• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sun

খেলার দুনিয়া

India Football Match : মেসির থেকে ১ গোল পেছনে সুনীল, সাফ চাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিধর দেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্য দলগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এবছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিল ভারত। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম দুটি ম্যাচ ড্র করে চাপে পড়ে গিয়েছিল। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। মালদ্বীপকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে অবশেষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত। আগের বারের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ। জোড়া গোল করে ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাককে। লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ড্র করে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছিল নেপাল। ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মালদ্বীপের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ছিল ৬। আর ভারতের ৫। ফলে ফাইনালে যেতে গেলে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি। ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে ভারত। সুনীলরা ফাইনালে খেলবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেপালের বিরুদ্ধে। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করেননি ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে জয়ী দলকেই মাঠে নামিয়েছিলেন। এদিন শুরু থেকেই মালদ্বীপের চাপ ছিল। ম্যাচের ৯ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন আলি আশফাক। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন রাহুল বেকে। ১৩ মিনিটে আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল মালদ্বীপের সামনে। সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন গুরপ্রীত সিং সান্ধু। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুনীল ছেত্রির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। মনবীর সিংয়ের ডান পায়ের জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে মালদ্বীপের হামজাকে ফাউল করেন প্রীতম কোটাল। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান আশফাক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ৪৮ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যায় ব্রেন্ডন। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন উদান্ত সিং। গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে মালদ্বীপ রক্ষণে। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সুনীল ছেত্রির গোলে আবার এগিয়ে যায় ভারত। ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মালদ্বীপের সামনে। গুরপ্রীত ভারতের পতন রোধ করেন। ৭১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন সুনীল ছেত্রি। এদিন ২ গোল করার সুবাদে দেশের হয়ে গোল করার দিক দিয়ে পেলেকে টপকে গেলেন তিনি। পেলের গোল সংখ্যা ৭৭। সুনীলের গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে লাল কার্ড দেখেন ভারতের শুভাশিস বোস।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: নারাইনের ম্যাজিকে ফাইনালের আশা নাইট রাইডার্সের

একসময় প্লে অফে ওঠাই কঠিন ছিল কলকাতা নাই রাইডার্সের কাছে। এলিমিনেটরের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন জিইয়ে রাখল নাই রাইডার্স। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এবার খেলবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। নাইটদের জয়ের নায়ক সুনীল নারাইন।শারজার বাইশ গজে রান তাড়া করা কঠিন হবে এটা মনে করে টস জিLতে ব্যাটিং নেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে দলের ৪৯ রানের মাথায় আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। তিনি ২টি চারের সাহায্যে ১৮ বলে ২১ রান করেন। দশম ওভারের চতুর্থ বলে ৬৯ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। নিজের প্রথম ওভারেই কেএস ভরতের উইকেট তুলে নেন সুনীল নারাইন। নাইট রাইডার্সের স্পিনারদের দাপটে রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। ১২.২ ওভারে ৮৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় ব্যাঙ্গালোরে। ৩০ বলে ৩৯ রান করে নারাইনের বলে বোল্ড হন কোহলি। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তাকিয়ে ছিল ডিভিলিয়ার্সের দিকে। ১৫তম ওভারে নারাইনের দ্বিতীয় বলে ভিলিয়ার্সও বোল্ড হন। তিনি ৯ বলে ১১ রান করেন। নিজের শেষ ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও ফেরান নারাইন। ১৮ বলে ১৫ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। ১৯তম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন শাহবাজ আহমেদ। তিনি করেন ১৪ বলে ১৩। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৮ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ৪ ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন সুনীল নারাইন। লকি ফার্গুসন ৪ ওভারে ৩০ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট দখল করেন।গোটা ইনিংসে একটাও ছয় মারতে পারেননি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটাররা। জয়ের জন্য ১৩৯ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না নাইট রাইডার্সের কাছে। ভাল শুরু করেন নাইটদের দুই ওপেনার শুভমান গিল ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ব্যাট শুরুতেই ঝড় তোলেন শুভমান। ৫ ওভারে ওঠে ৪১। এরপরই হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন শুভমান। ১৮ বলে তিনি করেন ২৯। ভেঙ্কটেশ আয়ারকেও (৩০ বলে ২৬) তুলে নেন হর্ষল। রাহুল ত্রিপাঠী (৫ বলে ৬) ব্যর্থ হলেও দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান নীতীশ রানা (২৫ বলে ২৩)। নীতীশ যখন আইট হন নাইট রাইডার্সের রান তখন ১১০/৪।এরপর মহম্মদ সিরাজের দাপটে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দ্রুত ২ উইকেট তুলে নেন তিনি। একই ওভারে ফেরান সুনীল নারাইন (২৬) ও দীনেশ কার্তিককে (১০)। শেষ ওভারে জয়ের জন্য নাইটদের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মর্গ্যান (অপরাজিত৫ ৫) ও সাকিব (অপরাজিত ৯)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: রেকর্ড নয়, দলের সাফল্যই আসল সুনীল ছেত্রির কাছে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। ডু অর ডাই ম্যাচে দলকে দায়িত্ব নিয়ে জয় এনে দিয়েছেন অধিনায়ক সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে গোল করে স্পর্শ করেছেন কিংবদন্তী পেলেকে। পেলেকে স্পর্শ করে খিদে আরও বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে আরও গোল করে দেশকে জেতাতে চান এই বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার।৩৭ বছর বয়সেও সুনীল ছেত্রির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। নিজেকেই নিজের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন করেন সুনীল। আর প্রতিটা ম্যাচেই সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই প্রসঙ্গে সুনীল বলেছেন, ধারাবাহিকতা নিয়ে সর্বদা নিজেকে প্রশ্ন করি। উত্তরের অপেক্ষায় থাকি। আমার কাছে এর কোনও নকশা নেই। এটাই বাস্তব। প্রতিটা ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মাঠে নামি। ভগবানকে ধন্যবাদ দেব, কখনও ব্যর্থ হইনি।বাইচুং ভুটিয়া, রেনেডি সিংদের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছে। দুজনই খেলা থেকে অনেক আগে অবসর নিয়ে কোচিংয়ে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। এদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে গর্বিত সুনীল। তিনি বলেন, বেশ কয়েকজন গ্রেট ফুটবলারের সঙ্গে আমার খেলার সুযোগ হয়েছে। তাঁরা কিন্তু ততটা কৃতিত্ব পায়নি। যে সব কোচের অধীনে খেলেছি, সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। সে ছোটই হোক কিংবা বড়। আশা করছি ভবিষ্যতেও এটা ধরে রাখতে পারব। ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন ৩৭ বছর বয়সে। আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এখনই অবশ্য খেলা ছাড়ার পরিকল্পনা নেই সুনীল ছেত্রির। ভবিষ্যত নিয়েও এখনও কোনও পরিকল্পনা করেননি। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যত নিয়ে এখনও কোনও পরিকল্পনা করিনি। ফুটবলের বাইরে অন্যকিছু নিয়ে এখনও ভাবিনি। যতদিন খেলা উপভোগ করব, ততদিন খেলে যাব। পেলেকে স্পর্শ করলেও রেকর্ড নিয়ে সুনীলের মাথা ব্যাথা নেই। তাঁর কাছে দলের সাফল্যই আসল। সুনীল বলেছেন, পরিসংখ্যান নিয়ে আমার কোনও মাথা ব্যাথা নেই। কোন মাইলস্টোনে পৌঁছলাম, সেটা নিয়েও ভাবছি না। আমি যা অর্জন করেছি, তাতেই সন্তুষ্ট। যদি ট্রফি জয়ের সুযোগ থাকে, তাহলে আমি তার জন্যই ঝাঁপাব। দলের জয়ই আমার কাছে আসল। আপাতত প্রত্যেকটা সুযোগ কাজে লাগাতে চাই।দেশের হয়ে সবথেকে বেশি গোল করার ব্যাপারে বর্তমান ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বে ৩ নম্বরে রয়েছেন সুনীল। তাঁর আগে রয়েছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (১১২), আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (৭৯)। সংযুক্ত আমিরশাহির আলি মাবখাউতের সঙ্গে যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুনীল (৭৭)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : পেলেকে স্পর্শ সুনীলের, ফাইনালের স্বপ্ন ভারতের

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মরণবাঁচন ম্যাচে নামছেন সুনীলরা

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নেমেছে ভারতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্য দলগুলির তুলনায় এগিয়ে থাকলেও প্রথম দুটি ম্যাচে সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর ড্র করে অস্তিত্ব সংকটে ভারত। ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে রবিবার নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইগর স্টিম্যাকের দলের সামনে। বলতে গেলে একপ্রকার ডু অর ডাই ম্যাচ।দু ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে নেপাল। গ্রুপ শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। মাস খানেক আগে এই নেপালের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। একটা ড্র, আর একটা ম্যাচে জিতেছিল ভারত। প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে লড়াইটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক অবশ্য মনে করছেন, নেপালের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে তাঁর দল যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল, তা তুলে ধরতে পারলে জেতা সমস্যা হবে না। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। মরণবাঁচন ম্যাচে খেলতে নামার আগে স্টিম্যাক বলেন, নেপালের বিরুদ্ধে জিতলে আমরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাকব। সেপ্টেম্বরে ওদের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একে অপরের সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে বিপক্ষের ওপর বেশি ফোকাস করতে চাই না। জিততে গেলে আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে। আগের দুটি ম্যাচের মতো ভুল করলে চলবে না। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুনীল ছেত্রি আটকে গেলেই গোল পেতে সমস্যা হচ্ছে ভারতের। প্রথম ম্যাচে মনবীর সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রিস্টন কোলাসোও ব্যর্থ। বাকিরাও পজিটিভ সুযোগ নষ্ট করছেন। এই অবস্থায় সেই অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রির দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে আবার প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। মনবীরকে প্রথম একাদশে ফেরাতে পারেন। প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ও প্রীতম কোটাল। প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল গোটা ভারতীয় শিবির। কোচ ইগর স্টিম্যাক দলকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রিও দলকে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। তিনিও তাকিয়ে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করার দিকে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil G‌‌avaskar : বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ায় তাগিদের অভাব সূর্য–ইশানের?‌

শেষ পর্যন্ত এবছর আইপিএলে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করতে পারবে তো রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? অনিশ্চয়তায় ভরা রোহিতদের ভাগ্য। গ্রুপ লিগের শেষ দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, বাকি দলগুলির দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। এইরকম কঠিন পরিস্থিতিতে কেন পড়তে হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে? বেশ কয়েকটি কারণ সামনে এসে পড়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হল অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার বল করতে না পারা। পাশাপাশি সূর্যকুমার যাদব, ইশান কিশানের মতো ব্যাটারদের ব্যর্থতাও রয়েছে। এই কারণগুলির দিকে আলোকপাত করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে গাভাসকার বলেন, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে সবথেকে বড় ধাক্কা হল হার্দিক পান্ডিয়ার বোলিং করতে না পারা। ওকে দলে নেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার হিসেবে। দলে থেকে যদি বোলিং না করে কেবলমাত্র ছয় কিংবা সাত নম্বরে ব্যাট করে তাহলে অধিনায়কের কাছে সমস্যার ব্যাপার। ছয় কিংবা সাত নম্বরে একজন অলরাউন্ডারের কথাই ভাবা হয়। হার্দিক বোলিং না করায় অধিনায়কের কাছে বিকল্প কমে যাচ্ছে। শুধু মুম্বইয়ের কাছে নয় ভারতীয় দলের কাছেও ওর বোলিং না করাটা বড় ধাক্কা। টি২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়া দুই ক্রিকেটার সূর্যকুমার যাদব ও ইশান কিশানের পারফরমেন্সেও সন্তুষ্ট নন গাভাসকার। তাঁর মতে টি২০ বিশ্বকাপে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় এই দুই ক্রিকেটারের মধ্যে তাগিদের অভাব দেখা দিচ্ছে। গাভাসকার বলেন, সুর্যকুমার ও ইশানকে আইপিএলে অনেকটাই রিল্যাক্স মনে হচ্ছে। এই দুই ক্রিকেটার কিছু অপ্রয়োজনীয় শট খেলছে। ওরা যে ভারতীয় দলের ক্রিকেটার সেটা বোঝাতে গিয়েই এই ধরণের বড় শট খেলার চেষ্টা করছে। শট নির্বাচনের ব্যাপারে সূর্যকুমার ও ইশানকে আরও সতর্ক হতে হবে। পাশাপাশি গাভাসকার আরও মনে করছেন, শট বাছাইয়ে ভুল হচ্ছে বলেই সূর্যকুমার ও ইশান রান পাচ্ছেন না। সূর্য এবারের আইপিএলের ১২ ম্যাচে ২২২ রান করেছেন। গড় ১৮.৫০, সর্বাধিক ৫৬। ইশান কিশান ৮ ম্যাচে মাত্র ১০৭ রান করেছেন। কিশান তো মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের প্রথম একাদশেই ঠাঁই পাচ্ছেন না। সূর্যকুমার একটা ম্যাচে কিছুটা সফল হয়েছেন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chhetri : পেলেকে স্পর্শ করতে সুনীল ছেত্রির চাই আর ১ গোল

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযানে নামার আগে বাংলাদেশকে নিয়ে একটু বেশিই সতর্ক ছিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ ইগর স্টিম্যাক। সুনীল ছেত্রিও বলেছিলেন প্রতিটা ম্যাচেই লড়াই করে জিততে হবে। কথাটা ভুল বলেননি সুনীল। আর স্টিম্যাকের সতর্কতাও একেবারে অমূলক ছিল না। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে ১০ জনের বাংলাদেশের কাছে আটকে গেল ভারত। ম্যাচের ফল ১১। পেলের রেকর্ড স্পর্শ করতে সুনীল ছেত্রির প্রয়োজন আর ১ গোল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল ভারত। বিপক্ষের বক্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন সুনীল ছেত্রি, উদান্ত সিং, রিস্টন কোলাসোরা। অন্যদিকে, প্রতি আক্রমণের রাস্তা বেছে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। ডানদিক থেকে প্রীতম কোটাল বল বাড়ান উদান্ত সিংকে। বল নিয়ে বাংলাদেশ বক্সে ঢুকে গোল লাইনের কাছ থেকে মাইনাস করেন উদান্ত। ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালে পাঠান সুনীল ছেত্রি। এদিন দেশের হয়ে ৭৬টি আন্তর্জাতিক গোল করে ফেললেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই স্পর্শ করবেন কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে ৭৭ গোল করেছেন পেলে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলের সঙ্গে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ১৪টি গোল করে ফেললেন সুনীল। সুনীলের গোলের পরের মিনিটেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। কাজে লাগাতে পারেনি।এদিনই পেলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারতেন সুনীল ছেত্রি। ৩৮ মিনিটে তাঁর বাঁপায়ের দুরন্ত শট ততোধিক দক্ষতার সঙ্গে বঁাদিকে উড়ে গিয়ে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর রহমান। কর্ণার থেকে ক্লিয়ার হওয়া বল পেয়ে দ্রুত গতিতে প্রতি আক্রমণে উঠে আসে বাংলাদেশ। ভারতের বক্সের মধ্যে বল পেয়ে শট নেন বিপ্লো আহমেদ। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই শট বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন ভারতীয় দলের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধু। সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৫১ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগও পেয়েছিল। ডানদিক থেকে উঠে গিয়ে বিপ্লো পাস বাড়ান সাহাবুদ্দিনকে। সাহাবুদ্ধিনের মাইনাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় পেয়েও বল জালে রাখতে পারেননি রাকিব। ৩ মিনিট পরেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। বিশ্বনাথ লালকার্ড দেখায় ১০ জন হয়ে পড়ে। বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন রিস্টন কোলাসো। সামনে কেউ ছিলেন না। রিস্টনকে পেছন থেকে টেনে ফেলে দেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে লালকার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বার করে দেন রেফারি। আক্রমণ প্রতি আক্রমণে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা দারুণ জমে উঠেছিল। ১০ জন হয়ে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশ গুটিয়ে থাকেনি। বরং দ্রুতগতিতে বারবার প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ভারতীয় রক্ষণকে চাপে ফেলে দিচ্ছিল। তার মধ্যেই ৬০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসে গিয়েছিল ভারতের সামনে। মনবীরের শট বাঁচান বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর। ফিরতি বলে গোল লক্ষ্য করে শট নেন উদান্ত সিং। আবার বাঁচান আনিসুর। অবশেষে ৭৪ মিনিটে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। কর্ণার থেকে হেডে গোল করেন অরক্ষিত ইয়াসিন আরাফত।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gavaskar-Rohit: রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকার

টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পরিবর্তে নির্বাচকরা কার হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার চান, এই টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলির পরিবর্তে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করা হোক। আগামী দুটি টি২০ বিশ্বকাপে রোহিতকে জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেখতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দারুণ সফল রোহিত শর্মা। তিনি দলকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। মোটামুটি এটা পরিস্কার, টি২০ বিশ্বকাপের পর কোহলির হাতেই দায়িত্ব উঠতে চলেছে। দু বছর পরপর টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। করোনার জন্য ২০২২ পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব ভারতের। ২০২৩ সালে আবার ভারতে একদিনের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। গাভাসকার চান পরপর দুটি বিশ্বকাপেই রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দিক।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলারগাভাসকার বলেছেন, দেশকে এশিয়া কাপ ও নিদাহাস ট্রফি দেওয়া রোহিত শর্মাই এই গুরু দায়িত্ব পালন করার যোগ্য দাবিদার। ওর হাতে এখনই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। একটা বিশ্বকাপ হতে কয়েকমাস বাকি। পরের বিশ্বকাপের মধ্যে খুব বেশি সময় নেই। তাই এখনই ওর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত। যাতে দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারে। গাভাসকারের এই মন্তব্য অন্য ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই কোহলিকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে। রোহিতকে অধিনায়ক করার পাশাপাশি সহ অধিনায়ক হিসেবে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন গাভাসকার। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে একজনকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান তিনি। গাভাসকারের কথায়, ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান দুই তারকা আইপিএলে যেভাবে নিজ নিজ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মাঠে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বোলিং পরিবর্তন করছে, তা অসাধারণ। দিল্লি দলে প্রচুর তারকা। ঋষভ দারুন সামলাচ্ছে। বিরাট কোহলির পর রোহিত শর্মা ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে যে কোনও একজনকে ওর ডেপুটি করে দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ ঋষভ পন্থ। দুই ক্রিকেটারের উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তবে দুই ক্রিকেটারের মধ্যে বেশি দক্ষ কে, তা অবশ্য বলেননি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL-KKR Match : বল ও ব্যাট হাতে কামাল, নাইট রাইডার্সকে জেতালেন সুনীল নারাইন

দুই দলের কাছেই ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের তুলনায় নাইট রাইডার্সের কাছে বেশি। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে মর্গানদের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩ উইকেটে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই জয়ের ফলে নাইট রাইডার্সের ১১ ম্যাচে পয়েন্ট ১০। অন্যদিকে, ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্টেই রইল দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইটদের জয়ের নায়ক সুনীল নারাইন। বল হাতে দাপট দেখানোর পর ব্যাটেও কামাল করেন নারাইন। টসে জিতে নাইট রাইডার্স অধিনায়ক মর্গান দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠান। খারাপ শুরু করেনি দিল্লি। চোটের জন্য এদিন পৃথ্বী শ খেলতে পারেননি। তাঁর জায়গায় ওপেন করতে নামেন স্টিভ স্মিথ। হতাশ করেননি এই অসি ব্যাটার। শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে ভালোই টানছিলেন স্মিথ। ২০ বলে ২৪ রান করে আউট হন শিখর। তাঁকে ফেরান ফার্গুসন। এক ওভার পরেই নারাইন তুলে নেন শ্রেয়স আয়ারকে (১)। শিখর ধাওয়ান আউট হওয়ার পর স্মিথের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। স্মিথকে (৩৪ বলে ৩৯) ফার্গুসন তুলে নিতেই ধস নামে দিল্লির ইনিংসে। পরপর ফিরে যান হেটমায়ের (৪), ললিত যাদব (০), অক্ষর প্যাটেল (০)। দ্রুত এই তিন ব্যাটারকে হারানোর চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি দিল্লি। এদিন নাইট রাইডার্সের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন সুনীল নারাইন। ১৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। ঋষভ পন্থের (৩৬ বলে ৩৯) লড়াই দিল্লিকে ২০ ওভাআরে ১২৭/৯ রানে পৌঁছে দেয়। শারজার মন্থর উইকেটে ১২৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না নাইট রাইডার্সের কাছে। কিন্তু এত কম রানের পুঁজি নিয়ে কতটা লড়াই করতে পারবেন দিল্লির বোলাররা, সেটাই ছিল দেখার। এই কম রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই করে গেলেন আবেশ খান, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, আনরিখ নর্টিয়েরা। ভেঙ্কটেশকে (১৪ বলে ১৫) তুলে নিয়ে নাইট শিবিরে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন ললিত যাদব। পরের ওভারেই আবেশ খান তুলে নেন রাহুল ত্রিপাঠীকে (৯)। শুভমান (৩৩ বলে ৩০) ও মর্গানকে (০) পরপর দু ওভারে হারিয়ে কিছুটা হলেও চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। কার্তিকও (১৪ বলে ১২) বেশিক্ষণ দলকে টানতে পারেননি। তিনি আউট হওয়ার পর নারাইন (১০ বলে ২১) দ্রুত ম্যাচ শেষ করতে চেয়েছিলেন। জয়ের জন্য ১২৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ১০ বল বাকি থাকতেই তিন উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। দুটি করে ৪ ও ৬ মেরে ২৭ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন নীতিশ রানা। আবেশ খান ৩ ওভারে ১৩ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : দুরন্ত হোল্ডারও জেতাতে পারলেন না সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে

প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে সানরাজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জেতা জরুরি ছিল পাঞ্জাব কিংসের কাআছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কম রানের পুঁজি নিয়েইও দুর্দান্ত জয় পেল লোকেশ রাহুলের দল। সানরাইজর্স হায়দরাবাদকে ৫ রানে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে রইল পাঞ্জাব কিংস। ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে ৫ নম্বরে উঠে এল পাঞ্জাব কিংস। এই প্রথম শারজায় এত কম রানের পুঁজি নিয়ে আইপিএলে জিতল কোনও দল। টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠায় সানরাইজার্স হায়দরবাদ। পঞ্চম ওভারে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (২১ বলে ২১) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। একই ওভারে ফেরান মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (৬ বলে ৫)। শারজার এই উইকেটে রান তোলা ব্যাটসম্যানদের কাছে যথেষ্ট কঠিন ছিল। ক্রিস গেইল (১৭ বলে ১৪), এইডেন মার্করাম (৩২ বলে ২৭), নিকোলাস পুরান (৪ বলে ৮), দীপক হুডা (১০ বলে ১৩), কেউই সুবিধা করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৫ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস। হরপ্রীত ব্রার ১৮ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। নাথান এলিস করে ১২। সানরাইজার্সের হয়ে দুর্দান্ত বল করেন জেসন হোল্ডার। ১৯ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। সন্দীপ শর্মা, ভুবনেশ্বর কুমার, রশিদ খান, আব্দুল সামাদ ১টি করে উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১২৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মহম্মদ সামি প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই আউট করেন ডেভিড ওয়ার্নারকে। আগের ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন অসি ওপেনার। এদিন মাত্র ২ রান করে কট বিহাইন্ড হন। তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সামি তুলে নেন কেন উইলিয়ামসনের উইকেট। ৬ বলে ১ রানে বোল্ড হন সানরাইজার্স অধিনায়ক। ঋদ্ধিমান সাহা লড়াই চালালেও অপর প্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। মণীশ পাণ্ডে ১৩ ও কেদার যাদব ১২ রান করে রবি বিষ্ণোইয়ের বলে বোল্ড হন। কেদার যাদব ও আবদুল সামাদকে একই ওভারে আউট করেন বিষ্ণোই। ১৩ ওভারে ৬০ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর জেসন হোল্ডার ও ঋদ্ধিমান সাহা সানরাইজার্সকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। ৩৭ বলে ৩১ রান করে রান আউট হন ঋদ্ধিমান। ঋদ্ধি ফেরার পর রশিদ খানকে সঙ্গে নিয়ে ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন জেসন হোল্ডার। ১৯ ওভারের প্রথম বলে রশিদ খান অর্শদীপ সিংয়ের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হন ৩ রান করে। শেষ ওভারে সানরাইজার্সের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৭ রান। কিন্তু নাথান এলিসের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং পাঞ্জাব কিংসকে ৫ রানে জয় এনে দেয়। বল হাতে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পর পাঁচটি ছয়ের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকেন জেসন হোল্ডার। ম্যাচের সেরাও হন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১২০/৭ তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মহম্মদ সামি ৪ ওভারে ১ টি মেডেনসহ ১৪ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন। ৪ ওভারে ২৪ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই। এটি তাঁর আইপিএল কেরিয়ারের সেরা বোলিং। অর্শদীপ নেন ১টি উইকেট।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Football : ৩৭ বছর বয়সেও চমক দেখিয়ে চলেছেন সুনীল ছেত্রী

৭২ ঘন্টার মধ্যে দ্বিতীয় ম্যাচ। ফুটবলারদের চোট, ক্লান্তি কাটানোর সময় একেবারে পাননি ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও নেপালের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় তুলে নিল ভারত। ইগর স্টিম্যাকের দল জিতল ২১ ব্যবধানে। কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বৃষ্টিভেজা ভারী মাঠে মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়েছিল ভারতীয় দলের। ম্যাচ ১১ ড্র হয়েছিল। প্রথম ম্যাচে নিজেদের একেবারে মেলে ধরতে পারেননি সুনীল ছেত্রীরা। দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল স্টিম্যাক ব্রিগেড। ৩৭ বছর বয়সেও নিজের জাত চেনাচ্ছেন সুনীল ছেত্রী। নেপালের বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের নায়ক তিনিই। গোটা ম্যাচে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিলেন ভারতীয় দলের এই বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার। ভারতের দুটি গোলের ক্ষেত্রে তাঁরই অবদান। একটি করলেন, আর একটি করালেন। নেপালের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম একাদশ খোলনলচে বদলে দেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। আগের ম্যাচের দলে এদিন সাতটি পরিবর্তন করেন তিনি। তবে প্রথম ম্যাচের মতোই দ্বিতীয় ম্যাচেও প্রথমার্ধে ভারতের থেকে অনেক বেশি উজ্জ্বল ছিল নেপাল। ১৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসে গিয়েছিল নেপালের সামনে। একেবারে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন নেপালের মণীশ দাঙ্গি। কিন্তু তিনি তিন কাঠিতে বল পাঠাতে ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধে ভারত বলার মতো সুযোগ পেয়েছিল ২৪ মিনিটে। কিন্তু সেই সুযোগ হেলায় নষ্ট করেন অনিরুদ্ধ থাপা। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। বিরতির পরপরই একটি পরিবর্তন করেন ভারতীয় কোচ ইগর স্টিম্যাক। বিপিন সিংয়ের পরিবর্তে মাঠে নামান ফারুক চৌধুরিকে। এরপরই আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়ে ভারতের। ৬২ ফারুখ চৌধুরির হাত ধরেই এগিয়ে যায় ভারত। চিঙলেনসানার সেন্টার হেডে নামিয়ে দেন সুনীল ছেত্রী। ঠান্ডা মাথায় বল জালে ঠেলে দেন ফারুক। ভারত এগিয়ে যাওয়ার পর রেফারির একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন কোচ ইগর স্টিম্যাক। তিনি রেফারির সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন। রেফারি ভারতীয় দলের কোচকে হলুদ কার্ড দেখান। ৮০ মিনিটে সুনীলের গোল। বক্সের বাইরে থেকে নেপালের এক ফুটবালরের ভাসানো ফ্রিকিক কোনও রকমে বিপদমুক্ত করেন ভারতের গোলকিপার অমরিন্দার সিং। নিজেদের পেনাল্টি বক্সের সামনে থেকে সেই লুজ বল ধরে শুরু করেন সুনীল। অনিরুদ্ধ থাপা সঙ্গে ওয়াল পাস খেলে গতি বাড়িয়ে পৌঁছে যান নেপালের পেনাল্টি বক্সে। ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান। ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি নেপাল। আক্রমণে উঠে আসে। ৮৭ মিনিটে দূরপাল্লার শটে নেপালের হয়ে ব্যবধান কমান তেজ তামাং। প্রতিযোগিতার সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন রহিম আলি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
ভ্রমণ

Deuli: কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানি

সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র তার পরিধি বাড়িয়েছে। সেসব তো বাস্তুতন্ত্রের কথা। কিন্তু পর্যটনের নজর বলছে কলকাতা থেকে দুঘণ্টার মধ্যেই সুন্দরবনের শুরু!ঠিকই পড়ছেন। আক্ষরিক দূরত্ব না ভাবালে উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই ২৪ পরগনার সীমানায় এক গ্রামের নাম দেউলি। স্থানীয়রা বলেন, এখান থেকেই সুন্দরবনের শুরু। কেমন? হাতেকলমে ঠিক ১৫০ কিলোমিটার গেলেই গোসাবা। কিন্তু তার সীমানা শুরু এই দেউলি থেকেই। খুব সাদামাটা এক গ্রাম। কাদার গন্ধ লাগা মানুষজন। তবে কেউ উদাসীন নয়। জীবনের কড়ি হিসাব করেই রাখেন। তঁারাই বলেন, শহর থেকে একটু দূরে অসংখ্য মানুষ এখানে একদুদিনের জন্য ছুটি কাটাতে আসেন স্রেফ গা এলিয়ে ভরপুর অক্সিজেন মাখার জন্য।পৌঁছবেন কীভাবে? সায়েন্স সিটি পেরিয়ে বাসন্তী হাইওয়ে ধরে গাড়ি ছোটাতে গেলেই একটু যা দূর। নিউটাউনের শেষে ভোজেরহাট ধরে ঢুকলে দেখতে দেখতে রাস্তা ফুরোবে। পাগলারহাট পেরিয়েই ডান হাতের পিচ রাস্তা। বেশ কিছু জনপদ পেরিয়ে সোজা দেউলি। ভুল হলে এগিয়ে গিয়ে আরেকটা রাস্তা ঢুকবে চণ্ডীপুর হয়ে। সেটাও যদি ভুল হয় তবে সোজা মিনাখা। তবে সবথেকে সহজ রাস্তা পাগলারহাট। দুই দিকে একরের পর একর নিচু ধান জমি ফেলে রেখে সবুজ চিরে রাস্তা এগোবে। ও বাড়ির মুরগী, এ বাড়ির খাসি রাস্তা পেরোলেই যা একটু সাবধান। এ বাদে মানুষ সামনে পড়ে গেলে প্রতিবেশির চেয়েও মিঠে গলায় বকুনি দেবে।বিশেষত্ব বলতে সেখানকার জমি। জমির চরিত্র বদল হয়নি ঠিক। কিন্তু বছরের বছর বিদ্যাধরীর মতো একটাদুটো নদীর জল বহন ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সবটাই উপচে আশপাশের গ্রামের জমি ডুবিয়ে রাখে। চেহারা নেয় ভেড়ির। গরমের শুরু থেকে পুজোর মরশুম পর্যন্ত সেসব ধান জমিতে স্রেফ মাছের চাষ। এক সময় যে জমিতে ধান চাষই ছিল প্রধান জীবীকা, নদীর উপচানো জল বেরোতে না পেরে সেসবের বৈশিষ্ট্য এখন একেবারে আলাদা। জল ধরা জমিতে মাছ চাষ। তাতে লাভও অনেক গুণ বেশি। ক্ষতি বলতে অধিক বর্ষায় জম ছাপিয়ে সব ভেড়ি এক হয়ে গেলে মাছ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা।তবে গ্রামের লোকেই ভুল ধরিয়ে দিল। জানাল মাছেদের মজার কথা। যেখানে একবার খাবারের সন্ধান পাবে, সেখান থেকে আর পালাবে না। একমাত্র প্রবল বর্ষণে ভেসে না গেলে তাদের আর ভেড়ি ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই ধরনের ভেড়িতে সাধারণ দুই রকমের মাছ চাষ হয়। মিঠে জলের মাছ আর নোনা মাছ। নোনা মাছ মানেই নানারকম চিংড়ি। সেসব আবার বাড়ির পুকুরের মিঠে জলেও চাষ করেন অনেকে। এক গেরস্থ বাড়ির যুবকের তো সেসব আবার অহঙ্কার। শহরের মানুষ একরকম মাছ দিয়ে ভাত খান। আমাদের পাতে একই দিনে দুতিনরকমের মাছ পড়ে। এমন কথাও শুনতে হতে পারে।ঠিক এখান থেকেই গ্রামের অর্থনীতিতে বদল শুরু। আগে যার তিন বিঘা জমি তিন বছরের লিজে নিয়ে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে ধান বা সবজি চাষের পরও একটু বাড়তি বৃষ্টিতে লোকসানের মুখ দেখা ছিল রোজনামচা। সেখানে এখন ঘরে ঘরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। মিঠে জলের মাছেদের খাওয়ানোর জন্য যা একটু খরচখরচা করতে হয়। নোনা জলের জন্য তাও লাগে না। উল্টে লাভই লাভ। একটু বেলা গড়ালে রাস্তার দুধার ধরে হঁাটলে চোখেও পড়বে সেসব দৃশ্য।এলাকায় একসময় একটা বড় মেলা বসত। হাট শেষ করে সে মেলায় জিলিপি, বুড়ির চুল, মিঠে পান, চানাচুর, জাদুর খেলার ভিড় ছিল দেখার মতো। করোনার আবহে সেসব অতীত। ফলে এখন নিরবচ্ছিন্ন অভ্যাসের জীবনই অভ্যাস। এর মধ্যেই দুই বিপরীতমুখী ছবি ধরা পড়বে গাড়ি ভুল করলে চণ্ডীপুর গ্রামে ঢুকলে। স্থানীয়রা বলেন খারাপ রাস্তা। সত্যিই তাই। রাস্তা বলে আর সেখানে কিছু নেই। পিচ ভেঙে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। মাজা ভেঙে না গেলে এই রাস্তা পেরিয়ে দেউলিতে ঢুকতে আলাদা করে এক ঘণ্টা ধরে রাখতে হবে। কিন্তু আরামের বিষয় হল, এ রাস্তার দুধারে দিগন্ত বিস্তৃত ছোট জলভরা ধানি জমি। ছোট ছোট গাছে ছায়া বানিয়ে রেখেছে। চরছে ছাগল গরু। গ্যাঙোর গ্যাং ডাকের মাঝে মাঝে ছোট ছোট জলাশয়ে মাছেদের ছপাৎ ছপাৎ ঘাই দেওয়ার শব্দ। দিঘল জলার ধারে মেঘলা হাওয়ায় একের পর এক ঠাণ্ডা দুপুর কাটিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসে।হাতে গোনা কটা রিসর্ট গজিয়ে উঠেছে এলাকায়। গুগল করলেই খেঁাজ মিলবে। চেকইন আর চেকআউটের নিয়ম ব্রেকফাস্ট থেকে ব্রেকফাস্ট। খাবারদাবার তাদের বেশ ভালই চেহারা ভারী করবে। মিঠে হাওয়ার সেঁাদা গুণ আর অফুরন্ত খাবার মন ধরে রাখবে। শহরে ফিরতে কষ্টই হবে। পোড়া দূষণ মাখা করোনা আর কোমর্বিডিটির শব্দে কান ঝালপালা শহরের গা ঘেঁষা এই গ্রামে পা রাখলে এক মুহূর্তে বাষ্প করে দেবে সব গ্লানি। একদুদিনের ছুটিতে একবুক অক্সিজেন মেখে নতুন উদ্যমে ঘরে ফেরা।শাশ্বত রায়আরও পড়ুনঃ দেবতার হ্রদে একদিনআরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতা

আগস্ট ২২, ২০২১
টুকিটাকি

Sun Tan: পদযুগলে ট্যান দূরীকরণের ঘরোয়া উপায় জানুন

গ্রীষ্মকালে আমাদের ত্বকের জন্য সবচেয়ে খারাপ সময় বলা যেতে পারে। এইসময় ট্যানিং হল সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম। হাত-পা-পিঠে ট্যানিংয়ের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ প্রায়শই দেখা যায়। কখনও কখনও ট্যানিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে চুলকানি এবং জ্বালাভাব অনুভব করা যায়। গরমে রোদের তাপে হাত ও মুখে ট্যান পড়লে কীভাবে তা দূর করা যায়, তার ঘরোয়া টোটকা জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করি। কিন্তু পায়েও যে ট্যানিং পড়ে কদাচিত দেখতে লাগে, তা এড়িয়ে যাওয়া হয় অনেক সময়ই। পা থেকে ট্যানিং অপসারণের জন্য কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতে পারেন। আসুন জেনে নিই, পা থেকে ট্যান দূর করার ঘরোয়া প্রতিকারবেকিং সোডা এবং দই একটি পাত্রে এক চামচ বেকিং সোডা নিন এবং এতে একটি লেবুর রস ও তাজা দই মিশিয়ে নিন। ঘরে তৈরি স্ক্রাব তৈরির জন্য এই উপকরণগুলি একসঙ্গে মেশান। তারপর পেস্টটিকে পায়ে লাগান এবং এক্সফোলিয়েট করার জন্য হালকা মাসাজ করুন। ৪-৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। এটি ৮-১০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জলে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ট্রাই করে দেখুন।হলুদ ও বেসন একটি পাত্রে দুই চামচ বেসন নিন। এতে আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গোলাপ জল যোগ করুন। মসৃণ পেস্ট তৈরি করতে সমস্ত উপাদান মিশিয়ে নিন। রোদে পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া পায়ে পুরো পেস্টটা প্রয়োগ করুন। শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এর পরে আঙুল ও পায়ের উপরের অংশে, যেখানে য়েখানে ট্যান পড়েছে, সেখানে হালকা বৃত্তাকার ভাবে পা মাসাজ করুন। ট্যান হালকা করার জন্য ত্বকের মৃতকোষগুলি নির্মূল হয়ে যায়। এবার পা থেকে পেস্টটি স্বাভাবিক ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার বা তিনবার ব্যবহার করুন।পেঁপে ও মধু আধ পাকা পেঁপে নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এক কাপ পাকা পেঁপের কিউব একটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। একটি বাটিতে পেঁপের পেস্টের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। দুটি পায়ে আলতোভাবে লাগান। ১০ মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে মাসাজ করুন এবং তারপরে এটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এর পরে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন একবার করে এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।কাঁচা দুধ এবং চালের গুঁড়ো- একটি পাত্রে দুচামচ চালের গুঁড়ো নিন। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঁচা দুধ যোগ করে একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এবার পেস্টটি উভয় পায়ে প্রয়োগ করে বৃত্তাকার গতিতে হালকা হাতে মাসাজ করুন। এটি ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে এবং ধীরে ধীরে সূর্যের ট্যানটি মুছতে সহায়তা করে। কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাকটি ব্যবহার করলে হাতেনাতে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২২, ২০২১
দেশ

Sashi Tharoor: সুনন্দা পুষ্কর হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি শশী থারুরের

অবশেষে সুনন্দা পুষ্কর-র মৃত্যু মামলায় অব্যাহতি পেলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। বুধবার দিল্লি আদালত-র তরফে এই মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পরই কংগ্রেস নেতা শশী থারুর আদালতে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। সাড়ে সাত বছর ধরে অকথ্য অত্যাচার থেকে মুক্তি পেলাম। দেশের বিচার ব্যাবস্থার উপর ভরসা ছিল। এ বার আমরা সবাই সুনন্দার জন্য শোকপালন করতে পারব। শশী থারুরের আইনজীবীও এ দিন আদালতে জানান, বিশেষ তদন্তকারী দল বিনা কারণে শশী থারুরকে হেনস্থা করেছেন। কোনও প্রমাণ জমা দিতে না পারায় তাঁকে সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। তদন্তে জানা গিয়েছিল, মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগেই স্বামী শশী থারুরকে একটি ই-মেইল পাঠিয়েছিলেন সুনন্দা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আমার বেঁচে থাকার আর কোনও ইচ্ছা নেই। শুধু আমার মৃত্যুই চাইছি। যদিও এই মেইলের কোনও জবাব দেননি শশী। এরপরই তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটলের তত্ত্ব সামনে উঠে আসে। আরও পড়ুনঃ নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমিরউল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি পাঁচতারা হোটেল থেকে উদ্ধার হয় সুনন্দা পুষ্করের দেহ। দিল্লি পুলিশ শশী থারুরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও নৃশংসতার অভিযোগ আনে। তবে এ দিন আদালতের তরফে শশী থারুরের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়। ২০১৪-র ১৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি অভিজাত হোটেল থেকে উদ্ধার হয় ৫২ বছর বয়সী সুনন্দা পুষ্করের দেহ। ময়নাতদন্তে তাঁর পাকস্থলীতে বিষের উপস্থিতি মেলে। এরপরই অভিযোগের তীর ওঠে কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে। সুনন্দার মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট ভাবে জানতে এফবিআইয়ের কাছে ভিসেরার নমুনা পাঠানো হয়। পাকস্থলী, প্লীহা, যকৃৎ ও মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করে নমাস পরে রিপোর্ট পাঠায় এফবিআই। সেই রিপোর্টে জানানো হয়, নমুনা হিসাবে পাঠানো প্রত্যেকটি দেহাংশেই বিষের উপস্থিতি মিলেছে। সুতরাং বিষক্রিয়ার কারণেই অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল সুনন্দা পুষ্করের।

আগস্ট ১৮, ২০২১
বিদেশ

Massive Earthquake: ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতি

তীব্র ভূমিকম্প হাইতিতে। শনিবার সকালে আচমকাই দেশের পশ্চিম অংশে ভয়াবহ কম্পন অনূভূত হয়। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় একাধিক এলাকা। কোথাও চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে রাস্তা। কোথাও আবার রাস্তার দুপাশের অট্টালিকা সমান বাড়িগুলি মিশে গিয়েছে ধুলোয়। এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি যদিও, তবে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.২। এছাড়া জারি হয়েছে সুনামি সতর্কতাও।আরও পড়ুনঃ মমতার কন্যাশ্রী টুইটস্থানীয় সময় শনিবার সকালে আচমকাই তীব্র কম্পনে কেঁপে ওঠে দেশের পশ্চিমাংশ। তাতেই মুহূর্তের মধ্যে ধূলিসাৎ হয়ে যায় একাধিক এলাকা। আমেরিকার জিয়োলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, কম্পনের উৎসস্থল ছিল রাজধানী পোর্ত-অউ-প্রিন্স থেকে ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে, ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। দেশের অন্যত্রও কম্পন অনুভূত হয়। শুধু তাই নয়, পড়শি দেশগুলিতেও দীর্ঘ সময় ধরে আফটার শক অনুভূত হয়। শনিবারের ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইতি সরকার। তবে কত জনের প্রাণহানি ঘটেছে, রাত পর্যন্ত তার হিসেব মেলেনি। সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশের নাগরিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান জেরি চ্যান্ডলার বলেন, প্রাণহানি ঘটেছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত। তবে এখনও পর্যন্ত সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি আমরা।#NEW: Images reveal mass destruction following the 7.2 earthquake in #Haiti. Similar in strength to the catastrophic earthquake that killed more than 160,000 people in the Caribbean country in 2010, according to a study. pic.twitter.com/1RYFlv31af Leonardo Feldman (@LeoFeldmanNEWS) August 14, 2021উত্তর আটলান্টিকের গা ঘেঁষে অবস্থিত হাইতি ভূমিকম্প প্রবণ বলেই পরিচিত। এ ছাড়াও নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকে সেখানে। ২০০২, ২০০৩, ২০০৬ এবং ২০০৭ সালে পর পর ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেয় সেখানে, তাতে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। উত্তর গোলার্ধের অন্যতম দরিদ্র দেশ হাইতি। রাষ্ট্রপুঞ্জ-সহ বহু দেশ বিভিন্ন সময় বিপুল অনুদান দিলেও, সেখানকার পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।এর পর ২০১৬ সালে হাইতির দক্ষিণাঞ্চলে হারিকেন ম্যাথিউ আছড়ে পড়ে। সেই ধাক্কাও এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি হাইতি। ধ্বংসস্তূপ পর্যন্ত পুরোপুরি সাফ করে, হাজার হাজার মানুষকে পুনর্বাসন পর্যন্ত দিতে পারেনি সে দেশের সরকার।

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌unil Gavaskar : পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?‌

একের পর টেস্টে ব্যর্থতা। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানেকে নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, এই দুই ক্রিকেটারের পরিবর্ত খোঁজার সময় এসেছে। সমালোচনায় বিদ্ধ চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানের পাশে দাঁড়িয়েছেন সুনীল গাভাসকার, ভিভিএস লক্ষ্মনের মতো প্রাক্তনরা। সতীর্থ লোকেশ রাহুলও আড়াল করেছেন পুজারা ও রাহানেকে।রাহানে ও পুজারার পাশে দাঁড়িয়ে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, ভারতের এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সহজে হাল ছাড়বে না। ভুললে চলবে না নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে রাহানেই সবচেয়ে বেশি রান করেছিল। দুই ক্রিকেটারই টেকনিক সমস্যায় ভুগছে। এরজন্য শুধু রাহানে ও পুজারাকে দোষ দিলে চলবে না। ওদের এই ব্যর্থতার জন্য দলের কোচিং স্টাফরাও দায়ী। ওরা তো সব দেখছে। কোথায় ভুল হচ্ছে কোচিং স্টাফরা তো জানে। তাহলে কেন ভুল শুধরে দিচ্ছে না। পুজারা, রাহানেকে ব্যর্থ বললে অতীতকে অপমান করা হবে।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গিগাভাসকারের মতো রাহানে ও পুজারার পাশে দাঁড়িয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্মণও। দেশের এই প্রাক্তন ব্যাটসম্যান বলেন, এই খারাপ ফর্ম থেকে কীভাবে বার হওয়া যায় তা চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে ভালভাবেই জানে। তবে ওরা যেভাবে বারবার একই কায়দায় আউট হচ্ছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। শেষ আট থেকে দশ মাস বিভিন্ন টেস্ট ম্যাচে একই ভাবে আউট হচ্ছে পুজারা ও রাহানে। দুজনের ব্যাটিং টেকনিকে ভুল হচ্ছে। দলের কোচিইং স্টাফদের দায়িত্ব নিতে হবে ভুল শুধরে দেওয়ার। বাইরের সমালোচনায় কান না দিয়ে আপাতত নিজেদের খেলার দিকে মনসংযোগ করতে হবে পুজারা ও রাহানেকে। আশা করছি টেকনিকে ভুল শুধরে এই সিরিজেই বড় রান করবে এই দুই ব্যাটসম্যান।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিট্রেন্ট ব্রিজে রাহানে ও পুজারা দুজনেই ব্যর্থ। লর্ডসেও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৩ বল খেলে মাত্র ৯ রান করেছেন চেতেশ্বর পুজারা। অন্যদিকে ২৩ বল খেলে ১ রান করে আউট হন অজিঙ্কা রাহানে। নটিংহ্যামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪ রান করে আউট হয়েছিলেন পুজারা। রাহানে করেছিলেন ৫। ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ হারানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা নেওয়া পুজারা শেষ ১০টি ইনিংসে অর্ধশতরান পাননি। অন্যদিকে রাহানেও শেষ ৭ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি পাননি। শেষ ১৫টি টেস্ট ইনিংসে ২৭.৮-র গড়ে ৩৮৯ রান করেছেন পূজারা। শেষ ১৪টি টেস্ট ইনিংসে রাহানের ব্যাট থেকে এসেছে ২৬৯ রান। ফলে ভারতীয় দল থেকে এই দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের বিদায় আসন্ন বলে ক্রিকেট মহলের একাংশ মনে করতে শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যেদুই সতীর্থর পাশে দাঁড়িয়েছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভাল পারফরমেন্স করে এসেছে পুজারা ও রাহানে। অনেক কঠিন ম্যাচ বার করেছে। এই ব্যর্থতা থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসতে হবে, সেই কৌশল পুজারা ও রাহানের জানা আছে। রাহুল আরও বলেন, ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে তাদেরই মাটিতে প্রতিদিন দলের সব ক্রিকেটার ভাল খেলবে, এর কোনও মানে নেই। দিনের শেষে দলগত পারফরমেন্সই আসল।

আগস্ট ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mimi Chakraborty : সানসাইনের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানালেন মিমি

তিন বছরে পা দিল মিমি চক্রবর্তীর ছোট্ট বোনঝি। সেই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু মিষ্টি ছবি রয়েছে তার এই পোস্টে। পোস্টে ক্যাপশনে লেখেন,Happy 3rd my sunshine mimi misses u and family. Happpyyyy birthday।একদিকে সাংসদ হিসেবে কাজের চাপ, অন্যদিকে সিনেমার কাজও রয়েছে। এইসবের মাঝে বোনঝির সঙ্গে বেশি সময় কাটিয়ে উঠতে পারেননি মিমি। ২০১৯-র ৫ অগাস্ট জন্ম হয় মিমির বোনঝির। এখন ৩ বছর বয়স, তাই একটু বড়ও হয়ে গেছে। মিমির ছোট্ট বোনঝির জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেন বন্ধু নুসরত জাহান। লিখেছেন, Happy bday to the bundle of joy..!! বন্ধুকে উত্তর দিতে ভোলেননি নুসরত, লিখেছেন, তোরটাও আসছে।মিমির শেয়ার করা এই ছবিগুলো নেটিজেনদের বেশ পছন্দ হয়। তারা ছবিতে অনেক কমেন্ট করে ও প্রচুর শেয়ার ও করে। মিমির ছোট্ট বোনজিকে জন্মদিনে শুভেচ্ছাও জানিয়েছে তারা।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC: 'পদত্যাগ করিনি, তৃণমূলেই আছি', বললেন মুকুল-অনুগামী সাংসদ

আপাতত নানা জল্পনার অবসান ঘটালেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল। বিধানসভা ভোটের মুখে হঠাৎই বেসুরো শোনা গিয়েছিল সুনীলকে। কিন্তু এরইমধ্যে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অন্যরকম হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল থেকে মোহভঙ্গ হয়ে যাঁরা গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন, অনেকেই নিজেদের সিদ্ধান্ত বদল করে ঘাসফুলেই ফিরে এসেছেন। এরমধ্যে বড় নাম মুকুল রায়।একদা মেদিনীপুরে অমিত শাহর সভায় দেখা গিয়েছিল সুনীল মণ্ডলকে। তখন থেকেই গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। তাহলে কী রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে বিজেপিতে নাম লেখাতে চলেছেন তৃণমূলের সাংসদ? প্রশ্ন উঠেছিল। এতদিনে সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন সুনীল নিজেই। সাংসদ জানালেন, তৃণমূলে ছিলাম, আছি। কবে তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেছি? যদিও বিজেপিকে নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।আরও পড়ুনঃ বেপরোয়া গতি প্রাণ কাড়ল ৬ শ্রমিকেরসম্প্রতি, মুকুল রায়ের বাসভবনে গিয়েছিলেন সুনীল, সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ২ জনের মধ্যে বৈঠকও হয় বলে খবর। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠকেই হয়তো সুনীলের মনের ভাব বুঝে নিয়েছেন মুকুল। আর কাজ হয়েছে তাতেই। তাই এবার তিনি ঘোষণা করেই ফেললেন, তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেননি। দলেই আছেন ও থাকবেনও। উল্লেখ্য, গলসির ফরওয়ার্ড ব্লক বিধায়ক থেকে সুনীলের তৃণমূলে যোগদানের পিছনে মুকুল রায়ের বড় হাত ছিল। এরপর থেকেই মুকুলের অনুগামী হিসেবেই পরিচিত সুনীল মণ্ডল। এরপর মুকুল রায় বিজেপিতে যাওয়ার পর তিনিও হয়তো মন তৈরিই করে ফেলেছিলেন বিজেপিতে যাওয়ার। কিন্তু এরইমধ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর আপাতত সেই চিন্তাধারায় আপাতত ইতি পড়ল বলে মত রাজনৈতিক মহলের। বিশেষজ্ঞদের মতে, মুকুল যেখানে, সুনীলও সেখানে।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজ্য

Swasthya Sathi: স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে ’কাটমানি’ অভিযোগ, তদন্তে জেলা প্রশাসন

বিল পাশে কাটমানি মিলছে না বলে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পকে বানচাল করতে চাইছে দুএকটি থার্ড পার্টি এজেন্সি (টি পি এ)।নএমনই অভিযোগ এনে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে অভিযোগ জানালেন বর্ধমানের প্রগ্ৰেসিভ নার্সিংহোম এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি। অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তারা। সোমবার থেকে শুরু হল অভিযোগের তদন্ত।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মানুষের চিকিৎসা সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেন। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ দেবার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এই কাজে নিয়োগ করা হয়েছে দুটি বিমা কোম্পানিকে। সেই বীমা কোম্পানিগুলির মধ্যে বীরভূমের এফএইচপিএল ইন্সুরেন্স কোম্পানি এই অনিয়ম করেছে বলে অভিযোগ বর্ধমানের প্রগ্ৰেসিভ নার্সিংহোম এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি সেখ আলাউদ্দিনের। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ডেপুটি সিওএমএইচ (১) এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সোমবার বিকালে বর্ধমানের বেসরকারী সান হাসপাতালে যান।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনস্বাস্থ্য কর্তাদের ওই বেসরকারি হাসপাতালের অধিকর্তা মহম্মদ আলহাজউদ্দিন জানান, তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসার পুরো বিল অ্যাপ্রুভ না হওয়ায় রোগী ও তার পরিবারকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। চিকিৎসা হয়ে যাওয়ার পরেও সেই কারণে রোগীকে ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না। ওই হাসপাতালে থাকা বাঁকুড়ার ইন্দাসের রোগী মুরারী ধারার ছেলে শম্ভু ধারা জানান, ব্রেন স্ট্রোকের রোগী হিসেবে গত ২৮ জুন তাঁর বাবা এই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তির সময়ে রোগী খুবই সঙ্কটাপন্ন ছিলেন। চিকিৎসা মেলার পর এখন তিনি সুস্থ। কিন্তু হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানিয়েছে, তাঁদের চিকিৎসার পুরো বিল টিপিএ ছাড়েনি। তাই রোগীকে এখন ছাড়া যাচ্ছে না। মহম্মদ আলহাজউদ্দিন এই প্রসঙ্গে বলেন রোগী স্বাস্থ্যসাথী, কার্ডে ভর্তি হয়। সিইউতে ভর্তি থাকা ও ওষুধ সহ তার চিকিৎসায় ৯৬ হাজার টাকা বিল হয়েছে। কিন্তু টিপিএদিতে চাইছে মাত্র ৩৪ হাজার টাকা। আলহাজউদ্দিনের অভিযোগ ওই টিপিএ ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কাজ করছে। কাটমানি খাবার লোভে টিপিএ এই চক্রান্ত করছে বলে সরাসরি অভিযোগ করেছেন আলহাজউদ্দিন। তিনি দাবি করেছেন, টিপিএ কোম্পানিকে দ্রুত পরিবর্তন করুক রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলডেপুটি সিওএমএইচ(১) জগন্নাথ মণ্ডল বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর এদিন কাগজপত্র দেখা হল।রিপোট জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে দেওয়া হবে।

জুলাই ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।বর্ধমান শহরের বি.আই.এম.এল.এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT) বলেন, এটি অত্যন্ত সাধু ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের বি.আই.এম.এল.এস কলেজে বর্তমানে পরীক্ষা চলায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বহু ছাত্রছাত্রী এই কনভেনশনে যোগ দিতে পারেনি। অন্য সময়ে এই আয়োজন হলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT) এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি ডাঃ শুভেন্দু জানা (PT)। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ আদিত্য পাল (PT), ডাঃ সুখদেব মুখার্জি (PT), ডাঃ অতনু রায় (PT), ডাঃ অনিন্দ্য দে (PT) - সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal