• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

FIFA

খেলার দুনিয়া

ফিফায় বড় বিদ্রোহ! ইনফান্তিনোর প্রস্তাব মানতে নারাজ আরও এক মহাদেশ, বিশ্বকাপ ঘিরে তীব্র জল্পনা

বিশ্বকাপ এবং ফিফার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উয়েফার আপত্তির পর এবার উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল সংস্থা কনকাকাফও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। এর ফলে ফিফার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফুটবল মহলের একাংশের আশঙ্কা, এই বিরোধ আরও বাড়লে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদিও এখনও কোনও দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা করেনি।জানা গিয়েছে, ইনফান্তিনো ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই পরিকল্পনায় ভবিষ্যতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, এই উদ্যোগ সফল হলে সদস্য দেশগুলি উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাবে। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এর ফলে বিশ্বকাপের সম্প্রচার, স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে বেসরকারি সংস্থার প্রভাব বাড়তে পারে।এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে উয়েফা জানিয়েছে, ফুটবল কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং এই খেলার নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি স্বার্থের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়। একই সুরে কনকাকাফও জানিয়েছে, প্রস্তাবটি নিয়ে আরও স্বচ্ছ আলোচনা এবং নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।এশিয়ার ফুটবল মহল থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এশিয়ান ফুটবল সংস্থার সভাপতি শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফা জানিয়েছেন, সব মহাদেশের সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা কঠিন হবে।ফলে ফিফার এই প্রস্তাব ঘিরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে সদস্য দেশগুলির অবস্থান কী হয় এবং ভোটাভুটিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্বের।

জুলাই ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতী থেকেই শুরু হয়েছিল ফেরানের উড়ান! বিশ্বজয়ের পর সামনে এল পুরনো গল্প

দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতল। ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়। গোটা ফুটবল বিশ্ব এখন এই স্প্যানিশ তরুণকে নিয়ে আলোচনা করছে। অনেকেই মনে করছেন, খুব দ্রুতই তিনি স্পেনের জাতীয় নায়ক হয়ে উঠবেন এবং তাঁর নাম উচ্চারিত হবে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সঙ্গে।তবে অনেক ফুটবলপ্রেমী জানেন না, ফেরান তোরেসের আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় মঞ্চে পরিচিতি শুরু হয়েছিল ভারতের মাটিতে, আর সেই শুরু হয়েছিল খাসকলকাতায়। ২৬ বছর বয়সী ফেরান বর্তমানে এফসি বার্সেলোনার হয়ে খেলেন। তাঁর ফুটবলে হাতেখড়ি ভ্যালেন্সিয়া সিএফ-এর অ্যাকাডেমিতে। সেখান থেকেই বয়সভিত্তিক স্পেন দলে সুযোগ পান। ২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে খেলতে ভারতে আসেন তিনি।সেই বিশ্বকাপে স্পেনের শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় তারা। কিন্তু এরপর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে স্প্যানিশ দল। গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচ জিতে তারা নকআউটে ওঠে। সেখানেও পরপর জয় পেয়ে ফাইনালে পৌঁছে যায় ফেরানদের দল।ততদিনে ফেরান দুটি গোল করেছিলেন এবং দুটি গোল করতেও সাহায্য করেছিলেন। বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে তিনি কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফাইনাল খেলতে নামেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্পেন ২-০ গোলে এগিয়েও গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলে হেরে রানার্স হয় স্পেন।জীবনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে অবশ্য আর ভুল করেননি ফেরান। অতীতে গোল নষ্ট করার অভিযোগে তাঁকে বহুবার সমালোচিত হতে হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনি নিজেকে প্রমাণ করলেন। নিকো উইলিয়ামসের বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতালেন।বিশ্বকাপ ফাইনালের একমাত্র গোলদাতা হিসেবে এখন ইতিহাসে লেখা থাকবে ফেরান তোরেসের নাম। আর ফুটবলপ্রেমীদের মনে পড়বে, এই নায়কের স্বপ্নের উড়ান শুরু হয়েছিল কলকাতার যুবভারতীর মাঠ থেকেই।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন মেসি, আর্জেন্টিনার আবেগঘন পোস্টে কি লুকিয়ে অবসরের ইঙ্গিত?

ফাইনালে আর্জেন্টিনার হার শুধু সমর্থকদেরই হতাশ করেনি, কাঁদিয়েছে অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও। একপেশে ম্যাচে পরাজয়ের পর মাঠ ছাড়ার সময় মেসিকে দেখা যায় সম্পূর্ণ নীরব অবস্থায়। তাঁর চোখে জল ছিল স্পষ্ট, কিন্তু মুখে কোনও কথা ছিল না। সাংবাদিক সম্মেলনেও তিনি হাজির হননি। এরপর থেকেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, আর্জেন্টিনার জার্সিতে এটাই কি মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ?এই জল্পনায় নতুন করে আগুন জ্বালিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন -এর একটি আবেগঘন পোস্ট। সেখানে দেখা যায়, গলায় রানার্স-আপের পদক ঝুলিয়ে কোমরে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন মেসি। তাঁর চোখে জল স্পষ্ট ধরা পড়েছে। সেই ছবির সঙ্গে সংস্থাটি লিখেছে, অধিনায়ক, তোমার কান্না আমাদেরও কাঁদায়। তুমি আমাদের জীবনের সেরা আনন্দ দিয়েছ। দেশের জন্য তোমার নিষ্ঠা, জাদু এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াইকে সেলাম। তোমাকে সারা জীবন ভালোবাসব, লিও। সব কিছুর জন্য ধন্যবাদ।এই বার্তাকে ঘিরেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সংস্থার এই পোস্টে যেন মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের ইতি টানার ইঙ্গিত রয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত মেসি নিজে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দেননি।এদিকে আরেকটি সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, আর্জেন্টিনার মাটিতে একটি বিশেষ প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হতে পারে। সেই ম্যাচেই দেশের সমর্থকদের সামনে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন মেসি। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।ফাইনালের পর মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছেন আর্জেন্টিনার কোচ। তিনি বলেন, এখন ওর বয়স উনচল্লিশ। অবিশ্বাস্য। ওর থেকে নতুন কিছু বার করার নেই। আগেও বলেছি, আজও বলছি, মেসি যত দিন চাইবে তত দিন খেলতে পারে। সমর্থক, সতীর্থ, সবাই ওর পাশে থাকবে। ও যা অর্জন করেছে, তাতে নিঃসন্দেহে সে বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের একজন।এখন ফুটবল বিশ্ব অপেক্ষা করছে, মেসি অবসর নিয়ে মুখ খোলেন কি না। আর যদি সত্যিই দেশের মাটিতে বিদায়ী প্রীতি ম্যাচ হয়, তবে সেটিই হতে পারে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের কাছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

স্পেনের সোনালি রাত, মেসিদের নিস্তেজ বিদায়! একচ্ছত্র আধিপত্যে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিতল লা রোজা

১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বফুটবলের শিখরে উঠে এল স্পেন। নিউ জার্সির দর্শকাসনে অধিকাংশ সমর্থক আর্জেন্টিনার হলেও মাঠের লড়াইয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছে লা রোজা। অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় মুহূর্তে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি নিজেদের করে নেয় স্পেন।এই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই সম্ভবত বিশ্বকাপ মঞ্চে শেষ অধ্যায় লিখলেন লিওনেল মেসি। তবে বিদায়ী ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে কার্যত খুঁজেই পাওয়া যায়নি। স্পেনের দুর্দান্ত প্রেসিং, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগের নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে অসহায় দেখিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।শুরু থেকেই স্পেনের দখলে ম্যাচফাইনালের প্রথম বাঁশি বাজার পর থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে আক্রমণের পর আক্রমণ শানাতে থাকে স্পেন। রদ্রির নেতৃত্বে মাঝমাঠ থেকে একের পর এক আক্রমণ গড়ে ওঠে। দুই প্রান্তে লামিন ইয়ামাল, মার্ক কুকুরেয়া ও আলেক্স বায়েনার গতি আর্জেন্টিনার রক্ষণকে বারবার বিপাকে ফেলে।অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা যেন শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়েই মাঠে নেমেছিল। বলের দখল হারিয়ে প্রায় পুরো ম্যাচ জুড়েই নিজেদের অর্ধে ডিফেন্ড করতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় স্কালোনির দলকে। মেসির কাছে বল পৌঁছে দেওয়ার মতো কার্যকর কোনও পরিকল্পনাই চোখে পড়েনি।মেসিকে ঘিরে স্পেনের নিখুঁত পরিকল্পনাবিশ্বকাপের বড় ম্যাচে বহুবার একাই দলের ভাগ্য বদলে দিয়েছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু এই ফাইনালে তাঁকে কার্যত ম্যাচের বাইরে রেখেছিল স্পেন।প্রথম ২০ মিনিটে মেসি মাত্র দুবার বল স্পর্শ করেন। গোটা প্রথমার্ধেও তাঁর কাছে বল খুব কমবার পৌঁছায়। এনজো ফার্নান্দেজ, রদ্রিগো দি পল কিংবা লিয়ান্দ্রো পারেদেস কেউই মাঝমাঠে স্পেনের চাপে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারেননি। ফলে আক্রমণ গড়ার আগেই থেমে যাচ্ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি প্রচেষ্টা।পরিসংখ্যানই বলছে কার দাপট ছিলম্যাচের পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছে, স্পেন কতটা প্রভাব বিস্তার করেছিল।বলের দখল: স্পেন ৬৮%, আর্জেন্টিনা ৩২%মোট শট: স্পেন ২০, আর্জেন্টিনা ৩গোলমুখে কার্যকর আক্রমণেও ছিল স্পেনের স্পষ্ট আধিপত্যকর্নার, সফল পাস ও আক্রমণ প্রায় সব বিভাগেই এগিয়ে ছিল ইউরোপের দলটি।সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিট পর্যন্ত স্পেনের গোল লক্ষ্য করে একটি শটও নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা।লাল কার্ডে আরও কঠিন হয়ে ওঠে পরিস্থিতিঅতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার আশা আরও ফিকে হয়ে যায় এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ডে। প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পরও নিজেকে সংযত রাখতে পারেননি তিনি। দ্বিতীয়বার ফাউল করায় রেফারি তাঁকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন।দশ জনে নেমে যাওয়ার পর স্পেন আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।১১৬ মিনিটে এল বিশ্বজয়ের মুহূর্তম্যাচ যখন টাইব্রেকারের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই আসে ফাইনালের সিদ্ধান্ত।ডান দিক থেকে পেদ্রো পোরোর দীর্ঘ ক্রস গোললাইনের কাছে নিয়ন্ত্রণে নেন নিকো উইলিয়ামস। তাঁর নিখুঁত হেডে বল পৌঁছে যায় ফেরান তোরেসের সামনে। আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডাররা মুহূর্তের জন্য অবস্থান হারিয়ে ফেলেন। সেই সুযোগে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তোরেস।স্টেডিয়াম স্তব্ধ। আর স্পেনের বেঞ্চে শুরু হয় উচ্ছ্বাস।স্কালোনির কৌশল ব্যর্থফাইনালে তিনটি পরিবর্তন করেছিলেন লিওনেল স্কালোনি। গঞ্জালো মন্তিয়েল, রদ্রিগো দি পল ও লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে শুরু থেকেই নামানো হয়েছিল মাঝমাঠ ও প্রান্তের লড়াই শক্তিশালী করতে।কিন্তু পরিকল্পনার কোনওটাই সফল হয়নি। মন্তিয়েলকে প্রান্তে ওঠার সুযোগ দেয়নি স্পেন। দি পল মাঝমাঠে বল ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। পারেদেসও ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারেননি। ফলে গোটা দলই ছন্দ হারিয়ে ফেলে।বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মর্যাদা প্রমাণ করল স্পেনপুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই আক্রমণাত্মক, দ্রুতগতির ও পজেশন-ভিত্তিক ফুটবল খেলেছে স্পেন। ফাইনালেও সেই একই দর্শন বজায় রেখে তারা বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের কোনও সুযোগই দেয়নি।অন্যদিকে, নকআউটে একাধিকবার পিছিয়ে থেকেও ঘুরে দাঁড়ানো আর্জেন্টিনা ফাইনালে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজে পায়নি। রক্ষণে অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা শেষ পর্যন্ত তাদেরই সর্বনাশ ডেকে আনে।১৬ বছর পর আবার বিশ্বকাপ জিতে স্পেন প্রমাণ করে দিল, আধুনিক ফুটবলে কেবল তারকা নয়, দলগত ছন্দ, পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিকতাই সাফল্যের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। আর আর্জেন্টিনার কাছে এই হার শুধু একটি ট্রফি হারানোর কষ্ট নয়, বিশ্বকাপের মঞ্চে লিওনেল মেসির স্বপ্নযাত্রারও এক বেদনাময় সমাপ্তি হয়ে রইল।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের সবচেয়ে পাগলাটে ম্যাচ! ১০ গোলের রোমাঞ্চে ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক জয়

বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফুটবলপ্রেমীরা পেলেন এক অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চ। ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের লড়াইয়ে হল মোট ১০টি গোল। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলে জিতে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই ফ্রান্সের কোচ হিসেবে শেষ হল দিদিয়ের দেশঁর অধ্যায়।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। তৃতীয় মিনিটেই ডেকলান রাইস গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ১৮ মিনিটে এজরি কোনসা ব্যবধান বাড়ান। এরপর বুকায়ো সাকা প্রথমার্ধে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিরতির সময় মনে হচ্ছিল, ইংরেজরা সহজেই ম্যাচ জিতে নেবে।কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের ছবি। ৪৮ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপে গোল করে ফ্রান্সকে ম্যাচে ফেরান। ৬৬ মিনিটে তিনি আরও একটি গোল করেন। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতাদের তালিকায় লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করেন। ফ্রান্স একসময় ব্যবধান কমিয়ে ৪-৩ করে দেয় এবং ম্যাচে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়।শেষ দিকে আবার আক্রমণে ঝাঁপায় ইংল্যান্ড। ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সাকা নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। অতিরিক্ত সময়ে উসমান দেম্বেলে ফ্রান্সের হয়ে গোল করলেও জুড বেলিংহ্যামের গোল ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে। বেলিংহ্যাম এই বিশ্বকাপে ইংরেজ ফুটবলার হিসেবে সর্বাধিক গোলের নতুন নজিরও গড়লেন।১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে, এমবাপের রেকর্ড গড়া রাতেও হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হল ফ্রান্সকে। দেশঁর কোচিং জীবনের শেষ ম্যাচ তাই স্মরণীয় হয়ে রইল এক নাটকীয় পরাজয়ের জন্য।

জুলাই ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মেসিকে নিয়ে বড় রহস্য! কোচের দুই শব্দে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, হয়তো এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে (Fifa World Cup)। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মেসি শুধু খেলেনই না, নিজের নেতৃত্বে আর্জেন্টিনাকে আরও একটি বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলে আনেন। এবার নতুন প্রশ্ন, স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল কি দেশের জার্সিতে তাঁর শেষ ম্যাচ?ফাইনালের আগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির কাছে এই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। তবে তিনি সরাসরি কোনও উত্তর দেননি। শুধু বলেন, লিওকে জিজ্ঞাসা করুন। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে ফুটবল মহলে (Fifa World Cup)।এরপর অবশ্য মেসির ভূয়সী প্রশংসা করেন স্কালোনি। তাঁর কথায়, মেসি এখন শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি ফুটবল ইতিহাসের অংশ। ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব। স্কালোনি বলেন, যতদিন মেসি মাঠে আছেন, ততদিন তাঁর খেলা উপভোগ করাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এই দলের সঙ্গে মেসি যা অর্জন করেছেন, তা ফুটবল ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Fifa World Cup)।ফাইনালের আগে প্রতিযোগিতার সূচি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ। তাঁর অভিযোগ, নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর পর পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ না দিয়েই দুপুরের গরমে অনুশীলনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দলের প্রস্তুতিতে সমস্যা হয়েছে বলে দাবি তাঁর। স্কালোনির মতে, টুর্নামেন্টের শেষ দিকে খেলোয়াড়দের বিশ্রাম সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলেও বাস্তবে উল্টো পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে।এদিকে, ব্রাজিলের কাফুর পর বিশ্বের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামছেন মেসি। ফাইনালের আগে চাপ অনুভব করছেন কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আগের বিশ্বকাপ ফাইনাল এখন অতীত। সেই স্মৃতি নিয়ে আর ভাবছেন না তিনি। বরং দলকে নিয়ে নতুন লড়াইয়ের দিকেই সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছেন। মেসির বিশ্বাস, ফুটবল সবসময় উপভোগ করার খেলা। ছোটবেলার মতো আজও সেই আনন্দ নিয়েই তিনি মাঠে নামতে চান।

জুলাই ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রতি জেলায় জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফাইনাল! ফুটবলপ্রেমী বাংলার জন্য নতুন রাজ্য সরকারের বড় উদ্যোগ, ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁকে ধন্যবাদ ক্রীড়াপ্রেমীদের

ফুটবলপ্রেমী বাঙালির আবেগকে সম্মান জানিয়ে এক অভিনব ও জনমুখী উদ্যোগ নিল পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার। আগামী ২০ জুলাই ২০২৬, রাত ১২টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হতে চলা ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ রাজ্যের প্রতিটি জেলায় জায়ান্ট স্ক্রিনে সরাসরি সম্প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।রাজ্যের যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব রাজেশ পাণ্ডে, আইএএস-এর স্বাক্ষরিত ১৭ জুলাই ২০২৬-এর একটি সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, সমস্ত জেলার জেলা শাসকদের (District Magistrate) এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আগাম প্রচার ও প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।সরকারি নির্দেশে আরও জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য প্রতি জেলার জন্য ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হবে।ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বড় উপহাররাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা। বহু মানুষের মতে, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, বাংলার সংস্কৃতি ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই সাধারণ মানুষ যাতে একসঙ্গে বিশ্বকাপ ফাইনালের রোমাঞ্চ উপভোগ করতে পারেন, সেই ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।সামাজিক মাধ্যমে ক্রীড়াপ্রেমীর বক্তব্য,বাঙালির ফুটবল আবেগ এবার পাড়ায় পাড়ায় পৌঁছে যাবে। প্রতি জেলায় জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপের লাইভ স্ক্রিনিংয়ের এই উদ্যোগ সত্যিই অভিনব। ক্রীড়াপ্রেমী আপামর রাজ্যবাসীর পক্ষ থেকে রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী ডা. ইন্দ্রনীল খাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ।আরও একাংশের মত,সকল ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে সুখবর। জেলার জেলায় বিশ্বকাপ ফাইনাল একসঙ্গে দেখার সুযোগ করে দেওয়ায় রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী তথা যুব মোর্চার সভাপতি ডা. ইন্দ্রনীল খাঁকে অসংখ্য ধন্যবাদ।ক্রীড়ামন্ত্রীর বার্তানিজের সামাজিক মাধ্যমেও ক্রীড়ামন্ত্রী ডা. ইন্দ্রনীল খাঁ জানিয়েছেনপশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ জনসাধারণের হিতে সম্প্রচারিত হবে।ফুটবল উৎসবের আবহে বাংলাবিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে শহরের পাশাপাশি জেলা ও গ্রামীণ এলাকার মানুষও একসঙ্গে বিশ্বকাপের মহারণ উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। অনেকের মতে, এই উদ্যোগ শুধু খেলা দেখার আয়োজন নয়, বরং ফুটবলকে কেন্দ্র করে সামাজিক সম্প্রীতি, উৎসবের আবহ এবং জনসম্পৃক্ততার এক নতুন দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে ফুটবলপ্রেমী মানুষের কাছে এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। এখন নজর ২০ জুলাই গভীর রাতের দিকে, যখন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে জায়ান্ট স্ক্রিনের সামনে বসে বিশ্বকাপ ফাইনালের রোমাঞ্চ উপভোগ করবেন।

জুলাই ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘লিও, দয়া করে থেকো…’ মেসির উদ্দেশে ১৫ বছরের এনজোর আবেগঘন চিঠি ফের ভাইরাল, বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

স্পোর্টস ডেস্ক | জনতার কথা২০১৬ সালে লিওনেল মেসিকে আন্তর্জাতিক ফুটবল না ছাড়ার অনুরোধ জানিয়ে আবেগঘন চিঠি লিখেছিলেন কিশোর এনজো ফার্নান্দেজ। ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সেই চিঠি ফের ভাইরাল।২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। সেই সময় গোটা আর্জেন্টিনার মতোই ভেঙে পড়েছিলেন এক কিশোর ফুটবলারএনজো ফার্নান্দেজ। মাত্র ১৫ বছর বয়সে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি নিজের ফুটবল-আইডল মেসিকে উদ্দেশ্য করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখেছিলেন। দশ বছর পর, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সেই চিঠিই আবার ভাইরাল হয়েছে।চিঠিতে এনজো লিখেছিলেন, লিও, দয়া করে থেকে যাও। আমাদের ক্ষমা করে দাও। খেলাটা শুধু আনন্দের জন্য খেলো। তুমি আমাদের অসীম আনন্দ দিয়েছ। তোমার মতো কাউকে আর কখনও পাব না। সেই সময় তিনি অনুরোধ করেছিলেন, সমালোচকদের জন্য নয়, বরং কোটি আর্জেন্টাইন সমর্থকের জন্য যেন মেসি জাতীয় দলে থেকে যান।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম! বিশ্বকাপজয়ী দলকে ট্রফির সঙ্গে দেওয়া হবে বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং, ফিফার নজিরবিহীন সিদ্ধান্তভাগ্যের কী আশ্চর্য পরিহাস! যে কিশোর একদিন মেসিকে অবসর না নিতে অনুরোধ করেছিল, আজ সেই এনজোই আর্জেন্টিনা দলের অন্যতম স্তম্ভ। ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মেসির তৈরি করা সুযোগ থেকে গুরুত্বপূর্ণ গোল করে দলকে ফাইনালে তুলেছেন এনজো। এখন দুজনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের লড়াইয়ে নামতে চলেছেন।মেসি শেষ পর্যন্ত অবসরের সিদ্ধান্ত বদলেছিলেন। এরপর আর্জেন্টিনা জেতে কোপা আমেরিকা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং আরও একাধিক আন্তর্জাতিক সাফল্য। সেই ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠেন এনজো ফার্নান্দেজও। ফলে ২০১৬ সালের সেই আবেগময় চিঠি এখন ফুটবলপ্রেমীদের কাছে শুধুই একটি পোস্ট নয়, বরং স্বপ্ন, বিশ্বাস ও অধ্যবসায়ের প্রতীক।

জুলাই ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালে যাচ্ছেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই, সামনে এল চমকপ্রদ কারণ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে রবিবার স্পেনের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই মহারণে বিশ্বের একাধিক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি প্রত্যাশিত। তবে সবার নজর কেড়েছে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই-এর সিদ্ধান্ত।ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তিনি বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন না।কুসংস্কারই সিদ্ধান্তের মূল কারণআর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট মিলেই বিশ্বাস করেন যে তিনি যেভাবে পুরো বিশ্বকাপ চলাকালীন বুয়েনস আইরেসের সরকারি বাসভবন থেকেই প্রতিটি ম্যাচ দেখেছেন, সেই রীতি ভাঙলে দলের ভাগ্যে প্রভাব পড়তে পারে।তিনি নিজের এই ম্যাচ-ডে রুটিনকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন। এমনকি একটি নির্দিষ্ট জ্যাকেটও প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরেন, যা তাঁর বিশ্বাস অনুযায়ী আর্জেন্টিনার জন্য শুভ। তাই ফাইনালের মতো ঐতিহাসিক ম্যাচের আগে সেই অভ্যাস বদলাতে নারাজ তিনি।আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে কাবালাআর্জেন্টিনায় ফুটবলকে ঘিরে কাবালা (Cbala) বা সৌভাগ্যের কুসংস্কার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। সমর্থক থেকে শুরু করে খেলোয়াড়অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নির্দিষ্ট রুটিন অনুসরণ করেন।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম! বিশ্বকাপজয়ী দলকে ট্রফির সঙ্গে দেওয়া হবে বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং, ফিফার নজিরবিহীন সিদ্ধান্তবিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট মিলেইও সেই সংস্কৃতিরই অংশ। তাঁর বিশ্বাস, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি নিজের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলবেন, ততক্ষণ আর্জেন্টিনার সৌভাগ্য অটুট থাকবে।ঐতিহাসিক ম্যাচের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্বরবিবারের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একদিকে লামিনে ইয়ামালদের স্পেন, অন্যদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর আর্জেন্টিনা।বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর এখন এই মহারণের দিকে। আর সেই সময় দেশের প্রেসিডেন্ট মাঠে না থাকলেও, নিজের লাকি রুটিন বজায় রেখে টেলিভিশনের সামনে থেকেই দলের জন্য শুভকামনা জানাবেন হাভিয়ের মিলেই।

জুলাই ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম! বিশ্বকাপজয়ী দলকে ট্রফির সঙ্গে দেওয়া হবে বিশেষ ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’, ফিফার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত

স্পেন-আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ঐতিহ্য ভেঙে নতুন পুরস্কার ঘোষণা ফিফার, আমেরিকান ক্রীড়া সংস্কৃতির ছোঁয়া বিশ্ব ফুটবলেফিফা বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার বদলাতে চলেছে চ্যাম্পিয়নদের পুরস্কার প্রদানের ঐতিহ্য। ১৯৩০ সাল থেকে বিশ্বকাপজয়ী দল ট্রফি ও স্বর্ণপদক পেয়েই সম্মানিত হয়ে এসেছে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এক নতুন সম্মানফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং।রবিবার নিউ জার্সির নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলা ফাইনালের বিজয়ী দল শুধু বিশ্বকাপ ট্রফিই নয়, ব্যক্তিগতভাবে বিশেষভাবে নকশা করা চ্যাম্পিয়নশিপ রিংও পাবে।ফিফা জানিয়েছে, মোট ৩০টি কাস্টমাইজড রিং তৈরি করা হবে বিজয়ী দলের ফুটবলার, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সদস্যদের জন্য। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক ও প্রধান কোচকে প্রতীকী রিং তুলে দেওয়া হবে। পরে প্রতিটি রিং সংশ্লিষ্ট সদস্যের পরিচয় অনুযায়ী ব্যক্তিগতভাবে প্রস্তুত করে দেওয়া হবে। রিংয়ের এক পাশে থাকবে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীক, অন্য পাশে থাকবে বিজয়ী দেশের নাম, টুর্নামেন্টের বিবরণ ও বিশেষ নকশা।আমেরিকান ক্রীড়া সংস্কৃতির প্রভাবচ্যাম্পিয়নশিপ রিংয়ের প্রচলন মূলত মার্কিন ক্রীড়াজগতে বহুদিনের। এনবিএ, এনএফএল, এমএলবি-সহ বিভিন্ন পেশাদার লিগে চ্যাম্পিয়ন দলকে এই রিং প্রদান করা হয়। এবার সেই সংস্কৃতিকেই বিশ্ব ফুটবলে নিয়ে এল ফিফা। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় আয়োজিত ২০২৬ বিশ্বকাপে দর্শক আকর্ষণ ও বাণিজ্যিক আবেদন আরও বাড়াতেই এই উদ্যোগ।শুধু রিং নয়, আরও নতুনত্বএবারের বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। ফাইনালে থাকছে সুপার বোলের আদলে হাফটাইম শো, পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ে হাইড্রেশন ব্রেক-এর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এই সব পরিবর্তনের মাধ্যমে বিশ্বকাপকে আরও বিনোদনমূলক করে তুলতে চাইছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা।নজর এখন মহারণেএকদিকে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন, অন্যদিকে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। মাঠে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের পাশাপাশি ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানোর সুযোগও রয়েছে দুই দলের সামনে। কারণ, যে দলই জিতুক, তারাই হবে বিশ্বকাপের প্রথম চ্যাম্পিয়নশিপ রিং প্রাপ্ত দল।

জুলাই ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ডকে হারিয়েই মাঠে যুদ্ধের বার্তা! আর্জেন্টিনার কাণ্ডে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়, শাস্তির মুখে মেসির দল?

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু ম্যাচ শেষের পর ফুটবলের চেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে মাঠের এক বিতর্কিত ঘটনাকে ঘিরে। জয়ের আনন্দে আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে একটি ব্যানার হাতে মাঠে উদযাপন করেন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী মাঠে রাজনৈতিক বার্তা বা ব্যানার প্রদর্শন নিষিদ্ধ। তাই এই ঘটনার জেরে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।ম্যাচ শেষ হওয়ার পর দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। কিছুক্ষণ দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডাও চলে। সেই সময়ই আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলার একটি ব্যানার হাতে মাঠে নামেন। সেখানে লেখা ছিল, মালভিনাস আমাদেরই। আর্জেন্টিনায় ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে মালভিনাস নামে ডাকা হয়। ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতেও একই স্লোগান ও ব্যানার দেখা গিয়েছিল।ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জ বর্তমানে ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আর্জেন্টিনা বহু বছর ধরে সেটিকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। এই বিরোধ থেকেই উনিশশো বিরাশিতে দুই দেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছিল। দীর্ঘ যুদ্ধের শেষে আর্জেন্টিনা পরাজিত হয় এবং দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ ব্রিটেনের হাতেই থেকে যায়। সেই যুদ্ধে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি ফুটবল ইতিহাসেও জড়িয়ে রয়েছে। যুদ্ধের কয়েক বছর পর বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দিয়েগো মারাদোনার বিখ্যাত গোল আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। সেই আবেগ এখনও আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে গভীরভাবে রয়ে গেছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।তবে এবার মাঠে রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের কারণে আর্জেন্টিনা সমস্যায় পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী খেলার মাঠে কোনও রাজনৈতিক বা ভূখণ্ড সংক্রান্ত বার্তা প্রকাশ করা যায় না। তাই ফিফা এই ঘটনার তদন্ত করে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শেষ মুহূর্তে মেসির জাদু! ইতিহাস গড়ে টানা দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

মেসির জাদু যেন এখনও শেষ হয়নি। একসময় যাঁকে নিয়ে সমালোচনা, ট্রোল আর কটাক্ষে ভরে উঠেছিল সমাজমাধ্যম, আজ তিনিই আবার আর্জেন্টিনাকে পৌঁছে দিলেন বিশ্বকাপের ফাইনালে। শেষ মুহূর্তে তাঁর অসাধারণ পাস থেকেই আসে জয়সূচক গোল। লাউতারো মার্টিনেজের নিখুঁত হেডে ২-১ ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা।ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায়। অ্যান্টনি গর্ডন দুর্দান্ত ফিনিশে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর একের পর এক আক্রমণ করেও গোল পাচ্ছিল না আর্জেন্টিনা। দুবার বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে।ম্যাচ যখন শেষের পথে, তখনই শুরু হয় মেসির জাদু। প্রথমে তাঁর তৈরি সুযোগ থেকে বক্সের বাইরে দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। অতিরিক্ত সময়ে আবার ডান দিক দিয়ে অসাধারণ ক্রস বাড়ান মেসি। সেই বল হেড করে জালে জড়িয়ে দেন লাউতারো মার্টিনেজ। শেষ মুহূর্তের এই গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।এই বিশ্বকাপে মেসির পারফরম্যান্সও নজরকাড়া। এখনও পর্যন্ত তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৮টি গোল এবং ৪টি গোল করানোর পাস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক গোল করানোর তালিকাতেও আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন তিনি। ফলে সেরা ফুটবলারের দৌড়েও রয়েছেন অনেকটাই এগিয়ে।এবার ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা দুই দলের লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই বাড়ছে উত্তেজনা। মেসি কি আরও একবার বিশ্বকাপ জিতে নিজের ফুটবল জীবনের সেরা অধ্যায়ে নতুন ইতিহাস লিখবেন, এখন সেই উত্তর খুঁজছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসিকে আটকে রেখেও রক্ষা পেল না ইংল্যান্ড! স্কালোনির মাস্টারস্ট্রোকে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা, টুখেলের রক্ষণাত্মক কৌশলেই ভাঙল স্বপ্ন

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে নাটকীয়ভাবে হারিয়ে ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। গোল না করেও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন লিওনেল মেসি। স্কালোনির আক্রমণাত্মক পরিবর্তন ও টমাস টুখেলের রক্ষণাত্মক কৌশলই গড়ে দিল ম্যাচের ভাগ্য।বিশ্বকাপের ইতিহাসে বারবার দেখা গেছে, লিওনেল মেসিকে আটকে দিতে পারলেই আর্জেন্টিনাকে থামানো সম্ভবএই ধারণা অনেক দলেরই ছিল। কিন্তু বর্তমান আর্জেন্টিনা সেই ধারণাকে একেবারে ভুল প্রমাণ করে দিল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মেসিকে কার্যত গোলশূন্য রেখেও ২-১ ব্যবধানে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল লিওনেল স্কালোনির দল।এই ম্যাচ শুধু একটি জয় নয়, বরং আর্জেন্টিনার দলগত শক্তি, কৌশলগত পরিপক্বতা এবং মানসিক দৃঢ়তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।মেসিকে আটকে রাখার পরিকল্পনা সফল, তবুও হার ইংল্যান্ডেরম্যাচের শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল স্পষ্টমেসিকে যতটা সম্ভব খেলার বাইরে রাখা। মাঝমাঠে জায়গা না দিয়ে একাধিক ফুটবলারকে তাঁর উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ফলে গোটা ম্যাচে খুব কমবারই ইংল্যান্ডের পেনাল্টি বক্সে ঢুকতে পেরেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।তবে মেসি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। মাঝমাঠ থেকে খেলা তৈরি করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ডান প্রান্তে সরে গিয়ে আক্রমণের নতুন রাস্তা খুলে দেন। গোল করতে না পারলেও ম্যাচের দুই গোলের সূচনায় তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।মেসি নয়, দলই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তিএই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে আর্জেন্টিনার মানসিকতায়। আগে দলের প্রায় সব আক্রমণ মেসিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হলেও এখন দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ, লাউতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজদের মতো ফুটবলাররা।৮৪ মিনিটে এঞ্জো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরে। সেই গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় আর্জেন্টিনার হাতে। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই মেসির নিখুঁত ক্রসে অসাধারণ হেড করে জয়সূচক গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ।খাতায়-কলমে দুটি অ্যাসিস্ট মেসির হলেও গোল দুটির কৃতিত্ব সমানভাবে প্রাপ্য গোলদাতাদের। এই সমষ্টিগত শক্তিই বর্তমান আর্জেন্টিনাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।স্কালোনির সাহসী সিদ্ধান্ত বদলে দিল ম্যাচপ্রথম এক ঘণ্টা পর্যন্ত ম্যাচে আধিপত্য ছিল ইংল্যান্ডের। দ্রুতগতির আক্রমণ এবং সংগঠিত ফুটবলে বারবার সমস্যায় পড়ছিল আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ।কিন্তু গোল হজম করার পরেও স্কালোনি ভয় পাননি। বরং আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলানোর সিদ্ধান্ত নেন। রক্ষণভাগ থেকে একজন ফুটবলার তুলে অতিরিক্ত স্ট্রাইকার নামিয়ে দেন। ফলে ইংল্যান্ডের বক্সে ক্রমাগত চাপ তৈরি হতে থাকে।স্কালোনির এই সাহসী সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।টুখেলের অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক মানসিকতাই কাল হলোইংল্যান্ডের হারের সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে কোচ টমাস টুখেলের কৌশলগত ভুল।গোল করার পর আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার বদলে তিনি দলকে প্রায় পুরোপুরি নিজেদের অর্ধে নামিয়ে আনেন। অতিরিক্ত ডিফেন্ডার নামিয়ে ৫-৪-১ ফরমেশনে চলে যান। এমনকি হ্যারি কেনকেও রক্ষণ সামলাতে দেখা যায়।এই সিদ্ধান্তের ফলে ইংল্যান্ডের আক্রমণ পুরোপুরি থেমে যায়। বলের দখল, ম্যাচের গতি এবং আত্মবিশ্বাসসবকিছুই ধীরে ধীরে আর্জেন্টিনার দিকে চলে যেতে থাকে।আধুনিক ফুটবলে এক গোলের ব্যবধান কখনও নিরাপদ নয়। অথচ দ্বিতীয় গোলের খোঁজে না গিয়ে শুধুমাত্র লিড ধরে রাখার চেষ্টা করেই বড় মূল্য চুকাতে হলো টুখেলকে।ফাইনালের আগে বড় বার্তা দিল আর্জেন্টিনাম্যাচ শেষে সেন্টার সার্কেলে হাঁটু গেড়ে বসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন লিওনেল মেসি। সতীর্থরা তাঁকে ঘিরে উদযাপনে মেতে ওঠেন। সেই দৃশ্য যেন একটি বার্তাই দেয়এই দল শুধু একজন সুপারস্টারের নয়, বরং ১১ জনের সম্মিলিত লড়াইয়ের প্রতীক।মেসি গোল না করলেও আর্জেন্টিনা জিততে পারেএই বিশ্বাস এখন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। নকআউট পর্বে একের পর এক ম্যাচে বিভিন্ন ফুটবলার দায়িত্ব নিয়ে দলকে জিতিয়েছেন। সেমিফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতার গল্প নয়, বরং প্রতিপক্ষের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তামেসিকে আটকালেই আর্জেন্টিনাকে থামানো যাবে, সেই ধারণার দিন শেষ।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে বড় আতঙ্ক! দুর্গে পরিণত আটলান্টা, কেন এত কড়া নিরাপত্তা?

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ঘিরে এখন শুধু ফুটবল নয়, নিরাপত্তাও বড় আলোচনার বিষয়। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইতিহাস, আবেগ এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই কারণেই আটলান্টার স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মার্কিন প্রশাসনের মতে, চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচগুলির একটি। সেই কারণে স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একাধিক বৈঠক করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমর্থকদের নিরাপদে প্রবেশ নিশ্চিত করতে দুই দলের দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু ব্যানার বা রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের একাধিক ম্যাচ বিতর্ক, উত্তেজনা এবং নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী। সেই কারণেই এই লড়াইকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগও সব সময় তুঙ্গে থাকে।শুধু অতীতের ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের জয়য়ের পর দুই দলের কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। তবে খেলার পাশাপাশি এবার নজর থাকবে মাঠের বাইরের পরিস্থিতির দিকেও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থেকেই স্পষ্ট, কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় আয়োজকরা।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই মেসিদের ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের ডাক কেন?

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই ফুটবল শক্তির লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহেই সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন আবেদন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ওই আবেদনের সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, রেফারির সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ ওই অনলাইন আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন। আবেদনকারীদের বক্তব্য, বিশ্বকাপে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। তবে এই দাবির বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।এই বিতর্কের মাঝেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের লড়াই বহু স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী। দিয়েগো মারাদোনার বিতর্কিত গোল থেকে শুরু করে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে রয়েছে। তাই এবারও এই ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি।ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনও ম্যাচের আগে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা খুব অভিজ্ঞ দল। তারা জানে কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হয়। তাই এই ম্যাচ সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।অন্যদিকে গোলদাতাদের তালিকাতেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। লিওনেল মেসি আটটি গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিলিয়ান এমবাপেও আট গোল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ঝুলিতে রয়েছে ছয় গোল। ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মেসি যেমন দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবেন, তেমনই গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও থাকবে তাঁর সামনে।সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এই মহারণ শুধু দুই দলের লড়াই নয়, মাঠের বাইরের বিতর্কও এই ম্যাচকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দিয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আবারও স্পেনের কাছে অসহায় ফ্রান্স! বিশ্বকাপের স্বপ্ন ভেঙে দিল ইয়ামালের দল

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে যে ফ্রান্সকে দেখে শিরোপার অন্যতম দাবিদার মনে হয়েছিল, নকআউটে সেই দলকে যেন চিনতেই পারল না ফুটবল বিশ্ব। স্পেনের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ছন্দহীন ফুটবল খেলল দিদিয়ের দেশঁর দল । আক্রমণে এমবাপে, বার্কোলা ও ওলিসে থাকলেও তাঁদের খেলায় ছিল না ধার, ছিল না পরিকল্পনা। অন্যদিকে বল দখল, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে আবারও ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল স্পেন।ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সের আক্রমণ আটকে দেয় স্পেনের মাঝমাঠ। এমবাপেরা বারবার আক্রমণে উঠলেও শেষ মুহূর্তে থেমে যায় সব চেষ্টা। ম্যাচের কুড়ি মিনিটে বক্সের মধ্যে ইয়ামালকে ফাউল করেন দিগনে। পেনাল্টি থেকে নিশ্চিত গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়ারজাবাল।এর কিছুক্ষণ পরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন উইলিয়াম সালিবা। এতে ফ্রান্সের রক্ষণ আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথমার্ধে স্পেন একের পর এক আক্রমণ করলেও ঝুল কুন্ডে ও উপামেকানো কয়েকবার বিপদ সামাল দেন। কিন্তু ফ্রান্সের আক্রমণভাগ পুরো ম্যাচেই কার্যত নিষ্প্রভ ছিল। এমবাপে ঠিকমতো বলই পেলেন না, আর যে কটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল, সেগুলিও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ফরাসি ফুটবলাররা।দ্বিতীয়ার্ধে আটান্ন মিনিটে পেদ্রো পোরোর গোল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ফ্রান্স আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। মাঝমাঠে বারবার বল হারায় তারা। যে কটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল, সেগুলিও অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। তাঁর একের পর এক দুর্দান্ত সেভ স্পেনকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে রাখে।এই জয়ের মাধ্যমে টানা তিনটি বড় প্রতিযোগিতায় ফ্রান্সকে হারাল স্পেন। দুই হাজার চব্বিশ সালের ইউরো কাপ, দুই হাজার পঁচিশ সালের নেশন্স লিগের পর এবার দুই হাজার ছাব্বিশ সালের বিশ্বকাপেও ফ্রান্সকে হারিয়ে দিল তারা। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই, কেন বারবার স্পেনের কৌশলের সামনে অসহায় হয়ে পড়ছে ফ্রান্স? তিন বছরেও কেন সেই সমস্যার সমাধান করতে পারলেন না দেশঁ?দীর্ঘ ষোলো বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। এবার কি ইয়ামাল, রদ্রি এবং তাঁদের সতীর্থরা বিশ্বকাপ জিতে নতুন ইতিহাস গড়বেন? সেই উত্তর মিলবে ফাইনালের মঞ্চেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফুয়েন্তের কৌশলের কাছে অসহায় ফ্রান্স, এমবাপেকে নিষ্ক্রিয় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

স্পেনের আধিপত্য, লুই দে লা ফুয়েন্তের নিখুঁত কৌশল এবং দুর্দান্ত দলগত ফুটবলের সামনে দাঁড়াতেই পারল না ফ্রান্স। বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ২-০ গোলে জিতে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল লামিনে ইয়ামালদের স্পেন। ম্যাচজুড়ে কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলের মতো তারকাদের কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রেখে প্রমাণ করে দিল স্প্যানিশরা কেন এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা দল।ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজতেই বোঝা যাচ্ছিল স্পেন আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছে। বলের দখল, দ্রুত পাসিং এবং মাঝমাঠে চাপ তৈরি করে ফরাসিদের নিজেদের অর্ধেই আটকে রাখার চেষ্টা করেন লুই দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। অন্যদিকে দিদিয়ের দেশঁর দল কাউন্টার অ্যাটাকের অপেক্ষায় থাকলেও স্পেনের সুচিন্তিত অফসাইড ট্র্যাপ সেই পরিকল্পনাকে বারবার ব্যর্থ করে দেয়।পাউ কুবারসি, আয়মেরিক লাপোর্তে এবং পেদ্রো পোরোর নেতৃত্বে স্পেনের রক্ষণভাগ এমনভাবে লাইন ধরে খেলছিল যে এমবাপে ও দেম্বেলে একাধিকবার অফসাইডে ধরা পড়েন। বিশেষ করে এমবাপেকে প্রায় সারাক্ষণ নজরবন্দি করে রাখেন কুবারসি। ফলে ফরাসি অধিনায়ক নিজের স্বাভাবিক গতিতে খেলাই গুছিয়ে উঠতে পারেননি।প্রথম দশ মিনিটেই স্পেন একটি বিপজ্জনক ফ্রিকিক পেলেও গোল আসেনি। তবে ২০ মিনিটে ঘটে ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। বক্সের মধ্যে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত লামিনে ইয়ামালের গায়ে লাথি মেরে বসেন লুকাস ডিগনে। রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে অনায়াসে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়ারজ়াবাল। দেশের জার্সিতে চলতি মৌসুমে এটি তাঁর ১৪তম গোল, যা স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বাধিক গোলের নতুন নজির।গোল হজম করার পর ফ্রান্স কিছুটা ছন্দে ফেরার চেষ্টা করে। মাঝমাঠে বলের দখল বাড়ালেও শেষ তৃতীয়াংশে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হতে থাকে। এমবাপে ও দেম্বেলে কয়েকটি সম্ভাবনা তৈরি করলেও স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন অসাধারণ দক্ষতায় দুবার নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেন। বিপরীতে ইয়ামাল, ওয়ারজ়াবাল এবং আলেক্স বায়েনা নিয়মিতভাবে ফরাসি রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন।এরই মধ্যে ৩০ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ফ্রান্সের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম স্যালিবা। তাঁর পরিবর্তে ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া নামলেও রক্ষণে স্থিতি ফেরাতে পারেনি ফরাসিরা।দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর লক্ষ্য নিয়ে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ফ্রান্স। কিন্তু স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং অফ দ্য বল মুভমেন্ট বারবার ফরাসিদের হতাশ করে। অন্যদিকে প্রতি আক্রমণে ধার বজায় রাখে স্পেন।৫৮ মিনিটে সেই পরিকল্পনাই সফল হয়। দ্রুতগতির এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ফরাসি রক্ষণে তৈরি হওয়া ফাঁক কাজে লাগিয়ে বল পান পেদ্রো পোরো। ডান পায়ের জোরালো শটে গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে পরাস্ত করে স্পেনের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।দুই গোলে পিছিয়ে পড়তেই দেশঁ একের পর এক পরিবর্তন করেন। ব্র্যাডলি বার্কোলার জায়গায় নামানো হয় ডেজ়িরে ডুয়েকে। পরে মাইকেল ওলিসে ও লুকাস ডিগনের পরিবর্তে মাঠে আসেন রায়ান চেরকি ও থিয়ো হার্নান্দেজ়। কিন্তু পরিবর্তনেও ম্যাচের চিত্র বদলায়নি। বরং স্পেনের রক্ষণ আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ফরাসি আক্রমণ সামাল দেয়।৬৪ মিনিটে লামিনে ইয়ামাল জালে বল জড়ালেও সামান্য অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়। তবুও তরুণ স্প্যানিশ তারকা পুরো ম্যাচজুড়ে নিজের গতি, ড্রিবলিং এবং সৃজনশীলতায় ফরাসি রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখেন।ম্যাচের শেষ দিকে মরিয়া চেষ্টা চালায় ফ্রান্স। ৮৭ মিনিটে বক্সের সামনে ফ্রিকিক পেলেও এমবাপের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। সংযুক্ত সময়েও উসমান দেম্বেলের জোরালো শট অসাধারণ সেভ করে দেন উনাই সিমন। শেষ পর্যন্ত আর গোল শোধ করতে না পেরে ২-০ ব্যবধানেই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করল স্পেন। পাশাপাশি ফ্রান্সের বিরুদ্ধে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়ে দাপটও বজায় রাখল লুই দে লা ফুয়েন্তের দল। অন্যদিকে, বড় মঞ্চে দলকে উদ্ধার করার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েও লিওনেল মেসির মতো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারলেন না কিলিয়ান এমবাপে। পুরো ম্যাচে স্পেনের পরিকল্পিত ফুটবল, রক্ষণশৈলী এবং দলগত সমন্বয়ই ছিল জয়ের মূল চাবিকাঠি।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের আগে বড় চমক! ইংল্যান্ড ম্যাচে মেসিদের বিশেষ অস্ত্রে সায়, তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা আলোচনা চলছে। এবার সেমিফাইনালের আগে নতুন করে সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে নিজেদের সৌভাগ্যের গাঢ় নীল জার্সি পরার অনুমতি চেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে ফিফা। ফলে বুধবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরিচিত নীল-সাদা জার্সির বদলে গাঢ় নীল জার্সিতেই মাঠে নামতে পারে লিওনেল মেসিদের দল।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ফুটবল মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি পরে খেলতে নেমে অতীতে একাধিকবার জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। সেই কারণেই এই জার্সিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন অনেক সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমী।উনিশশো ছিয়াশি সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারানোর সময়ও আর্জেন্টিনার গায়ে ছিল গাঢ় নীল জার্সি। পরে উনিশশো আটানব্বই সালের বিশ্বকাপেও একই রঙের জার্সি পরে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে, দুই হাজার দুই সালের বিশ্বকাপে নীল-সাদা জার্সি পরে মাঠে নেমে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।এই কারণেই সেমিফাইনালের আগে আবার সেই গাঢ় নীল জার্সি পরার আবেদন জানায় আর্জেন্টিনা। অনুমতি মেলায় অনেকেই মনে করছেন, এটি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ম্যাচের ফল শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে মাঠের পারফরম্যান্সের উপরই।আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিশেষ জার্সি বা নির্দিষ্ট রীতিনীতি মানার প্রচলন রয়েছে। এই বিশ্বাসকে তারা কাবালা নামে চেনে। সেই বিশ্বাস থেকেই এবারও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গাঢ় নীল জার্সি বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে তিনটি ছিল নকআউট ম্যাচ। এবার চতুর্থ নকআউট লড়াইয়ে আবারও মুখোমুখি দুই ফুটবল শক্তি। এখন দেখার, ইতিহাসের সৌভাগ্য নাকি মাঠের লড়াই শেষ পর্যন্ত কোনটি জয় এনে দেয় মেসিদের।

জুলাই ১৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শাহবাজ রাষ্ট্রসংঘে ভারতকে কাঠগড়ায় তুলতেই পাল্টা জবাব! ওসামা প্রসঙ্গ টেনে দিল্লির কড়া বার্তা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভারতকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন। কাশ্মীর, সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি এবং গত বছরের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গ তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। এর পরেই ভারতের তরফে জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করে পাকিস্তানের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেওয়া হয়।রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব পেটল গেহলট ভারতের হয়ে বক্তব্য রাখেন। পাকিস্তানের প্রতিনিধির বক্তব্যকে তিনি অদ্ভুত বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করেন। তাঁর বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার ভারত প্রয়োগ করবে এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্তদের তার পরিণতি ভুগতে হবে।ভারতের পাল্টা বক্তব্যে বিশেষ ভাবে উঠে আসে আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের প্রসঙ্গ। পেটল গেহলট বলেন, রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনের সময় ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তির প্রসঙ্গও মনে রাখা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে পাক সেনার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কাছে বসবাস করছিলেন।ভারতীয় প্রতিনিধির বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত বছর ভারত দেখিয়েছে যে সন্ত্রাসীদের পালিয়ে যাওয়ার বা লুকিয়ে থাকার জায়গা থাকবে না। সীমান্তপারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের কথাও তিনি জানান। পাকিস্তানের সন্ত্রাসনীতি নিয়ে ভবিষ্যতে পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।শাহবাজ শরিফের বক্তব্যে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গও ছিল। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের ওই চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসের পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তানের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে গত বছরের সংঘাত এবং অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও ফিরে আসে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওই সংঘাতের ফলাফল নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক দাবি তুলেছেন। ভারত অবশ্য সেই দাবিগুলির পাল্টা জবাব দিয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।এর আগে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। সেই সময় জয়শঙ্কর পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, পাকিস্তান কত দিন সন্ত্রাসবাদকে মদত দিয়ে যাবে। এই মন্তব্য নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল।ফলে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের পর ভারতের পাল্টা জবাব ঘিরে ফের প্রকাশ্যে এল দিল্লি-ইসলামাবাদের তীব্র মতবিরোধ। সন্ত্রাসবাদ, কাশ্মীর এবং সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির মতো একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই দেশের অবস্থান যে এখনও পরস্পরের বিপরীত, রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চের এই বক্তব্যে তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, রাজ্য পুলিশেই পুরভোট? কমিশনের ভাবনায় বড় বদল

পশ্চিমবঙ্গে ফের পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কলকাতা ও হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের লক্ষ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বৈঠকে ভোটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহকে সামনে রেখে প্রস্তুতি এগোচ্ছে। তবে ভোটের দিনক্ষণ এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি।এই সাতটি পুরসভা হল কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়ং। প্রশাসনিক স্তরে ইতিমধ্যেই বুথ, ভোটকর্মী, ভোটকেন্দ্র এবং ইভিএম সংক্রান্ত কাজ শুরু হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস এবং আসন সংরক্ষণের কাজও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসনের তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র নির্বাচন এবং প্রয়োজনীয় ভোটকর্মী নিয়োগ নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে কাজ এগোচ্ছে।নিরাপত্তার বিষয়টিও কমিশনের প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিবর্তে রাজ্য পুলিশ দিয়েই পুরভোট পরিচালনার বিষয়ে কমিশনের প্রাথমিক ভাবনা রয়েছে। তবে এটি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা যাচ্ছে।ভোটের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোন এলাকাকে বেশি স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, কোথায় কত পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন এবং কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়গুলিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করে রাখতে চাইছে কমিশন।এদিকে পুরভোটের জন্য ইভিএমের জোগান নিয়েও প্রস্তুতি চলছে। পর্যাপ্ত যন্ত্র পাওয়া যায় কি না, তার উপর ভোট এক দিনে হবে নাকি একাধিক দিনে আয়োজন করা হবে, সেই বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করতে পারে। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা করার আগে একাধিক প্রশাসনিক বিষয় মিটিয়ে নিতে চাইছে কমিশন।কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নিয়ে এবার বিশেষ নজর রয়েছে। হাওড়া পুরসভায় দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচন হয়নি। বর্তমানে রাজ্যের মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই এবং প্রশাসকের মাধ্যমে পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভায় দীর্ঘদিন ভোট না হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে।প্রাথমিক ভাবে সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি চললেও রাজ্যের আরও একাধিক পুরসভায় নির্বাচন বকেয়া রয়েছে। সেই তালিকায় বিধাননগর, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, মিরিক, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, পাঁশকুড়া, কুপার্স ক্যাম্প এবং নলহাটির মতো পুরসভাও রয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাকি পুরসভাগুলির ভোট কী ভাবে এবং কখন আয়োজন করা হবে, তা নিয়েও নজর রয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পর রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। তবে এখনই ভোটের চূড়ান্ত দিন ঘোষণা হয়নি। কমিশনের প্রস্তুতি কোন দিকে এগোয় এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ না অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার উপরই পরবর্তী ছবিটা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

মমতার সভার কয়েক ঘণ্টা আগে কুণালের গাড়িতে হামলা! ভাঙল কাচ, শরীরে ঢুকল কাচের টুকরো

শনিবার শ্রীরামপুরে সভা করার কথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ওই কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জমায়েতে সর্বাধিক এক হাজার মানুষের উপস্থিতির শর্তও রয়েছে। সভার কয়েক ঘণ্টা আগে মমতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।কুণাল ঘোষের অভিযোগ, উত্তরপাড়ার কাছে তাঁর গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। এরপর একদল মানুষ গাড়ির দিকে ডিম, পাথর এবং অন্যান্য জিনিস ছুড়তে শুরু করেন বলে তাঁর দাবি। হামলায় গাড়ির কাচ ভেঙে যায় বলেও জানিয়েছেন তিনি। কাচের টুকরোয় তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লেগেছে বলে কুণালের দাবি।কুণালের বক্তব্য, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রীরামপুরের সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, রাস্তা আটকে কিছু মানুষ লাঠি ও লোহার রড নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। গাড়ি থামিয়ে কোন গাড়িতে কোন নেতা যাচ্ছেন, তা দেখা হচ্ছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।ঘটনার পর কুণাল ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, গাড়ির কাচ ভেঙে পাথর ঢুকে তাঁর ডান কাঁধে আঘাত লাগে। ভাঙা গাড়ি নিয়েই তিনি কলকাতার দিকে রওনা হন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর কথা বলেন।ঘটনাটি নিয়ে তৃণমূলের তরফে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। দলের নেতাদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে কুণাল ঘোষের গাড়ি আটকানো হয়েছিল। অন্যদিকে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে। উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহও একই দাবি করেছেন।ফলে কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। হামলার পেছনে কারা ছিলেন এবং ঠিক কী কারণে গাড়ি আটকানো হয়েছিল, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এরই মধ্যে শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরেও রাজনৈতিক নজর রয়েছে। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সভাটি নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির মধ্যে করতে হবে। জিটি রোডে স্বাভাবিক যান চলাচল বজায় রাখার নির্দেশও রয়েছে।এ দিনের সভাটি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি। ফলে সভা থেকে তিনি কী বার্তা দেন, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ রয়েছে।কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগের পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। তবে হামলার ঘটনায় কারা জড়িত, কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে এবং অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

সিপিএম, কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলার পরেই বড় সিদ্ধান্ত! অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা

রাজনৈতিক মহলে ফের বিরোধী দলগুলির সমন্বয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির একটি বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে যোগ দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যেতে পারেন বলেও জানা যাচ্ছে। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও থাকতে পারেন বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পরেই আগামী সপ্তাহে বিরোধীদের বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার পরদিন বিরোধী দলগুলির বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্ক এবং পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বর্তমানে বিরোধী দলগুলির অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রকাশ্যে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের সূত্রের দাবি, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে ফের নোটিস দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির যৌথ অবস্থান কী হবে এবং আগামী দিনে কী ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।কয়েক দিন আগেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। পরে দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়। বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে ওই কথোপকথন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে।তবে এই বৈঠককে কেন্দ্র করে এখনও সব দলের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, বৈঠকের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি। তাঁর দাবি, এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। রাহুল গান্ধী-সহ অন্যান্য বিরোধী নেতার সঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের আলোচনায় শুধু ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলিই থাকবে, নাকি জোটের বাইরে থাকা বিজেপি বিরোধী দলগুলিকেও বৈঠকে আনার চেষ্টা হবে, তা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। কয়েকটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনাও সামনে এসেছে। তবে কোন কোন দল শেষ পর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে তাঁর দিল্লি সফর এবং বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনও সূত্রনির্ভর বলেই জানা যাচ্ছে।সব মিলিয়ে এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধী দলগুলির ক্ষোভের আবহে দিল্লির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কে বিরোধীরা যৌথ কোনও কর্মসূচি নেয় কি না, কিংবা ইন্ডিয়া জোটের বাইরে থাকা দলগুলিকে এই সমন্বয়ের মধ্যে আনা যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

নিম্নচাপ দুর্বল হলেও বৃষ্টি থামছে না! কোথায় জারি করা হল কমলা সতর্কতা?

নিম্নচাপের প্রভাব ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করলেও দক্ষিণবঙ্গে শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা-সহ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে। সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলার কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির পরিমাণ খুব বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকেও বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে কমবে। দক্ষিণবঙ্গে আগামী তিন থেকে চার দিনে ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি বর্তমানে ছত্তীসগঢ় এবং সংলগ্ন মধ্যপ্রদেশের কাছে অবস্থান করছে। এটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবে রয়েছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দিকে যেতে পারে। নিম্নচাপটি দক্ষিণবঙ্গ থেকে দূরে সরে গেলেও সমুদ্রের উপর ঝোড়ো হাওয়া থাকতে পারে। তাই মৎস্যজীবীদের জন্যও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে শনিবারের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হলেও পুরোপুরি বৃষ্টিমুক্ত হতে কিছুটা সময় লাগবে। রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ এবং বিস্তার দুটোই ধীরে ধীরে কমবে। সেপ্টেম্বর মাসের বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গে বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গে শনিবার পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির কিছু এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। সোমবার থেকে আরও কমবে বৃষ্টির প্রবণতা। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এই পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতে পারে বলে পূর্বাভাস।ফলে আগামী কয়েক দিনে বাংলার আবহাওয়ায় দুই রকম ছবি দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের প্রভাব কাটায় ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমবে। অন্য দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে শনিবার ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতাতেও শনিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

যে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়ে ক্ষমতায় মমতা, সেই দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গেই ফোনে কথা! কেন এই বদল?

বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। সেই দুই দলের মধ্যে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে নতুন করে যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের আবহে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই পক্ষের মধ্যে চিঠি বিনিময়ের পর এই ফোনালাপ হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠক হোক। এই বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এই যোগাযোগের নেপথ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এম এ বেবি বিরোধী নেতাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে আলোচনা এবং যৌথ কৌশল তৈরির কথা বলা হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার জবাবে চিঠি দেন। এরপর দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়েছে।তবে এই যোগাযোগকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও সিপিএমের আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সমঝোতা বা জোট হিসেবে দেখানো হয়নি। আপাতত বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয়ের প্রচেষ্টা হিসেবেই সামনে এসেছে।এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যেই তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন এবং আগের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ফের ভোট নেওয়ার দাবিও তোলেন। এগুলি মমতার রাজনৈতিক দাবি; নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে কমিশনের নিজস্ব বক্তব্যও রয়েছে।এদিকে মমতা ও এম এ বেবির যোগাযোগের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে তৃণমূল ও সিপিএমের দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরোধের কারণে। পশ্চিমবঙ্গে দুই দল বহু বছর ধরে পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। জাতীয় স্তরে দুদল একই বিরোধী জোটের অংশ হলেও এত দিন তাদের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগ সীমিত ছিল বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্য দিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে এম এ বেবির সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আলাদা করে কথাবার্তা হয়েছিল বলেও সূত্রের খবর। সেই আলোচনায় ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণ সংক্রান্ত বিষয় উঠে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে মমতা-বেবির বর্তমান ফোনালাপের সঙ্গে ওই আগের কথোপকথনকে এক করে দেখার মতো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে তৃণমূলের মিছিলে হামলার অভিযোগও ওঠে। কয়েক জন কর্মী আহত হন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়। ওই ঘটনার খবর সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তি-তেও প্রকাশিত হয়েছিল বলে প্রতিবেদন রয়েছে। তবে হামলার অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য আলাদা এবং ঘটনাটির দায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে জাতীয় স্তরের বিতর্ক নতুন রাজনৈতিক যোগাযোগের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও এম এ বেবির ফোনালাপ এবং দিল্লিতে বিরোধী বৈঠকের উদ্যোগ সেই পরিবর্তনেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী দিনে এই যোগাযোগ কেবল নির্দিষ্ট একটি ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বিরোধী দলগুলির মধ্যে আরও সমন্বয় তৈরি হবে, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোরে বাঁশ-লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা! মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, প্রকাশ্যে ভয়াবহ ভিডিয়ো

পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় বিজেপি কর্মী শামসের বিশ্বাসকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। বাঁশ ও লাঠি নিয়ে একদল লোক দফায় দফায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার বিকেলে। একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়েছিল বলে খবর। পরে পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে শান্ত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার ভোরে ফের গোলমাল শুরু হয়। সেই সময়েই শামসেরের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গিয়েছে।প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কয়েক জন ব্যক্তি বাঁশ ও লাঠি নিয়ে হামলা চালাচ্ছেন। এক বার নয়, একাধিক বার হামলার দৃশ্য ফুটেজে ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ওই ফুটেজ দেখে এখনও হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাটির সত্যতা এবং হামলার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।হামলায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হাতিহলকা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশি টহল চলছে।হামলাকারীরা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানা দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের যোগ নেই। তাঁর অভিযোগ, দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে।অন্য দিকে, বিজেপির জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোলমাল এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। তাঁর দাবি, সেই পরিস্থিতির জেরেই ফের উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে শামসের বিশ্বাস আদৌ বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।ফলে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। ঠিক কী কারণে শুক্রবার বিকেলে বচসা হয়েছিল, তার সঙ্গে শনিবার ভোরের হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, সিসিটিভিতে দেখা ব্যক্তিরাই হামলায় জড়িত কি না এবং মৃত শামসেরের রাজনৈতিক পরিচয় কী ছিলসবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এখনও পর্যন্ত হামলার ঘটনায় কারও নাম নিশ্চিত ভাবে প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ-সহ অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরেই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
দেশ

তিন দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, এসবিআই গ্রাহকদের জন্য বড় ঘোষণা! এটিএম থেকে টাকা তুললে লাগবে না বাড়তি টাকা

২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে তিন দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক খোলা রাখার পরিবর্তে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবিসহ একাধিক বিষয়ে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের সংগঠনগুলি। মাসের শেষে এই ধর্মঘটের কারণে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ধর্মঘট চলাকালীন তাদের গ্রাহকেরা দেশের যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন এবং ওই সময় এটিএম লেনদেনের প্রযোজ্য চার্জ নেওয়া হবে না। এমনকি সাধারণ নিয়মে মাসিক বিনামূল্যে লেনদেনের সীমা পেরিয়ে গেলে যে অতিরিক্ত এটিএম চার্জ দিতে হয়, ধর্মঘটের ওই তিন দিনে সেই চার্জও মকুব থাকবে।অর্থাৎ, ধর্মঘটের কারণে ব্যাঙ্কের শাখায় পরিষেবা ব্যাহত হলেও জরুরি প্রয়োজনে এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এসবিআই গ্রাহকদের অতিরিক্ত এটিএম চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। তবে কোন এটিএমে পর্যাপ্ত নগদ রয়েছে, তা এলাকা ও সময় অনুযায়ী বদলাতে পারে। তাই একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় নগদ ব্যবস্থার বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে নেওয়া ভাল।শুধু এটিএম নয়, ধর্মঘটের সময় এসবিআইয়ের ডিজিটাল পরিষেবাগুলিও চালু থাকবে। ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, ওয়াই-ফাইভো অ্যাপ এবং অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় ব্যাঙ্কিং পরিষেবার মাধ্যমে নিয়মিত লেনদেন করা যাবে। ফলে টাকা পাঠানো, বিল দেওয়া বা অন্যান্য সাধারণ ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।তবে চেক জমা দেওয়া, ডিমান্ড ড্রাফট তৈরি, ঋণ সংক্রান্ত নথি জমা বা শাখায় গিয়ে করতে হয় এমন অন্য কোনও জরুরি কাজ থাকলে তা ধর্মঘটের আগে সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ ধর্মঘটের দিনগুলিতে শাখার স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ওই দিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলি স্বাভাবিক ভাবে কাজ করবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কও ওই দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা, দফতর, এটিএম-সংযুক্ত শাখা এবং নগদ ভাণ্ডার চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে।এর ফলে ২৬ সেপ্টেম্বরের ছুটি, ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার এবং তার পরের তিন দিনের ধর্মঘট মিলিয়ে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় টানা কয়েক দিনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই ধর্মঘটের আগে রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ব্যাঙ্ক কর্মীদের সপ্তাহে দুদিন ছুটির দাবিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চলছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট হয়েছিল। এবার ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিন দিনের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক পরিষেবা যাতে দীর্ঘ সময় ধরে বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সরকার ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ একাধিক বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।সব মিলিয়ে ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর শাখায় গিয়ে ব্যাঙ্কের কাজ করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অসুবিধা হতে পারে। তবে এসবিআইয়ের ঘোষণায় ওই তিন দিন এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে বাড়তি চার্জ মকুব থাকবে এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং পরিষেবাও চালু থাকবে। তাই জরুরি শাখাভিত্তিক কাজ থাকলে তা ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সেরে নেওয়াই সুবিধাজনক।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal