• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IES

রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 7th December 2021): কন্যার দায়িত্ববৃদ্ধি, কুম্ভর ঋণমুক্তি

মেষ/ARIES: উদাসীনতায় ক্ষতি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: কর্মক্ষেত্রে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: সহায়তা লাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: অযথাব্যয় করতে পারেন।সিংহ/LEO: আতঙ্কিত হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: রক্তে শর্করা বৃদ্ধি পেতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: অর্থাপহরণ হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বিলাসিতায় ব্যয় করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: মনে কষ্ট পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: ঋণমুক্তি হতে পারে আজ।মীন/ PISCES: পথে বিপদ হতে পারে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 6th December 2021): কর্কটের অযথা ব্যয়, বৃশ্চিকের অর্থাপহরণ

মেষ/ARIES: কাজ পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: শিক্ষার প্রয়োজনে বিদেশযাত্রা করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: ঋণ পরিশোধ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: অযথা ব্যয় করতে পারেন।সিংহ/LEO: আতঙ্কিত হতে পারেন কোনও কারণে।কন্যা/VIRGO: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: অর্থাপহরণ হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বিলাসিতায় ব্যয় করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: মনে কষ্ট পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: ঋণমুক্তি হতে পারে।মীন/ PISCES: পথে বিপদ হতে পারে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 5th December 2021): বৃষের দেহপীড়া, কন্যার বিপদ

মেষ/ARIES: আজ প্রচেষ্টা সার্থক হবে।বৃষ/TAURUS: দেহপীড়া হতে পারে।মিথুন/GEMINI: বাতের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: মনোমালিন্য হতে পারে।সিংহ/LEO: হতাশাগ্রস্ত থাকতে পারেন।কন্যা/VIRGO: বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।তুলা/ LIBRA: বৈষয়িক উন্নতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: গবেষণায় সাফল্য আসতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: অপত্যহানির সম্ভাবনা রয়েছে।মকর/CAPRICORN: শুভ যোগাযোগ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS:হঠাৎ প্রাপ্তি হতে পারে।মীন/ PISCES: সম্পত্তি উদ্ধার হতে পারে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 4th December 2021): কন্যার মানসিক উদ্বেগ, মিথুনের জনহিতকর কাজ

মেষ/ARIES: মানসিক চিন্তার মধ্যে পড়তে পারেন।বৃষ/TAURUS: গলার রোগে কষ্ট পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: জনহিতকর কাজ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়তে পারেন।সিংহ/LEO: আশার সঞ্চার হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মানসিক উদ্বেগ হতে পারে।তুলা/ LIBRA: পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বৃশ্চিক/Scorpio: আত্মীয় বিরোধের মধ্যে পড়তে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: পরার্থে ক্ষতি হতে পারে।মকর/CAPRICORN: চিকিৎসা বিভ্রাটে পড়তে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: সহানুভূতি লাভ করতে পারেন।মীন/ PISCES: নব উদ্যোগ নিতে পারেন।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 3rd December 2021): বৃষের সম্মানপ্রাপ্তি, কন্যার ব্যবসায় লাভ

মেষ/ARIES: অসাধুতায় ফাঁসতে পারেন।বৃষ/TAURUS: সম্মানপ্রাপ্তি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: আতঙ্কিত হতে পারেন।কর্কট/CANCER: চাকরীর সুযোগ আসতে পারে।সিংহ/LEO: আত্মীয় বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কন্যা/VIRGO: ব্যবসায় লাভ হতে পারে।তুলা/ LIBRA: শ্লীলতাহানি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: সাহসের অভাব দেখা দিতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: দ্রব্যলাভ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: পদোন্নতির সুযোগ আসতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: সাহিত্যে সম্মান পেতে পারেন।মীন/ PISCES: স্বাস্থ্যোন্নতি হতে পারে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 2nd December 2021): কন্যার পরিশ্রম বৃদ্ধি, মিথুনের অভিমান

মেষ/ARIES: রমণীপ্রীতি দেখা দিতে পারে।বৃষ/TAURUS: সংঘর্ষে ক্ষতি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: অভিমান হতে পারে।কর্কট/CANCER: শিক্ষকদের জন্য শুভ।সিংহ/LEO: বিপথে চালিত হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: পরিশ্রম বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: কাজে সাফল্য পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: প্রতারিত হতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: ভোগবিলাসে ব্যয় করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: রাজনৈতিক জয় হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: অর্থাগমের সুযোগ আসতে পারে।মীন/ PISCES: চিন্তান্বিত থাকতে পারেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 1st December 2021): কুম্ভর সম্পদহানি, তুলার বিরহযন্ত্রণা

মেষ/ARIES: অনুদান লাভ করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: দাঁতের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: অনর্থপাত হতে পারে।কর্কট/CANCER: কূটবুদ্ধি দ্বারা সফলতা পেতে পারেন।সিংহ/LEO: রাজনৈতিক বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কন্যা/VIRGO: মনোমালিন্য হতে পারে।তুলা/ LIBRA: বিরহ যন্ত্রণায় ভুগতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: আতঙ্কিত হতে পারেন কোনও কারণে।ধনু/SAGITTARIUS: কান্তিক্ষয় হতে পারে।মকর/CAPRICORN: অসাধুতায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: সম্পদহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: অর্থাগম হতে পারে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 30th November 2021): বৃষের অর্থাভাব, মকরের আগুনে ক্ষতি

মেষ/ARIES: উদ্যম বৃদ্ধি হতে পারে আজ।বৃষ/TAURUS: উদ্বেগ বাড়তে পারে।মিথুন/GEMINI: নৈতিক অবনতি হতে পারে।কর্কট/CANCER: মিশ্রফল পেতে পারেন।সিংহ/LEO: অর্থাভাব হতে পারে আজ।কন্যা/VIRGO: উচ্চাকাঙ্খা হতে পারে আজ।তুলা/ LIBRA: প্রিয়জনের সঙ্গ পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: প্রবল ভোগেচ্ছা জন্মাতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: দেহ পীড়া হতে পারে।মকর/CAPRICORN: আগুনে ক্ষতি হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: ভ্রাতৃবিরোধ হতে পারে।মীন/ PISCES: আশাহত হতে পারেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 29th November 2021): বৃষের শত্রুভয়, তুলার ঋণমুক্তি

মেষ/ARIES: নৈরাশ্যের শিকার হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: শত্রুভয় হতে পারে।মিথুন/GEMINI: পুলিশি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।কর্কট/CANCER: সাপের ভয় হতে পারে।সিংহ/LEO: গৃহ পরিবর্তন করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: অর্থাপহরণ হতে পারে।তুলা/ LIBRA: ঋণমূক্তি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: ক্ষতিপূরণ হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: মনোরথ পূরণ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: রপ্তানী ব্যবসায় লাভ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: পাওনা আদায় হতে পারে।মীন/ PISCES: প্রণয়াসক্তি জন্মাতে পারে।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 28th November 2021): বৃষের আর্থিক ক্ষতি, কর্কটের প্রাপ্তিযোগ

মেষ/ARIES: মনে কষ্ট পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: কোমরে ব্যথা হতে পারে।কর্কট/CANCER: আজ প্রাপ্তিযোগ রয়েছে।সিংহ/LEO: মাথায় ব্যথা হতে পারে।কন্যা/VIRGO: পদমর্যাদা লাভ করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: ভ্রমণে বহুব্যয় হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: শরিকি বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: স্থানান্তরে গমন করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: দানধ্যানে শান্তি পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: বিমানযাত্রায় বিপদ হতে পারে।মীন/ PISCES: বিড়ম্বনার শিকার হতে পারেন।

নভেম্বর ২৮, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 27th November 2021): ধনুর নতুন প্রচেষ্টা, কর্কটের বন্ধুপ্রীতি

মেষ/ARIES: পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বৃষ/TAURUS: কন্যার জন্য উদ্বেগ হতে পারে।মিথুন/GEMINI: প্রযুক্তিবিদদের জন্য শুভ।কর্কট/CANCER: বন্ধুপ্রীতি হতে পারে।সিংহ/LEO: ব্যভিচারের শিকার হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: অপমানিত হতে পারেন।তুলা/ LIBRA: চোরের ভয়।বৃশ্চিক/Scorpio: ঠিকাদারিতে লাভ হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: নতুন প্রচেষ্টা করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ব্যবসায় প্রসার ঘটতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS:মেধার বিকাশ হতে পারে।মীন/ PISCES: গোপন পরামর্শে লাভ হতে পারে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 26th November 2021): কর্কটের মিত্রস্নেহ, বৃষের ব্যয়বহুল দিন

মেষ/ARIES: সহযোগিতা লাভ করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: আজ ব্যয়বহুল দিন যাবে।মিথুন/GEMINI: বিদ্যার্থীদের জন্য শুভ দিন আজ।কর্কট/CANCER: মিত্রস্নেহ পেতে পারেন আজ।সিংহ/LEO: শত্রুর সঙ্গে সন্ধি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: আজ হিংসা করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: পাওনা আদায় হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: রাজনৈতিক বিপদ হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: সাহায্য পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: মহৎ ব্যক্তির সান্নিধ্য পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: জনসেবায় আত্মতৃপ্তি পেতে পারেন।মীন/ PISCES: আত্মীয় দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 25th November 2021): মিথুনের অকারণ অর্থব্যয়, বৃশ্চিকের ব্যবসায় মন্দাভাব

মেষ/ARIES: ন্যায্যপ্রাপ্তিতে বাধা পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: ভয়ান্বিত থাকতে পারেন।মিথুন/GEMINI: অকারণে অর্থব্যয় হতে পারে।কর্কট/CANCER: সঞ্চয় বৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/LEO: বিলাসিতা করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: অসৎ কর্মে ক্ষতি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: ব্যবসায় মন্দাভাব।ধনু/SAGITTARIUS: পরনির্ভরতা হতে পারে।মকর/CAPRICORN: আজ মন নিরানন্দ থাকতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: অপত্যস্নেহ করতে পারেন।মীন/ PISCES: দ্রব্যাদি লাভ করতে পারেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 24th November 2021): সিংহের বন্ধুবিচ্ছেদ, কন্যার ব্যবসায় মন্দা

মেষ/ARIES: রাজনৈতিক বিপদ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: সম্মান লাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: তর্ক-বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।সিংহ/LEO: বন্ধু বিচ্ছেদ হতে পারে।কন্যা/VIRGO: ব্যবসায় মন্দাভাব দেখা দিতে পারে।তুলা/ LIBRA: শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: শ্লেষ্মাধিক্য দেখা দিতে পারে।মকর/CAPRICORN: উদ্যম বৃদ্ধি পেতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: যন্ত্র থেকে বিপদ হতে পারে।মীন/ PISCES: কূটনৈতিক জয় হতে পারে।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 23th November 2021): মিথুনের শত্রুবৃদ্ধি, তুলার হৃদরোগে কষ্ট

মেষ/ARIES: সন্তানের জন্য গর্বিত হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: প্রেমে আনন্দ পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: আজ শত্রুবৃদ্ধি পেতে পারে।কর্কট/CANCER: উন্মাদনা সৃষ্টি হতে পারে।সিংহ/LEO: মর্যাদা বৃদ্ধি পেতে পারে আজ।কন্যা/VIRGO: মানসিক আঘাত পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: হৃদরোগে কষ্ট পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।ধনু/SAGITTARIUS: বিকল্প কাজের সুযোগ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: অবৈধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: তর্ক বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।মীন/ PISCES: প্রশিক্ষণের সুযোগ আসতে পারে।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 22th November 2021): মকরের মানসিক শান্তি, সিংহের চোখের রোগ

মেষ/ARIES: আর্থিক উন্নতি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: সম্পত্তিহানি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কর্কট/CANCER: পদোন্নতির সুযোগ আসতে পারে।সিংহ/LEO: চোখের রোগে কষ্ট পেতে পারেন।কন্যা/VIRGO: নিরানন্দ হতে পারেন।তুলা/ LIBRA: ব্যয়বাহুল্য দিন যেতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: বাতের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বিষন্নতায় ভুগতে পারেন।মকর/CAPRICORN: মানসিক শান্তি পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: সংস্থাগত পরিবর্তন হতে পারে।মীন/ PISCES: চিকিৎসায় আরোগ্য লাভ করতে পারেন।

নভেম্বর ২২, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 21th November 2021): মেষের সমস্যা বৃদ্ধি, কন্যার উত্তেজনা বৃদ্ধি

মেষ/ARIES: আজ সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।বৃষ/TAURUS: বন্ধুর সহায়তা লাভ।মিথুন/GEMINI: বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কর্কট/CANCER: মনঃসংযোগের অভাবে পড়তে পারেন।সিংহ/LEO: হঠকারিতায় ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: উত্তেজনা বাড়তে পারে। তুলা/ LIBRA: আলস্যে ক্ষতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: সাধুসঙ্গে শান্তিলাভ।ধনু/SAGITTARIUS: চিকিৎসায় ব্যয় হতে পারে।মকর/CAPRICORN: যাত্রায় বিঘ্ন হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: প্রণয়ভঙ্গ হওয়ার সম্ভাবনা।মীন/ PISCES: পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে।

নভেম্বর ২১, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 20th November 2021): মীনের অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি, কুম্ভর পিঠের ব্যথা

মেষ/ARIES: কারুর অপ্রিয়ভাজন হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: বনিবনার অভাব হতে পারে।মিথুন/GEMINI: শোকসংবাদ পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: প্রতারিত হতে পারেন।সিংহ/LEO: প্রবাসে সাফল্য।কন্যা/VIRGO: মস্তিষ্কে আঘাত পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: দাম্পত্য সুখ পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: সুনামহানি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: পরোপকার করে আনন্দ পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: পিঠের ব্যথা হতে পারে।মীন/ PISCES: অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি।

নভেম্বর ২০, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 19th November 2021): বৃষের ভ্রমণে আনন্দ, মীনের কাজে অনিহা

মেষ/ARIES: আর্থিকলাভ হতে পারে আজ।বৃষ/TAURUS: ভ্রমণে আনন্দ পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: সহযোগিতা লাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: প্রণয়াসক্তি জন্মাতে পারে।সিংহ/LEO: বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কন্যা/VIRGO: বন্ধুর সহায়তা লাভ করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: যৌনব্যাধি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: মন চঞ্চল হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: সুপরামর্শ লাভ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: মামলায় জয় পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: মাতৃপীড়ায় উদ্বেগ হতে পারে।মীন/ PISCES: কার্যে অনিহা জন্মাতে পারে।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 18th November 2021): ধনুর ঋণ পরিশোধ, কুম্ভর বেহিসাবি খরচ

মেষ/ARIES: আশাপূরণ হতে পারে আজ।বৃষ/TAURUS: রক্তাল্পতা দেখা দিতে পারে।মিথুন/GEMINI: মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।কর্কট/CANCER: হঠাৎ আক্রান্ত হতে পারেন।সিংহ/LEO: ক্রীড়ায় সাফল্য পেতে পারেন।কন্যা/VIRGO: আশাতীত সাফল্য পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: আত্মগ্লানিতে ভুগতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: চাকরীস্থলে অশান্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: ঋণ পরিশোধ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: দাম্পত্য কলহে জড়িয়ে পড়তে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: বেহিসাবি খরচ করতে পারেন।মীন/ PISCES: গোপন কথা ফাঁস হয়ে যেতে পারে।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal