• ২২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৯ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Protest

কলকাতা

বাংলা সহ নানা অহিন্দি রাজ‍্যে 'হিন্দি দিবস' এর নামে হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে রাজপথে মশাল মিছিল

১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটি হিন্দি দিবস হিসাব পালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ও বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন বাংলা পক্ষ আজকের দিনটিকে কালো দিন বলে আক্ষা দিচ্ছে৷ বাংলা পক্ষের মতে, বাংলা সহ সমস্ত অহিন্দি ভাষার দ্বিতীয় শ্রেণীর হওয়ার দিন ১৪ই সেপ্টেম্বর। বাংলা পক্ষের যুক্তিতে, ভারতীয় যুক্ত রাষ্ট্রের কেন্দ্র সরকার হিন্দি ভাষার ব্যবহার ও প্রসারকে উৎসাহিত করতে শুধু নয়, হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দিতে আজকের দিনটিকে বেছে নিয়েছে। শুধু আজকের দিনটিই নয় এক পক্ষকাল ধরে সব কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে হিন্দি পক্ষ পালনের নামে প্রশাসনিক থেকে শিক্ষা, সবস্তরেই হিন্দি ব্যবহার করতে উৎসাহিত বা বাধ্য করা হয়।বাংলা পক্ষ মনে করে, ভারতের মতো একটি বহুভাষিক যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র একটি ভাষার জন্য এই উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিরোধী ও অহিন্দি জাতিগুলির মৌলিক অধিকার হরণের হীন প্রচেষ্টা। ভারতের হিন্দিভাষী অঞ্চল থেকে যে কর আদায় হয়, তার পরিমাণ অহিন্দি জাতিগুলির এলাকা থেকে আদায় হওয়া করের থেকে অনেক কম। অথচ সেই অহিন্দি জাতির করের টাকাতেই রাষ্ট্র জুড়ে হিন্দি ভাষার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে উৎসব হচ্ছে। ভারতের সব অহিন্দি জাতির মতোই বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষ এই বিমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদ করছে।বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষের সেই প্রতিবাদের একটি রূপ আজ দেখা গেল কলকাতার রাজপথে মশাল মিছিলের মাধ্যমে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মশাল মিছিলে বাঙালির গর্জন দেখলো কলকাতার রাজপথ। বাংলা পক্ষ আজ রবীন্দ্রসদন চত্বর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে দাবি ওঠে হিন্দি আগ্রাসন তথা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস করার। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক তথা শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক মামুদ আলি মন্ডল, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। মিছিল শেষে হাজরা মোড়ের পথসভা থেকে গর্গ চট্টোপাধ্যায়, আজকের দিনটিকে সকল অহিন্দি জাতির জন্য কালো দিন আখ্যাদিয়ে বলেন আজ থেকে প্রতিটা বছর বাংলা জুড়ে ১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটিকে মশাল মিছিল করে কালো দিন হিসাবে পালন করবে। আমাদের টাকায় মানে অহিন্দি জাতির টাকায় অহিন্দি জাতির উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। বাংলা ভাষার সমানাধিকার চাই। আমরা হিন্দি বিরোধী না। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের নখ -দাঁত উপড়ে দেব। আমরা সকল অহিন্দি জাতি একসাথে লড়াই করছি, লড়াই আরও জোরদার হবে।কৌশিক মাইতি বলেন বাংলা পক্ষ হিন্দি ভাষার বিপক্ষে নয়, কিন্তু হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিপক্ষে। বিহার, উত্তর প্রদেশে হিন্দি দিবস সাড়ম্বরে পালিত হোক, কিন্তু বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো অহিন্দি রাজ্যে হিন্দি দিবস পালন মানে আগ্রাসন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বদলের দাবিতে মালদায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

অঞ্চল সভাপতি ঘোষণা হতেই মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকন্দল। পুনরায় কুশিদা অঞ্চলের সভাপতি মোহাম্মদ নুর আজমকে করায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন তৃণমূল কর্মীদের একাংশের। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ মোহাম্মদ নুর আজমকে তাঁরা সভাপতি হিসেবে মানবেন না। নুর আজম দুর্নীতিগ্রস্ত। এমনকি তিনি কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের পদেও রয়েছেন। তার পরিবর্তে অলোক পোদ্দারকে অঞ্চল সভাপতি করতে হবে বলে দাবি বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের। যদি বিহার থেকে লোক নিয়ে এসে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে পাল্টা দাবি মহম্মদ নুর আজমের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের অস্বস্তিতে শাসক দল। বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, তৃণমূলের শেষের শুরু এটা। আজকে কাটমানি কার হাতে যাবে কে কাট মানির ভাগ পাবে সেই নিয়ে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। এখানে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল আছে। এটা আরো বেশি প্রকট হচ্ছে। এটা হচ্ছে কাটমানি খাওয়ার রাশ দুর্নীতি করার রাস কার হাতে থাকবে। এটা নিয়েই তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। কারণ তৃণমূল বুঝে গেছে মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানান, একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্ষোভ বিক্ষোভ তো থাকতেই পারে। দুই দলকে নিয়ে বসে আলোচনা করা হবে দুই দলের কথাই শোনা হবে। কেন তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ রয়েছে। আর বিজেপিকে বলবো আমাদের দলের বিষয় নাক গলানোর কোন দরকার নেই। আমাদের দলের ব্যাপার আমরা মিটিয়ে নেব।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৩
রাজ্য

আবাস যোজনায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে, মালদায় পঞ্চায়েতে তালা দিয়ে বিক্ষোভ

সরকারি আবাস যোজনার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ঘটনায় ক্রমশ উত্তাল হচ্ছে বাংলা। শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখালেন শতাধিক বাসিন্দারা। শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস সংলগ্ন এলাকায়। প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভ, প্রতিবাদ , আন্দোলন চলতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, প্রকৃত দুঃস্থ মানুষেরা সরকারি আবাস যোজনায় বাড়ি পাচ্ছে না বরং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যাদের এই প্রকল্পে ঘর পাওয়ার কথা, তাঁরাই নামের তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। অথচ যাদের পাকা বাড়ি রয়েছে তাদেরকে সেই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের একাংশ কাটমানির বিনিময়ে এই কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা। যদিও সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত কর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আচমকায় শতাধিক বাসিন্দারা এসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে কর্মরত কর্মীরাও আটকে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, আমাদের দিনমজুরি করে সংসার চলে। টালির চালার বাড়ি। কারোর আবার টিনের ও চাটায়ের বাড়ি রয়েছে। এই আবাস যোজনার মাধ্যমে পাকা ঘর হবে সে ব্যাপারে দীর্ঘদিন আগেই আবেদন করা হয়েছিল। এক প্রস্তর সার্ভেও করা হয় পঞ্চায়েত থেকে। কিন্তু তারপরেও আমাদের তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে । এজন্যই এদিন এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখিয়েছি। পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এবং ব্লক প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে, সঠিক উপভোক্তাদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার। আগামীতে যদি এই আশ্বাস পূরণ না হয় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রূকসানা বিবি অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রকৃত গরিব মানুষদের এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। সেই মতো কাজ করা হচ্ছে। এখানে কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র করে পঞ্চায়েতকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টা করছে। তবে অভিযোগ উঠেছে তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

হুগলী শিল্পাঞ্চলের বেদখল জমি পুনরুদ্ধারের ডাক দিয়ে শ্রীরামপুরে মিছিল বাংলা পক্ষর

বাংলা পক্ষ হুগলীর শ্রীরামপুরে এক ঐতিহাসিক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীরামপুরের বান্ধবসমিতির মোড় থেকে আরএমএস (RMS) ময়দান হয়ে বটতলা, জিটি রোড হয়ে মাহেশে এসে এই মিছিল শেষ হয়। হুগলী নদীর পাড়ের দখল হয়ে যাওয়া শিল্পাঞ্চলের প্রচুর সহযোদ্ধা এই মিছিলে যোগদান করে। স্থানীয় বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এই মিছিলের সমর্থনে পা মেলায়।রবিবাসরীয় এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অরিন্দম বিশ্বাস, মনন মণ্ডল, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এছাড়াও হুগলী জেলার সম্পাদক দর্পণ ঘোষ, কলকাতা জেলা সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, উত্তর ২৪ পরগণা (শিল্পাঞ্চল) এর সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল) এর সম্পাদক পিন্টু রায়।মিছিল শেষে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন দখল হয়ে যাওয়া হুগলী নদীর দুই পাড় পুনরুদ্ধার করতে হবে। ডানকুনির লজিস্টিক হাব সহ হুগলী শিল্পাঞ্চলে যে কাজের সুযোগ তৈরী হচ্ছে, সেখানে বাঙালির কাজ চাই। বাংলা পক্ষ আজ ঐতিহাসিক মিছিল করল। এই মিছিল দেখে হুগলীর বাঙালি তথা বাংলার বাঙালি বুকে বল পাবে। বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিচ্ছে গঙ্গার দুপারে বহিরাগতদের রাজত্ব শেষ হওয়া সময়ের অপেক্ষা।সংগঠনের শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন রিষড়া, ভদ্রেশ্বর, চাঁপদানী বিহার না বাংলা বোঝা যায় না, বেশীর ভাগ কাউন্সিলার বহিরাগত, চারদিকে সিং গজিয়ে উঠছে। যে সিং বাঙালিকে গোঁতাতে আসবে আমরা তা ভোঁতা করে দেব। বাংলার চাকরি, কাজ, বাজার, পুঁজি সবকিছুর দখল আমরা চাই।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা হুগলী জেলার ভূমি সন্তান মনন মণ্ডল বলেন, ব্যান্ডেল থেকে উত্তরপাড়া হুগলীর দুপাড়ে বাঙালি কোনঠাসা হয়ে গেছিল। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে বাঙালি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে৷ ৩০ বছরের কম বয়সী ছেলেমেয়েরা মিছিলে হাঁটছে৷ এটা আগামীর স্বপ্ন দেখায়।হুগলী জেলা সংগঠনের সম্পাদক দর্পণ ঘোষ বলেন এই মিছিলে বাঙালির মনে যে আলোড়ন তৈরী হল, তা ঘরে ঘরে বাঙালিকে জাগিয়ে তুলবে। বাঙালি নিজের অধিকার বুঝে নেবে। কারখানায় কাজ থেকে অটো, টোটো লাইন থেকে ফুটপাথ- সর্বত্রই আমরা বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। যে স্বপ্ন আমরা ৫ বছর আগে দেখেছিলাম, জিটি রোডের উপর বাঙালির গর্জন বুঝিয়ে দিচ্ছে বাঙালি দ্রুত জাগছে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে কটু মন্তব্যের প্রতিবাদে এবার গান বেঁধে রাস্তায় নামলেন বাউল স্বপন দত্ত

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে কটু মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এবারে গান বেঁধে রাস্তায় নামলেন বাউল স্বপন দত্ত। আজ সকাল থেকে মন্ত্রী অখিল গিরির ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবি জানিয়ে নিজের গান গেয়ে বেড়ান স্বপন। তার কথায়; রাষ্ট্রপতি একজন সম্মানজনক মানুষ। তাকে অসম্মান দেশকে অসম্মান। তাই আর থাকতে না পেরে পথে নেমেছেন তিনি।যে কোন মহিলার অসম্মানে তিনি সরব হয়ে থাকেন।স্বপন দত্ত একজন লোকশিল্পী। বিভিন্ন ফর্মে তিনি নানা শিল্পের সাথে যুক্ত। পেয়েছেন অনেক সম্মান। রাষ্ট্রপতি ও মুখ্যমন্ত্রী সহ অনেকের প্রশংসা পেয়েছেন। এর আগেও নানা বিষয়ে গান বেঁধেছেন স্বপন।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে বিক্ষোভ ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল সহ চারটি আদিবাসী সংগঠনের

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদীর মুর্মূ কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে হাতে তীর ধনুক, তরোয়াল নিয়ে বিক্ষোভ দেখাল ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল সহ চারটি আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা। সাত দিনের মধ্যে কারামন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পশ্চিমবঙ্গ অচল করে দেওয়ার হুমকি।সোমবার বর্ধমান স্টেশন চত্ত্বর থেকে মিছিল সহকারে আন্দোলনকারীরা কার্জনগেট চত্ত্বরে আসে। রাস্তায় বসে সেখানে চলে বিক্ষোভ। তাদের দাবি অবিলম্বে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরিকে পদত্যাগ করতে হবে। এই বিক্ষোভ স্থল থেকে আন্দোলনকারীরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান, কারামন্ত্রীকে দ্রুত গেফতার করার। কারা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পশ্চিমবঙ্গ অচল করে দেওয়া হবে হুমকি দেন আন্দোলনকারীরা। গ্রেফতারের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে তারা। রয়েছে সাত দিনের মধ্যে গ্রেফতার করার হুঁশিয়ারি। এই আন্দোলনে ভারত জাকাত মাঝি পরগণা মহল ছাড়াও উপস্থিত ছিল আসেকা পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি, বর্ধমান জেলা জাহেরের সদস্যরা। বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারীরা জেলা শাসকের কাছে ডেপুটেশন জমা দেয়। এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেকারণে যথেষ্ট পরিমানে পুলিশ মোতায়েন ছিল কার্জনগেট চত্ত্বরে।

নভেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় শ্রমআইন পরিবর্তনের প্রতিবাদ জানিয়ে বর্ধমানে আইএনটিটিইউসি-র প্রতিবাদ সভা

কেন্দ্রীয় সরকার পুরোনো ৪৪ টি শ্রম আইন বদলে দিয়েছে। নতুন শ্রম আইনে যদি ৩০০ জন পর্যন্ত শ্রমিক কাজ তাহলে তাদের যখন খুশি ছাঁটাই করে দেওয়া যাবে। তারা কোর্টে যেতে পারবে না, তারা শ্রম দপ্তরে ডিসপুট দিতে পারবে না। কত টাকা মাইনে মালিক দেবে, কতক্ষণ কাজ করবেন সবটাই মালিক ঠিক করবে। এই আইনের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে বলে জানালেন রাজ্যের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক।রবিবার পূর্ব বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসির এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে এসে এভাবেই কেন্দ্রীয় শ্রম আইনের বিরোধিতা করেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক। রান্নার গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল সহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বর্ধমান স্টেশন চত্ত্বরে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে জেলা আইএনটিটিইউসি। মলয় ঘটক ছাড়াও এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য আইএনটিটিইউসি সভাপতি ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, বিধায়ক অলোক মাঝি, বিডিএ চেয়ারপার্সন কাকলি গুপ্ত তা সহ একাধিক বিধায়ক ও তৃণমূল কংগ্রেসের শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নেয়। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার শ্রমিকদের ৮ ঘন্টা কাজের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ৮ ঘন্টার পরিবর্তে শ্রমিকদের ১২ ঘন্টা করে কাজ করানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস সর্বশক্তি দিয়ে এটা প্রতিহত করবে। পাশাপাশি আইএনটিটিইউসি র গোষ্ঠীদ্বন্ধ নিয়েও সরব হন তিনি। এক জায়গায় একাধিক শ্রমিক সংগঠন করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে ঋতব্রত বলেন সবটাই নিয়ম মেনে করতে হবে। জেলা সভাপতির কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে রাজ্যে পাঠাতে হবে। নিয়মিত রিটার্ন দিতে হবে। জেলা সভাপতির অনুমতি মত সংগঠন তৈরি করতে হবে। যেখানে সেখানে ব্যাঙের ছাতার মত সংগঠন অফিস করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন রাজ্য সভাপতি।

নভেম্বর ০৬, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
কলকাতা

হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর মহামিছিল কলকাতায়, আত্মসমর্পণ নয়

হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপির দ্বারা কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরির পরীক্ষা, শিক্ষাদান, তথ্য আদান-প্রদান ইত্যাদি সমস্ত ক্ষেত্রে ইংরেজি সরিয়ে হিন্দি বাধ্যতামূলক করা, হিন্দি না জানার কারণে ভারতীয় নাগরিককে শাস্তি দেওয়া, অহিন্দি জাতির অর্থ ও সম্পদ লুঠ করে সেই টাকায় ভারতে এবং ভারতের বাইরে রাষ্ট্রপুঞ্জে হিন্দি চাপানোর মাধ্যমে বাঙালী এবং সকল অহিন্দি জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে স্থায়ীভাবে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের দাস বানানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ ১২ই অক্টোবর, ২০২২ বুধবার এক বিশাল মিছিল ও পথসভা করে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে শয়ে শয়ে বাঙালি এই মিছিলে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে গর্জন তোলে। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য মনন মন্ডল, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, সোয়েব আমিন। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, উত্তর চব্বিশ গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনার শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায় প্রমুখ।ভারতের প্রতিটি বাঙালির মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে বাংলা পক্ষ কলকাতায় এই মহামিছিল ও পথসভার আয়োজন করল। বাংলা পক্ষর সহযোদ্ধারা ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার বাঙালি রবীন্দ্র সদন থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে মিছিল যোগ দেয়। মিছিল শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখেন নেতৃত্ব। এই মিছিলে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদকে ধিক্কার জানানো প্ল্যাকার্ড যেমন ছিল, তেমনই ছিল বাঙালি জাতির অভিভাবক চিত্তরঞ্জন দাশ, বাংলার প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র, তামিল সহ সকল অহিন্দি জাতির নায়ক তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আন্নাদুরাই, মহান কন্নড় জাতীয়তাবাদী কবি কুভেম্পুর অমর উক্তি সম্বলিত প্ল্যাকার্ডও। আগামী ১৬ই অক্টোবর বাংলা পক্ষ বাংলার প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন,দিল্লি যদি ভেবে থাকে যে বাঙালি হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে দেবে, আত্মসমর্পণ করবে তাহলে তারা ভুল ভাবছে। আমরা সমস্ত ভাষার সমান অধিকার চাই। বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী শহীদরা নিজেদের পরবর্তী প্রজন্মকে হিন্দির দাস বানানোর জন্য ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণ দেননি। বাংলার পবিত্র মাটি থেকে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের সমস্ত চিহ্ন মুছে দেবে বাঙালি। সকল শিরদাঁড়া সোজা অহিন্দি মানুষ এই লড়াইয়ে বাংলা পক্ষর সাথে আছে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ভারতের ঐক্য ধ্বংস করতে চায়। আমরা যে কোনও মূল্যে ভারতের ঐক্য রক্ষা করব। বিজেপি এবং দিল্লি যেন আগুন নিয়ে খেলা না করে। বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, এই বৃষ্টির মধ্যে বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিল, বাঙালির মাটিতে হিন্দি চাপালে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই হবে। বাঙালীর ওপর হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে, বাঙালিকে নিজ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষ শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে। সকল বাঙালীকে দল-মত ভুলে বাঙালি হিসেবে জোট বাঁধার আহ্বান জানাই। আমরা এ লড়াই জিতবো। বাঙালির রক্তে স্বাধীন ভারতে আমাদের অধিকার আমরা ছিনিয়ে নেবই।সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, কবি জয় গোস্বামী, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকারের মত বাঙালি বিদ্বজ্জনেরা বাংলা পক্ষর এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন। জয় গোস্বামী বলেন, আমি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এই মিছিলে উপস্থিত থাকতে না পারলেও আমি এই প্রতিবাদকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। পবিত্র সরকার জানান, এইভাবে হিন্দির একাধিপত্য কায়েমের চেষ্টা ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরোধী।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি না পাওয়ায় জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসে বিক্ষোভ ঠিকাশ্রমিক সংগঠনের

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি দিচ্ছেনা এজেন্সি। অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য টাকা তাদের ফেরত দিতে হবে।এই দাবীতে জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল পূবর্ব বর্ধমান জেলা স্কাভেনজার্স সিকিউরিটি ও ঠিকাশ্রমিক সংগঠন। তাদের আরও অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এই এজেন্সি। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এই এজেন্সি ৮.৩৩ শতাংশ হারে বোনাস তুললেও তাদের নির্ধারিত হারে বোনাস দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ।এই অভিযোগের দ্রুত নিস্পত্তি চেয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাল সংগঠনের সদস্যরা। দ্রত তাদের সমস্যার সমাধান না হলে তারা আরও বৃহৎ আন্দোলনে সামিল হবেন বলে জানিয়েছেন। বিক্ষোভ শেষে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

হিলি এক্সপোর্ট অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ ট্রাক মালিকদের

লোকাল গাড়িকে গুরুত্ব কম দিয়ে বাইরের গাড়ি কে আগে এক্সপোর্ট করানোর অভিযোগে গতকাল হিলি থানায় জমায়েত হয়েছিল ট্রাক মালিকরা। আজ আবার তারা হিলি এক্সপ্রোট এসোসিয়েশন অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।, পাশাপাশি ভাড়াও কম দেওয়া হচ্ছে তাদের, অতি শীঘ্র তাদের দাবি না মেনে নিলে এক্সপোর্ট বন্ধ করার হুমকি দেন তারা, এই প্রসঙ্গে হিলি ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সন্দীপ দত্ত আমাদের কি জানিয়েছে তা শুনে নেবো তার কাছ থেকে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

নদীয়া'য় বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে রাস্তায় নামল বাংলা পক্ষ

হরিণঘাটার ফ্লিপকার্ট, কল্যানীর AIIMS, কল্যানী শিল্পাঞ্চল, কাঁচরাপাড়ার রেলের ফ্যাক্টরিতে বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে নদীয়ার কল্যানীতে মিছিল করল বাংলা পক্ষ। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বিহার-ইউপি-ঝাড়খন্ড থেকে এসে কেন বহিরাগতরা চাকরি, কাজ ও ব্যবসা সব দখল করবে? এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষর নদীয়া জেলা শাখার উদ্যোগে মিছিল হল। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, নদীয়া জেলার পর্যবেক্ষক রজত সেন, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, নদীয়ার সম্পাদক কৌশিক বর্মন, মধুসূদন ঘোষ, পিন্টু বণিক, প্রদীপ কর প্রমুখ। মিছিল শেষে গয়েশপুরে একটি পথসভাও হয়। পথসভায় বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাঙালির প্রহরী হিসাবে চিল ও বাজপাখির মতো উপর থেকে সব নজর রাখছে। বাংলা পক্ষ বাঙালির স্বার্থ রক্ষা করছে। বাঙালি বাঘের জাতি, তাই এই শিল্পাঞ্চলকে বিহার বানাতে দেবে না বাংলা পক্ষ। আমাদের ছেলেমেয়েরা মাথা উঁচু করে চাকরি, ব্যবসা ও কাজ করবে। ধানের গোলা থেকে রাইস মিল থেকে সমস্ত ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজ চাই।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, বাঙালি ছেলেমেয়েরা মূলত বাংলা মাধ্যমের ছেলেমেয়েরা যাতে নিজের মাতৃভাষার কেন্দ্র সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য বাংলা পক্ষ লড়াই করছে। বাংলার সমস্ত রাজ্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় লিখিত বাংলা পেপার বাধ্যতামূলক করবেই বাংলা পক্ষ। অনেক পরীক্ষায় ইতিমধ্যেই আমরা সাফল্য পেয়েছি। ফ্লিপকার্ট, এইএমস সহ সব জায়গায় ৮৬% বাঙালিকে কাজ না দিলে বাংলা পক্ষ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা, উৎপাদন ব্যাহত

শ্রমিক হরতাল, কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে সামিল শ্রমিক পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শনিবার কাজ বন্ধ রেখে গলসির ভাসাপুলের রাধেশ্যাম এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ গেটে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা। ঘটনার জেরে কারখানার গেটে আটকে যায় মালবাহী বেশ কয়েকটি ট্রাক। আন্দোলনকারী শ্রমিক নুরনবী মল্লিক, কাজী বদরে আলম, সেখ আজাদরা বলেন, তাদের বেশ কয়েক মাসের ছুটির টাকা দিচ্ছেন না কারখানা কর্তৃপক্ষ। লেবার সর্দারও আশা দিয়ে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টি লিখিত ভাবে জানতে বলে। সেই নিয়ে তারা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে আবেদনও করেন। তারপরও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন হরতাল করে মিলের গেটে বসে পড়েন কয়েকশো শ্রমিক। তাদের প্রাপ্তির দাবীতে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কারখানায় কমবেশি চারশো জন শ্রমিক কাজ করেন। তারা টানাই, কাটাই, মুটিয়া, ডেলি লেবার ও বয়লারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত। কিছুদিন আগে ভয়াবহ আগুন লাগায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে ওই কারখানায়। বর্তমানে ভিতরে মজুত থাকা ও নষ্ট হওয়া ব্রান বিক্রি করছে কর্তৃপক্ষ। এখন সেইসব কাজই তারা করছেন। এদিনের আন্দোলনের জেরে তাও একরকম বন্ধ হয়ে যায়। এই বিষয়ে কারখানার এক কর্তা জানান, গোটা কারখানার মজুতঘর পুড়ে যাবার পর তারা বীমার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সেইভাবে সময় দিতে পারছেন না। তারা ওই বিষয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কারখানার লেবার সর্দার মোনজ যাদব বলেন, তিনি বেতন দিচ্ছেন না এমনটি নয়। তাঁরর দাবী, কারখানার সাথে শ্রমিকদের চুক্তি ভিত্তিক কাজ করান তিনি। সেই চুক্তিতে শ্রমিক প্রতিনিধিও আছেন। বর্তমানে কারখানা থেকে টাকা না পাওয়ার জন্য তিনি শ্রমিকদের ছুটির বেতন দিতে পারেননি। কারখানা থেকে টাকা পেলেই সব মিটিয়ে দেবেন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

বঙ্গীয় হকার সংগঠন রেল পুলিসের অত্যা চার নিয়ে আন্দোলনের হুমকি

শক্তিগড় রেলস্টেশনে জোরদার আন্দোলনে রেল হকাররা। তাদের দাবি আরপিএফ স্বেচ্ছাচারিতা করছে। দমন পীড়ন চালিয়ে টাকা আদায় করছে। এর বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।বঙ্গীয় হকার সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হোসেন মল্লিক জানান, এক মাস আগে রসুলপুর থেকে এক হকারকে তুলে আনা হয়। তার কাছে নিয়মিতভাবে আরপিএফকে টাকা দেবার দাবি করা হয়। অস্বীকার করলে ডাকাতি ও মহিলা কামরায় ওঠা সহ নানা কেস দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে তারা ডেপুটেশন দিতে এলে একটা মীমাংসা হয় জিআরপির উপস্থিতিতে। কিন্তু তারপরও নাদিমবাবুর নামে একটি শমন জারি করা হয়। রেল পুলিসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই বিক্ষোভ বলে তাঁরা জানান।তারা দাবী, রাষ্ট্র আমাদের স্থায়ী কাজ দিতে পারেনি। চুরি, আসৎ উপায় অবলম্বন না করে ট্রেনে ট্রেনে ফেরি করি। এই কাজে বাধা দিতে গেলে জোর লড়াই হবে বলে তাঁরা হুঙ্কার ছাড়েন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অভুতপুর্ব সাড়া

রবিবার শিলিগুড়ির জলপাই মোড় থেকে শুরু করে পানিটাঙ্কি মোড় অবধি এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ জানাই বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই মহা মিছিলের আয়োজন। এই মিছিলে বাংলা পক্ষর বিভিন্ন জেলার সদস্যরা যোগ দেন। বাংলা পক্ষ-র তরফে তাঁদের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, প্রায় এক হাজারেরও বেশি সহযোদ্ধা এই মিছিলে পা মেলান। তিনি আরও জানান, এই মহামিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত এবং এই দীর্ঘ মিছিলে রাস্তার দুইপাশে উৎসুক বাঙালিদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বাঙ্গালী ও বাংলা প্রেমী মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে যোগ দেন।মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দোপাধ্যায়, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষ শিলিগুড়ি জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়, বাংলা পক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক অভিষেক মিত্র মজুমদার, বাংলা পক্ষর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ , বাংলা পক্ষর কোচবিহার নেতৃত্ব প্রশান্ত নাথ ও হাশিফুল হোসেন, প্রমুখ।মিছিল থেকে তাঁরা দাবী তোলেন- বাংলা ভাগ হবেনা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে দুটি এইমস-র (AIIMS) দাবী তোলেন। তাঁরা বলেন, যেখানে বিহারে দুটো এইমস হতে পারে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে একটি কেন? তাঁদের দাবী জলপাইগুড়ি অথবা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় এইমস। এছাড়াও তারা বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের রেল ব্যবস্থার উন্নতি-র দাবী করে আসছেন। কয়েকদিন আগেই এর প্রতিবাদে জন্য শিয়ালদহ তে ডিআরএম অফিসে ধর্না দেন। তাঁদের দাবী এনজেপিকে হাব করে কোচবিহার ও মালদা অবধি বিস্তৃত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক চালু করা হয়।তাঁরা বেআইনী অনুপ্রবেশের বিরিদ্ধেও সরব হয়েছেন। তাঁরা অনুপ্রবেশ রুখতে নেপাল সীমান্ত সিল করার আবেদন জানান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং সেখানে সশস্ত্র সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন করার দাবী তোলেন।

জুলাই ০৩, ২০২২
রাজ্য

অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভে হাজির হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া

এ যেন একেবারেই উলোট পূরাণ। কোভিড অতিমারির প্রভাব কেটে গেলেও অফলাইনে পরীক্ষা দিতে নারাজ কলেজ পড়ুয়ারা। তাঁরা সরব হয়েছে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার দাবীতে। এমনকি দাবি আদায়ের জন্যে হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে জমায়েত করে বিক্ষোভও দেখায়। যদিও পড়ুয়াদের এই দাবির বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন তা তাঁদের কথাতেই পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যে সমস্ত কলেজ আছে সেইসব কলেজের ছাত্রছাত্রীরাই এদিন অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কাটোয়া কলেজের ছাত্র কিরণময় ভট্টাচার্য বলেন, কোভিড কাল থেকে এতদিন অনলাইনে ক্লাস হয়েছে। প্র্যাকটিক্যাল ঠিকমতন হয়নি। এই সময় যদি ইউনিভার্সিটি বলে যে সমস্ত পরীক্ষা অফলাইন হবে তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই তাঁরা অফলাইনের পরিবর্তে অনলাইন পরীক্ষা নেওয়ার দাবী করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যতক্ষণ না পর্যন্ত এই দাবী মেনে নিচ্ছে ততক্ষণ বিক্ষোভ চলবে বলে জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। গুসকরা মহাবিদ্যালয়ের পড়ুয়া চৈতালী দত্ত বলেন, এখন অফলাইনে পরীক্ষা নিলে তাঁরা সমস্যায় পড়বেন। তাই তাঁরা চাইছেন ক্লাস যেহেতু অনলাইনে হয়েছে, সেই কারণে পরীক্ষাও হোক অনলাইনে। একই দাবীতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকেও ইতিপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।অন লাইন পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভযদিও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা স্পষ্ট জানিয়েদেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়ে দিয়েছে। এখনো ওই সিদ্ধান্ত বহাল আছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ৬৩ টি কলেজে ৩৫ হাজার পড়ুয়া আছে বলেও উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন।

মে ১৭, ২০২২
রাজ্য

নয়া কমিটি গঠনেও অস্বস্তি ত্রিপুরা তৃণমূলে, পৃথক বৈঠক কোর কমিটির সদস্যর

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া রাজ্য কমিটি গঠন করার পরও দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটেনি। বরং কোর কমিটির অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। প্রথম রাজ্য কমিটির বৈঠকেও অনেকে গড়হাজির ছিলেন। সূত্রের খবর, কমিটি গঠনের পরের দিনই রবীন্দ্রপল্লীতে কোর কমিটির সদস্য আশিস দাসের বাড়িতে তৃণমূলের একাংশ বৈঠকে বসে। সেখানে হাজির ২৫ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন এক্সিকিউটিভ সদস্য ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস।আশিস দাসের বাড়ির বৈঠকে পায়ের দিকের তোলা ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। হঠাৎ পায়ের ছবি কেন? রাজনৈতিক মহলের মতে, তাহলে কী নতুন কোনও দলের যাত্রা শুরু হতে চলেছে ত্রিপুরায়। কারণ, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ কর্তাকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার নিজের ক্ষোভ সোশাল মিডিয়ায় উগরে দিয়েছিলেন বিজেপির এই প্রাক্তন বিধায়ক। কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। বিজেপি ছেড়ে আসার পর টানা চার মাস তিনি প্রায় বসেছিলেন। দলও তাঁকে কোনও গুরুত্ব দেয়নি বলেই তাঁর দাবি। ওই নেতৃত্ব দ্বারা ত্রিপুরায় পরিবর্তন আসবে না বলেই আশিসবাবু ঘনিষ্ঠ মহলে মন্তব্য করেছেন। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে ওই নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বনিবনা হওয়া খুবই শক্ত। সেক্ষেত্রে দলের বাইরে পৃথক ভাবে নিজের বাসভবনে বৈঠক করা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে একাংশের বক্তব্য, এই বৈঠক করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন আশিস দাস।নব গঠিত রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠকএদিকে আরেক কোর কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিংকেও ত্রিপুরা তৃণমূলের কোনও বৈঠকে দেখা যাচ্ছে না। শারীরিক ভাবে অসুস্থতার কারণেই তিনি আসতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর যথেষ্ট সদ্ভাব রয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, এমনকী ওই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আশিসলাল সিংয়ের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এদিকে তৃণমূলের নয়া রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন এমন খবর তিনি জানেন না। প্রয়োজনে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে নেবেন তিনি।তৃতীয়বার বঙ্গ বিজয়ের পর ত্রিপুরায় হানা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের গোষ্ঠীকলহ নিয়ন্ত্রণে না আনতে আদপে ফায়দা হবে বিজেপির। যে ভাবে দলকে না জানিয়ে পৃথক বৈঠক করছেন কোর কমিটির সদস্য, আরেক কোর কমিটির সদস্য অন্য দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। সেক্ষেত্রে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ না করলে অনেকটা দেরি হয়ে যাবে। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে সেই গোয়ার ফলফালের রিপিট যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৪, ২০২২
দেশ

ত্রিপুরা তৃণমূলে অশনি সংকেত, বিক্ষুব্ধরা কি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন ভিন রাজ্যে তাঁরা শুধু লড়াই করতে যাবেন না, ক্ষমতা দখল করাই তাঁদের লক্ষ্য। ইতিমধ্যে গোয়া বিধানসভায় নির্বাচন হয়েছে। মহুয়া মৈত্রের মতো লোকসভায় ভাষন দিয়ে তোলপাড় করা নেত্রীসহ অনেকের উপরই গুরুদায়িত্ব ছিল গোয়াতে। প্রার্থীও দিয়েছিল তৃণমূল। একটিও আসন জোটেনি ঘাসফুল শিবিরের। সূত্রের খবর, এবার পরশি রাজ্য ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিস্তারে বড়সড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। ৬ এপ্রিল ত্রিপুরায় দলের মহামিছিলে কারা পা মেলাবেন তাতেও সংশয় রয়েছে।বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরাতে তৃণমূল অনেক বছর আগেই অভিযান শুরু করেছিল। তবে ২০২১-এ বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্যের পর ফের ত্রিপুরা অভিযান শুরু করে ঘাসফুল শিবির। এরাজ্য থেকে দলে দলে নেতৃত্বস্থানীয়রা ত্রিপুরায় যাতায়াত শুরু করে। পুরসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ফসল একজন মাত্র কাউন্সিলরের জয়। সেই জয়ী সুমন পালও বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, ত্রিপুরা তৃণমূলের বড় অংশই এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে। ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আশিসলাল সিং দীর্ঘ কয়েক মাস দলীয় সংগঠনের সংস্পর্শেই ছিলেন না। তাঁর সঙ্গে কেউ যোগাযোগও করতে পারেননি। বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস মাথা ন্যাড়া করে তৃণমূলে যোগ দেন। হইচই পড়ে যায় ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। সেই আশিস দাসও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাজকর্মে চরম ক্ষুব্ধ। তাঁর ক্ষোভের প্রকাশ তিনি ফেসবুকেও স্পষ্ট লিখেছেন। এবার প্রশ্ন হল তৃণমূলের ওই অংশ কী তাহলে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করতে চলেছেন? সারা ত্রিপুরায় এমন জল্পনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।দীর্ঘ দিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন আশিসলাল সিং। পুরভোটের সময় বিজেপি তাঁর ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। তারপর তিনি দিল্লির দুটি নার্সিংহোমে দীর্ঘ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিছু দিন ছিলেন বিদেশেও। তিনি অন্তরালে চলে যান। দলের সঙ্গে কেন তিনি দীর্ঘ সময় যোগাযোগ রাখেননি? তাহলে তিনিও কী দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যকলাপ মেনে নিতে পারছেন না? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্দরমহলে। ত্রিপুরা তৃণমূলে কান পাতলেই শোনা যাবে দলের বর্তমান রাজ্য নেতৃত্বকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। সব থেকে বড় প্রশ্ন, এভাবেই যদি পরশি রাজ্যে সংগঠন চলতে থাকে তাহলে দলের বিক্ষুব্ধ অংশ কী নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নেবে?রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৩-এ ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না দলের বড় অংশ। সেক্ষেত্রে বড়সড় দলবদলের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তবে তাঁরা কোন দলে যাবেন তা-ও চর্চার বিষয়। বিজেপিতে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণই। সিপিএম-কংগ্রেসে যোগ দেওয়াতেও সমস্যা রয়েছে। যদিও রাজনীতিতে কিছুই অসম্ভব নয়। তবে তিপ্রা মথা এই মুহূর্তে সেখানে উদীয়মান শক্তি। তাহলে কী ওই সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূলের একাংশ? তা নিয়েও জোরদার জল্পনা চলছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মাথায় উনান আর কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের অভিনব প্রতিবাদ

দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়ে কেন্দ্রের সরকার ঘটাকরে চালু করেছিল উজ্জ্বলা গ্যাস যোজনা। সেই এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন ১০০০ টাকা ছুঁয়েছে। আর তার কারণেই গ্রাম গঞ্জের দরিদ্র পরিবারের মহিলারা এখন এলপিজি গ্যাস ছেড়ে ফের অপরিস্কার জ্বালানি ব্যবহারেই ফিরে এসেছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের এই ব্যর্থতা জনসমক্ষে তুলে ধরতে হাতে উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন মহিলারা। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধীতায় মঙ্গলবার এমন অভিনব প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি নেতৃত্ব যদিও তৃণমূলের এমন মিছিলের আয়োজনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাঁদের বক্তব্য, এমন মিছিল থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প বাস্তবে গৃহিণীদের দুর্গতি ঘোচাতে পারে নি।দলীয় ঘোষণা অনুযায়ী এদিন পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস ও ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে পথে নামে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। প্রতিবাদ থেকে পিছিয়ে থাকেনি জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরাও। জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব যুব কংগ্রেসের সভাপতি ভূতনাথ মালিকের নেতৃত্বে এদিন জামালপুর পুলমাথা এলাকা থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল। প্রায় দেড় কিমি পথ পরিক্রমা করে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয় হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর কাছে। মিছিলে জামালপুরের বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন সহ অন্য নেতারা অংশ নেন।প্রতিবাদ মিছিলের একেবারে প্রথম সারিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থক গৃহস্থ পরিবারের মহিলারা। তাঁদের অনেকে মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে মিছিলে হাঁটেন। রাজনৈতিক দলের মিছিলে উনান ও জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে হাঁটার কারণ প্রসঙ্গে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা বলেন, আমরা দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের বধূ। উনানে কাঠ কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে আগে পরিবারে রান্নাবান্না হত।মোদী সরকারের কথায় বিশ্বাস করে এলপিজি গ্যাসের কানেকশান নিয়েছিলেন। তার পর করোনা অতিমারির প্রভাবের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন জারি থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আমাদের মত দরিদ্র পরিবার গুলির সদস্যদের আর্থিক রোজগার বাড়ে নি। বরং কমেছে। কিন্তু এসবের কোনকিছুরই খোঁজ খবর না রেখে এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন প্রায় ১০০০ টাকার মত করে দিয়েছে। এত দামে গ্যাস সিলিণ্ডার কিনে আর বাড়িতে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই খালি গ্যাস সিলিণ্ডার ও ওভেন বাড়ির চৌকির নিচে রেখে দিয়ে এখন ফের আগের মতই কাঠের উনানে রান্না করছেন। তাই মোদী সরকারের এমন কীর্তি জনসমক্ষে তুলে ধরতেই এদিন মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে হেঁঠেছেন বলে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা মন্তব্য করেন।বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছেন কি ভুল তাঁরা করেছেন। এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে সেই ভুলেরই প্রকাশ ধরা পড়েছে সাধারণ গৃহস্থ পরিবারের মহিলাদের মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালনি কাঠ নিয়ে হাঁটায় মধ্য দিয়ে। ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক জানান, শুধু রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোই নয়। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কেন্দ্রের মোদী সরকার পেট্রোল, ডিজেল এমনকি জীবনদায়ী ওষুদের দামও বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর বিজেপি নেতারা সবার বিকাশের বুলি আওড়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে স্বরুপ এখন গ্রামের মহিলারা উনান ও জ্বালানি কাঠ নিয়ে পথে নামছে। আগামী দিনে এই মহিলারাই ভোটের বাক্সে বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতারের দাবিতে হাতে চুড়ি ও শাড়ি নিয়ে প্রতিবাদ যুব কংগ্রেসের

অভিযুক্ত কাউন্সিলরের লুকিয়ে শপথ নেওয়ার ঘটনায় হাতে চুড়ি ও শাড়ি নিয়ে অভিনব প্রতিবাদে শামিল হল যুব কংগ্রেস। বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমাশাসকের অপসারণ ও অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলের গ্রেফতারের দাবি জানান প্রতিবাদীরা। সোমবার যুব কংগ্রেসের কর্মীরা মিছিল করে পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়। এরপর যুব কংগ্রেস কর্মীরা মহকুমাশাসকের অফিসের দিকে এগোলে পুলিশ তাদের আটকায়। রাস্তায় বসে পরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে যুব কংগ্রেস কর্মীরা। কিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর তারা আবার মহকুমাশাসকের অফিসের দিকে যাবার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় আন্দোলনকারীদের। এই ঘটনায় পুলিশ ৬ জন যুব কংগ্রেস কর্মীকে আটক করেছে।তরুণী তুহিন খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বর্ধমান পুরসভার নব নির্বাচিত কাউনসিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশার বিরুদ্ধে। পুলিশ তাকে এখনও গ্রেপ্তার করেনি। অথচ গত ১৭ মার্চ বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমাশাসকের দপ্তরে গিয়ে শপথ নিলেন মূল অভিযুক্ত কাউন্সিলর। শনিবার এই খবর চাউড় হতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায় বর্ধমান শহরে।উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ পুরসভার ফলাফল ঘোষণার দিন বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ এলাকায় কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের বাড়িতে হামলা, শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ ওঠে এলাকার নব নির্বাচিত কাউন্সিলর বাদশা ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পরই বাড়ি থেকে তুহিনার দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান থানার পুলিশ।পরিবারের পক্ষ থেকে বর্ধমান থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করা হয় বসির আহমেদ সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে বিক্ষোভ দেখায় বাম ছাত্র,যুব ও মহিলা সংগঠন। পাশাপাশি বিক্ষোভ আন্দোলনে নামে কংগ্রেসও। খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ অধীর চৌধুরী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরিবারের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পুলিশ এখনও পর্যন্ত ৪ জন মহিলা ও ১জন পুরুষকে গ্রেপ্তার করলেও বসির আহমেদ এখনও গ্রেপ্তার হন নি।এদিকে এই আবহের মাঝেই গত ১৬ মার্চ বর্ধমান পুরসভার নবনির্বাচিত ৩৩ জন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার শপথ নেন বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাসের কাছে। শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হাজির হননি বসিরউদ্দিন আহমেদ ওরফে বাদশা। কিন্তু তারপরেই ১৭ মার্চ দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মহকুমাশাসকের চেম্বারে গিয়ে শপথ নেন। শপথ নেবার খবর চাউড় হতেই শুরু হয় বিতর্ক।

মার্চ ২১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য চিত্র! চার হাজার ডলারের টিকিট নেমে এল প্রায় এক তৃতীয়াংশে, আসল কারণ জানলে চমকে যাবেন

বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব মানেই সাধারণত টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে একেবারে উল্টো ছবি। কয়েক দিন আগেও যে টিকিটের দাম প্রায় চার হাজার মার্কিন ডলার ছুঁয়েছিল, এখন সেই টিকিটের দাম অনেকটাই কমে গিয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে অনেক ফুটবলপ্রেমীরই প্রশ্ন, হঠাৎ কেন এমন হল?টিকিট বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্পেন ও বেলজিয়ামের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের দাম প্রায় দুই হাজার নয়শো পঞ্চাশ মার্কিন ডলার থেকে নেমে প্রায় এক হাজার দুইশো ডলারে এসেছে। অনেকের মতে, আয়োজক দেশ আমেরিকা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারলে টিকিটের চাহিদা এবং দাম দুটোই অনেক বেশি থাকত। কিন্তু শেষ ষোলোয় বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।পর্তুগালের বিদায়ও টিকিট বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। স্পেনের কাছে হেরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দল ছিটকে যাওয়ায় সম্ভাব্য বড় আকর্ষণের ম্যাচ আর হচ্ছে না। ফলে দর্শকদের আগ্রহও কমেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে ফ্রান্স ও মরক্কোর কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের টিকিট চারটি ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এই ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য এক হাজার ডলারেরও কম।এর আগেও আমেরিকা ও বেলজিয়ামের শেষ ষোলোর ম্যাচের টিকিটের দাম ওঠানামা করেছিল। একসময় সেই ম্যাচের টিকিটের মূল্য চার হাজার মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছলেও পরে তা অনেকটাই নেমে আসে। আমেরিকা শেষ ষোলোয় ওঠার পর কিছু সময়ের জন্য দাম বাড়লেও পরে আবার কমতে শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যেই টিকিটের মূল্য প্রায় এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় তারকা এবং জনপ্রিয় দলগুলির বিদায় টিকিটের বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। ব্রাজিল, পর্তুগাল এবং আয়োজক আমেরিকার বিদায়ের পর অনেক দর্শক আর মাঠে যাওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কানাডার বিদায়ের পরও সংশ্লিষ্ট ম্যাচের টিকিটের দাম কমে যায়।তবে এখনও অনেকের বিশ্বাস, লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা যত এগোবে, ততই বিশ্বকাপে আবার দর্শকদের আগ্রহ বাড়বে। ফুটবলপ্রেমীদের আশা, মেসির ম্যাচ ঘিরেই আবার গ্যালারি ভরে উঠবে এবং টিকিটের চাহিদাও নতুন করে বাড়বে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বারুইপুরের পর ফের পুকুর থেকে দেহ উদ্ধার! কলকাতায় রহস্য ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য

খাস কলকাতায় ফের রহস্যজনক দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকালে পর্ণশ্রী থানার অধীন ইউনিক পার্ক এলাকার একটি পুকুর থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরে দেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিদ্যাসাগর হাসপাতালে পাঠায়।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি এলাকার বাসিন্দা নন। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয়দের একাংশের সন্দেহ, ওই ব্যক্তিকে অন্য কোথাও খুন করার পর দেহটি এনে এই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।গত কয়েক দিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জলাশয় থেকে দেহ উদ্ধারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার বারুইপুরে পুকুর থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। তার পর সোমবার অশোকনগরের একটি জলাশয় থেকেও এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার বেহালা এলাকায় পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের পরিচয়, মৃত্যুর কারণ এবং এর পিছনে কোনও অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত চলছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে হঠাৎ মেজাজ হারালেন মমতা! নিজের দলের কর্মীকেই সপাটে চড়, তোলপাড় রাজনীতি

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের ডাকা মিছিল ঘিরে হাজরায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হলেও কিছু দূর এগোতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডাকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই অবস্থায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ির সামনে তখন বিপুল ভিড় জমে যায়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সামনে থাকা নিজের দলের এক কর্মীকে সপাটে চড় মারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা থামাতে আরও কয়েকজন কর্মীকেও ধাক্কা ও চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। ঘটনাটি ঘিরে মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।মিছিল চলাকালীন এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। অভিযোগ, একদিকে চোর চোর স্লোগান ওঠে, অন্যদিকে রাস্তার পাশ থেকে কটাক্ষ করে গান বাজানো হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, তাদের একাধিক কর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন।ঘটনার পর বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছেন এবং সেই কারণেই এমন আচরণ করছেন। যদিও এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়নি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই ছাত্র ও যুবরা মিছিল করেছে এবং গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সকলের রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখারও দাবি জানান।বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে তদন্ত এগোচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাতও নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের এক ঘোষণায় চাপে ভারত? তুরস্ককে যুদ্ধবিমান দেওয়ার সিদ্ধান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিল আমেরিকা। তুরস্কের ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানান, তুরস্ককে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।মঙ্গলবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের বৈঠকে ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সম্পর্ক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছে। তিনি স্পষ্ট জানান, তুরস্কের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে এবং যুদ্ধবিমান দেওয়ার বিষয়েও ইতিবাচকভাবে ভাবা হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পর তুরস্কের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিরই এবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন সামরিক প্রকল্পে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক মহলেও নজর কেড়েছে। ফলে তুরস্কের হাতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি এলে ভবিষ্যতে তার প্রভাব পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বহু প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই তুরস্কের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পেলে তা ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই কারণেই দিল্লি গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত সহযোগিতা অনেকটাই বৃদ্ধি করেছে নয়াদিল্লি। তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক গ্রিস সফরেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছিল। ফলে আমেরিকা-তুরস্ক সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যেই ভারতও নিজের কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পথে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

অপরাধীদের আর কোনও ছাড় নয়....! বারুইপুরে এনকাউন্টার নিয়ে বিস্ফোরক শমীক

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থলে অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেই সময় চারপাশে প্রবল বৃষ্টি ও অন্ধকার ছিল। অভিযোগ, ওই সুযোগে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত একটি গুলিও চালায়। এরপর আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অপরাধীদের কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি কামদুনি মামলার তদন্ত নতুন করে শুরু করার দাবিও জানান। বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকারও বলেন, অভিযুক্তের মৃত্যু এক ধরনের কঠোর বিচার বলে তিনি মনে করেন।এদিকে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে এসেছে অত্যন্ত নৃশংস ঘটনার ছবি। সূত্রের দাবি, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর মাথায় আঘাত করা হয়। তারপর তাকে জলে ফেলে দেওয়া হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, জলে ডুবেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, এই মামলার তদন্ত দ্রুত এগোচ্ছে। ধৃত অন্য অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে গভীর রাতে বড় মোড়! এনকাউন্টারে মৃত্যু অভিযুক্তের, যা বললেন নিহত নাবালিকার বাবা

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রতিক্রিয়া জানালেন নিহত নাবালিকার বাবা। তিনি জানান, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের তদন্তের উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাসেও তিনি সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে যায় বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত আচমকা এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের দাবি, পালানোর সময় সে এক রাউন্ড গুলিও চালায়। এরপর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।অভিযুক্তের মৃত্যুর পর নিহত নাবালিকার বাবা বলেন, পুলিশের উপর তাঁর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। সেই প্রতিশ্রুতির উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁর কথায়, পুলিশ না থাকলে তদন্ত এত দ্রুত এগোত না। তিনি আরও বলেন, তদন্তে এখনও যাঁরা জড়িত, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তাঁর একমাত্র দাবি, এই নৃশংস অপরাধে জড়িত প্রত্যেকের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।নিহত নাবালিকার এক আত্মীয়ও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও তাঁদের জানানো হয়েছে।এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ঠিক কী কারণে পুলিশ এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয়েছিল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তদন্তে বড় মোড় এসেছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে অন্যতম এক অভিযুক্তের। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করার পাশাপাশি এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে সে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার ঠিক আগে আচমকা পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর বন্দুক কেড়ে নিয়ে এক রাউন্ড গুলি চালায় এবং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। সেই গুলিতেই অভিযুক্ত গুরুতর জখম হয়।পুলিশ জানিয়েছে, আহত অবস্থায় অভিযুক্তকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এই অভিযুক্তকেই আগে প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে নাবালিকার সঙ্গে শেষবার দেখা গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের সময়ও ওই অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং পুকুর থেকে দেহ উদ্ধারে পুলিশকে সাহায্য করেছিল।উল্লেখ্য, শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল নাবালিকা। রবিবার পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত বিচার এবং দোষীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাসও দিয়েছিলেন।এদিকে একই মামলায় বড় সাফল্য পেয়েছে তদন্তকারী দল। এতদিন পলাতক থাকা চতুর্থ অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ বাহিনী, জেলা পুলিশ এবং বিশেষ তদন্তকারী দলের যৌথ অভিযানে বসিরহাট থেকে তাকে ধরা হয়। মোবাইল ফোনের অবস্থান অনুসরণ করেই অভিযুক্তের খোঁজ পায় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই গ্রেপ্তারের ফলে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal