• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Winter

রাজ্য

মাঘের শীত এবার বাংলার গায়ে! ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তর থেকে দক্ষিণের জেলাগুলো

মেঘ, বৃষ্টি কাটিয়ে ছন্দে ফিরেছে শীত। মাঘের শুরুতে বাঘা শীতের আশায় বুক বেঁধেছে বাঙালি। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার সারা দিন আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, জাঁকিয়ে শীত আরও দিন দুয়েক স্থায়ী হবে। তবে শুক্রবার উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং নিম্নচাপ অক্ষরেখার জন্য বৃষ্টি হতে পারে। এই বৃষ্টিপাত শুরু হলে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আপাতত, বেশ কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কেটে যাবে। দেখা মিলবে রোদেরও। মঙ্গলবার রাতে, আরও তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা। কলকাতায়, এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও নামতে পারে তাপমাত্রা এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, ২১ তারিখ উপকূলের কাছাকাছি জেলা দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। ২০ তারিখ পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রার কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তবে বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাপমাত্রা বাড়বে অর্থাৎ ঠান্ডা একটু কমবে। কলকাতার ক্ষেত্রেও রাতের তাপমাত্রা ২০ তারিখের পর থেকে বাড়বে। ফলে, ফের শীত-ছুট হতে পারে।উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে মঙ্গলবার শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। ১৯ জানুয়ারি দার্জিলিং, কালিম্পং-এ হালকা বৃষ্টি হবে। ২০ জানুয়ারি উত্তরের পাঁচটি জেলা, দার্জিলিং,কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এই জায়গাগুলোয় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২১ তারিখে উত্তরবঙ্গের সব জায়গাতেই হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট কাটতেই নামছে পারদ, কাঁপছে বঙ্গ

পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটতেই ফের কলকাতা শহরে নামল তাপমাত্রা।কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে বঙ্গবাসী। গত দুদিনে প্রায় ৩ ডিগ্রি মতো তাপমাত্রা নেমেছে। রবিবার রাতের তামমাত্রাও অনেকটা কমেছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমবে।পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটলেই শীত যে আবার ফিরে আসবে তা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। বৃষ্টি কমতেই তাই ফের স্বমহিমায় শীত। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে থাকবে কুয়াশা। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৩ ডিগ্রি এবং ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।ঝঞ্ঝার ফলে গত সপ্তাহে শীতের প্রভাব অনেকটাই কমে গিয়েছিল। বৃষ্টিও হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে জেলাগুলিতে। বৃষ্টি হয়েছে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং কালিম্পঙেও। তবে সেই প্রভাব কাটতেই বৃষ্টি বন্ধ হয়ে। তাপমাত্রাও নামতে শুরু করে। গত দুদিন ধরে তাপমাত্রা প্রায় ধারাবাহিক ভাবে নেমেছে। শুক্রবারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির আশপাশে, সেখানে সোমবার এই তাপমাত্রা হয়েছে ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা দুই ডিগ্রি কম।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

সকালে রোদের দেখা মিললেও আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কিছু জেলায়

কাল সারাদিন আকাশের মুখ ভার থাকার পর আজ সকালে রোদের দেখা মিলেছে বেশ কিছু জায়গায়। তবে তা ক্ষণিকের। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হবে। তাতে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি হবে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতাতেও।আগামী দুদিন এই বৃষ্টির আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতেও বৃষ্টি হবে। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেটা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। আগামী কয়েক দিনের তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার সকালে দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়ির জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টির কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতাতেও আকাশ থাকবে মেঘাচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি।এমনিতেও জাঁকিয়ে শীতের দাপট বেশিদিন স্থায়ী হয়নি জানুয়ারিতে। নেপথ্যে পরপর তিনটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। তাই যে তাপমাত্রা কমেছিল সেটা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ৫ তারিখ থেকে আবার রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। দুই বঙ্গেই আগামী দুদিন আকাশ মেঘলা থাকবে। সঙ্গে থাকবে ক্ষণিকের রোদ। আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা চলে যাওয়ার পরও জলীয় বাষ্পের কারণে কুয়াশার প্রভাব থাকবে। জাঁকিয়ে শীত আর সে অর্থে পড়ার সম্ভাবনাও নেই। গত রবিবার থেকেই ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সেরকমই পূর্বাভাস ছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

Weather: ঝঞ্ঝার দাপটে আজ থেকে শুরু বৃষ্টি

ঝঞ্ঝার দাপটে ক্রমেই দূরে পৌষের ঠান্ডা। বাড়ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকেই জেলায় জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ঝাড়গ্রামে এদিন থেকেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১২ তারিখ থেকে টানা ১৪ তারিখ পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হবে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে কলকাতাতেও।বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে সাগর মেলাতেও। আপাতত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকায় শীতের অনুভব কম হবে। মাঘের প্রথম সপ্তাহে ফের তাপমাত্রা কমতে পারে, ফলে দেখা মিলতে পারে শীতের। হাওয়া অফিস বলছে, বুধবার অবধি এই তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখীই থাকবে। রাজস্থান থেকে বাংলায় আসা ঝঞ্ঝার শক্তিবৃদ্ধিতেই এই বৃ্ষ্টি-বিপদ বলেই জানা গিয়েছে।ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে জেলার কৃষি আধিকারিকদের কাছে। তাঁদের সবরকমভাবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। বৃষ্টি হলে চাষিদের শস্যের ক্ষয়ক্ষতি হবেই। বিশেষ করে আলু চাষিদের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ হতে পারে এই বৃষ্টি। নবান্নের তরফে বলা হয়েছে, এর জন্য ব্লকের কৃষি আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন রবিশস্যের সময়। একইসঙ্গে এই সময় বোরো ধানও চাষ হয়। সেসব দিকে নজর রাখার কথা বলা হয়েছে।কলকাতায়, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা প্রায় ৪ ডিগ্রি বেশি। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রাতের দিকে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা। তবে, মঙ্গলবার মহানগরের আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। বুধেই বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়। অন্যদিকে, জেলাগুলিতে বিশেষ করে উত্তরে দার্জিলিঙ ও কালিম্পংয়ে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Weather: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার ঝাপটায় বাংলায় কমছে শীতের দাপট

শহরে কমতে শুরু করেছে শীতের দাপট। শুক্রবারের তুলনায় তাপমাত্রা ফের ১ ডিগ্রি বাড়ল। ভোরের দিকে কুয়াশার দেখা মিললেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার হতে শুরু করে আকাশ। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা বেড়ে ২৭ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে।আগামী চার দিনে বাংলায় শীত কমবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন আবহবিদেরা। সে ক্ষেত্রে তাপমাত্রা দুই থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, ১১ জানুয়ারি মঙ্গলবার গঙ্গা তীরবর্তী জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এই পৌষেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপটে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা মিলেছিল। শুক্রবার আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ফের রাজ্যে হানা দিতে চলেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আর এই ঝঞ্ঝার ধাক্কায় ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাতেই এ বছরের মতো শীতের দাপট কমতে পারে বলেই মত আবহবিদদের। অসময়ের এই বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Weather: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপটে বাংলায় কমল শীতের দাপট, রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস

সপ্তাহ শেষে ফের খানিকটা কমল থাকল শীত। আর বেশি দিন শীতকাতুরে বাঙালি শীতের আমেজ উপভোগ করতে পারবে না বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা। আগামী কিছু দিনের মধ্যেই তাপমাত্রায় হেরফের হবে। গত দুদিন থেকেই প্রায় ১ ডিগ্রি করে তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আগামী ৪-৫ দিনে ২ ডিগ্রি থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। তবে এর কারণ হিসেবে পশ্চিমী ঝঞ্জাকেই দায়ী করেছেন আবহবিদরা।শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। একই সঙ্গে কলকাতা এবং সংলগ্ন জায়গাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা-ও স্বাভাবিক। সকালের দিকে কুয়াশা দেখা দিলেও আকাশ সারাদিন পরিষ্কারই থাকবে। কলকাতার আশেপাশের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা কলকাতার থেকে আরও ২-৩ ডিগ্রি কম থাকবে। একই সঙ্গে আলিপুর এবং ডুয়ার্স এলাকায় আগের মতোই বজায় থাকবে শীতের দাপট। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দুই মেদিনীপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে বলেই দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।পশ্চিমবঙ্গে শীত আসে উত্তুরে হাওয়ার আগমনে। কিন্তু পশ্চিমী ঝঞ্জা এই উত্তুরে হাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে। এই মুহূর্তে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আফগানিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের উপর রয়েছে। এবং ক্রমশই তা পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। এই কারণেই শীত কমবে বাংলায়। এ ছাড়া আবহাওয়ায় বড়সড় রদবদল হবেনা বলেও মত আবহবিদদের।বিগত কিছু দিনের মতো শুক্রবারেও বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেও আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে। তবে সোমবার থেকে শুরু হতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত। কলকাতা-সহ মোট সাত জেলায় রয়েছে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Weather: রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রা

বছরের শুরুতেই রাজ্যে শীতের দাপট কী এবার শেষের পথে? বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি তেমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।আবহবিদরাও তেমনটাই শুনিয়েছেন। রাজ্যজুড়েই ঘন কুয়াশার সর্তকতা জারি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে বলা হয়েছে, উত্তরবঙ্গে ঘন থেকে অতি ঘন কুয়াশা থাকবে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা।দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলা যেমন দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে কুয়াশার প্রভাব থাকবে। বাদবাকি জেলাতে হালকা কুয়াশার প্রভাব থাকবে। তবে আলিপুরের আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন দুই বঙ্গেই আকাশ পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়বে বেশ কিছুটা। দিনের তাপমাত্রা ২২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতের তাপমাত্রা ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় এদিন সকালে কুয়াশার আধিক্য থাকবে। তবে পরে পরিষ্কার হবে আকাশ। আগামী তিনদিনে শীতের আমেজ কমে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে।জানা গিয়েছে, একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা অবস্থান করছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। রাজস্থানে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। আজ আরেকটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। এর প্রভাবে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে।অন্যদিকে, ঘন কুয়াশা থাকবে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে। অসম, মেঘালয়েও ঘন কুয়াশা থাকবে। অতি ঘন কুয়াশা থাকবে সিকিম ও উত্তরবঙ্গে। বিহার, ওডিশা, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গে আগামী দুদিন ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Weather: নামল তাপমাত্রার পারদ, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে হতে পারে বৃষ্টিও

কলকাতায় ফের কমল তাপমাত্রা। বুধবার আরও কিছুটা কমে তাপমাত্রা দাঁড়িয়েছে ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি কম। ডিসেম্বরে পারদ নামে ১১.২ ডিগ্রিতে। তবে সেই রেকর্ড না ভাঙলেও তার আশে পাশেই ঘোরাফেরা করছে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও তাপমাত্রার পারদ নীচের দিকে। জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।তবে আবহাওয়াবিদরা শোনাচ্ছেন খারাপ খবরও। এই শীত বেশিদিনের জন্য স্থায়ী নয়। বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। অন্তত সাতদিন উধাও হয়ে যেতে পারে শীত। নেপথ্যে জোড়া শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। জাঁকিয়ে শীতের দাপট বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। পরপর তিনটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা। আরেকটি পশ্চিমী ঝঞ্জা আবার আসতে চলেছে আগামী ৪ তারিখ উত্তর পশ্চিম ভারতে । তাই যে তাপমাত্রা কমবে সেটা বেশিদিন থাকবে না। ৫ তারিখ থেকে আবার রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। দুই বঙ্গেই আগামী দুদিন সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা চলে যাওয়ার কারণে যে জলীয় বাষ্প রয়ে গিয়েছে, তার ফলেই এই কুয়াশার প্রভাব থাকবে।আরও পড়ুনঃ ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবআবহবিদদের মতে, দুদিন পর থেকেই কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বঙ্গে শীতের দাপট কমবে। এমনকী, আগামী সপ্তাহে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। কিন্তু সেই বাধা আসার আগে আগামী দিন দুয়েক শীতের আমেজ জোরালো ভাবেই মিলবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা জানান, আগামী শুক্রবার থেকে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এ দিকে বয়ে এলে ১২ জানুয়ারি নাগাদ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শীতের দৌড়ে গাঙ্গেয় বঙ্গের এই এলাকাগুলি এ দিন পিছনে ফেলেছে শিলিগুড়িকে (১১.৮ ডিগ্রি)। তবে ডুয়ার্সের জলপাইগুড়ি (৯.৪) এবং কোচবিহারে (৯.৩) শীত ভালই মালুম হচ্ছে। শীতের দাপট বেড়েছে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও। পুরুলিয়ার রাতের তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। কাছেপিঠে রয়েছে বীরভূমের শ্রীনিকেতন এবং পশ্চিম বর্ধমানের পানাগড়ও। ওই দুই জায়গাতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মালদহ এবং দিনাজপুরেও শীত জাঁকিয়ে বসেছে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব শুরু হয়েছে। সেখানে পরপর দুটি ঝঞ্ঝা আছড়ে পড়ার কথা। মৌসম ভবন জানিয়েছে, প্রথম ঝঞ্ঝাটি দক্ষিণ রাজস্থানের উপরে রয়েছে এবং একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি করেছে। যার টানে আরব সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার ফলে আগামী দুদিন উত্তর-পশ্চিম ভারত এবং তার পরে মধ্য ভারতের একাংশে বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার আরেকটি শক্তিশালী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢুকবে এবং তার প্রভাবে উত্তর-পশ্চিম ভারতের পাহাড়ি এলাকায় জোরালো তুষারপাত হতে পারে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Weather: পারদ নামল কলকাতায়, বুধবার থেকে ফের কমতে পারে তাপমাত্রা

শহরবাসীকে স্বস্তি দিয়ে তাপমাত্রার পারদ সামান্য হলেও নামল কলকাতায়। তবে জানুয়ারির চতুর্থ দিনেও শীতের কামড় এখনও সে ভাবে অনুভব করা যাচ্ছে না। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া কলকাতা তথা রাজ্যের প্রায় সব জেলা। মঙ্গলবার রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা কমেছে। তবে বুধবার থেকেই রাজ্যে শীতের দাপট কমতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ভিলেন সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। অন্য দিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বছরের এই সময় যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। তাপমাত্রার খানিকটা কমার পাশাপাশি মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার জেরে কমেছে দৃশ্যমানতা। ফলে বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন দেরিতে চলছে।আবহবিদরা জানিয়েছেন, বুধবার থেকেই কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। বাতাসের জলীয় বাষ্পে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ার ফলে কনকনে ঠান্ডার আমেজ উধাও হয়ে দিনের বেলা অস্বস্তিকর আবহাওয়া তৈরি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস। আবহবিদরা আরও জানিয়েছেন, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উত্তুরে হাওয়া বাধা পাওয়ায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে না।সপ্তাহান্তে শীতের দাপট আরও কমতে পারে বলেও মনে করেছে মৌসম ভবন। মৌসম ভবন জানিয়েছে, সোমবার একটি ঝঞ্ঝা কাশ্মীরের উপর এসেছে। এর জেরে পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত এবং সমতলে বৃষ্টি হবে। তার পরে সেটি মধ্য ভারতের দিকে বয়ে আসবে। প্রথম ঝঞ্ঝাটি উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে বিদায় না নিতেই বৃহস্পতিবার নাগাদ দ্বিতীয় ঝঞ্ঝাটি উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢুকবে। চলতি সপ্তাহের শেষে সেটি মধ্য ভারতের দিকে বয়ে আসবে। এর ফলে উত্তর-পশ্চিম ভারতে তুষারপাত ও বৃষ্টি হলেও কনকনে ঠান্ডা মিলবে না। বাধা পাবে উত্তুরে বাতাসও। তার ফলেই চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে গাঙ্গেয় বঙ্গের পারদ মাথাচাড়া দেবে। সপ্তাহান্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে উঠে যেতে পারে বলে আলিপুর হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

Weather: বছরের তৃতীয় দিনে শহরে জাঁকিয়ে পড়ল শীত!

আবহবিদেরা আগেই জানিয়েছিলেন, বছরের শুরুতেই জাঁকিয়ে পড়তে চলেছে শীত। সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেল। বছরের তৃতীয় দিনে বেশ কিছুটা নামল পারদ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকই রয়েছে। শেষ কিছু দিন ধরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২-৩ ডিগ্রি বেশি ছিল। সেই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখল সোমবার। একই সঙ্গে সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সারা দিন ধরেই বইতে পারে উত্তরে হাওয়া। তবে আকাশ হালকা মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও সোমবার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই কলকাতায়।কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা বেশ কিছুটা নেমেছে। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি। পার্বত্য তরাই-ডুয়ার্সে পারদ ১০ ডিগ্রিরও নীচে নেমেছে। তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়েই বসবে শীত।আবহবিদেরা জানিয়েছিলেন, পূর্ব ভারতে ঠান্ডার কারণ উত্তর-পশ্চিমের শৈত্যপ্রবাহ। রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানায় প্রবল শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে কনকনে উত্তুরে হাওয়া পূর্ব ভারতে প্রবেশ করে। সোমবার দিন সেই শীতের দেখা মিললেও এই শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। আলিপুর হাওয়া অফিসের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি বা কোচবিহারের থেকে রবিবার পুরুলিয়া, শ্রীনিকেতন এবং কাঁথিতে বেশি শীত মালুম হয়েছে। এমনকী উলুবেড়িয়া বা কৃষ্ণনগরের কাছেও গোল খেয়ে গিয়েছে ডুয়ার্স। এর মূলে গাঙ্গেয় বঙ্গে কনকনে উত্তুরে হাওয়াই রয়েছে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা।হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রবিবার ছিল যথাক্রমে ১১.৯, ১১.৮ এবং ১২.৬ ডিগ্রি। সোমবারও থাকতে পারে এর কাছাকাছিই। অথচ পূর্বমেদিনীপুরের কাঁথিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি। তার পরেই রয়েছে বীরভূমের শ্রীনিকেতন (১০ ডিগ্রি)। পুরুলিয়া, আসানসোলের মতো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির কাছে। ফলে দক্ষিণের কাছে গোল খাচ্ছে উত্তর।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Weather: নতুন বছরে ফিরবে ঠান্ডা, স্থায়ীত্ব নিয়ে সংশয়ে আবহবিদরা

নতুন বছরে শীতকে স্বাগত জানাল শহরবাসী। এ বার ডিসেম্বরের প্রথম দিকের শীতল আমেজও উধাও ছিল। তাই জাঁকিয়ে শীত উপভোগের আশা সম্বল করে শনিবার নতুন বছরে পা দিয়েছে বাঙালি। তবে আবহাওয়া দপ্তরের আশ্বাস, আগামী সপ্তাহে জাঁকিয়ে পড়তে পারে শীত। কিন্তু সেই শীতের কাঁপুনি কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে রয়েছে ঘোর সংশয়। সত্যিই হাড়কাঁপানো শীতের দেখা মিলবে, না উত্তুরে বাতাসের সঙ্গে শুধুই লুকোচুরি খেলা চলতে থাকবে তা নিয়ে চর্চা চলছে।ঝঞ্ঝা কেটে যাওয়ায় উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে ফের উত্তুরে বাতাসকে বাহন করে শীত আসতে পারে বাংলায়। আগামী মঙ্গল এবং বুধবার নাগাদ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। কনকনে শীত পড়তে পারে জেলাগুলিতেও। কিন্তু এ শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। কারণ, মঙ্গলবার নাগাদ আবার একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাশ্মীরে ঢুকতে পারে। তার জেরে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকেই উত্তর-পশ্চিম ভারতে বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা আছে। তেমন হলে পূর্ব ভারতেও শীতের মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার, ইংরেজি বছরের শেষ দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা একটু কমে ১৫.২ ডিগ্রিতে নেমেছে। যদিও তা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। কলকাতার মতো জেলাগুলিতেও পারদ সে-ভাবে নামেনি। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল (১৪.৬ ডিগ্রি) বা পানাগড়েও (১৪ ডিগ্রি) কাঁপন ধরানো ঠান্ডা মেলেনি। হাড় কাঁপানো শীতের জন্য বিখ্যাত পুরুলিয়া, বীরভূমের শ্রীনিকেতনেও শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা ওই জায়গাগুলির নিরিখে কিছুটা বেশি রয়েছে। তুলনায় মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে (১১ ডিগ্রি) শীত খানিকটা হলেও বেশি ছিল। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে তরাই-ডুয়ার্সে স্বাভাবিক ভাবেই শীতের দাপট বেশি। শুক্রবার জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৯.২, ৮.৬ এবং ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Weather: নতুন বছরের শুরুতে নয়া ইনিংস খেলবে শীত, কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা

পৌষের শুরুতে জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও, এই মাসের বাকি অর্ধেক সময়ে শীত হতাশ করবে না বলে আশ্বাস দিল হাওয়া অফিস। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বাংলা থেকে বিদায় নিতেই ঠান্ডার দাপট ফেরার আভাস মিলেছে। স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকলেও বৃহস্পতিবারের তুলনায় শুক্রবার পারদ কিছুটা নেমেছে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে তা আরও নামতে শুরু করবে বলে পূর্বাভাস আবহবিদদের। ধাপে ধাপে পারদ পতনের জেরে আগামী সপ্তাহেই জাঁকিয়ে বসবে শীত।দিল্লির মৌসম ভবনের খবর, শুক্রবার থেকেই পঞ্জাব, রাজস্থান, হরিয়ানায় ফের শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়ে যাবে। কনকনে ঠান্ডা নিয়ে হাজির হতে পারে উত্তুরে বাতাস। তার ফলে আগামী সপ্তাহেই পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাতের তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা কুয়াশা লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি নেমে হয়েছে ২২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।ঠান্ডার ফিরে আসা নিয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা বলেছেন, নতুন বছরের প্রথম দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। পরের সপ্তাহের শুরুতে কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির কাছাকাছিও নেমে যেতে পারে। আগামী সপ্তাহ মরশুমের শীতলতম সপ্তাহ হবে কি না, তা অবশ্য নিশ্চিত করে বলেনি হাওয়া অফিস। তবে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে মারাত্মক শীত পেয়েছিল কলকাতা। ৯ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (৯ ডিগ্রি) ছুঁয়ে ফেলেছিল লন্ডনকে। সে-বারেও আচমকা ঢুকে পড়া উত্তুরে হাওয়ার দাপটেই হুড়মুড়িয়ে নেমেছিল পারদ। আবহবিদদের মতে, খাস কলকাতার তাপমাত্রা যদি ১১-১২ ডিগ্রিতে নামে, তা হলে জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও কম থাকবে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Weather: দক্ষিণবঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, হতে পারে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি

সপ্তাহখানেক আগেও হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছিল দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। সেখানে এখন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ১৪ ডিগ্রির কাছাকাছি। কলকাতার তাপমাত্রা তো আরও বেড়েছে। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেড়ে মঙ্গলবার সকালে তা পৌঁছে গিয়েছে ১৭ ডিগ্রির কাছাকাছি। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্ত মেঘও রয়েছে আকাশে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলবারের সকাল ঢেকেছে কুয়াশায়। মঙ্গলবার সকালে মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সোমবার আসানসোলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি। বর্ধমানে ১৬ ডিগ্রি, উলুবেড়িয়ায় ১৬ ডিগ্রি, ক্যানিংয়ে ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি। উত্তরবঙ্গের পাহাড় এবং তরাইয়ে অবশ্য স্বাভাবিক ভাবেই দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় ঠান্ডা বেশি রয়েছে। সোমবার রাতের তাপমাত্রা দার্জিলিঙে ৩ ডিগ্রি, কোচবিহারে ৭.৬ ডিগ্রি, কালিম্পংয়ে ৮ ডিগ্রিতে নেমেছে।আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতে হাজির হওয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উত্তুরে হাওয়া বাধা পেয়েছে। সেই ঝঞ্ঝা ক্রমশ পূর্বভারতের দিকে বয়ে আসার ফলে রাতের পারদ পতনেও বাধা সৃষ্টি করছে। এই ঝঞ্ঝার জেরে মঙ্গলবার, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণাবর্ত ও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তর ও দক্ষিণ, দুই বঙ্গেরই বেশ কিছু জেলায় শীতের মাঝে বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পঙে মঙ্গলবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি চলবে আগামিকাল পর্যন্ত। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া,পশ্চিম বর্ধমান বীরভূম হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বছরের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে বছরের শেষে শীত ফিরবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আবহবিদদের অনুমান, চলতি বছরের শেষ দিন থেকেই তাপমাত্রা নামতে পারে। তবে ফের শীতের কাঁপুনি মিলতে পারে নতুন বছরের দুদিন পেরনোর পরেই। আগামী শনিবার বছরের প্রথম দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: বর্ষবরণের আগে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা

শীতের লম্বা ইনিংসকে আপাতত রুখে দিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলা। যার জেরে ক্রমেই বাড়ছে তাপমাত্রা। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শহরের তাপমাত্রার সূচক এসে থামল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বাড়ল তাপমাত্রা।পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজ্যে শীতের দাপট গত কয়েক দিন ধরেই কিছুটা কমের দিকে। সোমবার সকালে একধাক্কায় আরও এক ডিগ্রি বাড়ল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সকালে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস থাকলেও সোমবার আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।শনিবারই আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছিল, সোমবার থেকেই আকাশ মেঘলা থাকবে। বিহারের ঘূর্ণাবর্ত এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝর প্রভাবে সমুদ্র থেকে রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যার প্রভাবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাপমাত্রা দুএক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছিল হাওয়া অফিস।হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছিল। সোমবার আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা এবং হাওড়ায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। সে ক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শহরের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Weather: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধায় বড়দিনে উধাও শীতের কনকনানি

শীতের ইনিংসে আপাতত খলনায়ক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। উত্তুরে হাওয়াকে সে এমন ভাবে বাধা দিচ্ছে, যে শনিবার বড়দিনে কনকনে শীতের আমেজ উধাও। এমনকী বর্ষশেষেও জবরদস্ত শীতের সম্ভাবনা কম। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বড়দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি চলে যাবে। রবিবার থেকে পারদ আরও মাথাচাড়া দেবে।আবহবিদদের একাংশের ধারণা, বছরের শেষেও জাঁকিয়ে শীতের আশা কম। আগামী সপ্তাহের অধিকাংশ দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশি থাকতে পারে বলে মনে করছে হাওয়া অফিস। তবে কলকাতার থেকে জেলাগুলিতে তুলনায় তাপমাত্রা কম থাকবে। শীতের কমবেশি দাপট চলবে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে।আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, শীতের চাবিকাঠি লুকিয়ে থাকে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। এখন সেখানেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় উত্তুরে হাওয়া বাধা পাচ্ছে। তাই পূর্ব ভারতে শীতের কনকনে ভাব কমেছে। সেই বাধা কাটলেই ফের জাঁকিয়ে শীত হাজির হবে রাজ্যে। আগামী পাঁচ দিনে ১৮টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বৃষ্টি বা তুষারপাতের পূর্ভাভাস রয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ২৬ থেকে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, সিকিম ও ওডিশায়। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে ২৪-২৫ ডিসেম্বর তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ২৪ ডিসেম্বর তুষারপাত হতে পারে হিমাচলে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: শীতের ভিলেন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, সপ্তাহান্তে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা

শীতের লম্বা ইনিংসে ফের বাধা দিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। একদফা জোরালো শীতের পরে কলকাতার রাতের তাপমাত্রা কিছুটা মাথা চাড়া দিয়েছে। বেশির ভাগ জেলাতেও তাপমাত্রা বেড়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বড়দিন থেকে পারদ আরও চড়বে। মাসের শেষ সপ্তাহে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরেও উঠে যেতে পারে।আবহবিদেরা জানিয়েছেন, কাশ্মীরে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে। তার জেরে সেখানে বৃষ্টি এবং তুষারপাত হবে। তাপমাত্রা বাড়ছে পঞ্জাব, হরিয়ানাতেও। ঝঞ্ঝা এলে উত্তুরে হাওয়া বাধা পায়। তার জেরে মধ্য এবং পূর্ব ভারতে ঠান্ডা কমে। এর ফলে বাংলাতেও শীতের কনকনানি আগামী কয়েক দিনে কমে যাবে। তবে ঝঞ্ঝা বিদায় নিলে উত্তুরে হাওয়া বাধাহীনভাবে বইতে শুরু করবে। তখন তাপমাত্রা ফের কমতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা।গত কয়েক দিন বাংলায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছিল। শীতের দৌড়ে উপকূলীয় জেলাগুলি টেক্কা দিচ্ছিল উত্তরবঙ্গের তরাই এলাকাকে। বুধবারও কোচবিহার, শিলিগুড়িকে পিছনে ফেলেছে পুরুলিয়া, কাঁথি। কোচবিহারে বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শিলিগুড়িতে ৯.২ ডিগ্রি। সেখানে পুরুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.১ এবং কাঁথিতে ৯ ডিগ্রি। তবে বাঁকুড়া, শ্রীনিকেতন, পানাগড়ের মতো পশ্চিমাঞ্চলের এলাকাগুলিতে গত দুদিনের তুলনায় তাপমাত্রা বেড়েছে।বুধবারই মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির ঘর থেকে বেড়ে ১৩ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছেছিল। বৃহস্পতিবার তা প্রায় একই রয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Weather: বড়দিনে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা! কমবে শহরের তাপমাত্রা

বড়দিনে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা। আরও ২-৩ দিন জমজমাট শীত রাজ্যে। ঠান্ডা কমবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।মঙ্গলবারের থেকে বুধবার তাপমাত্রার পারদ বাড়ল ২ ডিগ্রি। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.২ সেলসিয়াস, যেটা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোর ক্ষেত্রেও তাপমাত্রার পারদ একটু বাড়বে। সকালে কলকাতায় কুয়াশা বেলা বাড়লে পরিষ্কার হবে আকাশ। আগামী দুদিন তাপমাত্রার পারদ এরকমই থাকবে বড়দিনে বা পঁচিশে ডিসেম্বরে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।তাপমাত্রা বাড়ার কারণ হল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। শ্রীলঙ্কা এবং ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যেটি আজ দুপুরে নিম্নচাপ অক্ষরেখায় পরিণত হবে। এই নিম্নচাপ অক্ষরেখা টি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপরে রয়েছে যে কারণে তাপমাত্রার এই উত্থান।একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিস্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত। পশ্চিমাঞ্চলে একাধিক জায়গায় তাপমাত্রা দশের নীচে। আরও ২-৩ দিন জমজমাট শীত রাজ্যে। বড়দিনে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা। ঠান্ডা কমবে। কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

Weather: মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই, কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রিতে

মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই। কলকাতায় তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্বাভাবিকের চেয়ে চার ডিগ্রি কম। জেলায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি। বাধা নেই, হু হু করে ঢুকছে হিমেল হাওয়া। অন্তত ৩-৪ দিন জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বড়দিনের কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে।যত দিন যাচ্ছে, তত জাঁকিয়ে বসছে শীত! ধুন্ধুমার ব্যাটিং চলছে দেশজুড়ে। বাংলাতেই বা পিছিয়ে থাকবে কেন! গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল পারদপতন। এ সপ্তাহেও তা অব্যাহত। গত দুদিনের থেকে সোমবার তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। এর জেরে গত সপ্তাহের পরিসংখ্যান পিছনে ফেলে সোমবারই হল যে মরসুমের শীতলতম দিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়াই থাকবে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে হবে ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকেও ৪ ডিগ্রি কম। এ মরশুমে এই প্রথম মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রির ঘরে।কলকাতার তুলনায় জেলার বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা আরও কমেছে। কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো শহরেও কমেছে তাপমাত্রা। সব মিলিয়ে পৌষের শুরু থেকেই জমিয়ে ব্যাটিং শীতের। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, বাড়তে পারে ঠান্ডা

নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে বাংলায় ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। কলকাতায় গত তিন ধরেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রিতে রয়েছে। সঙ্গে সকালে হালকা কুয়াশাও দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জেলায়।এ বছরে সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বঙ্গোপসাগের ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বেড়েছিল জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি। যার জেরে ধাক্কা খেয়েছিল শীতের ব্যাটিং। সেই প্রভাব কমতেই বেড়েছে ঠান্ডা। আলিপুর আবহওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃহস্পতিবার আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্য দিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Weather: আজ আরও জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, কমবে রাতের তাপমাত্রাও

বুধবার আরও নামল পারদ। এদিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। কমেছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও। আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। আজ প্রধাণত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। রোদ ঝলমলে দিন থাকবে সারাদিন। রাতে আরও কমবে তাপমাত্রা। আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কোটাতেই থাকে। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal