• ২১ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

খেলার দুনিয়া

ফুটবলারদের পুরনো ডার্বির ভিডিও দেখালেন রিভেরা, লালহলুদকে সমীহ বাগান কোচ ফেরান্দোর

ডার্বি মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ভরা গ্যালারি। দুই দলের সদস্য সমর্থকদের বাকবিতন্ডা, ফুটবলারদের নামে জয়ধ্বনি, তুমুল উত্তেজনা। করোনার দাপটে এখন সে সব স্মৃতিতে। দেশীয় ফুটবলাররা ডার্বির আবেগ জানলেও, বিদেশি ফুটবলাররা ডার্বির উত্তেজনার আঁচ পায়নি। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ফুটবলারদের ডার্বির আবেগ বোঝাতে পুরনো ফুটবলারদের পুরনো ডার্বির ভিডিও দেখালেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। ফুটবলাররা এতে উদ্বুদ্ধ হবে বলে মনে করছেন তিনি।তিন বছর ধরে ডার্বিতে সাফল্য নেই লালহলুদ শিবিরের। গতবছর যেমন হারতে হয়েছিল, এবছরও প্রথম পর্বের ডার্বিতে হারতে হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। তার ওপর আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ফুটবলারদের বলেছি, লিগ টেবিলে আমরা কোথায় আছি সেটা মাথায় না রাখতে। এই ম্যাচটা আমরা জিততে পারি। ডার্বি মানেই কঠিন লড়াই। সব পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলেছি। ফুটবলাররা সবাই পেশাদার। ওরা ডার্বির গুরুত্ব জানে।হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হলেও ওই ম্যাচের ফলাফল ডার্বিতে প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছেন রিভেরা। তিনি মনে করছেন, হায়দরাবাদের কাছে হার ডার্বিতে ইতিবাচক হয়ে দেখা দিতে পারে। লালহলুদ কোচের যুক্তি, বড় হারের পর ডার্বি ম্যাচ থাকলে ফুটবলারদের মোটিভেশনের অভাব হয় না। কারণ সবাই ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য মরিয়া থাকে। ফুটবলারদের নতুন করে মোটিভেট করার দরকার হয় না। এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে বেশি চিন্তাও করছেন না রিভেরা। তাঁর ব্যাখ্যা, আমাদের তুলনায় ওরাই বেশি চাপ নিয়ে মাঠে নামবে। আমার মতে এই ম্যাচ ৫০৫০।রিভেরার ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও এই প্রথম ডার্বিতে ডাগ আউটে বসবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দুই স্প্যানিশ কোচের স্ট্র্যাটেজির লড়াই। ডার্বিতে অশ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, এইরকম ম্যাচের অংশীদার হওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই ম্যাচের আবেগ কতটা জানি। কোনও ভাবেই ফোকাস নষ্ট করা যাবে না।লিগ টেবিলের সবার শেষে থাকলেও লালহলুদকে যথেষ্ট সমীহ করছেন সবুজমেরুণ কোচ। ডার্বিতে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আগের এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এই দলকে গুলিয়ে ফেললে ভুল হবে। ওরা অনেক বদলে গেছে। আগে মনে হত চাপ নিয়ে মাঠে নামছে। এখন খোলা মনে খেলছে। দলে ছন্দ ফিরে এসেছে। নতুন বিদেশি যোগ দিয়েছে। ফলে আমাদের জিততে গেলে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হবে। তবে আমরা ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব। প্রথম একাদশ নিয়ে মুখ না খুললেও রয় কৃষ্ণার খেলার ব্যাপারে সংশয় রয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের ডার্বিতে কোন দল হট ফেবারিট, কারাই বা আন্ডারডগ?‌

ডার্বি মানেই স্নায়ুচাপের খেলা। অতীতে দেখা গেছে, ভাল দল নিয়েও ডার্বি জেতা যায় না। ম্যাচের দিন যে দল স্নায়ুচাপ ধরে রাখতে পেরেছে, তারাই ডার্বিতে বাজিমাত করে গেছে। ফলে ডার্বিতে নির্দিষ্ট কোনও দলকে এগিয়ে রাখাটা বোকামি। কিন্তু এবারের আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে হট ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে, অনেকটা পিছিয়ে থেকে শুরু করতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে।এটিকে মোহনবাগান ডার্বিতে হট ফেবারিট থাকলেও ফুটবল বোদ্ধারা হয়তো এগিয়ে রাখার ঝুঁকি নেবেন না। কারণ করোনার জন্য পরপর তিনটি ম্যাচ স্থগিত হয়ে যাওয়ায় এটিকে মোহনবাগানের খেলায় ছন্দপতন হয়েছে। যার প্রভাব আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দেখা গেছে। সবুজমেরুণ ফুটবলারদের খেলার মধ্যে ধারাবাহিকতার চরম অভাব। অন্যদিকে, একের পর এক ম্যাচ হেরে এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তার ওপর প্রথম পর্বের ডার্বিতে হারতে হয়েছিল লালহলুদকে। ফলে বদলা নেওয়ার জন্য মরিয়া হবে এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা।এসসি ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় এটিকে মোহনবাগানের চাপ অনেকটাই বেশি। ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহুর্তে লিগ টেবিলে সপ্তম স্থানে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ওডিশা এফসিরর বিরুদ্ধে আগের ম্যাচটা জিতলে চার নম্বরে উঠে আসত। সেটা সম্ভব হয়নি। ডার্বি না জিতলে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে সবুজমেরুণ শিবির। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই চাপটা নেই। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে রয়েছে লালহলুদ শিবির। সেমিফাইনালে ওঠার কোনও সম্ভাবনাই নেই। ফলে চাপমুক্ত হয়ে মাঠে নামতে পারবে মারিও রিভেরার দল।যদি দুই দলের শক্তির বিচার করা হয়, তাহলে আক্রমণভাগে অনেকটাই এগিয়ে এটিকে মোহনবাগান। ১০ ম্যাচে সবুজমেরুণ করেছে ২০ গোল। সেখানে এসসি ইস্টবেঙ্গল ১৩ ম্যাচে করেছে ১৩ গোল। কার্ড সমস্যা মিটিয়ে হুগো বোমাস ডার্বিতে প্রথম একাদশে ফিরছেন। রয় কৃষ্ণা রয়েছেন, সঙ্গে ডেভিড উইলিয়ামস। লিস্টন কোলাসোও চলতি আইএসএলে বেশ কয়েকটা গোল করেছেন। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগের ফুটবলারদের মধ্যে ধারাবাহিকতা নেই। নির্বাসন কাটিয়ে আগে ম্যাচে মাঠে ফিরলেও আন্তোনীয় পেরোসেভিচ হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারেনি। সমর্থকরা তাকিয়ে নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার মার্সোলো রিবেইরার দিকে। পেরোসেভিচের সঙ্গে তাঁকে শুরু থেকে খেলিয়ে চমক দেখাতে পারেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। এছাড়া মাঝমাঠে নতুন বিদেশি ফ্রান সোতাও তাঁর তুরুপের তাস হতে পারেন।আইএসএলের শুরু থেকেই দুই দলের রক্ষণ যথেষ্ট নড়বড়ে। গোল করেও গোল ধরে রাখতে পারেনি দুই দল। বরং রেনেডি সিং যে কটা ম্যাচে দলের দায়িত্বে ছিলেন, অনকেটাই সংঘবদ্ধ দেখিয়েছে লালহলুদ রক্ষণকে। আদিল খান অনেকটাই নির্ভরতা দিয়েছে। ড্যারেল সিডোয়েলও ছন্দে ফিরেছেন। ফলে এসসি ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ ভেদ করতে যথেষ্ট ঘাম ঝড়াতে হবে রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাসদের।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গল ডার্বি জিতলে সেটা হবে সবথেকে বড় অঘটন, কেন একথা বললেন শ্যাম থাপা?‌

শনিবার আইএসএলের মহারণ। রাত পোহালেই আবার মাঠে নামছে কলকাতার দুই প্রধান। আইএসএলের এই হাইভোল্ডেজ ম্যাচ নিয়ে আগের মতো ক্রীড়ামহলে আর তেমন উত্তেজনা নেই। সদস্যসমর্থকদের মধ্যেও সেই উন্মাদনা নেই। সবাই যেন ধরে নিয়েছেন, এটিকে মোহনবাগানের সামনে দাঁড়াতেই পারবে না এসসি ইস্টবেঙ্গল। বর্তমান পরিস্থিতিও সেই ইঙ্গিতও দিচ্ছে। তবুও ডার্বি বলে কথা। অনেক কিছুই তো ঘটতে পারে। কিন্তু লালহলুদকে নিয়ে আশা দেখতেন না কেউ। যেমন দুই প্রধানকে বহু ডার্বিতে উতরে দেওয়ার নায়ক শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন।আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না শ্যাম থাপা। তিনি বলছিলেন, আমি তো এসসি ইস্টবেঙ্গলের জেতার কোনও আশাই দেখছি না। জেতা তো দূরের কথা, ড্র করতে পারবে কিনাও সন্দেহ। এই ইস্টবেঙ্গল টিমের কী আছে বলুন তো? একটা পজিশনেও ভাল ফুটবলার আছে, যাকে ঘিরে সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতে পারে। এটিকে মোহনবাগানের দিকে তাকান। সব বিভাগেই ভাল ভাল ফুটবলার। রক্ষণ একটু কমজোরি হলেও আক্রমণভাগ খুবই শক্তিশালী। রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশি রয়েছে আক্রমণভাগে। এছাড়া লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংয়ের মতো দেশীয় ফুটবলাররা। এদের আটকানোর মতো ডিফেন্ডার এসসি ইস্টবেঙ্গলে নেই।১৯৭৮ র ডার্বি ম্যাচে শ্যাম থাপার বাইসাইকেল কিকশোনা যাচ্ছে চোটের জন্য রয় কৃষ্ণা অনিশ্চিত। তা সত্ত্বেও মোহনবাগানকে পিছিয়ে রাখছেন না শ্যাম থাপা। তিনি বলেন, রয় কৃষ্ণা খেলতে না পারলেও সমস্যা হবে বলে মনে করছি না। কার্ড সমস্যা মিটিয়ে হুগো বোমাস প্রথম একাদশ ফিরছে। ডেভিড উইলিয়ামস আছে। মাঝমাঠে জনি কাউকো। ডিফেন্সে তিরি, ম্যাকহিউরা আছে। স্বদেশি ফুটবলাররাও যথেষ্ট ভাল। শুনছি নাকি সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকেও খেলানো হতে পারে। সুতরাং এই এটিকে মোহনবাগানকে যদি এসসি ইস্টবেঙ্গল হারাতে পারে, সেটা হবে এই আইএসএলের সবথেকে বড় অঘটন।অতীতে দুর্বল দল নিয়েও লালহলুদের ডার্বি জেতার ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু এই এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই ক্ষমতা নেই বলে মনে করছেন শ্যাম থাপা। তিনি বলেন, আগে ডার্বির একটা অন্য আবেগ ছিল। এইসব বিদেশি কোচ, ফুটবলাররা মুখে যাই বলুক, ডার্বির আবেগ জানে? গুরুত্ব বোঝে? আবেগ থাকা চাই। সেটা থাকলেও দুর্বল দল নিয়ে জেতা যায়। সেটা অতীতে আমরা অনেকবার জিতেছি। কখনও ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে, কখনও এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে। সেসব দিন এখন আর নেই।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বি নিয়ে কী বললেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ মানোলো দিয়াজ?‌ জানলে চমকে যাবেন

এবারের আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে তিনিই ছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের ডাগ আউটে। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ খেলতে নামছে লালহলুদ শিবির। এবার আর ডাগ আউটে নয়, সুদূর স্পেনে বসে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে হবে মানোলো দিয়াজকে। তাঁর কোচিংয়েই প্রথম পর্বের ডার্বিতে ৩ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল লালহলুদকে। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না লালহলুদের এই প্রাক্তন কোচ।ডার্বি নিয়ে মানোলো দিয়াজের বক্তব্য, এসসি ইস্টবেঙ্গলের যা অবস্থা, এবারও ডার্বি জেতার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ভাগ্যের জোরে জিতেছিল। পরের ম্যাচেই হায়দরাবাদ এফসির কাছে হার। দলটার যদি ছন্দ ফিরে আসত তাহলে তো পরের ম্যাচেও জিতত। মানোলো দিয়াজের কোচিংয়ে প্রথম পর্বের ডার্বিতে প্রথমার্ধে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধেই ৩ গোল হজম করতে হয়েছিল। ৫ গোলের রেকর্ডও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা লড়াই করে ম্যাচে ফিরেছিল লালহলুদ ব্রিগেড।মানোলো দিয়াজকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন রেনেডি সিং। তাঁর কোচিংয়ে লালহলুদ ফুটবলারদের মধ্যে লড়াইটা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। যা দিয়াজের সময় দেখা যায়নি। তবুও এই স্প্যানিশ কোচের দাবি, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কয়েকজন ফুটবলার ছাড়া বাকিদের আইএসএলে খেলার যোগ্যতাই নেই। এমনকি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও ড্যারেল সিডোল ছাড়া বাকি বিদেশি ফুটবলারদের নাকি কর্তারাই পছন্দ করে দলে নিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের তিন মূলত এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দারের দিকে।রেনেডি সিং দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আদিল খান প্রথম একাদশে। নিয়মিত খেলছেন। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতাও দিচ্ছেন। তবু আদিল খানকে ভাল মানের ডিফেন্ডারের স্বীকৃতি দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আদিল খানের দক্ষতা এমন কিছু আহামরি নয়। ভাল স্ট্রাইকারের সামনে পড়লে ওর দুর্বলতা ফুটে উঠবে। ওকে না খেলানোর জন্য আমার অনেক সমালোচনা হয়েছিল। সবই শুনেছি। ওকে একটা ম্যাচে আমি খেলাতে চেয়েছিলাম। ও খেলতে রাজি হয়নি। একজন পেশাদার ফুটবলারের এইরকম আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। টিমটার মধ্যে শৃঙ্খলা ছিল না। এরজন্য কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট দায়ী।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : সিংহের মামলায় হার, মকরের অসাধুতা লাভ

মেষ/ARIES: কার্যোসিদ্ধি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: উন্নতির যোগ রয়েছে।মিথুন/GEMINI: বিত্তহানি হতে পারে।কর্কট/CANCER: গোপন পরামর্শে লাভ হতে পারে।সিংহ/LEO: মামলায় হার হতে পারে।কন্যা/VIRGO: রাজনৈতিক সুনাম হতে পারে।তুলা/ LIBRA: অপমানিত হতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: যশবৃদ্ধি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: হঠাৎ বিপদ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: অসাধুতা লাভ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: আনন্দলাভ করতে পারেন।মীন/ PISCES: একাগ্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

'আমার বিরুদ্ধে কি লুকআউট নোটিশ আছে? আমি কি মাওবাদী?' কেন বললেন শুভেন্দু

বিকাশভবনে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দেয় বিরোধী দলনেত শুভেন্দু অধিকারীকে। স্কুল-কলেজ কবে খুলবে তা জানতেই ৫-৬ জন দলীয় বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সল্টলেকে বিকাশভবনে স্কুল শিক্ষা দফতরের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। পুলিশ তাঁকে বাধা দিতেই শুভেন্দু বলেন, আমার বিরুদ্ধে কি লুকআউট নোটিশ আছে? আমি কি মাওবাদী? পুলিশ আধিকারিক আমাকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করছেন আমি কোথায় যাব! শুভেন্দুর প্রশ্ন, আমাকে রাস্তায় আটকাচ্ছেন কেন? শিক্ষা সচিব দেখা না করলে আমরা বেরিয়ে আসব। তারপরই তিনি স্লোগান তোলেন স্কুল-কলেজ খুলতে হবে। ১৫টা রাজ্যে স্কুল-কলেজ খুলেছে। এখানে কেন বন্ধ রাখা হচ্ছে।এদিন শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গারা রাস্তায় বসে পড়ে প্রতিবাদ জানান। ব্যাপক উত্তেজনা উত্তেজনা ছড়ায় সল্টলেকে। পুলিশের সঙ্গে বাক-বিতন্ডা চলতেই থাকে শুভেন্দু অধিকারীর। পরিস্থিতি ক্রমশ ঘোরাল হতে থাকে। পুলিশও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। পুলিশ জানিয়ে দেয়, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।কোভিড পরিস্থিতিতে একবার স্কুল খুলে কিছু দিনের মধ্যে তা বন্ধ করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তৃতীয় ঢেউ একটু স্বাভাবিকের পথে যেতেই স্কুল-কলেজ খোলার দাবি জোরাল হতে থাকে। শুধু বিজেপি নয় সমাজের নানা স্তর থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবি উঠতে থাকে। বৃহস্পতিবার সল্টলেকের বিকাশভবনে শিক্ষা দফতরের সচিবের সঙ্গে কয়েকজন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে দেখা করতে যান শুভেন্দু অধিকারী। তখন পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।শুভেন্দুর বক্তব্য, ২০০ জন নিয়ে বিয়েবাড়ি হতে পারে, দিনরাত মদের দোকান খোলা, আর স্কুল খুলতেই এই সরকারের সমস্যা? এদিন আটকালেও ফের তিনি বিকাশভবনে যাবেন বলেও ঘোষণা করেন{ রোজ কেউ না কেউ আসবেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তৃণমূলের বক্তব্য, স্কুল-কলেজ খোলা নিয়ে ভাবনা রয়েছে রাজ্য সরকারের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ছন্নছাড়া লালহলুদকে ডার্বিতে কেন গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগানের হুগো বোমাস?‌

এই মুহূর্তে আইএসএলের লিগ টেবিলে সবার শেষে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৩ ম্যাচে জয় মাত্র একটিতে। আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৪ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছে। ডার্বিতে নামার আগে মনোবল একেবারে তলানিতে লালহলুদ শিবিরের। তা সত্ত্বেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নয় এটিকে মোহনবাগান শিবির। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে থাকলেও বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির কাছে আটকে যেতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল একেবারেই ভাল হয়নি সবুজমেরুণ শিবিরের। ওডিশা ম্যাচের ড্র ডার্বিতে পুষিয়ে নিতে চান এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। সবুজমেরুণ শিবিরের লক্ষ্য ডার্বি জিতে লিগ টেবিলের ওপরের দিকে উঠে আসতে। দীর্ঘদিন পর মাঠে নেমে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে একেবারেই ছন্দে ছিল না এটিকে মোহনবাগান। আসলে দীর্ঘদিন ম্যাচের মধ্যে না থাকাটা সমস্যায় ফেলে দিয়েছিল। সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দোর বিশ্বাস ডার্বিতে ছন্দে ফিরবে দল।ডার্বিতে মাঠে নামার আগে এটিকে মোহনবাগান কোচকে স্বস্তি দিচ্ছে ফুটবলারদের চোটআঘাত ও কার্ড সমস্যা কাটিয়ে ওঠা। কার্ড সমস্যার জন্য আগের ম্যাচে খেলতে পারেননি হুগো বোমাস। ডার্বিতে তিনি মাঠে ফিরছেন। করোনামু্ক্ত হয়ে জনি কাউকোও খেলার জন্য তৈরি। এছাড়া বাকিরাও ডার্বিতে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আগের ম্যাচ ড্র হলেও প্রথম পর্বের ডার্বিতে জয়ে বাড়তি আত্মবিশ্বাসী এটিকে মোহনবাগান শিবির।প্রথম পর্বের ডার্বিতে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন হুগো বোমাস। শনিবার মাঠে নামার জন্য তিনি মুখিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও জয়ের ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। ডার্বি নিয়ে বোমাসের প্রতিক্রিয়া, ডার্বির গুরুত্ব কতটা জানি। সবাই এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকে। দীর্ঘদিন অনুশীলন করতে পারিনি। তারজন্য আগের ম্যাচে সমস্যা হয়েছিল। ডার্বির আগে পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। আশা করছি গোটা দল ছন্দে ফিরবে। আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে এসসি ইস্টবেঙ্গল ৪ গোল খেলেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণভাগের এই স্তম্ভ। বোমাস বলেন, প্রথম পর্বে জিতেছিলাম বলে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হালকাভাবে নেওয়ার কিছু নেই। আগের ম্যাচে হারের বদলা নেওয়ার জন্য মরিয়া হবে। জিততে গেলে আমাদের সতর্ক হয়ে মাঠে নামতে হবে। আইএসএলে ডার্বির পরিসংখ্যান অবশ্য এটিকো মোহনবাগানের অনুকূলে। একবারও জিততে পারেনি লালহলুদ শিবির।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ডার্বিতে ৫–৬ গোলের লজ্জায় পড়তে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? কী বললেন সমরেশ চৌধুরি‌

আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। শনিবার আবার দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল একেবারেই ভাল হয়নি দুই দলের কাছে। এটিকে মোহনবাগান আগের ম্যাচে আটকে গিয়েছিল ওডিশা এফসির কাছে। অন্যদিকে, হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। চলতি আইএসএলে ১৩ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটা ম্যাচে জয় পেয়েছে লালহলুদ। ৬টি হার, ৬টি ড্র। তুলনামূলকভাবে অনেক ভাল জায়গায় এটিকে মোহনবাগান। ১০ ম্যাচে চারটিতে জয়, চারটি ড্র। হার দুটি ম্যাচে। ডার্বিতে লালহলুদের জয়ের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না লালহলুদ জার্সি গায়ে একসময় দাপিয়ে খেলা সমরেশ চৌধুরি।এসসি ইস্টবেঙ্গলের নাম শুনলেই রীতিমতো রেগে আগুন লালহলুদের এই ঘরের ছেলে। সমরেশ চৌধুরি বলছিলেন, এই এসসি ইস্টবেঙ্গল দল নিয়ে আলোচনা করতেই আমার ঘেন্না লাগছে। এটা কোনও দল হল? গোলকিপার থেকে শুরু করে স্ট্রাইকার, একটাও ভাল ফুটবলার আছে। আমার তো মনে হয় লালহলুদ জার্সি গায়ে দেওয়ার কোনও যোগ্যতাই এদেন নেই। কোন ফুটবলারকে নিয়ে আলোচনা করব? কাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখবে সমর্থকরা?ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না সমরেশ চৌধুরি। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গলের অনেক দল দেখেছি। এইরকম দুর্বল দল কখনও দেখিনি। দুর্বল দল নিয়েও অতীতে লালহলুদ ডার্বি জিতেছে। এবার জেতার কোনও সম্ভাবনাই দেখছি না। এমনকি ড্র করতে পারে, এমন আশাও নেই। আমার তো মনে হয় ৫৬ গোলের লজ্জায় না পড়তে হয়। আক্রমমভাগ থেকে শুরু করে রক্ষণ, সব পজিশনেই হতশ্রী অবস্থা। তাছাড়া এই দলে কজন ফুটবলার ডার্বির আবেগ বোঝে? ডার্বিতে এই এসসি ইস্টবেঙ্গল নিয়ে আতঙ্কে আছি।এটিকে মোহনবাগানকে ডার্বিতে যে আটকানো কঠিন, মেনে নিয়েছেন সমরেশ চৌধুরি। তিনি বলেন, ওডিশা এফসির কাছে এটিকে মোহনবাগান আটকে গেলেও ওরা ভাল ছন্দে রয়েছে। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো ফুটবলাররা রয়েছে। এদের আটকানোর মতো ডিফেন্ডার লালহলুদে নেই। তাছাড়া প্রথম পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে উড়ে গিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে সবুজমেরুণ শিবির।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
কলকাতা

গুরুতর অসুস্থ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, গ্রিন করিডর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এসএসকেএমে

গুরুতর অসুস্থ সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁকে গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে নিজে ফোন করে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় শিল্পীকে কিছুটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে হয় মুখ্যমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, এর পর শিল্পীর মেয়েকে ফোন করে সন্ধ্যা দেবীর খবরাখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত যে কোনও প্রয়োজনে রাজ্য সরকার সাহায্য করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।সূত্রের খবর, ফুসফুসে সংক্রমণ রয়েছে তাঁর। বুধবার সন্ধ্যে থেকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন শিল্পী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। কিন্তু বুধবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয় পরিবার। বিষয়টি জানানো হয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মৌসুমী দাসকে।বুধবার রাত থেকে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে শিল্পীর। শিল্পীর আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছে, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেই সব পদক্ষেপ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, সঙ্গীতশিল্পীকে এসএসকেএমের উডবার্ন ভর্তি করা হচ্ছে। সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকও রয়েছেন। দু দিন আগেই কেন্দ্রের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন গীতশ্রী।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
দেশ

ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে রেললাইনে বিস্ফোরণ! মিলল মাওবাদী পোস্টার

ধানবাদ-গয়া শাখার রেললাইনে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের জেরে রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রুট বদল করতে হয়েছে রাজধানী-সহ বহু ট্রেনের। বুধবার রাত দেড়টা নাগাদ ধানবাদ-গয়া ডিভিশনে এই বিস্ফোরণটি ঘটে। ধানবাদ ডিভিশনের কারামাবাদ ও চিচাকি স্টেশনের মাঝামাঝি এই বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলেও জানা গিয়েছে। কিন্তু কোনও প্রাণহানি হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে মিলেছে মাওবাদীদের একাধিক পোস্টার। বড় নাশকতার ছকও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড-বিহার বনধে্র ডাক দেওয়ার পর থেকেই মাওবাদীরা রেলকে টার্গেট করেছে। ২৭ জানুয়ারি ঝাড়খণ্ড-বিহারে বনধে্র ডাক দিয়েছিল মাওবাদীরা। সিপিআই পলিটব্যুরোর সদস্য প্রশান্ত বোস এবং তাঁর স্ত্রী শীলা মারান্ডিকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই বনধ্ ডাকা হয়েছিল।Jharkhand | Suspected Naxals blow up a portion of railway tracks on the Howrah-New Delhi line between Chichaki and Chaudharybandh railway stations in Giridih; details awaited pic.twitter.com/9cx7GE14NK ANI (@ANI) January 27, 2022আবার নাশকতার আশঙ্কা থাকায় গতি নিয়ন্ত্রণ করে ট্রেন চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ সতর্কতাও। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ট্র্যাক মেরামতের কাজ চলছে। বিস্ফোরণের খবর পাওয়া মাত্রই ওই রুটে বহু ট্রেন বাতিল করা হয়। রাজধানী-সহ অনেক ট্রেনের রুট পরিবর্তনও করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে, হাওড়া-দিল্লি রেল রুটের গোমো-গয়া (জিসি) রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ধানবাদ-দেহরি এক্সপ্রেস। একই সঙ্গে গয়া-আসানসোল প্যাসেঞ্জার এবং আসানসোল-বারাণসী প্যাসেঞ্জারও বাতিল করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: বৃষের দেহারোগ্য, মীনের স্বাস্থ্যের অবনতি

মেষ/ARIES: সত্যি কথায় ক্ষতি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: দেহারোগ্য হতে পারে।মিথুন/GEMINI: স্বার্থত্যাগ করতে হতে পারে।কর্কট/CANCER: দায়িত্ববৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/LEO: মিথ্যাবাদ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: অভাব অনটনে ভুগতে পারেন।তুলা/ LIBRA: অর্থলাভ করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: প্রণয়সুখ লাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: আর্থিক চিন্তা হতে পারে।মকর/CAPRICORN: চৌর্যভয় হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: ঠিকাদারিতে লাভ করতে পারেন।মীন/ PISCES: স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের বাড়লো করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, জলপাইগুড়িতে বৃদ্ধি মৃত্যু

টানা নেমে যাওয়ার পর রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৬৯জন। গতকালের তুলনায় করোনা সংক্রিমেতর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় পাঁচশো। গতকাল আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪,৪৯৪ জন। এদিন রাজ্যে মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৭,৮৬২ জনের। পজিটিভিটি রেটও প্রায় একই রয়েছে। গতকাল পজিটিভিটি রেট ছিল ৭.১২ শতাংশ। এদিন রেট ৭.৩২ শতাংশ।তবে এদিনও করোনা সংক্রমিত হয়ে মৃতের সংখ্যা টানা তিরিশের ঘরেই রয়ে গিয়েছে। এদিন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। মৃত্যু হার ১.০৩ শতাংশ।এদিন মোট সুস্থ হয়েছেন ১৭,৭৩৪ জন। জলপাইগুড়িতে ৭ ও উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ জনের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কলকাতায় মৃত্যুর সংখ্যা ৬। রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ২০,৪৪৫। কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫৪ জন। আক্রান্তের সংখ্যায় কলকাতাকে টপকে গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯৭ জন।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬৫৪উত্তর ২৪ পরগনা ৬৯৭দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪০৯হাওড়া ১৪৫পশ্চিম বর্ধমান ১৭৬পূর্ব বর্ধমান ২০৭হুগলি ২১৯বীরভূম ৩১৯নদিয়া ২৯৬মালদা ২৩৪মুর্শিদাবাদ ১২৫পশ্চিম মেদিনীপুর ১৭১পূর্ব মেদিনীপুর ৮৪পুরুলিয়া ৭২দার্জিলিং ১২৪বাঁকুড়া ২৯১জলপাইগুড়ি ১৭০উত্তর দিনাজপুর ৯৩দক্ষিণ দিনাজপুর ১২৭ঝাড়গ্রাম ৫৮ কোচবিহার ১৪৬আলিপুরদুয়ার ১১০কালিম্পং ৪২

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

স্কুল খোলার দাবিতে বর্ধমানে শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পোড়ালো বাম শিক্ষক ও ছাত্র সংগঠন

বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন চালুর দাবীতে পথে নেমে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পোড়ালো বাম ছাত্র ও শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা। স্কুল খোলার দাবিতে মঙ্গলবার বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে যৌথ ভাবে গণস্বাক্ষর সংগ্রহে নামে এবিটিএ,এবিপিটিএ, এসএফআই এবং বিএসপিএসের সদস্যরা। সেখানেই তারা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।সরকার দাবি না মানলে গোটা রাজ্যজুড়ে আইন অমান্য আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারি এদিন দিয়েছেন এসএফআই নেতৃত্ব।আন্দোলনকারীরা এদিন অভিযোগ করেন, রাজ্যে মেলা,খেলা সবই চলছে। সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনযাপনও চলছে। অথচ শুধু বন্ধ রয়েছে বিদ্যালয়গুলি। দাবি না মানলে গোটা রাজ্যজুড়ে এসএফ আই আইন অমান্য আন্দোলন করবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক সুদীপ্ত গুপ্ত বলেন, আমরা চাই সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হোক। আবার স্কুলমুখী হোক ছাত্রছাত্রীরা। পঠন পাঠন চালুর মধ্যে দিয়ে রাজ্যে পূর্বের শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হোক এটাই আমাদের মূল দাবি। সুদীপ্তবাবু আরও জানান, এবছর মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিত থেকেছে। বেড়েছে ড্রপ আউটের সংখ্যা। অনেক মেয়ে আছে যাদের অল্প বয়সে এই সময়ের মধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে। এরকম অবস্থা যদি চালু থাকলে আগামি দিনে শিক্ষাব্যবস্থা আরও চরম সংকটে পড়বে। তাই তাঁরা চান অবিলম্বে পঠন-পাঠন শুরু হোক বিদ্যালয় গুলিতে। এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধমান জেলার সম্পাদক অনির্বাণ রায় চৌধুরী জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবি তুলেছে বামপন্থী শিক্ষক এবং ছাত্র সংগঠন গুলি। রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ ও মানবসম্পদের কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খুলতে হবে। এই দাবিতে আগামী ২৭ তারিখ গোটা রাজ্য জুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে খোলা আকাশের নিচে ওপেন এয়ার ক্লাসরুম করবেন।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : সিংহের আশার সঞ্চার, কর্কটের সম্পদহানি

মেষ/ARIES: বুদ্ধিভ্রম হতে পারে।বৃষ/TAURUS: বাতের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: সহানুভূতি লাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: সম্পদহানি হতে পারে।সিংহ/LEO: আশার সঞ্চার হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মামলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।তুলা/ LIBRA: নতুন উদ্যোগ শুরু করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অপবাদ জুটতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: উৎফুল্লতা লাভ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ব্যবসায় লাভ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: আত্মীয় বিবাদ হতে পারে।মীন/ PISCES: অর্থলাভ করতে পারেন।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের চমক নতুন বিদেশি, কে সেই বিদেশি?‌

টানা ১১ ম্যাচ পর এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জয় স্বপ্ন দেখিয়েছিল লালহলুদ সমর্থকদের। সোমবার হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৪০ গোলে হার প্রত্যাশার পারদ চুপসে গেছে। একাধিক ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। পরের ম্যাচ ২৯ জানুয়ারি এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়া মনোবল কি ডার্বিতে ফিরিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন লালহলুদ ফুটবলাররা। দলের আত্মবিশ্বাস ফেরানোটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ কোচ মারিও রিভেরার।আগের ম্যাচে ভাল খেলেও হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলের পারফরমেন্সে হতাশ লালহলুদ কোচ। হায়দরাবাদের কাছে হারের পর তিনি বলেন, ম্যাচের ফল খুবই হতাশাজনক। একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। যদিও ফুটবলাররা সেরাটা দিয়েছিল। পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারেনি। বেশ কয়েকটা ভুল আমাদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। পাশাপাশি বিপক্ষের স্ট্রাইকার বার্থোলেমিউ ওগবেচেকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে মারিও রিভেরা। তিনি বলেন, ওগবেচে আইএসএলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার। ওর কাছেই হারতে হয়েছে। সব সুযোগগুলোই কাজে লাগিয়েছে।🚨𝐀𝐍𝐍𝐎𝐔𝐍𝐂𝐄𝐌𝐄𝐍𝐓🚨We are happy to announce the signing of versatile Spanish midfielder 𝐅𝐫𝐚𝐧𝐜𝐢𝐬𝐜𝐨 𝐉𝐨𝐬 𝐒𝐨𝐭𝐚 on a short term deal that will see him turn out for the red and gold brigade till the end of the season.#JoyEastBengal #WeAreSCEB #আমাগোক্লাব pic.twitter.com/u4FHeGFbNG SC East Bengal (@sc_eastbengal) January 25, 2022এসসি ইস্টবেঙ্গলের পরের ম্যাচই ডার্বি। ডার্বির আগে হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হলেও এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ের স্বপ্ন দেখছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তিনি বলেন, সমর্থকদের কাছে ডার্বির গুরুত্ব কতটা, তা আমি জানি। ওদের জন্যই ডার্বি জিততে চাই। তবে ডার্বিতে নতুন বিদেশি ফ্রান সোতাকে পাবেন কিনা এখনও নিশ্চিত নন মারিও রিভেরা। বেশ কয়েকদিন আগেই গোয়ায় পৌঁছে গেছেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। গোয়ার হোটেলে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। মাঝে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাই অনুশীলনে নামতে পারেননি। ফ্রান সোতার আবার করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট নেগেটিভ এলে বুধবার অনুশীলনে নামবেন। আমির দারভিসেভিচখএ ছেড়ে দিয়ে তাঁকে নেওয়া হচ্ছে। এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার কেমন জায়গায় আছে তা দেখেই ডার্বিতে খেলাবেন কিনা সিদ্ধান্ত নেবেন মারিও রিভেরা। ডার্বিতে তাঁর চমক হতে পারেন ফ্রান সোতা।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্র ও কমিশনকে কড়া নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

শিয়রেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলি জোর কদমে শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইস্তেহারে ভোটমুখী রাজ্যগুলির প্রতি তাদের অঙ্গীকার তুলে ধরেছে। এই আবহে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করল। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জনগণের উদ্দেশে বিনামূল্যে বিভিন্ন পরিষেবা বা প্রকল্পের ঘোষণা করে। সেই ঘোষণা সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেই নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।মঙ্গলবার বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা এক মামলার শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রমানা, বিচারপতি এএস বোপান্না এবং বিচারপতি হিমা কোহলী। সেখানে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, সীমিত পরিসরের মধ্যে আমরা নির্বাচন কমিশনকে নীতিনির্দেশিকা প্রণয়ন করতে বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের নির্দেশের পর তারা একটি মাত্র বৈঠক করে। তারা রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত চেয়েছে। তবে তার পরে কী হয়েছে, আমি জানি না।সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়টিকে গুরুতর বিষয় বলে অভিহিত করেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে, ফ্রিবি বাজেট প্রতিদিনের বাজেটের থেকে অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। তাই এই বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে। ভারতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে এই বিষয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করতে বলেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কেবলমাত্র একটি বৈঠকই করেছে। এবং তার ফলাফল অজানা।মামলাকারীর আবেদন, যে রাজনৈতিক দলগুলি ভোটের আগে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি দেয়, তাদের নির্বাচনী প্রতীক বাজেয়াপ্ত করা ছাড়াও রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার ব্যাপারে কমিশনকে নির্দেশ দিক শীর্ষ আদালত। হলফনামায় মামলাকারী এ-ও দাবি করেছেন, কমিশনের নির্দেশ সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের অর্থ অপচয় করে চলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তা ছাড়া ভোটের আগে এই ফাঁপা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে যাতে রাজনৈতিক দলগুলি বিরত থাকে, সে ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপের আর্জি জানান তিনি।শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায় রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতির বাজেট যে ভাবে মূল বাজেটকে ছাপিয়ে যাচ্ছে তা চিন্তারই বটে। এর পর সংশ্লিষ্ট মামলায় কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ওয়াসিম কাপুর চলে যাওয়ায় আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেলঃ অশোক রায়

বিশিষ্ট চিত্রকর ওয়াসিম কাপুরের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ শিল্পী-মহল। বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও সনামধন্য চিত্রশিল্পী অশোক রায় ওয়াসিম কাপুরের খুব কাছের মানুষ ছিলেন। ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে তাঁকে চিনতেন। শিল্পীর মৃত্যুতে স্মৃতিচারণা আরেক শিল্পীর।জনতার কথাঃ ওয়াসিম কাপুর কে খুব কাছ থেকে আপনি দেখেছেন। উনি চলে গেলেন। কি বলবেন।অশোক রায়ঃ ওয়াসিম দা আমার অনেক সিনিয়র। প্রায় ৫ বছরের সিনিয়র। ওয়াসিম দার বাড়িতে আমি বহুবার গিয়েছি। ওনার ওরিজিনাল বাড়ি লখনৌ-তে। ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজ থেকে পাশ করে বেরোন। আর্ট ওয়ার্ল্ডে ওনার অনেক অবদান। উনি সাধারণত রিয়েলিস্টিক কাজ করেন। প্রচুর পোট্রেট করেছেন পলিটিক্যাল পার্সোনালিটিদের ওপর। জ্যোতি বসুর উনার একটা পেইন্টিং খুব বিখ্যাত। সেই পোট্রেট পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় রাখা আছে।উনি এবং উনার স্ত্রী দুজনেই খুব ভালো মানুষ। উনি এমন সময় মারা গেলেন যে উনার স্ত্রী শিলা দি রয়েছেন দুবাইতে। কয়েকদিন আগেই তিনি দুবাইতে গেছেন। জনতার কথাঃ উনার শারীরিক অবস্থা কি সাম্প্রতিককালে বেশ খারাপ ছিল?অশোক রায়ঃ বছর চার-পাঁচ ধরেই উনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। উনার পায়ের একটা সমস্যা বারবার ভোগাচ্ছিল। কোনও প্রোগ্রামে যেতে পারতেন না। অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে যেতেন। বাংলায় যে কজন ভালো শিল্পী আছেন আসতে আসতে সবাই চলে যাচ্ছেন। জনতার কথাঃ আপনার সঙ্গে উনার সম্পর্ক কেমন ছিল?অশোক রায়ঃ ব্যক্তিগতভাবে যেহেতু উনার বাড়িতে আমার যাতায়াত ছিল এবং উনার সঙ্গে একটা সুন্দর রিলেশন ছিল। দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক। জনতার কথাঃ ওয়াসিম কাপুরের চলে যাওয়াটা বাংলার শিল্পীদের জন্য কতটা যন্ত্রণার?অশোক রায়ঃ ভীষণই যন্ত্রণার। উনি মানুষ হিসাবে খুব ভালো ছিলেন। শিল্পীর দুটো জিনিস হয়। একজন খুব ভালো শিল্পের সৃষ্টি করেন। যেটা তিনি করতেন। তার বাইরে তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন। প্রত্যেকের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন। যে কারণে আমরা সবাই খুব শকড উনার খবর পেয়ে। অনেকেই ফোন এসেছে তাঁর চলে যাওয়ার পর। ওয়াসিম কাপুর চলে যাওয়ায় আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজারের নীচে, চিন্তায় রাখলো মৃত্যু

ফের রাজ্যে অনেকটা কমে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৫৪৬ জন। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা গতকালের থেকে অনেকটা কমেছে। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১,৪২১ জনের। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩,২১৪ জনের। ফের কমেছে পজিটিভিটি রেটও। তবে এদিনও করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এদিকে ক্রমশ রাজ্যে পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ৮.৮৪, গতকাল ছিল ৯.৫৩ শতাংশ। কয়েকদিন আগেই পজিটিভিটি রেট ছিল ৩০ শতাংশের ওপর।করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্য়াপক হারে কমছে, কমছে পজিটিভিটি রেটও কিন্তু করোনা সংক্রিমত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০-এর ঘরেই আছে। এদিন রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের, গতকাল ছিল ৩৬ জন। শনিবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃ্ত্যু হয়েছিল ৩৭ জনের। উত্তর ২৪ পরগনায় এদিন সর্বাধিক ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। কলকাতায় এদিন মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গিয়েছে ৫শোর নীচে। সোমবার কলকাতায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৬ জন। গতকাল ছিল ৯৭৩।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৯৭৩উত্তর ২৪ পরগনা ৬৭৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৭৮হাওড়া ১৭২পশ্চিম বর্ধমান ১৩৪পূর্ব বর্ধমান ১৫৩হুগলি ২৮০বীরভূম ৩০০নদিয়া ২৫০মালদা ৯১মুর্শিদাবাদ ১১৮পশ্চিম মেদিনীপুর ১৯৮পূর্ব মেদিনীপুর ৪৮পুরুলিয়া ৭০দার্জিলিং ২৪১বাঁকুড়া ১৭৫জলপাইগুড়ি ২৯৫উত্তর দিনাজপুর ৯৪দক্ষিণ দিনাজপুর ১৫৬ঝাড়গ্রাম ৫২কোচবিহার ১৬৯আলিপুরদুয়ার ৯৬কালিম্পং ২

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: মিথুনের ক্লান্তি, ধনুর বিপদাশঙ্কা

মেষ/ARIES: লাঞ্ছনাভোগ করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: শুভ যোগাযোগ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: ক্লান্তিবোধ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: বন্ধুবিরোধ হতে পারে।সিংহ/LEO: অপ্রিয়ভাজন হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: মানহানি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: লাম্পট্য করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: স্থান পরিবর্তন করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বিপদাশঙ্কা হতে পারে।মকর/CAPRICORN: প্রতারিত হতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: সম্মানহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: অপব্যয় করতে পারেন।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পাড়ায় শিক্ষালয় শুরু, ধাপে ধাপে খুলবে স্কুল

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পাড়ায় শিক্ষালয় চালুর কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, মোট ১২ হাজার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে তারাই ক্লাস নেবেন।করোনার সংক্রমণের জন্যই দুবছর বন্ধ স্কুলের দরজা। মাঝে কয়েকবার খোলা হলেও, তা বেশিদিনের জন্য সম্ভব হয়নি। কিছু সময়ের জন্য, আংশিকভাবে স্কুল খোলার কয়েকদিনের মধ্যেই তা ফের বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল সরকার। এই পরিস্থিতিতে, দীর্ঘদিন পড়ুয়ারা ঘরে বসে থাকার কারণে অভিভাবকদের মধ্যেও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। এই সবের মধ্যেই স্কুল খোলার বিষয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বললেন, রাজ্য সরকার স্কুল খোলার পক্ষে।সোমবার পাড়ায় শিক্ষালয় প্রকল্পের ঘোষণা করার সময় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, রাজ্য সরকারও স্কুল খোলার পক্ষে। তবে সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে চায় রাজ্য সরকার। যাতে স্কুল খোলার কয়েকদিন পরেই আবার বন্ধ করে দিতে হল, এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি না হয়। করোনা পরিস্থিতি দেখে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখছেন। কবে স্কুল খোলা হবে, সেই কথা মুখ্যমন্ত্রী জানাবেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সব স্কুলই ধাপে ধাপে খুলতে চাই।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 61
  • 62
  • 63
  • 64
  • 65
  • 66
  • 67
  • ...
  • 140
  • 141
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় নির্দেশ! রাতেই প্রকাশ পাবে সম্পূরক তালিকা

সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। এর আগে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বিচারবিভাগের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেই মতো জুডিশিয়াল অফিসারদের নজরদারিতে কাজ চলছে। শুনানিতে জানানো হয়, ইতিমধ্যেই প্রায় ৫৯ লক্ষের বেশি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়, বাকি প্রায় ছাব্বিশ হাজার আবেদনও খুব শীঘ্রই মিটিয়ে ফেলা হবে এবং সোমবারের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা চলছে।আদালতে জানানো হয়, বিভিন্ন সমস্যার মধ্যেও মালদহে প্রায় আট লক্ষ মানুষের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আবেদনকারীদের স্বীকৃতি পত্র দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে এবং তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নোডাল অফিসারের উপর থাকবে।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত একটি চিঠি দেখানোর জন্য আদালতে মোবাইল ব্যবহার করেন, যা নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে ধরা হয়। একইসঙ্গে অ্যাপিল ট্রাইব্যুনালের পরিকাঠামো ও বিচারকদের পারিশ্রমিক নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ওয়েবসাইটে আবেদন জমা দেওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই এবং অনেক ক্ষেত্রে জমা দেওয়া নথির কোনও রসিদ দেওয়া হয়নি।আদালত জানায়, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের বক্তব্য অবশ্যই শোনা উচিত এবং কেন নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা জরুরি এবং সেই দিকেই নজর রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে কাউকে ভোটাধিকার দেওয়া যাবে না।রাজ্যের তরফে আবেদন করা হয়, যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে, তাঁদের অন্তত ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হোক। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই চলছে এবং যাঁরা অসন্তুষ্ট, তাঁরা আপিল করতে পারেন।শুনানিতে রাজনৈতিক বিতর্কও উঠে আসে। মুখ্যমন্ত্রীর কিছু মন্তব্য আদালতে তুলে ধরা হয়। কমিশনের আইনজীবী দাবি করেন, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের পরিবেশকে প্রভাবিত করছে। অন্যদিকে, রাজ্যের পক্ষ থেকে পাল্টা একটি ভিডিও দেখিয়ে অভিযোগ করা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ট্রাইব্যুনাল দ্রুত সমস্ত আবেদন নিষ্পত্তি করবে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিকভাবে নথি যাচাই করা হবে। প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত বিজ্ঞপ্তি জারি করতে বলা হয়েছে এবং সমস্ত আবেদন ডিজিটাল স্বাক্ষর সহ প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালত আরও জানায়, শুধুমাত্র কলকাতায় নয়, জেলা স্তরেও আবেদন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারের দফতর থেকেও আপিল জমা নেওয়া যাবে এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে রসিদ দিতে হবে।কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার রাতের মধ্যেই সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোর্টালে আপলোড করা হবে। একটি বিশেষ ক্ষেত্রে নন্দলাল বসুর নাতির আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৯ তারিখের মধ্যে তা সম্পূর্ণ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ১৩ এপ্রিল।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরক অভিযোগ! কেন্দ্রীয় বাহিনী মহিলাদের তল্লাশি করবে, দাবি মমতার

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। দফায় দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে রাজ্যে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নিরাপত্তার নামে মহিলাদেরও তল্লাশি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর জন্য একটি বিশেষ সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মমতা প্রশ্ন তোলেন, বুথের ভিতরে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, আর বুথ এজেন্টদের বাইরে রাখা হবে কেন। তাঁর কথায়, ভোট তো কেন্দ্রীয় বাহিনী দেবে না, তাই তাদের বুথের ভিতরে থাকার প্রয়োজন কী। তিনি অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্যে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এখানে সেই রকম কিছু করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এমন একটি সংস্থা নিযুক্ত করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ ঠিকভাবে ভোট দিতে না পারেন।এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, আইটিবিপি এবং বিএসএফের আধিকারিকরা এসে জানিয়েছেন, মহিলাদেরও শারীরিক তল্লাশি করা হবে। এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়া হলে মানুষ যেন তার জবাব ভোটের মাধ্যমে দেয়।মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই ধরনের মন্তব্য সরাসরি প্ররোচনামূলক এবং সংবিধানের পরিপন্থী। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং যারা এমন কথা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে তাদের জনসভা করার অধিকার এবং প্রার্থীপদও বাতিল করা উচিত।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, মহিলাদের তল্লাশি নিয়ে বিতর্ক, পাল্টা আক্রমণ বিজেপির।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
দেশ

মমতার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, আদালতে ভিডিও পেশ, উত্তপ্ত শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে মোথাবাড়ি ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট জমা দিল এনআইএ। রিপোর্ট জমার আগে দিল্লিতে নিজেদের সদর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক করেন সংস্থার আধিকারিকরা। এদিন শুনানিতে ভারচুয়ালি হাজির হন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মালদহের জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারও। আদালতে দীর্ঘ সময় ধরে জোর সওয়াল জবাব চলে।শুনানির কয়েক ঘণ্টা আগে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় এক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে হামলার ষড়যন্ত্র হতে পারে। সেই বক্তব্যও আদালতে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের তরফে আইনজীবী ডি এস নায়ডু একটি ভিডিও ক্লিপ জমা দেন এবং এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।অন্যদিকে, কেন্দ্রের পক্ষের আইনজীবী তুষার মেহতা রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিচারকরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং সাহায্য চাইছেন। রাজ্য প্রশাসন ঠিকমতো কাজ না করলে প্রয়োজন হলে আদালত হস্তক্ষেপ করবে বলেও জানিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এদিন এক নজিরবিহীন ঘটনায় প্রধান বিচারপতি নিজে আদালতে মোবাইল ব্যবহার করে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি দেখান। শুনানিতে আগের নির্বাচনের হিংসার প্রসঙ্গও উঠে আসে। কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরা জানান, ভবিষ্যতের নির্বাচনেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উচিত নয় এবং আদালতের নজরদারি প্রয়োজন।এনআইএ-র রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় মোট বারোটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত স্থানীয় থানার পুলিশ করায় তদন্তে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মত সংস্থার। তাই সমস্ত তথ্যপ্রমাণ তাদের হাতে তুলে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, প্রয়োজন হলে এনআইএ নতুন করে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করতে পারে এবং সেই অনুযায়ী বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে আগের মামলাগুলির সমস্ত তথ্যও আদালতে দিতে হবে।রাজ্যের তরফে হলফনামা জমা দিয়ে জানানো হয়েছে, পুলিশ দ্রুত তদন্ত করে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত তাদের এনআইএ-র হাতে তুলে দিতে হবে।ঘটনার সূত্রপাত পয়লা এপ্রিল। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় মালদহের কালিয়াচকে ক্ষোভ ছড়ায়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিচারকদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। বিক্ষোভকারীরা দীর্ঘ সময় ধরে কয়েকজন বিচারককে একটি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকও ছিলেন। গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। বিষয়টি পৌঁছে যায় সুপ্রিম কোর্টে এবং তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে। রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি, মালদহের পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়। সেই অনুযায়ী সোমবার তাঁরা আদালতে ভারচুয়ালি হাজিরা দেন।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ড্রোন ঘিরে প্রাণনাশের চক্রান্ত! বর্ধমানের সভা থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

ভোটের আগে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মালদহে সভা থেকে ফেরার সময় তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে মালদহে একটি সভা শেষে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে তাঁর নজরে আসে একটি ড্রোন। সেটি তাঁর হেলিকপ্টারের খুব কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছিল বলে জানান তিনি। তখনই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।সোমবার পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ে একটি সভা থেকে তিনি আরও সরব হন। মমতার দাবি, ওই ড্রোনের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত এবং হেলিকপ্টার ভেঙে পড়তে পারত। তাঁর কথায়, এই ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বিহারের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর জীবন নাশের উদ্দেশ্যেই কি এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল? একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁকে ভয় দেখিয়ে চুপ করানো যাবে না এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবেন।মালতীপুরে যাওয়ার সময় ড্রোনটি হেলিকপ্টারের সামনে চলে আসার পরই তিনি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এদিনের সভা থেকে নাম না করে এই ঘটনার জন্য তিনি বিজেপির দিকেই ইঙ্গিত করেন।অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে বাংলায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সহানুভূতি পাওয়ার রাজনীতি করছেন। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এভাবে অভিযোগ করা বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
দেশ

প্রতিষ্ঠা দিবসে মোদীর বিস্ফোরক ভাষণ! কংগ্রেসকে নিশানা, বাংলার হিংসা নিয়ে বড় মন্তব্য

বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে দেশের মানুষের উদ্দেশে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি দলের কর্মীদের প্রশংসা করে বলেন, বিজেপি সবসময় দেশের সেবাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং সেই আদর্শেই এগিয়ে চলেছে। তাঁর কথায়, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে এবং পরিবেশ রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। একইসঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। তিনি দাবি করেন, এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারে একমাত্র বিজেপিই।প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, তারা শুধুমাত্র একটি পরিবারকে গুরুত্ব দিয়েছে এবং অন্যদের প্রতি অবিচার করেছে। অন্যদিকে বিজেপি সকলকে যথাযোগ্য সম্মান দেয়। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর সম্মানে পরাক্রম দিবস পালন করা হচ্ছে, আন্দামানে তাঁর নামে দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে আজাদ হিন্দ বাহিনীকে সম্মান জানানো হয়েছে।তিনি বলেন, বর্তমানে ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে এগোচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। নকশাল ও মাওবাদ দমনে সাফল্য এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত গড়ার লক্ষ্যেই দেশকে একসূত্রে বাঁধার কাজ চলছে। নতুন শিক্ষা নীতিতে মাতৃভাষায় শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষকে দারিদ্রতা থেকে তুলে আনার ক্ষেত্রে সরকার সফল হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর কথায়, যা একসময় অসম্ভব বলে মনে করা হত, তা বিজেপির দৃঢ় সংকল্পে সম্ভব হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে দেশের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রই প্রাধান্য পেয়েছিল, কিন্তু বিজেপি স্থিতিশীল নীতি ও শাসনের উদাহরণ তৈরি করেছে। মানুষ এখন বিশ্বাস করে যে বিজেপি যা প্রতিশ্রুতি দেয়, তা পূরণ করে। মহিলাদের ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সংগঠন এবং রাজনীতিতে মহিলাদের গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি বলেন, দেশের একতা ও উন্নয়নই বিজেপির মূল পরিচয়। জোট রাজনীতিতেও বিজেপি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট ক্রমশ আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বহু সরকারে অংশ নিয়েও বিজেপি সবসময় জনসেবাকে প্রাধান্য দিয়েছে, যার ফলে মানুষের বিশ্বাস বেড়েছে।১৯৮৪ সালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময় কংগ্রেস বিপুল জয় পেলেও মানুষের মধ্যে তাদের প্রতি আস্থা কমতে শুরু করে। তখনই ক্ষমতার রাজনীতির পরিবর্তে সেবার রাজনীতির উপর মানুষের বিশ্বাস তৈরি হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় বহু কর্মী নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলে রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে হিংসাকে রাজনীতির অংশ করা হয়েছে। তবুও বিজেপি কর্মীরা ভয় পায়নি এবং আজও দেশসেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। কঠিন সময়েও কর্মীরা জেলে যেতে ভয় পাননি এবং নিজেদের আদর্শে অটল থেকেছেন। জরুরি অবস্থার সময় দমন-পীড়ন ও নানা ষড়যন্ত্রের মুখেও তারা পিছিয়ে যায়নি। তাদের সংকল্প ও পরিশ্রমের ফলেই আজ বিজেপি এই জায়গায় পৌঁছেছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরণ! ৭০০ ভোটারের নাম উধাও, রাস্তায় আগুন হাসনাবাদে

ভোটের মুখে হাসনাবাদে উত্তেজনা ছড়াল ভোটার তালিকা নিয়ে। রবিবার সকাল থেকেই কাঁথি-মালঞ্চ রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, তিনটি বুথ থেকে প্রায় ৭০০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভার মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২৫১, ২৫২ এবং ২৫৩ নম্বর বুথে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, নতুন তালিকায় ২৫১ নম্বর বুথের এক পঞ্চায়েত সদস্যের নামও নেই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।বিক্ষোভকারীরা রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। ফলে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরে এই এলাকায় বসবাস করেও তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি আসা কিছু মানুষের নাম তালিকায় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।এক বাসিন্দা জানান, তাদের পরিবার বহু বছর ধরে এই এলাকায় থাকলেও এবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কেন এমন হল, তা তারা বুঝতে পারছেন না। এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।গত এক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে। তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথায় আবেদন করতে হবে, কীভাবে নাম তোলা যাবে, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বহু মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিক্ষোভের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, কল্যাণের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে চলেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক এবং অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করছে।বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে উস্কানিমূলক এবং হিংসাত্মক। এই ধরনের মন্তব্য যাতে আর না করা হয়, সেই জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পাশাপাশি, তাঁর সেই বক্তব্যের ভিডিওও সরানোর দাবি জানিয়েছে বিজেপি।সম্প্রতি এক প্রচারসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ৪ মে আপনাকে সবুজ আবির মাখাব। ১৫ দিন কেন, ১৫ মাস থাকুন। আপনার দাদাগিরি শেষ করে দেব। এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিজেপি এই মন্তব্যকে কুরুচিকর বলে দাবি করেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে তারা। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিওর উল্লেখও করা হয়েছে।বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, একজন সাংসদের মুখে এই ধরনের ভাষা শোভা পায় না এবং এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! কসবা থানার ওসি সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য শহরে

ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানার ওসি বিশ্বনাথ দেবনাথকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযোগ, এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকায় কুখ্যাত সোনা পাপ্পুর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।নির্বাচনের আগে প্রতিটি থানার কাছে এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকা চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানাও সেই তালিকা পাঠায়। কিন্তু কমিশন সূত্রে খবর, সেই তালিকায় সোনা পাপ্পুর নাম ছিল না। এরপরই শনিবার কমিশনের আধিকারিকরা থানায় যান এবং ওসির সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এরপর রবিবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।উল্লেখ্য, সোনা পাপ্পু নামে পরিচিত বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনাতেও তাকে খোঁজা হচ্ছে। কসবা ও তোপসিয়া এলাকায় তার প্রভাব দীর্ঘদিনের বলে জানা যায়।স্থানীয়দের মতে, পরিবারের সোনার ব্যবসা থাকলেও ধীরে ধীরে অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সে। ২০১৫ সালে বালিগঞ্জ রেল ইয়ার্ডে এলাকা দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তার নাম সামনে আসে। পরে ২০১৭ সালের একটি খুনের মামলাতেও তার নাম জড়ায়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে সে পলাতক।এই পরিস্থিতিতে এমন একজনের নাম দাগি তালিকায় না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের একাধিক থানায় বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্বে থাকা হীরক দলপতিকে গোয়েন্দা দফতরে পাঠানো হয়েছে। নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নীলকান্ত রায়। গড়িয়াহাট থানায় দায়িত্ব পেয়েছেন রাজকুমার মিশ্র। বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মনীশ সিংহকে। চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে মনোজ দত্তকে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে পুলিশ প্রশাসনে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal