• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

T20 World Cup

খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌‌পরের বছর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের জন্য কী পরামর্শ দিলেন ভিভিএস লক্ষ্মণ?‌

এবছর টি২০ বিশ্বকাপে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভারতকে যথেষ্ট ভুগতে হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম দুটি ম্যাচে। পাকিস্তান ম্যাচে তো একটা উইকেটও তুলতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। নিউজিল্যান্ড ম্যাচে মাত্র ২টি উইকেট তুলে নিতে সক্ষম হয়েছিল। যদি দলে ষষ্ঠ বোলার থাকত, হয়তো তাঁর হাত ধরেই ব্রেক থ্রু আসতে পারত। পরের বছর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে যাতে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভারতকে ভুগতে না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্ণণ। পাশাপাশি ষষ্ঠ বোলারের অভাব কীভাবে মেটানো যায়, সে পরামর্শও দিয়েছেন ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। স্টার স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিভিএস লক্ষ্মণ বলেছেন, ২০২২ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে সাফল্য পেতে গেলে এমন কয়েকজন ব্যাটারকে দলে নিতে হবে, যারা বল করতে পারে। পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচে ভারতকে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভুগতে হয়েছে। হার্দিক পান্ডিয়ার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা রয়েছে। ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম বোলার হাতে থাকলে অধিনায়কের ওপর চাপ অনেক কমে যায়। দলে এমন ব্যাটার নিতে হবে যে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপে ২ ওভার বল করতে পারবে। অস্ট্রেলিয়ায় পরের বছর টি২০ বিশ্বকাপে এই বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তুলনায় অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশে পেসাররা বেশি সাহায্য পাবে। বল বেশি সুইং না করলেও উইকেটে গতি ও বাউন্স থাকবে। তাই ভারতকে এমন কয়েকজন পেসার দলে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন লক্ষ্ণণ, যাদের বলে গতি আছে। ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ায় বল খুব বেশি সুইং করবে কিনা সে ব্যাপারে আমি ততটা নিশ্চিত নই। তাই দলে এমন জোরে বোলার রাখতে হবে, যাদের বলে গতি আছে। যে উইকেট থেকে গতি ও বাউন্স আদায় করে নিতে পারবে। লক্ষ্ণণ মনে করছেন যার বলে বৈচিত্র্য রয়েছে, সেই জোরে বোলার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সাফল্য পাবে। পাশাপাশি ঈশান কিষানের মধ্যে ভারতের টি২০ দলের ওপেনার হওয়ার দক্ষতা আছে বলে মনে করছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে ঈশান কিষানকে তিনি ওপেনার হিসেবে দেখতে চান। লক্ষ্মণ বলেন,ঈশান যেরকম খেলে, তাতে পাওয়ার প্লের ফিল্ডিংয়ের সুবিধা নিতে পারবে। ওর মধ্যে দারুণ প্রতিভা রয়েছে। সাহসী শট খেলার ব্যাপারে যথেষ্ট দক্ষ। ভয়ডরহীন ভাবে শট খেলতে পারে। বড় ওপেনার হওয়ার সব গুন ওর মধ্যে রয়েছে। যদিও ভারতীয় দলে এই মুহূর্তে ওপেনার হিসেবে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল রয়েছে, তবে ঈশানকে টিম ম্যানেজমেন্ট কীভাবে ব্যবহার করবে, যেটা ওদের ব্যাপার।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

t20 World Cup : দেশের খেলার চেয়ে আইপিএলকে বেশি প্রাধান্য কোহলিদের?‌ গর্জে উঠলেন প্রাক্তন ক্রিকেট মহাতারকা

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত সেমিফাইনালে উঠতে না পারায় ফুঁসছে গোটা দেশ। ক্রিকেটপ্রেমীরা থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটার, প্রত্যেকেই হতাশ। ভারতের বিপর্যয় নিয়ে তর্কবিতর্ক চলছে। শুরু হয়েছে সমালোচনা। বিরাট কোহলিদের বিদায়ে গর্জে উঠেছেন প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব। তাঁর মতে, দেশের হয়ে খেলার চেয়েও ক্রিকেটাররা আইপিএলকে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কপিলদেব বলেছেন, ক্রিকেটাররা যদি দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আইপিএলকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তখন আমরা কী বলত পারি? ক্রিকেটারদের তাদের দেশের হয়ে খেলার জন্য অবশ্যই গর্বিত হওয়া উচিত। আমি ক্রিকেটারদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জানি না তাই বেশি কিছু বলতে পারছি না। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি প্রথমে দেশের হয়ে খেলাটাই প্রাধান্য পাওয়া উচিত। তারপর ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়ে খেলা। আমি বলছি না যে ক্রিকেটাররা আইপিএলে খেলবে না। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দেশের হয়ে খেলাটাকে বেশি গুরুত্ব দেয় না, আইপিএলে খেলাটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে বিষয়টি দেখতে হবে। এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব আরও ভালভাবে পরিকল্পনা করে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এই টি২০ বিশ্বকাপে আমরা যে ভুল করেছি তার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সেটাই হবে আমাদের কাছে বড় শিক্ষা। পরের বছরই আবার বসবে টি২০ বিশ্বকাপের আআসর। কপিলদেব মনে করেন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের উচিত পরের বিশ্বকাপের জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করা। প্রাক্তন এই বিশ্বজয়ী অধিনায়ক বলেন, এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর সময়। এখন থেকেই ভবিষ্যতের পরিকল্পনা শুরু করা উচিত। এমন নয় যে বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে মানেই ভারতীয় দলের ক্রিকেটও শেষ হয়ে গেছে। বসে না থেকে এখন থেকেই পরিকল্পনা করুক। আইপিএলের পরপরই বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে। ক্রিকেটাররা একেবারেই বিশ্রাম পায়নি। এই বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডেরও সমালোচনা করতে দ্বিধা করেননি কপিলদেব। তিনি বলেন, আমি মনে করি আইপিএল এবং টি২০ বিশ্বকাপের মধ্যে কিছুটা ব্যবধান থাকা উচিত ছিল। যাতে ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পেত। তবে আমাদের দেশের ক্রিকেটারদের প্রচুর এক্সপোজার রয়েছে। ক্রিকেটাররা তার সঠিক প্রয়োগ করতে পারেনি। প্রত্যেক ক্রিকেটারের উচিত এই ব্যর্থতার দায় নেওয়া। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১২ সালের পর এই প্রথম আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতা থেকে ভারত এত তাড়াতাড়ি বিদায় নিয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

সেমিফাইনালের ছাড়পত্র আগেই এসে গিয়েছিল। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ ছিল লিগ টেবিলে শীর্ষে থাকার লড়াই। বিপক্ষকে ৭২ রানে উড়িয়ে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে শেষ করল পাকিস্তান। সেমিফাইনালে পাকিস্তান খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।রবিবার স্কটল্ল্যান্ডের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন বাবর আজম ও শোয়েব মালিক। এই দুজনের দাপটে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল স্কটল্যান্ডের বোলাররা। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে ৪টি অর্ধশতরানের মালিক হয়ে গেলেন বাবর। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর তালিকায় শীর্ষে পৌঁছলেন। টপকে গেলেন জস বাটলারকে। বাটলার মত রান ২৪০। অন্যদিকে বাবরের সংগ্রহ ২৬৪।স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। শুরুতে সতর্ক ছিলেন দুই পাক ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩৫। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন মহম্মদ রিজওয়ান (১৯ বলে ১৫)। ফকর জামান (১৩ বলে ৮) দ্রুত ফিরলেও পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যান বাবর আজম ও মহম্মদ হাফিজ। হাফিজ ক্রিজে এসে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে রান তোলার গতি বাড়ানোর দিকে নজর দেন। ১৯ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। বাবর আজম ৪৭ বলে করেন ৬৬। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শোয়েব মালিক। মাত্র ১৮ বলে ৫৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১টি চার ও ৬টি ছয়। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির দিক দিয়ে ছুঁয়ে ফেললেন ভারতের লোকেশ রাহুলকে। ২০ ওভারে পাকিস্তান তোলে ১৮৯/৪।ব্যাট করতে নেমে ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। কাইল কোয়েটজারকে (৯) তুলে নেন হাসান আলি। এরপর ৫ রান করে রান আউট হন ম্যাথু ক্রস। ৩১ বলে ১৭ রান করে একাদশতম ওভারে শাদাব খানের প্রথম বলে ফিরে যান জর্জ মুনসে। এরপর স্কটল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান ব্যারিংটন ও লিয়াস্ক। ১৪ বলে ১৪ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হন লিয়াস্ক। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১৭/৬ তোলে স্কটল্যান্ড। ৩৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্যারিংটন। শাদাব খান ৪ ওভারে ১৪ রানে ২ উইকেট নেন। ৫ ম্যাচে সব কটি জিতে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পৌঁছয় পাকিস্তান। ৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে শেষ চারে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : সর্ব কনিষ্ঠ বোলার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের মালিক রশিদ খান

অনেক আশা নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল আফগানিস্তান। যদি কোনও রকম অঘটন ঘটানো যায়। লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেননি মহম্মদ নবিরা। কিন্তু এবারের টি২০ বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন আফগানিস্তানে লেগস্পিনার রশিদ খান। সর্ব কনিষ্ঠ বোলার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের মালিক হয়ে গেলেন।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মার্টিন গাপটিলকে আউট করে ৪০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছন রশিদ খান। একই সঙ্গে এলিট লিস্টে নিজের নাম তুলে ফেললেন আফগানিস্তানের এই লেগস্পিনার। সব ধরণের টি২০ ক্রিকেট ম্যাচে রশিদ খানের আগে ৩ জন বোলার ৪০০র বেশি উইকেট নিয়েছেন। তাঁরা হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়েন ব্র্যাভো। তিনি রয়েছেন সকলের ওপরে। সব ধরণের টি২০ ম্যাচ মিলিয়ে এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার নিয়েছেন ৫৫৩টি উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভোর পর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজেরই সুনীল নারাইন। এই ক্যারিবিয়ান রহস্যময় স্পিনারের ঝুলিতে রয়েছে ৪২৫ উইকেট। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির। এই প্রোটিয়া স্পিনারের সংগ্রহে রয়েছে ৪২০ উইকেট। ৪০০র এলিট ক্লাবে নতুন সংযোজন রশিদ খান। তবে এই কৃতিত্ব তিনি অর্জন করলেন সর্ব কনিষ্ট্ঠ হিসেবে।দেশের হয়ে খেলতে নেমে রশিদ খান ১০৩ টি উইকেট ঝুলিতে ভরেছেন। আর আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলতে নেমে ৯৩ টি উইকেট নিয়েছেন রশিদ খান। বাকি ২০৪টি উইকেট নিয়েছেন বিভিন্ন দেশে টি২০ লিগে খেলে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে বিগ ব্যাশ, তেমনই রয়েছে পাকিস্তান প্রিমিয়ার লিগ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, আফগানিস্তান টি২০ লিগ, ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি২০ ক্রিকেটে। দুরন্ত স্পিন বোলিংয়ের সুবাদে টি২০ ক্রিকেটে রীতিমতো সমীহ জাগানো নাম হয়ে উঠেছেন রশিদ খান।চলতি বিশ্বকাপে টি২০ ক্রিকেটে শুধু ৪০০ উইকেটের মালিক হননি রশিদ খান, আরও একটা নজির গড়েছেন এই আফগান স্পিনার। দ্রুততম বোলার হিসেবে টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০ উইকেট দখল করার নজিরও গড়েছেন রশিদ খান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। রশিদ খান ছাড়া মাত্র ৩ জন বোলার আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে ১০০ উইকেটের মালিক হয়েছেন। এরা হলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন জোরে বোলার লসিথ মালিঙ্গা, বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান এবং নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি। এই তালিকায় সকলের আগে রয়েছেন সাকিব আল হাসান।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : আফগানদের ৮ উইকেটে হারিয়ে ভারতের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ করল কিউয়িরা

নিউজিল্যান্ডআফগানিস্তান ম্যাচের দিকেই তাকিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। যদি কোনও ভাবে অঘটন ঘটে। ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণ হল না। রবিবার আবু ধাবিতে ১১ বল বাকি থাকতে আফগানিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় দল হিসেবে গ্রুপ ২ থেকে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। আফগানিস্তানকে কিউয়িরা হারিয়ে দিতেই টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল ভারতের। ভারতের সঙ্গে ছিটকে গেল আফগানিস্তানও। নিউজিল্যান্ড জেতায় সোমবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ হয়ে দাঁড়াল নিয়মরক্ষার।রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান খেলতে নেমেছে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে। বাবর আজমের দল যদি স্কটল্যান্ডের কাছে না হারে, তাহলে গ্রুপ ২ থেকে নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালে যাবে দ্বিতীয় দল হিসেবে। সেক্ষেত্রে সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড খেলবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। আর পাকিস্তান মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার।২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেই ছিটকে গিয়েছিল ভারত। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও কিউয়িদের কাছেই হারতে হয়েছে বিরাট কোহলির দলকে ভারত। টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও বিরাট কোহলিদের ছিটকে দিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে কেন উইলিয়ামসনদের জয়। টি২০ বিশ্বকাপসহ আইসিসি ট্রফি অধরাই থেকে গেল ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে।টস জিতে এদিন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক মহম্মদ নবি। ৮ উইকেটে ১২৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি আফগানরা। ৪৮ বলে সর্বাধিক ৭৩ রান করেন নাজিবুল্লাহ জারদান। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি চার ও ৩টি ছয়। গুলবদিন নঈব ১৫ ও অধিনায়ক মহম্মদ নবি ১৪ রান করেন। ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুর্দান্ত বোলিং করে তিনিই ম্যাচের সেরা। টিম সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। অ্যাডাম মিলনে, জিমি নিশাম, ইশ সোধি ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দলের ২৬ রানের মাথায় আউট হন ড্যারিল মিচেল (১২ বলে ১৭)। ৮.৫ ওভারের মাথায় আউট হন মার্টিন গাপটিল। ২৩ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন কেন উইলিয়ামসন (৪২ বলে ৪০) ও ডেভন কনওয়ে (৩২ বলে ৩৬)। ১৮.১ ওভারে ১২৫/২ তুলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : সামনের বছর দুবারের বিশ্বকাপজয়ী দলকে খেলতে হবে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ

দুবারের বিশ্বজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজের কী হাল! এবছর সেমিফাইনালে তো উঠতেই পারেনি, পরের বছর টি২০ বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার ১২তে খেলার যোগ্যতাও নেই! ২০২২ টি২০ বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার ১২তে খেলার সুযোগ পাবে না ক্যারিবিয়ানরা। প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকে সুপার ১২তে উঠে আসতে হবে। সরাসরি সুপার ১২র খেলার সুযোগ নেই শ্রীলঙ্কারও। তাদেরও প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ খেলে সুপার ১২তে উঠে আসতে হবে। অন্যদিকে, সরাসরি সুপার ১২তে খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান।২০২২ বিশ্বকাপের জন্য সুপার ১২র অটোমেটিক কোয়ালিফায়ার নির্ধারিত হল বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে। এবছর বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স দলের সঙ্গে আইসিসির টি২০ র্যাঙ্কিংয়ে সেরা ছটি দল সরাসরি আগামী বছর সুপার ১২তে খেলবে। এবছর সুপার ১২তে বাংলাদেশ সব ম্যাচ হারলেও বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে টি২০ সিরিজে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এই মুহূর্তে র্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। ৮ নম্বরে থাকার জন্য সামনের বছর সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে তারা। আফগানিস্তানও র্যাঙ্কিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার থেকে এগিয়ে রয়েছে। তারা রয়েছে সপ্তম স্থানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারাত, তাহলে র্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে উঠে আসত। সেক্ষেত্রে পরের বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার ১২তে জায়গা করে নিত। অসিরা জেতায় ক্যারিবিয়ানরা র্যাঙ্কিংয়ে দশম স্থানে নেমে গেছে। গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবছর বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার ১২তে খেলার সুযোগ পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে অবশ্য প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ খেলে উঠে আসতে হয়েছিল। শ্রীলঙ্কা রয়েছে নবম স্থানে। তারা এই বিশ্বকাপে সুপার ১২তে দুটি ম্যাচ জিতেছে। তা সত্ত্বেও র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে টপকে যেতে পারেনি। সামনের বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, স্কটল্যান্ড, নামিবিয়া এবং কোয়ালিফায়ার থেকে উঠে আসা চারটি দলকে নিয়ে প্রথম রাউন্ডের খেলা হবে। সেখান থেকে চারটি দল সুপার ১২তে উঠে আসবে।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : জিতেও শেষরক্ষা হলে না দক্ষিণ আফ্রিকার, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধ গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠেও শেষরক্ষা হল না দক্ষিণ আফ্রিকার। টি২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হল প্রোটিয়াদের। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ১০ রানে হারিয়ে ৮ পয়েন্টে পৌঁছে গেলেও নেট রান রেটের বিচারে ছিটকে যেতে হল তেম্বা বাভুমাদের।শুক্রবার দিনের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপের অঙ্ক জমিয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। চাপ বেড়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। সেমিফাইনালে যেতে গেলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুধু জিতলেই হত না, নেট রান রেটও অনেকটাই বাড়িয়ে নিতে হত। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলেও নেট রান রেটে টপকে যেতে পারল না অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডকে। তিন দলই শেষ করল ৮ পয়েন্টে। নেট রান রেটে শীর্ষে ইংল্যান্ড (+২.৪৬৪), দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া (+১.২১৬), তৃতীয় স্থান দক্ষিণ আফ্রিকা (+০.৭৩৯)। ইংল্যান্ডও যে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল, একথা বলা যাবে না। তাদেরও নেট রান রেটের কথা মাথায় রাখতে হয়েছিল। তাই টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। রেজা হেনড্রিকসকে (২) তুলে নেন মইন আলি। কুইন্টন ডিকক ও ভ্যান ডার ডুসেন জুটি দলকে টেনে নিয়ে যায়। ২৭ বলে ৩৪ রান করে আদিল রশিদের বলে আউট হন ডিকক। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ৮৬। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভ্যান ডার ডুসেন ও এইডেন মার্করাম। দুজনেই বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন। ৫টি চার এবং ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ৯৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ভ্যান ডার ডুসেন। ২৫ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও ৪টি ছয়। এই দুজনের দাপটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডও দারুণ জবাব দিতে শুরু করে। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৩৭। এরপরই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য মাঠ ছাড়েন জেসন রয় (১৫ বলে ২০)। বাটলার (১৫ বলে ২৬), মইন (২৭ বলে ৩৭), মালানরা (২৬ বলে ৩৩) দলকে টেনে নিয়ে যান। লিভিংস্টোন করেন ২৮। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৪ রান। কাগিসো রাবাডা পরপর ৩ বলে তুলে নেন মর্গ্যান (১৭), ওকস (০) ও জর্ডনকে (০)। সেখানেই শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের জয়ের স্বপ্ন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড ৮ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৭৯।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে প্রোটিয়াদের চাপে ফেলল অস্ট্রেলিয়া

এক দলের কাছে নিয়মরক্ষার হলেও অন্য দলের কাছে ম্যাচের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে, শেষ চারে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে জিততেই হত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ অনেকটাই মসৃন করল। তবে শেষ চারে যাওয়ার জন্য অ্যারন ফিঞ্চদের তাকিয়ে থাকতে হবে ইংল্যান্ডদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের দিকে। ইংল্যান্ড জিতলে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে সেক্ষেত্রে নেট রান রেটের অঙ্ক সামনে এসে পড়তে। এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার নেট রান রেট ০.৭৪২। ৪ ম্যাচে পয়েন্ট ৬। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, নেট রান রেট ১.২১৬। ইংল্যান্ডের ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, নেট রান রেট ৩.১৮৩। ইংল্যান্ডকে হারালেও দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। সেক্ষেত্রে খুব বড় ব্যবধানে জিততে হবে। টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন ক্রিস গেল ও এভিন লুইস। ২.১ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলে ফেলে ৩০। এরপরই কামিন্সের বলে বোল্ড হন গেল (৯ বলে ১৫)। পরের তৃতীয় ওভারে এক বলের ব্যবধানে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন নিকোলাস পুরান (৪) ও রস্টন চেজকে (০)। এরপর রুখে দাঁড়ান লুইস ও শিমরন হেটমায়ের। দশম ওভারের মাথায় অ্যাডাম জাম্পা তুলে নেন লুইসকে (২৬ বলে ২৯)। ২৮ বলে ২৭ রান করে হ্যাজেলউডের বলে ফিরে যান হেটমায়ের। জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে রান পেলেন না ডোয়েন ব্র্যাভোও (১২ বলে ১০)। শেষ দিকে কায়রন পোলার্ড (৩১ বলে ৪৪) ও আন্দ্রে রাসেলের (৭ বলে অপরাজিত ১৮) সৌজন্যে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৭ তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জস হ্যাজেলউড ৩৯ রানে ৪ উইকেট নেন। মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স নেন ১ করে উইকেট। ২০ রানে ১ উইকেট নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে ১১তম উইকেট পেলেন অ্যাডাম জাম্পা। ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও শুরু থেকে ঝড় তোলে। অসিদের লক্ষ্য ছিল কম ওভারের মধ্যে জয় তুলে নিয়ে নেট রান রেট বাড়িয়ে নেওয়া। ওপেনিং জুটিতে ৩.২ ওভারে তুলে ফেলে ৩৩। এরপর আকিল হোসেনের বলে বোল্ড হন অ্যারন ফিঞ্চ (১১ বলে ৯)। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে টেনে নিয়ে যান ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ। জুটিতে ওঠে ১২৪। ৩২ বলে ৫৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ক্রিস গেলের বলে মিচেল মার্শ আউট হন। অন্যদিকে, ৫৬ বলে ৮৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ডেভিড ওয়ার্নার। ১৬.২ ওভারে ২ উইকেটে ১৬১ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup: নামিবিয়াকে ৫২ রানে হারিয়ে ভারতের সেমিফাইনালের আশা আরও কমাল নিউজিল্যান্ড

টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার কাজ আরও কঠিন করে দিল নিউজিল্যান্ড। শুক্রবার নামিবিয়াকে ৫২ রানে হারিয়ে শুধু ৩ পয়েন্টই ঘরে তুলল না, নেট রান রেটও অনেকটাই বাড়িয়ে নিল কেন উইলিয়ামসনের দল। সেমিফাইনালে যেতে গেলে ভারতকে এখন তাকিয়ে থাকতে হবে শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে নিউজিল্যান্ডের হারের দিকে। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিরাট কোহলিরা মাঠে নামার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকিয়েছিল নিউজিল্যান্ড ম্যাচের দিকে। যদি কোনও ভাবে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে অঘটন ঘটায় নামিবিয়া। অঘটন তো দূর অস্ত, ২০ ওভারের মধ্যে নামিবিয়াকে ১১১ রানে বেঁছে রেখে বিরাট কোহলিদের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল কিউয়িরা। টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন নামিবিয়ার অধিনায়ক জেরার্ড এরাসমাস। শুরুর দিকে নামিবিয়ার বোলাররা নিউজিল্যানন্ডের ব্যাটারদের ওপর যথেষ্ট চাপ তৈরি করেছিল। আগের ম্যাচে বিধ্বংসী হয়ে ওঠা মার্টিন গাপটিল তেমন সুবিধা করতে পারছিলেন না। ১৮ বলে ১৮ রান করে ডেভিড উইসের বলে ট্রাম্পেলম্যানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ৪.১ ওভারে ৩১। এক ওভার পরেই আউট হন ড্যারেল মিচেল। ১৫ বলে তিনি করেন ১৯। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, ডেভন কনওয়েরাও নামিবিয়ার বোলারদের বিরুদ্ধে সুবিধা করতে পারছিলেন না। ২৮ বলে ২৮ রান করে আউট হন উইলিয়ামসন। কনওয়ে ১৮ বলে করেন ১৭। ১৪ ওভারে নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ৮৭/৪। কনওয়ে আউট হওয়ার পর নিউজিল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন গ্লেন ফিলিপ ও জিমি নিশাম। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে দুজনে তোলেন ৭৬। টি২০ ক্রিকেটে পঞ্চম উইকেটের জুটিতে এটাই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে নিউজিল্যান্ড তোলে ১৬৩/৪। শেষ ৬ ওভারে ওঠে ৭৩। ২১ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন গ্লেন ফিলিপ। ২৩ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম। নিউজিল্যান্ডের যা বোলিং শক্তি, ১৬৩ রান তাড়া করে জেতা যথেষ্ট কঠিন ছিল নামিবিয়ার কাছে। ওপেনিং জুটিতে নামিবিয়া তোলে ৪৭। টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্টরা শুরুতে উইকেট না পেলেও নামিবিয়াকে প্রথম ধাক্কা দেন জিমি নিশাম। তুলে নেন ভ্যান লিঙ্গেনকে (২৫ বলে ২৫)। অন্য ওপেনার স্টিফেন বার্ডকে (২১ বলে ২২) ফেরান মিচেল স্যান্টনার। এরপর আর তেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি নামিবিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে তোলে ১১১/৭। সাউদি ১৫ রানে ২টি, বোল্ট ২০ রানে ২টি উইকেট নেন। মিচেল স্যান্টনার, জিমি নিশাম, ইস সোধি ১টি করে উইকেট পান।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে লজ্জার বিদায় গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের

গ্রুপ ১ থেকে প্রথম দল হিসেবে আগেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় জায়গার জন্য লড়াই অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে। দুই দলেরই ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। নেট রান রেটে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে রয়েছে প্রোটিয়াদের থেকে। গ্রুপ লিগে সব ম্যাচ হেরে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার আশাও শেষ। বৃহস্পতিবার সম্মান রক্ষার লড়াই ছিল গতবারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সম্মান রক্ষার লড়াইয়েও ব্যর্থ ক্যারিবিয়ানরা। শ্রীলঙ্কার কাছে ২০ রানে হারতে হল কায়রন পোলার্ডদের।আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক কায়রন পোলার্ড। লক্ষ্য ছিল শুরুতেই উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলা। কিন্তু ক্যারিবিয়ান অধিনায়কের সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে যায় পাথুম নিসাঙ্কা ও কুশল পেরেরার দাপটে। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪২। ২১ বলে ২৯ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান কুশল পেরেরা। ক্যারিবিয়ানরা আশায় ছিল ম্যাচে ফেরার। কিন্তু তাদের ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন ব্যর্থ করে দেন পাথুম নিসাঙ্কা ও চরিথ আসালঙ্কা। জুটিতে ৯১ রান তুলে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেন। ১৫.৩ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে আউট হন নিসাঙ্কা। ৪১ বলে তিনি করেন ৫১। শ্রীলঙ্কার রান তখন ১৩৩।নিসাঙ্কা আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান আসালঙ্কা। ৪১ বলে ৬৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি রাসেলের বলে হেটমায়েরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক দাসুন শনাকা ১৪ বলে ২৫ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আন্দ্রে রাসেল ৩৩ রানে ২ উইকেট নেন।দলে তাবড় তাবড় টি২০ বিশেষজ্ঞ ব্যাটার রয়েছে। তা সত্ত্বেও জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য একেবারেই সহজ ছিল না ক্যারিবিয়ানদের কাছে। কারণ চলতি বিশ্বকাপে একেবারেই ফর্মে নেই ক্রিস গেল, আন্দ্রে রাসেল, কায়রন পোলার্ডরা। তার ওপর দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলেই ক্রিস গেল আউট। বিনুরা ফার্নান্ডোর বলে তিনি ১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। একই ওভারের শেষ বলে বিনুরা তুলে নেন এভিন লুইসকে (৮)। ২ ওভারের মধ্যে ১০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে ক্যারিবিয়ানরা। রস্টন চেজও (৯) দ্রুত ফেরেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও শিমরন হেটমায়ের। ৩৪ বলে ৪৬ রান করে আউট হন পুরান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তখন ১১ ওভারে ৭৭। আন্দ্রে রাসেল (২), কায়রন পোলার্ডর (০), জেসন হোল্ডাররা (৮) ব্যর্থ। চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে একমাত্র লড়াই করেন শিমরন হেটমায়ের। ৫৪ বলে ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে তোলে ১৬৯/৮ । শ্রীলঙ্কার হয়ে বিনুরা ফার্নান্দো, চামিকা করুনারত্নে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২ টি করে উইকেট পান।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : হঠাৎ কেন অভিমানী রোহিত শর্মা?‌ জানতে পড়ুন

টি২০ বিশ্বকাপের পর সীমিত ওভারের ক্রিকেটের নেতৃত্ব পাকাপাকিভাবে যে তাঁর হাতেই আসছে, বুঝে গেছেন রোহিত শর্মা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে তেমন ইঙ্গিতও পেয়েছেন। দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি মানসিকভাবে তৈরি। এখন শুধু সরকারিভাবে দায়িত্ব পাওয়ার অপেক্ষায়।পরপর দুটি ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ভারতের কাছে। আগের ম্যাচে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিলেও অনিশ্চয়তা দূর হয়নি। ভারতীয় দলের পারফরমেন্স নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। সমালোচনা হওয়ায় যথেষ্ট অভিমানী রোহিত। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের পর তিনি বলেন, করোনার জন্য এখন আমাদের জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে জীবনযাপন করতে হচ্ছে। তার মধ্যেই টানা ক্রিকেট খেলতে হচ্ছে। কঠিন পরিস্থিতিতে পড়াটা স্বাভাবিক। মাঠে নেমে লড়াই করতে গেলে মানসিকভাবে তরতাজা থাকতে হয়। মানসিকভাবে তরতাজা না থাকলে কখনও কখনও সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হয়ে যায়। বিশ্বকাপে প্রথম দুটি ম্যাচে আমরা ফোকাস ঠিক রাখতে পারিনি। এর অর্থ এই নয় যে আমরা খারাপ ক্রিকেটার। দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে ভাল ক্রিকেট উপহার দিয়ে এসেছি। দুটি ম্যাচে ভুল করেছিলাম। সেই ভুল শুধরে আফগানিস্তানে ঘুরে দাঁড়িয়েছি।রোহিত আরও বলেন, বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, ঋষভ পন্থ, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, আমি দীর্ঘদিন ধরে দেশের হয়ে খেলছি। আমাদের কাজ কী, আমরা জানি। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে কে কেমন খেলল, সেটা নিয়ে ভাবতে চাই না। দেশের হয়ে কোন ক্রিকেটার কেমন খেলতে সেটাই দেখতে হবে। আফগানিস্তান ম্যাচ জিতলেও ফাইনালের কথা এখন মাথাতেই রাখতে চাইছেন না রোহিত। তিনি বলেন, ফাইনালের কথা ভাবছিই না। আফগানিস্তাননিউজিল্যান্ড ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে আমাদের ভাগ্য। ওই ম্যাচটা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।আফগানিস্তানে বিরুদ্ধে ম্যাচের পরই জানতে পেরেছিলেন রাহুল দ্রাবিড় হেড কোচের দায়িত্ব নিচ্ছেন। নতুন কোচকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রোহিত বলেন, দ্রাবিড় ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তী। এবার অন্য ভুমিকায় ফিরছেন। স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা দ্রাবিড়ের কোচিংয়ে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World cup : রেকর্ড পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে জয় এনে দিলেন রোহিত–রাহুল

পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের কাছে পরপর দুম্যাচে পরাজয়ের পর অবশেষে টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেল ভারত। বুধবার আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানকে হারাল ৬৬ রানে। আফগানদের বিরুদ্ধে জিতে সেমিইফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল বিরাট কোহলির দল। যদিও সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে অনেক জটিল অঙ্ক পার করতে হবে ভারতকে। এবারের বিশ্বকাপে টস ভাগ্য একেবারেই সহায় নয় বিরাট কোহলির। আগের দুটি ম্যাচে টস হারার পর এদিনও টস হারেন। টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় আফগান অধিনায়ক মহম্মদ নবি। আগের দুটি ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ান রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল। শুরু থেকেই দারুণ আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন ভারতের দুই ওপেনার। এই ম্যাচে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের যুগলবন্দী চোখে আঙুল দেখিয়ে দিল নিউজিল্যান্ড ম্যাচে রোহিতকে তিনে নামিয়ে ওপেনিং জুটি ভাঙার বড় ভুল। ওপেনিং জুটিতে ১৪০ রান যোগ করেন রোহিতরাহুল। টি২০ বিশ্বকাপে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। ৪৭ বলে ৭৪ রান করে করিম জানাতের বলে মহম্মদ নবির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত। রোহিত আউট হওয়ার পর তিন নম্বরে নামা ঋষভ পন্থকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান লোকেশ রাহুল। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৬৯ রান করে তিনি গুলবাদিন নইবের বলে বোল্ড হন। কোহলির পরিবর্তে এদিন চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেন হার্দিক পান্ডিয়া। ক্রিজে এসে তিনি ঝড় তোলেন। ১৩ বলে ৩৫ রান করে হার্দিক অপরাজিত থাকেন। চার নম্বরে নামা ঋষভ পন্থ ১৩ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ভারত ২ উইকেট হারিয়ে তোলে ২১০। জয়ের জন্য ২১১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি আফগানিস্তান। ১৩ রানের মধ্যে আফগানিস্তানের দুই ওপেনার মহম্মদ শাহজাদ (০) ও হজরতুল্লাহ জাজাই (১৩) ফিরে যান। শাহজাদকে আউট করেন মহম্মদ শামি, বুমরাহ তুলে নেন জাজাইয়ের উইকেট। পাওয়ারপ্লে-র ৬ ওভারের শেষে আফগানদের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৪৭। এরপর রহমানুল্লাহ গুরবাজ ১৯ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার শিকার হন। গুলবদিন নঈব (১৮) ও নাজিবুল্লাহ জারদানকে (১১) আউট করেন অশ্বিন। ১১.৫ ওভারে ৬৯ রানের মধ্যে পড়ে পঞ্চম উইকেট। এরপর জয়ের সম্ভাবনা না থাকলেও নেট রান রেটের কথা মাথায় রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন করিম জানাত ও অধিনায়ক মহম্মদ নবি। মহম্মদ নবিকে (৩২ বলে ৩৫) তুলে নেন মহম্মদ সামি। একই ওভারে রশিদ খানকে (০) ফেরান। ২২ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন করিম জানাত।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : স্কটল্যান্ডকে ১৬ রানে হারিয়ে ভারতের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিল নিউজিল্যান্ড

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবির তাকিয়ে ছিল নিউজিল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড ম্যাচের দিকে। যদি কোনভাবে স্কটল্যান্ড অঘটন ঘটিয়ে দেয়। ভারতীয় শিবিরের সে মনোবাসনা পূর্ণ হল না। স্কটল্যান্ডকে ১৬ রানে হারিয়ে ভারতের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল নিউজিল্যান্ড।টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন স্কটল্যান্ড অধিনায়ক কাইল কোয়েৎজার। শুরুটা ভাল হয়নি নিউজিল্যান্ডের। ৬.১ ওভারে ৫২ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় কিউয়িরা। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে আউট হন ড্যারেল মিচেল। ১১ বলে তিনি করেন ১৩ রান। মিচেলকে ফেরান সাফিয়ান শরিফ। একই ওভারের পঞ্চম বলে তিনি তুলে নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে (০)। এক ওভার পরেই কনওয়েকে (১) তুলে নেন মার্ক ওয়াট। গ্লেন ফিলিপকে সঙ্গে নিয়ে এরপর রুখে দাঁড়ান মার্টিন গাপটিল। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে দুজনে তোলেন ১০৫। ৩৭ বলে ৩৩ রান করে ব্র্যাড হুইলের বলে আউট হন ফিলিপ। পরের বলেই গাপটিলকে তুলে নেন হুইল। মাত্র ৭ রানের জন্য আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে তৃতীয় সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন এই কিইয়ি ওপেনার। ৬টি ৪ ও ৭টি ছয়ের সাহায্যে ৫৬ বলে ৯৩ রান করেন গাপটিল। এই টি২০ বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচে তাঁর রান ১৩০।এদিন আরও একটি নজির গড়েছেন গাপটিল। বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ৩ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন। গাপটিলের আগে ৩ হাজার রান করেছেন বিরাট কোহলি। গাপটিল যখন আউট হন নিউজিল্যান্ডের রান ১৮.৩ ওভারে ১৫৭। শেষ পর্যন্ত দলকে ১৭২/৫ রানে পৌঁছে দেন জিমি নিশাম (৬ বলে অপরাজিত ১০) ও ইশ সোধি (৩ বলে অপরাজিত ২)।ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারে অধিনায়ক কাইল কোয়েৎজারকে (১১ বলে ১৭) হারালেও নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়েছিল স্কটল্যান্ড। দারুণ ব্যাট করছিলেন জর্জ মুনসে ও ম্যাথু ক্রস। অ্যাডাম মিলনের এক ওভারে পরপর পাঁচটি ৪ মারেন ক্রস। অন্যদিকে, ইশ সোধিকে পরপর দুটি ছয় মারার পর আবার ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে সাউদির হাতে ধরা পড়েন মুনসে। ১৮ বলে তিনি করেন ২২। ম্যাথু ক্রস ২৯ বলে ২৭ রান করে সাউদির বলে আউট হন। রিচি ব্যারিংটন ১৭ বলে করেন ২০। শেষ দিকে দারুণ লড়াই করেন মাইকেল লিয়াস্ক। যদিও দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। তিনি ২০ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ১৫৬/৫ রানে থেমে যায় স্কটল্যান্ডের ইনিংস।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

সুপার ১২র গ্রুপ ১ থেকে ইতিমধ্যেই টি২০ বিশ্বকাপের ছাড়পত্র পেয়ে গেছে ইংল্যান্ড। বাকি জায়গার জন্য জোরদার লড়াই। লড়াই আরও জমিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়। বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ওপর চাপ বাড়াল প্রোটিয়ারা। কারণ ৩৯ বল বাকি থাকতে জয় তুলে নিয়ে নেট রান রেট অনেকটাই বাড়িয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুটা ভাল করেও হঠাৎ ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ২২। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে মহম্মদ নইমকে (৯) রাবাডা তুলে নিতেই ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলাদেশ শিবিরে। পরের বলেই রাবাডা ফেরান সৌম্য সরকারকে (০)। এক ওভার পরেই তুলে নেন মুশফিকুর রহিমকে (০)। রাবাডার বিধ্বংসী স্পেলে খড়কুটোর মতো উড়ে যায় বাংলাদেশের টপ অর্ডার। মাহমুদুল্লাকে (৩) তুলে নেন আনরিখ নর্টিয়ে। ৩৪ রানে ৫ উইকেটে হারিয়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে কিছুটা লড়াই করেন লিটন দাস (৩৬ বলে ২৪), মেহেদি হাসান (২৫ বলে ২৭)। শেষ পর্যন্ত ১৮.২ ওভারে ৮৪ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ৮ রানে ৩ উইকেট নেন নর্টিয়ে। ২০ রানে ৩ উইকেট নেন রাবাডা।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারের শেষ বলে ফিরে যান রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাস্কিন আমেদের বলে এলবিডব্লুউ হন। এরপর ১৫ বলে ১৬ রান করে মেহেদি হাসানের বলে বোল্ড হন কুইন্টন ডিকক। এইডেন মার্করাম (০) দ্রুত ফিরে গেলেও লক্ষ্য কম থাকায় সমস্যা হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ভ্যান ডার ডুসেন ও অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ২৭ বলে ২২ রান করে নাসুম আমেদের বলে আউট হন ডুসেন। ২৮ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাভুমা। ১৩.৩ ওভারে ৮৬/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এই নিয়ে চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জয় পেল প্রোটিয়ারা। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে চাপে ফেলে দিল অস্ট্রেলিয়াকে।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : আফগানিস্তান ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলন এড়িয়ে গেলেন বিরাট কোহলি!‌

পরপর দুম্যাচে পরাজয়। এবারের টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার আশা অনেকটাই ক্ষীণ। এমনিতেই চাপে ছিলেন। তার ওপর সতীর্থদের সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে সমালোচনার শিকার হয়েছেন। দুটি ম্যাচে হেরে ঘরে বাইরে রীতিমতো কোনঠাসা ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এতটাই চাপে রয়েছেন যে, আফগানিস্তান ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনেই এলেন না। পাঠিয়ে দিলেন ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরকে! বিরাট কোহলির সাংবাদিক সম্মেলন এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। এর আগেই অনেকবার তিনি ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি। কখনো সহকারী অধিনায়ককে পাঠিয়েছেন, কখনও সতীর্থ কোনও ক্রিকেটারকে। কখনও আবার ব্যাটিং কোচ কিংবা ফিল্ডিং কোচকে। কিন্তু টি২০ বিশ্বকাপে যে পরিস্থিতিতে তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে এলেন না, তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। মঙ্গলবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোহলিসহ গোটা টিম যে যথেষ্ট চাপে রয়েছে, সেটা পরিস্কার। সেমিফাইনালে যেতে গেলে বাকি তিনটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, নিউজিল্যান্ডের ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নেট রান রেটও বাড়িয়ে রাখতে হবে। ভারতীয় শিবির অবশ্য নেট রান রেট, জটিল অঙ্ক এসব মাথায় রাখছে না। ভাল খেলার ওপরই মনোযোগ দিচ্ছে। সেকথাই শোনা গেছে ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরের মুখে। শুনতে অবাক লাগবে, পরপর দুটি ম্যাচে ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও তাঁদের কাঠগড়ায় তুলতে রাজি নন বিক্রম রাঠোর। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। সূর্যকুমার যাদবকে আবার প্রথম একাদশে ফেরানো হতে পারে। দীর্ঘদিন পর আবার দেশের হয়ে টি২০ ক্রিকেটে মাঠে দেখা যেতে পারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে, বরুণ চক্রবর্তীর জায়গায়। ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তন হচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওপেনিং থেকে সরানো হয়েছিল রোহিত শর্মাকে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আবার ওপেনিংয়ে ফিরছেন ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক। হার্দিক পান্ডিয়াকে প্রথম একাদশে রাখা হবে কিনা, তা নিয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে। প্রথম দুটি ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতা প্রসঙ্গে রাঠোর বলেন, দলে যথেষ্ট ব্যাটিং গভীরতা রয়েছে। কিন্তু আমরা পরিকল্পনা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারিনি। তাছাড়া দুটি ম্যাচেই প্রথমে ব্যাট করতে হওয়ায় অসুবিধায় পড়তে হয়েছে। ব্যাটাররা বড় শট খেলতে পারেনি। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আশাবাদী বিক্রম রাঠোর।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : মানুষ এতটা নীচে নামতে পারে!‌ কোহলির ১০ মাসের শিশু কন্যাক ধর্ষণের হুমকি!‌

দেশের হারে মন খারাপ হতেই পারে। তাই বলে ক্রিকেটারদের পরিবারকে টেনে নিয়ে আসতে হবে? তাও আবার ১০ মাসের শিশু কন্যাকে! পশুরও অধম ছাড়া তাদের আর কীই বা বলা যেতে পারে। মানুষ যে এত নীচে নামতে পারে সত্যিই কল্পনার অতীত। সতীর্থ মহম্মদ সামির পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিরাট কোহলির ১০ মাসের শিশু কন্যা ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনই জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম উল হক।কিছু লোক ভারতীয় ক্রিকেট দলের বন্ধুত্বকে হজম করতে পারেনি। তারা অত্যন্ত নিম্ন রুচির পরিচয় দিয়েছে। মহম্মদ সামির পাশে দঁাড়াননোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাট কোহলিকে যেমন ট্রোল করা হয়েছে, তেমনই কোহলি এবং অনুষ্কা শর্মার দশ মাসের শিশু কন্যা ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছে। ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি বরাবরই অত্যন্ত সাহসী মন্তব্য করে থাকেন। যা ভুল মনে করেন, তার বিরুদ্ধে তিনি অবস্থান নেন। চলতি টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ধর্মের কারণে মহম্মদ সামিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল মহম্মদ সামি নাকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেরাটা দেননি। সামির সমালোচকদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে কোহলি বলেছিলেন, কাউকে তার ধর্ম নিয়ে আক্রমণ করা আমার কাছে সবচেয়ে খারাপ কাজ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রত্যেকেরই তাদের মতামত জানানোর অধিকার আছে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনও কারও ধর্ম নিয়ে বৈষম্যের কথা ভাবিনি। প্রতিটি মানুষের কাছে তাঁর নিজের ধর্ম অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং পবিত্র জিনিস। সেটা তাঁর ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। আমরা মাঠে নেমে ব্যক্তিগতভাবে কী করি, কতটা পরিশ্রম করি, কেউ জানে না। যারা মাঠের বাইরে বসে সামিকে আক্রমণ করেছে, তারা মেরুদণ্ডহীন। সামনে এসে কথা বলার সাহস নেই। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের হারের পরে কোহলির ১০ মাসের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম উল হক তীব্র ভাষায় নিন্দা করে সকলকে এই বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন। নিজের ইউ টিউব চ্যানেলে ইনজামাম বলেছেন, শুনেছি বিরাট কোহলির মেয়েকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সকলকে বুঝতে হবে এটা শুধু একটি খেলা। আমরা হয়তো বিভিন্ন দেশের হয়ে খেলছি কিন্তু আমরা একই সম্প্রদায়ের একটি অংশ। কোহলির ব্যাটিং বা তার অধিনায়কত্বের সমালোচনা করার অধিকার আপনার আছে কিন্তু একজন ক্রিকেটারের পরিবারকে টার্গেট করার অধিকার কারো নেই। কিছুদিন আগে মহম্মদ সামির সঙ্গে এমনই ঘটনা ঘটেছিল। জয়পরাজয় খেলার একটি অঙ্গ। কোহলির পরিবারকে আক্রমণ করতে দেখে আমি গভীরভাবে আহত হয়েছি। টুইটারে এই ঘটনা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World cup : বাটলারের দুরন্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম দল সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড

প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই পা বাড়িয়েছিল ইংল্যান্ড। লক্ষ্য ছিল সুপার ১২র গ্রুপ লিগে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যে সফল ইংল্যান্ড। শ্রীলঙ্কাকে ২৬ রানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে এবছর টি২০ বিশ্বকাপে শেষ চারের ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলল। ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক জস বাটলার। তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদেই জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে ইংল্যান্ড। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি এল বাটলারের ব্যাট থেকে। শেষ বলে ছয় মেরে ৯৫ থেকে ১০১ রানে পৌঁছে অপরাজিত থাকেন তিনি। সেই সঙ্গে ৪ ম্যাচে ২১৪ রান করে তিনিই আপাতত চলতি বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক।টি২০ ক্রিকেটে টস জিতলেই পরে ব্যাট করা প্রায় নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসলে পরে ব্যাট করলে দুই ধরণের সুবিধা পাওয়া যায়। এক, টার্গেট দেখে ব্যাট করা। দুই, রাতের দিকে শিশির পড়লে বোলারদের বল গ্রিপ করতে অসুবিধা হয়। তাছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উইকেটে পরের দিকে ব্যাটে ভাল বল আসছে। সেকথা মাথায় রেখে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেন শ্রীলঙ্কার দুই বোলার চামিরা ও হাসারাঙ্গা। এই দুই বোলারের দাপটে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ৬ ওভারের মধ্যে ৩৬ রানে ৩ উইকেট হারায়। হাসারাঙ্গা তুলে নেন জেসন রয় (৬ বলে ৯) এবং জনি বেয়ারস্টোকে (১ বলে ০)। অন্যদিকে দাওইদ মালানকে (৮ বলে ৬) ফেরান চামিরা।এরপরই ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন জস বাটলার ও অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান। জুটি ওঠে ১১২ রান। ৩৬ বলে ৪০ রান করে হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মর্গ্যান। একসময় ইংল্যান্ডের রান ছিল ১০ ওভারে ৪৭। বাটলার ও মর্গ্যানের দাপটে শেষ ১০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ১১৬। বাটলার প্রথম ৫০ করেন ৪৫ বলে। শেষ ৫০ করতে নেন মাত্র ২২ বল। ইনিংসের শেষ বলে ৬ মেরে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৬৭ বলে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি করে ৪ ও ৬। নির্ধারিত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ১৬৩/৪। শ্রীলঙ্কার হয়ে হাসারাঙ্গা ২১ রানে ৪ উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটাও ভাল হয়নি। তৃতীয় বলেই ফিরে যান দারুণ ছন্দে থাকা পাথুম নিসাঙ্কা (১)। ঝড় তোলার মুখে চরিথ আসালঙ্কাকে (১৬ বলে ২১) তুলে নেন আদিল রশিদ। এক ওভার পরেই ফেরান কুশল পেরেরাকে (৯ বলে ৭)। ইংল্যান্ডের মতোই ৬ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কা দলে জস বাটলারের মতো কোনও ব্যাটার নেই, যিনি দলকে উদ্ধার করতে পারতেন। আভিষ্কা ফার্নান্ডোকে (১৪ বলে ১৩) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে আরও চাপের মধ্যে ফেলে দেন ক্রিস জর্ডন। ভানুকা রাজাপক্ষে (১৮ বলে ২৬) কিছুটা লড়াই করেন। তাঁকে ফেরান ক্রিস ওকস। অধিনায়ক দাসুন শনাকা (২৫ বলে ২৬) ও ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গার (২১ বলে ৩৪) লড়াই চাপে ফেলে দিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

নভেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : কোহলির ওপর চরম অসন্তুষ্ট কপিলদেব, সমালোচনা করে কী বললেন?‌

পরপর দুটি ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে ভারতের কাছে। এই অবস্থায় কিউয়িদের কাছে হারের পর ম্যাচের শেষে বিরাট কোহলি বলেছিলেন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে যে ধরণের সাহসী ক্রিকেট খেলার দরকার ছিল, তা আমরা খেলতে পারিনি। মাঠে নামার আগে থেকেই শরীরী ভাষায় পিছিয়ে ছিল দলের ক্রিকেটাররা। সতীর্থদের সম্পর্কে এই ধরণের মন্তব্য কখনোই কাম্য নয়। কোহলির এই মন্তব্য ঘিরে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভারতের প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব বলেছেন, অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছ থেকে এই ধরণের মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। কোহলির সমালোচনা করে কপিলদেব বলেছেন, কোহলির মতো বড় মাপের অধিনায়কের কাছ থেকে এই ধরণের মন্তব্য কখনোই কাম্য নয়। এটি একটি দুর্বল বিবৃতি ছাড়া আর কিছুই নয়। ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা যদি এইরকম থাকে আর অধিনায়কের চিন্তাধারা যদি এইরকম হয়, তাহলে দলের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো খুবই কঠিন। মনোবল ফিরিয়ে নিয়ে আসা এককথায় অসম্ভব। আমরা সবাই জানি কোহলি জেতার জন্য সবসময় মরিয়া থাকে। রানের জন্য ক্ষুধার্ত থাকে। তবে এই ধরণের মন্তব্য করে ঠিক করেনি। ওর মুখে এই কথা শুনে আমার অবাক লেগেছে। হারের হতাশা থেকেই হয়তো কথাটা বলে ফেলেছে। আমরা সাহসী হতে পারিনি, এমন কথা বলা একজন অধিনায়কের কখনোই বলা উচিত নয়।এই অবস্থায় দলের মনোবল ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য দলের কোচ রবি শাস্ত্রী এবং মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কপিলদেব। তিনি বলেছেন, দলের এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে আমার বন্ধু রবি শাস্ত্রী ও মহেন্দ্র সিং ধোনিকে অনুরোধ করছি দলের মনোবল ফেরানোর উদ্যোগ নিতে। এই মুহূর্তে ধোনির কাজ হল ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলে ওদের আত্মবিশ্বাস ফেরানো। সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে ভারতকে বাকি তিনটি ম্যাচে জিততেই হবে, পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডকে আফগানিস্তানের কাছে হারতে হবে। তাহলেই সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।ভারতকে যে এইরকম অন্য দলের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে হবে, মেনে নিতে পারছেন না কপিলদেব। তিনি বলেন, অন্য দলের পারফরমেন্সের ওপর নির্ভর করে আমাদের সেমিফাইনালে যেতে হবে, আমি এটা একেবারেই পছন্দ করছি না। যদি সেমিফাইনালে যেতেই হয়, তাহলে নিজের যোগ্যতায় যাও। অনেক পারফরমেন্সের ভিত্তিতে নিজেদের আশা করতে হবে, এটা ভাল ব্যাপার নয়।

নভেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup‌: নিউজিল্যান্ডের কাছেও লজ্জার হারে সেমিফাইনালের সম্ভাবনা কার্যত শেষ ভারতের

তাবড় তাবড় বিশেষজ্ঞরা বিরাট কোহলিদের ওপর বাজি ধরেছিলেন। এবারের টি২০ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট হিসেবে। প্রথম দুটি ম্যাচ হেরে সেই দলেরই কিনা সেমিফাইনালের সম্ভাবনা কার্যত শেষ! মেনে নিতে কষ্ট হলেও এটাই বাস্তব। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৮ উইকেটে হেরে শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেল ভারতের। সেমিফাইনালে যেতে গেলে বাকি তিনটি ম্যাচে কোহলিদের শুধু জিতলেই হবে না, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ডের হারের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ম্যাচের আগের দিন কোহলি বলেছিলেন, টি২০ ক্রিকেটে টস বড় ফ্যাক্টর। কথাটা ভুল বলেননি ভারত অধিনায়ক। আইপিএল থেকে দেখা গেছে দুবাইয়ে বেশিরভাগ ম্যাচে রান তাড়া করা দল জয়ী হয়েছে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। দলে প্রথম একাদশে বদল, কম্বিনেশন বদল করেও নিজেদের বদলাতে পারল না ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল ভারত। সূর্যকুমার যাদবের পিঠে হঠাৎ ব্যথা হওয়ায় প্রথম একাদশে ঈশান কিষাণ। ভুবনেশ্বর কুমারের বদলে শার্দূল ঠাকুর। ওপেনিং জুটিতেও বদল। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ঈশান কিষাণ। রোহিত শর্মা তিন নম্বরে, চারে অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাতেও শ্রী ফিরল না ভারতীয় ব্যাটিংয়ে। পাকিস্তান ম্যাচে বাঁহাতি বোলারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ভারতীয় ব্যাটাররা। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। বাঁহাতি জোরে বোলার ট্রেন্ট বোল্ট শুরুতেই তুলে নেন ঈশান কিষাণকে। তৃতীয় ওভারে বোল্টকে তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে মিচেল স্যান্টেনারের হাতে ধরা পড়েন ঈশান (৮ বলে ৪)। পরের বলেই রোহিত শর্মার ক্যাচ ফেলে দেন অ্যাডাম মিলনে। ষষ্ঠ ওভারে লোকেশ রাহুলকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন টিম সাউদি। এক ওভার পরেই ইস সোধির বলে আউট রোহিত (১৪ বলে ১৪)। একাদশতম ওভারের প্রথম বলে বিরাট কোহলি (১৭ বলে ৯) আউট হতেই চাপে পড়ে যায় ভারত। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। কোহলিকে ফেরান ইস সোধি। দুবাইয়ের উইকেটে বল ব্যাটে আসে। তা সত্ত্বেও ইস সোধি, মিচেল স্যান্টেনারের মতো বোলারদের সামলাতে হিমসিম খেলেন কোহলিরা। ঋষভ পন্থও (১৯ বলে ১২) শট খেলতে ভুলে গেছেন। হার্দিক পানন্ডিয়া (২৪ বলে ২৩) ও রবীন্দ্র জাদেজার (১৯ বলে ২৬) সৌজন্যে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১০/৭ তোলে ভারত। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভাআরে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন বোল্ট। ৪ ওভারে ১৭ রান খরচ করে ২ উইকেট নেন ইস সোধি। যত দুর্বল প্রতিপক্ষই হোক না কেন, ১১০ রান হাতে নিয়ে লড়াই করা কঠিন। পারেনি ভারতও। মার্টিন গাপটিল (১৭ বলে ২০) ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই তাঁকে সাজঘরে পাঠান যশপ্রীত বুমরা। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান। ড্যারেল মিচেল ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। দলের ৯৬ রানের মাথায় মিচেলকে (৩৫ বলে ৪৯) বুমরা তুলে নিলেও কিউয়িদের জয় আটকায়নি। ১৪.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড (১১১/২)। ৩১ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন কেন উইলিয়ামসন। যশপ্রীত বুমরা ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন। ভারতের বিরুদ্ধে শুধু ৮ উইকেটে জেতেনি নিউজিল্যান্ড। নেট রান রেটও বাড়িয়ে রেখেছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : চলতি টি২০ বিশ্বকাপে আর খেলতে পারবেন না সাকিব

টানা ৩ ম্যাচ হেরে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার আশা শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে মাহমুদুল্লার দল। তার আগেই ধাক্কা খেল বাংলাদেশ শিবির। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য বিশ্বকাপের বাকি দুটি ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন দলের নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচে বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন সাকিব। দলের চিকিৎসকরা বিশ্বের সেরা এই অলরাউন্ডারকে ৪৮ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন। তারপর জানিয়ে দেন, সাকিবের পক্ষে টি২০ বিশ্বকাপে আর মাঠে নামা সম্ভব হবে না। ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। ফলে সাকিব ছিটকে গেলেও বাংলাদেশের তেমন ক্ষতি হবে না। কারণ বাকি দুটি ম্যাচে সম্মানরক্ষার লড়াইয়ে নামতে হবে বাংলাদেশকে। সাকিবের পরিবর্তে অন্য ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। তবে তাঁকে কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে শিবিরে যোগ দিতে হবে। এর আগে পিঠে চোটের জন্য বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন মহম্মদ সইফুদ্দিন। তার পরিবর্তে বাংলাদেশ শিবিরে যোগ দিয়েছেন রুবেল হাসান। রিজার্ভ ক্রিকেটার হিসেবে রুবেল দলে ছিলেন।সুপার ১২তে একটা ম্যাচেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। বাকি দুটি ম্যাচ জিতে সম্মানরক্ষা করাই লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ শিবিরের। সাকিব ছিটকে যাওয়ায় দলের ভারসাম্য নষ্ট হবে। কারণ ব্যাট ও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেওয়ার দক্ষতা রয়েছে সাকিবের। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে শাহিদ আফ্রিদির রেকর্ড ভেঙেছেন সাকিব। এর আগে টি২০ বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড ছিল আফ্রিদির দখলে। এই বিশ্বকাপে আফ্রিদিকে টপকে গেছেন সাকিব আল হাসান। আফ্রিদির উইকেট সংখ্যা ছিল ৩৯। সাকিব দখল করেছেন ৪১ উইকেট। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন লসিথ মালিঙ্গা। তিনি সংগ্রহ করেছেন ৩৮ উইকেট। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানের স্পিন বোলিংয়ের ওপরই বেশি নির্ভরশীল ছিল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের দুটি পর্ব মিলিয়ে সাকিব ৬টি ম্যাচে ১১টি উইকেট সংগ্রহ করেছেন। শ্রীলঙ্কার হাসারাঙ্গাও ১১টি উইকেট দখল করে যুগ্মভাবে শীর্ষে রয়েছেন। সাকিব ছিটকে যাওয়ায় হাসারাঙ্গার কাছে দারুণ সুযোগ এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারী হওয়ার। হাসারাঙ্গা ও সাকিবের পরেই রয়েছেন স্কটল্যান্ডের জোশ ডেভে (৯), শ্রীলঙ্কার মাহিশ থিকসানা (৮), লাহিরু কুমারা (৮) ও বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান (৮)।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal