• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banerjee

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নামে অশ্লীল পোস্ট সোশাল মিডিয়ায়, অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেফতার যুবক

সামাজিক মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নামে অশ্লীল পোষ্টকে তুলকালাম বর্ধমানে। এই অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করলো পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম বিজয় মণ্ডল ওরফে বিজয় মল্লিক। দেওয়ানদিঘী থানার কুড়মুন নতুনপল্লীতে তার বাড়ি।পুলুশ সূত্রে খবর, ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৫ নম্বর ধারার ২ নম্বর উপধারায় মামলা রুজু করে ৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে মঙ্গলবার তাকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। বিরোধীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে তৃণমূল। পূর্ববর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এসব বিরোধীদের চক্রান্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির জন্য তারা পরিকল্পিতভাবে এধরনের নোংরামি করছে।আমরা দোষীর উপযুক্ত শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। যদিও বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্রের দাবি, বিজেপি এই ধরনের ঘটনাকে প্রশ্রয় দেয় না বা সমর্থনও করে না। এই ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নিক এটা আমরাও চাই।

আগস্ট ০৯, ২০২২
রাজ্য

দল ও সরকারে অধিপত্য শুরু, 'এক ব্যক্তি এক পদ' নীতিতেই শীলমোহর

দলে আগেই আধিপত্য বিস্তার হয়েছে, এবার রাজ্য প্রশাসনেও শুরু হল অভিষেকরাজ। এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতার হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণ করা, দলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে সাসপেন্ড করার মতো দৃঢ় পদক্ষেপ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই বুধবার রাজ্যে নয়া মন্ত্রীদের শপথে অভিষেকের নীতির মান্যতা দেওয়ার ছবি স্পষ্ট।এক ব্যক্তি এক পদের দিকে তাকিয়ে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ঘটেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যার প্রধান প্রবক্তাই তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুজনকে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর মন্ত্রী করা হয়েছে। হুগলির স্নেহাশিষ মুখোপাধ্য়ায়, উত্তর ২৪ পরগণার পার্থ ভৌমিক। এই দুজনই একসময়ে দুই জেলার যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি হয়েছিলেন স্নেহাশিষ ও পার্থ। এবার সাংগঠনিক পদ ছেড়ে একেবারে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।ফিরহাদ হাকিমের কাছ থেকে পরিবহণ নিয়ে ওই দফতর দেওয়া হয়েছে স্নেহাশিষকে। এই ফিরহাদ হাকিমের নাম মেয়র হিসাবে ঘোষণার দিন অভিষেক হাজির ছিলেন না। এক ব্যক্তি এক পদ ঘোষণার পরও দলের একাংশ একাধিক সাংগঠনিক পদ ও একাধিক মন্ত্রিত্ব আঁকড়ে বসে রয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করে, এদিন মূলত ফিরহাদের কাছ থেকে দুটি দফতর সরিয়ে নিয়ে বোঝানো হয়েছে একাধিক পদ নিয়ে বসে থাকা যত বড় নেতাই হোক না কেন দল কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।

আগস্ট ০৩, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি অনুপমের, জুতো ছুঁড়ে ভাইরাল শুভ্রাদেবীকে ইতিহাসে জায়গা দেওয়ার অনুরোধ

বেআইনি ভাবে স্কুল শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে ইডি পার্থ চট্টোপাধায়কে গ্রেপ্তার করেন। এবং তাঁর বিশেষ বন্ধু মডেল ও অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, ইডির হানাতে প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার ও বহু স্থাবর সম্পত্তির দলিল উদ্ধারে রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনার পরপরই বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্ত্রিত্বের অপসারণের দাবিতে সরব হয়। প্রথম দিকে তৃণমূল ব্যাপারটা সেভাবে আমল না দিলেও, অর্পিতার বেলঘরিয়া আবাসন থেকে বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধারের পর নড়েচড়ে বসে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সরকারি সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দেন এবং ওইদিন বিকেলে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকেও বহিস্কার করেন।এই ঘটনার পর থেকেই নানা মহল থেকে রাজ্য সরকারি স্কুলের পাঠ্য পুস্তক থেকে সিঙ্গুর আন্দোলন চ্যাপ্টারে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম বাদ দেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করেছিল। বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরার গলায় আবার উল্টো সুর। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি লেখেন, কয়েকদিন আগে আমি অনুরোধ করেছিলাম পার্থ চট্টোপাধায়ের নাম ইতিহাস বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিতে আর আজ আমিই আপনাকে অনুরোধ করছি ইতিহাসের পাতায় ওনাকে স্থান দেওয়ার জন্য - কারণ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত উনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সর্বোপরি প্রাক্তন মন্ত্রী - যিনি প্রকাশ্য দিবালোকে জনগণের কাছ থেকে জনসমক্ষে জুতো খেয়েছেন; এ এক অনন্য নজির !!!প্রতিমাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীশ্রীমতি @MamataOfficial pic.twitter.com/8AhyBIBCk7 Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) August 3, 2022তিনি আরও লেখেন, সঙ্গে শুভ্রা (ঘোড়ুই) দেবীকেও ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাই। কারণ তিনি যে অতুলনীয় ভঙ্গিমায় আপনার সরকারের প্রতি জনগণের রোষ প্রতিফলিত করেছেন - তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে !!! আশা করি আমার এই অনুরোধ রাখিয়া পশ্চিমবঙ্গের আপামর জনগণকে বাধিত করিবেন !!! ইতি, অনুপম !!!প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে জুতো ছুড়ে মারেন এক মহিলা। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জুতো ছুঁড়ে গোটা বাংলায় ভাইরাল শুভ্রা ঘড়ুই নামক ওই মহিলা। জানা যায় তিনি আমতলায় থাকেন। মঙ্গলবার ইএসআই হাসপাতালে পার্থকে দেখেই তিনি খেপে যান। তার পর তাঁকে লক্ষ্য করে নিজের জুতো ছুড়ে মারেন। এর পর অপর পাটিটি খুলে ফেলে দিয়ে গটগট করে খালি পায়ে বাড়ি ফিরে আসেন।অনুপম হাজরার ওই পোস্টে এক নেটিজেন সাম্প্রতিক কালে দলবদল (ফুল বদল) নিয়ে কটাক্ষ করে লেখেন, একজন নিয়মিত ফলোয়ার হয়ে আমি আপনার মতামতকে প্রশংসা করি, কিন্তু আমি সন্দেহ, কোনও এক সুন্দর সকালে বাবুল সুপ্রিয়র মতো আপনিও আপনার মন পরিবর্তন করে চোরের মণ্ডপে ফিরে যাবেন, আপনি কি করবেন? প্রত্যুত্তরে অনুপম লেখেন প্রাথমিকভাবে একজন শিক্ষাবিদ হওয়ার কারণে, রাজনীতিতে থাকা সত্ত্বেও কিছু নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য সর্বদা আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করি, তাই নিশ্চিন্ত থাকুন!!!মঙ্গলবার শুভ্রা ঘড়ুই বলেন, তিনি আত্মীয়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন জোকা ইএসআই হাসপাতালে। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঠান্ডা গাড়িতে আসতে দেখে তাঁর নাকি মাথায় রাগ চেপে যায়। তিনি বলেন, ওঁরা লোকের টাকা মেরে কোটি কোটি অর্থ করেছে। কলকাতার একাধিক জায়গায় ফ্ল্যাট বাড়ি কিনেছে। বড় গাড়ি করে হাসপাতালে আসছে। এতে আমাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। ওঁকে গলায় দড়ি লাগিয়ে টানতে টানতে নিয়ে আসা উচিত ছিল। সাধারণ মানুষ ঠিক মতো চিকিৎসা করাতে পারছি না ওদের জন্য। সেই জন্যই জুতো ছুড়েছি। জুতোটা ওঁর নাকে লাগলে খুশি হতাম। এটা আমাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। হাজার মানুষ চাকরি পায়নি ওঁদের জন্য। তাঁদের সবার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

আগস্ট ০৩, ২০২২
রাজ্য

মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের পর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সাসপেন্ড করা হল তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তিন দফতরের মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিল দল। এদিন তৃণমূল ভবনে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থকে সাসপেন্ডে করার কথা ঘোষণা করেছেন। তৃণমূলের মহাসচিব, সর্বভারতীয় তৃণমূলের সহসভাপতি, কার্যকরি সমিতির সদস্য, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্য ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ২২ জুলাই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২৩ তারিখ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছিল দোষী প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তড়িঘড়ি এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিত্ব ও দলের পদ থেকে সরিয়েও ক্ষান্ত থাকেনি দল, তাঁকে সাসপেন্ড করে দিল দল। অভিষেক বলেন, আশপাশের তথ্য় উঠে এসেছে। তাতে আমরা মানুষের কাছে বদ্ধপরিকর। নেতার কাছে নয়। বেনিফিট অফ ডাউট দিচ্ছি যাঁদের বিরুদ্ধে অবিচার হচ্ছে তাঁদের। আমরা যাঁরা বসে আছি তাঁদের বিরুদ্ধেও যদি দুর্নীতির অভিযোগ আসে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেক জানিয়ে দেন, পরবর্তীতে কার্যকরি সমিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন কে দলের মহাসচিব হবেন।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া হল মন্ত্রিত্ব থেকে, আপাতত দায়িত্বে মুখ্যমন্ত্রী

শেষমেশ মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। শিল্প, তথ্য প্রযুক্তি ও পরিষদীয় দফতরের দায়িত্বে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৬ দিন আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।পার্থ চট্টোপাধ্যায় ১০ মে ২০১১ তে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। টানা ১১ বছর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন। পার্থ ২০০১-এ বেহালা পশ্চিম থেকে বিধানসভা ভোটে জিতে বিধায়ক হন। তিনি ২০১১-তে বিধানসভার দলনেতা মনোনীত হন। ২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আনেক আগেই কলকাতা হাইকোর্ট পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। সেই সময় আদালতের কথার গুরুত্ব দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপর সিবিআই তাঁকে নিজাম প্যালেসে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত সপ্তাহে ইডি তাঁর বাড়িসহ একাধিক জায়গায় হানা দেয়। পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকাসহ মূল্যবান গযনা, দলিল, নথি উদ্ধার করে ইডি। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি। বুধবার অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। প্রায় ৩০ কোটি টাকা নগদ সহ, ৬ কেজি সোনা, শয়ে শয়ে রুপোর কয়েন উদ্ধার করা হয়। ইডি সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে অর্পিতা স্বীকার করে নেয় তাঁর বাড়িতে উদ্ধার হওয়া টাকা সবই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। এরপর তড়ঘড়ি তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক মুখপাত্র পার্থকে বরখাস্ত ও মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর দাবি তোলে। এরপর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরানো হয় পার্থকে। এবার দলীয় পদ থেকে অপসারণের পালা।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

জনদরদী ‘এক টাকার ডাক্তার’-এর প্রয়াণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অনুব্রত

এক টাকার ডাক্তার বলে খ্যাত পদ্মশ্রী সুশোভন বন্দোপাধ্যায় প্রয়াত। মঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মানবদরদী চিকিৎসক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বীরভূম জেলাজুড়ে। লাখো মানুষ এই চিকিৎসকের সেবায় উপকৃত।বিশিষ্ট চিকিৎসক সুশোভন বন্দোপাধ্যায়ের মানুষের সেবা করাই ছিল একমাত্র ব্রত। বোলপুর, বীরভূম ছাড়িয়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায়। পরবর্তীতে এক টাকার ডাক্তার-এর পরিচিতি হয় সারা দেশে। সমাজে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করেন কেন্দ্রীয় সরকার। বোলপুরের বিধায়কও ছিলেন ডাঃ সুশোভন বন্দোপাধ্যায়।জনদরদী চিকিৎসকের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন। রুমাল দিয়ে বারে বারে মুছলেন চোখের জল। বললেন, সুশোভবনবাবুর সঙ্গে তাঁর হৃদয়ের সম্পর্কের কথা। অনুব্রতের কথায়, খুব ভাসবাসতেন আমাকে। এরকম মানুষ আর পাওয়া যাবে না। অন্যায় করলে বলতেন অন্যায় করিস না।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে তর্জা চলছেই। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রেরে করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, তিনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।) ৭২ ঘন্টা ধরে মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। আজ যেভাবে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। লক্ষ লক্ষ মেধাযুক্ত যুবক-যবুতীদের সর্বনাশ হওয়ার ব্যাপারে এমন কথা বলেছেন। সবসময় নিজেদের লোককে চাকরি দিতে হয়।এসএসসি, টেটকে প্রাইভেট অর্গানাজেশনের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সরকরি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা, মেধা প্রয়োজন। চাকরির নিয়ম সংক্রান্ত সার্ভিস রুলে আইন স্বীকৃত, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন না। দুর্নীতির প্রশ্নে যে পর্দা ফাঁস হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ফাস্ট ট্রাক করতে হবে। এসব পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে মনে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী আতঙ্কিত। তিনি ভয় পেয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজ্য

'গায়ে কালি ছেটানোর চেষ্টা করলে আলকাতরা আমার কাছেও আছে'-মমতা

নজরুল মঞ্চে বঙ্গবিভূষণ, বঙ্গভূষণ, মহানায়ক সহ সমাজের নানা স্তরে বাংলার সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রদানের মঞ্চেই রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্যের প্রথমেই মমতা বলেন, আমি কোনও অন্যায়কে সাপোর্ট করি না। তারপরই নিজের আয়ের কথা ঘোষণা করতে থাকেন। তবে তাঁর নামে কালি ছেটালে পাল্টা ব্যবস্থা হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সবাই সাধু একথা বলতে পারি না। সাধুর মধ্যেও ভুত আছে। সবাই ১০০ শতাংশ কারেক্ট কাজ করবে এটাও বলব না। জেনেশুনে আমি আজ পর্যন্ত আমি অন্যায় করতে দিইনি। সত্যির বিচার হোক। সত্যি দোষী প্রমানিত হলে যাবজ্জীবন কারা দন্ড দিলে আমি কিছু মনে করব না।সিপিএম ও বিজেপি মুখ্য়মন্ত্রীর ছবি নিয়ে প্রচার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা। যদি কেউ চোর হয়, ডাকাত হয় তৃণমূল কংগ্রেস রেয়াত করে না। অযথা আমার গায়ে কালি ছেটানোর চেষ্টা করলে আলকাতরা আমার কাছেও আছে। হোয়াইটওয়াশ করতে চাই। আলকাতরা কখনও পরিস্কার হয় না। কোনও চাকরির ক্ষেত্রে ১০০ টার মধ্যে ১টা নিজের লোককে দেয় না! আমরা আইন মেনে চলি। এতদিন জানতে পারলাম না। আগে টাকা নেওয়া জানালেই অ্যাকশন হত। একলক্ষ ছেলেমেয়ের চাকরি হল ২০০ জনের কমপ্লেন হল। বিচার ব্যবস্থার ওপর ভরসা করি। বিচার ব্যবস্থার ওপর বিজেপির প্রভাব কতটা আছি তা জানি।এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা, মূল্যবান গয়না, বিভিন্ন নথি উদ্ধার করে। অর্পিতাকে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন এমন একটা ভিডিও বিরোধীরা প্রচার করতে শুরু করেন। মমতা বলেন, আমি একটা প্যান্ডেলে গিয়েছি, সে নাকি পার্থর বন্ধু আমি কী করে জানব? এক মহিলাকে নিয়ে সব মহিলাকে টানছে। বিচারে আমরা কোনও নাক গলাবো না। অন্য়ায় সাপোর্ট করব না। তবে আমার সম্মানহানি করলে আহত সিংহ কিন্তু ভয়ঙ্কর। জীবনে মাথানত করি না। মাথানত করলে মানুষের কাছে করব। মা-মাটি-মানুষের কাছে করব। যে অন্যায় করেছে তাঁর বিরুদ্ধে যা পারুন করুন। কিন্তু আমার গায়ে ছোঁয়ার চেষ্টা করবেন না। আমি জানি কী করে লড়াই করতে হবে। আমি দুঃখিত, মর্মাহত। চোর ডাকাতকে প্রশ্রয় দিই না। আমি যদি না বলতাম সংবাদ মাধ্যম বলত আমি ভয় পেয়ে গিয়েছি।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজ্য

'নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি'- পার্থ

গ্রেফতার করার পর শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় জোকার ইএসআই হাসপাতালে। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি। একথা বলার সময় তাঁর গলায় স্পষ্ট ছিল হতাশার সুর। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সারা কলকাতার রাস্তা ঘুরিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেকার ইএসআই হাসপাতালে। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন এই তদন্তের ক্ষেত্রে কেন দায় নেবে না দল। যা বলার তদন্তে অভিযুক্ত বা তাঁর আইনজীবী বলবেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির আবার 'মাস্টারস্ট্রোক'? একজন শিয়া মুসলিম নেতা ধনখড়ের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন বাংলায়

ভারতীয় জনতা পার্টি-র সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে উপ-রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল কে হবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চুড়ান্ত জল্পনা শুরু হয়েছে। মাত্র দুবছর পর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে আশাতীত ভালো ফলের পর ২০২৪-এও রাজ্যে ভালো ফল পেতে মরিয়া বিজেপি শিবির। এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপাল পদে কে বসতে পারেন তা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি সূত্রের খবর, তারা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদের জন্য উত্তরপ্রদেশের একজন শিয়া মুসলিম নেতা মুখতার আব্বাস নকভির কথা ভাবছেন। অতি সম্প্রতি রাজ্যসভার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রক থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।জগদীপ ধনখড়কে ২০১৯-এ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল৷ সাধারণভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যপালের নাম চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই নাম নিয়ে প্রাথমিকভাবে পরামর্শ করে ঘোষণা করেন। যদিও সাংবিধানিক ভাবে এই আলোচনা কনওভাবেই বাধ্যতামূলক নয়। তবে, ফেডারেল কাঠামোতে এটি একটি প্রচলিত প্রথা। কিন্তু জগদীপ ধনখড়ের ক্ষেত্রে, তৎকালীন তৃণমূল সরকার অভিযোগ করেছিল, রাজ্যপাল হিসাবে ধনখড়ের নাম ঘোষণা করার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যপালের নিয়োগের বিষয়ে অবহিত করার জন্য ডেকেছিলেন।সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখমন্ত্রী খোলাখুলি ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। ফলস্বরূপ, ধনখড়ের নিয়োগকে ঘিরে প্রাথমিকভাবে যে ফাটল তৈরি হয়েছিল তা সময়ের সঙ্গে ক্রমশ প্রসারিত হয়। তিক্ততা চরমে পৌঁছয়। ধনখড়ের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়ে রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নজিরবিহীনভাবে একটি নিন্দা প্রস্তাব নিয়ে আসে।অভিজ্ঞ রাজনৈতিক সচেতন মানুষের প্রশ্ন, এবার কী হবে? পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল নিয়োগের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ফোন করবেন অমিত শাহ? লোকসভা নির্বাচনের আগে ধনকড়কে সরিয়ে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ইতিবাচক বার্তা পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, আগামী দিনে যে নতুন গভর্নর আসবেন, তিনি কি সংঘাতের পথ ধরে রাখবেন না সমঝোতার পথে হাঁটবেন? বিজেপি সূত্রে খবর, নকভি এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি একজন প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা। তিনি অটল বিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় মমতার এক সময়ের সহকর্মীও ছিলেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে নকভি যথেষ্ট দক্ষ ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে এর আগে। অনেক রাজনীতিবিদই মনে করেন যে ধনখড় যেভাবে মমতার প্রকাশ্যে বিরোধিতা করতেন সে পথে হয়তো তিনি হাঁটবেন না। এছাড়া নকভির ওপর সরাসরি আক্রমণ রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি একদিকে মমতাকে অস্বস্তিতে ফেলবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

'পায়ে হেঁটে, সাইকেলে ঘুরুন, চারচাকা গাড়িতে ঘোরার দরকার নেই,' নেতা-কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকের

আলিপুরদুয়ারের সভাতে গিয়ে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মীদের বার্তা দিলেন মানুষের পাশে থাকার। অভিষেক বলেন, রাজনীতি মানে শুধু ভোটের রাজনীতি নয়। ১০০দিনের কর্মসূচি নিতে হবে। মানুষের কথা বলতে এসেছি। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি। নিশ্চিতভাবে আমাদের গাফিলতি ছিল। অপনাদের আস্থা বা ভালবাসা আমাদের দোষেই হারিয়েছি। যে কোনও প্রয়োজনে 7887778877 নম্বরে ফোন করবেন।অভিষেক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের একশ্রেণির নেতাদের। তিনি বলেন, মানুষ ভোট দিতে চায়। কয়েকটা লোকের মুখ দেখে ভোট দেয় না। তাঁদের টিকিট দেওয়া হবে না। জেলার দায়িত্ব মানে কেউ কেটা হয়ে গিয়েছে, সেটা চলবে না। বাইকে করে ঘুরুন, পায়ে হেঁটে ঘুরুন, বড় চারচাকায় ঘোরার দরকার নেই। সাইকেলে ঘুরুন। বিরোধী মনে করে ঘুরুন।এরইমধ্যে বিজেপির মন্ত্রী থেকে বিধায়ক নয়া উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবি তুলেছেন। এই নিয়ে বিতর্ক চলছেই। এদিন অভিষেক জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের অভিধানে আর উত্তরবঙ্গ শব্দটাই থাকবে না{ এমনকী তিনি সাংবাদিকদের কাছেও আবেদন করেছেন উত্তরবঙ্গ না লিখতে। অভিষেক বলেন, কোনও দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গ নয়। একটাই বঙ্গ।বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক চলছে। একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার অর্থ দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করে আসছে রাজ্য। অভিষেক বলেন, বাংলার মানুষের প্রকল্প বাংলার নামে হবে না প্রধানমন্ত্রীর নামে হবে? পঞ্চায়েত সমিতির নামে রাস্তা হলে এলাকার নামে হবে না সদস্যর নামে হবে? প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর নামে হবে না বাংলার নামে হবে। মুখ্যমন্ত্রী গ্রাম সড়ক প্রকল্প করতে পারত, করেনি। বাংলার নামে করেছে। তাঁর দাবি, ১০০ দিনের ৯হাজার কোটি টাকা, বাংলার আবাস যোজনা ৮হাজার কোটি টাকা, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা ৫হাজার কোটি টাকা আটকে রেখে দিয়েছে কেন্দ্র।

জুলাই ১২, ২০২২
দেশ

দ্রৌপদী মুর্মু ভোটপ্রচারে শিলিগুড়িতে, কাল কলকাতায়

এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু শিলিগুড়ি পৌঁছেছেন। সোমবার তিনি বাগডোগরা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। বিধায়ক-সাংসদদের কাছে ভোট চাইতে তিনি বাংলায় এসেছেন। শিলিগুড়িতে দ্রৌপদী মুর্মু সিকিম ও আশেপাশের রাজ্যের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগমিকাল তিনি কলকাতায় যাবেন। সেখানে এরাজ্যের দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন উত্তরবঙ্গে আছেন। তৃণমূল নেত্রী এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অবিজেপি দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন যশবন্ত সিনহা। যদিও পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করেনি। দ্রোপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে ইঙ্গিতে সমর্থন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বলেন, বিজেপি প্রার্থীর নাম আগে জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি একসঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলে ভালই হত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীরা রেরে করে উঠেছেন। বিজেপির দাবি, বিরোধীদের প্রার্থী হেরে যাবেন বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন মন্তব্য করেছেন।রাষ্ট্রপতি ভোটে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ প্রার্থী হয়েছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু। বিরোধীদের যৌথ প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই বিরোধী দলগুলি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাই করতে দিল্লিতে বৈঠকে বসেছিল। পরে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বিরোধীরা যশবন্ত সিনহাকেই লড়াইতে মনোনীত করে।আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করে জঙ্গলমহলে প্রচারও শুরু করে দেয় বিজেপি। গেরুয়া শিবির যে আদিবাসীদের জন্য চিন্তাভাবনা করে সেকথা প্রচার হতে থাকে। কিছুটা চাপে পড়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধী শিবিরের নেতারা। হুল দিবসে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গলমহলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আদিবাসীদের পাশে সবসময় রয়েছে বিজেপি। জয়ী হওয়ার পর দ্রৌপদী মুর্মু জঙ্গলমহলে আসবেন বলেও তিনি ঘোষণা করেন।এদিকে এদিন রথযাত্রার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি আগে প্রার্থীর নাম জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলেই ভাল হত। এখন বিরোধীরা যা সিদ্ধান্ত নেবেন আমি সেটাই মানব। মাঝখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না। আদিবাসী, দলিত সকলেই আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুলাই ০২, ২০২২
রাজ্য

২১ জুলাই সফল করতে শিক্ষকদের নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠকে কাকলি

কোভিড পরিস্থিতির কারণে পর পর দুবছর ধর্মতলায় ২১ জুলাই শহিদ দিবসে আনুষ্ঠানিক সমাবেশ করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। অন্য বছরের মতো ২০২০ ও ২০২১-এ ধর্মতলায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভার্চুয়াল বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ফের ধর্মতলায় জনসভা করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তারই প্রস্তুতি সভা চলছে রাজ্যজুড়ে। বর্ধমান জেলাতেও চলছে মিছিল, মিটিং।শুক্রবার দেওয়ানদিঘীতে বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে শিক্ষকরা মিলিত হয়েছিলেন শহিদ দিবস সফল করার শপথ নিয়ে। এদিনের সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ব্লক তৃণমূলের সভাপতি কাকলি তা গুপ্ত, তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি আবু বক্কর। হাজির ছিলেন শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা। ছিলেন বর্ধমান এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষরাও। জেলা জুড়ে দেওয়াল লিখন, পাড়ায় পাড়ায় বৈঠক, মিছিল, মিটিং চলছে ২১ জুলাই সফল করার জন্য।

জুন ২৪, ২০২২
রাজ্য

রাতের কলকাতায় রোদ্দুর, পরিতাপের কোনও ছাপ নেই চোখে-মুখে

ইউটিউবার রোদ্দুর রায়কে কলকাতায় নিয়ে আসা হল। এদিন রাতে দিল্লি থেকে কলকাতার বিমানে নিয়ে আসা হয়। তাঁকে গতকাল কলকাতার গুন্ডা দমন শাখার পুলিশ গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, আগামীকাল ব্যাঙ্কশাল আদালতে তাঁকে তোলা হবে। তবে রাতে দমদম এয়ারপোর্টে নামার পরও তাঁকে উচ্ছ্বস করতে দেখা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মন্তব্যের জন্য রোদ্দুর রায়ের বিরুদ্ধে কলকাতার একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপরই কলকাতা পুলিশ তৎপর হয়। শেষমেশ কলকাতার গুন্ডাদমন শাখা গোয়া থেকে রোদ্দুরকে গ্রেফতার করে। এদিন ট্রানজিট রিমান্ডে রোদ্দুর অর্থাৎ অনির্বাণ রায়কে কলকাতা নিয়ে আসা হয়। এর আগে বিকৃত গলায় রবীন্দ্র সঙ্গীত গেয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন রোদ্দুর রায়। তাছাড়া নানা সামাজিক ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি সোশাল মিডিয়ায় নিজের কায়দায় মতবাদ তুলে ধরেন। পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর কলেজে পড়াশুনা রোদ্দুরের। সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত মুখ রোদ্দুর। শেষমেষ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্যের পর আর রেহাই মিলল না তাঁর।

জুন ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ফের একসঙ্গে প্রসেনজিৎ-রচনা ব্যানার্জি, সৌজন্যে জি বাংলা

একসঙ্গে ৩৫টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একাধিক হিট ছবি। টলিউডের একসময়ের হিট জুটি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও রচনা ব্যানার্জি আবার ফিরছেন একসঙ্গে। ফেসবুক লাইভে এমনটা ঘোষণাও করেছেন দুজনে।নতুন কোনও শো-তে ফের জুটি বাঁধছেন তাঁরা? না কি অন্য কিছু? লাইভ থেকে জানা গেছে, ১৪ জুন জি বাংলার দিদি নম্বর ১-এ অংশ নিচ্ছেন প্রসেনজিৎ। সঙ্গে থাকবে আয় খুকু আয়-এর টিম। সোমবার লাইভ আড্ডায় তাই পাশাপাশি টলিউডের ইন্ডাস্ট্রি আর দিদি নম্বর ১। ৩৫টি ছবির নায়ককে বহু দিন পরে পাশে পেয়ে উচ্ছ্বসিত রচনা। লাল শাড়িতে প্রতিদিনের মতোই নজর কাড়লেন সঞ্চালিকা। অন্যদিকে আয় খুকু আয় এর নির্মল মণ্ডল সুপুরুষ কালো শার্ট, ধূসর ট্রাউজার, ওয়েস্ট কোটে মাতিয়ে দিলেন। এখন শুধু টেলিকাস্টের অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।

জুন ০৮, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন খগেন মুর্মু! বিষ্ফোরক দাবি বিজেপি সাংসদের

কিছু দিন আগেও ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করে এসেছে, দরজা খুললেই দলে দলে বিজেপির লোকজন ঢুকে যাবে। এবার তৃণমূলের প্রস্তাব নিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস গেরুয়া শিবিরের সাংসদের প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছেন। বিজেপির উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মুর দাবি করেছেন, ২০১৯-এর ১০ মার্চ মুর্শিদাবাদের এক মহিলা তৃণমূল বিধায়ক তাঁকে দলবদলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দলবদল করলে কী ফায়দা পাবেন তা-ও জানিয়েছিলেন ওই বিধায়ক। খগেনের দাবি, তখন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল যোগ দিলে পূর্ণ মন্ত্রী হবেন। সঙ্গে অনুগামী ১০ জনের সরকারি চাকরি মিলবে। এর পাশাপাশি আর্থিক সাহায্য পাবেন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি খগেনের বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন। খগেন মুর্মুর দাবি, তৃণমূল ২০১১ সাল থেকে আমার পেছনে লেগেছে। আমি বারে বারে একই কথা বলেছি তৃণমূলে যাওয়ার আমার মনের কোনও ইচ্ছা নেই। তৃণমূল কংগ্রেসকে আমি পার্টি মনে করি না। তৃণমূল কংগ্রেস মানে একটা ক্লাব বলা যায়। তবে ক্লাবের মধ্যে যে শৃঙ্খলা আছে, তা তৃণমূলে নেই। সুতরাং তৃণমূলে কংগ্রেসে যাওয়ার কথা কোনও দিনই আমি বলিনি। ভাবিওনি। তৃণমূলে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই আমার। আমি এক সময় বামফ্রন্টে ছিলাম, সিপিএম করতাম। নীতিগত কারণে অমিল হওয়ায় আমি দল পরিবর্তন করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত কিছু মতামতের কারণে আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বারে বারে প্রস্তাব এসেছে দলবদল করার জন্য। আমি প্রতিটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। ২০১৯-এর ১০মার্চ কলকাতায় এমএলএ হস্টেলে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের এত দুর্দিন আসেনি যে বিজেপির মত একটি সাম্প্রদায়িক দল, মানুষ-মারা দলের সাংসদ বা কর্মীকে প্রস্তাব দিয়ে দলে নিতে হবে। এমনিতে ওরা সারিবদ্ধ ও দলবদ্ধ ভাবে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দিদির অনুমোদনের অপেক্ষায়। দিদি যদি আজ অনুমোদন দেন তাহলে বিজেপি পার্টিটা আর এখানে থাকবে না। তাদের কোনও জনপ্রতিনিধিও থাকবে না।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
রাজনীতি

নিজের ঘরে ফিরলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং

জল্পনা-কল্পনার অবসান হল। শেষমেশ বিজেপি ছাড়লেন অর্জুন সিং। যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। গত কয়েকদিন ধরেই বিজেপিতে থেকে বিদ্রোহ করছিলেন অর্জুন সিং। তৃণমূলে যোগ দিয়ে অর্জুন বলেন, নিজের ঘরে ফিরে এসেছি। ভুল বোঝাবুঝিতে দল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলাম। রবিবার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন অর্জুন সিং।সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন কীনা এই প্রশ্নে অর্জুন সিং বলেন, দুজন তৃণমূল সাংসদ বিজেপিতে গিয়েছেন। তাঁরা পদত্যাগ করলেই আমি পদত্যাগ করব। অর্জুনের দাবি, সংগঠন শুধু ফেসবুকের মধ্যে থাকলে হয় না। রাজনীতি করা আটকে দিচ্ছিল। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেকের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। নিজের ঘরে নিজে ফিরে এসেছি। বঙ্গ বিজেপি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণিত ঘরে বসে রাজনীতি করা যায় না বাংলায়।পাটশিল্প নিয়ে প্রথমে বিদ্রোহ শুরু করেছিলেন বিজেপি সাংসদ। অর্জুন সিং তারপর সাংগঠনিক বিদ্রোহ শুরু করেন। দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী ও সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও বৈঠক করেন। কিন্তু এসবে যে কোনও কাজ হবে না তা তৃণমূলে যোগ দিয়ে স্পষ্ট করলেন অর্জুন। এর আগে পুরভোটে বিজেপি প্রার্থী হতে অস্বীকার করেন অর্জুনের ভাইপো সৌরভ সিং। উল্টে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন অর্জুনের ডানহাত সৌরভ। এতে অর্জুন আরও স্পষ্ট করেন তিনিও তৃণমূলে পা বাড়াচ্ছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নেন অর্জুন সিং। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পাট শিল্পের দাবি বাহানা ছাড়া কিছুই না।

মে ২২, ২০২২
রাজ্য

'গ্যাচাং ফু, এক সেকেন্ডে কেটে দেব,' কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নতুন স্লোগান ঘোষণা করলেন মেদিনীপুরের কর্মীসভায়। এই কর্মীসভার মাধ্যমেই জেলায় জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করলেন তৃণমূল নেত্রী। এদিন তিনি বলেন, আমি নই আমরা। এই স্লোগানটা চলবে তৃণমূল কংগ্রেসে। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। আমরা একত্রিত হয়ে কাজ করলে দিল্লি পার পাবে না। দিল্লি বাংলার মুঠোয় আসবে। জেলা পরিষদের সদস্য যদি মনে করেন আমি আমার মতো করে নিলাম। গ্যাচাং ফু হবে। এক সেকেন্ডে কেটে দেব।সংগঠন ধরে রাখতে যে মানুষের পাশে থাকতে হবে মমতা সেই বার্তাই দেন এদিনের সভায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা মানুষের জন্য কাজ করবে দরকারে তাঁদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করব। যাঁরা মানুষের কাজ না করে নিজের কাজ করবে তাদের আমি বলব দয়া করে ঘরে বসে যান। অনেক করেছেন। এর থেকে বেশি আমরা চাই না।এদিনের সভায় তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দেন, এবার থেকে তিনি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করবেন সেখানে বুথ কর্মীদের নিয়ে সভাও করবেন। মমতা বলেন, আমি এবার থেকে ঠিক করেছি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে যাব। সেই সেই জেলায় আমি আমার বুথ কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হব। তার কারণ, তাঁরাই আমাদের দলের সম্পদ। মঞ্চে বসে থাকে কজন। হাতে গোনা কজন। নীচে বসে থাকে কতজন, লক্ষ লক্ষ লক্ষ কোটি। যাঁরা মঞ্চে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী না যাঁরা নীচে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী! এবং এটা মেনে চলতে পারলে তৃণমূল কংগ্রেস একদিন সারা বিশ্ব জয় করবে ভারতবর্ষ জয় করবে।দলের নেতাদেরও এদিন কড়া বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বলেন, আমি নেতা তৈরি হলাম কোথা থেকে? নেতা কী গাছ থেকে পড়ে? না। নেতা কাজের মধ্যে থেকে তৈরি হয়। মনে রাখবেন যাঁরা কুকর্ম করে মানুষ তাঁদের চিহ্নত করে মানুষ। মানুষ তাঁদের ঘৃনা করে, মানুষ তাদের ভালবাসে না। মানুষ যদি ভাল না বাসে আমি কেন ভালবাসব? আমি খুব রাফ এন্ড টাফ।

মে ১৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 29
  • 30
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal