• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PM

দেশ

বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মোদি, অমিত শাহ, বিষণ্ণ রাষ্ট্রপতি

ভারতীয় সঙ্গীত জগতের নক্ষত্র-পতনে শোকস্তব্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিংবদন্তী গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিবেষ্টিত ছিল বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে।বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। টুইটারে নিজের মনের ভাব ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত ছিল পরিবেষ্টিত, সুন্দরভাবে বিভিন্ন আবেগ প্রকাশ করে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে। তাঁর প্রাণবন্ত স্বভাব সবাই মিস করবেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত, পরিবার ও ভক্তদের প্রতি সমবেদনা। ওম শান্তি।Shri Bappi Lahiri Jis music was all encompassing, beautifully expressing diverse emotions. People across generations could relate to his works. His lively nature will be missed by everyone. Saddened by his demise. Condolences to his family and admirers. Om Shanti. pic.twitter.com/fLjjrTZ8Jq Narendra Modi (@narendramodi) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বুধবার সকালে বাপ্পি লাহিড়ীর মৃত্যুর দুঃসংবাদ শুনেই শোকে ভেঙে পড়েছেন রাষ্ট্রপতি। শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, শুধু দেশ নয় বিশ্বেও বাপ্পি লাহিড়ীর গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে।বুধবার সকালে শোকপ্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ী ছিলেন একজন অতুলনীয় গায়ক ও সুরকার। তাঁর গান শুধু ভারতে নয়, বিদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর স্মরণীয় গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে বহুদিন। তাঁর পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা।Shri Bappi Lahiri was a matchless singer-composer. His songs found popularity not only in India but abroad. His diverse range included youthful as well as soulful melodies. His memorable songs will continue to delight listeners for long time. Condolences to his family and fans. President of India (@rashtrapatibhvn) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল ভারতীয় সঙ্গীত জগতে। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মিউজিকের দশা আর দিশা দুটোই বদলে গিয়েছিলেন এই বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী বাপ্পি। ডিস্কো সঙ্গীতের অবিসাংবাদিত রাজা তিনি। বাপ্পি লাহিড়ী প্রয়াত হয়েছেন মঙ্গলবার মধ্যরাতে।Pained to learn about the passing away of legendary singer and composer, Bappi Lahiri Ji. His demise leaves a big void in the world of Indian music. Bappi Da will be remembered for his versatile singing and lively nature. My condolences to his family and admirers. Om Shanti. Amit Shah (@AmitShah) February 16, 2022বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সকালে টুইট করে শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, কিংবদন্তী গায়ক এবং সুরকার বাপি লাহিড়ীর মৃত্যু সংবাদে আমি শোকাহত। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় সঙ্গীত জগতে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। বাপি দা তাঁর বহুমুখী গানের প্রতিভা এবং প্রাণবন্ত প্রকৃতির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ওম শান্তি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
দেশ

মাঘ পূর্ণিমায় কীর্তনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

গুরু রবিদাসের জন্ম জয়ন্তীতে দিল্লির করোল বাগের আশ্রমে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সকালেই গুরু রবিদাস বিশ্রাম ধাম মন্দিরে যান তিনি। সেখানে গিয়ে ভক্তদের সঙ্গে মাটিতে বসে কীর্তনেও যোগ দেন মোদি। সেই কীর্তনের ভিডিও নিজেই টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ মুহূর্ত বলেও উল্লেখ করেছেন।Very special moments at the Shri Guru Ravidas Vishram Dham Mandir in Delhi. pic.twitter.com/PM2k0LxpBg Narendra Modi (@narendramodi) February 16, 2022মন্দিরের দর্শনার্থীদের খাতায় রবিদাসের ভক্তদের প্রতি বিশেষ বার্তা দিয়েছন তিনি। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, গুরু রবিদাসের জীবন মানুষকে অনুপ্রেরণা দেয়। মূলত পঞ্জাবের মানুষ এই দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপন করেন। এই রবিদাসের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে পঞ্জাবের বিধানসভা ভোটের দিনও বদলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।এ দিন গুরুদাস জয়ন্তীতে টুইট করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। দেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ভালোবাসা ও সাম্যের বার্তা দিয়েছিলেন গুরু রবিদাস। বিদ্বেষ ভুলে সাম্য, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার মন্ত্র নিয়েই সমাজ গঠনের বার্তা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
দেশ

যোগী রাজ্যের মসনদ দখলে লড়াই শুরু হল আজ

আজ থেকেই শুরু হল উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। সাত দফার এই নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ পর্ব আজ । মোট ১১টি জেলায় ৫৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কোভিড বিধি মেনেই সকাল ৭টা থেকে এই কেন্দ্রগুলিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে সন্ধে ৬টা অবধি।প্রথম দফার ৫৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯ টি সংরক্ষিত। ৩৭ টি কেন্দ্র রয়েছে জাট অধ্যুষিত পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে। বাকি ২১ টি বিধানসভা কেন্দ্র দোয়াব অঞ্চলের মধ্যে পড়ছে। প্রথম দফার নির্বাচনে যে কেন্দ্রগুলি বিশেষ উল্লেখযোগ্য, সেগুলি হল শামলি, মুজাফফরনগর, মিরাট, বাগপত, গাজিয়াবাদ, হাপুর, গৌতম বুদ্ধ নগর, বুলন্দশহর, আলিগড়, আলিগার্গ, মথুরা এবং আগ্রা। মোট ৬২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রথম দফার নির্বাচনে। উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রধান লড়াই বিজেপি বনাম সমাজবাদী পার্টির। এছাড়াও কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি, রাষ্ট্রীয় লোক দল, শিবসেনাও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেও ভোট কেন্দ্রে হাজির ভোটাররা। সকাল থেকেই আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলেও, হাড় কাঁপুনি ঠাণ্ডাকে উপেক্ষা করেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

বিরোধীদের কটাক্ষ উড়িয়ে বাজেট নিয়ে নির্মলার প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই বছরের বাজেটে মহিলা, প্রান্তিক নাগিরক ও দরিদ্রের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে বাজেট পেশের পর থেকেই সমালোচনায় সরব হয়েছেন একাধিক অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন রাজনীতিবিদরা। টুইটে এই বাজেটকে তাৎপর্যবিহীন, অন্তঃসারশূণ্য বলে কটাক্ষ করেছেন রাহুল গান্ধি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বিরোধী নেতারা। তবে বাজেটে খুশি হয়েছে প্রধানমন্ত্রী। বাজেট নিয়ে বক্তৃতায় তারই প্রতিফলন দেখা গেল। এই বক্তৃতায় নমো অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের প্রশংসাও করেন। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার তিনি বলেন, এই বাজেট সকলেই উপকৃত হবেন। বিশেষত, সমাজের দরিদ্র এবং অনগ্রসর অংশের মানুষেরা। এ বারের বাজেটকে জনমুখী এবং প্রগতিশীল বলে নির্মলা এবং তাঁর টিমকে ধন্যবাদ জানান মোদি।তিনি জানিয়েছেন, এই বাজেটে যুব সমাজ ও গরিবদের উপর নজর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, বাজেট পেশের পর থেকে আমরা যা সাড়া পেয়েছি, তাতে জনগণের জন্য কাজের উৎসাহ আমাদের আরও বেড়ে গিয়েছে।এই বাজেট দেশের জনগণের জন্য নতুন আশা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসেছে। এই বাজেটে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। অনেক প্রযুক্তি এসেছে, যেমন-কৃষক ড্রোন, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, ডিজিটাল মুদ্রা, ব্যাংকিং ক্ষেত্রে ডিজিটাল ইউনিট, আর্থিক পরিষেবার রোল আউট, দেশের স্বাস্থ্যের জন্য ডিজিটাল ইকোসিস্টেম। এই সবকিছুতে উপকৃত হবে প্রান্তিক মানুষ, যুবক, দরিদ্র সকলে।এই বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল গরিবের কল্যাণ। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রত্যেক গরিবের কাছে পাকা বাড়ি, নলকূপের জল, শৌচালয়, গ্যাসের সুবিধা- এই সবকিছুর উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আধুনিক ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে জীবনধারণ সহজ করার জন্য, যাতে তাঁদের কোনও অসুবিধা না হয়, এই সবকিছু মাথায় রেখে তার জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে।হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর, উত্তর-পূর্বের রাজ্য- এইসব জায়গার জন্য দেশে প্রথমবারের জন্য পর্বতমালা যোজনা করা হচ্ছে। এই যোজনা পাহাড়ে পরিবহণ ও যোগাযোগের আধুনিক ব্যবস্থা নির্মাণ করবে। আমাদের দেশের যেসব সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি রয়েছে তাদেরও অনেক ক্ষমতা মিলবে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

সংসদ শুরুর আগে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার সংসদে শুরু হল বাজেট অধিবেশন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলির তরফে গোলমালের আশঙ্কা করে আগে থেকেই সাংসদদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার সংসদে ঢোকার আগে মোদি বলেন, সংসদের প্রত্যেককে অধিবেশনে স্বাগত। তবে আশা করব, ভোট কোনওভাবেই বাজেট অধিবেশনকে প্রভাবিত করবে না। সব দল খোলা মনে উত্তম চর্চা করে দেশের প্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবেন।মোদি এদিন বলেছেন, ভারতের অর্থনীতি বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই বাজেট অধিবেশনও ভারতের আার্থিক প্রগতিকে আগামী এক বছরের জন্য প্রভাবিত করবে। আশা করব, দেশের উন্নতির কথা মাথায় রেখে সাংসদরা একযোগে কাজ করবেন। কারণ, ভোট নিজের জায়গায়, বাজেট অধিবেশন নিজের জায়গায়।ঘটনাচক্রে, বাজেট অধিবেশন যখন বসছে, তখন পেগাসাস নিয়ে দেশে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আবার উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, গোয়া এবং মনিপুরেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হচ্ছে পুরসভা ভোট। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান, পেগাসাস-কাণ্ড এবং ভোটকে সামনে রেখে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীরা অশান্তি করতে পারেন ভেবেই আগে থেকে এই বার্তা দিয়ে রাখলেন মোদি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

জেলাশাসকদের নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সেরে ফেলার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ভার্চুয়াল বৈঠকে দেশের বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকরা উপস্থিত ছিলেন। জেলাশাসকদের এদিন তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে দ্রুততাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। নির্দিষ্ট সময় বেঁধে মানুষের কাজ করার ওপর বাড়তি জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।দেশের প্রতিভা ও নতুনত্বের অভাব নেই। প্রত্যেক জেলার জেলাশাসককে, জেলার লুকিয়ে থাকা বিশেষ গুণ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জেলার কর্ম দক্ষতার ওপর নির্ভর করেই বিশ্বে সেই জেলা আলাদা পরিচয় লাভ করতে পারবে বলেই মনে করেন নরেন্দ্র মোদি। জেলাশাসকদের তাঁর বার্তা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজের জেলাকে তুলে ধরার দায়িত্ব আপনাদের। জেলার বাসিন্দাদের বিশেষ দক্ষতা খুঁজে বের করে সেটা কাজে লাগানোর জন্য জেলাশাসকদের আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১০০ শতাংশ পরিষেবা অসুবিধার লক্ষ্যমাত্রা রেখে প্রত্যেকটি জেলায় আমাদের কাজ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করার জন্য বিভিন্ন জেলার ক্ষেত্রে রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে যাতে আগামী দুবছরে সব কাজ শেষ হয়ে যায়।জেলাশাসকদের নিয়ে এদিনের বৈঠকে আরও একটি উদ্ভাবনী পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নততর করতে ১০ কাজকে বেছে নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। ৩ মাসের মধ্যে ওই ১০টি কাজ অবশ্যই শেষ করতে হবে বলে জানিয়েছেন মোদি। দেশের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব কর্মসূচি নিয়েছে কেন্দ্র। সেই কর্মসূচির আওতায় আরও ৫ টি কাজ বেছে নিয়ে শেষ করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এই দিনের বৈঠকে ডিজিটাল পরিষেবার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতে ডিজিটাল পরিকাঠামোতে নিঃশব্দ উন্নয়ন হচ্ছে। জেলার প্রত্যেকটি প্রান্তে ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধা যেন পৌছে যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২২ টি রাজ্যের ১৪২ টি জেলা কাজের ভিত্তিতে পিছিয়ে পড়েছে, সেই জেলাগুলিতে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করার আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজনীতি

আমলা-নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মোদিকে ফের চিঠি মমতার

আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনী প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আবারও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় তাঁকে একই সপ্তাহে দ্বিতীয় বার চিঠি লিখতে হল বলেই জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এ বারও মমতা চিঠিতে লেখেন, নয়া ক্যাডার রুল সংশোধনী প্রস্তাব আগের চেয়ে অনেক বেশি দমনমূলক এবং তা সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে মমতা লেখেন, এই প্রস্তাবিত সংশোধনী শুধু দেশেরই ক্ষতি করবে না, দেশের গণতন্ত্রকেও ধ্বংস করে দেবে।আইএএস ক্যাডার আইনে সংশোধন করতে চেয়ে কিছু দিন আগেই রাজ্যকে চিঠি দিয়েছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রস্তাব, রাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও আমলাকে তাঁর এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের অনুমতি ছাড়াই সরিয়ে দিতে পারে কেন্দ্র। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কা, এ ক্ষেত্রে আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পুরোটাই কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে। এর ফলে জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এবং আধিকারিকদেরও মনোবল ভাঙতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, আমলাদের ডেপুটেশনের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মতি থাকা প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বার্থে।আগের চিঠিতে মমতা লিখেছিলেন, আপনি নিজেও অনেক বছর একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাই আমার বক্তব্যের সত্যতা আপনি বুঝতে পারবেন। দ্বিতীয় চিঠিতেও মোদির উদ্দেশে মমতা লিখেছেন, আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা থেকে রাজ্যকে বঞ্চিত করবেন না। তা হলে ভবিষ্যতে দেশের শাসনব্যবস্থার উপর বড় প্রভাব পড়বে। এটা ভুলে গেলে চলবে না, কেন্দ্রে যে দলই ক্ষমতায় থাকবে, তারাই এই প্রস্তাবিত সংশোধনীর অপব্যবহার করবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিদেশ

আশা দেখাচ্ছে ব্রিটেন, দ্রুত সংক্রমণ কমছে ওমিক্রনের, বাধ্যতামূলক নয় মাস্ক পরা

সারা পৃথিবী যখন ওমিক্রন ঝড়ে বেসামাল, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী-র গলায় অন্য সুর, তিনি সরকারি ভাবে বিবৃতি দিয়ে জানালেন আর মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তাঁর অর্থ কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলেও তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি ভাবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। বুধবার ব্রিটেনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,০৮,০৬৯ যা গত সাত দিনের তুলনায় ৩৭.২% কম, এবং ৩৫৯ জন করোনা আক্রন্তের মৃত্যু হয়েছে, সেক্ষেত্রেও ৮.২% কম। প্রধানমন্ত্রী বাইডেন আরও জানিয়েছেন যে, এখন থেকে থাকছে না ওয়ার্ক ফ্রম হোমও, সকলকে অফিসে এসে কাজ করতে হবে। করোনা ও ওমিক্রনের সংক্রমণ খুব দ্রুত হ্রাস পাওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করলেন বরিস। তিনি জানিয়েছেন, সামনের সপ্তাহ থেকেই কোভিড সংক্রান্ত আরও অন্য যে সমস্ত বিধিনিষেধ আছে সেগুলিও প্রত্যাহার করা নেওয়া হবে।সামাজিক মাধ্যমে টুইট করে বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গিয়েছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কাউকেই বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করতে বলবে না, সকলেই অফিসে এসে কাজ করতে পারে। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেনই বিশ্বে প্রথম টিকা তৈরি করে এবং সমগ্র ইউরোপের সমস্ত দেশের আগে টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু করে।We were the first nation in the world to administer a vaccine, and one of the fastest in Europe to roll it out.This was because we made the big call to pursue our own vaccine procurement, outside of the EMA.1/5 Boris Johnson (@BorisJohnson) January 19, 2022তিনি টুইট করে আরও জানান, আমরা নিজেদের উদ্যোগে টিকা তৈরি হওয়ার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে ৷ আমরা যখন আগের গ্রীষ্মকালে সবকিছু স্বাভাবিক রাখার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন বাকিরা বলেছিল এটা করা উচিত নয়৷ এই শীতেও যখন অন্যান্য দেশ লকডাউন ঘোষণা করে দিয়ছে, তখনও আমাদের সবকিছু স্বাভাবিক খোলা ছিল ৷ এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে ব্রিটেনের অর্থিনীতিতে ক্ষতি বাকিদের থেকে অনেক কম হয়েছে। বরিস জনসন জানান, আমাদের বিজ্ঞানীরা সরকারি ভাবে জানিয়েছেন যে, ব্রিটেন-এ ওমিক্রনের সংক্রমণ পিক শিখড়ে পৌঁছে গেছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার আরও জানান ইউরোপে মধ্যে কেবলমাত্র আমাদেরই অর্থনীতি এবং সমাজ সবচেয়ে উন্মুক্ত এবং জি-৭ অন্তভুক্ত দেশ গুলির মধ্যে ব্রিটেন-ই সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে চলা অর্থনীতির দেশ৷ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, খুব দ্রুত বুস্টার ডোজের প্রচারের জন্য এবং প্ল্যান-বি নির্দেশিকায় মানুষ খুব ভালো সাড়া দেওয়ায়, তাঁরা প্ল্যান-এ-তে আবার ফিরে যাচ্ছেন এবং প্ল্যান বি-র নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন৷ প্ল্যান-বি নির্দেশিকা বলতে তিনি জানিয়েছেন বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক, বাধ্যতামূলক কোভিড পাস ও ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মত পরামর্শের কথা অখানে বলা হয়েছে৷We delivered the biggest and fastest vaccine roll out in Europe, resisted lockdown, and can now restore freedoms with the end of Plan B.Labours answer was 𝐥𝐨𝐜𝐤𝐝𝐨𝐰𝐧.Ours is a plan thats protecting health, kept unemployment low and restored the economy. pic.twitter.com/noX3j5ihy7 Oliver Dowden (@OliverDowden) January 19, 2022ব্রিটেনে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫,২১,৫১,৬৪৩ (৯০.৭০%) প্রথম ডোজ নিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪,৮০,১৯,০৬৯ (৮৩.৫%) এবং বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩,৬৬,২১,৬৭১ (৬৩.৭%) জন ৷ এখানে বিশেষ উল্লেখ্য ভারতে যেখানে ১৫ বছরের উর্ধে করোনা টিকা দেওয়া হচ্ছে, ব্রিটেনে ১২ বছর বয়সের উর্ধে সকলকেই টিকা দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটেন-ই সেই দেশ যারা প্রথম সারা বিশ্বকে কোভিড-১৯-এর রূপ বদল (ভেরিয়েন্ট) নিয়ে সতর্ক করেছিল এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রোখার জন্য তাঁরা ডিসেম্বরের প্রথমেই আন্তর্জাতিক উড়ানে সফর নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপ নিয়েছিল ও তাদের প্ল্যান-বি শুরু করে দিয়েছিল।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজধানীতে বড়সড় জঙ্গি নাশকতার সতর্কতা, নিশানায় প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর হামলার ষড়যন্ত্র! প্রজাতন্ত্র দিবসে দেশের একাধিক জায়গায় নাশকতার ছক! গোয়েন্দাদের এই গোপন রিপোর্ট ঘিরে দিল্লির নিরাপত্তা তুঙ্গে।সূত্রের খবর, এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান বানচাল করতে চাইছে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো। একাধিক নাশকতার ছক কষছে জঙ্গিরা। ভারতে বড়সড় হামলার ষড়যন্ত্র করছে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো। লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ, হরকত-উল-মুজাহিদি ও হিজবুলের টার্গেট এবার ভারত। এখানেই শেষ নয়, গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে আরও হাঁড়হিম করা তথ্য। তাঁরা জানতে পেরেছেন, জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর উপর প্রাণঘাতী হামলার ছক কষছে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো।গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে থাকা খলিস্তানি গোষ্ঠী ক্যাডার পাঠিয়ে পঞ্জাবে অশান্তির ছক কষছে। শুধু পঞ্জাব নয়, অন্যান্য রাজ্যেও হামলা চালানো হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কাশ্মীরে সিআরপি-র কুইক অ্যাকশন টিম (কিউএটি)-এর ধাঁচে বিশেষ কিউএটি গঠন করছে কেন্দ্র। দিল্লিতে জঙ্গি হানা বা আত্মঘাতী হামলার মোকাবিলাই ওই বিশেষ দল গঠনের মূল উদ্দেশ্য। প্রয়োজনে ভিভিআইপি কিংবা সংসদ ভবনের নিরাপত্তার জন্যও কিউএটি-কে কাজে লাগানো হতে পারে। কাশ্মীর বা মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে যাঁরা সফলভাবে জঙ্গি দমন অভিযান চালিয়েছেন, এমন বাছাই করা ৫০ জন সিআরপি কমান্ডো থাকবেন দিল্লি কিউএটি-তে। তাঁদের কাছে থাকবে দিন ও রাতে অভিযান চালানোর উপযুক্ত অত্যাধুনিক অস্ত্র।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে পঞ্চায়েতের কাজ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিনিধি দল

একশো দিনের প্রকল্প এবং আবাস যোজনার কাজ সরেজমিনে দেখতে দিল্লি থেকে রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় দল। ছদিন ধরে গত দুবছরে ১০০ দিনের প্রকল্পে কী-কী হয়েছে, আবাস যোজনার কাজ নিয়ম মেনে হয়েছে কি না, সরেজমিন পরিদর্শন করবে রাজ্যে আসা আটটি দল। পূর্ব বর্ধমান, দুই চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দুই মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, হুগলি, পুরুলিয়া, আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, মালদহ ও বীরভূম জেলায় তিন-চারটে ব্লকের ১০-১২টি পঞ্চায়েতে তারা ঘুরবেন। ২০১৯-এর শেষ দিকে আগে এ রকমই কেন্দ্রীয় দল এসে পূর্ব বর্ধমান ও হুগলিতে ১০০ দিনের কাজে বেশ কিছু অনিয়ম খুঁজে পাওয়ার দাবি করে রাজ্যকে রিপোর্ট করে। তার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েতকে টাকা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়। রাজ্য প্রশাসন সেই সূত্র ধরে পঞ্চায়েতের কর্তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর-ও করেছিল।বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ কয়েকদিন আগে দাবি করেন, এ রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তথ্য দিয়ে এসেছিলেন। আর ১০০ দিনের কাজে সব থেকে বেশি টাকা পায় পশ্চিমবঙ্গ। সেখানেও দুর্নীতির অজস্র অভিযোগ। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই সম্ভবত কেন্দ্রের বিশেষ দল আসছে।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুবছরের প্রকল্পের কাজের সব নথি ঠিক করে রাখতে বলা হয়েছে। প্রকল্পের কাজের সব রসিদ, ক্যাশবুক থেকে সাতটি রেজিস্টার যথাযথ ভাবে পূরণ করে রাখার জন্য পঞ্চায়েতগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে প্রকল্পে কাজ চলছে, সেখানে যাতে কাজের নাম, বরাদ্দ, কাজের বিবরণ-সহ বোর্ড টাঙানো থাকে, তা-ও সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলা আবাস যোজনায় ২১০ বর্গফুটের মধ্যে বাড়ি করার নিয়ম। তা মানা হয়েছে কি না, যোগ্য প্রাপক বাড়ি পেয়েছেন কি না, জিও ট্যাগিং যথাযথ হয়েছে কি না কিংবা বাড়ির বাইরে লোগো দেওয়া বোর্ড লাগানোর মতো খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, জেলার চারটি ব্লকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল যাবে।খণ্ডঘোষ, মঙ্গলকোট,আউশগ্রাম ২ ও গলসি ২ নম্বর ব্লকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যাবেন। সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের দুই সদস্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে প্রথমে বৈঠক করেন। তারপর তারা খণ্ডঘোষ ব্লকের লোদনা পঞ্চায়েতে যান। সভাধিপতি বলেন, প্রতিবছরই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসে। এটা নতুন কিছু নয়। পাশাপাশি তিনি দাবী করেন, কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা লোদনা পঞ্চায়েতের কাজ দেখে খুশী হয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপির জেলা সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন,আবাস যোজনার ঘর ও একশো দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তার পরিপেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়। আশা করছি কেন্দ্রীয় দল আসায় এবার সত্য উদঘাটন হবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
দেশ

Narendra Modi: যুব দিবসে মেয়েদের আত্মনির্ভরতার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বামী বিবেকানন্দের ১৬০ তম জন্মজয়ন্তীতে দেশের যুবদেরকে নিয়ে প্রশংসা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়। দেশের যুবসমাজের আগ্রহের কোনও অভাব নেই এবং যেকোনও কাজে তারা এগিয়ে আসে বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সিংয়র মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে পুদুচেরিতে তৈরি হওয়া পেরুন্থলাইভার কামরাজার মনিমণ্ডপম টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সম্প্রতি মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করার পক্ষে সওয়াল করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার সেই সুরই শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর গলায়। বুধবার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে ২১ করা প্রয়োজন। এই পদক্ষেপের ফলে মেয়েরা আত্মনির্ভর হবেন বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, আমরা মনে করি ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হলে দেশের মেয়েরা নিজেদের ভবিষ্যত মজবুত করতে পারবেন। এর ফলে মেয়েরা আত্মনির্ভর হবে।এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে দারুণভাবে স্টার্টআপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে এই মুহূর্তে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি স্টার্টআপ রয়েছে। করোনা অতিমারির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিগত ৬-৭ মাসের মধ্যে নতুন ১০ হাজার স্টার্টআপ শুরু হয়েছে। দেশের যুব সমাজের মধ্যে তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে দেখানোর ক্ষমতা রয়েছে, সেখান থেকে সকলের শেখা উচিত। যুব সমাজের ওপর ভর করে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে ভারত। ভারতকে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন জায়গা করে দিয়েছে যুবসমাজ। আমরা চাই কোনওরকম বাধা বা সমস্যা ছাড়া দেশের যুবরা নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করুক। মুদ্রা যোজনা, স্টার্টআপ ইন্ডিয়া, স্কিল ইন্ডিয়া, অটল ইনোভেশন মিশনের মতো প্রকল্পগুলি যুবদের স্বপ্ন পূরণ করছে। যুবসমাজের প্রতি আমার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমার বিশ্বাস যুবরা দেশকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যাবে যা এর আগে কেউ কল্পনাও করেনি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

Nitin Gadkari: করোনা আক্রান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গড়করিও, উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী

করোনা সংক্রমণ দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। দেশের একের পর এক শীর্ষ নেতাও আক্রান্ত হচ্ছেন করোনায়। চলতি সপ্তাহেই খোঁজ মিলেছিল করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। দুদিন কাটতে না কাটতেই, ফের এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলল। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা নীতিন গড়করি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি নিজেই টুইটারে সংক্রমিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন।মঙ্গলবার রাতে টুইট করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি। সেই টুইটে তিনি লেখেন, আমি করোনা আক্রান্ত হয়েছি। আমার মৃদু উপসর্গ রয়েছে। যাবতীয় প্রোটোকল মেনে আমি সকলের থেকে নিজেকে দূরে রেখেছি এবং আপাতত বাড়িতেই একান্তবাসে রয়েছি। যারা বিগত কয়েকদিনে আমার সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের করোনা পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধ করছি।I have tested positive for Covid 19 today with mild symptoms. Following all the necessary protocols, I have isolated myself and I am under home quarantine. I request all those who have come in contact with me to isolate themselves and get tested. Nitin Gadkari (@nitin_gadkari) January 11, 2022জানা গিয়েছে, একের পর এক শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Local Train: সন্ধ্যা ৭টা নয়, সোমবার থেকেই রাত ১০টায় ছাড়বে শেষ লোকাল ট্রেন

রাজ্য সরকার রবিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, ৩ জানুয়ারি সোমবার থেকে সন্ধ্যা ৭টার পরে লোকাল চলবে না। এ নিয়ে যাত্রী থেকে রেল, সকলেই বিভ্রান্তিতে ছিলেন। পূর্ব রেল জানিয়েছিল, সন্ধ্যা ৭টায় দিনের শেষ লোকাল ট্রেন ছাড়বে। অন্য দিকে, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বক্তব্য ছিল, ৭টার মধ্যে সব লোকাল ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছবে। আর সেই আবহেই সোমবার সন্ধ্যায় নবান্নের এক নির্দেশিকায় সমস্তটা স্পষ্ট করে দেওয়া হল। জানিয়ে দেওয়া হল, সোমবার থেকে সন্ধ্যা ৭টা নয়, রাত ১০টাতেই ছাড়বে শেষ লোকাল।রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় রবিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী কিছু বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছিলেন। জানিয়েছিলেন আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টার পরে লোকাল ট্রেন চলবে না। ভোর পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে লোকাল ট্রেন। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টায় লোকাল চলাচল বন্ধ মানে ঠিক কী তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। সোমবার সন্ধ্যা হতে না হতেই যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। আর তার আঁচ পেতে না পেতেই সিদ্ধান্ত বদল করল রাজ্য সরকার। নবান্নের পক্ষে জানানো হয়েছে, সোমবার থেকে সন্ধ্যা ৭টা নয়, রাত ১০টায় ছাড়বে শেষ লোকাল।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Doctor BDO: রোগীদের চিকিৎসা করছেন ডাক্তার বিডিও, গর্বের অন্ত নেই ভাতারবাসীর

ছোট বয়স থেকেই সরকারি আমলা হওয়ার স্বপ্ন ছিল। তাই ডাক্তারি পাশ করে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক হওয়ার পরেও অরুণ কুমার বিশ্বাস সরকারী আমলা হওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। তাঁর সেই স্বপ্নও পূরণ হয়। তবে রোগীর চিকিৎসা করা থেকে তিনি নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেননি। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ব্লকের বিডিও অরুণ বিশ্বাস এখন ডাক্তার বিডিও নামেই স্বনামধন্য হয়েছেন। তাঁকে নিয়ে ভাতারবাসীর গর্বের অন্ত নেই।আরও পড়ুনঃ মন্দির দর্শনে এসে পানা পুকুরে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু শিশু পুত্রেরমালদার মঙ্গলপুরে বাড়ি অরুণ কুমার বিশ্বাসের। তিনি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে ২০০৯ সালে ডাক্তারি পাশ করেন।তারপর এক বছর মানবাজার ২ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করেন।অরুণবাবু জানান, চিকিৎসক হিসাবে মানবাজারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করলেও আমলা হওয়ার বাসনা তিনি ত্যাগ করতে পারেননি। তাই হাসপাতালের চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। তবে ইউপিএসসি না পেলেও ১০১৭ সালে ডাব্লুবিসিএস পরীক্ষায় পাশ করেন। ২০১৯ সালে কাজে যোগ দেন। প্রথম পুরুলিয়ার ঝালদা ২ ব্লকের বিডিও হন। এখন তাঁর ঠিকানা ভাতার ব্লক। আমলা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ঠিকই তবে ছুটির দিনে তিনি রোগীদের চিকিৎসা করার কাজটাও সমানতালে করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। ২০০২ সালে ২৬ ডিসেম্বর বিডিও সাহেবের মা হেমালিনিদেবী মারা যান। রবিবার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনেই ভাতারের ব্লক অফিসের একটি ঘরে বসে রোগীর চিকিৎসা করার কাজ শুরু করেন বিডিও অরুণ বিশ্বাস। ওই দিন তিনি ২৬ জনের চিকিৎসা করেন। এখন থেকে সরকারি ছুটির দিনে রোগীর চিকিৎসায় আত্মনিয়োগ করবেন বলে বিডিও মনস্থির করেছেন। বিডিও অরুণ বাবু এদিন বলেন, প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব সামলে তবেই চিকিৎসা করবেন। যতটুকু সময় মিলবে ততটুকু সময় তিনি সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ব্যয় করতে চান। তাতে সাধারণ মানুষের উপকার হবে।আরও পড়ুনঃ শেষ হল জতুগৃহ-র শুটিংভাতারের কাঁচগোরিয়া গ্রামের মামনি ঘোষ ও বামশোর গ্রামের জিলাই শেখ এদিন বলেন, বিডিও সাহেব চিকিৎসা করবেন জেনে ব্লক অফিসে ছুটে গিয়েছিলেন। বিডিও সাহেব ওষুধ লিখে দিয়েছেন। ডাক্তার বিডিও সাহেব চিকিৎসা করা শুরু করায় ভাতারবাসীর প্রভূত উপকার হবে বলে জিলাই শেখ মন্তব্য করেন।আরও পড়ুনঃ ২০ জন কাউন্সিলরেই পুরসভা বিধায়কের কব্জায়! বর্ধমানে কর্মীসভায় তৃণমূল নেতার বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোলভাতার পঞ্চায়েত সমিতি সহ-সভাপতি সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁদের কর্মীদের শারীরিক অসুস্থতা হলে কাজের ফাঁকে বিডিও সহেব চিকিৎসার পরামর্শ দিতেন। এ বার তিনি ব্লকের রোগীদের চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া শুরু করায় অনেকেই উপকৃত হবেন। এর ফলে বিডিও সাহেবের ডাক্তারি-বিদ্যাতেও মরচে পড়বে না। মহকুমাশাসক (বর্ধমান উত্তর) তীর্থঙ্কর বিশ্বাস বলেন, প্রশাসনিক কাজ সামলে বিডিও তাঁর শিক্ষা প্রয়োগ করে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এটা সত্যি ভালো উদ্যোগ।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
দেশ

Modi: নতুন বছরেই টিকা ১৫-১৮ বছর বয়সিদের, ষাটোর্ধ্বদের বুস্টার, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ঘোষণা মোদির

আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য টিকাকরণ অভিযান শুরু হবে। পাশাপাশি ১০ জানুয়ারি থেকে কো-মর্বিডিটি সম্পন্ন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। জাতির উদ্দেশে ভাষণে এমনটাই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনা যোদ্ধাদেরও দেওয়া হবে টিকার বুস্টার ডোজ।প্রধানমন্ত্রী মোদি শনিবার জাতির উদ্দেশে বলেন, করোনা এখনও পুরোপুরি চলে যায়নি। নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্তদের খোঁজ মিলছে ভারতেও। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের কোভিড বিধি যথাযতভাবে পালন করতে হবে। দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো পুরোপুরি তৈরি। দেশে ১৮ লক্ষ আইসোলেশন বেড ও লক্ষাধিক আইসিইউ বেড প্রস্তুত রয়েছে।গোটা দেশ এখন উৎসবের মেজাজে। বড়দিন আর বর্ষবরণের আনন্দে মেতে গোটা দেশ। এই পরিস্থিতি সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কথাই আজ উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর কথায়। বলেন, আমার প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের প্রত্যেককে বড়দিনের শুভেচ্ছা। আপনারা সবাই বর্ষবরণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু এখন উৎসাহের পাশাপাশি, সচেতন থাকাও দরকার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওমিক্রনের জন্য সংক্রমণ বাড়ছে। ভারতেও অনেকেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, ভয় পাবেন না। হ্যা, সতর্ক থাকুন, সজাগ থাকুন। মাস্ক পরুন।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Deucha-Panchami: দেউচা-পাঁচামি নিয়ে স্থানীয় মানুষের আন্দোলনে পাশে থাকবে সিপিএম, ঘোষণা সূর্যকান্তর

বীরভূমের দেউচা-পাঁচামি কয়লাখনি প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারের বক্তব্য স্পষ্ট নয়। এই নিয়ে স্থানীয় মানুষেরা যে আন্দোলন করছে তার পাশে থাকবে সি পি এম। শনিবার বর্ধমানে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানিয়ে দিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি বলেন, দেউচা-পাঁচামি নিয়ে রাজ্য সরকারের ঘোষণা স্পষ্ট নয়। সরকার পরিস্কার জবাব দেয়নি। তবে প্রকল্প না হওয়ার কোনও ব্যাপার নেই। সরকার যা বলছে তার মধ্যে বিশ্বাসযোগ্য়তা নেই। স্থানীয় মানুষের লড়াইতে আমরা আছি। বর্ধমানের টাউনহলে সিপিএমের পঁচিশতম পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্মেলনের এদিন ছিল প্রথম দিন।কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট শতাংশের হিসাবে বামেরা বিজেপিকে টপকে গিয়েছে। সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, কলকাতা পুরভোটে দলের কমবয়সী কর্মীদের প্রার্থী করা হয়েছে। সেখানে বিজেপি নয়, দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বামেরাই। বামপন্থীরাই দ্বিতীয় শক্তি কলকাতা পুরসভায়। আমাদের ভোটের হার বেড়েছে। কংগ্রেসেরও হার বেড়েছে। অধিকাংশ বরোতেও বামেরাই দ্বিতীয় স্থানে আছেন। তিনি আরো জানান, রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচনে স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করেই রণকৌশল ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটি। এদিন টাউনহলে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন আভাস রায়চৌধুরী ও অপূর্ব চট্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Modi: ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

অতিমারি পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সাহায্যকে সম্মান জানাতেই ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করা হল নরেন্দ্র মোদিকে। শুক্রবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কথা জানান।এ দিন ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খেরলো সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। করোনা পরিস্থিতিতে ভারত যেভাবে চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে ভুটানকে সাহায্য করেছিল, সেই সাহায্যের ধন্যবাদ জানাতেই এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে।Bhutan confers the countrys highest civilian award - Ngadag Pel gi Khorlo upon Prime Minister Narendra Modi. pic.twitter.com/MDFpOAN8i3 ANI (@ANI) December 17, 2021ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে সেরিং নিজেই টুইট করে লেখেন, মোদিজির অসাধারণত্বকে সম্মান জানাতে ভুটানের সর্বোচ্চ সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খোরলো ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় অত্যন্ত খুশি।ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও ফেসবুক পোস্টেও লেখা হয়, বছরের পর বছর ধরে, বিশেষ করে করোনা অতিমারির সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি যেভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাকেই তুলে ধরেছেন মহামান্য রাজা। যথাযোগ্য ব্যক্তিকেই সম্মান দেওয়া হচ্ছে! ভুটানের সমস্ত মানুষের পক্ষ থেকে অনেক অভিনন্দন। বিগত সমস্ত আলাপচারিতাতেই একজন অসাধারণ, আধ্যাত্মিক মানুষ হিসাবে আপনাকে মনে হয়েছে। সশরীরে এই সম্মান উদযাপনের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।আজ ভুটানের জাতীয় দিবস। এই বিশেষ দিন উপলক্ষে দেশের সমস্ত মানুষকে অভিবাদন জানান সে দেশের প্রধানমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Modi In Varanasi: কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডর উদ্বোধনে আবেগঘন মোদি

সোমবার প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে সজ্জিত কাশী বিশ্বনাথ ধামের প্রথম পর্বের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বললেন, ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণের মিশেলে নতুন করিডর তৈরি করা হয়েছে। এদিন প্রথমে কাল ভৈরব মন্দিরে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। ললিতা ঘাটে গঙ্গায় ডুব দিয়ে জল সংগ্রহ করেন। সূর্য নমস্কার করে গঙ্গা পুজোও দেন। আলোকানন্দা ক্রুজে চড়েও কাশী দর্শন করেন।উল্লেখ্য, কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরে ৪০টি মন্দিরের সংস্কার ও ২৩টি নতুন ভবন তৈরি করা হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আশেপাশে। সোমবার গঙ্গাতীরে ছিল কাতারে কাতারে দর্শনার্থীর ভিড়। শিবের ডমরু বাজিয়েই ললিতা ঘাটে স্বাগত জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।Varanasi: Prime Minister Narendra Modi takes a boat ride from Lalita Ghat to Ravidas Ghat. CM Yogi Adityanath also present with him. pic.twitter.com/wPS7TpObEI ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021এদিন মোদি বলেন, আগে গঙ্গার পাশেই কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ছিল। বাবা বিশ্বনাথকে যখন প্রণাম করা হত, একইসঙ্গে মা গঙ্গার দর্শনও হয়ে যেত। কিন্তু সময়ের প্রবাহে সেই পথের মাঝে অনেক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এবার ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণের মিশেলে নতুন করিডর তৈরি করা হয়েছে।I want three resolutions from you, not for yourself, but for our country - cleanliness, creation innovation and continuous efforts to create a self-reliant India: PM Modi at Varanasi pic.twitter.com/yPS0yFJWGf ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021কাশী নিয়ে বলতে গিয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, কাশী যুগ যুগ ধরে নানা পরিবর্তন দেখেছে। বিভিন্ন সময়ে ঔরঙ্গজেব থেকে ব্রিটিশ শাসক, সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণের মুখেও পড়েছে। তবুও কাশীর উন্নয়ন থেমে থাকেনি। আজ উন্নয়ন, উৎকর্ষের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কাশী।Varanasi: PM Narendra Modi had lunch with the workers involved in construction work of Kashi Vishwanath Dham Corridor pic.twitter.com/OxJm3uZI2I ANI UP (@ANINewsUP) December 13, 2021করোনাকালে যে শ্রমিকরা করিডর তৈরির কাজ চালিয়ে গিয়েছে, তাঁদের ধন্যবাদ জানান মোদি। বলেন, কাশীতে মহাদেবের ইচ্ছে ছাড়া কিছুই হয় না। শ্রমিকদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাবারও খান তিনি। মোদির দাবি, ২০০-২৫০ বছর আগে কাশীর সংস্কারের কাজ হয়েছিল। তারপর এই প্রথম বিশ্বনাথ ধামের সংস্কারে এত কাজ হল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
দেশ

Omicron Modi: ওমিক্রন নিয়ে আধিকারিকদের কী বার্তা দিলেন মোদি?

দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনা ভাইরাসের নয়া রূপ ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে ইউরোপ এবং আমেরিকায়। উদ্বিগ্ন ভারতও। শনিবার বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্তত ৫০ বার জিনের বিন্যাস বদল করে তৈরি হওয়া এই রূপ সম্পর্কে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের থেকে বিশদে খোঁজ খবর নিয়ে আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দিলেন তিনি।এখনও পর্যন্ত যে সব দেশে এই রূপের হদিশ মিলেছে, সেখানকার যাত্রীদের কোভিড পরীক্ষা যাতে সঠিক ভাবে হয় এবং তাঁদের স্বাস্থ্যের উপরেও যাতে নজর রাখা হয়, তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়াও বিদেশে যাতায়াত আগামী দিনে কতটা শিথিল করা হবে, সেই বিষয়টি আধিকারিকদের পর্যালোচনা করে দেখতে বলেছেন তিনি। সরকারি আধিকারিকদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, জেলা স্তরে কোভিড পরীক্ষা এবং নজরদারি বাড়াতে রাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। শনিবারের ২ ঘণ্টার বৈঠকে করোনা টিকাকরণ নিয়েও খোঁজখবর নেন মোদি। বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে আরও বেশি করে সজাগ থাকার প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে যে দেশগুলিকে ঝুকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই দেশগুলি থেকে আগত যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করানোর ক্ষেত্রে আরও জোর দিতে বলা হয়েছে।এর পাশাপাশি বাড়ি থেকে বাইরে বেরোলেই মাস্ক পরা, নিয়মিত হাত স্যানিটাইজ করা এবং শারীরিক দূরত্ব বিধি বজায় রাখা-সহ যাবতীয় কোভিড সুরক্ষা বিধি মেনে চলা এইসময় ভীষণভাবে দরকার বলে মনে করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে ওই পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব, স্বাস্থ্য সচিব এবং কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান-সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। একটি বৈঠকের সভাপতিত্ব করেছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Modi meeting: বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনে মোদিকে আমন্ত্রণ মমতার, নালিশ করলেন ত্রিপুরা নিয়েও

আসন্ন বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে এই আমন্ত্রণ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।Koo AppProtecting the federal structure of our country should be of prime importance! We deeply respect all institutions and Central agencies. In the coming days, we look forward to better cooperation between the States and Centre in order to protect the interests of our people. View attached media content - All India Trinamool Congress (@AITCOfficial) 24 Nov 2021মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এদিন মমতা বলেন, রাজ্য এগোলে দেশও এগোবে। সেজন্য আগামী বছর এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে যে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন হবে, সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। করোনার কারণে বাণিজ্যের অবস্থা খারাপ। তাই কেন্দ্র-রাজ্য মিলে একটা সম্মেলন করলে, তা ভাল। আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কেবল প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোই নয়। রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সামনে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের ওখানে অনেক প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়েছে। আম্ফান, ফণি, যশের কারণে রাজ্যের যে ক্ষতি হয়েছে, এর অনেক টাকা এখনও আমরা কেন্দ্রের থেকে পাই। এছাড়া বিভিন্ন প্রকল্পও রয়েছে। কেন্দ্রের কাছে ৯৬ হাজার কোটির বেশি টাকা বকেয়া রয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি টাকা দেওয়ার জন্য। টাকা না দিলে রাজ্য কীভাবে চলবে? উনি বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রাজ্যের পাট শিল্পের উন্নয়ন নিয়েও কথা হয়েছে জানান মুখ্যমন্ত্রী।অন্যদিকে আগামিকাল ত্রিপুরায় পুরভোট। আর তার আগে ফের একবার ত্রিপুরায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উস্কে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে মমতা জানালেন, ত্রিপুরার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুটা নালিশের সুরেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের অভিযোগ তুলে ধরেন মমতা।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal