• ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bangladesh

দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশে সরকার বদল আর সঙ্গে সঙ্গেই বড় সিদ্ধান্ত, খুলছে ভিসার দরজা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে। তারেক রহমান নেতৃত্বে সরকার গঠনের পরই কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই আবার বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা চালু করতে চলেছে ভারত। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর স্বস্তির বার্তা পাচ্ছেন দুই দেশের সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা।নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাংলাদেশএর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার বার্তা দেয় নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনী জয়ের শুভেচ্ছা জানান। শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওম বিড়লা। এরপরই কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ বাড়ে এবং ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে সব ধরনের ভিসা পরিষেবা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সিলেটের কনস্যুলার দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই পর্যটন ভিসা-সহ অন্যান্য ভিসা চালু করা হবে। বর্তমানে সীমিত পরিসরে চিকিৎসা ও বিশেষ শ্রেণির ভিসা দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে তা আরও বিস্তৃত করা হবে।উল্লেখ্য, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত বছর থেকে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা পরিষেবা ধাপে ধাপে বন্ধ হয়ে যায়। জুলাইয়ের অশান্ত পরিস্থিতি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত আগমনের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে ঢাকাসহ একাধিক শহরে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রতিদিনের ভিসা অনুমোদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছিল। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের তরফেও ভারতের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে পরিষেবা সীমিত করা হয়। তবে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে এবং ভিসা পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্তকে সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
বিদেশ

ভিসা জট কাটছে অবশেষে, ভারত সফরের পথ খুলতেই স্বস্তি দুই দেশের মানুষের

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক। অন্তর্বর্তী পর্বের অবসান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। এই পরিবর্তনের পরই ভ্রমণ ভিসা-সহ বিভিন্ন ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক হতে চলেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কূটনৈতিক মহল। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় বিধিনিষেধ থাকায় সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েছিলেন এবং মূলত চিকিৎসা ভিসা ও সীমিত প্রবেশের ভিসাই দেওয়া হচ্ছিল।সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস জানান, ভ্রমণ ভিসা-সহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের অগস্ট মাস থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল, যার ফলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াতে বড় অসুবিধা তৈরি হয়। এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার ইঙ্গিত মিলছে।তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং দুই দেশের মানুষই এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাঁর কথায়, ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক নৈকট্য, বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথাও উল্লেখ করে তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ করার দিকেই দুই দেশ এগোতে চায়।প্রসঙ্গত, ছাত্র আন্দোলনের জেরে দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। পরে মুহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। সেই সময় আঞ্চলিক কূটনীতিতে নানা টানাপোড়েন দেখা দেয় এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও দূরত্ব তৈরি হয়। দীর্ঘ প্রায় সতেরো মাসের অস্থিরতার পর নতুন স্থায়ী সরকার গঠনের মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে বাংলাদেশে গম রপ্তানির উপর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ভারত, যা ইতিবাচক কূটনৈতিক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধীরে ধীরে আগের উষ্ণ অবস্থায় ফিরতে পারে এবং ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়া সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

পালানোর ছক ভেস্তে গেল শেষ মুহূর্তে, ইউরোপে যাওয়ার আগেই গ্রেপ্তার বাংলাদেশের ছাত্রনেতা

দুই হাজার চব্বিশ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ-এর পরিস্থিতি। সেই অশান্ত সময়ে এক হিন্দু পুলিশ কর্মী সন্তোষ চৌধুরি-কে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে এক ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক ছিলেন। অবশেষে তাঁকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি নামে ওই ছাত্রনেতা বাংলাদেশের পুলিশের খাতায় ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত ছিলেন এবং ভারতে আত্মগোপন করে ছিলেন। দিল্লি থেকে ইউরোপে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দরেই তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। যদিও ঠিক কবে তিনি গ্রেপ্তার হন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।জানা যায়, হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর ছিলেন সন্তোষ চৌধুরি। দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট থানার মধ্যেই তাঁকে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং পরে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে তাঁর দগ্ধ দেহ একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়, যা ঘিরে দেশ-বিদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।তদন্তে সন্তোষের খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে মেহেদির নাম সামনে আসে। এমনকি একটি ভিডিও বার্তায় নিজের জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেছিলেন বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারিকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় নতুন করে বিচারপ্রক্রিয়া এগোবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সরকার, ভারত ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই সক্রিয় চিনের দূত

দীর্ঘ সতেরো মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অবশেষে বাংলাদেশ-এ নতুন স্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করে নরেন্দ্র মোদী-র আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন বলে সূত্রের খবর। চিঠিতে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।এই ঘটনার পরই ঢাকায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছেন। জানা গিয়েছে, তিনি পৃথক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের আবেদন জানান। দ্রুত এই বৈঠক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রককে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধও করেছেন তিনি।অন্যদিকে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার বর্মা-ও নতুন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় চান। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানের পর ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রী-সহ দূতাবাসের অন্যান্য আধিকারিকরা। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। হাসিনা পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন মোড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং তা আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।এই পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী চিন ও পাকিস্তান-এর উদ্বেগ বাড়ছে বলেও কূটনৈতিক মহলের ধারণা। নতুন সরকারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের জন্য চিনা রাষ্ট্রদূতের চিঠিকে তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এর আগেও চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি চিন আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাতের অনুরোধ করেছিল, কিন্তু শপথ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস তেরোটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ভারত-সহ একাধিক দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সেই অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিল্লি ও ঢাকার নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে না খেলার আক্ষেপ, এবার ভারতের দিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে বড় মূল্য চুকাতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। নিজেদের অনড় অবস্থানের জেরে বিশ্বমঞ্চে খেলাই হয়নি তাদের। সেই সময় বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মন্তব্য করেছিলেন, নতুন সরকার এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হতে পারে। নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার আমিনুল হক। দায়িত্ব নিয়েই তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা দিলেন।মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল বাংলাদেশ। International Cricket Council একাধিকবার আলোচনা করার চেষ্টা করলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্ত বদলায়নি। অনেকেই মনে করেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই ভারতবিরোধী অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল দায়িত্ব নেওয়ার পর জানান, শপথের দিনই তিনি সংসদ ভবনে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। আমিনুল বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান চান তিনি। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশ। শুধু খেলাধুলা নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও সুসম্পর্ক গড়তে চায় নতুন সরকার।আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে ভারতের ক্রিকেট সফর হওয়ার কথা ছিল, যা এখন স্থগিত রয়েছে। ভারত সফর না হলে বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তা জানে বাংলাদেশ ক্রিকেট মহল। নির্বাচনের আগে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও এখন নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।আমিনুল আগের সরকারকে দায়ী করে বলেন, কূটনৈতিক জটিলতার কারণেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। সময়মতো আলোচনা হলে হয়তো দল বিশ্বকাপে খেলতে পারত। সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ বয়কটের পর নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ ক্রীড়া সম্পর্ক কোন পথে যায়, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

গভীর রাতে গেট ভেঙে পালালেন বাংলাদেশী আবাসিকরা! কীভাবে ভাঙল নিরাপত্তার বলয়? তদন্তে পুলিশ

গভীর রাতে হোমের গেটের তালা ভেঙে পালিয়ে গেলেন ১০ জন আবাসিক। তাঁদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশি মহিলা, ২ জন নাবালিকা এবং ১ জন এ রাজ্যের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।পুলিশ জানায়, সোমবার রাত প্রায় ১২টা নাগাদ ওই মহিলা হোম থেকে একসঙ্গে ১০ জন আবাসিক পালিয়ে যান। অভিযোগ, তাঁরা গেটের তালা ভেঙে বেরিয়ে যান। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁদের থামানো যায়নি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় মধ্যমগ্রাম থানায়। পুলিশ রাতেই তল্লাশি অভিযান শুরু করে।শেষ পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ গঙ্গানগর কাটাখাল এবং সংলগ্ন এলাকা থেকে ১০ জনকেই উদ্ধার করে। তাঁদের ফের হোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কীভাবে এতজন একসঙ্গে পালাতে পারলেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হোমটি শুধুমাত্র মহিলা আবাসিকদের জন্য। বিদেশি নাগরিক বা সিডব্লিউসি-র মাধ্যমে পাঠানো মেয়েরাই এখানে থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরেই হোমের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কয়েকজন আবাসিকের অসন্তোষ ছিল বলে খবর। সেই ক্ষোভ থেকেই পালানোর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।ঘটনা প্রসঙ্গে বারাসত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, হোম কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে তালা ভাঙা হল এবং কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।এই ঘটনায় হোমের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এতজন আবাসিক একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের নজর এখন ওই হোমের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ নিয়ে বড় বিস্ফোরণ! বাংলাদেশ থেকে ৫০% টাকা? শুভেন্দুর চাঞ্চল্যকর দাবি

বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়। মসজিদ নির্মাণের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানান তিনি। অনলাইন মাধ্যমেও অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়। সেই আর্থিক সাহায্য নিয়েই এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।মঙ্গলবার হুমায়ুন কবীরকে সরাসরি নিশানা করে শুভেন্দু দাবি করেন, বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, তার ৫০ শতাংশের বেশি এসেছে বাংলাদেশ থেকে। তাঁর অভিযোগ, শিলান্যাসের আগে সাতদিন বাংলাদেশে ছিলেন হুমায়ুন কবীর। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, তার বড় অংশ বিদেশ থেকে এসেছে।শুভেন্দুর আরও দাবি, তথাকথিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস এবং নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের আগে বাংলাদেশে সময় কাটান হুমায়ুন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের জামাত এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবেই কাজ করছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর বক্তব্য, এটি দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন। হিন্দুদের পাশাপাশি রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদেরও এ বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।উল্লেখ্য, বাবরি মসজিদ নির্মাণের পাশাপাশি জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে নতুন দল গড়েছেন হুমায়ুন কবীর। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন সেখানে একাধিক দানবাক্স রাখা হয়েছিল। সেই বাক্সে কত টাকা জমা পড়েছে, তা লাইভ ভিডিয়োর মাধ্যমে গণনা করা হয় বলে দাবি। পাশাপাশি অনলাইনেও অর্থ সংগ্রহের কথা জানান হুমায়ুন। সেই অনলাইন লেনদেন নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু।এই অভিযোগের জবাবে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কিছু বলেননি হুমায়ুন কবীর। তবে এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। বেলডাঙার এই বাবরি মসজিদ ইস্যু এখন রাজ্য রাজনীতির নতুন বিতর্কে পরিণত হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিদেশ

ঢাকায় বড় চমক! তারেকের মন্ত্রিসভায় কারা পূর্ণমন্ত্রী, কারা প্রতিমন্ত্রী—ফাঁস সম্পূর্ণ তালিকা

আজ মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতিমধ্যেই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নির্বাচিত সদস্যরা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন, কারা থাকছেন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায়।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো সূত্রে খবর, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই নামের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৯ সদস্যের বড় মন্ত্রিসভা গড়তে চলেছেন তারেক রহমান।সূত্রের খবর, তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মুখ হতে চলেছেন খলিলুর রহমান। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস-এর নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তাঁকে রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয় সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ করা হয়। পরে ২০২৫ সালের এপ্রিলে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হন। সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তাঁকেই বিদেশমন্ত্রী করা হতে পারে বলে জোর জল্পনা।পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, আফরোজা খানম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল), ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) এবং শেখ রবিউল আলম।প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরী, এক ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় দুজন হিন্দু মুখও রয়েছেন। তাঁরা হলেন নিতাই রায় চৌধুরী ও দীপেন দেওয়ান। ফলে নতুন মন্ত্রিসভায় সাম্প্রদায়িক ভারসাম্যের দিকেও নজর রাখা হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আজকের শপথের পরই আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব নেবে নতুন সরকার। কোন মন্ত্রীর হাতে কোন দফতর যাবে, তা নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

শুধু ফোন নয়, ফুল মিষ্টিতে দিয়ে শুভেচ্ছা পাঠিয়ে তারেককে চমকে দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। এই আবহে এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় পৌঁছল শুভেচ্ছা বার্তা।শনিবার সন্ধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনে কথা বলেন তারেক রহমানের সঙ্গে। ফোনালাপে ঠিক কী কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে সৌজন্য শুধু ফোনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল ও মিষ্টিও পাঠানো হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ সেই উপহার পৌঁছয় ঢাকার গুলশানে তারেক রহমানের কার্যালয়ে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন সেই শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।শুক্রবার প্রকাশিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ৩০০টির মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়। একা বিএনপি জিতেছে ২০৯টি আসন। শরিকদের নিয়ে তাদের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২। তারেক রহমান নিজে ঢাকা ১৭ এবং বগুড়া ৬এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছেন।২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। প্রায় দেড় বছর পর সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হল। দেশে ফিরে ১৭ বছরের রাজনৈতিক নির্বাসন কাটিয়ে নতুন করে নেতৃত্বে উঠে এলেন তারেক রহমান।এর আগেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, বাংলাদেশের এই জয়ের জন্য তিনি তারেকভাই, তাঁর দল এবং সহযোগী দলগুলিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। পাশাপাশি দুই বাংলার সুসম্পর্ক বজায় থাকার আশাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা-ঢাকার সম্পর্ক কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

জিতে পরদিনই আওয়ামি লিগের অফিসের তালা খুললেন বিএনপি সাংসদ! পঞ্চগড়ে চমক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আবু দাউদ প্রধান। নির্বাচনে জয়ের পরদিনই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী দল আওয়ামি লিগ-এর একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলায়। আবু দাউদ প্রধান পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিএনপির সভাপতি এবং সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর দেশের নানা প্রান্তে দলটির দপ্তরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার ভিন্ন ছবি দেখা গেল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পরদিন চাকলাহাট ইউনিয়নে আওয়ামি লিগের একটি অফিস খুলে দেন আবু দাউদ।এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা। ভিডিওতে স্থানীয় আওয়ামি লিগ নেতারা বলেন, এই পদক্ষেপ মহৎ উদ্যোগ। অন্যদিকে কয়েকজন স্থানীয় নেতা শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা দেন।আবু দাউদ প্রধান বলেন, তিনি জানতে পারেন যে অফিসটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্যই তিনি তালা খুলে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এটি দলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং শান্তি বজায় রাখার উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, কোনও দলই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, অফিসটি আগে অন্য একটি গোষ্ঠী তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। এখন সেটি খুলে পরিষ্কার করা হচ্ছে। আপাতত সেখানে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম হবে না বলেই জানানো হয়েছে।বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই পদক্ষেপ নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। বিরোধী দলের দপ্তর খুলে দেওয়ার ঘটনায় দেশে সহাবস্থানের নতুন ইঙ্গিত মিলছে কি না, তা নিয়েই এখন চর্চা তুঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

মোদীর ফোন, জয়শঙ্কর কি যাচ্ছেন শপথে? কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদল স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান।যদিও এখনও সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হয়নি, তবু দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। তবে নিয়মের কিছু জটিলতার কারণে আজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে পারছেন না তারেক। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার তাঁর শপথ গ্রহণ হতে পারে।শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। সময়মতো আমন্ত্রণ এলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত। এর আগে খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তখন তাঁর সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎও হয়েছিল। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বাংলাদেশে ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সূত্রের খবর, ফোনেও কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে।গত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। শেখ হাসিনা-র সরকারের পতনের পর সেই দূরত্ব আরও বেড়েছিল বলে মনে করা হয়। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে উন্নতির পথে হাঁটতে পারে বলে আশা কূটনৈতিক মহলের। দিল্লিও সেই দিকেই নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভোররাতে কমিশনের ঘোষণা, ক্ষমতার কেন্দ্রে তারেক রহমান

১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরে এলেন তিনি। আর ফিরেই দেখালেন শক্তি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৯৯ আসনের সংসদে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জাদুসংখ্যা পেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তারেক রহমান। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দুই আসনেই জয় পেয়েছেন তিনি। এর ফলে দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে চলেছেন এক পুরুষ নেতা। দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনীতিতে নারীদের প্রাধান্যের পর এ বার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।এই নির্বাচনে বিরোধী দলের আসনে বসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। শুক্রবার ভোররাতে নির্বাচন কমিশন বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে। নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারের ভোটে অংশ নিতে পারেনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।একটি আসনে তারেক রহমান পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বিএনপি চেয়ারম্যান।বগুড়া-৬ আসনে ১১৬টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৬৫১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৭২ হাজার ১৮০ ভোট। বগুড়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ২৯ জন। ভোট পড়েছে ৭১.৩৪ শতাংশ।এদিকে ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট।এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৮৩টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় জামায়াত উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ভোট পড়েছে ৬০.৬৯ শতাংশ। পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে ৮০.১১ শতাংশ, যার মধ্যে বৈধ হয়েছে ৭০.২৫ শতাংশ। গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৭৭.৭ শতাংশ।দেশের কোথাও বড় ধরনের সংঘাতের খবর মেলেনি। দীর্ঘ দেড় দশক পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল উৎসবের আবহ। নির্বাচনকে ঘিরে কিছু উদ্বেগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে ভোটগ্রহণ।প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত রয়েছে। সেই আসনের নতুন তফসিল পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই নির্বাচন এক নতুন অধ্যায় খুলে দিল। এখন নজর সরকার গঠন ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণের দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

‘সুপরিকল্পিত প্রহসন’! বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ শেখ হাসিনার

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুপরিকল্পিত প্রহসন বলে কটাক্ষ করলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আওয়ামী লিগের সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে একটি বার্তা দেন তিনি। সেখানে তাঁর দাবি, দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। মানুষ এই নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সেই জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে, নির্বাচনের দিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং ব্যালট বাক্স দখলের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের তরফে ভোটকে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ বলা হয়েছে। ভোটের পর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর। তবে তাঁর এই দাবির সঙ্গে একমত নন শেখ হাসিনা।হাসিনার অভিযোগ, ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, টাকার বিনিময়ে ভোট কেনাবেচা, ব্যালটে জোর করে সিল মারা এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের সই নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই এই প্রহসনের শুরু। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল নগণ্য বলেও দাবি করেন তিনি। রাজধানী ঢাকাসহ বহু জায়গায় ভোটকেন্দ্র কার্যত ফাঁকা ছিল বলে তাঁর অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বেলা দুটো পর্যন্ত দেশের ৩৬ হাজারের বেশি কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়েছে ৪৭ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের হার ছিল প্রায় ১৪.৯৬ শতাংশ।শেখ হাসিনার দাবি, আওয়ামী লিগ ছাড়া এই নির্বাচনকে দেশের মানুষ মেনে নেয়নি। গত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লিগের সমর্থক, ভোটার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, গ্রেফতার ও ভয় দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ভয়ভীতি উপেক্ষা করেই মানুষ এই নির্বাচন বর্জন করেছে। তাই দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল না বলেই দাবি করেন তিনি।বাংলাদেশের এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও গভীর হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইউনূসের বিদায় ঘণ্টা বাজল! অন্তর্বর্তী সরকারের পতন, এবার কোথায় যাচ্ছেন উপদেষ্টারা?

২০২৪ সালের অগস্ট মাসে গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশ চালাতে ৮ অগস্ট গঠন করা হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সরকারের প্রধান করা হয় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনূসকে। প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব সামলানোর পর এবার সেই অধ্যায়ের শেষ। নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসতে চলেছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এতদিন দেশের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টারা এবার কী করবেন?বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে সদস্যসংখ্যা ২১। প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও রয়েছেন বিশেষ সহকারী, বিশেষ দূত এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টার চারজন বিশেষ সহকারীও ছিলেন। মঙ্গলবার ছিল এই সরকারের শেষ কর্মদিবস। বিভিন্ন মন্ত্রকে বিদায়ী অনুষ্ঠানও হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছিল, দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর মহম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রপতি হতে পারেন। তবে সেই পথে একাধিক সাংবিধানিক জটিলতা রয়েছে। ইউনূস আগেই জানিয়েছেন, সরকারের দায়িত্ব শেষ হলে তিনি আগের কাজেই ফিরবেন। গ্রামীণ ব্যাঙ্ক বা সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন তিনি।অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, দায়িত্ব শেষের পর তিনি আবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে মার্চ মাসে কাজে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও শিক্ষকতায় ফিরবেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। পাশাপাশি লেখালেখি ও গবেষণার কাজ করবেন। পুরনো জীবনে ফিরে যাওয়ার জন্য তিনি আগ্রহী বলে জানিয়েছেন।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন আপাতত কিছুদিন বিশ্রাম নিতে চান। পরে লেখালেখিতে মন দেবেন বলে জানিয়েছেন।খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলি ইমাম মজুমদার আবার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হবেন। উপদেষ্টা হওয়ার আগে তিনি সংবাদপত্রে নিয়মিত কলাম লিখতেন। দায়িত্ব শেষ হলে আবার সেই কাজেই ফিরবেন।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, দায়িত্ব শেষের পরপরই রমজান মাস শুরু হবে। এই সময় তিনি ইবাদতে মন দেবেন। রমজানের পর আবার লেখালেখি ও বই পড়ায় ফিরবেন। উপদেষ্টা থাকাকালীন তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতেন এবং নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। দায়িত্ব শেষ হলে সরকারি গাড়ি ফেরত দিয়ে নতুন গাড়ি কিনবেন বলে জানিয়েছেন।পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, তিনি আবার বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির কাজে ফিরবেন।সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ মঙ্গলবারই শেষবারের মতো অফিস করেছেন। দায়িত্ব শেষের পর কিছুদিন শান্তভাবে সময় কাটাতে চান। পরে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখবেন। পাশাপাশি মানবাধিকার এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজেও যুক্ত থাকবেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মহিলাদের সঙ্গেও কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের ইতি ঘটতে চলেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নির্বাচিত সরকারের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

৪৮ ঘণ্টা আগে ভোট, তার আগেই কুপিয়ে হত্যা হিন্দু ব্যবসায়ীকে

ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে ফের নৃশংস হত্যার অভিযোগ। ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম সুষেন চন্দ্র সরকার, বয়স ৬২ বছর। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুষেন চন্দ্র সরকার পেশায় চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে তিনি নিজের দোকানেই ছিলেন। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী দোকানে ঢুকে তাঁর সঙ্গে বচসা শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুষেনবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি দোকানের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই দেশজুড়ে অশান্তির ছবি সামনে আসতে শুরু করে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ। এর আগেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের পর সংবাদমাধ্যমের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটেও চালানো হয় হামলা। এরপর সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনির পর হত্যা করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।এই পরিস্থিতিতে ভোটের ঠিক আগে ফের এক হিন্দু ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ভোটমুখী বাংলাদেশে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

বিদায়ের আগে ঋণের বোঝা বাড়ালেন ইউনূস? নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন বাংলাদেশে

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই। হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশটির শাসনভার যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এখন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের পথে। নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসবে নতুন সরকার। তার আগেই একের পর এক নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে।এমনিতেই ঋণের চাপে রয়েছে বাংলাদেশ। তার মধ্যেই নতুন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থের বড় অংশই ঋণ নিয়ে জোগাড় করতে হবে বলে জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই বিদায়ের মুখে সরকারের আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি বা ওয়াসার আগেই প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। সেই ঋণ এখনও শোধ হয়নি। তার মধ্যেই নতুন একটি প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ২৩ ডিসেম্বর ওয়াসার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি গড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৭১ কোটি টাকা দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে মোট ৬৪টি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব প্রকল্পে মোট খরচ হবে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০টি সম্পূর্ণ নতুন প্রকল্প, যেগুলিতে খরচ হবে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এই নতুন প্রকল্পগুলির মধ্যে কিছু প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকটি প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।হাসিনা সরকারের পতনের পর গত দেড় বছরে ইউনূস সরকার মোট ১৩৫টি নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে। তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কম ছিল। শেষ দিকে আবার তিনটি নতুন স্বাস্থ্য প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা খাতেও কিছু বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সমস্যা, সেই বিষয়ে তেমন জোর দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।এদিকে প্রকল্প বণ্টন নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, চট্টগ্রাম এলাকায় বেশি সংখ্যক প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, অথচ ২১টি জেলায় কোনও প্রকল্পই বরাদ্দ হয়নি। কেন চট্টগ্রামেই বেশি বরাদ্দ, সে বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলো-কে জানিয়েছেন, ঢাকার জল ও নিকাশি ব্যবস্থা চট্টগ্রামের তুলনায় অনেক উন্নত। রফতানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিকাঠামো উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ওই এলাকায় বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

প্লাস্টিকের ভিড়ে কাঠের রথের কদর অটুট, বর্ধমানের গোলাপবাগে কচিকাঁচাদের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কাষ্ঠশিল্পী

রথযাত্রা মানেই ভগবান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে টানার আনন্দে মেতে ওঠা ছোট-বড় সকলের উৎসব। আধুনিক সময়ে প্লাস্টিক, ফাইবার কিংবা বিভিন্ন কৃত্রিম উপকরণে তৈরি রথের ব্যবহার বেড়েছে ঠিকই, তবুও ঐতিহ্যবাহী কাঠের রথের আবেদন আজও অমলিন।রথযাত্রাকে সামনে রেখে শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন রথ নির্মাণে যুক্ত শিল্পীরা। ছোটদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নানান আকারের কাঠের রথ তৈরি করতে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন তাঁরা। রঙের ছোঁয়া, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জায় ব্যস্ত শিল্পীদের কর্মশালাগুলি যেন উৎসবের আগাম বার্তা বহন করছে।ঠিক তেমনই এক ছবি ধরা পড়ল পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান শহরের গোলাপবাগ চত্বরে। একটি আবাসনের কচিকাঁচাদের জন্য ঐতিহ্যবাহী কাঠের রথ নির্মাণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত এক কাষ্ঠশিল্পী। নিষ্ঠার সঙ্গে রথের প্রতিটি অংশে শেষবারের মতো হাতের ছোঁয়া দিচ্ছেন তিনি, যাতে রথযাত্রার দিন খুদেদের আনন্দে কোনও খামতি না থাকে।স্থানীয়দের মতে, প্রযুক্তি ও আধুনিকতার যুগেও কাঠের রথের প্রতি মানুষের ভালোবাসা কমেনি। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার সংস্কৃতি ও আবেগকে বাঁচিয়ে রাখতেই অনেক আবাসন ও পরিবার এখনও কাঠের রথ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।রথযাত্রার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই গোলাপবাগের এই কাষ্ঠশিল্পীর কর্মব্যস্ততা যেন বাংলার চিরন্তন ঐতিহ্য, শিল্পকলা এবং উৎসবের আবহকেই নতুন করে তুলে ধরছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
দেশ

ইরানের বড় পদক্ষেপে কাঁপছে বিশ্ব! পেট্রোল-ডিজেল থেকে গ্যাস, কী অপেক্ষা করছে ভারতের জন্য?

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ফের উত্তেজনা বাড়তেই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে । এর জেরে ভারতে পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের দামে প্রভাব পড়তে পারে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।রবিবার ইরান ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হবে। অন্যদিকে আমেরিকার দাবি, প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে। তবে দুই দেশের সংঘাতের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।ভারতের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের প্রয়োজনীয় তেলের বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এবং গ্যাস হরমুজ প্রণালী দিয়েই বিভিন্ন দেশে পৌঁছায়। তবে আপাতত ভারতীয় শোধনাগারগুলিতে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত নতুন সংঘাতের প্রভাব তেল আমদানিতে বড়ভাবে পড়েনি।বর্তমানে ভারত শুধু একটি দেশের উপর নির্ভর করে না। রাশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেল আসে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ভেনেজুয়েলা থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল আমদানি করা হয়। ফলে বিকল্প উৎস থাকায় আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।গত জুন মাসে ভারত প্রতিদিন প্রায় চার দশমিক তিরানব্বই মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। এর মধ্যে রাশিয়া থেকেই এসেছে সবচেয়ে বেশি, প্রতিদিন প্রায় দুই দশমিক সাত মিলিয়ন ব্যারেল।তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রান্নার গ্যাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে। আগেরবার ইরান-আমেরিকা সংঘাতের সময় দেশে গ্যাসের সরবরাহে চাপ পড়েছিল। অনেক মানুষ আতঙ্কে অতিরিক্ত গ্যাসের সিলিন্ডার বুক করেছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে সরবরাহের নিয়ম কঠোর করতে হয়েছিল। এবারও যদি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বাড়ে বা সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে বড় বাধা তৈরি হয়, তাহলে গ্যাসের সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যরাতে আনন্দের আসর মুহূর্তে মৃত্যুকূপ! পানশালার আগুনে মৃত অন্তত ২৭, আতঙ্কে বিশ্ব

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কেঁপে উঠল থাইল্যান্ডের রাজধানী। ব্যাঙ্ককের একটি জনপ্রিয় পানশালায় মধ্যরাতে আগুন লেগে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।রবিবার গভীর রাতে উত্তর ব্যাঙ্ককের একটি পানশালায় প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। সেই সময় হঠাৎ আগুন লাগে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো পানশালায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারদিক। আতঙ্কে সবাই বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও অনেকেই আগুনের মধ্যে আটকে পড়েন। আগুন প্রবেশপথ পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় বহু মানুষের বেরোনোর পথ বন্ধ হয়ে যায়।খবর পেয়ে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় আধ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ব্যাঙ্ককের গভর্নর এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২২ জনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। পানশালার পিছনের অংশ থেকেও একাধিক দেহ উদ্ধার হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে মঞ্চের কাছে একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। এরপরই বিস্ফোরণ হয় এবং কয়েক মুহূর্তের মধ্যে পুরো পানশালা আগুনে গ্রাস হয়ে যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

জুলাই ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দলবল নিয়েই বেরিয়েছিলেন, ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে! দমদমে কুখ্যাত দুষ্কৃতীর খুনে তোলপাড়

দমদমে খুন হল কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজা দত্ত। সোমবার ভোরে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধারে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, গ্যাং দ্বন্দ্বের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দমদম থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দমদম পৌরসভার খলিসাকোটা এলাকায় ভোরের দিকে রাজা দত্ত তাঁর দুই সঙ্গীকে নিয়ে বাইকে করে পৌঁছেছিলেন। সেখানে কয়েকজনের সঙ্গে বচসা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সময় রাজা দত্তের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে তাঁকেই গুলি করে খুন করা হয়। তবে ঠিক কী কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।রাজা দত্তকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দুই সহযোগী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা না হলেও পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার আগের দিন এলাকায় একটি রাজনৈতিক কার্যালয়ে বচসা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে এই খুনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে দাবি, রাজা দত্তের বিরুদ্ধে একাধিক খুন-সহ নানা অপরাধমূলক মামলার অভিযোগ ছিল। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কুখ্যাত দুষ্কৃতী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর খুনের ঘটনায় নতুন করে অপরাধচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

আট দিন পর ট্রলার মিলতেই শিউরে ওঠার দৃশ্য! একসঙ্গে মিলল ৯ মৎস্যজীবীর দেহ, এখনও নিখোঁজ অনেকে

বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি ট্রলার থেকে উদ্ধার হল ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ। পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর বন্দর থেকে ২ জুলাই মাছ ধরতে বেরিয়েছিল মা কালী নামে ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। দীর্ঘ আট দিন ধরে তল্লাশির পর বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘেরচরের কাছে ট্রলারটির খোঁজ মেলে।রবিবার দুপুরে পুলিশ, বন দপ্তর এবং ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটিকে সীতারামপুরে নিয়ে এসে রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ট্রলারের ভিতর থেকে একে একে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, ট্রলারটিতে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। এখনও ৬ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের সন্ধানে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের অনুমান, খারাপ আবহাওয়া বা সমুদ্রের দুর্যোগের জেরে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। খবর পেয়ে ট্রলারের মালিকপক্ষ এবং মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। একাধিক ট্রলারের সাহায্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে উপকূলে আনা হয়।ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুন্দরবন উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থলে এসেছেন। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। তাঁর কথায়, এখনও ট্রলারের ভিতরে আরও কয়েকজন মৎস্যজীবীর দেহ আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘খেলা হবে’ দিবস বাতিল! ষোলো অগস্টে শুভেন্দু সরকারের বড় ঘোষণা, বদলে কী পালিত হবে জানেন?

দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূলের অন্যতম জনপ্রিয় স্লোগান ছিল খেলা হবে। পরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ষোলো অগস্ট দিনটিকে খেলা হবে দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই সিদ্ধান্তে বড় পরিবর্তন আনল রাজ্যের নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এবার থেকে ষোলো অগস্ট আর খেলা হবে দিবস হিসেবে পালন করা হবে না। তার বদলে দিনটি পালিত হবে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে।রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় দলীয় নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ষোলো অগস্ট বিজেপি সরকারের একশো দিন পূর্ণ হওয়ার দিন। একই সঙ্গে এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উনিশশো ছেচল্লিশ সালের ষোলো অগস্ট দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর ঘটনা ঘটেছিল। সেই কারণেই এই দিনকে নতুনভাবে স্মরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, অতীতে এই দিনে খেলা হবে দিবস পালন করা হলেও বর্তমান সরকার এটিকে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে পালন করবে।আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়েও এদিন আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সত্তর বছরের বেশি বয়সিদের পাশাপাশি যোগ্য উপভোক্তারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁদের জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু থাকবে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক উপভোক্তার কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যাঁরা যোগ্য, তাঁদের সবাইকে ধাপে ধাপে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। তবে অযোগ্যদের বাদ দেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে ষোলো অগস্ট খেলা হবে দিবস হিসেবে পালিত হত। সরকার পরিবর্তনের পর একাধিক পুরনো সিদ্ধান্তে বদল আনা হয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ষোলো অগস্ট পালন নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত।

জুলাই ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বাবার পর এবার ছেলে! গভীর রাতে হোটেল থেকে গ্রেফতার প্রাক্তন বিধায়কের পুত্র, বাড়ল চাপ

দীর্ঘদিন গা ঢাকা দেওয়ার পর সম্প্রতি প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। রবিবার গভীর রাতে দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হল নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে । চলতি বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পানিহাটি কেন্দ্রের প্রার্থী ছিলেন, যদিও ভোটে পরাজিত হন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক ড্রাইভারের লটারির টাকা বন্দুক দেখিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে । অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই তিনি গা ঢাকা দিয়েছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ দক্ষিণেশ্বরের একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তাঁকে খড়দহ থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, লটারির টাকা কীভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছিল, এই ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিল এবং ওই টাকা কোথায় গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোট-পরবর্তী হিংসার একাধিক অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে । আজ তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে।এদিকে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধেও একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তোলাবাজি, জমি দখল, ভয় দেখানো এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই তিনি কার্যত লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। যদিও সম্প্রতি তিনি দাবি করেন, তিনি আত্মগোপনে ছিলেন না এবং তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েই বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পানিহাটির নির্মল ঘোষকে তারা আমন্ত্রণ জানায়নি। পশ্চিম মেদিনীপুরের আর এক নির্মল ঘোষকে ডাকা হয়েছিল।এই নামের বিভ্রান্তি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যখন জোর চর্চা চলছে, তখনই প্রাক্তন বিধায়কের ছেলের গ্রেফতার নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। এখন নজর নির্মল ঘোষের দিকে। তদন্তে নতুন তথ্য মিললে তাঁর বিরুদ্ধেও আরও বড় পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

সূর্যপুরে অশান্তির নেপথ্যে কে? সিপিএম নেতাকে গ্রেফতার করতেই তুঙ্গে রাজনৈতিক ঝড়

সূর্যপুরে অশান্তির ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। সিপিএম নেতা তথা ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থী লাহেক আলিকে রবিবার তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর এলাকায় বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন এবং অশান্তি ছড়াতে ভূমিকা নিয়েছিলেন। এই গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভের মধ্যে সূর্যপুরে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর লাহেক আলি-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় যেমন দোষীরা শাস্তি পাবেন, তেমনই অশান্তি ছড়ানো বা প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে কাউকেই ছাড়া হবে না।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তা অবরোধ, ভাঙচুর, পুলিশকর্মীদের উপর হামলা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগে লাহেক আলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি পুলিশের। তাঁকে নরেন্দ্রপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং আদালতে তোলা হবে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সিপিএমের অভিযোগ, ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাঁদের নেতাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। দলের নেতাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই পদক্ষেপ করেছে সরকার। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। আইন নিজের পথে চলবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবেই বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা।সূর্যপুর অশান্তির তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এলে আরও পদক্ষেপ করা হতে পারে।

জুলাই ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal