• ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Temple

রাজ্য

child died: মন্দির দর্শনে এসে পানা পুকুরে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু শিশু পুত্রের

খেলার মাঠ ভেবে কচুরিপানা ভর্তি জলাশয়ে নেমে পড়ায় তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল এক শিশুর। মৃত শিশুর নাম প্রহ্লাদ মণ্ডল (৮)। তাঁর বাড়ি বীরভূমের লাভপুরের মহদরী গ্রামে। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের কালনার উঁচু জাপটের ভবা পাগলা মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। রাতে ওই জলাশয় থেকে শিশুর দেহ উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু পুত্রকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কি ভাবে শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বীরভূমের মহদারী গ্রাম থেকে একদল পর্যটক রবিবার কালনার বিভিন্ন মঠ ও মন্দির পরিদর্শনে আসেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শিশুপুত্র প্রহ্লাদ মণ্ডলও কালনার ভবা পাগলা মন্দির ও বাড়ি দর্শন করতে যায়। সন্ধ্যার প্রাক্কালে সেখান থেকে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎই ওই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও শিশুটির কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে গার্ডওয়াল বিহীন ভবা পাগলার বাড়ি লাগোয়া পানা পুকুরের মধ্য থেকে মেলে শিশু প্রহ্লাদের দেহ। ভবা পাগলার মন্দির দর্শনে আসা সকলের অনুমান সবুজ পানায় ঢাকা পুকুরটিকে খেলার মাঠ মনেকরে সেখানে যেতে গিয়ে শিশুটি জলে তলিয়ে যায়। তার কারণেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
দেশ

Modi In Varanasi: কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডর উদ্বোধনে আবেগঘন মোদি

সোমবার প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে সজ্জিত কাশী বিশ্বনাথ ধামের প্রথম পর্বের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বললেন, ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণের মিশেলে নতুন করিডর তৈরি করা হয়েছে। এদিন প্রথমে কাল ভৈরব মন্দিরে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। ললিতা ঘাটে গঙ্গায় ডুব দিয়ে জল সংগ্রহ করেন। সূর্য নমস্কার করে গঙ্গা পুজোও দেন। আলোকানন্দা ক্রুজে চড়েও কাশী দর্শন করেন।উল্লেখ্য, কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরে ৪০টি মন্দিরের সংস্কার ও ২৩টি নতুন ভবন তৈরি করা হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আশেপাশে। সোমবার গঙ্গাতীরে ছিল কাতারে কাতারে দর্শনার্থীর ভিড়। শিবের ডমরু বাজিয়েই ললিতা ঘাটে স্বাগত জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।Varanasi: Prime Minister Narendra Modi takes a boat ride from Lalita Ghat to Ravidas Ghat. CM Yogi Adityanath also present with him. pic.twitter.com/wPS7TpObEI ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021এদিন মোদি বলেন, আগে গঙ্গার পাশেই কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ছিল। বাবা বিশ্বনাথকে যখন প্রণাম করা হত, একইসঙ্গে মা গঙ্গার দর্শনও হয়ে যেত। কিন্তু সময়ের প্রবাহে সেই পথের মাঝে অনেক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এবার ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণের মিশেলে নতুন করিডর তৈরি করা হয়েছে।I want three resolutions from you, not for yourself, but for our country - cleanliness, creation innovation and continuous efforts to create a self-reliant India: PM Modi at Varanasi pic.twitter.com/yPS0yFJWGf ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021কাশী নিয়ে বলতে গিয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, কাশী যুগ যুগ ধরে নানা পরিবর্তন দেখেছে। বিভিন্ন সময়ে ঔরঙ্গজেব থেকে ব্রিটিশ শাসক, সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণের মুখেও পড়েছে। তবুও কাশীর উন্নয়ন থেমে থাকেনি। আজ উন্নয়ন, উৎকর্ষের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কাশী।Varanasi: PM Narendra Modi had lunch with the workers involved in construction work of Kashi Vishwanath Dham Corridor pic.twitter.com/OxJm3uZI2I ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021করোনাকালে যে শ্রমিকরা করিডর তৈরির কাজ চালিয়ে গিয়েছে, তাঁদের ধন্যবাদ জানান মোদি। বলেন, কাশীতে মহাদেবের ইচ্ছে ছাড়া কিছুই হয় না। শ্রমিকদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাবারও খান তিনি। মোদির দাবি, ২০০-২৫০ বছর আগে কাশীর সংস্কারের কাজ হয়েছিল। তারপর এই প্রথম বিশ্বনাথ ধামের সংস্কারে এত কাজ হল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
দেশ

Mamata-Siddhi Binayak: মুম্বই পৌঁছেই সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে মমতা

মঙ্গলবার বিকেলে মায়ানগরীতে পা রেখেই তিনি সোজা চলে যান মহারাষ্ট্রের বিখ্যাত সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে। সেখানে পুজো দিয়ে বেরিয়েই মুম্বইবাসীর উদ্দেশে বললেন জয় মরাঠা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন সেই কামনাও করেছেন তিনি।এ দিন সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে গিয়ে রীতি মেনে পুজো দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ফুল- ফলে পুজো করেন তিনি। কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা হয় মন্দির চত্বর। মন্দির থেকে বেরিয়ে মমতা জানান, আগেও একাধিকবার মুম্বই এসেছেন তিনি, কিন্তু কখনই সিদ্ধি বিনায়ক দর্শন করা হয়নি। ভালোভাবে পুজোর ব্যবস্থা করার জন্য, মহারাষ্ট্রের পুলিশ প্রশাসন তথা সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় মমতার তাঁর সঙ্গে দেখা করা হচ্ছে না। তবে মন্দিরে গিয়ে উদ্ধব ঠাকরের সুস্থতা কামনা করতে ভোলেননি তিনি। মমতা জানান, উদ্ধব যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন ভগবানের কাছে সেই প্রার্থনা করেছেন তিনি। এ দিন মন্দির থেকে বেরিয়ে জয় বাংলার পাশাপাশি জয় মরাঠাও বলতে শোনা যায় তাঁকে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জয় বাংলা স্লোগানে বিশেষ জোর দিয়েছিলেন মমতা।এ দিকে, উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দেখা না করতে পারলেও মমতার সঙ্গে দেখা হচ্ছে তাঁর ছেলে আদিত্য ঠাকরের। মমতার সঙ্গে হোটেলেই দেখা করতে আসছেন আদিত্য ঠাকরে ও শিব সেনা নেতা সঞ্জয় রাউত। তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। তৃণমূল সুপ্রিমো জানিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরের অস্ত্রোপচার হয়েছে, তিনি হাসপাতাল চিকিৎসাধীন। তাঁকে দেখতে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির জেরে দেখা করার অনুমতি মেলেনি।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: মমতার মুম্বই সফরসূচিতে কী কী রয়েছে?

বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল শিবিরের সামনে একটাই লক্ষ্য, ২০২৪। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধিতায় একজোট হতে একাধিকবার বিরোধী দলগুলিকে আহ্বান জানিয়েছেন মমতা। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা, গোয়ার মতো রাজ্যে ভোটের বিধানসভা ভোটে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল। মেঘালয়েও তৈরি হচ্ছে সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে মমতার মুম্বই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজনৈতিক মহল। দু দিনের সফরে মায়ানগরীতে উড়ে গিয়েছেন দলনেত্রী, সঙ্গী দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শরীর খারাপের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে দেখা করতে না পারলেও তাঁর ছেলে আদিত্য ঠাকরে দেখা করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে মুম্বই রওনা হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন এ কথা। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, উদ্ধব ঠাকরে অসুস্থ। তাই ওঁর সঙ্গে দেখা হবে না। তবে ওঁর ছেলে আদিত্য দেখা করতে আসবেন। এ ছাড়া এনসিপি প্রধানে শরদ পওয়ারের সঙ্গেও দেখা হওয়ার কথা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে আমন্ত্রণও জানাব। সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে যাব।মঙ্গলবার রাতে মুম্বই পৌঁছনোর কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ঘোষিত উদ্দেশ্য শিল্প সম্মেলনে উপস্থিতি হলেও, মমতার মুম্বই সফরের রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।সাম্প্রতিক দিল্লি সফরে সনিয়া গান্ধির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূল নেত্রীর সপাট জবাব ছিল, দিল্লি এলে সনিয়ার সঙ্গে দেখা করা কি বাধ্যতামূলক? সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছিলেন, নভেম্বরের গোড়ায় মুম্বই যাচ্ছেন শিল্প সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়ে। মুম্বইয়ে মমতা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে ও এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করবেন বলে তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন। অতঃপর মুম্বই রওনা হলেন তৃণমূল নেত্রী। উদ্ধব অসুস্থ হলেও তাঁর পুত্রের সঙ্গে কথা হবে।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Protest: আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ তা থেকে সুরক্ষিত আছে। এখানকার বাঙালি নিজেদের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে ধর্ম নির্বিশেষে। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি। মৌলবাদী রাজনীতিবিদ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ করার আবেদন করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। অপরাধীদের কোনও ধর্ম হয় না এই বলে নিন্দা করে লিখিত বিবৃতি জারি করেছেন তিনি। আর তাঁর এমন বিবৃতিতেই রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতঘটনার নিন্দা করে অধীর চৌধুরী জানিয়েছেন,গতকাল আব্বাস সিদ্দিকির উক্তি অত্যন্ত নিন্দনীয়। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি কংগ্রেস কোনোদিন বরদাস্ত করেনি, তার বিরুদ্ধে শতাব্দীব্যাপী লড়াই করে যাচ্ছে আগামী দিনেও করবে, শেষ রক্তবিন্দু অবধি লড়ে যাবে কংগ্রেস, ভোটের অঙ্ক-এর চেয়ে বাংলা তথা দেশের সম্প্রীতি রক্ষা কংগ্রেসের কাছে অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির তরফে রাজ্যজুড়ে আজ ও আগামীকাল (১৭.১০.২০২১- ১৮.১০.২০২১) পার্শ্ববর্তী দেশের বাঙ্গালী হিন্দু ভাই বোনদের ওপর নাটকীয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে ও করবে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh: বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত

বাংলাদেশ দুর্গাপুজো মণ্ডপ ও ইস্কনের মন্দিরে দুষ্কৃতী হামলা নিয়ে ঢাকার সঙ্গে কথা বলেছে নয়াদিল্লি। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত বিক্রম দোরাইস্বামী-সহ আরও ৪ আধিকারিক।বাংলাদেশের সংবাদপত্র কালের কণ্ঠ-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রদায়িক হিংসাকে কেন্দ্র করে ফুটছে বাংলাদেশ। ধর্মীয় উন্মাদনার জেরে আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা। একের পর এক মন্দিরে চলে ভাঙচুর। সংকটকালে ইসকন মন্দিরেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে মন্দিরের এক সদস্যকে।বাংলাদেশে গুজব রটিয়ে একাধিক দুর্গামণ্ডপে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। শেখ হাসিনার সরকার যে ব্যবস্থা নিয়েছে তাতে সন্তোষপ্রকাশ করেছে বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানান,বাংলাদেশে ধর্মীয়স্থানে হামলার বেশ কিছু বিরক্তিকর ছবি পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সে দেশের সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্তা দিয়েছেন, আশা করছি নিজেদের দেশে যে কোনওরকম প্রতিক্রিয়ার মোকাবিলায় পদক্ষেপ করবে ভারত। যাতে বাংলাদেশে পরিস্থিতির অবনতি না হতে পারে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, কুমিল্লায় ধর্মদ্রোহের অভিযোগে দুর্গামণ্ডপে হামলা করে দুষ্কৃতীরা। ওই ঘটনার পর একাধিক এলাকায় মৌলবাদিদের আক্রমণের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা। প্রাথমিকভাবে এর পিছনে জামাত-ই-ইসলামির পরিকল্পনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শেখ হাসিনা বার্তা দেন, আমরা আশা করছি ভারতে এমন কোনও ঘটনা ঘটবে না যা বাংলাদেশের পরিস্থিতি বা হিন্দু সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করবে। সব ঘটনার তদন্ত করা হবে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। এক্ষেত্রে ধর্ম দেখা হবে না। তাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেব।এই হিংসাত্মক ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন এপার বাংলার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ। ঘটনার প্রতিবাদ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিকে বেঙ্গল ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ঘটনার তীব্র নিন্দা করে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের তুমুল আনন্দোৎসবের জায়গা দখল করেছে ভয়ভীতি আর আশঙ্কা। ৩২ হাজারের বেশি পুজো হয় বাংলাদেশে। পূজো মণ্ডপকে কেন্দ্র করে যেখানে প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠার কথা ছিল সেখানে কুমিল্লার একটি পুজো মণ্ডপের অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা। আমরা অসহায়, আমাদের তেমন করণীয় নেই। তবুও শর্তহীনভাবে ভাষা, সম্প্রদায়, সীমানা নির্বিশেষে সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক কর্তব্য।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Sarbamangala Temple: ৩০০ বছরের পুরনো বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিষ্ঠার সঙ্গেই রাঢ়বঙ্গে দামামা বাজল শারদ উৎসবের

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের ঘট উত্তোলন ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে নবমী পর্যন্ত চলবে পুজো। তবে রাজ আমলের রীতি মেনে পুজো হলেও কোভিড বিধি মেনে এবারও সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভক্তদের ভিড় জমানোয় নিষেধাঞ্জা বলবৎ রেখেছে সর্বঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ড। বৃহস্পতিবার রীতি মেনে বর্ধমান শহরের কৃষ্ণসায়র থেকে রুপোর ঘটে জল ভরে সেই ঘট ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে নিয়ে যাওয়া হয় সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দিরের পুরোহিত অরুণ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্বমঙ্গলার জন্য ঘটে জল ভরে আনার নিয়ম রয়েছে। কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাট থেকে ঘটে জল ভরে সেই ঘট মন্দিরে নিয়ে গিয়ে এদিন প্রতিষ্ঠা করা হল। কৃষ্ণসায়র থেকে ঘট আনার জন্য শোভাযাত্রা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোহিত জানান, ঘটস্থাপনের পর থেকে নবমী পর্যন্ত পুজো চলবে। সঙ্গে হবে চণ্ডীপাঠ ও দেবীকে ভোগ নিবেদন। সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজো শুরু নিয়ে বর্ধমানে নানা কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। প্রচলিত কাহিনী অনুসারে জানা যায়, বহুকাল পূর্বে বর্ধমানের বাহিরসর্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায়, সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোলা নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি। সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের তৎকালীন রাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে এসে সর্বমঙ্গলা নামে পুজো শুরু করেন। ঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মায়ের পুজোর জন্য মন্দিরটি নির্মাণ করান। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারও মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যাঁর দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপের সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯-তে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন, তাঁদের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন ও তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে। আগে সন্ধি পুজোয় কামান দাগা হতো, মেষ, মহিষ ও ছাগ বলি হতো। এখন আর হয় না। পূর্বে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে সন্ধিপুজোয় কামানের আওয়াজ শুনে আশেপাশের সমস্ত জমিদার বাড়িতে সন্ধিপুজো শুরু হতো। নবমীতে নব কুমারি মায়ের পুজোর রীতি আজও চালু রয়েছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Campaign: 'এই তো সবে শুরু, দেখুন কি হয়', ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক

ভবানীপুর উপনির্বাচনের দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জনসংযোগ ও প্রচার শুরু করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শরৎ বোস রোডে বিখ্যাত লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন তিনি। মূলত হিন্দিভাষী অবাঙালি মানুষজনের সঙ্গে মিলিত হন অভিষেক। নিজের বক্তব্যের পর তাঁদের প্রশ্নের জবাব দেন।আরও পড়ুনঃ বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্তবৈঠক শেষে অভিষেক বেরিয়ে উপস্থিত সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের বাবুল সুপ্রিয়র তৃণমূলে যোগদান নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। আর কারা লাইনে আছে, মুচকি হেসে অভিষেকের ছোট্ট জবাব, এই তো সবে শুরু। দেখুন কী হয়! প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়ে শনিবার অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে তৃণমূলে যোগ দেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়ান। গোটা যোগদানপর্ব কার্যত গোপন রাখা হয়েছিল। এরপর তৃণমূলের অফিসিয়াল টুইট পেজে ছবি সহকারে তা প্রকাশ করা হয়। রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে যায়। তারপর সন্ধ্যায় লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের অনুষ্ঠান শেষে অভিষেকের ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, এই তো সবে শুরু, দেখুন কী হয়!এদিন লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে হিন্দিভাষীদের বৈঠকেও অভিষেক বাবুল সম্পর্কে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেটা বলে সেটা করে দেখায়। তাই তো বাবুল সুপ্রিয়ের মতো সাংসদরাও এখন মুখ্যমন্ত্রী হাত ধরছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চাইছে। এটা শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা ভারতের ছবি।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশে লাগু নতুন নিয়ম

এবার থেকে জোড়া করোনা টিকা নিলেই প্রবেশ করা যাবে কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কালীঘাট টেম্পল কমিটি। করোনা সংক্রমণে তৃতীয় ঢেউ আগামী অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত আকার নিতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এমন পূর্বাভাসই দেওয়ার পরেই, মন্দিরের সেবায়েতদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেয় কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষ। সেই মর্মে সোমবার রাতে বৈঠকে বসে তাঁরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আলিপুর জেলা বিচারক চৈতালি দাস চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ তথা টেম্পল কমিটির সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী প্রমুখ। সূত্রের খবর, বৈঠকে আলিপুর জেলা বিচারক মন্দির কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যদের কাছে জানতে চান, সরকারি কোভিডবিধি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা। টেম্পল কমিটির কয়েকজন সদস্য জানান, কোভিড সংক্রমণ রুখতে গত এক বছরে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্দিরের নিজস্ব তহবিল থেকে যাবতীয় পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু বাইরে থেকে মন্দিরে আসা ভক্তকুলের চাপে বহু ক্ষেত্রেই সেইসব জিনিসের ক্ষতি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পূর্ণদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্রে জীবনযুদ্ধের গল্প নিয়ে শুভেন্দুপ্রসঙ্গত, কালীঘাট মন্দির পরিচালনার প্রশাসনিক দায়িত্ব আলিপুর জেলা বিচারকের হাতে। তাই তিনি এই বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সরকারি বিধিনিষেধের মধ্যেই ২২ জুন খুলে দেওয়া হয়েছিল কালীঘাট মন্দিরের দরজা। ২১ জুন কালীঘাট টেম্পল কমিটির সিদ্ধান্ত নেয়, সকাল ছটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দির। পরে বিকেল চারটে থেকে ছটা পর্যন্ত খোলার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত এখনও বলবৎ রয়েছে। কিন্তু, তখনও মন্দিরের গর্ভগৃহে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিল কমিটি। সংক্রমণের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বৈঠকে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে মন্দিরের প্রশাসনিক তথা পুজো সংক্রান্ত কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের জোড়া টিকা দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যারা জোড়া টিকা নেবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। সরকারি কোভিডবিধি যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রেখে চলতে হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
দেশ

Puri: খুলছে পুরীর মন্দির, কী কী নিয়ম মানতে হবে জানুন

ভক্তদের দর্শন দেবেন প্রভু জগন্নাথ। আগামী ১৬ অগস্ট থেকে খুলছে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির। প্রথমে ১৬ অগস্ট থেকে শুধুমাত্র স্থানীয়দের জন্য খোলা হচ্ছে মন্দির। সবার জন্য খোলা হবে ২৩ অগস্ট থেকে। বুধবার শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তবে মন্দিরে ঢুকতে গেলে মানতে হবে অনেক নিয়ম। তৈরি করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল বা এসওপি।আরও পড়ুনঃ বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানেমন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীদের হয় টিকাকরণের সংশাপত্র, নয়তো কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট দেখাতে হবে। প্রতি সপ্তাহে শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে মন্দির। কারণ ওই দুদিন পুরীতে লকডাউন থাকে। শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান কৃষ্ণ কুমার বলেন, আমরা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল তৈরি করেছি। সেই নিয়ম মানতে হবে। মন্দিরের বাইরে কিয়স্ক তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ভক্তদের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বা টিকাকরণের সংশাপত্র দেখাতে হবে। শনি ও রবিবার ছাড়াও বিশেষ বিশেষ দিনে ভিড় এড়াতে মন্দির বন্ধ থাকবে। মন্দির দর্শনের সময়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভগবান দর্শন করা যাবে। ভক্তদের মন্দিরের ভিতরে ভোগ প্রদান করতে বা প্রদীপ জ্বালাতে নিষেধ করা হয়েছে। মন্দিরের মধ্যে কোনও বিগ্রহ স্পর্শ করতেও নিষেধ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পরে গত ২৪ এপ্রিল থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জগন্নাথ মন্দির। রথযাত্রা উপলক্ষেও ভক্তদের উপস্থিত থাকার অনুমতি ছিল না।

আগস্ট ০৫, ২০২১
কলকাতা

Kalighat: আজ থেকে দুবেলা খোলা কালীঘাট মন্দির

আজ থেকে দুবেলার জন্যই খুলে দেওয়া হচ্ছে কালীঘাট মন্দির। পাশাপাশই গর্ভগৃহে ঢোকা থেকেও উঠে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। সেখানে ঢুকেই পুজো দিতে পারবেন দর্শনার্থীরা। তবে করোনা বিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। পুজো দেওয়া ঘিরে যাতে ভিড় না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষকে।এর আগে, গত ২২ জুন মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয় দর্শনার্থীদের জন্য। তবে করোনা পরিস্থিতিতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্তই মন্দির খোলা রাখা হচ্ছিল। নিষেধ ছিল গর্ভগৃহে প্রবেশ। সোমবার থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। মন্দির কমিটির সভাপতি বিদ্যুৎ হালদার জানিয়েছেন, সোমবার থেকে দুবেলা মন্দির খোলা থাকছে, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা। তবে একসঙ্গে ১০ জনের বেশি ঢোকা যাবে না।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Jamalpur: মন্দিরে ভক্ত সেজে সোনার হার ছিনতাই, গ্রেফতার ৬ সুন্দরী মহিলা

দেবতার দরবারে হাজির হয়েছিল ছয় সুন্দরী চোর ও তাঁদের গাড়ির চালক। একেবারে ফিল্মি কায়দায় তারা এক মহিলা ভক্তকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে তার গলায় থাকা সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা আর হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্তসেজে হাজির হওয়া ৬ মহিলা ও তাদের গাড়ি চালককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আটক করা হয়েছে ধৃতদের ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটি। ধৃতরা সকলেই হুগলী জেলার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থকেই উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া সোনার হারটি।পুলিশের অনুমান, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রে জড়িত। মঙ্গলবার ৭ ধৃতকে কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়েজনে ৬ দিনের জন্য তাদর নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় তরুণদীপ রাইয়েরপুলিশ জানিয়েছে, সোমবার পূর্বস্থলীর জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য অনেক ভক্ত লাইনে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে ধৃত ছয় মহিলাও ছিল। দুপুরে হঠাৎই লাইনে হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। কয়েকজন ভক্ত মাটিতে পড়ে যান। সেই ফাঁকে পড়ে যাওয়া মহিলা স্বপ্না দাসের গলা থেকে সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে গাড়ি চেপে পালিয়ে যায় ভক্ত সেজে আসা মহিলা ছিন্তাইবাজদের দল। স্বপ্না দাস চোরেদের টাটা সুমো গাড়ির নম্বর ও রঙের বিষয়টি তৎক্ষণাৎ মন্দির চত্ত্বরে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ারদের জানায়। সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ ওই টাটাসুমো গাড়িটির খোঁজে নেমে পড়ে। গাড়ি সহ সুন্দরী মহিলা চোরের দলটি ধরা পড়ে পুলিশের হাতে।আরও পড়ুনঃ আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতাকালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, পুলিশি তৎপরতায় বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্ত সেজে এসে মহিলার হার ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়া ৬ মহিলা সহ ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া সোনার হারটি। মনে করা হচ্ছে এই চোরের দলটি বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে সবিস্তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Temple Stamped: মহাকালেশ্বর মন্দিরে পদপিষ্ট বহু মহিলা ও শিশু

মহাকাল মন্দিরে অত্যধিক ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু মহিলা ও শিশু।জানা গিয়েছে, উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর শিব মন্দিরে গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী-সহ কয়েক জন ভিআইপি ব্যক্তি। তাঁরা যাওয়ার পরেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ভিড় সামলাতে পারেনি পুলিশ। পদপিষ্ট হয়ে আহত হয়েছেন বহু ভক্ত। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জন মহিলা, শিশুও রয়েছে। শুধু তাই নয়, মন্দিরে করোনাবিধিও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরসোমবার মহাকাল মন্দিরের চার নম্বর প্রবেশ দ্বারের বাইরে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরে ভক্তরা অধৈর্য হয়ে যান। ফলে তাঁদের ভিতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার পরেই সবাই একসঙ্গে ঢুকতে যান। তখনই পড়ে যান অনেকে। পদপিষ্ট হয়ে আহত হন তাঁরা। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পরে কয়েক জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, করোনার কারণে অনেক দিন বন্ধ থাকার পরে গত মাসেই খুলেছে মহাকাল মন্দির। যদিও মন্দিরে যাওয়ার জন্য ভক্তদের কোভিড পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট বা একটি টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার ভক্তকে মন্দিরে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।

জুলাই ২৭, ২০২১
ভ্রমণ

Rakhal Raja: রাখাল রাজের দেশে, বিস্তীর্ণ প্রান্তর যেথায় দিগন্তে গিয়ে মেশে

বহু দিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরেএকটি শিশিরবিন্দু।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকবির প্রকৃতি প্রেম খুব সুন্দর করে এই পংক্তি গুলির মধ্যে ফুটে উঠেছে। সত্যিই তো আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান, প্রকৃতি যেখানে জিঅকৃপণ ভাবে নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে, তার কতটুকুই বা আমরা জানি। লকডাউনের বিধিনিষেধ দূর ভ্রমণে বাধা হলেও, অদূর ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে। মুক্তির স্বাদ খুব অল্প সময়ের হলেও তা প্রাপ্তির ভাণ্ডার কে পরিপূর্ণ করে তোলে। প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গিয়ে অপার আনন্দ অনুভব করার এমনই এক ঠিকানা রাখাল রাজার মন্দির।প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মন্দিরময় স্থান কালনা। কালনার ই বৈদ্যপুর রথতলা থেকে মিনিট ১৫ গেলেই গোপালদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এই রাখাল রাজ মন্দির। নিরিবিলি পরিবেশ, চারদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর, পাখির কলকাকলিতে মুখরিত, তার মাঝখানে লাল ইটের তৈরি প্রাচীন মন্দিরে রাখাল রাজ বিরাজমান। প্রকৃতি এখানে রাখাল রাজের খেলার উপযুক্ত স্থান হিসাবেই নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে। মন্দির এর সামনে বিস্তৃত নাট মন্দির, তার দেয়ালে শ্রীকৃষ্ণের বাল্য লীলার নানান কাহিনী যেমন পুতনা বধ, ননী চুরি, কংস বধ ইত্যাদি ছবির মাধ্যমে বর্ণিত আছে।মন্দিরের গর্ভগৃহে তিনটি মূর্তি রয়েছে, সবচেয়ে বড় রাখাল রাজের মূর্তি, আকাশী নীল গায়ের রঙ, বড় বড় টানা চোখ, বাম হাতে নাড়ু আর ডান হাতে লাঠি নিয়ে গোপবালকদের দলপতির মত সমস্ত কিছু পরিচালনা করছেন। দুপাশে সাদা গাভী। তাঁর ডানদিকে ছোট রঘুনাথ মূর্তি, গায়ের রঙ সবুজ আর বামদিকে গোপীনাথজী আকাশী নীল গায়ের রঙ। মূর্তিগুলি অপরূপ মায়াময়, তাকিয়ে থাকলে প্রশান্তিতে মন ভরে যায়। পুরোহিতের সাথে কথা বলে যা ইতিহাস জানা গেল তা প্রায় ৫০০ বছর আগের, বেশিরভাগটাই জনশ্রুতির উপর ভিত্তি করে।কাহিনীটি অনেকটা এরকম, বর্ধমানের খাতুন্দীর বাসিন্দা গোপীনাথ ভক্ত রামকানাই গোস্বামী বর্গী আক্রমণের ভয়ে বা পারিবারিক কলহের কারণে আরাধ্য দেবতাকে সাথে নিয়ে বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।পথে ঘন জঙ্গল পড়ে, এদিকে গোপীনাথকেও ও ভোগ দেওয়ার সময় হয়ে আসায়, রামকানাই গোস্বামী জঙ্গলেই কাঠ কুটো জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করেন। এই সময়েই রাজা গোপালদাস তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে মৃগয়া করতে এসেছিলেন, পথে ক্লান্ত হয়ে ফেরার সময় দেখলেন জঙ্গলে এক জায়গা থেকে ধোঁয়া উঠছে। রাজা সেখানে সপারিষদ উপস্থিত হতে, গোস্বামী মহাশয় তাদের সাদর অভ্যর্থনা জানান, ও খেয়ে যেতে বলেন। গোপীনাথজী র অসীম কৃপায় একটা ছোট হাঁড়ির ভোগেই সবাই পরিতৃপ্তির সাথে খাওয়া সম্পূর্ণ করেন। রাজা গোপীনাথ এর মাহাত্ম্য বুঝতে পারেন এবং উনি রামকানাই গোস্বামীকে কিছু জমি দান করেন। মন্দির নির্মাণ করেন। তার নামানুসারে এই গ্রামের নাম গোপালদাসপুর।সেই দিন রাত্রে রামকানাই গোস্বামী স্বপ্নাদিষ্ট হন যে রাখাল রাজ বালকের বেশে তাকে বলছেন তার আর বৃন্দাবন যাত্রার প্রয়োজন নেই। পরের দিন পাশের যমুনা পুষ্করিণী তে যে কাঠ ভেসে থাকবে তাই নিয়ে নদীয়ার বাঘনাপারার এক পাঁচ বছরের বালকের কাছে গেলে, সে রাখাল রাজার মূর্তি তৈরি করে দেবে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে রামকানাই পরের দিন পুষ্করিনী থেকে কাঠ সংগ্রহ করে, বাঘনাপাড়ায় গিয়ে সেই বালক, নাম মহাদেব, কে দিয়ে মূর্তি তৈরি করান, সেই মূর্তিই আজও পূজিত হয়ে আসছে। সেই বালকের বংশধরেরাই এখনো মাঘী পূর্ণিমার দিন মূর্তির অঙ্গরাগ করেন। পাশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন গোপীনাথ।রামনবমী ও জন্মাষ্টমী তে বড় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, প্রচুর ভক্ত সমাগম ঘটে। মূল মন্দিরের পাশে আছে দোল মন্দির এখানে দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। একটু দূরে আছে সাধক রামকানাই গোস্বামী র সমাধি মন্দির।সকাল থেকে মোট চারবার ভোগ নিবেদন করা হয়। দুপুরে থাকে অন্নভোগ। মন্দিরে এসে আগে থেকে কুপন কেটে রাখলে ভোগ খাবার ব্যবস্থা আছে।বিকেল বেলা শীতল ভোগ হয়ে গেলে, মন্দির ও তার চারপাশে কেউ যায়না, মানা হয় এই সময় রাখাল রাজা স্বয়ং তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে খেলা করেন। ভক্তজনের বিশ্বাস আর ভক্তিতেই তিনি সদা জাগ্রত। এই সব কাহিনী শুনতে শুনতেই রাখাল রাজের লাঞ্চ এর সময় হয়ে গেল। আরতির পর তিনি খেতে বসলেন, সাথীদের নিয়ে। আরতি দর্শন করে ও দুপুরের ভোগ খেয়ে পরিপূর্ণ হৃদয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলাম আমরা।প্রকৃতি ও ঈশ্বরকে অনুভব করার অপূর্ব অনুভূতি মনের মণিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে অনেকদিন।ডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়)কিভাবে যাবেনবর্ধমান থেকে হাওড়া গামী মেন লাইন লোকাল ট্রেন ধরে নামতে হবে বৈঁচি স্টেশনে। সেখান অম্বিকা কালনা অভিমুখে যে বাস যাচ্ছে সেই বাসে উঠে নামতে হবে বৈদ্যপুর বাজার। সেখান থেকে গোপালদাসপুর যাওয়ার টোটো ধরতে হবে। গোপালদাসপুরে যে কেউ দেখিয়ে দেবে রাখালরাজার মন্দির। কেউ যদি থাকতে চান তাহলে বৈদ্যপুরে হোটেল বা লজে থাকতে পারেন। বৈদ্যপুর থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে কালনা শহরে থাকার জন্য অনেক হোটেল আছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
কলকাতা

আজ থেকে খুলল কালীঘাট মন্দির

রাজ্যের করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতির একটু উন্নতি হতেই বিভিন্ন মন্দির খুলছে ভক্তদের জন্য। মঙ্গলবার থেকে খুলে গেল কালীঘাট মন্দিরের (Kalighat Temple) দুয়ার। সকাল ৬টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির। এই সময়ের মধ্যে ভক্তরা পুজোর ডালা নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। পুজো দেওয়ায় কোনও বাধা নেই। তবে যথাযথ কোভিড বিধি মেনেই হবে মা কালীর আরাধনা। মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ। শারীরিক দূরত্ব মেনে পুজোর লাইনে দাঁড়াতে হবে। এমনই বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে তবেই ভক্তদের জন্য মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে বেশ খুশি দর্শনার্থীরা। অনেকদিন পর পুজো দেওয়ার সুযোগ পেয়ে এদিন সকালেই ভক্তরা ভিড় করেন মন্দির চত্বরে।আরও পড়ুনঃ এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রীকরোনা আবহে রাজ্যে মে মাসের ৫ তারিখ থেকে কড়া বিধিনিষেধ লাগু হওয়ার পরপরই প্রসিদ্ধ মন্দিরগুলি একে একে বন্ধ হতে থাকে। তার আগে ভক্তদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল বেশ কয়েকটি মন্দিরে। সংক্রমণ এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় বিভিন্ন মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে মাস দুই পর রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি একটু নিয়ন্ত্রণে এলে ফের কোভিড (COVID-19) বিধি মেনে মন্দির খুলতে থাকে। তারকেশ্বর এবং তারাপীঠের মন্দির খোলা হয়েছিল গত সপ্তাহেই। চলতি সপ্তাহে আবার তারকেশ্বরের মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। জানানো হয়, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দুদফায় মন্দিরে ঢুকতে পারবেন ভক্তরা। গর্ভগৃহে প্রবেশেও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

Tarapith Temple: ১৬ জুন থেকে ভক্তদের জন্য খুলতে চলেছে তারাপীঠ মন্দির

অপেক্ষার অবসান। রাজ্যে করোনার সংক্রমণ (Corona Pandemic) অনেকটাই নিম্নমুখী। আর তাই আগামী ১৬ জুন থেকে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠের মন্দির (Tarapith Temple)। সোমবার সেবাইতদের বৈঠকের পর এমনটাই জানানো হয়েছে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে। তবে জারি থাকবে করোনা সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ। ৩৩ দিন পর খুলতে চলেছে মন্দির।করোনার (Corona Virus) দ্বিতীয় ঢেউয়ে রাজ্যের অন্যান্য মন্দিরের পাশাপাশি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তারাপীঠের মা তারার মন্দিরও। সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের তরফে কড়া বিধিনিষেধ জারি করার পরই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল। এই সময় কেবল সেবাইতদেরই পালা করে মায়ের পুজো করার অনুমতি ছিল। তবে মন্দিরের দ্বার বন্ধ থাকলেও ভিডিও কলের মাধ্যমেই মায়ের দর্শন করছিলেন ভক্তরা। এজন্য উদ্যোগ নিয়েছিল তারাপীঠ মন্দিরের সেবাইত সংঘই। সেবাইতরাই ভক্তদের ভিডিও কল করে মায়ের দর্শনের ব্যবস্থা করছিলেন। এমনকী পুণ্যার্থীদের দাবি মেনে ভিডিও কল করে তাঁদের নাম, গোত্র ধরে পুজোও দিয়ে দেন তাঁরা। এখানেই শেষ নয়, দূর-দূরান্তের পুণ্যার্থীদের কাছে সংকল্প করা পুজোর ফুলও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল ডাকযোগে। তবে শেষপর্যন্ত রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ কমতেই মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।তবে ১৬ তারিখ থেকে মন্দির খুললেও ভক্তদের জন্য জারি থাকবে একাধিক বিধিনিষেধ। প্রত্যেককেই সেই বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। মন্দিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গর্ভগৃহে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। তোলা যাবে না কোনওপ্রকার সেলফি। মায়ের বিগ্রহকে স্পর্শ করা কিংবা জড়িয়ে ধরা যাবে না। এছাড়া করোনা সংক্রান্ত অন্যান্য সতর্কতাও মেনে চলতে হবে।

জুন ১৪, ২০২১
কলকাতা

মমতার গড়ে জনসংযোগ নাড্ডার, পুজো দিলেন কালীঘাটে

বাংলায় দুদিনের সফরে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আজ বিমানবন্দরে অবতরণের পর হেস্টিংসে আসলে কালো পতাকা দেখানো হয় তাঁকে। তা উপেক্ষা করে অগ্রবাল ভবনে স্থিত দলীয় কার্যালয়ের মধ্য়ে গঠিত নতুন নির্বাচনী দফতরের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর যান মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধায়ের গড় ভবানীপুরে। সেখানে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে যোগদান করেন নাড্ডা। গিরিশ মুখার্জি রোডের বস্তিতে কয়েকটি বাড়িতে গিয়ে আর নয় অন্যায় এর লিফলেট বিলি করেন সর্বভারতীয় সভাপতি। তবে তাঁর ৪৫টি বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। একেবারে কাছ থেকে জেপি নাড্ডাকে দেখে উচ্ছ্বসিত বস্তিবাসীরা। নাড্ডা তাদের সমস্যার কথা শোনেন এমনটাও জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মমতা, করলেন দ্রুত আরোগ্য কামনা এরপর সেখান থেকে বেড়িয়ে কালীঘাটে পুজো দিতে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে আইসিসিআর-এ দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন নাড্ডা। পাশাপাশি আগামীকালও ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবারে যাবেন তিনি। সেখানে স্থানীয় মৎসজীবীদের সঙ্গে কথা বলবেন জেপি নাড্ডা। তাঁদেরই একজনের বাড়িতে খেতে পারেন দুপুরের খাবারও এমনটাই বিজেপি সূত্রে খবর।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
উৎসব

আজ কালীপুজো, মন্দিরে মন্দিরে ভক্তের ঢল

কালীপুজো উপলক্ষে সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন সতীপীঠ ও সিদ্ধপীঠে নেমেছে ভক্তদের ঢল। তবে প্রায় প্রতিটি মন্দিরেই করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনে পুজো চলছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্দিরে মন্দিরে যাতে করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনে চলা হয় সে বিষয়ে কঠোর দৃষ্টি রাখা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই দক্ষিণেশ্বর ও তারাপীঠের কালী মন্দিরে ছিল ভক্তের বিপুল সমাগম। শনিবার ভোর থেকেই দক্ষিণেশ্বর মন্দির চত্বরে মানুষের যেন তিল ধারণের জায়গা নেই। নাটমন্দির থেকে শুরু করে আঁকাবাঁকা লাইন এগিয়ে গিয়েছে গঙ্গার উপর বালি ব্রিজে। তবে ভক্তরাও এদিন যথেষ্ট সুশৃঙ্খলভাবে পুজো দিচ্ছেন। তাঁরাও ধৈর্য ধরে লাইনে অপেক্ষা করছেন। মেনে চলছেন করোনাজনিত দূরত্ব। আরও পড়ুন ঃ জল থেকে কাঠামো তোলার জন্য এজেন্সি নিয়োগ হাওড়া পুরনিগমের এদিন দেখা গিয়েছে, দক্ষিণেশ্বরে পুরোহিতরাও পিপিই কিট পরে পুজো করছেন। ভক্তদের বলা হয়েছে, পুজো দেওয়ার পর তাঁরা যেন দ্রুত মন্দির ছেড়ে চলে যান।দক্ষিণেশ্বর মন্দির চত্বরে এ দিন একসঙ্গে ২০০ জনকে দাঁড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে গঙ্গার ঘাটে স্নান করে সরাসরি মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না। এমনকি গঙ্গার ঘাটে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতেও দিচ্ছে না পুলিশ। গর্ভগৃহে অবশ্য কোনো ভক্তকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এবার করোনাজনিত কারণে অনলাইনেও মায়ের পুজো দেখা যাবে। করোনাজনিত কারণে এবার প্রসাদ দেওয়া হবে না। পুজো চলছে কালীঘাট মন্দিরেও। সেখানেও সকাল থেকেই মানুষের লম্বা লাইন। অন্যদিকে তারাপীঠ মন্দিরেও সকাল থেকেই ছিল ভক্তের বিপুল সমাগম। এখানেও দেখা গিয়েছে পুরোহিতরা যথারীতি নিয়ম মেনে পুজো করছেন। কোনওভাবেই মানুষ যাতে করোনাজনিত বিধিনিষেধ না ভাঙে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়েছে। বোলপুরে কঙ্কালীতলাতেও এদিন সকাল থেকেই ছিল ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ

বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর জন্য গোটা মন্দির চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মন্দিরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বঙ্গ বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। পুজো দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , পুজো দিয়ে আমি আপ্লুত। তিনি আরও বলেন , বাংলার এই পবিত্র ভূমি রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দ ঠাকুর, শ্রী অরবিন্দের। কিন্তু এখানেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। তোষণের রাজনীতিতে ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আধ্যাত্মিক-ও ধর্মীয় চেতনায় দেশের শীর্ষে ছিল বাংলা। সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যবাসীকে বিচার-বিবেচনার উপর বিশেষ নজর দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাব। আরও পড়ুন ঃ বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের এছাড়াও তিনি আরও বলেন, মা কালীর কাছে গোটা দেশ তথা বাংলার মঙ্গল কামনা করেছি। মোদীর নেতৃত্বে দেশ এক নম্বরে পৌঁছক তাই চাই। দক্ষিণেশ্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ছিলেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, অনুপম হাজরা-সহ আরও অনেকে। এছাড়াও মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরে ছিলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সদস্যারাও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

তমলুক বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিলেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তিনি তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। এদিন পুজো ্দেওয়ার পর সন্ধ্যা আরতিতে অংশগ্রহণ করে মায়ের আশীর্বাদ নেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত সঞ্জিত সিংয়ের প্রসঙ্গত , গত কয়েকদিন আগে তিনি করো্নায় আক্রান্ত হন। তাঁর আরোগ্য ্কামনায় অনুগামীরা যজ্ঞের আয়োজন করেন। করো্নার সঙ্গে অনেকদিন লড়াই করার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠে্ন। এরপর এদিন তিনি বর্গভীমা মন্দিরে পুজো দিতে আসেন।

অক্টোবর ১০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal