• ১৮ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Weather

কলকাতা

কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর! রবিবার থেকে শীতের জাঁকিয়ে ঠান্ডা, কম্বল বের করুন

অবশেষে বাংলায় শীতের আসল রূপ ফিরে এল। ঘূর্ণাবর্তের বাধা কেটে গিয়েছে, পশ্চিম থেকে শীতল হাওয়া এখন অবাধে ঢুকছে রাজ্যে। তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। উইকেন্ডের মধ্যে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আগামী কয়েকদিন আরও এক থেকে তিন ডিগ্রি পারদ পড়তে পারে। শীতের আমেজ জাঁকিয়ে বাড়বে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সাতদিন আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনাই নেই। সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে, বিশেষ করে উপকূলের জেলাগুলোতে। দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে আসতে পারে। দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকবে। সকাল-সন্ধ্যায় শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হবে।আজ শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৭ ডিগ্রি। কয়লকাতা ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও শীতের আমেজ বেড়েছে। দার্জিলিং-কার্শিয়াংয়ে পারদ ৫ ডিগ্রির কাছাকাছি। মালদহেও নেমেছে ১৬ ডিগ্রিতে।আবহাওয়াবিদদের কথায়, উত্তর-পশ্চিম ভারতে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকায় শীতল হাওয়া বইছে। আজ আরও একটি শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করবে। তার জেরে আগামী পাঁচ-সাতদিন তাপমাত্রা আর বড় বাড়বে না। বরং ধীরে ধীরে আরও কমবে। উইকেন্ড থেকেই কম্বল-চাদর বের করার সময় এসে গেল বাংলার মানুষের।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
রাজ্য

দু’টি নিম্নচাপের ধাক্কা, শীত কি তবে বিদায় নিচ্ছে? বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদল

একসঙ্গে দুটি নিম্নচাপের প্রভাবে ফের বদলাচ্ছে বাংলার আবহাওয়া। দক্ষিণবঙ্গে সামান্য বেড়েছে তাপমাত্রা। এই রকম আবহাওয়া সোমবার পর্যন্ত থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মঙ্গলবার থেকে আবার তাপমাত্রা নামতে শুরু করবে। আপাতত কলকাতার তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির আশপাশেই ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১৪ ডিগ্রির ঘরে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। তবে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকেও নিচেই থাকবে। অনেক জেলায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। সোমবার পর্যন্ত কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। শনিবার ও রবিবার কুয়াশার সম্ভাবনাও বাড়বে। তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশা দেখা যেতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব বেশি হতে পারে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।মঙ্গলবার থেকে আবার ঠান্ডা বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবারের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য কম। গতকাল বিকেলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেটিও স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা নিচে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই শীতের জাঁকিয়ে উপস্থিতি। পাহাড়ি শহর দার্জিলিং-এ তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৬ ডিগ্রির ঘরে। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সকাল ও রাতের দিকে শীতের প্রভাব স্পষ্ট। দিনের বেলায় অবশ্য শীতের তীব্রতা কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড় বনাম শীত! ডিসেম্বরের শুরুতে কোন দিকে পাল্টাবে আবহাওয়া?

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেই উত্তরবঙ্গ জুড়ে নেমে এসেছে শীতের প্রকট কামড়। দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা এক লাফে নেমে পৌঁছেছে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পাহাড়ে সকাল-সন্ধ্যায় হিমেল হাওয়া ও তীব্র ঠান্ডায় স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকরাও শীতের স্বাদ পাচ্ছেন। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি থেকে শুরু করে আলিপুরদুয়ার উত্তরের প্রায় সব জেলাতেই পারদ পতন স্পষ্ট। সকালের দিকে বহু জায়গায় কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে রাস্তা, যা শীতের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যদিও আপাতত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, ফলে শুষ্ক আবহাওয়া চলবে এবং শীতও বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।কলকাতায়ও শীতের হাওয়া ঢুকে পড়েছে। বুধবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ওঠানামা করেছে ৪১ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে। ভোরবেলা হালকা কুয়াশা দেখা গেলেও বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হচ্ছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা এই মুহূর্তে স্বাভাবিকের নিচেই রয়েছে। তবে আবহবিদদের মতে, আগামী দুই-তিন দিনে তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে, কিন্তু সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে উঠবে না।এই সময়ই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে জোড়া নিম্নচাপ। তার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা উড়ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছেএই নতুন সিস্টেম কি দক্ষিণবঙ্গের শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে? আবহাওয়াবিদদের মতে, নিম্নচাপের গতিপ্রকৃতির উপর অনেকটাই নির্ভর করছে শীতের আগ্রাসন। তবে এখনই শীত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েকদিন সকালের কুয়াশা, রাতে হালকা ঠান্ডা আর দিনের দিকে কিছুটা উষ্ণতা এই মিলেমিশে তৈরি হবে ডিসেম্বরের শুরুর স্বাভাবিক আবহাওয়া।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

শীত ভুলে যান! আন্দামান সাগরে তৈরি ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’ বদলে দিতে পারে বাংলার আবহাওয়া

নভেম্বর প্রায় শেষ। অথচ শীতের দেখা নেই। সকাল-বিকেলের হালকা ঠান্ডাটুকুও এখনও শহর-গ্রামের মানুষ ঠিক টের পাচ্ছেন না। আবহাওয়া অফিসের হিসেব আরও হতাশাজনকনভেম্বর তো বটেই, ডিসেম্বরের শুরুতেও শীতের সম্ভাবনা নেই। বরং নতুন ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জারি হয়েছে, যা পুরো পূর্বভারতের আবহাওয়া পাল্টে দিতে পারে। ফলে শীত আরও পিছিয়ে যেতে পারে।এই মুহূর্তে আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের মতে, এই নিম্নচাপ সোমবারেই আরও শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। তারপর দফায় দফায় শক্তি বাড়িয়ে বুধবার এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। নতুন ঘূর্ণিঝড়টির নাম সেনিয়ার, নামকরণ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। ঘূর্ণিঝড়টি কোন দিকে যাবেওড়িশা, অন্ধ্র, পশ্চিমবঙ্গ নাকি বাংলাদেশতা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে, পর্যটকদের সাবধানতা অবলম্বনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ঘূর্ণিঝড়ের মূল গতিপথ স্পষ্ট না হলেও এর পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দপ্তর প্রাথমিকভাবে মনে করছে, নভেম্বরের শেষ বা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ঠান্ডা আরও দেরিতে নামবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেলে তাপমাত্রা কমার পরিবর্তে উল্টে বেড়েও যেতে পারে। আগেও, ২০২১-২২ সালে নভেম্বর-ডিসেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে শীত কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছিল। এবারও সেই চিত্রই ধরা পড়ছে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।অন্যদিকে, এই সময়টায় ধান কাটা ও আলুর চাষ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছায়। ঠিক এখন যদি বৃষ্টি নামতে শুরু করে, তাহলে মাঠে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। ফলে কৃষক মহলেও চিন্তার ছায়া গাঢ় হচ্ছে।শীতের অপেক্ষায় বহু মানুষ, কিন্তু আবহাওয়ার বর্তমান প্রবণতা বলছেএই অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হতে চলেছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
কলকাতা

কুয়াশা–ঠান্ডায় কাঁপছে কলকাতা, কিন্তু নিম্নচাপ কি আবার শীত থামাবে?

শীত একবার ঢুকেই যেন আবার পথ হারাচ্ছে বাংলায়। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদিও খানিকটা নেমেছে, তবু আবহবিদদের চোখ এখন বঙ্গোপসাগরের দিকেই। সাগরের উপর তৈরি হতে থাকা নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে দক্ষিণবঙ্গে শীতের পথ আটকে দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের প্রাথমিক পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, ফলে শীতের গতি কিছুটা শ্লথ হবে।এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে একটু কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৮ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের থেকে মাত্র আধ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবারের তুলনায় পারদ এক ঢোঁক নামলেও শীত যে ঠিক জাঁকিয়ে বসার পথে, সেটা নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের অবস্থাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্নচিহ্ন।আজ, শনিবার ভোর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কুয়াশার আস্ত চাদর। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার মাত্রা ৯০ শতাংশ ছুঁয়েছে। বেলা বাড়লে কুয়াশা কেটে রোদ উঠলেও শীতল হাওয়া এত তাড়াতাড়ি দাপট দেখাতে পারছে না। আগামী কয়েক দিনে উত্তর ও দক্ষিণ, দুই বঙ্গে মিলিয়েই আবহাওয়ার খুব বেশি পরিবর্তন হবে না বলে মত আবহবিদদের।নভেম্বর শুরু হতেই বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ স্পষ্ট। উত্তরের পার্বত্য এলাকাগুলিতে শীত তো আগেই জেঁকে বসেছে। কলকাতায় শীতের কোমল হাওয়া ফিরলেও ঠিক সেই ভাবে জমে ওঠার আগে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পূবালী বায়ু ও সাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে, আন্দামান সাগরের উপর ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল, বইছে ঝোড়ো হাওয়া। মঙ্গলবার পর্যন্ত সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তবে এই ঘূর্ণাবর্তের সরাসরি প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা কম, তবু শীতল বাতাসের পথ আটকানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলেই আবহবিদদের আশঙ্কা।সুতরাং, আচমকা কুয়াশা নেমে আসলেও, আকাশে রোদ এলেও, শীতের জাঁকজমক এখনও অনিশ্চিত। কলকাতার শীতপ্রেমীরা তাই তাকিয়ে আছে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের দিকেশেষ পর্যন্ত শীত কি সত্যিই নিজের জায়গা করে নিতে পারবে, নাকি সাগরের নিম্নচাপ আবার শীতরোদকুয়াশার খেলায় নতুন গোল বাধাবে?

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

ঘূর্ণাবর্তে আটকে শীত! কলকাতায় শীতের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও কেন ঢুকতে পারছে না উত্তুরে হাওয়া?

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই হঠাৎ করে নেমে এসেছিল শীতের ছোঁয়া। এক লাফে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৭ ডিগ্রিতে, আর শহরবাসী ভেবেছিলএবার বুঝি আগেভাগেই এসে পড়ছে শীত। কিন্তু ঘূর্ণাবর্ত আর পূবালী হাওয়ার জোড়া খাঁড়া পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দেয়। গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা ফের চড়তে শুরু করায় কলকাতায় শীতের যে আমেজ তৈরি হয়েছিল, তা একেবারে মিলিয়ে যায়।তবে বুধের সকালেই ফের খানিকটা নামল পারদ। কলকাতার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ১৮ ডিগ্রির আশপাশে। যদিও শহরবাসী শীতের হালকা ছোঁয়া পেলেও আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেনএখনই জাঁকিয়ে শীত নামার সম্ভাবনা কম। দক্ষিণবঙ্গে যে শীতল উত্তুরে হাওয়া ঢোকার কথা, সেই পথেই ফের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত। সঙ্গে পূবালী হাওয়ার টান। ফলে শীতল বায়ুর প্রবেশপথ এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৯ ডিগ্রি, বুধবার তা সামান্য নেমে ১৮ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে। তবে আগামী দুতিন দিনে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টি নেই, আকাশ একেবারে পরিষ্কারতবে তাই বলে শীত যে জমিয়ে পড়বে, তার নিশ্চয়তা নেই।এদিকে জেলায় জেলায় শীতের দাপট জোরকদমে চলছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলদার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারসব জায়গাতেই ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে সকাল। সাধারণত এই সময় যতটা ঠান্ডা থাকে, তার তুলনায় এবার একটু বেশি উষ্ণ হলেও কুয়াশার চাদরে মুড়েই শুরু হচ্ছে দিন। পাহাড়ে ঘোরার পরিকল্পনা করা পর্যটকদের জন্য আবহাওয়া আপাতত মনোরম হলেও তাপমাত্রা কবে নামবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাতে পারছেন না আবহবিদরা।সবটাই নির্ভর করছে ঘূর্ণাবর্ত কাটার ওপর। যতক্ষণ না উত্তুরে হাওয়ার পথ পুরোপুরি খুলছে, ততক্ষণ কলকাতায় শীত ঠিকমতো নামবে না। তাই শহরবাসী এখনও অপেক্ষায়কবে সেই কাঙ্ক্ষিত ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে পড়ে লেপ-কম্বল বের করার সময় আসবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

কোথায় সেই শীত? ডিসেম্বরেও রাতের তাপমাত্রা বাড়বে বাংলায়

রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ ধীরে ধীরে মিলছে ঠিকই, কিন্তু প্রত্যাশিত সেই ঠান্ডা এখনও অধরাই। ভোরের দিকে পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে নামছে। সকালের হিমেল হাওয়া আর সন্ধ্যার শিরশিরে ঠান্ডায় মানুষ গরম জামা গায়ে দিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু দিনের মাঝামাঝি রোদের তেজ এখনও বেশ ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছে। যার ফলে চেনা ডিসেম্বরের সেই কনকনে ঠান্ডা এখনও ফিরছে না বাংলায়।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এখনই জাঁকিয়ে ঠান্ডা নামবে না। বরং সংক্রান্তি পেরোলেই তাপমাত্রা আরও বাড়বে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল, যা এখন শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। এই অবস্থানের কারণেই বাংলার উপর দিয়ে বইতে থাকা উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমে যাবে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রাধান্য পাবে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ বাতাস।বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গকোথাও বড় ধরনের বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে হাওয়া দফতর। তবে ভোরবেলা কুয়াশায় ঢেকে থাকবে আকাশ। দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে বিভিন্ন জায়গায়।আলিপুর দফতরের পূর্বাভাস বলছে, সোমবার থেকেই তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতে রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গেও রাতের দিকে শীত একধাক্কায় কমে যাবে। ফলে শীতের হিমেল স্পর্শ আরও কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে।এরই মধ্যে আরেকটি নতুন সিস্টেম তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। মধ্য দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে নতুন একটি ঘূর্ণাবর্ত। আগামী ৭২ ঘণ্টায় সেটি শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই পরিস্থিতি শীতকে আরও কয়েকদিন পিছিয়ে দিতে পারে।সব মিলিয়ে, শীতের অপেক্ষায় থাকা বাঙালিরা হয়তো ডিসেম্বরের শেষ দিকেই পেতে পারেন সেই পরিচিত ঠান্ডার ছোঁয়া। আপাতত আবহাওয়া বলছেশীত আসবে, তবে একটু দেরিতে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
রাজ্য

হাওয়ার দাপটে ঠান্ডা জোরালো! বাংলায় পারদ নামছে নভেম্বরের মাঝেই

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার সামনে এল এমন তথ্য, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ এমএম ক্যালিবারের তিনটি কার্তুজযার মধ্যে দুটি তাজা এবং একটি ফাঁকা শেল। সাধারণ মানুষের হাতে এ ধরনের কার্তুজ থাকে না। সাধারণত সেনাবাহিনী বা বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত সংস্থার কাছেই এই ধরনের কার্তুজ থাকে। ফলে বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য।সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছেকার্তুজগুলি কি বিস্ফোরণের সময়ই ছিল, নাকি পরে কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাখা হয়েছে তদন্তকে ঘোলাটে করতে? ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি কার্তুজ খতিয়ে দেখছেন। সেগুলির উৎপত্তি থেকে শুরু করে ব্যবহারের সম্ভাব্য সময়সবই যাচাই হচ্ছে দ্রুতগতিতে।এদিকে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং এনআইএ তদন্ত আরও জোরদার করেছে। বিশেষত আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজের একাধিক কর্মীর উপর নজর বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ কোনও যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিস্ফোরণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ১৫ জন চিকিৎসকের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।তদন্তকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওখলা অফিসেও হানা দিয়েছেন এবং বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করেছেন। বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে ছিলেন ডঃ উমর। জানা গিয়েছে, তিনি বিভিন্ন হাওয়ালা রুটের মাধ্যমে ২২ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং তার ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী ছিল, তাও এখন তদন্তের কেন্দ্রে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। লালকেল্লার মতো সংবেদনশীল এলাকার পাশে বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক তথ্য সামনে আসায় গোটা রাজধানীতে আবারও ছড়িয়েছে উদ্বেগ।তদন্ত যত এগোচ্ছে, রহস্য ততই গভীর হচ্ছে। কার্তুজ উদ্ধার, নিখোঁজ চিকিৎসক, হাওয়ালা লেনদেনসব মিলিয়ে বিস্ফোরণের পেছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় থাকার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এখনও পাওয়া তথ্য বরফের চূড়া মাত্র। আসল সূত্র পাওয়া গেলে উঠে আসতে পারে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

শীতের আনন্দে আচমকা ব্রেক! রবিবার থেকে বাড়বে পারদ, ঘন কুয়াশায় রাজ্যের জেলাগুলিতে বিপত্তি

রাজ্যের আবহাওয়া হঠাৎই বদলে যেতে চলেছে। টানা কয়েক দিন ধরে শীতের হাওয়া আর কম তাপমাত্রার জেরে সকাল-সন্ধ্যায় জমে থাকা ঠান্ডায় সকলে শিরশিরানি টের পাচ্ছিলেন। অনেকের ঘরে ফ্যান বন্ধ, কেউ কেউ বের করে ফেলেছেন গরম জামা। শনিবার সকালেও সেই একই শীতল আমেজ। পশ্চিম দিক থেকে বাধাহীন শীতল হাওয়া বয়ে যাচ্ছে, ফলে তাপমাত্রা নেমেছে স্বাভাবিকের দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে। কিন্তু এই শীত-জমাট পরিস্থিতির শেষ হতে চলেছে খুব দ্রুতই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, রবিবার থেকেই পুরো আবহাওয়ায় শুরু হবে বড় ধরনের বদল।শনিবার পর্যন্ত যদিও বঙ্গোপসাগরে কোনও আবহাওয়াগত সিস্টেম ছিল না, তাই বৃষ্টির সম্ভাবনাও ছিল না। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টে যাবে হাওয়ার গতিপথ। রবিবার থেকে রাজ্যে ঢুকবে পূবালী বাতাস, সঙ্গে বেড়ে যাবে আর্দ্রতা। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় রবিবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে, পারদ উঠে আসবে স্বাভাবিকের কাছাকাছি। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কমে গিয়ে রাজ্যের আকাশে থাকবে জলীয় বাষ্পের আধিক্য। কুয়াশা বাড়বে উত্তর ও দক্ষিণদুই বাংলাতেই, বিশেষত ভোরবেলায় দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমে গিয়ে ২০০ মিটারে নামতে পারে। পাহাড়ি জেলা এবং উপকূলের এলাকাগুলিতে কুয়াশার দাপট আরও বেশি থাকবে, কোথাও কোথাও দেখা যেতে পারে মেঘলা আকাশও।এদিকে দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত, যার প্রভাব পড়ছে শ্রীলঙ্কার উপকূলে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকাতেও তৈরি হয়েছে আরেকটি আপার এয়ার সার্কুলেশন। এই দুটি সিস্টেম মিলেই রাজ্যের বাতাসে আর্দ্রতা বাড়াবে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।উত্তরবঙ্গে এখনই তেমন কোনও বড় পরিবর্তন নেই। সেখানে চলবে শুষ্ক ও ঠান্ডা আবহাওয়া, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। স্বাভাবিকের থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কম তাপমাত্রা নিয়েই আগামী ৬-৭ দিন বজায় থাকবে শীতের আমেজ।কলকাতায় শনিবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের প্রায় তিন ডিগ্রি নীচে। রাতের পারদ এখনো ১৭ ডিগ্রি ঘরে। তবে রবিবার থেকে শহরের তাপমাত্রা বেড়ে পৌঁছতে পারে ১৯ বা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ঘোরাফেরা করেছে ৪১ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে।অর্থাৎ, কয়েক দিন যে জোরালো শীতের আভাস মিলছিলসেটি রবিবার থেকেই নরম হতে চলেছে। শীত-হাওয়া সরলেও ভোরের কুয়াশা কিন্তু আরও ঘন হবে। ফলে সকালবেলার যাতায়াতে বাড়তে পারে সমস্যাও।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

রাত বাড়লেই কাঁপছে কলকাতা! নভেম্বরেই বাংলায় শীতের হানা, কুয়াশায় ঢাকা ভোর

বঙ্গজুড়ে নেমে এসেছে শীতের আমেজ! নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ঠান্ডার দাপট চোখে পড়ার মতো। উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের জেলা গুলিতে কয়েকদিন ধরেই সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ক্রমশ নামছে। আর এবার সেই শীতল হাওয়া এসে পৌঁছেছে রাজধানী কলকাতায়ও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, এ বছরের শীতের মরশুমে বৃহস্পতিবারই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ঠান্ডা দিন কাটাল কলকাতা।এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় তিন ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও নেমেছে ২.৬ ডিগ্রি নিচে, যা ২৮ ডিগ্রির ঘরে স্থির হয়েছে। অর্থাৎ দিন-রাতের ফারাক যতটা কমছে, ততটাই তীব্র হচ্ছে শীতের ছোঁয়া। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিনে আরও কিছুটা নামবে পারদ।নভেম্বরের শুরু থেকেই হিমেল হাওয়া ছুঁয়ে গিয়েছে গোটা বাংলা। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমসব জায়গাতেই ভোরবেলা ঠান্ডার আমেজ এখন স্পষ্ট। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে ঘন কুয়াশা, হাতে গরম চা নিয়েই শুরু হচ্ছে দিন। পার্বত্য অঞ্চলে কুয়াশার দাপট আরও বেশি।কলকাতা ও আশেপাশের জেলাতেও রাত বাড়লেই ঠান্ডা বেড়ে যাচ্ছে। সকালবেলায় রাস্তায় নেমে কুয়াশা, গায়ে হালকা উষ্ণতা জড়ানো পোশাকসব মিলিয়ে শীতের আগমন যেন আগেভাগেই ধরা দিয়েছে। আবহবিদদের মতে, এবার হয়তো নভেম্বরেই জাঁকিয়ে পড়তে পারে শীত, যা গত কয়েক বছরের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে।আপাতত রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। হাওয়া শুকনো থাকায় শীত আরও দ্রুত নামবে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে, পুরুলিয়ায় পারদ আরও নামার ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস।বাংলার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য রাজ্যেও শীতের দাপট তীব্র হচ্ছে। রাজধানী দিল্লিতে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, চণ্ডীগড় ও উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে ঠান্ডা সতর্কতা।এই নভেম্বরেই এমন ঠান্ডা? তা হলে কি এবার সত্যিই আগেভাগে নামবে শীত, আর দীর্ঘস্থায়ী হবে এই হিমেল আমেজ? কফির কাপে ধোঁয়া উঠছে, আর শহরজুড়ে উষ্ণ আলোয় ভাসছে শীতের শুরুবাংলা যেন তৈরি নতুন শীত-উৎসবের জন্য।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ ডিগ্রির নিচে পারদ, কলকাতায়ও ঠান্ডার কামড় শুরু!

অবশেষে রাজ্যে জাঁকিয়ে নামল শীত। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বাংলাজুড়ে ঠান্ডার কামড় আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা ও রাজ্যের পশ্চিম জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশা আর শীতল বাতাসে জমে উঠেছে আবহাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শীতল পশ্চিমী হাওয়ার জেরে এবার পারদ নামছে দ্রুত।রাজ্যের পশ্চিম জেলাগুলিতে যেমন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে নেমে গিয়েছে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে। সকাল-বিকেল গায়ে চাদর জড়ানোর প্রয়োজন পড়ছে অনেকেরই। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, অন্তত শনিবার পর্যন্ত শীতের এই আমেজ বজায় থাকবে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে মধ্য বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল তা ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকাতেও একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। পাশাপাশি, উত্তর তামিলনাড়ু ও সংলগ্ন অঞ্চলে আরেকটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। যদিও এই সিস্টেমগুলির প্রভাব বাংলার আবহাওয়ায় খুব একটা পড়ছে না, বরং ঠান্ডা হাওয়ার প্রবাহে আরও নামছে তাপমাত্রা।উত্তরবঙ্গের দিকেও নেমেছে হালকা কুয়াশা। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে সকালবেলায় ঘন কুয়াশার পরত দেখা যাচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাচ্ছে ভোরবেলায়। তবে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের নিচে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৫০ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। এই কারণে সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের বেলায় সূর্যের তেজ সামান্য বাড়ছে।অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য রাজ্যেও শীতের দাপট বেড়েছে। দিল্লি, রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশেও রাতের দিকে পারদ দ্রুত নামছে। তবে দক্ষিণ ভারতে, বিশেষ করে কেরল ও মাহেতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।সবমিলিয়ে, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই শীতের দাপট স্পষ্ট বাংলার আকাশে। ঠান্ডা হাওয়ার দাপটে সকালবেলায় গরম পোশাকের খোঁজ শুরু হয়ে গিয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের সর্বত্র। আবহাওয়াবিদদের মতে, এ বছর স্বাভাবিক সময়েই আসছে শীত, আর ডিসেম্বরের শুরুতেই পারদ নামতে পারে আরও নিচে।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

শীত এল অবশেষে! ১৯ ডিগ্রির নিচে কলকাতার পারদ, উত্তর-পশ্চিমের হাওয়ায় কাঁপছে বঙ্গে

অবশেষে নামল পারদ, নেমে এল কলকাতার অন্দরে শীতের ছোঁয়া। শুক্রবার সকালে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের শেষ আপডেট অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চারপাশে হালকা ঠান্ডা হাওয়া, সকালের দিকে ঘন কুয়াশা নভেম্বরের শুরুতেই যেন ডিসেম্বরের আবহ।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, শীতের দফা এখনই শেষ নয়, বরং শুরু হচ্ছে প্রকৃতির শীতল অধ্যায়। আগামী তিন থেকে চার দিনে আরও অন্তত ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে পারদ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, ফলে দিনভর আকাশ থাকবে ঝকঝকে নীল।পশ্চিমী হাওয়ার প্রভাব এখন রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া বইছে পুরোদমে। এর জেরেই রাজ্যের তাপমাত্রা একে একে নামছে ১৫ ডিগ্রির ঘরে। এদিন বাঁকুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৫ ডিগ্রিতে, শ্রীনিকেতনে ১৪.৯, পুরুলিয়ায় ১৫, কল্যাণীতে ১৫.৩, উলুবেড়িয়ায় ১৬, মেদিনীপুরে ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় ১৯.২ আর দমদমে ১৯.৪ ডিগ্রিতে থেমেছে পারদ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন ভোরবেলায় ঘন কুয়াশা ঘিরে ফেলবে কলকাতা, হাওড়া, হাবড়া ও আশপাশের অঞ্চলগুলি। তুলনায় দাপট বেশি থাকবে উপকূলের জেলাগুলিতে। তবে এই ঠান্ডা এখনও পূর্ণ শীত নয়, বরং তার প্রাক্কাল।আবহাওয়ার মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পূর্ব বাংলাদেশ ও গাল্ফ অফ মানার অঞ্চলেও রয়েছে আরও দুটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি উত্তর পাঞ্জাবে সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যদিও এই ঘূর্ণাবর্তগুলির কোনও বড় প্রভাব পড়ছে না দক্ষিণবঙ্গে, ফলে হাওয়া এখন পুরোপুরি শীতের অনুকূলে।শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ঘোরাফেরা করছে ৩৮ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পরবর্তী কয়েকদিনে শুষ্ক বাতাসের প্রভাবে ভোরের দিকে ঠান্ডা আরও প্রকট হবে।শীতপ্রেমীদের মুখে ইতিমধ্যেই হাসি ফিরেছে। শহরের দোকান-বাজারে দেখা মিলছে শীতের পোশাকের জৌলুস। সকাল-সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘ গরমের পর শহরবাসীর কাছে এই হালকা শীতই এখন এক টুকরো স্বস্তি।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নিচে! নভেম্বরেই কাঁপতে শুরু শহর

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই শীতের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে বাংলায়। হুড়মুড়িয়ে নামছে পারদ। শনিবার সকালেই কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী দুদিনে আরও নামবে তাপমাত্রা। অর্থাৎ, সপ্তাহান্তেই শহর ও জেলার মানুষ পেতে পারেন হালকা গা-ছমছমে ঠান্ডার স্বাদ।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সূত্রে খবর, পূর্ব-মধ্য ও উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ এখন শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, কর্ণাটক ও অসম সংলগ্ন এলাকাতেও রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। একই সময়ে জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে সক্রিয় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই সব আবহাওয়াগত পরিবর্তনের জেরেই ধীরে ধীরে নামছে তাপমাত্রা।শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তাপমাত্রা ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় পারদ আরও কিছুটা নামবে। রাতে এবং ভোরবেলায় ঠান্ডার অনুভূতি বাড়বে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।তবে উত্তরবঙ্গে অন্য চিত্র। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের মতো পার্বত্য জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি ও কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ে সকাল থেকে ছড়িয়ে পড়েছে কুয়াশার চাদর, ঠান্ডা হাওয়ায় কাঁপছে পাহাড়।আবহাওয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বছর বর্ষা বিদায়ের সময় থেকেই বাংলায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি। বারবার নিম্নচাপ এবং মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তায় আর্দ্রতা ছিল চরমে। ফলে এবার শীত নামতেও দেরি হচ্ছে না। তাপমাত্রার এমন হু-হু করে পতনই নাকি ইঙ্গিত দিচ্ছে আসন্ন কনকনে শীতের!গত কয়েক বছর তুলনামূলক কম শীত অনুভব করেছেন বঙ্গবাসী। তাই এবারের এই প্রারম্ভিক ঠান্ডা অনেকের মুখে হাসি এনেছে। শহরের রাস্তায় ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে ফুলহাতা জামা, সোয়েটার ও হালকা শালের ছোঁয়া। শীতবিলাসীরা এখন শুধু অপেক্ষা করছেনএবার কি সত্যিই কাঁপবে কলকাতা?

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমে ১৫ ডিগ্রি, কলকাতায় ১৯! অবশেষে ফিরছে শীতের আমেজ

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষের পথে, অথচ শীতের দেখা নেই। দিন এখনও রোদে টানছে ঘাম, সন্ধেয় হালকা গরম হাওয়া বইছে। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আর বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ একের পর এক বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল শীতের পথে। তবে অবশেষে সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস রবিবার বা সোমবার থেকেই নামবে তাপমাত্রা। রাজ্যে শুরু হবে পারদ পতনের ধারা।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের অধিকাংশ জেলাতেই আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাত ও ভোরের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে। কলকাতার পারদ নেমে আসতে পারে ১৯ ডিগ্রিতে, আর পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে (পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান) নেমে যেতে পারে ১৫১৬ ডিগ্রিতে। উত্তরের সমতলেও শীতের ছোঁয়া অনুভব করবেন মানুষজন। যদিও হাওয়া অফিস স্পষ্ট জানিয়েছে, এখনই জাকিয়ে শীত নামছে না তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।বর্তমানে পূর্ব-মধ্য ও উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত, যা অসম ও ত্রিপুরা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই দুই আবহাওয়া পরিস্থিতিই এতদিন শীতের আগমনকে বিলম্বিত করেছে।আবহাওয়া দফতর বলছে, আজ শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। আকাশ থাকবে পরিষ্কার, তবে কোথাও কোথাও আংশিক মেঘলা হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ কিছুটা হলেও বাড়বে। দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর কিছু অঞ্চলে ভোরে দেখা মিলবে হালকা কুয়াশার।কলকাতার আকাশ আজ রৌদ্রজ্জ্বল ও নির্মল। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ৩০৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে, আর সর্বনিম্ন প্রায় ২৪ ডিগ্রি। রবিবার থেকে শহরের রাতের পারদ নামতে পারে ২০ ডিগ্রির নিচে। হালকা শিরশিরানি শুরু হবে ভোর ও সকালে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৬৩ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে।দক্ষিণবঙ্গে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে সকালে হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যেতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত।উত্তরবঙ্গেও আপাতত কোনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। আগামী দুদিন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রবিবার থেকে সেখানে সামান্য পারদ পতনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উইকেন্ডে দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর মতো পার্বত্য এলাকায় কুয়াশা জমতে পারে, আর শীতের আমেজও কিছুটা বাড়বে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে রাজ্যে ঢুকছে শীতের হাওয়া। যদিও পুরোপুরি জাকিয়ে বসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত এমনটাই ইঙ্গিত আবহাওয়া দফতরের।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় নেমে এল শীতের হাওয়া! পারদ নামতেই হালকা শিরশিরে ঠান্ডা

অবশেষে শহর থেকে মেঘ সরে গিয়ে শুরু হল শুষ্ক আবহাওয়া। রাতের দিকেই হালকা ঠান্ডার অনুভূতি মিলছিল, মঙ্গলবার সকাল থেকে তা আরও স্পষ্ট। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় এক ডিগ্রি কম। এক সপ্তাহের ভ্যাপসা ভাবের পর এই সামান্য তাপমাত্রা পতনেই মিলছে আরাম।সম্প্রতি রাজ্যের উপকূল ছুঁয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় মন্থা। এরপরেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছিল নতুন নিম্নচাপ। তবে তার প্রভাব প্রধানত উপকূলেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বাতাস এখন পরিষ্কার, আবহাওয়া শুষ্ক। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ২০ ডিগ্রির নিচে নেমে গেছে। তবে হাওয়া অফিস পরিষ্কার জানিয়েছে, এখনই তেমন বড় ধরনের পারদ পতন হবে না। শীত আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।এখন নিম্নচাপ অবস্থান করছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এবং মায়ানমার উপকূলে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কাছে প্রভাব ফেলবে। ওই এলাকাগুলির সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ফলে বাংলায় এর প্রভাব সীমিতই থাকবে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর।আগামী শুক্রবার আবার আবহাওয়ায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা। জলীয় বাষ্প বাড়বে, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্য উপকূলবর্তী এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।কলকাতায় মঙ্গলবার সকালে হালকা কুয়াশার ছবি ধরা পড়েছে। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪২ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে। ধীরে ধীরে শৈত্যপ্রবাহের আভাস মিলতে শুরু করলেও এখনই মোটা গরম জামা বের করার সময় আসেনি। তবে সকালের হালকা ঠান্ডা আর সন্ধ্যার মৃদু হাওয়া শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে স্পষ্ট।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

বাতাসে আর্দ্রতা, কিন্তু শীত নামার কাউন্টডাউন শুরু, কবে নামবে পারদ

স্থলভাগে প্রবেশের পর থেকেই শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। ধীরে ধীরে রূপ বদলে তা পরিণত হয়েছে নিম্নচাপে। সেই নিম্নচাপই গত কদিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সিস্টেমটি আরও খানিকটা সরে বর্তমানে উত্তর বাংলাদেশের দিকে অবস্থান করছে।মন্থার দাপট পিছনে পড়তেই বাংলার আকাশে ফের রোদ-মেঘের লুকোচুরি। এরই মধ্যে বৃষ্টি উপহারে শেষ হল জগদ্ধাত্রী পুজোও। তবে রবিবার থেকেই মিলেছে স্বস্তির বার্তা। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমেছে অনেকটাই, বেশিরভাগ জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা হলেও দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।তবে শীতপ্রেমীদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ। নভেম্বরের প্রথম থেকেই রাজ্যে শীতের ইঙ্গিত দিচ্ছে হাওয়া অফিস। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। বিশেষত উত্তরবঙ্গে সোমবার থেকেই শুকনো হাওয়ার উপস্থিতি টের পাওয়া যাবে।কলকাতায় রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৪ ডিগ্রি। আর্দ্রতা এখনও উচ্চ, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে। সোমবার থেকে দিনভরই রোদের দেখা মিলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে এখানেই শেষ নয়। বঙ্গোপসাগরে আবারও নতুন নিম্নচাপের ইঙ্গিত রয়েছে। ফলে সপ্তাহের মাঝামাঝি উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ফের বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টি কিছুটা বেশি হতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টি বাড়তে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। শুক্রবারও দক্ষিণ উপকূলে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সব মিলিয়ে বলা যায়বৃষ্টির বিদায়বেলায় এবার ধীরে ধীরে শীতের আগমন বার্তা পাচ্ছে বাংলা। আকাশ পরিষ্কার হলেই হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডার ছোঁয়া মিলবে গোটা রাজ্যেই।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
রাজ্য

সাময়িক বিরতি নিয়ে ফের তেড়ে ফুঁড়ে ফিরছে বর্ষা! আজও পুজোর কেনাকাটা ভেস্তে দেবে বৃষ্টি?

সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা বিরতি নেবে বর্ষা। রবিবার ও সোমবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত তুলনামূলকভাবে কম হবে। তবে ছিটেফোঁটা হালকা বৃষ্টি কিছু এলাকায় হতে পারে। এই সময়ে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমও বাড়তে পারে। কিন্তু সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে আবারও বৃষ্টির মাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে। আজ কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিচ্ছিন্নভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও সর্বত্র বৃষ্টি হবে না। পরিস্থিতি তেমন গুরুতর নয়, তাই সতর্কতা জারির প্রয়োজনও পড়েনি। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে আজ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে হলুদ সতর্কতা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারের কিছু জায়গায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিও নেমে আসতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপের ভ্রুকূটি! ফের তুমুল ঝড়-জলের সতর্কতা জেলায়-জেলায়

IMD জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর-এর মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে, যা বাংলা ও ওড়িশা উপকূলে প্রবল বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত সহ হালকা থেকে মাঝারি ঝোড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘের সম্ভাবনা বাড়াবে। জেলায়-জেলায় ব্যাপক বৃষ্টিরও সম্ভাবনা বাড়ছে।ফের এক দফায় সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। IMD-এর আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে, যার ফলে সামনের ৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যদিও বর্তমান নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব নেই। তবুও বজ্রপাত-সহ বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আগামী দুই-তিন দিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই বজ্রসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বিশেষ করে কলকাতা, হুগলি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পার্শ্ববর্তী জেলার ক্ষেত্রে ঝড়-জলের সম্ভাবনা বেশি।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। আজ সপ্তাহের প্রথম দিনে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মালদা, দুই দিনাজপুরের পাশাপাশি কোচবিহারেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

আজ ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস একাধিক জেলায়, আবহাওয়ার উন্নতি কবে থেকে?

মৌসুমী অক্ষরেখা আপাতত বাংলা থেকে সরে গিয়ে ওড়িশার উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প প্রবাহিত হচ্ছে পূবালী হাওয়ায়। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই মৌসুমী অক্ষরেখা আবার বাংলার কাছাকাছি ফিরে আসতে পারে। বিশেষত মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:রবিবার ও সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশের পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা।দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি।রবিবার ও সোমবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও জলীয় বাষ্পের কারণে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অব্যাহত থাকবে।মঙ্গলবার মৌসুমী অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের কাছে এগিয়ে আসবে, ফলে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে রবিবার বিক্ষিপ্তভাবে দুএক জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে।কলকাতার আবহাওয়াশহরে সকাল থেকেই আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তি আরও বাড়বে।আকাশ বেশিরভাগ সময় পরিষ্কার থেকে আংশিক মেঘলা, তবে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।রবিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও হ্রাস পেলেও বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের মাত্রা বেশি থাকায় বৃষ্টি না হলে অস্বস্তি বাড়বে। মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ ফের বাড়বে বলে পূর্বাভাস। সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কিছুটা কম হলেও মঙ্গলবার থেকে আবার বাড়তে পারে। আর উত্তরবঙ্গে রবিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সোমবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তির দিকে যাবে আবহাওয়া।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

ঝাড়খন্ডে বৃষ্টি বাড়লেই আশঙ্কা, ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

নাগারে বৃষ্টি চলছে রাজ্য জুড়ে। গত কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে জেলায়-জেলায়। জলমগ্ন জেলাগুলি। কলকাতা বিমানবন্দরে ঢোকার রাস্তা কোমর অবধি জল দেখা গিয়েছে। এদিকে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে, তারই জেরে এই টানা দুর্যোগ। তবে এখনই এই দুর্যোগ থেকে নিস্তারের সম্ভাবনা নেই। অন্তত এমনই মনে করছে আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিনে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে।জেলায় জেলায় দফায় দফায় মাঝারি কোথাও ভারী অতিভারী বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন দশা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জেলায় নিচু এলাকা জলের তলায় চলে গিয়েছে। রাজ্যে প্রায় সব জেলাতেই এই বৃষ্টি চলছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে জল ছাড়তে শুরু করেছে জলাধারগুলিও। জল ছাড়ছে DVC। তারই জেরে জলাধার লাগোয়া জেলাগুলিতে বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। ডিভিসির জল নিয়ে প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি একদিকে ঝাড়খণ্ড এবং অন্যদিকে সিকিম এবং ভুটানেও বৃষ্টি চলছে। ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টির জেরেও এরাজ্যের পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বানভাসি হতে পারে একাধিক জেলা। অন্যদিকে সিকিম, ভুটানের টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। চলতি বর্ষায় এই প্রথম এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গ। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই শহর কলকাতার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় নিচু এলাকাগুলিতে জল জমেছে। কোথাও কোথাও পাম্প বসিয়ে জল বের করতে দেখা যাচ্ছে পুরসভাগুলিকে। জল সরাতে নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও পাম্প ব্যবহার করতে হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের যা পূর্বাভাস তাতে করে শীঘ্রই এই দুর্যোগ থেকে মুক্তির সম্ভাবনা নেই।তবে বৃষ্টি এভাবে চলতেই থাকলে বড়সড় বিপদের আশঙ্কা বাড়ছে। একটানা এই দুর্যোগের শেষ কবে? সেব্যাপারে এখনও পর্যন্ত যুৎসই কোনও উত্তর দেয়নি হাওয়া অফিস। আপাতত এই সপ্তাহের পুরো সময়টাতেই রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির এই দাপট জারি থাকবে। তবে ঝাড়খন্ডে বৃষ্টি বাড়লেই দক্ষিণবঙ্গে আশঙ্কা বাড়বে।

আগস্ট ০৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকার ভোটে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জয়জয়কার! লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র হলেন কেরলের নিত্যা

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল রিপাবলিকান শিবির। কংগ্রেসের দুই কক্ষ, সেনেট এবং হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল। অন্য দিকে, বিভিন্ন জায়গায় জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। এই নির্বাচনে বিশেষ ভাবে নজর কেড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিকেরা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম কেরলে জন্ম নেওয়া নিত্যা রমন। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি। এই জয়ের ফলে শহরটির প্রথম এশীয়-আমেরিকান মেয়র হলেন নিত্যা। প্রতিদ্বন্দ্বী কারেন বাসকে হারিয়ে ৫১.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। বাস পেয়েছেন ৪৮.৩৩ শতাংশ।এই নির্বাচনে শুধু নিত্যাই নন, জয় পেয়েছেন আরও কয়েক জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অরুণা মিলার। ১৯৬৪ সালের ৬ নভেম্বর হায়দরাবাদে জন্ম তাঁর। মাত্র সাত বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে আমেরিকায় চলে যান অরুণা। পরে মিসৌরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে স্নাতক হওয়ার পর দীর্ঘ দিন সরকারি চাকরি করেন তিনি। পরে রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০১০ সালে মেরিল্যান্ডের আইনসভায় নির্বাচিত হন অরুণা। ২০২২ সালে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিসাবে মেরিল্যান্ডের লেফটেন্যান্ট গভর্নর হন তিনি। এ বারও নির্বাচনে জয় পেয়েছেন অরুণা।এ বারের নির্বাচনে আরও এক নতুন মুখ পিয়া ডান্ডিয়া। ফ্লোরিডার ২২ নম্বর কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। প্রায় ৫১.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন পিয়া। পেশায় শিক্ষাবিদ এই ডেমোক্র্যাট নেত্রী ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টিতে জন্মগ্রহণ করেন। কর্মজীবনের শুরুতে শিক্ষকতা করতেন তিনি। পরে নিউ ইয়র্কের হারলেম এলাকার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হন। এই জয়ের ফলে ওই কেন্দ্র থেকে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রতিনিধি হিসাবে মার্কিন কংগ্রেসে জায়গা করে নিলেন পিয়া।আমেরিকার রাজনীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের এই সাফল্য নতুন করে নজর কেড়েছে। চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী কিংবা শিক্ষাবিদ নানা পেশা থেকে উঠে এসে রাজনীতির ময়দানে নিজেদের জায়গা তৈরি করছেন তাঁরা। জন্ম বা বেড়ে ওঠা আমেরিকায় হলেও তাঁদের শিকড় জড়িয়ে রয়েছে ভারতের সঙ্গে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

২০২১ সালে বেকসুর খালাস, পরে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত! তেজপালের সাজা নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় আপাতত কোনও স্বস্তি পেলেন না তেহেলকা পত্রিকার প্রাক্তন প্রধান সম্পাদক তরুণ তেজপাল। তাঁর ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা স্থগিত করতে রাজি হল না সুপ্রিম কোর্ট। ফলে সাজা ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিরুদ্ধে তাঁর আবেদন বিচারাধীন থাকলেও আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। বম্বে হাই কোর্টের ৬ অগস্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন তেজপাল।২০১৩ সালে নিজের এক জুনিয়র সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তেজপালের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে নিম্ন আদালত তাঁকে এই মামলায় বেকসুর খালাস করেছিল। কিন্তু সেই রায় খারিজ করে বম্বে হাই কোর্ট তাঁকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেয়।হাই কোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তেজপাল। তাঁর আবেদন ছিল, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাজা স্থগিত রাখা হোক। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই আর্জিতে সাড়া দেয়নি শীর্ষ আদালত। ফলে ধর্ষণ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা আপাতত বহাল থাকল।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

বোমাতঙ্ক বম্বে হাই কোর্টে! নিশানায় অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’ও, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল পুলিশ?

বম্বে হাই কোর্টে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানোকে কেন্দ্র করে শুক্রবার মুম্বইয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল। ওই ইমেলে আদালত চত্বর, মহালক্ষ্মী রেসকোর্স এবং বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের বাংলো জলসায় হামলার আশঙ্কার কথা জানানো হয়। খবর পেয়েই তিনটি জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে কোথাও সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।এই হুমকি ইমেলটি কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইমেল পাঠানোর পিছনে কারা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও বিপজ্জনক বস্তু বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।এর আগে গত ২ নভেম্বর, সোমবার মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলা ও দায়রা আদালতেও বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়েছিল। আদালত চত্বরে বিস্ফোরণ ঘটানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। সেই খবর পাওয়ার পরেই সংশ্লিষ্ট আদালতগুলিতে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।বোমা শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়কারী দলও তল্লাশিতে অংশ নেয়। তবে দীর্ঘক্ষণ ধরে পরীক্ষা চালানোর পরেও কোথাও সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। পর পর আদালতে বোমা হামলার হুমকি এবং এ বার বম্বে হাই কোর্টের পাশাপাশি অমিতাভ বচ্চনের বাড়ির নাম উঠে আসায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন হকি অধিনায়কের বাড়িতে চুরি! নগদ-গয়নার সঙ্গে উধাও ১৯৮০ সালের অলিম্পিকের সোনার পদক

নগদ টাকা, সোনা-রুপোর গয়না তো ছিলই। এ বার চোরেদের হাত থেকে রেহাই পেল না অলিম্পিকের সোনার পদকও! প্রাক্তন ভারতীয় হকি অধিনায়ক এম এম সোমায়ার বাড়িতে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে ভারতীয় দলের জেতা সোনার পদক-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পদক চুরি গিয়েছে। পাশাপাশি নগদ টাকা এবং মূল্যবান গয়নাও নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও ধরা পড়েনি অভিযুক্তেরা। উদ্ধার হয়নি চুরি যাওয়া সামগ্রীও।বেঙ্গালুরুর হ্যাল থার্ড স্টেজ এলাকায় থাকেন সোমায়া। এলাকাটি ইন্দিরানগর থানার অধীনে। গত ২৮ অক্টোবর রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। সেই সময় পরিবারের সঙ্গে কোডাগুতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন হকি তারকা। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে চোরেরা সেখানে ঢুকে পড়ে। পরে প্রতিবেশীরা বাড়ির দরজা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। তাঁরাই ফোন করে সোমায়াকে বিষয়টি জানান। এর পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।পুলিশ সূত্রে খবর, চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে পাওয়া সোনার পদক। এ ছাড়াও ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে পাওয়া রুপোর পদক এবং ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমস ও ১৯৮২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ব্রোঞ্জ পদকও চুরি গিয়েছে। অর্থাৎ, সোমায়ার দীর্ঘ ক্রীড়াজীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক এখন চোরেদের হাতে।এ ছাড়া বাড়ি থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা, সোনা ও রুপোর গয়নাও নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা।ঘটনার তদন্তে এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নজরদারি ক্যামেরার ছবি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সোমায়ার বাড়ির উল্টো দিকের একটি বাড়ির ক্যামেরায় দুজন সন্দেহভাজনের ছবি ধরা পড়েছে। ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ২৮ অক্টোবর রাত ২টো ৩৪ মিনিট নাগাদ ওই দুজন সোমায়ার বাড়িতে ঢুকেছিল। একজনের পরনে ছিল নীল রঙের জামা, অন্য জনের লাল।অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া সমস্ত সামগ্রী উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন সোমায়া। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্তের জন্য দুটি বিশেষ দল তৈরি করেছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৩১(৪) এবং ৩০৫ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।ভারতীয় হকির ইতিহাসে পরিচিত নাম এম এম সোমায়া। দীর্ঘ দিন দলের হাফ ব্যাক হিসেবে খেলেছেন তিনি। তিনটি অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভারতীয় দলের অধিনায়কত্বও সামলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৮৮ সালে নাইরোবিতে পুজো কাপ জেতে ভারত। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৯৮৫ সালে তাঁকে অর্জুন পুরস্কার দেওয়া হয়।দেশের হয়ে অলিম্পিকে সোনা জেতা এক ক্রীড়াবিদের বাড়ি থেকে সেই পদকই চুরি যাওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন ক্রীড়ামহল। যে পদক এক সময় দেশের সাফল্যের স্মারক ছিল, সেটি এখন কোথায়, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

প্রথমে স্ত্রীকে খুন, পরের দিন পার্টির নামে বাড়িতে ডেকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড! কীভাবে সামনে এল ঘটনা?

স্ত্রীর বাপের বাড়ি যাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের অশান্তি। সেই রাগ থেকেই স্ত্রী-সহ তাঁর পরিবারের সাতজনকে খুনের অভিযোগ উঠল এক গাড়িচালকের বিরুদ্ধে। বেঙ্গালুরুতে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাত বছরের এক শিশুও। অভিযুক্তের নাম ইন্দুশেখর। দুদিন ধরে পরিকল্পনা করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে নিজের স্ত্রী সুনীতাকে খুন করেন ইন্দুশেখর। তার পর তাঁর দেহ কাপড়ে মুড়ে নন্দী পাহাড়ের কাছে ফেলে আসেন। স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি যাতে কারও সন্দেহ না হয়, তার জন্য তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন অভিযুক্ত। প্রতিবেশীদের জানান, স্ত্রী বেড়াতে গিয়েছেন।এর পরের দিন আরও ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। দুই শ্যালক শিবকুমার ও শঙ্করকে নিজের বাড়িতে পার্টির জন্য আমন্ত্রণ জানান ইন্দুশেখর। তাঁরা স্ত্রীদের নিয়ে বাড়িতে আসেন। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালান অভিযুক্ত। একে একে খুন করা হয় দুই শ্যালক, তাঁদের স্ত্রী দিব্যা ও নলিনী, শাশুড়ি রূপবতী এবং শিবকুমারের সাত বছরের ছেলে পুনীতকে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শ্যালক ও শাশুড়ির সঙ্গে সুনীতার ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া সাহায্য পছন্দ করতেন না ইন্দুশেখর। এই বিষয়টি নিয়েই তাঁর মনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমেছিল। সেই আক্রোশ থেকেই পরিবারের সকলকে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্ত্রী সুনীতাকে শিলবাটার পাথর দিয়ে আঘাত করে খুন করেন অভিযুক্ত। পরে সেই একই পাথর ব্যবহার করে শ্যালক ও পরিবারের অন্য সদস্যদেরও খুন করা হয় বলে অভিযোগ। হত্যাকাণ্ডের পর বাড়ির রক্তের দাগ মুছে ফেলতে রাসায়নিক ব্যবহার করেন তিনি। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হয়েছিল বলে মনে করছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার নলিনীর মা শ্রীরামপুরা থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় ইন্দুশেখরকে।অভিযুক্তের ব্যবহৃত গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ওই গাড়িতে করেই দেহগুলি অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। খুনে ব্যবহৃত শিলবাটার পাথরও উদ্ধার করা হয়েছে।এ দিকে নন্দী পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে সাত বছরের শিশু পুনীতের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সেটিই প্রথম উদ্ধার হওয়া দেহ বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, জেরায় ইন্দুশেখর সাতজনকে খুনের কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁর সমস্ত দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাকি দেহগুলির খোঁজেও তল্লাশি চলছে।এই হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ সাহায্য করেছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এমনকি অভিযুক্তের মেয়ের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। পাশাপাশি, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় একটি বাড়িতে এতগুলি হত্যাকাণ্ড ঘটলেও প্রতিবেশীরা কেন কিছু বুঝতে পারলেন না, তা নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক অশান্তি থেকে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আপাতত অভিযুক্তের বয়ান, উদ্ধার হওয়া তথ্যপ্রমাণ এবং নিখোঁজদের খোঁজের উপরেই নির্ভর করছে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৮ বছরের অপেক্ষা শেষ করতে মরিয়া ভারত! নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামছেন বুমরাহ-জাদেজা, পন্থকে নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে শেষ বার টেস্ট সিরিজ জিতেছিল ভারত ২০০৮-০৯ মরসুমে। তার পর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ১৮ বছর। এ বার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে মরিয়া ভারতীয় দল। আসন্ন টেস্ট সিরিজের জন্য প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাই চোটের ঝুঁকি থাকলেও দলের প্রথম সারির ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি ম্যাচে নামানো হচ্ছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়েও এই সিরিজ ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ইতিমধ্যেই নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে দুটি চার দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছেন ভারতীয় টেস্ট দলের কয়েক জন নিয়মিত ক্রিকেটার। এ বার সেই প্রস্তুতি ম্যাচের তৃতীয়টিতে খেলতে নামবেন জসপ্রীত বুমরাহ ও রবীন্দ্র জাডেজা। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা এই ম্যাচের জন্য ভারত এ দলে যোগ দিয়েছেন দুজনেই। তাঁদের সঙ্গে দলে রয়েছেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণও।দীর্ঘ দিন মাঠের বাইরে থাকার পর ম্যাচের ছন্দ ফিরে পেতেই বুমরাহ ও জাডেজাকে এই ম্যাচে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টেস্ট সিরিজের আগে দুজনের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি বলে মনে করছে ভারতীয় শিবির। অন্য দিকে, চোটের কারণে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজে খেলতে পারবেন না প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তাই তিনিও এই প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।তবে ভারতীয় শিবিরে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে। তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও খেলতে পারছেন না ঋষভ পন্থ। এখনও পুরোপুরি চোটমুক্ত হতে পারেননি ভারতীয় দলের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। বর্তমানে তিনি রয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে। তাঁর পরিবর্তে ভারত এ দলে জায়গা পেয়েছেন তিলক বর্মা।শেষ বার অগস্ট মাসে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিলেন পন্থ। সেই ম্যাচেই তাঁর পাঁজরের পাশের পেশিতে চোট লাগে। নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচেই পন্থের খেলার কথা ছিল। কিন্তু চোটের কারণে প্রথম দুটি ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। তৃতীয় ম্যাচ থেকেও ছিটকে গেলেন।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলা প্রথম টেস্টের আগে পন্থ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন কি না। তাঁকে নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ভারতীয় শিবির। শুধু চোট সারলেই হবে না, নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ ও পিচের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্যও কিছুটা সময় প্রয়োজন। প্রথম টেস্টের আগে কতটা ম্যাচ অনুশীলন করতে পারবেন পন্থ, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চাইছে ভারত। সেই লক্ষ্যেই বুমরাহ, জাডেজাদের প্রস্তুতি ম্যাচে নামানো হচ্ছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে পন্থের চোট কতটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

এসআইআর বিতর্কের মাঝেই নির্বাচন কমিশনে বড় রদবদল! সীমা খন্নার ক্ষমতায় কাটছাঁট, নয়া নির্দেশ জারি

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ফের বড় পরিবর্তন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টনে নতুন নির্দেশ জারি হয়েছে। এ বার থেকে কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার অধীনে থাকা বিভিন্ন বিভাগের ফাইল সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পবন কুমার শর্মার মাধ্যমে পাঠাতে হবে। গত ৪ নভেম্বর এই সংক্রান্ত নতুন নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের সময় বার বার উঠে এসেছিল সীমা খান্নার নাম। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কমিশনের কাজে তিনি অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করছেন। এমনকি ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ক্ষমতা কমিয়ে দিল্লি থেকে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে নতুন নির্দেশ ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। অনেকের প্রশ্ন, তবে কি সীমা খান্নার ক্ষমতা কিছুটা কমানো হল?যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশের ফলে সীমা খান্নার পদমর্যাদা বা রিপোর্ট করার নিয়মে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। কমিশনের এক আধিকারিকের বক্তব্য, সীমা খান্না আগেও ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পর্যায়ের আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট করতেন। এখনও সেই ব্যবস্থাই থাকছে। কমিশনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই নতুন করে কাজের দায়িত্ব ভাগ করা হয়েছে।কেন বার বার বিতর্কে নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টন? গত কয়েক মাস ধরে এই বিষয়টি নিয়ে কমিশনের অন্দরেই মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে খবর। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ছাড়াও কমিশনের অন্য দুই সদস্য বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিং সান্ধু কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে কাজের দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত একটি নির্দেশও ছিল।এর আগে চলতি বছরের ২৮ জুলাই কাজের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন নির্দেশ জারি হয়েছিল। সেই নির্দেশে তৎকালীন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমারের কাছ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব সরিয়ে সীমা খান্নার হাতে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে তিনি সরাসরি রিপোর্ট করার সুযোগ পান। কিন্তু এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানান কমিশনের দুই সদস্য।নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ডেপুটেশনে থাকা অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এক আইএএস আধিকারিক ওই নির্দেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি কার্যকর হয়নি। ২৯ জুলাই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দুই নির্বাচন কমিশনার আলাদা ভাবে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দেন। পরের দিন, অর্থাৎ ৩০ জুলাই, তাঁদের যৌথ নির্দেশের পর ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি বলে জানিয়েছে কমিশন।এ দিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পর ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য নতুন উদ্যোগের কথাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যাঁদের নাম এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকায় ওঠেনি এবং যাঁরা নতুন করে ভোট দেওয়ার যোগ্য হয়েছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন প্রক্রিয়া চালু করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন ভোটারদের নাম তোলা এবং ভোটার তালিকায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে।কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। ওই তালিকা নিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর শেষ দিন ১২ ডিসেম্বর। জমা পড়া দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হবে ২০২৭ সালের ১৬ জানুয়ারির মধ্যে। তার পর ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। এই নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর অভিযোগেও উঠে এসেছিল সীমা খান্নার নাম।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৭ মে-র নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর প্রক্রিয়া বহাল রেখেছে। ফলে এক দিকে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ এগোচ্ছে, অন্য দিকে কমিশনের অন্দরে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন নির্দেশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভায় এখনই ভোট নয়! হাই কোর্টের নির্দেশে বড় ধাক্কা, কবে হবে নির্বাচন?

কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের সাতটি পুরসভায় এখনই হচ্ছে না নির্বাচন। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তে পুরভোট নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।শুক্রবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরসভাগুলির নির্বাচন নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না। অর্থাৎ, আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আইনি জট কাটাতে হবে। তার পরেই ভোটের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর থেকেই বিভিন্ন পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু করে সরকার। কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে ওয়ার্ডের সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিল বিরোধী দলগুলি। তাদের আপত্তি শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়ায়।পুজোর ছুটির মধ্যে মামলা দায়ের হওয়ায় বিষয়টি হাই কোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে ওঠে। শুক্রবার সেই মামলার শুনানির পর আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের মামলা মিটে যাওয়ার আগে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যাবে না। ফলে নভেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচন হতে পারে বলে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের একাধিক পুরসভা ও পুরনিগমে নির্বাচন হয়নি। কোথাও পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে, কোথাও আবার পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ার পর প্রশাসকেরা দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন নাগরিক পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দ্রুত নির্বাচন করানোর পক্ষে সওয়াল করে আসছিল রাজ্য সরকারও।আদালতের নির্দেশের পর এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশের পর এ বিষয়ে তাঁদের কিছু বলার থাকতে পারে না। তবে দীর্ঘদিন ভোট না হলে সাধারণ মানুষকেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর কলকাতা, হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আপাতত ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal