• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Weather

রাজ্য

পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! সামনে কঠিন সপ্তাহের সতর্কতা

টানা কয়েক দিনের ঝড়বৃষ্টির পর রাজ্যে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। রবিবার সকাল থেকেই রোদের তেজ চোখে পড়ছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী সপ্তাহে রাজ্যজুড়ে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া আরও বাড়বে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। চৌদ্দ থেকে সতেরো এপ্রিল পশ্চিমের জেলাগুলিতে তীব্র গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। দক্ষিণবঙ্গে চৌদ্দ ও পনেরো এপ্রিল দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের কিছু জেলা এবং উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তিও বাড়বে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকবে, ফলে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। মঙ্গলবার থেকে গরমের তীব্রতা বাড়বে এবং শুক্রবার পর্যন্ত অস্বস্তিকর আবহাওয়া চলবে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘের কারণে সামান্য ঝড়বৃষ্টি হতে পারে, বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়।মঙ্গলবার ও বুধবার এই জেলাগুলিতে গরমের সঙ্গে অস্বস্তিও বাড়বে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর সতর্ক থাকতে বলেছে।উত্তরবঙ্গে রবিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ উপরের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি চললেও বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে।কলকাতাতেও তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে। রবিবার সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার, দিনের দিকে আংশিক মেঘলা হতে পারে। আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আগামী সপ্তাহে গরম ও অস্বস্তি বাড়বে শহরেও। রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ছাব্বিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি। দিনের তাপমাত্রা তেত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় তাপমাত্রা চব্বিশ থেকে পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

ফের দাপট দেখাবে গরম! দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়বে ৭ ডিগ্রি, সামনে ভয়াবহ দাবদাহ

মনোরম আবহাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। ধীরে ধীরে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাত দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। উল্টে রোদের তেজ বাড়বে এবং তাপমাত্রা দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কিছু জেলায় চরম দাবদাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গরম অনেকটাই বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিও। যদিও সোমবার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা গরম কমাতে খুব একটা সাহায্য করবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।উত্তরবঙ্গে অবশ্য আবহাওয়ার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাবে। শনিবার ও রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির মতো পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে সেখানেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। উত্তরবঙ্গের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।কলকাতাতেও গরমের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলার দিকে আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি বাড়ছে। রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে আগামী কয়েক দিনে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তি আরও বাড়বে। বুধবার পর্যন্ত এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

তীব্র গরমের পর বড়সড় বদল, নিম্নচাপের জেরে টানা বৃষ্টি বাংলাজুড়ে

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে অবশেষে স্বস্তির খবর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, একটি নিম্নচাপের প্রভাবে রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হবে। এর সঙ্গে বজ্রপাত এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির প্রভাব পড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের মতে, বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ, অসম এবং বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। এই কারণেই আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছে এবং তার প্রভাবেই ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রবিবার থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই মাঝে মাঝে বৃষ্টি চলবে। তবে মঙ্গলবার এবং বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ ও প্রভাব আরও বাড়বে। মঙ্গলবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।বুধবার পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকবে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে, রবিবার এবং সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে এবং ঝড়ের গতি ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় জল জমার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রেই আগুন ঝরছে! চল্লিশ পেরোল তাপমাত্রা, বৈশাখে কী হবে ভেবে আতঙ্কে বঙ্গবাসী

এপ্রিলের শুরুতেই তীব্র গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী। সকাল থেকেই চড়া রোদ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই অনেক জায়গায় পারদ ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। চৈত্র মাসেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বৈশাখে কী হবে তা নিয়ে চিন্তায় সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি পেরিয়েছে। পানাগড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪০ ডিগ্রি। দমদমে তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি এবং কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩৬ ডিগ্রি।শনিবারও দিনভর গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে।আজ কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে শুষ্ক আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারেও হালকা বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে শীঘ্রই আবহাওয়ার পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। শনিবার থেকেই পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা তিন থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চমকে দেবে আবহাওয়া! ঝড় কমতেই তাপের দাপট, দক্ষিণবঙ্গে ফের তীব্র গরমের আশঙ্কা

আকাশ এখন মেঘলা থাকলেও ধীরে ধীরে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। তবে এর মধ্যেই বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া তৈরি হতে চলেছে।তবে বৃষ্টির হাত থেকে পুরোপুরি রেহাই মিলবে না। মঙ্গলবার গোটা দক্ষিণবঙ্গেই হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম-সহ পশ্চিমের কিছু জেলায় হালকা ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে বুধবার থেকে ধীরে ধীরে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।শুক্র ও শনিবারের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আগের দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৩ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে থাকছে, ফলে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে।উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার পরিস্থিতি বেশ অস্থির। মঙ্গলবার সেখানে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়িতে ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মালদহ-সহ অন্যান্য জেলাতেও ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ধীরে ধীরে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

আবার ফিরছে তাণ্ডব! ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপবে বাংলা, একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা

বৃহস্পতিবার বিকেলে খারাপ আবহাওয়ার জেরে হঠাৎই ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডব দেখেছিল রাজ্যবাসী। প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছিল যে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান অবতরণ করতেও সমস্যায় পড়ে। সেই ঘটনার পর ফের একই রকম দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে শুক্রবার থেকে রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এবার একাধিক জেলার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত এই সতর্কতা জারি থাকবে।শুক্রবার পশ্চিমাঞ্চলের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় কালবৈশাখীর জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।উত্তরবঙ্গেও একই পরিস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি জেলায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার ওই সব এলাকায় ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দমদম এলাকায় প্রায় পনেরো কিলোমিটার উঁচু উলম্ব মেঘ তৈরি হয়েছিল। তার জেরেই আচমকা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চলে। প্রবল হাওয়ায় অনেক জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়। এবার সেই রকম পরিস্থিতি আবার তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে আগাম সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আজ রোদ, কাল ঝড়! আবার ফিরছে বৃষ্টির তাণ্ডব, সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

উইকএন্ড জুড়ে বৃষ্টির পর নতুন সপ্তাহের শুরুতেই আকাশ পরিষ্কার এবং রোদ ঝলমলে। তবে এই রোদ দেখে নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সপ্তাহের শেষের দিকে আবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্য জুড়ে।গত সপ্তাহে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বাংলার বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হয়েছিল, যা চৈত্রের গরমে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সেই প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হচ্ছে, যার জেরেই আবারও বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার রাজ্যের বেশিরভাগ জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।এদিকে বৃষ্টি থাকলেও তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। আগামী চার দিনে রাজ্যে চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে। তবে এখনই তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩১ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২২ ডিগ্রি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে ৫৪ থেকে ৯৫ শতাংশের মধ্যে। আজ কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগণাতেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।তবে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও আজ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের নিচের দিকের কিছু জেলায় আবহাওয়া তুলনামূলক শুষ্ক থাকবে। সপ্তাহের শেষে উত্তরবঙ্গেও আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রে শীতের কামড়! এক ধাক্কায় ১১ ডিগ্রি কমে তাপমাত্রা, কাঁপছে বাংলা

চৈত্র মাসের শুরুতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। গরমের বদলে হঠাৎ করেই ফিরে এসেছে শীতের আমেজ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় রাতে আবার কম্বল টানতে হয়েছে মানুষকে। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে।শুক্রবার রাত থেকে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে তাপমাত্রায়। প্রথমে প্রায় পাঁচ ডিগ্রি কমার পর শনিবার তা আরও কমে গিয়ে মোট প্রায় এগারো ডিগ্রি নেমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এসেছে তেইশ দশমিক দুই ডিগ্রিতে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উনিশ দশমিক সাত ডিগ্রি।আবহাওয়া দফতরের মতে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। তবে এখনও কিছু জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও আংশিক মেঘলা আকাশের সঙ্গে মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও মেঘলা আকাশ থাকবে এবং এক-দুবার বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে এই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে গিয়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও দুর্যোগ কাটেনি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় আগামী বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও খুব ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সপ্তাহের শেষে আবারও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সব মিলিয়ে আবহাওয়ার এই আচমকা বদলে চৈত্রের শুরুতেই অবাক বাংলার মানুষ।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

আচমকা বদলাবে আবহাওয়া! ঘণ্টায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়, সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

তীব্র গরমের মধ্যেই দেশজুড়ে হঠাৎ করে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিনে দেশের একাধিক রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২১টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কিছু জায়গায় এই বেগ ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সঙ্গে থাকবে বজ্রপাত এবং বিদ্যুৎ চমক। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড গরম পড়েছে। তাপমাত্রা বাড়ায় মানুষ বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টির খবর কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমলেও ঝড়-বৃষ্টির জন্য নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।১৯ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে আবহাওয়ার এই বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অংশে আকাশ মেঘে ঢেকে যাবে এবং হঠাৎ করেই ঝড়-বৃষ্টি নামতে পারে।বর্তমানে উত্তর প্রদেশের পশ্চিম অংশ এবং পূর্ব অংশের উপর দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এই দুই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের বহু এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। প্রবল বাতাস, বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পশ্চিমবঙ্গেও এই প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় শনিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকতে পারে। শুক্রবার থেকে এই পরিস্থিতি আরও জোরালো হতে পারে।আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি ফসলের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এই আবহাওয়ার পরিবর্তন নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

সপ্তাহান্তে ভয়ংকর কালবৈশাখী! ৭০ কিমি বেগে ঝড়, জারি কমলা সতর্কতা

গত সপ্তাহ থেকেই রাজ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তার সঙ্গে কালবৈশাখীর দাপটও চলছে। সপ্তাহের শেষে সেই দাপট আরও বাড়বে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। শনিবার গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কলকাতার আকাশ বেশিরভাগ সময় মেঘলা থাকবে। কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বজ্রপাত ও ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। কলকাতায় ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। এ দিন পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও নদিয়াতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শুক্রবার থেকে আবহাওয়ার পরিস্থিতি আরও বদলাবে। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।শনিবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ওই সব জেলার পাশাপাশি হুগলিতেও বৃষ্টি হবে। গোটা দক্ষিণবঙ্গেই ঝড়-বৃষ্টি চলবে। বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। সোমবার থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে, তবে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবারও কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও একই ছবি দেখা যাবে। শনিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বৃষ্টি হবে। কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। রবিবারও গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টি চলবে।এই টানা বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি পর্যন্ত কমে গেছে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

হলুদ সতর্কতা জারি! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে রবিবার থেকে

শীতের পর বসন্তের আবহ উপভোগ করতে না করতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদলের ইঙ্গিত মিলছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল। এবার ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ায় জারি করা হচ্ছে হলুদ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। সোমবার সেই বৃষ্টি আরও জোরালো হতে পারে। কলকাতা সহ একাধিক জেলায় রবিবার ও সোমবার হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুধু দুদিন নয়, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।কিছু জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। বজ্রপাতের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।শনিবার দক্ষিণবঙ্গের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি রয়েছে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলায়। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে।তবে রবিবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হতে পারে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং নদিয়া জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার কলকাতাতেও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সপ্তাহ জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে এবং বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।এদিকে কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঁচিশ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল তেত্রিশ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল বাহান্ন থেকে চুরানব্বই শতাংশের মধ্যে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তেই হঠাৎ বৃষ্টির দাপট! কোন কোন জেলায় নামবে ঝড়বৃষ্টি, নতুন সতর্কবার্তা আবহাওয়া দফতরের

বসন্তের মাঝেই হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মিলিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ অনেক জায়গায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হয়েছে, আবার কোথাও হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টিও দেখা গেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।এই বৃষ্টির জেরে আপাতত গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন মানুষ। গত বছর এই সময়েই পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছিল। কলকাতাতেও তখন তীব্র ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল অবস্থা ছিল। তবে এ বার পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। বৃষ্টির কারণে এখনো সেই তীব্র গরমের মুখে পড়তে হয়নি রাজ্যবাসীকে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বাংলাদেশ এলাকায় তৈরি হওয়া একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই এই বৃষ্টি হচ্ছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া কিছুটা শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পরিমাণ আবার বাড়তে পারে। বিশেষ করে রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সময় কলকাতাতেও বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃহস্পতিবার থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবারও পাহাড় এবং সংলগ্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে রবিবার থেকে আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শুক্রবার সকালে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ কিছুটা বেড়েছে। আজ শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার থেকে আবারও কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তে ভ্যাপসা গরমের পর আচমকা বৃষ্টি! রবিবার থেকে ভিজবে দক্ষিণ-উত্তরবঙ্গ

ভরা বসন্ত চললেও আবহাওয়ায় তার ছাপ নেই। একদিকে ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস। ফলে ফাল্গুনের আমেজ অনেকটাই উধাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ দুই প্রান্তেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে। শনিবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সোমবার থেকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।এই বৃষ্টির কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন বাংলাদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশেও রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এই সব কিছুর প্রভাবেই আবহাওয়ার পরিবর্তন।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে রাতের তাপমাত্রা আগামী দুদিন সামান্য বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে। শীতের আমেজ পুরোপুরি উধাও। শহরে বাড়ছে উষ্ণতার ছোঁয়া।রবিবার ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও হুগলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বুধবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও রবিবার থেকে আবহাওয়ার বদল। দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল একুশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি। আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাইশ থেকে তেইশ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা তেত্রিশ থেকে চৌত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছাব্বিশ থেকে নব্বই শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।সব মিলিয়ে বসন্তের মাঝেই গরম ও বৃষ্টির পালাবদলে অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে চলেছে রাজ্যে। রবিবার থেকে ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে গরম, কী বলছে হাওয়া অফিস

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে রাজ্যে ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। দুপুরের দিকে বাইরে বেরলেই গরমে অস্বস্তি অনুভূত হচ্ছে। তবে এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিন সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা শীতের আমেজ থাকবে, যদিও বেলা বাড়লে গরম অনুভূত হবে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী আটচল্লিশ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। স্বাভাবিকের নিচে তাপমাত্রা থাকলেও সকালে ও সন্ধ্যায় সামান্য ঠান্ডা লাগবে। তবে গভীর শীতের মতো পরিস্থিতি আর থাকবে না এবং দুপুরের দিকে গরম বাড়বে। আগামী সাতদিন রাজ্যের অধিকাংশ জায়গায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।এদিকে দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। দুই মার্চ নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, মার্চের শুরু থেকেই তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে এবং এক মার্চ নাগাদ তাপমাত্রা প্রায় চার ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।পার্বত্য উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পং এলাকায় মাটির কাছাকাছি তুষারপাতের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। রবিবারের পর বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং পরবর্তী সাতদিন শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। সিকিম ও সংলগ্ন এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। সিকিমে হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রভাব দার্জিলিংয়ের উঁচু পার্বত্য এলাকাতেও পড়তে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষ দুদিন এই আবহাওয়ার ধারা বজায় থাকতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে আবহাওয়ার বড়সড় বদল, কোথাও ঝড়বৃষ্টি তো কোথাও বাড়ছে তাপমাত্রা, কেমন থাকবে বাংলার আবহাওয়া

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যেতে পারে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলে। আগামী কয়েক দিন সেখানে ঝড়বৃষ্টি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত একাধিক রাজ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা-তে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে মধ্যপ্রদেশ, বিদর্ভ ও ছত্তিশগড় অঞ্চলেও। এছাড়া অসম, মেঘালয়, সিকিম এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি ও হালকা ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।হিমাচল প্রদেশে বৃষ্টির সঙ্গে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি উত্তরাখণ্ড-এও বৃষ্টি ও তুষারপাত হতে পারে। আগামী তিন দিনে উত্তর-পশ্চিম ভারতের সমতলে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও বিদর্ভে আগামী দুদিন তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও পরে আবার বাড়তে পারে। মহারাষ্ট্র-এ আগামী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে গুজরাত-এ বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ বুধবার ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যদিও ধীরে ধীরে সেটি দুর্বল হতে পারে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন ওড়িশা এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। কর্ণাটক থেকে মারাঠাওয়াড়া হয়ে উত্তর-পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তর গুজরাত পর্যন্ত আরেকটি অক্ষরেখা সক্রিয় রয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের কাছাকাছি এলাকায় উপক্রান্তীয় পশ্চিমী জেট প্রবাহ সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তরাখণ্ড ও পশ্চিম অসম সংলগ্ন এলাকাতেও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগর ও কেরল উপকূল সংলগ্ন এলাকায় উপরিস্তরের ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

বসন্তের মাঝেই আচমকা বৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়া, কলকাতায় ফের শীতের ছোঁয়া

ক্যালেন্ডারে বসন্ত শুরু হলেও গত কয়েকদিন ধরেই উষ্ণতার ইঙ্গিত মিলছিল। তবে মঙ্গলবার ভোররাতে আচমকা ঝড় ও হালকা বৃষ্টিতে সেই ছন্দে বদল আসে। ভিজে যায় কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকা। সকালে হালকা ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করায় তাপমাত্রা কিছুটা নেমে যায় এবং অনেককেই ফের হালকা শীতপোশাক ব্যবহার করতে দেখা যায়। বৃষ্টি কতদিন চলবে তা স্পষ্টভাবে জানাতে পারেনি আবহাওয়া দপ্তর, তবে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেই পূর্বাভাস।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভিজতে পারে হাওড়া, হুগলি, দুই চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া এবং উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি। মঙ্গলবার সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকার সঙ্গে মাঝেমধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। বুধবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির প্রভাব কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কলকাতার পাশাপাশি সংলগ্ন জেলা এবং পশ্চিমাঞ্চলের পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে।আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের পিছনে মূল কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগর-এ তৈরি হওয়া নিম্নচাপ। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর অঞ্চলে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে মধ্য-দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পরে পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাবে। নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলে রাজ্যজুড়ে আবার স্বাভাবিক বসন্তের আবহাওয়া ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

আবহাওয়া হাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা: সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টি বেশি সম্ভাবনা

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের শুরুতে বঙ্গের সাত জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।দু-দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাপমাত্রা আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও দুই ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যা উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। সোমবার ও মঙ্গলবার বঙ্গের ওড়িশা সংলগ্ন উপকূলীয় জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি।এদিকে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে উঠেছে। কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা বাড়ছে, দিনের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়েছে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-এও সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও পার্বত্য অঞ্চলে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে। শিলিগুড়ি, মালদহ ও সংলগ্ন জেলায় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ১৬ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে এই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

গেল শীত, হঠাৎই বাড়ছে গরম—বসন্ত না আসতেই বদলে গেল আবহাওয়া

শীত বিদায় নিতেই বাংলায় দ্রুত বাড়ছে গরমের প্রভাব। বসন্তের স্বস্তি প্রায় দেখা না মিলতেই গ্রীষ্মের পথে হাঁটছে রাজ্য। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে এবং রোদের তেজও বেড়েছে। ভোর ও রাতে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী প্রায় দীর্ঘ সময় পর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নদুই তাপমাত্রাই বাড়বে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ দ্রুত কমে যাবে। ইতিমধ্যেই দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি প্রায় নেই বললেই চলে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়ি থেকে একুশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বত্রিশ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।বর্তমানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন করে আরেকটি ঝঞ্ঝা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও আবার নতুন নিম্নচাপ তৈরির ইঙ্গিত মিলেছে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে।দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দিনের গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাগডোগরা ও জলপাইগুড়িতে তাপমাত্রা তেত্রিশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়াতেও পারদ বত্রিশ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। কলকাতায় টানা কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির ঘরে থাকায় গরমের অস্বস্তি বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রাও আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, অন্য জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আঠারো থেকে কুড়ি ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা সতেরো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পনেরো থেকে আঠারো ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ছয় থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সমতল সংলগ্ন এলাকায় এগারো থেকে পনেরো ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। শিলিগুড়ি ও মালদা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ষোলো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

বিদায় নিচ্ছে শীত! রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে ২-৩ ডিগ্রি, সপ্তাহের শেষে বদলে যাবে আবহাওয়া

পশ্চিমবঙ্গে শীতের মরশুম প্রায় শেষের পথে। এতদিন দিনে তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়েছিল। সোয়েটার বা মাফলারের প্রয়োজনও কমে গিয়েছিল। তবে রাতে হালকা ঠান্ডা থাকছিল। এবার সেই রাতের ঠান্ডাও কমতে চলেছে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার জোগান কমে গিয়েছে। ফলে রোদের তেজও বাড়বে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ শক্তি বাড়াচ্ছে। এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। তবে এই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। সব জেলাতেই আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। উপকূলের জেলা যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।সকালে হালকা কুয়াশা বা শিশিরের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে কুয়াশার প্রভাব কিছুটা বেশি থাকতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুটোই কিছুটা বাড়বে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। কালিম্পং ও সংলগ্ন এলাকায় ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি, মালদা ও আশপাশের জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৭ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সব মিলিয়ে শীতের আমেজ ফুরিয়ে এখন ধীরে ধীরে গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ! বসন্তের মুখে আবহাওয়ার নতুন বার্তা, বাড়বে নাকি বৃষ্টি?

দুয়ারে বসন্তের আমেজ। সকাল ও রাতে হালকা শীতের ছোঁয়া এখনও রয়েছে। ঠিক এই সময়েই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার খবর দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে আপাতত বাংলায় এর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানানো হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল। সেটিই শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সেটি মধ্য দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামী দিনে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে বাংলার আবহাওয়ায় তার কোনও বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।এদিকে রাজ্যে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি। কলকাতায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৩৫ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। সকালে ও রাতে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলা শীতের অনুভূতি অনেকটাই কমছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আরও দুদিন একই রকম আবহাওয়া থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে দিনের বেলা শীত কার্যত বিদায় নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে এক থেকে দুই ডিগ্রি কম রয়েছে। তবে ধীরে ধীরে তা বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা আপাতত স্বাভাবিকের কাছাকাছিই থাকবে। সপ্তাহের শেষের দিকে গরমের আভাস মিলতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার পরিমাণ কিছুটা বেশি হতে পারে। সকালবেলায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।সব মিলিয়ে বসন্তের শুরুতে আবহাওয়া মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও সমুদ্রের নিম্নচাপ নিয়ে নজর রাখছে আবহবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মস্কোয় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার আটক! জোর করে রুশ সেনায় যোগ দেওয়ানোর অভিযোগ, কাঁদতে কাঁদতে স্ত্রীর আর্জি

মস্কোয় আটক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার চন্দন গুপ্তা। তাঁর স্ত্রী স্নেহা গুপ্তার দাবি, কোনও অপরাধ না করেও তাঁর স্বামীকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। তাঁকে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্নেহা। তবে ঠিক কী কারণে চন্দনকে আটক করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।জানা গিয়েছে, চন্দন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। স্ত্রী স্নেহা এবং ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই মস্কোয় থাকছিলেন তিনি। রবিবার দুপুরে মস্কো পুলিশ তাঁকে আটক করে বলে পরিবারের দাবি। এর পরেই সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন স্নেহা।সেই ভিডিওতে স্নেহা জানান, চন্দন নয়ডার একটি সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করেন। চাকরির সূত্রেই সংস্থাটি তাঁকে রাশিয়ায় পাঠিয়েছিল। পরে বৈধ কাজের ভিসা নিয়ে স্ত্রী এবং সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মস্কোয় যান চন্দন। সেখানে থাকার সময়ই তাঁকে পুলিশ আটক করে বলে অভিযোগ।স্নেহার দাবি, তাঁর স্বামী কোনও অন্যায় করেননি। তা সত্ত্বেও তাঁকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, সেই বিষয়ে পরিবারকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি বলেও দাবি তাঁর।এরই মধ্যে আরও গুরুতর অভিযোগ করেছেন স্নেহা। তাঁর দাবি, চন্দনকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।স্বামীকে দেশে ফেরাতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চন্দনের পরিবার। স্নেহার কথায়, ১০ বছরের সন্তানকে নিয়ে তিনি মস্কোয় কার্যত অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। তিনি রুশ ভাষা বুঝতে পারেন না। ফলে তাঁর স্বামীর সঙ্গে ঠিক কী ঘটছে, কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, তা জানতেও সমস্যায় পড়ছেন।কান্নায় ভেঙে পড়ে স্নেহা আবেদন জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। অন্য দিকে, চন্দনকে ঠিক কোন অভিযোগে আটক করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর স্ত্রীর করা রুশ সেনায় যোগ দেওয়ানোর অভিযোগও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। গোটা বিষয়টি নিয়ে পরিবারের তরফে সরকারের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

শ্রদ্ধা ওয়াকারের ঘটনার স্মৃতি ফেরাল গুয়াহাটি! স্ত্রীকে খুন করে মুণ্ডু ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখল স্বামী

গুয়াহাটিতে এক তরুণীকে খুনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করার পর তাঁর মাথা ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনায় সন্দেহের তির তাঁর স্বামী রামানুজন গোস্বামীর দিকে। তবে এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৫ বছরের রিয়া তালুকদারের সঙ্গে রামানুজনের বিয়ে হয়েছিল। তাঁরা গুয়াহাটির হাতিগাঁও এলাকায় থাকতেন। প্রতিবেশীদের দাবি, সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে সেই বচসা তীব্র আকার নেয়। এরপর রাত আটটা নাগাদ রামানুজন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।পরের দিন রাতের দিকে ওই বাড়ি থেকে পচা গন্ধ বের হতে শুরু করে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসার পর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। তখন ফ্রিজের ভিতর কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়া অবস্থায় রিয়ার মাথা পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁর হাতের কয়েকটি আঙুলও কাটা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রামানুজনের দিকে সন্দেহের তির ঘুরেছে। তবে এখনও তাঁকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, রামানুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।জানা গিয়েছে, রিয়া ফ্যান্সি বাজারের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাজারে কাজ করতেন। তাঁর মা-বাবা কেউই জীবিত নেই। পরিবারের বলতে এক ভাই রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।রিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।এই ঘটনা সামনে আসতেই ২০২২ সালের শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের কথাও মনে পড়ছে। ২০২২ সালের মে মাসে দিল্লির মেহরৌলিতে শ্রদ্ধাকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর প্রেমিক আফতাবের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, হত্যার পর শ্রদ্ধার দেহ একাধিক টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল।শ্রদ্ধা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে আফতাবের সঙ্গে দিল্লিতে চলে এসেছিলেন। পরে তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এমনকি এর আগে আফতাবের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছিলেন শ্রদ্ধা বলে জানা যায়।গুয়াহাটির বর্তমান ঘটনার সঙ্গে শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনও যোগ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার ভয়াবহতার কারণে পুরনো সেই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি নতুন করে ফিরে এসেছে। গুয়াহাটির ঘটনায় এখন মূল সন্দেহভাজন রামানুজনের সন্ধানেই জোর দিচ্ছে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার পুরো চিত্র স্পষ্ট হবে না।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

সত্য নিকেতনে ছ’তলা বাড়ি ভেঙে মৃত্যু ৭ জনের! চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই বাড়ির মালিক আটক

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছতলা একটি বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা পর রাজস্থানের বিওয়াড়ি থেকে বাড়ির মালিক হরিরাম গুপ্তকে আটক করেছে পুলিশ।দুর্ঘটনার পর থেকেই বাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেছিল দিল্লি পুলিশ। সোমবার সকালেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। এর পর বাড়ির মালিকের সম্ভাব্য গোপন আস্তানাগুলিতে তল্লাশি চালাতে একাধিক দল তৈরি করা হয়। তিন-চারটি দল বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালায়। তাঁর মালিকানাধীন একটি হার্ডওয়্যারের দোকানেও পুলিশ যায়। তবে স্থানীয়দের দাবি, গত দুদিন ধরে দোকানটি বন্ধ ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিরাম গুপ্ত এলাকায় হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেক্টর ২৩ এবং পালাম বিহার এলাকায় তাঁর পরিবারের একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছের এই এলাকায় বহু বাড়ি মেস বা পিজি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অধিকাংশ বাড়ির নিচেই রয়েছে বেসমেন্ট। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টির জেরে ভেঙে পড়া বাড়িটির নিচে জল জমেছিল। সেই সময় বেসমেন্টে নির্মাণকাজ চলছিল। এর ফলে বাড়িটির ভিত দুর্বল হয়ে গিয়ে ধস নামতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বাড়িটি নির্মাণের ক্ষেত্রেও নিয়ম মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরসভার দাবি, আবাসিক বাড়ির সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৭ দশমিক ৫ মিটার হতে পারে। কিন্তু ধসে পড়া বাড়িটির উচ্চতা তার চেয়ে বেশি ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নির্মাণের সময় কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ চাণক্যপুরীর কাছে মোতিবাগ এলাকায় ভারী বৃষ্টির মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ছতলা বাড়িটি। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের আটটি ইঞ্জিন। পরে আরও ইঞ্জিন পাঠানো হয়। শুরু হয় উদ্ধারকাজ।স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে বহু পড়ুয়া পিজি হিসেবে থাকতেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই বাড়িতে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িতে অন্তত ৫০ জন পড়ুয়া থাকতে পারেন। পাশের একটি বাড়ির এক পড়ুয়াও জানান, ধসের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি কয়েক জনের আর্তনাদের শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন।এই ভয়াবহ ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে নেমেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও দুর্ঘটনা নিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি পড়ুয়ার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান এবং যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে ঘটনাটিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল।সত্য নিকেতনের এই বাড়ি ধসের ঘটনায় এখন একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বেসমেন্টে নির্মাণকাজ, জল জমা, বাড়িটির উচ্চতা এবং নির্মাণের সময় নিয়ম মানা হয়েছিল কি নাসব দিকই তদন্তের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যেই বাড়ির মালিককে রাজস্থান থেকে আটক করায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৩ অক্টোবর একই দিনে দুই দেশে ভারতের দুই ম্যাচ! ক্রিকেট ইতিহাসে কি প্রথম বার এমন কাণ্ড?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সামনে ঠাসা সূচি। আর সেই সূচির জেরেই ৩ অক্টোবর তৈরি হতে পারে এক বিরল পরিস্থিতি। একই দিনে দুই আলাদা দেশে ভারতের দুটি ম্যাচ হতে পারে। একটি ওয়ানডে, অন্যটি টি-টোয়েন্টি। দুই ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। কোনওটিতেই দ্বিতীয় সারির দল নামানোর সুযোগ থাকবে না।সূচি অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। তার পর ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিক থেকে এই সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ৩০ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয় ম্যাচ ৩ অক্টোবর হওয়ার কথা।অন্য দিকে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হবে এশিয়ান গেমস। ক্রিকেট হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ভারত এই প্রতিযোগিতার গত বারের চ্যাম্পিয়ন। পাশাপাশি অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এশিয়ান গেমস গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারত এই প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী দল নিয়েই নামতে চাইবে।এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনাল হওয়ার কথা ১ অক্টোবর। ফাইনাল ৩ অক্টোবর। ভারত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। ফলে অন্তত সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। সেমিফাইনালে জিতলে ৩ অক্টোবর ফাইনাল খেলতে হবে ভারতকে। আর সেমিফাইনালে হারলেও একই দিনে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ রয়েছে। অর্থাৎ এশিয়ান গেমসে ভারত সেমিফাইনালে উঠলেই ৩ অক্টোবর আবার মাঠে নামতে হবে।এই জায়গাতেই তৈরি হচ্ছে সমস্যা। কারণ ৩ অক্টোবরই পঞ্জাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ওয়ানডে হওয়ার কথা। অর্থাৎ একই দিনে ভারতের একটি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলতে পারে, অন্য একটি দল জাপানে এশিয়ান গেমসের ম্যাচ খেলতে পারে।ভারতের এশিয়ান গেমসের দল ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই দলে একাধিক পরিচিত ক্রিকেটার রয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের দল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে একই দিনে দুই দেশে ম্যাচ হলে কোন ক্রিকেটার কোন দলে থাকবেন, তা নিয়েও তৈরি হবে বড় প্রশ্ন।এশিয়ান গেমসের দলে থাকা শ্রেয়স আইয়ার, জশপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা এবং অক্ষর পটেলরা ওয়ানডে দলেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। স্বাভাবিক ভাবেই একই সময়ে দুই দেশে তাঁদের খেলানো সম্ভব নয়। ফলে নির্বাচকদের সামনে দল বাছাই নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ৩ অক্টোবর ভারতীয় ক্রিকেটে অত্যন্ত বিরল একটি দিন হয়ে উঠতে পারে। একই দিনে দুই আলাদা দেশে, দুই আলাদা ফরম্যাটে ভারতের দুই দল মাঠে নামতে পারে। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পালাবদলের পর প্রথম পুজোতেই বড় ঘোষণা! ক্লাবগুলিকে কত টাকা অনুদান, হবে কি কার্নিভ্যাল?

পালাবদলের পর বাংলায় এ বার প্রথম দুর্গাপুজো। তাই পুজো কমিটিগুলির অনুদান, পুজোর উদ্বোধন এবং কার্নিভ্যাল হবে কি না, তা নিয়ে আগে থেকেই নানা জল্পনা ছিল। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকের পরেই দুর্গাপুজো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ বার রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। পাশাপাশি পুজোর জন্য বিদ্যুৎ এবং দমকলের কোনও খরচ দিতে হবে না বলেও জানানো হয়েছে। অনুদানের জন্য কী ভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়েও পুজো কমিটিগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলির জন্য আলাদা বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের উদ্দেশে তিনি অনুরোধ করেছেন, আর্থিক ভাবে সক্ষম বড় পুজো কমিটিগুলি যেন সরকারি অনুদান না নেয়। সেই সব কমিটিকে তিনি ধন্যবাদ জানাবেন বলেও জানান।এর আগে তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়া শুরু হয়েছিল। প্রথম দিকে প্রতি ক্লাবকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরবর্তী সময়ে সেই অনুদানের পরিমাণ বেড়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিটি পুজো কমিটি ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান পেয়েছিল। পালাবদলের পর এ বার অনুদানের পরিমাণ নিয়ে তাই বিশেষ নজর ছিল পুজো উদ্যোক্তাদের।পুজোর উদ্বোধন নিয়েও এ দিন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েক বছর ধরে মহালয়ার আগেই বিভিন্ন পুজোর উদ্বোধন হতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এ বার মহালয়ার আগে কোনও পুজোর উদ্বোধন হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেনে বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এ বার আর দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যালও হবে না। তার বদলে সরকারের তরফে শারদ সম্মানের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে পালাবদলের পর বাংলার প্রথম দুর্গাপুজোয় একাধিক ক্ষেত্রে বদল আসতে চলেছে।বিসর্জন নিয়েও এ দিন নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ২৪ অক্টোবরের মধ্যে বিসর্জনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। বিসর্জনের সময় ক্রেন ব্যবহার করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পুজো কমিটিগুলির অনুদান থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ ও দমকলের খরচ, পুজোর উদ্বোধন, কার্নিভ্যাল এবং বিসর্জনএকাধিক বিষয়ে সোমবারের বৈঠক থেকে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে সরকারি বিজ্ঞাপনে ‘বড় ভুল’! দুর্গার ১১ হাত দেখে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে সরকারি আমন্ত্রণপত্রে দুর্গার ছবি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সরকারি বিজ্ঞাপনে দশভুজার বদলে ১১ হাতের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে সামাজিক মাধ্যম, বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা শুরু হয়।পুজোর প্রস্তুতি নিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সেই বৈঠকের আগে সরকারি একটি আমন্ত্রণপত্র উদ্যোক্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। সেখানেই দুর্গার ১১ হাতের ছবি দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে।প্রচলিত ধর্মীয় রীতিতে দেবী দুর্গাকে দশভুজা হিসাবেই দেখা হয়। কিন্তু সরকারি বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ছবিতে একটি হাত অতিরিক্ত দেখা যাওয়ায় প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি প্রথমে প্রকাশ্যে আনেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ। তিনি এই ছবি নিয়ে কটাক্ষও করেন। তাঁর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা শুরু হয়।এর পরেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই তিনি এই ভুলের জন্য ক্ষমা চান।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সকালে একটি ত্রুটিপূর্ণ সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ভুলের জন্য তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমা চেয়ে নেন। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাকে সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিষয়ে সরকার আরও সতর্ক থাকবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকেও এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি জানান, তিনি বিজ্ঞাপনটি দেখেননি। তবে তাঁর কথায়, কোনও সংস্থার ছাপার ভুল থেকেই এমনটা হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি সংশোধন করে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে এ দিনের বৈঠকে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে বৈঠকের আগেই সরকারি বিজ্ঞাপনে দুর্গার ১১ হাতের ছবি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কই বিশেষ নজর কেড়ে নেয়। পরে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার পর সেই বিতর্কে আপাতত ইতি পড়ে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে বড় সুখবর! প্যারাটিচার থেকে শিক্ষাবন্ধু, একসঙ্গে বহু কর্মীর বেতন বাড়াল রাজ্য

নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক স্তরের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্যারাটিচার, শিক্ষাবন্ধু, বিশেষ শিক্ষাকর্মী, ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকে ও এমএসকে-র সহায়ক কর্মী-সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি বন সহায়ক এবং ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে।প্যারাটিচারদের বেতন প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক, দুই স্তরেই ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এত দিন প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচাররা মাসে ১১ হাজার ৯৪১ টাকা করে বেতন পেতেন। এবার তা বেড়ে হবে ১৬ হাজার ৯৪১ টাকা। উচ্চ প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচারদের বেতন ১৫ হাজার ৫২৩ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২০ হাজার ৫২৩ টাকা। এই বেতন বৃদ্ধি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এই সিদ্ধান্তে প্রাথমিক স্তরের ২০ হাজার ৩৪৩ জন এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ২১ হাজার ৮৪৯ জন প্যারাটিচার উপকৃত হবেন। অর্থাৎ দুই স্তর মিলিয়ে বহু প্যারাটিচারের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।শিক্ষাবন্ধুদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২৮০ জন শিক্ষাবন্ধু উপকৃত হবেন। বিশেষ শিক্ষাকর্মীদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁদের ক্ষেত্রেও ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতন কার্যকর হবে।শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রেই নয়, বন দফতরের কর্মীদের জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কথা। বন সহায়কদের পারিশ্রমিক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এই বৃদ্ধি ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এছাড়াও ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকের সহায়ক এবং এমএসকের সহায়ক কর্মীদের বেতনও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্তরে কাজ করা কর্মীদের একাংশের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। এই বর্ধিত ভাতা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের বদলি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে পারস্পরিক বদলির জন্য বিধিবদ্ধ কাঠামো তৈরি করতে নতুন বিল আনা হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিলটি বিধানসভায় পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।ফলে একদিকে বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন ও পারিশ্রমিক বৃদ্ধির ঘোষণা, অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের বদলির জন্য নতুন আইনি কাঠামোদুই ক্ষেত্রেই এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বাল্যবিবাহ করলেই এবার কড়া শাস্তি! বাড়ি বাড়ি অভিযান, পুরোহিত-কাজিদের নিয়েও বড় বার্তা

পশ্চিমবঙ্গে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঠেকাতে বাড়ি বাড়ি নজরদারি এবং অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়েছে। নাবালিকার বিয়ে দেওয়া, বিয়েতে সাহায্য করা বা বিয়ে সম্পন্ন করার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বাল্যবিবাহ নিয়ে কড়া অবস্থানের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য, বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। যে পরিবার নাবালিকার বিয়ে দেবে, সেই বিয়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও প্রশাসনের নজরের বাইরে থাকবেন না।রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যেসব ক্ষেত্রে নাবালিকা বধূর সন্ধান মিলেছে, সেই পরিবারের পাশাপাশি তাঁদের স্বামীদের কাছেও শোকজ নোটিস পাঠানো হতে পারে। স্ত্রী বিয়ের সময় ১৮ বছর বয়স পার করেছিলেন কি না, তা প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে হবে।বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে স্কুলের শংসাপত্র, আধার কার্ড, জন্মের শংসাপত্র-সহ সরকারি নথি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। বয়স সংক্রান্ত যথাযথ প্রমাণ দিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।শুধু বিয়ে দেওয়া পরিবার বা স্বামীর বিরুদ্ধেই নয়, বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করার সঙ্গে যুক্ত পুরোহিত এবং কাজিদের নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, নাবালিকার বিয়েতে কেউ সাহায্য করলে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইন দেশে বহু বছর ধরেই রয়েছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছরের আগে বিয়ে আইনত নিষিদ্ধ। বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।বাংলায় বাল্যবিবাহ রুখতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সময় থেকেই সামাজিক আন্দোলন হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেশে একাধিক আইন করে এই প্রথা বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এখনও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বাল্যবিবাহের অভিযোগ সামনে আসে। বিশেষ করে কিছু সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ রয়েছে।এবার সেই কারণেই বাড়ি বাড়ি নজরদারির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। কোনও পরিবারে নাবালিকার বিয়ে হয়েছে কি না, বিয়ের সময় তাঁর বয়স কত ছিল এবং বিয়ের সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন, সেই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে।নাবালিকা বধূর সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের নজর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। হাসপাতালেও বয়স সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে। নাবালিকার ক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বা শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠলে শিশুদের সুরক্ষা সংক্রান্ত কঠোর আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।প্রশাসনের বার্তা, নাবালিকার বয়স ১৮ বছরের কম হলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। বাল্যবিবাহের পাশাপাশি নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ থাকলে পৃথক ভাবেও আইনি পদক্ষেপ হতে পারে।ফলে রাজ্যে বাল্যবিবাহ রুখতে এবার নজরদারি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি অভিযান, বয়সের নথি যাচাই এবং বাল্যবিবাহের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাএই তিন দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই পদক্ষেপে রাজ্যে বাল্যবিবাহের প্রবণতা কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal