• ১৯ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Chanchal Bakshi: নিহতের বাবার আশঙ্কাই সত্যি, তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার গ্রেপ্তার দলেরই তিন কর্মী

পরিবারের সদস্যদের আশঙ্কাই সত্যি হল। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের দেবশালা অঞ্চলের প্রাক্তন যুব তৃণমূল সভাপতি চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেন দলেরই তিন সদস্য। ধৃতরা আসানুল মোল্লা, মনির হোসেন মোল্লা এবং বিশ্বরূপ মণ্ডল। ধৃতরা দেবশালা অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। ধৃতদের মধ্যে আসানুল ও মনির দেবশালা পঞ্চায়েতে তৃণমূল সদস্য। অপর ধৃত বিশ্বরুপ মণ্ডল দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি হিমাংশু মণ্ডলের ছেলে। রবিবার সন্ধ্যায় এই গ্রেপ্তারির কথা ঘোষণা করেন জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন। সুপারিকিলারদের দিয়েই যে এই খুনের ঘটনা ঘাটানো হয়েছে সেই বিষয়ে তদন্তকারী পুলিশ কর্তারাও একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল যুব নেতার খুনের ঘটনায় ভয়ঙ্কর নিদান অনুব্রতরএই গ্রেপ্তারির কথা এদিন জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে আউসগ্রামের রাজনৈতিক মহলে। সবাই বলছেন, নিহত চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সীর আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। কারণ এই খুনের ঘটনা ঘটার পর তৃণমূলের অনেক নেতা বিজেপির দিকে আঙুল তুললেও তা মানেননি নিহত চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সী। তিনি প্রথম দিন থেকেই দাবি করে আসছিলেন তাঁর ছেলেকে খুনের ঘটনায় বিজেপি বা সিপিএমের কেউ জড়িত থাকতে পারে না। দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের প্রাক্তন যূব সভাপতি চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় শেষপর্যন্ত তৃণমূলের লোকজন গ্রেপ্তার হওয়ায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে কি অনুব্রত মণ্ডল তাঁর ঘোষিত নিদান মতোই এবার ধৃতদের গুলি করে মারবেন!আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে হওয়া দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তার ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। চঞ্চল একদা দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। বৈঠক শেষে দুপুর ৩ টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। পথে আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার বর্ডার লাগোয়া গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে পিছু ধাওয়া করে এসে দুস্কৃতিরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। ওই পরিস্থিতিতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকের পাঁজরে ও হাতে মোট তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে ওই এলাকার লোকজন স্থানীয় জামতারা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চঞ্চল বক্সীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই খুনের ঘটনার পর দুই বর্ধমান জেলার পুলিশ সিট গঠন করে তদন্তে নামে। সিআইডিও ঘটনাস্থলে তদন্তে যায় । পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় ধৃত তিন জনকে সোমবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তকারী অফিসাররা ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবদন জানাবেন। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ সুপারি কিলারের নাগাল পেতে চাইছে।আরও পড়ুনঃ রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিকচঞ্চল বক্সী নিহত হওয়ার দুদিন বাদ তাঁর বাড়িতে যান বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা আউসগ্রামের পর্যবেক্ষক অনুব্রত মণ্ডল। খুনিদের গ্রেপ্তারের জন্য তিনি পুলিশকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেন।একই সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল ওই দিন সংবাদ মাধ্যম ও দেবশালা অঞ্চলের বাসিন্দাদের জানিয়ে দেন , খুনিরা তাঁর দলের লোক হলে তাঁদের গুলি করে মেরে দেওয়া উচিত।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Tripura TMC: ত্রিপুরায় শক্তি দেখাতে তৃণমূলের পদযাত্রা

আবার ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত দুমাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার। লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছোড়া। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুর ২টোয় আগরতলায় পদযাত্রার ডাক দিয়েছেন। এর ফলে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে।এই পরিস্থিতিতে আগরতলায় ফের পদযাত্রার পরিকল্পনা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সঙ্গে থাকতে পারেন দলের একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়কও। এদিন কুণাল ঘোষ টুইট করে এই পদযাত্রার কথা ঘোষণা করেন। 15 সেপ্টেম্বর ত্রিপুরার আগরতলায় পদযাত্রা করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির সন্ত্রাস, অপশাসন, জনবিরোধী নীতি, কথা না রাখার প্রতিবাদে এবং ত্রিপুরার প্রকৃত উন্নয়নের অভিযানকে সামনে রেখে কোভিড সতর্কতা রক্ষা করে এই পদযাত্রা করবেন তিনি। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) September 10, 2021কদিন আগেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। তাঁকে সামনে রেখেই ত্রিপুরা জয়ের পরিকল্পনা সাজাচ্ছে তৃণমূল। সুস্মিতা নিজে সময় দিচ্ছেন ত্রিপুরায়। এরই মধ্যে ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক। সূত্রের খবর, অভিষেকের এ বারের আগরতলা সফরে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন এক বিজেপি বিধায়ক। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। দলের ছাত্র শাখার প্রতিষ্ঠা দিবসে অভিষেক বলেছিলেন, দেড় বছরের মধ্যে ত্রিপুরা জয় করবে তৃণমূল। বুধবারের পদযাত্রা সেই লক্ষ্যে ত্রিপুরায় তৃণমূলকে কতটা এগিয়ে দিতে পারে, সে দিকেই নজর থাকবে আগামী দিনে।আরও পড়ুনঃ আবার করোনার হানা ভারতীয় শিবিরে, পঞ্চম টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তাতৃণমূল সূত্রে খবর, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টোয় ত্রিপুরায় পদযাত্রা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ওই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারেন এরাজ্যের তৃণমূলের বহু শীর্ষ নেতা। ২০২৩-এর বিধানসভা ভোটকে টার্গেট করে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক জমি শক্ত করছে তৃণমূল। সেখানে ২১ জুলাই, খেলা হবে দিবস, রাখিবন্ধন উৎসব পালন করেছে রাজ্যের শাসক দল। ত্রিপুরায় দলীয় কার্য়ালয় তৈরি করতেও উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল। উল্লেখ্য, গত কয়েকমাস ধরে শাসক-বিরোধী তরজায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে ত্রিপুরায়। বিরোধী তৃণমূল ও সিপিএমের অভিযোগ, বেছে বেছে তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে। আগুন লাগানো হচ্ছে পার্টি অফিসে। এর আগে ত্রিপুরায় অভিষেকের গাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছিল। যার পর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেকের জীবন বিপন্ন, ছায়ার মতো ওকে অনুসরণ করছে শাহের গুন্ডারা। তৃণমূলের ছাত্রনেতারও ত্রিপুরায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এরই মাঝে দলের শক্তির ঝাঁঝ বোঝাতে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Anubrata: আউসগ্রামে তৃণমূল যুব নেতার খুনের ঘটনায় ভয়ঙ্কর নিদান অনুব্রতর

দিনেদুপুরে গুলি করে তৃণমূলের যুব নেতাকে খুনের ঘটনার পর দুদিন পেরিয়ে গেলেও খুনিরা কেউ ধরা পড়েনি। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বৃহস্পতিবার তাঁর কড়া হুঁশিয়ারি কথা জানিয়ে দিলেন পুলিশকে। এদিন পুলিশকে উদ্দেশ্য করে অনুব্রত মণ্ডল জানিয়ে দেন, ১৫ দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত ন্যায্য আসামীদের। তা না হলে ভয়ংকর খেলা খেলে দেবেন বলে তিনি জানিয়ে দেন। একই সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, খুনি যদি তাঁদের দলের কেউ হয় তবে তাঁকে আগে গুলি করে মেরে দেওয়া উচিৎ। অনুব্রতর এই ঘোষণাকে সঠিক বলে এদিন দাবি করেছেন নিহত তৃণমূল যুব নেতার বাবা শ্যামল বক্সী।আরও পড়ুনঃ আউশগ্রামে জঙ্গলের রাস্তায় খুন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলে, চরম উত্তেজনাআউসগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে হওয়া দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তার ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। চঞ্চল একদা দেবশালা অঞ্চল যুব তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। বৈঠক শেষে দুপুর ৩ টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালায় গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। পথে আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার বর্ডার লাগোয়া গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে পিছু ধাওয়া করে এসে দুস্কৃতিরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। ওই পরিস্থিতিতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকের পাঁজরে ও হাতে মোট তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে ওই এলাকার লোকজন স্থানীয় জামতারা হাসপাপালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চঞ্চল বকসিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশদিনে দুপুরে গুলির পর গুলি চালিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার খবর পেয়েই আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন ও দুর্গাপুর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌছান। তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলের খানিকটা দূর থেকে পুলিশ একটি আগ্নেআস্ত্র পায়। রাতে পুলিশ কুকুর এনেও তদন্ত চলে। বুধবার বেলা ১১ টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌছায় ৪ সদস্যের সিআইডি আধিকারিক দল। তাঁরা ঘটনাস্থল ছাড়াও যে জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি ও একটি জামা উদ্ধার হয়েছিল সেই জায়গা গুলি খতিয়ে দেখেন। তাঁরা মাপযোগ করেন ও ছবি তোলেন। সেখান থেকে সিআইডি আধিকারিক দলটি সোজা চলে যান নিহতের বাড়িতে। দরজা বন্ধ করে তাঁরা কথা বলেন চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সীর সঙ্গে। ওই দিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের দেহের ময়না তদন্ত হয়। সেখানে গিয়েও সিআইডি আধিকারিকরা বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন চিকিৎসকদের কাছে। সিআইডি আধিকারিকরা বিকালে ফের ঘটনাস্থলে যান। নিহতের ভাই রাহুল বক্সী বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তাঁর দাদাকে খুনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আউসগ্রাম থানার পুলিশ খুনের ধারায় মামলা রুজু করে। তদন্তের জন্য দুই বর্ধমান জেলার পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে। তবুও দুদিন পার হয়ে যাওয়ার পরেও খুনিরা এখনও অধাই রয়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারনিহত চঞ্চল বক্সীর বাড়িতে এদিন গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা আউসগ্রামের পর্যবেক্ষক অনুব্রত মণ্ডল। চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সী জানান, তাঁর ছেলেকে বিজেপি বা সিপিএমের কেউ খুন করেছে বলে তিনি মনে করেন না। উল্টে তিনি দাবি করেন, খুনিরা সমাজ বিরোধী হতে পারে, তৃণমূলও হতে পারে। অনুব্রত মণ্ডলের কায়দাতেই এদিন শ্যামল বাবু জানিয়েদেন, তিনি চান তাঁর ছেলেকে খুনের ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দোষীরা শাস্তি পাক। গরু, ছাগলের দুটো পাইকেরকে ধরে এনে পুলিশ যদি দেখায় ওরা দোষী তা তিনি মানবেন না। তেমনটা হলে রাস্তা অবরোধ করার পাশাপাশি বিডিও অফিস ও পঞ্চায়েত অফিসেও কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে শ্যামল বাবু এদিন হুঁশিয়ারী দিয়ে রাখেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: উপনির্বাচন নিয়ে ফের তৃণমূলকে বিঁধলেন দিলীপ

ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে ফের একবার সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার এই উপনির্বাচন নিয়ে একের পর এক কটাক্ষ শানালেন দিলীপ। ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, আগে ভাগে প্রার্থী দিলেই কি ভোটে জেতা যায়? ওনারা তো দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। কী হল? আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিলেন। দু মাস আগে থেকে প্রার্থী দিয়েছিলেন। অথচ ফলাফল তো দেখে নিয়েছে সকলেই। লড়াই করেন, দৌড়োদৌড়ি করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ লোকসভাতেও আগে প্রার্থী দিয়েছিলেন। তারপর ঝটকাটা খেলেন। নির্বাচনটা তো মাঠে হয়। সেটা ভুলে গেলে চলবে কী করে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যে কোনও সময়ই প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি বুধবার ত্রিপুরায় সিপিএমের বিভিন্ন কার্যালয়ে দুষ্কৃতী হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, এখান থেকে নেতা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এখান থেকে মিডিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখান থেকে লোক নিয়ে গিয়ে যোগদান করানো হচ্ছে। ওখানে উৎপাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ওখানকার লোকজন এটা পছন্দ করছে না।একই সঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ আবারও শুধুমাত্র ভবানীপুরে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ভবানীপুর নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে সে প্রসঙ্গে বলেন, স্বাভাবিকভাবেই ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন। আদালতই যা বিচার করার করবে। সমস্ত দিক গুলো আলোচনা হবে। অন্যান্য রাজ্যেও তো উপনির্বাচন। তারা এখন বলছে উপনির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই। পশ্চিমবঙ্গে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে না। কলকাতা সব সময় স্পর্শকাতর। যারা বিধানসভা নির্বাচনে চেঁচিয়ে বলেছিল, করোনার মধ্যে ভোট হলে মানুষের জীবনের ঝুঁকি হচ্ছে, তারা এখন সে সব ভুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ধরে রাখার জন্য অন্য কথা বলছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যান, তা হলে কি সংকট তৈরি হবে না? তাই স্বাভাবিকভাবেই মানুষ জানতে চাইছেন নির্বাচন কমিশন কেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলেন। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাউকে বিধায়ক বা মুখ্যমন্ত্রী করা তো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব না।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপ

গোটা দেশে শুধুমাত্র ভবানীপুরে কেন উপনির্বাচন? নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর প্রশ্ন তুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীরা । সাংবিধানিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর এবার এই সাংবিধানিক সংকট তৈরির জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার দুর্গাপুরে এক বেসরকারী হাসপাতালে এক মহিলা বিজেপি কর্মীকে দেখতে এসে তৃণমূলের পাশাপাশি উপনির্বাচন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নিলেন দিলীপ ঘোষ।রাজ্যের উপনির্বাচনগুলিকে নিয়ে আইনের পথে যেতে তারা প্রস্তুত হচ্ছেন বলে ফের একবার জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, একজন মুখ্যমন্ত্রী হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন,উনি আবার যে জিতবেন এর নিশ্চয়তা কোথায়?আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরকরোনা পরিস্থিতিতে অন্য জায়গায় উপনির্বাচন হচ্ছে না। অথচ ব্যতিক্রম ভবানীপুর। কমিশনের এই দ্বি-নীতিই আদালতে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।এই প্রসঙ্গে ইঙ্গিত দিয়ে দিলীপ বলেন, রাজ্যের কমিশন বলছে, পুরভোটের মতো পরিস্থিতি নেই। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিল। অন্য রাজ্য বলছে ভোট করতে পারব না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এর পিছনে কোনও রহস্য নেই তো? বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বেন বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে এরকম পক্ষপাতমূলক আচরণ করতো না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

CBI: নবগ্রামের ফেরার তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি সিবিআইয়ের

রাজনৈতিক হিংসায় বিজেপি নেতার মায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে রবিবার ফেরার তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঢুকে তল্লাশি চালালো সিবিআই।সিবিআইয়ের এই অতি সক্রিয়তায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নবগ্রামে। সিবিআইয়ের এই অতি সক্রিয়তা জামালপুরের শাসক দলের নেতা কর্মীদের দুশ্চিন্তাও যথেষ্টই বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছেন সিবিআই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে তদন্ত করেছে।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরদিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম। ওই দিন নিহত হন নবগ্রামের বিজেপি শক্তি প্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। ওই রাজনৈতিক হিংসায় দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু (৩০) এবং বিভাষ বাগ ওরফে বিনোদ (২৭) নিহত হন। নিহতদের মধ্যে কাকলি ও বিভাসের বাড়ি নবগ্রামে।অপর নিহত শাজু শেখের বাড়ি জামালপুর থানার ভেড়িলি গ্রামে। রাজনৈতিক হিংসার এই ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে পরদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করে। ধৃতদের মধ্যে ১০ জন ছিল বিজেপি সমর্থক। একজন ছিল তৃণমূল কর্মী। মা কাকলি ক্ষেত্রপালের মৃত্যুর বিষয়ে জাতীয় মাণবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায় ছেলে আশিস ক্ষেত্রপাল। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় কাকলি ক্ষেত্রপালের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই।আরও পড়ুনঃ ৩৭ বছর বয়সেও চমক দেখিয়ে চলেছেন সুনীল ছেত্রীজামালপুরের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য গত ২৯ আগষ্ট সিবিআই দল প্রথম পা রাখে নবগ্রামে। তার পর থেকে এক প্রকার নবগ্রামের মাটি কামড়ে পড়ে আছে সিবিআই দল। এখনও পর্যন্ত পাঁচ দিন সিবিআই দল নবগ্রামে তদন্তে গিয়েছে। নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবার সদ্যসদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি এলাকার মানুষজনের সঙ্গেও কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকরা। এলাকার ভিডিওগ্রাফিও করেন। ১ সেপ্টেম্বর ফরেন্সিক টিম নিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা নবগ্রামে পৌছান। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে মাটি ও অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করেন। এদিন বেশ কিছু কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে সিবিআইয়ের তিনটি দল বেলায় নবগ্রামে পৌছায়। তাঁরা নবগ্রামের ঘোষ পাড়া ও ওড়িষ্যা পাড়ার ফেরার তৃণমূল কর্মী সোমনাথ শিল, অমরেশ বাগ, সাগর রায়, কুমারেশ ঘোষ ,সমীর ঘোষ,সমর ধাড়া ও সমীর বাগের বাড়িতে পৌছে গিয়ে তল্লাশী চালান। পরে জামালপুর থানাতে গিয়েও সিবিআই আধিকারিকরা রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার মামলার নথিপত্র খতিয়ে দেখতে যান বলে জানা গিয়েছে। সিবিআইয়ের এই সক্রিয়তা নিয়ে জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারা অবশ্য কোন মন্তব্য করতে চাননি।আরও পড়ুনঃ জনতার কথা-র মুখোমুখি অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের ছেলে আশিস ক্ষেত্রপাল ঘটনার দিনের পর থেকে বাড়ি ছাড়া রয়েছেন। এদিন আশিষ ক্ষেত্রপালকে ফোন করা হলে তিনি বলেন,, ভোটের ফল প্রকাশের পরদিন পরিকল্পনা মাফিক তৃণমূলের লোকজন তাঁদের বাড়ি আক্রমণ করে। সেই সশস্ত্র আক্রমণে তাঁর মা কাকলি ক্ষেত্রপাল মারা যান। মারাত্মক জখম হয়ে তাঁর বাবা অনীল ক্ষেত্রপাল চলার শক্তি হারিয়েছেন। আশিস অভিযোগে বলেন , হামলা আক্রমণের বিষয়ে তাঁর পরিবার যে অভিযোগ থানায় জমা দিতে দিয়েছিল তা পুলিশ গ্রহন করেনি। অভিযুক্ত অনেকে এখনও এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই অবস্থায় পুলিশি তদন্তে সুবিচার মিলবে না বুঝে তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আশিস এদিন দাবি করেন,সিবিআই যে ভাবে তদন্ত করছে তার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা সুবিচার পাবেন বলে আশা করছেন। একই দাবি করেছেন নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের স্বামী অনিল ক্ষেত্রপাল।আরও পড়ুনঃ ৭৭ থেকে কমে ৭১! ফের ভাঙন বিজেপি শিবিরেসিবিআইয়ের এই তদন্তকে যদিও পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, একই দিনে নবগ্রামে দুই তৃণমূল কর্মীও খুন হন। অথচ সিবিআই আধিকারিকরা নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু নিয়ে কোন তদন্তই করছে না। শুধুমাত্র বিজেপি কর্মী পরিবারের মহিলার মৃত্যু নিয়েই তদন্ত করে যাচ্ছে। এর থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণদিত ভাবেই হচ্ছে সিবিআই তদন্ত।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

TMC joining: ৭৭ থেকে কমে ৭১! ফের ভাঙন বিজেপি শিবিরে

মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগেই বিজেপির তরফের ঘোষণা করা হয়েছিল ফাটলের কোনও সম্ভাবনা নেই দলের অন্দরে। কিন্তু দুদিনের মাথায় আবারও ছন্দপতন বিজেপিশিবিরে। পদ্মশিবির ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দিলেন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায় শনিবার তৃণমূলের ভবনে গিয়ে দলীয় মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে যোগ দেন তৃণমূলে।প্রায় দুমাস আগে সৌমেন জেলা বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে অবশ্য সৌমেন বিজেপিতেই আছেন বলে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। কিন্তু মাঝেমধ্যেই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উধাও হয়ে যাওয়া নিয়ে গুঞ্জন চলছিল বিজেপির অন্দরে। শেষ পর্যন্ত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সৌমেন তৃণমূলে যোগ দেন। সূত্রের খবর, যেদিন বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূলে যোগ দেন, সে দিনই সৌমেন রায়েরও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটু অপেক্ষা করেই তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি। ঘটনাচক্রে, সৌমেন রায়ও আগে তৃণমূলেই ছিলেন। কিন্তু বাকি দলবদলুদের মতো ভোটের আগে তিনিও তৃণমূলে যোগ দেন। তৃণমূলে শামিল হয়ে সৌমেন বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই তৃণমূলে আছি। ঘটনাচক্রে আমি বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করি। কিন্তু আমার মন-প্রাণ তৃণমূল কংগ্রেসেই পড়ে ছিল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে শহরের একাধিক জায়গায় ইডি হানাআজকের দলবদলের পরে বাংলার বিধানসভায় বিজেপির আরও শক্তিক্ষয় হল বলা চলে। কারণ বিধানসভা ভোটে ৭৭ আসনে জয়লাভের পর নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার বিধায়ক পদ ত্যাগ করেন। এরপর প্রথমে মুকুল রায় ও পরবর্তী সময় তন্ময় ঘোষ ও বিশ্বজিৎ দাসও দলত্যাগ করেন। এ বার চলে এলেন সৌমেন রায়ও। ফলে বিজেপি যে আরও দুর্বল হল, তা বলাই যায়। ফলে বর্তমানে রাজ্য বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৭ থেকে কমে হল ৭১।সৌমেন রায়ের দল পরিবর্তন নিয়ে অবশ্য বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপি সূত্র বলছে, এই দলবদল নিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব মাথা ঘামাচ্ছেন না। তাঁরা ধরেই নিচ্ছেন, যে সকল নেতারা তৃণমূল থেকে এসে বিধায়ক হয়েছেন, তাঁরা দলে ফিরে যাবেন। খানিকটা এমন ভেবে নিয়েই এবার সামনের দিকে এগোনোর পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Malay Ghatak : কয়লা পাচার-কাণ্ডে ইডির তলব আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে

এবার কয়লা পাচার কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তলব করল রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। সূত্রের খবর, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে মলয় ঘটককে। তিনি কয়লা শিল্পাঞ্চল আসানসোলের তৃণমূলের বিধায়ক। এই তলবকেও রাজনৈতিক প্রতিহংসা বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সস্ত্রীক তলব করেছে ইডি। যদিও অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা ইডির কাছে আবেদন জানিয়েছেন করোনা পরিস্থিতিতে তিনি দুই সন্তান নিয়ে দিল্লি যেতে পারছেন না। ইডি আধিকারিকদের তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। অভিষেক নিজে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের লক্ষ্যে পানাগড়ে একাধিক বড় ঘোষণা মমতারএদিকে কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র এখনও অধরা। তিনি রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পদেও ছিলেন। সূত্রের খবর, তিনি এখন দ্বীপ রাষ্ট্র ভানুয়াতিতে রয়েছেন। আদালতে তাঁর আইনজীবী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।কয়লা পাচার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে তদন্ত করছে সিবিআই। পাশাপাশি তদন্ত করছে ইডি। কয়লাখনি অঞ্চলে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করছেন মলয় ঘটক। তৃণমূল কংগ্রেসের টানা তিনবারের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী। আসানসোল শিল্পাঞ্চলে মলয় ঘটকের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেখানকার আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মলয়বাবু অবগত বলে মনে করে ইডির আধিকারিকরা। সেকারণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Threatening to Kill : কুপ্রস্তাবে নারাজ মহিলাকে সপরিবারে খুনের হুমকির অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের কুপ্রস্তাবে রাজি হননি মহিলা। তাই ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী, সন্তানকে খুনের হুমকি দেওয়া ও মারধরের অভিযোগ উঠলো তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না ১ ব্লকের পলাশন পঞ্চায়েতের ধারান গ্রামে। এই ঘটনা নিয়ে ওই মহিলা রায়না থানায় অভিযোগ জানালেওকোন কাজ না হওয়ায় বুধবার তিনি জেলার পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অভিযুক্তের শাস্তির দাবি করেছেন। ধারান গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেনের এমন কীর্তির কথা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রায়নার ধারাণ গ্রামের কামারপাড়ায় বাড়ি ওই মহিলার। লিখিত অভিযোগে এদিন তিনি পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের নাম শেখ জাকির হোসেন। গত ২৫ আগষ্ট দুপুর আড়াইটে নাগাদ পঞ্চায়েত সদস্য মহিলার ফোন নম্বারে ফোন করেন। মহিলার অভিযোগে জানান, তাঁকে ফোন করে পঞ্চায়েত সদস্য খারাপ খারাপ কথা বলে ও কুপ্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবে তিনি রাজি হন না। এরপর জাকির হোসেন তাঁকে বলে তিনি রায়নার বিধায়ক শম্পা ধারার কাছের লোক। তার প্রস্তাবে রাজি হলে তিনি তাঁর ছেলের চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন বলেও বলেন। মহিলার অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্যর কোন প্রস্তাবেই তিনি রাজি হন না। সেই কারণে পঞ্চায়েত সদস্য তাঁকে ও তাঁর স্বামী এবং ছেলেকে প্রাণে মেরেদেবে বলে হুমকি দেয়।পঞ্চায়েত সদস্যের এমন হুমকির বিষয়ে ওই দিনই মহিলা রায়না থানায় শেখ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মহিলা বলেন, রায়না থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা তো দূরের কথা শুধুমাত্র একটা জিডি করেই দায় সারে। এমতাবস্থায় গত ৩০ আগষ্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা নাগাদ একজনকে সঙ্গে নিয়ে জাকির হোসেন তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। তারা তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে মারধর করে। এমনি জাকির হোসেন ওইদিন হুমকি দিয়ে যায় রায়না থানা থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী ও ছেলেকে তিনি প্রাণে মেরে দেবেন। এমন ঘটনা সবিস্তার পুলিশ সুপারকে জানিয়ে মহিলা তাঁদের গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেনের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।পঞ্চায়েত সদস্য শেখ জাকির হোসেন যদিও তাঁর বিরুদ্ধে মহিলার আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এমন কোন ঘটনার সঙ্গেই তিনি যুক্ত নন। ওই মহিলা ও তাঁর পরিবার বিজেপির সক্রিয়া কর্মী। ২০১১ সালে ধারান গ্রামের এক মহিলা তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় ওই মহিলা ও তাঁর স্বামী জড়িত। জাকির হোসেন দাবি করেন, তাঁর এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বদনাম করতে ওই মহিলা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এইসব মিথ্যা অভিযোগ আনছেন। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, কেউ অন্যায় করে থাকলে পুলিশ আইন মাফিক ব্যবস্থা নেবে। অন্যায়কারী যত বড়ই নেতা হন না কেন দল তাঁর পাশে থাকবে না। যদিও ধারান এলাকার বিজেপি মণ্ডল সভাপতি সুভাষ পাত্র পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ওই মহিলা ও তাঁর পরিবারের কেউ বিজেপি পার্টি করেন না। তাঁরা তৃণমূলেরই কর্মী। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে ওরা নিজেরাই এখন একে অপরকে এখন খুনের হুমকি দিচ্ছে। এরপর ওরা হয়তো খুনোখুনি করবে ।এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, মহিলা যে অভিযোগ জানিয়েছেন তার তদন্ত হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে । রায়না থানার পুলিশের এক কর্তা এই বিষয়ে বলেন, ধারান গ্রামের ওই মহিলা কিছুদিন আগে যে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন তার ভিত্তিতে জিডি করা হয়েছে। তার তদন্ত চলছে। পরবর্তী সময়ে মহিলা আর কোনও অভিযোগ থানায় জানাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
কলকাতা

TMC Joining: ৬ মাসের জল্পনা মিটিয়ে তৃণমূলে ফিরলেন বিশ্বজিৎ দাস

সোমবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। মঙ্গলবার তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। দুজনেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন। গেরুয়া শিবির তাঁদের টিকিটও দেয়। এবং দুজনেই ভোটে জেতেন। তার পর ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।আরও পড়ুনঃ টিকার লাইনে ধুন্ধুমার-রক্তারক্তি, পদপিষ্ট ২৫মঙ্গলবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদারের হাত থেকে ঘাসফুল পতাকা তুলে নেন বিশ্বজিৎ। দলে ফিরে বাগদার বিধায়ক জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের যজ্ঞে শামিল হতেই বিজেপি ছেড়েছেন। বিজেপিত্যাগী বিধায়কের মন্তব্য, ভুল বোঝাবুঝির কারণেই তৃণমূল ছেড়েছিলাম। ঠিক হয়নি। কিন্তু বিজেপিতে কাজের পরিবেশ নেই, দমবন্ধ হয়ে আসছিল। তাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলাম। তাঁর মতে, বিজেপি নেতৃত্ব বাংলা বোঝেন না। বাংলার আবেগ ধরতে পারেনি বিজেপি। বিশ্বজিতের হাতে দলের পতাকা ধরিয়ে পার্থ বলেন, বিজেপি-র ধ্বংসাত্মক রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারছিলেন না বিশ্বজিৎ। দলের কাছে আবেদন করেন। দল তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে।২৪ ঘণ্টা আগে একইভাবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে তন্ময়ের ফেরা নিয়ে বলেছিলেন, তৃণমূল পুলিশের ভয় দেখিয়ে দলে টেনেছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: 'পিসির পুলিশ ভয় দেখিয়ে দলবদল করিয়েছে তন্ময়কে'

পিসির পুলিশের ভয় দেখিয়ে বদলবদল করানো হয়েছে বিজেপি বিধায়ককে। এমনই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার কলকাতার একটি হোটেলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে শাসকদলে যোগ দেন বিষ্ণপুরের বিজেপি বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। ভোট ঘোষণার পরেই ৫ মার্চ বিজেপি-তে যোগ দেন তন্ময়। ৬ তারিখে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় বিজেপি। সেই তন্ময়ের দলবদল নিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, আমি তন্ময় ঘোষকে চিঠি দেব। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য। আমি জানি তিনি কোনও উত্তর দিতে পারবেন না। তিনি অপেক্ষা করছিলেন। মুকুল রায়ের দলত্যাগ ও পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে যে মামলাটি চলছে তার গতিপ্রকৃতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন ভেবেছিলেন। শুভেন্দু আরও বলেন, কিন্তু তিনি তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ এখানকার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামাপদ মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জন্মাষ্টমীর দিন তড়িঘড়ি গিয়ে তিনি যোগ দিয়েছেন কারণ, মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশ তাঁকে ভয় দেখিয়েছে তোমাকেও এ বার যেতে হবে। তাই তড়িঘড়ি গিয়ে যোগদান করেছেন।আরও পড়ুনঃ এসসি ইস্টবেঙ্গল ও এটিকে মোহনবাগানের চাপে কেন পিছু হটল আইএফএ? বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, গত ২ মে-র পর থেকে দলের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ রাখেননি তন্ময়। যোগ দেননি কোনও দলীয় কর্মসূচিতেও। শুভেন্দুর অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল গত ১০ বছরে মুকুল রায়-সহ ৫০ জন বিধায়ককে দলবদল করিয়েছে। যে ভাবে মুকুলের দলত্যাগ নিয়ে বিধানসভার স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেছে বিজেপি পরিষদীয় দল, সে ভাবে আগামী সোমবার তন্ময়কে নিয়েও অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। মুকুলের মতো তন্ময়ের ক্ষেত্রেও অপেক্ষা করতে নারাজ তিনি। সুবিচার না পেলে আদালতে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন শুভেন্দু। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে টিকিট আদায় করে নিয়েছিল বিষ্ণুপুর বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে তৃণমূল প্রার্থী অর্চিতা বিদকে হারিয়ে বিজেপি বিধায়ক হিসাবে শপথ নিয়েছিল। ৫ মাসের সফর শেষ করে সোমবার ফের তপসিয়ার তৃণমূল ভবনে ব্রাত্য বসুর হাত থেকে ফের তৃণমূলের পতাকা তুলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফের তৃণমূলেই ফিরলেন তিনি। তাঁর এই দল বদলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিষ্ণুপুর শহরজুড়ে। গত পুরসভা নির্বাচনে পুর শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তৃণমূল প্রার্থী হয়ে নির্বাচন জিতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হন তন্ময় ঘোষ। পরে রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের লিখিত নির্দেশে পুরসভায় প্রশাসক বোর্ড গঠন হওয়ার পর ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় হন প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে অপর ২ কাউন্সিলর তন্ময় ঘোষ ও গৌতম গোস্বামীকে বোর্ড সদস্য করা হয়। ওই অবস্থায় বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বাজতেই তন্ময় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই বিষ্ণুপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে টিকিট আদায় করে নেয় এবং নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হন। যদিও বিধায়ক হওয়ার পরে দলীয়ভাবে বিজেপির কোনও কর্মসূচিতে তন্ময় ঘোষকে অংশ নিতে দেখা যায়নি। তখনই শহরের মানুষের মনে সন্দেহ দানা বাধে তন্ময়ের ফের দল বদল নিয়ে। এবং আজ সেটাই সত্যি প্রমাণ করে তাঁর তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।

আগস্ট ৩০, ২০২১
রাজ্য

Take Oath: দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা

মোদি ও অমিত শাহ একাধিকবার প্রচারে এসেও পদ্ম ফোটাতে পারেননি পূর্ব বর্ধমানে। এই জেলার ১৬টি বিধানসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করে জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থীরা। ঘাসফুল দুর্গ অটুট রাখতে পারা সকল বিধায়ককে রবিবার সম্বর্ধনা দিল জেলার জামালপুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকেই শ্লোগান উঠলো আর নয় মোদি- ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি।আরও পড়ুনঃ নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমেএদিন জামালপুর থানা সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের আয়োজক ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক ও জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি আলোক মাঝি। এদিনের সভায় জেলার বিধায়করা ছাড়াও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী স্বপনদেবনাথ, মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা তথা দুর্গাপুরের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ সভাধিপতি দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা সভায় তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, এই সংবর্ধনা সভা আসলে ২০২৪-এ বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করার শপথ নেওয়ার সভা। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পায়ে খেলে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করেছে। মোদি, অমিত শাহর বংলা জয়ের স্বপ্ন এক পায়ে খেলেই ভঙ্গ করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ২০২৪-এ দলনেত্রী দুপায়ে খেলবেন। দলের সবাইকে এই সভা থেকেই শপথ নিতে হবে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাতের জন্য। এখন থেকেই শ্লোগান তুলতে হবে আর নয় মোদি, ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি। অন্যদিকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, ভোটে ভরাডুবির পর বিজেপির এখন ভরসা সিবিআই আর ইডি। তবে বিজেপি যতই সিবিআই ও ইডি এই রাজ্যে পাঠাক না কেন লাভ কিছু হবে না। এবার ত্রিপুরাতে ঘাসফুল ফুটবে। কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালাবে। সেই লড়াই আন্দোলনেও দিশা দেখাবেন এই বাংলার মানুষ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ইডি, সিবিআইয়ের ধমকি দিয়ে লাভ নেই। বিজেপি-র পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে এমনটাই বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি আরও বলেন, একুশের ভোটে ছাত্র-যুবদের ভূমিকা অনবদ্য। এক বুক আবেগ অহঙ্কার নিয়ে কাজ করেছেন। আগামী দিনে লড়াইটা অনেক বড়। তৃণমূল বাংলায় আর সীমাবদ্ধ নেই। ত্রিপুরায় সংগঠন শুরু করেছে বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। যে বিজেপি ভাবছে বহিরাগতরা যারা বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখেছিল, তা ঘুচে গিয়েছে। ছাত্র-যুবরা বিজেপিকে ১০ গোলে হারিয়েছে। বুকের পাটা থাকলে, তৃণমূলকে আটকাও। বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করছি। পাশাপাশি তিনি ত্রিপুরার জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, আপনাদের অধিকার রক্ষায় আমরা শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়ব। দেশের সব রাজ্যে তৃণমূল যাবে। কোনও মাইকা লাল থাকলে, বিজেপির হিম্মত থাকলে আটকে দেখাক।উল্লেখ্য, ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার সকালেই পড়ুয়াদের উদ্দেশে টুইটারে অভিনন্দন-বার্তা দিয়েছেন মমতা। টুইট করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। On #TMCPFoundationDay, I extend my best wishes to the vibrant members of our Chhatra Parishad. We are proud of your achievements invaluable contributions to the party!Today, I urge all students to join us in the fight against forces that try to break the spirit of Democracy. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 28, 2021Our students are our pride!On #TMCPFoundationDay, I celebrate the indomitable spirit of our student community. It is time for us to unitedly take this nation to even greater heights.It is my firm belief that all of you will be immensely successful in your future endeavours. Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) August 28, 2021চলতি বছর তৃণমূলের একুশে জুলাই কর্মসূচি গোটা দেশেই সাড়া ফেলেছিল। এ বার ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনে গুরুত্ব দিয়েছে তৃণমূল। বাংলার পাশাপাশি ত্রিপুরাতেও ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করছে জোড়াফুল শিবির।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Arrest: অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা

বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার জেলা নেতা শিবশংকর ঘোষ। ওই খুনের ঘটনায় জেলা নেতা আব্দুল রব, প্রাক্তন জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতেকার আহমেদ ওরফে পাপ্পুকে খুঁজছে পুলিশ। দলীয় সূত্রে খবর, শিবশংকর বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় এর আগে দলেরই ৩ মহিলা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শহর বর্ধমানের খালাসি পাড়ার তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি(৩৮)কে খুনের ঘটনায় ধৃতরা হল টুম্পা দাস, শেফালি বিবি, পপি বেগম ও বাবলু বাগ।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলের ৩ মহিলা সহ ৪ জনের পুলিশি হেপাজতধৃতরা সকলেই খালাসি পাড়ার বাসিন্দা। তদন্তের প্রয়োজনে ও খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বুধবার সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাজনৈতিক দখলদারি কায়েম করতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে ছিল বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা। জানা গিয়েছে, ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ গোষ্ঠীর বিরোধ মঙ্গলবার দুপুরে চরমে ওঠে।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানখুনের ঘটনায় খোকন দাস ও শিবু অনুগামীরা যুক্ত বলে অভিযোগ করেন সেলিম। যদিও খোকন দাসের দাবি, দীর্ঘ বছর ধরে সেলিমের সঙ্গে রাজার বিবাদ রয়েছে। তা থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজনীতি

By Election: আজ নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

সেপ্টেম্বরেই হোক উপনির্বাচন। এই দাবি নিয়ে আজ দিল্লির নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রে যে উপনির্বাচন সেই নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে মতামত চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই নিয়ে মতামত জানাবে। প্রতিনিধি দলে থাকছেন সৌগত রায়, জহর সরকার, মহুয়া মৈত্র, সাজদা আহমেদ, সুখেন্দু শেখর রায়। সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই কমিশনের কাছে যেতে চলেছে বিজেপি। তার আগে আজই, কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএসএদিকে, উপনির্বাচন চায় না রাজ্য বিজেপি। তাদের বক্তব্য, রাজ্যে উপনির্বাচনের পরিস্থিতিই নেই। আট দফা কারণ তুলে ধরে রাজ্য বিজেপি এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও। বিজেপি যুক্তি খাঁড়া করেছে, বাংলায় এখন নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি নেই। কারণ লোকাল ট্রেন বন্ধ, বাস চলছে কম লোক নিয়ে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আছড়ে পড়তে চলেছে তৃতীয় তরঙ্গ। রাজ্যে যে সরকার রয়েছে, তার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ৭ টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন না হলেও সরকারের কোনও সংকট নেই, সুতরাং উপনির্বাচন এখন অপরিহার্য নয়। এরই মাঝে সব দলের থেকেই উপনির্বাচন নিয়ে মত জানতে চেয়েছে কমিশন। তৃণমূল আসলে যে কোনও পরিস্থিতিতেই দ্রুত উপনির্বাচন করাতে চাইছে। আর বিজেপি চাইছে তা পিছিয়ে দিতে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

BIG BREAKING: 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমান

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বর্ধমানে খুন হল এক তৃণমূল কর্মী। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তৃণমূল কর্মীর নাম অশোক মাঝি (৩৮)। জখম অশোক মাঝিকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানেই মারা যান তিনি। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!জানা গিয়েছে, বর্ধমানে পুরপ্রশাসক বোর্ড গঠন হওয়ার পর থেকেই শহরে দলের একাংশ পথ অবরোধ, পুরসভায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই দলীয় সূত্রে খবর। যদিও এটা তৃণমূলের নীচু তলার ক্ষোভের ফল বলেই বিধায়ক ঘনিষ্ঠদের দাবি। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মিছিল পাল্টা মিছিল চলছে। একপ্রকার শহরের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ওয়ার্ডে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। তারই মধ্যে এই খুনের ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল।মঙ্গলবার ফের অশান্তি বর্ধমানে। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের উপর হামলার অভিযোগ উঠলো দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পৌরসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে খালাসি পাড়ায় সেলিম ও তার সহযোগীদের কয়েকজন বহিরাগত রড, লাঠি দিয়ে আক্রমণ করে। তাঁর অভিযোগ, আক্রমণকারীরা বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাস ও তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষের অনুগামী। তাদের অঙ্গুলি হেলনেই তাঁর উপর হামলা করা হয়। হামলার ঘটনায় প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম সহ তিনজন জখম হয়। যদিও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। তিনি এই ঘটনায় কোন ভাবেই জড়িত নন।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: প্রশ্নপত্র বিতর্কের মাঝেই রাজ্যকে আক্রমণ দিলীপের

প্রথমে ইউপিএসসি, এবার ডব্লুউবিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে রাজনীতি। আর তা নিয়েই শুরু রাজনৈতিক চর্চা। আর তাই নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, আপনারা জানেন, কীভাবে রাজনৈতিক প্রশ্ন করা হয়েছে। সেই নিয়ে সমাজে আলোচনা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ এ কী করল শ্রী সিমেন্ট! চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গলপ্রসঙ্গত, রবিবারই ছিল ডব্লুবিসিএস পরীক্ষা। সেই প্রশ্নপত্র নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ছিল, কোন বিপ্লবী নেতা জেল থেকে মার্সি পিটিশন বা ক্ষমা প্রার্থনা করেন? তার চারটি বিকল্প উত্তর হিসেবে দেওয়া ছিল, ভি ডি সাভারকর, বি জি তিলক, শুকদেব থাপার ও চন্দ্রশেখর আজাদ। বিষয়টির সমালোচনা করতে গিয়ে দিলীপ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এক সময় লাল ছিল, এখন সবুজ হচ্ছে। যারা গেরুয়াকরণের গল্প বলতেন, তাঁরা আজ রাজনৈতিক ক্যাডার তৈরি করার চেষ্টা করছে। স্কুল থেকে ডব্লুবিসিএস- তাঁরা যেন লয়াল হন পার্টির প্রতি। যে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তার জন্য সেখানে পার্টির প্রশ্ন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, শুধু প্রশ্নপত্র বিতর্কই নয়, স্কুল খোলার বিষয়ে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তেরও প্রতিবাদ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, স্কুল অনেক জায়গায় খুলে গিয়েছে। ট্রেন চালু হয়েছে। যদি ওঁরা মনে করেন যে বিপদ আছে, তাহলে ভোট চাইছেন কেন? সেই কারণেই মনে হচ্ছে কেমন যেন পরস্পরবিরোধী কথা বলছেন। এটা উচিত নয়। যথেষ্ট চিন্তাভাবনা না করে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি টুইটে একটি প্রশ্ন নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। প্রশ্নে লেখা ছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবুজ সাথী প্রকল্পে কোন শ্রেণিতে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের সাইকেল বিতরণ করা হয়। এই প্রশ্নেই আপত্তি শুভেন্দুর। তিনি লিখেছেন, ইউপিএসসি পরীক্ষা প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আর এখন ডব্লুউবিসিএস পরীক্ষা পশ্চিমবঙ্গ সরকারি স্কিমের বিজ্ঞাপন করছে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Khagragarh : তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে অশান্তি অব্যাহত বর্ধমানের খাগড়াগড়ে

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে ফের উত্তপ্ত হল বর্ধমানের খাগড়াগড়। দরজার তালা ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় লণ্ডভণ্ড করে দেওয়ার পাশাপাশি দুয়ারে সরকার প্রকল্পে মানুষজনকে সাহায্যের জন্য রাখা নথিপত্রও নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইসব ঘটনা নিয়ে একগোষ্ঠী অপর গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। তবে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে এলাকা বারবার উত্তপ্ত হওয়ায় অতিষ্ট খাগড়াগড়ের বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরতৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে রবিবার অশান্ত হয় খাগড়াগড়। এরপর এদিন ফের খাগড়াগড় এলাকা উত্তপ্ত হল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দের জেরে।এলাকার তৃণমূল নেতা শেখ ফিরোজের অনুগামী মহম্মদ হোসেন এদিন দাবি করেন, পুলিশের নির্দেশে রবিবার তাঁদের দলীয় কার্যালয় বন্ধ ছিল। তবুও রাতে কিছু দুষ্কৃতী কার্যালয়ের দরজার তালা ভেঙে সব লণ্ডভণ্ড করে দেয়। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে এলাকার মানুষকে সাহায্য করার জন্য যে সব নথিপত্র রাখা হয়েছিল সেইসবও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এলাকার বাসিন্দা পিয়ারী বিবি অভিযোগে বলেন, রান্না খাওয়া-দাওয়া করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমন গুন্ডামি অসহ্য হয়ে উঠছে।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!যদিও এইসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বিরোধী গোষ্ঠীর মহম্মদ ইনসান। পালটা অভিযোগে তিনি দাবি করেন, এলাকার যাবতীয় অশান্তির মূলে রয়েছে শেখ ফিরোজ ও তার অনুগামী শেখ হোসেন সহ তাঁর দলবল। ওরাই নিজেদের গোষ্ঠীর মেয়েদের নিয়ে এসে বাসিন্দাদেরর মারধর করিয়েছে। এছাড়াও ক্লাব নিয়ে নানা বেনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতি চলছে বলেও মহম্মদ ইনসান দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবএই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, সবটাই স্থানীয় ঘটনা। এর সাথে দলের কোনো যোগ নেই। এটা গোষ্ঠীকোন্দলের ব্যাপার নয়। ক্লাবের ব্যাপার হতেও পারে। এলাকায় কোন গোষ্ঠী নেই।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

All Party Meeting: আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূল

আফগানিস্তান ইস্যুতে কেন্দ্রের ডাকা সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূল।দেশ ও দশের স্বার্থে আটকদের স্বার্থে রাজ্য কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে দেশের ব্যাপার জড়িয়ে, রাজ্যের ব্যাপার জড়িয়ে। আমরা একসঙ্গেই কাজ করছি। সবাইকে যাতে ফিরিয়ে আনা যায় এখন সেটাই লক্ষ্য। বিস্তারিত যখন হাতে পাব, আমাদের কাছে রিপোর্টিং করবে, তখন আমরা আপনাদের জানাতে পারব।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবআফগান-পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ২৬ অগস্ট সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই বৈঠক হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রক যদি সর্বদল ডাকে, আফগান তালিবানের মতো বিষয়ে যদি বৈঠক ডাকা হয় সেখানে নিশ্চয়ই যাবে।তিনি বলেন, আফগানিস্তানে আটকদের ফেরাতে কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে কাজ করেছে। ২৬ অগস্ট কেন্দ্রের ডাকে সর্বদলীয় বৈঠকে যাবে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরআফগানিস্তান সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবারই সর্বদল বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার টুইট করে এ কথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি টুইটে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছেন সংসদে সব দলের নেতাকে আফগান পরিস্থিতি নিয়ে অবহিত করতে। সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী টুইটে জানিয়েছেন, ২৬ অগস্ট সকাল ১১টায় সর্বদল বৈঠক বসবে। সেখানে বিদেশ মন্ত্রক সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অবহিত করবে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • ...
  • 56
  • 57
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, বামেদের ছাড়াই বিধানসভা ভোটে নামছে দল

জোট নিয়ে জল্পনার মধ্যেই কংগ্রেসের একলা চল নীতি নিয়ে বারবার আলোচনা চলছিল। আগেই জানা গিয়েছিল, প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ, বিশেষ করে শুভঙ্কর সরকার ঘনিষ্ঠ শিবির জোট না করার পক্ষেই রয়েছে। আবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির বামেদের সঙ্গে জোট বজায় রাখার পক্ষে ছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেই জল্পনার মধ্যেই এবার এল বড় সিদ্ধান্ত।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বামেদের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এবার দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন কংগ্রেস একাই লড়াই করুক। তাই ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বাম বা অন্য দলের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। সেই কারণেই জোট না করে এককভাবে লড়াইয়ের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এই ইচ্ছাকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে নেবেন। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য খানিক কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেস একটি স্বাধীন দল এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর ধারণা, এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই সুবিধা করে দেবে।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায় এবং তৃণমূলও মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই সরকার চালাচ্ছে। তবে বিজেপির সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু ভোটকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বেগুনি মিছিলের প্রভাব? বাজেটে বাড়ল আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক

ভোটের মুখে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে আবারও জনমুখী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগে রাজ্যজুড়ে আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের বেগুনি মিছিল নজর কেড়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের আগে শেষ বাজেটে কার্যত কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আশা কর্মীদের সাম্মানিকও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকেই আশা কর্মীরা মাসে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে পাবেন।শুধু সাম্মানিক বৃদ্ধি নয়, আশা কর্মীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মতোই এবার থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।এছাড়াও অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার অকাল মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবার বা নিকট আত্মীয়কে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে আশা কর্মীদের ক্ষেত্রেও।উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতিতে রয়েছেন রাজ্যের আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। একাধিক দাবিকে সামনে রেখেই এই আন্দোলন শুরু হয়। যদিও মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অকাল মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হলেও, মূল সাম্মানিক সংক্রান্ত দাবি এখনও পুরোপুরি মেটেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।বর্তমানে আশা কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে তা ১ হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা। তবে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি এখনও মঞ্জুর হয়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal