• ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman

রাজ্য

দুর্ভোগের চুড়ান্ত, বেসামাল সরকারি পরিবহণ ব্যবস্থা, মন্ত্রীর মৌখিক আশ্বাসে চিঁড়ে ভিজলো না

সরকারি বাসের অস্থায়ী কর্মীদের ধর্মঘটের অচলাবস্থা আজও কাটেনি। তিনটি বাসের যাত্রীদের একটি করে বাসে যেতে হচ্ছে। তাও বেশিরভাগ সময় অমিল। একদিকে ট্রেনের গোলযোগ, অন্যদিকে বাস পরিষেবার এই বিঘ্ন পুজোর আগে দুর্যোগ ঘনিয়ে এনেছে কলকাতা সহ বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের জন্য। কর্মীরা জানিয়েছেন, মন্ত্রীর সাথে আলোচনায় তাঁরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। আশ্বাস নয়, লিখিত চান তাঁরা।গত কয়েকদিনে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার অস্থায়ী কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে শিকেয় উঠেছে বাস পরিষেবা। প্রত্যেকদিন ২৮টির মতো বাস বর্ধমান ডিপো থেকে ধর্মতলা এবং করুণাময়ীতে যাতায়াত করে। কর্মবিরতির ফলে তার সংখ্যা কমে গিয়েছে অনেক।আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাদের চুক্তিমত ২৬ দিনের ডিউটি দেওয়ার কথা কিন্তু সেটা তাঁরা পাচ্ছেন না। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা স্টিয়ারিং ডিউটির টাকা পাচ্ছেন না। ধর্দেমঘটীদের দাবি, অবিলম্বে এই সমস্যাগুলি সহ তাঁদের আরও যে দাবী রয়েছে সেগুলি না মিটলে তাঁরা এই কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন। বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ীকরণ সহ দশ দফা দাবীতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে শামিল হয়েছেন বর্ধমান এসবিএসটিসি ডিপোর শতাধিক ড্রাইভার, টিকিট কালেকটর সহ অন্যান্য বিভাগের অস্থায়ী কর্মীরা। ফলে সেদিন থেকেই একের পর এক বাতিল হয়েছে বর্ধমান কলকাতা ও বর্ধমান করুণাময়ী রুটের এসবিএসটিসি বাস। প্রথম দিন থেকেই এই অস্থায়ী কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন।এই আন্দোলনের ফলে কলকাতা ও সল্টলেকগামী বহু এসবিএসটিসি বাস বাতিল হওয়ায় সমস্যার মধ্যে পড়েছেন যাত্রীরা। কেউ যাবেন ধর্মতলা আবার কেউ করুণাময়ী যাবেন। বাস ধরতে গিয়ে বাসের দেখা না মেলায় চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছেন যাত্রীসাধারণ। এভাবে আন্দোলন করায় আমরা চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছি, মন্তব্য জনৈক যাত্রীর। হাতে গোনা কয়েকটি বাস চলছে তাতেও অস্বাভাবিক ভিড়। যাত্রীরা জানাচ্ছেন, বেসরকারি বাস যেগুলি মিলছে তারা এই সুযোগে বড় দাও মারছে। বেশি ভাড়া নিচ্ছে। কাজের জায়গায় পৌঁছাতে দেরি হয়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে এর সমাধান চাইছেন তারা।অন্যদিকে, বাস কর্মীরা জানান, তাঁদের নানারকম বেতন কাঠামোয় কাজ করতে হচ্ছে। রয়েছে বৈষম্য। মন্ত্রী ২৬ দিনের বেতনের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু তাতে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। ওই টাকায় চলা অসম্ভব। আন্দোলনকারীরা বলছেন, আশ্বাস অনেক শুনেছি, স্থায়ী সমাধান চাই। এই ভোগান্তির জন্য যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাইছেন ধর্মঘটীরা।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি না পাওয়ায় জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসে বিক্ষোভ ঠিকাশ্রমিক সংগঠনের

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি দিচ্ছেনা এজেন্সি। অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য টাকা তাদের ফেরত দিতে হবে।এই দাবীতে জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল পূবর্ব বর্ধমান জেলা স্কাভেনজার্স সিকিউরিটি ও ঠিকাশ্রমিক সংগঠন। তাদের আরও অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এই এজেন্সি। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এই এজেন্সি ৮.৩৩ শতাংশ হারে বোনাস তুললেও তাদের নির্ধারিত হারে বোনাস দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ।এই অভিযোগের দ্রুত নিস্পত্তি চেয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাল সংগঠনের সদস্যরা। দ্রত তাদের সমস্যার সমাধান না হলে তারা আরও বৃহৎ আন্দোলনে সামিল হবেন বলে জানিয়েছেন। বিক্ষোভ শেষে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রীদেবী সর্ব্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট উত্তোলন মধ্যে দিয়ে রাঢ়বঙ্গে পুজো শুরু

বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রীদেবী সর্ব্বমঙ্গলা মন্দিরের ঘট উত্তোলন মাধ্যমেই মহালয়ার পরদিন থেকে শারদ উৎসবের সূচনা হয়ে গেল রাঢ়বঙ্গে। দুবছর কোভিড বিধির সরকারী নির্দেশিকা মেনেই পুজোর আয়োজন করতে হয়ছিল। এবছর সেরকম কোনও করোনা বিধি নেই। সোমবার কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী থেকে ঘট উত্তোলন করে শোভাযাত্রা ও বাদ্যযন্ত্র সহকারে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট প্রতিস্থাপন করা হয়। মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবী সর্ব্বমঙ্গলার ঘট আনার প্রাচীন প্রথা রয়েছে। কথিত আছে বর্ধমানের বাহিরসর্ব্বমঙ্গলা অঞ্চলে জেলেদের জালে একটি অদ্ভূত দর্শন পাথর উঠে আসে। কিছুটা শিলার মত দেখতে ওই পাথর দিয়েই তখনকার দিনে গুগলি, শামুক থেঁতো করতেন এলাকার বাসিন্দারা। সেই শিলা যে আদতে দেবী মূর্তি, তা পরে বুঝতে পারেন এলাকার এক পুরোহিত। কাহিনী অনুসারে আরও জানা যায় সেই সময় দামোদর নদ লাগোয়া চুন তৈরির কারখানার জন্য শামুকের খোল নেওয়ার সময় শিলামূর্তিটি চলে যায় চুন ভাটায়। তখন শামুকের খোলের সঙ্গে শিলামূর্তিটি পোড়ানো হলেও মূর্তির কোনো ক্ষতি হয়নি।সেই রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পাওয়া মাত্রই বর্ধমানের মহারাজা শিলামূর্তিটিকে নিয়ে গিয়ে সর্বমঙ্গলার পুজো শুরু করেন।দেবী সর্ব্বমঙ্গলা মন্দিরে ঘট স্থাপনঐতিহাসিক মতে বর্ধমানের মহারাজা শ্রী কীর্তিচাঁদ, ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে সর্বমঙ্গলা মন্দিরটি নির্মাণ করেন। কিন্তু এই মন্দিরে থাকা মাতা সর্ব্বমঙ্গলার মূর্তিটি মন্দিরের থেকেও বেশি প্রাচীন। অনেকের মতে মূর্তিটি ১০০০ বছর পুরোনো, আবার কারো মতে ২০০০ বছরের পুরনো। এই মূর্তিটি হল কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী মহিষমর্দিনী। যা দৈর্ঘ্যে বারো ইঞ্চি, প্রস্থে আট ইঞ্চি। মন্দিরে রুপোর সিংহাসনে দেবী আসীন থাকেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হবার পরে, বর্ধমানের তৎকালীন মহারাজা উদয় চাঁদ ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেন। সেই বোর্ডের হাতে এই প্রাচীন মন্দিরটি পরিচালনার দায়িত্ব দেন। তার পর থেকে এখনো পর্যন্ত সেই ট্রাস্টি বোর্ডই এই মন্দিরের দেখাশোনা করে আসছে।মায়ের মন্দির থেকে ঢাক, ক্লাব ব্যান্ড ও ব্যান্ড সহযোগে ঘোড়ার গাড়ি করে বিসি রোড হয়ে রাজবাড়ি সামনে দিয়ে শোভাযাত্রা পৌঁছায় কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাটে। সেখানে দেবী সর্ব্বমঙ্গলার ঘট উত্তোলনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক ও ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি প্রিয়াঙ্কা সিংলা, স্থানীয় বিধায়ক খোকন দাস, ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ, প্রাক্তন সম্পাদক বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ডঃ শ্যামলেন্দু চট্টোপাধ্যায়, পৌরসভার চেয়ারম্যান সহ সকল কাউন্সিলার। অগনিত ভক্ত সমাগমে ঘট ভরা সম্পন্ন হয়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের ৪০০ বছরের পুরানো এই জমিদার বাড়ি পুজো এখন এলাকার পুজো

এলাকায় এখনো রাশভারী জমিদার বাড়ি হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু বর্তমানে এই খাঁ পরিবার আর্থিক অনটনে জর্জরিত। তবে তাই বলে কি দুর্গাপুজো বন্ধ হয়ে যাবে। মুসকিল আসানে এগিয়ে এসেছেন পাড়া প্রতিবেশীরা। এখন পাড়াপ্রতিবেশীরাই চাঁদা তুলে জমিদার খাঁ বাড়ির দুর্গা পুজোর আয়োজন করেন।প্রায় ৪০০ বছরের পুরানো এই পুজো। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের মোহনপুর গ্রামে খাঁ পরিবারের আগে জমিদারি ছিল। বনপাশ পঞ্চায়েত এলাকার মোহনপুর বহু পুরানো একটি গ্রাম। এই গ্রামের খাঁ পরিবারের দুর্গাপুজো এলাকার সবচেয়ে পুরনো পুজো। এখন জমিদারী না থাকলেও খাঁ পরিবারের সেই সাবেকি আমলের ভাঙাচোরা দুর্গামন্দির দাঁড়িয়ে আছে। মন্দিরের যদিও ভগ্নপ্রায়।স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশীষ সাধু জানান বিগত কয়েকবছর ধরেই পাড়ার লোকজনরাই নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে এই পুজোর আয়োজন করে আসছেন। খাঁ পরিবারের সদস্যা লতিকা খাঁ জানান একসময় পরিবারে স্বচ্ছলতা ছিল তখন ধূমধাম করে পুজো আয়োজন করা হত। কয়েকশো মানুষ টানা কয়েকদিন ধরে পুজোয় মেতে থাকতেন। তাদের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থাও হত। কিন্তু এখন আর্থিক অবস্থা খারাপ। তাই পাড়ার সকলে মিলে পুজোর দায়িত্ব নিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বেহাল রাস্তার প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল স্কুল পড়ুয়া সহ এলাকাবাসী

বেহাল রাস্তা অবস্থা। পাকা দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল এলাকার স্কুল পড়ুয়ারা সহ এলাকাবাসীরা। গলসি এক নম্বর ব্লকের লোয়া কৃষ্ণরামপুর অঞ্চলের মানুষের সাথে বেশকিছু স্কুল পড়ুয়ারা আন্দোলনে সামিল হয়। প্লাকার্ড হাতে তারা স্কুল না যাবার স্লোগান দিতে থাকে। তারা জানাই, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দুয়াটুকুড়ি থেকে অমরপুর যাবার পাঁচ ছয় কিমি রাস্তার বেহাল দশা। বিষয়টি নিয়ে তারা কয়েকবার গলসি ১ নং ব্লক বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তাতে সুরাহা না মেলায় এদিন পথ অবরোধ করেছেন। তাদের দাবী ওই রাস্তার জন্য গ্রামে আসেনা অ্যাম্বুলেন্স। ফলে নিত্য দুর্ভোগ পরেন রোগী ও প্রসুতি মায়েরা। তাছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে কসবা রাধারানী হাই স্কুল ও লোয়া দিবাকর হাই স্কুলে পড়তে যায় এলাকার শতশত স্কুল পড়ুয়া। এমনকি ওই রাস্তা দিয়ে লোয়া ও পুরসা হাসপাতাল যেতে হয় এলাকার মানুষদের। গোটা রাস্তা জুড়ে বড়বড় গর্ত হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন ওই এলাকার নারানপুর, সোদপুর, কেন্দুয়াটুকুড়ি, সোদপুর মানা, জয়কৃষ্ণবাটি, কসবা, জাঁহাপুর, মৌগ্রামার সাত থেকে আট হজার মানুষ। এমনকি কসবায় ব্যাংক, পঞ্চায়েত অফিস ও বিডিও অফিসে যেতে নিত্য সমস্যায় পরছেন সাধারণ মানুষ। তাদের দাবী দ্রুত নতুন রাস্তা তৈরী করুক প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
রাজনীতি

শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা ঘরবাড়ি ভাঙচুর গলসিতে

শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে গলসি ১ নম্বর ব্লকের পারাজ গ্রামে ভাঙচুর চলে। দুটি চালাঘর ও বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার রাতে গলসির রকোনা গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে খেলা ছিল। সেখানে এলাকার পারাজ অঞ্চল একাদশ ও উচ্চগ্রাম একাদশ মুখোমুখি হয়। পারাজ অঞ্চল চার গোলে জয়লাভ করে। বিজয়ী ট্রফি নিয়ে পারাজ গ্রামে ফিরলে দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। এরপরই দুটি গোষ্ঠীর চারটি বাইক ভাঙচুর হয়। এর পাশাপাশি দুটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মুখে কুলুপ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসর নেতৃত্বর।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

অসময়ে বেশী বৃষ্টি পদ্ম চাষীদের মাথায় হাত

টানা দুবছর ব্যবসা একেবারে বন্ধ ছিল।এবার কোভিড বিধি শিথিল হলেও লাভ নয়, লোকসানের মুখে পদ্মচাষীরা।পূর্ব বর্ধমানের ভাতার,আউশগ্রাম, দেওয়ানদীঘি সহ জেলার সর্বত্রই কমবেশি পদ্মচাষ হয়। কিন্তু এবার বর্ষার শুরুতে অনাবৃষ্টির কারণে পুকুরে সেই ভাবে পদ্ম গাছ বেড়ে ওঠেনি। পুকুরের জলের অভাবে পদ্মগাছ শুকিয়ে যায়। এখন আবার ঠিক উল্টো চিত্র। লাগাতার বৃষ্টির জন্য পদ্মফুল পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।পদ্মচাষী হারু ধারা, সর্বেশ্বর মাঝিরা জানান,প্রতিবছরই পুজোর মরশুমে পদ্মের চাহিদা থাকে।এবারও ভালোই চাহিদা আছে বাজারে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় বাজারে জোগান দিতে পারচ্ছেন না।করোনার জন্য দুবছর তাদের ব্যবসা প্রায় বন্ধই ছিল।এবছর তারা ভেবেছিলেন ঘুরে দাঁড়াবেন। তাতে বাধ সেধেছে আবহাওয়া। কখনো অনাবৃষ্টি তো আবার কখনো অতিবৃষ্টি। আবহাওয়া খামখেয়ালিতে পদ্মচাষীরা চরম সংকটে পড়েছেন।চড়া দাম দিয়ে পুকুর ডাক (লিজ) নিয়েছেন এলাকায় পদ্মচাষীরা। কিন্তু এখন যা অবস্থা দুমুখ সমান হবে কিনা সেটা নিয়ে চিন্তিত তারা। পূর্ব-বর্ধমান জেলার পদ্মচাষীরা মূলত ফুল নিয়ে হাওড়ার হাটে যান। সেখানেই সারাবছর কেনাবেছা চলে।কিন্তু পুজোর মরশুমে এখন পদ্মচাষীদের মাথায় হাত। বৃষ্টি বেশী হওয়ায় পদ্মের কুড়ি বড় হচ্ছে না।পচে যাচ্ছে বলে জানান চাষীরা।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

বন্ধ হতে বসা দুর্গা পুজোকে চালু করতে হিন্দুদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসেন মুসলিমরা

দুর্গাপুজোয় সমান আনন্দে মাতেন গ্রামের মুসলিম পরিবারের সদস্যরাও। পূর্ব বর্ধমানের জঙ্গলমহল আউশগ্রামের গোয়ালআড়া গ্রামের দুর্গাপুজো আগে ছিল মণ্ডল পরিবারের পারিবারিক পুজো। পরিবারের আর্থিক অবস্থা প্রথমদিকে ভালো ছিল। তাই ভালোভাবেই পুজো হত। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে মণ্ডল পরিবার আর পুজো চালিয়ে যেতে পারেনি। তখন থেকেই পুজোর দায়িত্ব নেয় গ্রামবাসীরা। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হিন্দুদের পাশাপাশি এগিয়ে আসেন গ্রামের মুসলিম ধর্মালম্বী মানুষজনও। ফলে গোয়ালআড়া গ্রামের দুর্গাপুজো সর্বধর্মের সম্প্রীতির পুজো হয়ে উঠেছে। তা যথার্থই হয়ে উঠেছে ধর্ম যার যার উৎসব সবার।দুর্গামন্দির পরিস্কার রাখতে ঝাঁট দেওয়া থেকে পুজোর বাজারহাট সব কাজেই সমানভাবে গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন অংশ নেন। গোয়ালআড়া গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় সেখ মুস্তাক আলি বলেন,আমাদের গ্রামের এই দুর্গাপুজো দেড়শো বছরের প্রাচীন। অনেক আগে থেকেই ওই পরিবার পুজো বন্ধ করে দেন। তখন থেকেই গ্রামের সকলে পুজোর দায়িত্ব নেয়। পুজোয় কোনও খামতি রাখা হয় না। প্রথা মেনেই নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো হয়। এই বছর আমরা সরকারি অনুদান পেয়েছি।আউশগ্রামের গোয়ালআড়া গ্রামের অধিকাংশ কৃষিজীবী মানুষের বসবাস। গ্রামে হিন্দু, মুসলিম সকল সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন। প্রায় দেড়শো বছর আগে মণ্ডল পরিবারের এক পূর্বপুরুষ এই দুর্গাপুজোর সূচনা করেন। প্রথমদিকে দুর্গাপুজো ধুমধাম সহকারেই হত। শতাব্দীকাল পর থেকে পুজোটি বারোয়ারি হয়ে যায়। গ্রামবাসী সুনীল মণ্ডল বলেন, মণ্ডল পরিবারের আর্থিক অনটনের কারণে পরিবারের পক্ষ থেকে আর পুজো করা সম্ভব ছিল না। তারপর পুজোর দায়িত্ব গ্রামের সকলে নিয়ে নেন। এখন এটি বারোয়ারি পুজো। শুধু বারোয়ারি নয়, এই পুজোয় এখন হিন্দু মুসলিম সকলের পুজো।গোয়ালআড়া গ্রামের দুর্গাপুজোয় প্রতিমা তৈরির সময় থেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন অংশ নেন। পুজোর যাবতীয় খরচ হিন্দু মুসলিম সকলেই চাঁদা তুলে বহন করেন। মন্দির চত্বর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা থেকে মন্দিরের তদারকি, বাজারহাট করা সবেতেই সমান ভূমিকা নেন। মহালয়ার দিন মোচ্ছবের আয়োজন থাকে। তার খরচও সমানভাবে বহন করেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন।গ্রামবাসী আবদুল গনি জানান পুরানো দুর্গামন্দির ভেঙে নতুন পাকা মন্দির তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই পুজোতে আমরাও চাঁদা দিয়ে থাকি। গেরাই গ্রামের বাসিন্দা আবদুল লালন নামে একজন ব্যবসায়ী মন্দির নির্মাণের জন্য খরচ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আব্দুল লালন বলেন, আমি গ্রামের ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি মন্দিরের অবস্থা ভগ্নপ্রায় হয়ে রয়েছে।আমি গ্রামবাসীদের বলি পুজোর যা খরচ হবে আমি সব ব্যয় করবো।ওরা সম্মতি জানিয়েছে।আমি এই বছর সমস্ত খরচ দেব।ধর্ম যার যার উৎসব সবার,আমরা সকল গ্রামবাসী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই পুজোয় মেতে উঠি।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

পুজোর মুখে বিড়ম্বনা! দশ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে বর্ধমান ডিপোর এসবিএসটিসির অস্থায়ী কর্মীরা

বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ীকরন সহ দশ দফা দাবীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে সামিল হলেন বর্ধমান এসবিএসটিসি ডিপোর শতাধিক ড্রাইভার, টিকিট কালেকটর সহ অন্যান্য বিভাগের অস্থায়ী কর্মীরা। ফলে আজ সকাল থেকেই বাতিল হয়েছে বর্ধমান কলকাতা ও বর্ধমান করুণাময়ী রুটের এসবিএসটিসি বাস। সকাল থেকেই এই অস্থায়ী কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসের পাতাকা হাতে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছে। ডিপোর সামনে বিক্ষোভে দেখাচ্ছেন তারা। অর্ধেকেরও বেশি বাস বাতিল হয়েছে তাদের এই আন্দোলনের ফলে। সমস্যা না মিটলে তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।পুজোর মুখে এই কর্মবিরতিতে বিপাকে পরেছেন নিত্যযাত্রী সহ ক্ষূদ্র ব্যবসায়ীরা। এমনিতেই ১৫ই সেপ্টম্বর থেকে রাতের ও সকালের শহরের মধ্য দিয়ে যে এসবিএসটিসি বাসগুলি চলত তার যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী থাকাই নিত্যযাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে আজ থেকে এই অবরোধের ফলে খুবই বিপাকে পরছেন বাসযাত্রীরা।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার বলি তিন

ফের জাতীয় সড়কে বলি। পূর্ব বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের গলসিতে পথ দুর্ঘটনায় নিহত হল তিন জন। মৃতদের নাম বাবুল কেনাই (৪৫)। মহাদেব বাগদী (২৮)। রাহুল বাগদী (১৮)। বাবুলের বাড়ি আউসগ্রামের মাঝের গ্রাম। মহাদেবের বাড়ি গলসি থানার অনুরাগপুর গ্রামে আর রাহুলের বাড়ি কাঁকসা থানার বাঁদরা গোপালপুর গ্রামে। মহাদেবের গ্রামে পুজো উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। তাই তিনি তার বেয়াই বাবুল কোনাইকে সঙ্গে নিয়ে কাঁকসার বাঁদরা গোপালপুরে গিয়েছিলেন তাদের আত্মীয় রাহুল বাগদীকে আনতে। সেখান থেকে অনুরাগপুর গ্রামে ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার রাত আটটার সময় তারা যখন জাতীয় সড়কে ধরে পারাজ মোড়ের কাছে যান। ওই সময় পিছনের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা মারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন তিনজনই। দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে গলসি থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসকেরা তাদের তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার জেরে অনুরাগপুরে গ্রামের পুজো উপলক্ষে হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে স্কুল ছাত্রের রহস্য মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

বর্ধমানে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের ইংরাজি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রের রহস্য মৃত্যু ঘিরে শুক্রবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মৃত ছাত্রের নাম সৌমেন মুর্মু (২০)। সকালে হস্টেলের নীচ থেকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই হস্টেলের আবাসিক ছিলো সৌমেন মুর্মু। আজ সকালে সে হস্টেলে আসে। আসার কিছুক্ষণ পরই তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হস্টেলের নীচে পরে থাকতে দেখা যায়। তার মাথায় ও চোখে রুমাল জড়ানো ছিলো বলে জানিয়েছেন হস্টেলের আবাসিক ও স্থানীয়রা। কি ভাবে তার মৃত্যু হল খতিয়ে দেখছে বর্ধমান থানার পুলিশ।সৌমেন পূর্ব-বর্ধমান জেলার মেমারি থানার পাল্লা রোডের কাছে সাহাপুর গ্রামের বাড়ি। তার বাবা মুনু মুর্মু। ঘটনার ঘটার কিছু পরেই বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী অকুস্থলে পৌছে যান। তাঁর তত্বাবধানে চদন্ত চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যালয়ের চাপা কল থেকে জলের বদলে বের হচ্ছে ঝাঁজালো গ্যাস, আতঙ্ক রানিগঞ্জে

রানিগঞ্জ বিধানসভার অন্ডাল ব্লকের দীঘিরবাগান এলাকায় আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাপা কল থেকে জলের বদলে বের হচ্ছে ঝাঁঝালো গ্যাস। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।সূত্র মারফত জানা যায় এলাকার আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়টির মেরামতির কাজ চলছে। বিদ্যালয়ের আশেপাশে এলাকার ধসপ্রবন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা লক্ষ্য করেন বিদ্যালয়ের চাপা কল থেকে জলের বদলে বের হচ্ছে ঝাঁঝালো গ্যাস। ঘটনার খবর চাউর হতেই এলাকার মানুষ ভিড় জমান বিদ্যালয় চত্বরে।ঘটনার খবর ছড়াতেই ঘটনার স্থলে আসেন ইসিএলের আধিকারিকরা। এবং ঘটনাস্থলে পৌঁছায় অন্ডাল থানার বনবহাল ফাঁড়ির পুলিশ। সিল করে দেওয়া হয় এলাকা। ইসিএল সূত্রে জানা যায় চাপা কল থেকে বের হচ্ছে co2 গ্যাস।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

ভাতারের হতদরিদ্র নির্মান শ্রমিকের কপাল খুললো ৬০ টাকায়, লটারিতে কোটিপতি

৬০ টাকায় কোটিপতি এক নির্মাণ শ্রমিক । নির্মাণ শ্রমিক প্রসেনজিৎ মণ্ডলের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বাসুদা গ্রামে।প্রসেনজিৎ মণ্ডল রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালান। মাঝেমধ্যেই তাঁর লটারি টিকিট কাটার অভ্যাস আছে। মা পরিচারিকার কাজের পাশাপাশি জনমজুরি করেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও ভাতার বাজারে প্রসেনজিৎ রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজে গিয়েছিলেন। কাজের ফাঁকে ৬০ টাকা দিয়ে ভাতার কিষাণ মাণ্ডির বাজারে একটি লটারির দোকানে এক ঘর টিকিট কাটেন। দুপুর নাগাদ তিনি খবর পান তার কাটা টিকিটে ১ কোটি টাকা পুরস্কার হয়েছে। খবর পেতেই কার্যত চক্ষু চড়কগাছ। খুশির জোয়ার পরিবারে।প্রসেনজিতের মা শুভা দেবী বলেন, অনেক কষ্ট করে পরের বাড়িতে কাজ করে ছেলেকে বড় করেছি। ওপরওয়ালার ইচ্ছায় তার ছেলে এক কোটি টাকার পুরস্কার জিতেছে। এই টাকা নিয়ে কিছু জমি জায়গা ও একটা বাড়ি করার ইচ্ছা আছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

সোমবার থেকে লাগাতার আন্দোলনে অচলাবস্থা বর্ধমানের ডেন্টাল কলেজে

আজও অচলাবস্থা বর্ধমানের ডেন্টাল কলেজে। গত সোমবার থেকে লাগাতার আন্দোলনে নেমেছেন ওই কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাদের দাবি; হোস্টেলের কাজ শুরু না হওয়া পর্যন্ত তারা অনড় থাকবেন এদিকে তাদের বিরুদ্ধে সিনিয়র ডাক্তারদের আটকে রাখার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তারা। বর্ধমানের ডেন্টাল কলেজের ছাত্ররা আন্দোলনে নেমেছেন আজ চারদিন। তাদের দাবি; এই হাসপাতালে অবিলম্বে হোস্টেল চাই তাদের জন্য। রীতিমতো শ্লোগান দিয়ে তারা ধরণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই ডেন্টাল কলেজ ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ছাত্রছাত্রীদের বক্তব্য ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও এই কলেজের কোনোও হোস্টেল নেই। নতুন নতুন নার্সিং থেকে মেডিকেল কলেজ সবার হোস্টেল আছে।শুধু তাদের নেই। তাদের আরো বক্তব্য হোস্টেল না থাকায় তাদের বাইরের মেস বা পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতে হচ্ছে। জুনিয়র ডাক্তার বা ছাত্র হিসেবে এই সুযোগ তাদের প্রাপ্য। যদি কোনো ব্যবস্থা না হয় তারা বড় আন্দোলনে নামবেন। তাদের কথায়; তারা জেলা এবং রাজ্যস্তরে জানিয়েছেন।কোনো ফল হয় নি তাতে। তাদের দাবি; আউটডোর সহ রোগীর পরিষেবা সব চালু রেখেছেন তারা।অভিযোগ উঠেছে তারা কলেজে স্যারদের আটকে রাখছেন। তারা জানান; ১০ টা থেকে ৪ টে ডিউটি না করে কেউ ২ টোয় চলে গেলে সেটা তারা মানবেন না। আন্দোলনকারী শিবকুমার বিশ্বাস ও সৃঞ্জনা কর্মকার জানিয়েছেন ; হোস্টেলের কাজ শুরু হলেই তারা থামবেন।শুধু মুখের কথায় কাজ হবে না।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে নকল সার বিক্রির অভিযোগে সমবায়ে তালা

নকল সার বিক্রির অভিযোগে সমবায়ে তালা ঝুলিয়ে দিলেন বাসিন্দারা। ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের হাড়গ্রামে।বৃহস্পতিবার হাড় গ্রাম গ্রামীণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে তালা ঝুলিয়ে দেন গ্রামের কৃষকরা। স্থানীয় চাষীরা সমবায় সমিতি থেকে ১২০০ বস্তা সার (১০ঃ২৬ঃ২৬)কিনেছিলেন । অভিযোগ সেই সার পুরোটাই নকল। দুবছর আগে কারখানা বন্ধ হয়ে যাবার পর সেই সার কি করে দেওয়া হলো কৃষকদের হাতে। খোলা বাজারে এই সারের দাম ১৭৫০ টাকা বস্তা।কৃষকদের অভিযোগ যেখানে সাড়ের মধ্যে পটাশিয়াম নাইট্রোজেন ও ফসফেট থাকার কথা, সেখানে রয়েছে মোরাম, কাদামাটি। কৃষকদের দাবি অবিলম্বে সারের টাকা ফেরত দিতে হবে, নচেৎ সমবায়ের তালা বন্ধ থাকবে। এবং ভেতরে যে কর্মী রয়েছে তাকেও বের হতে দেওয়া হবে না।বর্ষার খামখেয়ালিতে এবছর দেরিতে চাষ শুরু হওয়ায় চাষিরা এমনিতেই বিপাকে পড়েছে। কৃষকেরা হাড়গ্রাম গ্রামীণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে ১৫৩০ টাকা বস্তা সার কিনেছিলেন এবং তা জমিতেও প্রয়োগ করেছিলেন। এলাকার কৃষকেরা সেই সার প্রয়োগ করাতে ধান গাছের বৃদ্ধি হয়নি বরং ধান গাছের ক্ষতি হয়েছে। চাষীদের আশঙ্কা একে দেরিতে চাষ তার ওপর নকল সার,তারা আর ধান পাবেন না। কারণ এই সার প্রয়োগ করাতে গাছের বৃদ্ধি ঘটে নি।এলাকার চাষীদের অভিযোগ এই কোম্পানির সার দুবছর আগে বন্ধ হয়ে গেছে তা সত্ত্বেও এই সার কি করে বিক্রি করল সমবায় সমিতি। এই অভিযোগে তারা আর সকালেই তালা ঝোলানো সমবায় সমিতির গেটে। সেই সময়ে সমবায় সমিতির ভিতরে থাকা এক কর্মী আটকে পড়েন। এলাকার কৃষকদের দাবি যতক্ষণ না পর্যন্ত সরকারি আধিকারিক এসে এর মীমাংসা করবে এবং এর ক্ষতিপূরণ বাবদ তাদের টাকা ফেরত দেবেন ততক্ষণ পর্যন্ত তারা সমবায় এর তালা খুলবেন না।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ পক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করার দাবীতে ডেপুটেশন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে আন্দোলন-আদালত-গ্রেফতার তার সাথে কোটি কোটি কালো টাকা উদ্ধার দেখতে দেখতে রাজ্যের মানুষ ক্লান্ত অবসন্ন। তার মাঝেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো আপার প্রাইমারী চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন। বুধবার বর্ধমান শহরে বঞ্চিত আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীরা বর্ধমান ইউনিট জেলা প্রাইমারির সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে ডেপুটেশন প্রদান করেন।তাদের দাবি, ২০১৪ তে নোটিফিকেশন জারি হয় এবং ২০১৫ তে পরীক্ষা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফল বের হয় ২০১৬ তে, সেই লিস্টের ভিত্তিতে ইন্টারভিউ হয়। সেই ইন্টারভিউ প্যানেল ২০১৯-এর ডিসেম্বর মাসে হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্যের বেঞ্চে বাতিল হয়। তাদের আরও অভিযোগ পরবর্তীকালে আবার প্যানেল ঘোষণা করা হয়, তাতে দেখা যায় যাঁরা কম নাম্বার পেয়েছিল তাঁদের নাম উঠেছে যোগ্য পার্থিদের নাম বাদ দিয়ে, পিছনে থাকা প্রার্থীদের নাম ঢোকানো হয়। তারা এই সভা থেকে দাবি তোলেন গত আট বছরের সমস্ত সিট আপডেট করে পুর্বতন ইন্টারভিউ লিস্টকে মান্যতা দিয়ে সমস্ত শূন্য পদে আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থী নিয়োগ করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

অতীতে টেকনোলজি কে দূরে সরানো বামেদের ভরসা 'কিউআর (QR) কোড'

সদস্য সংখ্যা বাড়াতে বিজেপির মতো বামেরাও শরণাপন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে। মিসড কলের মাধ্যমে বিজেপি তাদের পার্টির সদস্যা সংখ্যা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল। আর এবার সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই কিউ আর (QR) কোড মাধ্যমে তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ওই পথেই হাঁটলো। কটাক্ষ করে টিএমসিপি নেতারা বলছেন,বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও তাদের একইরকম হবে,এটাই স্বাভাবিক।২১ শের বিধানসভা ভোটে শূন্য হয়ে গেলেও হাল ছাড়েতে নারাজ সিপিএম নেতৃত্ব। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট ও ২৪-র লোকসভা ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে তারা এখন থেকেই মরিয়া হয়ে রাজনীতির ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দলের হয়ে বড় ভূমিকা পালনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই (DYFI) ও ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জনমত সংঘটিত করার জন্য এসএফআই তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা পোস্টারও তৈরি করেছে। সেই পোস্টারেই এখন ছয়লাপ পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর সহ গোটা জেলার বাজার, হাট,বাসস্ট্যাণ্ড চত্ত্বর। ওই পোস্টারে বড় বড় অক্ষরে আবেদন জানিয়ে লেখা রয়েছে, এসএফআই (SFI) এর সদস্য হও। তার ঠিক নিচেই দেওয়া রয়েছে একটি কুইক রেসপন্স কোড । সেই কোডের নিচে আবার লেখা রয়েছে, স্ক্যান কিউ আর (QR) কোড- জয়েন এসএফআই। আর এই পোস্টার ঘিরেই শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক বিরোধী তর্জা।এসএফআইয়ের জেলা কমিটির সদস্য তথা জামালপুর ব্লকের এসএফআই সম্পাদক নীলকমল পাল বলেন, হ্যাঁ-কিউআর (QR) কোড দেওয়া পোস্টারের মাধ্যমে আমরা এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ারই আহ্বান জানিয়েছি। কারণ আমরা পথেও আছি, হেঁটেও আছি নেটেও আছি। আমরাই ছাত্র বিরোধী নয়া শিক্ষা নীতি,ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র ফেরানোর দাবি সহ রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছি। সেই লড়াইয়ের সাথী হওয়ার জন্য সবাইকে কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সদস্য বাড়ানোর এই পন্থাকে বিজেপির অনুকরণ বলে মানতে চান নি নীলকমল। উল্টে তিনি দাবি করেন, বিজেপি পার্টিটাই সম্পূর্ণ ভাবে মিস কলের মাধ্যমে চলে। কিন্তু ,সেই পথে বামেরা হাঁটে না।সদস্য সংখ্যা বাড়ানো জন্য এসএফআইয়ের কিউআর কোড ব্যবহারের কৌশলকে বিলম্বিত বোধদয় বলে কটাক্ষ করেছেন, জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বাম আমলে সিপিএম ও তাদের সমস্ত শাখা সংগঠন কম্পিউটার সহ ডিজিটাল মাধ্যমেরই বিরোধীতা করে গেছে। একমাত্র কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। আর এখন সেই বামেরাই নকল করছে বিজেপিকে। মিস কলের মাধ্যমে বিজেপি সদস্য সংগ্রহের পন্থা নিয়েছিল। সেটকেই অনুসরনণ করে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই এখন ডিজিটাল কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। রামকৃষ্ণ এও বলেন, এইসব করে বামেরা লাভের লাভ কছু করতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন না।সংগঠনের সদস্য বাড়ানোর এইসব ডিজিটাল পন্থা অবলম্বন নিয়ে বাম ও বিজেপি দুপক্ষকেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) জেলা সভাপতি সেখ সাদ্দাম। তিনি দাবি করেন, বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। দুটো দলই জন বিচ্ছিন্ন। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও এই দুই দলের একইরকম হবে, এটাই স্বাভাবিক। তৃণমূল কংগ্রেস দল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ মানুষের মাঝে থেকে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলে বলেই মিস কল বা কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

সিপিএমের আইন অমান্য কর্মসুচীতে গ্রেফতার ৩১ জনের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর সিজেএম আদালতের

আইন অমান্য কর্মসূচি চলাকালীন বর্ধমান শহরের কার্জন গেটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও কয়েকজন কর্মীকে মারধরের ঘটনায় ধৃত সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাষ রায়চৌধুরি, এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরি সহ ৩১ জনের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করল সিজেএম আদালত।ধৃতদের মঙ্গলবার বর্ধমান সংশোধনাগার থেকে আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের হয়ে বামপন্থী আইনজীবী সংগঠনের সদস্যরা সহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জামিনের সওয়াল করেন। সরকারি আইনজীবী অবশ্য জামিনের বিরোধিতা করেন। দুপক্ষের সওয়াল শুনে সপ্তাহে ২দিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা, অনুমতি ছাড়া আদালতের এলাকা না ছাড়া, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম চন্দা হাসমত। শর্ত লঙ্ঘন করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিআরপিসির ৪৩৭(৫) ধারা অনুযায়ী জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া কার্যকর করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন সিজেএম।উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট সিপিএমের আইন অমান্য কর্মসূচি চলাকালীন কার্জন গেট চত্বরে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। পুলিসের উপর হামলা চালানো হয়। পুলিসের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। কার্জন গেটে বিধায়কের অফিসেও ভাঙচুর করা হয়। তৃণমূলের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিস লাঠি চার্জ করে। তাতে কাজ না হওয়ায় কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। এমনকি জলকামান ব্যবহার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস ৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার বিষয়ে বর্ধমান থানার আইসির অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু হয়। বিধায়কের অফিসে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় তৃণমূল নেতা শেখ নুরুল আলম অভিযোগ দায়ের করেন। এনিয়ে পৃথক একটি মামলা রুজু হয়। পুলিসের দায়ের করা মামলায় আগেই ধৃতদের জামিন মেলে। সিপিএম অবশ্য ঘটনার জন্য পুলিসকে দায়ী করেছে। পুলিসই দলের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালায় বলে সিপিএমের পাল্টা অভিযোগ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত দুই, চালক আটক

ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান আরামবাগ রোডের সগড়াই মোড় এলাকায়। সোমবার সকালেব সূর্যকান্ত মালিক ও খোকন দাস এই দুই শ্রমিক কাজে যাবার উদ্দেশ্যে সগড়াই মোড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় আরামবাগের দিক থেকে বর্ধমান মুখি একটি ডাম্পার এই দুই শ্রমিককে ধাক্কা মারে।গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের বাড়ি সগরাই পশ্চিম পাড়া ও সগড়াই দাস পাড়া এলাকায়। ঘাতক ডাম্পারটিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে খালাসি ও ডাম্পার চালককে। দেহ দুটি ময়না তদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরের সৌন্দার্যায়নে আঘাত হানার প্রতিবাদে বিদ্বজনেদের অবস্থান বিক্ষোভ

৩১ শে আগষ্ট সিপিআইএমের ডাকে আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে যে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে। সেদিন রণংদেহী জনতাকে বাগে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ছোঁড়ে। পরিস্থিতি বাগে আনতে লাঠিচার্জ করতে হয়। পুলিসের অভিযোগ সিপিএম সমর্থকদের ছোঁড়া ইঁটে ঘায়েল হন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। জনতা-পুলিসের খন্ডযুদ্ধ বাধে। কার্জনগেটের নতুন সাজসজ্জা ভাঙচুর করা হয়। বিশ্ববাংলা গ্লোব উপড়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। কার্জন গেটের অদুরে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন বেশ কিছু বাম কর্মী-সমর্থক। জানা যায় বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস সেদিন পুরস্কার নিতে শহরের বাইরে ছিলেন। সোমবার ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে মেঘলা আবহাওয়ায় বিকেলে বিধায়ক সমর্থকদের এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় কার্জন গেট চত্তরে। সেখানে শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, উকিল, লেখক ও শিল্পী সহ বিদ্বদজনেরা অংশ নেন। মঞ্চের পাশে রাখা একটি সাদা বড় ক্যনভাসের ওপর সাক্ষর সংগ্রহ করা হয় সভায় উপস্থিত মানুষজনের কাছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! গণধর্ষণের অভিযোগে কাঁপল বারুইপুর

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে বড় মোড় এল। খুনের মামলার সঙ্গে এবার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তে একাধিক গুরুতর ধারা যোগ হওয়ায় মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তিন অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং ফরেন্সিক বিশ্লেষণও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর তার জেরাতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ এই মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন এবং নাবালিকা অপহরণের একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

শেষমেশ নির্বাচন কমিশনে বড় চাল! ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণে বিস্ফোরক দাবি, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

আসল তৃণমূল কে, সেই প্রশ্নের জবাব এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে। সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেই নথিতে নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করেছে দল। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দাবি আইনসম্মত নয় বলেও একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে প্রতি তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, দুই হাজার ছয় সালে সংবিধান সংশোধন করে সেই মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই দুই হাজার বাইশ সালে শেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বৈধ। এই অবস্থায় তিন বছরের মেয়াদের দাবি সম্পূর্ণ ভুল এবং আইনসম্মত নয় বলেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।নথিতে আরও বলা হয়েছে, যদি ধরা হয় দুই হাজার পঁচিশ সালেই দলের সাংগঠনিক মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা পরে জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের প্রার্থীপদও প্রশ্নের মুখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নির্বাচিত হওয়াও আইনগতভাবে বৈধ হবে না। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি করা হয়েছে।কালীঘাট শিবির আরও জানিয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিজেদের একটি ব্লক হিসেবে স্পিকারের কাছে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ব্লকের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার অধিকার নেই। প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, এরপর রাজ্য স্তরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। ফলে একটি ব্লকের পক্ষে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সংবিধানবিরোধী বলেই দাবি করা হয়েছে।দলের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার আগে অন্তত দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। সেই বিজ্ঞপ্তি কোথায় প্রকাশ করা হয়েছে, তার কোনও তথ্য ঋতব্রত শিবির দেয়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে বলা হয়েছে, দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কেরা পদাধিকারবলে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সেই হিসেবে বর্তমান সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কদের মতামত ছাড়া কোনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সম্ভব নয়। অথচ সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ করা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের আরও দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা বারবার দলের সংবিধানের কথা উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ তাঁরাও কার্যত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান এবং দলের অস্তিত্ব স্বীকার করছেন। তাই নিজেদের পৃথক দাবি আইনগতভাবে টিকবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।এই নথি জমা পড়ার পর আসল তৃণমূল এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে সামনে এল নতুন সিসিটিভি ফুটেজ! মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে হাঁটছিল নাবালিকা? বাড়ছে রহস্য

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যা ঘিরে নতুন করে জোরালো হয়েছে তদন্ত। তদন্তকারীরা ফুটেজটি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার পরনে ছিল নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁর সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে, যার পরনে ছিল লাল রঙের জামা এবং মাথায় নীল রঙের টুপি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের একজন হতে পারেন। তবে ফুটেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল বা এরপর কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।নাবালিকার মা ঘটনার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর মেয়ে যে যন্ত্রণা সহ্য করে প্রাণ হারিয়েছে, অভিযুক্তদেরও আইনের মাধ্যমে সেই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু এমন ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়া যায়নি। এবার তিনি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার চান।এলাকার এক প্রতিবেশী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে যুবকের মাথায় টুপি থাকায় মুখ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর হাতে একটি খাবারের প্যাকেটও ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা ফুটেজের মান উন্নত করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই খুনের পাশাপাশি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal