• ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজনীতি

"অমিত শাহ বাউলের গান শুনেছেন, কিন্তু মনের কথা শোনেননি"

রাজ্যে দল ভাঙা-গড়ার কাজ চলছে জোরকদমে। কে কোন দলে আছেন, আর নেই তা বোঝাই দায় হয়ে পড়েছে। ঘনঘন জার্সি বদল চলছে খেলার মযদানের মতোই। বুধবার তৃণমূল ভবনে এক প্রশ্নের জবাবে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়(partha chatterjee) বিজেপির উদ্দেশে বলেন, নিজের সংগঠনের ওপর জোর নেই। আগে নিজের ঘর সামলাও পরে অন্যের দিকে নজর দেবে। জঞ্জাল দিয়ে দলটা ভর্তি করছে, তা ভবিষ্য়তই বলবে। কাটমানি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পার্থ বলেন, ওরা সব কিছুতেই কাট দেখে। বিজেপি তুমি বাংলা থেকে কাটো। সম্প্রতি দুদিনের বাংলা সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ( amit shah)। শান্তিনিকেতনে য়ে বাউলের গান শুনেছেন তিনি এখন তৃণমূল শিবিরে। পার্থ চট্টেপাধ্যায় বলেন, অমিত শাহ পুরো ড্রামা করেছেন। গান শুনেছেন বাউলের। কিন্তু বাউলের মনের কথা শোনেননি তিনি। মনের কথা না শোনা বাহুবলী নীতি বিজেপির। কাউকে জোর করে আনা আর মন থেকে আসা পুরো আলাদা। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বারে বারে বাংলায় আসছে। তৃণমূল মহাসচিবের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের জন্য কিছু ভাবছে না বিজেপি। যা ভাববে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়াবে। বাংলার আইন-শৃঙ্খলা এত ভাল যে বারবার ওদের আসতে হচ্ছে। কে ভোগী আর ত্যাগী মানুষ তাঁর জবাব দেবে। মিথ্যা-অপপ্রচার করছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস কে গেল আর কে এল এসব নিয়ে ভাবে না।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

সায়ন্তনের পর অগ্নিমিত্রাকে শোকজ, কেন এই পদক্ষেপ বিজেপির?

একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বাম-কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগপর্ব চলছে। একইসঙ্গে চলছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে শোকজের পালা। মঙ্গলবার সায়ন্তনসহ তিনজনকে শোকজ করার পর বুধবার শোকজ করা হল রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে। রাজ্য বিজেপি জানিয়েছে, দলবিরোধী মন্তব্যের জন্য অগ্নিমিত্রাকে শোকজ করা হযেছে। ১৮ ডিসেম্বর তিনি সংবাদ মাধ্যমে ওই মন্তব্য করেছিলেন। তবে কী মন্তব্য করার জন্য তাঁকে শোকজ করা হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া চিঠিতে লেখা নেই। চিঠিতে অগ্নিমাত্রা পালকে বলা হযেছে ৭ দিনের মধ্যে দিলীপ ঘোষের কাছে তাঁকে জবাব দিতে হবে। উত্তর সন্তোষজনক না হলে দল কঠোর শাস্তি দেবে বলেও তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুকে শোকজ করে রাজ্য নেতৃত্ব। তাঁকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু তৃণমূল ছাড়ার পরপরই জিতেন্দ্র তেওয়ারী তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বিজেপি যোগের সম্ভাবনা প্রবল হয়। তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে তাঁরা বৈঠকও করেন। কিন্তু তারপরই আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, সায়ন্তন বসু, অগ্নিমিত্রা পাল জিতেন্দ্রকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে আপত্তি জানান। বাবুল তো সরাসরি তাঁর আপত্তির কথা জানিয়ে দেন। বাকিরা সেই মতকে সমর্থন করে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সম্ভবত এই কারণেই অগ্নিমিত্রা পালকে শোকজ করা হল।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

"আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই"-শুভেন্দু

বিধানসভার টিকিট চান না সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর একটাই লক্ষ্য রাজ্যে পরিবর্তন আনা। পূর্বস্থলীতে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম জনসভায় কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না তৃণমূল কংগ্রেসকে। তাঁর কথায় দেড় জনে মিলে তৃণমূল চালাচ্ছে। শনিবার মেদিনীপুরে এক জনসভায় অমিত শাহর(amit shah) হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। তারপর পূর্ব বর্ধমানে এটাই ছিল তাঁর প্রথম জনসভা। এই জনসভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আরও পড়ুন--প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু বলেন, দলকে আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্য়ে ১৬ ঘণ্টা খাটবো। যেখানে বলবে সেখানে যাব। হারবই হারাব। আমরা জিতবই। নতুন বাংলা গড়ব, সোনার বাংলা গড়ব। পরিবর্তনের পরিবর্তন চাই। দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে যা নির্দেশ দেবে তা আমরা পালন করব। মীরজাফরের সঙ্গে তুলনা টানা হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীকে। বিজেপি যোগ নিয়েই তৃণমূল নেতৃত্ব তোপ দেগে চলেছে শুভেন্দুকে। প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মীরজাফরের জবাবে বলেন, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৯৮-এ পঞ্চায়েত ভোট, ১৯৯৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে কারা ছিল। সেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী তৃণমূল কংগ্রেসকে আশ্রয় না দিতেন, লালকৃষ্ণ আদবানী আশ্রয় না দিতেন এই দলটা ২০০১ সালেই উঠে চলে যেত। এটাকে অস্বীকার করতে পারবেন না। আরও পড়ুন--এক মাসেই ২২৩টি ধর্ষণের অভিযোগ নথিভুক্ত বাংলায়, টুইটে তোপ মালব্যের বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের যোগ নিয়ে তিনি আরও বলেন, ২০০৪ সালে তমলুক লোকসভায় কেউ লড়তে রাজি হয়নি। সেদিন আমি এনডিএ-র প্রার্থী হয়ে লড়েছিলাম। একদিকে বিজেপির ঝান্ডা অন্যদিকে তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে লড়েছিলাম। ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামের গণহত্য়ার দিন অন্য় কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা আসেননি। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পাশে ছিলেন।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
কলকাতা

মার্চে ভোট করতে চেয়ে কমিশনকে  চিঠি দিয়ে জানাল রাজ্য

মার্চে কলকাতা পুরসভার ভোট হতে পারে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিল সরকার। মঙ্গলবার প্রশাসনের তরফে চিঠি পাঠিয়ে জানানো হল, মার্চে হতে পারে পুরভোট। চিঠি আরও জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তারপর পুরনির্বাচনের যথাযথ প্রস্তুতি নিতে খানিকটা সময় লাগবে। ওয়ার্ড বিন্যাস, সংরক্ষণ সম্পূর্ণ করতে অন্তত মাসখানেক সময় প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে মার্চ মাসের শেষে ভোট হতে পারে। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, পুরভোটের জন্য প্রস্তুত দল। আরও পড়ুন ঃ শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য দুয়ারে সরকারের দ্বিতীয় পর্যায়ে মানবিক প্রকল্প আগামী ১৭ তারিখ এই চিঠিই সুপ্রিম কোর্টে পেশ করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতা পুরসভায় ভোট হলেও এখনই রাজ্যের অন্য কোনও পুরসভার ভোট হবে না বলেই জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। কলকাতা পুরসভায় দ্রুত নির্বাচন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছিলেন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা শরদ কুমার সিং। সেই মামলায় ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যকে পুরসভার ভোটের নির্ঘন্ট জানাতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূলের পরিবারটাই দল, আর বিজেপির দলই পরিবারঃ নাড্ডা

রাজ্যে ১৩০ জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আমি নিজে ১০০ জনের তর্পণ করেছি। এটা কোন বাংলা? বুধবার হেস্টিংসে অগ্রবাল ভবনে স্থিত দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে গঠিত নতুন নির্বাচনী দফতরের উদ্বোধন করেন জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, মমতার আর এক নাম অসহিষ্ণুতা। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের আমলে অসহিষ্ণুতা বেড়েই চলেছে। বুধবার কলকাতা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় বিজেপি ৯টি নির্বাচনী কার্যালয়েরও উদ্বোধন করেন নাড্ডা। এ দিন তিনি জানান, আগামী দিনে মোট ৩৮টি কার্যালয় তৈরি হবে। ই-লাইব্রেরি থাকবে প্রতি কার্যালয়ে। কনফারেন্স হল থাকবে। বড় সভা করার জায়গা থাকবে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, পার্টি অফিস আর কার্যালয়ে অনেক তফাৎ। বিজেপি কার্যলয়ে বিশ্বাস করে। কার্যালয় আসলে সংস্কারের কেন্দ্র। আরও পড়ুন ঃ শ্বাসকষ্টের সমস্যার জের, হাসপাতালে ভরতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তিনি বলেন, তৃণমূলের কাছে পরিবারটাই দল আর বিজেপির কাছে দলই পরিবার। তাই নেতার বাড়ি থেকে নয়, কার্যালয় থেকে দল চালায় বিজেপি। এছাড়াও তাঁর বক্তব্য, লকডাউনে বিজেপি কর্মীরা ভাল কাজ করেছেন। রেশন বন্টন করেছেন বিজেপি কর্মীরা। আর সেই কর্মীদের বাধা দিয়েছে তৃণমূল। সবশেষে নাড্ডা আশ্বাস দেন, বাংলার সংস্কৃতিকে রক্ষা করার। পাশাপাশি এদিনও নাড্ডা দাবি করেছেন বাংলায় ২১-এর বিধানসভা ভোটে ২০০-র বেশি আসন নিয়ে জিতবে বিজেপি। সোনার বাংলাকে দুর্নীতি, ভাই-ভাতিজার রাজনীতি গ্রাস করেছে বলেও এদিন দাবি করেন তিনি। সরব হন তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিপক্ষেও। রাজ্য সরকারকে কড়া সমালোচনা করে নাড্ডা বলেন, বাংলায় ১৩০ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। যখনতখন বিজেপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। যাঁরা সরকারের সমালোচনা করছেন, তাঁদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এদিন বেলা ১টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা হেস্টিংসে চলে আসেন জেপি নাড্ডা। সেখানে পৌঁছানো মাত্রই জেপি নাড্ডাকে কালো পতাকা দেখানো হয়। নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় বেশকিছু মানুষ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
দেশ

রাজস্থানের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নিল বিজেপি

রাজস্থানের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে জয়জয়কার বিজেপির। গত ২৩ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজস্থানের জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতি মিলিয়ে মোট ৪,৩৭১টি আসনের নির্বাচন হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ১,৮৩৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ১,৭১৩টি আসনে। ৪১৩টি আসন গিয়েছে নির্দলদের দখলে। লোকসভার সাংসদ হনুমান বেনিওয়ালের দল রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টির দখলে গিয়েছে ৫৬টি আসন। সিপিআই ১৬টি এবং বিএসপি ৩টি আসন পেয়েছে। এনসিপি পেয়েছে ১টি আসন। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল কৃষকদের ডাকে ভারত বনধ, সমর্থন ১৬টি রাজনৈতিক দলের শুধু তাই নয়, রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গোবিন্দ সিং দোতাসরার নিজের এলাকা এবং একাধিক মন্ত্রীর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেও হারতে হয়েছে কংগ্রেসকে। অনেকেই মনে করেছেন, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা সত্বেও পঞ্চায়েতে এই হার কংগ্রেসের দৈন্যদশার বহিঃপ্রকাশ। আবার অনেকে মনে করছেন, সাংগঠনিক দুর্বলতার থেকেও বড় ফ্যাক্টর হল শচীন পাইলট ও অশোক গেহলটের দ্বন্দ্ব। সম্প্রতি অশোক গেহলটকে একাধিকবার আশঙ্কা প্রকাশ করতে শোনা গিয়েছে, বিজেপি তাঁর সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হারের পর সেই আশঙ্কা যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

দিল্লিতে কৃষক আন্দোলন, এবার কলকাতায় পথে তৃণমূল কংগ্রেস

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অলআউট আক্রমণে ঝাপাতে চলেছে তৃণমূল।আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে তৃণমূলের বঙ্গধ্বনি যাত্রা। ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। সরকারের কাজের খতিয়ান নিয়ে রাজ্যের সবকটি কেন্দ্রে পথে নামবেন তৃণমূল নেতা-বিধায়করা। রাজ্যের ৪২ হাজার ৬০০ গ্রামে এই কর্মসূচি নিয়ে পৌছে যাবে বিধায়করা। শুক্রবার বৈঠকে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় পথে নেমে আন্দোলন হবে। আগামী ৮,৯ ও ১০ ডিসেম্বর কৃষি আইনের বিরোধিতায় গান্ধি মূর্তির পাদদেশে অবস্থান করবে তৃণমূল কংগ্রেস কিষাণ ও ক্ষেতমজুর সমিতি। হরিপালের বিধায়ক বেচারাম মান্নাকে তিনদিনের সমাবেশ আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১০ তারিখ অবস্থানে উপস্থিত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন তিনি বক্তৃতা রাখবেন বলে জানিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যের আবেদন খারিজ, আমফানের দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তে ক্যাগই, নির্দেশ হাইকোর্টের এছাড়াও ৬ ডিসেম্বর ব্লকে ব্লকে সংহতি দিবস পালন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর জেলা সদরে বিক্ষোভ দেখাবে কৃষক শ্রমিকরা। এছাড়াও ৭ ডিসেম্বর থেকে জেলা সফর শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন মেদিনীপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। ৮ ডিসেম্বর রানীগঞ্জে তাঁর সভা রয়েছে। ৯ ডিসেম্বর বনগাঁ, ১৫ ডিসেম্বর জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার বা পার্শ্ববর্তী এলাকায়, ১৬ ডিসেম্বর কোচবিহারে সভা রয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়েই লড়বে বাম- কংগ্রেস

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জোট বেধে লড়বে বাম - কংগ্রেস। মঙ্গলবার জোট নিয়ে আজ আরও এক দফা বৈঠক ছিল বাম ও কংগ্রেসের। বৈঠক পর একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন অধীর চৌধুরি ও বিমান বসু। বিমান বসু জানান, বাংলায় জোট শক্তিশালী হচ্ছে। অধীরবাবু বলেন , জোটকে অস্বীকার করা যাচ্ছে না। তবে আসন-বণ্টন কী হবে তা নিয়ে আজকের বৈঠকে কোনও আলোচনা হয়নি। এই বিষয়ে আগামীদিনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান অধীরবাবু। এছাড়াও ২৬ নভেম্বর বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শামিল হবে কংগ্রেসও। ধর্মঘটের সমর্থনে ২৩ নভেম্বর মিছিল করবে বাম ও কংগ্রেস। মেট্রো চ্যানেল থেকে হেদুয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন অধীর-বিমানরা । ২৬ নভেম্বর বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শামিল হবে কংগ্রেসও । ধর্মঘটের সমর্থনে ২৩ নভেম্বর মিছিল করবে বাম ও কংগ্রেস। মেট্রো চ্যানেল থেকে হেদুয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন অধীর-বিমানরা। আরও পড়ুন ঃ শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড় অন্যদিকে , এদিন জাঙ্গিপাড়ায় ফুরফুরা শরিফে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী এবং পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরি এবং বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। ফুরফুরায় আসার আগে ডানকুনিতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন অধীরবাবু । সেখানে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বার্থে বিজেপি ও তৃণমূলকে দূরে রাখতে হবে এবং সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে কংগ্রেস এবং বামেদের উপর। ফুরফুরায় দুই পীরজাদার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, সিদ্দিকী সাহেবরা বাংলার সর্বস্তরের, সর্বধর্মের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করেন। ফুরফুরা শরিফ একটি পীঠস্থান । বাংলার রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি হিসেবে কংগ্রেস এবং বাম আগামী দিনে জোটবদ্ধভাবে লড়াই করতে চাইছে। বাংলাকে রক্ষা করার স্বার্থে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির হাত মজবুত করা দরকার। তাই পীরজাদাদের কাছে দোয়া করার আবেদন করেছি ।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনিঃ কপিল সিব্বল

যে সব রাজ্যে বিকল্প হিসেবে মানুষ আমাদের চাইছেন, আমরা তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফের দলীয় নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করলেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল। তিনি আরও বলেন , দলের মধ্যে এমন একটা ভাব যেন কিছুই হয়নি। মানুষ যাঁদের কথা শুনতে চান তাঁদের তুলে আনা উচিত। সক্রিয় নেতাদের কাজে লাগানো উচিত। আমাদের নানা সংস্কারের কাজ করতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সরকার গড়তে না পারায় রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা আরজেডি নেতার এছাড়াও তিনি বলেন , কংগ্রেসকে সাহসী হতে হবে। আলোচনা পর্যালোচনার আর কোনও জায়গা নেই। কোথায় ভুল হচ্ছে, কোথায় সমস্যা রয়েছে কংগ্রেস সবটাই জানে। শুধু সেগুলো মেনে নিতে রাজি নয় তাঁরা। প্রসঙ্গত , এবারের বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফল করেছে করছে কংগ্রেস। ৭০টি আসনে লড়ে মাত্র ১৯টিতে জয় পেয়েছে তারা। যার ফলে বিহারে মুখ থুবড়ে পড়েছে কংগ্রেস-আরজেডির বিরোধী মহাজোট। ভাল ফল করেও সরকার গড়তে পারেনি আরজেডি।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সরকার গড়তে না পারায় রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা আরজেডি নেতার

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র কয়েকটি আসনের জন্য সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি বিরোধী মহাগটবন্ধন। জিতে গিয়ে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ। এবার এই খারাপ ফলের জন্য সরাসরি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন আরজেডি নেতা শিবানন্দ তিওয়ারি। সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই আরজেডি নেতা বলেছেন, বর্তমানে মহাজোটের পায়ের শিকলে পরিণত হয়েছে কংগ্রেস। ৭০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ওরা ৭০টি জনসভাও করেনি। রাহুল মাত্র তিন দিন প্রচারে এসেছিলেন। এটা ঠিক নয়। যখন নির্বাচন চলছিল তখন রাহুল গান্ধী সিমলায় পিকনিক করছিলেন। এভাবে একটা দল চলতে পারে? আরও পড়ুন ঃ রাহুল গান্ধীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য , ওবামার কড়া সমালোচনা অধীরের তিনি আরও বলেন, কংগ্রেস শুধু বেশি প্রার্থী দেওয়ার দিকে জোর দেয়, কীভাবে তাঁদের জেতাতে হবে সে বিষয়ে কংগ্রেসের কোনও পরিকল্পনা নেই। যেভাবে কংগ্রেস চলছে তাতে বিজেপিরই সুবিধা হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বিহারে ৭০ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে আরজেডি পেয়েছে ৭৫টি আসন। সব মিলিয়ে বিরোধী মহাজোট পেয়েছে ১১০টি আসন। ম্যাজিক ফিগার ১২২। মাত্র ১২ টি আসন না পাওয়ায় জয় হাতছাড়া হয়েছে মহাগটবন্ধনের।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএ'র

সমস্ত এক্সিট পোলের হিসেবকে উলটে দিয়ে বিহারে ক্ষমতা ধরে রাখল বিজেপি - জেডিইউ জোট। এনডিএ জোট পেল ১২৫ টি আসন , মহাগটবন্ধন পেল ১১০ টি আসন। এছাড়াও মিম জিতেছে পাঁচটি আসন। অন্যান্যরা তিনটে আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি জেডিইউয়ের থেকে বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি পেয়েছে ৭২ টি আসন। জেডিইউ ৪২ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতিশ কুমারই। এমনই জানানো হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বুধবার ভোর তিনটে নাগাদ বিহার নির্বাচনের পুরো ফল প্রকাশিত হয়। তারপর থেকে বিজেপি ও জেডিইউ কর্মীরা উৎসবে মেতে ওঠেন। এনডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে , এই সপ্তাহেই শপথ অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটে লেখেন , বিহারের প্রতিটি ভোটার স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের কাছে সবার আগে উন্নয়ন। বিহারে ১৫ বছর পরে আবারও এনডিএ-র সুশাসনের আশীর্বাদ মিলছে। স্পষ্ট হচ্ছে বিহারের স্বপ্ন আর প্রত্যাশাগুলি ৷ বিহার গোটা বিশ্বকে গণতন্ত্রের প্রথম পাঠ শিখিয়েছে । আজ বিহার বিশ্বকে আবার বলেছে কীভাবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় । বিহারের রেকর্ড সংখ্যক দরিদ্র, বঞ্চিত এবং মহিলারা ভোটও দিয়েছেন এবং উন্নয়নের জন্য তাঁদের মত দিয়েছেন। অন্যদিকে , কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন টুইটে লেখেন, বিহারের প্রতিটি প্রান্ত জাতপাতের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ৷ গ্রহণ করেছে এনডিএ-র উন্নয়নের রাজনীতিকে। এটি বিহারের প্রত্যেক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়। এটি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে জোড়া উন্নয়নের জয় । আমি এই জয়ের জন্য প্রত্যেক বিজেপি কর্মীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আরও পড়ুন ঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ অন্যদিকে , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৭০ টি আসনে মাত্র ২০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৭৫ টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে একক বৃহত্তম দল হয়েছে আরজেডি। বামেরআ ২৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১৬ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু কংগ্রেসের খারাপ ফলের জেরে বিজেপিকে হারিয়ে মহাজোটের জয় অধরাই থেকে গেল। অনেক আশা জাগিয়েও ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে রয়ে গেলেন তেজস্বী যাদব। অন্যদিকে এলজেপি নেতা চিরাগ পাসোয়ান লেখেন , বিহারের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর উপর ফের ভরসা রেখেছে। প্রত্যেক প্রার্থী নিজেদের মতো করে নির্বাচনে দারুণ লড়াই করেছেন । দলের ভোট বেড়েছে । প্রত্যেক জেলায় দল শক্তি বাড়িয়েছে যা ভবিষ্যতে কাজে আসবে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
দেশ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীদের পিছনে ফেলে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে চলেছে এনডিএ। মঙ্গলবার সকালে ভোট গণনা শুরু হতেই বিজেপিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে থাকে আরজেডি , কংগ্রেস ও বামেদের মহাগটবন্ধন। কিন্তু এদিন বেলা বাড়তেই উলটে যায় পাশা। বিরোধী জোটকে পিছনে ফেলে ক্রমশ এগিয়ে যেতে থাকে এনডিএ। বলা ভাল বিজেপি। নীতীশ কুমারকে এদিন বিজেপি টেনে তুলল। বিহারে বড় শরিকের চেয়ে বেশি আসন পেল তারা। বিরোধী শিবিরে ঠিক উলটো দশা। কংগ্রেসের সঙ্গে থেকে ডুবতে হচ্ছে তেজস্বীর আরজেডি-কে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ১২২টি আসনে। তার মধ্যে ৭০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। বিরোধীদের মহাগটবন্ধন এগিয়ে রয়েছে ১১৪ টি আসনে। অন্যান্যরা এগিয়ে রয়েছে ৭ টি আসনে। জানা গিয়েছে , এখনও পর্যন্ত ৫০ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। যে আসনগুলিতে এখন গণনা চলছে , তার মধ্যে ২৫ টি এমন আছে , যার ব্যবধান মাত্র ১০০০ ভোট। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে , করোনা পরিস্থিতিগত কারণে ভোট গণনা শেষ হতে রাত গড়িয়ে যাবে। আরও পড়ুন ঃ মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি এদিকে বিজেপির স্বপক্ষে ফল আসতেই বিজেপি কর্মী- সমর্থকরা বাজি , পটকা ফাটাতে শুরু করে দেন। অন্যদিকে সকাল থেকে বিরোধী শিবিরে উচ্ছাস দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ম্রিয়মান হয়ে যায়। অন্যদিকে , বিহার নির্বাচনে এনডিএ জিততে চলেছে , সেই আভাস পেয়ে বিকেলে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃ্ত্ব জরুরি বৈঠকে বসেন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
দেশ

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে ২৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ১ টি আসনে কংগ্রেসকে হারিয়ে ইতিমধ্যেই জিতে গিয়েছে বিজেপি। তারা এগিয়ে রয়েছে ১৯ টি আসনে। কংগ্রেস ৭ টি ও বহুজন সমাজ পার্টি একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত , গত মার্চ মাসে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তার ফলে রাজ্যে ২৭ টি বিধানসভা আসন খালি হয়ে যায়। পতন হয় কমলনাথ সরকারের। ফের ক্ষমতায় চলে আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন শিবরাজ সিং চৌহান। আরও পড়ুন ঃ নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের ২৮টির মধ্যে ২৫ আসনেই কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যাওয়া বিধায়কদের প্রার্থী করেছিল গেরুয়া শিবির। এদের মধ্যে ১২ জন আবার রাজ্যের মন্ত্রী। এদিন তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর আসন সুনিশ্চিত করলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। অন্যদিকে, নির্বাচনে ইভিএম জালিয়াতির অভিযোগ তুললেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। সংবাদসংস্থাকে তিনি বলেন, ইভিএম একশো শতাংশ নিরাপদ নয়। সীমিত পর্যায়ে ইভিএমে জালিয়াতি করা যেতে পারে।জয় কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলছেন, কংগ্রেসের অপপ্রচারে কান না দিয়ে উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন মানুষ। আর কমলনাথ বলছেন, মানুষের রায় আমাদের মেনে নিতেই হবে।

নভেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

ভোটার তালিকা সংশোধনের দিনক্ষণ জানাল নির্বাচন কমিশন

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ১৮ তারিখ প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা। এরপর ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে সংশোধন অর্থাৎ নাম তোলা, বাদ দেওয়া-সহ যাবতীয় কাজ। আগামী ১৫ জানুয়ারী প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা। এই চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরাই ভোটার হিসেবে বিবেচিত হবেন। জানা গিয়েছে, রাজ্যের মোট ৭৮, ৯০০টি বুথের প্রতিটিতে থাকবেন ১ জন করে বিএলও। প্রতি বুথে ২ দিন করে চলবে সংশোধনের কাজ। সূত্রের খবর, এবার রাজ্যে বাড়ছে ৯৯টি বুথ। কারণ, যে সব বুথে দেড় হাজারের বেশি ভোটার করোনা পরিস্থিতির কথা বিচার করে সেগুলিকে বিভক্ত করা হচ্ছে। সোমবার রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব ভোটার তালিকা সংশোধন ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন ঃ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর এদিন তৃণমূলের তরফ থেকে বলা হয়, সবাই যাতে ভোট দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা করুক কমিশন। এছাড়াও ত্রুটিহীন ভোটার তালিকা তৈরির আবেদন করা হয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে। একই দাবি বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সকলেরই। কারও আবেদন বাতিল হলে তার যথাযথ কারণ জানাতে হবে বলেও দাবি করেন সিপিএম নেতা রবীন দেব। রবীন দেব বলেন , ভুতুড়ে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। বিএলও-র দায়িত্ব যেন স্থায়ী সরকারি কর্মীদেরই দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করার দাবি জানান বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
বিদেশ

করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের

নিশ্চিত জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে প্রথমেই করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন। শুক্রবার ডেলাওয়্যারের উইলমিংটনে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে বিডেন বলেন, আমাদের রাজ, দ্বেষ পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে। এবার সময় এসেছে দেশ হিসাবে আমাদের একজোট হয়ে লড়াই করার। গোটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব আসছে আমার ওপর। আমি সবাইকে বলতে চাই, আমার প্রথম কাজই হবে করোন সংক্রমণ প্রতিরোধ। যে প্রাণ চলে গিয়েছে, তা ফেরত পাব না কিন্তু আগামীতে অনেক প্রাণ আমাদের বাঁচাতে হবে। এই বিষয়ে জনস্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমরা। এছাড়া, দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে মজবুত করা যায়, সেই বিষয়টিও দেখতে হবে আমাদের। আরও পড়ুন ঃ ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ের পথে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন তিনি আরও বলেন, আমরা জয়ী হতে চলেছি। নেভাদাতে আমরা এগিয়ে রয়েছি। বিগত ২৪ বছরে প্রথম ডেমোক্র্য়াট প্রার্থী হিসেবে আমি অ্যারিজোনা জিতে নিয়েছি। মাত্র কয়েক বছর আগে যে নীল দেওয়াল ভেঙে পড়েছিল। আমরা তা আবার গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। পেনসিলভেনিয়া, মিশিগান উইসকনসিন- আমেরিকার হৃদয়। আজ পর্যন্ত জীবনে সবার্ধিক ভোট পেয়েছি আমি। ৭৫ মিলিয়ন ভোট পেয়েছি এখনও পর্যন্ত। অন্যদিকে , ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী জো বিডেনকে জয়ী ঘোষণা করল মার্কিন তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ডিসিশন ডেস্ক। ডিসিশন ডেস্ক-এর সদর দপ্তর শুক্রবার তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানিয়েছে, জো বিডেনই হচ্ছেন আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য পেনসিলভেনিয়াতে বিডেনের জয় নিশ্চিত। এর ফলে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় ওই রাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট-সহ মোট ২৭৩টি ইলেক্টোরাল ভোট পাবেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

দার্জিলিং পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়

২০২১-এ তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় আনতে তাঁরাও যে মন-প্রাণ দিয়ে লড়াই করবেন, তা স্পষ্ট করে দিলেন বিমল গুরুং । বৃহস্পতিবার কলকাতায় তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন , বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। ১৭ বছর ধরে ওদের সঙ্গে রয়েছি আমরা। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানের জন্য কিছুই করেনি বিজেপি। তাই আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করব। ওঁনাকে আমাদের দাবি-দাওয়া জানিয়েছি। আমি নিশ্চিত উনি আমাদের দাবি পূরণ করবে। আমি চেয়ারে বসার জন্য রাজনীতি করি না। আমি আগামীকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য রাজনীতি করি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে যা করতে হবে আমরা তাই করব। বিজেপিকে চরম শিক্ষা দেব। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য নেতৃত্বকে বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন অমিত শাহ এদিন দার্জিলিং পুরসভার ১৭ জন কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে ফিরলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিমল গুরুং। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরিও। এদিন দার্জিলিং পুরসভার কাউন্সিলররা জানান, বিজেপি তাদের কথা রাখেনি। যে আশায় তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তার কিছুই হয়নি। তাই এদিন তাঁরা বিজেপি ছেড়ে আবার গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় ফিরলেন। এদিন বিনয় তামাংকে নিয়ে প্রশ্ন বিব্রত হন গুরুং। সাফ জানিয়ে দেন, বিনয় তামাংকে নিয়ে তিনি এখানে কিছু বলতে আসেননি। বিনয় তামাং কী বলছেন সেটা তাঁর ব্যাপার। উনি কী বললেন সেটা নিয়ে ভাবছি না।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
বিদেশ

ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ের পথে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন

হোয়াইট হাউস দখলের কাছাকাছি চলে গেলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন। প্রসঙ্গত , হোয়াইট হাউস দখল করতে চাই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট। সেখানে ইতিমধ্যেই ২৬৪টি ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে বিডেন। আর মাত্র ৬ টা ভোট পেলেই তার দখলে চলে আসবে হোয়াইট হাউস। অন্যদিকে ট্রাম্প পেয়েছেন মাত্র ২১৪টি ভোট। মিশিগান ও উইসকনসিন ইতিমধ্যেই চলে গেছে বিডেনের দখলে। এদিকে, পেনসিলভেনিয়া ও মিশিগানে মামলা দায়ের করেছে ট্রাম্প শিবির। অন্যদিকে বিডেনও গতকাল জানিয়ে দিয়েছিলেন, যে আইনি পথে পাল্টা মোকাবিলার জন্য তিনিও তৈরি আছেন। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে নিজের বাড়ি থেকে বাইডেন বলেন, দীর্ঘ গণনার পর এটাই স্পষ্ট হচ্ছে যে আমরাই জিতছি। ইতিমধ্যেই ভোটের ফল ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ওয়াশিংটন। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই প্রসঙ্গত , ট্রাম্প অভিযোগ করেন, এত রাতে কেন ভোটগ্রহণ চলছে। কারচুপির অভিযোগে তিনি প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান। সমর্থকদের সামনে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, আমেরিকার জনগণের সঙ্গে এটা প্রতারণা। আমরা নির্বাচনে জিততে চলেছি। আমরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হব। আমরা চাই সব ভোট বন্ধ হোক। পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জো বিডেন বলেন , ট্রাম্পের মন্তব্য অপমানজনক।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

হোয়াইট হাউস কার দখলে ? ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে লড়াই চলছে হাড্ডাহাড্ডি। প্রথম দিকে জো বিডেন এগিয়ে থাকলেও পরে ধীরে ধীরে জমি ফিরে পাচ্ছেন ট্রাম্প। টক্কর চলছে সমানে সমানে। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, জো বিডেনের হাতে রয়েছে ২২৫টি ইলেক্টোরাল ভোট। ট্রাম্পের ঝুলিতে রয়েছে ২১৩টি। ৫৩৮ আসনের ইলেক্টোরাল কলেজ-এ ম্যাজিক ফিগার ২৭০। আটটি রাজ্যের মধ্যে ৬ টিতেই ইতিমধ্যে এগিয়ে গেছেন ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দখলে গিয়েছে ফ্লোরিডা। এই ফ্লোরিডা রাজ্যকেই আমেরিকার রাজনীতি্র নির্ণায়ক বলা হয়। আরও পড়ুন ঃ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সন্ত্রাসবাদী হামলা , নিহত ৭ হোয়াইট হাউস থেক সরাসরি সমর্থকদের সামনে জয়ধ্বনি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সাফ জানান, আমরা নির্বাচন জিতেছি। এবার কারচুপি হলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করব। নর্থ ক্যারোলিনার মতো প্রদেশে আমরা জিতেছি। এবার যদি ফল অন্য আসে তার মনে বুঝতে হবে কারচুপি হয়েছে।এবার ফলাফল যদি অন্য কিছু হয় তাহলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করবে তাঁর দল। তিনি এদিন বলেন , নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ব্যালট জমা নিলে কারচুপি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মতোই নিজেদের গড় রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে দুই দলই। ফলে ফলাফল নির্ভর করছে সুইং স্টেটগুলির উপর। অন্যবার এই সময়ে মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে আগামী চার বছর কার দখলে থাকছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এবার করোনা মহামারীর জেরে মেল-ইন-ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন প্রায় ১০ কোটি মার্কিন জনতা। ফলে সেগুলির হিসেবে কিছুটা সময় লাগছে। যাই হোক, মার্কিন রাজনীতিতে বরাবরই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ঠিক করে ব্যাটল গ্রাউন্ড স্টেটগুলি। এবারও তেমনটাই দেখা যাচ্ছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
দেশ

বিহারের মসনদের জন্য লড়াই করা যুবরাজকে মানুষ ধরাশায়ী করে দেবেঃ মোদি

বছর তিন চারেক আগে উত্তরপ্রদেশও দুই যুবরাজ হাত মিলিয়েছিল। বাসের মাথা থেকে হাত নাড়াচ্ছিল একসাথে। উত্তরপ্রদেশের মানুষ তাঁদের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। আর এখন বিহারে মসনদের জন্য লড়াই করছেন এক যুবরাজ।বিহারের মানুষও ওদের ধরাশায়ী করে দেবে। রবিবার বিহারের ছাপরার জনসভায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরও পড়ুন ঃ পুলওয়ামা হামলা নিয়ে রাজনীতি করেছিল বিরোধীরা , তোপ প্রধানমন্ত্রীর তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, সেই যুবরাজ এবার জঙ্গলরাজের যুবরাজের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। একদিকে সেই যুবরাজ এবং জঙ্গলরাজের যুবরাজ। অন্যদিকে বিহারের ডবল ইঞ্জিন সরকার। যারা মানুষের জন্য কাজ করছে। ডবল ইঞ্জিনের এনডিএ সরকার মানুষের উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। আর ডবল যুবরাজ নিজেদের মুকুট বাঁচাতে বদ্ধপরিকর।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করবঃ ধনকড়

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করব। শনিবার শনিবার সফরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি গোটা নভেম্বর মাসই দার্জিলিংয়ে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। পাহাড় প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, সাংবিধানিক সীমার মধ্যে থেকে তিনি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন। এছাড়াও এই সফরে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন , অনেক আশা নিয়ে যাচ্ছি এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে বিমল গুরুং আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন। তার কিছুদিন পরেই রাজ্যপালের দার্জিলিং সফর নিয়ে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেট ভেঙে বিপত্তি এদিন সকালে টুইট করে রাজ্যপাল জানান , সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাপূরণে উত্তরবঙ্গ পাড়ি দিচ্ছেন। পর্যটন, আর্থিক এবং শিক্ষাগত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের উন্নতি করা সম্ভব বলেও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে তিনি টুইটে আরও জানান, চলতি সফরে সাধারণ মানুষ এবং প্রশাসনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবেন। এদিন তিনি কাঞ্চনজংঘা এক্সপ্রেসে করে দার্জিলিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। রাজ্যপালের সফরসূচি অনুযায়ী ১ নভেম্বর শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করবেন তিনি। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের রাজভবনে থাকার কথা রয়েছে তাঁর।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভুতনির বন্যা দেখতে নদীপথে মন্ত্রীদল! বানভাসিদের জন্য কী পরিকল্পনা রাজ্যের?

মালদহের ভুতনিতে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ এলাকায় পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদল। ইতিমধ্যেই মালদহে পৌঁছেছেন একাধিক মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন জেলার সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জলমগ্ন দুর্গম এলাকাগুলি নদীপথে ঘুরে দেখার কথা রয়েছে মন্ত্রীদের।মন্ত্রীদলের মধ্যে রয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং দমকল ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। প্রথমে মন্ত্রীরা রতুয়ায় যাবেন। সেখান থেকে যাওয়ার কথা রয়েছে ভুতনিতে। দুপুরে বন্যাত্রাণ শিবিরও পরিদর্শন করবেন তাঁরা।এর পাশাপাশি ব্লক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রীরা। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি, ত্রাণের ব্যবস্থা এবং মানুষের প্রয়োজন নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এই সফরের পর ভুতনির জলবন্দি এলাকাগুলিতে পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।ভুতনির পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও রিপোর্ট দেবেন মন্ত্রীরা। অর্থাৎ শুধু বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন নয়, বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর এলাকায় কী ভাবে কাজ শুরু করা হবে, সেই বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নের কাজ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শঙ্কর ঘোষ আরও জানিয়েছেন, মালদহে নদীভাঙন এবং বন্যা দীর্ঘদিনের বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।এদিকে ভুতনিতে গঙ্গার জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জলস্তর ১৭ সেন্টিমিটার কমেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে। চলতি মরশুমে এক দিনে জলস্তর কমার ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ পতন বলে দাবি করা হচ্ছে।তবে জল কমলেও এখনও স্বস্তি ফেরেনি ভুতনিতে। মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর ২৫.৩৪ মিটারে নেমে এসেছে বলে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যা চরম বিপদসীমার থেকে এখনও চার সেন্টিমিটার বেশি। ফলে নদীর জলস্তর কমলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি।ভুতনির বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। কোথাও তাকালেই চোখে পড়ছে জল। টানা বহু দিন ধরে জলবন্দি থাকার কারণে একাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। দুর্গম এলাকায় অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।চরম বিপদসীমার উপরে থাকা গঙ্গা পেরিয়ে দুর্গম এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। নৌকায় করে জল পেরিয়ে অসুস্থ মানুষকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁদেরও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। অন্যের প্রাণ বাঁচাতে নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই তাঁরা কাজ করছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।জলস্তর কমার ফলে পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও ভুতনির বহু এলাকায় এখনও জল রয়েছে। তাই এখন নজর শুধু গঙ্গার জলস্তরের দিকে নয়, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসা, ত্রাণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের দিকেও। মন্ত্রীদের এই সফরের পর ভুতনির পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

২৪৯ বছরের ঐতিহাসিক মহাকরণে ফিরছে সচিবালয়! ১৩ বছর পর বদলাতে চলেছে বাংলার প্রশাসনিক ঠিকানা

দীর্ঘ ১৩ বছরের ব্যবধানের পর ফের ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার আবহে পুরনো মহাকরণে ফিরতে চলেছে রাজ্য প্রশাসন। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের ছয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দফতরের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয় নবান্ন থেকে। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সচিবালয় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। সেই মতোই চলছে সংস্কারের কাজ।১৩ বছর আগে নবান্নে সরেছিল সচিবালয়প্রায় ২৪৯ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং একসময় ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র। ১৩ বছর আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে সচিবালয় স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। এরপর থেকে সেখান থেকেই রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়ে আসছে।তবে পুরনো ভবনের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ না হওয়ায় এতদিন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে পুরোপুরি ফেরা সম্ভব হয়নি। এবার সেই কাজ দ্রুত শেষ করে ঐতিহাসিক মহাকরণ থেকেই প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।সংস্কারকাজ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকরাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। পূজা উৎসবের আগেই কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের দফতরও দ্রুত প্রস্তুত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর দফতর তৈরির প্রস্তুতিরাইটার্স বিল্ডিংয়ে যাঁদের দফতর চালু করার প্রস্তুতি চলছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেনশুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীদিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীঅগ্নিমিত্রা পাল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীশঙ্কর ঘোষ পর্যটন মন্ত্রীশারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রীঅজয় পোদ্দার পূর্তমন্ত্রীসব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোর আগে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে রাজ্য প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ করে ঠিক কবে থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু হবে, তা সরকারি ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

‘কিছু প্রত্যাহার করব না’, হলদিয়া আদালতে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা মিলন প্রধানের! নন্দীগ্রামে নতুন মোড়

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার হলদিয়া আদালতে তোলা হল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। আদালত চত্বরে তাঁকে ঘিরে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। কংগ্রেসের নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকেরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন? জবাবে মিলন বলেন, শাসক দল ভয় পেয়েছে, কিছু প্রত্যাহার করব না।শুক্রবার চণ্ডীপুর থানা এলাকার একটি মামলায় মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের চারটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র-সহ অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে মামলা রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানা কার্যকর করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।মিলনকে গ্রেফতার করার পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, পুলিশের কাজ পুলিশ করেছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে তারা দাবি করেছে।কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই গ্রেফতারি নিয়ে সরব হয়েছে। রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, মিলন প্রধানের গ্রেফতারি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় এবং তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের বদলে বিরোধীদের সরিয়ে দিতে চাইছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় তারা পিছিয়ে যাবে না।তবে পুলিশের বক্তব্য আলাদা। তাদের দাবি, পুরনো মামলায় আদালতের জারি করা পরোয়ানা কার্যকর করতেই মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে গ্রেফতারির আইনি কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগদুই দিকই সামনে এসেছে।এর মধ্যেই শনিবার আদালতে দাঁড়িয়ে মিলন প্রধান জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রার্থী পদ থেকে কিছু প্রত্যাহার করবেন না। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাঁর নিজের বক্তব্যে তার জবাব মিলেছে।নন্দীগ্রাম এমনিতেই রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমি আন্দোলনের পর থেকেই এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সেই নন্দীগ্রামেই এ বার উপনির্বাচনের আগে প্রার্থী প্রত্যাহার, নতুন সমর্থন এবং কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারি ঘিরে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। ফলে ভোটের আগে এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও বিরাট নাটক! ভোটে না লড়ার ঘোষণার পর তড়িঘড়ি কেন অবস্থান বদল মমতা ঘনিষ্ঠ রবিউল আলমের?

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও কি প্রার্থীহীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির? শনিবার সকাল থেকে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন রেজিনগরে মমতা গোষ্ঠীর তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানান, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।রবিউলের কথায়, নতুন নির্বাচনী প্রতীক অল্প সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার সিদ্ধান্তের কথা নেত্রীকে জানিয়েছি। কর্মীদের মাঠে-ময়দানে নামানো যাচ্ছে না। সিম্বল একটা বড় ফ্যাক্টর।বেলডাঙা থানায় যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলতবে বেলা বাড়তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। রবিউল জানান, একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এরপর তিনি বেলডাঙা থানায় যান। সেখানে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর ফের নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।রবিউলের বক্তব্য, পাশে মাত্র ১০ জন কর্মী থাকলেও তিনি ভোটের লড়াই চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন রেজিনগরের এই প্রার্থী। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে রেজিনগরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার, গ্রেফতার মিলন প্রধানএর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। পরে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরই ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান। তাঁর গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।নতুন নাম ও প্রতীক ঘিরে বদলেছে সমীকরণতৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতীক অল্প সময়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সমস্যা নিয়ে রবিউলের মন্তব্যও সেই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন রবিউল আলম চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকেন কি না, এবং প্রচারে দলের কর্মীরা কতটা সক্রিয় হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উপনির্বাচনের সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

গুগল ম্যাপ দেখেই বাইক চালাচ্ছিলেন! হঠাৎ রাস্তা শেষ, বাইক-সমেত খাদের নীচে যুবক

মোবাইলে গুগল ম্যাপ খুলে সেই পথ দেখেই বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন যুবক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেটি যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এবং পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, তা বুঝতে পারেননি তিনি। আচমকাই রাস্তার একটি ভাঙা অংশের কাছে গিয়ে বাইক-সহ গভীর খাদে পড়ে যান। দীর্ঘ সময় পর গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দুর্গাপুরের পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আহত যুবকের নাম প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর। কাঁকসার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাল এলাকার বাসিন্দা প্রসূন শুক্রবার রাতে বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। অচেনা পথে সুবিধার জন্য মোবাইলে গুগল ম্যাপ চালু করেছিলেন তিনি। ম্যাপে যে রাস্তা দেখানো হচ্ছিল, সেই পথ ধরেই বাইক চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় পৌঁছনোর পর বিপদ ঘটে। ওই এলাকা পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে গিয়ে সেখানে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাপে সেই বিপজ্জনক অংশের কোনও ইঙ্গিত ছিল না বলে জানা গিয়েছে।অন্ধকারে ফাঁকা রাস্তা দিয়ে বাইক চালানোর সময় প্রসূন সেই খাদের কাছে পৌঁছে যান। বাইকের গতি বেশি থাকায় পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পাননি বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। বাইক-সহ তিনি খাদের নীচে পড়ে গুরুতর জখম হন।এ দিকে রাতে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও প্রসূন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপর তাঁর মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু হয়। মোবাইলের অবস্থান পাণ্ডবেশ্বরের ওই খনি এলাকার আশপাশে দেখাচ্ছিল।এর পরেই পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, খাদের মধ্যে পড়ে রয়েছে প্রসূনের বাইক। কিছুটা দূরে গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি।পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পর্যন্ত প্রসূনকে খাদের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে দ্রুত দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। খনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। তা হলে প্রসূন কী ভাবে সেই পথে পৌঁছলেন, সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কি শুধুমাত্র গুগল ম্যাপে দেখানো পথ অনুসরণ করেই ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, নাকি অন্য কোনও কারণে সেই রাস্তা ব্যবহার করেছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।দুর্ঘটনার সময় বাইকের গতি কত ছিল, রাস্তার পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং ঠিক কোন জায়গায় বাইকটি খাদে পড়ে যায়, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গুগল ম্যাপে ওই রাস্তা কেন দেখাচ্ছিল এবং বিপজ্জনক অংশটি কেন চিহ্নিত ছিল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।তবে আপাতত পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি আহত প্রসূনের চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দুর্ঘটনার কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি। তদন্ত শেষ হলেই জানা যাবে, ঠিক কী ভাবে গুগল ম্যাপের পথ ধরে চলতে গিয়ে পরিত্যক্ত খনি এলাকার গভীর খাদে বাইক-সহ পড়ে গেলেন ওই যুবক।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সকালে বললেন মনোনয়ন তুলবেন, দুপুরে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন! রবিউলকে ঘিরে রেজিনগরে নাটক

রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই তৈরি হয়েছিল টানটান উত্তেজনা। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, রেজিনগরেও কি একই পথে হাঁটবেন মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী? শনিবার সকালে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। রবিউল নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন না।শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানিয়েছিলেন, তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের উপর চাপ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। অনেক কর্মী সরে যাচ্ছেন বলেও জানান রবিউল। ফলে কর্মীদের ছাড়া কী ভাবে ভোটের লড়াই করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তিনি।রবিউলের কথায়, কর্মীরাই যদি না থাকেন, তা হলে একা ঘুরে ভোট করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। সেই কারণেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সাড়ে ১২টা নাগাদ রবিউল জানান, তিনি আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পরই তাঁর এই মতবদল বলে জানান তিনি। রবিউলের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতার নির্দেশ মেনে তিনি ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন।রবিউল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের যে চিন্তাভাবনা করেছিলেন, তা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নতুন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারে নামার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ, সকালের সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থীর অবস্থান বদলে যায়।রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীকে লড়তে হচ্ছে। দুই কেন্দ্রেই আগে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। পরে কমিশনের সিদ্ধান্তের জেরে পরিস্থিতি বদলে যায়।নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেজিনগরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।সেই জল্পনার মধ্যেই প্রথমে রবিউলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত এবং পরে মমতার সঙ্গে কথা বলে লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা তৈরি করে। তবে পরবর্তী আপডেটে জানা যায়, শেষ পর্যন্ত রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। ফলে সকালের সিদ্ধান্ত, দুপুরের মতবদল এবং পরে ফের মনোনয়ন প্রত্যাহারসব মিলিয়ে রেজিনগর উপনির্বাচনে রবিউলকে ঘিরে তৈরি হয় একাধিক নাটকীয় মোড়।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal