• ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

War

খেলার দুনিয়া

বৃষ্টির মোকাবিলায় ইডেন সেরা, মাঠ ভরানোর আহ্বান মনোজের

আজও বৃষ্টিতে ব্যাহত বেঙ্গল প্রো টি২০ লিগের খেলা। কয়েক দিন ধরেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি চলছে। যার জেরে বেঙ্গল প্রো টি২০ লিগের খেলাগুলি পরিত্যক্ত হচ্ছে। ইডেনে বৃষ্টি থামার পর খেলা শুরু হলেও ফের অবিরাম বর্ষণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। তবে গতকাল যা হলো তা অন্য কোথাও আর হতে পারতো না।সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত ভাবনাতেই ইডেনের গোটা মাঠ ঢেকে রাখার বন্দোবস্ত হয়েছে। উন্নতমানের কভার আনিয়ে। এমনকী ইডেনের মতো সল্টলেক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠেও মাঠ ঢেকে রাখা হয় প্রধান কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন অনবদ্য টিম যার ফলে বৃষ্টি থামার কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠ খেলার উপযুক্ত করে দিতে পারেন। ইডেনের এমন ব্যবস্থাপনা বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেও নেই। সুনীল গাভাসকর-সহ অনেকেই তাই বলে থাকেন মাঠ ঢাকার ব্যবস্থাপনায় ইডেনকে অনুসরণ করতে। এই ব্যবস্থাপনার সুফল মিলল আরও একবার। গতকাল বৃষ্টি একটু ধরতেই রাতে ৯ ওভারের ম্যাচ হলো। হারবার ডায়মন্ডস ৪০ রানে হারাল লাক্স শ্যাম কলকাতা টাইগার্সকে। যে পরিমাণ বৃষ্টি হচ্ছে শহরে তাতে অন্য কোথাও এটা সম্ভব হতো না। হলো মাঠ ঢাকার ব্যবস্থা ছিল বলেই। হারবার ডায়মন্ডস অধিনায়ক তথা রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি অনুরোধ করেছেন সকলকে কাজ সেরে মাঠে এসে তরুণ ক্রিকেটারদের উৎসাহিত করার জন্য। এই লিগে বিনামূল্যে খেলা দেখা যায়। এমনকী হারবার ডায়মন্ডসের সমর্থকদের জল, ইলেক্টোরাল, কেক দেওয়ার কথাও মনোজ বলেছেন। তার কারণ ক্রিকেটারদের উৎসাহিত করতে সমর্থকদের উপস্থিতি দরকার। গ্যালারির সিংহভাগ ফাঁকা থাকছে। যে লিগের সম্প্রচার স্টার স্পোর্টসে চলছে সেখানে এমন ফাঁকা গ্যালারি মোটেই ভালো বিজ্ঞাপন নয়।

জুন ১৯, ২০২৫
দেশ

আমেরিকার দাবি খারিজ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছাড়লেন নরেন্দ্র মোদি

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি স্পষ্ট করেন, পাকিস্তান পর্যদুস্ত হওয়ার পর ভারতের সেনা কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পাকিস্তানই যে যুদ্ধবিরতি চেয়েছে তা জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এখানে আমেরিকার যে কোনও ভূমিকা নেই সেকথা স্পষ্টই বললেন নরেন্দ্র মোদি। মোদি নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল যে মানবেন না তাও জানিয়ে দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বললে সন্ত্রাসবাদ বা পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে কথা বলতে হবে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিন্দুর বন্ধ হয়নি। স্থগিত করা হয়েছে। পাকিস্তান আমাদের স্কুল, কলেজ, গুরুদোয়ারা, মন্দির, নাগরিকদের ঘরকে নিশানা করেছে। পাকিস্তানের মুখোশ খুলে গিয়েছে। পাকিস্তানের ড্রোন, মিসাইল ধংস করেছে। ভারতের মিসাইল, ড্রোন হামলা করেছে। পাকিস্তানের বায়ুসেনার এয়ারবেসকে লোকসান করেছে। পাকিস্তান বাঁচার রাস্তা খুঁজতে শুরু করে। ১০ মে দুপুরে পাকিস্তানের সেনা আমাদের ডিজিওএমের সঙ্গে কথা বলবে। মোদি বলেন, পাকিস্তানের বুকে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি ধংস করা হয়। এখন অপারেশন সিন্দুর স্থগিত করেছি। সামনের দিনে পাকিস্তানের সব পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা হবে। ভারতের তিন সেনা এয়ার ফোর্স, আর্মি ও নেভি, তাছাড়া বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স ও অন্য আধিসামরিক বাহিনী এলার্ট আছে। সার্জিক্যাল ও এয়ার স্ট্রাইকের পর অপরেশন সিন্দুর ভারতের নয়া হাতিয়ার। নিউ নরমাল। ভারতে আতঙ্কবাদীদের হামলা হলে মুতোড় জবাব দেওয়া হবে। আমাদের মতো জবাব দেব। কোনও নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল ভারত সহ্য করবে না। আতঙ্কবাদী ও সরকারকে ভারত আলাদা ভাবে দেখবে না। মরে যাওয়া আতঙ্কবাদীদের সৎক্রিয়া কর্মের সময় ওদের আধিকারিকরা ছিলেন। যুদ্ধের ময়দানে পাকিস্তানকে ধুলো চাটিয়েছি। মরুভূমি ও পাহাড়ে ক্ষমতার প্রদর্শন করেছি। মেড ইন ইন্ডিয়া হাতিরায় প্রমান করেছি। একুশ শতকের যুদ্ধে ভারতের তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বেশ কার্যকরী। দেশবাসীর সবাইকে একজোট থাকতে হবে। এই যুগ যুদ্ধের নয়, তবে আতঙ্কবাদীদেরও নয়। জিরো টলারেন্স জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাসীদের পুষলে আতঙ্কবাদীরাই পাকিস্তানকে সমাপ্ত করে দেবে। জঙ্গিদের পরিকাঠামো ধংস করতে হবে। এর বাইরে কোনও রাস্তা নেই। সন্ত্রাস, কথা এতসঙ্গে হয়না। টেরর ও ট্রেড একসঙ্গে হয় না। জল ও রক্ত এক সঙ্গে বইতে পারে না। পাকিস্তানের সঙ্গে সন্ত্রাসী, পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই কথা হবে।

মে ১২, ২০২৫
দেশ

পাকিস্থানে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধবংস, জম্মু সহ দেশের বহু শহরে ব্ল্যাক আউট, ৩টে পাক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

অপারেশন সিন্দুরের পর লাহোরে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস করে পাকিস্তানকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে ভারত। পহেলগাঁওয়ে বর্বরোচিত জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত অপারেশন সিন্দুর-এর মাধ্যমে তার যোগ্য জবাব দিয়েছে। ভারত গতকাল পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে নির্ভুল হামলা চালানো হয়। সন্ধ্যের পর থেকে জম্মু-কাশ্মীর ও গুজরাটের বহু শহর ব্ল্যাক আউট করা হয়েছে। জম্মুতে ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তান। দুটি যুদ্ধ বিমান গুলি করে ধ্বংস করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ৭ ও ৮ মে মধ্য রাতে পাকিস্তান ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে। অবন্তীপুরা, শ্রীনগর, জম্মু, পাঠানকোট, অমৃতসর, জলন্ধর, লুধিয়ানা, আদমপুর, চণ্ডীগড়, ভুজ সহ ১৫টি শহরে এই হামলার চেষ্টা করা হয়। তবে, ভারতের কাউন্টার ইউএএস (Unmanned Aerial System) ও এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা সফলভাবে এই আক্রমণগুলিকে প্রতিহত করে। এদিকে ভারতের পাল্টা পদক্ষেপে লাহোরে পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে লাহোরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করে। অন্যান্য সীমান্তবর্তী এলাকাতেও বিস্ফোরণের খবর আসে। লাহোরে এয়ার ডিসেন্স সিস্টেম গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর কুপওয়ারা, বারামুল্লা, উরি, পুঞ্চ, মেন্ধার ও রাজৌরি সেক্টরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মর্টার শেল নিক্ষেপে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জন নিরীহ নাগরিকের। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৩ জন মহিলা ও ৫ জন শিশু। পাশাপাশি সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান ৭ মে রাতে অবন্তীপুরা, শ্রীনগর, জম্মু, পাঠানকোট, অমৃতসর, কাপুরথালা, জলন্ধর, লুধিয়ানা, বাথিন্ডা, চণ্ডীগড়, এবং ভুজ-এর মতো উত্তর ও পশ্চিম ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থান লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী সেই হামলাগুলি সফলভাবে প্রতিহত করে।

মে ০৮, ২০২৫
দেশ

জৈশ এ মহম্মদের মাথা মাসুদ আজহারের ডেরায় আক্রমণ, তাঁর পরিবারের ১৪ জন নিহত

অপারেশন সিন্দুরের সবচেয়ে বড় লক্ষ্যবস্তু ছিল বাহাওয়ালপুরে অবস্থিত জইশ-ই-মোহাম্মদের সদর দপ্তর, যার নেতৃত্বে ছিলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী মাসুদ আজহার। আজহারকে শেষবার বাহাওয়ালপুরে সংগঠনটির মাদ্রাসার কাছে দেখা গিয়েছিল, যেখানে ওই মাদ্রাসাটি একটি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত, পাশাপাশি সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য তহবিল সংগ্রহের উৎসও ছিল। ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রগুলি হাফিজ সাইদের লস্কর-ই-তৈয়বার সাথে সম্পর্কিত মুরিদকেতে সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সহ এই মাদ্রাসাটি ধ্বংস করে দিয়েছে। সূত্রের খবর, মাসুদ আজহারের পরিবারের ১৪জন সদস্য নিহত হয়েছেন। তাঁর ভাই এি হামলায় মারা গেছেন বলে খবর। প্রাথমিক অনুমান অনুসারে প্রায় ৭০ জন জঙ্গিকে নির্মূল করা হয়েছে এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে আক্রমণ চালানোর জন্য ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। ভারতীয় বাহিনীও পাকিস্তানের বিমান হামলার প্রতিশোধমূলক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে, পাকিস্তানি F-16 এবং JF-17 যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে, যার মধ্যে একটি JF-17 ,আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভূপাতিত করা হয়েছে।প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন অনুসারে, এই হামলার আকার এবং নির্ভুলতা ভারতের নিরাপত্তা নীতিতে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। এটি প্রথমবারের মতো অভিযানগুলিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সীমাবদ্ধ রাখার পরিবর্তে ভারত পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের গভীরে, পাঞ্জাব প্রদেশে, আক্রমণ করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন যে এই পদক্ষেপটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে ভারত সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসবাদকে মেনে নেবে না এবং তার নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

মে ০৭, ২০২৫
দেশ

পহেলগাঁওয়ের বদলা নিল ভারত, পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা

অবশেষে চরম বদলা নিল ভারত। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পাল্টা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে গুড়িয়ে দিল ভারতীয় সেনা। একেবারে বেছে বেছে নির্দষ্ট ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে। ভারত এই অপারেশনের নাম দিয়েছে অপারেশন সিন্দুর। এই বদলার খবর ভারতীয় সেনার তরফেই প্রকাশ করা হয়েছে।ভারত পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে তার মধ্যে ৪টি পাকিস্তানের পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুর এবং মুরিদকে এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মুজাফফরাবাদ এবং কোটলিতে। এই সমস্ত এলাকাই সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি। এদিকে জম্মু বিভাগের কমিশনারের জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী, আজ, ৭ মে (বুধবার) জম্মু, সাম্বা, কাঠুয়া, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বিশেষ করে পুঞ্চ জেলায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি হওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে পুঞ্চ জেলার সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয় আজ, ৭ মে ২০২৫, বন্ধ থাকবে।আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য গর্বিত।OperationSindoor হল পহেলগামে আমাদের নিরীহ ভাইদের নৃশংস হত্যার প্রতি ভারতের প্রতিক্রিয়া। ভারত এবং তার জনগণের উপর যে কোনও আক্রমণের উপযুক্ত জবাব দিতে মোদী সরকার বদ্ধপরিকর। ভারত সন্ত্রাসবাদকে তার মূল থেকে নির্মূল করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।এদিকে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটিতে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তানি বাহিনীর আন্তঃসীমান্ত গোলাবর্ষণে জম্মু ও কাশ্মীরে কমপক্ষে সাতজন নাগরিক নিহত এবং ৩৮ জন আহত হয়েছেন। পাক গোলাবর্ষণে মেন্ধরে একজন এবং পুঞ্চে ৬ জন নিহত হয়েছেন। ২০২৫ সালের ৬-৭ মে রাতে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের বিপরীতে আন্তর্জাতিক সীমান্তের পোস্ট থেকে কামান থেকে গোলাবর্ষণ সহ নির্বিচারে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এই তথ্য জানিয়েছেন উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা (প্রতিরক্ষা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুনীল বারাতওয়াল।

মে ০৭, ২০২৫
রাজ্য

অনগ্রসর শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের মাঠমুখী করার অভিনব প্রচেষ্টা পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের

ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রদান করে স্কুল ছাত্রদের মাঠমুখী করার মহান উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের। ৭ই এপ্রিল ২০২৫ সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম-২ ব্লকের সাহেব ডাঙ্গা, খান্ডারী ডাঙ্গায় পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুল এবং হোস্টেল ছাত্রদের বই ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলাশাসক ও জেলা সমাহর্তা আয়েশা রানী এ (আইএএস), উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) প্রতীক সিং (আইএএস), সদর উত্তর মহুকুমাশাসক তির্থঙ্কর বিশ্বাস, আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল।এই মহান উদ্যোগটি মূলত পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে সংগঠিত হয়। জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ও জেলাশাসক আয়েশা রানী এ-র তত্ত্বাবধানে অনগ্রসর শ্রেণীর উন্নয়নে নানাবিধ প্রকল্প সংগঠিত হয়। এটিও অনগ্রসর অনগ্রসর শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও মাঠমুখী করার এক আভিনব প্রচেষ্টা। তিনি আরও জানান এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আবাসিক স্কুল এবং হোস্টেলের ছাত্রদের ক্যারাম বোর্ড, ফুটবল, ভলিবল, বাস্কেট বল, ক্রিকেট সরঞ্জাম, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট-র মত আউটডোর গেমের সরঞ্জামের সাথে-সাথে লুডো, দাবা সহ বাচ্চাদের খেলার সামগ্রীও প্রদান করা হয়। তিনি তাঁর স্বাগত ভাষণে এই মহান উদ্যোগের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও আবাসিক স্কুল এবং হোস্টেলের ছাত্রদের বিভিন্ন রেফারেন্স ও গল্পের বই বিতরণ করে তাদের শিক্ষার প্রসারেও উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশিষ্টজনেদের মতে ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেট যেভাবে বিশ্বকে মুঠবন্দি করতে শেখায়, সাথে সাথে পরিবেশ পরিজন দের থেকেও তাদেরকে অনেক দূরে ঠেলে দিচ্ছে, বাচ্চারা ক্রমশ গৃহ বন্দী হয়ে পড়ছে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ যথেষ্ট প্রশংসনীয়। অনগ্রসর অনগ্রসর শ্রেণীর অনেকেই অর্থের অভাবে ক্রীডা সরঞ্জাম ক্রয় করতে আপারগ, তাই তারা সেভাবে মাঠমুখী হয় না। সেক্ষেত্রে এই শুভ উদ্যোগের জন্য বাংলার অনেক ছাত্র ছাত্রী নতুন উন্নত ক্রীড়া সরঞ্জাম পেয়ে পূর্ণ উদ্যমে সবুজ মাঠ মাতাবে এই আশা করায় যায়।

এপ্রিল ০৯, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান হাসপাতালে প্রসূতি বিভাগে ইনজেকশন নিয়ে বিভ্রান্তি, ক্ষোভে ফেটে পড়ল রোগীর আত্মীয়স্বজনরা

ইনজেকশন দেওয়া নিয়ে প্রসূতি বিভাগে ছড়াল চরম বিভ্রান্তি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ক্ষোভে ফেটে পড়ল রোগীর আত্মীয়স্বজন। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর নাকি ভালই ছিলেন প্রসূতিরা। কিন্তু সোমবার রাত বাড়তেই ঘটে বিপত্তি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি থাকা প্রসূতিরা পরপর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতাল জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। উদ্বেগ ছড়ায় প্রসূতি পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রসূতিদের ভুল ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। তবে ভুল ইনজেকশনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বক্তব্য, যে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে তা হল ইনজেকশন পরবর্তীতে অ্যালার্জিটিক সমস্যা। প্রসূতিদের পরিবারের সদস্য জয়দেব মণ্ডল, শেখ রহমতুল্লা, সুমন দাসরা বলেন, আমাদের রোগী প্রসূতি বিভাগে ভর্তি আছে। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সকলেই ভাল ছিল। সোমবার সন্ধ্যায় প্রসূতিদের একসঙ্গে তিনটি ইনজেকশন দেওয়া হয়। তারপর থেকেই একের পর এক প্রসূতি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের কাঁপুনি হতে থাকে। জ্বরও চলে আসে। প্রসূতি পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, এমন ঘটনার পর হাসপাতালের পক্ষ থেকে তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু কোনওভাবেই উপরে যেতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের সন্দেহ, প্রশিক্ষিত নয়, এমন কেউ এই ইঞ্জেকশন দিয়েছে। তাই এই ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ইনজেকশন দেওয়ার পর একটা অ্যালার্জিটিক সমস্যা হয়। তাতে যে সাতজন অসুস্থ হন, তাঁরা এখন সুস্থ আছেন।

মার্চ ০৪, ২০২৫
রাজ্য

সরকারি উদ্যোগে বর্ধমানে শুরু 'সাঁওতালি' ভাষায় একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতা

দেশের বৃহত্তম ভাষার অন্যতম বাংলা ভাষা যখন ইংরাজি ও হিন্দির চাপে এক সন্মিলিত ভাষায় পরিণত হওয়ার প্রহর গুনছে, ঠিক সেই সময় সাঁওতালি ভাষায় একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সত্যিই প্রশংসনীয়। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগর উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের তত্ত্বাবধানে পূর্ব বর্ধমান জেলায় বর্ধমান শহরের অদূরে দেওয়ানদিঘী প্রীতিলতা মঞ্চে মহাসমারোহে শুরু হল তিনদিন ব্যাপী ৩০তম আদিভাষায় জেলা ও আঞ্চলিক স্তরের আদিবাসী একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতা। বুধবার দেওয়ানদিঘীর প্রীতিলতা মঞ্চে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহকারি সভাধিপতি গার্গী নাহা, ও কর্মাধ্যক্ষ মিঠু মাঝি। উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) প্রতীক সিং (আইএএস), সদর উত্তর মহুকুমাশাসক তির্থঙ্কর বিশ্বাস, পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি দেবু টুডু। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, স্থানীয় ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক রজনীশ কুমার যাদব সহ আরও বিশিষ্ট মানুষজন।এই সুবিশাল কর্মকান্ডের প্রধান উদ্যোগী পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেনী উন্নয়ন দপ্তর। ওই দপ্তরের আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল সকলকে অবাক করে দিয়ে তাঁর স্বাগত ভাষণ শুরু করেন অলচিকী ভাষায়। কোনওরকম স্ক্রিপ্ট ছাড়াই অনর্গল ভাবে সাঁওতালি ভাষায় তাঁর বক্তব্য এই অনুষ্ঠানে পরম প্রাপ্তি। তিনি তাঁর স্বাগত ভাষণে সকলকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ জানান। এই ভাষার প্রচার প্রসার করার শুভ উদ্যোগের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানান।অথিতিবর্গের সকলেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। মাতৃভাষার রক্ষণাবেক্ষণে এই উদ্যোগ সত্যিই প্রসংসার দাবি রাখে, জানালেন পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের মেন্টর মহঃ ইসমাইল। পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল জানান, প্রীতিলতা মঞ্চ, দেওয়ানদীঘিতে বুধ ও বৃহস্পতিবার দুই দিনের জেলা পর্যায়ের এবং শুক্রবার জোনাল লেভেল একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতা (সাঁওতালি ভাষা) অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জনতার কথা মাধ্যমে সকল নাট্যপ্রেমী মানুষজনকে নাটকের আনন্দ উপভোগ করার আহ্বান জানান।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
রাজ্য

পদ্মশ্রী তালিকায় বাংলার ৯ জন, রয়েছেন অরিজিৎ সিং, মমতা শঙ্কর, তেজেন্দ্র নারায়ণ

পদ্মশ্রী প্রাপকদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগে এবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৯ জন পদ্মশ্রী পুরস্কার পেতে চলেছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে কেন্দ্রীয় সরকার পদ্ম পুরস্কার ২০২৫ প্রাপকদের নাম ঘোষণা করেছে। তালিকা অনুসারে ৭ জনকে পদ্মবিভূষণ, ১১৩ জনকে পদ্মশ্রী এবং ১৯ জনকে পদ্মভূষণ প্রদান করা হয়েছে। মোট ১৩৯ জন ব্যক্তিত্বকে পদ্ম পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়েছে। এটি দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানগুলির মধ্যে একটি, যা তিনটি বিভাগে দেওয়া হয় -পদ্ম বিভূষণ, পদ্মভূষণ এবং পদ্মশ্রী।শিল্প ক্ষেত্রে এরাজ্য থেকে পদ্মশ্রী পাচ্ছেন, অরিজিৎ সিং, গোকুল চন্দ্র দাস, তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার ও মমতা শঙ্কর। সাহিত্য ও শিক্ষায় নগেন্দ্র নাথ রায়, শিল্প ও বানিজ্যে পবন গোয়েঙ্কা ও সজ্জন ভজনকা। আধ্যাত্মবাদে স্বামী প্রদীপানন্দ (কার্তিক মহারাজ), সমাজকর্মে বিনায়ক লোহানী।আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দিকপালদের হাতে পদ্ম পুরষ্কার তুলে দেবেন।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৫
দেশ

এবার পুলিশের জালে প্রয়াত মাওবাদী নেতা কিষেনজির স্ত্রী

অবশেষে ১৩ বছর পর পুলিশের জালে ধরা পড়লেন প্রয়াত মাওবাদী নেতা মাল্লেজুল্লা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির স্ত্রী। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে তেলেঙ্গানার গোপন ডেরা থেকে কিষেণজির স্ত্রী তথা মাও নেত্রী পোথুলা কল্পনা ওরফে সুজাতাকে গ্রেফতার করেছে তেলঙ্গানা পুলিশের স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ।মাওবাদী সংগঠনের পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন কিষেণজি। তেলেঙ্গানা পুলিশ সূত্রের দাবি, কিষেণজির মতো তাঁর স্ত্রীও সংগঠনের উচ্চ পদে ছিলেন। সংগঠনের সাউথ সাব জোনাল ব্যুরোর ইনচার্জ ছিলেন সুজাতা। গত এক দশক ধরে ৬০ ছুঁই ছুঁই সুজাতাকে হন্যে হয়ে খুঁজেছে পুলিশ।সুজাতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে। সূত্রের দাবি, কিষেণজির মতো তিনিও গুলি চালানোতে অত্যন্ত পারদর্শী। দীর্ঘদিন ধরে সুজাতার খোঁজে তল্লাশিও চালানো হচ্ছিল। তবে কোথা থেকে কীভাবে গ্রেফতার তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। এর আগে ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর ঝাড়গ্রামের বুড়িশোলের জঙ্গলে বাহিনীর এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছিল মাওবাদী নেতা কিষেণজির।

অক্টোবর ১৬, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

দাদাসাহেব পুরস্কার মিঠুন চক্রবর্তী ছাড়া আর কোন কোন বাঙালির ঝুলিতে আছে?

দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার পাচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী। সিনেমাটিক কেরিয়ার অনবদ্য তাই এই পুরস্কার জুটেছে গৌরাঙ্গর। এর আগে তিনি তিন তিনটে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। পেয়েছিলেন পদ্ম ভূষণ পুরস্কার। এর আগেও একাধিক কৃতী বাঙালি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। রইল সেই তালিকা:বীরেন্দ্রনাথ সরকারঃ চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং পরিচালক হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন বীরেন্দ্রনাথ সরকার। ১৯৭০ সালে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান। কলকাতার হেয়ার স্কুলের অধ্যক্ষ পেয়ারী চরণ সরকারের প্রপৌত্র। তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা করেন। তারপরই ভারতে ফিরে সিনেমা নির্মাণে মনোযোগ দেন। পুনর্জন্ম, জিন্দা লাশ, কপালকুণ্ডলা, পল্লীসমাজ, মাসতুতো ভাই, সীতা আরও অনেক ছবির জন্য বিখ্যাত। পঙ্কজ মল্লিকঃ মহিষাসুরমর্দিনী অনুষ্ঠানের কম্পোজার পঙ্কজ মল্লিক ১৯৭২ সালে পেয়েছিলেন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। বহু ছবিতে তিনি সুরকার হিসেবে কাজ করেছেন। তবে দেবী দুর্গার আহ্বানে তাঁর যে সুর বাঙালির মনে রয়ে গিয়েছে, সেটি ভোলার নয়।ধীরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলিঃ পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি ১৯৭৫ সালে পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। হিন্দি এবং বাংলা ছবিতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে ভূষিত করা হয় দাদা সাহেব ফালকে সম্মানে। তাঁর পরিচালিত ছবির মধ্যে, বিলেত ফেরত, চরিত্রহীন, রাজিয়া বেগম, ইন্দ্রজিৎ, বিমাতা, চিন্তামনি আরও উল্লেখযোগ্য।কানন দেবীঃ বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র কানন দেবী। তাঁর সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে অভিনয় দক্ষতা ছিল অতুলনীয়। ১৯৭৬ সালে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন। মুক্তি, বিদ্যাপতি, জওয়াব, শেষ উত্তর, মেজদিদি, রাজলক্ষী ও শ্রীকান্ত, ঋষির প্রেম ছবির জন্য বিখ্যাত।নীতিন বসু এবং রাইচাঁদ বড়ালঃ নীতিন বসু এই পুরস্কার পান ১৯৭৭ সালে। বাঙালি এই পরিচালক এবং সিনেমাটোগ্রাফার দিদার, ধুপ ছায়ো, ওয়ারিস, ভাগ্যচক্র, চণ্ডীদাস ছবির জন্য বিখ্যাত। অন্যদিকে ঠিক তাঁর পরের বছর ১৯৭৮ সালে এই পুরস্কার পান রাইচাঁদ বড়াল। তিনি মিউজিক কম্পোজার।সত্যজিৎ রায়ঃ বাংলা ছবিকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে গিয়েছেন সত্যজিৎ রায়। তিনি১৯৮৪ সালে এই পুরস্কার পান। পথের পাঁচালী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় সিনেমার অন্যন্য রূপ তুলে ধরেন। তারপর, শাখা প্রশাখা, কাঞ্চনজঙ্ঘা, জলসাঘর, গুপি গাইন বাঘা বাইন, সোনার কেল্লা, নায়ক, চিড়িয়াখানা, আরও অনেক ছবি। অস্কারও পেয়েছেন এই কালজয়ী পরিচালক।মৃণাল সেনঃ বাংলা ছবির আরেক পরিচালক, আন্তর্জাতিক স্তরে বেশ জনপ্রিয়। মৃণাল সেন এই পুরস্কার পান, ২০০৩ সালে। ভুবন সোম, আকালের সন্ধানে, চালচিত্র, মৃগয়া, একদিন প্রতিদিন, কলকাতা ৭১ ছাড়াও নানা ছবির পরিচালক তিনি। মান্না দেঃ মান্না দে, যার সুরেলা কন্ঠে ভেসেছে বাংলা তথা গোটা ভারতবর্ষ, তাঁকে ২০০৭ সালে দেওয়া হয়েছিল এই পুরস্কার। একের পর এক গান তো বটেই, তাঁর সঙ্গে দুটি ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন মান্না দে।তপন সিনহাঃ খ্যাতনামা পরিচালক তপন সিনহা ২০০৮ সালে পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। কাবুলিওয়ালা থেকে শুরু করে ঝিন্দের বন্দী, আপনজন, বাঞ্ছারামের বাগান, অতিথির মত ছবি তিনি উপহার দিয়েছেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ঃ বাংলা ছবির ফেলুদা, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছিল দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। তিনি ২০১১ সালে এই পুরস্কার পান। ভারতীয় সিনেমায় তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য, এমনকি সত্যজিৎ রায়ের চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার যে পারদর্শিতা তিনি দেখিয়েছেন, তা অকল্পনীয়।এবার ওই তালিকায় আরেক নাম যোগ হলঃ মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর ভক্ত মহল আনন্দে উল্লাসিত।

অক্টোবর ০১, ২০২৪
দেশ

রেলে লাগাতার দূর্ঘটনা, সতর্ক থাকতে নির্দেশ সব মহলকে

কোনও জায়গায় রেললাইনে রাখা সিলিন্ডার, কোথাও ৭০ কেজির সিমেন্টের চাঁই ! কোথাও পরপর মালগাড়ি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা তো কোথাও যাত্রীবাহী ট্রেনের বরাত জোরে রক্ষা। বিগত কয়েক মাসে এই ধরনের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তার জেরেই সাধারণ মানুষ এখন কার্যত ট্রেনে উঠতেই ভয় পাচ্ছেন। রেল অবশ্য আগেই দাবি করেছিল যে, এইসব ঘটনায় কোনও নাশকতা নেই। তাও বিষয়গুলি একদমই হালকাভাবে নিচ্ছে না রেল। সেই মতো এবার পদক্ষেপও নেওয়া হল।দেশের সব রাজ্যের সরকার, পুলিশের ডিজি এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র সঙ্গে কাজ শুরু করেছে ভারতীয় রেল।কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মঙ্গলবার জানিয়েছেন, যারা ধারাবাহিকভাবে রেল ট্র্যাকে নানা বস্তু ফেলে দিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে তারা কোনও ভাবেই ছাড় পাবে না। এদের ধরতে কাজ শুরু হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত ফল পাওয়া যাবে। তাঁর কথায়, পরপর কিছু ঘটনা গোটা রেল পরিবারকে চিন্তিত করে তুলেছে। কিন্তু সকলেই সতর্ক হয়ে আছেন। খুব তাড়াতাড়ি দোষীদের ধরা হবে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

শ্রাবনে তারকেশ্বরে বাবা ভোলেনাথ ধাম যাবেন? পূর্ব রেলের অভূতপূর্ব উদ্যোগ, জানুন ট্রেনের সময়সূচি

তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলা পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নির্ঘণ্টর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা অসংখ্য ভক্তদের আকর্ষণ করে। যাঁরা শিবের আশীর্বাদ নিতে এবং ভক্তি ও ঐক্যের আবহে নিজেকে নিমগ্ন করতে আসেন। শ্রাবণ (জুলাই - আগস্ট) মাসে মেলা অনুষ্ঠিত হয় শিবের জলাভিষেক এর জন্য। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা শিবের জলাভিষেক এর জন্য তারকেশ্বরে আসেন। শ্রাবণী মেলার সময়, তারকেশ্বর এবং শেওড়াফুলি স্টেশনে অগুনতি ভক্তের ঢল নামে। যাঁরা উৎসব ও ধর্মীয় রীতিতে অংশ নিতে আসেন।ভক্তদের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে, পূর্ব রেলওয়ের হাওড়া বিভাগ শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে তারকেশ্বরে ছয় (৬) জোড়া অতিরিক্ত ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা হাওড়া-তারকেশ্বর শাখায় সব রবিবার, সোমবার এবং অন্যান্য উৎসবের দিনগুলিতে চলবে।হাওড়া থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত যাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য, ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনগুলি হাওড়া থেকে সকাল ০৪:০৫ এবং দুপুর ১২:৫০ এ ছাড়বে এবং যথাক্রমে সকাল ০৫:৩৫ এবং দুপুর ০২:২০ এ তারকেশ্বরে পৌঁছাবে। একই ভাবে, শিব দর্শনের পর ভক্তদের হাওড়া ফেরত নিয়ে আসার জন্য, ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনগুলি তারকেশ্বর থেকে সকাল ১০:৫৫ এবং রাত ০৯:১৭ এ ছাড়বে এবং যথাক্রমে দুপুর ১২:৩০ এবং রাত ১০:৪৫ এ হাওড়ায় পৌঁছাবে।এছাড়া শেওড়াফুলি থেকে সাধারণত পবিত্র গঙ্গার জল তারকেশ্বরে জলাভিষেকের জন্য নিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব বিবেচনা করে, পূর্ব রেলওয়ে শেওড়াফুলি এবং তারকেশ্বরের মধ্যে ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। শেওড়াফুলি তারকেশ্বর ইএমইউ স্পেশাল শেওড়াফুলি থেকে সকাল ০৬:৫৫, সকাল ০৯:২০, বিকেল ০৪:২০ এবং সন্ধ্যা ০৭:৪০ এ ছাড়বে এবং যথাক্রমে সকাল ০৭:৪৫, সকাল ১০:১৫, বিকেল ০৫:১০ এবং রাত ০৮:৩০ এ তারকেশ্বরে পৌঁছাবে। অপরদিকে, তারকেশ্বর শেওড়াফুলি ইএমইউ স্পেশাল তারকেশ্বর থেকে সকাল ০৫:৫৫, সকাল ০৮:১০, দুপুর ০২:৫০ এবং সন্ধ্যা ০৬:৪০ এ ছাড়বে এবং যথাক্রমে সকাল ০৬:৪৫, সকাল ০৯:০৩, বিকেল ০৩:৪০ এবং সন্ধ্যা ০৭:৩০ এ শেওড়াফুলিতে পৌঁছাবে।পূর্ব রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি, এই ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনগুলি তারকেশ্বরে শ্রাবণী মেলার সময় সব রবিবার, সোমবার এবং অন্যান্য উৎসবের দিনগুলিতে চালানো হবে, যেমন ১৭.০৭.২০২৪, ২১.০৭.২০২৪, ২২.০৭.২০২৪, ২৮.০৭.২০২৪, ২৯.০৭.২০২৪, ০৪.০৮.২০২৪, ০৫.০৮.২০২৪, ১১.০৮.২০২৪, ১২.০৮.২০২৪, ১৫.০৮.২০২৪, ১৮.০৮.২০২৪ ১৯.০৮.২০২৪। এই বিশেষ ট্রেনগুলি রুটের সব স্টেশনে থামবে।

জুলাই ১৬, ২০২৪
রাজ্য

স্বর্গ রথ চালিয়ে পূজা মণ্ডল সমাজকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন

সত্যি সাহসিকতার পরিচয় দিলেন বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ভয় না পেয়ে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন গুরুদায়িত্ব, পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি গাড়িচালক হিসেবেও কাজ করছেন। তবে যে সে গাড়ি নয়। বাঁকুড়ার বড়জোড়া ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির একটি শবদেহ বহনকারী গাড়ি চালাচ্ছেন পূজা মণ্ডল।মানুষের অন্তিম যাত্রার সহায়ক হলেও স্বর্গের রথ বা শববাহী গাড়িকে অবহেলার চোখেই দেখে সমাজ। বাঁকুড়াতেও রয়েছে নেতিবাচক উদাহরণ। সম্প্রতি বড়জোড়ার শব বহন করা গাড়িকে পেট্রোল দিতে চাননি পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা। টুকটাক কাজ যেমন, টায়ার সারানো কিংবা সার্ভিসিং করাতে গেলেও অনেক সময় এই গাড়িগুলির চালকদের বেগ পেতে হয়। সাধারণ মানুষের একাংশের চোখে এই গাড়িগুলি অপবিত্র এবং অস্পৃশ্য।তা সত্ত্বেও হাসিমুখে এই কাজ করে চলেছেন ছাত্রী পূজা। কিন্তু কেন? জানা যায়, নেপথ্যে রয়েছে চমকপ্রদ একটি গল্প। ২০১৪ সালে গাড়িটি কেনা হয় সংগঠনের তরফে। তখন থেকে গাড়িটি চালাতে যথেষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল চালককে। পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে গিয়েও হয়েছে ঝামেলা। এছাড়াও সিট কভার লাগিয়ে দিতেও চাননি কোনও ব্যবসায়ী। বড়জোড়া ট্যাক্সি স্ট্যান্ডেই থাকত এই স্বর্গের রথ, কিন্তু কোনও ড্রাইভারই চালাতে চাইতেন না গাড়িটিকে। এর পর পূজা মণ্ডল বড়জোড়া ব্লাড ডোনার সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত হন এবং ২০১৮ সালে প্রথম রক্তদান করেন তিনি। তার পর ২০২১ সালে দুর্গাপুরে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করতে করতেই শবদেহ বহনকারী এই গাড়ির দায়িত্ব নেন পূজা। মূলত মানুষকে সচেতন করার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত পূজার। তাঁর দাবি, আর পাঁচটা যানবাহনের মতই এটিও একটি স্বাভাবিক যান, কোনও অপবিত্র বস্তু নয়। এই চিন্তা থেকেই গাড়িটি চালানো শুরু করেন পূজা। এর পর ধীরে ধীরে চড়াই উতরাই পার করে, মানুষের মনের পরিবর্তন দেখেছেন তিনি। আগের মত আর গাড়িটি নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না।সমাজসেবা নিয়ে বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছেন পূজা। পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছেন সচেতনতার প্রচার এবং সমাজ কল্যাণমূলক কাজ। বর্তমানে পূজার নাম অনেকেই জানেন। তাঁকে উদাহরণ হিসাবে মনে রাখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর থেকে শুরু করে ভাইস চ্যান্সেলর কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পর্যন্ত সকলেই এক ডাকে চেনেন পূজাকে। বড়জোড়ার বাড়িতে তাঁর বাবা-মাও তাঁকে নিয়ে গর্বিত। পূজার মা টুম্পা মণ্ডল বলেন,আমার তো বেশ ভালই লাগে। প্রথম যখন আমার মেয়ে ঠিক করে যে গাড়িটা চালাবে, তখন খুব ভয় লাগত। এত বড় গাড়ি কি ও আদৌ চালাতে পারবে? তার পর ধীরে ধীরে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। এখন আমি খুব খুশি।বাঁকুড়ার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে শুরু করে বড়জোড়ার রাস্তাঘাটে শবদেহ বহনকারী গাড়ি চালিয়ে যান পূজা। গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে শবদেহর স্ট্রেচার টেনে বাইরে আনা পর্যন্ত একা হাতেই সামলান সব কিছু। এতে ক্লান্তি নেই, দায়িত্ব নিতে পারায় জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করেন পূজা।

জুলাই ১১, ২০২৪
বিদেশ

নিউ টাউনে খুন বাংলাদেশের এমপি আনোয়ার উল আজিম

গত ১২ তারিখ কলকাতায় আসে চিকিৎসার জন্য। এরপর সেখান থেকে নিউ টাউন এর একটি বিলাসবহুল আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নেন তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায়। বাড়ির লোক বারংবার ফোন করলেও যোগাযোগ করতে পারেনি। এরপরই বাংলাদেশ মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা বিভাগে লিখিত অভিযোগ জানানো হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। এরপরই আনোয়ার উল আজিম দেহ উদ্ধার হয় নিউটাউনের বিলাসবহুল আবাসন থেকে।পুলিশ সূত্রে খবর, খুলনার ঝিনাইদহ এলাকার চার আসনের এমপি আনোয়ার উল আজিম। তিনি যখন নিউটাউনের বিলাসবহুল আবাসনে ওঠেন তার সঙ্গে ছিল একজন মহিলা সঙ্গী সহ বেশ কয়েকজন। তবে কারা খুন করল, কেনই বা খুন করল এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে নিউটাউন থানার পুলিশ এবং বিধান নগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ ও এইচডিএফ আধিকারিকেরা তদন্তে নেমেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে আবাসনে সিসিটিভি ফুটেজ।

মে ২২, ২০২৪
রাজ্য

টানা ৩ দিন আয়কর তল্লাশি রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইয়ের বাড়িতে, ইডির হানা আরেক মন্ত্রীর ঘরে

একটানা ৩ দিন! রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে টানা তিন দিন ধরে আয়কর দফতরের টানা তল্লাশি। নিউ আলিপুরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে একটানা চলছে আয়কর দফতরের তল্লাশি। স্বভাবিকভাবেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বঙ্গ রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। এদিন বোলপুরে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।টানা ৩ দিন ধরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে আয়কর তল্লাশি চলছে। সূত্রের খবর, আপাতত টানা তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন আয়কর দফতরের অফিসাররা বাজেয়াপ্ত করেছেন। একইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্যও হাতে এসেছে আয়কর অফিসারদের।এদিকে, টানা এই তল্লাশি অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। এপ্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমে বলেন, এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া। আয়কর দফতর কঠিনভাবে সক্রিয় হয়েছে। তবে যতক্ষণ না পর্যন্ত কিছু জানা যাচ্ছে ততক্ষণ রাজনৈতিক বিতর্ক চাই না।এদিকে, লোকসভা নির্বাচনের ঠিক মুখে শুক্রবার একযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হানা দিয়েছে আর এক কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বোলপুরের বাড়ির পাশাপাশি কলকাতা শহরের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেয় ইডিনিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা ঘুরপথে বেশ কয়েকজন ব্যাবসায়ীর মাধ্যমেই সাদা করার চেষ্টা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তারই ভিত্তিতে কলকাতায় এদিন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তল্লাশি চালিয়েছে। অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার তদন্তে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার নাম উঠে এসেছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বাড়িতেও এদিন ইডি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
রাজ্য

'নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের উদ্যোগে ভোটার আওয়ার্নেস ক্যাম্প ও খেলাধুলা'

দক্ষিণ কলকাতার গড়ফা বয়েজ ক্লাবের সহযোগিতায় আনন্দপুর খেলার মাঠে ২৮ এ ফেব্রুয়ারী বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের আয়োজনে ভোটার আওয়ার্নেস ক্যাম্প র আয়োজন করা হয়। ভোট কি? ভোটার গুরুত্ব, ভোট না দিলে কি হতে পারে, মূলত এই সমস্ত বিষয় নিয়েই এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিভিন্ন স্তরের বক্তার বক্তব্য থেকে এটাই উঠে আসে যে, ভোট আমাদের একটি মৌলিক অধিকার হওয়ার পাশাপাশি আমাদের গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভোট দেওয়াটা ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যখন কোনও মানুষ ভোট দানে বিরত থাকে, তারা নিজেদের নীরব রাখে এবং তখন এই বার্তাই জানান দেয় যে, আমরা আত্মতুষ্টিতে আছি এবং তারা যেকোনো কিছুর সাথে পার পেয়ে যেতে পারে। ভোটের সময় ইদানিং এক ভয়ানক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বহু সংখক মানুষই ভোট দানে বিরত থাকছেন। এই ভোট না দিতে আসারও নানা কারণ থাকতে পারে, কেউ কেউ মনে করতে পারে ভোট কোনো ব্যাপার না, কেউ কেউ নিবন্ধিত নাও হতে পারে, কারো কাছে নির্বাচনে যাওয়ার পরিবহন নেই বা কেউ বা রাজনীতিতে আগ্রহী নন।এই সব বিষয়গুলি মাথায় রেখেই এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা উপস্থিত মানুষদের বোঝাতে চেষ্টা করেন, কিভাবে নিবন্ধন করতে হবে ও তাদের ভোটের স্থান কোথায় অবস্থিত থাকতে পারে সে সম্পর্কে কিছু তথ্য আদানপ্রদান করেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে বিবাহিত মহিলাদের কর্মসংস্থান ও শারীরিক সুস্থতার কথা মাথায় রেখে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যেখানে প্রচুর মহিলারা যোগদান করেন। এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ছিল এবারের ভোট হোক শান্তিপূর্ণ।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

ঈশ্বরচন্দ্রর দেখানো পথে বাল্য বিবাহ রোধে শপথ নিল মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ির স্কুল

বাল্য বিবাহ সামাজিক অভিশাপ। এই সামাজিক অভিশাপ দূর করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছেন বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগার। মঙ্গলবার তাঁর ২০৪ তম জন্মজয়ন্তীতে তাঁরাই দেখানো পথে ফের একবার বাল্য বিবাহ রুখতে শপথ নিল স্কুলের পড়ুয়ারা। অভিনব এই অনুষ্ঠানটি হয়ে গেল বীরভূমের রামপুরহাট থানার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার বাড়ি কুসুম্বা গ্রামের কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ে।কেন্দ্র থাকে রাজ্য সরকার বাল্য বিবাহ রোধে লাগাতার প্রচার করে চলেছে। বাল্য বিবাহের খবর পেলে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কিন্তু যে বয়সের মেয়েদের এই প্রবনতা দেখা দিচ্ছে সেই বয়সের মেয়েদেরই এবার বাল্য বিবাহ না করার শপথ গ্রহণ করালেন কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ কুমার মণ্ডল। সেই সঙ্গে বাড়ি ফিরে বাল্যবিবাহ রোধে তাদের পথে নামার পরামর্শও দেওয়া হলশুরুটা হয়েছিল গতবছর থেকে। গ্রাম্য এলাকায় কম বয়সী-ছেলে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। সেইসব দেখে বাল্য বিবাহ রুখতে উদ্যোগ গ্রহন করেন কুসুম্বা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ কুমার মণ্ডল। গতবছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রথম বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে স্কুলের পড়ুয়াদের শপথবাক্য পাঠ করার আবেদন জানান। তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে স্কুলের পড়ুয়া থেকে সহকর্মীরা।মঙ্গলবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৪ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কুসুম্বা হাইস্কুলে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগরের একটি আবক্ষ মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয় স্কুলের বাইরে। এদিন সেই মূর্তির উন্মোচন করেন রামপুরহাট বিধায়ক, ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনের পরেই বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে স্কুলের পড়ুয়াদের শপথ গ্রহন করালেন প্রধান শিক্ষক সন্দীপ মণ্ডল। অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি শপথ বাক্য পাঠ করান। তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে শপথ নিলেন স্কুলের ছাত্র ও ছাত্রীরা। একই অনুষ্ঠানে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধের পাশাপাশি স্কুলের ছাত্রদের মাদক দ্রব্য সেবন থেকে বিরত থাকারও শপথ বাক্য পাঠ করালেন বীরভূম জেলা স্কুল পরিদর্শক চন্দ্রশেখর জাউলিয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মাধ্যমিক শিক্ষার অ্যাডহক কমিটির সদস্য প্রীতম হালদার, জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক নিখিল কুমার সিনহা, এ আই অফ স্কুল গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।সন্দীপবাবু বলেন, গ্রাম বাংলায় অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা ভাঙতেই আমাদের এই পদক্ষেপ। শুধু শপথবাক্য পাঠ করাই নয়, নিয়মিত ছাত্রীদের বিষয়ে খোঁজ খবর করি আমরা। সেই সঙ্গে সারা রাজ্যে বাল্য বিবাহ রোধের বার্তা পৌঁছে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ।এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন জেলা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক চন্দ্রশেখর জাউলিয়া। তিনি বলেন, মাধ্যমিক স্তর থেকে এই বার্তা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পৌঁছে দিতে পারলে বাল্য বিবাহ অনেকাংশে কমবে। কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয় ভালো উদ্যোগ নিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

কাটোয়ায় 'দেবতার গ্রাস', মৃত পূণ্যার্থী, পরোক্ষে শব্দ দানবের হাত! অসহায় জনপ্রতিনিধি...

শিবের মাথায় জল ঢালার উদ্দশ্যে বেড়িয়ে কাটোয়ায় মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হল এক পূণ্যার্থীর। পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহরের ঢোকার কিছুটা আগে বিদ্যুতের হাইটেনশন লাইনের তারে ধাতব ত্রিশুল ঠেকে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। ২৫ শে শ্রাবন বর্ধমান শহরের অধিষ্টার্থী দেবতা বাবা বর্ধমানেশ্বরের (শিব) জলাভিষেক শোভাযাত্রায় অংশ নেন লক্ষাধিক মানুষ। সেই জলাভিষেক শোভাযাত্রা উপলক্ষ্যে বেরিয়ে প্রাণ গেল এই তরতাজা পৃণ্যার্থীর। বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর বারোটা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়া-পাঁচঘড়া বাইপাস রাস্তায়।বিদ্যুৎস্পৃষ্ট পৃণ্যার্থীকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি স্থানীয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় মানুষজন ও তাঁর সতীর্থরা। কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বছর তেইশের এই তরতাজা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত যুবকের নাম সৌরভ পন্ডিত। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে জানা যায়, মৃত পূন্যার্থী সৌরভের হাতে একটি ধাতব ত্রিশুল ছিল, উচ্চশ্বব্দ সৃষ্টিকারী ডিজে সাউন্ড সিস্টেমে গানের সাথে নাচতে নাচতে ত্রিশূলটি বিদ্যুতের হাইটেনশন তারের সাথে সংস্পর্ষ হয়ে যায় এবং সাথে সাথে সৌরভ লরি থেকে ছিটকে পড়েন। তিনি পড়ে যাওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়ে যান ওই লরিতে থাকা বাকি পৃণ্যার্থীরা।প্রতি বছর বাংলার শ্রাবণ মাসের ২৫ তারিখে বর্ধমান শহরের প্রাচীন দেবতা বর্ধমানেশ্বরের প্রতিষ্ঠা দিবস মহা সমারোহে পালন করা হয়। ওই দিন বর্ধমান শহরের লক্ষাধিক শিবভক্ত লড়ি, টেম্পো, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাইকে চড়ে কাটোয়া শহর থেকে গঙ্গা জল নেওয়ার জন্য যান। পিতল, আলুমিনিয়াম, মাটির ঘড়ায় জল ভরে তাঁরা পদব্রজে বর্ধমান শহরের উদ্দশ্যে যাত্রা করেন। পৃণ্যার্থীরা কাটোয়া থেকে জল নিয়ে সারারাত ধরে দীর্ঘ ৭০ কিমি রাস্তা পায়ে হেঁটে বর্ধমান শহরে পৌঁছে বর্ধমানেশ্বরের মাথায় জল ঢালেন।এবারেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই লক্ষাধিক পৃণ্যার্থী বিভিন্ন গাড়িতে চড়ে কাটোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন জল আনতে। সেই রকমই একটি লরিতে চড়েছিলেন বর্ধমান শহরের মিড্ডেডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা সৌরভ পন্ডিত। বৃহস্পতিবার দুপুরে সৌরভ ও তাঁর লড়ির অন্য পৃণ্যার্থীরা কাটোয়ার মড়িঘাট থেকে গঙ্গাজল ঘটে ভরে বর্ধমান শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তাঁরা কাটোয়ার জাজিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড থেকে পায়ে হেটে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জনতার কথাকে জানান, লরিতে ডিজে সিস্টেমে তারস্বরে গান বাজছিল। সেই গানের তালে তালে মৃত সৌরভ-ও নাচছিলেন। তার হাতে ছিল একটা স্টিলের (ধাতব) ত্রিশুল। লরিটি জাজিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড ছাড়িয়ে কিছুটা এগিয়ে কাটোয়া পাঁচঘড়া বাইপাসের কাছে পৌঁছাতেই এক বিকট আওয়াজ হয়। সম্বিৎ ফিরে আসতেই যানা যায়, রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের হাইটেনশন লাইনের তারের সাথে সৌরভের ত্রিশুলের সংস্পর্শে সৌরভকে গাড়ি থেকে ছিটকে ফেলে দেয়। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন সৌরভ। তার মৃত্যুতে শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে গোটা পরিবার।উল্লেখ্য, ঠিক এক বছর আগে, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানার অন্তর্গত চ্যাংড়াবান্ধার ধরলা সেতু সংলগ্ন এলাকায় ডিজের বিদ্যুতে সর্টসার্কিটে বাবা জল্পেশ মন্দিরে জল দিতে যাওয়া ১০ জন পূন্যার্থীর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর, সামাজিক মাধ্যমে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই উচ্চগ্রামে শব্দ-দানবের ব্যবহার নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্থান হয়। সেই ঘটনার পর থেকে কোচবিহার জেলা প্রশাসন জল্পেশ মন্দিরে জল ঢালতে আসা পুর্নার্থীদের ডিজে বাজানো নিষিদ্ধ করে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বর্ধমান শহরের সুস্থ, রুচিশীল ও সমাজ সচেতন মানুষ জন এই শব্দদানবের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। শহর সংলগ্ন দেওয়ানদিঘী থেকে রেল ওভারব্রিজের রাস্তার পাশে যাঁদের বাস তাঁদের অনেকেই এই মহাজাগতিক শব্দের আতঙ্কে বাস্তবিক ঘরছাড়া। তাঁদের কেউ কেউ শহরের দূরবর্তী কোনও জায়গায় দুদিনের জন্য ঠাঁই নিয়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন তাঁরা কোনও ধর্মাচরণের বিরুদ্ধে নন, কিন্তু ধর্মের নামে যে নরক যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে তাঁর তীব্র প্রতিবাদ করছেন। তাঁরা প্রশাসনের উদাসীনতা দেখে তাজ্জব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানালেন, যে অঞ্চল দিয়ে পূন্যার্থীরা এই বিকট শব্দ সৃষ্টিকারি শোভাযাত্রা নিয়ে যাবেন, তাঁর থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে জেলার সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা থাকেন। যদিও এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখে চূপ থাকেননি ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল আলম (সাহেব)। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে ডিজে সাউন্ড দানবের কাছে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অসহায় বোধ করছি.. চাইলেও কিছু করা যাচ্ছে না এখানেই সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এক জন প্রতিনিধি যদি কোট আনকোট অসহায় বোধ করেন, তখন সাধরণ মানুষের কি অবস্থা হয়? নুরুলের সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন, এখন দেখার সেই ঝড়ের দাপটে কি আদৌ শব্দ দানবের অপমৃত্যু হবে? ......

আগস্ট ১১, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

শহরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে "বঙ্গ শ্রেষ্ঠ সম্মান"

কলকাতা শহরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নতুন পুরস্কার শো বঙ্গ শ্রেষ্ঠ সম্মান। চলতি মাসে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে শিবায়া ব্যাঙ্ক্যেটে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন টলিউডের একাধিক নামকরা তারকারা। অনুষ্ঠানটি হবে রাহুল দে ও আনন্দ মেহেরা এর তত্বাবধানে। অনুষ্ঠানে থাকছে গান, নাচ ও র্যাম্প শো। অনুষ্ঠানের আরো এক প্রধান হিসাবে থাকবে পনাস ওয়েডিং এন্ড ইভেন্টস, এডি প্রোডাকশন ও ড্রিম লাইন প্রোডাকশন।ওই দিন নামী তারকাদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। এই পুরস্কারের নাম দেওয়া হয়েছে বঙ্গসম্মান শ্রেষ্ঠ সম্মান। উপস্থিত থাকবেন অভিনেত্রী রুপ্সা মুখার্জী, লাবনী সরকার, আতিউল ইসলাম, বিশ্বনাথ বসু আরো অনেকে।অনুষ্ঠানের প্রধান রাহুল দে জানান এই অনুষ্ঠান সেরা অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক ও অন্যান্য কলাকূশলীদের সম্মান জানানোর একটি প্রয়াস। আশা করছি এই অনুষ্ঠান সবার ভালো লাগবে।অনুষ্ঠানের আরো এক কর্নধার আনন্দ মেহেরা জানান এটি আমাদের প্রথম বছরের অনুষ্ঠান। আমরা পুরো অনুষ্ঠানটি ভিন্ন ভিন্ন সেক্টরে ভাগ করেছি। প্রতিটি সেক্টরে সবাই কে সম্মান জানানো হবে। আমরা খুব আশাবাদী এই অনুষ্ঠানটি নিয়ে। অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছে ওয়াও মোমো, বারবিকিউনেশান ও শিবায়া ব্যাঙ্কয়েট।

জুলাই ২৭, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal