• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Winter

রাজ্য

Weather: সোমবারের তুলনায় আরও নামল পারদ, মরশুমের শীতলতম মঙ্গলবার

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আরও জাঁকিয়ে বসল ঠান্ডা। সোমবার অনেকটাই পতন হয়েছিল পারদের। মঙ্গলবার তা আরও নেমেছে। যার জেরে মঙ্গলবারই এখনও পর্যন্ত এ মরশুমের শীতলতম দিন। নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে এ রাজ্যে যখন শীত নিজের প্রভাব বাড়াচ্ছে, তখন রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার প্রভাবে কাঁপছেন মানুষ।আকাশ পরিষ্কার হতেই হিমেল পরশ। গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। তবে এই সময়ে সকালের দিকে কিছু এলাকা কুয়াশায় ঢাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সোমবার এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৫ ডিগ্রিতে।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই বাংলায় ফিরছে শীত।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকাল থেকেই কনকনে অনুভূতি, সোমবারই মরশুমের শীতলতম দিন

অবশেষে শীত এল বঙ্গে। গত সপ্তাহের শেষ থেকে পারদের পতন শুরু হয়েছিল। পরের ২৪ ঘণ্টায় তা আরও কমেছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সোমবারই এ বছরের এখনও অবধি শীতলতম দিন। বাংলায় একটু দেরি হলেও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও, বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘণীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাস্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই ফিরছে শীত। হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন বজায় থাকবে এই ঠান্ডা। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়বে।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রোদের পাশাপাশি বইবে উত্তুরে হাওয়া। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে হতে পারে ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ বছরে এখনও অবধি সব চেয়ে কম এবং রবিবারের তুলনায় প্রায় ৩ ডিগ্রি কম।এদিকে রাজধানী দিল্লি-সহ দেশের অন্যত্রও ঠান্ডার দাপট শুরু হয়েছে। প্রবল শীতে রাজস্থানের অনেক জায়গায় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। বহু জায়গায় সকালবেলা কুয়াশার কারণে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে। ঠান্ডা এবং কুয়াশায় দৈনন্দিন কাজকর্মও শুরু হচ্ছে অনেক দেরিতে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Weather: ধীরে-ধীরে কমছে তাপমাত্রা, জাঁকিয়ে শীত এখনই নয়

সপ্তাহের শেষ থেকে বাংলায় অনুভূত শীতের আমেজ। গতকাল থেকেই তাপমাত্রা কমার ইঙ্গিত দিয়েছিল হাওয়া অফিস। হচ্ছেও ঠিক তেমনটাই। পাশাপাশি রয়েছে কুয়াশার সতর্কতা।এদিকে, এতদিন শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার কারণে উত্তরে হাওয়া রাজ্যে ঢুকতে বাধা পাচ্ছিল। এবার সেই বাধা কাটিয়ে ধীরে ধীরে কমবে তাপমাত্রা। দিনে মেঘলা আকাশ থাকবে সঙ্গে কুয়াশা। রাতে তাপমাত্রা কমবে।তবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি যে তাপমাত্রা হওয়া তা কিন্তু নেই। নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা-সহ সারা বাংলায় জাঁকিয়ে শীত পড়ে। যদিও, গত কয়েক বছর সেই নিয়মের কিছুটা হলেও ব্যাঘাত ঘটেছে। আবহাওয়াবিদের মতে যেখানে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা হওয়া উচিৎ ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সেখানে আজকের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রয়েছে। আজকে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। পাশাপাশি আবহাওয়া অফিসের তরফ থেকেও বৃষ্টিপাতের কোনও পূর্বাভাস মেলেনি।উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Weather: আগামী সপ্তাহেই শীত রাজ্যে!

নিম্মচাপ আর বৃষ্টিতে তিতিবিরক্ত বাঙালি মুখিয়ে রয়েছে শীত আসবে কবে, সে দিকেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শীতের জন্য আর বেশি অপেক্ষা করতে হবে না রাজ্যবাসীকে। আগামী সপ্তাহেই দেখা মিলবে শীতের। একই সঙ্গে সপ্তাহান্তে কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে তারা।ডিসেম্বর মাস পড়ে গেলেও মেঘ, বৃষ্টির জেরে স্যাঁতসেতে ঠান্ডা থাকলেও শীতের আমেজ কিন্তু সে ভাবে মিলছে না। আর তাতেই খানিকটা হতাশ আম বাঙালি। প্রশ্ন উঠছে, শীতের চেনা ঝকঝকে আকাশের দেখা কবে মিলবে? শীত এখনই না পড়লেও রাতের তাপমাত্রা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে শীত শনিবার থেকেই?

আকাশে মেঘ। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। হেমন্তের শেষ লগ্নে এমন বৃষ্টিভেজা স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার পিছনে অবশ্য উত্তুরে বাতাসের অবদানও কম নয় বলে আবহবিদেরা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (পূর্বাঞ্চল) সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুষ্ক, ঠান্ডা হাওয়া বয়ে আসছে। উল্টো দিকে বঙ্গোপসাগর থেকে উষ্ণ এবং আর্দ্র জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে ঢুকছে। বিপরীত চরিত্রের এবং বিপরীতমুখী দুই বায়ুর সংমিশ্রণে কলকাতা-সহ উপকূলীয় জেলাগুলির আকাশে স্থানীয় ভাবে মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে।জাঁকিয়ে শীতের প্রত্যাশায় আমবাঙালি অনেক দিন ধরেই আশা নিয়ে বসে রয়েছে। মেঘ, বৃষ্টির জেরে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা থাকলেও শীতের আমেজ কিন্তু সে ভাবে মিলছে না। এমন মেঘ, বৃষ্টির আবহাওয়াও অনেকের না-পসন্দ। তাই প্রশ্ন উঠছে, শীতের চেনা ঝকঝকে আকাশ কবে মিলবে?সঞ্জীববাবুর দাবি, আজ, শুক্রবার সকালের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি শুরু হবে। তবে আজও, আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তাই রাতের তাপমাত্রা সে ভাবে নামবে না। আগামিকাল, শনিবার থেকেই ঝকঝকে আকাশ মিলবে। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে সূর্যাস্তের পরে মাটির বিকিরিত তাপ বাধাহীন ভাবে বায়ুমণ্ডলের বাইরে যেতে পারে। তার ফলেই রাতের পারদ নামে। শীতকালে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলেই রাতে জাঁকিয়ে শীত পড়ে। সঞ্জীববাবুর বক্তব্য, আগামিকাল, শনিবার থেকেই পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩-৪ দিনে রাতের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি নামতে পারে।আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বেসরকারি ওয়েবসাইটের দাবি, আগামী সপ্তাহে হু-হু করে পারদ পতন হতে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশেও নেমে যেতে পারে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Weather: আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই আবহাওয়ার বড়সড় পরিবর্তন! জারি সতর্কতা

আরও কিছুটা নামল শহরের তাপমাত্রার পারদ। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.২ ডিগ্রি। আগামী ২-৩ দিন থাকবে একই তাপমাত্রা। ২-৩ দিন পর ফের বাড়তে পারে তাপমাত্রা। জোড়া নিম্নচাপে ঠান্ডা আমেজে কাঁটা। ৩ ডিসেম্বরের পর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর অবশ্য জানিয়েছে, উচ্চচাপের গেরো কেটে গিয়েছে। মেঘ সরে আকাশ পরিষ্কার হয়েছে। ফলে ফিরেছে হেমন্তের ঠান্ডা আমেজ। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমতে পারে। সকাল থেকে হালকা কুয়াশার চাদরে মোড়া শহর কলকাতাও।সপ্তাহান্তে যে জোড়া নিম্নচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে, তা নিয়ে বেশ কিছু সতর্কবার্তা দিয়েছেআবহাওয়া দপ্তর। ২৯ নভেম্বর অর্থাৎ আগামীকাল একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে আন্দামান সাগরে। উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সরাসরি তামিলনাড়ু উপকূলে হয়তো যাবে না। সেক্ষেত্রে অন্ধ্র কোস্ট ও মায়ানমার কোস্টের মাঝামাঝি জায়গায় নিম্নচাপ সরে আসবে। দফায় দফায় শক্তি বাড়াবে। ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে।তবে ওই নিম্নচাপটি যদি বঙ্গের দিকে আসে সেদিক থেকে বঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, শীত আসতেও দেরি হবে। কারণ, এ রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে জ্বলীয় বাষ্প ঢুকতে পারে। ফলে বাধা পাবে, শীতের উত্তুরে হাওয়া। ফলে অগ্রহায়ণেও কাঁটা বৃষ্টি। পাকাপাকিভাবে কবে থেকে শীত পড়বে তা এখনও স্পষ্ট করে বলতে পারেনি আলিপুর হাওয়া অফিস।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Weather: শহরের পারদ নামল বেশ কিছুটা, দক্ষিণবঙ্গে ফিরছে শীত

বাধা কাটিয়ে রাজ্যে ফিরছে শীত। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটা কমেছে। যার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতায় শীত-শীত ভাব অনুভূত হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও ফিরেছে ঠান্ডা। আগামী কয়েক দিন ঠান্ডা বাড়বে বলেই মত হাওয়া অফিসের। এদিন রাতের দিকে তাপমাত্রা কমতে পারে বলেও হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সারা দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির বেশি থাকলেও চার দিন পর বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ২০ ডিগ্রির নীচে। পারদ নেমেছে ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যদিও এখনও তা যা স্বাভাবিকের থেকে দুডিগ্রি বেশি।গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। বৃহস্পতিবারও হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্কই থাকবে। রাত বাড়তে পারে ঠান্ডা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Foggy Weather: ফের নামতে শুরু করছে পারদ, কুয়াশার চাদরে ঢাকল ভোরের শহর

সকালের শিরশিরে আজ আবার কিছুটা হলেও অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত দুদিনে তাপমাত্রা বেড়েছিল অনেকটাই। কিন্তু মঙ্গলবার সকালের দৃশ্যটা আবার অন্য রকম।গত দুদিন ধরেই কলকাতায় সেই শিরশিরে ভাবটা উধাও ছিল। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ছিল স্বাভাবিকের থেকে বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে যে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প ঢুকেছিল, তার ফলে উপকূল এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কলিংপং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।সকাল থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া শহর কলকাতাও। সল্টলেক, নিউটাউন, রাজারহাট-সহ একাধিক এলাকায় ঘন কুয়াশা পড়েছিল সকালে । ৫০০ মিটার পর থেকে দৃশ্যমানতা কম অর্থাৎ সবকিছুই ঝাপসা দেখা যাচ্ছিল। সকাল থেকেই রাস্তায় কোনও কোনও গাড়ি হেডলাইট আবার কোনও গাড়ি ইমার্জেন্সি লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। কুয়াশার কারণে গত দু দিনের তুলনায় আজ অনেকটাই শিরশিরে ভাব অনুভূত হচ্ছে।মঙ্গলবার হাওয়া অফিস অবশ্য বলছে, তাপমাত্রা ক্রমশ নিম্নমুখী হচ্ছে আর কয়েকদিনের মধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। মঙ্গলবার উচ্চচাপের ফাঁড়া কাটলে বুধবারের পর ফিরবে ঠান্ডা আমেজ। এমনও হতে পারে, আগামী সপ্তাহান্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।তবে হাওয়া অফিসের যা ইঙ্গিত, তাতে পুরোদমে দক্ষিণবঙ্গে শীত পড়তে এখনও কিছুটা সময় বাকি। ১৫ ডিসেম্বরের আগে সে অর্থে কলকাতায় শীত পড়েও না। তবে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা নামতে শুরু করে। কিন্তু এবার নভেম্বরেই দুবার তাপমাত্রা ১৮র কাছাকাছি নেমে গিয়েছিল।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Winter: উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে আড়াই ডিগ্রি নামল পারদ, ঠান্ডা পড়ছে দক্ষিণবঙ্গে

অবশেষে কেটেছে নিম্নচাপের ভ্রূকুটি। আর নিম্নচাপ কাটতেই মঙ্গলবার রাত থেকেই কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। যার জেরে মহানগরীতে ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও কমবে তাপমাত্রা। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় কমেছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২৪ ঘণ্টায় তা হতে পারে ১৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম।মঙ্গলবারই আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু হয়েছিল। বুধবারও রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকবে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। গত কয়েক দিনের তুলনায় ঠান্ডাও থাকবে বেশি। গত দুদিন ধরেই একটি স্যাঁতস্যাঁতেভাব সর্বত্র। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জ্বলীয়বাষ্পের জেরেই দক্ষিণের জেলাগুলিতে গত দুদিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল। বাদ ছিল না মহানগরও। ১৬ নভেম্বর আবহাওয়া শুষ্ক থাকার কথা ছিল। তবে মঙ্গলে আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের সব জায়গায় বৃষ্টি হয় অল্প।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গত কয়েক দিন মেঘাচ্ছন্ন ছিল আকাশ। বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিও হয়েছে। এর জেরে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে যে বাধার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন আর রইল না। ফলে নিজের ইনিংস খেলবে শীত।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Depression: বঙ্গে ফের নিম্নচাপে উধাও হবে শীত ভাব, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস?

উত্তুরে হাওয়া বিনা বাধায় এ রাজ্যে ঢুকতে শুরু করায় নভেম্বরের শুরু থেকেই একটা শীতের আমেজ অনুভব করছে রাজ্যবাসী। জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও রাতে তাপমাত্রা বেশ খানিকটা নামায় একটা শিরশিরানি ভাব অনুভব করা যাচ্ছে। ভোরেও হালকা শীত শীত ভাব টের পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু আগামী কয়েক দিন সেই শীতের আমেজ থেকে বঞ্চিত থাকতে হবে রাজ্যবাসীকে। কারণ, ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। ফলে আগামী কয়েক দিন শীত শীত ভাব উধাও হতে পারে রাজ্য থেকে। বাড়তে পারে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হতে শুরু করেছে। যা ১১ নভেম্বর আরও সুস্পষ্ট হবে। আর এই নিম্নচাপের জেরে তামিলনাড়ু উপকূলে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এ রাজ্যেও নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের জেরে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। শুক্রবার উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা থেকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি এবং রবিবার হালকা বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায়। ফের শীতের আমেজ মিলতে পারে ১৫-১৬ নভেম্বর থেকে।

নভেম্বর ১০, ২০২১
কলকাতা

Assembly: সুব্রত-স্মরণ দিয়েই শুরু বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন

শীতকালীন অধিবেশনে আর যোগ দেওয়া হল না পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানিয়েই আজ শুরু হচ্ছে বিধানসভার অধিবেশন। প্রয়াত মন্ত্রীর প্রতি শোকবার্তা পাঠ করবেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বিধানসভায় প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় উপস্থিত থাকবেন সব দলের বিধায়করা। এমনকী বিজেপি বিধায়কদেরও অনেকে উপস্থিত থাকবেন বিধানসভায়। এর আগে বঙ্গ বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, ১৩ নভেম্বরের আগে বিধানসভার অধিবেশনে দলের কোনও বিধায়ক যোগ দেবেন না। কিন্তু এখন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হঠাৎ প্রয়াণে সেই সিদ্ধান্তে কিছুটা বদল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সুব্রত বাবুর স্মরণ সভায় বিধানসভায় আসবেন বিজেপি বিধায়কদের অনেকেই। বঙ্গ বিজেপির তরফে তেমনটাই স্থির করা হয়েছে।জানা গিয়েছে প্রয়াত মন্ত্রীর স্মৃতিচারণায় এক ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টার আলোচনা হবে বিধানসভা ভবনে। সোমবার বিধানসভায় থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Winter in Bengal: বঙ্গে আরও নামল তাপমাত্রা, বইছে উত্তুরে হিমেল হাওয়া

শহরজুড়ে শীতের আমেজ। ফের নামল তাপমাত্রার পারদ। দক্ষিণবঙ্গে সকালে শীতের আমেজ আরও বাড়ছে। জেলায় জেলায় তাপমাত্রা ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে । পুরুলিয়ার পারদ ১৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। আবহাওয়াবিদদের কথায়, হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলাজুড়ে। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে থাকায় শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। খুব সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশাও পড়ছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩০ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ আদ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও দিনভর আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর।রাতে ও সকালের দিকে রীতিমতো ঠান্ডা লাগছে। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী কয়েকদিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, নতুন করে নিম্নচাপের আশঙ্কা রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর সুমাত্রা উপকূলে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত আগামী মঙ্গল-বুধবার নাগাদ এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে এগবে। সরাসরি প্রভাব না পড়লেও পরোক্ষ প্রভাবে পূবালি হাওয়ায় প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকতে পারে রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে।পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীনিকেতন ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড় ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাঁকুড়া ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আসানসোল ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বারাকপুর ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ধমান ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বহরমপুর ১৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলাইকুন্ডা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দীঘা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস । ক্যানিং ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: কালীপুজোয় শীতের আমেজ থাকলেও এখনই নামবে না তাপমাত্রা

ভোরের দিকে ঠাণ্ডার আমেজ। কিন্তু এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে আসছে না শীত । চলতি সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রায় এখনই ব্যাপক হেরফের লক্ষ্য করা যাবে না বলেই পূর্বাভাস জানাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বুধবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই ঘোরাফেরা করবে। আগামী পাঁচদিন এই তাপমাত্রায় তেমন পতন হবে না।আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এবছর বর্ষা বিদায় নিতে যেমন বেশি সময় নিয়েছে, তেমনই শীত পড়বে এবার বেশ জাঁকিয়ে। গত কয়েক বছরের তুলনায়, এবছর একটু বেশীই শীত পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আপাতত পাঁচ দিন উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যে ইতিমধ্যেই উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করেছে। যার ফলে ভোরের দিকে কিছুটা ঠাণ্ডা অনূভূত হবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা। তবে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Winter: উত্তুরে হাওয়ায় বঙ্গে শীতের আমেজ

রাজ্যে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কেটে গিয়েছে। যার জেরে সুগম হয়েছে উত্তুরে হাওয়ার প্রবেশ পথ। আর তাই সূর্যাস্তের পরেই শীতের আমেজ কিছুটা হলেও অনুভব হচ্ছে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে পড়বে না শীত। তবে আবহাওয়া ক্রমশ শুষ্ক হতে থাকবে।এখন হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলাজুড়ে। শুরু হয়েছে উত্তরের হাওয়ার দাপট। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার নীচে থাকার কারণে এই হালকা শীতের আমেজ উপভোগ করতে পারছেন বঙ্গবাসী। তবে,খুব সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা দেখা দিচ্ছে।তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলেছে। পাশাপাশি থাকবে শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া। দার্জিলিং,কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টির পর বুধবার থেকে দার্জিলিং-এর তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। আগামী কয়েকদিনে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। শীতের আমেজ কিছুটা বাড়বে সঙ্গে সকালের দিকে কুয়াশার দাপটও বাড়বে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Facial Paralysis: পৌষের শীতের আমেজের-র আড়ালে ফেসিয়াল প্যারালাইসিস-র সর্বনাশ

শীতকালের আগমন বার্তা বয়ে আনে দুর্গাপুজো আর কালী পুজো। এই উৎসব উৎসব মেজাজে বাঙালির ঘরে প্রবেশ করে উত্তরে হাওয়া। কবুগুরু রবীন্দ্রনাথ এর ভাষায়ঃশীতের হওয়ার লাগলো নাচন আমলকির এই ডালে ডালে।পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে দিলো তালে তালে।।বাঙালি আবার শীত সহ্য করতে পারে না। কিন্তু সারা বছর শীতের অপেক্ষা করতে থাকে। আমার তো মনে হয় এই অপেক্ষা যত না শীতের জন্য তার থেকে বেশি নলেন গুড় আর মটরশুঁটির কচুরি খাবার জন্য। খাদ্যরসিক বাঙ্গালি বসে থাকে কবে শীতের দিনে ভালো করে চড়ুইভাতি করবে আর জমিয়ে আড্ডা দেবে।এই শীতেই আবার প্রকোপ দেখা যায় ফেসিয়াল প্যারালাইসিস এর। যদিও ফেসিয়াল প্যারালাইসিস এর সাথে শীতের কোনো সরাসরি সম্মন্ধ নেই কিন্তু এর একটি রিস্ক ফ্যাক্টর হলো শ্বাসনালীর ইনফেকশন এবং ঠান্ডা লেগে কানের ইনফেকশন যা এই শীতের সময় বাঙালিদের সঙ্গী। শীতকাতুরে বাঙালির আবার ফেসিয়াল প্যারালাইসিস কিংবা বেলস পালসি হলে আর রক্ষা নেই। ৭ নম্বর ক্রেনিয়াল নার্ভ এর ডিসফানশন হলে এই উপসর্গ দেখা যায়। এটি স্যার চার্লস বেলস (সার্জন,অনাটোমিস্ট) [১৭৭৪ থেকে ১৮৪২] প্রথম উল্লেখ করেন।কি হয় এতে?চোখ বন্ধ না করতে পারা।ঠোঁট ঠিকমতো নাড়তে না পারা, এর ফলে খেতে ও কথা বলতে অসুবিধা হয়।কিছু মানুষের খেতে অসুবিধা না হলেও শুধু কথা বলতে অসুবিধা হয়।চোখ খোলা থাকার জন্য শুকিয়ে যায় এবং এতে চোখের ইনফেকশন হয়।খাবার-এর স্বাদ চলে যায়। তাই যে বাঙালি সারাবছর এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করেন, সাবধান। তবে সবার ক্ষেত্রে এই উপসর্গ দেখা যায় না।হাসি, ভুরু কোচকানো ও অন্য আরো ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন নষ্ট হয়ে যায়।কিছু পেশেন্টের এর সাথে মাথা ব্যথাও থাকতে পারে।অনেকের আবার শব্দ-তে কষ্ট হয়।এর কারণ কি?ফেসিয়াল প্যারালাইসিস ও বেলস পালসির সঠিক কারণ বলা মুশকিল তবে কিছু রোগের উপসর্গ হিসেবে এটি দেখা দিতে পারে। যেমনঃ ডায়াবেটিস।হাইপারটেনশন।যে কোনও ধরণের ফেসিয়াল ইনজুরি।জিবি সিনড্রোম।মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস (Myasthenia Graves)।ইনফেকশন।টিউমার (Tumour)।শ্বাসনালীর ইনফেকশন।আক্রান্ত হলে কি করণীয়?যখনি এই উপসর্গ গুলো দেখতে পাবেন অবহেলা করলে চলবে না। কারণ আপনি যত ডাক্তার দেখাতে দেরি করবেন তত নার্ভ ড্যামেজ হতে থাকবে। ডাক্তার আপনাকে Steroids ও এন্টি ভাইরাল ওষুধ দেবে। তার সাথে, পারলে প্রথম দিন থেকে ফিজিওথেরাপি করাতে শুরু করুন। ফিজিওথেরাপিস্ট আপনাকে এক্সারসাইজ করাবেন এবং ফেসিয়াল মাসল এর স্টিমুলেশন দেবেন যা প্রচন্ড উপকারী।শীতের আমেজ উপভোগ করুন দারুন ভাবে আর তার সাথে সাথে সতর্ক থাকুন যেন এই রোগে আক্রন্ত না হয়ে পড়েন। যদি উল্লেখিত উপসর্গের কোনো একটি দেখতে পান তাহলে দেরি না করে চলে যান ডাক্তার আর ফিজিওথেরাপিস্ট এর কাছে। যত দেরি করবেন তত সারতেও দেরি হবে।ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্যDr. Satyen Bhattacharyya) (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhamanআরও পড়ুনঃ মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার এক নতুন রোগের বার্তা নিয়ে হাজির টেক্সট নেক সিনড্রোমআরও পড়ুনঃ বসার ভুলে কত বড় সর্বনাশ হতে পারে, বিস্তারিত জানুনআরও পড়ুনঃ নিঃস্বাস এ নেই বিশ্বাস

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Winter: রাজ্যে পড়তে শুরু করেছে শীতের আমেজ

রাজ্যে শীতের আমেজ পড়তে শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, বর্ষা বিদায় নিলেও উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে আংশিক মেঘলা আকাশ এবং হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। কলকাতা, হাওড়া এবং ঝাড়গ্রামে বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টির খুব সামান্য সম্ভাবনা।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, শুষ্ক আবহাওয়ার শুরু হয়ে গিয়েছে। সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা। রাতে ও সকালের দিকে হালকা শীতের আমেজ থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে।দেশ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বিদায় শুরু হলেও ফিরতি বর্ষা শুরু হবে দক্ষিণ ভারতে। উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হবে অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণ ভারতের কয়েকটি রাজ্যে। সোমবার থেকেই দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাডু, পুদুচেরি, করাইকাল এবং কেরলে।বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হতেই উত্তর ও পশ্চিম ভারতে আসতে শুরু করেছে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার প্রভাবে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ও হিমাচল প্রদেশের কিছু অংশে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
রাজ্য

ডিসেম্বরের মাঝেও দেখা নেই শীতের, তবে আশার বাণী শোনাচ্ছে হাওয়া অফিস

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হয়ে গেলেও এখনও সেভবে শীতের দেখা মিলছে কই? অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় নাকাল নিত্যযাত্রীরা। হাওয়া অফিসের মতে, বৃহস্পতিবার সকালে সামান্য কুয়াশা, পরে পরিষ্কার থাকবে আকাশ। তবে শুক্রবার রাত থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে দ্রুত। রাতের তাপমাত্রা নামবে অনেকটা। শনি থেকে মঙ্গল জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যে। খাস কলকাতায় পারদ ছুঁতে পারে ১২ ডিগ্রিতে। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর পর দল ছাড়তে তৈরি আরও দুই মন্ত্রী? আর জেলায় দশের নীচে নামবে পারদ। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি উপরে ১৭.২ ডিগ্রি। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের ১ ডিগ্রি উপরে ২৭.৬ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব না থাকায় উত্তর পশ্চিম ভারতে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা নামবে। মধ্য ভারতে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা নামার পূর্বাভাস।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে শীতের আমেজ ফিরলেও এখনই জাঁকিয়ে নয় ঠান্ডা

শীতের আমেজ ফিরল কলকাতায়। সর্বনিম্ন তাপামাত্রা ২ ডিগ্রি কমল। কিন্তু এখনই জাঁকিয়ে শীত নয় বলে জানিয়ে দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৪ থেকে ৫ দিন সকালে ঘন কুয়াশা থাকবে। বেলার দিকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। কিছুটা শীতের আমেজও থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা সহ প্রায় ১১ টি জেলায় কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে আগামী কয়েকটা দিন। আরও পড়ুন ঃ মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরই সুদীপ্তর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিঠি, সিবিআইকে খতিয়ে দেখার আবেদন শুভেন্দুর দুই ২৪ পরগনা ও মেদিনীপুরে দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ৫০ মিটারের কাছাকাছি নেমে যেতে পারে আগামী ৪৮ ঘণ্টায়। কলকাতায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রী যা স্বাভাবিক বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গতকাল দিনের বেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যায় ২১.৯ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ৬ ডিগ্রি নিচে। জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং কালিম্পং এর হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আগামী দু-তিন দিন। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ঠান্ডা পড়বে রাজ্যে

ঘন কুয়াশার দাপট রাজ্যে। আগামী কয়েকদিন এই কুয়াশার দাপট থাকবে বলে জানানো হয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে। বেলা বাড়লে অবশ্য কুয়াশা সরে যাবে। কিন্তু আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে কলকাতা সহ সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে ঠান্ডা পড়বে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। সোমবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৬ শতাংশ। এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগরে বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার জেরে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। এছাড়া রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকায় সকাল থেকেই কুয়াশা দেখা যাচ্ছে রাজ্যে। এদিন দমদম , ডায়মন্ড হারবার সহ কয়েকটি এলাকায় দৃশ্যমানতা ১০০ থেকে ২০০ মিটারে নেমে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে তাপমাত্রার পরিবর্তন হবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কমে যাওয়ায় উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করবে। তার ফলে নামতে শুরু করবে পারদ। তারপর থেকে ঠান্ডা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন তারা। উত্তরবঙ্গে অবশ্য ঠান্ডা পড়েছে। তেমন জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও হাল্কা বৃষ্টি হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এখন কয়েকদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলে আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে চললেও দেখা নেই শীতের

আগামী চার-পাঁচদিন তাপমাত্রা কমার কোন সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে রবিবার এমনটাই জানানো হয়েছে। রাতের তাপমাত্রাও একইরকম থাকবে। তবে সকালের দিকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় কুয়াশা থাকবে। কলকাতায় রবিবার সকালে ছিল মেঘমুক্ত আকাশ। পরে আকাশ আংশিক মেঘলা হওয়ার সম্ভাবনা। সকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৯ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাও ছিল স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে সর্বোচ্চ জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ জল্পনা খারিজ করে তৃণমূলেই থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন মৌসম আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরে ঢোকা পশ্চিমি ঝঞ্ঝা হিমালয়ের পূর্ব এলাকায় সরে যাবে। তাই বৃষ্টি এবং তুষারপাতের পরিস্থিতি তৈরির সম্ভাবনা। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা সরে গেলে মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি কমবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal