• ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১২ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Protest

রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে কটু মন্তব্যের প্রতিবাদে এবার গান বেঁধে রাস্তায় নামলেন বাউল স্বপন দত্ত

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে কটু মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এবারে গান বেঁধে রাস্তায় নামলেন বাউল স্বপন দত্ত। আজ সকাল থেকে মন্ত্রী অখিল গিরির ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবি জানিয়ে নিজের গান গেয়ে বেড়ান স্বপন। তার কথায়; রাষ্ট্রপতি একজন সম্মানজনক মানুষ। তাকে অসম্মান দেশকে অসম্মান। তাই আর থাকতে না পেরে পথে নেমেছেন তিনি।যে কোন মহিলার অসম্মানে তিনি সরব হয়ে থাকেন।স্বপন দত্ত একজন লোকশিল্পী। বিভিন্ন ফর্মে তিনি নানা শিল্পের সাথে যুক্ত। পেয়েছেন অনেক সম্মান। রাষ্ট্রপতি ও মুখ্যমন্ত্রী সহ অনেকের প্রশংসা পেয়েছেন। এর আগেও নানা বিষয়ে গান বেঁধেছেন স্বপন।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে বিক্ষোভ ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল সহ চারটি আদিবাসী সংগঠনের

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদীর মুর্মূ কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে হাতে তীর ধনুক, তরোয়াল নিয়ে বিক্ষোভ দেখাল ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল সহ চারটি আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা। সাত দিনের মধ্যে কারামন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পশ্চিমবঙ্গ অচল করে দেওয়ার হুমকি।সোমবার বর্ধমান স্টেশন চত্ত্বর থেকে মিছিল সহকারে আন্দোলনকারীরা কার্জনগেট চত্ত্বরে আসে। রাস্তায় বসে সেখানে চলে বিক্ষোভ। তাদের দাবি অবিলম্বে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরিকে পদত্যাগ করতে হবে। এই বিক্ষোভ স্থল থেকে আন্দোলনকারীরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান, কারামন্ত্রীকে দ্রুত গেফতার করার। কারা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পশ্চিমবঙ্গ অচল করে দেওয়া হবে হুমকি দেন আন্দোলনকারীরা। গ্রেফতারের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে তারা। রয়েছে সাত দিনের মধ্যে গ্রেফতার করার হুঁশিয়ারি। এই আন্দোলনে ভারত জাকাত মাঝি পরগণা মহল ছাড়াও উপস্থিত ছিল আসেকা পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি, বর্ধমান জেলা জাহেরের সদস্যরা। বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারীরা জেলা শাসকের কাছে ডেপুটেশন জমা দেয়। এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেকারণে যথেষ্ট পরিমানে পুলিশ মোতায়েন ছিল কার্জনগেট চত্ত্বরে।

নভেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় শ্রমআইন পরিবর্তনের প্রতিবাদ জানিয়ে বর্ধমানে আইএনটিটিইউসি-র প্রতিবাদ সভা

কেন্দ্রীয় সরকার পুরোনো ৪৪ টি শ্রম আইন বদলে দিয়েছে। নতুন শ্রম আইনে যদি ৩০০ জন পর্যন্ত শ্রমিক কাজ তাহলে তাদের যখন খুশি ছাঁটাই করে দেওয়া যাবে। তারা কোর্টে যেতে পারবে না, তারা শ্রম দপ্তরে ডিসপুট দিতে পারবে না। কত টাকা মাইনে মালিক দেবে, কতক্ষণ কাজ করবেন সবটাই মালিক ঠিক করবে। এই আইনের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে বলে জানালেন রাজ্যের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক।রবিবার পূর্ব বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসির এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে এসে এভাবেই কেন্দ্রীয় শ্রম আইনের বিরোধিতা করেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক। রান্নার গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল সহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বর্ধমান স্টেশন চত্ত্বরে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে জেলা আইএনটিটিইউসি। মলয় ঘটক ছাড়াও এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য আইএনটিটিইউসি সভাপতি ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, বিধায়ক অলোক মাঝি, বিডিএ চেয়ারপার্সন কাকলি গুপ্ত তা সহ একাধিক বিধায়ক ও তৃণমূল কংগ্রেসের শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নেয়। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার শ্রমিকদের ৮ ঘন্টা কাজের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ৮ ঘন্টার পরিবর্তে শ্রমিকদের ১২ ঘন্টা করে কাজ করানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস সর্বশক্তি দিয়ে এটা প্রতিহত করবে। পাশাপাশি আইএনটিটিইউসি র গোষ্ঠীদ্বন্ধ নিয়েও সরব হন তিনি। এক জায়গায় একাধিক শ্রমিক সংগঠন করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে ঋতব্রত বলেন সবটাই নিয়ম মেনে করতে হবে। জেলা সভাপতির কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে রাজ্যে পাঠাতে হবে। নিয়মিত রিটার্ন দিতে হবে। জেলা সভাপতির অনুমতি মত সংগঠন তৈরি করতে হবে। যেখানে সেখানে ব্যাঙের ছাতার মত সংগঠন অফিস করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন রাজ্য সভাপতি।

নভেম্বর ০৬, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
কলকাতা

হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর মহামিছিল কলকাতায়, আত্মসমর্পণ নয়

হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপির দ্বারা কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরির পরীক্ষা, শিক্ষাদান, তথ্য আদান-প্রদান ইত্যাদি সমস্ত ক্ষেত্রে ইংরেজি সরিয়ে হিন্দি বাধ্যতামূলক করা, হিন্দি না জানার কারণে ভারতীয় নাগরিককে শাস্তি দেওয়া, অহিন্দি জাতির অর্থ ও সম্পদ লুঠ করে সেই টাকায় ভারতে এবং ভারতের বাইরে রাষ্ট্রপুঞ্জে হিন্দি চাপানোর মাধ্যমে বাঙালী এবং সকল অহিন্দি জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে স্থায়ীভাবে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের দাস বানানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ ১২ই অক্টোবর, ২০২২ বুধবার এক বিশাল মিছিল ও পথসভা করে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে শয়ে শয়ে বাঙালি এই মিছিলে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে গর্জন তোলে। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য মনন মন্ডল, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, সোয়েব আমিন। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, উত্তর চব্বিশ গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনার শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায় প্রমুখ।ভারতের প্রতিটি বাঙালির মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে বাংলা পক্ষ কলকাতায় এই মহামিছিল ও পথসভার আয়োজন করল। বাংলা পক্ষর সহযোদ্ধারা ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার বাঙালি রবীন্দ্র সদন থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে মিছিল যোগ দেয়। মিছিল শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখেন নেতৃত্ব। এই মিছিলে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদকে ধিক্কার জানানো প্ল্যাকার্ড যেমন ছিল, তেমনই ছিল বাঙালি জাতির অভিভাবক চিত্তরঞ্জন দাশ, বাংলার প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র, তামিল সহ সকল অহিন্দি জাতির নায়ক তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আন্নাদুরাই, মহান কন্নড় জাতীয়তাবাদী কবি কুভেম্পুর অমর উক্তি সম্বলিত প্ল্যাকার্ডও। আগামী ১৬ই অক্টোবর বাংলা পক্ষ বাংলার প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন,দিল্লি যদি ভেবে থাকে যে বাঙালি হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে দেবে, আত্মসমর্পণ করবে তাহলে তারা ভুল ভাবছে। আমরা সমস্ত ভাষার সমান অধিকার চাই। বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী শহীদরা নিজেদের পরবর্তী প্রজন্মকে হিন্দির দাস বানানোর জন্য ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণ দেননি। বাংলার পবিত্র মাটি থেকে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের সমস্ত চিহ্ন মুছে দেবে বাঙালি। সকল শিরদাঁড়া সোজা অহিন্দি মানুষ এই লড়াইয়ে বাংলা পক্ষর সাথে আছে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ভারতের ঐক্য ধ্বংস করতে চায়। আমরা যে কোনও মূল্যে ভারতের ঐক্য রক্ষা করব। বিজেপি এবং দিল্লি যেন আগুন নিয়ে খেলা না করে। বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, এই বৃষ্টির মধ্যে বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিল, বাঙালির মাটিতে হিন্দি চাপালে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই হবে। বাঙালীর ওপর হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে, বাঙালিকে নিজ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষ শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে। সকল বাঙালীকে দল-মত ভুলে বাঙালি হিসেবে জোট বাঁধার আহ্বান জানাই। আমরা এ লড়াই জিতবো। বাঙালির রক্তে স্বাধীন ভারতে আমাদের অধিকার আমরা ছিনিয়ে নেবই।সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, কবি জয় গোস্বামী, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকারের মত বাঙালি বিদ্বজ্জনেরা বাংলা পক্ষর এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন। জয় গোস্বামী বলেন, আমি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এই মিছিলে উপস্থিত থাকতে না পারলেও আমি এই প্রতিবাদকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। পবিত্র সরকার জানান, এইভাবে হিন্দির একাধিপত্য কায়েমের চেষ্টা ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরোধী।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি না পাওয়ায় জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসে বিক্ষোভ ঠিকাশ্রমিক সংগঠনের

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি দিচ্ছেনা এজেন্সি। অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য টাকা তাদের ফেরত দিতে হবে।এই দাবীতে জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল পূবর্ব বর্ধমান জেলা স্কাভেনজার্স সিকিউরিটি ও ঠিকাশ্রমিক সংগঠন। তাদের আরও অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এই এজেন্সি। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এই এজেন্সি ৮.৩৩ শতাংশ হারে বোনাস তুললেও তাদের নির্ধারিত হারে বোনাস দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ।এই অভিযোগের দ্রুত নিস্পত্তি চেয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাল সংগঠনের সদস্যরা। দ্রত তাদের সমস্যার সমাধান না হলে তারা আরও বৃহৎ আন্দোলনে সামিল হবেন বলে জানিয়েছেন। বিক্ষোভ শেষে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

হিলি এক্সপোর্ট অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ ট্রাক মালিকদের

লোকাল গাড়িকে গুরুত্ব কম দিয়ে বাইরের গাড়ি কে আগে এক্সপোর্ট করানোর অভিযোগে গতকাল হিলি থানায় জমায়েত হয়েছিল ট্রাক মালিকরা। আজ আবার তারা হিলি এক্সপ্রোট এসোসিয়েশন অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।, পাশাপাশি ভাড়াও কম দেওয়া হচ্ছে তাদের, অতি শীঘ্র তাদের দাবি না মেনে নিলে এক্সপোর্ট বন্ধ করার হুমকি দেন তারা, এই প্রসঙ্গে হিলি ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সন্দীপ দত্ত আমাদের কি জানিয়েছে তা শুনে নেবো তার কাছ থেকে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

নদীয়া'য় বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে রাস্তায় নামল বাংলা পক্ষ

হরিণঘাটার ফ্লিপকার্ট, কল্যানীর AIIMS, কল্যানী শিল্পাঞ্চল, কাঁচরাপাড়ার রেলের ফ্যাক্টরিতে বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে নদীয়ার কল্যানীতে মিছিল করল বাংলা পক্ষ। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বিহার-ইউপি-ঝাড়খন্ড থেকে এসে কেন বহিরাগতরা চাকরি, কাজ ও ব্যবসা সব দখল করবে? এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষর নদীয়া জেলা শাখার উদ্যোগে মিছিল হল। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, নদীয়া জেলার পর্যবেক্ষক রজত সেন, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, নদীয়ার সম্পাদক কৌশিক বর্মন, মধুসূদন ঘোষ, পিন্টু বণিক, প্রদীপ কর প্রমুখ। মিছিল শেষে গয়েশপুরে একটি পথসভাও হয়। পথসভায় বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাঙালির প্রহরী হিসাবে চিল ও বাজপাখির মতো উপর থেকে সব নজর রাখছে। বাংলা পক্ষ বাঙালির স্বার্থ রক্ষা করছে। বাঙালি বাঘের জাতি, তাই এই শিল্পাঞ্চলকে বিহার বানাতে দেবে না বাংলা পক্ষ। আমাদের ছেলেমেয়েরা মাথা উঁচু করে চাকরি, ব্যবসা ও কাজ করবে। ধানের গোলা থেকে রাইস মিল থেকে সমস্ত ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজ চাই।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, বাঙালি ছেলেমেয়েরা মূলত বাংলা মাধ্যমের ছেলেমেয়েরা যাতে নিজের মাতৃভাষার কেন্দ্র সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য বাংলা পক্ষ লড়াই করছে। বাংলার সমস্ত রাজ্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় লিখিত বাংলা পেপার বাধ্যতামূলক করবেই বাংলা পক্ষ। অনেক পরীক্ষায় ইতিমধ্যেই আমরা সাফল্য পেয়েছি। ফ্লিপকার্ট, এইএমস সহ সব জায়গায় ৮৬% বাঙালিকে কাজ না দিলে বাংলা পক্ষ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা, উৎপাদন ব্যাহত

শ্রমিক হরতাল, কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে সামিল শ্রমিক পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শনিবার কাজ বন্ধ রেখে গলসির ভাসাপুলের রাধেশ্যাম এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ গেটে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা। ঘটনার জেরে কারখানার গেটে আটকে যায় মালবাহী বেশ কয়েকটি ট্রাক। আন্দোলনকারী শ্রমিক নুরনবী মল্লিক, কাজী বদরে আলম, সেখ আজাদরা বলেন, তাদের বেশ কয়েক মাসের ছুটির টাকা দিচ্ছেন না কারখানা কর্তৃপক্ষ। লেবার সর্দারও আশা দিয়ে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টি লিখিত ভাবে জানতে বলে। সেই নিয়ে তারা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে আবেদনও করেন। তারপরও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন হরতাল করে মিলের গেটে বসে পড়েন কয়েকশো শ্রমিক। তাদের প্রাপ্তির দাবীতে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কারখানায় কমবেশি চারশো জন শ্রমিক কাজ করেন। তারা টানাই, কাটাই, মুটিয়া, ডেলি লেবার ও বয়লারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত। কিছুদিন আগে ভয়াবহ আগুন লাগায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে ওই কারখানায়। বর্তমানে ভিতরে মজুত থাকা ও নষ্ট হওয়া ব্রান বিক্রি করছে কর্তৃপক্ষ। এখন সেইসব কাজই তারা করছেন। এদিনের আন্দোলনের জেরে তাও একরকম বন্ধ হয়ে যায়। এই বিষয়ে কারখানার এক কর্তা জানান, গোটা কারখানার মজুতঘর পুড়ে যাবার পর তারা বীমার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সেইভাবে সময় দিতে পারছেন না। তারা ওই বিষয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কারখানার লেবার সর্দার মোনজ যাদব বলেন, তিনি বেতন দিচ্ছেন না এমনটি নয়। তাঁরর দাবী, কারখানার সাথে শ্রমিকদের চুক্তি ভিত্তিক কাজ করান তিনি। সেই চুক্তিতে শ্রমিক প্রতিনিধিও আছেন। বর্তমানে কারখানা থেকে টাকা না পাওয়ার জন্য তিনি শ্রমিকদের ছুটির বেতন দিতে পারেননি। কারখানা থেকে টাকা পেলেই সব মিটিয়ে দেবেন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

বঙ্গীয় হকার সংগঠন রেল পুলিসের অত্যা চার নিয়ে আন্দোলনের হুমকি

শক্তিগড় রেলস্টেশনে জোরদার আন্দোলনে রেল হকাররা। তাদের দাবি আরপিএফ স্বেচ্ছাচারিতা করছে। দমন পীড়ন চালিয়ে টাকা আদায় করছে। এর বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।বঙ্গীয় হকার সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হোসেন মল্লিক জানান, এক মাস আগে রসুলপুর থেকে এক হকারকে তুলে আনা হয়। তার কাছে নিয়মিতভাবে আরপিএফকে টাকা দেবার দাবি করা হয়। অস্বীকার করলে ডাকাতি ও মহিলা কামরায় ওঠা সহ নানা কেস দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে তারা ডেপুটেশন দিতে এলে একটা মীমাংসা হয় জিআরপির উপস্থিতিতে। কিন্তু তারপরও নাদিমবাবুর নামে একটি শমন জারি করা হয়। রেল পুলিসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই বিক্ষোভ বলে তাঁরা জানান।তারা দাবী, রাষ্ট্র আমাদের স্থায়ী কাজ দিতে পারেনি। চুরি, আসৎ উপায় অবলম্বন না করে ট্রেনে ট্রেনে ফেরি করি। এই কাজে বাধা দিতে গেলে জোর লড়াই হবে বলে তাঁরা হুঙ্কার ছাড়েন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অভুতপুর্ব সাড়া

রবিবার শিলিগুড়ির জলপাই মোড় থেকে শুরু করে পানিটাঙ্কি মোড় অবধি এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ জানাই বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই মহা মিছিলের আয়োজন। এই মিছিলে বাংলা পক্ষর বিভিন্ন জেলার সদস্যরা যোগ দেন। বাংলা পক্ষ-র তরফে তাঁদের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, প্রায় এক হাজারেরও বেশি সহযোদ্ধা এই মিছিলে পা মেলান। তিনি আরও জানান, এই মহামিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত এবং এই দীর্ঘ মিছিলে রাস্তার দুইপাশে উৎসুক বাঙালিদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বাঙ্গালী ও বাংলা প্রেমী মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে যোগ দেন।মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দোপাধ্যায়, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষ শিলিগুড়ি জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়, বাংলা পক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক অভিষেক মিত্র মজুমদার, বাংলা পক্ষর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ , বাংলা পক্ষর কোচবিহার নেতৃত্ব প্রশান্ত নাথ ও হাশিফুল হোসেন, প্রমুখ।মিছিল থেকে তাঁরা দাবী তোলেন- বাংলা ভাগ হবেনা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে দুটি এইমস-র (AIIMS) দাবী তোলেন। তাঁরা বলেন, যেখানে বিহারে দুটো এইমস হতে পারে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে একটি কেন? তাঁদের দাবী জলপাইগুড়ি অথবা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় এইমস। এছাড়াও তারা বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের রেল ব্যবস্থার উন্নতি-র দাবী করে আসছেন। কয়েকদিন আগেই এর প্রতিবাদে জন্য শিয়ালদহ তে ডিআরএম অফিসে ধর্না দেন। তাঁদের দাবী এনজেপিকে হাব করে কোচবিহার ও মালদা অবধি বিস্তৃত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক চালু করা হয়।তাঁরা বেআইনী অনুপ্রবেশের বিরিদ্ধেও সরব হয়েছেন। তাঁরা অনুপ্রবেশ রুখতে নেপাল সীমান্ত সিল করার আবেদন জানান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং সেখানে সশস্ত্র সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন করার দাবী তোলেন।

জুলাই ০৩, ২০২২
রাজ্য

অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভে হাজির হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া

এ যেন একেবারেই উলোট পূরাণ। কোভিড অতিমারির প্রভাব কেটে গেলেও অফলাইনে পরীক্ষা দিতে নারাজ কলেজ পড়ুয়ারা। তাঁরা সরব হয়েছে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার দাবীতে। এমনকি দাবি আদায়ের জন্যে হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে জমায়েত করে বিক্ষোভও দেখায়। যদিও পড়ুয়াদের এই দাবির বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন তা তাঁদের কথাতেই পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যে সমস্ত কলেজ আছে সেইসব কলেজের ছাত্রছাত্রীরাই এদিন অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কাটোয়া কলেজের ছাত্র কিরণময় ভট্টাচার্য বলেন, কোভিড কাল থেকে এতদিন অনলাইনে ক্লাস হয়েছে। প্র্যাকটিক্যাল ঠিকমতন হয়নি। এই সময় যদি ইউনিভার্সিটি বলে যে সমস্ত পরীক্ষা অফলাইন হবে তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই তাঁরা অফলাইনের পরিবর্তে অনলাইন পরীক্ষা নেওয়ার দাবী করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যতক্ষণ না পর্যন্ত এই দাবী মেনে নিচ্ছে ততক্ষণ বিক্ষোভ চলবে বলে জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। গুসকরা মহাবিদ্যালয়ের পড়ুয়া চৈতালী দত্ত বলেন, এখন অফলাইনে পরীক্ষা নিলে তাঁরা সমস্যায় পড়বেন। তাই তাঁরা চাইছেন ক্লাস যেহেতু অনলাইনে হয়েছে, সেই কারণে পরীক্ষাও হোক অনলাইনে। একই দাবীতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকেও ইতিপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।অন লাইন পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভযদিও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা স্পষ্ট জানিয়েদেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়ে দিয়েছে। এখনো ওই সিদ্ধান্ত বহাল আছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ৬৩ টি কলেজে ৩৫ হাজার পড়ুয়া আছে বলেও উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন।

মে ১৭, ২০২২
রাজ্য

নয়া কমিটি গঠনেও অস্বস্তি ত্রিপুরা তৃণমূলে, পৃথক বৈঠক কোর কমিটির সদস্যর

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া রাজ্য কমিটি গঠন করার পরও দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটেনি। বরং কোর কমিটির অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। প্রথম রাজ্য কমিটির বৈঠকেও অনেকে গড়হাজির ছিলেন। সূত্রের খবর, কমিটি গঠনের পরের দিনই রবীন্দ্রপল্লীতে কোর কমিটির সদস্য আশিস দাসের বাড়িতে তৃণমূলের একাংশ বৈঠকে বসে। সেখানে হাজির ২৫ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন এক্সিকিউটিভ সদস্য ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস।আশিস দাসের বাড়ির বৈঠকে পায়ের দিকের তোলা ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। হঠাৎ পায়ের ছবি কেন? রাজনৈতিক মহলের মতে, তাহলে কী নতুন কোনও দলের যাত্রা শুরু হতে চলেছে ত্রিপুরায়। কারণ, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ কর্তাকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার নিজের ক্ষোভ সোশাল মিডিয়ায় উগরে দিয়েছিলেন বিজেপির এই প্রাক্তন বিধায়ক। কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। বিজেপি ছেড়ে আসার পর টানা চার মাস তিনি প্রায় বসেছিলেন। দলও তাঁকে কোনও গুরুত্ব দেয়নি বলেই তাঁর দাবি। ওই নেতৃত্ব দ্বারা ত্রিপুরায় পরিবর্তন আসবে না বলেই আশিসবাবু ঘনিষ্ঠ মহলে মন্তব্য করেছেন। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে ওই নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বনিবনা হওয়া খুবই শক্ত। সেক্ষেত্রে দলের বাইরে পৃথক ভাবে নিজের বাসভবনে বৈঠক করা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে একাংশের বক্তব্য, এই বৈঠক করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন আশিস দাস।নব গঠিত রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠকএদিকে আরেক কোর কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিংকেও ত্রিপুরা তৃণমূলের কোনও বৈঠকে দেখা যাচ্ছে না। শারীরিক ভাবে অসুস্থতার কারণেই তিনি আসতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর যথেষ্ট সদ্ভাব রয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, এমনকী ওই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আশিসলাল সিংয়ের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এদিকে তৃণমূলের নয়া রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন এমন খবর তিনি জানেন না। প্রয়োজনে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে নেবেন তিনি।তৃতীয়বার বঙ্গ বিজয়ের পর ত্রিপুরায় হানা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের গোষ্ঠীকলহ নিয়ন্ত্রণে না আনতে আদপে ফায়দা হবে বিজেপির। যে ভাবে দলকে না জানিয়ে পৃথক বৈঠক করছেন কোর কমিটির সদস্য, আরেক কোর কমিটির সদস্য অন্য দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। সেক্ষেত্রে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ না করলে অনেকটা দেরি হয়ে যাবে। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে সেই গোয়ার ফলফালের রিপিট যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৪, ২০২২
দেশ

ত্রিপুরা তৃণমূলে অশনি সংকেত, বিক্ষুব্ধরা কি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন ভিন রাজ্যে তাঁরা শুধু লড়াই করতে যাবেন না, ক্ষমতা দখল করাই তাঁদের লক্ষ্য। ইতিমধ্যে গোয়া বিধানসভায় নির্বাচন হয়েছে। মহুয়া মৈত্রের মতো লোকসভায় ভাষন দিয়ে তোলপাড় করা নেত্রীসহ অনেকের উপরই গুরুদায়িত্ব ছিল গোয়াতে। প্রার্থীও দিয়েছিল তৃণমূল। একটিও আসন জোটেনি ঘাসফুল শিবিরের। সূত্রের খবর, এবার পরশি রাজ্য ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিস্তারে বড়সড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। ৬ এপ্রিল ত্রিপুরায় দলের মহামিছিলে কারা পা মেলাবেন তাতেও সংশয় রয়েছে।বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরাতে তৃণমূল অনেক বছর আগেই অভিযান শুরু করেছিল। তবে ২০২১-এ বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্যের পর ফের ত্রিপুরা অভিযান শুরু করে ঘাসফুল শিবির। এরাজ্য থেকে দলে দলে নেতৃত্বস্থানীয়রা ত্রিপুরায় যাতায়াত শুরু করে। পুরসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ফসল একজন মাত্র কাউন্সিলরের জয়। সেই জয়ী সুমন পালও বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, ত্রিপুরা তৃণমূলের বড় অংশই এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে। ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আশিসলাল সিং দীর্ঘ কয়েক মাস দলীয় সংগঠনের সংস্পর্শেই ছিলেন না। তাঁর সঙ্গে কেউ যোগাযোগও করতে পারেননি। বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস মাথা ন্যাড়া করে তৃণমূলে যোগ দেন। হইচই পড়ে যায় ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। সেই আশিস দাসও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাজকর্মে চরম ক্ষুব্ধ। তাঁর ক্ষোভের প্রকাশ তিনি ফেসবুকেও স্পষ্ট লিখেছেন। এবার প্রশ্ন হল তৃণমূলের ওই অংশ কী তাহলে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করতে চলেছেন? সারা ত্রিপুরায় এমন জল্পনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।দীর্ঘ দিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন আশিসলাল সিং। পুরভোটের সময় বিজেপি তাঁর ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। তারপর তিনি দিল্লির দুটি নার্সিংহোমে দীর্ঘ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিছু দিন ছিলেন বিদেশেও। তিনি অন্তরালে চলে যান। দলের সঙ্গে কেন তিনি দীর্ঘ সময় যোগাযোগ রাখেননি? তাহলে তিনিও কী দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যকলাপ মেনে নিতে পারছেন না? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্দরমহলে। ত্রিপুরা তৃণমূলে কান পাতলেই শোনা যাবে দলের বর্তমান রাজ্য নেতৃত্বকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। সব থেকে বড় প্রশ্ন, এভাবেই যদি পরশি রাজ্যে সংগঠন চলতে থাকে তাহলে দলের বিক্ষুব্ধ অংশ কী নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নেবে?রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৩-এ ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না দলের বড় অংশ। সেক্ষেত্রে বড়সড় দলবদলের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তবে তাঁরা কোন দলে যাবেন তা-ও চর্চার বিষয়। বিজেপিতে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণই। সিপিএম-কংগ্রেসে যোগ দেওয়াতেও সমস্যা রয়েছে। যদিও রাজনীতিতে কিছুই অসম্ভব নয়। তবে তিপ্রা মথা এই মুহূর্তে সেখানে উদীয়মান শক্তি। তাহলে কী ওই সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূলের একাংশ? তা নিয়েও জোরদার জল্পনা চলছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মাথায় উনান আর কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের অভিনব প্রতিবাদ

দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়ে কেন্দ্রের সরকার ঘটাকরে চালু করেছিল উজ্জ্বলা গ্যাস যোজনা। সেই এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন ১০০০ টাকা ছুঁয়েছে। আর তার কারণেই গ্রাম গঞ্জের দরিদ্র পরিবারের মহিলারা এখন এলপিজি গ্যাস ছেড়ে ফের অপরিস্কার জ্বালানি ব্যবহারেই ফিরে এসেছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের এই ব্যর্থতা জনসমক্ষে তুলে ধরতে হাতে উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন মহিলারা। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধীতায় মঙ্গলবার এমন অভিনব প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি নেতৃত্ব যদিও তৃণমূলের এমন মিছিলের আয়োজনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাঁদের বক্তব্য, এমন মিছিল থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প বাস্তবে গৃহিণীদের দুর্গতি ঘোচাতে পারে নি।দলীয় ঘোষণা অনুযায়ী এদিন পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস ও ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে পথে নামে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। প্রতিবাদ থেকে পিছিয়ে থাকেনি জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরাও। জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব যুব কংগ্রেসের সভাপতি ভূতনাথ মালিকের নেতৃত্বে এদিন জামালপুর পুলমাথা এলাকা থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল। প্রায় দেড় কিমি পথ পরিক্রমা করে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয় হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর কাছে। মিছিলে জামালপুরের বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন সহ অন্য নেতারা অংশ নেন।প্রতিবাদ মিছিলের একেবারে প্রথম সারিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থক গৃহস্থ পরিবারের মহিলারা। তাঁদের অনেকে মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে মিছিলে হাঁটেন। রাজনৈতিক দলের মিছিলে উনান ও জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে হাঁটার কারণ প্রসঙ্গে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা বলেন, আমরা দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের বধূ। উনানে কাঠ কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে আগে পরিবারে রান্নাবান্না হত।মোদী সরকারের কথায় বিশ্বাস করে এলপিজি গ্যাসের কানেকশান নিয়েছিলেন। তার পর করোনা অতিমারির প্রভাবের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন জারি থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আমাদের মত দরিদ্র পরিবার গুলির সদস্যদের আর্থিক রোজগার বাড়ে নি। বরং কমেছে। কিন্তু এসবের কোনকিছুরই খোঁজ খবর না রেখে এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন প্রায় ১০০০ টাকার মত করে দিয়েছে। এত দামে গ্যাস সিলিণ্ডার কিনে আর বাড়িতে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই খালি গ্যাস সিলিণ্ডার ও ওভেন বাড়ির চৌকির নিচে রেখে দিয়ে এখন ফের আগের মতই কাঠের উনানে রান্না করছেন। তাই মোদী সরকারের এমন কীর্তি জনসমক্ষে তুলে ধরতেই এদিন মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে হেঁঠেছেন বলে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা মন্তব্য করেন।বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছেন কি ভুল তাঁরা করেছেন। এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে সেই ভুলেরই প্রকাশ ধরা পড়েছে সাধারণ গৃহস্থ পরিবারের মহিলাদের মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালনি কাঠ নিয়ে হাঁটায় মধ্য দিয়ে। ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক জানান, শুধু রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোই নয়। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কেন্দ্রের মোদী সরকার পেট্রোল, ডিজেল এমনকি জীবনদায়ী ওষুদের দামও বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর বিজেপি নেতারা সবার বিকাশের বুলি আওড়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে স্বরুপ এখন গ্রামের মহিলারা উনান ও জ্বালানি কাঠ নিয়ে পথে নামছে। আগামী দিনে এই মহিলারাই ভোটের বাক্সে বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে হাতে চুড়ি ও শাড়ি নিয়ে প্রতিবাদ যুব কংগ্রেসের

অভিযুক্ত কাউন্সিলরের লুকিয়ে শপথ নেওয়ার ঘটনায় হাতে চুড়ি ও শাড়ি নিয়ে অভিনব প্রতিবাদে শামিল হল যুব কংগ্রেস। বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমাশাসকের অপসারণ ও অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলের গ্রেফতারের দাবি জানান প্রতিবাদীরা। সোমবার যুব কংগ্রেসের কর্মীরা মিছিল করে পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়। এরপর যুব কংগ্রেস কর্মীরা মহকুমাশাসকের অফিসের দিকে এগোলে পুলিশ তাদের আটকায়। রাস্তায় বসে পরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে যুব কংগ্রেস কর্মীরা। কিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর তারা আবার মহকুমাশাসকের অফিসের দিকে যাবার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় আন্দোলনকারীদের। এই ঘটনায় পুলিশ ৬ জন যুব কংগ্রেস কর্মীকে আটক করেছে।তরুণী তুহিন খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বর্ধমান পুরসভার নব নির্বাচিত কাউনসিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশার বিরুদ্ধে। পুলিশ তাকে এখনও গ্রেপ্তার করেনি। অথচ গত ১৭ মার্চ বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমাশাসকের দপ্তরে গিয়ে শপথ নিলেন মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলর। শনিবার এই খবর চাউড় হতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায় বর্ধমান শহরে।উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ পুরসভার ফলাফল ঘোষণার দিন বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ এলাকায় কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের বাড়িতে হামলা, শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ ওঠে এলাকার নব নির্বাচিত কাউন্সিলর বাদশা ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পরই বাড়ি থেকে তুহিনার দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান থানার পুলিশ।পরিবারের পক্ষ থেকে বর্ধমান থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করা হয় বসির আহমেদ সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে বিক্ষোভ দেখায় বাম ছাত্র,যুব ও মহিলা সংগঠন। পাশাপাশি বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে কংগ্রেসও। খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ অধীর চৌধুরী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরিবারের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পুলিশ এখনও পর্যন্ত ৪ জন মহিলা ও ১জন পুরুষকে গ্রেপ্তার করলেও বসির আহমেদ এখনও গ্রেপ্তার হন নি।এদিকে এই আবহের মাঝেই গত ১৬ মার্চ বর্ধমান পুরসভার নবনির্বাচিত ৩৩ জন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার শপথ নেন বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাসের কাছে। শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হাজির হননি বসিরউদ্দিন আহমেদ ওরফে বাদশা। কিন্তু তারপরেই ১৭ মার্চ দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মহকুমাশাসকের চেম্বারে গিয়ে শপথ নেন। শপথ নেবার খবর চাউড় হতেই শুরু হয় বিতর্ক।

মার্চ ২১, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা বনধে অশান্তি জেলায় জেলায় , কঠোর নবান্নও

পুরভোটে অশান্তিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।এই পুরভোট বাতিল করে ফের ভোট করার দাবিও তুলেছে তারা। সকাল হতেই জেলায় জেলায় অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও কলকাতায় বনধের প্রভাব সকালের দিকে তেমন একটা চোখে পড়েনি। আবার কোথাও কোথাও বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।এদিকে কাল বনধ ঘোষণার পরই রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে, জনজীবন সচল রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও জোর করে বন্ধ করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হলে পুলিশ-প্রশাসন কড়া হাতে তার মোকাবিলা করবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও আজ শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।সোমবার সকাল হতেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ডাউন বর্ধমান লোকাল আটকে থাকে হুগলি স্টেশনে। ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।বিজেপির ডাকা বনধে এখন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে কোনও প্রভাব নেই।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস চলছে। রাস্তায় যানবাহনও চলছে। রাস্তায় দেখা মেলেনি কোন বিজেপি বনধ সমর্থনকারীকে।বনধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব বর্ধমানে। সকাল থেকে সবই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। পথে নেমেছে সরকারি বাসের পাশাপাশি বেসরকারি বাস। যান চলাচল একেবারে স্বাভাবিক। মানুষজনও রাস্তায় নেমেছে। তবে বেলা বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।শিলিগুড়িতেও একই ছবি। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের জন্য পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।সোমবার সকাল সকাল বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বিজেপি কর্মীসমর্থকদের পিকেটিং বনধ সফলের জন্য। রাস্তায় বসে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ তুলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীদের চ্যাঙদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।এদিন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

আনিস খান হত্যায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাম ছাত্র যুবদের মিছিল ঘিরে রণক্ষেত্র পাঁচলা! আটক বেশ কয়েকজন ছাত্র যুব

আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে পথে নামে বাম ছাত্র যুবরা। শনিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হাওড়ার পাঁচলা। ইটবৃষ্টিতে আহত হন বেশ কয়েকজন। অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। এদিন রানিহাটি থেকে পাঁচলায় পুলিশ সুপারের অফিস পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। সেইমতো মিছিল পাঁচলায় পৌঁছতেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। পুলিশের ব্যারিকেডের বাধায় ক্ষোভের আগুন আরও তীব্র হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। অভিযোগ, পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে যে পুলিশ কর্মীরা দাঁড়িয়েছিলেন তাঁদের লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। এরপরই পাল্টা পুলিশও প্রতিরোধে নামে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। এদিকে, কলকাতার রাজপথেও আনিসের মৃত্যুর সুবিচার চেয়ে মিছিলে নামে সিপিএম। সামনের সারিতে পা মেলান বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র।শুধু বাম ছাত্র নেতাই নন, বাইরে থেকেও বহু লোক এই মিছিলে যোগ দেন বলে দাবি ওঠে। তুলকালাম পরিস্থিতির মধ্যে একজন অসুস্থও হয়ে পড়েন। রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। এই ইট বৃষ্টির ঘটনায় একাধিক ছাত্র নেতা জখম হন বলে জানা গিয়েছে। একইভাবে আহত হয়েছেন একাধিক পুলিশ কর্মীও। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় বলে অভিযোগ ওঠে। আনিস খানের মৃত্যু রহস্যের উন্মোচনের দাবি নিয়ে যে প্রতিবাদ মিছিল এদিন পাঁচলায় শুরু হয়, মুহূর্তে তা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বাম ছাত্রনেত্রী মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায়কে মিছিল থেকে আটক করে পুলিশ। টানতে টানতে তাঁকে পুলিশ সুপারের অফিসের ভিতর নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক।এরপরই বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয় রাস্তায়। শুরু হয় লাঠিচার্জ বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীরা হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের পাইলট গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এমনকী তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী এতে জখমও হয়েছেন বলে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
কলকাতা

বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে ডোমিসাইল বি-র মাধ্যমে মেডিক্যালে ভর্তির প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ-র ডেপুটেশন

বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে অন্য রাজ্যের ছেলেমেয়ের ডোমিসাইল বি-র মাধ্যমে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজ গুলোয় রাজ্যের কোটায় ভর্তি করা যাবে না। এই দাবিতে আজ দুপুর ১ টায় স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেয় বাংলা পক্ষ।বাংলা ভাষা ও বাঙ্গালির আস্তিত্ব রক্ষায় বাংলা পক্ষ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বহু প্রতিবাদের ফসল-ও ফলতে শুরু করেছে। আজ তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের ডাক্তারি পড়ার আসনে পশ্চিমবঙ্গ কোটায় অন্য রাজ্যের ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি আটকাতে ডোমিসাইল বি বাতিলের দাবিতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়, দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, হাওড়ার সম্পাদক জয়দীপ দে, উত্তর চব্বিশ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ সামাজিক মাধ্যম সমন্বায়ক সায়ন মিত্র প্রমুখ।পাঁচ জনের প্রতিনিধি দল (গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক মাইতি, তড়িৎ দত্ত, পিন্টু রায়, প্রীতি মিত্র) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা ডঃ দেবাশীষ ভট্টাচার্য এবং স্বাস্থ্য সচিব মাননীয় নারায়ণ স্বরূপ নিগমের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং স্মারকলিপি জমা দেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

রেলে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক, অবরুদ্ধ একাধিক হাইওয়ে! সকাল থেকেই রণক্ষেত্র বিহার

রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সপ্তাহের শুরু থেকেই উত্তপ্ত গোটা বিহার। আজ রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে ছাত্র সংগঠন। সেই বনধ ঘিরে সকাল থেকেই উত্তপ্ত বিহার। বনধ সমর্থকরা সকাল থেকেই বিভিন্ন রাস্তা, হাইওয়ে অবরোধ করেছে। একাধিক জায়গায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর পাওয়া গিয়েছে।Bihar: Protesters block roads in Patna in support of bandh called by various political parties over alleged discrepancies in RRB NTPC results pic.twitter.com/BKXMH3Kaxl ANI (@ANI) January 28, 2022চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। রেলওয়ে নিয়োগ বোর্ডের ২০২১ সালের নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরির পরীক্ষার এখনও ফল প্রকাশ না হওয়ায় তারা বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে। তবে বিক্ষোভ ভয়ঙ্কর আকার নেয় সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন। গয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ।বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠনের তরফে আজ বিহারজুড়ে বনধের ডাক দেওয়া হয়। এদিন সকাল থেকেই থমথমে পরিস্থিতি চোখে পড়ে রাজ্যজুড়ে। একাধিক সড়ক ও হাইওয়ে বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র ও পরীক্ষার্থীরা। জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন দোকান। টায়ার ও রেলমন্ত্রীর কুশপুতুল জ্বালিয়েও রাস্তা আটকে দেয় অবরোধকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যজুড়েই কড়া পুলিশি পাহারা মোতায়েন করা হয়েছে। ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি, তদন্তকারী কমিটি গঠন করে রেলের নিয়োগ উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন না হওয়া অবধি পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।রাজ্যজুড়ে হিংসা, বিশৃঙ্খলার ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবারই রেলওয়ে বোর্ডের তরফে আপাতত নন-টেকনিক্যাল পপুলার বিভাগ ও লেভেল-১ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের যাবতীয় বক্তব্য শোনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। দুই পক্ষের বয়ান শোনার পর ওই কমিটি রেল মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে। অন্যদিকে, রেল মন্ত্রকের তরফে অপর একটি নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা ভাঙচুর ও বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তারা রেলের চাকরি পাবেন না।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাথরুমে পড়ে গুরুতর অসুস্থ সুব্রত বক্সী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ! কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার আচমকাই বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা ও স্ক্যানের পর চিকিৎসকেরা জানতে পারেন, মাথায় আঘাতের জেরে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ না হলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। আপাতত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতাকে।এই খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম সংগঠক মুখ হিসেবে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন সুব্রত বক্সী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তাঁর প্রভাব আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলীয় অন্দরের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা হতাশ করেছিল। যদিও রাজনৈতিক সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।এখন চিকিৎসকদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সুব্রত বক্সীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনায় প্রার্থনা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

মে ১১, ২০২৬
রাজ্য

সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরার পর ইডির জালে সুজিত বসু, রাতে গ্রেফতার সদ্য-পরাজিত তৃণমূল নেতা

অবশেষে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির জালে ধরা পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। সোমবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর দফতরে হাজিরা দেওয়ার প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা পর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার অভিযোগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। রাত সওয়া ৯টা নাগাদ বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের সদ্য-পরাজিত এই বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে গত ১ মে-ও ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। তবে ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের পর এই প্রথম তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন। সোমবার তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবীও। পরে ইডি দফতরের বাইরে বেরিয়ে সুজিতের আইনজীবী জানান, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু এখনও দফতরের ভিতরেই রয়েছেন।বিধানসভা ভোটের আগে একাধিকবার সুজিতকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু ভোটের প্রচারে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়ান এবং বিষয়টি আদালতেও জানান। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন।এর আগেও সুজিতের বাড়ি, অফিস এবং তাঁদের মালিকানাধীন ধাবায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। শুধু তাই নয়, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু-সহ পরিবারের একাধিক সদস্যকেও ডেকে পাঠিয়ে বয়ান রেকর্ড করা হয়েছিল।বারবার তলবের মুখে সুজিতের দাবি ছিল, যে মামলায় তাঁকে ডাকা হচ্ছে, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যেই চার্জশিট জমা দিয়েছে এবং সেখানে তাঁর নাম নেই। তবে শেষরক্ষা হল না। তদন্তকারী সংস্থার জাল এড়াতে পারলেন না তিনি।ইডি সূত্রের খবর, সোমবার রাতেই তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। এরপর তাঁকে হেফাজতে রাখা হবে। মঙ্গলবার সকালে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের ইডির মুখোমুখি সুজিত বসু, বাড়ছে চাপ!

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির মুখোমুখি হলেন প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। এর আগেও গত পয়লা মে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ের জেরায় উঠে আসা নতুন তথ্যের ভিত্তিতেই ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম এবং হালিশহর-সহ একাধিক পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন দক্ষিণ দমদম পুরসভার সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে সেই সময়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুজিত বসুর কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলায় ধৃত অয়ন শীল এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের জেরা করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। উদ্ধার হওয়া নথিতেও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম উঠে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই সুজিত বসুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপ-পৌরপ্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকার সময় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কীভাবে কর্মী নিয়োগ হয়েছিল, তা জানতে চাইছে ইডি। এছাড়াও মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন তাঁর সময়ে হওয়া নিয়োগ নিয়েও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগেও এই মামলায় সুজিত বসুর বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। একই ঘটনায় তাঁকে সিবিআই-ও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। ফলে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নতুন করে চাপ বাড়ল প্রাক্তন মন্ত্রীর উপর।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

নন্দীগ্রাম বিতর্কে থাকা অফিসারও এবার সিএমও-তে! শুভেন্দুর প্রশাসনিক দলে বড় বদল

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসনে বড় রদবদল শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরকে আরও শক্তিশালী করতে একের পর এক নতুন আমলাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হচ্ছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যুগ্ম সচিব পদে নিয়োগ করা হল দুই তরুণ আইএএস অফিসারকে। পাশাপাশি সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নতুন দায়িত্ব পাওয়া আইএএস অফিসারদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৯ ব্যাচের পি প্রমোথ। এতদিন তিনি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প এবং বস্ত্র দফতরের যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ২০২০ ব্যাচের আইএএস অফিসার নবনীত মিত্তলকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের যুগ্ম সচিব করা হয়েছে। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।একইসঙ্গে সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকে সিএমও-তে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সুরজিৎ রায়। ভোটের সময় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার ছিলেন। এর আগে নন্দীগ্রামের বিডিও থাকাকালীন তাঁকে শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। এবার সেই সুরজিৎকেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারের এসডিও অয়ন দত্তগুপ্ত এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি রাজর্ষি নাথকেও সিএমও-তে নিয়োগ করা হয়েছে।শুধু প্রশাসনিক পদেই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু। শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএফ অফিসার সুব্রত গুপ্তকে। ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে সেই সময় বিস্তর আলোচনা হয়েছিল।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার শান্তনু বালাকে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, শপথ নেওয়ার পর থেকেই নিজের দফতর গুছিয়ে দ্রুত কাজে নামতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট করছে।

মে ১১, ২০২৬
দেশ

এক বছর সোনা কিনবেন না! দেশবাসীকে হঠাৎ এমন বার্তা কেন দিলেন মোদী?

ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এর মধ্যেই আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার বড় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।রবিবার এক জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আগামী এক বছর সোনা না কেনার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমানোর কথাও বলেন তিনি। প্রয়োজনে আবার ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করার পরামর্শও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া আপাতত বিদেশ ভ্রমণ এবং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং এড়িয়ে চলার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। দেশের অর্থভাণ্ডার শক্তিশালী রাখা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখেই এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মোদী।প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার পরেই আজ বিশেষ বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অর্থনীতির উপর কতটা প্রভাব পড়ছে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বৈঠকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার কারণে দেশের কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হবে।সূত্রের খবর, বৈঠকে পেট্রোলিয়াম এবং জাহাজ মন্ত্রকের তরফে আলাদা করে রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি রুখতে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এছাড়া আগামী দিনে কোন কোন ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে খবর।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

প্রথম ক্যাবিনেটেই বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! নিহত ৩২১ বিজেপি কর্মীর পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার

নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিহত ৩২১ জন বিজেপি কর্মীর পরিবারের দায়িত্ব নেবে রাজ্য সরকার। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাও জানানো হয়েছে।প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পর শুভেন্দু বলেন, দীর্ঘদিন পর বাংলায় ভয়মুক্ত ও অবাধ নির্বাচন হয়েছে। ভোটকর্মী, গণনাকর্মী, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশ এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়া সমস্ত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, ডবল ইঞ্জিন সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করবে।এদিনের বৈঠকে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের কাজের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।এছাড়া কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছে রাজ্য সরকার। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও, বিশ্বকর্মা যোজনা এবং আয়ুষ্মান ভারত-এর মতো প্রকল্প বাংলায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে নতুন সরকার। এতদিন রাজ্যের আইএএস ও আইপিএস অফিসাররা কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারতেন না বলে অভিযোগ ছিল। এবার থেকে তাঁরা সেই সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।সবচেয়ে বড় ঘোষণাগুলির মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালুর সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এতদিন বাংলায় অসাংবিধানিকভাবে আইপিসি চালু ছিল। আজ থেকেই রাজ্যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্যও বড় স্বস্তির খবর দিয়েছে সরকার। চাকরিতে আবেদন করার বয়সসীমার ঊর্ধ্বসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, পূর্বতন সরকার রাজ্যের অনেক ক্ষতি করে গিয়েছে। তবে কোনও চালু সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। আগামী সপ্তাহ থেকে দিলীপ ঘোষ এবং অগ্নিমিত্রা পল সাংবাদিক বৈঠক করবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

শপথের পরই কড়া অ্যাকশনে শুভেন্দু! সিন্ডিকেট আর গরু পাচার বন্ধে এসপিদের বড় নির্দেশ

তৃণমূল সরকারের অবসানের পর বাংলায় শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজে দ্রুত সক্রিয় হয়ে উঠেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ নবান্নে বসছে নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকের আগেই প্রশাসনের অন্দরমহলে শুরু হয়েছে তৎপরতা।নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যে সিন্ডিকেট রাজ এবং গরু পাচার বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনওভাবেই এই ধরনের বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশ সুপারদের কাছে। সরকার বদলের পরেই এই নির্দেশিকাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।জানা গিয়েছে, আজ বেলা এগারোটা নাগাদ নবান্নে নতুন সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক হবে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সেখানে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হতে পারে বলে খবর। শুধু মন্ত্রিসভার বৈঠকই নয়, এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকও করবেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রথমে রাজ্যের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। তারপর জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। বিকেলে রাজ্যের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং বিভিন্ন জোনের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে সেখান থেকেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার দিন থেকেই ব্যক্তিগত সচিবালয় বা সিএমও-তে বড়সড় রদবদল শুরু হয়েছে। একের পর এক নতুন অফিসারকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম দিনের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কী বার্তা আসে, সেদিকেই এখন নজর রাজ্যবাসীর।

মে ১১, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথের খুনি সন্দেহে তিন ব্যক্তি গ্রেফতার, ভবানী ভবনে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল তদন্তকারী দল। উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের দ্রুত কলকাতায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। দলে রয়েছেন এসটিএফ এবং সিআইডির অভিজ্ঞ আধিকারিকরা। তদন্তে নেমে সূত্র ধরে ভিনরাজ্যে অভিযান চালিয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন জনকে পাকড়াও করা হয়।উল্লেখ্য, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। জানা যায়, তাঁর গাড়ির সামনে আচমকাই একটি চারচাকা এসে দাঁড়ালে গাড়ি থামাতে বাধ্য হন চালক। সেই সময় দুদিক থেকে বাইকে চেপে আসা আততায়ীরা চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালককে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম চালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল। বালি টোলপ্লাজায় অনলাইনে টোলের টাকা মেটানোর সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের সন্ধান মেলে। ইতিমধ্যেই খুনে ব্যবহৃত চারচাকা এবং দুটি বাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সবকটি গাড়ির নম্বরপ্লেটই ভুয়ো।পুলিশের ধারণা, অন্তত এক থেকে দেড় মাস আগে থেকেই এই খুনের ছক কষা হয়েছিল। চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে কারও শত্রুতা বা সাম্প্রতিক কোনও বিরোধ ছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার নেপথ্যে আরও বড় চক্রান্তের তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মে ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal