• ১৯ পৌষ ১৪৩২, সোমবার ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Protest

রাজ্য

পর্যটন সহ নানা কাজে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকারের দাবিতে ভুটান সীমান্তে বাংলা পক্ষর প্রতিবাদ সভা

শীতের প্রাক্কালে যখন ভুটান ও তার সীমান্ত এলাকার মানুষজন শীতবস্ত্রের পসরা নিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিকিকিনির আসর জমাতে শুরু করে, ঠিক সে সময় আলিপুরদুয়ার জেলার ভুটান সীমান্তবর্তী জনপদ জয়গাঁতে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকারের দাবিতে বাংলা পক্ষ হাজির। জয়গাঁ বর্তমানে একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বাংলার অন্যান্য জায়গার মত গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এখানেও বাড়ছে বহিরাগত দখলদারদের আগমন। জয়গাঁ সহ পুরো আলিপুরদুয়ার জেলায় বাঙালি, কোচ, মেচ, রাজবংশী, আদিবাসী, নেপালী সহ সমস্ত ভূমিপুত্রদের অধিকারের স্বার্থে গর্জে উঠল বাংলা পক্ষ। আলিপুরদুয়ারের ভূমিপুত্রদের কাজ দখল হচ্ছে। অটো, টোটো লাইন, হোটেল, পর্যটন সহ সকল কাজে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকারের দাবিতে এদিন সভা করে বাংলা পক্ষ। সভায় উপস্থিত থেকে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য সম্রাট কর ও জেলা পর্যবেক্ষক রজত ভট্টাচার্য। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন আয়োজক আলিপুরদুয়ার জেলার সম্পাদক উত্তম দাস। গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন জয়গাঁর সকল বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের ঐক্যবদ্ধ করবে বাংলা পক্ষ। এখানকার পর্যটন, হোটেল, পরিবহন এর মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা বাঙালির অধিকারে রাখতে হবে। সব ধরনের কাজ কাজে ভূমিপুত্রকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, কোন বহিরাগতর দাদাগিরি চলবে না।কৌশিক মাইতি তাঁর বক্তব্যে বিজেপির বাংলা ভাগ চক্রান্তের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের সচেতন করেন, বাংলা পক্ষ বাংলা ভাগ হতে দেবে না বলে তিনি জানান। সভা ঘিরে এই সীমান্ত শহরের বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
দেশ

দিল্লিতে অভিষেকদের কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার, প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক বাংলায়

কৃষিভবনে রাজ্যের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ জানাতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। শুধু তাই নয় টেনেহিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে আটক করা হয় তৃণমূলের নেতানেত্রীদের। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর কাছে অভিষেকের নেতৃত্বে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। মন্ত্রী দেখা তো করেনইনি। উলটে, রাত ৯টার পর বিশালসংখ্যক পুলিশবাহিনী কৃষিভবনে প্রবেশ করে। পুলিশ তৃণমূল নেতাদের জানায়, অবিলম্বে কৃষিভবন খালি করে দিতে হবে। কৃষিভবন বন্ধ করা হবে। তৃণমূল নেতারা কৃষিভবন থেকে বের হতে না-চাওয়ায় তৃণমূলের প্রতিনিধিদের প্রথমে চ্যাংদোলা করে, জোর করে কৃষিভবন থেকে বের করে দিল্লি পুলিশ।এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল নেতাদের আটক করে বাসে চাপিয়ে পুলিশ লাইনে নিয়ে যায়। তিনটি বাসে চাপিয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের নিয়ে যাওয়া হয়। পর্যন্ত তৃণমূলের আটক সাংসদদের উৎসব সদন মুখার্জিনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানার ভিতর থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে এরপর তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বাসে চাপিয়েই পুলিশ নিয়ে চলে যায় উৎসব সদন সশস্ত্র পুলিশের ক্যাম্পে। খবর পেয়ে রাতেই ক্যাম্পের বাইরে জড় হন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। রাত ১১টা নাগাদ তাঁদের পুলিশলাইন থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।এর আগেই তৃণমূল নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল কৃষিমন্ত্রী গিরিরাজ সিং থাকবেন না। বদলে কৃষি ভবনে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির কাছে মঙ্গলবার সন্ধে ৬টা নাগাদ বাংলার বঞ্চিত জব কার্ড হোল্ডারদের চিঠি পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল অভিষেক-সহ তৃণমূল নেতৃত্বের। সময় মতই মন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছেও গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের নেতারা। তারপর প্রায় ঘন্টা তিনেক অতিক্রান্ত হলেও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে দেখা করেননি প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। উলটে তৃণমূল নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়, পাঁচ জন এলে দেখা করতেন মন্ত্রী। কিন্তু, ৪০ জন এসেছেন, তাই তিনি দেখা করবেন না। এই কথা জানার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।বঞ্চিতদের চিঠি নিজের কাঁধে চাপিয়ে নিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী না দেখয় করায় তিনি কৃষি ভবনের মেঝেতেই বসে পড়েন। তাঁর দাবি, মন্ত্রী দেখা না-করা পর্যন্ত কৃষিভবন ছাড়বেন না। তাঁর দেখাদেখি কৃষিভবনের মেঝেতে বসে ধরনা শুরু করেন তৃণমূলের অন্যান্য প্রতিনিধিরাও। কৃষিভবনে ধরনা চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা অভিযোগ করেন, বিকেলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কৃষিভবনে এসেছিলেন। মন্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু, বঞ্চিতদের প্রতিনিধি তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে মন্ত্রী দেখা করেননি। উলটে একেকবার একেকরকম কথা বলে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বিভ্রান্ত করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাত ৯টাতেও কৃষি ভবনে মন্ত্রীর অপেক্ষায় বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা।তার আগে রাত আটটার পর কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির দফতর থেকেই অপেক্ষমাণ তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ভিডিও বার্তায় বলেন, দেখা করব বলেছিলেন। ওঁনার দেওয়া সময় মতই আমরা এসেছি। দুপুরে উনি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন। বাংলার টাকা আটকে রাখার চিঠি নিয়েছেন। আর আমাদের সময় দিয়েও এখন মন্ত্রী বলছেন আসবেন না।কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা বাংলার বকেয়া অর্থের দাবিতে ৪০ জনের প্রতিনিধি নিয়ে এসেছেন। সেই প্রতিনিধিদলে আছেন বাংলার তৃণমূল সাংসদ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বহু মন্ত্রী এবং ১০০ দিনের কাজ করেও মজুরি থেকে বঞ্চিত বেশ কয়েকজন। এত লোকের সঙ্গে মন্ত্রীর দেখা করা সম্ভব নয়। সর্বাধিক তৃণমূলের পাঁচ জন প্রতিনিধি এলে দেখা করতেন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। এরপর তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে না-জানিয়েই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কৃষি ভবন থেকে বেরিয়ে যান বলে খবর পান তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূল নেতৃত্ব দিল্লিতে গ্রেফতার হয়েছে, সেই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দিল্লির রাজপথে নেমে পড়েন তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাতেও শুরু হয় বিক্ষোভ। রাজ্য বিজেপির দফতরের বাইরেও বিক্ষোভ চলে। দিল্লিতে কৃষিভবনের বাইরেও তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। কিন্তু, কৃষিভবনের বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিল।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
কলকাতা

বাংলা সহ নানা অহিন্দি রাজ‍্যে 'হিন্দি দিবস' এর নামে হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে রাজপথে মশাল মিছিল

১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটি হিন্দি দিবস হিসাব পালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ও বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন বাংলা পক্ষ আজকের দিনটিকে কালো দিন বলে আক্ষা দিচ্ছে৷ বাংলা পক্ষের মতে, বাংলা সহ সমস্ত অহিন্দি ভাষার দ্বিতীয় শ্রেণীর হওয়ার দিন ১৪ই সেপ্টেম্বর। বাংলা পক্ষের যুক্তিতে, ভারতীয় যুক্ত রাষ্ট্রের কেন্দ্র সরকার হিন্দি ভাষার ব্যবহার ও প্রসারকে উৎসাহিত করতে শুধু নয়, হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দিতে আজকের দিনটিকে বেছে নিয়েছে। শুধু আজকের দিনটিই নয় এক পক্ষকাল ধরে সব কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে হিন্দি পক্ষ পালনের নামে প্রশাসনিক থেকে শিক্ষা, সবস্তরেই হিন্দি ব্যবহার করতে উৎসাহিত বা বাধ্য করা হয়।বাংলা পক্ষ মনে করে, ভারতের মতো একটি বহুভাষিক যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র একটি ভাষার জন্য এই উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিরোধী ও অহিন্দি জাতিগুলির মৌলিক অধিকার হরণের হীন প্রচেষ্টা। ভারতের হিন্দিভাষী অঞ্চল থেকে যে কর আদায় হয়, তার পরিমাণ অহিন্দি জাতিগুলির এলাকা থেকে আদায় হওয়া করের থেকে অনেক কম। অথচ সেই অহিন্দি জাতির করের টাকাতেই রাষ্ট্র জুড়ে হিন্দি ভাষার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে উৎসব হচ্ছে। ভারতের সব অহিন্দি জাতির মতোই বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষ এই বিমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদ করছে।বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষের সেই প্রতিবাদের একটি রূপ আজ দেখা গেল কলকাতার রাজপথে মশাল মিছিলের মাধ্যমে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মশাল মিছিলে বাঙালির গর্জন দেখলো কলকাতার রাজপথ। বাংলা পক্ষ আজ রবীন্দ্রসদন চত্বর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে দাবি ওঠে হিন্দি আগ্রাসন তথা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস করার। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক তথা শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক মামুদ আলি মন্ডল, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। মিছিল শেষে হাজরা মোড়ের পথসভা থেকে গর্গ চট্টোপাধ্যায়, আজকের দিনটিকে সকল অহিন্দি জাতির জন্য কালো দিন আখ্যাদিয়ে বলেন আজ থেকে প্রতিটা বছর বাংলা জুড়ে ১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটিকে মশাল মিছিল করে কালো দিন হিসাবে পালন করবে। আমাদের টাকায় মানে অহিন্দি জাতির টাকায় অহিন্দি জাতির উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। বাংলা ভাষার সমানাধিকার চাই। আমরা হিন্দি বিরোধী না। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের নখ -দাঁত উপড়ে দেব। আমরা সকল অহিন্দি জাতি একসাথে লড়াই করছি, লড়াই আরও জোরদার হবে।কৌশিক মাইতি বলেন বাংলা পক্ষ হিন্দি ভাষার বিপক্ষে নয়, কিন্তু হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিপক্ষে। বিহার, উত্তর প্রদেশে হিন্দি দিবস সাড়ম্বরে পালিত হোক, কিন্তু বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো অহিন্দি রাজ্যে হিন্দি দিবস পালন মানে আগ্রাসন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বদলের দাবিতে মালদায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

অঞ্চল সভাপতি ঘোষণা হতেই মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকন্দল। পুনরায় কুশিদা অঞ্চলের সভাপতি মোহাম্মদ নুর আজমকে করায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন তৃণমূল কর্মীদের একাংশের। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ মোহাম্মদ নুর আজমকে তাঁরা সভাপতি হিসেবে মানবেন না। নুর আজম দুর্নীতিগ্রস্ত। এমনকি তিনি কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের পদেও রয়েছেন। তার পরিবর্তে অলোক পোদ্দারকে অঞ্চল সভাপতি করতে হবে বলে দাবি বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের। যদি বিহার থেকে লোক নিয়ে এসে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে পাল্টা দাবি মহম্মদ নুর আজমের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের অস্বস্তিতে শাসক দল। বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, তৃণমূলের শেষের শুরু এটা। আজকে কাটমানি কার হাতে যাবে কে কাট মানির ভাগ পাবে সেই নিয়ে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। এখানে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল আছে। এটা আরো বেশি প্রকট হচ্ছে। এটা হচ্ছে কাটমানি খাওয়ার রাশ দুর্নীতি করার রাস কার হাতে থাকবে। এটা নিয়েই তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। কারণ তৃণমূল বুঝে গেছে মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানান, একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্ষোভ বিক্ষোভ তো থাকতেই পারে। দুই দলকে নিয়ে বসে আলোচনা করা হবে দুই দলের কথাই শোনা হবে। কেন তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ রয়েছে। আর বিজেপিকে বলবো আমাদের দলের বিষয় নাক গলানোর কোন দরকার নেই। আমাদের দলের ব্যাপার আমরা মিটিয়ে নেব।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৩
রাজ্য

আবাস যোজনায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে, মালদায় পঞ্চায়েতে তালা দিয়ে বিক্ষোভ

সরকারি আবাস যোজনার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ঘটনায় ক্রমশ উত্তাল হচ্ছে বাংলা। শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখালেন শতাধিক বাসিন্দারা। শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস সংলগ্ন এলাকায়। প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভ, প্রতিবাদ , আন্দোলন চলতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, প্রকৃত দুঃস্থ মানুষেরা সরকারি আবাস যোজনায় বাড়ি পাচ্ছে না বরং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যাদের এই প্রকল্পে ঘর পাওয়ার কথা, তাঁরাই নামের তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। অথচ যাদের পাকা বাড়ি রয়েছে তাদেরকে সেই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের একাংশ কাটমানির বিনিময়ে এই কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা। যদিও সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত কর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আচমকায় শতাধিক বাসিন্দারা এসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে কর্মরত কর্মীরাও আটকে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, আমাদের দিনমজুরি করে সংসার চলে। টালির চালার বাড়ি। কারোর আবার টিনের ও চাটায়ের বাড়ি রয়েছে। এই আবাস যোজনার মাধ্যমে পাকা ঘর হবে সে ব্যাপারে দীর্ঘদিন আগেই আবেদন করা হয়েছিল। এক প্রস্তর সার্ভেও করা হয় পঞ্চায়েত থেকে। কিন্তু তারপরেও আমাদের তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে । এজন্যই এদিন এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখিয়েছি। পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এবং ব্লক প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে, সঠিক উপভোক্তাদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার। আগামীতে যদি এই আশ্বাস পূরণ না হয় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রূকসানা বিবি অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রকৃত গরিব মানুষদের এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। সেই মতো কাজ করা হচ্ছে। এখানে কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র করে পঞ্চায়েতকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টা করছে। তবে অভিযোগ উঠেছে তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

হুগলী শিল্পাঞ্চলের বেদখল জমি পুনরুদ্ধারের ডাক দিয়ে শ্রীরামপুরে মিছিল বাংলা পক্ষর

বাংলা পক্ষ হুগলীর শ্রীরামপুরে এক ঐতিহাসিক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীরামপুরের বান্ধবসমিতির মোড় থেকে আরএমএস (RMS) ময়দান হয়ে বটতলা, জিটি রোড হয়ে মাহেশে এসে এই মিছিল শেষ হয়। হুগলী নদীর পাড়ের দখল হয়ে যাওয়া শিল্পাঞ্চলের প্রচুর সহযোদ্ধা এই মিছিলে যোগদান করে। স্থানীয় বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এই মিছিলের সমর্থনে পা মেলায়।রবিবাসরীয় এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অরিন্দম বিশ্বাস, মনন মণ্ডল, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এছাড়াও হুগলী জেলার সম্পাদক দর্পণ ঘোষ, কলকাতা জেলা সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, উত্তর ২৪ পরগণা (শিল্পাঞ্চল) এর সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল) এর সম্পাদক পিন্টু রায়।মিছিল শেষে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন দখল হয়ে যাওয়া হুগলী নদীর দুই পাড় পুনরুদ্ধার করতে হবে। ডানকুনির লজিস্টিক হাব সহ হুগলী শিল্পাঞ্চলে যে কাজের সুযোগ তৈরী হচ্ছে, সেখানে বাঙালির কাজ চাই। বাংলা পক্ষ আজ ঐতিহাসিক মিছিল করল। এই মিছিল দেখে হুগলীর বাঙালি তথা বাংলার বাঙালি বুকে বল পাবে। বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিচ্ছে গঙ্গার দুপারে বহিরাগতদের রাজত্ব শেষ হওয়া সময়ের অপেক্ষা।সংগঠনের শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন রিষড়া, ভদ্রেশ্বর, চাঁপদানী বিহার না বাংলা বোঝা যায় না, বেশীর ভাগ কাউন্সিলার বহিরাগত, চারদিকে সিং গজিয়ে উঠছে। যে সিং বাঙালিকে গোঁতাতে আসবে আমরা তা ভোঁতা করে দেব। বাংলার চাকরি, কাজ, বাজার, পুঁজি সবকিছুর দখল আমরা চাই।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা হুগলী জেলার ভূমি সন্তান মনন মণ্ডল বলেন, ব্যান্ডেল থেকে উত্তরপাড়া হুগলীর দুপাড়ে বাঙালি কোনঠাসা হয়ে গেছিল। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে বাঙালি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে৷ ৩০ বছরের কম বয়সী ছেলেমেয়েরা মিছিলে হাঁটছে৷ এটা আগামীর স্বপ্ন দেখায়।হুগলী জেলা সংগঠনের সম্পাদক দর্পণ ঘোষ বলেন এই মিছিলে বাঙালির মনে যে আলোড়ন তৈরী হল, তা ঘরে ঘরে বাঙালিকে জাগিয়ে তুলবে। বাঙালি নিজের অধিকার বুঝে নেবে। কারখানায় কাজ থেকে অটো, টোটো লাইন থেকে ফুটপাথ- সর্বত্রই আমরা বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। যে স্বপ্ন আমরা ৫ বছর আগে দেখেছিলাম, জিটি রোডের উপর বাঙালির গর্জন বুঝিয়ে দিচ্ছে বাঙালি দ্রুত জাগছে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে কটু মন্তব্যের প্রতিবাদে এবার গান বেঁধে রাস্তায় নামলেন বাউল স্বপন দত্ত

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে কটু মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এবারে গান বেঁধে রাস্তায় নামলেন বাউল স্বপন দত্ত। আজ সকাল থেকে মন্ত্রী অখিল গিরির ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবি জানিয়ে নিজের গান গেয়ে বেড়ান স্বপন। তার কথায়; রাষ্ট্রপতি একজন সম্মানজনক মানুষ। তাকে অসম্মান দেশকে অসম্মান। তাই আর থাকতে না পেরে পথে নেমেছেন তিনি।যে কোন মহিলার অসম্মানে তিনি সরব হয়ে থাকেন।স্বপন দত্ত একজন লোকশিল্পী। বিভিন্ন ফর্মে তিনি নানা শিল্পের সাথে যুক্ত। পেয়েছেন অনেক সম্মান। রাষ্ট্রপতি ও মুখ্যমন্ত্রী সহ অনেকের প্রশংসা পেয়েছেন। এর আগেও নানা বিষয়ে গান বেঁধেছেন স্বপন।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে বিক্ষোভ ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল সহ চারটি আদিবাসী সংগঠনের

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদীর মুর্মূ কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে হাতে তীর ধনুক, তরোয়াল নিয়ে বিক্ষোভ দেখাল ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল সহ চারটি আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা। সাত দিনের মধ্যে কারামন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পশ্চিমবঙ্গ অচল করে দেওয়ার হুমকি।সোমবার বর্ধমান স্টেশন চত্ত্বর থেকে মিছিল সহকারে আন্দোলনকারীরা কার্জনগেট চত্ত্বরে আসে। রাস্তায় বসে সেখানে চলে বিক্ষোভ। তাদের দাবি অবিলম্বে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরিকে পদত্যাগ করতে হবে। এই বিক্ষোভ স্থল থেকে আন্দোলনকারীরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান, কারামন্ত্রীকে দ্রুত গেফতার করার। কারা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পশ্চিমবঙ্গ অচল করে দেওয়া হবে হুমকি দেন আন্দোলনকারীরা। গ্রেফতারের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে তারা। রয়েছে সাত দিনের মধ্যে গ্রেফতার করার হুঁশিয়ারি। এই আন্দোলনে ভারত জাকাত মাঝি পরগণা মহল ছাড়াও উপস্থিত ছিল আসেকা পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি, বর্ধমান জেলা জাহেরের সদস্যরা। বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারীরা জেলা শাসকের কাছে ডেপুটেশন জমা দেয়। এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেকারণে যথেষ্ট পরিমানে পুলিশ মোতায়েন ছিল কার্জনগেট চত্ত্বরে।

নভেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় শ্রমআইন পরিবর্তনের প্রতিবাদ জানিয়ে বর্ধমানে আইএনটিটিইউসি-র প্রতিবাদ সভা

কেন্দ্রীয় সরকার পুরোনো ৪৪ টি শ্রম আইন বদলে দিয়েছে। নতুন শ্রম আইনে যদি ৩০০ জন পর্যন্ত শ্রমিক কাজ তাহলে তাদের যখন খুশি ছাঁটাই করে দেওয়া যাবে। তারা কোর্টে যেতে পারবে না, তারা শ্রম দপ্তরে ডিসপুট দিতে পারবে না। কত টাকা মাইনে মালিক দেবে, কতক্ষণ কাজ করবেন সবটাই মালিক ঠিক করবে। এই আইনের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে বলে জানালেন রাজ্যের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক।রবিবার পূর্ব বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসির এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে এসে এভাবেই কেন্দ্রীয় শ্রম আইনের বিরোধিতা করেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক। রান্নার গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল সহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বর্ধমান স্টেশন চত্ত্বরে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে জেলা আইএনটিটিইউসি। মলয় ঘটক ছাড়াও এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য আইএনটিটিইউসি সভাপতি ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, বিধায়ক অলোক মাঝি, বিডিএ চেয়ারপার্সন কাকলি গুপ্ত তা সহ একাধিক বিধায়ক ও তৃণমূল কংগ্রেসের শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নেয়। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার শ্রমিকদের ৮ ঘন্টা কাজের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ৮ ঘন্টার পরিবর্তে শ্রমিকদের ১২ ঘন্টা করে কাজ করানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস সর্বশক্তি দিয়ে এটা প্রতিহত করবে। পাশাপাশি আইএনটিটিইউসি র গোষ্ঠীদ্বন্ধ নিয়েও সরব হন তিনি। এক জায়গায় একাধিক শ্রমিক সংগঠন করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে ঋতব্রত বলেন সবটাই নিয়ম মেনে করতে হবে। জেলা সভাপতির কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে রাজ্যে পাঠাতে হবে। নিয়মিত রিটার্ন দিতে হবে। জেলা সভাপতির অনুমতি মত সংগঠন তৈরি করতে হবে। যেখানে সেখানে ব্যাঙের ছাতার মত সংগঠন অফিস করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন রাজ্য সভাপতি।

নভেম্বর ০৬, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
কলকাতা

হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর মহামিছিল কলকাতায়, আত্মসমর্পণ নয়

হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপির দ্বারা কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরির পরীক্ষা, শিক্ষাদান, তথ্য আদান-প্রদান ইত্যাদি সমস্ত ক্ষেত্রে ইংরেজি সরিয়ে হিন্দি বাধ্যতামূলক করা, হিন্দি না জানার কারণে ভারতীয় নাগরিককে শাস্তি দেওয়া, অহিন্দি জাতির অর্থ ও সম্পদ লুঠ করে সেই টাকায় ভারতে এবং ভারতের বাইরে রাষ্ট্রপুঞ্জে হিন্দি চাপানোর মাধ্যমে বাঙালী এবং সকল অহিন্দি জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে স্থায়ীভাবে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের দাস বানানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ ১২ই অক্টোবর, ২০২২ বুধবার এক বিশাল মিছিল ও পথসভা করে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে শয়ে শয়ে বাঙালি এই মিছিলে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে গর্জন তোলে। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য মনন মন্ডল, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, সোয়েব আমিন। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, উত্তর চব্বিশ গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনার শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায় প্রমুখ।ভারতের প্রতিটি বাঙালির মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে বাংলা পক্ষ কলকাতায় এই মহামিছিল ও পথসভার আয়োজন করল। বাংলা পক্ষর সহযোদ্ধারা ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার বাঙালি রবীন্দ্র সদন থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে মিছিল যোগ দেয়। মিছিল শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখেন নেতৃত্ব। এই মিছিলে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদকে ধিক্কার জানানো প্ল্যাকার্ড যেমন ছিল, তেমনই ছিল বাঙালি জাতির অভিভাবক চিত্তরঞ্জন দাশ, বাংলার প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র, তামিল সহ সকল অহিন্দি জাতির নায়ক তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আন্নাদুরাই, মহান কন্নড় জাতীয়তাবাদী কবি কুভেম্পুর অমর উক্তি সম্বলিত প্ল্যাকার্ডও। আগামী ১৬ই অক্টোবর বাংলা পক্ষ বাংলার প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন,দিল্লি যদি ভেবে থাকে যে বাঙালি হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে দেবে, আত্মসমর্পণ করবে তাহলে তারা ভুল ভাবছে। আমরা সমস্ত ভাষার সমান অধিকার চাই। বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী শহীদরা নিজেদের পরবর্তী প্রজন্মকে হিন্দির দাস বানানোর জন্য ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণ দেননি। বাংলার পবিত্র মাটি থেকে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের সমস্ত চিহ্ন মুছে দেবে বাঙালি। সকল শিরদাঁড়া সোজা অহিন্দি মানুষ এই লড়াইয়ে বাংলা পক্ষর সাথে আছে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ভারতের ঐক্য ধ্বংস করতে চায়। আমরা যে কোনও মূল্যে ভারতের ঐক্য রক্ষা করব। বিজেপি এবং দিল্লি যেন আগুন নিয়ে খেলা না করে। বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, এই বৃষ্টির মধ্যে বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিল, বাঙালির মাটিতে হিন্দি চাপালে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই হবে। বাঙালীর ওপর হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে, বাঙালিকে নিজ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষ শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে। সকল বাঙালীকে দল-মত ভুলে বাঙালি হিসেবে জোট বাঁধার আহ্বান জানাই। আমরা এ লড়াই জিতবো। বাঙালির রক্তে স্বাধীন ভারতে আমাদের অধিকার আমরা ছিনিয়ে নেবই।সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, কবি জয় গোস্বামী, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকারের মত বাঙালি বিদ্বজ্জনেরা বাংলা পক্ষর এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন। জয় গোস্বামী বলেন, আমি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এই মিছিলে উপস্থিত থাকতে না পারলেও আমি এই প্রতিবাদকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। পবিত্র সরকার জানান, এইভাবে হিন্দির একাধিপত্য কায়েমের চেষ্টা ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরোধী।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি না পাওয়ায় জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসে বিক্ষোভ ঠিকাশ্রমিক সংগঠনের

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি দিচ্ছেনা এজেন্সি। অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য টাকা তাদের ফেরত দিতে হবে।এই দাবীতে জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল পূবর্ব বর্ধমান জেলা স্কাভেনজার্স সিকিউরিটি ও ঠিকাশ্রমিক সংগঠন। তাদের আরও অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এই এজেন্সি। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এই এজেন্সি ৮.৩৩ শতাংশ হারে বোনাস তুললেও তাদের নির্ধারিত হারে বোনাস দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ।এই অভিযোগের দ্রুত নিস্পত্তি চেয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাল সংগঠনের সদস্যরা। দ্রত তাদের সমস্যার সমাধান না হলে তারা আরও বৃহৎ আন্দোলনে সামিল হবেন বলে জানিয়েছেন। বিক্ষোভ শেষে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

হিলি এক্সপোর্ট অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ ট্রাক মালিকদের

লোকাল গাড়িকে গুরুত্ব কম দিয়ে বাইরের গাড়ি কে আগে এক্সপোর্ট করানোর অভিযোগে গতকাল হিলি থানায় জমায়েত হয়েছিল ট্রাক মালিকরা। আজ আবার তারা হিলি এক্সপ্রোট এসোসিয়েশন অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।, পাশাপাশি ভাড়াও কম দেওয়া হচ্ছে তাদের, অতি শীঘ্র তাদের দাবি না মেনে নিলে এক্সপোর্ট বন্ধ করার হুমকি দেন তারা, এই প্রসঙ্গে হিলি ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সন্দীপ দত্ত আমাদের কি জানিয়েছে তা শুনে নেবো তার কাছ থেকে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

নদীয়া'য় বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে রাস্তায় নামল বাংলা পক্ষ

হরিণঘাটার ফ্লিপকার্ট, কল্যানীর AIIMS, কল্যানী শিল্পাঞ্চল, কাঁচরাপাড়ার রেলের ফ্যাক্টরিতে বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে নদীয়ার কল্যানীতে মিছিল করল বাংলা পক্ষ। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বিহার-ইউপি-ঝাড়খন্ড থেকে এসে কেন বহিরাগতরা চাকরি, কাজ ও ব্যবসা সব দখল করবে? এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষর নদীয়া জেলা শাখার উদ্যোগে মিছিল হল। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, নদীয়া জেলার পর্যবেক্ষক রজত সেন, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, নদীয়ার সম্পাদক কৌশিক বর্মন, মধুসূদন ঘোষ, পিন্টু বণিক, প্রদীপ কর প্রমুখ। মিছিল শেষে গয়েশপুরে একটি পথসভাও হয়। পথসভায় বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাঙালির প্রহরী হিসাবে চিল ও বাজপাখির মতো উপর থেকে সব নজর রাখছে। বাংলা পক্ষ বাঙালির স্বার্থ রক্ষা করছে। বাঙালি বাঘের জাতি, তাই এই শিল্পাঞ্চলকে বিহার বানাতে দেবে না বাংলা পক্ষ। আমাদের ছেলেমেয়েরা মাথা উঁচু করে চাকরি, ব্যবসা ও কাজ করবে। ধানের গোলা থেকে রাইস মিল থেকে সমস্ত ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজ চাই।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, বাঙালি ছেলেমেয়েরা মূলত বাংলা মাধ্যমের ছেলেমেয়েরা যাতে নিজের মাতৃভাষার কেন্দ্র সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য বাংলা পক্ষ লড়াই করছে। বাংলার সমস্ত রাজ্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় লিখিত বাংলা পেপার বাধ্যতামূলক করবেই বাংলা পক্ষ। অনেক পরীক্ষায় ইতিমধ্যেই আমরা সাফল্য পেয়েছি। ফ্লিপকার্ট, এইএমস সহ সব জায়গায় ৮৬% বাঙালিকে কাজ না দিলে বাংলা পক্ষ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা, উৎপাদন ব্যাহত

শ্রমিক হরতাল, কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে সামিল শ্রমিক পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শনিবার কাজ বন্ধ রেখে গলসির ভাসাপুলের রাধেশ্যাম এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ গেটে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা। ঘটনার জেরে কারখানার গেটে আটকে যায় মালবাহী বেশ কয়েকটি ট্রাক। আন্দোলনকারী শ্রমিক নুরনবী মল্লিক, কাজী বদরে আলম, সেখ আজাদরা বলেন, তাদের বেশ কয়েক মাসের ছুটির টাকা দিচ্ছেন না কারখানা কর্তৃপক্ষ। লেবার সর্দারও আশা দিয়ে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টি লিখিত ভাবে জানতে বলে। সেই নিয়ে তারা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে আবেদনও করেন। তারপরও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন হরতাল করে মিলের গেটে বসে পড়েন কয়েকশো শ্রমিক। তাদের প্রাপ্তির দাবীতে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কারখানায় কমবেশি চারশো জন শ্রমিক কাজ করেন। তারা টানাই, কাটাই, মুটিয়া, ডেলি লেবার ও বয়লারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত। কিছুদিন আগে ভয়াবহ আগুন লাগায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে ওই কারখানায়। বর্তমানে ভিতরে মজুত থাকা ও নষ্ট হওয়া ব্রান বিক্রি করছে কর্তৃপক্ষ। এখন সেইসব কাজই তারা করছেন। এদিনের আন্দোলনের জেরে তাও একরকম বন্ধ হয়ে যায়। এই বিষয়ে কারখানার এক কর্তা জানান, গোটা কারখানার মজুতঘর পুড়ে যাবার পর তারা বীমার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সেইভাবে সময় দিতে পারছেন না। তারা ওই বিষয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কারখানার লেবার সর্দার মোনজ যাদব বলেন, তিনি বেতন দিচ্ছেন না এমনটি নয়। তাঁরর দাবী, কারখানার সাথে শ্রমিকদের চুক্তি ভিত্তিক কাজ করান তিনি। সেই চুক্তিতে শ্রমিক প্রতিনিধিও আছেন। বর্তমানে কারখানা থেকে টাকা না পাওয়ার জন্য তিনি শ্রমিকদের ছুটির বেতন দিতে পারেননি। কারখানা থেকে টাকা পেলেই সব মিটিয়ে দেবেন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

বঙ্গীয় হকার সংগঠন রেল পুলিসের অত্যা চার নিয়ে আন্দোলনের হুমকি

শক্তিগড় রেলস্টেশনে জোরদার আন্দোলনে রেল হকাররা। তাদের দাবি আরপিএফ স্বেচ্ছাচারিতা করছে। দমন পীড়ন চালিয়ে টাকা আদায় করছে। এর বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।বঙ্গীয় হকার সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হোসেন মল্লিক জানান, এক মাস আগে রসুলপুর থেকে এক হকারকে তুলে আনা হয়। তার কাছে নিয়মিতভাবে আরপিএফকে টাকা দেবার দাবি করা হয়। অস্বীকার করলে ডাকাতি ও মহিলা কামরায় ওঠা সহ নানা কেস দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে তারা ডেপুটেশন দিতে এলে একটা মীমাংসা হয় জিআরপির উপস্থিতিতে। কিন্তু তারপরও নাদিমবাবুর নামে একটি শমন জারি করা হয়। রেল পুলিসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই বিক্ষোভ বলে তাঁরা জানান।তারা দাবী, রাষ্ট্র আমাদের স্থায়ী কাজ দিতে পারেনি। চুরি, আসৎ উপায় অবলম্বন না করে ট্রেনে ট্রেনে ফেরি করি। এই কাজে বাধা দিতে গেলে জোর লড়াই হবে বলে তাঁরা হুঙ্কার ছাড়েন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অভুতপুর্ব সাড়া

রবিবার শিলিগুড়ির জলপাই মোড় থেকে শুরু করে পানিটাঙ্কি মোড় অবধি এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ জানাই বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই মহা মিছিলের আয়োজন। এই মিছিলে বাংলা পক্ষর বিভিন্ন জেলার সদস্যরা যোগ দেন। বাংলা পক্ষ-র তরফে তাঁদের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, প্রায় এক হাজারেরও বেশি সহযোদ্ধা এই মিছিলে পা মেলান। তিনি আরও জানান, এই মহামিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত এবং এই দীর্ঘ মিছিলে রাস্তার দুইপাশে উৎসুক বাঙালিদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বাঙ্গালী ও বাংলা প্রেমী মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে যোগ দেন।মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দোপাধ্যায়, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষ শিলিগুড়ি জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়, বাংলা পক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক অভিষেক মিত্র মজুমদার, বাংলা পক্ষর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ , বাংলা পক্ষর কোচবিহার নেতৃত্ব প্রশান্ত নাথ ও হাশিফুল হোসেন, প্রমুখ।মিছিল থেকে তাঁরা দাবী তোলেন- বাংলা ভাগ হবেনা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে দুটি এইমস-র (AIIMS) দাবী তোলেন। তাঁরা বলেন, যেখানে বিহারে দুটো এইমস হতে পারে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে একটি কেন? তাঁদের দাবী জলপাইগুড়ি অথবা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় এইমস। এছাড়াও তারা বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের রেল ব্যবস্থার উন্নতি-র দাবী করে আসছেন। কয়েকদিন আগেই এর প্রতিবাদে জন্য শিয়ালদহ তে ডিআরএম অফিসে ধর্না দেন। তাঁদের দাবী এনজেপিকে হাব করে কোচবিহার ও মালদা অবধি বিস্তৃত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক চালু করা হয়।তাঁরা বেআইনী অনুপ্রবেশের বিরিদ্ধেও সরব হয়েছেন। তাঁরা অনুপ্রবেশ রুখতে নেপাল সীমান্ত সিল করার আবেদন জানান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং সেখানে সশস্ত্র সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন করার দাবী তোলেন।

জুলাই ০৩, ২০২২
রাজ্য

অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভে হাজির হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া

এ যেন একেবারেই উলোট পূরাণ। কোভিড অতিমারির প্রভাব কেটে গেলেও অফলাইনে পরীক্ষা দিতে নারাজ কলেজ পড়ুয়ারা। তাঁরা সরব হয়েছে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার দাবীতে। এমনকি দাবি আদায়ের জন্যে হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে জমায়েত করে বিক্ষোভও দেখায়। যদিও পড়ুয়াদের এই দাবির বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন তা তাঁদের কথাতেই পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যে সমস্ত কলেজ আছে সেইসব কলেজের ছাত্রছাত্রীরাই এদিন অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কাটোয়া কলেজের ছাত্র কিরণময় ভট্টাচার্য বলেন, কোভিড কাল থেকে এতদিন অনলাইনে ক্লাস হয়েছে। প্র্যাকটিক্যাল ঠিকমতন হয়নি। এই সময় যদি ইউনিভার্সিটি বলে যে সমস্ত পরীক্ষা অফলাইন হবে তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই তাঁরা অফলাইনের পরিবর্তে অনলাইন পরীক্ষা নেওয়ার দাবী করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যতক্ষণ না পর্যন্ত এই দাবী মেনে নিচ্ছে ততক্ষণ বিক্ষোভ চলবে বলে জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। গুসকরা মহাবিদ্যালয়ের পড়ুয়া চৈতালী দত্ত বলেন, এখন অফলাইনে পরীক্ষা নিলে তাঁরা সমস্যায় পড়বেন। তাই তাঁরা চাইছেন ক্লাস যেহেতু অনলাইনে হয়েছে, সেই কারণে পরীক্ষাও হোক অনলাইনে। একই দাবীতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকেও ইতিপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।অন লাইন পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভযদিও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা স্পষ্ট জানিয়েদেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়ে দিয়েছে। এখনো ওই সিদ্ধান্ত বহাল আছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ৬৩ টি কলেজে ৩৫ হাজার পড়ুয়া আছে বলেও উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন।

মে ১৭, ২০২২
রাজ্য

নয়া কমিটি গঠনেও অস্বস্তি ত্রিপুরা তৃণমূলে, পৃথক বৈঠক কোর কমিটির সদস্যর

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া রাজ্য কমিটি গঠন করার পরও দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটেনি। বরং কোর কমিটির অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। প্রথম রাজ্য কমিটির বৈঠকেও অনেকে গড়হাজির ছিলেন। সূত্রের খবর, কমিটি গঠনের পরের দিনই রবীন্দ্রপল্লীতে কোর কমিটির সদস্য আশিস দাসের বাড়িতে তৃণমূলের একাংশ বৈঠকে বসে। সেখানে হাজির ২৫ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন এক্সিকিউটিভ সদস্য ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস।আশিস দাসের বাড়ির বৈঠকে পায়ের দিকের তোলা ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। হঠাৎ পায়ের ছবি কেন? রাজনৈতিক মহলের মতে, তাহলে কী নতুন কোনও দলের যাত্রা শুরু হতে চলেছে ত্রিপুরায়। কারণ, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ কর্তাকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার নিজের ক্ষোভ সোশাল মিডিয়ায় উগরে দিয়েছিলেন বিজেপির এই প্রাক্তন বিধায়ক। কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। বিজেপি ছেড়ে আসার পর টানা চার মাস তিনি প্রায় বসেছিলেন। দলও তাঁকে কোনও গুরুত্ব দেয়নি বলেই তাঁর দাবি। ওই নেতৃত্ব দ্বারা ত্রিপুরায় পরিবর্তন আসবে না বলেই আশিসবাবু ঘনিষ্ঠ মহলে মন্তব্য করেছেন। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে ওই নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বনিবনা হওয়া খুবই শক্ত। সেক্ষেত্রে দলের বাইরে পৃথক ভাবে নিজের বাসভবনে বৈঠক করা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে একাংশের বক্তব্য, এই বৈঠক করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন আশিস দাস।নব গঠিত রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠকএদিকে আরেক কোর কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিংকেও ত্রিপুরা তৃণমূলের কোনও বৈঠকে দেখা যাচ্ছে না। শারীরিক ভাবে অসুস্থতার কারণেই তিনি আসতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর যথেষ্ট সদ্ভাব রয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, এমনকী ওই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আশিসলাল সিংয়ের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এদিকে তৃণমূলের নয়া রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন এমন খবর তিনি জানেন না। প্রয়োজনে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে নেবেন তিনি।তৃতীয়বার বঙ্গ বিজয়ের পর ত্রিপুরায় হানা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের গোষ্ঠীকলহ নিয়ন্ত্রণে না আনতে আদপে ফায়দা হবে বিজেপির। যে ভাবে দলকে না জানিয়ে পৃথক বৈঠক করছেন কোর কমিটির সদস্য, আরেক কোর কমিটির সদস্য অন্য দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। সেক্ষেত্রে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ না করলে অনেকটা দেরি হয়ে যাবে। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে সেই গোয়ার ফলফালের রিপিট যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৪, ২০২২
দেশ

ত্রিপুরা তৃণমূলে অশনি সংকেত, বিক্ষুব্ধরা কি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন ভিন রাজ্যে তাঁরা শুধু লড়াই করতে যাবেন না, ক্ষমতা দখল করাই তাঁদের লক্ষ্য। ইতিমধ্যে গোয়া বিধানসভায় নির্বাচন হয়েছে। মহুয়া মৈত্রের মতো লোকসভায় ভাষন দিয়ে তোলপাড় করা নেত্রীসহ অনেকের উপরই গুরুদায়িত্ব ছিল গোয়াতে। প্রার্থীও দিয়েছিল তৃণমূল। একটিও আসন জোটেনি ঘাসফুল শিবিরের। সূত্রের খবর, এবার পরশি রাজ্য ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিস্তারে বড়সড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। ৬ এপ্রিল ত্রিপুরায় দলের মহামিছিলে কারা পা মেলাবেন তাতেও সংশয় রয়েছে।বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরাতে তৃণমূল অনেক বছর আগেই অভিযান শুরু করেছিল। তবে ২০২১-এ বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্যের পর ফের ত্রিপুরা অভিযান শুরু করে ঘাসফুল শিবির। এরাজ্য থেকে দলে দলে নেতৃত্বস্থানীয়রা ত্রিপুরায় যাতায়াত শুরু করে। পুরসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ফসল একজন মাত্র কাউন্সিলরের জয়। সেই জয়ী সুমন পালও বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, ত্রিপুরা তৃণমূলের বড় অংশই এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে। ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আশিসলাল সিং দীর্ঘ কয়েক মাস দলীয় সংগঠনের সংস্পর্শেই ছিলেন না। তাঁর সঙ্গে কেউ যোগাযোগও করতে পারেননি। বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস মাথা ন্যাড়া করে তৃণমূলে যোগ দেন। হইচই পড়ে যায় ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। সেই আশিস দাসও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাজকর্মে চরম ক্ষুব্ধ। তাঁর ক্ষোভের প্রকাশ তিনি ফেসবুকেও স্পষ্ট লিখেছেন। এবার প্রশ্ন হল তৃণমূলের ওই অংশ কী তাহলে দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করতে চলেছেন? সারা ত্রিপুরায় এমন জল্পনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।দীর্ঘ দিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন আশিসলাল সিং। পুরভোটের সময় বিজেপি তাঁর ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। তারপর তিনি দিল্লির দুটি নার্সিংহোমে দীর্ঘ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিছু দিন ছিলেন বিদেশেও। তিনি অন্তরালে চলে যান। দলের সঙ্গে কেন তিনি দীর্ঘ সময় যোগাযোগ রাখেননি? তাহলে তিনিও কী দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যকলাপ মেনে নিতে পারছেন না? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্দরমহলে। ত্রিপুরা তৃণমূলে কান পাতলেই শোনা যাবে দলের বর্তমান রাজ্য নেতৃত্বকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। সব থেকে বড় প্রশ্ন, এভাবেই যদি পরশি রাজ্যে সংগঠন চলতে থাকে তাহলে দলের বিক্ষুব্ধ অংশ কী নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নেবে?রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৩-এ ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচন। সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না দলের বড় অংশ। সেক্ষেত্রে বড়সড় দলবদলের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তবে তাঁরা কোন দলে যাবেন তা-ও চর্চার বিষয়। বিজেপিতে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণই। সিপিএম-কংগ্রেসে যোগ দেওয়াতেও সমস্যা রয়েছে। যদিও রাজনীতিতে কিছুই অসম্ভব নয়। তবে তিপ্রা মথা এই মুহূর্তে সেখানে উদীয়মান শক্তি। তাহলে কী ওই সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূলের একাংশ? তা নিয়েও জোরদার জল্পনা চলছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মাদক, তেল না কি রাজনীতি? মাদুরো আটক ঘিরে বিশ্ব রাজনীতিতে ঝড়

এক সময় বাস চালাতেন। সেখান থেকেই দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের শুরু। ধাপে ধাপে ক্ষমতার শিখরে উঠে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন নিকোলাস মাদুরো। সেই মাদুরোকেই শনিবার আটক করেছে মার্কিন সেনা। তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। কিন্তু কী ভাবে বাসচালক থেকে রাষ্ট্রপতি হলেন মাদুরো? আর কেনই বা তাঁর উপর এতটাই ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প?১৯৬২ সালের ২৩ নভেম্বর ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে জন্ম নেন নিকোলাস মাদুরো। তাঁর বাবা ছিলেন একজন শ্রমিক নেতা। স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মাদুরোর। ছাত্র সংঘের সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমেই তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু। ১৯৮৬ সালে আদর্শগত শিক্ষা নিতে তিনি কিউবায় যান। কয়েক বছর সেখানে কাটানোর পর দেশে ফেরেন। সেই সময় থেকেই কিউবান সরকারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।ভেনেজুয়েলায় ফিরে এসে মাদুরো কাজ শুরু করেন কারাকাসের মেট্রো ব্যবস্থায় বাসচালক হিসেবে। সেখানেই শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে ইউনিয়ন নেতা হয়ে ওঠেন। নব্বইয়ের দশকে ভেনেজুয়েলার গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁকে বামপন্থী কট্টর নেতা হিসেবে চিহ্নিত করে।১৯৯২ সালে সেনা অফিসার হুগো চাভেজ সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটাতে গিয়ে ব্যর্থ হন এবং জেলে যান। ১৯৯৪ সালে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পান চাভেজ। এরপর রাজনীতিতে ফিরে এসে তিনি একটি শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তোলেন। সেই আন্দোলনেই যোগ দেন মাদুরো। বাসচালকের চাকরি ছেড়ে তিনি পুরোপুরি রাজনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। অল্প সময়েই হুগো চাভেজের ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত সহযোগী হয়ে ওঠেন মাদুরো।১৯৯৯ সালে চাভেজ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন। তাঁর সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন মাদুরো। ২০০৬ সালে তিনি বিদেশমন্ত্রী নিযুক্ত হন। সেই সময় তাঁকে চাভেজের ডান হাত হিসেবেই দেখা হত। ২০১৩ সালে চাভেজের মৃত্যুর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন নিকোলাস মাদুরো।কিন্তু মাদুরোর শাসনকালেই দেশ ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। মুদ্রাস্ফীতি আকাশছোঁয়া হয়। খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি দেখা দেয়। দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। লক্ষ লক্ষ মানুষ দারিদ্র্যের কবলে পড়ে। প্রায় ৭৭ লক্ষ ভেনেজুয়েলাবাসী দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেয় মাদুরো সরকার।অভিযোগ ওঠে, সরকারের সমালোচনা করলেই মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিরোধীদের জেলে ভরা হচ্ছে এবং বন্দিদের উপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। দেশের ভিতরে ও বাইরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন মাদুরো। আন্তর্জাতিক মহল ভেনেজুয়েলার উপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপায়।২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন। তখন থেকেই মাদুরোর সঙ্গে তাঁর সংঘাত শুরু। ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার উপর কড়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আমেরিকার অভিযোগ, নির্বাচনে কারচুপি করে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন মাদুরো। পাশাপাশি, মাদক পাচার চক্র চালানো এবং অবৈধ অভিবাসন বাড়ানোর অভিযোগও তোলে ট্রাম্প সরকার। ট্রাম্পের দাবি, মাদুরো ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন।আমেরিকার বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই মাদুরো সরকারের পতন জরুরি হয়ে উঠেছিল। সেই কারণেই গত কয়েক মাস ধরে ভেনেজুয়েলার উপকূলে একাধিক নৌযানে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। আমেরিকার দাবি, ওই নৌযানগুলি মাদক পাচারে যুক্ত ছিল। যদিও মাদুরো সরকারের দাবি, ওই হামলায় বহু নিরীহ মৎস্যজীবীর প্রাণ গিয়েছে।এর মধ্যেই ভেনেজুয়েলার তেলবাহী ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করে মার্কিন নৌবাহিনী। মাদুরোর অভিযোগ, আসলে ভেনেজুয়েলার বিপুল তেল সম্পদের উপর নজর রয়েছে আমেরিকার। শেষ পর্যন্ত মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসের মামলা দায়ের করে তাঁকে নিউ ইয়র্কে আটক করা হয়েছে। সেখানেই ফেডারাল আদালতে তাঁর বিচার হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ডোমিসাইল বাতিলের অভিযোগ! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সংঘাত রাজ্য-কমিশনের

ডোমিসাইল বা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বাতিল করা হচ্ছে এই অভিযোগে চরম হয়রানির মুখে পড়ছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। রাজ্য সরকারের দাবি, অনানুষ্ঠানিক ভাবে জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট আর ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত নির্দেশ বা আইনি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ ভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। রাজ্যের আপত্তি না মানা হলে এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগেও গত নভেম্বর মাসে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা। সেই চিঠিতে এসআইআর-এর প্রথম ধাপে চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর এবং বাংলা সহায়ক কেন্দ্রের কর্মীদের ব্যবহার না করার কমিশনের নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।রাজ্যের অভিযোগ, কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদেরও শুনানির জন্য সশরীরে হাজির হতে বাধ্য করা হচ্ছে। অথচ জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী তাঁরা ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সম্পূর্ণ যোগ্য। এই সিদ্ধান্তের ফলে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক চরম অসুবিধা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠায় কলকাতা পুরসভায় এই শংসাপত্রের জন্য আবেদন হঠাৎ বেড়ে যায়। পুরসভার সদর দফতর ও বিভিন্ন বরো অফিসে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৮০টি করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদন জমা পড়ছে। সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতর থেকে কলকাতার সমস্ত কাউন্সিলরের কাছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকাও পাঠানো হয়।এই প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জেলায় ক্ষোভ বাড়ছে। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের কালনায় অভিযোগ ওঠে, পৌরসভার একটি ওয়ার্ডের ৩২ জন ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হলেও তাঁদের কাছে থাকা পুরনো বাড়ির দলিল মানা হয়নি। নতুন করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট চাওয়া হয়। অথচ সেই শংসাপত্রই এখন বাতিল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, শুনানির কারণ না জানিয়েই ভোটারদের ডাকা হচ্ছে। প্রবীণ, অসুস্থ ও শারীরিক ভাবে অক্ষম মানুষকেও ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে গিয়ে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকী ভিন রাজ্যে কর্মরত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরও ব্যক্তিগত ভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বানান বা বয়স সংক্রান্ত সামান্য ভুলের জন্যও নতুন করে নথি যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা কার্যত অসম্ভব। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত তালিকা উপেক্ষা করে অভিজ্ঞতাহীন কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের মাইক্রো অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের নির্ধারিত ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ। এই ত্রুটিগুলি অবিলম্বে সংশোধন না হলে সম্পূর্ণ এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহের বৈঠকের পরেই কি চুপ দিলীপ? জল্পনা তুঙ্গে

খড়গপুরে চা-চক্রে বসে সাংবাদিকদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ আর সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্যামেরায় কথা বলবেন না। প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতির এই ঘোষণার পরই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন দিলীপ, তা নিয়েই ঘোরাফেরা করছে প্রশ্ন ।বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন দিলীপ ঘোষ। তার পরদিনই রাম মন্দির প্রসঙ্গে তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক। বৃহস্পতিবার দিলীপ বলেন, মন্দির-মসজিদ ইস্যু ভোটের ফলাফলে তেমন প্রভাব ফেলে না। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি অযোধ্যার রাম মন্দির এবং বাংলার মন্দির প্রসঙ্গ টানেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফৈজাবাদ আসনে বিজেপির হার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় মন্দির তৈরি করলেই যে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত, এমন ভাবা ভুল।এই মন্তব্যের পরেই অস্বস্তিতে পড়ে রাজ্য বিজেপি। দলীয় সূত্রের দাবি, দিলীপের বক্তব্যে শীর্ষ নেতৃত্ব খুশি হয়নি। শুক্রবারই তাঁকে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। সূত্রের খবর, অমিত শাহের তরফে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছেও বার্তা যায় নেতাদের যেন অহেতুক মন্তব্য না করতে বলা হয়। এমনকী শাহ নিজেই বুঝিয়ে দেন, সমস্ত তথ্য তাঁর হাতেই রয়েছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, বুধবারের সেই বৈঠকে অমিত শাহ দলীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিলীপের মন্তব্য ভাল ভাবে নেননি শাহ, এমনটাই দাবি দলীয় সূত্রের। সেই কারণেই কি এবার পাকাপাকি ভাবে মুখ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন দিলীপ, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।শুক্রবার সল্টলেকের বিজেপি দফতরে ঢোকার সময় দিলীপ বলেছিলেন, যা বলার সকালে বলেছেন। যদিও তার পরেও শনিবার পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খড়গপুরে চা-চক্রে সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দেন, আর ক্যামেরার সামনে কথা বলবেন না। পরিস্থিতি বুঝেই কি আরও বিতর্ক এড়াতে এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে চাপানউতোর চলছেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
বিদেশ

অন্য দেশের প্রেসিডেন্ট বন্দি আমেরিকায়! আন্তর্জাতিক আইন ভাঙার অভিযোগ

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আমেরিকার ডেল্টা ফোর্স তুলে নিয়ে যাওয়ার পর রবিবার নিউ ইয়র্কের একটি জেলে আটক রাখা হয়েছে। শনিবার ভেনেজুয়েলায় এই অভিযান চালানো হয়। নতুন বছরের শুরুতে নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বামমনস্ক রাজনীতিক জোহরান মামদানি। তাঁর শহরের জেলেই মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আমেরিকার অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিউ ইয়র্কের দক্ষিণ অংশের একটি জেলে মাদুরো দম্পতিকে বন্দি রাখা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, মাদুরোর সরকার আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণে মাদক-সন্ত্রাস, অস্ত্র পাচার-সহ একাধিক ধারায় মাদুরো, তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে মোট ছজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদুরোকে অবৈধ শাসক বলে আখ্যা দিলেও আপাতত এই মামলার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তারির কথা জানানো হয়েছে। তবে অন্য দেশের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে আটক করার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিভিন্ন দেশ এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে দাবি করছে।এদিকে ভেনেজুয়েলায় জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুক্রবার মধ্যরাতে হামলার পরেও মার্কিন সেনা পুরোপুরি দেশ ছাড়েনি। মাঝে মাঝেই ভেনেজুয়েলার আকাশে মার্কিন সামরিক বিমান উড়তে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে আরও বড় কোনও সামরিক পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। কলোম্বিয়ার অনুরোধে এই বৈঠকের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য চিন এবং স্থায়ী সদস্য রাশিয়াও এই বৈঠকের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

টাকা তোলার অভিযোগ, পুলিশের পিছনে ধাওয়া! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তিন জনের

পিছনে পুলিশের গাড়ি দেখে আরও গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল লরি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই সামনে থাকা টোটোতে সজোরে ধাক্কা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল টোটোর তিন যাত্রীর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের নলহাটিতে, রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে রামপুরহাটের দিক থেকে নলহাটির দিকে যাচ্ছিল পেঁয়াজ বোঝাই একটি লরি। পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে নলহাটি থানার পুলিশ প্রহরারত ছিল। অভিযোগ, পুলিশ লরিটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে উল্টে আরও জোরে গাড়ি চালাতে শুরু করেন। পুলিশের একটি বাইক লরিটিকে ধাওয়া করে।পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে অতিরিক্ত গতিতে লরি চালাতে থাকেন চালক। ঠিক সেই সময় সামনে একটি টোটো চলছিল। টোটোতে চালক ছাড়াও আরও তিন জন যাত্রী ছিলেন। দ্রুতগতির লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থেকে আসা ওই টোটোতে ধাক্কা মারে। তীব্র ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় টোটোটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটোর তিন যাত্রীর।দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নলহাটি থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতদের দেহ জাতীয় সড়কের উপর রেখে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় পুলিশের একাংশ পণ্যবাহী লরি থামিয়ে টাকা তোলে। সেই ভয়েই অনেক সময় লরিচালকরা বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালান। আর তারই পরিণতি হল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
বিদেশ

১৯৮৯-এর পানামার পর ফের ইতিহাস! ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান

শনিবার ভেনেজুয়েলায় বড়সড় সামরিক হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের কথা স্বীকার করে জানান, এটি ছিল ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক সামরিক আক্রমণ। তাঁর দাবি, এই অভিযান মার্কিন আইনরক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই চালানো হয়েছে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর উপর চাপ বাড়াচ্ছিল ওয়াশিংটন। আমেরিকার অভিযোগ, মাদুরো সরকার মাদক পাচার চক্র এবং অপরাধী গোষ্ঠীগুলিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে, যার ফলে সেই অপরাধ আমেরিকার মাটিতেও ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার।এই হামলাকে লাতিন আমেরিকায় আমেরিকার প্রথম সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, ১৯৮৯ সালের পর। ওই বছর পানামায় সামরিক অভিযান চালিয়ে তৎকালীন শাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযান এখনও মার্কিন সামরিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ অপারেশন জাস্ট কজ নামে পানামায় সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মার্কিন সেনা অংশ নিয়েছিল। সরকারি হিসেবে, সেই অভিযানে ৫১৪ জন পানামার সেনা ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, মৃতের সংখ্যা হাজারের কাছাকাছি ছিল। আমেরিকারও ২৩ জন সেনা প্রাণ হারান।সেই সময় পানামার শাসক নরিয়েগা আশ্রয় নিয়েছিলেন ভ্যাটিকানের দূতাবাসে। তাঁকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে দূতাবাসের বাইরে জোরে জোরে রক গান বাজিয়েছিল মার্কিন সেনা। এই অভিনব কৌশল বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শেষ পর্যন্ত ১১ দিন পর নরিয়েগা আত্মসমর্পণ করেন এবং তাঁকে আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে মাদক পাচারসহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।এবার সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে কি না, তা নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে। ভেনেজুয়েলা নিয়ে আমেরিকার এই সামরিক পদক্ষেপ লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-এর পর সবচেয়ে বড় হামলার ছক? উত্তর ক্যারোলিনায় আইএসের পরিকল্পনা ফাঁস

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ধৃত যুবক ক্রিস্টিয়ান স্টারডিভ্যান্টের সঙ্গে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। বর্ষবরণের রাতে উত্তর ক্যারোলিনার একটি খাবারের দোকান এবং জনবহুল এলাকায় ছুরি নিয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল সে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পুলিশকর্মীদের উপরও হামলা চালানোর ছক ছিল অভিযুক্তের। এই গোটা ষড়যন্ত্রই ইসলামিক স্টেটের মদতে তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছে এফবিআই।শেষ মুহূর্তে এই ভয়ংকর নাশকতা বানচাল করে দেয় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এই ঘটনায় একটি বিবৃতি জারি করেছে তারা। এফবিআই প্রধান, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কাশ প্যাটেল জানান, বর্ষবরণের রাতে একটি সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা রোখা গিয়েছে এবং এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে ছিল ইসলামিক স্টেট।এফবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্রিস্টিয়ান নাবালক থাকাকালীন থেকেই সন্দেহের তালিকায় ছিল। সামাজিক মাধ্যমে একাধিকবার ইসলামিক স্টেটের প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছিল তাকে। সেই সূত্রেই ইউরোপের একাধিক আইএস হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে তার। তাদের প্ররোচনাতেই আমেরিকায় হামলার পরিকল্পনা করেছিল সে।তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একাধিক ধারাল অস্ত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে হাতে লেখা একটি নোট, যেখানে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল, নতুন বছরে হামলা ২০২৬। এই তথ্য সামনে আসার পর আরও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।৯/১১-এর পর আমেরিকাকে ফের রক্তাক্ত করার ছক কষেছিল ইসলামিক স্টেট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ভয়ংকর পরিকল্পনা ভেস্তে দেয় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ক্রিস্টিয়ান স্টারডিভ্যান্টকে এবং তদন্ত এখনও চলছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
বিদেশ

মাদুরো কি আমেরিকার হাতে বন্দি? ওয়াশিংটনের কাছে প্রমাণ চাইল ভেনেজুয়েলা

আশঙ্কাই সত্যি হল। শনিবার ভোররাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও এই দাবি এখনও পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকার করেনি।ভেনেজুয়েলার এক সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ জানিয়েছেন, মাদুরোকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনও তথ্য নেই। তিনি স্পষ্টভাবে ওয়াশিংটনের কাছে মাদুরো জীবিত আছেন কি না, তার প্রমাণ চেয়েছেন। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকার তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি।তবে মার্কিন সেনেটর মাইক লি জানিয়েছেন, এই বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। নিজের এক্স হ্যান্ডলে মাইক লি লেখেন, রুবিও তাঁকে জানিয়েছেন যে আমেরিকায় মাদুরোর বিরুদ্ধে চলা একাধিক ফৌজদারি মামলার বিচার প্রক্রিয়ার জন্য তাঁকে বন্দি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপছন্দের তালিকায় রয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন নয়। সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান এলাকায় বিপুল পরিমাণ মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়। তার পরই মাদুরো অভিযোগ করেন, আমেরিকা তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ শুরু করেছে এবং জোর করে দেশের শাসনব্যবস্থা বদলাতে চাইছে।গত মাসে ভেনেজুয়েলা ও সংলগ্ন এলাকার আকাশসীমা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় তেল ট্যাঙ্কার চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেলের ভাণ্ডার রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন হয় সেখানে।সম্প্রতি চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে মাদুরো সরকারের ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় হোয়াইট হাউসের অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়। এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে ভেনেজুয়েলার এক বন্দরে মার্কিন হামলার দাবি করে সিএনএন। অভিযোগ ছিল, ওই বন্দর ব্যবহার করে মাদক পাচার করা হচ্ছিল। সব মিলিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal