• ৫ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

War

বিদেশ

আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের! সত্যিই কি পিছু হটল শক্তিশালী রণতরী

আরব সাগর ও ওমান সাগর সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। তবে সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, যুদ্ধজাহাজটি এখনও স্বাভাবিক ভাবেই অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবিভাগ জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীতে আঘাত করেছে। তাদের দাবি, সেই আঘাতে যুদ্ধজাহাজটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং উপসাগরীয় এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।ইরানের তরফে আরও বলা হয়েছে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে একটি নির্ভুল সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। ইরানের সমুদ্রসীমা থেকে প্রায় তিনশো চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ওমান সাগরে এই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর আমেরিকার ওই যুদ্ধজাহাজ ও তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য জাহাজ দ্রুত গতিতে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগেও ইরান দাবি করেছিল যে তারা এই যুদ্ধজাহাজে আঘাত করেছে। কিন্তু তখন মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছিল, সেই ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধজাহাজের কাছেও পৌঁছতে পারেনি।ইরানের এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পরই যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি খারিজ করে দেয়। মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে যুদ্ধজাহাজের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, ওই রণতরী এবং তার সঙ্গে থাকা নৌবহর এখনও সমুদ্র থেকে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।এই উত্তেজনার মধ্যেই সমুদ্রে আরও একটি ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীর খুব কাছাকাছি চলে আসে। তখন মার্কিন বাহিনী গুলি চালায় বলে জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ বড় আকারের কামান ব্যবহার করে ওই ইরানি জাহাজের দিকে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। তবে ঠিক কোন জাহাজ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। গুলিগুলি সতর্কবার্তা হিসেবে ছোড়া হয়েছিল কি না, সেটাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই গুলি একাধিকবার ইরানি জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও কোনওটিই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ইরানের ওই জাহাজটির বর্তমান অবস্থাও এখনও পরিষ্কার নয়।পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সামরিক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সেখানে একাধিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ বিমান অভিযান শুরু হওয়ার পর দুটি বড় বিমানবাহী রণতরী ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।এই মুহূর্তে অঞ্চলে আমেরিকার দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে। তাদের সঙ্গে একাধিক বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজও কাজ করছে। এর মধ্যে কয়েকটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজও রয়েছে, যেগুলি ওই সমুদ্র এলাকায় নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযান পরিচালনায় অংশ নিচ্ছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
বিদেশ

শ্রীলঙ্কার কাছে ডুবল ইরানের যুদ্ধজাহাজ! মার্কিন সাবমেরিনের হামলার অভিযোগে তীব্র হুঁশিয়ারি তেহরানের

শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগাছি আমেরিকার বিরুদ্ধে সরাসরি সাবমেরিন হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই ঘটনার জন্য আমেরিকাকে কঠিন মূল্য দিতে হবে।ইরানের নৌবাহিনীর ফ্রিগেট IRIS Dena চার মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার গলের দক্ষিণে প্রায় চল্লিশ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে যায়। জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল বলে দাবি তেহরানের। প্রায় একশো তিরিশ জন নাবিক জাহাজে ছিলেন। জাহাজটি ভারতীয় নৌবাহিনীর অতিথি হিসাবেও এসেছিল বলে জানানো হয়েছে।শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী সূত্রে খবর, ভোর পাঁচটা আট থেকে সাড়ে পাঁচটার মধ্যে বিপদ সংকেত আসে। জলের নীচে ভয়াবহ বিস্ফোরণে জাহাজের তলায় বড় ফাটল তৈরি হয় এবং দ্রুত জল ঢুকতে শুরু করে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই জাহাজটি রাডার থেকে হারিয়ে যায় এবং ডুবে যায়। ঘটনাকে সাবমেরিন থেকে টর্পেডো হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে।আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth জানিয়েছেন, একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকেই টর্পেডো ছোড়া হয়েছিল। তবে কেন এই হামলা, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।উদ্ধারকারীরা গল হাসপাতালে সাতাশি জনের দেহ নিয়ে আসেন। বত্রিশ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় ষাট জন এখনও নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। জাহাজে মোট প্রায় একশো আশি জন ছিলেন বলে অনুমান। শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনী জরুরি উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নৌবাহিনীর মুখপাত্র কমান্ডার বুদ্ধিকা সম্পথ জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় হলেও বিপদ সংকেত পেয়ে দ্রুত সাহায্য করা হয়।ডুবে যাওয়া যুদ্ধজাহাজটি সম্প্রতি ভারতের আয়োজিত মিলান দুই হাজার ছাব্বিশ নৌ-মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। বঙ্গোপসাগরে আয়োজিত এই মহড়া আঠারো থেকে পঁচিশ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল। ভারতীয় নৌবাহিনী বিশাখাপত্তনমে জাহাজটিকে স্বাগত জানিয়েছিল এবং ভারত-ইরানের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছিল।এই ঘটনা ঘটল এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত তীব্র হয়েছে। তবে জাহাজটি ডুবেছে উপসাগর থেকে বহু দূরে, ভারত মহাসাগরের গভীর জলে। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, এই ঘটনা সংঘাতকে নতুন দিকে ছড়িয়ে দিতে পারে এবং ভারতের সামুদ্রিক অঞ্চলেও তার প্রভাব পড়তে পারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই নৌ-হামলা ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার জবাব দেওয়া হবে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে একাধিক দেশ।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আতঙ্কে নদিয়ায় তেলের হাহাকার! পাম্পে লম্বা লাইন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না ডিজেল

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তেই নদিয়ায় পেট্রোল পাম্পগুলিতে দেখা গেল অস্বাভাবিক ভিড়। কোথাও লম্বা লাইন, কোথাও আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না ডিজেল। অনেকেই তিন থেকে চারটি পাম্প ঘুরেও তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ।পাম্পের সামনে সারি সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে। মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, যদি দেশে তেল সংকট তৈরি হয়, তা হলে আগে থেকেই মজুত করে রাখা ভাল। এই ভেবেই প্রয়োজনের বেশি তেল কিনতে ভিড় করছেন বহু মানুষ।একজন ক্রেতা জানান, যুদ্ধের কারণে ডিজেল পাওয়া যাবে না এমন খবর শুনেই তিনি তেল কিনতে এসেছেন। তাঁর চাষের কাজ রয়েছে। ধান চাষের জন্য ডিজেল দরকার। প্রায় চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তিনি ডিজেল পাননি বলে জানান।পেট্রোল পাম্পের এক কর্মী বলেন, গত দুদিনে হঠাৎ করে ডিজেলের বিক্রি অনেক বেড়ে গিয়েছে। ফলে ডিজেল শেষ হয়ে গিয়েছে। আপাতত ডিজেল দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। পেট্রোল এখনও পাওয়া যাচ্ছে, তবে তারও চাহিদা অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে। আগে কোনওদিন এত বিক্রি হয়নি বলেই দাবি তাঁর।এই পরিস্থিতিতে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে ঠিকই, কিন্তু ভারতে তেলের কোনও ঘাটতি নেই। কিছু জায়গায় আতঙ্কের কারণে মানুষ অকারণে তেল মজুত করছেন। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। তিনি বলেন, ভারতের কাছে পর্যাপ্ত পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল রয়েছে। যুদ্ধপথ এড়িয়ে তেল আনার ব্যবস্থাও খোলা আছে। গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের কৃষ্ণনগর জেলা যুব সভাপতি অয়ন দত্ত বলেন, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে দেশের কাছে প্রায় পঁচিশ দিনের তেল মজুত রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্যাস ও তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থেকেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সেই কারণেই এই ভিড় ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে গুজব, যুদ্ধের খবর এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে নদিয়ায় তেলের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে বারবার জানানো হচ্ছে, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। তবু পাম্পের সামনে লম্বা লাইন এখনও কমেনি।

মার্চ ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে সুবিধা করে দিতেই ইজরায়েল হামলা চালায় ইরানের ওপর! আজব দাবি পাকিস্তানের

ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। ইরানের সঙ্গে প্রায় নয়শো কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ইরানে চলা সশস্ত্র সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে জায়নিস্ট চক্রান্ত। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধের লক্ষ্য পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করা।সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি বলেন, উনিশশো আটচল্লিশ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যত বড় সংঘাত হয়েছে, তার পিছনে সরাসরি বা পরোক্ষে জায়নিস্ট মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জায়নিস্ট শক্তিই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অর্থনীতির দিশা ঠিক করছে এবং বড় শক্তিগুলিকেও প্রভাবিত করছে।ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলতি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আসিফের দাবি, তেহরান আলোচনায় রাজি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এই যুদ্ধ পরিকল্পিতভাবে শুরু করা হয়েছে, যাতে ইজরায়েলের প্রভাব পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, যদি ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হয়, তা হলে ভারত, আফগানিস্তান ও ইরান একযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। এতে দেশের সীমান্ত চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘেরা হয়ে পড়বে এবং পাকিস্তান কার্যত দাস রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে দাবি তাঁর।তিনি পাকিস্তানের প্রায় পঁচিশ কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এই চক্রান্ত বোঝার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম প্রধান দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন তিনি। পাকিস্তান যে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি উনিশশো আটানব্বই সালে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভূমিকাও উল্লেখ করেন।এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। হামলায় ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একাধিক দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের চারদিক থেকে ঘেরা অবস্থায় দেখানোর চেষ্টা করে। কখনও বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ভারতের যোগের অভিযোগ, কখনও আফগান তালিবানকে ভারতের মদতপুষ্ট বলা এই অবস্থান নতুন নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খোয়াজা আসিফের মন্তব্য সেই পুরনো অবস্থানকেই আরও জোরালো করল বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

কাবুল কাঁপাল বোমা ও গুলির শব্দ! পাক যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি তালিবানের

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহের মধ্যেই পাক-আফগান সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। চতুর্থ দিনে পড়ল দুই দেশের এই লড়াই। রবিবার ভোরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তালিবান সরকারের অভিযোগ, মধ্য কাবুলের একাধিক এলাকায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ করেছে। পালটা জবাব দিয়েছে তালিবানও। শুরু হয়েছে গুলির লড়াই।সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আলো ফোটার আগেই কাবুলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। এখনও পর্যন্ত হতাহতের নির্দিষ্ট খবর মেলেনি। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান আবারও রাজধানীতে বিমান হামলার চেষ্টা করেছে। তবে আফগানিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলে তিনি জানান। কাবুলবাসীদের আতঙ্কিত না হওয়ারও আবেদন করেন তিনি।এর আগে গত রবিবার পাকিস্তানের হামলার পালটা দিতে বৃহস্পতিবার রাতে আফগান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে আক্রমণ চালায় বলে দাবি করা হয়েছে। তালিবান প্রশাসনের বক্তব্য, পাকিস্তানের অন্তত বারোটি সামরিক পোস্ট তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং পাকিস্তানের বহু সেনা নিহত হয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চিতকরণ মেলেনি। শুক্রবার পাকিস্তানও আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় হামলা চালায়। রবিবারও সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।তালিবান আরও দাবি করেছে, জালালাবাদ এলাকায় একটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। এমনকি এক পাক বায়ুসেনা কর্মকর্তাকে বন্দি করার কথাও জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। দুই দেশের এই সংঘাত বৃহত্তর অঞ্চলের স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ না থামালে বাঁচতেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

আবার অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করার পর এবার তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাত যদি তিনি থামাতে উদ্যোগী না হতেন, তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকতেন না। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তান অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল।ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটলে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর কথায়, তিনি মধ্যস্থতা না করলে ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটতে পারত। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প সংখ্যার উল্লেখে বিভ্রান্তি তৈরি করেছেন। আসলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারত।অপারেশন সিঁদুর নিয়ে এর আগেও একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। এক সময় ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁর মন্তব্যে পাকিস্তানপন্থী সুর শোনা গিয়েছিল বলে সমালোচনা হয়। তবে ভারত নিজের অবস্থানে অনড় থেকে জানিয়ে দেয়, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামাতে তৃতীয় কোনও দেশের ভূমিকা ছিল না এবং পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষ থেমেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি ঘটার পর ট্রাম্পের বক্তব্যে আবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার অসুস্থ শরদ পওয়ার, চিন্তায় পরিবার ও সমর্থকরা

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিক শরদ পওয়ার আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রবিবার দ্রুত পুণের রুবি হল ক্লিনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত সপ্তাহেও একই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।শরদ পওয়ারের মেয়ে ও বারামতীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানিয়েছেন, সর্দি, কাশি ও গলার সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।এর আগেও একটানা কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রবীণ এই নেতাকে। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। কয়েক দিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন এবং বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুণেতে নিজের বাড়িতে বিশ্রামে থাকলেও রবিবার আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যেও রয়েছেন শরদ পওয়ার। পারিবারিক শোক ও শারীরিক অসুস্থতার জেরে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিও সীমিত রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
বিদেশ

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন ধাক্কা, ট্রাম্প সরকারের পরিকল্পনা বদল

শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক শুল্ক প্রস্তাব বাতিল করে দিয়েছে। রায় ঘোষণার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ভুল এবং তিনি অন্য উপায়ে বাণিজ্য নীতি তৈরি করবেন। তিনি আরও ঘোষণা করেছেন যে বিকল্প হিসেবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের একটি নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করবেন।ট্রাম্প রায়কে অত্যন্ত হতাশাজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের স্বার্থে যা সঠিক তা করার সাহস আদালতের নেই। তিনি অভিযোগ করেছেন, বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন দেশ আমেরিকার টাকা লুঠ করে আনন্দ করছে, কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হবে না। তিনি আরও দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট কোনও বিদেশি স্বার্থ বা রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এই রায় দিয়েছে।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি নতুন আন্তর্জাতিক শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার সেই নীতি বাতিল করে আন্তর্জাতিক আমদানি শুল্ককে বেআইনি ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে নয় বিচারপতির বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেন। রায় অনুযায়ী, ট্রাম্প সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও আমদানিকারীদের অর্থ ফেরত দিতে হতে পারে।প্রধান বিচারপতি রবার্টস বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একা এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেয় না।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
দেশ

গুরুদ্বার থেকে বেরোনোর সময়ই হামলা! পাঞ্জাবে প্রকাশ্য শুটআউট

এ যেন সিনেমার দৃশ্যকেও হার মানায়। শুক্রবার সকালে পাঞ্জাবের জলন্ধরের মডেল টাউন এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিতে খুন হলেন আম আদমি পার্টির নেতা লাকি ওবেরয়। গুরুদ্বারের বাইরে এই ভয়াবহ শুটআউটের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে লাকি ওবেরয় গুরুদ্বারে প্রার্থনা করতে গিয়েছিলেন। প্রার্থনা সেরে বেরিয়ে এসে তিনি নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়ি পার্ক করেন। সেই সময়ই আচমকা সামনে থাকা একটি বাইক থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো শুরু হয়। একের পর এক মোট পাঁচটি গুলি লাগে লাকি ওবেরয়ের শরীরে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।স্থানীয়রা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, গুলিগুলি শরীরের এমন জায়গায় লাগে যে সেগুলি বের করা প্রায় অসম্ভব ছিল।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জলন্ধর পুলিশের একটি দল। তবে ততক্ষণে আততায়ীরা বাইকে চেপে পালিয়ে যায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই খুন পূর্বপরিকল্পিত। জলন্ধরের ডিএসপি মনপ্রীত সিং জানিয়েছেন, গুরুদ্বার থেকে বেরোনোর সময়ই লাকি ওবেরয়কে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।প্রকাশ্য দিবালোকে, জনবহুল এলাকায় এমন ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী দলনেতা প্রতাপ সিং বাজওয়া এই ঘটনার জন্য সরাসরি পাঞ্জাব সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের আমলে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে। তাঁর কথায়, শাসকদলের নেতারাও আজ নিরাপদ নন। পাঞ্জাব গ্যাংওয়ারের কেন্দ্র হয়ে উঠছে।এই ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে। গুরুদ্বারের মতো ধর্মীয় ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় দিনের আলোয় এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও নিরাপত্তাহীনতার ছবি তুলে ধরছেন অনেকে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫% থেকে ১৮%! ট্রাম্পের ঘোষণায় বড় স্বস্তি ভারতের, কিন্তু রাশিয়ার তেল নিয়ে রহস্য কী?

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটতে চলেছে ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়ে দিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। চুক্তিতে এখনও আনুষ্ঠানিক সই না হলেও, শর্তাবলি প্রায় স্থির বলে ইঙ্গিত মিলেছে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের সুযোগ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, নতুন চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। এতে ভারতীয় পণ্যের রফতানিতে সুবিধা হবে বলে তাঁর দাবি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও জানিয়েছেন, শুল্ক কমার বিষয়টি ভারতের পক্ষে ইতিবাচক। ট্রাম্পের কথায়, চুক্তিতে সিলমোহর পড়লেই দ্রুত নতুন শুল্কহার কার্যকর করা হবে।তবে ট্রাম্প আরও কিছু শর্তের কথাও জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ভারত নাকি ভবিষ্যতে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে এবং তার বদলে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল আমদানি বাড়াবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদীর তরফে এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ভারত আমেরিকা থেকে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনতে পারে এবং আমেরিকার পণ্যের উপর থাকা ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার অনেকটাই কমানো হবে, এমনকি শূন্যে নামানোর কথাও বলা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বর্তমানে আমেরিকা বাংলাদেশের উপর ২০ শতাংশ এবং পাকিস্তানের উপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সেখানে ভারতের উপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামলে, এই অঞ্চলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত স্পষ্টভাবেই বাড়তি সুবিধা পাবে। অর্থনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের রফতানি ও শিল্পক্ষেত্রে নতুন গতি আসতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

অজিতের পরে ‘বহিনা’! মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সুনেত্রা পাওয়ার

দাদার শূন্যস্থান এবার পূরণ করতে চলেছেন বহিনা। প্রয়াত এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার শনিবার মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন। শনিবার বিকেল পাঁচটায় তাঁর শপথগ্রহণের কথা রয়েছে। অজিত পাওয়ারের আকস্মিক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, উপমুখ্যমন্ত্রীর শূন্য পদে সুনেত্রা পাওয়ারকেই সামনে আনতে পারে দল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল এনসিপি।সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল জানিয়েছিলেন, অজিত পাওয়ারের পরে সাধারণ মানুষও মনে করছেন, সুনেত্রাই এই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। দলের অন্দরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। এনসিপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফুল প্যাটেল, ছগন ভুজবল ও সুনীল তটকরে সুনেত্রা পাওয়ারের সঙ্গে আলোচনা করেন। শুক্রবার দলীয় স্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এনসিপির তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যসভার সাংসদ সুনেত্রা পাওয়ারই দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল। বৃহস্পতিবার সুনেত্রার সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ছগন ভুজবল ও প্রফুল প্যাটেল মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন বর্ষায় গিয়ে দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সঙ্গে বৈঠক করেন।অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অর্থ, আবগারি ও ক্রীড়া দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাতেন। সূত্রের খবর, এই দফতরগুলিই সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে এনসিপির তরফে। ছগন ভুজবল জানিয়েছেন, দেবেন্দ্র ফড়ণবীস স্পষ্ট করে বলেছেন, শনিবার সুনেত্রা যদি উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।তবে দফতর বণ্টন নিয়ে এখনও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে মহারাষ্ট্রের বাজেট পেশ হওয়ার কথা। সেই কারণে বাজেট পেশ হওয়া পর্যন্ত অর্থ দফতর নিজের কাছেই রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীস। বাজেটের পরে সেই দায়িত্ব সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। তবে আবগারি ও ক্রীড়া দফতর সুনেত্রার হাতে দিতে ফড়ণবীসের কোনও আপত্তি নেই বলেই জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
বিদেশ

ইউক্রেন যুদ্ধ নয়, ভারত-ইউরোপ চুক্তিই বেশি মাথাব্যথা ট্রাম্প প্রশাসনের

শুল্কযুদ্ধ এবং মার্কিন আগ্রাসনের আবহে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নাকের ডগায় মঙ্গলবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত। এই চুক্তি যে ওয়াশিংটনের মোটেই পছন্দ হয়নি, তা এবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ট্রাম্প প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তার মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, ইউক্রেন যুদ্ধের থেকেও ভারতের সঙ্গে ইউরোপের এই বাণিজ্য চুক্তিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আমেরিকা।বুধবার এই বিষয়ে মুখ খোলেন ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, মার্কিন কোষাগার সচিব স্কট বেসান্ত। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত এক বিশাল বাণিজ্য চুক্তি সই করছে। তাঁর প্রশ্ন, এর মাধ্যমে কি আমেরিকাকে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে? একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেক দেশেরই নিজের স্বার্থে কাজ করা উচিত।এর পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেসান্ত। তাঁর বক্তব্য, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রে ইউরোপ প্রথম সারিতে রয়েছে। অথচ একই সঙ্গে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ভারতকে টেনে এনে ইউরোপকে একহাত নেন মার্কিন কোষাগার সচিব। তিনি বলেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনছে, আবার সেই ভারত থেকেই ইউরোপের দেশগুলি নানা পণ্য কিনছে। তাঁর দাবি, সব মিলিয়ে ইউক্রেন এবং ইউরোপের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে আর্থিক ভাবে পরোক্ষ মদত দিচ্ছে ইউরোপ নিজেই।এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, ভারত-ইউরোপ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে কূটনৈতিক ভাবে অস্বস্তিতে পড়েছে আমেরিকা। একদিকে ট্রাম্পের চাপানো অতিরিক্ত শুল্কের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিতে পেরেছে ভারত। অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ওয়াশিংটনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ইউরোপের দেশগুলিও। যদিও এই চুক্তি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারত ও ইউরোপের মধ্যে এক ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যাকে তিনি মাদার অফ অল ডিলস বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, এই চুক্তি ভারত ও ইউরোপের নাগরিকদের জন্য বিপুল সুযোগ তৈরি করবে। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে অংশীদারিত্বের এক অনন্য উদাহরণ এই চুক্তি। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই অংশীদারিত্ব বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ২৫ শতাংশ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের এক-তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করবে।এমনিতেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতের অন্যতম বড় বাণিজ্য সহযোগী। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩৫ বিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন চুক্তির ফলে ইউরোপের ক্ষেত্রে মার্কিন নির্ভরতা কমবে এবং ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে আরও গতি আসবে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টাতেই সর্বনাশ, র‌্যাডার থেকে উধাও হয়ে গেল বিমান

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। টেবিলটপ রানওয়ে না কি কম দৃশ্যমানতাকোনটি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি সকালে মুম্বই থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অজিত পওয়ার। সকাল প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁর প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে নামার সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। তার পরেই আছড়ে পড়ে বিমানে বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার পর ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য অনুযায়ী, বম্বার্ডিয়ার লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমানটি সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে উড়ান শুরু করে। আরব সাগরের উপর দিয়ে উড়ে সেটি বারামতীর দিকে যায়। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দৃশ্যমানতা কম থাকায় তখন বিমানটি নামতে পারেনি বলে জানিয়েছে এয়ারক্রাফ্ট অপারেটর ভিএসআর ভেনচার।এর পরে সকাল ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। ঠিক তিন মিনিট পর, অর্থাৎ সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ র্যাডার থেকে উধাও হয়ে যায় বিমানটি। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, রানওয়ে ১১-র প্রান্তে একটি বিমান আছড়ে পড়ে আগুন ধরে গিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানটি মাটিতে পড়তেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের গোলায় পরিণত হয়। ঘন কালো ধোঁয়া ও লেলিহান শিখা পুরো বিমানটিকে গ্রাস করে নেয়। ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, পাইলট এবং ফার্স্ট অফিসার। দুর্ঘটনায় কেউই বাঁচেননি।ডিজিসিএ এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ না করলেও, বিমান সংস্থার তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে, কম দৃশ্যমানতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে রানওয়ের গঠন ও অবতরণ প্রক্রিয়ায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অজিত পওয়ারের মৃত্যু কি নিছক দুর্ঘটনা, না কি নেপথ্যে ষড়যন্ত্র? সুপ্রিম কোর্টে তদন্ত চান মমতা

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুতে গোটা দেশ জুড়ে শোকের আবহ। বুধবার সকালে বারামতিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর মধ্যেই দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে করার দাবি তুললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার সিঙ্গুরে যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অজিত পওয়ারের মৃত্যুসংবাদে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত ও স্তম্ভিত। তাঁর কথায়, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা দেশের জনপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দেয়। তিনি গোটা ঘটনার নিরাপত্তা দিক ও নিয়মিত নজরদারির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, সমাজমাধ্যমে তিনি এমন কিছু মন্তব্য দেখেছেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল অজিত পওয়ার বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারেন। সেই প্রেক্ষিতে এই দুর্ঘটনা নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। দুর্ঘটনার পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মত প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই তিনি সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে বলেন, অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থার উপর তাঁর আস্থা নেই। তাঁর বক্তব্য, বহু সংস্থা টাকার কাছে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের উপরেই তাঁর ভরসা বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।প্রসঙ্গত, প্রায় তিন বছর আগে শরদ পওয়ারের সঙ্গে মতভেদে এনসিপি থেকে আলাদা হয়ে নিজের দল গড়েন অজিত পওয়ার। আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়ে এনসিপির ঘড়ি প্রতীকও তাঁর দখলে আসে। গত লোকসভা নির্বাচনে শরদ পওয়ারের শিবির এগিয়ে থাকলেও, বিধানসভা নির্বাচনে অজিত পওয়ারের গোষ্ঠী বড় সাফল্য পায়। এরপর থেকেই দুই এনসিপির ফের এক হওয়ার জল্পনা শুরু হয়।কয়েক মাস আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অজিত পওয়ার মুচকি হেসে বলেছিলেন, আপনার মুখে ঘি-শক্কর। সেই মন্তব্যের পর দুই শিবিরের মিলনের সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়। এমনকী শরদ পওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলে ও অজিত পওয়ারের মধ্যে দল সংযুক্তিকরণ নিয়ে আলোচনা চলছিল বলেও শোনা যায়। একই সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটের সঙ্গে অজিত পওয়ারের দূরত্ব বাড়ছে বলেও জল্পনা চলছিল। এই পরিস্থিতিতে অজিত পওয়ারের মৃত্যুর পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টাতেই সর্বনাশ, ১০০ ফুট উপর থেকে আছড়ে পড়ল অজিত পওয়ারের বিমান

বুধবার সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতি বিমানবন্দরে নামার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের ব্যক্তিগত বিমান। প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার পর পাইলট দ্বিতীয়বার বিমান নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময়ই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে।ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন আরও চার জন। তাঁদের মধ্যে দুজন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দুজন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছিল, তা নিয়ে সামনে এসেছে প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রথমবার অবতরণে ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটি দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টা করে। সেই সময় প্রায় ১০০ ফুট উপর থেকে খুব দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নামতে শুরু করে বিমানটি। দেখেই মনে হচ্ছিল, বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে চলেছে। মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে।বিমানটি ভেঙে পড়ার পর পরই একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে এবং কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রবল আগুনের কারণে কেউই বিমানের কাছে পৌঁছতে পারেননি।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, যে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমান। বিমানটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল ভিটি-এসএসকে। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটি বারামতিতে দ্বিতীয়বার অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটরেডার২৪-ও জানিয়েছে, দ্বিতীয় অবতরণের চেষ্টার সময়ই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রাইভেট প্লেন ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত, প্রয়াত অজিত পাওয়ার

আজ সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতীতে খুবই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান মুম্বাই থেকে বারামতীর দিকে যাচ্ছিল, সেখানে জরুরি অবতরণ করার সময় বিমানটি ছাড়িয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে ভস্মীভূত হয়। দুর্ঘটনার কারণে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ বিমানের সাথে থাকা সকলেই মারা গেছেন।DGCA ও স্থানীয় প্রশাসনের খবর অনুযায়ী, সকাল ৮:৪০ টার সময় বারামতী বিমানবন্দরেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানটিতে ছিল মোট ছয়জন, যার মধ্যে পাওয়ারসহ পাইলট, সহকারী পাইলট ও অন্যান্য সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং কেউই বাঁচেননি।স্থানীয় ঘটনাস্থলে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুনে ঘিরে যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। নিহতদের দেহ সংগ্রহ করে হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে, দলিলাগুলো নিশ্চিত হওয়ার পর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।এই শোকাবহ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে গভীর শোক দেখা দিয়েছে। নেতারা এবং সাধারণ মানুষ অজিত পাওয়ারের অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

ভোটের মুখে পদ্ম সম্মান! এগিয়ে বাংলা, কেরলকে কেন এত গুরুত্ব দিল কেন্দ্র?

এগিয়ে বাংলা, তার পরেই কেরল। ভোটের মুখে এই দুই রাজ্যে কেন্দ্র বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু না হলেও তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর বাংলা থেকে পদ্ম সম্মান পেয়েছেন ১১ জন, আর কেরল থেকে পেয়েছেন আট জন। এই দুই রাজ্যই চলতি বছরে বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সম্মানের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখের নাম রয়েছে। এমনকি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন মোট ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তিনি গুরুজি বা দিশম গুরু নামে পরিচিত ছিলেন।শিবু সোরেনের পাশাপাশি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন কেরলের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতানন্দন। সাধারণত বামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন না। অতীতে জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভারতরত্ন এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বিষয়টি। প্রয়াত এই বাম মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করছে কেন্দ্র।এই সম্মান নিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। দলের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, কেরল সরকার অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের জন্য সুপারিশ করেনি। একই সুর শোনা যাচ্ছে বাংলার বাম শিবিরেও। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা।তবে অচ্যুতানন্দনের পুত্র অরুণকুমার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাবার এই সম্মানে তিনি খুশি বলে জানান। উল্লেখ্য, শুধু অচ্যুতানন্দনই নন, কেরল থেকে এ বছর আরও সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পদ্মশ্রী পেলেন প্রসেনজিৎ! চার দশকের লড়াইয়ের শেষে জাতীয় স্বীকৃতি বাংলার মহাতারকার

পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম আইকন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যায় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই তালিকায় পদ্মশ্রী বিভাগে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলার এই জনপ্রিয় অভিনেতা। ঠিক সরস্বতীপুজোর আগের দিনই মুক্তি পেয়েছে তাঁর নতুন ছবি বিজয়নগরের হীরে। চার বছর পর বড়পর্দায় ফিরেছেন কাকাবাবু। তবে শুধু একটি ছবির জন্য নয়, দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা সিনেমায় তাঁর অবদানকেই স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র।১৯৬৮ সালে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তখন তিনি শিশু শিল্পী। বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ছোট্ট জিজ্ঞাসাতে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। নায়ক হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ১৯৮৩ সালে দুটি পাতা ছবির মাধ্যমে। এরপর থেকেই একটানা এগিয়েছে তাঁর অভিনয়জীবন। একের পর এক জনপ্রিয় ছবি, বিপুল দর্শকপ্রিয়তা এবং রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশজুড়ে পরিচিতিসব মিলিয়ে দীর্ঘ পথচলা তাঁর।প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অবদান শুধু ভালো অভিনয় বা সফল ছবিতে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা নানা ভাবে ব্যাখ্যা করেন সিনেপ্রেমীরা। অনেকের মতে, যখন শহরের দর্শক বিকল্প ধারার সিনেমার দিকে ঝুঁকছিলেন, তখন গ্রামবাংলার দর্শকদের জন্য বাণিজ্যিক ছবির ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছিলেন প্রসেনজিৎ। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারে সাড়ে তিনশোরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। কখনও থেকেছেন মূলধারার নায়ক হিসেবে, আবার কখনও নিজেকে ভেঙে নতুন ধরনের চরিত্রেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।বর্তমানে বাংলা সিনেমা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলেন, ওয়েব সিরিজ, হিন্দি ওটিটি এবং বিকল্প ধারার সিনেমার ভিড়ে বাংলা সিনেমা দর্শক হারাচ্ছে। কিন্তু প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বিজয়নগরের হীরে সেই ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে। শুধু কলকাতাই নয়, বলিউডের মাল্টিপ্লেক্সেও ভালো ব্যবসা করছে কাকাবাবু। বাংলা সিনেমা যে এখনও দর্শক টানতে পারে, তারই প্রমাণ দিচ্ছে এই ছবি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের হুমকির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা বার্তা, যুদ্ধের ডাক তেহরানের?

একদিন আগেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সরকারকে উৎখাতের ডাক দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পরের দিনই ট্রাম্পকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল তেহরান। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, খামেনেইয়ের উপর কোনও আক্রমণ হলে সেটিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই ধরা হবে। অর্থাৎ আমেরিকা যদি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করে, তবে পালটা জবাব দিতে পিছপা হবে না তেহরান।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানে নতুন নেতৃত্ব আনার সময় এসেছে। তিনি খামেনেইকে দোষী বলে আক্রমণ করেন। ট্রাম্পের অভিযোগ ছিল, খামেনেই ইরানকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছেন এবং দেশে হিংসা ছড়াচ্ছেন। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য তাঁকেই দায়ী করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি খামেনেইকে অসুস্থ এবং অযোগ্য বলেও কটাক্ষ করেন ট্রাম্প।এই মন্তব্যের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, আমেরিকার যে কোনও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপর আক্রমণ মানেই গোটা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা।এই মুহূর্তে ইরান জুড়ে চরম অস্থিরতা চলছে। মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং কট্টর ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। খামেনেই সরকারের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রতিবাদ। ইরানের সরকারি সূত্রের দাবি, এই গণবিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ মারা গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় পাঁচশো জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস-এর একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরানে মৃতের সংখ্যা ষোল হাজার ছাড়িয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, খামেনেই সরকারের দমননীতির কারণে দেশজুড়ে প্রতিবাদীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে। এমনকি সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।এর আগেও শনিবার ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন খামেনেই। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, ইরানে এত মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই। তাঁর অভিযোগ, দেশে যাঁরা হিংসা ছড়াচ্ছেন, ট্রাম্প তাঁদেরই উৎসাহ দিচ্ছেন। খামেনেই দাবি করেন, ইরানের অস্থিরতার পেছনে রয়েছে ইজরায়েল এবং আমেরিকা। সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস এবং হিংসা ছড়ানোর জন্য বিদেশি শক্তির উসকানিকেই দায়ী করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের পথেই এগোচ্ছে পরিস্থিতি?

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

গ্রিনল্যান্ড বিতর্কে নতুন মোড়! ইউরোপের উপর বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করলেন ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড একটি স্বশাসিত দ্বীপ, যা ডেনমার্কের অধীনে। ফলে এই প্রস্তাবে স্বাভাবিক ভাবেই আপত্তি জানিয়েছে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক। শুধু তাই নয়, ফ্রান্স, ব্রিটেন-সহ একাধিক ইউরোপীয় দেশও ট্রাম্পের এই প্রস্তাব মানতে রাজি হয়নি। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইউরোপের কয়েকটি দেশের উপর বাণিজ্যিক শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করলেন তিনি।শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, ব্রিটেন, নরওয়ে, জার্মানি, সুইডেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ড থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের উপর ১০ শতাংশ করে শুল্ক বসানো হবে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে। এখানেই থামেননি ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনও সমঝোতা না হলে ১ জুন থেকে এই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।ট্রাম্পের দাবি, বহু বছর ধরে আমেরিকা ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে নানা বাণিজ্যিক সুবিধা ও ভর্তুকি দিয়ে এসেছে। তাঁর বক্তব্য, এখন সেই সুবিধার পালা শেষ। ট্রাম্প আরও বলেন, গ্রিনল্যান্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য। তাঁর অভিযোগ, ডেনমার্ক নিজের সীমানা ঠিকমতো রক্ষা করতে পারছে না। সেই কারণেই আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডের উপর নজরদারি দরকার বলে দাবি করেন তিনি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যেসব দেশের উপর এই শুল্ক চাপানো হয়েছে, তাদের প্রত্যেকটিই আমেরিকার দীর্ঘদিনের মিত্র দেশ। শুল্ক ঘোষণার একদিন আগেই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর প্রস্তাবে যারা সমর্থন দেবে না, তাদের উপর বাণিজ্যিক চাপ বাড়ানো হবে। শনিবার সেই কথাই কার্যত বাস্তবায়িত করলেন তিনি।ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, চিন ও রাশিয়াও গ্রিনল্যান্ডের উপর নজর রাখছে। তাঁর মতে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডে উপস্থিতি জরুরি। তিনি এটাও বলেন, গত দেড়শো বছরের বেশি সময় ধরে একাধিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনমার্ককে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে প্রতিবারই সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে ডেনমার্ক।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

নির্বাচনের টিকিট পেতেই প্রাণভয়ের আশঙ্কা! বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন আইপিএসের

একসময়ের দুঁদে পুলিশ কর্তা, এখন তৃণমূলের প্রার্থী। সেই হুমায়ুন কবীর এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়ছেন ডোমকল কেন্দ্র থেকে। কিন্তু টিকিট পাওয়ার পরই তিনি প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, জেলার একাধিক অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তাঁকে এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদে পৌঁছে তিনি নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁর কথায়, পুলিশে চাকরি করার সময় তিনি একাধিক খুনের চক্র ভেঙেছিলেন। সেই সব অপরাধ চক্রের মাথারা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং তাঁকে লক্ষ্য করে হুমকি দিচ্ছে। এই কারণেই তাঁর জীবনের উপর ঝুঁকি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।হুমায়ুন কবীর দীর্ঘদিন মুর্শিদাবাদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কান্দিতে দায়িত্বে ছিলেন এবং পরে জেলা পুলিশ সুপার হিসেবেও কাজ করেছেন। ফলে এই জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই জানেন। কোথায় কোন অপরাধ চক্র সক্রিয়, কারা এর সঙ্গে জড়িত, সেই সব বিষয় তাঁর জানা।তিনি বলেন, দলের নেতৃত্ব তাঁকে এমন একটি জায়গায় প্রার্থী করেছে, যা তাঁর খুব পরিচিত। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কর্মীদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন।ডোমকল এলাকা বরাবরই স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত। অতীতে এই এলাকায় নির্বাচন ঘিরে হিংসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। আগের নির্বাচনে এখানেই সবচেয়ে বেশি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা যায়। তবে তিনি দাবি করেন, যখন তিনি পুলিশ সুপার ছিলেন, তখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে ছিল।এই অবস্থায় এবার নির্বাচনের আগে তাঁর প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে ডোমকলের পরিস্থিতি নিয়ে এখন বাড়ছে নজর।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

একসঙ্গে দু’টি আসনে লড়াই! হুমায়ুন কবীরের বড় চমক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক দল তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে। সেই তালিকায় এবার নাম যোগ করল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন। প্রথম দফায় মোট একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ এবং মালদহ জেলার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে হুমায়ুন কবীরের নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে। তিনি এবার ভরতপুর কেন্দ্র থেকে লড়বেন না। পরিবর্তে তিনি দুটি আসন থেকে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একটি রেজিনগর এবং অন্যটি নওদা। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, তিনি কাকে হারাতে চাইছেন, না কি নিজের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতেই এই কৌশল নিচ্ছেন।সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁদের দল একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। বাকি প্রার্থীদের তালিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। কিছু আসনে অন্য দলের সঙ্গে সমঝোতার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে প্রার্থী তালিকায় একাধিক নতুন নামও রয়েছে। বিভিন্ন জেলার একাধিক আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। কান্দি, বেলডাঙা, রতুয়া, মালতীপুর, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, সুজাপুর, ফরাক্কা, হরিহরপাড়া-সহ একাধিক কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে এই দল। ভরতপুরেও নতুন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে নতুন এই দল কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে হুমায়ুন কবীরের দুটি আসনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

‘সময় নষ্টের চেষ্টা’! আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে তীব্র তর্কে জড়াল রাজ্য ও কেন্দ্র

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে আবারও সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য সরকার। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কপিল সিব্বল আরও সময়ের আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁরা নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চান।এই আবেদনের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, এটি সময় নষ্ট করার চেষ্টা। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং এতদিন পরেও সময় চাওয়া অস্বাভাবিক। বিচারপতিরাও মনে করিয়ে দেন, এর আগেই রাজ্যকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের আইনজীবীরা বলেন, তাঁরা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে আদালত স্পষ্ট জানায়, বারবার সময় চাওয়া ঠিক নয়।এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে রাজ্য। রাজ্যের দাবি, এই সংস্থা সরাসরি এই ধরনের মামলা করতে পারে না। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, এই অধিকার শুধুমাত্র ব্যক্তি বা কোনও বৈধ সংস্থার থাকতে পারে। তাই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অন্যদিকে, আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তল্লাশির সময় সংঘর্ষ এড়াতেই তাদের কাজ থামাতে হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, তল্লাশির সময় বাইরের লোকজন ঢুকে পড়ায় তদন্তে সমস্যা তৈরি হয়।বিচারপতি পর্যবেক্ষণে বলেন, কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে তদন্ত চলাকালীন ঢুকে পড়া মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ভবিষ্যতে অন্যরাও একই কাজ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল, ওই ঘটনার সমস্ত ভিডিও এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করতে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্যও সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের সময় চাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত হয় কলকাতায় একটি সংস্থার কর্তার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি নিয়ে। সেই তল্লাশিকে ঘিরেই এই আইনি লড়াই শুরু হয়। কেন্দ্রের অভিযোগ, তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের দাবি, নির্বাচনের আগে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতেই এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর সবার।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ঝাঁকুনি! একসঙ্গে ১১ জেলাশাসক বদলি, চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রথমে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১১টি জেলার জেলাশাসক বদলের নির্দেশ জারি করে কমিশন।যে জেলাগুলিতে এই বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এই সব জেলার জেলাশাসকেরা একই সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবেও কাজ করছিলেন।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে বিভিন্ন জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতদিন না নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।এই বড় রদবদলের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সেখানে শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এত বড় প্রশাসনিক পরিবর্তনে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চাঞ্চল্য! বীরভূমে ট্রাক্টর ভরা বিস্ফোরক উদ্ধার

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই রাজ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। এর মধ্যেই বীরভূমে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নলহাটি থানার কাদাসির গ্রামে গ্রামবাসীরাই একটি সন্দেহজনক ট্রাক্টর আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রাক্টর থেকে প্রায় দশ হাজার জিলেটিন স্টিক এবং তিনশো ষাটটি ডিটোনেটর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে গ্রামের রাস্তা দিয়ে একটি ট্রাক্টর যাচ্ছিল। সেটি দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা ট্রাক্টরটি আটকালে চালক পালিয়ে যায়। পরে দেখা যায়, ট্রাক্টরটি বিস্ফোরকে ভর্তি।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নলহাটি থানার পুলিশ ট্রাক্টর এবং বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে। কে বা কারা এই বিস্ফোরক কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হোক এবং এর পিছনে কারা রয়েছে, তা দ্রুত সামনে আনা হোক।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

কল্যাণের পর এবার ছেলে! উত্তরপাড়ায় ভোটের লড়াইয়ে মীনাক্ষীর বিপরীতে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে

বাবা একজন নামজাদা আইনজীবী এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। দীর্ঘদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে আসছেন। এবার সেই পথেই পা রাখলেন তাঁর ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।শীর্ষণ্য পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি সরকারের পক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা লড়েছেন। বিভিন্ন বড় আইনি লড়াইয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন। কলেজে নির্বাচন বন্ধ হওয়া নিয়ে হওয়া মামলাতেও তিনি আদালতে লড়েছিলেন। এছাড়াও একশো দিনের কাজ এবং নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন।এবার সেই আইনজীবীই সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন। উত্তরপাড়ায় তাঁর প্রতিপক্ষ সিপিএমের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই এবার বেশ জমজমাট হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।শীর্ষণ্য জানিয়েছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নতুন নয়। বহু বছর আগে থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি কলেজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন এবং সেই সময় থেকেই রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের পর রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তাঁর লড়াই মূলত আদালতকেন্দ্রিক হয়ে যায়। তবে এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে নামতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।শীর্ষণ্য জানান, তাঁকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ। এর আগে তিনি দলের অন্য প্রার্থীর হয়ে ভোট চেয়েছেন, কিন্তু এবার প্রথমবার নিজের জন্য মানুষের কাছে সমর্থন চাইবেন। উত্তরপাড়ার মানুষের আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার না শনিবার? অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বড় আপডেট

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় ঝুলে রয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করছেন।এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের হাতে তুলে দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শুক্রবার বা শনিবার এই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল।এছাড়াও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ার জন্য কত সময় দেওয়া হবে, সে বিষয়েও কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি তাঁর।এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ! গুরগাঁওয়ের ঘটনায় শিউরে উঠছে দেশবাসী

গুরগাঁওয়ে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি তাঁর দুই বছরের কন্যাকে নিয়ে বহুতলের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।মৃত ব্যক্তির নাম রাহুল। তাঁর বয়স আটত্রিশ বছর। তিনি দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে গুরগাঁওয়ের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে একটি আবাসনের ভিতরে এই ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে একটি ছোট স্কুল চালাতেন, যেখানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো। কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন এবং চিকিৎসাও চলছিল।পুলিশের এক আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে মানসিক অবসাদ থেকেই তিনি এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। যদিও ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।জানা গিয়েছে, তিনি যে টাওয়ারে থাকতেন, সেখান থেকে নয়, অন্য একটি টাওয়ারের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় এবং পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন। অনেকেই উচ্চ ভবনে বসবাসকারী পরিবারগুলির মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal