তু, তাতে কোনও লাভ হবে না। যত নোটিস আসবে, আন্দোলন ততই বাড়বে। তৃণমূল কংগ্রেসকে আটকানো যাবে না। তারপরই পরপর বিধানসভা নির্বাচনের সাফল্যের হিসেব পেশ করেন অভিষেক। তিনি জানিয়ে দেন, ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ১৮৪ আসন পেয়েছিল। ২০১৬ সালে পেয়েছে ২১১ আসন। ২০২১ সালে পেয়েছে ২১৪ আসন। ২০২৬ সালে সেটাই বেড়ে হবে ২৪০। যত ধমকাবেন, যত চমকাবেন, তৃণমূল কংগ্রেস ততই শক্তিশালী হবে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে জয়ের লক্ষ্যে নয়া কর্মসূচি ঘোষণা অভিষেকের, তৃণমূলের প্রার্থী ঠিক হবে গোপন ব্যালটে

দিদির রক্ষাকবচ কর্মসূচির মাধ্যমে জনসংযোগ কর্মসূচি চলছেই। এবার ফের গ্রামীণ ক্ষেত্রে জনসংযোগ ও প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য নয়া কর্মসূচি ঘোষণা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে দলের নবজোয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২৫ এপ্রিল থেকে নিজে টানা ২ মাস পথে থাকবেন। তারপর কলকাতার বাড়িতে ফিরবেন।পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে রীতিমতো জলঘোলা হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসে। সময়ে সময়ে বদলে যাচ্ছিল প্রার্থী তালিকা। প্রার্থী বাছাই নিয়ে তীব্র মতবিরোধও চোখে পড়েছিল। এবার আর সেই পথে হাটতে নারাজ দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। যাতে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া নিয়মের মধ্য়েই করা যায় তার জন্যই জনসংযোগের মাধ্যমে গোপন ব্যালটে প্রার্থী বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে গ্রামবাংলায় জনসংযোগ তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচির সূচনা হবে। ২ মাস ধরে মানুষের পাশে থেকে তাঁদের অভাব, অভিযোগ শুনব। মানুষই এবার পঞ্চায়েত গড়বে। মানুষের মতামত নিয়ে ৬০ হাজার গ্রামীণ বুথে কে কোথায় প্রার্থী হবে সরাসরি প্রার্থী বাছাই হবে। পঞ্চায়েতের তিনটে স্তরে কাদের প্রার্থী দেখতে চান তাদের কাছ থেকে নাম জানতে চাইব। গোপন ব্যালটে ঠিক হবে কারা প্রার্থী হবে। অভিষেক এদিন ফের জানিয়ে দেন, আগামী পঞ্চায়েতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। মানুষ মানুষের ভোট দেবে। ২০১৮ -তে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্য়ের নানা জায়গায় হিংসা হয়েছিল। বিরোধীদের প্রার্থী দিতে ব্যাপক বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সতর্ক। ২০১৯-এর লোকসভার মতো ২০২৪-এ লোকসভায় যাতে আর না ভুগতে হয় সেদিকে নজর রয়েছে তৃণমূলের।অভিষেকের দাবি, আমরা ভারতে প্রথমবার পঞ্চায়েতে প্রার্থী করতে মানুষের মতামত নিচ্ছি। জনপ্রতিনিধি মানুষের দুঃখের সময় পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করবে। পঞ্চায়েতের পরিষেবা দরকার হবে, তখন যাকে ফোন করলে পাবে তাঁকে প্রার্থী করা হবে। ভারতের রাজনীতিতে যে ভাবে বদ্ধ ঘরে প্রার্থী নিয়ে সিদ্ধান্ত হয় এবার এখানে তা হবে না।তৃণমূলে নবজোয়ারে একদিকে যেমন জনসংযোগ যাত্রা হবে পাশাপাশি গ্রামবাংলার মতামত নেওয়ার কাজও চলবে। অভিষেক বলেন, আমরা আগামী ২৫ এপ্রিল নয়া কর্মসূচি শুরু করছি। কোচবিহারের দিনহাটা থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। ২ মাস টানা রাস্তায় থাকব। ২৪ জুন সাগরে শেষ হবে কর্মসূচি। এটা সমাপ্ত করে বাড়ি ফিরব। প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটা জনসভা থাকবে। প্রথমে কর্মীসভা বা জনসভা, পরে ক্য়াম্পে ফিরব। ওই ক্যাম্পে জেলাস্তরের নেতৃত্ব থেকে বুথ সভাপতিরাও থাকবে। সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও থাকবে। ৩-৪ হাজার লোককে ডাকা হবে। গোপন ব্যালটে ভোট নেওয়া হবে প্রার্থীর জন্য। অনলাইনেও ওয়েবসাইটে গিয়ে মতামত দিতে পারবে।শুরুতে কোচবিহারে ৩ রাত, আলিপুরে ১ রাত, জলপাইগুড়িতে ২ রাত, শিলিগুড়ি হয়ে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিন দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম হয়ে অন্য জেলাগুলিতে পরিক্রমা চলবে। এই কর্মসূচি ২ মাসে মোট ২৫০টি জনসভা, ৩৫০০ কিলোমিটা রাস্তা অতিক্রম করবে।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজনীতি

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস আর জাতীয় নয়, উঠে এল কেজরিওয়ালের আপ

৭ বছরেই শেষ জাতীয় দলের মর্যাদা। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এবার আঞ্চলিক দলে পরিণত হয়েছে। সোমবার এই খবর জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন, তার আগেই চলে গেল সর্বভারতীয় তকমা। জাতীয় দলের মর্যাদা চলে গিয়েছে এনসিপি ও সিপিআইয়ের। অন্য দিকে আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের স্বীকৃতি পেল। দিল্লি ও পঞ্জাবে রয়েছে আপের সরকার। গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে গিয়ে কুপোকাৎ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে তো চোখের জল নাকের জল এক করে ফেলেছে তৃণমূল। সেখানে নোটার থেকেও কম ভোট পয়েছে মমতার দল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় দল হিসাবে তাদের মর্যাদা কেন কেড়ে নেওয়া হবে না? গত বছর জুলাইয়ে তৃণমূল, এনসিপি এবং সিপিআইকে চিঠি পাঠিয়ে জবাবদিহি চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন।কীভাবে জাতীয় দলের মর্যাদা পাওয়া যায়?প্রথমত, লোকসভা নির্বাচনে কোনও দলকে অন্তত তিনটি রাজ্য থেকে ভোটে লড়তে হবে ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে মোট লোকসভা আসনের ২ শতাংশ আসনে জিততে হবে।দ্বিতীয়ত, লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ৪টি রাজ্যে ৬ শতাংশ করে ভোট পেতেই হবে ও এক বা তার বেশি রাজ্যে ৪টি লোকসভা আসন পেতে হবে।তৃতীয়ত, ৪টি বা তার বেশি রাজ্যে রাজ্য দলের তকমা থাকতে হবে দলের কাছে। এই তিন শর্তের যে কোনও একটি পূরণ করলেই জাতীয় দলের তকমা পাওয়া যায়।উল্লেখ্য, উপরোক্ত তিনটে শর্তের কোনওটি পূরন করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা মেঘালয়ের পাঁচ তৃণমূল বিধায়কের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা চলে যেতেই বঙ্গ বিজেপি রেরে করে উঠেছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজনীতি

কবে হবে পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণা, কিভাবে চলবে নির্বাচন প্রক্রিয়া, জানালেন শুভেন্দু

পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির ঠাকুরনগরের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার দিন জানিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী কি ধরনের ভোট হতে চলেছে তা-ও আগাম ঘোষণা করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এর আগে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শুভেন্দু। মমলা গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শুভেন্দুর আবেদনে সাড়া মেলেনি আদালতে। পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণায় বাধা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।সোমবার খেজুরির ঠাকুরনগরে শুভেন্দু বলেন, পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা করবে ২রা মে। সব খবর থাকে আমার কাছে। একটা পর্যায়ে ভোট হবে। পুলিশ দিয়ে একটা পর্যায়ে ভোট করাতে যাতে রক্তগঙ্গা বয়ে যায় বাংলায়। যাতে শত শত মানুষ মারা যান তাই এই ব্যবস্থা করছেন অত্য়াচারী, অহংকারী পিসির একমাত্র ভাইপো। এখনও পর্যন্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি। দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শেষ হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের তোরজোড় শুরু হবে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই রাজ্যে খুনোখুনি শুরু হয়ে গিয়েছে।এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করে আসছে বিরোধীরা। তবে এবিষয়ে আদালতে গিয়ে খুব একটা লাভ হয়নি। এদিনই পঞ্চায়েত ভোট উপলক্ষ্যে ভার্চুয়ালি সাংগঠনিক বৈঠক করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনে বামেদের সমর্থনে কংগ্রেসের জয় একটু হলেও পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

সাগরদিঘির ধাক্কা, পঞ্চায়েত ভোটের আগে শক্ত হাতে সংগঠন গড়তে ময়দানে মমতা

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির উপনির্বাচনে পরাজয়ে রীতিমতো নাড়াচাড়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। মুসলিম ভোট যে পুরোপুরি সুরক্ষিত নয়, তাও জানান দিয়েছে সাগরদিঘি। শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে বেশ প্রভাব ফেলেছে সাগরদিঘির পরাজয়। ফের দলের সংগঠন শক্ত হাতে ধরছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটে তৃণমূলের বৈঠকের পর সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণায় রাজ্যে ও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, মাসে তিন দিন জেলা স্তরে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্দেশ্য সংগঠনকে শক্তিশালী করা। এর পাশাপাশি সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপি ও কংগ্রেসের সঙ্গে সমদূরত্ব বজায় রেখে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বৈঠক করেন সমাজবাদী নেতা অখিলেশ যাদবের সঙ্গে। ২৩ এপ্রিল মমতা বৈঠক করবেন ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে। তারপর দিল্লি যাবেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, ফের রাজ্যে ও সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে দলকে শক্তিশালী করতে নিজেই উদ্যোগী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি।পর্যবেক্ষক না বললেও ফের জেলায় জেলায় দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। এই পর্যবেক্ষক প্রথা তুলে দিয়েছিল তৃণমূল। একটা সময় মনে করা হচ্ছিল শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষমতা খর্ব করতেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যবেক্ষক প্রথা তুলে দিয়েছিল। পরে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেয়। রাজনৈতিক মহলের মতে, ঘুরিয়ে পর্যবেক্ষক প্রথা চালু করে দিল তৃণমূল। মোদ্দা কথা দলের হাল ধরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদি তৃণমূলীরা অবহেলিত বলে দলে দাবি উঠছিল। আজকের বৈঠকে অনেকটাই বাড়তি দায়িত্ব বর্তেছে প্রবীন নেতাদের ওপর। বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘু ভোটের দিকে। মালদা ও মুর্শিদাবাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী ও মোশাররফ হোসেনকে।

মার্চ ১৭, ২০২৩
রাজনীতি

সাগরদিঘিতে কি উলোটপূরাণ? ২১ হাজার ভোটে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর কোনও উপনির্বাচনে তৃণমূল ছাড়া কোনও বিরোধী দল এগিয়ে থাকেনি। এই প্রথম সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনাতেই ৫১৫ ভোটে এগিয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস প্রার্থী। এখন এগিয়ে ২১ হাজার ভোটে। এখানে বামেদের সমর্থনে লড়াই করছে কংগ্রেস। এই বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ নির্বাচনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। তাঁর অকাল প্রয়াণে এখানে ভোট হয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৫০ হাজারের বেশি রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছিল। যদিও ২০১১ বিধনসভা নির্বাচনে নামমাত্র ভোটে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। ২০১৬-তে খুব বেশি জয়ের মার্জিন ছিল না। তবে এবার কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস এই কেন্দ্র থেকে জয় পেলে বিধানসভায় খরা কাটবে হাত শিবিরের। তবে এখনও গণনা অনেকটা বাকি রয়েছে। এখনই ফলাফল বলা যায় না।

মার্চ ০২, ২০২৩
রাজ্য

সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান বেঁধে দিলেন অভিষেক

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনের প্রচার একেবারে জমজমাট। ইতিমধ্যেই সেখানে প্রচার সেরেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবাসরীয় প্রচারে গিয়ে জয়ের ব্যবধানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা, উপনির্বাচনে একটা বুথেও হারলে সেটা হবে মীরজাফরের বুথ। কোনও বুথেই হারা চলবে না বলেই জনসভায় জানিয়ে দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেখান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপির যোগসাজশ চলছে। ভোটে জিতলেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপিতে চলে যাবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কি করে শুভেন্দু বলছেন সংখ্যালঘু বুথগুলিতে আর যেই হোক জোড়াফুল জিতবে না। সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছি।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ২ মার্চ ভোটগণনা। এখানে বিজেপি, তৃণমূল ও কংগ্রেসের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হচ্ছে। বামেরা এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করছে। লড়াই ত্রিমুখি হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২০১৬-তে কোনওরকমে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। রাজ্যর এই মন্ত্রীর অকাল প্রয়াণের কারণেই এই উপনির্বাচন। সামনেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। স্বভাবতই তার আগে এই উপনির্বাচন সব দলের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
রাজ্য

মেডিক্যাল কলেজে নির্বাচন, স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা অধ্যক্ষের

একটানা সাতদিনে পড়েছে মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের এই আন্দোলন। এখনও জট কাটেনি। টানা আন্দোলনের জেরে অসুস্থ হচ্ছেন একের পর এক আন্দোলনকারী। এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অনশনরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন তাঁদের অভিভাবকরাও। প্রতীকী অনশন শুরু করে দিলেন অভিবাকরা। পড়ুয়াদের দাবিকে মান্যতা দেওয়ার এই আন্দোলনে আজ সকাল ১০ টা থেকে ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে অভিভাবকরা। কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডক্টর ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য অবন থেকে বেরোলেন। বেরিয়ে তিনি বলেন, সমস্যাটা আমাদের কলেজ কাউন্সিলের হাতে নেই। সিদ্ধান্ত উপর মহল থেকে আসবে। আলোচনা চলছে কিছু একটা সুরাহা তো নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে। অনশন তুলে নেওয়া হোক। ইলেকশন হবে, কিন্তু ২২ ডিসেম্বর হবে না। আমরা পরে একটা তারিখ ঠিক করব।মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনেই অনশন আন্দোলন চলছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলনের ঝাঁঝ বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবার তাঁদের সঙ্গেই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন অভিভাবকরাও। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে আন্দোলনকারীদের ৬ অভিভাবকও ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশন শুরু করেন। সকাল ১০টা থেকে মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তাঁরা অনশন করছেন।উল্লেখ্য, মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন-সহ বেশ কয়েকটি দাবিতে অনশন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা। আগামী ২২ ডিসেম্বর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দিন ৩০ নভেম্বর ঘোষণা করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। যদিও পরে সেই ২২-এর পরিবর্তে অন্য কোনও দিন ছাত্র ভোট হবে বলে জানানো হয়। যদিও ছাত্র সংসদের নির্বাচন ঠিক কবে নাগাদ হতে পারে সেব্যাপারে স্পষ্ট কোনও উত্তর মেলেেনি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচন করতেই হবে, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রদের অনশন অব্যাহত, অসুস্থ দুই

দুদিন পেরিয়ে গেলেও অনশন জারি রেখেছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারা। নির্বাচনের দাবিতে দিয়ে চলেছেন লাগাতার স্লোগান। শনিবার সন্ধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাজির হন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। তিনি হাসপাতালের অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনের দাবিতে অবিচল ছাত্ররা। এদিন অনশনরত দুই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশাল পুলিশবাহিনী রয়েছে আশেপাশে।ছাত্রদের দাবি, ঘোষণা করার পরও নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। ৩০ নভেম্বর ঘোষণা হয়েছিল ২২ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। কেন সেই নির্বাচন হবে হবে না প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্ররা। এর আগে অবরোধ আন্দোলন করেছিল মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। এবার চলছে লাগাতার অনশন। চিকিৎসক সংগঠনগুলির নেতৃত্বও দাবি করেছে, সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করতে হবে। অনশনরত ছাত্রদের মধ্যে ২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন বলে চিকিতসকরা পরামর্শ দিয়েছেন। অসুস্থরা চিকিৎসা করাতে চাইছেন না। এই নিয়ে চলছে চাপান-উতোর। ছাত্রদের একটাই দাবি, অবিলম্বে নির্বাচন করতেই হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

মেমারি থেকে কাটোয়া রেল প্রকল্পের আশ্বাস দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট প্রচার শুরু বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়া'র

পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর বিধানসভার কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। পাশপাশি, এদিন মেমারি ২ ব্লকে সাতগেছিয়া এলাকায় একটি হিমঘরে এই পঞ্চায়েত সম্মেলন ও বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীরা কিভাবে কাজ করবেন, কোন কোন বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিনের বৈঠকে সাংসদ ছাড়াও ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা ও অন্যান্যরা।সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া বলেন, মেমারি কাটোয়া ভায়া মন্তেশ্বর একটি রেল লাইন করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এই রেল লাইন চালু হলে এলাকার মানুষের উপকার হবে। এই এলাকায় মানুষের উৎপাদিত ফসল সহজেই অন্যত্র পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই রেলপথ দ্রুত চালু করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
দেশ

গুজরাটে গেরুয়া ঝড়ে নয়া ইতিহাস, হিমাচলে হাতের দাপটে ঝরল পদ্ম

গুজরাটে সপ্তমবারের জন্য সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে সেখানে উড়ে গিয়েছে কংগ্রেস। ১৮২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ১৫৬টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ১৭টি, আম আদমি পার্টি ৫টি আসন জয় পেয়েছে। অন্যরা পেয়েছে ৪টি আসন। এরাজ্যে এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল ৭৭টি আসন। মনে করা হচ্ছে, কংগ্রেসের একটা বড় অংশের ভোট পেয়েছে আপ।হিমাচলপ্রদেশে ৬৮ আসনের মধ্যে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ৪০ আসনে। বিজেপি জয় পেয়েছে ২৫টি আসনে। অন্যরা পেয়েছে ৩টে আসন। এর আগে হিমাচলপ্রদেশে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। তবে কংগ্রেসের আশঙ্কা বিজেপি যেনতেন প্রকারেণ সরকার গঠনের প্রচেষ্টা চালাতে পারে। তাই বিধয়কদের ওপর কড়া নজর রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের। তবে এই পাহাড়ি রাজ্যে কংগ্রেসের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিজেপি।গুজরাটে রেকর্ড জয়ের পর দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গুজরাটের জয়ের জন্য সেখানকার সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, গুজরাটের মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছে। দেশের সংকটের সময় দেশের জনতা ভরসা করে বিজেপিকে। দল সেখানে হারলেও হিমাচলের পাশে থাকবে কেন্দ্র। সেখানকার উন্নতিতে সামিল হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
দেশ

গুজরাটে বিরোধীদের দুরমুশ করে ফের ক্ষমতার দোরগোড়ায় বিজেপি, হিমাচলে হাড্ডাহাড্ডি

মরবি সেতু দুর্ঘটনার পর এভাবেও যে ক্ষমতায় আসা যায় তা হয়তো ভাবেননি স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ। ফলাফলের ট্রেন্ড দেখে বোঝাই যাচ্ছে রীতিমতো কংগ্রেসসহ বিরোধীদের ওপর যেন বুলডোজার চালিয়ে দিয়েছে। দুরমুশ করে এখনও অবধি গুজরাটে ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৫১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসনে ও আম আদমি পার্টি ৮টি আসনে এগিরয়ে রয়েছে। অন্যরা এগিয়ে রয়েছে ৪টি আসনে। গুজরাটে নিরঙ্কুশ ভাবে এগিয়ে থাকলেও হিমাচলপ্রদেশে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এই পাহাড়ী রাজ্যের ৬৮ আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৩৩টি আসনে, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৩১টি আসনে। এই রাজ্যে নির্দলরা এগিয়ে রয়ছে ৪টি আসনে।গুজরাটে টানা ২৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও সরকার বিরোধী কোনও হাওয়াই তুলতে পারেনি কংগ্রেস। আপ এবার সেখানে প্রথমবার লড়াই করেই আপাতত ৮ আসনে এগিয়ে রয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে গুজরাটে ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। সেই আসন ধরে রাখা দূরের কথা, তার কাছাকাছিও এবার নেই হাতশিবির। জিগনেশ মেভানি, মহেন্দ্র সিং বাঘেলাসহ তাবড় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব পিছিয়ে রয়েছেন। তবে হিমাচলে কখনও কংগ্রেস এগোচ্ছে কখনও বিজেপি এগিয়ে যাচ্ছে। মোদ্দা কথা হিমাচলে কে সরকার গড়বে এখনই বলা মুশকিল। কিন্তু মোদি-শাহের রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠন করা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়ে শেষ হয়ে যাবেঃ লকেট

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েতে নিজেদের সিণ্ডিকেট বাজির জন্য, টাকা তোলার জন্য ক্ষমতার লড়াই চলছে। আগে এটা তৃণমূল - বিজেপি ছিল। বহু বিজেপি কার্যকর্তা শহীদ হয়েছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে। তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে করতে শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ভুপতি নগর থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল বিভিন্ন ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা এখন পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাশান হয়ে গেছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। গোটা শিক্ষা মন্ত্রালয় জেলে চলে গেছে কিন্তু এখনো এই ভূতগুলো বসে আছে।বাংলার যে শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ববোধ করতাম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো বাংলার শিক্ষা কোন জায়গায় চলে গেছে উনি যেন ধ্যান দেন। মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

খোকন দাসের বক্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনে রাজ্য বিজেপি, শাস্তির দাবি

বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের শাস্তির দাবিতে নির্বাচন কমিশের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য বিজেপি। ভোটার লিস্টে শুধু তৃণমূলেরই নাম তুলুন, বিজেপির লোকেদের তুলবেন না। বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূলের বিধায়কের এই হুমকি ভিডিও নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতরে জমা দিয়েছে বিজেপি। তাঁর শাস্তি দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজ্যে ভোটার লিস্টের নাম তোলার কাজ চলছে। সেই সেময় এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। প্রশাসনের নীচু স্তরের লোকজন বিজেপির সঙ্গে কোনও সহযোগিতা করছে না অভিযোগ করেছে দলীয় নেতৃত্ব। নির্বাচন কমিশন অভিযোগ পেয়ে ক্ষতিয়ে দেখছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া বলেন, এই বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এফআইআর করা উচিত। প্রশাসন থেকে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করা হচ্ছে।মঙ্গলবার বর্ধমানের টাউনহলে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটার লিষ্ট সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এজেন্টদের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছিলেন স্থানীয় বিধায়ক খোকন দাস। তিনি বলেন, নতুন লোক আসছেই। নতুন লোক মানে সব বাংলাদেশ থেকে আসা লোক। তাঁদের ভোট বেশি তুলতে যাওয়া বেশি ক্ষতি। কারণ তাঁরা তো বেশি হিন্দু হিন্দু করে বেশীটাই ভোট দিয়ে দেয় বিজেপিকে। এটাকে নিয়ে অস্বীকার করার কিছু নেই। নতুন লোকের ভোট তুলবেন যাঁরা আমাদের দলের সাথে যুক্ত তাঁদের। তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য ঘিরে তৈরী হয়েছে বিতর্ক। এবার নির্বাচন কমিশনে গেল বিজেপি।

নভেম্বর ১৮, ২০২২
রাজনীতি

চাঞ্চল্যকর মন্তব্য বিধায়কের! বাংলাদেশ থেকে যারা নতুন আসছে তাঁরা সবাই বিজেপির

নতুন লোক আসছেই। নতুন লোক মানে সব বাংলাদেশ থেকে আসা লোক। তাদের ভোট বেশি তুলতে যাওয়া বেশি ক্ষতি। কারণ তারাতো বেশি হিন্দু হিন্দু করে বেশীটাই ভোট দিয়ে দেয় বিজেপিকে। এটাকে নিয়ে অস্বীকার করার কিছু নেই। নতুন লোকের ভোট তুলবেন যারা আমাদের দলের সাথে যুক্ত তাদের। বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক খোকন দাসের এই মন্তব্য ঘিরে তৈরী হয়েছে বির্তক।মঙ্গলবার বর্ধমানের টাউনহলে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটার লিষ্ট সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এজেন্টদের আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন বিধায়ক খোকন দাস। যা ঘিরে জেলায় আলোড়ন শুরু হয়ে গেছে।বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির সহ-সভাপতি তথা জেলা মুখপাত্র সৌম্যরাজ ব্যানার্জীর অভিযোগ, এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হচ্ছে যে তৃণমূলই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে বিজেপি নয়। বাংলাদেশ থেকে আসা লোক সম্পর্কে যদি বিধায়কের কাছে কোন তথ্য থাকে তাহলে বিধায়কের উচিত ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি না করে সেই তথ্য রাজ্য ও কেন্দ্রকে জানানো। আমরা তো এই কারণেই সিএএ লাগু করার কথা বলেছি,যার প্রযোজনীয়তা আজ বিধায়কের কথাতেই স্পষ্ট।যদিও পূর্ব-বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বিজেপিই অভিযোগ করেছিল পশ্চিমবাংলায় বাংলাদেশী লোক ঢুকছে তো বিধায়ক এটাই বলতে চেয়েছেন যে বাংলাদেশ থেকে যদি কোনো লোক ঢোকে তাদের নাম ভোটার লিষ্টে তুলবেন না। অযথা কথার অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তৃণমূল ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে না। সিএএ লাগু করা বিজেপির একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। ভোটের সময়ই তা প্রতিফলিত হয়।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচন এলেই রাম, বাম ও শ্যাম এক, চলে আদানপ্রদাণ থেকে কিছু লেনদেনঃ মমতা

নন্দকুমারে সমবায় নির্বাচনে রাম-বাম জোট তৃণমূলকে পরাস্ত করার প্রতিক্রিয়া দিলেন এবার স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে বুধবার কৃষ্ণনগরে জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক যোদে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিরদ্ধে সুর চড়ান। গুরুতর অভিযোগ আনেন তিন দলের বিরুদ্ধেই। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা নিয়েও সরব হয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি তুমি বড় বড় কথা বলছ। তার দুই সাগরেদ সিপিএম ও কংগ্রেস। কিচ্ছু করে না। নির্বাচনের সময় রাম, বাম শ্যাম মানে জগাই, মাধাই ও গদাই এক হয়ে যায়। নির্বাচনের সময় দেখবেন তিনটে পার্টি এক হয়ে যায়। কানাঘুষো থেকে নানারকম আদানপ্রদান, রাজনীতির সঙ্গে আরও কিছু লেনদেন চলে। এই সত্যটা প্রকাশ করে দিন।এই সভাতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের জন্য মোদি সরকারের অর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ তোলেন তৃণমূলনেত্রী। তিনি বলেন, ১০০ দিনের কাজ করে গরীব মানুষগুলো। একবছর ধরে টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। দেড় কোটি লোক বঞ্চিত ১০০ দিনের কাজে যুক্ত। কেন্দ্রের বঞ্চনা সত্বেও ২৮ লক্ষ জব কার্ড হোল্ডারদের কাজ দিয়েছি। ৯০ দিন হয়ে গিয়েছে। ৫ বছর টানা ১০০দিনের কাজে প্রথম হয়েছি। গ্রামীণ সড়ক যোজনা, আবাস যোজনায়ও প্রথম। তাই এই বঞ্চনা। আমাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজনীতি

মদনের 'টপকে যাওয়া' মন্তব্যে চরমে বিতর্ক, পঞ্চায়েতে জোটেই সওয়াল বিজেপি সাংসদের

নন্দকুমারে সমবায় নির্বাচনে বাম-বিজেপি জোট ধরাশায়ী করেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। তারপরই বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বিরোধীদের সার্বিক জোটের কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি জায়গায় জোট হবে। সবাই মিলে একসঙ্গে তৃণমূলকে হারাতে জোট বাধবে। যে জিতবে সেই প্রার্থীকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেবে মানুষ। তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের এই জোটে আসতে আবেদন জানিয়েছে সৌমিত্র। এদিকে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক হুঁশিয়ারি করেছেন বাম-বিজেপি জোটকে। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে মদন মিত্র বলছেন, এখানে বিজেপি-সিপিএম মনে করে এটাকেও নন্দকুমার বানাবো। এখানে সব খবর পাচ্ছি। কারা ভিতরে ঘোঁটবাজি করছে, নজর রাখছি। আস-যাওয়ার পথে সাবধানে থাকবেন। রাস্তায় খানা খন্দ আছে, বাম্পার আছে কখন কোথায় টপকে যাবেন তখন নিজেদের বুঝতে অসুবিধা হবে। মদন বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের ভিতরে থেকে বিজেপির দালালি করেন। বাইরে থেকে গায়ে কালি মেখে নোংরামি করে তৃণমূলের বদনাম করার চেষ্টা করেন। তার ডোজ কী করে দিতে হয় তা তৃণমূলের কর্মীরা ভাল করে জানে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর বক্তব্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্রর কথায়, কিভাবে তৃণমূল নেতারা রাস্তায় হোচোট খাচ্ছেন তা সবাই দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তায় হোচোট খেতে খেতে পার্থ জেলে, অনুব্রত জেলে।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েতের আগে রাজ্যে বোমা-গুলি উদ্ধার, তোপ বিজেপি-সিপিএমের

পঞ্চায়েত নির্বাচন এগিয়ে আসছে রাজ্যের নানা প্রান্তে অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। এই অস্ত্র-বোমা-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় তোপ দেগেছে বিরোধী দলগুলি। এর আগে উত্তর ২৪ পরগনার শাসনের তৃণমূল নেতা সুকুল আলির বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, খোদ কলকাতার এপিসি রোড থেকেও অস্ত্র মিলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্যই এই বোমা-গুলির কারবার চলছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ।বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ আর নেই। তাদের থেকে মানুষ এখন শতযোজন দূরে। এখন পঞ্চায়েত ভোট জিততে গেলে তৃণমূলের দরকার বোমা ও গুলি। সেই কারবারই চলছে। এখান থেকে সারা ভারতের সন্ত্রাসবাদী কাজ চলছে। এখানকার সরকারের আশীর্বাদ আছে তাদের মাথায়। সিপিএম নেতা প্রাক্তন সাংসদ শমীক লাহিড়ী বলেন, এই রাজ্যটাকে অস্ত্রের কারবার ও সমাজ বিরোধীদের স্বর্গরাজ্য় বানানো হয়েছে। তৃণমূল সাংসদ প্রকাশ্যে বোমা তৈরির ফর্মূলার কথা বলছে। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করছে না। এখন সমাজবিরোধীরা সরকার চালাচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন’— মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চাঞ্চল্য

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার মধ্যে বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন।একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে এই ইস্যুতে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেলেন না সরকারি কর্মীরা? আমি তো সব পরিষ্কার করে দিয়ে এসেছিলাম।এই বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়কার একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে অভিরূপ সরকারের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমি ২০১৬ সালে মন্ত্রী হই। ২০১৯ সালে আমি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে পে কমিশনের টাকা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, অর্থমন্ত্রী জানাচ্ছেন কমিশনের রিপোর্ট তৈরি হয়নি। আমি বলি, সেটা ভুল কথা। কমিশনের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করুন।শুভেন্দুর দাবি, তখন কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন যে অর্থমন্ত্রী তাঁকে রিপোর্ট জমা দিতে বারণ করেছিলেন, কারণ সরকারের কাছে টাকা ছিল না। তিনি বলেন, আমি তখনই বলেছিলাম, রিপোর্টটি দিয়ে দিন।পশ্চিমবঙ্গে ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বহুদিন পেন-ডাউন আন্দোলনও চলেছে।এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ২০২০ সালে ষষ্ঠ পে কমিশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডিএ তুলে দেওয়া হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই লড়াইয়ে আমারও ছোটখাটো ভূমিকা ছিল। যারা থার্ড পার্টির মাধ্যমে টাকা পান, তাঁদের বিষয়টিও আমরা দেখছি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধীরে ধীরে কমানো হবে। অনেকে ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে, আবার কেউ কেউ ১০ শতাংশের কথা বলছিলেন। আমরা কোনওটাই করিনি। হিসাব করে যা দেওয়া হয়েছে, তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাকি অংশও পূরণ করা হবে।তাঁর এই আশ্বাসে সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

‘বিজেপির পাশবালিশ হয়ে যান’— ঋত শিবিরকে মমতার কড়া বার্তা

এবারের ২১ জুলাইয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ভিন্ন ছবি সামনে এল। একদিকে মেয়ো রোডে বিদ্রোহী ঋত শিবিরের কর্মসূচি, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কালীঘাট তৃণমূলের সভা। একই সময়ে দিল্লিতেও বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের উদ্যোগে একুশে স্মরণ পালন করা হয়। সব মিলিয়ে দলের ভিতরের বিভাজন প্রকাশ্যে চলে আসে।কালীঘাট তৃণমূলের মঞ্চ থেকে বিদ্রোহী শিবিরকে একের পর এক আক্রমণ করা হয়। ভিড়ের তুলনা টেনে কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষও।কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে ফাঁকা চেয়ার। বিজেপিকে ফোন করে লোক আনার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের প্রতীকে জিতে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, বাংলার মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী একজন, বাকি আমরা সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ও প্রতীকের বিরুদ্ধে কেউ গেলে তার কোনও জায়গা নেই।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিদ্রোহী শিবিরকে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক দেশ, এক ভোট চালু হলে ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও বিধানসভা নির্বাচন হবে। তখনই ডেট অফ এক্সপায়ারি দেখা যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাষণে বিদ্রোহী ঋত শিবিরকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। দলের প্রতীক নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। আমি ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট। আইনত আমাদের প্রতীক কাড়তে পারবে না। যদি কাড়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে মনে রাখবে তোমাদের সবটা কেড়ে নেব।মমতা আরও বলেন, অভিষেকের বিরুদ্ধে চারশো মামলা হয়েছে। কিন্তু কোনও মামলায় প্রমাণ দিতে পারবে না। তিনি দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রতিও সমর্থন জানান। তাঁর বক্তব্য, দরকার হলে আমি নিজেও তাদের কর্মসূচিতে যাব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে, থাকবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী শিবিরকে উদ্দেশ করে বলেন, পাঁচ ওয়াট, দশ ওয়াটের বাল্ব এখন ভাবছে সে হ্যালোজেন হয়ে গিয়েছে। আমি নেত্রীকে অনুরোধ করব, যারা দল ছেড়ে গেছে, তাদের কাউকে আর ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আয়কর, সিআইডি, এসটিএফ সবাই একসঙ্গে লাগলেও ভয় পাই না। গলা কেটে দিলেও আমার শরীর থেকে জয় বাংলা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ শোনা যাবে।মঞ্চ থেকে উপাসনা চৌধুরীও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, যখনই মা-মাটি-মানুষের উপর আঘাত আসবে, তখনই সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়াবে।এবারের একুশে জুলাই তাই শুধু শহিদ স্মরণ নয়, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রকাশ্য মঞ্চ হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকল।

জুলাই ২২, ২০২৬
রাজ্য

সিকিমের টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমার আরও এক যুবকের মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

সিকিমে টানেল নির্মাণের কাজে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল নাগরাকাটা ব্লকের মনমোহনধুরা গ্রামের যুবক অর্জুন সাউতালের। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও গোটা এলাকায়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে বাড়তি রোজগারের আশায় সিকিমে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন অর্জুন। সেখানে টানেল নির্মাণের কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে মনমোহনধুরা গ্রাম। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা।অর্জুন সাউতাল ছিলেন পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য। পরিবারে বাবা-মা, চার ভাই ও বৌদিদের নিয়ে বড় সংসার। সংসারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত দুঃস্বপ্নে পরিণত হল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিমের এই টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমা থেকে এখনও পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর মধ্যে মেটেলি ও নাগরাকাটা ব্লক মিলিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর গোটা মহকুমাজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।এলাকাবাসীদের অভিযোগ, নাগরাকাটা ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। বাধ্য হয়েই বহু যুবক জীবিকার সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। কিন্তু কাজের খোঁজে গিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে বহু মানুষকে আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে যেতে হতো না।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

বিরোধীদের চাপের মুখে কি নতি স্বীকার? নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সরকারের বড় ঘোষণা

নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র সরকার। বুধবার সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। নিট প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিরোধীরা সরব। একই সঙ্গে আন্দোলনে নামে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানায়।সোমবার সিজেপি সংসদ অভিযানের ডাক দেয়। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের কাছে ধরনায় বসেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী -সহ কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদবও। পরে দিল্লি পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।ধরনার সময় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তখন তিনি নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগ, সেই আশ্বাসের পরও রাহুল গান্ধী ধরনা তুলতে রাজি হননি।এই পরিস্থিতিতে কিরেণ রিজিজু বলেন, বিরোধীরা আলোচনার সময় তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবে। কেউ তাদের বাধা দেবে না। কিন্তু আলোচনা শুরুর আগেই যদি শর্তের পাহাড় তোলা হয়, তাহলে বোঝা যায় তারা আসলে আলোচনা চায় না।সরকারি সূত্রের খবর, বিরোধীরা চাইলে বৃহস্পতিবার থেকেই নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনা শুরু হতে পারে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় তুমুল কাণ্ড! মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বের করে দিলেন স্পিকার

দুই তৃণমূলের দ্বন্দ্বে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। কুণাল ঘোষ ও আখরুজ্জামানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হয় অধিবেশনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বিধানসভা থেকে বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়।বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে বিরোধ বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ঋতব্রত শিবির বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আখরুজ্জামান মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন।বুধবার আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজেপির মন্ত্রী শংকর ঘোষ ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান।এরপরই স্পিকার মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে কুণাল ঘোষের নাম থাকলেও মুখ্য সচেতক সেই নাম কেটে অন্য নাম যুক্ত করছেন। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ।আখরুজ্জামান পরে বলেন, ৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিলে সময় হবে না। তাই কে বলবেন, তা আমরা ঠিক করব।ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন অসভ্যতা আমি বিধানসভায় আগে দেখিনি। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আখরুজ্জামান একজন প্রবীণ নেতা। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।এই ঘটনার পর বিধানসভায় দুই তৃণমূল শিবিরের সংঘাত আরও প্রকট হয়ে উঠল বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

মহিলা সাংসদের সঙ্গে বচসা, তারপরই বড় সিদ্ধান্ত! কল্যাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এনসিপিআই সাংসদ মিতালী বাগের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, লোকসভায় মিতালী বাগের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় তিনি মিতালী বাগকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য সাংসদ, যার মধ্যে বাপি হালদারও ছিলেন, তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।এনসিপিআই সাংসদদের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর আগেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে অসম্মান করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বচসা একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয় বলেও সূত্রের দাবি।এরপর এনসিপিআই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল অসংসদীয় আচরণের প্রস্তাব আনেন। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের ভাঙনের ফলে কালীঘাট তৃণমূলে হাতে গোনা কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংসদে দলের অন্যতম মুখ।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, কল্যাণদা সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। এই নিয়ে আগেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। স্পিকারকে ধন্যবাদ, তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

উচ্ছেদ নয়, এবার কলেজ স্ট্রিটের ‘মেকওভার’! কী কী বদল আসছে জানেন?

কলেজ স্ট্রিটকে উচ্ছেদ নয়, নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। বুধবার ভোরবেলা পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল কলেজ স্ট্রিটে গিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্মিতা পাণ্ডে ও কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা।এলাকা পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পথচারী ও বই বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন, কীভাবে কলেজ স্ট্রিটকে আরও সুন্দর করে তোলা যায়।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলেজ স্ট্রিটের একটি অংশকে নো ভেহিকেলস জোন করা হবে। সেখানে কোনও গাড়ি চলবে না, হর্ন বাজবে না। বইপ্রেমীরা ওই এলাকায় সাইকেলে ঘুরতে পারবেন। তবে বাইরে থেকে সাইকেল আনা যাবে না; নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইকেল ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। বয়স্কদের জন্য ব্যাটারি চালিত গাড়ির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি সেখানে ক্যাফে, বই পড়ার বেঞ্চ এবং শান্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে।অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, কলেজ স্ট্রিট হল বইপাড়া। এখানে শুধু বই, খাতা, নোটপ্যাডের দোকান থাকবে। আমরা চাই জায়গাটি সুন্দর ও শান্ত হোক। তবে মূল কলেজ স্ট্রিট রাস্তায় আপাতত কোনও পরিবর্তন করা হবে না, কারণ সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাফিক জোন।তিনি আরও জানান, রেলিংয়ের সামনে থাকা কিছু দোকানকে অন্যত্র সরিয়ে একইরকম নকশার স্টলে বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্দেশ্য হল, এলোমেলো টিনের দোকানের বদলে একটি সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় বইপাড়া গড়ে তোলা।দোকানদারদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, যাঁদের বইয়ের দোকান রয়েছে, তাঁদেরই পুনর্বাসন করা হবে। কারও রুজিরুটিতে আঘাত করা হবে না। শুধু জায়গাটিকে আরও সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে।বই বিক্রেতারাও এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক বিক্রেতা বলেন, সরকার বলছে দোকান তোলা হবে না, শুধু সুন্দর করে সাজানো হবে। সেটা হলে ভালোই। আরেকজনের কথায়, আমরা চাই কলেজ স্ট্রিট সুন্দর হোক, কিন্তু আমাদের পেটে যেন লাথি না পড়ে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব এবার বিধানসভায়! মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা

বিধানসভায় ফের বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিল। বুধবার অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে উঠে আবার বসে পড়তে হল কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা চলার সময় শোভনদেব বক্তব্য রাখতে উঠেছিলেন। কিন্তু তিনি বক্তব্য শুরু করতে পারেননি। তাঁকে বসে পড়তে হয়।এরপর কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হচ্ছে, তা কেটে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিধায়কদের বক্তব্য রাখার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি জানান।আলিফা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে পাঠানো বক্তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। বিধানসভার সদস্য হিসেবে সকলের নির্দিষ্ট সময় আছে। আগে থেকে জানা গেলে সুবিধা হয়। তাই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, এখানে অনেক বিরোধী দল আছে। কালীঘাটপন্থী আছেন, আইএসএফ আছে, সিপিআইএম আছে, কংগ্রেস আছে। আমরা চাই সবাই সময় ভাগ করে নিক।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও পাঁচ বছর বিরোধী দলনেতা ছিলাম। তখন চিফ হুইপ বক্তব্য রাখার সময় ঠিক করতেন। আপনাদের নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান। সেই ঝগড়া মেটানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বা হাউস বসে নেই। নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে সুষ্ঠুভাবে অধিবেশন চলতে দিন।উল্লেখ্য, বিধানসভায় কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন। অন্যদিকে ঋতব্রতপন্থীরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে কোন শিবিরের তালিকা অনুযায়ী বক্তব্য হবে, তা নিয়ে বারবার বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal