• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Win

রাজ্য

Weather: সোমবারের তুলনায় আরও নামল পারদ, মরশুমের শীতলতম মঙ্গলবার

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আরও জাঁকিয়ে বসল ঠান্ডা। সোমবার অনেকটাই পতন হয়েছিল পারদের। মঙ্গলবার তা আরও নেমেছে। যার জেরে মঙ্গলবারই এখনও পর্যন্ত এ মরশুমের শীতলতম দিন। নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে এ রাজ্যে যখন শীত নিজের প্রভাব বাড়াচ্ছে, তখন রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার প্রভাবে কাঁপছেন মানুষ।আকাশ পরিষ্কার হতেই হিমেল পরশ। গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। তবে এই সময়ে সকালের দিকে কিছু এলাকা কুয়াশায় ঢাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সোমবার এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৫ ডিগ্রিতে।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই বাংলায় ফিরছে শীত।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকাল থেকেই কনকনে অনুভূতি, সোমবারই মরশুমের শীতলতম দিন

অবশেষে শীত এল বঙ্গে। গত সপ্তাহের শেষ থেকে পারদের পতন শুরু হয়েছিল। পরের ২৪ ঘণ্টায় তা আরও কমেছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সোমবারই এ বছরের এখনও অবধি শীতলতম দিন। বাংলায় একটু দেরি হলেও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও, বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘণীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাস্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই ফিরছে শীত। হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন বজায় থাকবে এই ঠান্ডা। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়বে।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রোদের পাশাপাশি বইবে উত্তুরে হাওয়া। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে হতে পারে ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ বছরে এখনও অবধি সব চেয়ে কম এবং রবিবারের তুলনায় প্রায় ৩ ডিগ্রি কম।এদিকে রাজধানী দিল্লি-সহ দেশের অন্যত্রও ঠান্ডার দাপট শুরু হয়েছে। প্রবল শীতে রাজস্থানের অনেক জায়গায় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। বহু জায়গায় সকালবেলা কুয়াশার কারণে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে। ঠান্ডা এবং কুয়াশায় দৈনন্দিন কাজকর্মও শুরু হচ্ছে অনেক দেরিতে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Weather: ধীরে-ধীরে কমছে তাপমাত্রা, জাঁকিয়ে শীত এখনই নয়

সপ্তাহের শেষ থেকে বাংলায় অনুভূত শীতের আমেজ। গতকাল থেকেই তাপমাত্রা কমার ইঙ্গিত দিয়েছিল হাওয়া অফিস। হচ্ছেও ঠিক তেমনটাই। পাশাপাশি রয়েছে কুয়াশার সতর্কতা।এদিকে, এতদিন শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার কারণে উত্তরে হাওয়া রাজ্যে ঢুকতে বাধা পাচ্ছিল। এবার সেই বাধা কাটিয়ে ধীরে ধীরে কমবে তাপমাত্রা। দিনে মেঘলা আকাশ থাকবে সঙ্গে কুয়াশা। রাতে তাপমাত্রা কমবে।তবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি যে তাপমাত্রা হওয়া তা কিন্তু নেই। নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা-সহ সারা বাংলায় জাঁকিয়ে শীত পড়ে। যদিও, গত কয়েক বছর সেই নিয়মের কিছুটা হলেও ব্যাঘাত ঘটেছে। আবহাওয়াবিদের মতে যেখানে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা হওয়া উচিৎ ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সেখানে আজকের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রয়েছে। আজকে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। পাশাপাশি আবহাওয়া অফিসের তরফ থেকেও বৃষ্টিপাতের কোনও পূর্বাভাস মেলেনি।উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Weather: আগামী সপ্তাহেই শীত রাজ্যে!

নিম্মচাপ আর বৃষ্টিতে তিতিবিরক্ত বাঙালি মুখিয়ে রয়েছে শীত আসবে কবে, সে দিকেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শীতের জন্য আর বেশি অপেক্ষা করতে হবে না রাজ্যবাসীকে। আগামী সপ্তাহেই দেখা মিলবে শীতের। একই সঙ্গে সপ্তাহান্তে কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে তারা।ডিসেম্বর মাস পড়ে গেলেও মেঘ, বৃষ্টির জেরে স্যাঁতসেতে ঠান্ডা থাকলেও শীতের আমেজ কিন্তু সে ভাবে মিলছে না। আর তাতেই খানিকটা হতাশ আম বাঙালি। প্রশ্ন উঠছে, শীতের চেনা ঝকঝকে আকাশের দেখা কবে মিলবে? শীত এখনই না পড়লেও রাতের তাপমাত্রা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে শীত শনিবার থেকেই?

আকাশে মেঘ। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। হেমন্তের শেষ লগ্নে এমন বৃষ্টিভেজা স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার পিছনে অবশ্য উত্তুরে বাতাসের অবদানও কম নয় বলে আবহবিদেরা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (পূর্বাঞ্চল) সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুষ্ক, ঠান্ডা হাওয়া বয়ে আসছে। উল্টো দিকে বঙ্গোপসাগর থেকে উষ্ণ এবং আর্দ্র জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে ঢুকছে। বিপরীত চরিত্রের এবং বিপরীতমুখী দুই বায়ুর সংমিশ্রণে কলকাতা-সহ উপকূলীয় জেলাগুলির আকাশে স্থানীয় ভাবে মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে।জাঁকিয়ে শীতের প্রত্যাশায় আমবাঙালি অনেক দিন ধরেই আশা নিয়ে বসে রয়েছে। মেঘ, বৃষ্টির জেরে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা থাকলেও শীতের আমেজ কিন্তু সে ভাবে মিলছে না। এমন মেঘ, বৃষ্টির আবহাওয়াও অনেকের না-পসন্দ। তাই প্রশ্ন উঠছে, শীতের চেনা ঝকঝকে আকাশ কবে মিলবে?সঞ্জীববাবুর দাবি, আজ, শুক্রবার সকালের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি শুরু হবে। তবে আজও, আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তাই রাতের তাপমাত্রা সে ভাবে নামবে না। আগামিকাল, শনিবার থেকেই ঝকঝকে আকাশ মিলবে। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে সূর্যাস্তের পরে মাটির বিকিরিত তাপ বাধাহীন ভাবে বায়ুমণ্ডলের বাইরে যেতে পারে। তার ফলেই রাতের পারদ নামে। শীতকালে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলেই রাতে জাঁকিয়ে শীত পড়ে। সঞ্জীববাবুর বক্তব্য, আগামিকাল, শনিবার থেকেই পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩-৪ দিনে রাতের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি নামতে পারে।আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বেসরকারি ওয়েবসাইটের দাবি, আগামী সপ্তাহে হু-হু করে পারদ পতন হতে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশেও নেমে যেতে পারে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌‌জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ভারতের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে জীবনের সেরা বোলিং করেছেন নিউজিল্যান্ডের আজাজ প্যাটেল। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ১০ উইকেট। কিংবদন্তী স্পিনার জিম লেকার, অনিল কুম্বলের সঙ্গে এক আসনে বসিয়েছেন নিজেকে। নিউজিল্যান্ডের এই স্পিনারের কৃতিত্বকে কুর্ণিশ জানাল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সোমবার ম্যাচের শেষে ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের সই করা জার্সি উপহার দেওয়া হয় আজাজ প্যাটেলকে। বিসিসিআই টিভির পক্ষ থেকে ভারতীয় দলের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন আজাজের সাক্ষাৎকারও নেন।টেস্টের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শনিবার ভারতীয় ইনিংস শেষে যখন আজাজ প্যাটেলকে সামনে রেখে সাজঘরে ফিরছিল নিউজিল্যান্ড দল, গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানিয়েছিল আজাজকে। আর এদিন ম্যাচ শেষে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে সতীর্থদের সই করা জার্সি আজাজের হাতে তুলে দেন। ভারতীয় দলের কাছ থেকে এইরকম উপহার পেয়ে আপ্লুত আজাজ। ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা শুধু আমার কাছে নয়, আমার স্ত্রী, আমার মাবাবা, পরিবারের কাছে বিশেষ মুহূর্ত। আমার কাছে অন্যতম স্মরণীয় দিন। এইরকম কৃতিত্ব স্থাপন করতে পারাটা আমার ক্রিকেটজীবনে দারুণ ব্যাপার। আমি সত্যিই ভাগ্যবান যে এইরকম কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরেছি।You just cannot miss this 🗣️ 🎥@ashwinravi99 @AjazP in one frame 👍 👍Stay tuned for this folks ⌛Interview coming up soon on https://t.co/Z3MPyesSeZ#TeamIndia #INDvNZ @Paytm pic.twitter.com/mCzzMuQ7aZ BCCI (@BCCI) December 6, 2021মুম্বইয়েই জন্ম আজাজ প্যাটেলের। মুম্বইয়ের ক্রিকেট ময়দান তাঁর কাছে পরিচিত। ৭ বছর বয়সে বাবামার হাত ধরে নিউজিল্যান্ড পাড়ি দেন। স্বপ্ন দেখতেন ওয়াংখেড়েতে টেস্ট খেলার। অবশেষে সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় আজাজ প্যাটেল বলেন, এই ভারত সফরটা আমার কাছে অন্যরকম ছিল। একসময় স্বপ্ন দেখতাম ভারতে এসে ওয়াংখেড়েতে টেস্ট খেলব। সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে। আর সবথেকে বড় পাওনা এই ওয়াংখেড়েতেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানো। আজাজ আরও বলেন, আমি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করব। ইশ্বরকে ধন্যবাদ দেব এইরকম কৃতিত্ব অর্জন করার সুযোগ দেওয়ার জন্য। দীর্ঘসময় ধরে এক জায়গায় বল রাখার পুরস্কার পেয়েছি। জোরে বোলার হিসেবে ক্রিকেটজীবন শুরু করেছিলেন আজাজ প্যাটেল। মাত্র ২ বছর আগে স্পিন করার দিকে মনোযোগ দেন। আর সেই স্পিন বোলিংই তাঁকে ইতিহাসে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে আজাজ প্যাটেল বলেন, নিউজিল্যান্ডের পরিবেশে সবাই জোরে বোলার হওয়ার চেষ্টা করে। আমি পেস বোলিং করতাম। কিন্তু ভাল জোরে বোলার হওয়ার জন্য যে উচ্চতা প্রয়োজন, তা আমার নেই। তাই মাত্র ২ বছর আগে স্পিন বোলিং করতে শুরু করি। দুবছরে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছি।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand Test : ‌৩৭২ রানে বড় জয় ভারতের, হেডলিকে টপকে গেলেন অশ্বিন

তৃতীয় দিনের খেলার শেষে ভারতের জয় ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। নিউজিল্যান্ডকে দ্বিতীয় টেস্টে হারাতে চতুর্থ দিন ১ ঘন্টাও সময় লাগল না। মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যেই কিউয়িদের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ৩৭২ রানে বড় জয় পেল ভারত। সিরিজ জয়ের পাশাপাশি একই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিলেন বিরাট কোহলিরা। আগের দিনে নিউজিল্যান্ডের রান ছল ৪৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪০। হেনরি নিকোলস ৩৬ এবং রাচিন রবীন্দ্র ২ রানে ক্রিজে ছিলেন। কিউয়িদের বাকি ৫ উইকেট তুলে নিতে ভারতীয় বোলারদের ১২ ওভারও লাগল না। মাত্র ১১.৩ ওভারেই এদিন বাকি ৫ উইকেট তুলে নেন দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও জয়ন্ত যাদব। চতুর্থ দিন সকালে নিউজিল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন জয়ন্ত যাদব। দিনের সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে রাচিন রবীন্দ্রকে তুলে নেন। ৫০ বলে ১৮ রান করে চেতেশ্বর পুজারার হাতে ক্যাচ দেন রাচিন। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৬২। ১ ওভার পরেই সেই জয়ন্তর বলে লেগ বিফোর আউট হন কাইল জেমিসন (০)। ১ বলের ব্যবধানে টিম সাউদিকেও (০) তুলে নেন জয়ন্ত। উইলিয়াম সমারভিলেও (১) তাঁর শিকার। নিউজিল্যান্ডের শেষ উইকেট তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর বলে হেনরি নিকোলসকে (৪৪) স্টাম্পড করেন ঋদ্ধিমান সাহা। নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে যায় ১৬৭ রানে। ৪৯ রানে ৪ উইকেট পান জয়ন্ত যাদব। ৩৪ রানে ৪ উইকেট রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নেওয়ায় এই বছরে টেস্টে অশ্বিনের উইকেট সংখ্যা ৫২। আর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ৬৬ উইকেট তুলে নিয়ে স্যার রিচার্ড হেডলিকে টপকে গেলেন অশ্বিন। আজাজ প্যাটেল এই টেস্টে ১৪ উইকেট পেলেও ম্যাচের সেরা হয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৭২ রানে বড় জয় পেলেও আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। ভারতের ঝুলিতে ৪২ পয়েন্ট। এই বছর দুটি সিরিজ মিলিয়ে ভারত এখনও পর্যন্ত খেলেছে ৬টি টেস্ট। ৩টিতে জয় এসেছে। ১টি হার। ২টি ড্র।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Weather: আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই আবহাওয়ার বড়সড় পরিবর্তন! জারি সতর্কতা

আরও কিছুটা নামল শহরের তাপমাত্রার পারদ। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.২ ডিগ্রি। আগামী ২-৩ দিন থাকবে একই তাপমাত্রা। ২-৩ দিন পর ফের বাড়তে পারে তাপমাত্রা। জোড়া নিম্নচাপে ঠান্ডা আমেজে কাঁটা। ৩ ডিসেম্বরের পর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর অবশ্য জানিয়েছে, উচ্চচাপের গেরো কেটে গিয়েছে। মেঘ সরে আকাশ পরিষ্কার হয়েছে। ফলে ফিরেছে হেমন্তের ঠান্ডা আমেজ। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমতে পারে। সকাল থেকে হালকা কুয়াশার চাদরে মোড়া শহর কলকাতাও।সপ্তাহান্তে যে জোড়া নিম্নচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে, তা নিয়ে বেশ কিছু সতর্কবার্তা দিয়েছেআবহাওয়া দপ্তর। ২৯ নভেম্বর অর্থাৎ আগামীকাল একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে আন্দামান সাগরে। উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সরাসরি তামিলনাড়ু উপকূলে হয়তো যাবে না। সেক্ষেত্রে অন্ধ্র কোস্ট ও মায়ানমার কোস্টের মাঝামাঝি জায়গায় নিম্নচাপ সরে আসবে। দফায় দফায় শক্তি বাড়াবে। ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে।তবে ওই নিম্নচাপটি যদি বঙ্গের দিকে আসে সেদিক থেকে বঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, শীত আসতেও দেরি হবে। কারণ, এ রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে জ্বলীয় বাষ্প ঢুকতে পারে। ফলে বাধা পাবে, শীতের উত্তুরে হাওয়া। ফলে অগ্রহায়ণেও কাঁটা বৃষ্টি। পাকাপাকিভাবে কবে থেকে শীত পড়বে তা এখনও স্পষ্ট করে বলতে পারেনি আলিপুর হাওয়া অফিস।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Weather: শহরের পারদ নামল বেশ কিছুটা, দক্ষিণবঙ্গে ফিরছে শীত

বাধা কাটিয়ে রাজ্যে ফিরছে শীত। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটা কমেছে। যার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতায় শীত-শীত ভাব অনুভূত হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও ফিরেছে ঠান্ডা। আগামী কয়েক দিন ঠান্ডা বাড়বে বলেই মত হাওয়া অফিসের। এদিন রাতের দিকে তাপমাত্রা কমতে পারে বলেও হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সারা দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির বেশি থাকলেও চার দিন পর বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ২০ ডিগ্রির নীচে। পারদ নেমেছে ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যদিও এখনও তা যা স্বাভাবিকের থেকে দুডিগ্রি বেশি।গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। বৃহস্পতিবারও হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্কই থাকবে। রাত বাড়তে পারে ঠান্ডা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Foggy Weather: ফের নামতে শুরু করছে পারদ, কুয়াশার চাদরে ঢাকল ভোরের শহর

সকালের শিরশিরে আজ আবার কিছুটা হলেও অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত দুদিনে তাপমাত্রা বেড়েছিল অনেকটাই। কিন্তু মঙ্গলবার সকালের দৃশ্যটা আবার অন্য রকম।গত দুদিন ধরেই কলকাতায় সেই শিরশিরে ভাবটা উধাও ছিল। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ছিল স্বাভাবিকের থেকে বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে যে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প ঢুকেছিল, তার ফলে উপকূল এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কলিংপং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।সকাল থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া শহর কলকাতাও। সল্টলেক, নিউটাউন, রাজারহাট-সহ একাধিক এলাকায় ঘন কুয়াশা পড়েছিল সকালে । ৫০০ মিটার পর থেকে দৃশ্যমানতা কম অর্থাৎ সবকিছুই ঝাপসা দেখা যাচ্ছিল। সকাল থেকেই রাস্তায় কোনও কোনও গাড়ি হেডলাইট আবার কোনও গাড়ি ইমার্জেন্সি লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। কুয়াশার কারণে গত দু দিনের তুলনায় আজ অনেকটাই শিরশিরে ভাব অনুভূত হচ্ছে।মঙ্গলবার হাওয়া অফিস অবশ্য বলছে, তাপমাত্রা ক্রমশ নিম্নমুখী হচ্ছে আর কয়েকদিনের মধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। মঙ্গলবার উচ্চচাপের ফাঁড়া কাটলে বুধবারের পর ফিরবে ঠান্ডা আমেজ। এমনও হতে পারে, আগামী সপ্তাহান্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।তবে হাওয়া অফিসের যা ইঙ্গিত, তাতে পুরোদমে দক্ষিণবঙ্গে শীত পড়তে এখনও কিছুটা সময় বাকি। ১৫ ডিসেম্বরের আগে সে অর্থে কলকাতায় শীত পড়েও না। তবে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা নামতে শুরু করে। কিন্তু এবার নভেম্বরেই দুবার তাপমাত্রা ১৮র কাছাকাছি নেমে গিয়েছিল।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Winter: উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে আড়াই ডিগ্রি নামল পারদ, ঠান্ডা পড়ছে দক্ষিণবঙ্গে

অবশেষে কেটেছে নিম্নচাপের ভ্রূকুটি। আর নিম্নচাপ কাটতেই মঙ্গলবার রাত থেকেই কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। যার জেরে মহানগরীতে ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও কমবে তাপমাত্রা। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় কমেছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২৪ ঘণ্টায় তা হতে পারে ১৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম।মঙ্গলবারই আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু হয়েছিল। বুধবারও রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়া থাকবে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। গত কয়েক দিনের তুলনায় ঠান্ডাও থাকবে বেশি। গত দুদিন ধরেই একটি স্যাঁতস্যাঁতেভাব সর্বত্র। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জ্বলীয়বাষ্পের জেরেই দক্ষিণের জেলাগুলিতে গত দুদিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল। বাদ ছিল না মহানগরও। ১৬ নভেম্বর আবহাওয়া শুষ্ক থাকার কথা ছিল। তবে মঙ্গলে আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের সব জায়গায় বৃষ্টি হয় অল্প।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গত কয়েক দিন মেঘাচ্ছন্ন ছিল আকাশ। বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিও হয়েছে। এর জেরে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে যে বাধার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন আর রইল না। ফলে নিজের ইনিংস খেলবে শীত।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Depression: বঙ্গে ফের নিম্নচাপে উধাও হবে শীত ভাব, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস?

উত্তুরে হাওয়া বিনা বাধায় এ রাজ্যে ঢুকতে শুরু করায় নভেম্বরের শুরু থেকেই একটা শীতের আমেজ অনুভব করছে রাজ্যবাসী। জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও রাতে তাপমাত্রা বেশ খানিকটা নামায় একটা শিরশিরানি ভাব অনুভব করা যাচ্ছে। ভোরেও হালকা শীত শীত ভাব টের পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু আগামী কয়েক দিন সেই শীতের আমেজ থেকে বঞ্চিত থাকতে হবে রাজ্যবাসীকে। কারণ, ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। ফলে আগামী কয়েক দিন শীত শীত ভাব উধাও হতে পারে রাজ্য থেকে। বাড়তে পারে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হতে শুরু করেছে। যা ১১ নভেম্বর আরও সুস্পষ্ট হবে। আর এই নিম্নচাপের জেরে তামিলনাড়ু উপকূলে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এ রাজ্যেও নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের জেরে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। শুক্রবার উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা থেকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি এবং রবিবার হালকা বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায়। ফের শীতের আমেজ মিলতে পারে ১৫-১৬ নভেম্বর থেকে।

নভেম্বর ১০, ২০২১
কলকাতা

Assembly: সুব্রত-স্মরণ দিয়েই শুরু বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন

শীতকালীন অধিবেশনে আর যোগ দেওয়া হল না পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানিয়েই আজ শুরু হচ্ছে বিধানসভার অধিবেশন। প্রয়াত মন্ত্রীর প্রতি শোকবার্তা পাঠ করবেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বিধানসভায় প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় উপস্থিত থাকবেন সব দলের বিধায়করা। এমনকী বিজেপি বিধায়কদেরও অনেকে উপস্থিত থাকবেন বিধানসভায়। এর আগে বঙ্গ বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, ১৩ নভেম্বরের আগে বিধানসভার অধিবেশনে দলের কোনও বিধায়ক যোগ দেবেন না। কিন্তু এখন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হঠাৎ প্রয়াণে সেই সিদ্ধান্তে কিছুটা বদল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সুব্রত বাবুর স্মরণ সভায় বিধানসভায় আসবেন বিজেপি বিধায়কদের অনেকেই। বঙ্গ বিজেপির তরফে তেমনটাই স্থির করা হয়েছে।জানা গিয়েছে প্রয়াত মন্ত্রীর স্মৃতিচারণায় এক ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টার আলোচনা হবে বিধানসভা ভবনে। সোমবার বিধানসভায় থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Winter in Bengal: বঙ্গে আরও নামল তাপমাত্রা, বইছে উত্তুরে হিমেল হাওয়া

শহরজুড়ে শীতের আমেজ। ফের নামল তাপমাত্রার পারদ। দক্ষিণবঙ্গে সকালে শীতের আমেজ আরও বাড়ছে। জেলায় জেলায় তাপমাত্রা ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে । পুরুলিয়ার পারদ ১৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। আবহাওয়াবিদদের কথায়, হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলাজুড়ে। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে থাকায় শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। খুব সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশাও পড়ছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩০ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ আদ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও দিনভর আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর।রাতে ও সকালের দিকে রীতিমতো ঠান্ডা লাগছে। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী কয়েকদিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, নতুন করে নিম্নচাপের আশঙ্কা রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর সুমাত্রা উপকূলে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত আগামী মঙ্গল-বুধবার নাগাদ এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে এগবে। সরাসরি প্রভাব না পড়লেও পরোক্ষ প্রভাবে পূবালি হাওয়ায় প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকতে পারে রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে।পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীনিকেতন ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড় ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাঁকুড়া ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আসানসোল ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বারাকপুর ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ধমান ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বহরমপুর ১৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলাইকুন্ডা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দীঘা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস । ক্যানিং ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: কালীপুজোয় শীতের আমেজ থাকলেও এখনই নামবে না তাপমাত্রা

ভোরের দিকে ঠাণ্ডার আমেজ। কিন্তু এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে আসছে না শীত । চলতি সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রায় এখনই ব্যাপক হেরফের লক্ষ্য করা যাবে না বলেই পূর্বাভাস জানাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বুধবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই ঘোরাফেরা করবে। আগামী পাঁচদিন এই তাপমাত্রায় তেমন পতন হবে না।আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এবছর বর্ষা বিদায় নিতে যেমন বেশি সময় নিয়েছে, তেমনই শীত পড়বে এবার বেশ জাঁকিয়ে। গত কয়েক বছরের তুলনায়, এবছর একটু বেশীই শীত পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আপাতত পাঁচ দিন উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যে ইতিমধ্যেই উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করেছে। যার ফলে ভোরের দিকে কিছুটা ঠাণ্ডা অনূভূত হবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা। তবে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Byelection-TMC: রাজ্যের চার কেন্দ্রেই জয়ী তৃণমূল, উন্নয়নের বার্তা মমতার

চার কেন্দ্রেই জয়ী তৃণমূল । সকাল থেকেই জয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল। বেলা বাড়তেই একে একে সামনে আসে চার কেন্দ্রের ফলাফল। দিনহাটা, গোসাবা, শান্তিপুর ও খড়হহে তৃণমূলের জয়জয়কার। আর এই ফলাফলকে মানুষের জয় বলেই আখ্যা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ী প্রার্থীদের ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেছেন, আসলে বাংলার মানুষ ষড়ষন্ত্র আর ঘৃণার রাজনীতি নয়, উন্নয়নকেই ভরসা করে।গোসাবা, খড়দহ, শান্তিপুর ও দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে গত ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার এই চার কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা হল। এর মধ্যে নিঃসন্দেহে পাখির চোখ ছিল খড়দহ। কারণ এখানে রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রার্থী হন। যিনি ভবানীপুরে একুশের ভোটে জয়ী হলেও পরে ইস্তফা দেন। এ দিন জয়ী হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, একই রকম গুরুত্বপূর্ণ ছিল দিনহাটা ও শান্তিপুরের ফলাফলও। এই দুই আসনে একুশের ভোটে জয়ী হয় বিজেপি। তবে ভোটে লড়েছিলেন দুই সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার। পরে দল তাঁদের সাংসদ হিসাবেই রেখে দেয়। দুই আসনেই এ দিন জয়ী হয়েছে তৃণমূল। গোসাবাতেও দেড় লক্ষের বেশি ব্যবধানে জয়ী ঘাসফুলের প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল।উপনির্বাচনে রাজ্যের চারটি বিধানসভা আসনেই পরাজিত বিজেপি। এর মধ্যে দিনহাটা এবং শান্তিপুর আসন হাতছাড়া হয়েছে তাঁদের। তবে শান্তিপুর হাতছাড়া হলেও ব্যবধানের নিরিখে এই কেন্দ্রেই বিজেপি-র ফল সবথেকে ভাল বলা যায়। দিনহাটায় এবং গোসাবায় শাসকদল জিতেছে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে। খড়দহেও ব্যবধান ৯৩ হাজারের বেশি। এই তিন কেন্দ্রেই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বিজেপি প্রার্থীর। ব্যতিক্রম কেবল শান্তিপুর। সেখানে জামানত রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের প্রার্থী।My heartiest congratulations to all the four winning candidates!This victory is peoples victory, as it shows how Bengal will always choose development and unity over propaganda and hate politics. With peoples blessings, we promise to continue taking Bengal to greater heights! Mamata Banerjee (@MamataOfficial) November 2, 2021এ দিন ফল প্রকাশের পর মমতা টুইটে অভিনন্দন জানান চার প্রার্থীকে। তিনি লিখেছেন, এটা মানুষের জয়। এই জয় বুঝিয়ে দিচ্ছে কী ভাবে বাংলার মানুষ ষড়যন্ত্র আর ঘৃণার রাজনীতিকে উপেক্ষা করে উন্নয়ন আর ঐক্যকেই বেছে নিয়েছেন। বাংলাকে উন্নয়নের নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন মমতা।A cracker free Diwali in true sense. Wishing folks at @BJP4India a very Happy Diwali!💥 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) November 2, 2021অন্যদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের কটাক্ষ করে টুইটে বিজেপিকে দিপাবলীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সত্যিকারের বাজি-হীন দিপাবলী। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কর্মীদের বিজয় মিছিল না করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি জানিয়েছেন, যাতে সব এলাকায় শান্তি বজায় থাকে। বিজয় মিছিল যাতে না করা হয়, বা কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, সেই বার্তাই দিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Winter: উত্তুরে হাওয়ায় বঙ্গে শীতের আমেজ

রাজ্যে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কেটে গিয়েছে। যার জেরে সুগম হয়েছে উত্তুরে হাওয়ার প্রবেশ পথ। আর তাই সূর্যাস্তের পরেই শীতের আমেজ কিছুটা হলেও অনুভব হচ্ছে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে পড়বে না শীত। তবে আবহাওয়া ক্রমশ শুষ্ক হতে থাকবে।এখন হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলাজুড়ে। শুরু হয়েছে উত্তরের হাওয়ার দাপট। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার নীচে থাকার কারণে এই হালকা শীতের আমেজ উপভোগ করতে পারছেন বঙ্গবাসী। তবে,খুব সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা দেখা দিচ্ছে।তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলেছে। পাশাপাশি থাকবে শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া। দার্জিলিং,কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টির পর বুধবার থেকে দার্জিলিং-এর তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। আগামী কয়েকদিনে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। শীতের আমেজ কিছুটা বাড়বে সঙ্গে সকালের দিকে কুয়াশার দাপটও বাড়বে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Facial Paralysis: পৌষের শীতের আমেজের-র আড়ালে ফেসিয়াল প্যারালাইসিস-র সর্বনাশ

শীতকালের আগমন বার্তা বয়ে আনে দুর্গাপুজো আর কালী পুজো। এই উৎসব উৎসব মেজাজে বাঙালির ঘরে প্রবেশ করে উত্তরে হাওয়া। কবুগুরু রবীন্দ্রনাথ এর ভাষায়ঃশীতের হওয়ার লাগলো নাচন আমলকির এই ডালে ডালে।পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে দিলো তালে তালে।।বাঙালি আবার শীত সহ্য করতে পারে না। কিন্তু সারা বছর শীতের অপেক্ষা করতে থাকে। আমার তো মনে হয় এই অপেক্ষা যত না শীতের জন্য তার থেকে বেশি নলেন গুড় আর মটরশুঁটির কচুরি খাবার জন্য। খাদ্যরসিক বাঙ্গালি বসে থাকে কবে শীতের দিনে ভালো করে চড়ুইভাতি করবে আর জমিয়ে আড্ডা দেবে।এই শীতেই আবার প্রকোপ দেখা যায় ফেসিয়াল প্যারালাইসিস এর। যদিও ফেসিয়াল প্যারালাইসিস এর সাথে শীতের কোনো সরাসরি সম্মন্ধ নেই কিন্তু এর একটি রিস্ক ফ্যাক্টর হলো শ্বাসনালীর ইনফেকশন এবং ঠান্ডা লেগে কানের ইনফেকশন যা এই শীতের সময় বাঙালিদের সঙ্গী। শীতকাতুরে বাঙালির আবার ফেসিয়াল প্যারালাইসিস কিংবা বেলস পালসি হলে আর রক্ষা নেই। ৭ নম্বর ক্রেনিয়াল নার্ভ এর ডিসফানশন হলে এই উপসর্গ দেখা যায়। এটি স্যার চার্লস বেলস (সার্জন,অনাটোমিস্ট) [১৭৭৪ থেকে ১৮৪২] প্রথম উল্লেখ করেন।কি হয় এতে?চোখ বন্ধ না করতে পারা।ঠোঁট ঠিকমতো নাড়তে না পারা, এর ফলে খেতে ও কথা বলতে অসুবিধা হয়।কিছু মানুষের খেতে অসুবিধা না হলেও শুধু কথা বলতে অসুবিধা হয়।চোখ খোলা থাকার জন্য শুকিয়ে যায় এবং এতে চোখের ইনফেকশন হয়।খাবার-এর স্বাদ চলে যায়। তাই যে বাঙালি সারাবছর এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করেন, সাবধান। তবে সবার ক্ষেত্রে এই উপসর্গ দেখা যায় না।হাসি, ভুরু কোচকানো ও অন্য আরো ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন নষ্ট হয়ে যায়।কিছু পেশেন্টের এর সাথে মাথা ব্যথাও থাকতে পারে।অনেকের আবার শব্দ-তে কষ্ট হয়।এর কারণ কি?ফেসিয়াল প্যারালাইসিস ও বেলস পালসির সঠিক কারণ বলা মুশকিল তবে কিছু রোগের উপসর্গ হিসেবে এটি দেখা দিতে পারে। যেমনঃ ডায়াবেটিস।হাইপারটেনশন।যে কোনও ধরণের ফেসিয়াল ইনজুরি।জিবি সিনড্রোম।মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস (Myasthenia Graves)।ইনফেকশন।টিউমার (Tumour)।শ্বাসনালীর ইনফেকশন।আক্রান্ত হলে কি করণীয়?যখনি এই উপসর্গ গুলো দেখতে পাবেন অবহেলা করলে চলবে না। কারণ আপনি যত ডাক্তার দেখাতে দেরি করবেন তত নার্ভ ড্যামেজ হতে থাকবে। ডাক্তার আপনাকে Steroids ও এন্টি ভাইরাল ওষুধ দেবে। তার সাথে, পারলে প্রথম দিন থেকে ফিজিওথেরাপি করাতে শুরু করুন। ফিজিওথেরাপিস্ট আপনাকে এক্সারসাইজ করাবেন এবং ফেসিয়াল মাসল এর স্টিমুলেশন দেবেন যা প্রচন্ড উপকারী।শীতের আমেজ উপভোগ করুন দারুন ভাবে আর তার সাথে সাথে সতর্ক থাকুন যেন এই রোগে আক্রন্ত না হয়ে পড়েন। যদি উল্লেখিত উপসর্গের কোনো একটি দেখতে পান তাহলে দেরি না করে চলে যান ডাক্তার আর ফিজিওথেরাপিস্ট এর কাছে। যত দেরি করবেন তত সারতেও দেরি হবে।ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্যDr. Satyen Bhattacharyya) (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhamanআরও পড়ুনঃ মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার এক নতুন রোগের বার্তা নিয়ে হাজির টেক্সট নেক সিনড্রোমআরও পড়ুনঃ বসার ভুলে কত বড় সর্বনাশ হতে পারে, বিস্তারিত জানুনআরও পড়ুনঃ নিঃস্বাস এ নেই বিশ্বাস

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Winter: রাজ্যে পড়তে শুরু করেছে শীতের আমেজ

রাজ্যে শীতের আমেজ পড়তে শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, বর্ষা বিদায় নিলেও উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে আংশিক মেঘলা আকাশ এবং হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। কলকাতা, হাওড়া এবং ঝাড়গ্রামে বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টির খুব সামান্য সম্ভাবনা।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, শুষ্ক আবহাওয়ার শুরু হয়ে গিয়েছে। সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা। রাতে ও সকালের দিকে হালকা শীতের আমেজ থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে।দেশ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বিদায় শুরু হলেও ফিরতি বর্ষা শুরু হবে দক্ষিণ ভারতে। উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হবে অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণ ভারতের কয়েকটি রাজ্যে। সোমবার থেকেই দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাডু, পুদুচেরি, করাইকাল এবং কেরলে।বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হতেই উত্তর ও পশ্চিম ভারতে আসতে শুরু করেছে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার প্রভাবে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ও হিমাচল প্রদেশের কিছু অংশে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
টুকিটাকি

Face Cream: হোম মেড ফেস ক্রিম দিয়ে শুষ্ক ত্বকে ফিরিয়ে আনুন পুরনো ঔজ্জ্বল্য

সামনেই পুজো। সারা বছর নিজের দিকে তেমন তাকানোর সময় না হলেও, পুজোর কটা দিন নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখতে বেশ ভালোই লাগে। এই সময় আবহাওয়াটাই কেমন যেন মন ভালো থাকে। তাই নিজেকে একটু সাজিয়ে নিতে পারলে, মনটাও ভালোই হয়ে যায়। এমনিতে করোনা আবহে ঘরে থেকে থেকে একেঘেয়েমির আস্তরণ পড়ে গিয়েছে অনেকের মনে। এক ঝটকায় সেই আস্তরণ সরিয়ে ফেলতে ঘরে বসেই নিজের ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলুন। বহু বছর ধরে অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভিটামিন-ই ত্বকের পরিচর্চার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। মার্কিন দেশের ন্যাশানাল লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভিটামিন ই-এর সাময়িক ব্যবহারে সূর্যের ইউভি বিকিরণের কারণে ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে। অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষার পাশাপাশি ভিটামিন ই-তে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেশন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের বৈশিষ্ট্য। যা ত্বককে মসৃণ, উজ্জ্বল ও টোনড করতে সাহায্য করে। ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য ভিটামিন ই হল সেরা উপাদান। তবে বাজার চলতি কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে, বাড়িতে তৈরি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ফেস ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল বাজারে সহসলোভ্য। তাই এই উপকরণ নিয়ে কিছুটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেই পারেন।মসৃণ ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ও ভিটামিন ই মাস্কতাজা অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল থেকে তেল বের করে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ফেস ক্রিম বা মাস্কটি মুখের ত্বকে লাগিয়ে আধ ঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উভয় উপকরণের মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে মসৃণ ও লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পেঁপে ও ভিটামিন ই মাস্ক২ টেবিলস্পুন পেঁপের পাল্প, এক টেবিলস্পুন গোলাপ জল ও ১৫-২০ ফোঁটা ভিটামিন ই তেল- একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। মুখের সর্বত্র লাগিয়ে যতক্ষণ না শুকিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ও ভিটামিন ই-এর মিশ্রণ ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই ফেস মাস্ক দারুণ উপকারী। পেঁপেতে রয়েছে পেপেইন এনজাইম বা ত্বকের মৃত কোষ ও ট্যান দূর করতে এই ফেস মাস্ক বেশ কার্যকরী। এই দুই উপাদান ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে।গ্রিন টি, মধু ও ভিটামিন ই মাস্কমুখের মধ্যে অকাল বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে একটি বাটিতে এক কাপ গ্রিন টি, ২-৩ টেবিলস্পুন চালের গুঁড়ো, ১ টেবিলস্পুন মধু, ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল। প্রথমে গ্রিন টি বানিয়ে তা ঠান্ডা করতে দিন। তারপর গ্রিন টিয়ের সঙ্গে চালের গুঁড়ো, মধু ও ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। মুখের ত্বকের উপর সমানভাবে পেস্টটি ব্যবহার করুন। গ্রিন টি অকাল বার্ধক্যের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে সাহায্যে করে।এই কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি মাস্কই আপনার ত্বকে ফিরিয়ে আসতে পারে সেই পুরনো জৌলুস। তাই পুজোর কটা দিন নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘরোয়া এই মাস্কগুলো দিয়ে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal