• ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Uri

বিনোদুনিয়া

Madhuri Dixit : বিয়ের ২২ বছরের জার্নি শেয়ার করলেন মাধুরী দীক্ষিত-শ্রীরাম নেনে

আজকের দিনে ২২ বছর আগে চার হাত এক হয়েছিল বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত ও ডক্টর শ্রীরাম নেনের। ২২ তম বিবাহবার্ষিকী তে দুজনে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি সুন্দর ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে দুজনের ও পরিবারের বাকী সদস্যদের নিয়ে বেশ কিছু ছবি ছিল। মাধুরী লিখেছেন ২২ বছরের জাদুকরী একসঙ্গে।এই বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর মানুষ তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রিতেশ দেশমুখ লিখেছেন, অনেক অনেক অভিনন্দন !!! আপনাদের জন্য প্রাচুর্য এবং ভালবাসা, সুখ এবং বৈবাহিক সুখ উভয়ই কামনা করছি। গায়িকা রাজা কুমারী মাধুরী এবং শ্রীরামকে তার প্রিয় দম্পতি হিসাবে ট্যাগ করেছেন। অমৃতা খানভিলকার, অর্জুন বিজলানি, মিকি কন্ট্রাক্টর এবং অন্যরাও মাধুরী এবং শ্রীরাম নেনেকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য মন্তব্য করেছেন।শ্রীরাম নেনে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টও শেয়ার করেছেন এবং মাধুরীকে ভিতরে এবং বাইরে উভয়ই মহাবিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হিসাবে ট্যাগ করেছেন। তিনি লিখেছেন তুমি যখন মজা কর তখন সময় চলে যায় এবং আমি তোমার সঙ্গে যে ২২টি সুন্দর বছর কাটিয়েছি সে সম্পর্কে আমি ঠিক তেমনি অনুভব করি। বাড়ি যেখানেই থাকুন না কেন এবং আমি একসঙ্গে যে আশ্চর্যজনক জীবন এবং বাড়ি তৈরি করেছি তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। মহাবিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলার ভিতরে এবং বাইরে, আমার আত্মার সঙ্গী, আমার এমডি এবং আমার ভাল অর্ধেকের জন্য বার্ষিকীর শুভেচ্ছা এখান সামনে অনেক মহান বছর আছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Wall Crushed : মাটির বাড়ির দেওয়ালের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু এক, জখম দুই

ভেঙে পড়া মাটির বাড়ির দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। জখম হয়েছেন বধূর স্বামী ও ছেলে। মঙ্গলবার রাতে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার পলিগ্রামের থান্ডার পাড়ায়।মৃত বধূর নাম রাখি থান্ডার (৩৫)। ঘটনায় জখম বধূর স্বামী সুপল থান্ডার (৪০) ও ছেলে তন্ময় থান্ডার (১১) বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল পুলিশ মর্গে মৃত বধূর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। বধূর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।আরও পড়ুনঃ আইপিএলে আবার করোনার হানা, আক্রান্ত টি নটরাজনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আর্থিক ভাবে দুর্বল সুপল থান্ডারসহ তাঁর পরিবারের আটজন সদস্য মাটির দোতলা বাড়িতে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার রাতে মাটির বাড়ির দোতলার ঘরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে বাড়ির দোতলার অংশ হাঠাৎতই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়া মাটির বাড়ির দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান রাখি থান্ডার এবং তাঁর স্বামী ও ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন মাটির ভাঙা দেওয়াল সরিয়ে তিন জনকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়েযায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাখিদেবীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় বধূর স্বামী সুপল থান্ডার ও ছেলে তন্ময় থান্ডারকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য মহাদেব পাল জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মাটির বাড়িটি দুর্বল হয়ে পড়াতেই ভেঙে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। দরিদ্র পরিবারটির দিকে সবরকম সাহায্য সযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Child Fever: শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশি

অজানা জ্বরের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে উত্তরবঙ্গে। ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যুর খবর এসেছিল আগেই। এখনও পর্যন্ত এই অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিন শিশুর। গুরুতর অসুস্থ শিশুর সংখ্যা সব মিলিয়ে ৫০-এর পঞ্চাশের কাছাকাছি। সরকারি নথি অনুযায়ী ৫০০-র বেশি শিশু অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। আর এই ঘটনা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে ধরেছে। বিশেষত শিশু চিকিৎসার পরিকাঠামোর বেহাল চেহারাটা ক্রমশ সামনে আসছে। আর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আতঙ্কও। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে আরও একটি বড় দুর্নীতির আশঙ্কায় শুভেন্দুকরোনার তৃতীয় ঢেউ সামলাতে এবং শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ভবন ঘোষণা করেছিল যে গোটা রাজ্যে প্রস্তুতি চলছে। বাড়ানো হচ্ছে বেড। আইসিইউ, পিকু, নিকু সহ পেডিয়াট্রিক এক্সপার্টদের নিয়ে তৈরি হয়েছে টিম। তৃতীয় ঢেউ কবে আসবে জানা নেই। তবে জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহার সংলগ্ন এলাকায় শিশুদের এই আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাতেই বেআব্রু হয়ে পড়েছে সরকারি সেই ব্যবস্থা। হাসপাতালে গাদাগাদি করে রয়েছে শিশু এবং তাদের অভিভাবকেরা। ভর্তির জায়গা নেই। এমনই অবস্থা একাধিক জেলা ও মহকুমা হাসপাতাল কিংবা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। মূলত শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন অঞ্চলে এই জ্বরের প্রকোপে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল বা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই জ্বরে আক্রান্ত শিশুরা ভিড় করছে। কোথাও প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, কোথাও বা ভর্তি করে নেওয়া হচ্ছে। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ, জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল, বানারহাট, ধুপগুড়ি , মালবাজার, মেখলিগঞ্জ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ছোট-বড় হাসপাতালে এই মুহূর্তে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ভিড়। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর গত ১২ থেকে ১৪ দিন ধরে এই অজানা জ্বরের প্রকোপ বেড়ে চলেছে জেলাজুড়ে। উত্তরবঙ্গের চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, সঠিকভাবে সেই তথ্য জানানো হয়নি স্বাস্থ্য ভবনকে। তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। জ্বর, পেটে যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বহু শিশু। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে এই অজানা জ্বর। অথচ ১০-১২ দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করে সঠিক কারণ জানা গেল না। কেন জ্বরের কারণ জানতে এত বেশি সময় লাগছে? সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: ফোনে কথা বলছেন নার্স, ভ্যাকসিন পড়ল পর পর ৩ ডোজ!

ফের টিকা-বিভ্রাট। কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীদের গাফিলতির মাশুল দিলেন টিকা-গ্রহীতা। পরপর তিনটি ডোজ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। কানে কম শুনছেন, হাড়ের ব্যথা। অবস্থা এতটাই গুরুতর যে, হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়ির মালবাজারে।জানা গিয়েছে, মালবাজার মহকুমার নাগরাকাটা ব্লকের আঙ্গড়া ভাষা ২ নম্বর পঞ্চায়েত উত্তর ধন্ধাশিমলা এলাকার বাসিন্দা পরিতোষ রায়। পেশায় তিনি মিস্ত্রি। করোনা তৃতীয় ঢেউ-র আশঙ্কা বাড়ছে ক্রমশই। রাজ্যজুড়ে টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে জোরকদমে। নাগরাকাটা ব্লকের ধুমপাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে একটি স্কুলে চলছে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প। বৃহস্পতিবার সেই ক্যাম্পে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিতে যান পরিতোষ।আরও পড়ুনঃ ইডার দাপটে লন্ডভন্ড নিউইয়র্ক, মৃত অন্তত ৪৪এদিকে ওই ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পে কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীরা ফোনে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। ফোনে কথা বলতে বলতেই নাকি টিকা দিচ্ছিলেন তাঁরা! পরিতোষ রায়ের দাবি, ভুলবশত পরপর তিনবার অর্থাৎ একসঙ্গে টিকার তিনটি ডোজ দেওয়া হয় তাঁকে। বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন টিকা-গ্রহীতা। তাঁকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। শেষপর্যন্ত যখন শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়, তখন স্থানান্তরিত করা হয় মালবাজার সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। চিকিৎসা চলছে। রোগীকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু ঘটনাটি যদি মিথ্যা প্রমাণিত হয়, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। যদিও এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন জলপাইগুড়ির মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রমেন্দ্র নাথ প্রামাণিক। তিনি বলেন, এটা হতেই পারে না। কী কারণে অসুস্থতা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Vaccine Theft : করোনা ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে

কোভিড ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ উঠলো হাসপাতালেরই এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভুঁড়ি এলাকায়। ভুঁড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অস্থায়ী কর্মী উৎপল ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে কোভিডের ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করছিলেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাঁরা ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করা নিয়ে বৃহস্পতিবার গলসি ২ ব্লকের বিডিও এবং আদড়াহাটী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উৎপল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর।গলসির ভুঁড়ি এলাকার বাসিন্দা গোপিনাথ মুখোপাধ্যায়, রাজু মল্লিক, আসগর মল্লিকরা জানান, বুধবার ভুঁড়ি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের ক্যাম্প ছিল। সেখানে ১৯৭ জনের ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২৭ জন ভ্যাকসিন পাননি। তাঁদের পরের ক্যাম্পের দিন ভ্যাকসিন দেওয়া হবে জানিয়ে টোকেন দেন হাসপাতাল কর্মী উৎপল ঘোষ ও আশা কর্মীরা। বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ২৭ জন লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন না পেলেও ওইদিন সাতটি ভ্যাকসিন উৎপল তাঁর বাড়িতে নিয়ে চলে যায়। অর্থের বিনিময়ে হাসপাতাল কর্মী উৎপল সরকারি ভ্যাকসিন বিক্রি করেন বলেও বাসিন্দরা অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়ে আদড়াহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিএমওএইচ জসিমউদ্দিন হাজারীকে ফেন করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
কলকাতা

Gauri Ghosh: প্রয়াত বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষ

আবৃত্তি জগতে নক্ষত্রপতন।প্রয়াত বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষ। বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত কারণে ভুগছিলেন তিনি। বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে গত সাতদিন ধরে ভেন্টিলেশনে ছিলেন । বৃহস্পতিবার সকাল ৮.৫৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গৌরী ঘোষ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।রেডিও উপস্থাপক হিসাবে আকাশবানীতে যোগদান করেছিলেন গৌরী ঘোষ। দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন রেডিওর সঙ্গে। পার্থ ঘোষ-গৌরী ঘোষ আবৃত্তি জগতের অন্যতম সেরা জুটি। তাঁদের হাত ধরেই আবৃত্তি জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছিল। তাঁদের হাত ধরেই কবিতা পৌঁছে গিয়েছে বাঙালির ঘরে ঘরে। রেডিওর পাশাপাশি অনেক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে কবিতা পাঠ করেছেন এই জুটি। একাধিক সিডিও ক্যাসেটও রয়েছে তাঁদের। এই জুটির জনপ্রিয়তা ছিল আকাশছোঁয়া। শিল্পীর মৃত্যুতে স্বভাবতই শোকের ছায়া সংস্কৃতি মহলে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Poison: মুখে বিষ ঢেলে সৎ মাকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ছেলে ও বৌমা

মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে সৎ মাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ছেলে ও বৌমা। মাতৃ হত্যার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কালাড়াঘাট গ্রামে। পেশায় আশা কর্মী মা মণিকা বোস (৪৫)কে খুনের অভিযোগে ধৃতরা হল ছেলে সুভাষ বোস ওরফে বাবাই ও বৌমা আল্পনা বোস। মৃত ও ধৃত সকলেরই বাড়ি কালাড়াঘাট গ্রামে। মঙ্গলবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে মৃতার দেহের ময়না তদন্ত হয়। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন মৃতার বাবা কাশিনাথ নন্দী ও তাঁর পরিজনরা।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদলমৃতা আশা কর্মী মণিকা বোসের বাপের বাড়ি জামালপুর থানা সন্নিকটে হাওয়াখানা পাড় এলাকায়। মণিকাদেবীর বাবা কাশীনাথ বাবু এদিন জানান, কালাড়াঘাট নিবাসী দিলীপ বোসের স্ত্রী পুত্রসন্তান সুভাষকে জন্ম দেওয়ার কয়েক বছর বাদ মারা যান। এরপর সংসার সামলানো ও নাবালক সন্তান সুভাষকে প্রতিপালনের জন্য ব্যবসায়ী দিলীপ বোস পুনর্বিবাহের মনস্থির করেন। বছর ১৬ আগে তাঁর মেয়ে মণিকার সঙ্গে বিয়ে হয় দিলীপ বোসের। মণিকা নিজে নিঃসন্তান থেকে গিয়ে সুভাষকে পুত্র স্নেহে বড় করে তেলেন। বছর ১০-১১ আগে দিলীপ ঘোষ মারা যান। তারপরেও সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। সংসারে অশান্তি তৈরি হয় সুভার তাঁর সৎ মা মণিকা দেবীর মতামতকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিছের ইচ্ছায় ছয় মাস আগে বর্ধমানের বড়শুলের তরুণী আল্পনাকে বিয়ে করার পর থেকে। এই বিয়ে মেনে নিতে না পেরে মণীকাদেবী কালাড়াঘাটের একই বাড়িতে আলাদা থাকছিলেন।আরও পড়ুনঃ সুপার ড্যান্স শো তে ফিরলেন শিল্পাকাশীনাথ বাবু বলেন, সোমবার বিকালে সুভাষ তাঁকে ফোন করে জানায়, মা (মণীকা) কেমন করছে। এমনটা শুনেই তিনি মেয়ের বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন বাড়ির মেঝেতে মণিকা ছটফট করছে। মেয়ে মণিকার শরীরে আঘাতের দাগও দেখতে পান। কাশীনাথবাবু জানান, শারীরিক ওই কষ্টের মধ্যেই মেয়ে মণিকা তাঁকে জানায় মারধোরের পর তাঁর মুখে বিষ জাতীয় কিছু ঢেলে দিয়েছে ছেলে সুভাষ ও তাঁর বৌ আল্পনা। এমনটা শোনার পরেই পরিবারের লোকজন মণিকাদেবীকে দ্রুত জামালপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মণিকাদেবীকে মৃত বলে জানান।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরএই ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে সোমবার রাতেই কাশীনাথ নন্দী জামালপুর থানায় সুভাষ ও তাঁর স্ত্রী আল্পনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খা জানিয়েছেন, দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে সুভাস বোস ও তাঁর স্ত্রী আল্পনার বিরুদ্ধে খুনের মামালা রুজু হয়েছে। এদিন তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত দুজনকেই বুধবার পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
কলকাতা

Independence Security: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢেকেছে শহর

রবিবার স্বাধীনতা দিবস। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে কলকাতাকে। নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, কলকাতার নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবেন প্রায় চার হাজার পুলিশকর্মী। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেড রোডে নিরাপত্তা আটোসাঁটো করা হয়েছে। রেড রোডে তিনটি ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করেছে কলকাতা পুলিশ। সেখান থেকেই নজর রাখা হবে। রবিবার রাস্তায় থাকবেন ১১ জন ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিক। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকির দায়িত্বে থাকছেন অতিরিক্ত নগরপাল দময়ন্তী সেন।লালবাজার সূত্রে খবর, রেড রোড এবং গোটা কলকাতার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ২৩টি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে। প্রত্যেকটি গাড়ি পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রায় ৫০০টি অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে রেড রোড ও আশেপাশের এলাকায়। এছাড়াও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ। কলকাতার বিভিন্ন হোটেল ও গেষ্ট হাউসে তল্লাশি চলছে। কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় টহল দেবে পর্যাপ্ত পরিমান হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড। করোনা অতিমারির মধ্যেই এবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হবে। তাই বাড়তি সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। কোভিডবিধি মেনে এবার রেড রোডে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ থাকছে। তবে রাজ্যের মন্ত্রীরা সহ আমন্ত্রিত অতিথিরা থাকবেন অনুষ্ঠানে। দুরত্ববিধি মেনেই তাঁদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার অবশ্য ট্যাবলো ফিরছে কুচকাওয়াজে। মোট ৪০ মিনিটের একটি অনুষ্ঠান করা হবে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গি কোভিড বিধি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে অনাড়ম্বরভাবেই দেশের ৭৫-তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। অতিমারির আবহে গত বছরেও স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল সাদামাটা। এবারও দর্শকহীন রেড রোডে মাত্র শ খানেক অতিথির উপস্থিতিতে মিনিট ৪০-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। যদিও স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তির বিশেষ গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে শোভাযাত্রায় ট্যাবলোর সংখ্যা কিছু বাড়ছে। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষকবন্ধু, জল স্বপ্ন, খেলা দিবস- এর মতো নতুন প্রকল্পগুলি মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে ৯ থেকে ১০টি ট্যাবলো। এছাড়া তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং একতাই সম্প্রীতির ওপর ট্যাবলো বানানো হচ্ছে। কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের তরফে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফের ওপরে থাকছে বিশেষ ট্যাবলো। এবারেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করছে না। গান শোনাবে লোকপ্রসার শিল্পের বাউলের দল। পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এর পরে পুলিশ মেডেল প্রদান করবেন তিনি।কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের সুসজ্জিত টুকরি অংশ নেবে মার্চপাস্টে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
দেশ

Puri: খুলছে পুরীর মন্দির, কী কী নিয়ম মানতে হবে জানুন

ভক্তদের দর্শন দেবেন প্রভু জগন্নাথ। আগামী ১৬ অগস্ট থেকে খুলছে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির। প্রথমে ১৬ অগস্ট থেকে শুধুমাত্র স্থানীয়দের জন্য খোলা হচ্ছে মন্দির। সবার জন্য খোলা হবে ২৩ অগস্ট থেকে। বুধবার শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তবে মন্দিরে ঢুকতে গেলে মানতে হবে অনেক নিয়ম। তৈরি করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল বা এসওপি।আরও পড়ুনঃ বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানেমন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীদের হয় টিকাকরণের সংশাপত্র, নয়তো কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট দেখাতে হবে। প্রতি সপ্তাহে শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে মন্দির। কারণ ওই দুদিন পুরীতে লকডাউন থাকে। শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান কৃষ্ণ কুমার বলেন, আমরা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল তৈরি করেছি। সেই নিয়ম মানতে হবে। মন্দিরের বাইরে কিয়স্ক তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ভক্তদের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বা টিকাকরণের সংশাপত্র দেখাতে হবে। শনি ও রবিবার ছাড়াও বিশেষ বিশেষ দিনে ভিড় এড়াতে মন্দির বন্ধ থাকবে। মন্দির দর্শনের সময়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভগবান দর্শন করা যাবে। ভক্তদের মন্দিরের ভিতরে ভোগ প্রদান করতে বা প্রদীপ জ্বালাতে নিষেধ করা হয়েছে। মন্দিরের মধ্যে কোনও বিগ্রহ স্পর্শ করতেও নিষেধ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পরে গত ২৪ এপ্রিল থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জগন্নাথ মন্দির। রথযাত্রা উপলক্ষেও ভক্তদের উপস্থিত থাকার অনুমতি ছিল না।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

Eco-Tourism: গলসির ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার প্রস্তাব, পরিদর্শন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টার

ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার প্রস্তাব পেয়ে মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভরতপুর এলাকা পরিদর্শন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এলাকা পরিদর্শনে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন গলসি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস, পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায় ও স্থানীয় চাকতুঁতুল গ্রাম পঞ্চায়েতর প্রধান অশোক ভট্টাচার্য। মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা এলাকা পরিদর্শনে আসায় বেজায় খুশি গলসি ১ ব্লক প্রশাসনের কর্তারা। তাঁরা প্রত্যাশা করছেন ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার ব্যাপারে খুব শিঘ্র রাজ্য সরকারের সবুজ সংকেত মিলে যাবে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনগলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতি সহ-সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, চাকতেঁতুলে গ্রাম পঞ্চায়েতের ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার জন্য আমরা রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠাই। সেই প্রস্তাব পেয়ে এদিন চাকতেঁতুল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভরতপুর এলাকার জমি ও বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুপ বাবু বলেন,ভরতপুর এলাকায় বহু পুরাতন বৌদ্ধ স্তুপ রয়েছে। এছাড়াও এলাকায় রয়েছে দামোদর নদে রনডিহা ব্যারেজের মনোরম সৌন্দর্য্য। যা দেখতে প্রায় প্রতিদিনই বহু মানুষ সেখানে ভিড় জমান। এছাড়াও এলাকায় রয়েছে বুজে যাওয়া গাঙ্গুর নদীর পাশের কসবা গ্রাম। যার উল্লেখ রয়েছে মনসামঙ্গল কাব্যে। ওই জায়গায় রয়েছে চাঁদ সওদাগরের শিব মন্দির ও বেহুলা লক্ষ্মীন্দরের স্মৃতি বিজড়িত লোহার বাসর ঘর। কালক্রমে লোহার ঘরটি বিলুপ্ত হয়ে গেলেও চাঁদ সদাগরের সেই শিব মন্দির আজও তদানীন্তন কালের ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। এইসব কিছুই যুগ যুগ ধরে এলাকার পৌরাণিক ইতিহাসকে ধরে রেখেছে। তাই এমন ইতিহাস প্রসিদ্ধ জায়গায়আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালপর্যটক আকর্ষণ বাড়াতে ইকো টুরিজম সেক্টরের গড়ার প্রস্তাব রাজ্য সরকারকে পাঠানো হয়। বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দুজনেই আশাবাদী ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার ব্যাপারে রাজ্য সরকার সবুজ সংকেত দেবে। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও এদিন সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই বিষয়ে কিছু স্পষ্ট করেননি ।

জুলাই ২৭, ২০২১
দেশ

Himachal-landslide: হিমাচলে চোখের নিমেষে নামল ধস, মৃত ৯

হিমাচল প্রদেশের কিন্নরে ভয়াবহ ভুমিধসে মৃত কমপক্ষে ৯ জন পর্যটকের। আহত হয়েছেন আরও তিন জন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।কিন্নরের পুলিশ সুপার রাজু রাম রানা বলেন, মৃত ও আহতরা প্রত্যেকেই পর্যটক। ভূমিধসের সময় তাঁরা সেতুর কাছে গাড়ির মধ্যে ছিলেন। সেখানেই ধাক্কা মারে বোল্ডারগুলি। আহতদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বোল্ডারের ধাক্কায় বাতসেরি সেতু সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে নেটমাধ্যমে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ের উপর থেকে গড়িয়ে পড়ছে অসংখ্য বড় বড় বোল্ডার। সেগুলি এসে নীচে একটি সেতুতে ধাক্কা মারে। এ ছাড়া সেতুর পাশে থাকা গাড়িগুলিতেও ধাক্কা মারে বোল্ডারগুলি। আশপাশে থাকা অনেককেই ভয় পেয়ে পালাতে দেখা যায় ভিডিওতে।আরও পড়ুনঃ পেয়ারা বিক্রেতা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরাভূমিধসের পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছে চিকিৎসকদের একটি দল। রয়েছে পুলিশও। আগামী কয়েক দিন হিমাচল প্রদেশে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। সেই পূর্বাভাস মেনে সতর্কতাও জারি করে প্রশাসন। যদিও তার মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটল সেখানে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা জানিয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২১
রাজ্য

Accident: তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুর

বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গাড়িতে চড়ে তারাপীঠে পুজো দিতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতর নাম ধৃদীপ্ত শীল(২৩)। বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন মৃতর বন্ধু বিভাস দাস। রবিবার বেলায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার আঝাপুর এলাকায় ২ জাতীয় সড়কে। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশ ক্রেনের সাহায্যে দুমড়ে মুচরে যাওয়া চারচাকা গাড়ি থেকে মৃত যুবকের দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি তাঁর বন্ধুকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গড়িটি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃদীপ্ত শীলের বাড়ি কলকাতার হাতিবাগান এলাকায়। তাঁর বন্ধু বিভাস দাস শিলিগুড়ির বাসিন্দা। এদিন চার চাকা গাড়িতে চড়ে দুই বন্ধু তারাপিঠ যাচ্ছিল। পথে আঝাপুরে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিভাস জানিয়েছে, ধৃদীপ্তর সঙ্গে তারাপিঠে পুজো দিতে যাবেন বলে তিনি শনিবার শিলিগুড়ি থেকে ধৃদীপ্তদের কলকাতার বাড়িতে পৌছান।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকএদিন সকালে তাঁরা দুজনে চারচাকা গাড়িতে চড়ে কলকাতা থেকে তারাপীঠের উদ্দেশ্যে রওনা হন। গাড়ি চালাচ্ছিল ধৃদীপ্ত। দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময়ে ধৃদীপ্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি ট্রাকের পিছনে সজোরে ধাক্কা মেরে বসে। তার জেরে গাড়িটির চালকের আসনের দিকের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। বিভাস জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় তাঁর বন্ধু ধৃদীপ্ত ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়। বিপরীত পাশে বসে থাকার কারণে সামান্য আঘাত লাগলেও ভাগ্যের জোরে তিনি প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন বলে জানিয়েছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shooting : লকডাউনের পর শুটিং-এর অভিজ্ঞতা জানালেন মাধুরিমা চক্রবর্তী

লকডাউনের পর শুরু হয়েছে সিরিয়ালের শুটিং। উপযুক্ত নিয়মাবলী মেনেই চলছে বাংলা মেগার শুটিং। সব প্রোটেকশন নিয়েই ফ্লোরে হাজির হচ্ছেন অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে পরিচালক, ক্যামেরাম্যান, মেক-আপ আর্টিস্ট সহ শুটিং এর সঙ্গে যুক্ত বাকীরাও।আরও পড়ুনঃ মৌবনী যখন লেখিকালকডাউনের পর শুটিং-এ যাচ্ছেন জীবনসাথী ধারাবাহিকের নিধি বসু অর্থাৎ অভিনেত্রী মাধুরিমা চক্রবর্তী। তার শুটিং কেমন চলছে বা কতটা চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হচ্ছে পুরোটাই শেয়ার করলেন জনতার কথা-র সঙ্গে।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?অভিনেত্রী জানালেন,আফটার লকডাউন এই যে মেক-আপ করে মাস্ক পড়ে আমার ১৪ঘন্টা ডিউটি করতে হয় সেটা হরিবেল। আমরা যে কাজটা করি সেটায় মেক-আপ টাই সব। মেক-আপ ছাড়া করতে পারবো না। মেপ-আপ করার পর মাস্ক পড়লে যে সমস্যাটা হচ্ছে মেক-আপ ঘেঁটে যাচ্ছে, স্টে করছে না। আমাদের আগে যেখানে দিনে দু-তিনবার টাচআপ করতে হতো সেখানে ১০-১২ বার টাচ-আপ করতে হচ্ছে। সেটা ভীষণভাবে প্রব্লেম্যাটিং।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকতিনি আরও জানান,আগে আমাদের ল্যাপেল দেওয়া হত কিন্তু এখন সেটা দেওয়া হচ্ছে না। কারণ আমরা বডি কন্ট্যাক্ট ব্যাপারটাকে অ্যাভয়েড করছি। বুম ধরা হচ্ছে। সাউন্ড টা প্রপার আসছে না। তাছাড়া সেটে ৫০ জনের বেশি আমরা অভিনয় করতে পারছি না। ইন্টিমেট সিন করা যাচ্ছে না। এরকম অনেক প্রবলেম আমাদের ফেস করতে হচ্ছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর দেহরক্ষীর 'রহস্যমৃত্যু'র তদন্তে সিআইডি

৭২ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তভার কাঁধে নিল সিআইডি। ২০১৮ সালে ১৩ই অক্টোবর কাঁথির পুলিশ ব্যারাকে মাথায় গুলি লেগে নিহত হন তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী (Security) শুভব্রত চক্রবর্তী (Subhabrata Chakraborty)। ঘটনায় শুক্রবারই কাঁথি থানায় (Kanthi) নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের হয়। স্বামীকে খুনের অভিযোগ তুলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় এফআইআর দায়ের করেন শুভব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা চক্রবর্তী। সোমবারই শুভব্রতর মহিষাদলের বাড়িতেও যাওয়ার কথা গোয়েন্দাদের।আরও পড়ুনঃ রথের রশি টানতে না পারার অক্ষমতায় বেদনাতুর শিক্ষক জগন্নাথ, এ এক মর্মস্পর্শী সংগ্রামের কাহিনীসুপর্ণার অভিযোগ পেয়ে কাঁথি থানায় ৩০২ এবং ১২০বি ধারায় এফআইআর দায়ের হয়। নিজের অভিযোগপত্রে একগুচ্ছ প্রশ্নে কার্যত শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন সুপর্ণা। সেই সঙ্গে তাঁর স্বামীর মৃত্যু-রহস্যের পিছনে প্রকৃত সত্য উদঘযটনের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, এফআইআরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের স্ত্রী। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিরাপত্তায় থাকাকালীন কীভাবে গুলিবিদ্ধ হলেন শুভব্রত চক্রবর্তী (Suvabrata Chakraborty)? কেন তাঁকে দেরি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল? জানতে চেয়েছেন তিনি। এদিকে আড়াই বছর পর কেন এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুনঃ অনাড়ম্বরেই মাসির বাড়ি যাচ্ছেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাএই মর্মে তিনি আগেই বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারীকে ভয় দেখিয়ে এসব হবে না। সোজাসুজি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলুন, শুভেন্দু অধিকারী তুমি আমাকে নন্দীগ্রামে হারিয়ে দিয়েছো। তাই ৩ মাস বা ৬ মাস জেলে থাকতে হবে। তিনি বয়সে বড়। যেদিন বলবেন তাঁর ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে কদিন জেলে কাটিয়ে আসব।

জুলাই ১২, ২০২১
দেশ

Rath Yatra: অনাড়ম্বরেই মাসির বাড়ি যাচ্ছেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা

রথযাত্রা মহা ধুমধাম, ভক্তরা পথে লুটায়ে করিছে প্রণাম...কথন অনুসারে মহামারি আবহে এবার আর জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার রথের সামনে প্রণাম তো দূর, রথের রসি ধরার অনুমতিও নেই কোনও ভক্তেরই। জগন্নাথ ধাম পুরীতে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই সাজো সাজো রব শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিধিবাম। টিভির পর্দায় জগন্নাথ দর্শন ছাড়া আর উপায় নেই। করোনাবিধির কড়াকড়ির জন্য এবার ওডিশা সরকার ১৪৪ ধারা জারি রেখে নিয়মরক্ষার রথযাত্রার অনুমতি দিয়েছে। নির্দিষ্ট আচার মেনেই হবে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার মাসির বাড়ির যাত্রা। নানা উপাচারের মাধ্যমে সেজে উঠেছে তিনটি রথ-নান্দিঘোষ, তালধ্বজ ও নীলদর্পনা। এই রথে চড়েই গুণ্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দেবেন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা। আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণের গত বছরের পুনরাবৃত্তি না হয়ে এবার হয়ত জগন্নাথদেব রথে চড়ে মাসির বাড়ি যাবেন, রথের দড়ি টেনে মাসির বাড়ি পৌঁছে দেবেন ভক্তকূল। এমনটাই সবাই ভেবেছিলেন। কিন্তু, ওই যে বলেনা, মানুষ চাইলেই সব হয় না, ভগবান যা চাইবেন তাই হবে (Man proposes, God disposes)। হলটাও তাই।বাধ সাধল সেই করোনা। যেভাবে করোনার করাল থাবা মানুষের স্বাভাবিক জীবনে প্রভাব ফেলেছে। তাতে শুধু পুরীতে নয়, সারা দেশের পাশাপাশি রাজ্যের রথযাত্রাতেও তার প্রভাব পড়েছে। রাজ্যের বহু প্রাচীন রথযাত্রা শুধুমাত্র নিয়মরক্ষা হিসেবেই রয়ে গিয়েছে। তা নিয়ে মানুষের উৎসাহ এবার বিফলে গিয়েছে। কথায় বলে, জগন্নাথ জগতের নাথ। জগতের সব ভালোতে-মন্ততে তাঁরই হাত রয়েছে। হয়তো এইভাবে মাসির বাড়ির যাত্রার পিছনেও তাঁরই কোনও লীলা রয়েছে। এমনটা ভেবেই মনে মনেই এবার জগন্নাথ সেরে ফেলবেন অনেকেই।

জুলাই ১২, ২০২১
নিবন্ধ

Jagannath: রথের রশি টানতে না পারার অক্ষমতায় বেদনাতুর শিক্ষক জগন্নাথ, এ এক মর্মস্পর্শী সংগ্রামের কাহিনী

জন্মের সময় থেকেই দুটি হাত নেই। সেই কারণে সাধ থাকলেও প্রভু জগন্নাথ দেবের রথের রশি টানতে পারেন না প্রতিবন্ধী জগন্নাথ বাউরী। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের এই জগন্নাথ রথের দিন প্রভু জগন্নাথদেব স্মরণে ব্রতী হন ঠিকই । তবে দুই হাত না থাকার কারণে রথের রশি টানতে না পারাটা রথের দিনে তাঁকে বড়ই বেদনাতুর করে তোলে।আরও পড়ুনঃ মাতৃ দিবস ও রবীন্দ্রনাথআউসগ্রাম ১ ব্লকের বেরেন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলুটি গ্রামে বাড়ি বছর আটত্রিশের জগন্নাথ বাউরীর। তিনি বাড়ির বড় ছেলে। তাঁর ছোট ভাইয়ের নাম বলরাম। জগন্নাথ বাবু জানান, জন্মের সময় থেকেই তাঁর দুটি হাত নেই। তখন থেকেই তাঁদের গ্রামের লোকজন প্রভু জগন্নাথ দেবের সঙ্গে তাঁর তুলনা করতে শুরু করে। এমনকি তাঁর বাবা লক্ষণচন্দ্র বাউরী ও মা সুমিত্রা বাউরীও মনে করতেন প্রভু জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদে একদিন তিনি নিজের পায়ে দাঁড়াবেন। তাঁকে স্কুলে ভর্তি করার জন্য শৈশবে তাঁর বাবা নিয়ে যান বেলুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভূতনাথ পাল মহাশয় তাঁর বাবাকে বলেন, প্রভু জগন্নাথ দেবকে স্মরণ করে তোমার ছেলের নাম রাখ জগন্নাথ। তাঁর বাবা প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের সেই কথা মেনে নেন। এরপর থেকে জগন্নাথ বাউরী নামেই তাঁর পরিচিতি হয়। ওই নামেই প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হয় তাঁর লেখাপড়া জীবন।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরযুগ বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়েই বদলেছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ধরন ধারন। কিন্তু বিশ্বাস ও ভক্তি ভাবে কোনও বদল আসেনি বাউরী পরিবারে । দিন আনা দিন খাওয়া বাউরী পরিবারের সকলে আজও সব কাজে তাই প্রভু জগন্নাথ দেবের প্রতি ভরসা রেখেই চলেন। একসময়ে জগন্নাথবাবুর বাবা ও মা ক্ষেতমজুরির কাজ করে বহু কষ্টে সংসার চালাতেন। জগন্নাথ বাবু জানান, তাঁর পা ধরে পায়ে পেন্সিল গুঁজে দিয়ে তাঁকে বাংলা ও ইংরেজি অক্ষর লেখা শিখিয়েছিলেন বেলুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভূতনাথ পাল। পায়ে করে লেখা শিখতে পারার পরেই তাঁর লেখাপড়া শেখার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়। এরপর থেকে শত কষ্টের মধ্যেও তিনি লেখাপড়া চালিয়ে যান। সাফল্যের সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তিনি বেসিক ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হন। ট্রেনিং সম্পূর্ণ হওয়ার পর তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি পান।বিগত প্রায় ১২ বছেররও বেশী সময়কাল ধরে তিনি আউসগ্রামের জয়কৃষ্ণপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। জগন্নাথ বাবু বলেন ,পায়ের আঙুলে চক পেনসিল গুঁজে নিয়ে তিনি পায়ে করেই বোর্ডে লিখে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের পড়া বোঝান । তা নিয়ে কোনও অবিভাবক বা পড়ুয়া কেউ কোনদিন আপত্তি তোলেনি। বরং তাঁরা তাঁর পড়ানোটাকেই মান্যতা দিয়েছেন।বিদ্যালয়ের সহকর্মী ছাত্র-ছাত্রীরাও সকলে তাদের প্রিয় জগন্নাথ স্যারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরশিক্ষক জগন্নাথ বাউরী তাঁর সংসার জীবনের দায়দায়িত্বও যথাযথ ভাবে পালন করেন। স্ত্রী লক্ষী বাবা-মা-ভাই-বোন সকলকে নিয়ে এখন জগন্নাথ বাবুর ভরা সংসার। এই বাউরী পরিবার রথযাত্রা উৎসবের দিনটি ভক্তি সহকারে পালন করেন। জগন্নাথ বাউরী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, প্রভু জগন্নাথ দেবের দুটি হাত নেই। একইভাবে জন্মের পর থেকে তাঁরও দুটি হাত নেই। তিনি দেবতা জগন্নাথ দেব হতে না পারলেও তাঁর শারীরিক গঠন জগন্নাথ দেবের মতই। তাই জ্ঞান হবার পর থেকে প্রভু জগন্নাথ দেবকে তিনি তাঁর আরাধ্য দেবতা বলে মেনে আসছেন। সেই কারণেই প্রতিবছর তিনি রথযাত্রা উৎসবের দিনে প্রভু জগন্নাথ দেবের প্রার্থনা করেন। জগন্নাথবাবুর আক্ষেপ, দুটি হাত নেই বলে আমি রথের রশি টানতে পারি না। এই বিষয়টি আমাকে বড়ই ব্যথিত করে। সাধ থাকলেও রথের রশি টানার বাসনা হয়তো এই জীবনে আর পূরণ হবেে না।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজ্য

Eco-Tourism: পর্যটক টানতে শান্তিনিকেতনের পথে রাজ্যের উদ্যোগে ইকো ট্যুরিজম

সরকারি দুটি প্রকল্পের উদ্বোধন করতে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এদিন তিনি ভাতারের ওড়গ্রামে সমন্বয়ী প্রকল্পের জায়গায় গড়ে ওঠা ইকো ট্যুরিজম হাবের উদ্ধোধন করেন। এছাড়াও মাছের ডিম থেকে চারাপোনা তৈরির যে প্রকল্প ভাতারে গড়ে তোলা হয়েছে তারও উদ্বোধন এদিন করেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। পঞ্চায়েতমন্ত্রী ছাড়াও রাজ্যের প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন দফতরের বিশেষ সচিব সৌম্যজিৎ দাস, ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী, ভাতারের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তপন সরকার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশগ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বিশেষ সচিব সৌম্যজিৎ দাস জানান, ভাতারে গড়ে ওঠা হ্যাচারিতে বিভিন্ন প্রজাতির চারাপোনা উৎপাদন হবে। বছরে প্রায় ৪ কোটি চারাপোনা এখান থেকে উৎপাদন হবে। সেই চারাপোনা সুলভমূল্যে বিক্রি করা হবে এলাকার মৎসচাষিদের। তাতে সরকারের আয়ের পাশাপাশি মৎসচাষেও অগ্রগতি ঘটাণো সম্ভব হবে। ওড়গ্রামে সমন্বয়ী প্রকল্পের মধ্যেও এদিন একটি হ্যাচারির উদ্বোধন করা হয়।পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, ওড়গ্রামে সমন্বয়ী প্রকল্পের মধ্যে প্রচুর জমি রয়েছে। আমরা চাই এইসমস্ত জায়গাগুলির যাতে সদব্যবহার করা হয়। তাতে এখানকার গ্রামীণ এলাকার অর্থনীতির উন্নতি হবে। এলাকারও গুরুত্ব বাড়বে।পাশাপাশি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও হবে।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিভাতারের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তপন সরকার জানিয়েছেন, ওড়গ্রামে সমন্বয়ী প্রকল্পের স্থানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাতে তৈরি জিনিসপত্র বিপণনের জন্য ব্যবস্থা করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে দফতরের পক্ষ থেকে। একসময়ে ভাতারের ওড়গ্রামে সমন্বয়ী নামে জেলাপরিষদ পরিচালিত বহুমুখী প্রকল্প ছিল। কিন্তু এই প্রকল্প বহুদিন ধরেই ধীরে ধীরে ধ্বংস হতে বসেছিল। সম্প্রতি রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ প্রকল্প পুনুরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেয়।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের মেয়ের রাজ্য স্তরে সাফল্যওড়গ্রামে সমন্বয়ীর প্রায় ২২ বিঘা পুকুরের পাড়ের ওপর তৈরী হয়েছে একটি ইকো পার্ক। এই ইকো পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। বর্ধমান সিউড়ি ২ বি জাতীয় সড়কের কাছেই ওড়গ্রাম জঙ্গলমহলে এই ইকোপার্ক তৈরি হয়েছে । সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সরকারের এই ইকোপার্ক নিয়ে বৃহৎ চিন্তাভাবনা রয়েছে। এখানে চারটি কটেজ তৈরি হবে। প্রতিদিনই ২ বি জাতীয় সড়ক দিয়ে বহু পর্যটক যাতায়াত করেন। তারা ইছাই ঘোষের দেউল, বর্ধমানের ১০৮ শিবমন্দির, আউশগ্রামের ভাল্কি মাচানসহ একাধিক পর্যটনকেন্দ্রে যান। ওড়গ্রামে ইকোপার্ক তাদের কাছে আকর্ষণ বাড়াবে। পর্যটকদের কথাই চিন্তা করে ওড়গ্রামে কটেজ তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের খাওয়া দাওয়ার সুবিধার্থে ক্যান্টিন থাকবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ক্যান্টিন পরিচালনা করবেন।

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

Lord Jagannath: ভক্তদের অনুপস্থিতিতে শুরু জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা

গতবছর করোনার (Corona Pandemic) প্রথম ঢেউয়ের কারণে ইতিহাসে প্রথমবার ভক্তদের ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছিল পুরীর (Puri) জগন্নাথ দেবের (Lord Jagannath) স্নানযাত্রা। বছর ঘুরতেও ছবিটা বদলাল না। দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হলেও আছড়ে পড়েছে মারণ ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। আর তাই রথযাত্রার আগে রীতি মেনে এবারেও জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার আয়োজন করা হলেও, তাতে থাকছেন না কোনও ভক্ত। এমনকী, রাজ পরিবারের ঘনিষ্ঠ কর্মচারী কোভিডে আক্রান্ত হওয়ায় থাকবেন না পুরীর গজপতি রাজা দিব্যসিংহ দেবও। যদিও প্রস্তুতিতে কোনও খামতি নেই। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রীতি মেনে সমস্ত কিছুর আয়োজন শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, স্নানযাত্রায় অনূর্ধ্ব ৫০০ জন সেবায়েত কোভিড-পরীক্ষা করিয়ে আচার সম্পন্ন করার অনুমতি পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দ্রুত উপনির্বাচনের আর্জি মুখ্যমন্ত্রীরকথিত আছে, জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে স্বয়ম্ভু মনুর যজ্ঞের প্রভাবে আবির্ভূত হয়েছিলেন প্রভু জগন্নাথ। তারপর এই পূণ্যতিথিটিকে জগন্নাথদেবের জন্মদিন হিসেবে পালন করার নির্দেশ দেন মনু। সেই জন্মদিন উপলক্ষে পৌরাণিক কাল থেকে এই বিশেষ স্নান উৎসব পালিত হয়ে আসছে আজও। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম পূর্ণিমাতেই জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার আয়োজন করা হয়। এদিন গর্ভগৃহ থেকে মূর্তি তুলে এনে স্নান মণ্ডপে স্থাপন করা হয়। সেখানেই সুগন্ধি জল দিয়ে স্নান করানো হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে। স্নানের পাশাপাশি চলে মূর্তির সাজসজ্জা-অলঙ্করণ ইত্যাদি। ১০৮ ঘড়া জলে স্নানের পরেই জ্বরে কাবু হয়ে পড়েন জগন্নাথদেব। তাই এইসময় গৃহবন্দি অবস্থায় থাকেন। রথ পর্যন্ত বিশ্রাম নেন। তাই ভক্তরা জগন্নাথ দেবের দর্শন পান না। এই কয়েকদিন পুজোও হয় না তাঁর। রীতিমত কম্বল চাপা দিয়ে পড়ে থাকেন জগতের নাথ। তবে রথযাত্রার দিন রাজবেশে রথে করে তিনি যাবেন মাসির বাড়িতে। এ বার তা সম্পন্ন হবে ১২ জুলাই।তবে তার আগে এই স্নান যাত্রার আয়োজনে কোথাও কোনও খামতি রাখেনি মন্দির প্রশাসন। ইতিমধ্যে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মন্দির চত্বরে যেমন কোনও ভক্ত প্রবেশ করতে পারবেন না, তেমনই জগন্নাথ দেবের স্নান দেখতেও কেউ উপস্থিত থাকতে পারবেন না। যদিও, জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা গোটা বিশ্বে লাইভ স্ট্রিম করা হবে বলে জানিয়েছে পুরীর মন্দির কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, রাজা দিব্যসিংহ দেবের অনুপস্থিতিতে তাঁরই এক প্রতিনিধি হিসেবে নির্দিষ্ট রীতি পালন করে সোনার ঝাড়ু দিয়ে স্নানবেদী পরিষ্কার করবেন বলেই খবর। কারণ কোভিডবিধি মেনে আপাতত নিভৃতাবাসে রয়েছেন রাজা দিব্যসিংহ দেব। এদিকে, ১৪৭৫টি আইসক্রিমের কাঠি দিয়ে জগন্নাথ দেবের মূর্তি বানিয়ে তাক লাগালেন ওডিশার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ নায়েক। তাঁর কীর্তি দেখে অবাক নেটিজেনরাও।

জুন ২৪, ২০২১
বিদেশ

China-Uyghurs: উইঘুর নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের

উইঘুর নির্যাতন নিয়ে সরব রাষ্ট্রসঙ্ঘ (United Nations)। চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে এবার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশ পরিদর্শনের কথা বললেন মানবাধিকার পরিষদের প্রধান মিশেল ব্যাকলেট। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে শিনজিয়াং প্রদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা হওয়ার পর থেকেই উইঘুর মুসলিমদের উপর রাশ টেনেছে চিন। সেখানে উইঘুর (Uyghurs) ও অন্য মুসলিম (Muslim) জনগোষ্ঠীর ওপর জুলুমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগে বিবিসির তরফে এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, বন্দিশিবিরে থাকা মুসলিম মহিলাদের উপর পরিকল্পনা করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন চালাচ্ছে চিন। সেই রিপোর্টকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমেরিকা।আরও পড়ুনঃ সরকারি সম্পত্তি অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজীব ঘনিষ্ঠসোমবার মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে চিন, রাশিয়া ও ইথিওপিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে সরব হন ব্যাকলেট। বিশেষ করে চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুরদের উপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চলতি বছরই শিনজিয়াং যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ব্যাকলেট। একইসঙ্গে, হংকংয়ে চিনা দমননীতি নিয়েও সরব হন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের প্রধান। স্বশাসিত প্রদেশটির গণতান্ত্রিক মর্যাদা কেড়ে নিতে জিনপিং প্রশাসনের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের সমালোচনা করেন ব্যাকলেট। বিশ্লেষকদের মতে, উইঘুর ও হংকং ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাকফুটে রয়েছে চিন। এবার শিনজিয়াং পরিদর্শনের প্রসঙ্গ তুলে চিনের উপর আরও চাপ বড়াল রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

জুন ২২, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিজেপি ছেড়ে সদ্যই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন সপুত্র মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। ফের ঘাসফুল শিবিরে ফেরার পরই তাঁর নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছিল রাজ্য সরকার। তবে তার আগে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন খোদ মুকুল রায়। মুকুল রায়ের আর্জি মেনে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।Security of TMC leader Mukul Roy has been withdrawn by Ministry of Home Affairs (MHA), order has been issued: Govt Sources(File photo) pic.twitter.com/RcLInrbaLl ANI (@ANI) June 17, 2021সাড়ে তিন বছর পর ঘরে ফেরা। পুরনো দলে, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের রাজনৈতিক ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তিনি। শুক্রবারই বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় সপুত্র ফিরেছেন তৃণমূলে (TMC)। তাঁদের উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে যোগদানের পর তিনি বললেন, বিজেপি থেকে বেরিয়ে খুব ভাল লাগছে। নতুন আঙিনায় এসেছি, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। আর এটা ভেবে ভাল লাগছে, বাংলা আবার তার নিজের জায়গায় ফিরবে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন মমতা। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরল বলেই জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানান মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হল তাঁর। তবে তার আগেই তাঁকে জেড ক্যাটাগরি এবং শুভ্রাংশু রায়কে (Subhranshu Roy) ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেয় রাজ্য।

জুন ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই আলোচনায় চোরবাগান! একই পুজোয় দু'বার খুঁটিপুজো কেন?

রথযাত্রার পর থেকেই দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বহু পুজো কমিটি খুঁটিপুজো সেরে ফেলেছে। তবে কলকাতার এক ঐতিহ্যবাহী পুজো এবার অন্য কারণে আলোচনায়। চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজোয় একই বছরে দ্বিতীয়বার খুঁটিপুজোর আয়োজন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় কৌতূহল তৈরি হয়েছে।পুজো কমিটির বর্তমান সম্পাদক রাজকুমার সেওদার দাবি, কয়েক বছর আগে ক্লাব সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, সেই সময় পুরসভার জমি দখল করে ক্লাব তৈরি করা হয়েছিল। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস দেওয়া হলেও কোনও পরিবর্তন হয়নি। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই কাঠামো ভাঙার জন্য নোটিস জারি করা হয় বলে তাঁর দাবি।রাজকুমার সেওদার আরও দাবি, সেই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রথম খুঁটিপুজো করা হয়েছিল। তবে তাঁর মতে, প্রচলিত নিয়ম মেনে সেই খুঁটিপুজো হয়নি। সাধারণত নির্দিষ্ট দিক মেনে খুঁটিপুজো করা হয়। শিল্পীর পরামর্শ এবং ধর্মীয় নিয়ম মেনে তাই নতুন করে দ্বিতীয়বার খুঁটিপুজোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বর্তমান পুজো কমিটির আরও অভিযোগ, প্রথম খুঁটিপুজোর সময় মণ্ডপের দেওয়ালে এমন কিছু চিত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এই অভিযোগের জন্য তাঁরা আগের কমিটির ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।এবার পুজো কমিটিতে একাধিক পরিবর্তন হয়েছে। নতুন শিল্পী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সুশান্ত শিবানী পাল। মণ্ডপের মূল ভাবনা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। উদ্যোক্তাদের আশা, এ বছরের আয়োজনও কলকাতার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে এবং বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঋতুস্রাব চলাকালীনই জীবনের সেরা পারফরম্যান্স! ভারতীয় ক্রীড়াবিদের কীর্তিতে গর্বিত দেশ

ভারতের ভারোত্তোলক জ্ঞানেশ্বরী যাদব কমনওয়েলথ গেমসে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে রুপোর পদক জিতেছেন। শুধু পদকই নয়, এই প্রতিযোগিতায় তিনি নিজের কেরিয়ারের সেরা পারফরম্যান্সও করেছেন। পরে তিনি জানান, প্রতিযোগিতার দিনই তাঁর ঋতুস্রাবের প্রথম দিন ছিল। সেই শারীরিক অস্বস্তির মধ্যেও তিনি দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।মহিলাদের তিপ্পান্ন কেজি বিভাগে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখায় জ্ঞানেশ্বরীকে। স্ন্যাচ বিভাগে তিনি প্রথমে আটাশি কেজি এবং পরে তিরানব্বই কেজি ওজন তোলেন। এই তিরানব্বই কেজি ছিল প্রতিযোগিতায় নতুন রেকর্ড। এরপর ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে তিনি একশো তিন, একশো চার এবং শেষ প্রচেষ্টায় একশো এগারো কেজি ওজন সফলভাবে তোলেন। সব মিলিয়ে তিনি মোট একশো নিরানব্বই কেজি ওজন তুলে রুপোর পদক নিশ্চিত করেন। সোনার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত নাইজেরিয়ার প্রতিযোগীর কাছে পিছিয়ে পড়লেও তাঁর পারফরম্যান্স প্রশংসা কুড়িয়েছে।পদক জয়ের পর জ্ঞানেশ্বরী জানান, প্রতিযোগিতার দিনই তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছিল। তিনি বলেন, শরীর কতটা সাড়া দেবে, তা নিয়ে তাঁর সংশয় ছিল। তবুও তিনি নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন এবং নিজের সেরা পারফরম্যান্স করতে পেরেছেন।জ্ঞানেশ্বরীর এই লড়াই শুধু একটি পদক জয়ের গল্প নয়, মানসিক দৃঢ়তা এবং আত্মবিশ্বাসেরও এক অনন্য উদাহরণ। শারীরিক অস্বস্তিকে উপেক্ষা করে দেশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করার এই ঘটনা বহু তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি চিনের এক মহিলা ম্যারাথন দৌড়বিদও ঋতুস্রাব চলাকালীন প্রতিযোগিতা শেষ করে আলোচনায় এসেছিলেন। জ্ঞানেশ্বরীর এই সাফল্যও দেখিয়ে দিল, শারীরিক স্বাভাবিক পরিবর্তন কোনও নারীর স্বপ্ন বা সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২৬
দেশ

গাড়ির মাইলেজ নিয়ে সব বিতর্কের মাঝেই বড় ঘোষণা! সংসদে স্পষ্ট জানাল কেন্দ্র

ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমে যায় এবং ইঞ্জিনের ক্ষতি হয় এমন অভিযোগ গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন মহলে উঠেছে। এবার এই বিতর্ক নিয়ে সংসদে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতীন গড়করি। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি পরীক্ষায় এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি যে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের ফলে ইঞ্জিন বিকল হয় বা মাইলেজ কমে যায়।লোকসভায় লিখিত উত্তরে কেন্দ্র জানিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে একাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, পরীক্ষাগারভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েও এই জ্বালানি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সব পরীক্ষায় গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষতি বা মাইলেজ কমে যাওয়ার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে সরকারের দাবি।এর আগে এক সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, সরকার নির্ধারিত ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করার পর তাঁর গাড়ির মাইলেজ অনেকটাই কমে গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে নীতীন গড়করি বলেছিলেন, সাধারণভাবে গাড়ির মালিকেরা নিজেরা সঠিকভাবে মাইলেজ পরিমাপ করতে পারেন না। তাঁর মতে, অনুমোদিত পরিষেবা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করলেই প্রকৃত ফল জানা সম্ভব।কেন্দ্রের দাবি, কয়েক বছর ধরে দুই চাকা ও চার চাকার বিভিন্ন গাড়িতে এই জ্বালানির ব্যবহার পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষায় মাইলেজ কমে যাওয়া বা ইঞ্জিনের ক্ষতির কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নিয়ে এখনও অনেক গাড়ির মালিকের মধ্যে সংশয় রয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, অনেকেই মনে করছেন এই জ্বালানি ব্যবহার করলে গাড়ির মাইলেজ কমতে পারে। যদিও এই আশঙ্কার সঙ্গে একমত নয় কেন্দ্র। সরকারের বক্তব্য, বর্তমান পর্যন্ত হওয়া বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফলে এমন কোনও অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ইসকনের রান্না, কিন্তু পড়ুয়াদের পাতে থাকবে ডিম! বড় সিদ্ধান্তে চমক

আগামী ১ আগস্ট থেকে রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। খাবার পরিবেশনের দায়িত্ব থাকবে ইসকনের হাতে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়াদের ডিম থেকে বঞ্চিত হতে হবে না বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইসকনের দেওয়া নিরামিষ খাবারের পাশাপাশি আলাদা করে পড়ুয়াদের সেদ্ধ ডিম দেওয়া হবে।বুধবার নবান্নে সরকারি স্কুলগুলির জন্য একাধিক ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এতদিন প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরে মিড ডে মিলের বরাদ্দে পার্থক্য ছিল। সেই বৈষম্য দূর করে এখন থেকে প্রাথমিক স্তরেও মাথাপিছু দশ টাকা বরাদ্দ করা হবে। আগামী ১ আগস্ট থেকেই নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইসকন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত নিরামিষ খাবার পরিবেশন করবে। পাশাপাশি পড়ুয়াদের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের কথা মাথায় রেখে আলাদা করে সেদ্ধ ডিম দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সপ্তাহে এক দিন বা দুই দিন ডিম দেওয়া হবে বলে সরকার জানিয়েছে।এর আগে কলকাতার কয়েকটি স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এবার সেই প্রকল্প রাজ্যের অন্যান্য জেলার সরকারি স্কুলেও চালু করা হবে। ইসকনকে মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে নিরামিষ খাবার এবং প্রোটিনের ঘাটতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। নতুন ঘোষণার পর সেই বিতর্ক অনেকটাই প্রশমিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, মিড ডে মিল রান্নার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মাসিক ভাতা দুই হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট দুপুর বারোটায় এই নতুন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

বেতন, ডিএ, পেনশন— সবকিছুর আগে বড় রদবদল সপ্তম বেতন কমিশনে

রাজ্য সরকারের সপ্তম বেতন কমিশনে বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে অতনু চক্রবর্তীর পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশকে। তবে চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলেও কমিশনের কাজের পরিধি, শর্ত এবং নীতিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।গত বাইশ জুলাই রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার এবং অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব অতনু চক্রবর্তী কমিশনের চেয়ারম্যান হবেন। কিন্তু মাত্র আট দিনের মধ্যেই সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন নবীন প্রকাশ।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন বেতন কমিশন এবং মহার্ঘ ভাতা নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করা হয়। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত মহার্ঘ ভাতা এক ধাক্কায় কুড়ি শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা করেন। একই দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, খুব দ্রুত সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কমিশন গঠন করা হয়েছে।এই কমিশনের দায়িত্ব হবে সরকারি, সরকার পোষিত এবং আধা সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো, পদোন্নতি, পেনশন এবং মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত সুপারিশ করা। এছাড়া পেনশনভোগীদের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ও কমিশন পর্যালোচনা করবে।রাজ্য সরকার কমিশনকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ করার আগে একই পদে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নতুন বেতন কাঠামোর অপেক্ষায় থাকা রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র তিন মাসে ফের মৃত্যু! খড়্গপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ ঘিরে চাঞ্চল্য

খড়্গপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফের এক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে আবারও ক্যাম্পাসে মৃত্যু ঘিরে উদ্বেগ বাড়ল। এবার এক অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে কর্মী আবাসন থেকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত অধ্যাপকের নাম দীপক রেড্ডি। তাঁর বয়স পঁচিশ বছর। তিনি বিদ্যুৎ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর বাড়ি হায়দরাবাদে। বুধবার ক্যাম্পাসের কর্মী আবাসনের একটি ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই আবাসনে তিনি একাই থাকতেন। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন কি না, সেই দিক-সহ সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেও একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। প্রথমে এক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। পরে আর এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় হস্টেল থেকে। সেই ঘটনাগুলি নিয়ে তদন্ত এখনও বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।পরপর এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্পাসে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও পুলিশ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত বক্তব্য জানানো হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ট্রাঙ্ক খুলতেই চোখ কপালে! কোটি কোটি টাকা আর তাল তাল সোনা উদ্ধারে তোলপাড় বীরভূম

বীরভূমের মহম্মদবাজারে এক পাথর ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা উদ্ধারের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার অভিযানে একটি ট্রাঙ্ক থেকে বিপুল সম্পদ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সোনার মূল্য দশ কোটিরও বেশি এবং নগদ টাকার পরিমাণ পাঁচ কোটিরও বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অঙ্কের সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।স্থানীয় সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ব্যবসায়ী মিনার মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে ফেলে। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান। সেই সময় বাড়ির ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয় বলে জানা যায়। এই বিপুল অর্থের উৎস কী, তা জানতে মিনার মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয়দের দাবি, মিনার মণ্ডল এক সময় সরকারি বাসের চালক ছিলেন। পরে তিনি পাথর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। ধীরে ধীরে এই ব্যবসাতেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন বলে এলাকায় প্রচলিত ধারণা।ঘটনাস্থলে এখনও পুলিশ এবং পদস্থ আধিকারিকরা রয়েছেন। তবে কোন মামলার ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং এই বিপুল সম্পদের সঙ্গে অন্য কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে।এই ঘটনার পর এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকলে তা আগে নজরে এল না কেন, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি মন্তব্য সামনে আসেনি। তদন্ত শেষ হলে তবেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্ট ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই বেতন, সঙ্গে ২০% অতিরিক্ত ডিএ! উৎসবের মরশুমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বড় সুখবর

পুজোর আনন্দের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা। উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ার আগেই অক্টোবর মাসের বেতন হাতে পাওয়ার পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ)। মঙ্গলবার ভবানী ভবনে আয়োজিত এক সরকারি কর্মসূচিতে এমনই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে বর্ধিত ডিএ পাওয়ার কথা ছিল নভেম্বর মাসে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নতুন ঘোষণায় সেই সময়সীমা এগিয়ে আনার ইঙ্গিত মিলেছে। অর্থাৎ, পুজোর মাসে উৎসবের আগেই সরকারি কর্মচারীদের হাতে পৌঁছতে পারে অক্টোবরের বেতন এবং ঘোষিত অতিরিক্ত ডিএ।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই অর্থসচিব এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাঁর নির্দেশ, পুজোর মাসে যাতে কর্মচারীরা উৎসবের আগেই অক্টোবর মাসের বেতন পান এবং একই সঙ্গে ঘোষিত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ-ও তাঁদের দেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।সরকারি কর্মচারীদের ডিএ-র প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার যে ব্যবধান রয়েছে, তা একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে সেই ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যেই সরকার এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের এই ব্যবধান একদিনে মেটানো সম্ভব নয়, তবে কর্মচারীদের বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে।চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ-র ব্যবধান ছিল ৪২ শতাংশ বলে দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে নভেম্বর মাসে বর্ধিত ডিএ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রীর মঙ্গলবারের ঘোষণায় সেই অর্থপ্রদানের সময় এগিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।ফলে পুজোর আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হাতে একসঙ্গে বেতন ও বর্ধিত ডিএ পৌঁছলে উৎসবের মরশুমে তাঁদের আর্থিক স্বস্তি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোর আগে বাড়তি খরচের সময়ে এই অতিরিক্ত অর্থ কর্মচারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে শুধু ডিএ নয়, সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিবেতন কমিশন নিয়েও এদিন সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, অন্যান্য রাজ্যে অষ্টম বেতন কমিশন চালুর প্রক্রিয়া শুরু হলেও রাজ্যে এখনও সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হয়নি। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের রিপোর্ট সরকারের হাতে এলেই তা কার্যকর করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে একদিকে পুজোর আগেই অক্টোবরের বেতন ও ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ডিএ পাওয়ার সম্ভাবনা, অন্যদিকে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার আশ্বাসদুই ঘোষণাকে ঘিরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর থাকবে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী পুজোর আগেই বেতন ও বর্ধিত ডিএ প্রদানের বিষয়ে অর্থ দফতর কী নির্দেশিকা জারি করে।

জুলাই ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal