• ১ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Indigo

কলকাতা

উড়ান থামিয়ে নামানো হল যাত্রীদের, শৌচাগার থেকে মিলল বোমা-হুমকি

সাতসকালে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ। শিলংগামী ইন্ডিগো-র 6E-7304 নম্বর বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। খবর ছড়াতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে শিলং যাওয়ার কথা ছিল ওই বিমানের। উড়ানের আগে বিমানের শৌচাগার থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেন এক ক্রু সদস্য। চিরকুটে লেখা ছিল, বিমানে বোমা রাখা আছে। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিমান কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত একে একে সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। সতর্কতাবশে বিমানটিকে আলাদা বে-তে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরো বিমান জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলংগামী ওই উড়ানটি দুপুর ১টা ১০ মিনিট নাগাদ রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত উড়ান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিগোর বিপর্যয়ের নেপথ্যে বিস্ফোরক তথ্য! পাইলট সংকটে ভেঙে পড়ছিল দেশজুড়ে বিমান পরিষেবা

ইন্ডিগোর টানা বিমান-বিভ্রাটের পিছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ডিজিসিএ-র নতুন নিয়ম, যেখানে পাইলটদের বেশি বিশ্রাম দেওয়াকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আহমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর থেকেই এই নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত কর্মী না বাড়ালে এই নিয়ম মানা বিমানসংস্থাগুলির পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই বিশাল নিয়োগে নামতে হয় বিভিন্ন সংস্থাকে। ইন্ডিগোর পর পর সমস্যায় পড়া দেখে তড়িঘড়ি প্রায় ১৪ হাজার পাইলট নিয়োগ করেছে দেশের ছটি বিমানসংস্থা।সোমবার সংসদে এই তথ্য জানান কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী মুরলীধর মোহল। তিনি জানান, এয়ার ইন্ডিয়া ৬,৩৫০ জন এবং এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ১,৫৯২ জন পাইলট নিয়োগ করেছে। আকাশ এয়ারে ৪৬৬ এবং স্পাইসজেটে ৩৮৫ জন নতুন পাইলট যোগ দিয়েছেন। সরকারি অ্যালায়েন্স এয়ার নিয়েছে আরও ১১১ জনকে। সবচেয়ে বড় নিয়োগ করেছে ইন্ডিগো, মোট ৫,০৮৫ জন পাইলট।এই বিশাল নিয়োগের মাঝেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বিপর্যয়ের অষ্টম দিনে, অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ইন্ডিগোর ২০০-রও বেশি উড়ান বাতিল হয়েছে। যাত্রীদের ক্ষোভও বাড়ছে। বিমানসংস্থা জানিয়েছে, সোমবার রাত পর্যন্ত যাত্রীদের মালপত্র, টিকিটসহ মোট ৮২৭ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকি যাত্রীদের টাকাও দ্রুত ফেরত দেওয়া হবে বলে দাবি ইন্ডিগোর।এদিকে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রামমোহন নায়ডু সতর্ক করেছেন, প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না সরকার। নতুন নিয়ম মেনে পরিষেবা চালানো এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমানোদুটোকেই এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
দেশ

ইন্ডিগোর ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের আসল কারণ ফাঁস! যে ভুলে লাখ লাখ যাত্রী বিপদে

একটি সিদ্ধান্ত, আর সেই ভুলেই রাতারাতি ধসে পড়ল ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা। হাজার হাজার যাত্রী নিজেদের ফ্লাইট ধরতে ব্যাগ গুছিয়ে, ট্যাক্সি বুক করে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দেখলেন ফ্লাইট বাতিল। কেউ বৌভাতে যেতে পারেননি, কারোর চাকরি যাওয়ার উপক্রম, আবার কারোর বহু প্রতীক্ষিত ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্টও মিস হয়ে গেল। দেশের সবচেয়ে বড় এয়ারলাইন ইন্ডিগোর এমন বিপর্যয় কেন ঘটল, সেই প্রশ্নে উত্তাল বিমানযাত্রীদের ভিড়।২০২৫ সালের শুরুতেই ডিজিসিএ নতুন ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন রুলস চালু করে। নিয়ম অনুযায়ী পাইলটদের সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা বিশ্রাম, দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ নয়। সপ্তাহে সর্বাধিক ৩৫ ঘণ্টা ডিউটি, মাসে ১২৫ ঘণ্টা, বছরে সর্বোচ্চ ১০০০ ঘণ্টা কাজ করার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। পাশাপাশি এক রোস্টারে মাত্র দুটি নাইট ল্যান্ডিং করার অনুমতি থাকে, যা আগে ছিল ছয়টি। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই নিয়ম করা হয়েছিল, কারণ পাইলটের সামান্য ভুলেই বিপদ হতে পারে হাজার মানুষের।কিন্তু এই নিয়মই ইন্ডিগোর জন্য হয়ে উঠল বড় সমস্যার কারণ। দেশে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট চালায় ইন্ডিগো। অন্য এয়ারলাইন্স যেখানে কম বিমানে কাজ চালায়, সেখানে ইন্ডিগোর ওভারনাইট সার্ভিস প্রায় প্রতিদিনই থাকে। নিয়ম বদলের পরে যেখানে নতুন করে পাইলট নিয়োগ করা দরকার ছিল, সেখানে ইন্ডিগো উল্টে হায়ারিং বন্ধ করে দিল, রোস্টার তৈরি পিছিয়ে গেল, এমনকি কিছু কর্মী ছাঁটাইও হল। অন্যদিকে, এয়ার ইন্ডিয়া আগেই ৫০০ পাইলট নিয়োগ করেছিল বলেই কোনো অসুবিধা হয়নি।ফলে ইন্ডিগোর সিস্টেম পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। এয়ারপোর্টে যাত্রীদের ভিড়, বিমানের ভেতরে যাত্রীরা বসে আছেন, কিন্তু পাইলট নেই, ক্রু নেই। রোস্টারের সময় মেলেনি। একটির পর একটি ফ্লাইট দেরি হতে হতে বাতিল হতে শুরু করল। সামান্য দেরি জমা হতে হতে দিনের শেষে ৬০০৭০০ বিমান বাতিল হয়ে গেল। পাইলট দিল্লিতে, কিন্তু প্রয়োজন ছিল কলকাতায়এই বিশৃঙ্খলাতেই ভেঙে গেল ইন্ডিগোর পুরো নেটওয়ার্ক।শেষমেশ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীরা আটকে পড়লেন দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। খাবার নেই, জল নেই, লাগেজ নেইবাচ্চা থেকে বয়স্ক, সকলেই চরম দুর্ভোগের শিকার হন। দেশে প্রতি ১০ জনে ৬ জন যাত্রী ইন্ডিগোতেই ভ্রমণ করেন, তাই এই বিপর্যয়ের প্রভাবও পড়ল ব্যাপকভাবে।নিয়ম বদলের ব্যাপারে ইন্ডিগোর হাতে যথেষ্ট সময় ছিল। জুলাইয়ে প্রথম ধাপে নিয়ম চালু হয়, নভেম্বর থেকে কার্যকর হয় দ্বিতীয় ধাপ। তার পরও পাইলট বাড়ানো, শিফট বদলানো বা রোস্টার ঠিক করার ক্ষেত্রে ইন্ডিগো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

১২–২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে যাত্রী! ইন্ডিগো নিয়ে কেন্দ্রের তীব্র সতর্কবার্তা

শয়ে শয়ে বিমান বাতিল ও দীর্ঘ দেরির জেরে বিপর্যস্ত ইন্ডিগোর পরিষেবা নিয়ে এবার সরাসরি শোকজ নোটিস পাঠাল ডিজিসিএ। সংস্থার সিইও পিটার এলবার্সকে প্রশ্ন করা হয়েছে কেন টানা এক সপ্তাহ ধরে এত বিমান বাতিল হল এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছল। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্দেশ না মানলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।মঙ্গলবার থেকে দেশের সবচেয়ে বড় বিমান সংস্থা ইন্ডিগোর পরিষেবা কার্যত ধসে পড়েছে। প্রতিদিন শতাধিক বিমান বাতিল হচ্ছে। ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরে বসে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের। খাবার, জল, লাগেজকিছুই পাচ্ছেন না তাঁরা। পরিস্থিতি ঘিরে ক্ষোভ বাড়ছে।কেন্দ্র জানতে চেয়েছে, কী কারণে এত বড় সমস্যা তৈরি হল। নোটিসে বলা হয়েছে, কেন্দ্রের নতুন কাজের সময়সীমা সংক্রান্ত নিয়ম মানতে গিয়েই ইন্ডিগোর রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ব্যর্থ হয়। সংস্থার পরিকল্পনার ঘাটতি এবং পরিষেবার ত্রুটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যাত্রীদের প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হয়নি, এমনকি বাতিল বা বিলম্বের ক্ষেত্রে যে পরিষেবাগুলি দেওয়া বাধ্যতামূলকতাও দেওয়া হয়নি।ডিজিসিএ সরাসরি ইন্ডিগোর সিইওকেই দায়ী করেছে এবং তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছে। আজ, রবিবার বিকেলের মধ্যে টিকিটের টাকা যাত্রীদের ফেরত দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি একটি বিশেষ প্যাসেঞ্জার সাপোর্ট ও রিফান্ড সেল তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিষেবা স্বাভাবিক করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেটাও জানাতে হবে।ইন্ডিগো জানিয়েছে, পরিস্থিতি ঠিক করতে তারা দ্রুত কাজ করছে। প্রায় ৯৫ শতাংশ পরিষেবাই স্বাভাবিকের পথে। সম্পূর্ণভাবে ফিরতে আরও কয়েক দিন লাগবে। আপাতত দিনে প্রায় ১৫০০টি ফ্লাইট চালানোর ব্যবস্থা করছে তারা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

ইন্ডিগোর যাত্রীদের কান্না-চিৎকার! ৫৫০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল, বিমানবন্দরে ১৪ ঘণ্টা আটকে কেঁদে ভাসালেন অনেকে

দিনের পর দিন শুধু বাড়ছেই ইন্ডিগোর বিপর্যয়। বৃহস্পতিবারও দেশজুড়ে ৫৫০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে সংস্থা। লাখ লাখ যাত্রী চরম ভোগান্তির মুখে। কেউ অফিসের জরুরি কাজে যাচ্ছিলেন, কেউ হাসপাতালে, কারও বা বিয়ের অনুষ্ঠান। হঠাৎ ফ্লাইট বাতিলের খবরে সব ভেস্তে গিয়েছে। অনেকে বিমানবন্দরে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা আটকে রয়েছেন। খাবার-জল ছাড়া, লাগেজ ছাড়া, কোনো সঠিক খবর ছাড়া অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কেউ কেউ চাকরি হারানোর ভয়ে কাঁদছেন, কেউ মাটিতে শুয়ে পড়েছেন।মঙ্গলবার থেকেই এই বিশৃঙ্খলা শুরু। নতুন নিয়মে পাইলট ও ক্রু মেম্বারদের বেশি বিশ্রাম দিতে হবে। কিন্তু ইন্ডিগোর কাছে যথেষ্ট সংখ্যক পাইলট-ক্রু নেই। ফলে হঠাৎ করেই উড়ান পরিষেবা ভেঙে পড়েছে। দেশের বেশিরভাগ বিমানবন্দরে একই ছবি। কাউন্টার ফাঁকা, হেল্পডেস্কে কেউ নেই, শুধু হতাশ যাত্রীদের ভিড়। অনেকে এয়ারলাইন্সের কর্মীদের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া করছেন। যাত্রীরা বলছেন, এ যেন মানসিক অত্যাচার।ইন্ডিগো স্বীকার করেছে, নতুন রোস্টার তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সমস্যা থাকবে। আরও দু-তিন দিন প্রতিদিন পাঁচশোর বেশি ফ্লাইট বাতিল হতে পারে। আপাতত রাতের উড়ান ও নাইট ল্যান্ডিং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে সংস্থা, কিন্তু কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

বিমান ধরতে এসে চূড়ান্ত ভোগান্তি! দিল্লি-মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরু—সব জায়গায় ইন্ডিগো ফ্লাইট বাতিল... কী হল

প্রযুক্তিগত ত্রুটি, বিমানবন্দরের অতিরিক্ত ভিড় এবং বিভিন্ন পরিচালনাগত সমস্যার জেরে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ইন্ডিগো। গত দুদিন ধরে দেশজুড়ে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল ও দীর্ঘ বিলম্বে বিমানবন্দরে আটকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।বুধবার দুপুর পর্যন্ত একাধিক বড় বিমানবন্দরে শতাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে অন্তত ৩৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ৫১টিরও বেশি বিমান। হায়দরাবাদেও আগমন ও প্রস্থান মিলিয়ে ১৯টি ইন্ডিগো ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিশাখাপত্তনম, গোয়া, আমদাবাদ, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, মাদুরাই, হুবলি, ভোপাল ও ভুবনেশ্বর থেকে হায়দরাবাদের উড়ানও বাতিল করা হয়েছে।বেঙ্গালুরুর কেমপেগওডা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বুধবার একদিনেই ৪২টি ঘরোয়া ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ২২টি ছিল আগমন এবং ২০টি ছিল প্রস্থান। দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, গোয়া, কলকাতা ও লখনউগামী একাধিক ফ্লাইট এই বিপর্যয়ের তালিকায় রয়েছে। গত কয়েক দিনে বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে ইন্ডিগোর বহু যাত্রী এক থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত দেরির অভিযোগ তুলেছেন।সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, ২ ডিসেম্বর ইন্ডিগোর মাত্র ৩৫ শতাংশ ফ্লাইট সময়মতো উড়তে পেরেছিল এবং ১ ডিসেম্বর সেই হার ছিল ৪৯.৫ শতাংশ। এই অবস্থায় যাত্রীদের ক্ষোভ চরমে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে ইন্ডিগো এক বিবৃতিতে জানায়, গত দুদিন ধরে তাদের পরিষেবা সারা দেশজুড়ে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং এর জন্য তারা যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চায়। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রযুক্তিগত ছোটখাটো সমস্যার পাশাপাশি শীতকালীন সময়সূচির পরিবর্তন, খারাপ আবহাওয়া, বিমান চলাচলে অতিরিক্ত চাপ এবং ক্রুদের নতুন কাজের সময়সীমার নিয়ম চালু হওয়ায় একসঙ্গে বহু সমস্যা তৈরি হয়েছে।পরিস্থিতি সামাল দিতে আগামী ৪৮ ঘণ্টার জন্য সাময়িকভাবে কিছু ফ্লাইটের সময়সূচি বদলানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। সংস্থা জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থা বা টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে অনলাইনে নিজেদের ফ্লাইটের অবস্থা দেখে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, নতুন ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন নিয়ম চালু হওয়ার পর থেকেই ইন্ডিগো তীব্র পাইলট সংকটে ভুগছে। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী সপ্তাহে ক্রুদের বিশ্রামের সময় বেড়েছে, রাতের কাজের সময় বদল হয়েছে এবং রাতে অবতরণের সংখ্যাও কমানো হয়েছে। এই নিয়ম চালু করেছে DGCA Delhi High Court-এর নির্দেশ অনুসারে। এর আগে এই নিয়মের বিরোধিতা করেছিল ইন্ডিগো ও এয়ার ইন্ডিয়া।বর্তমানে এই বিমানসংস্থা প্রতিদিন প্রায় ২১০০টি ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালায়। তার বড় অংশই রাতে পরিচালিত হয়। ফলে ক্রু সংকটের প্রভাব আরও মারাত্মক হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি! বাংলার জন্য আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটির প্রকল্প ঘোষণা

ভোটের আবহে কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় পাঁচ বছর পর আবার ব্রিগেড ময়দানে তাঁর জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সভার মঞ্চে রাখা হয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে সাজানো হয়েছে পুরো মঞ্চ।সভা শুরু হওয়ার আগে ব্রিগেডের সরকারি অনুষ্ঠান থেকে বাংলার জন্য প্রায় আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের নতুন দিশা খুলবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব ভারতের উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। তাঁর কথায়, সড়ক, রেল এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আঠারো হাজার কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্পের সূচনা হয়েছে।তিনি জানান, এই সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন আরও সহজ ও উন্নত হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, খড়গপুর থেকে মৌরিগ্রাম পর্যন্ত দ্রুতগতির সড়ক প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের বহু এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। এছাড়াও দুবরাজপুর বাইপাস এবং কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর উপর নতুন সেতু তৈরি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।এই অনুষ্ঠানে ছয়টি রেলস্টেশনকে আধুনিকীকরণের প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি এই ছয়টি স্টেশনকে নতুনভাবে উন্নত করা হচ্ছে।এছাড়াও তিনি জানান, হলদিয়া বন্দর এবং কলকাতা বন্দরের সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো পূর্ব ভারতের উন্নয়নেও বড় প্রভাব পড়বে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গিরিশপার্কে রণক্ষেত্র! ইটের আঘাত মন্ত্রীর পেটে, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

কলকাতার গিরিশপার্ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছিল। সেই ইটের আঘাত তাঁর পেটে লেগেছে বলে তিনি জানান। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সেই আঘাতের দাগও দেখান। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে এবং তারাই এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।শনিবার দুপুরে ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা রয়েছে। সেই সভায় যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ গিরিশপার্ক এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনের এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের কর্মী সমর্থকেরা বাসে করে ব্রিগেডে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাসে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ সহ একাধিক কর্মী আহত হন। আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও।অন্যদিকে মন্ত্রী শশী পাঁজার দাবি, বিজেপি কর্মীরাই প্রথম হামলা চালায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ করা হয় এবং মারধর করা হয়। মন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতীরা বাসভর্তি ইট, বোতল এবং বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, তারাই তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে।শশী পাঁজা বলেন, তাঁর বাড়ি রাস্তার ধারে হওয়ায় দুষ্কৃতীরা সরাসরি সেখানে আক্রমণ চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইট, বোতল ও লাঠি নিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের উপর হামলা করা হয় এবং তাকেও আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর দলের একাধিক কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ও নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপরও হামলা চালায় এবং মহিলা পুলিশকর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরের উপরও আক্রমণ করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাংলার বাসিন্দা নয়, বাইরে থেকে আনা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বিজেপির বয়কট সংক্রান্ত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা নিয়ে প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় এবং ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। তাঁর কথায়, সেই সময় পুরো এলাকা যেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, একটি বড় ইট তাঁর পেটে লাগে এবং তখন তাঁকে দ্রুত ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা! ভোরে বেলদায় ভাঙচুর, উত্তেজনা চরমে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা বাসটি ঘিরে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর প্রায় পাঁচটা ত্রিশ মিনিট নাগাদ বাসটি আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী বাসটি থামিয়ে চালকের কাছে জানতে চায় বাসটি কোথায় যাচ্ছে। চালক জানান, তাঁরা ব্রিগেডে হওয়া সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।অভিযোগ, এই কথা শুনেই কয়েকটি মোটরবাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে। এরপর লাঠি নিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বাসের কাচ ভেঙে ফেলা হয়। সেই সময় বাসের চালক এবং খালাসিও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কিছু সময় বাসটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকার পর পরে সেটিকে ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্রিগেডের সভায় সমর্থকদের যাওয়া আটকাতেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য সামনে আসবে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বেলদা থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় জনসভা হওয়ার কথা। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ সাজানো হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। এই বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রিগেড ময়দানে যাবেন।দুপুরের দিকে ব্রিগেডে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে মঞ্চ।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে মোদীর সভা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা! তিন হাজার রক্ষী, আকাশে উড়বে না কিছুই

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাকে ঘিরে বিজেপি শিবিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ উড়ান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আকাশে কোনও ড্রোন উড়তে দেওয়া হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে নজরদারি চালাবে পুলিশ।সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন উপকূল নিরাপত্তা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার আধিকারিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেড ময়দানে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বিজেপির একাধিক নেতা।শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। গোটা এলাকাকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন উপ পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরা।চার থেকে পাঁচটি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনাররাও দায়িত্ব পালন করবেন।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে যে মিছিল ব্রিগেডের দিকে আসবে, সেই সব রাস্তায় প্রায় পঞ্চাশটি পিকেট বসানো হয়েছে।শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই সব রাস্তায় বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ।উড়ান নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় আকাশে কোনও ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে পুলিশ নজরদারি চালাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

‘১৪ মার্চ ভুলিনি’—নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে শুভেন্দু, একই দিনে শ্রদ্ধা মমতারও

ভোটের আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এল নন্দীগ্রাম। দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার নন্দীগ্রামে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে একই দিনে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।শনিবার সকালেই নন্দীগ্রামের মালোপাড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতারা এবং বিজেপির একাধিক পদাধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের সেই দিনটি ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, জমি ও বাড়ি রক্ষার জন্য নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের যে লড়াই ছিল, সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মৃতি আজও মানুষের মনে রয়েছে।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমস্ত শহিদদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছেন।প্রতি নির্বাচনের আগেই নন্দীগ্রামের ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন নির্বাচনের আগে আবারও নন্দীগ্রামকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, পরে অধিকারী পাড়ার শহিদ বেদিতেও শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার কথা রয়েছে শাসকদলের নেতাদের। সেখানে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী এবং ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যুক্ত নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীরা প্রথমে অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি পালন করছেন। তারপর সোনাচূড়া শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তাঁদের।অন্যদিকে বেলা এগারোটার দিকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকেও আলাদা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ভাঙাবেড়া এলাকায় শহিদদের স্মরণ করা হবে। এরপর অধিকারী পাড়া এবং মালোপাড়ায় কর্মসূচি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেড মঞ্চে বড় চমক? বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের মুখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার মঞ্চেই তিনি পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা হয়নি। নিজেও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ওই চিকিৎসক।জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডাক পেয়েছেন নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং সভায় যাবেন বলেই ভাবছেন। তবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, সেই বিষয়ে সরাসরি উত্তর দিতে চাননি তিনি।এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক বলেন, তিনি সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও সভায় আমন্ত্রিত হয়ে যাওয়া মানেই যে সেই দলে যোগ দেওয়া, এমনটা নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী মনোভাবাপন্ন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। আর জি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।সেই সময় জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক মিছিল এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। রাতভর আন্দোলন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।শুধু তাই নয়, সেই সময় তিনি আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন।তবে পরে তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।এরপর চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিনিধি কি না, তা তারা জানে না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতেই পারেন, কিন্তু চিকিৎসকদের সম্মিলিত আন্দোলনের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলার অধিকার তাঁকে কেউ দেয়নি বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।পরে আবার আন্দোলনের কিছু মুখের বিরুদ্ধে সমালোচনাও করতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।এখন সেই নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক সূত্রে খবর, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা করতে পারে বিজেপি।সেই কারণে প্রশ্ন উঠছে, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভবিষ্যতে নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন। তবে এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal