• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

রাজ্য

Omicron: এক দিনের মধ্যেই কোভিড নেগেটিভ ওমিক্রন আক্রান্ত বালক

রাজ্যের প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত সাত বছরের বালকের কোভিড পরীক্ষার ফল এল নেগেটিভ। তার পরিবারের সকলেরই কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পাপড়ি নায়েক।বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। তিনি বলেছেন, বাচ্চাটি এখন কোভিড নেগেটিভ। তাঁর পরিবারের লোকেররাও নেগেটিভ। বাচ্চাটি এখন ভাল আছে। বতর্মানে ওই বালক, তার বাবা, দিদি, মা সকলেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছেন। রাজ্যের নির্দেশ পেলে তাঁদের ছাড়া হবে। তার পরও প্রোটোকল মেনে তাঁদের কিছু দিন নিভৃতবাসে থাকতে হবে। আক্রান্তের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের খোঁজ চালানো হচ্ছে এবং তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।হায়দরাবাদে জিন পরীক্ষায় ধরা পড়ে ওই বালক ওমিক্রন আক্রান্ত। তেলঙ্গানার স্বাস্থ্য দপ্তর সেই খবর জানিয়েছিল এ রাজ্যে স্বাস্থ্য দপ্তরকে। তা জানতে পেরেই মালদহে ওই বালকের আত্মীয়ের বাড়িতে বুধবার পৌঁছে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। সেখান থেকে তাঁরা ওই বালক এবং পরিবারের ছজনের নমুনা সংগ্রহ করেন। মালদহ মেডিক্যাল কলেজের পরীক্ষাগারে সেই নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। তাতে সকলের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Omicron: মালদা মেডিক্যাল কলেজে আনা হল ওমিক্রন আক্রান্ত শিশুকে

ওমিক্রনে সংক্রমিত ৭ বছরের বালক ও তাঁর মাকে মালদা মেডিক্যাল কলেজের কোভিড ওয়ার্ডের আইসোলেশন রুম-এ নিয়ে আসা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই বালকের বাবা পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। কর্মসূত্রে তিনি থাকেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবু ধাবিতে। সেখান থেকেই সম্প্রতি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে দেশে ফিরেছেন। নেমেছিলেন হায়দরাবাদে। সেখানেই নিয়মমাফিক তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেই নমুনা পজিটিভ এলে ওমিক্রন কি না জানতে তা পাঠানো হয় জিন পরীক্ষার জন্য। দেখা যায়, ৭ বছরের বালকটি করোনার ওমিক্রন রূপে আক্রান্ত হয়েছে। মা-বাবা কিংবা দিদি, বাকি সবারই রিপোর্ট নেগেটিভ।যত ক্ষণে রিপোর্ট এসেছে, তত ক্ষণে ওই পরিবার বাংলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এই খবর যখন বাংলার স্বাস্থ্য কর্তাদের কাছে পৌঁছয় ততক্ষণে কলকাতা থেকে নিজেদের গাড়িতে তাঁরা বেরিয়ে পড়েছেন গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে। তাঁদের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। কিন্তু বাইরে থেকে ফিরে তাঁরা সোজা যান মুর্শিদাবাদে, তার পর সেখান থেকে বালকের মামার বাড়ি মালদায়।রাজ্যে ওমিক্রন পাওয়া গিয়েছে, এই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎপরতার সঙ্গে কাজে নামে স্বাস্থ্য দপ্তর। বালিয়াডাঙা গ্রামে পৌঁছন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই কদিনে বালকটির সংস্পর্শে যাঁরা যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে নিভৃতবাসে থাকার আবেদন করা হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়েও শুরু হয় সচেতনামূলক প্রচার। পরিবারের প্রত্যেককে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের কোভিড ওয়ার্ডের নিভৃতবাসে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, মালদার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক পাপড়ি নায়েক।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Didi no 1 : প্রথমবার সস্ত্রীক মদন মিত্র, জমিয়ে দিলেন দিদি নাম্বার

রচনা ব্যানার্জি কেন দিদি নং ১ সেটা আরও একবার প্রমাণিত হল। দিদির সৌজন্যেই প্রথমবার দেখা গেল সস্ত্রীক মদন মিত্রকে। মদন মিত্রকে এতদিন যেখানেই দেখা গেছে না কেন সব লাভলি মহিলাদেরকেই দেখা গেছে। কিন্তু এবার দিদি নং ওয়ানে সস্ত্রীক মদন মিত্র। ফেসবুক লাইভে এসে এই কথা স্বীকারও করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, রচনার সৌজন্যে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী অর্চনা মিত্র এক মঞ্চে, এক অনুষ্ঠানে। সে দিক থেকেও ইতিহাস গড়ল রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চ। একই সঙ্গে মিষ্টি অনুযোগ, অপেক্ষায় ছিলাম, কবে রচনার শো-তে ডাক পাব! অভিমানও হত, রাজনীতি করি বলেই কি আমাদের ডাকেন না রচনা? আজ আর আমার কোনও অভিমান নেই!দিদি নং ওয়ানে রচনা ব্যানার্জি মদন মিত্রর স্ত্রীকে প্রশ্ন করেন দাদার চারপাশে এত সুন্দরীদের ভিড়। আপনি কখনও থাকেন না। ভয় হয় না? উত্তরে অর্চনা বলেন, ঘুড়ি যতই উড়ুক, লাটাই তো আমার হাতে! সঙ্গে সঙ্গে কামারহাটির বিধায়কের সেই বিখ্যাত সংলাপ, ওহ! লাভলি...।তবে শুধু মদন মিত্র নন। উপস্থিত ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়, রাঘব চ্যাটার্জি, শিবাজী চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী মানুষও। সকলকে নিয়ে বেশ মজা করতেই দেখা যায় দিদি নাম্বার ওয়ান কে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
দেশ

Bank Strike: বছর শেষে টানা দু’দিন সব ব্যাংক বন্ধ, ব্যাহত হতে পারে পরিষেবা

বছর শেষের আগেই ফের ব্যাংক পরিষেবায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দুদিনের ব্যাংক ধর্মঘট ডাক দিয়েছে প্রায় সব ব্যাংক কর্মী সংগঠন। এর ফলে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া-সহ সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকের পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বুধবার স্টেট ব্যাংকের পক্ষে টুইট করে জানানো হয়েছে, কর্মীদের কাজে যোগদান করতে বলা হয়েছে।অতীতেও ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাংক ইউনিয়নের ডাকা ধর্মঘটে সম্পূর্ণ ব্যাংক পরিষেবা বন্ধ হতে দেখা গিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই মনে করা হচ্ছে আগামী দুদিন দেশে আর্থিক লেনদেন বড় রকমের ধাক্কা খাবে। তবে তৃতীয় সপ্তাহ হওয়ায় এই শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে।ব্যাংকের বেসরকারিকরণ রুখতে বহুদিন ধরেই আন্দোলন করে চলেছেন কর্মীরা। ব্যাংক বেসরকারিকরণ আটকাতে তাঁরা যে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বড় মাপের আন্দোলনে নামবেন, তা আগেই বলেছিলেন। এ বার সেই পথেই হাঁটছেন তাঁরা। ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর দুদিনের ব্যাংক ধর্মঘটে শামিল হচ্ছে, নটি ইউনিয়ন।বুধবার স্টেট ব্যাংকের পক্ষে জানানো হয়েছে, এসবিআই কর্মীদের ব্যাংক ধর্মঘটের দিনে সব শাখা ও অফিসে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে কর্মীদের অনুরোধ করলেও ধর্মঘটের রেশ পড়তে পারে। আর তাতে ব্যাংকের কাজ প্রভাবিত হতে পারে। প্রথম দিন এটিএম গুলিতে টাকার জোগান থাকলেও শুক্রবার সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন ব্যাংকের কর্তারাও।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
কলকাতা

SSC: গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি, নয়া হলফনামা জমার নির্দেশ এসএসসি-কে

গ্রুপ ডি-র পর এবার গ্রুপ সি। তৃতীয় শ্রেণির কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। স্কুলে গ্রুপ-সি বা তৃতীয় শ্রেণির কর্মীদের জন্য কতগুলি পদ ফাঁকা ছিল, তাতে কজনকে নিয়োগ করা হয়েছে বা এই মুহূর্তে প্যানেলে কজনের নাম রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য কমিশনের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এ সব তথ্য জানিয়ে নতুন করে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে আদালতে হলফনামা দিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, এসএসসি-র কাছ থেকে সুপারিশপত্র পেয়েই তারা নিয়োগ-প্রক্রিয়া কার্যকর করেছিল। এই আবহে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, পর্ষদের এই হলফনামার পর নিয়োগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় এসএসসি-র ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তৃতীয় শ্রেণির কর্মী-নিয়োগ নিয়ে যাবতীয় তথ্য দিতে এসএসসি-কে নতুন করে একটি হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।কমিশনের পাশাপাশি রাজ্য সরকারকেও হলফনামা দিতে বলেছেন বিচারপতি। এই দুর্নীতির পিছনে কারা জড়িত, সে প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি। আগামী ২৩ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

BSF-High Court: বিএসএফ-মামলায় কেন্দ্রের হলফনামা চায় হাইকোর্ট

বিএসএফ মামলায় কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সম্প্রতি বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ানো নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যে তরজা শুরু হয়েছে নিঃসন্দেহে এই মামলা সেখানে নতুন মোড় আনল। মঙ্গলবারই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।মামলাকারীর বক্তব্য, বিএসএফের যে নির্দিষ্ট আইন আছে সেখানে স্পষ্ট করে বলা রয়েছে তাদের কতটা এলাকায় এক্তিয়ার। কেনই বা এই সীমানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে তা নিয়েও ব্যাখ্যা রয়েছে। বিএসএফ অ্যাক্ট অনুযায়ী ১৩৯ ধারার প্রসঙ্গ তুলে মামলাকারী বলেন, এভাবে আজ ১৫ কিলোমিটার, কাল ৫০ কিলোমিটারে বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়াতে থাকলে একদিন এটা বেড়ে গোটা দেশ হতে পারে বলে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে বলে জানান মামলাকারী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি জানতে চান আর কোন রাজ্যে এই ধরনের মামলা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে এজি জানান, পঞ্জাবে একই ধরনের একটি মামলা হয়েছে।একই সঙ্গে কেন্দ্রের পদক্ষেপ কী, তাও জানতে চায় আদালত। কেন্দ্রের আইনজীবী ওয়াই যে দস্তুর বলেন, শুধু সীমানা বাড়ানো হয়েছে এমনই নয়, এমন রাজ্যও রয়েছে যেখানে সীমানা কমানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উদাহরণ টানেন গুজরাতের। জানান, সে রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কার্যক্ষমতা সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি হলফনামায় উল্লেখ করতে চান বলে জানান তিনি। এই ধরনের কোনও মামলা কোনও রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেছে কি না তাও জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: সোমবারের তুলনায় আরও নামল পারদ, মরশুমের শীতলতম মঙ্গলবার

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আরও জাঁকিয়ে বসল ঠান্ডা। সোমবার অনেকটাই পতন হয়েছিল পারদের। মঙ্গলবার তা আরও নেমেছে। যার জেরে মঙ্গলবারই এখনও পর্যন্ত এ মরশুমের শীতলতম দিন। নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে এ রাজ্যে যখন শীত নিজের প্রভাব বাড়াচ্ছে, তখন রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার প্রভাবে কাঁপছেন মানুষ।আকাশ পরিষ্কার হতেই হিমেল পরশ। গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। তবে এই সময়ে সকালের দিকে কিছু এলাকা কুয়াশায় ঢাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সোমবার এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৫ ডিগ্রিতে।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই বাংলায় ফিরছে শীত।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee-Goa: একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে আজ গোয়ায় মুখ্যমন্ত্রী

একগুচ্ছ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে রবিবার গোয়া পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর, অর্থাৎ আজ ও মঙ্গলবার একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে মমতার। কলকাতা পুরভোট যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, ঠিক তখনই মমতার গোয়া সফর ঘিরে আগ্রহ রয়েছে জাতীয় রাজনীতির দরবারে।১৩ ও ১৪ই ডিসেম্বর গোয়ায় কি কি কর্মসূচি রয়েছে মমতার, তার তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে মমতার সফর সূচি জানিয়েছে ঘাসফুল শিবির।১৩ ডিসেম্বর ২০২১ বেলা একটায়গোয়াতে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে মিডিয়া হাউসের বিশিষ্ট সম্পাদকদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক রয়েছে।দুপুর দুটোগোয়ার তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে বৈঠক মমতার।দুপুর সাড়ে তিনটেবেনাউলিমে জনসভা রয়েছে মমতার। ১৪ই ডিসেম্বর ২০২১ বেলা তিনটেপানজিমে জনসভা করার কথা মমতার। বিকেল ৫টায়আসানোরা এলাকায় জনসভা।সামনেই গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন, সেখানে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে চাইছে তৃণমূল। লুইজিনহো ফেলেইরো থেকেলিয়েন্ডার পেজ, গোয়ার রাজনীতিতে এক অন্য ধারার ঢেউ তুলতে অনেকদিন থেকেই নিজের মতো করে ঘুঁটি সাজাচ্ছে তৃণমূল। তাই এই ঝটিকা সফর যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝতেই পারছে রাজনৈতিক মহল। মমতার এই সফরে গোয়ার আরও কোনও কোনও হেভিওয়েট নেতা তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
নিবন্ধ

The Spot : দাগ (ছোট গল্প)

একটা অস্পষ্ট কান্নার আওয়াজে হঠাৎ ঘুম টা ভেঙে গেলো রনিতের। চোখ খুলে দেখে রূপসা ঘুমের মধ্যেই কেমন করছে যেন কাঁদছে মনে হচ্ছে।ওকে ডাকে রানিত-- এই কি হলো তোমার রুশা? অমন করছো কেনো?মাত্র দুমাস হলো ওদের বিয়ে হয়েছে।রনিতের ডাক রূপসা শুনতে পেল না। ও আপন মনে ঘুমের মধ্যেই বলতে থাকে ছাড় ছাড় আমাকে। আমার লাগছে।রণিত বোঝে না কি করবে। ওরা দুজনেই থাকে আর কেউ নেই যে ডাকবে।রণিত একটু জল নিয়ে মুখে ছিটিয়ে দেয়। জলের ছিটে পেয়ে জেগে ওঠে রূপসা।কি হলো স্বপ্ন দেখছিলে? অমন করছিলে কেনো? আমি তো ভীষণ ভয় পেয়ে গেছিলাম। রনিতের এতো গুলো কথার কোনো উত্তর দেয়না রূপসা।শুধু হু আর হ্যাঁ বলে উঠে বাথরুমে যায়, চোখে মুখে জল দিয়ে এসে শুয়ে পড়ে ।রণিতও আর কিছু বলেনা। চুপচাপ শুয়ে পড়ে ।কিন্তু ভেবে পায়না কি হলো হটাত।এরপর খেয়াল করে রূপসা হটাত যেন চুপ করে গেছে। একটু যেন অন্যমনস্ক ।কাছে আসতে চায়না এড়িয়ে যায়।রণিত ওর অফিস কলিগ দেবেশ কে । সব শুনে দেবেশ বলে রূপসা কে আর একটু সময় দে। আর একটু ভালো করে ভরসা দিয়ে কথা বল।সেদিন সেই মত রণিত তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরে । রাতে খেয়ে নিয়ে বলে আজ বেশ ভালো চাঁদ উঠেছে চলো আমরা ব্যালকনিতে বসি।দুজন পাশপাশি বসে। রণিত রূপসার হাত নিজের হাতে নিয়ে বলে--- আমাদের মাত্র দুমাস হলো বিয়ে হয়েছে। এখনো ভালো করে দুজন দুজনকে হয়তো চিনে উঠিনি। কিন্তু এটুকু বলতে পারি আমি তোমার ভালো বন্ধু। তুমি আমাকে ভরসা করে সব বলতে পারো।রূপসা চুপ করে বসে থাকে রনিতের হাতটা শক্ত করে ধরে; আর চোখ দিয়ে জল ঝরতে থাকে।পরদিন অফিস গিয়ে দেবেশ কে বলে --- না রে কিছু বললো না; শুধু অসহায় ভাবে কাঁদে। আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।দেবেশ বললো দাঁড়া দেখছি আমি একবার মধুমিতার সঙ্গে কথা বলি। ও খুব ভালো কাউন্সিলার। আমরা খুব ভালো বন্ধু।বলে মধুমিতাকে ফোন করে--- হ্যালো মধু আমি দেবু বলছি রে, খুব দরকার তোকে । আমার কলিগ রনিতের কথা তো তুই জানিস। কিছুদিন আগে যার বিয়ে হলো। ও একটা সমস্যায় পড়েছে ওর বৌকে নিয়ে।তুই একদিন সময় দে আমার বাড়িতে।-------ঠিক আছে তাহলে রবিবার ওদের আসতে বলছি।এই পর্যন্ত কথা বলে দেবেশ রণিত কে বলে ব্যাস আর কোনো চিন্তা নেই তুই রবিবার আমার বাড়ি চলে আয় বৌকে নিয়ে।যথারীতি রবিবার রণিত রূপসা এসে হাজির হয় দেবেশ এর বাড়িতে। মধুমিতাও আসে। মধুমিতা রূপসার সঙ্গে বেশ ভাব জমিয়ে ফেলে।ফিরে আসার সময় রূপসা মধুমিতাকে বলল আমি তোমার কাছে যাব। তোমাকে আমার খুব দরকার।এরপর এক সপ্তাহ কেটে যায়, রণিত খেয়াল করে মধুমিতকে রূপসার বেশ ভালো লেগেছে। একটু হলেও রূপসা স্বাভাবিক হয়েছে।শনিবার রাতে রূপসা রনিত্কে বলে কাল আমাকে একবার কাল মধুমিতাদির চেম্বারে নিয়ে যাবে?রণিত একটু অবাক হয়। বলে কালইযাবে?হ্যাঁ কালই যাব নাহলে যে দেরি হয়ে যাবে।রণিত কিছুটা হাল্কা হলো, কারণ নিয়ে তো যেতে হতই; কি করে ?সেটাই ভাবছিল।যাক নিজে থেকে যখন যেতে চাইল আর কোনো চিন্তা নেই।ও দেবেশ কে সব জানাল । দেবেশ ও খুশি হয়ে বলল ভালো কথা । আমি এখনই মধু কে বলে রাখছি।রবিবার সন্ধ্যাবেলায় রণিত আর রূপসা পৌঁছলো মধুমিতার চেম্বারে। মধুমিত ওদের বসালো।রবিবার সন্ধ্যায় রনিত আর রূপসা হাজির হয় মধুমিতার চেম্বারে। ওদের বসায়, তারপর এটা-সেটা কথা হয়।তারপর রুপসাকে নিয়ে পাশের ঘরে যায়। মৃদু আলোয় ঘরটা বেশ মায়াবি লাগে রূপসার।একটা হেলানো চেয়ারে বসিয়ে মধুমিতা বলে এখানেই আমি তোমার সব কথা শুনব।তারপর দেখি তোমাকে কি ভাবে সাহায্য করতে পারি।এই কথায় রূপসা আরো ভরসা পায়।মধুমিত তখন ওকে আরাম করতে বলে বাইরে আসে রনিতের কাছে।রণিত তোমাকে ভিতরে ডাকলাম না কিছু মনে করো না। আসলে ও তোমার সামনে খুলে সব বলতে পারবে না। তুমি এই হেড ফোন কানে দিয়ে সব শুনতে পারবে এখান থেকে।না না সব ঠিক আছে, তুমি ও নিয়ে কিছু ভেবো না।ও ঠিক হোক তাহলেই আমার হবে।মধুমিতা আবার রূপসার কাছে গেল। এবার ও ওর কাজ শুরু করলো।রূপসা তুমি তোমার মনের গভীরে ডুব দাও। বলো আমায় তোমার কথা......তুমি কে? কি তোমার মনের গহিনে দাগ কেটেছে সব সব বলো।রূপসা আসতে আসতে ডুব দেয় মনের অতলে--চলে যায় ছোটো বেলায়......আমি রূপসা নন্দী। মা বাবার একমাত্র মেয়ে। আমরা থাকতাম শ্রীরামপুর বাবার অফিস কোয়ার্টারে। আর আমার দাদু ঠাকুমা থাকত গ্রামের বাড়িতে। আমি খুব চঞ্চল ছিলাম ছোটো বেলায়। মায়ের কাছে তাই খুব বকুনি খেতাম।আমি যখন ক্লাস ফাইভ এ উঠলাম মা সব সময় আমাকে বলত রূপু বড়ো হচ্ছ আর খালি গায়ে বাইরে বেরোবে না। কিন্তু আমার অবোধ মন শরীরের পরিবর্তন তখনো বোঝেনি।আমি আমার মতই খেলে বেড়াই ছুটে বেড়াই।সেবার রথের মেলায় বাবা গেছিল গ্রামের বাড়ি দাদুর শরীর খারাপ তাই দেখ্তে। আমাকে কে নিয়ে যাবে রথ দেখ্তে মায়ের শরীরটাও ভালো না।অথচ আমি কান্না জুড়েছি। সেই সময় আমাদের পাশের কোয়ার্টার থেকে সুজিত কাকু এসে মাকে বলল বৌদি আমি নিয়ে যাব রুপুকে? দাদা তো বাড়ি নেই। ও যখন কাঁদছে আমি নিয়ে যাই।মা একটু ইতস্তত করছে দেখে বলে কি হবে আমি ওকে মেলায় ঘুরিয়ে নিয়েই চলে আসবো দেরি হবে না। আমিও খুব আনন্দিত হলাম এই কথা শুনে।আমার তখন মেলা দেখা নিয়ে কথা। অথচ এই কাকুকে আমি খুব একটা পছন্দ করতাম না। কাকুর আদর-টা আমার ভালো লাগত না। কিন্তু তখন সব ভুলে গেলাম মেলা দেখতে যাওয়ার আনন্দে।মেলায় গিয়ে ঘুরে ফিরে আমাকে খেলনা,পুতুল কিনে দিল। আমার শিশু মন তো ল্হুব খুশী । কাকু তখন বলল নাগরদোলা চাপবি রূপু? আমি বললাম না গো আমার ভয় করে।ভয় কি আমি আছি তো। খুব মজা লাগে চল ।কাকু আর কোনো কথা না শুনে দুটো টিকিট কেটে একটা দোলায় চেপে বসল আমাকে নিয়ে।যেই নাগরদোলা চলতে শুরু করেছে ব্যাস আমার তো ভয়ে প্রাণ শুকিয়ে যাওয়ার জোগাড় । আর তখন... তখন...তখন কি রূপসা? বলো কি হয়েছিল বলো আমায়। তোমার কোনো ভয় নেই।বলছি...... তখন কাকু আমাকে কোলে তুলে নেয়। আর তার শক্ত দুটো হাত দিয়ে আমার সদ্য প্রস্ফুটিত শরীরটা পিষতে থাকে। অদ্ভুত ভাবে কেউ কিন্তু কিছুই বুঝতে পারে না। আমি ব্যথায় ছটফট করতে থাকি কিন্তু কাকু ছাড়ে না। আবার যখন উপরে উঠি নাগরদোলায় তখন আমার কোমল ঠোঁটের সব রাস যেন শুষে নেয়। ওফ কি ভয়ংকর সে মুহুর্ত। না না আর না, আর পারছিনা আমাকে ছাড়ো ছেড়ে দাও আমাকে...... চিৎকার করে ওঠে রূপসা।রূপসা শান্ত হও শান্ত হও। আর কেউ নেই, কিছু নেই। সব মুছে গেছে, তুমি এখন মুক্ত।তারপর রূপসা আবার বলতে শুরু করে......মেলা দেখে বাড়ি এসে আমি মাকে কিছু বলার আগেই কাকু বলে খুব ভয় পেয়েছে নাগরদোলায়। কাকু চলে যাওয়ার পর আমি যখন বলি আর কক্ষনো কাকুর সঙ্গে মেলায় যাব না। কাকু খুব বাজে। মা কিন্তু বুঝতেই পারেনা। ভাবে নাগরদোলয চাপিয়েছে বলে বলছি।আমরা তারপর ওখান থেকে চলে যাই অন্য জাযগায় বাবার বদলি হয়ে যায়। কিন্তু আমি আর রথের মেলায় যেতে পারি না।এবার আমাদের নতুন বিয়ে হয়েছে। রণিতদের ওখানেও রথের মেলা বসে। রণিত আমাকে নিয়ে যেতে চাইলে আমি না করতে পারি না। কিন্তু আমার মনের গভীরে যে দাগ রয়ে গেছে তা আবার আমাকে কষ্ট দিতে থাকে।রণিত কেও বলতে পারিনি; থামে রূপসা।তারপর বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর মধুমিতা আবার বলে এবার আসতে আসতে চোখ খোল । দেখো সব ঠিক আছে একদম। তুমিও একদম ঠিক আছো।আসতে আসতে চোখ খোলে রূপসা।যেন মনের কোনে জমে থাকা মেঘ যেন হাল্কা হয়।ওদিকে রণিত রূপসার সব কথা শুনে খুব কষ্ট পায়।ভাবে কি গভীর দাগ কেটেছিল শিশু মনে যা আজও রূপসা কে কষ্ট দিচ্ছে। না ওকে আরো ভালবাসা দিয়ে আগলে রাখ্তে হবে।সেদিনের মতো ওরা ফিরে আসে। মধুমিতা আবার যেতে বলে। এই ভাবে দুচার বার যাওয়ার পর রূপসা আবার আগের মতই আবার প্রাণোচ্ছল হয়ে ওঠে।রণিতও ওকে আগলে রাখে বুক দিয়ে। রনিতের আদরে সোহাগে রূপসার মন থেকে মুছে যায় সব দাগ।আজ ওরা খুব সুখী দুজনে দুজনকে নিয়ে।রূপসা আর রনিতের নতুন পথ চলা শুরু............লেখিকাঃ রাখি রায়রাখি রায়-র কলমে আরও কিছু লেখাআরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘর থেকে ক্রিকেটের নন্দনকাননেআরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ উত্তরণ (বাংলা ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাতআরও পড়ুনঃ মিঠির ডায়েরি (বাংলা ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- তৃতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- চতুর্থ পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)-অন্তিম পর্ব

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bachelor Party : ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অলকানন্দা

সামনেই বিয়ে, ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অভিনেত্রী অলকানন্দা।সামনেই চার হাত এক হচ্ছে অভিনেত্রী অলকানন্দা গুহ ও পরিচালক মনোজিত মজুমদারের। ইরাবতীর চুপকথা-র পরিচালকের সঙ্গে চার হাত এক হওয়ার আগে ব্যাচেলার পার্টিতে মাতলেন অ্যায় তবে সহচরীর ঝুমকি ও দেবী ধারাবাহিকের শ্রুতি। সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টির ছবি পোস্ট করে অলকানন্দা লেখেন ব্যাচেলর পার্টি ১। অর্থাৎ এখনও ব্যাচেলর পার্টি শেষ হয়ে যায়নি। এছাড়া ব্যাচেলর পার্টিতে পুল থেকে একটি রিলস ও পোস্ট করেন এই টলি অভিনেত্রী। অলকানন্দার এই ব্যাচেলর পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন সউমি ঘোষ, দেবাদ্রিতা বসু, অলকানন্দার বোন অনন্যা গুহ, ঐন্দ্রিলা বোস এবং লহরী সেনগুপ্ত। এই ব্যাচেলর পার্টির ছবি অলকানন্দার বন্ধুরাও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।আলো ছায়া ধারাবাহিকের ছায়া অর্থাৎ অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বোস সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টি উদযাপনের ছবি পোস্ট করে লেখেন, এমন কোনও বন্ধু কোরোনা যারা তোমার সঙ্গে কমফোর্টেবল ফিল করে বরং তাদের সঙ্গেই বন্ধুত্ব করুন যারা তোমাকে ভালো কিছু করার জন্য উত্তেজিত করবে। অভিনেত্রী সউমি ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে লেখেন, ইটস ব্যাচেলরেট। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিড়িতে বসার কথা অলকানন্দার। ইতিমধ্যেই মনোজিতের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ছবি পোস্ট করেছেন এই টলি অভিনেত্রী। জানা গেছে তাদের এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠান হবে কলকাতায়, এরপর বিয়ের মূল অনুষ্ঠান হবে কল্যাণীতে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Viral Badam Song: বাদামকাকু-কে আর্থিক সাহায্য মদন মিত্রের

খ্যাতির বিড়ম্বনা। কাঁচা বাদম গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন বীরভূমের বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর । সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তাঁর গান কাঁচা বাদাম। কিন্তু গান ভাইরাল হলেও বন্ধ বাদাম বিক্রি। শনিবার কলকাতায় পুরভোটের প্রচারে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এরই মাঝে রবীন্দ্র সরোবরের কাছে একটি চায়ের দোকানে মদন মিত্রের সঙ্গে দেখা মিলল তাঁর।আরও পড়ুনঃ বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম বাদাম বিক্রির সঙ্গে গান, সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল বাদাম কাকুমদন মিত্রের সঙ্গে দেখা করে নিজের আর্থিক দুরবস্থার কথা জানান তিনি। তাঁর গানে মুগ্ধ মদন মিত্র, এক কথাতেই তাঁকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মদন মিত্র জানান, তিনি ২০ হাজার টাকা তুলে দেবেন ভুবনের হাতে। এদিন ভুবনের সঙ্গে একসঙ্গে কাঁচা বাদাম গানটিও গেয়েছেন মদন মিত্র। এছাড়াও আগামী পুরভোটের দিন প্রতিটি ওয়ার্ডের পার্টি কর্মীদের জন্য বাদাম ভাজা অর্ডার করেন বিধায়ক। মদন মিত্র বলেন ও লাভলির বদলে এখন তাঁর নতুন ট্যাগলাইন বাদাম ভাজা।আরও পড়ুনঃ আবার ড্র! হারের হ্যাটট্রিক বাঁচাল হাবাসের এটিকে মোহনবাগানকিছুদিন আগেই নিজের আক্ষেপের কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ করেছিলেন ভুবন বাদ্যকর। গান গেয়েছেন তিনি, কিন্তু পাচ্ছেন না তাঁর প্রাপ্য টাকা। ইউটিউবাররা সে গান রেকর্ডিং করে সোশ্যাল মাধ্যমে রোজগার করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এই অভিযোগ নিয়ে এবার দুবরাজপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত লক্ষ্মীনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের কুড়ালজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা ভুবন বাদ্যকর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

Poster Controversy: শিয়ালদহের উড়ালপুলের ছবি 'চুরির' অভিযোগ ত্রিপুরা সরকারের বিরুদ্ধে

উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের পর ত্রিপুরার বিপ্লব দেব সরকারের বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্ক। পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি স্লোগান লেখার প্রতিযোগিতায় শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর ছবি ব্যবহার করার অভিযোগ। তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।শুক্রবার তাঁদের সরকারি টুইটার হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে ত্রিপুরা সরকার। পোস্টটিতে লেখা হয়, পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি স্লোগান লেখার প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে। যাতে জিতলে ৫০০০ টাকা পুরস্কার পাওয়া যাবে। অভিযোগ, পোস্টটিতে যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি কলকাতার শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর । কলকাতার সেতুর ছবি দিয়ে নিজেদের প্রচার করছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব । এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে বিতর্ক।প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম লাইন, হলুদ ট্যাক্সি এবং নীল রঙের বাস। যা ত্রিপুরায় পরিবহণ ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ শনিবার বিজ্ঞাপনী ছবি চুরির অভিযোগ তুলে বলেন, এর আগে উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিজ্ঞাপনে মা উড়ালপুলের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকারের বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয়েছে অন্ডাল বিমানবন্দরের ছবি। এ বার ত্রিপুরা সরকার শিয়ালদহ উড়ালপুলের ছবি চুরি কের বিজ্ঞাপন বানাল।বিষয়টিকে গুরুত্বই দিতে চাননি বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কোন বিজ্ঞাপন সংস্থা, কীসের ছবি ছেপে, কী উন্নয়ন বোঝাতে চেয়েছেন জানা নেই। এটায় রাজনীতি খোঁজার কিছু নেই। সরকার ভুল করলে শুধরে নেবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Fake Sign-Arrest: অস্ত্র কিনতে সরকারি আধিকারিকদের সই জাল, পুর্ব-বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার ৬

প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক-সহ একাধিক সরকারি আধিকারিকদের সই জাল করে প্রথমে তৈরি করা হতো নকল স্ট্যাম্প। এরপর সেই স্ট্যাম্পের সাহায্য নিয়ে অস্ত্র কেনা ও বিক্রির কারবার চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। অবশেষে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ছয় অপরাধী।এদিকে, এই ঘটনার খবর দীর্ঘদিন ধরেই আসছিল পুলিশের কাছে। যার জেরে তৎপর ছিল তারাও। পাশাপাশি তৎপর হয় সিআইডি-র গোয়েন্দারা। সেই সূত্রে গতকাল রাতে বর্ধমান জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চালানোর পর মেমারি থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।জানা গিয়েছে, এদের মধ্যে দুজন হলেন নিরাপত্তারক্ষী। এই গোটা চক্রের কাছ থেকে পাঁচটি অস্ত্র মিলেছে। পাশাপাশি মিলল পাঁচটি ভুয়ো লাইসেন্স, ও ৩৬টি ভুয়ো স্ট্যাম্প পাওয়া গিয়েছে। এই সইজাল করে কারবারটি চলত। জানা গিয়েছে, ওই চক্রের মূল পাণ্ডা হল নিরাপত্তারক্ষীরা। তাদের থেকেই জাল লাইসেন্স কিনে সেই লাইসেন্স দিয়ে অস্ত্র কেনা হয়েছিল। মোটা টাকার বিনিময়ে জেনেশুনেই তারা কেনে।আপাতত, সিআইডি-র দাবি এই চক্রের সঙ্গে দুষ্কৃতী চক্রের সরাসরি কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে সেই সম্ভবনা উড়িয়েও দেওয়া যাচ্ছে না যেহেতু অস্ত্রের কারবার। সেই কারণে আজই এদের আদালতে তোলা হবে। নেওয়া হবে পুলিশি হেপাজতে। তারপর এদের জেরা করে দেখা হবে কে কে আর এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। কোনও দুষ্কৃতী চক্র এর সঙ্গে জড়িত কিনা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Uribaba : ডেটিং শো তে বর্তমান প্রজন্মের কথা বলবে উরিবাবা

প্রেম গেম নামে ১০ ডিসেম্বর একটি ফিকশনাল ডেটিং শো নিয়ে আসছে উরিবাবা। প্রেম গেম কল্পনা ও বাস্তবের সঠিক মেলবন্ধন ঘটাবে এবং কলকাতার বর্তমানের ডেটিং-এর ছবিটা তুলে ধরবে। পাঁচটা আলাদা ক্যাফেতে প্রেম গেম-এর শুটিং হয়েছে।শো এর পরিচালনা করবে খেয়া চট্টোপাধ্যায় ও প্রসুন সাহা। মোট ৫টি শো রয়েছে। যেগুলো প্রতেক সপ্তাহে মুক্তি পাবে। একটি শো ইয়ে ইশক নেহি এহেসান, কেমিক্যাল লোচ্চা, স্ট্রবেরি কিস, গুড ফ্রেন্ড এবং হনারারি বেঙ্গলি। প্রেম গেম এর পুরো ভাবনা অর্কভ ব্যানার্জি ও অনুসুয়া মিত্রর।অর্কভ এই শো প্রসঙ্গে জানালেন,ফিকশনাল ডেটিং শো করার কারণ হল বর্তমান সময়ের শহুরে ছেলে-মেয়েরা যখন তাদের পার্টনার খুঁজতে যায় তখন তাদের মনের মধ্যে কি কি ভাবনা কাজ করে সেটা তুলে ধরা। হৃদয়ের দিয়ে যখন ভালোবাসার কথা আসে তখন মনের পরিবর্তন সত্যি কি হয় সেটাও দেখবো।অনুসুয়া এর সঙ্গে যোগ করেন,২০২১ এ ডেট করা একদিকে যেমন কঠিন হয়েছে তেমনি অন্যদিকে আবার সহজও হয়ে গেছে। আমরা সবসময় ভালোবাসা খুঁজি কিন্তু আদৌ কি আমরা সঠিক ভালোবাসার রসটা পাবো সেটা নিয়েও চিন্তিত থাকি। অনলাইন ডেটিং অ্যাপের যুগেও আমরা ঘটক নিয়ে এসেছি। এরকমই কিছু দেখা যাবে প্রেম গেম-এ।প্রেম গেম এ কাপল ১ এর চরিত্রে রয়েছে শ্রীদীপ মুখার্জি ও বিবৃতি চ্যাটার্জী। কাপল ২ এর ক্যারেক্টার করছে সৌমেন্দ্র ভট্টাচার্য ও ইপ্সিতা ভট্টাচার্য। কাপল থ্রি অয়ন ভট্টাচার্য ও পারমিতা সাহা। কাপল ফোর যশরূপ দে ও অম্বালিকা গাঙ্গুলি। আর কাপল ফাইভের চরিত্রে দেখা যাবে কার্তিকে ত্রিপাঠী ও মধুরিমা ঘোষ কে। ইতিমধ্যে এই ফিকশনাল ডেটিং শো এর ট্রেলার রিলিজ করে গেছে। ট্রেলার দেখেই বোঝা যাচ্ছে দর্শকরা প্রেম গেম থেকে ভিন্নস্বাদের একটা কন্টেন্ট পেতে চলেছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IFA Shield : শিল্ডের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিল মহমেডান স্পোর্টিং

ডুরান্ত কাপে ফাইনালে উঠে শেষরক্ষা হয়নি। ফাইনালে এফসি গোয়ার কাছে হেরে খেতাব অধরা থেকে গিয়েছিল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের। কলকাতা লিগ জিতে ডুরান্ড কাপের ব্যর্থতায় কিছুটা প্রলেপ দিতে পেরেছিল। শিল্ডেও ব্যর্থ সাদাকালো শিবির। কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়েল কাশ্মীরের কাছে অতিরিক্ত সময়ের গোলে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হল আন্দ্রে চেরনিশভের দলকে। ম্যাচের ফল ১০।আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বে খেলতে হয়নি মহমেডানকে। সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছিল সাদাকালো ব্রিগেড। বুধবার ফেবারিট হিসেবেই রিয়েল কাশ্মীরের মাঠে নেমেছিল মহমেডান। দারুণভাবে শুরুও করেছিল। ম্যাচের ১৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল মহমেডানের সামনে। সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ব্রেন্ডন। ৩৩ মিনিটে আরও একবার গোল করার মতো পরিস্থিতিতে পৌঁছে গিয়েছিল সাদাকালো ব্রিগেড। তিনকাঠি ভেদ করতে পারেননি আজহারউদ্দিন মল্লিক। প্রথমার্ধের অন্তিম লগ্নে তাঁর একটা শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। আজহারউদ্দিন, ফৈয়াজ, ব্রেন্ডন, নিকোলারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন রিয়েল কাশ্মীর রক্ষণভাগে। তিনকাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন রিয়েল কাশ্মীরের গোলকিপার। তাঁর বিশ্বস্ত হাতে আটকে যায় মহমেডানের যাবতীয় আক্রমণ। প্রতিআক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলা রিয়েল কাশ্মীর প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করেছিল। দুই দলের কয়েকটি আক্রমণছাড়া দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা খেলাটাই সীমিত ছিল মাঝমাঠে। ৯০ মিনিট শেষেও খেলার ফল থাকে গোলশূন্য। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ে ভুল করে বসেন আসির আক্তার-ওনানরা। ম্যাচের ৯৮ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে দুরন্ত শটে গোল করে রিয়েল কাশ্মীরকে এগিয়ে দেন লালচওয়ানকিমা। বাকি সময় সমতা ফেরানোর আপ্রান চেষ্টা করলেও সফল হয়নি মহমেডান।বুধবারই ঘোষণা হয়েছে আই লিগের সুচি। আই লিগের আগে এটাই ছিল মহমেডানের শেষ ম্যাচ। ২৬ ডিসেম্বর আই লিগ শুরু। ২৭ ডিসেম্বর মহমেডানের প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ সুদেভা। মহমেডানের বাকি ম্যাচ আইজল (৩০ ডিসেম্বর, কল্যাণী), শ্রীনিধি ডেকান (৪ জানুয়ারি, মোহনবাগান), ইন্ডিয়ান অ্যারোজ (১০ জানুয়ারি, নৈহাটি), চার্চিল (১৫ জানুয়ারি, কল্যাণী), কেঁকড়ে এফসি (২০ জানুয়ারি, নৈহাটি), গোকুলাম (২৫ জানুয়ারি, নৈহাটি), ট্রাউ (৩০ জানুয়ারি, নৈহাটি), রাজস্থান এফসি (৯ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), পাঞ্জাব এফসি (১৩ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), রিয়েল কাশ্মীর (১৮ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী), নেরোকা এফসি (২৩ ফেব্রুয়ারি, কল্যাণী)।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Bazare Trophy : ‌বরোদাকে ২৮ রানে হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফি অভিযান শুরু করল বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার ব্যর্থতা কাটিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে দারুণ শুরু করল বাংলা। প্রথম ম্যাচে বরোদাকে হারাল ২৮ রানে। বাংলার জয়ে মুখ্য ভুমিকা নিলেন বোলাররা। ত্রিবান্দ্রমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান বরোদা অধিনায়ক কেদার দেবধর। শুরুটা ভাল হয়নি বাংলার। প্রথম ওভারেই মেরিওয়ালার বলে লেগ বিফোর হন শ্রীবৎস গোস্বামী (০)। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই শ্রীবৎস ফিরে যাওয়ায় সতর্কভাবে ব্যাট করতে থাকেন অন্য ওপেনার অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। ১২.৫ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয় বাংলার। এরপর আবার ধাক্কা বাংলা শিবিরে। ১৫ নম্বর ওভারের শেষ বলে অতীত শেঠের বলে ভার্গব ভাটের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সুদীপ চ্যাটার্জি। ৪০ বলে তিনি করেন ১৪। এরপর বাংলাকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক দাস ও কাইফ আমেদ। ৯০ বলে ৬২ রান রান করে ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে প্রত্যুষ কুমারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অভিষেক। বাংলার রান তখন ৩০.৫ ওভারে ১১৫। সুমন্ত গুপ্ত (১৬) বড় রান পাননি।মিডল অর্ডারে ঝড় তোলেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে তিনি আউট হন। লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় ইনিংস গড়তে পারেনি বাংলা। ৪৯.৪ ওভারে ২৩০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। শাহবাজ আমেদ (৫), ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (২), আকাশ দীপ (০), গীত পুরিরা (০) রান পাননি। বরোদার হয়ে অতীত শেঠ ৬২ রানে ৪টি ও লুকমান মেরিওয়ালা ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন। ক্রূণাল পান্ডিয়া ৩৪ রানে ২ উইকেট পান।জয়ের জন্য ২৩১ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বরোদাও শুরুতে ধাক্কা খায়। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান শ্বাশত রাওয়াত (০)। আকাশ দীপের বলে তিনি উইকেটের পেছনে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন। এরপর কেদার দেবধর ও প্রত্যুষ কুমার বরোদাকে টেনে নিয়ে যান। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭৪। কেদারকে (৩৫) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। ১ ওভার পরেই ফেরান প্রত্যুষকে (৩৮)। বিষ্ণু সোলাঙ্কি (১০) রান আউট হতেই রান তোলার গতি কমে যায় বরোদার। একসময় ১১৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বরোদা। ক্রূণাল পান্ডিয়া ও কার্তিক কাকাদে দলকে ম্যাচে ফেরান। এই জুটি বরোদাকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। কাকাদেকে (২৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুকেশ কুমার। পরের ওভারেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে ফেরান (৩৯) শাহবাজ আমেদ। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় বরোদার। ৪৮.২ ওভারে ২০৩ রানে গুটিয়ে যায় বরোদার ইনিংস। বাংলার হয়ে আকাশ দীপ ৩৯ রানে ৩টি, মুকেশ কুমার ৪১ রানে ২টি, ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি ৩২ রানে ২টি ও শাহবাজ আমেদ ৪৮ রানে ২টি উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

AIshwarya : 'মেয়েদের ব্রতকথা' নিয়ে অভিনেত্রী ঐশ্বর্য মণ্ডল

সোম থেকে শনি বিকাল ৬.৩০ এ আকাশ আট-এ দেখা যাচ্ছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে বিমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী ঐশ্বর্য মণ্ডল। মেয়েদের ব্রতকথা নিয়েই জনতার কথা-র মুখোমুখি ঐশ্বর্য। জনতার কথাঃ এখনও পর্যন্ত মেয়েদের ব্রতকথা যতটুকু হয়েছে তার এক্সপিরিয়েন্স কেমন?ঐশ্বর্যঃ খুব ভালো। ফ্লোরে বলো, মেকআপ রুমে বলো একটা পুরো ফ্যামিলি হয়ে গেছে। মানে আমি যে দুমাস কাজ করেছি হনেস্টলি, আমার মনেই হয় না যে আমি দুমাস কাজ করেছি। আমাদের যিনি ডিরেক্টর আছেন সুমন দা যখন ব্রেক দিচ্ছেন উনি কিন্তু আমাদের সঙ্গে এসেই আড্ডা মারছেন। বা মজা করছেন একসঙ্গে। অ্যাই সিন পড়ছিস না কেন? সিন পর। একটু ক্যারেক্টার বিল্ড আপ করা। আমার যে বর করছে প্রীতম ভীষণ ভালো। খুব কো-অপারেটিভ। সিনিয়র আর্টিস্ট রা রয়েছেন। তারাও কোনোদিন ফিল করতে দেননি যে তারা সিনিয়র। জনতার কথাঃ সব শুটিং-এই খাওয়াটা খুব ইম্পরট্যান্ট। তোমরা কি সবাই খাবার নিয়ে যাও না অনলাইনে অর্ডার দেওয়া হয়?ঐশ্বর্যঃ ব্যাপারটা হচ্ছে আমার মায়ের হাতের খাবার অনেকেরই ভালো লাগে। তাই অর্ডারটা আমার বাড়ি থেকে আসে। আন্টিকে বলিস না এটা একটু করতে। এরকম। বাকি সবাই বানিয়ে আনে। আমাদের চৈতালি দি আছেন সিনিয়র আর্টিস্ট। নমিতা দি আছেন সিনিয়র আর্টিস্ট বিরিয়ানি বানিয়ে এনেছেন, চিকেন তন্দুরী বানিয়ে এনেছেন। আমি চিলি চিকেন-ফ্রায়েড রাইস বানিয়ে নিয়ে গেছি। কি বলবো এটা কোনও প্ল্যানিং ছিল না। এরকম ভাবেই আমাদের চলে। জনতার কথাঃ বিমলা ও মায়ার কেমিস্ট্রি কেমন?ঐশ্বর্যঃ খুব ভালো। আমরা দুটো বোন। যেটা আমরা দেখাই অনস্ক্রিন যে আমি মায়াকে টলারেট করতে পারছি না কিন্তু সামনে ভীষণ ভালো। অ্যাকশন মানে আমরা চরিত্রতে। আর কাট বলা মানে বিমলা আর মায়া একসাথে। দুজনের একসঙ্গে শুটিং থাকলে একসাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। হাতে হাত ধরে, নয়তো সিন নিয়ে রিহার্সাল করছে। কিছু না কিছু একসঙ্গে করছে। আর আমার বর ও মায়ার বর চারজন-পাঁচজন একসঙ্গে থাকছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বাংলা?‌ বিজয় হাজারেতে সামনে বরোদা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতা ঘিরে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলা। ভাল পারফরমেন্স আশা করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। গ্রুপ লিগে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে শীর্ষে থেকে পৌঁছে গিয়েছিল নক আউটে। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে শেষরক্ষা হয়নি। দুর্দান্ত লড়াই করেও কর্ণাটকের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাকে। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতার আক্ষেপ রয়েছে। তবে হতাশা কাটিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বাংলা। এলিট বি গ্রুপের প্রথম ম্যাচে বাংলার সামনে বরোদা। বিজয় হাজারে প্রতিযোগিতার দল গঠনে তারুণ্যের পাশাপাশি অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলা। দলে ফেরানো হয়েছে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় সুযোগ না পাওয়া অনুষ্টুপ মজুমদার, শ্রীবৎস গোস্বামীদের। যদিও ঋদ্ধিমান সাহার না থাকাটা বাংলার কাছে বড় ধাক্কা। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে অনুষ্টুপ মজুমদার, শ্রীবৎস গোস্বামী, সুদীপ চ্যাটার্জিদের অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা করেছেন বাংলার হেড কোচ অরুণলাল। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর আমরা এই ফরম্যাটে খেলতে নামছি। ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। দলেও দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। তরুণদের পাশাপাশি অনুষ্টুপ, সুদীপ, শ্রীবৎসদের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা রয়েছে। ওদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে শ্রীবৎস গোস্বামী, অনুষ্টুপ মজুমদারের মতো অভিজ্ঞদের বাইরে রেখেই দল গড়েছিল বাংলা। অভিজ্ঞতার অভাবে বাংলাকে ডুবতে হয়েছিল। সৈয়দ মুস্তাক আলির ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার অনুষ্টুপদের ফেরানো হয়েছে। মাঠে নিয়েও চিন্তা রয়েছে বাংলা শিবিরে। ত্রিবান্দমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে বরোদার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে বাংলা। দীর্ঘদিন এই স্টেডিয়ামে কোনও ম্যাচ হয়নি। ফলে স্টেডিয়ামের বাইশ গজ কেমন আচরণ করবে, সে ব্যাপারে কোনও ধারণা নেই বাংলা শিবিরের। অরুণলাল বাইশ গজ সম্পর্কে বলেন, দীর্ঘদিন এই মাঠে খেলা হয়নি। উইকেট কেমন হবে তা বুজতে পারছি না। দেখে ভাল মনে হয়েছে। তবে কেমন আচরণ করবে সেটাই দেখার।দীর্ঘদিন পর ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলতে নামলেও চিন্তিত নয় বাংলা শিবির। সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী বলেন, দলের সব ক্রিকেটার দারুণ ফোকাসড। আমরা ত্রিবান্দ্রমে আসার আগে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৫টা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। দল দারুণ তৈরি। ভাল প্রস্তুতির জন্য ম্যাচ প্র্যাকটিসের কোনও বিকল্প হয় না। বরোদাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন সৌরাশিস। তিনি বলেন, হার্দিক পান্ডিয়া না থাকলেও বরোদা যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ক্রূণাল পান্ডিয়াসহ আরও ভাল ভাল ক্রিকেটার রয়েছে। আশা করছি ভাল লড়াই হবে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha Mitra : মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখা

অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর জীবনের আজকের দিনটা স্মরণীয় দিন। ১৬ বছরে পা দিল টলি অভিনেত্রীর মেয়ে ঐশী। এই বিশেষ দিনে মেয়ের সঙ্গে একাধিক ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন তিনি।মায়ের সঙ্গে হাসিখুশি মুডে দেখা যাচ্ছে তার মেয়ে ঐশী কে। একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার ছবি তুলে দিয়েছে তার বাবা। শ্রীলেখার এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন অনেক শুভকামনা ও আশীর্বাদ। একজন লিখেছেন হ্যাপি বার্থডে লিটল ওয়ান। আর একজনের পোস্টে লেখা অনেক আদর করে দিলাম ভাইরাসকে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১৩ সালে শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পর মেয়েকে একাই মানুষ করছেন শ্রীলেখা। ঐশী এবার বোর্ডের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই চলে এল তার লাইফে বিশেষ দিন।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Maldah-TMC: আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সেলফি তুলছেন তৃণমূল নেত্রী! ভাইরাল ছবি

নিজের দপ্তরে চেয়ারে বসে হাতে ধরা অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র,নিজস্বী তুলছেন জেলার প্রথম সারির তৃণমূল নেত্রী! নেটমাধ্যমে ভাইরাল এই ছবিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে পুরাতন মালদহে।জেলা সফরে মালদহেই রয়েছেন দলের সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় এই ছবি ভাইরাল হওয়ায় রীতিমতো অস্বস্তিতে তৃণমূল। হতবাক ব্লক আধিকারিকও। এর আগেও একাধিক বার বিতর্কে জড়িয়েছেন পুরাতন মালদহ পঞ্চায়েত সমিতি তথা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি। যদিও এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা।এই ছবি নিয়ে সবর হয়েছে বিজেপি-ও। দলের জেলা সভাপতি গোবিন্দচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ১১ বছরে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি মালদহকেও বারুদের স্তূপে দাঁড় করিয়েছে শাসকদল। ওদের অফিসে এটাই সংস্কৃতি। পিস্তল আছে। খুঁজলে বোমাও পাওয়া যাবে। একে ৪৭-ও পাওয়া যেতে পারে। তবে, মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি-কে এ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ওটা বন্দুক নয় লাইটার। এক বছর আগের ছবি।এ নিয়ে রাজ্য তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলেন, সরকারি চেয়ারে বসে এই ধরনের কাজ বাঞ্ছনীয় নয়। আগ্নেয়াস্ত্রটি খেলনা না আসল সেটা পুলিশ অনুসন্ধান করে বলবে। তবে, আমি যেটা ছবিতে দেখলাম তাতে মনে হচ্ছে এটা আসল আগ্নেয়াস্ত্র। এই ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল।সম্প্রতি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার এক পঞ্চায়েত প্রধানের দেওর আগ্নেয়াস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 61
  • 62
  • 63
  • 64
  • 65
  • 66
  • 67
  • ...
  • 98
  • 99
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভুতনির বন্যা দেখতে নদীপথে মন্ত্রীদল! বানভাসিদের জন্য কী পরিকল্পনা রাজ্যের?

মালদহের ভুতনিতে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ এলাকায় পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদল। ইতিমধ্যেই মালদহে পৌঁছেছেন একাধিক মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন জেলার সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জলমগ্ন দুর্গম এলাকাগুলি নদীপথে ঘুরে দেখার কথা রয়েছে মন্ত্রীদের।মন্ত্রীদলের মধ্যে রয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং দমকল ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। প্রথমে মন্ত্রীরা রতুয়ায় যাবেন। সেখান থেকে যাওয়ার কথা রয়েছে ভুতনিতে। দুপুরে বন্যাত্রাণ শিবিরও পরিদর্শন করবেন তাঁরা।এর পাশাপাশি ব্লক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রীরা। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি, ত্রাণের ব্যবস্থা এবং মানুষের প্রয়োজন নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এই সফরের পর ভুতনির জলবন্দি এলাকাগুলিতে পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।ভুতনির পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও রিপোর্ট দেবেন মন্ত্রীরা। অর্থাৎ শুধু বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন নয়, বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর এলাকায় কী ভাবে কাজ শুরু করা হবে, সেই বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নের কাজ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শঙ্কর ঘোষ আরও জানিয়েছেন, মালদহে নদীভাঙন এবং বন্যা দীর্ঘদিনের বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।এদিকে ভুতনিতে গঙ্গার জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জলস্তর ১৭ সেন্টিমিটার কমেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে। চলতি মরশুমে এক দিনে জলস্তর কমার ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ পতন বলে দাবি করা হচ্ছে।তবে জল কমলেও এখনও স্বস্তি ফেরেনি ভুতনিতে। মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর ২৫.৩৪ মিটারে নেমে এসেছে বলে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যা চরম বিপদসীমার থেকে এখনও চার সেন্টিমিটার বেশি। ফলে নদীর জলস্তর কমলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি।ভুতনির বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। কোথাও তাকালেই চোখে পড়ছে জল। টানা বহু দিন ধরে জলবন্দি থাকার কারণে একাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। দুর্গম এলাকায় অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।চরম বিপদসীমার উপরে থাকা গঙ্গা পেরিয়ে দুর্গম এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। নৌকায় করে জল পেরিয়ে অসুস্থ মানুষকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁদেরও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। অন্যের প্রাণ বাঁচাতে নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই তাঁরা কাজ করছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।জলস্তর কমার ফলে পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও ভুতনির বহু এলাকায় এখনও জল রয়েছে। তাই এখন নজর শুধু গঙ্গার জলস্তরের দিকে নয়, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসা, ত্রাণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের দিকেও। মন্ত্রীদের এই সফরের পর ভুতনির পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

২৪৯ বছরের ঐতিহাসিক মহাকরণে ফিরছে সচিবালয়! ১৩ বছর পর বদলাতে চলেছে বাংলার প্রশাসনিক ঠিকানা

দীর্ঘ ১৩ বছরের ব্যবধানের পর ফের ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার আবহে পুরনো মহাকরণে ফিরতে চলেছে রাজ্য প্রশাসন। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের ছয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দফতরের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয় নবান্ন থেকে। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সচিবালয় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। সেই মতোই চলছে সংস্কারের কাজ।১৩ বছর আগে নবান্নে সরেছিল সচিবালয়প্রায় ২৪৯ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং একসময় ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র। ১৩ বছর আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে সচিবালয় স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। এরপর থেকে সেখান থেকেই রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়ে আসছে।তবে পুরনো ভবনের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ না হওয়ায় এতদিন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে পুরোপুরি ফেরা সম্ভব হয়নি। এবার সেই কাজ দ্রুত শেষ করে ঐতিহাসিক মহাকরণ থেকেই প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।সংস্কারকাজ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকরাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। পূজা উৎসবের আগেই কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের দফতরও দ্রুত প্রস্তুত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর দফতর তৈরির প্রস্তুতিরাইটার্স বিল্ডিংয়ে যাঁদের দফতর চালু করার প্রস্তুতি চলছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেনশুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীদিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীঅগ্নিমিত্রা পাল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীশঙ্কর ঘোষ পর্যটন মন্ত্রীশারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রীঅজয় পোদ্দার পূর্তমন্ত্রীসব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোর আগে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে রাজ্য প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ করে ঠিক কবে থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু হবে, তা সরকারি ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

‘কিছু প্রত্যাহার করব না’, হলদিয়া আদালতে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা মিলন প্রধানের! নন্দীগ্রামে নতুন মোড়

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার হলদিয়া আদালতে তোলা হল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। আদালত চত্বরে তাঁকে ঘিরে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। কংগ্রেসের নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকেরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন? জবাবে মিলন বলেন, শাসক দল ভয় পেয়েছে, কিছু প্রত্যাহার করব না।শুক্রবার চণ্ডীপুর থানা এলাকার একটি মামলায় মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের চারটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র-সহ অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে মামলা রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানা কার্যকর করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।মিলনকে গ্রেফতার করার পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, পুলিশের কাজ পুলিশ করেছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে তারা দাবি করেছে।কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই গ্রেফতারি নিয়ে সরব হয়েছে। রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, মিলন প্রধানের গ্রেফতারি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় এবং তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের বদলে বিরোধীদের সরিয়ে দিতে চাইছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় তারা পিছিয়ে যাবে না।তবে পুলিশের বক্তব্য আলাদা। তাদের দাবি, পুরনো মামলায় আদালতের জারি করা পরোয়ানা কার্যকর করতেই মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে গ্রেফতারির আইনি কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগদুই দিকই সামনে এসেছে।এর মধ্যেই শনিবার আদালতে দাঁড়িয়ে মিলন প্রধান জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রার্থী পদ থেকে কিছু প্রত্যাহার করবেন না। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাঁর নিজের বক্তব্যে তার জবাব মিলেছে।নন্দীগ্রাম এমনিতেই রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমি আন্দোলনের পর থেকেই এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সেই নন্দীগ্রামেই এ বার উপনির্বাচনের আগে প্রার্থী প্রত্যাহার, নতুন সমর্থন এবং কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারি ঘিরে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। ফলে ভোটের আগে এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও বিরাট নাটক! ভোটে না লড়ার ঘোষণার পর তড়িঘড়ি কেন অবস্থান বদল মমতা ঘনিষ্ঠ রবিউল আলমের?

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও কি প্রার্থীহীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির? শনিবার সকাল থেকে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন রেজিনগরে মমতা গোষ্ঠীর তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানান, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।রবিউলের কথায়, নতুন নির্বাচনী প্রতীক অল্প সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার সিদ্ধান্তের কথা নেত্রীকে জানিয়েছি। কর্মীদের মাঠে-ময়দানে নামানো যাচ্ছে না। সিম্বল একটা বড় ফ্যাক্টর।বেলডাঙা থানায় যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলতবে বেলা বাড়তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। রবিউল জানান, একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এরপর তিনি বেলডাঙা থানায় যান। সেখানে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর ফের নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।রবিউলের বক্তব্য, পাশে মাত্র ১০ জন কর্মী থাকলেও তিনি ভোটের লড়াই চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন রেজিনগরের এই প্রার্থী। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে রেজিনগরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার, গ্রেফতার মিলন প্রধানএর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। পরে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরই ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান। তাঁর গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।নতুন নাম ও প্রতীক ঘিরে বদলেছে সমীকরণতৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতীক অল্প সময়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সমস্যা নিয়ে রবিউলের মন্তব্যও সেই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন রবিউল আলম চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকেন কি না, এবং প্রচারে দলের কর্মীরা কতটা সক্রিয় হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উপনির্বাচনের সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

গুগল ম্যাপ দেখেই বাইক চালাচ্ছিলেন! হঠাৎ রাস্তা শেষ, বাইক-সমেত খাদের নীচে যুবক

মোবাইলে গুগল ম্যাপ খুলে সেই পথ দেখেই বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন যুবক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেটি যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এবং পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, তা বুঝতে পারেননি তিনি। আচমকাই রাস্তার একটি ভাঙা অংশের কাছে গিয়ে বাইক-সহ গভীর খাদে পড়ে যান। দীর্ঘ সময় পর গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দুর্গাপুরের পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আহত যুবকের নাম প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর। কাঁকসার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাল এলাকার বাসিন্দা প্রসূন শুক্রবার রাতে বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। অচেনা পথে সুবিধার জন্য মোবাইলে গুগল ম্যাপ চালু করেছিলেন তিনি। ম্যাপে যে রাস্তা দেখানো হচ্ছিল, সেই পথ ধরেই বাইক চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় পৌঁছনোর পর বিপদ ঘটে। ওই এলাকা পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে গিয়ে সেখানে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাপে সেই বিপজ্জনক অংশের কোনও ইঙ্গিত ছিল না বলে জানা গিয়েছে।অন্ধকারে ফাঁকা রাস্তা দিয়ে বাইক চালানোর সময় প্রসূন সেই খাদের কাছে পৌঁছে যান। বাইকের গতি বেশি থাকায় পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পাননি বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। বাইক-সহ তিনি খাদের নীচে পড়ে গুরুতর জখম হন।এ দিকে রাতে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও প্রসূন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপর তাঁর মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু হয়। মোবাইলের অবস্থান পাণ্ডবেশ্বরের ওই খনি এলাকার আশপাশে দেখাচ্ছিল।এর পরেই পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, খাদের মধ্যে পড়ে রয়েছে প্রসূনের বাইক। কিছুটা দূরে গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি।পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পর্যন্ত প্রসূনকে খাদের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে দ্রুত দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। খনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। তা হলে প্রসূন কী ভাবে সেই পথে পৌঁছলেন, সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কি শুধুমাত্র গুগল ম্যাপে দেখানো পথ অনুসরণ করেই ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, নাকি অন্য কোনও কারণে সেই রাস্তা ব্যবহার করেছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।দুর্ঘটনার সময় বাইকের গতি কত ছিল, রাস্তার পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং ঠিক কোন জায়গায় বাইকটি খাদে পড়ে যায়, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গুগল ম্যাপে ওই রাস্তা কেন দেখাচ্ছিল এবং বিপজ্জনক অংশটি কেন চিহ্নিত ছিল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।তবে আপাতত পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি আহত প্রসূনের চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দুর্ঘটনার কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি। তদন্ত শেষ হলেই জানা যাবে, ঠিক কী ভাবে গুগল ম্যাপের পথ ধরে চলতে গিয়ে পরিত্যক্ত খনি এলাকার গভীর খাদে বাইক-সহ পড়ে গেলেন ওই যুবক।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সকালে বললেন মনোনয়ন তুলবেন, দুপুরে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন! রবিউলকে ঘিরে রেজিনগরে নাটক

রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই তৈরি হয়েছিল টানটান উত্তেজনা। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, রেজিনগরেও কি একই পথে হাঁটবেন মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী? শনিবার সকালে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। রবিউল নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন না।শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানিয়েছিলেন, তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের উপর চাপ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। অনেক কর্মী সরে যাচ্ছেন বলেও জানান রবিউল। ফলে কর্মীদের ছাড়া কী ভাবে ভোটের লড়াই করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তিনি।রবিউলের কথায়, কর্মীরাই যদি না থাকেন, তা হলে একা ঘুরে ভোট করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। সেই কারণেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সাড়ে ১২টা নাগাদ রবিউল জানান, তিনি আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পরই তাঁর এই মতবদল বলে জানান তিনি। রবিউলের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতার নির্দেশ মেনে তিনি ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন।রবিউল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের যে চিন্তাভাবনা করেছিলেন, তা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নতুন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারে নামার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ, সকালের সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থীর অবস্থান বদলে যায়।রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীকে লড়তে হচ্ছে। দুই কেন্দ্রেই আগে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। পরে কমিশনের সিদ্ধান্তের জেরে পরিস্থিতি বদলে যায়।নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেজিনগরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।সেই জল্পনার মধ্যেই প্রথমে রবিউলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত এবং পরে মমতার সঙ্গে কথা বলে লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা তৈরি করে। তবে পরবর্তী আপডেটে জানা যায়, শেষ পর্যন্ত রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। ফলে সকালের সিদ্ধান্ত, দুপুরের মতবদল এবং পরে ফের মনোনয়ন প্রত্যাহারসব মিলিয়ে রেজিনগর উপনির্বাচনে রবিউলকে ঘিরে তৈরি হয় একাধিক নাটকীয় মোড়।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal