• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sun

বিনোদুনিয়া

Film Muhurat: প্রেম-বিরহ-সম্পর্কের জটিল বীজগণিত "X=প্রেম"

করোনা অতিমারীর প্রভাবে বিনোদন জগত ব্যপক ক্ষতিগ্রস্থ। তারমধ্যেই আশার খবর শোনালেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তারঁ নতুন সিনেমা X=প্রেম মুহরত অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানান X=প্রেম-এর শুটিং চলতি মাসে শুরু হবার কথা। যদি সবরকম পরিস্থিতি অনুকুল থাকে। প্রযোজনা সংস্থা শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মের (এসভিএফ) অফিসে পরিচালক,কলাকুশলী ও অভিনেতাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হল শুভ মহরৎ। তিনি জানানX=প্রেম একটি কলেজ প্রেমের গল্প। এই প্রথম তারকা ছেড়ে একঝাঁক তরুণ ফ্রেশ অভিনেতা নিয়ে ছবি করতে চলেছেন সৃজিত। ছবিতে বর্তমান প্রজন্মের প্রেম-বিরহ-সম্পর্কের জটিল এই সমীকরণ কীভাবে ফুটিয়ে তোলেন পরিচালক, তা নিয়ে যথেষ্ট কৌতূহল সিনেমাপ্রেমীদের মনে। জানা যায় অর্জুন চক্রবর্তী, শ্রুতি দাস ও মধুরিমা বসাক সহ এই প্রজন্মের অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী এতে অভিনয় করবেন।Srijit Mukherji sends out a special message on his new film and Kakababur Protyaborton from the muhurat of X = Prem!@srijitspeaketh @SVFsocial pic.twitter.com/IllR5PkRkR t2 (@t2telegraph) June 29, 2021ওই অনুষ্ঠানে সৃজিত আরও জানান, দীর্ঘদিন অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী বড়দিনে মুক্তি পেতে চলেছে কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন। তিনি বলেন ছবিটি প্রায় দু-বছর আগে শেষ হয়েছে। করোনা অতিমারির কারনে রিলিজ করা যায়নি। আসন্ন করোনার তৃতীয় ঢেউ কবে আসবে তা নিয়ে আমরা সবায় দোলাচালে আছি। তাঁর আশা সব কিছু ঠিকঠাক মিটে যাবে। রিলিজের তবে রিলিজের দিন স্থির করেও সস্থিতে নেই বলে জানান সৃজিত।কাকাবুর প্রত্যাবর্তন একটি দুঃসাহসিক কাহিনী অবলম্বনে আধারিত। শ্রীজিত মুখোপাধ্যায় এই সিনেমাটির পরিচালনা করেছেন। শ্রীকান্ত মোহতা এবং মহেন্দ্র সোনি-র সংস্থা শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্ম (এসভিএফ) এই ছবিটির প্রযোজক। এটি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাংলা অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেল অবলম্বনে নির্মিত। সৃজিতের পরিচালনায় এটি কাকাবাবু সিরিজের তৃতীয় গল্প। এর আগে তিনি মিশর রহস্য, ইয়েতি অভিজান পরিচালনা করেছেন। X=Prem Mahurat moments. #XPrem@SVFsocial @iammony #ShrikantMohta @srijitspeaketh @Madhurimahere #ShrutiDas #AnindyaSengupta @subhankarbhar @hoichoitv pic.twitter.com/lbAdJBxPFE Arjun Chakrabarty (@Arjun_C) June 29, 2021সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত মুল গল্পটি হল এক বাঙালি দম্পতি অমল ও তাঁর স্ত্রীর আমন্ত্রনে রাজা রায়চৌধুরী ওরফে কাকাবাবু তাঁর ভাইপো সন্তুকে নিয়ে কেনিয়ার নাইরোবি বেড়াতে যান। ওখানে পৌঁছে কাকাবাবু একটি হুমকি ফোনকল পান, প্রথমে তিনি সেটাকে যথারীতি উপেক্ষা করেন। এরপর, এক আফ্রিকা প্রবাসী ভারতীয় ব্যবসায়ী অশোক দেশাই এবং তার পার্টনার মিঃ নিনজান কাকাবাবুকে তাঁদের মাশাইমারা জঙ্গল-র মধ্যে হোটেল দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানান। এক দুঃসাহসিক ভ্রমণের শেষে কাকাবাবু এবং সন্তু গহন জঙ্গলের অভ্যন্তরে সেই হোটেলে পৌঁছেলেন। এরই মধ্যে বিশ্বস্ত সূত্রে কাকাবাবু জানতে পারেন কিছুদিন আগে দুই জার্মান পর্যটক হোটেল থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। তিনি সেটির অনুসন্ধান শুরু করেন এবং ভয়ঙ্কর সমস্যার সম্মুখীন হন। এই অনুসন্ধান পর্বের ওপরই আধারিত মূল সিনেমাটি। কাকাবাবু চরিত্রে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সন্তু-র চরিত্রে আরিইয়ান ভৌমিক এছাড়া অনির্বাণ চক্রবর্তী,অ্যালোনসো গ্র্যান্ডিও সহ অনেকে অভিনয় করেছেন। ছবিটিতে সুরারোপ করেছেন বিশিষ্ট সুরকার ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০২, ২০২১
রাজ্য

Sunil-Sisir-Dilip: সুরবদল সুনীলের, শিশিরের অবস্থান নিয়ে সাফাই দিলীপের

দলত্যাগ আইন নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে টানাপড়েন চলছে। তার মধ্যেই এ বার বেসুরো বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডল। বিজেপি এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ের আগে পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তৃণমূল থেকে আসা লোকজনকে বিজেপি মানতে পারছে না বলে এ বার অভিযোগ করলেন তিনি। শুধু তাই নয়, প্রস্তাব পেলে তৃণমূলে ফিরে যাওয়া নিয়ে ভাবনা চিন্তা করবেন বলেও জানালেন।এদিকে, বিজেপিতে যোগ দেননি শিশির অধিকারী। তাই কাঁথির সাংসদের সদস্যতা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। মঙ্গলবার তৃণমূল সাংসদের উপর দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের প্রশ্ন উঠলে এই মন্তব্যই করতে শোনা যায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। তাঁর এই সাফাইয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে শিশির অধিকারীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে। যদিও রাজ্য বিজেপির প্রধান এ দিন বিষয়টি নিয়ে দাবি করেছেন, শিশির অধিকারী, ও দিব্যেন্দু অধিকারী কোনও দলে যোগ দিয়েছেন বলে জানা নেই। আমাদের দলের হয়ে ভাষণ দিয়েছেন, জানা নেই। তাঁরা সমর্থন করেছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের সম্ভাবনা নেই। দিলীপবাবুর এই দাবি ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। মুকুল রায়ের দলবদল ঘিরে যখন রাজ্য রাজনীতিতে পারদ চড়ছে, তখনই শিশির অধিকারী সম্পর্কে রাজ্য বিজেপির সভাপতির এই দাবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে, তৃণমূলে ফেরা মুকুল রায়কে নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যেই সুনীলের সাংসদ পদ খারিজে নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে তৃণমূল। তার মধ্যেই মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন সুনীল। তাতে বিজেপি-তে গিয়ে ভুল করেছিলেন বলে কার্যত মেনে নেন তিনি। সুনীল বলেন, তৃণমূল থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না বিজেপি। সহ্য করতে পারছে না। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনেকেরই ভুল হতে পারে। সবাই সবরকম হয় না। কিন্তু, সকলকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা উচিত। কিন্তু বিজেপি হয়ত মনে করছে এঁদের বিশ্বাস করা ঠিক হবে না। সবমিলিয়ে দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে বিজেপির ঠিক কী অবস্থান হতে চলেছে তা সময়ই বলবে।

জুন ১৫, ২০২১
রাজ্য

Relief Work: মৌসুনি দ্বীপের যশ বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাব

যশ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে অসহায় মানুষগুলোর সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন রাজনীতিবিদ থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষরা। ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন এলাকার মৌসুনি দ্বীপের বালিয়ারার একটি আদিবাসী অধ্যুষিত দ্বীপের মানুষদের অবস্থাও তথৈবচ বলে জানতে পেরেছিল বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা। দ্বিতীয়বার ভাবার অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যন্ত দ্বীপে গিয়ে বিধ্বস্ত মানুষগুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাবের সদস্যরা। বুধবার দিনটিকেই এই মহৎকাজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। প্রয়োজনীর সামগ্রী জোগার করে কয়েকজন সদস্য মিলে পাড়ি দিয়েছিলেন দ্বীপে। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত সারাদিনের কর্মকাণ্ডে নিজেদের সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। ক্লাবের সদস্য সুবির বল জানিয়েছেন, সকালে বালিয়ারা পৌঁছে সেখানকার প্রায় ৩০০ বাচ্চাকে এক পোয়া করে দুধ ও ২ প্যাকেট করে বিস্কুট খাইয়েছেন। এছাড়াও দুপুরে ছিল দ্বীপের প্রায় ১০০০ জনের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। ক্লাবের সদস্যরা সেখানেই রান্না করে বাসিন্দাদের নিজেরাই পাত পেড়ে খাওয়ান। মেনুতে ছিল, ভাত, ডাল, সোয়াবিন-আলুর তরকারি ও ডিমের কারি।বাসিন্দাদের জন্য কিছু শুকনো খাবারও দিয়ে আসা হয়েছে ক্লাবের তরফে। এর মধ্যে রয়েছে চিঁড়ে, মুড়ি, চাল, আলু। এছাড়াও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন, মোমবাতি ও দেশলাই দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। কিন্তু ভাঙেনি মনের জোর। বার বার বিপর্যয়ে মুখোমুখি হয়ে দ্বীপের মানুষগুলো বিপর্যয়কেই সঙ্গী বানিয়ে ফেলেছেন অমায়িক মানুষগুলো। সাহায্য আসছে জানতে পেরে তাই বিপদের মাঝেই পাতিবুনিয়া থেকে মৌসুনি দ্বীপে নৌকো করে নদী পাড় করিয়ে নিয়ে গিয়েছে ক্লাবের সদস্যদের। আবার দিনশেষে সেভাবেই পাড়ে পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন।দ্বীপের বাসিন্দাদের এমন অমায়িক ব্যবহারে অভিভূত ক্লাবের সদস্যরা।জীব সেবাই শিব সেবা। এই নীতিতেই ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা মানুষের পাশে থাকার কাজ করে চলেছেন। তার বদলে, এই সব অসহায় মানুষদের মুখের হাসি ও আশীর্বাদটুকুই তাঁদের বড় পাওনা। এর আগে কোভিড রোগীদের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে বহু মানুষকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। এবার দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে তৃপ্তির হাসি হাসছেন ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যরা।

জুন ১১, ২০২১
কলকাতা

রবিবার মোদির ব্রিগেডে থাকতে পারেন 'খিলাড়ি'

রবিবার মোদির ব্রিগেডে বড় চমক হিসেবে থাকতে পারেন খিলাড়ি অক্ষয় কুমার। মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর পর আরও বড় চমক অপেক্ষা করে রয়েছে রবিবারে বিজেপির এই ব্রিগেড সমাবেশে। শনিবার শহরে হাজির হয়েছেন মহাগুরু। রবিবার মোদির ব্রিগেডের জনসভা থেকে বলিউডের এই দুই সুপারস্টার হাজির হলে, তাঁরা কী বার্তা দেন, সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।এদিকে রবিবার ব্রিগেডের জনসভা নিয়ে জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা চত্ত্বর। পাশাপাশি মোদির ব্রিগেডের জনসভাকে এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

মার্চ ০৬, ২০২১
রাজনীতি

রবিবার মোদির ব্রিগেডে থাকছেন 'মহাগুরু'

রবিবারের ব্রিগেডে সত্যিই বড় চমক দিতে চলেছে বিজেপি। সব ঠিক থাকলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় হাজির থাকতে চলেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। দলের শীর্ষনেতাদের দেওয়া প্রস্তাবে নাকি ইতিমধ্যেই সম্মতি দিয়ে দিয়েছেন মহাগুরু বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সূত্রে এমনটাই খবর।গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা আগামী রবিবার ব্রিগেড সমাবেশে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহাতারকাদের হাজির করানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। সেইমতো এই তিন মহাতারকার সঙ্গে গেরুয়া শিবির যোগাযোগ করেছে বলেও সূত্রের দাবি। তবে, সৌরভের ঘনিষ্ঠ সূত্র ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তিনি ব্রিগেড সমাবেশে হাজির হচ্ছেন না। প্রসেনজিতের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে বিজেপি সূত্রের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী রবিবারের সমাবেশে হাজির থাকার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন। যদিও, এখনই তিনি সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা সেটা স্পষ্ট নয়। তবে, আগামী দিনে বাংলার নির্বাচনে মিঠুনকে অন্যভাবে কাজে লাগাতে চাইছে গেরুয়া শিবির।উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে দেখা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। একপ্রকার হঠাৎই বসন্ত পঞ্চমীর সকালে মুম্বইয়ের মাঢ় অঞ্চলে মহাতারকার বাংলোয় হাজির হন আরএসএস প্রধান। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় দুজনের। তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে মিঠুনের বিজেপি যোগ নিয়ে জল্পনা চলছে। অভিনেতা নিজে অবশ্য দাবি করেছেন, এই বৈঠক অরাজনৈতিক। ওঁর সঙ্গে আমার আধ্যাত্মিক আলোচনা হয়েছে।

মার্চ ০৫, ২০২১
কলকাতা

রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা পৌঁছবে ৩৫ ডিগ্রিতে

রাজ্য থেকে প্রায় বিদায় নিয়ে নিয়েছে শীত। ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ। কয়েকদিনের মধ্যেই কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা আরও বেড়ে যাবে বলেই জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে।পাততাড়ি গোটাতে শুরু করেছে শীত। গত কয়েকদিন ধরেই ক্রমশ ফিকে হচ্ছে শীতের আমেজ। সকালের দিকে সামান্য শীত শীত ভাব থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই চড়ছে পারদ। বাড়ছে তাপমাত্রা। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই রীতিমতো গরম অনুভূত হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায়। দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা। রবিবারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কলকাতায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশা হতে পারে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

অকাল বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসই সত্যি হল। রবিবার প্রায় ভোররাত থেকেই হালকা বৃষ্টিতে ভিজল কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। কোথাও কোথাও আকাশের মুখ ঢেকেছে মেঘে। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বদল হবে আবহাওয়ার। সকাল দশটার পর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখা মিলতে পারে হালকা রোদেরও।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মধ্যপ্রদেশের দিকে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তার ফলেই কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা বৃষ্টিতে ভেজে। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল অর্থাৎ শনিবার শহরের তাপমাত্রা ছিল কিছুটা কম। ওইদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে ৯৯ শতাংশ জলীয় বাষ্প ছিল। কখনও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তো কখনও নিম্নচাপের প্রভাবে শুরু থেকে ঠান্ডা ধাক্কা খেয়েছে ঠিকই। তবে গত ১০ বছরে এবার রেকর্ড ঠান্ডার সাক্ষী ফেব্রুয়ারি। শীতলতম মাস বেশ তাড়িয়ে তাড়িয়েই উপভোগ করেছেন শীতপ্রেমীরা। সোমবার থেকে আবারও রাজ্যে দেখা মিলবে কনকনে শীতের। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও। বুধবার পর্যন্ত জারি থাকবে শীতের কামড়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজনীতি

রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত অভিনেত্রী সাংসদের, কী কৌশলে বাজিমাত?

ফেসবুকে বিদ্রোহ, তারপর কুণালের দৌত্য, অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক, দিল্লি যাত্রা বাতিল। ২৪ ঘন্টা এভাবেই কাটল বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের। আপাতত তৃণমূলে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ দলে থাকার কথা ঘোষনা করলেও কিন্তু একটা রয়েই গেল।তাঁর ক্ষোভের মূল কারণ, তিনি তার লোকসভা কেন্দ্রে সভা সমাবেশে যোগ দিতে পারছেন না, তাকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, মিটিংয়ে না যাওয়ার জন্য হুমকি পর্যন্ত শুনতে হচ্ছে। তাঁর কেন্দ্রের সাধারণ মানুষকে কী কৈফিয়ত দেবেন? এটাই শতাব্দীর মূল প্রশ্ন।সমস্যাগুলো নিয়ে বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে সেভাবে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানিয়েছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ফেসবুক পোস্ট করে, শনিবার দিল্লি যাবেন বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার কৌশলে আপাতত তিনি সফল। কিন্তু প্রকুত কার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেকথা তিনি প্রকাশ্যে এড়িয়ে গিয়েছেন। দীর্ঘ দিন রাজনীতিতে থাকা লোকজনদের একটা বড় অংশ অন্য পেশা থেকে কেউ রাজনীতিতে এলেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলেন উনি পলিটিক্যাল নন। একথা হজম করতেই হয়েছে অনেককেই। রাজনৈতিক মহলের মতে, একাংশ রাজনীতিকদের দম্ভে আঘাত করেছেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। যে জেলার সভাপতি সারা রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি সাংগঠনিক সভা করেন। দলের সভাপতি দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী অনুব্রত মন্ডলের ওপর কথা বলার ক্ষমতা নেই ওই জেলার দুই মন্ত্রীর। অনুব্রত গড়ের তৃণমূল সাংসদ বোমা ফাটালেন প্রকাশ্যে। দলকে ঢোক গিলতে হল। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, দীর্ঘ দিনের ক্ষোভ কয়েক ঘন্টার বৈঠকে সমাধান হতে পারে? ছাই চাপা আগুনের কী হাল হয় তা সকলেরই জানা।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিধায়ক, সাংসদ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। এই সময়টাকেই বেছে নিয়েছেন নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য। ইতিমধ্যে অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাংশ বিজেপিতে যোগ দেবার লাইনে রয়েছেন। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের দর বাড়িয়ে নিচ্ছেন। এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক মহলের।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, এক একজন ১৫ বছর, ১০ বছর বা কেউ ৫ বছর বিধায়ক, সাংসদ থাকার পর ভোটের মুখেই এভাবে ক্ষোভ ব্যক্ত করছেন। তাহলে কী তাঁরা সবাই ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন? আপাতত তৃণমূলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শতাব্দীরায়। আমি তৃণমূলেই আছি একথার যে অন্য একটা অর্থও হয় তা নিয়ে কারও কোনও সন্দেহ থাকতে পারে না। তৃণমূল সাংসদ ফুটবলার প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যাঁরা রাজনীতির লোক নয় বলে অন্যদের ছোট করে নিজেদের বড়াই করেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজ্য

এবার 'বেসুরো' তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল

এবার বেসুরো বর্ধমান পূর্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল। তিনি বলেন, দল এই বিপদের মুহূর্তে একজোট হচ্ছে না। খোকন দাস, জিতেন্দ্র তিওয়ারি বোমা ফাটিয়েছেন। এরা সবাই এক নম্বর সৈনিক। দলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বাধ্য হয়ে সবাই বোমা ফাটাচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন,দলের মধ্যে যারা তোলাবাজ, যারা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে তারাই দলে ভাল পদ পাচ্ছে। এটা নিয়েই তৃণমূলের যাঁরা প্রকৃত কর্মী তাঁদের ক্ষোভ বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়, নাম না করে বেসুরোদের তোপ মমতার প্রশান্ত কিশোর সম্পর্কে সুনীল মণ্ডল বলেন, ও বাংলার রাজনীতি নিয়ে কি বোঝে? সাংগঠনিক শক্তি যদি কোনও দলে মজবুত না হয় তাহলে সে দল বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। যে পয়সা নিয়ে রাজনীতি করে সে কি বোঝে। ভাড়াটে সৈন্য দিয়ে কখনও যুদ্ধ জয় করা যায় না। ওই স্তাবকেরা কথা বলবে, আদেশ দেবে সেটা মেনে নেব না। ওর থেকে আমাদের লেখাপড়া ও রাজনৈতিক শিক্ষা বেশি। এইভাবে দল চলতে পারে না। প্রয়োজনে দল ছাড়ারও হুমকি দেন তিনি। যদিও ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, শুভেন্দুর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়। এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। সুনীল মণ্ডল দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরেই বুধবার সকালে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ছবি দিয়ে পোস্টার পড়েছে কাঁকসা থানার সামনে এবং তাঁর বাড়ির আশেপাশে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

এবার শুভেন্দুর সঙ্গে বর্ধমানের সাংসদের ছবি, তুঙ্গে বিতর্ক

ফের পোস্টার। এবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের ছবি দিয়ে পোস্টার পড়ল দুর্গাপুরে। সেখানে লেখা আছে, শুভেন্দুর সঙ্গে তোমাকেও চাই। মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিধাননগরের বিভিন্ন জায়গায় সুনীল মণ্ডল ও শুভেন্দু অধিকারীর এই পোস্টার দেখা যায়। আর এই পোস্টার নিয়ে পালটা দলেরই তুমুল সমালোচনা করেন সাংসদ সুনীল মণ্ডল। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগত ইস্যুতে ফের বিজেপিকে তোপ মমতার তিনি বলেন, পোস্টার লিখতে কাকে বারণ করব ? পোস্টার পরেছে জানি। কিন্তু কারা কিভাবে এগুলো দিচ্ছে তা জানি না। এগুলো মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। যে যাকে ভালবাসে তার নামেই পোস্টার পড়ছে। দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। দলের এটা দেখা উচিত। নেতাদেরই মাথাব্যথা বেশি হওয়া উচিত। সবাইকে নিয়ে লড়তে হবে। দলটাতে তাড়াতাড়ি ভাঙন ধরবে। গুরুত্ব দিয়ে না দেখলে বিপদ বাড়বে। দলের পরিকাঠামোগত সমস্যার জন্যেও ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানান তিনি। এর আগে শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়েছে। যা এখনও থামার কোনও লক্ষণ নেই। এবার সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর একসঙ্গে পোস্টার পড়ায় তা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার সৃষ্টি করল বলে মত রাজনৈ্তিক মহলের।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

ববি, মদন, প্রসূনকে নোটিশ ইডির

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগেই নারদ কাণ্ডে ফের নোটিস পাঠানো হল তিন তৃণমূল নেতাকে। জানা গিয়েছে, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তরফ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এই তিন তৃণমূল নেতার কাছে নোটিশ পাঠিয়ে আয়-ব্যায়ের হিসেব জানতে চেয়েছে ইডি। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে একটি সংবাদমাধ্যমের স্টিং অপারেশনে দেখা যায়, টাকা নিচ্ছেন একাধিক তৃণমূল নেতা-বিধায়ক-সাংসদরা। এরপরেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ইডি-সিবিআই। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যম এর আগেও একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হয়েছে নারদায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের কাছে। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনীতির পারদ। এই অবস্থায় ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইডির এই নোটিশ পৌঁছন গোটা ঘটনায় নয়া মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
খেলার দুনিয়া

এই কাজটি আবার করলে আইপিএলে বল করতে পারবেন না সুনীল নারাইন oi

শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে দলকে জয় এনে দিলেও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের দিনটা ভাল কাটল না সুনীল নারাইনের। আবার তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ উঠল। তবে আইপিএলে তিনি বোলিং করতে পারবেন। আবার যদি অভিযোগ ওঠে সেক্ষেত্রে তাঁকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন কমিটির কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে এসে বোলিং করতে হবে। ২০১৪ সাল থেকেই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন নারাইন। ওই বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তাঁর বিরুদ্ধে দু–দুবার অভিযোগ উঠেছিল। অ্যাকশন শোধরানোর জন্য ২০১৫ বিশ্বকাপেও খেলতে পারেননি। ২০১৫ আইপিএলেও আবার সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠে। ওই বছর নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বোলিং নিষিদ্ধ হয়। ২০১৬–র এপ্রিলে আইসিসি বোলিং অ্যাকশন ত্রুটিমুক্ত ঘোষণা করলেও ভারতে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন নারাইন। ২০১৮–র মার্চে পাকিস্তান সুপার লিগে আবার তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠে। এরপর অ্যাকশন ঠিক করার জন্য কার্ল ক্রো–র শরণাপন্ন হন নারাইন। কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ইংল্যান্ডের লিস্টারের এক বায়োমেকানিস্টের কাছেও পাঠিয়েছিল। বোঝাই যাচ্ছে এখনও পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত হননি এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

নাইটদের জয়েও কাঁটা নারিনের হলুদ কার্ড

হলুদ কার্ড দেখে এখন লাল কার্ডের আশঙ্কা। ফুটবলের পরিভাষাতেই বোঝানো যেতে পারে সুনীল নারিনের অবস্থা। কিংস ইলেভেন ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস জয়ের পরেও নাইটদের কাঁটা এখন নারিনের বোলিং অ্যাকশন। শনিবারের ম্যাচে আইপিএলের সন্দেহজনক বেআইনি বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত নিয়ম মেনে নারিনের অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন আম্পায়াররা। তবে এখনও টুর্নামেন্টে বোলিং করতে পারবেন। তবে ফের এমন রিপোর্ট জমা পড়লে বোর্ডের বোলিং অ্যাকশন কমিটির ছাড়পত্র না পাওয়া অবধি হাত ঘোরাতে পারবেন না কেকেআরের ট্রাম্প কার্ড, এই ক্যারিবিয়ান বিস্ময় স্পিনার।

অক্টোবর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।বর্ধমান শহরের বি.আই.এম.এল.এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT) বলেন, এটি অত্যন্ত সাধু ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের বি.আই.এম.এল.এস কলেজে বর্তমানে পরীক্ষা চলায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বহু ছাত্রছাত্রী এই কনভেনশনে যোগ দিতে পারেনি। অন্য সময়ে এই আয়োজন হলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT) এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি ডাঃ শুভেন্দু জানা (PT)। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ আদিত্য পাল (PT), ডাঃ সুখদেব মুখার্জি (PT), ডাঃ অতনু রায় (PT), ডাঃ অনিন্দ্য দে (PT) - সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal