• ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman

উৎসব

বর্ধমানের মা কঙ্কালেশ্বরী কালী চামুণ্ডা মতে পূজিত হন

বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নির্ণয করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা। গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী।আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড, শঙ্খ, চক্র, ধনুক, খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত স্বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷ বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নি র্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা।গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী। আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড,শঙ্খ,চক্র,ধনুক,খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজ্য

প্রতিপদেই কালীপুজো! উল্টোপুড়ান বর্ধমানের এই গ্রামে, জানুন সেই কাহিনী

এই গ্রামে কালীপুজো হয় প্রতিপদে, আর্থাৎ পুজোর আগের দিন রাতে। গ্রামের নাম তরুল। পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষের এলাকায় এই তরুল গ্রাম। আড়াইশো বছরের বেশি সময় ধরে এভাবেই পুজো হয়ে আসছে।একটা বড় মাঠের মাঝখানে এই মন্দির। এখানেই নানা সহচর সহচরী নিয়ে দেবীর মূর্তি। জনশ্রুতি এই গ্রামের এক সাধিকাকে গ্রামের মানুষ দেবীর অংশ মনে করতেন। তাকে পুজো করা হয় এখানে। ভুত চতুর্দশীর রাতে ঘট তোলার পর পুজো শুরু হয়। সকালে হয় প্রসাদ বিতরণ। এই ভোগের পুরোটাই রান্না হয় তালপাতার জ্বাল দিয়ে। পরের দিন হাজার হাজার মানুষ ভোগের প্রসাদ খেতে আসেন। আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে মানুষের ঢল নামে।গ্রামবাসীরা জানালেন, এই পুজোর আসল মাহাত্ম খাওয়াদাওয়ায়। খাওয়াই এই পুজোর মূল ব্যাপার। একে একদিন আগে পুজো আর তারপর পাত পেতে হাজার হাজার মানুষের খাওয়া। দুটোই অভিনব।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

টুইন টাওয়ার ছেড়ে মানুষ ভিড় জমিয়েছে হরিনারায়নপুরের রুদ্রানীর 'পোড়ো বাড়িতে'

রাজ্যের শস্যভান্ডার বর্ধমানের প্রধান পুজো দুর্গাপুজো হলেও, দুর্গাপুজোর রেশকে অনেকটাই জিইয়ে রেখে শহর বর্ধমান মেতেছে কালীপুজোয়। দুর্গাপুজোর মতই কালীপুজোতেও শহরে আনাচে কানাচে থিমের রমরমা। এবারে কালী পুজোর বিশেষ আকর্ষণ সাম্প্রতিক সময়ে বহু চর্চিত টুইন টাওয়ার বর্ধমান শহরের পাড়াপুকুরের রাসবিহারি এ্যথলেটিক ইউনাইটেড ক্লাব। কালীপুজোতে বেশ কয়েক বছর ধরে নিত্যনতুন থিমের চমক দিচ্ছে তারা।গত বছর বুর্জ খালিফা করে শহরের নজর টেনেছিল এই ক্লাব। এবারে তাদের মণ্ডপের থিম- টুইন টাওয়ার। ৯/১১/২০০১ র যে টুইন টাওয়ার ভাঙা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় হয়। সেটাই এবার কালীপুজোর থিম ভাবনায় উঠে এসেছে। টিন,ফোম,দড়ি, থার্মোকল,বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। লাইট এণ্ড সাউণ্ডের মাধ্যমে আলোর খেলা দেখানো হবে মণ্ডপ জুড়ে। স্লট করে আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হবে। সঙ্গে ডাকের সাজের চিরায়ত প্রতিমা,কাঁচের চুমকির কাজে সজ্জিত মূর্তি।বনানী রায় ও ডঃ শিবকালী গুপ্তআলোর রোশনাই ছেড়ে এবারে দর্শকের মন কেড়েছে হটুদেওয়ান এলাকার বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের কালি পুজো। এবছর তাদের ১৪ তম বর্ষ। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁরা কালি পুজোতে নানা থিমের উদ্যোগ নিয়েছেন। এবছর তাঁদের কালি পুজোর ভাবনা রূদ্রানীর আদিবাস। রুদ্র মুর্তীর অধিষ্টাত্রী দেবী শ্যমা মায়ের পুজোয় ব্রতী হয়েছেন তাঁরা। প্রাচীন কালের ভগ্নপ্রায় মায়ের বাসস্থানকে থিম হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।উদ্যোক্তা বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের সদস্য সৌম্য দাস জনতার কথা জানালেন, দুর্গা-প্রতিমা বিসর্জনের পরের দিন থেকেই তাঁরা এই পুজো আয়োজনে নেমে পড়েছেন। গতবছর তাঁরা ২৭ ফুটের সুউচ্চ প্যন্ডেল করেছিলেন। ভারতের সাধকেদের তাঁদের থিমের মধ্য দিয়ে সন্মান জ্ঞ্যাপন করেছেন। তিনি আরও জানান, এই এলাকায় সেই ভাবে কালী পুজো হতো না। আমদের পুজো উত্তরোত্তর জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় অনেক দূরদুরান্ত থেকে আমাদের পুজো দেখতে আসেন। সেই কারণে আমাদেরও দ্বায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে সেই ধারাকে বজায় রাখার। তিনি জানান এবারে তাঁরা ঠাকুর এনেছেন সুদুর হুগলী জেলার গুপ্তিপাড়া থেকে, থিমের কারিগর এসেছেন গলসী থেকে। বাইরের কারিগরের সাথে তারাও সমান তালে হাত লাগিয়েছেন বলেই এত কম সময়ে এই পুজো আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।ক্লাবের আরও এক সদস্য শৈলেন বিশ্বাস জানান, তাঁরা এই থিম বানাতে যে সমস্ত দ্রব্য ব্যবহার করেছেন তার শতকরা নব্বই ভাগই পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশ সচেতনাতার বার্তা দেওয়ার জন্য তাঁরা প্লাস্টিকের ব্যবহার সেই ভাবে করেননি। তাঁদের এই থিমের মধ্যে দিয়ে এই বার্তা দিতে চাইছেন,যে ভাবে প্রাচীন বাড়িগুলি ভেঙে আবাসন গড়ে উঠছে শহর জুড়ে তাতে আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা প্রাচীন ইতিহ্য বলে যে একটা শব্দ আছে সেটাও ভুলতে বসবো।আমি সেই মেয়ে-তুনা রুদ্রপুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান জেলা মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলয়ের অধীনস্ত ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অধ্যাপক ডঃ শিবকালী গুপ্ত। বানানি রায় বলেন, দীপাবলি আলোর উৎসব, এই উৎসবে আমরা যেমন আমরা বাইরের জগৎটাকে আলো দিয়ে সাজায়, মা কালি যেন ঠিক সেই আলো দিয়েই মনের সব অন্ধকার কে দূর করে দেন। অপর অথিতি ডঃ শিবকালী গুপ্ত জানান, এই দীপাবলি যেন আমাদের মনের সব অন্ধকার দূর করে দেয়। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সমবেত চেষ্টায় করোনার মত অতিমারী কে দূর করতে পারছি, আমাদের সার্বিক চেষ্টায় সকল অন্ধকারও দূর হবে এই আশায় তিনি করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন তাঁরা। কচি কাঁচাদের নাচে গানে ভরে ওঠে পূজা প্রাঙ্গণ। বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্রর নৃত্য পরিবেসন করেন। তাঁর আমি সেই মেয়ে দর্শকদের মন জয় করে নেয়। তাঁর এই অনুষ্ঠানে অভিনয়, অভিব্যক্তি দর্শকদের নির্বাক করে দেয়। অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিল্পী জয়মাল্য ও চঞ্চল চৌধুরির শিবের সাক্ষাতকার এক অন্য মাত্রা যোগ করে। এছাড়াও নাচে, গানে, কবিতায় অংশগ্রহণ করেন নৈরিক ভকত, সম্পূর্না চক্রবর্তী, দিয়া সামন্ত,নিধি মণ্ডল, সংকলন চৌধুরী সহ আরও অনেকে।বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের আরও এক সদস্য চঞ্চল চৌধুরী জনতার কথা কে জানান, আগামী কাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টাই পুজো শুরু, মঙ্গলবার রাতে মায়ের ভোগ বিতরণ, বুধবার সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানের শেষে মায়ের বিসর্জন। তিনি বর্ধমান বাসীকে জনতার কথার মাধ্যমে তাঁদের এই পুজোয় আমন্ত্রণ জানান।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

সাধক কমলাকান্ত তেজচাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন

১৮০৫ খীষ্টাব্দে বর্ধমানের মহারাজ তেজচাঁদ বাহাদুর কোটালহাটে কমলাকান্তের কালি সাধন ও ভজনের জন্য মন্দির টি তৈরি করে দেন।সাধক কমলাকান্ত ভষ্টাচার্য ১৭৭২শরষ্টাব্দে বর্ধমানের তাঁর মাতুলালয়ের চান্না গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।তাঁর পিতার নাম মহেশ্বর ভট্টাচার্য এবং মাতার নাম মহামায়াদেবী। কিশোর বয়সে পিতার মৃত্যু হলে মা মহামায়াদেবী দুই শিশু পুত্র কমলাকান্ত ও শ্যামাকান্তকে নিয়ে পিত্রালয়ে চলে আসেন। মহামায়াদেবী কমলাকান্তকে পড়াশোনার জন্য টোলে ভর্তি করে দেন। টোলে পড়াশোনার পাশাপাশি কমলাকান্ত গোপনে সাধন ভজনের অনুশীলন শুরু করেন বর্ধমানের মহারাজা তেজচাঁদ বাহাদুরের গুরু এবং সভাকবি ছিলেন তিনি। তেজচাঁদের উচ্ছৃঙ্খল পুত্র প্রতাপচাঁদকে শিক্ষা দীক্ষায় উপযুক্ত করে তোলার জন্য কমলাকান্ত বর্ধমানে নিয়ে আসেন। এবং বর্ধমানের লাকুড্ডিতে কমলাকান্তকে থাকার জন্য ঘরও তৈরি করে দেন। প্রথমে লাকুড্ডিতে কমলাকান্ত মা কালীর সাধন ভজন শুরু করেন। কথিত আছে তিনি রাজা তেজচাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। কমলাকান্তের সাধনায় ও যোগবলে মুগ্ধ হয়ে রাজা তেজচাঁদ বাহাদুর ১৮০৫ খীষ্টাব্দে কোটালহাটে তাঁর সাধন ভজনের জন্য মন্দিরটি তৈরি করে দেন। এই মন্দিরেই কমলাকান্ত কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পঞ্চমুন্তীর আসনে বসে সাধনা করতেন।সাধনা করতে করতে এক দিন রাজা প্রতাপচাঁদকে মা কালীর পায়ে বেলকাঁটা ফুটিয়ে রক্ত বেড়করে দেখিয়ে ছিলেন মা জীবন্ত। শুধু তাই নয় কমলাকান্ত প্রায় শতাধিক ভক্তিগীতি রচনা করেছেন।১৮২০ শরীষ্টাব্দে সাধক কমলাকান্ত মা কালীর সামনেই মৃত্যুবরণ করেন মৃত্যুবরণের সময় বর্ধমানের মহারাজ তাঁকে গঙ্গায় নিয়ে যেতে গেলে তখন তিনি মাহারাজকে বলেন মাকে ছেড়ে তিনি যাবেনা।তখন মন্দিরের মাটি ফেটে গঙ্গার জল এসে সাধকের মুখে পড়ে। সাধক কমলাকান্তের দেহ সমাধিস্থ করা হয় মন্দিরের ভিতরে।তাঁর সমাধির উপরেই মা কালী প্রতিষ্ঠা করা আছে।কমলাকান্তের পুজোর আচার আচরন মেনেই এখনও পর্যন্ত কালীর পুজো হয়ে চলেছে এই মন্দিরে।প্রতি অমাবস্যায় মা কমলাকান্তকে মাগুর মাছ রান্না করে ভোগ দেওয়া হয়।এছারও প্রতিদিন দুবেলায় নিত্যসেবা ও সন্ধ্যা আরতি হয় এই কালি মন্দিরে।প্রথামেনে কালী পুজো দিন রাত্রি ১২ টা সময় ঘটে জল ভরে পুজো শুরু হয়।পুজোর সময় মন্দির প্রাঙ্গনে দূরদূরান্ত থেকে অসংখ ভক্তের সমাগম ঘটে।কালী পুজোর পরের দিন অন্নকুট মহোৎসব হয়।এবং ভাইফোঁটার দিন কালি মন্দিরে কমলাকান্ত দিবস পালন করা হয়।

অক্টোবর ২৩, ২০২২
রাজ্য

দলের ব্লক সভাপতিকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ দলেরেই পঞ্চায়েত প্রধানের

দলের কাজিয়া বিজয়া সম্মেলনের সভাতেও অব্যাহত। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের চকদীঘি কালিতলায় বিজয়া সম্মেলনের আয়োজন করা হয় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উদ্যোগে।সেই সভায় জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানকে মুর্খ ও ক্লাস ফোর পাশ বলে কটাক্ষ করেন চকদীঘি পঞ্চায়েত প্রধান গৌড় সুন্দর মণ্ডল। তিনি বলেন, দলের সভাপতি শুক্রবার হাজার খানেক লোক নিয়ে বিজয়া সম্মেলনী করেন।কয়েকটা হার্মাদ নিয়ে তিনি দল করছেন। শনিবারের বিজয়া সম্মেলনে যাতে কর্মী সমর্থকরা না আসতে পারে, তারজন্য বাস ইউনিয়নকে চাপ দেওয়া হয়েছে। বাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবুও দলের কর্মী সমর্থকরা হাজির হয়েছেন।তিনি বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও জেলা সভাপতি বলেছেন সবাইকে নিয়ে চলতে।অথচ ব্লক সভাপতি পুরনো কর্মী সমর্থকদের বাদ দিয়ে হার্মাদ নিয়ে দল করছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২২
রাজ্য

চাকরি প্রার্থীদের পুলিশী হেনস্থার প্রতিবাদে ভাতারে বিক্ষোভ

আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের পুলিশী হেনস্থার জন্য উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজ্য জুড়ে চলছে বিরোধীদের প্রতিবাদ সভা। অন্যান্য জায়গার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার বিধানসভার বিজেপির পক্ষ থেকে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়।শনিবার ভাতার বিডি অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে চলে অবস্থান বিক্ষোভ। এদিনের বিক্ষোভ সভা থেকে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা, সহ-সভাপতি সঞ্জীব সেন সাধারণ সম্পাদক আশিস পাল।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১৭ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের কালেখাতলা-১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হৃষি এলাকায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পরে। শুক্রবার বিকালের পর থেকেই তাঁরা অসুস্থতা বেশি বোধ করায় পূর্বস্থলী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করানোর জন্য আসে ১৭ জন।পূর্বস্থলী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা জয়কৃষ্ণ দাস নামের এক ব্যক্তি বলেন, তার বাবা মারা যাওয়ার পর শ্রাদ্ধশান্তি অনুষ্ঠানের কাজ শেষে খাওয়াদাওয়ার করার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে বমি পায়খানা শুরু হয়। আজ দুপুরের পর থেকে অবস্থা খারাপ হওয়ায় পূর্বস্থলী হাসপাতালে ১৭ জনকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। শনিবার সকালে ১২ জন পূর্বস্থলী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই এই ঘটনা বলে অনুমান হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভ রায়ের।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে ফেলার অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে

রাতের অন্ধকারে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে রাস্তায় ফেলা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্বর থেকে বীরহাটা পর্যন্ত এলাকায়। কয়েকদিন ধরে শহরে জেলা বিজেপি ও বিজেপির যুবমোর্চার কয়েকটি কর্মসূচি ছিল, তাতে শহরের বেশ কিছু অংশে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগানো ছিল। শুক্রবার রাতে বেশ কিছু দলীয় পতাকা রাস্তায় এবং রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেই সব জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা উরতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দূষ্কৃতিরা তাদের দলীয় পতাকা খুলে ফেলে দিয়েছে বলে বিজেপির দাবী। এই বিষয়ে শুক্রবার রাতে বর্ধমান জেলা বিজেপির যুবমোর্চার পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বর্ধমান থানায়। অবিলম্বে পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনে নামবে জেলা যুবমোর্চার সদস্যরা বলে দাবী করেন জেলা বিজেপির যুবমোর্চার সভাপতি পূরব সাম। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজনীতি

জামালপুরের পঞ্চায়েত সমিতির মূল ফটকের পাশে ফেষ্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চায়েত সমিতির মূল ফটকের পাশে ফেষ্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য। নাম না করে বিজেপিকে তোপ পূর্ব-বর্ধমান জেলার তৃণমূলে মুখপাত্র দেবু টুডুর। পাশাপাশি বিজেপি র দাবি এই ফেষ্টুন জনরোষে মানুষ লাগিয়েছে।পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চায়েতে সমিতির অফিসের মূল ফটকের পাশেই আজ সকালে একটি ফেষ্টুন নজরে আসে এলাকার মানুষের। ফেষ্টুনে লেখা রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাটমানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা অবিলম্বে দিতে হবে। রাতারাতি বড়লোক হওয়া তৃণমূল নেতাদের অবিলম্বে টাকার হিসেব দিতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে কাজের নামে যে কাটমানি নেয়া হয়েছে তা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে।স্বাভাবিকভাবেই এই ফেষ্টুন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের ঝড় উঠেছে বর্ধমান জেলার জামালপুরে। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু জানান, যারা কেন্দ্রের টাকা দিচ্ছে না মানুষকে বঞ্চিত করছে তারাই রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগিয়েছে এবং আগামী দিনে যদি কেন্দ্র টাকা না দেয় আবাস যোজনা ও একশ দিনের কাজের। গ্রামে গ্রামে বৃহত্তর প্রতিবাদ গড়ে উঠবে। মানুষের কাছে এর জবাব দিতে হবে।পাশাপাশি বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, এলাকার মানুষ জনরোষে এই ফেষ্টুন লাগিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘিরে জামালপুরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

জাল ইঞ্জিন ওয়েল বিক্রীর অভিযোগে বাড়িতে হানা, বাবার অপমানে আত্মঘাতী মেয়ে

বাবার হেনস্থা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী মেয়ে। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎই হেমায়েতপুর এলাকায় একটি মোটরসাইকেল স্পেয়ার পার্টসের দোকানে একটি নামী কোম্পানির লুব্রিকেন্ট কোম্পানির লোক ও নাদনঘাট থানা পুলিশ হানা দেয়। এর পর পরই বাবাকে হেনস্থা করছে দেখে অপমানে আত্মঘাতী হয় মেধাবী ছাত্রী। তার পরই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেমায়েতপুর মোড়ের কাছে মৃতদেহ নিয়ে পথ অবরোধে শামিল মৃত ছাত্রীর পরিবারের লোকেরা।মৃতের বাবার দাবি আজ দুপুরে হঠাৎই একটি অয়েল কোম্পানির লোকেরা এসে বলে, সে নাকি ডুপ্লিকেট ইঞ্জিন অয়েল বিক্রি করছে, এই অভিযোগ তুলে নাদনঘাট থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এসে তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং বেশ কিছু ইঞ্জিন অয়েল নিয়ে যায়। বাবাকে হেনস্তা করতে দেখে অপমানে আত্মঘাতী হয় ক্লাস টুয়েলভের ওই মেধাবী ছাত্রী।এর পরই হেমায়েতপুর মোড় এলাকায় পথ অবরোধে সামিল হন মৃতের আত্মীয় পরিজনেরা। মিনিট ত্রিশ অবরোধ চলার পর অবরোধ উঠে যায়। মৃত ওই ছাত্রীর নাম সৌমি সিংহ সে নবদ্বীপের তারাসুন্দরী স্কুলের ক্লাস টুয়েলভের ছাত্রী। মেয়ের মৃত্যুর পরই মৃত ওই ছাত্রীর বাবা ওই ইঞ্জিন অয়েল কোম্পানির আধিকারিক ও স্থানীয় এক দোকানদারের বিরুদ্ধে তাঁর মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে অভিযোগ তুলেছেন।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

এজলাসের লড়াইয়ে মধূসূদনকে হারিয়ে মামলায় জিতলেন 'মা কালি'

মা কালী একেবারে আদালতের দরজায়। আজ বর্ধমানের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে একটি খুবই অন্যরকম মামলা হয়। মামলাটি হয় মধূসূদন বিশ্বাস বনাম দেবীপুর গ্রামবাসীর মধ্যে। মামলা হয় একটি জমিতে পুরনো পুজো চালানো নিয়ে। মামলায় জিতে পুজো চালিয়ে যাবার অধিকার পেলেন।এই পুজোটি প্রায় ৭৫ বছরের পুরনো। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার দেবীপুরে এই পুজোটি হয়ে আসছে ৭৫ বছর ধরে।গ্রামবাসীদের দাবি ওই পুজো অনেকদিনের। এখানে পুজো হয়। বড় মেলা বসে। মানুষের ভাবাবেগ জড়িয়ে আছে ওই পুজোর সাথে। তাদের বক্তব্য, মধুসূদন বিশ্বাস একজন পরিচিত জমির দালাল। সে ওই দেবোত্তর জায়গাটি কোনোভাবে হাতিয়ে নিয়ে বিক্রি করতে চায়। সেজন্য আদালতে সে স্থগিতাদেশ চেয়েছিল যাতে পুজো না হয়। অন্যদিকে গ্রামবাসীদের দাবি; তারা ওখানে পুজো করতে চান। তাদের আর কোনো দাবি নেই। আদালতে বিচারক গ্রামবাসীদের বক্তব্য মেনে নেন। তিনি থানা ও ভূমি দপ্তরের কাছে এই নির্দেশ দেন যাতে এলাকাবাসী নির্বিঘ্নে পুজো করতে পারেন। একইসাথে থানাকে নির্দেশ দেন যাতে এলাকায় আইন শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয়।

অক্টোবর ২০, ২০২২
রাজ্য

রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে সড়কপথ অবরোধ, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়

দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তার অবস্থা বেহাল। আর রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে বুধবার পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামে পথ অবরোধ করলেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। শেষে পুলিশের আশ্বাসে প্রায় আধঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।আউশগ্রাম কালীদহ রোডের সংস্কারের দাবিতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে গুসকরা ইলামবাজার সড়কপথ অবরোধ করেন। কালীদহ থেকে আউশগ্রাম আসার এই রাস্তাটি জেলাপরিষদের অধীনে । প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তায় রয়েছে একাধিক সেতুও। স্থানীয়রা জানান আউশগ্রামের কালীদহ, সিলুট, বসন্তপুর, বেরেণ্ডা, কুড়ুম্বা, সোমাইপুর প্রভৃতি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন এই রাস্তা দিয়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই রাস্তাটি বহুকাল ধরেই সংস্কার হয়নি। রাস্তার ওপর বড়বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সেতুগুলির অবস্থাও বেহাল। ফলে যাতায়াত করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, কালীদহ আউশগ্রাম রাস্তায় কুনুর নদীর কাঁদরের ওপর সেতুরও বেহাল অবস্থা। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেতুর ওপর থেকে যানবাহন নদীতে পড়ে গিয়েছে কিছুদিন আগে। এমন বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে স্থানীয় গ্রামবাসীদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।অথচ বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন নিবেদন করেও কোনও সুরাহা মেলেনি। তারই প্রতিবাদে এদিন শুরু হয় অবরোধ। দাড়িয়ে পড়ে বেশকিছু যানবাহন। আউশগ্রাম ১ নম্বর বিডিও অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে জানান জেলাপরিষদের অধীনে রয়েছে ওই রাস্তা। সংস্কারের আবেদন জানিয়ে আগেই জেলাপরিষদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

রাজধানী অটকে পড়লো! দীর্ঘক্ষন লোকাল ট্রেনগুলিকে খানা তে আটকে রাখার প্রতিবাদে

যাত্রী বিক্ষোভের জেরে আটকে যায় রাজধানী এক্সপ্রেস। ডাউন রামপুরহাট বর্ধমান লোকালকে খানা জংশন স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখায় ক্ষুদ্ধ যাত্রীরা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। ফলে ডাউন নয়াদিল্লি হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস থেমে যায়।প্রতিদিন লোকাল ট্রেন খানা জংশন স্টেশনে আটকে রেখে মেল এক্সপ্রেস ট্রেন পার করা হচ্ছে। তারই প্রতিবাদে রেল অবরোধ। ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পর অবরোধ ওঠে।তারপর রাজধানী সহ সব ট্রেনের চলাচল শুরু হয়। অবরোধের জেরে ডাউন কাজিরাঙ্গা এক্সপ্রেস আটক পড়ে বনপাস স্টেশনে। খানা জংশন স্টেশনে আটকে ছিল একটি সেলুনকার।বর্ধমান স্টেশন থেকে ছাড়তে দেরী হয় আপ বর্ধমান রামপুরহাট লোকাল।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

বিজয়া সন্মিলনী ঘিরে গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব চরমে বর্ধমানের মেমারীতে

শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মেলনে গড় হাজির পূর্ব বর্ধমানের মেমারী শহরের একাধিক নেতৃত্ব। শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির ইঙ্গিত পূর্ণ তির্যক মন্তব্যে প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল।মেমারী শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান হলেও মেমারি পৌরসভার একাধিক নেতৃত্বর অনুপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। এমন কি অনুপস্থিত ছিলেন মেমারী পৌরসভার পৌর প্রধান স্বপন বিষয়ী ও উপ পৌরপ্রাধান সুপ্রীয় সামন্ত।এ বিষয়ে মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি স্বপন ঘোষালের অভিযোগ, ২০২১ সালে যারা বিজেপি জিতবে বলে উল্লাস করেছিল, তারা আজকে অনুপস্থিত আছে। ২১ সালে যারা সিপিএম এবং বিজেপির সাথে টক্কর লাগিয়ে লড়াই করেছিল তারা সবাই আছে।কার্ডে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান এর নাম নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটা সাংগঠনিক ব্যাপার, এখানে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান নাম থাকার কোনো ব্যাপার নেই। পুরসভার কোন অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই চেয়ারম্যান-ভাইস-চেয়ারম্যানের নাম থাকত। তিনি আরো বলেন, তৃণমূলের এই সম্মেলনকে আটকাবার জন্য আজকে যারা আসেনি তারা রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড করেছে। সিপিএমের আমলে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস কে ভোট দিতে যেমন বাধা দেওয়া হতো, আটকে দেওয়া হতো, ঠিক তেমনি ভাবে একটি সম্মেলনে না আসার জন্য আমাদের কর্মীদেরকে ভয় দেখানো হয়েছে। যারা অনুপস্থিত তারাই ভয় দেখিয়েছে। তবে যারা আটকাচ্ছে তারা তৃণমূল কিনা জানি না। যারা বিজেপির সাথে আঁতাত করে ২১ সালে বিধায়ককে হারানোর চেষ্টা করেছিলেন তারাই আজকে ব্যারিকেড করেছে।যদিও এই বিষয়ে মেমরি পৌরসভার পৌর প্রধান ও উপ-পৌরপ্রধান কোন কোন প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি একটু দেরিতে পৌঁছেছি এখানে, অনুপস্থিতির বিষয়টি দেখতে পাচ্ছি তবে কারণ কি এখনও জানি না, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হবে।গোটা বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস তোলাবাজদের দল। কোন নেতার সাথে থাকলে বেশি ভাগবাটোয়ারা পাওয়া যাবে সেই নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে কোন্দল আছে। সেকারণে সব নেতারা একসাথে থাকতে পারে না।শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মেমারীর কৃষ্টি প্রেক্ষা গৃহে মঙ্গলবার বিকেলে বিজয়া সম্মেলন ও দলীয় প্রবীণ নেতৃত্বদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা তথা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী, মেমারীর বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তবে মেমারী পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২জন কাউন্সিলর থাকলে ও গড়হাজির ছিলেন বাকি ১৪ জন কাউন্সিলর।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি তালিকাভুক্ত করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করার চেষ্টার প্রতিবাদর জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্ত্বরে বিক্ষোভ দেখাল আদিবাসী কল্যাণ সমিতি । সমিতির অভিযোগ, এসটি হওয়ার নির্ধারিত বৈশিষ্ট্য না থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে, অনৈতিকভাবে কুড়মী সম্প্রদায়কে এসটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ। কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। প্রয়োজনে রেল রোখা থেকে শুরু করে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে জানালেন তারা, এবং আগামী লোকসভা ভোটে ভোটবাক্সের মধ্যে দিয়েও এর প্রতিবাদ হবে বলে জানান তারা। এদিন বিক্ষোভ শেষে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয় আন্দোলনকারীরা।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

বিপুল পরিমাণের চোলাই মদ আটক, ধরা পড়ল দুই চোলাই কারবারি

জাতীয় সড়ক ধরে চারচাকা গাড়ি করে বিপুল পরিমাণের চোলাই মদ পাচার করার সময় পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশের হতে ধরা পড়ল দুই চোলাই কারবারি। ধৃতদের নাম সঞ্জয় সাউ ও সন্তোষ সাউ। বাড়ি বীরভূমের বোলপুরের হাটতলা এলাকায়।মঙ্গলবার ধৃতদের বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। মাস কয়েক আগে ভাতার থানার পুলিশের জালে মদ ভর্তি গাড়িসহ ধরা পড়েছিল ধৃতরা। বর্ধমান বোলপুর জাতীয় সড়কের ভাতারের ওড়গ্রামে রুটিনমাফিক নাকাচেকিং চালাচ্ছিল ভাতার থানার পুলিশ। সেই সময় সন্দেহজনক একটি চার চাকা গাড়িকে আটক করে। তল্লাশি শুরু করতেই পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ। গাড়ির মধ্যে পলিথিনের প্যাকেট ভর্তি বিপুল পরিমাণের মদ। এরপরই মদ ভর্তি গাড়ি সহ দুজনকে অটক করে পুলিশ।ভাতার থানার ওসি অরুন কুমার সোম জানিয়েছেন, বর্ধমান বোলপুর টু বি জাতীয় সড়কের রুটিন মাফিক নাকাচেকিংয়ের সময় একটি চারচাকা গাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। গাড়িসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা জানান, বেশি গাড়ি ভাড়া ভাড়া পাওয়ার জন্য সিঙ্গুর থেকে বোলপুর অন্যজনের কাছে এই মদ বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

শখ করে ডিঙ্গী নিয়ে ভাসতে গিয়ে প্রান গেলো এক যুবকের

শখ করে ছোট নৌকায় দিঘির মাঝে ঘুরতে চলে যান যুবক। কিন্তু দিঘির মাঝখানে হাত থেকে হালটি ফস্কে যায়। সেটি জলে নেমে তুলতে গিয়ে দিঘির জলে তলিয়ে গেলেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের আলেফনগর গ্রামের বরকত আলি মল্লিক(৩১) নামে এক যুবক। সোমবার দুপুরের দুর্ঘটনাটি ঘটে। এখনও ওই যুবকের হদিশ মেলেনি। খবর দেওয়া হয়েছে ডুবুরির দলকে।জানা যায় পেশায় রাজমিস্ত্রি বরকত আলি মল্লিক কেরলে থাকতেন।পাঁচদিন আগে বাড়ি আসেন। গ্রামের পাশে দিঘির পাড়ে ঘাস কাটতে গিয়ে দিঘিতে থাকা ছোট নৌকাটি নিয়ে জলে নেমে পড়েন।দিঘিতে মাছচাষ করেন যিনি তিনি ওই নৌকাটি করে মাছের খাবার ছড়ান। তার নজর এড়িয়ে নৌকা নিয়ে দিঘির মাঝে চলে যান ওই যুবক।এরপর গ্রামের লোকজন খবর পান। যুবকের সন্ধানে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

বালি বোঝাই ট্রাক্টারের ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুল ছাত্রের

বর্ধমান শহরের বেড়মোড়ে বালি বোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল এক স্কুল ছাত্রের। দুর্ঘনায় জখম হয় ছাত্রের বাবা।পূর্ব-বর্ধমানের খণ্ডঘোষের কেশবপুর থেকে বাবার সঙ্গে মোটরবাইকে করে বর্ধমানের গোলাহাটে যাওয়ার পথে বেড়মোড় এলাকায় একটি বালি বোঝাই ট্রাক্টর বাইকটিকে ধাক্কা মারলে মন্তাসীর সেখ (১১) রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। জখম বাবা আজমগীর সেখ ও বর্ধমান মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।মন্তাসীর সেখ বর্ধমানের দেওয়ানদীঘি এলাকায় ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র চতুর্থ শ্রেণিতে পড়তো। পুলিশ ঘাতক ট্রাক্টরটি ও চালককে আটক করেছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

চায়না আলোর দাপটে ম্রিয়মাণ মাটির দীপাবলীর মাটির প্রদীপ

এক সময় পুজোর আগে থেকেই শুরু হত দীপাবলীর জন্য মাটির প্রদীপ তৈরির কাজ। দুর্গা পুজো, লক্ষী পুজো পরপর পেরিয়ে গেলেও হুশ থাকতো না বর্ধমানের মৃত্শিল্পীদের। ঠিক সময় অর্ডারী মাল তৈরি করতে হবে। সেই জন্য নাওয়া খাওয়া ভুলে শুধু মূত্শিল্পীরা নন কার্যত গোটা পরিবার প্রদীপ তৈরিতে ব্যস্ত থাকত। শুধুকি বর্ধমান শহর,শহর ছাড়িয়ে নীলপুরের মাটির প্রদীপ গোটা জেলায় এমন কি ভিন জেলাতেও পৌঁছে যেত। সময় বদলেছে,বদলেছে মৃতশিল্পীদের কাজের ধরণ। বদলেগেছে মানুষের চাহিদাও। ঝাচকচকে এলিডি টুনিতে মজেছে সকলো ব্রাত্য হয়ে পড়েছে মাটির প্রদীপ।এখন আর সেই রকম অর্ডার পাতি হয় না।চাহিদা কমে গেছে তবুও মৃত্শিল্পীরা প্রদীপ তৈরি করেন। বাপ-ঠাকুরদার পেশা কি করেই বা ছেড়ে অন্য পেশায় যাবে। তাই চাহিদা না থাকলেও প্রতি বছরই প্রদীপ তৈরি করেন। ছোট,পাতি,মাঝারি,সাজার সহ বিভিন্ন ধরণের প্রদীপ তৈরি করেন। এক সময় কালী পুজোর আগে নীলপুরের মৃৎশিল্পীদের উঠোনে পা ফেলার জায়গা থাকতো না। শরতের রোদ বৃষ্টি খেলার মাঝেই গোটা উঠোন জুড়ে দীপাবলীর প্রদীপ শুকানো হত। আগে গোটা পাড়ায় ৩০ ঘরের বেশী বাড়িতে প্রদীপ বানানো হত। চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন মাত্র তিন থকে চারটি বাড়িতে প্রদীপ তৈরি হয়। নতুন প্রজন্ম জীবিকার টানে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন সংকটে মৃৎশিল্পীরা। বাজারে সল্প মূল্যের রীন টুনির হরেকরেকমবা দাপটে পিছিয়ে পড়েছে কুমোর পড়ার গরুর গাড়ি থুরি মৃত্শিল্পীরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

শহরে জিটি রোডে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক সিভিক ভলেন্টিয়ার

সাত সকালে সড়ক দুর্ঘটনা বর্ধমান শহরে। সোমবার সকালে জিটি রোডের বাদামতলায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইণ্ডিয়ার একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই ব্যক্তিকে ধাক্কা মারে। স্থানীয় মানুষজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। ক্রেন এনে ট্রাকটিকে সরানো হয়। দুর্ঘটনার জেরে কার্জনগেটমুখী লেনে সাম্যীক ভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। আহতদের মধ্যে একজন কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal