• ১৩ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

KKR,

খেলার দুনিয়া

‌দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে আজ কী নিয়ে চিন্তা নাইট রাইডার্সের?‌

আজ আইপিএলে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিন ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তা টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। প্রথম ম্যাচে রান চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে করেছিলেন ৪৪ রান করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। পরের ৩ ম্যাচে তাংর ব্যাটে রান নেই। নীতিশ রানাও রান পাচ্ছেন না। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার অভাব। প্রথম তিন ম্যাচে রান না পাওয়া ভেঙ্কটেশ আয়ার আগের ম্যাচে রানে ফিরেছেন। সুতরাং ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় থাকতে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যাটারদের নিয়ে। মিডল অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে অবশ্য খুব একটা সমস্যা নেই। তাঁদের জন্যই জয় ছিনিয়ে নিতে পারছে। ইতিমধ্যেই নাইট শিবিরে যোগ দিয়েছেন ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। দলের সঙ্গে যোগ দিলেই রবিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না। এখনও তাঁর কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়নি। তাই অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা করতে পারছে না নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়ে গেলে রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্যাম বিলিংসকে বসিয়ে খেলানো হবে শেলডন জ্যাকসনকে। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন হতে পারে। নীতিশ রানার পরিবর্তে রিঙ্কু সিংকে খেলানোর চিন্তাভাবনা করছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ আগের ৪টি ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি নীতিশ রানা। নেটে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরছেন রিঙ্কু। ব্যাটিং বিভাগে এছাড়া আর পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।নাইট রাইডার্সের তিনটি ম্যাচে জয়ের পেছনে বোলারদেরই অবদান বেশি। বিশেষ করে উমেশ যাদবের কথা বলতে হবে। ৪ ম্যাচে ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ৯ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। উইকেট না পেলেও প্রথম ম্যাচে নজর কেড়েছেন রসিক সালাম দার। আগের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন। এছাড়া সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীরাও দলকে নির্ভরতা দিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‘‌শচীনকে আউট করতে কে বলেছে?‌’ শোয়েবকে কেন বলেছিলেন সৌরভ?‌

২০০৮ আইপিএলে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হাইভোল্টেজের ম্যাচ ছিল। এমনিতেই নাইট রাইডার্স ও মুম্বইয়ের ম্যাচে চরম উত্তেজনা থাকে। ওই ম্যাচ আবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে হচ্ছিল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। অন্যদিকে বিপক্ষে ছিলেন শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছিলেন নাইট রাইডার্সের শোয়েব আখতার। আর শচীনকে আউট করার পর সৌরভ গাঙ্গুলি শোয়েবকে বলেছিলেন,শচীনকে আউট করতে কে বলেছে? প্রথমে ব্যাট করে কলতাতা নাইট রাইডার্স ১৫.২ ওভারে মাত্র ৬৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন শন পোলক। ১২ রানে তুলে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভো, রোহন রাজে ও ডমিনিক থর্নলে ২টি করে উইকেট নেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট করতে নামলে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে শচীন তেন্ডুলকারকে তুলে নেন শোয়েব আখতার। শচীনকে আউট করার পর তাঁর সামনে চিরাচরিত ভঙ্গীতে উচ্ছাসও প্রকাশ করেন। এরপর বাউন্ডারির ধারে ফিল্ডিং করতে যান শোয়েব আখতার। বাইন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকরা শোয়েবকে কটূক্তি করতে থাকে। বিরক্ত হয়ে শোয়েব এসে অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির কাছে অভিযোগ জানান। সৌরভ বাধ্য হয়ে শোয়েব আখতারের ফিল্ডিংয়ের জায়গা পরিবর্তন করেন।সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে শোয়েব আখতার বলেছেন, ওই ম্যাচটা ছিল শচীনের সঙ্গে আমার লড়াই। স্টেডিয়ামে শাহরুখ খানও ছিলেন। শাহরুখ ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য গোটা স্টেডিয়াম ঠাসা ছিল। ম্যাচের আগে শচীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডাও দিয়েছিলাম। শচীন এবং আমি দুজনই একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম ওভারেই আমি শচীনকে আউট করেছিলাম। সেটা খুব ভুল হয়েছিল। শচীনকে আউট করার পর আমি ফাইন লেগে ফিল্ডিং করতে যাই। ফাইন লেগে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের কটূক্তি শুনতে হয়। তখন সৌরভ আমাকে বলেছিল, ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে। মিড উইকেটে চলে এস। তোমাকে কে বলেছে শচীনকে আউট করতে? তাও আবার সেটা মুম্বইতে? শোয়েব আখতার ওই সময় ভেবেছিলেন, তিনি আর হয়তো ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলতে পারবেন না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। মুম্বইয়ের ভালবাসায় পরে মুগ্ধ হয়েছিলেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেন, আমি মুম্বাইয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছি। অনেক ভালবাসা পেয়েছি। ওয়াংখেড়েতে আমার দেশকে কেউ গালি দেয়নি। কেউ বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেনি। ওয়াংখেড়েতে আরও ম্যাচ খেলতে পারলে ভাল লাগত। ক্রিকেটজীবনে ৯ বার শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছেন শোয়েব আখতার। কিন্তু এর মধ্যে ওই একবারই শচীনকে আউট করে তাঁর মনে হয়েছিল ভুল করে ফেলেছিলেন। ২০০৮ আইপিএলেই শেষ বার শচীনকে আউট করেছিলেন শোয়েব আখতার।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌বড়া পাও ছিনিয়ে নিয়ে গেল’‌, কামিন্স সম্পর্কে কেন একথা বললেন শেহবাগ?‌

ক্রিকেট দুনিয়ায় মজাদার টুইট করার ব্যাপারে দারুণ সুনাম আছে বীরেন্দ্র শেহবাগ ও হরভজন সিংয়ের। এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের টুইটে অনেকসময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আবার টুইট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ভক্তদের বিরাগভাজন হয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। বীরু নাকি নিজের টুইটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে উপহাস করেছেন।কী এমন টুইট করেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? বুধবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে ম্যাচ ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৫ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন নাইট রাইডার্সের প্যাট কামিন্স। তাঁর এই ইনিংস দেখে বীরন্দ্র শেহবাগ টুইট করেন, মুন সে নিভালা ছিন লিয়া, বড়া পাও ছিন লিয়া। প্যাট কামিন্স, ক্লিন হিটিংয়ের অন্যতম প্রদর্শন, ১৫ বলে ৫৬। শেহবাগের এই টুইট রোহিত ভক্তদের ভাল লাগেনি।কেন বড়া পাওর কথা বলেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ? আসলে মুম্বইয়ের মানু্ষদের সবথেকে প্রিয় খাবার বড়া পাও। কামিন্সের ইনিংস দেখে তিনি বলেন, এটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে বড়া পাও কেড়ে নেওয়ার মতো। কামিন্সের এই ইনিংসে যেমন শেহবাগ থেকে অনেকেই মুগ্ধ, তেমনই অবাক কামিন্স নিজেও। তিনি যে ওইরকম বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন, কামিন্স নিজেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, এই রকম ইনিংস খেলে আমিই সবথেকে বেশি অবাক। সত্যিই আমি আনন্দিত। আমার প্রিয় জায়গায় বল পড়লেই উড়িয়ে দেব, একথা মাথায় রেখে ব্যাট করতে নেমেছিলাম। এর বেশি কিছু করার চেষ্টা করিনি।Moonh se nivala cheen liya ,, sorry vada pav cheen liya.Pat Cummins, one of the most insane display of clean hitting , 15 ball 56 Jeera Batti #MIvKKR pic.twitter.com/Npi2TybgP9 Virender Sehwag (@virendersehwag) April 6, 2022এই মরশুমে প্রথম ম্যাচে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে নিজের পারফরমেন্সে খুশি কামিন্স। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচে নিজের পারফরমেন্সে আমি খুশি। স্টেডিয়ামের বাউন্ডারি ছোট ছিল। তার সুযোগ নিতে চেয়েছিলাম। ক্রিজে এসে একটা কথাই শুধু মাথায় ছিল, বাউন্ডারির বাইরে বল ওড়াতে হবে। সেই চেষ্টা করতেই সফল। লক্ষ্য ছিল কয়েকটা বড় শট খেলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের কাজ সহজ করে দেওয়া। সেটা করতে পেরেছি। কামিন্সের ইনিংস দেখে মুগ্ধ কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, অবিশ্বাস্য ইনিংস। এত জোরে বল মারছিল, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যুগ্মভাবে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি, কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই

আইপিএলের তৃতীয় ম্যাচেও জয় এল না। প্যাট কামিন্স ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নাইট রাইডার্স জিতল ৫ উইকেটে। ১৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি কামিন্স-এর। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যুগ্মভাবে আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। রোহিত শর্মাদের ওপর শুরুর দিকে চাপ রেখেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ১ উইকেটে মাত্র ৩৫। ১২ বলে ৩ রান করে আউট হন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁকে ফেরান উমেশ যাদব।এরপর ঈশান কিষাণের সঙ্গে জুটি বেঁধে মুম্বইকে টানেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। এদিন দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। তাঁর সঙ্গে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ইতিমধ্যে তুলনা শুরু হয়েছে। নামের পাশে বসে গেছে বেবি এবি তকমা। এই তকমা যে একেবারেই ভুল নয়, আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন ব্রেভিস। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রেভিস এদিন বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্প আউট হন। ২টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ২৯ রান করেন ব্রেভিস।১১তম ওভারের শেষ বলে ৫৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২১ বলে ১৪ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। প্যাট কামিন্সের বলে তাঁর ক্যাচ ধরেন শ্রেয়স আয়ার। এরপর সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিলক বর্মা। সূর্য-তিলকের জুটিতে ৪৯ বলে ৮৩ রান ওঠে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে প্যাট কামিন্স-এর বলে আউট হন সূর্যাকুমার। শেষ পাঁচ বলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তোলে ২৩ রান। তিনটি ছক্কার সাহায্যে ৫ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন কায়রন পোলার্ড। তিনটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ২৭ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক বর্মা। ২০ ওভারে মুম্বই তোলে ১৬১/৪। প্যাট কামিন্স ৪ ওভারে ৪৯ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে ২৫ ও বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৩২ রানে ১টি করে উইকেট নেন। খরচ করে একটি করে উইকেট দখল করেন। সুনীল নারাইন ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি।Wow again!!! @KKRiders boys!! pic.twitter.com/ctt0ZQ7vVC Shah Rukh Khan (@iamsrk) April 6, 2022ব্যাট করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মতো নাইট রাইডার্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ৪ ওভারে ওঠে মাত্র ১৬। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (৭)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকে (১০) তুলে নেন ড্যানিয়েল সামস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভেঙ্কটেস আয়ার ও সামস বিলিংস। জুটিতে ওঠে ৩২। বিলিংসকে (১৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুরুগান অশ্বিন। নীতিশ রানাকেও (৮) ফেরান অশ্বিন।পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দলকে চাপের মুখ থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার ও আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু তাঁদের প্রয়াস ফলপ্রসূ হয়নি। টাইমল মিলসের শর্ট বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ধরে ব্রেভিসের হাতে ধরা পড়েন রাসেল (১১)। নাইটদের রান সেই সময় ৫ উইকেটে ১০১।শেষ ৬ ওভারে নাইটদের জেতার জন্য দরকার ছিল ৪৭। ১৫তম ওভারের প্রথম বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার (৪১ বলে অপরাজিত ৫৬)। যশপ্রীত বুমরার ওই ওভারের, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে প্যাট কামিন্স ছয় ও চার মেরে নাইটদেরজয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেন। ৫ ওভারে নাইটদের প্রয়োজন দাঁড়ায় ৩৫। ১৬তম ওভারে কামিন্স ঝড় অব্যাহত থাকে। ড্যানিয়েল সামসের প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে মারেন ছক্কা, দ্বিতীয় বলে চার। এই ওভারই মুম্বইয়ের আশায় জল ঢেলে দেয়। পঞ্চম বলটি করতে গিয়ে স্যামস ওভারস্টেপিংয়ে নো বল করে বসেন, ২ রান নেন কামিন্স। ফ্রি হিটে চার মারার পরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করে দেন কামিন্স (১৫ বলে অপরাজিত ৫৬)।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে কেন জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত?

কলকাতা নাইট রাইডার্সকে সামনে দেখলেই জ্বলে ওঠা রীতিমতো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অতীতে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যাট থেকে বড় বড় ইনিংস পাওয়া গেছে। সে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সই হোক কিংবা মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। নাইটদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠে দলকে জয় এনে দিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পঞ্চদশ আইপিএলে নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ তিনি।বুধবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রোহিত শর্মাকে তুলে নেন উমেশ যাদব। উমেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে নাইট উইকেটরকিপার সাম বিলিংসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত। ১২ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি।এবারের আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি রান পেলেন না। প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৪১ রান করেছিলেন রোহিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পাননি রোহিত। ৫ বলে মাত্র ১০ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। এদিন করেন মাত্র ৩ রান। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে যসুরু থেকেই এদিন স্বস্তিতে ছিলেন না রোহিত। উমেশ যাদব ও নাইট রাইডার্সের হয়ে অভিষেককারী জোরে বোলার জম্মু ও কাশ্মীরের রাসিখ সালামের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারছিলেন না। ঝুঁকি নিয়ে আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই উইকেট উপহার দেন।আইপিএলে সবথেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেই সবথেকে বেশি রান করেছেন রোহিত। নাইটদের বিরুদ্ধে আইপিএলে এখনও পর্যন্ত তাঁর রান ১০১৮। কিন্তু বুধবার চূড়ান্ত ব্যর্থ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মাইলস্টোনে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল রোহিত শর্মার সামনে। এই ম্যাচে ৫৪ রান করলেই দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করার নজির গড়তেন রোহিত। ভারতীয়দের মধ্যে টি২০ ক্রিকেটে প্রথম ১০ হাজার রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন বিরাট কোহলি। এদিন ৮ রান করলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সাড়ে চার হাজার রান পূর্ণ করতেন রোহিত। আপাতত এই দুটি মাইলস্টোনের জন্য পরের ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাতীয় দলে ব্রাত্য উমেশ আইপিএলে গড়লেন অনন্য নজির

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে জাতীয় দলে তিনি ব্রাত্য। লাল বলের ক্রিকেটে অবশ্য এখনও তিনি অপরিহার্য। তবে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর দক্ষতায় যে মরচে ধরেনি, প্রমাণ করে চলেছেন উমেশ যাদব। শুক্রবার পাঞ্জাব কিংলের বিরুদ্ধে তিনি অনন্য নজির গড়েছেন। পেছনে ফেলে দিয়েছেন রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, ইউসুফ পাঠানদের। একটা দলের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড এতদিন ছিল রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, ইউসুফ পাঠানের। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৫ বার করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন রোহিত ও গেইল। আর অধুনা ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে ৫ বার ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন ইউসুফ পাঠান। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৬ বার ম্যাচের সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন উমেশ। শুক্রবার তিনি এই রেকর্ড ভেঙেছেন। আরও একটা নজির রয়েছে উমেশ যাদবের ঝুলিতে। আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জোরে বোলারদের মধ্যে তিনিই সব থেকে বেশি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। শুক্রবার কলকাতা নাইট রাইডার্স ও পাঞ্জাব কিংসের মধ্যে ম্যাচেও উমেশ যাদব ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। এই নিয়ে তিনি মোট ১০ বার ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেলেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লসিথ মালিঙ্গা, যশপ্রীত বুমরা, আশিস নেহরা, জয়দেব উনাদকাত। প্রত্যেকেই ৬ বার করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন। এছাড়া ৫ বার করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন ডেল স্টেন, সন্দীপ শর্মা ও ভুবনেশ্বর কুমার। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে যখন কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট দলে নিয়েছিল, অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো খুব বেশি সুযোগ উমেশ যাদব পাবেন না। কিন্তু সুযোগ পেয়ে প্রতিটা ম্যাচেই পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে আগুন ঝড়িয়েছেন। প্যাট কামিন্স এখনও কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের সঙ্গে যোগ দেননি। ইতিমধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিনটি ম্যাচেই দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দিয়েছেন উমেশ যাদব। দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই জোরে বোলার। ইতিমধ্যেই ৩ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ৮ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় তিনি রয়েছেন শীর্ষে। বর্তমানে তিনিই আইপিএলে পার্পল ক্যাপএর মালিক।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলসের ‘‌মাসলসে’‌ উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস, জয়ে ফিরল নাইট রাইডার্স

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে আন্দ্রে রাসেলের চোট চিন্তা বাড়িয়েছিল কলকাতা টিম ম্যানেজমেন্টের। ফিল্ডিং করার সময় কাঁধে চোট পেয়েছিলেন। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, শুক্রবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন তো? সব জল্পনা উড়িয়ে মাঠে নেমেছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর পেশীর তান্ডবে উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। দুরন্ত ইনিংস খেলে জয়ে ফেরালেন কলকাতা নাইট রাউডার্সকে। নাইটরা জিতল ৬ উইকেটে। এদিন মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাটিং করতে পাঠান নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব। ১ রান উমেশ যাদবের বলে এলবিডব্লু হয়ে ডাগ আউটে ফেরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলেন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৯ বলে ৩১ রান করে তিনি শিবম মাভির বলে সাউদির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ান (১৫ বলে ১৬) আউট হতেই হঠাৎ ধস নামে পাঞ্জাব ইনিংসে। পরপর ফিরে যান লিয়াম লিভিংস্টোন (১৯), শাহরুখ খান (০), রাজ বাওয়া (১১), হরপ্রীত ব্রার (১৪) ও রাহুল চাহার (০)। ওডেন স্মিথ (৯) ও কাগিসো রাবাদার (২৫) সৌজন্যে ১৮.২ ওভারে ১৩৭ রানে পৌঁছয় পাঞ্জাব কিংস। আগের দুটি ম্যাচের মতো ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এদিনও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন উমেশ যাদব। ৪ ওভারে ১ মেডেন সহ ২৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন। ৩৬ রানে ২ উইকেট নেন টিম সাউদি। সুনীল নারাইন, শিবম মাভি ও আন্দ্রে রাসেল ১টি করে উইকেট পান। জয়ের জন্য ১৩৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। দ্বিতীয় ওভারে আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (১২)। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৩) এদিন রান পাননি। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ১৫ বলে ২৬ রান করে আউট হন। শ্রেয়স আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন নীতিশ রানা (০)। ৭ ওভারের মধ্যে ৫১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপর জ্বলে ওঠেন আন্দ্রে রাসেল। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা পুশিয়ে দেন। ক্রিটে নেমে ঝড় তুলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ১৪.৩ ওভারে ১৪১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ৩১ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৮টি ৬ ও ২টি ৪। সাম বিলিংস ২৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। রাহুল চাহার ১৩ রানে ২ উইকেট পান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের চিন্তা বাড়ালেন আন্দ্রে রাসেল

পঞ্চদশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ের পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে হার। অল্পরানের পুঁজি নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই করেছিলেন নাইট যোদ্ধারা। তবে শেষরক্ষা করতে পারেনি। হারের থেকেও নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে বড় ধাক্কা আন্দ্রে রাসেলের চোট। নাইট রাইডার্সের অন্যতম বড় ভরসা পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় ঘাড়ে চোট পান রাসেল। চোট পেলেও মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাননি দলের এই নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার। শেষ ওভারে বোলিংও করেন। ম্যাচের শেষ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। যদিও দলকে জেতাতে পারেননি রাসেল। প্রথম দুটি বলে ছয় ও চার মেরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় রাসেলের চোট নিয়ে কিছু বোঝা যায়নি। ম্যাচের পর নাইট রাইডার্সের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম আন্দ্রে রাসেলের চোটের কথা জানান। তিনি বলেন, বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে রাসেল ডাইভ দিয়েছিল। তখন ওর ঘাড়ে চোট লেগেছে। তার পরেও ও বোলিং করতে চেয়েছিল। কাঁধে সমস্যা নিয়েও শেষ ওভারে বোলিং করেছিল। পরের ম্যাচে রাসেলকে পাওয়া যাবে কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি নাইট রাইডার্স কোচ। আন্দ্রে রাসেলের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও অবকাশ নেই। কিন্তু প্রচন্ড চোটপ্রবন। ২০১৪ থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। ব্যাট ও বল হাতে দলকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে তাঁর চোট চিন্তা বাড়িয়েছে টিম ম্যানেজনেন্টের। ২০১৭ সালে তো গোটা মরশুমই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল আন্দ্রে রাসেলকে। এবছর নিলামের আগে যখন নাইট রাইডার্স তাঁকে রেখে দিয়েছিল, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। গোটা মরশুমে আদৌও তিনি ফিট থাকবেন কিনা। দ্বিতীয় ম্যাচের পর সেই জল্পনা জোরালো হয়ে উঠল।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয়, হারল নাইটরা

দ্বিতীয় ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতল ৩ উইকেটে। আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ২০ ওভারও ক্রিজে টিকতে পারল না শ্রেয়স আয়ারের দল! ১৮.৫ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ১২৮ রানে। সর্বোচ্চ রান আন্দ্রে রাসেলের ২৫। দুর্দান্ত বোলিং করে নাইট রাইডার্সকে বিধ্বস্ত করলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২০ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। বাংলার আকাশদীপ নিয়েছেন ৩ উইকেট।টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় শ্রেয়স আয়ারের দল। ৩.১ ওভারে দলের ১৪ রানের মাথায় ভেঙ্কটেশ আয়ার আকাশ দীপের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তিনি ১৪ বলে করেন ১০। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় কেকেআর। ১০ বলে ৯ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে শাহবাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অজিঙ্ক রাহানে। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে নীতীশ রানা আকাশ দীপের দ্বিতীয় শিকার। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন ডেভিড উইলি। রানা করেন ৫ বলে ১০। ৪৪ রানে তৃতীয় উইকেটটি পড়ে কেকেআরের।এরপরই নাইটদের ইনিংসে ধস নামান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪ ওভারে ২০ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ার (১০ বলে ১৩), সুনীল নারিন (৮ বলে ১২), শেল্ডন জ্যাকসন (১ বলে ০) ও টিম সাউদি (৫ বলে ১) হাসারাঙ্গার শিকার। নবম ওভারে সুনীল নারায়ন ও শেলডন জ্যাকসনকে পরপর দুই বলে ফেরান তিনি। স্যাম বিলিংস (১৫ বলে ১৪) ও আন্দ্রে রাসেল (১৮ বলে ২৫) হর্ষল প্যাটেলের শিকার। নাইট রাইডার্সকে লজ্জা থেকে বাঁচান উমেশ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী। জুটিতে ওঠে ২৭ রান। উমেশ যাদব ১২ বলে ১৮ রান করেন। বরুণ চক্রবর্তী ১৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। আকাশ দীপ ৪৫ রানা ৩ উইকেট নেন। হর্ষল প্যাটেলের ৪ ওভারে ২টি মেডেন, ১১ রানের বিনিময়ে তিনি নেন ২ উইকেট। মহম্মদ সিরাজ ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেন। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও শুরুতে বিপর্যয়ে পরে। ১৭ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায়। আউট হন ফাফ ডুপ্লেসি (৫), অনুজ রাওয়াত (০) ও বিরাট কোহলি (১২)। প্রথম ওভারেই অনুজকে তুলে নেন উমেশ যাদব। পরের ওভারেই ডুপ্লেসিকে ফেরান টিম সাউদি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে কোহলিকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় ধাক্কা দেন উমেশ। কিন্তু প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড উইলি ও শেরফানে রাদারফোর্ড। একাদশতম ওভারের শেষ বলে ডেভিড উইলিকে (২৮ বলে ১৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে টেনে নিয়ে যান শেরফানে রাদারফোর্ড ও শাহবাজ আমেদ। ২০ বলে ২৭ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্পড হন শাহবাজ। রাদারফোর্ড (২৮) ও হাসারাঙ্গা (৪) আউট হলেও দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন দীনেশ কার্তিক (অপরাজিত ১৪) ও হর্ষল প্যাটেল ( অপরাজিত ১০)। ৪ বল বাকি থাকতে ১৩২/৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, কুলদীপের সঙ্গে চাকরের মতো ব্যবহার করত নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট!‌

গত বছর আইপিএল চলাকালীনই একসময় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন কুলদীপ যাদব। দিনের পর দিন রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। নাইট কর্তাদের কাছে রিলিজও চেয়েছিলেন। কিন্তু পাননি। তাঁর সঙ্গে নাকি চাকরের মতো ব্যবহার করতেন নাইট কর্তারা। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন কুলদীপ যাদবের কোচ কপিল পাণ্ডে। এমনকি নাইট কর্তাদের জন্য এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কুলদীপ, মনে করছেন তিনি। বেশ কয়েক মরশুম ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সে ব্রাত্য কুলদীপ যাদবকে এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তুলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ করে দিয়েছেন, দলকে জেতানোর মতো দক্ষতা এখনও তাঁর রয়েছে। নাইট রাইডার্সে কুলদীপকে চাকরের মতো রাখা হত বলে জানিয়েছেন কপিল পাণ্ডে। তিনি বলেন, কুলদীপের সঙ্গে নাইট রাইডার্স চাকরের মতো ব্যবহার করত। না খেলিয়ে দিনের পর দিন ওকে বসিয়ে রাখত। ওর মধ্যে হতাশা এসে গিয়েছিল। আমাকে বলত, স্যর আমাকে কেন খেলার সুযোগ দিচ্ছে না, বুঝতে পারছি না। আমাকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। কোথায় সমস্যা জানি না। ওকে যেদিন ছেড়ে দিয়েছিল, খুব খুশি হয়েছিলাম। নাইট রাইডার্সের জন্য কুলদীপ যে আর্থিকভাবে ক্ষতি হয়েছেন, সেকথাও জানিয়েছেন কপিল পাণ্ডে। তিনি বলেন, দুবছর ধরে খেলার সুযোগ না পেয়ে ওর দর অনেক কমে গিয়েছে। ওর যা কোয়ালিটি ৯১০ কোটি টাকা পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু মাত্র ২ কোটি টাকা দর উঠেছিল এবারের নিলামে। নাইট রাইডার্সের জন্যই ওর এতটা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে ওকে বলেছি, ক্ষতি নিয়ে না ভাবতে। দেশের হয়ে খেলার জন্য মনোযোগ দাও। একসময় কুলদীপ যাদবকে বাড়ি ফিরে গিয়ে ঘরে বসে থাকার কথাও নাকি বলেছিলেন দীনেশ কার্তিক, ইওয়িন মর্গানরা। এমনই দাবি করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ। তিনি বলেন, কুলদীপ যাদবের ম্যাচ জেতানোর মতো ট্র্যাক রেকর্ড আছে। ও একটু আবেগপ্রবন। যদি দলকে না জেতাতে পারে, কিংবা খারাপ বোলিং করে কিংবা দল থেকে বাদ পড়ে তাহলে খুব ভেঙে পড়ে। কার্তিক ও মর্গান অধিনায়ক থাকার সময় কুলদীপকে তো বলা হয়েছিল বাড়ি গিয়ে বসে থাকতে।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কুলদীপের ব্যাপারে কেন নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে বিঁধলেন অক্ষর প্যাটেল?‌

রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশানের দাপটে দিশেহারা বোলাররা। রোহিত ঝড় আটকাতে কুলদীপ যাদবের শরণাপন্ন হয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। গতির তারতম্য ঘটিয়ে রোহিতকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন কুলদীপ। পরে তুলে নেন আরও দুটি উইকেট। পঞ্চদশ আইপিএলে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে নতুন জীবন পেলেন এই চাইনাম্যান বোলার। গত কয়েকটা মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সে থাকলেও অধিকাংশ সময়ই রিজার্ভ বেঞ্চে কাটাতে হয়েছে কুলদীপকে। সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীর দাপটে প্রথম একাদশে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে চলে গিয়েছিল কুলদীপ যাদবের ক্রিকেটজীবন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে এই চাইনাম্যান বোলারের ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিয়েছেন। পেয়েছেন ম্যাচের সেরার পুরস্কারও। কুলদীপকে পুরনো ছন্দে দেখে খুশি সতীর্থরাও। কুলদীপের এই ছন্দে ফেরার কারণ কী? একদিকে যেমন রয়েছে হেড কোচ রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শ, তেমনই রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা। প্রস্তুতি শিবিরে কুলদীপকে লেংথ বোলিংয়ের দিকে নজর দিতে বলেছিলেন পন্টিং। প্রথম ম্যাচে তাঁর পরামর্শমতো বোলিং করেই সাফল্য পেয়েছেন কুলদীপ। নিজের মুখেই স্বীকার করে নিয়েছেন সেকথা। দলের সতীর্থ অক্ষর প্যাটেলও জানিয়েছেন পন্টিং ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সাপোর্টও কুলদীপের সেরাটা বার করতে সাহায্য করেছে। কুলদীপের ব্যাপারে কলকাতা নাইট রাইটার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে সমালোচনা করতে ছাড়েননি অক্ষর। তিনি বলেন, নাইট রাইডার্সে নিজের জায়গার ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না কুলদীপ। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পারছিল না। দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দেওয়ার পর বুঝতে পেরেছে এখানে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছে। যে কোনও ক্রিকেটারের ক্ষেত্রেই এমন হয়। কেউ যদি জানে দলে তার জায়গা নিশ্চিত, দুএকটা ম্যাচে খারাপ খেললেও বাদ পড়বে না, তখন সেরাটা বেরিয়ে আসে। কুলদীপের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মধুর প্রতিশোধ নাইট রাইডার্সের, ধোনির ব্যাটে রান সত্ত্বেও হার চেন্নাইয়ের

গতবছর লিগ পর্বে দুটি সাক্ষাৎকারেই চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। চেন্নাইয়ের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল নাইট রাইডার্সকে। পঞ্চদশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই মধুর প্রতিশোধ। উদ্বোধনী ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৬ উইকেটে হারাল নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের হয়ে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচেই দারুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। রান তাড়া করার ব্যাপারে চেন্নাই সুপার কিংসের দারুণ সুনাম আছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রেয়স। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে দারুণভাবে স্বাগত জানিয়ে প্রথম ওভারেই ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (০) তুলে নেন উমেশ যাদব। প্রথম ওভারে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। পাওয়ার প্লেতে সেভাবে রান তুলতে পারেননি চেন্নাইয়ের ব্যাটাররা। পঞ্চম ওভারে ডেভন কনওয়েকে (৩) তুলে নেন উমেশ যাদব। রান তোলার গতি মন্থর থাকায় রবিন উথাপ্পা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেন। বরুণ চক্রবর্তীর বলে তিনি স্টাম্পড হন। ২১ বলে ২৮ রান করেন উথাপ্পা। অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন অম্বাতি রায়ডু (১৫)। শিবম দুবেও (৩) দ্রুত ফেরেন। এরপর দলকে বর্তমান ও প্রাক্তন অধিনায়ক মিলে এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান। এবাবের আইপিএলে প্রথম ম্যাচেই দলকে ভরসা দিয়ে গেলেন ধোনি। ৩৮ বলে তাঁর অপরাজিত ৫০ রানের ইনিংস চেন্নাইকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩১/৫ তোলে চেন্নাই। ২৮ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন জাদেজা। ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৩। ১৬ বলে ১৬ রান করে ডোয়েন ব্রাভোর বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভেঙ্কটেশ আয়ার। তিন নম্বরে নামা নিতীশ রানা ১৭ বলে করেন ২১। তিনিও ব্রাভোর শিকার। তাঁর ওপর নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা করে যে ভুল করেনি, প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ করে দিলেন অজিঙ্কা রাহানে। তিনিই নাইটদের জয়ের ভিত গড়ে দেন। শেষ পর্যন্ত মিচেল স্যান্টনারের বলে তিনি আউট হন। ৩৪ বলে ৪৪ রান করেন রাহানে। সাম বিলিংস ২২ বলে ২৫ রান করে আউট হন। তাঁকে ফিরিয়ে আইপিএলে লসিথ মালিঙ্গার (১৭০) সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্পর্শ করলেন ডোয়েন ব্রাভো। ২০ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। ১৮.৩ ওভারে ১৩৩/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ১৯ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের অধিনায়ককে নিয়ে কী বললেন ভেঙ্কটেশ আয়ার?‌

ভেঙ্কটেশ আয়ার নামের সঙ্গে সেভাবে পরিচিত ছিলেন না ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। গত আইপিএলের পরেই বদলে গিয়েছে ছবিটা। ২০২১ আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও এই তরুণ তারকাকে খুঁজে পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএলে ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরমেন্স জাতীয় দলের দরজা খুলে দিয়ে ভেঙ্কটেশ আয়ারের সামনে। এবছর মেগা নিলামের আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স যে ৪ জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছিল, ভেঙ্কটেশ আয়ার তাঁদের মধ্যে অন্যতম। এবারের আইপিএলে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিতে মরিয়া তিনি। শনিবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আইপিএল অভিযানে নামবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইটদের অন্যতম ভরসা ভেঙ্কটেশ বলেন, কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট এবছর আমার ওপর ভরসা রেখেছে। তার জন্য টিম ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ। গতবছর অল্পেন জন্য চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি। এবছর চেষ্টা করব দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার আমার খুব ভাল বন্ধু। অনুশীলনে ওর সঙ্গে অনেক কথা বলি। শ্রেয়সকে বলেছি, এবছর আইপিএল জিততেই হবে। শ্রেয়স সম্পর্কে আরও বলেছেন, খুব ভাল ছেলে। দারুণ অধিনায়কও। আশা করি দুজনে খুব ভাল সময় কাটাব। বয়সে তরুণ হলেও নেতৃত্বের ব্যাপারে অনেকটাই অভিজ্ঞ। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি সম্পর্কে বেঙ্কটেশ বলেছেন, অধিনায়ক না হয়েও বিরাট ভাই দলে নেতার মতোই। নেতা হতে গেলে কোনও পদের দরকার নেই। আমার মনে হয় নেতা এমন কারও হওয়া উচিত যে দলে একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে পারে। বিরাট ভাইয়ের অনেক অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। ও জন্মগত নেতা। ও জানে যে কী ভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁকে ৬ নম্বরে ভাবলেও জাতীয় দলে যে কোনও পজিশনে খেলতে রাজি ভেঙ্কটেশ আয়ার। নিজেকে সেভাবেই তৈরি করছেন।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বড় ধাক্কা নাইট রাইডার্সের, প্রথম ৫ ম্যাচে পাবেন না এই দুই সেরা ক্রিকেটারকে

আইপিএল অভিযানে নামার আগেই ধাক্কা প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলা দুই দল চেন্নাই সুপার কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের। তবে চেন্নাইয়ের থেকেও কলকাতা নাইট রাইডার্সের ধাক্কাটা বেশি জোরালো। প্রথম ম্যাচে দলের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার মঈন আলিকে পাবে না চেন্নাই সুপার কিংস। অন্যদিকে, প্রথম ৫ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্স পাবে না প্যাট কামিন্স ও অ্যারন ফিঞ্চকে।এই মুহূর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলতে ব্যস্ত প্যাট কামিন্স। টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার পরপরই একদিনের সিরিজ শুরু। তারপর একটা টি২০ ম্যাচ। টেস্ট সিরিজের পর একদিনের সিরিজ ও একমাত্র টি২০ ম্যাচে খেলবেন প্যাট কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে না থাকলেও একদিনের সিরিজ ও টি২০ ম্যাচে খেলবেন অ্যারন ফিঞ্চ। ফলে এই দুই ক্রিকেটারকে প্রথম ৫ ম্যাচে পাবে না নাইট রাইডার্স। বুধবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে নাইট রাইডার্সের মেন্টর ডেভিড হাসি বলেন, সব দলই সেরা ক্রিকেটারদের খেলাতে চায়। কিন্তু আমরা প্রথম ৫ ম্যাচে কামিন্স ও ফিঞ্চকে পাব না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিতেই হবে। দেশের দায়িত্ব পালন করে ওরা আইপিএলের দলে যোগ দেবে।এবছর নিলামে শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়েছে কলকাতা নাইট নাইডার্স। নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট একজন ভাল মাপের নেতা খুঁজছিল। তাই শ্রেয়সের জন্য ঝাঁপিয়েছিল। শ্রেয়সের নেতৃত্বর দক্ষতার ওপর আস্থা রাখছেন দলের মেন্টর ডেভিড হাসি। তিনি বলেন, শ্রেয়সের ক্রিকেটীয় মস্তিষ্ক দুর্দান্ত। নেতা হওয়ার জন্যই ও জন্মেছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে শ্রেয়স নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা দেখিয়ে দিয়েছে। ওর হাতে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়াটা টিম ম্যানেজমেন্ট এবং কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের দুর্দান্ত পদক্ষেপ। তাছাড়া শ্রেয়স ডেপুটি হিসেবে পাবে প্যাট কামিন্সকে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারে কামিন্স। এবছর নাইট রাইডার্সে ভাল মানের উইকেটকিপার নেই। ভরসা শুধু শেলডন জ্যাকসন। তাঁর ওপর আস্থা রাখছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর ডেভিড হাসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন রানের মধ্যে না থাকা অজিঙ্কা রাহানের ওপর ভরসা রাখছেন। রাহানে আইপিএলে রানে ফিরবেন, আশাবাদী হাসি। দলের বোলিং বিভাগেও দারুণ ভারসাম্য আছে বলে তিনি মনে করছেন।

মার্চ ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আজব কান্ড!‌ পুরনো দলের নামই মনে করতে পারলেন না নাইট রাইডার্সের অ্যারন ফিঞ্চ?‌

আজব কান্ড! একসময় নিজেই খেলেছেন। আর সেই দলের নামই কিনা মনে করতে পারছেন না অ্যারন ফিঞ্চ? এটা বাস্তব। আসলে এত বেশি দলে খেলে ফেলেছেন, নামই মনে রাখতে পারছেন না অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের এই অধিনায়ক। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলেসকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাউডার্স। কিন্তু জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। তাই আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। আইপিএলের মেগা নিলামে অবিক্রিত ছিলেন ফিঞ্চ। কলকাতা নাইট রাইডার্স নিয়ে আইপিএলে ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুলবেন তিনি। যা আইপিএলে যে কোনও ক্রিকেটারের কাছে রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত ৯টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি কোনও ক্রিকেটারই গায়ে তুলতে পারেননি। ২০১০ সাল থেকে আইপিএলে খেলছেন অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম বার তিনি রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে তোলেন। এছাড়াও দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, গুজরাট লায়ন্স, পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়েও খেলেছেন। সব দলের নাম মনে থাকলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে খেলার কথা বেমালুম ভুলে গেছেন ফিঞ্চ। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিঞ্চ বলেন, সব দলের নাম মনে আছে। কিন্তু একটা দলের নাম কিছুতেই মনে করতে পারছি না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ছাড়া বাকি ৮ দলের নাম অবশ্য ঝরঝর করে বলে দেন ফিঞ্চ। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তিনি। ফিঞ্চ বলেছেন, নাইট রাইডার্সের পক্ষ থেকে যখন আমাকে খেলার কথা বলা হয়েছিল, আমি ডিনার করছিলাম। তারপর অ্যামির সঙ্গে কথা বলে ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে জানিয়েছিলাম। এবার আমি নাইট রাইডার্সে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।

মার্চ ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অনুশীলন শুরু কেকেআরের, কী বললেন অজিঙ্কা রাহানে?‌

চেন্নাই সুপার কিংসের খিদে যে কতটা বারবার প্রমাণ হয়ে চলেছে। গতমরশুমেও চ্যাম্পিয়ন হয়ে আশ মেটেনি। লক্ষ্য ২০২২এর আইপিএল খেতাবও। সেই লক্ষ্যেই সপ্তাহখানের আগে অনুশীলনে নেমে পড়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। ধোনিদের পথ ধরে এবার প্রস্তুতি শুরু করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সোমবার থেকে ডিওয়াইপাতিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে নেমে পড়লেন অজিঙ্কা রাহানেরা।এদিন থেকে নাইট রাইডার্সের প্রস্তুতি শুরু হলেও সব ক্রিকেটার এখনও অনুশীলনে যোগ দেননি। বিদেশি ক্রিকেটাররা এখনও মুম্বই এসে পৌঁছননি। ভেঙ্কটেশ আয়ার এখনও পুরোপুরি ফিট নন। বেঙ্গালুরুর জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলছে। রিহ্যাব শেষ হলেই তিনি অনুশীলনে যোগ দেবেন। নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়শ আয়ার, উমেশ যাদব জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলতে ব্যস্ত থাকায় এখনও শিবিরে যোগ দেননি। কদিন বিশ্রাম নিয়ে শ্রেয়স শিবিরে যোগ দেবেন বলে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে উমেশ যাদব খুব শীঘ্রই অনুশীলনে যোগ দেবেন। বেশ কয়েকজন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে তাঁরা মাঠে নামবেন।এদিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে। নাইট রাইডার্স তাঁর ওপর আস্থা রাখায় খুশি ভারতীয় টেস্ট দলের এই প্রাক্তন সহঅধিনায়ক। নাইটদের ওয়েবসাইটে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, নাইটস রাইডার্স পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুবই খুশি। একই সঙ্গে উত্তেজিত। নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ। আগের দুটি মরশুম নাইটদের খুব ভাল কেটেছে। আশা করছি এবারেও আমরা ভাল খেলতে পারব।

মার্চ ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নিলামে অবিক্রিত থেকে যাওয়া এই বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে কেন নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স?‌

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রয়েছেন ইংল্যান্ডের ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকতে থাকতে দম বন্ধ হয়ে এসেছে তাঁর। মানসিকভাবেও ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তাই এবছর আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের এই ক্রিকেটার। তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে দলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। অ্যালেক্স হেলস সরে দাঁড়ানোয় তাঁর পরিবর্তে একজন ভাল মানের বিদেশি ওপেনার খুঁজছিলেন নাইট রাইডার্স কর্তারা। বেশ কয়েকটি নাম তাঁদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত অ্যারন ফিঞ্চকেই বেছে নিলেন। অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যারন ফিঞ্চ। গত বছর তাঁর নেতৃত্বেই টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। আইপিএলে খেলার জন্য এবছর মেগা নিলামে নিজের নাম নথিভূক্ত করেছিসলেন ফিঞ্চ। কিন্তু দুদিনের মেগা নিলামে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিই তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি। অবিক্রিতই থেকে গিয়েছিলেন। অথচ আইপিএলে খেলার তাঁর যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। ৮৭ ম্যাচে ২ হাজারের বেশি রান করেছেন। দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে ফিঞ্চকে দলে নিয়েছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। দেশের হয়ে এখনও পর্যন্ত ৮৮টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন ফিঞ্চ। রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি ও ১৫টি হাফসেঞ্চুরি। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে মোট ২৬৮৬ রান। আইপিএলে ৮৭টি ম্যাচে তাঁর রান ২০০৫। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব, দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে খেলেছেন তিনি। অ্যালেক্স হেলসের পরিবর্তে তাঁকে দলে নিয়ে খুশি কলকাতা নাইট রাইডার্স। ফ্র্যাঞ্চাইজির সিইও ভেঙ্কি মাইসোর বলেন, বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ককে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে পেয়ে আমরা খুশি। অ্যারন ফিঞ্চ আসায় আমাদের ব্যাটিং আরও শক্তিশালী হল। ফিঞ্চ নিজেও উত্তেজিত মুম্বইয়ে নাইট রাইডার্সের বাকি সদস্যদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য। ওর বিশাল অভিজ্ঞতা দলকে অনেক উপকৃত করবে। আগামী ২৬ মার্চ চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আইপিএল অভিযান শুরু করবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে অনুষ্ঠিত হবে এই ম্যাচ। তার আগে মুম্বইয়ে প্রস্তুতি শিবির বসবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের। সেই শিবিরে সব ক্রিকেটাররা যোগ দেবেন।

মার্চ ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইট রাইডার্সকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান?‌ রূপরেখা তৈরি শ্রেয়সের

আইপিএলের নিলামে তাঁকে নিয়ে দর চড়চড় করে বেড়েই চলেছিল। অন্যদিকে আমেদাবাদে ভারতীয় দলের টিম হোটেলে বসে সতীর্থদের সঙ্গে নিলাম দেখতে দেখতে রক্তচাপ ক্রমশ বাড়ছিল শ্রেয়স আয়ারের। একসময় নার্ভাসও হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে তাঁকে তুলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি গায়ে তুলতে পেরে গর্বিত শ্রেয়স আয়ার। আরও সম্মানিত তাঁর হাতে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট নেতৃত্বর দায়িত্ব তুলে দেওয়ায়। ২০২০ আইপিএলেদিল্লি ক্যাপিটালসের নেতৃত্বে ছিলেন শ্রেয়স আয়ার। দলকে ফাইনালেও তুলেছিলেন। ফাইনালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। গত মরশুমে চোটের জন্য আইপিএলের মাঝপথে ছিটকে যান। শ্রেয়সের পরিবর্তে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয় ঋষভের হাতে। চোট সারিয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ফিরলেও তাঁকে আর নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। এই মরশুমের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে ধরেও রাখেনি। নাইট রাইডার্স কর্তারা এমন একজন ক্রিকেটারকে দলে চাইছিলেন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই শ্রেয়স আয়ারের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছিল। কীভাবে দলকে পরিচালনা করতে চান, সেকথা কলকাতা নাইট রাইডার্সের ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেকথা তুলে ধরেছেন শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। দলের সকলের মধ্যে বোঝাপড়া ঠিক রেখে দলগত সংহতির ওপর ভর করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আইপিএলে একসময় ব্রেন্ডন ম্যাকালামের সঙ্গে খেলেছেন শ্রেয়স। এবার তাঁকে কোচ হিসেবে পাবেন। ম্যাকালামের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, খেলার সময় ম্যাকালাম আগ্রাসী ছিলেন। ঝুঁকি নিতেও ভালবাসতেন। ওর এই আগ্রাসী মনোভাব আমাকে দারুণ আকৃষ্ট করে। আশা করছি একসঙ্গে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইটদের নেতৃত্বে এবার নতুন তারকা, দেখে নিন কে হল অধিনায়ক

আইপিএলের নিলামে তাঁর জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বেশ কয়েকটা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে টপকে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করেছিল কেকেআর কর্তারা। ১২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়েছিল। কেন ভারতীয় দলের এই তারকার জন্য নাইটরা ঝাঁপিয়েছিল, সেদিনই বিষয়টা পরিস্কার অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। আসলে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। তাই শ্রেয়সের জন্য অল আউট ঝাঁপিয়েছিল নাইট রাইডার্স। তাঁর হাতেই এবার নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দিল টিম ম্যানেজমেন্ট।গত মরশুমে আইপিএলের প্রথম পর্বে নাইট রাইডার্সকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক। তাঁর নেতৃত্বে দল একেবারেই ভাল খেলতে পারেনি। দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে পরে ইওয়িন মর্গ্যানের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেন নাইট কর্তারা। দলকে ফাইনালে তুললেও মর্গ্যানও চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও খুশি ছিলেন না নাইট কর্তারা। তাই ২০২২ মরশুমের জন্য নতুন নেতার খোঁজে ছিলেন। এমন একজন ক্রিকেটারকে তাঁরা চাইছিলেন, যার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই শ্রেয়সের জন্যই ঝাঁপিয়েছিলেন নাইট কর্তারা। আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসকে একসময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। গত মরশুমের শুরুতে চোটের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেন ঋষভ পন্থের হাতে। এবছর কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্ব পেয়ে খুশি শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, কেকেআরের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। আমাকে এই দায়িত্ব দেওয়ার জন্য দলের মালিক ও টিম ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এবছর দারুণ দল গড়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্রিকেটে কলকাতার একটা আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে। আমিও এবার সেই ঐতিহ্যে সামিল হতে চলেছি। আশা করছি নাইট রাইডার্স সমর্থকদের খুশি করতে পারব। দলের অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আয়ারকে পেয়ে খুশি নাইট রাইডার্স হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। তিনি বলেন, শ্রেয়স আয়ারের মধ্যে বড় অধিনায়ক হওয়ার সব গুনই রয়েছে। ওকে দলের অধিনায়ক হিসেবে পেয়ে আমি দারুণ খুশি। একসময় শ্রেয়সের খেলা ও নেতৃত্ব আমি উপভোগ করেছি। এখন জুটি বেঁধে নাইট রাইডার্সকে সাফল্য এনে দিতে চাই।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্স আগ্রহ না দেখালেও দল পেলেন ঋদ্ধি

সীমিত ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ব্রাত্য। টি২০ ক্রিকেটে দেশের জার্সি গায়ে তোলার কখনও সুযোগ হয়নি। জীবনের শেষ একদিনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০১৪ সালের নভেম্বরে। টেস্ট ক্রিকেটেও তাঁকে নাকি আর দলে চান না নির্বাচকরা। সেই অভিমানে এবছর রনজি ট্রফি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। আইপিএলের নিলামেও প্রথম দিন তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাহলে কি ক্রিকেটজীবন শেষ ঋদ্ধিমান সাহার? প্রশ্নটা উঠেই গিয়েছিল। নিলামের দ্বিতীয় দিন একেবারে শেষলগ্নে অবশেষে দল পেলেন ঋদ্ধি। ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় তাঁকে তুলে নিল গুজরাট টাইটানস। ২০০৮ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে খেলছেন ঋদ্ধিমান সাহা। গত বছর ছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদে। উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করলেও ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি। কয়েকটা ম্যাচে তাঁর পরিবর্তে শ্রীবৎস গোস্বামীকেও খেলিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। শনিবার নিলামে ঋদ্ধিমানকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। দ্বিতীয় দিন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির পক্ষ থেকে নিলামে তোলার জন্য অবিক্রিত ক্রিকেটারদের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় ঋদ্ধিমান সাহা ছিলেন। রবিবার নিলামের দ্বিতীয় দিন শেষদিকে অবিক্রিত উইকেটকিপারদের আবার নিলামে তোলা হয়। ঋদ্ধিমানের নাম উঠতেই চেন্নাই সুপার কিংস প্রথমে দর হাঁকায়। এরপর আসরে নামে গুজরাট টাইটানস। চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় ঋদ্ধিকে তুলে নেয় গুজরাট টাইটানস। ঋদ্ধির বেস প্রাইস ছিল ১ কোটি টাকা। ব্যাটিংয়ে তেমন দক্ষতা না থাকলেও তাঁর কিপিং দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু টি২০ ক্রিকেটে সব ফ্র্যাঞ্চাইজিই এমন উইকেটকিপার নিতে চায়, যার ব্যাটের হাত ভাল। এই জায়গাতেই পিছিয়ে ঋদ্ধি। তবুও কিন্তু ঋদ্ধির ব্যাটিং দক্ষতাকে একেবারেই অস্বীকার করা যাবে না। প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরি রয়েছে ঋদ্ধির। পাঞ্জাব কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে বেশ কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। আইপিএলে মোট ১৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন। রান করেছেন ২১১০। ১টি সেঞ্চুরি, ৮টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তবুও এবছর আইপিএলের নিলামে প্রথম দিন অবিক্রিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিতর্কে কড়া হাইকোর্ট! রাজ্যকে বেঁধে দেওয়া হল সময়

বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘ দিন ধরেই কাঁটাতার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার জমি না দেওয়ায় সীমান্তের বড় অংশ এখনও সুরক্ষিত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর করা মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই জমি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করছে না। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি নেওয়া যায়। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে কেন সেই ধারা প্রয়োগ করা হবে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, একটি রাজ্য যদি আন্তর্জাতিক সীমান্তের অংশীদার হয়, তা হলে তারা নিজেরা কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা সত্যিই আশ্চর্যের।আদালত জানায়, যে জমির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছে এবং অধিগ্রহণও হয়েছে, সেই জমি যত দ্রুত সম্ভব হস্তান্তর করতে হবে। এই ক্ষেত্রে এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।রাজ্য এখনও জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পায়নি বলে জানিয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত থাকলে জেলা শাসক সরাসরি আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবীও জানান, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে।মামলায় ২০১৬ সাল থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার রাজ্যকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্য ক্যাবিনেট কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া ৪০ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলেই রাজ্যের অবস্থান। রাজ্য আরও জানায়, যেসব জমির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। কিছু জেলায় এক-দু মাস সময় বেশি লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুন মাসে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসে জমি হস্তান্তরের কাজ শেষ হবে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ জেনারেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কাঁপছে বেজিং

চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কার্যত গোটা চিনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চিনা সেনার পরমাণু বোমা সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন নথি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চিনা সেনার এক শীর্ষ জেনারেল গোপনে সেই টপ সিক্রেট নথি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। এর ফলে চিনের পরমাণু অস্ত্র তৈরির বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নাকি পৌঁছে গিয়েছে ওয়াশিংটনের কাছে।অভিযুক্ত ওই সেনাকর্তার নাম ঝ্যাং ইউঝিয়া। বয়স ৭৫। তিনি চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ, চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প সংক্রান্ত কোর টেকনিক্যাল ডেটা তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমেরিকাকে পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, জেনারেল থেকে আরও উঁচু পদে পৌঁছতে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।একসময় ঝ্যাং ছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ ওঠায় বেজিংয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিন সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানালেও, আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, এই তদন্ত আসলে লোকদেখানো। ভিতরে ভিতরে ঝ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে বলেও জল্পনা।ঝ্যাং সেই সরকারি সংস্থার শীর্ষকর্তা ছিলেন, যারা চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পের দেখভাল করে। ওই সংস্থাই পরমাণু বোমার গবেষণা, উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের দায়িত্বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঝ্যাং এই সমস্ত গোপন তথ্য আমেরিকার হাতে তুলে দেন। সেই অর্থ আবার নিজের পদোন্নতির জন্য ঘুষ হিসেবেও ব্যবহার করতেন।চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা চিনা দূতাবাস এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বিবিসির দাবি, ঝ্যাংকে ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের ওই কমিশনে এখন নাকি মাত্র দুজন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁদের সাময়িকভাবে সরানো হয়েছে।এই কমিশনের আর এক সদস্য লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ঝ্যাং এবং লিউএই দুই শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় চিনা সেনার উচ্চমহলে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রথম শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোনও সেনাকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হল।ঝ্যাং এবং লিউ দুজনেই সত্তর ও আশির দশকে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬১ বছরের লিউ পিপলস লিবারেশন আর্মির জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন। এই বিভাগই চিনা সেনার প্রশিক্ষণ, অপারেশন এবং গোয়েন্দা কাজের দায়িত্বে থাকে।গত দুবছর ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, সেই অভিযানের ফলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয়েছে। ১৯৮০ সালে গঠিত সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ সেনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু সেই কমিশনের সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র দুজনে নেমে আসায়, তাইওয়ান প্রশ্নে চিনের সামরিক পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal