• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Win

রাজ্য

শীত এল অবশেষে! ১৯ ডিগ্রির নিচে কলকাতার পারদ, উত্তর-পশ্চিমের হাওয়ায় কাঁপছে বঙ্গে

অবশেষে নামল পারদ, নেমে এল কলকাতার অন্দরে শীতের ছোঁয়া। শুক্রবার সকালে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের শেষ আপডেট অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চারপাশে হালকা ঠান্ডা হাওয়া, সকালের দিকে ঘন কুয়াশা নভেম্বরের শুরুতেই যেন ডিসেম্বরের আবহ।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, শীতের দফা এখনই শেষ নয়, বরং শুরু হচ্ছে প্রকৃতির শীতল অধ্যায়। আগামী তিন থেকে চার দিনে আরও অন্তত ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে পারদ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, ফলে দিনভর আকাশ থাকবে ঝকঝকে নীল।পশ্চিমী হাওয়ার প্রভাব এখন রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া বইছে পুরোদমে। এর জেরেই রাজ্যের তাপমাত্রা একে একে নামছে ১৫ ডিগ্রির ঘরে। এদিন বাঁকুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৫ ডিগ্রিতে, শ্রীনিকেতনে ১৪.৯, পুরুলিয়ায় ১৫, কল্যাণীতে ১৫.৩, উলুবেড়িয়ায় ১৬, মেদিনীপুরে ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় ১৯.২ আর দমদমে ১৯.৪ ডিগ্রিতে থেমেছে পারদ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন ভোরবেলায় ঘন কুয়াশা ঘিরে ফেলবে কলকাতা, হাওড়া, হাবড়া ও আশপাশের অঞ্চলগুলি। তুলনায় দাপট বেশি থাকবে উপকূলের জেলাগুলিতে। তবে এই ঠান্ডা এখনও পূর্ণ শীত নয়, বরং তার প্রাক্কাল।আবহাওয়ার মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পূর্ব বাংলাদেশ ও গাল্ফ অফ মানার অঞ্চলেও রয়েছে আরও দুটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি উত্তর পাঞ্জাবে সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যদিও এই ঘূর্ণাবর্তগুলির কোনও বড় প্রভাব পড়ছে না দক্ষিণবঙ্গে, ফলে হাওয়া এখন পুরোপুরি শীতের অনুকূলে।শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ঘোরাফেরা করছে ৩৮ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পরবর্তী কয়েকদিনে শুষ্ক বাতাসের প্রভাবে ভোরের দিকে ঠান্ডা আরও প্রকট হবে।শীতপ্রেমীদের মুখে ইতিমধ্যেই হাসি ফিরেছে। শহরের দোকান-বাজারে দেখা মিলছে শীতের পোশাকের জৌলুস। সকাল-সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘ গরমের পর শহরবাসীর কাছে এই হালকা শীতই এখন এক টুকরো স্বস্তি।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
দেশ

শীত পড়ার আগেই গরম রাজনীতি! ডিসেম্বরেই শুরু সংসদের শীতকালীন অধিবেশন

আসন্ন ডিসেম্বরের প্রথম দিন থেকেই শুরু হতে চলেছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ইতিমধ্যেই সরকারের পাঠানো প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরণ রিজিজু জানিয়েছেন, অধিবেশন চলবে ১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।সরকারের দাবি, এই অধিবেশন হবে গঠনমূলক, গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার দিকেই নজর দেওয়া হবে। দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ও গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসে জোর দেবে কেন্দ্র।তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগের মতো এবারও অধিবেশন উত্তাল হতে পারে। কারণ, গত বাদল অধিবেশনে একাধিক ইস্যুতে তুমুল বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল সংসদে। পহেলগাঁও হামলা থেকে শুরু করে ভারতের অপারেশন সিঁদুরসবকিছু নিয়েই তর্ক-বিতর্কে ফেটে পড়েছিল লোকসভা ও রাজ্যসভা। কেন্দ্র ও বিরোধীদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।বিহারে এসআইআর ইস্যু নিয়েও গত অধিবেশনে প্রবল আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। বিরোধীরা দাবি জানিয়েছিল বিস্তারিত আলোচনার, কিন্তু তাতে রাজি হয়নি সরকার। ফলে অধিবেশন একাধিকবার মুলতুবি করতে হয়েছিল।তখনই সংসদে আনা হয়েছিল ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিল, যেখানে বলা হয়েছিলকোনও মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী যদি কোনও মামলায় গ্রেফতার হন এবং টানা ৩০ দিন জেলে থাকেন, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। বিরোধীরা এই বিলের তীব্র প্রতিবাদ করে, এমনকি সংসদ কক্ষে বিলের কপি ছিঁড়ে ফেলে দেয়।ফলত, গত অধিবেশনে কার্যত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল। পরিসংখ্যান বলছে, লোকসভায় মোট কার্যদিবসের মাত্র ৩১ শতাংশ কাজ হয়েছিল, রাজ্যসভায় হয়েছিল ৩৯ শতাংশ। সব মিলিয়ে ১৫টি বিল পাস হয়।এবারও পরিস্থিতি যে শান্ত থাকবে না, তা বলছে সংসদ ভবনের করিডর থেকেই। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে, একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রকে চেপে ধরতে প্রস্তুত তারা। অন্যদিকে, সরকার চাইছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল দ্রুত পাস করাতে। ফলে ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই অধিবেশনেও উত্তেজনার পারদ চড়বেই বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমে ১৫ ডিগ্রি, কলকাতায় ১৯! অবশেষে ফিরছে শীতের আমেজ

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষের পথে, অথচ শীতের দেখা নেই। দিন এখনও রোদে টানছে ঘাম, সন্ধেয় হালকা গরম হাওয়া বইছে। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আর বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ একের পর এক বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল শীতের পথে। তবে অবশেষে সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস রবিবার বা সোমবার থেকেই নামবে তাপমাত্রা। রাজ্যে শুরু হবে পারদ পতনের ধারা।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের অধিকাংশ জেলাতেই আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাত ও ভোরের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে। কলকাতার পারদ নেমে আসতে পারে ১৯ ডিগ্রিতে, আর পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে (পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান) নেমে যেতে পারে ১৫১৬ ডিগ্রিতে। উত্তরের সমতলেও শীতের ছোঁয়া অনুভব করবেন মানুষজন। যদিও হাওয়া অফিস স্পষ্ট জানিয়েছে, এখনই জাকিয়ে শীত নামছে না তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।বর্তমানে পূর্ব-মধ্য ও উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত, যা অসম ও ত্রিপুরা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই দুই আবহাওয়া পরিস্থিতিই এতদিন শীতের আগমনকে বিলম্বিত করেছে।আবহাওয়া দফতর বলছে, আজ শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। আকাশ থাকবে পরিষ্কার, তবে কোথাও কোথাও আংশিক মেঘলা হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ কিছুটা হলেও বাড়বে। দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর কিছু অঞ্চলে ভোরে দেখা মিলবে হালকা কুয়াশার।কলকাতার আকাশ আজ রৌদ্রজ্জ্বল ও নির্মল। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ৩০৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে, আর সর্বনিম্ন প্রায় ২৪ ডিগ্রি। রবিবার থেকে শহরের রাতের পারদ নামতে পারে ২০ ডিগ্রির নিচে। হালকা শিরশিরানি শুরু হবে ভোর ও সকালে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৬৩ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে।দক্ষিণবঙ্গে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে সকালে হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যেতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত।উত্তরবঙ্গেও আপাতত কোনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। আগামী দুদিন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রবিবার থেকে সেখানে সামান্য পারদ পতনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উইকেন্ডে দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর মতো পার্বত্য এলাকায় কুয়াশা জমতে পারে, আর শীতের আমেজও কিছুটা বাড়বে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে রাজ্যে ঢুকছে শীতের হাওয়া। যদিও পুরোপুরি জাকিয়ে বসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত এমনটাই ইঙ্গিত আবহাওয়া দফতরের।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় নেমে এল শীতের হাওয়া! পারদ নামতেই হালকা শিরশিরে ঠান্ডা

অবশেষে শহর থেকে মেঘ সরে গিয়ে শুরু হল শুষ্ক আবহাওয়া। রাতের দিকেই হালকা ঠান্ডার অনুভূতি মিলছিল, মঙ্গলবার সকাল থেকে তা আরও স্পষ্ট। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় এক ডিগ্রি কম। এক সপ্তাহের ভ্যাপসা ভাবের পর এই সামান্য তাপমাত্রা পতনেই মিলছে আরাম।সম্প্রতি রাজ্যের উপকূল ছুঁয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় মন্থা। এরপরেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছিল নতুন নিম্নচাপ। তবে তার প্রভাব প্রধানত উপকূলেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বাতাস এখন পরিষ্কার, আবহাওয়া শুষ্ক। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ২০ ডিগ্রির নিচে নেমে গেছে। তবে হাওয়া অফিস পরিষ্কার জানিয়েছে, এখনই তেমন বড় ধরনের পারদ পতন হবে না। শীত আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।এখন নিম্নচাপ অবস্থান করছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এবং মায়ানমার উপকূলে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কাছে প্রভাব ফেলবে। ওই এলাকাগুলির সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ফলে বাংলায় এর প্রভাব সীমিতই থাকবে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর।আগামী শুক্রবার আবার আবহাওয়ায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা। জলীয় বাষ্প বাড়বে, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্য উপকূলবর্তী এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।কলকাতায় মঙ্গলবার সকালে হালকা কুয়াশার ছবি ধরা পড়েছে। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪২ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে। ধীরে ধীরে শৈত্যপ্রবাহের আভাস মিলতে শুরু করলেও এখনই মোটা গরম জামা বের করার সময় আসেনি। তবে সকালের হালকা ঠান্ডা আর সন্ধ্যার মৃদু হাওয়া শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে স্পষ্ট।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

বাতাসে আর্দ্রতা, কিন্তু শীত নামার কাউন্টডাউন শুরু, কবে নামবে পারদ

স্থলভাগে প্রবেশের পর থেকেই শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। ধীরে ধীরে রূপ বদলে তা পরিণত হয়েছে নিম্নচাপে। সেই নিম্নচাপই গত কদিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সিস্টেমটি আরও খানিকটা সরে বর্তমানে উত্তর বাংলাদেশের দিকে অবস্থান করছে।মন্থার দাপট পিছনে পড়তেই বাংলার আকাশে ফের রোদ-মেঘের লুকোচুরি। এরই মধ্যে বৃষ্টি উপহারে শেষ হল জগদ্ধাত্রী পুজোও। তবে রবিবার থেকেই মিলেছে স্বস্তির বার্তা। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমেছে অনেকটাই, বেশিরভাগ জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা হলেও দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।তবে শীতপ্রেমীদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ। নভেম্বরের প্রথম থেকেই রাজ্যে শীতের ইঙ্গিত দিচ্ছে হাওয়া অফিস। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। বিশেষত উত্তরবঙ্গে সোমবার থেকেই শুকনো হাওয়ার উপস্থিতি টের পাওয়া যাবে।কলকাতায় রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৪ ডিগ্রি। আর্দ্রতা এখনও উচ্চ, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে। সোমবার থেকে দিনভরই রোদের দেখা মিলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে এখানেই শেষ নয়। বঙ্গোপসাগরে আবারও নতুন নিম্নচাপের ইঙ্গিত রয়েছে। ফলে সপ্তাহের মাঝামাঝি উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ফের বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টি কিছুটা বেশি হতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টি বাড়তে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। শুক্রবারও দক্ষিণ উপকূলে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সব মিলিয়ে বলা যায়বৃষ্টির বিদায়বেলায় এবার ধীরে ধীরে শীতের আগমন বার্তা পাচ্ছে বাংলা। আকাশ পরিষ্কার হলেই হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডার ছোঁয়া মিলবে গোটা রাজ্যেই।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
রাজ্য

পদ্মশ্রী জয়ী সাঁতারুর বাড়িতে ভয়াবহ চুরি, উধাও ১২০ টির বেশি মেডেল

হুগলির হিন্দমোটর দোবাই পুকুরে প্রাক্তন সাঁতারু ও পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত বুলা চৌধুরীর পৈতৃক বাড়িতে চুরির ঘটনা। দীর্ঘদিন ফাঁকা থাকা বাড়ি থেকে সোনা, রুপো, ব্রোঞ্জের শতাধিক মেডেল, পদ্মশ্রী ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কারের রেপ্লিকা, বিদেশি পদক ও দামি সামগ্রী খোয়া যায়। ঘটনাস্থলে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ ও চন্দননগর কমিশনারেটের আধিকারিকরা তদন্তে নেমেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে একই বাড়িতে দুবার চুরি হলেও আজও তার কিনারা হয়নি।ঘটনার পর পদ্মশ্রী পুরস্কার জয়ী বিখ্যাত সাঁতারু বলেন, আমি মানসিক ভাবে খুব বিপর্যস্ত। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যখন কেন্দ্রীয় ক্রীড়া দফতরের মন্ত্রী ছিলেন তখন আমি বিদেশে সাঁতার প্রতিযোগিতায় যাওয়ার সময় উনি আমায় বলেছিলেন বুলা দেশের জন্য সোনা আনবে, আমি ৬ টি সোনার মেডেল এনে ওনার কথা রেখেছিলাম। এখন উনি মুখ্যমন্ত্রী। এবার আমার আবেদন তাঁর কাছে, দয়া করে প্রশাসনকে জোর দিন যাতে আমার সমস্ত মেডেল গুলো উদ্ধার হয়। বুলার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

সাইবার প্রতারকদের ফাঁদ রাজ্যে, ১৫ দিনে ৪৬ জন গ্রেফতার

জামতাড়ার সাইবার প্রতারকদল এখন ছড়িয়ে পড়ছে ঝাড়খণ্ডের বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে। চলে এসেছে বাংলাতেও। সম্প্রতি জামতাড়া গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলি থেকে থেকে ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার জানিয়েছেন, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল, বীরভূম এবং পূর্ব বর্ধমানের কিছু এলাকা থেকে সম্প্রতি প্রতারণার বিভিন্ন অভিযোগ আসছিল। ব্যাপক হারে ফিসিং। ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের অভিযোগ আসছিল। পশ্চিমের জেলাগুলি থেকে গত এক মাসে প্রায় ২৫০টি সাইবার অভিযোগ জমা পড়ে। ঘন ঘন এত অভিযোগ আসতে থাকায় পদক্ষেপ করে পুলিশ। প্রতারকদের খোঁজে শুরু হয় সাইবার শক্তি অভিযান। ১০টি প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দল গঠন করা হয়। ওই এলাকায় ১ মাস ধরে ঘাঁটি করে বসেছিল। বীরভূমের খয়রাশোল থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তখন জানা যায়, এরা জামতাড়া গ্যাংকের সঙ্গে যুক্ত। গত ১৫ দিন তদন্ত করে ৪৬ জন সাইবার প্রতারককে গ্রেফতার করেছি। এরা ছোট ছোট গ্যাঙ হয় কাজ করতো।সুপ্রতিম সরকার জানান, এদের প্রত্যেকেরই যোগ রয়েছে জামতাড়া গ্যাংয়ের সঙ্গে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৮৪টি মোবাইল, ৮৪টি সিমকার্ড, দুটি ল্যাপটপ, একশোর বেশি ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং ১০০-এর বেশি ডেবিট কার্ড ক্রেডিট কার্ড। অভিযান এখনও চলবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫
রাজ্য

শীতের শুরুতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার খেঁজুর গাছের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা

শির শিরে হিমেল হাওয়া ও হালকা কুয়াশায় দক্ষিন দিনাজপুর জেলায় এখন প্রাক শীতের আমেজ চলছে। শীতের মৌসুম শুরুর সাথে সাথে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, শুরু হয়েছে শীতের মধু, খেঁজুর রস আহরণ। এই রস আহরণে গাছিরা (খেঁজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহকারি) এখন যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ মসসুমে আবহমান বাংলায় খেঁজুর রস আহরণ, খেঁজুর গুড় আর নবান্নের উত্সব একটি প্রাচীন ঐতিহ্য। আর খেঁজুর রসের পিঠা পায়েস বাংলার উপাদেয় খাদ্য তালিকায় এখনও বেশ জনপ্রিয়, সর্বপরি নলেন গুরের পাটালি।গাছিরা জানান, বছরজুড়ে অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকলেও শীতকালে চাষিদের কাছে খেঁজুর গাছের কদর বেশ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কারণ এ গাছ থেকেই আহরিত হয় সুমিষ্ট রস। আর এ রস জ্বালিয়ে ঝোলা গুড়, দানা গুড় ও পাটালি তৈরি করা হয়। খেঁজুরের গুড় থেকে এক সময় বাদামি চিনিও তৈরি করা হতো। যার মৌতানো স্বাদ ও ঘ্রাণ সর্ম্পূণ ভিন্ন। খেঁজুর গাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি মিষ্টি রস দেবে। শীতের সকালে খেঁজুর রস পান শরীর ও মনে প্রশান্তি এনে দেয়। খেঁজুর রস আহরণ আর তার থেকে বিভিন্ন উপাদেয় খাদ্য তৈরি আবহমান বাংলার সংস্কৃতির অনুষঙ্গ। খেঁজুরের নলেন গুড় ছাড়া শীত মৌসুমের পিঠা খাওয়া জমেনা।দক্ষিন দিনাজপুর জেলার কৃষকরা নতুন ধান সংগ্রহের পাশাপাশি খেঁজুর রস আহরণের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এখন চলছে খেঁজুর গাছের ডগা চাঁচার কাজ। এরপর সেই পরিষ্কার ডগায় বাঁশের তৈরি বিশেষ নল লাগিয়ে সংগ্রহ করা হবে ফোঁটা ফোঁটা রস। মাটির হাঁড়িতে খেঁজুর রস সংগ্রহ করা হয়। তবে আজকাল প্লাস্টিকের বোতলেও খেঁজুর রস আহরণ করে চাষিরা। শীতের পুরো মরশুম জুড়ে চলবে রস, গুড়, পিঠা-পুলি, পায়েস খাওয়ার পালা। আর কিছুদিন পর নতুন গুড়ের মিষ্টি গন্ধে ধীরে ধীরে আমোদিত হয়ে উঠবে গ্রাম-বাংলা। দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বাউল এলাকার গাছি মিন্টু বসাক জনতার কথা কে জানান, গাছের ডগা চেঁচে বাশের খিল লাগানোর কাজ চলছে। অল্পদিনের মধ্যেই রস আহরণ পর্ব শুরু হবে। খেঁজুর গাছ আমাদের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এর পরিকল্পিত আবাদ তেমন নেই। উপরন্তু নির্বিচারে খেঁজুর গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। যা পল্লী বাংলার পরিবেশের জন্য বেশ ক্ষতিকর। খেঁজুর গাছ থেকে শুধু সুমিষ্ট রস ও গুড়ই হচ্ছে না, প্রকৃতির ভারসাম্য সুরক্ষায় খেঁজুর গাছের আবাদ সম্প্রসারণ জরুরি।প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা সমাগত। বাঙালির এ সময়ের অন্যতম আকর্ষণ খেঁজুর গুড়ের পিঠা-পায়েশ। প্রাচীনকাল থেকেই খেঁজুর গুড়ের জন্য গ্রাম বাংলা বিখ্যাত। দিন বদলের সঙ্গে মানুষের জীবন-যাত্রায় অনেক কিছু বদলে গেলেও বদলায়নি খেঁজুরের রস সংগ্রহ এবং গুড়-পাটালি তৈরির পদ্ধতি। তাই শীতের আগমনী বার্তা জানান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এখানকার গাছিরা প্রস্তুতি নেন খেঁজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের। এ জন্য প্রথমেই খেঁজুর গাছ কেটে পরিষ্কার করেন তারা। এরপর শুরু হয় রস সংগ্রহ। চিরাচরিত পদ্ধতিতে মাটির ভাঁড়ে (কলসি) রাতভর রস সংগ্রহ করা হয়। সূর্য ওঠার আগেই তা আবার গাছ থেকে নামিয়ে আনে তারা। পরে এই রস মাটির হাঁড়িতে কিংবা টিনের তৈরি কড়াইয়ে জ্বালিয়ে তৈরি করে গুড়-পাটালি। ইতিমধ্যে জেলার নানান জায়গায় শুরু হয়েছে গুড়-পাটালি তৈরির সেই প্রক্রিয়া। গাছিরা এখন কাজের ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন। অল্প দিনের মধ্যেই বাজারে পাওয়া যাবে নতুন খেঁজুর গুড়।গ্রামে গ্রামে পড়ে যাবে খেঁজুরের রস দিয়ে পিঠা, পায়েশসহ নানা মুখরোচক খাবার তৈরির ধুম। শীতের আগমনী বার্তা গ্রামবাংলায় নিয়ে আসে নানা রকম সুস্বাদু খাবারের সমাহার। বিভিন্ন রকমের খাবারের মধ্যে গ্রামবাংলায় শীতের প্রধান অনুষঙ্গ সুস্বাদু খেঁজুরের রস। সেই রসে তৈরি পাটালি গুড় আর শীতের রকমারি পিঠাপুলি সবার মন ভরিয়ে দেয়। লোভনীয় খেঁজুর রসের জোগান দিতে এখন থেকেই ব্যস্ত গাছিরা। চলছে খেঁজুর গাছ চাঁচা-ছোলার কাজ। সেসব গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, দল বেঁধে গাছিরা খেঁজুর গাছ পরিষ্কারের কাজ করছেন। মরশুমের শুরুতেই বাজারে পাটালি গুড় ও খেঁজুর রস ওঠে গাছিদের আগাম গাছ ঝোড়ার কারণে। বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কোমরে মোটা রশি বেঁধে ঝুলে ঝুলে খেঁজুর গাছ ঝুড়ে মাথায় চাঁচ দিচ্ছেন। এ গ্রামের পেশাদার গাছিদের পাশাপাশি গৃহস্থরাও বসে নেই, নিজের গাছ তৈরি করছেন তারা। দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুরের যথাক্রমে বড়াইল, শেরপুর, শিববাড়ি ও সর্বমঙ্গলা গ্রামের কয়েকজন গাছিরা জানান, কার্তিক মাসের শুরু থেকেই খেঁজুর গাছের পরিচর্যা চলছে। গাছের বাইগা (ডাল) ঝোড়া, গাছের মাথা ছেনি অথবা ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে কয়েক দফা চাঁচ দেওয়ার কাজ চলছে। রস জ্বালানো ভাটি, জ্বালানি ও রসের ঘটি সংগ্রহের কাজ শেষের দিকে। আরেক গাছি নীরদ সরকার বলেন, এই গ্রামের খেঁজুর রস ও পাটালির সুনাম আছে। তাই আমরা আগাম কাজ করি। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এখানকার গুড় বিক্রি হয়। জেলার গ্রামীণ মেঠোপথের ধারেই রয়েছে সারি সারি খেঁজুর গাছ। তাই এ অগ্রহায়নের বিকেলের দিকে গ্রামের যে পথেই হাঁটা যাক না কেন, চোখে পড়বে খেঁজুর গাছ ঝোড়ার অপূর্ব দৃশ্য। অগ্রহায়ণের প্রথম সপ্তাহেই গ্রামের ঘরে ঘরে খেঁজুর রস আর গুড় দিয়ে নতুন আমন ধানের পিঠা-পুলি ও পায়েশ তৈরির ধুম পড়বে। আসন্ন পৌষপার্বন-পুষনা বা পীঠেপুলির উত্সবে এই খেঁজুর গুড় ও রস নতুন মাত্রা আনবে গ্রামের গৃহস্থদের রসুইখানায়।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
রাজ্য

‘ভ্রান্তিবিলাস’ র পুনঃনির্মান! বর্ধমানে একই দিনে দুই যমজ বোন বিয়ে করলেন দুই যমজ ভাইকে!

জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে। তিন বিধাতা নিয়ে। বিধির বিধানেই বোধহয় এই অসামান্য সমাপতন। একেবারে পালটি ঘরে বিয়ে দুই যমজ বোনের। পাত্র দুজনেও যমজ ভাই। আবার দু তরফেরই বাড়ি একই বিধানসভার এলাকায়। পাত্রীরা ভাতারের। পাত্ররা কুড়মুনের।সেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে একসময় সিনেমা, যাত্রা, থিয়েটারে প্রচুর কাহিনী তৈরি হয়েছে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যসাগরের লেখা ভ্রান্তিবিলাস নিয়ে বাংলা ও হিন্দিতে দুটি ছায়াছবি হয়েছে। হয়েছে টেলিফিল্ম। বাস্তবেও যে এমনটা হতে পারে তা ভাবাই আশ্চর্যের। কিন্তু ঠিক তেমনটাই ঘটল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার এলাকায়। দুই যমজ বোন মালা বদল করল দুই যমজ ভাইয়ের সাথে। একেবারে চার নয় আট হাত এক হল একই ছাদনাতলায়। এ ঘটনা চমকপ্রদ বলেই ভাইরাল সমাজ মাধ্যমেও। তাঁদের পোশাকের মিল ও দেখার মত, দুই পাত্র পরেছিলেন নিল রঙ্গের পাঞ্জাবী আর নববধূদ্বয়ের পড়নে ছিন একই রঙ্গের বেনারসি। নববধূর ওড়না থেকে মাথার মুকুটটি পর্যন্ত ছিল একই।যমজ বোনের একই দিনে বিয়ে! তাও আবার যমজ ভাইয়ের সাথে? খুঁজে খুঁজে তা সম্ভব করেছেন নিজেরাই! কিভাবে হলো সম্ভব? রবিবার বিয়ে হয়েছে ওই দুই বোনের। সদ্য কলেজ শেষ করেছে দুইবোন, এবার তো তাদের বিয়ের পালা। এই দুইবোন সব সময় ছোট থেকে এক সাথে থেকেছে। তারা একে অপরকে ছাড়তে রাজি নয়। বাড়ির লোকেরা ভেবেছিলেন একই বাড়িতে বিয়ে দেওয়া হবে তাদের। কিন্তু এ যে মেঘ না চাইতেই জল। শুধু এক বাড়ির ছেলে নয়, কাকতালীয় ভাবে পাত্ররাও যমজ। মেয়েদের নাম অর্পিতা এবং পারমিতা। দুই বরের বাড়িও আবার পুর্ব বর্ধমান জেলারই কুড়মুন এলাকায়। সেটাও ভাতার বিধানসভা এলাকায়। তাদের নামেও আবার বেশ মিল। দুই ভাইয়ের নাম লব এবং কুশ। তাই সব যখন মিলেই গেল তখন মিলে গেল ওদের ভাগ্য।সামাজিক মাধ্যমে অনেকে মজা করে বলছেন, বিবাহিত জীবনে আবার চিনতে অসুবিধা হবে না তো! তা নিয়ে তাঁরা একেবারেই চিন্তিত নন। এই অদ্ভুত জুটি নিয়ে সাড়া পড়েছে এলাকায়। একেই বোধহয় বলে পালটি ঘরে বিয়ে। গত দুদিন ধরে সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল এই বিয়ের ছবি। একই ছাদের তলায় এখন একই চেহারার দু ভাই। যারা এখন ভায়রা। আর দুই বোন। এখন থেকে যারা দুই জা। চারদিকে ছড়িয়ে গেছে এই আশ্চর্য বিয়ের কাহিনী।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'টোয়াইন টেলস'-এর নতুন সম্ভার

দুর্গাপুজো আসতে আর বেশিদিন বাকি নেই। এবারের দুর্গাপুজো উপলক্ষে টোয়াইন টেলস তাদের নতুন সম্ভার নিয়ে এল। দক্ষিণ কলকাতার হিন্দুস্তান পার্কের কাছে অবস্থিত টোয়াইন টেলস-এ একদিনে যেমন সাবেকিয়ানার ছোঁয়া রয়েছে তেমনি অন্যদিকে অভিনবত্বের ছাপ ও আছে। এর কর্ণধার সনহিতা দে মৌলিক জানিয়েছেন, সারা ভারতে যে সকল উৎসব হয় তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হল দুর্গাপুজো। বাঙালির কাছে দুর্গাপুজো মানে আলাদা আবেগ। দুর্গাপুজো উদযাপন উপলক্ষে আমাদের ষষ্ঠী থেকে দশমী বিভিন্ন কালেকশন রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতার নিদান শাসক দলের নেতার

আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালী অঞ্চলের ৩০টি আসন তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে বৃহস্পতিবার মাঝিয়ালী অঞ্চলের সুভান্দিগছ এলাকাভয় রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত হয়ে এমনই মন্তব্য করেন মাঝিয়ালী অঞ্চল তৃণমূল কোর কমিটির চেয়ারম্যান একরামুল হক। পাশাপাশি এদিনের প্রশিক্ষণ শিবিরে নজরকাড়া মহিলাদের উপস্থিতিই প্রমান করে আগামী দিনে মাঝিয়ালী অঞ্চলের ভার মহিলাদের উপরই ন্যস্ত হতে চলেছে বলে মন্তব্য করেন চোপড়া ব্লক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী তথা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা আসমাতারা বেগম। মাঝিয়ালী অঞ্চল তৃণমূল কোর কমিটির চেয়ারম্যান একরামুল হক জানিয়েছেন, এদিন মাঝিয়ালী অঞ্চলের দুই নম্বর সেক্টরের নয়টি বুথের কর্মীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবির ছিল। এক হাজার কর্মী সমর্থকের আশঙ্কা করা হলেও সেখানে কয়েক হাজার কর্মী সমর্থকের উপস্থিতি এই অঞ্চল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার ইঙ্গিত বহন করছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
কলকাতা

বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজ বড় ভুমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সিআইডি

গতকাল সন্ধায় বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে ভাঙ্গড় থানার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখলেন CID তদন্তকারী অফিসারেরা। বাগুইয়াটি জোড়া কাণ্ডে বাসন্তী হাইওয়ের ঘটকপুকুর সহ ভাঙ্গড় থানা এলাকার একাধিক মোড়ের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তিনজনার একটি CID টীম। তাঁরা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্তে আসতে চাইছেন সেদিন কোন জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে। এখনও অবধি মুল অভিযুক্ত অধরা।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

'বলরামদেব প্রচুর পরিশ্রম করতেন বলে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন' বর্ধমানের বিজেপি নেতার ভিডিও ভাইরাল

বলরামদেব প্রাচীনকালে সেচের বন্দোবস্ত করেছিলেন। প্রচুর পরিশ্রম করতেন। সেই কারণে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ক্লিপসের এমনই বলতে শোনা যাচ্ছে বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা কে (যদিও জনতার কথা ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি)। সভায় বক্তব্য রাখছিলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওই তিনি বলছেন, প্রাচীনকালে বলরামদেব সেচের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি খুব খাটাখাটুনি করতেন। সেই কারণে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন। সুরা পান করলেও নিজেকে ঠান্ডা রেখে ঘুমিয়ে যেতেন। আবার সকাল থেকে কাজ আর কাজ। শুধু কাজ নিয়েই থাকতেন। তার এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। প্রবীণ বিজেপি নেতা নরেশ কোনার বলেন, এমনটা বলা ঠিক হয়নি। উনি এই তথ্য কোথা থেকে পেলেন জানিনা। দেবতাদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়। সভায় বক্তব্য রাখছিলেন।ভাইরাল হওয়া ভিডিওই তিনি বলছেন, প্রাচীনকালে বলরামদেব সেচের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি খুব খাটাখাটুনি করতেন। সেই কারণে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন। সুরা পান করলেও নিজেকে ঠান্ডা রেখে ঘুমিয়ে যেতেন। আবার সকাল থেকে কাজ আর কাজ। শুধু কাজ নিয়েই থাকতেন। তার এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব।প্রবীণ বিজেপি নেতা নরেশ কোনার বলেন, এমনটা বলা ঠিক হয়নি। উনি এই তথ্য কোথা থেকে পেলেন জানিনা। দেবতাদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়।সভায় বক্তব্য রাখছিলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওই তিনি বলছেন, প্রাচীনকালে বলরামদেব সেচের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি খুব খাটাখাটুনি করতেন। সেই কারণে সন্ধ্যাবেলা সুরা পান করতেন। সুরা পান করলেও নিজেকে ঠান্ডা রেখে ঘুমিয়ে যেতেন। আবার সকাল থেকে কাজ আর কাজ। শুধু কাজ নিয়েই থাকতেন। তার এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। প্রবীণ বিজেপি নেতা নরেশ কোনার বলেন, এমনটা বলা ঠিক হয়নি। উনি এই তথ্য কোথা থেকে পেলেন জানিনা। দেবতাদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা উচিত নয়।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২২
দেশ

চোখের পলকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল টুইন টাওয়ার অবশেষে শেষ রক্ষা হল না

দীর্ঘ ৯ বছরের আইনি লড়াইয়ে হেরে গিয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নয়ডার ৪০তলার সুপারটেক টুইন টাওয়ার। অভিযোগ উঠেছিল এটি নাকি অবৈধভাবে তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত দুটি টাওয়ারের মধ্যে দূরত্ব রাখা হয় ১৬ মিটার। কিন্তু এই দুটি টাওয়ারের মধ্যে দূরত্ব ছিল ৯ মিটারের থেকেও কম। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে টুইন টাওয়ার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভাঙতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক একত্রিত করা হয়েছিল, সময় লেগেছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। কোটি কোটি টাকার ব্যয়ে তৈরি টুইন টাওয়ারের ভবিষ্যত্ অবশেষে ধুলোয় পরিণত হল। আগেই টাওয়ার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।এমনকি বাড়ির পোষ্যদেরও সবাই নিজেদের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। এলাকাবাসীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ঘরের জানালা দরজার সব বন্ধ রাখার।এই দুটি বহুতলের ১০০ মিটার উচ্চতার একটির নাম অ্যাপেক্স এবং ৯৭ মিটার উচ্চতার আরেকটি বহুতলের নাম সিয়ানে। এই দুই বহু তলকে ভাঙতে যৌথভাবে কাজ করেছে মুম্বাই এবং দক্ষিণ আফ্রিকার দুটি সংস্থা। ভাবলে অবাক হবেন, এখানে প্রায় ৯০০ টির বেশি ফ্ল্যাট ছিল। এই টুইন টাওয়ারের সংলগ্ন এলাকায় বাস করছেন প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার। যাদেরকে রবিবার সকাল ৯টার মধ্যেই অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল চারটের পর তাদেরকে আবার ওই এলাকায় ফিরিয়ে আনার কথা।এই টুইন টাওয়ার ভাঙতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৩,৭০০ কেজির বিস্ফোরক পদার্থ। এই টাওয়ার ভাঙতে সময় লেগেছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। মাত্র এইটুকু সময়ের মধ্যেই ধ্বংসাবশেষ জমেছে প্রায় ৫৫ হাজার টন। নয়ডার এই টুইন টাওয়ারের বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ এসেছিল। যার কারণে সুপ্রিম কোর্ট এটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়। ২০১৩ সালে যখন এই টুইন টাওয়ার তৈরির কাজ শুরু হয়, তখন প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। যার কারণে স্থানীয় এমারেল্ড কোর্ট সোসাইটির বাসিন্দারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।এই দুটি টাওয়ারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ফ্ল্যাট বিক্রি করা হয়ে গিয়েছিল, যা সুদ সহ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই টাওয়ারটি ভেঙেছে এডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিং। সাথে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষজ্ঞদের দল। এই টাওয়ার ভাঙার পর যদি কোন জরুরি অবস্থা তৈরি হয় তাই নিকটস্থ হাসপাতালে ৫০টি বেড বুক করে রাখা হয়েছিল। কারণ এর ফলে যে পরিমাণ ধুলো তৈরি হবে তার কারণে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এক্ষেত্র ওই এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যগত সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এমনকি এই অঞ্চলের পরিবেশের দূষণের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।চোখের পলকে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে টুইন টাওয়ার ভেঙে পড়তেই চারিদিকে সাদা ধোঁয়া এবং ধুলো ছড়িয়ে পড়ে। যদিও নিরাপত্তা এবং পরিবেশ দূষণের কথা ভেবে আগে থেকেই সমস্ত রকম ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছিল। টাওয়ারটি ভেঙে পড়ার পরেই শুরু হয়ে যায় জল স্প্রে। টুইন টাওয়ারের চারিপাশের প্রায় ৫০০ বর্গমিটার এলাকাকে নিষিদ্ধ জোনে রূপান্তরিত করা হয়। যেখানে ওই মুহূর্তে কোন মানুষ, যানবাহন কিংবা প্রাণী যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে দিকে কড়া নজর রাখা হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়া পাহারায় রয়েছেন প্রায় ৪০০ পুলিশ কর্মী। বিভিন্ন সড়কে বিধি নিষেধ এবং রুট পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে যানবাহন চলাচলের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ১৫০ থেকে ২০০ জন ট্রাফিক কর্মী আলাদাভাবে মোতায়েন করা রয়েছে। এমনকি যাত্রীরা যাতে রুট পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে পারেন, তাই আপডেট তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রত্যাশামতোই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় ভারতের

জিম্বাবোয়ে যে কোনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না জানাই ছিল। প্রত্যাশামতোই একম্যাচ বাকি থাকতে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতে নিল ভারত। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতলেন লোকেশ রাহুলরা। লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বে প্রথম একদিনের সিরিজ জয়।শনিবার হারারেতে ১৬২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২৫.৪ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। তবে প্রথম ম্যাচের মতো দাপট ছিল না লোকেশ রাহুলদের। ১৬৭ রান তোলার ফাঁকে ৫ জন ব্যাটারকে হারাতে হয় ভারতকে।প্রথম ম্যাচের মতো এদিনও টস জিতে জিম্বাবোয়েকে ব্যাট করতে পাঠান লোকেশ রাহুল। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে জিম্বাবোয়ে। ৩৮.১ ওভারে ১৬১ রানে ইনিংস শেষ হয়ে যায়। জিম্বাবোয়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন সিন উইলিয়ামস। তিনি করেন ৪২। রায়ান বার্ল ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজা দুজনেই ১৬ রান করেন। বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। শার্দুল ঠাকুর ৭ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট দখল করেন মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব ও দীপক হুডা।এদিন শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন লোকেশ রাহুল। দীর্ঘদিন পর ব্যাট হাতে নেমে তিনি ব্যর্থ। ভিক্টর নিয়াউচির বলে এলবিডব্লু আউট হন রাহুল। ৫ বলে তিনি করেন ১ রান। শিখর ধাওয়ান ২১ বলে ৩৩ রান করেন। শুভমান গিল ৩৪ বলে করেন ৩৩। ঈশান কিষাণ চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১৩ বলে ৬ রানের বেশি করতে পারেননি। সঞ্জু স্যামসন ৩টি চার ও ৪টি ছয়ের সাহায্যে ৩৯ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। দীপক হুডা ৩৬ বলে করেন ২৫। অক্ষর প্যাটেল ৭ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। লুক জংউই ২টি উইকেট পান। ১টি করে উইকেট পান তানাকা চিভাঙ্গা, ভিক্টর নিয়াউচি ও সিকান্দর রাজা।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষারত্ন পুরস্কারে ভূষিত শিক্ষক পেনশন না পেয়ে আত্মঘাতী

তিন বছর অবসর নেবার পরও পেনশন না পেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক শিক্ষক। মৃত শিক্ষকের নাম সুনীল কুমার দাস (শিক্ষারত্ন)। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া দেবীপুর রাজবাগান এলাকায়। ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষারত্ন উপাধি পেয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে।নানা স্কুলে চাকরি করার পরে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়ে অবসর নেন বলে পরিজন সুত্রে জানা গেছে। তাঁর পরিবারে কোনও সমস্যা ছিলনা বলেও তাঁরা জানান। সুনীল দাসের দুই কন্যার বিয়ে হয়ে গেছে।এছাড়াও ছেলে পি এইচ ডি সম্পূর্ণ করেছেন। গতকাল বাড়িতেই গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছে বলে পরিবারের মানুষজন জানিয়েছেন।তার আত্মীয়রা জানান, তিনি খুবই চাপা স্বভাবের হওয়ার দরুন, তার মনের কথা কাউকে জানতে দেন নি। হঠাৎ এই ঘটনায় সবাই মুষড়ে পড়েছে। তার স্ত্রী সাধনা দাস জানান, পেনশন না পাওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। কীভাবে সংসার চলবে তা নিয়ে ভীষণ উদ্বেগে ভুগছিলেন। অনেক চেষ্টা করেও পেনসানের সুরাহা করতে পারেননি। ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষারত্ন পান। ওই বছরই তিনি অবসর নেন। এলাকার মানুষেরা জানিয়েছেন তার শিক্ষাবিস্তারে অনেক অবদান ছিল। অনেককে সাহায্য পড়াশোনার ব্যাপারে করেছেন। তাঁর এই পরিণতিতে সবাই ভেঙে পড়েছেন।

আগস্ট ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋষভ ও হার্দিকের দাপটে একদিনের সিরিজও ভারতের

ঋষভ পন্থের অসাধারন ব্যাটিং, হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্স। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজ জিতে নিল ভারত। সিরিজের ফল ভারতের পক্ষে ২১। জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪২.১ ওভারেই জযের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। একসময় ৭২ রানে ৪ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে হার্দিক পান্ডিয়া ও ঋষভ পন্থের ১১৫ বলে ১৩৩ রানের পার্টনারশিপ ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ভারত। এদিনও পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি জস বাটলারের দল। ৪৫.৫ ওভারে ২৫৯ রানে গুটিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জস বাটলার সর্বাধিক ৬০ রান করেন। হার্দিক পান্ডিয়া নেন ৪ উইকেট, যুজবেন্দ্র চাহাল ৩টি ও মহম্মদ সিরাজ দুটি উইকেট পান।শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ১২ রানে ২ উইকেট হারায়। জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট দুজনকে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই আউট করেন মহম্মদ সিরাজ। ইংল্যান্ডের এই দুই ব্যাটারই তিন বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। চার উইকেট পড়ে গিয়েছিল ৭৪ রানে। সেখান থেকে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেন মঈন আলি ও জস বাটলার। অধিনায়ক বাটলারের ৮০ বলে ৬০ রানের ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও দুটি ছয়। সাতটি চারের সাহায্যে ওপেনার জেসন রয় করেন ৩১ বলে ৪১। মঈন আলি দুটি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে করেন ৪৪ বলে ৩৪। ৩৩ বলে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন নয়ে নামা ক্রেগ ওভার্টন। বেন স্টোকস ২৯ বলে ২৭, লিয়াম লিভিংস্টোন ৩১ বলে ২৭ রান করেন। ১৫ বলে ১৮ রান করেন ডেভিড উইলি।জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। ২.১ ওভারে দলগত ১৩ রানের মাথায় শিখর ধাওয়ান রিস টপলির প্রথম শিকার হন। ৩ বলে ১ রানে শিখর ধাওয়ান আউট হন। চারটি চারের সাহায্যে ১৭ বলে ১৭ করেন রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ২২ বলে ১৭ রান করেন, তিনি তিনটি চার মারেন। ৮.১ ওভারে ৩৮ রানে ভারতের তৃতীয় উইকেট পড়েছিল। প্রথম পাওয়ারপ্লে-র শেষে ১০ ওভারে স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৪৩। ১৬.২ ওভারে সূর্যকুমার যাদব (২৮ বলে ১৬) ক্রেগ ওভার্টনের বলে কট বিহাইন্ড হন। ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঋষভ ও হার্দিক। ৫৫ বলে ৭১ রান করে আউট হন হার্দিক। ১১৩ বলে ১২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টপলি।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি, ২ গোলে জয় ভারতের

১০৬ আর ১৭১ নম্বরের মধ্যে পার্থক্য যে অনেকটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন সুনীল ছেত্রিরা। এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ভারত। প্রত্যাশামতোই ২০ প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল। ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। এদিন দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে জোড়া গোল করেন তিনি।কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। দল সাজানোর পরিকল্পনাতেই তার প্রমাণ। সামনে একা মনবীর সিংকে রেখে দল সাজিয়েছিলেন ইগর স্তিমাচ। সুনীল ছেত্রিকে রেখেছিলেন একটু নীচের দিকে। সুনীলের পাশে দুই প্রান্তে ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ এবং লিস্টন কোলাসো। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে প্রথম থেকেই কম্বোডিয়াকে চাপে রেখেছিল ভারত। প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুদুটি গোলের সুযোগ চলে এসেছিল সুনীল ছেত্রিদের সামনে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। আক্রমণে ঝড় তুলে ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় ভারত। একক প্রয়াসে বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে যান লিস্টন কোলাসো। তাঁকে অবৈধভাবে আটকান কম্বোডিয়ার চোউন চানচাভ। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ডান পায়ের দুরন্ত শটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও ভারতের দাপট অব্যাহত থাকে। একাধিক বার গোল করার মতো পরিস্থিত তৈরি করেছিলেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ, রোশন সিং নাওরেমরা। কিন্তু ফাইনাল থার্ডে গিয়ে শেষ কাজটা ঠিক মতো করতে পারছিল না ভারত। সুনীল ছেত্রিও একবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। কিন্তু তিন কাঠিতে বল পাঠাতে পারেননি। ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচে ৫৯ মিনিটে। ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের ক্রস থেকে হেডে দ্বিতীয় পোস্টের কোন ঘেঁসে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। দ্বিতীয়ার্ধে বেশি সময় সুনীলকে মাঠে রাখেননি স্টিম্যাচ। ৬৮ মিনিটে দলের প্রধান অস্ত্রকে তিনি তুলে নেন। পুরো ম্যাচ খেললে হয়তো এদিন হ্যাটট্রিক করতে পারতেন সুনীল। কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণে সুনীলের প্রধান সঙ্গী মনবীর সিং একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি। মাঝমাঠে ভাল খেলতে পারেননি অনিরুদ্ধ থাপাও। এই দুই ফুটবলারকেই দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পরিবর্তন করে দেন স্টিম্যাচ। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে ভারত তৃতীয় গোলটিও পেয়ে যেতে পারত যদি সহজ সুযোগ নষ্ট না করতেন মহম্মদ আশিক কুরুনিয়ান।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইন্দোনেশিয়াকে ১৬ গোল!‌ এশিয়া কাপে এ কী করল ভারত?‌

কঠিন সময়ে জ্বলে ওঠার নজির আগেও রয়েছে ভারতীয় দলের। সেই কাজটা আবার করে দেখাল এশিয়া কাপে। অসম্ভবকে সম্ভব করে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারতীয় হকি দল।আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র করে নিজেদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছিলেন বীরেন্দ্র লাকড়ারা। সেমিফাইনালে যেতে গেলে এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫০ গোলের ব্যবধানে জিততে হত ভারতীয় দলকে। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন বীরেন্দ্ররা। ১৬০ ব্যবধানে জিতে পুল এ থেকে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারত। ভারতের হয়ে পাঁচটি গোল করেন দীপসন তিরকে, হ্যাটট্রিক করেন বেলিমগ্গা। দুটি করে গোল করেন সেলভম কারথি, সোমওয়ারপত, সুনীল এবং রাজভর।এশিয়া কাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ইন্দোনেশিয়াকে বিশাল ব্যবধানে হারাতে হত। শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়ার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বীরেন্দ্র লাখড়ারা। ভারতীয় দলের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার রক্ষণ। ম্যাচের ১০ মিনিটে রাজভর প্রথম গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন। ১ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে ২০ করেন তিনিই। প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ১৯ মিনিটে ৪০ করেন সুনীল। প্রথমার্ধেও ৬০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৯ গোল চাপিয়ে দেয় ইন্দোনেশিয়ার ওপর।𝗗𝗶𝗽𝘀𝗮𝗻 𝘀𝘁𝗮𝗿𝘀 𝗶𝗻 𝗜𝗻𝗱𝗶𝗮𝘀 𝘄𝗶𝗻!India beat hosts #Indonesia by a massive 16-0 margin to qualify for the semi-finals of the #HeroAsiaCup2022.Dipsan Tirkey netted 4️⃣ goals while Olympian Birendra Lakra Odia boy Nilam Sanjeep Xess scored a goal each. pic.twitter.com/IIQdkaE8xn Odisha Sports (@sports_odisha) May 26, 2022গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের সঙ্গে ১১ ড্র করে ভারত। এর পর জাপানের বিরুদ্ধে ৫২ ব্যবধানে হেরে যায়। বৃহস্পতিবার জাপান ৩২ ব্যবধানে হারায় পাকিস্তানকে। ২-৩ গোলের ব্যবধানে হেরে যায়। এর পরে সুপার ফোরে ওঠার জন্য ভারতের কাছে একটাই পথ খোলা ছিল ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। ভারত ১৬টি গোল করে।এদিন শেষ ১৫ মিনিটে তিন গোল দরকার ছিল ভারতের। ভারত দেয় ৪ গোল। শেষ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার পায় ভারত এবং তা থেকে তিরকে গোল করে যান। এটি ছিল তাঁর ম্যাচের চতুর্থ গোল। আর এই গোলের সঙ্গে পুল এ-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে শেষ করে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ভারত ২০১৭ সালে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শুরুতে বাটলারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো রান রাজস্থান রয়্যালসের

বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফ কার্যত নিশ্চিত। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতে জস বাটলারের মতো ব্যাটারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল রাজস্থান রয়্যালস। রাজস্থানের মান বাঁচল রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের সৌজন্যে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬০ রান তুলল রাজস্থান।এদিন রাজস্থান রয়্যালস একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। শিমরন হেটমায়ার সন্তানের জন্মের জন্য গায়ানা ফিরে গেছেন। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে আসেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুটি পরিবর্তন করে দিল্লি ক্যাপিটালস। রিপাল প্যাটেলের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ফেরানো হয় ললিত যাদবকে। আর খলিল আমেদের জায়গায় প্রথম একাদশে ঢোকেন চেতন সাকারিয়া। তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যে কোনও ভুল করেনি, শুরুতেই জস বাটলারকে তুলে নিয়ে প্রমাণ করে দেন সাকারিয়া। দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে থাকলে ঝড় তুলে রাজস্থানকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়এ যেতেন বাটলার। ইংল্যান্ডের এই ওপেনারকে সেই সুযোগ দেননি সাকারিয়া।টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরু থেকেই চেতন সাকারিয়ার বোলিংয়ের সামনে অস্বস্তিতে ছিলেন বাটলার। শেষ পর্যন্ত সাকারিয়াকেই উইকেট উপহার দেন বাটলার। ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে তিনি শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। ৫৪ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর কর রুখে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal