• ১৩ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banerjee

শিক্ষা

BIG BREAKING: অবশেষে রাজ্যে খুলছে স্কুল, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অবশেষে রাজ্যে স্কুল খুলছে। ৩ ফেব্রুয়ারি অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠন-পাঠন শুরু হবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পাড়ায় শিক্ষালয়ে ক্লাস হবে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে স্কুল ,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে। আপাতত অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল পড়াশুনা চলবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়ে পঠন-পাঠন শুরু হবে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্কুল খোলার বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনায় নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় সরস্বতী পুজোয় পড়ুয়ারা হাজার থাকতে পারবেন।করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ২ বছর ধরে রাজ্যের সমস্ত বন্ধ স্কুল, কলেজসহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেক ক্ষেত্রে পঠনপাঠন চলছে অনলাইনে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পড়াশুনা বন্ধ রয়েছে। লাটে উঠেছে পড়াশুনা। গত নভেম্বর মাসে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য স্কুল খুললেও করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য ফের বন্ধ করতে হয়। করোনা সংক্রমিতের সংখ্যাও কমছে রাজ্যে। শিথিল হয়েছে করোনা বিধি। এই ঘোষণায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন তাঁদের আন্দোলনের জয় বলে দেখছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
রাজনীতি

কল্যানের মন্তব্যকে জোরালো সমর্থন অভিষেকের, এবার কমতে পারে বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মন্তব্য ও ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে দলের বাইরে ঝড় উঠেছিল। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেকের মন্তব্যের কড়া সমলোচনা করেছিলেন। তবে একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী হিসাবে মানেন বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন ওই সাংসদ। শেষমেশ তা নিয়ে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় দলের বাইরে মুখ খুলতে নিষেধ করে দেন। তা নাহলে কড়া পদক্ষের করা হবে বলেও সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও হুগলির নানা জায়গায় কল্যান-অকল্যান নিয়ে পোস্টার পড়ে। বিক্ষোভ চলে হাইকোর্ট চত্বরেও। মদন মিত্রও মাঝে মুখ খোলেন দলীয় ইস্যুতে। এবার গোয়ায় গিয়ে কল্যানইস্যুতে মুখে খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিজ্ঞ রাজনীতিকের মতো মন্তব্য করলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে অভিষেককে প্রশ্ন করা হয়। অভিষেক জবাবে বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন ওনার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ছাড়া উনি কাউকে মানেন না। আমিও তো তাই বলছি। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলছেন ঠিক বলছেন। এতে অসুবিধার কী আছে? তবে এখানেই থামেননি তিনি। কল্যান ইস্যুতে কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেসকে। তাঁর বক্তব্য, কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে বলায় প্রমাণিত যে দলে হাইকমান্ড সংস্কৃতি নেই। এটা আমাদের জন্য তো ভালোই। পার্থ চট্টোপাধ্যায় সতর্ক করার পরও পোস্টার পাল্টা পোস্টার চলেছে, হাইকোর্টে চত্বরে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার হয় তো ডায়মন্ডহারবার বা কল্যান ইস্যুতে বিতর্ক কমতে পারে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
সম্পাদকীয়

মেগা কোভিড-১৯ টেস্টিং ড্রাইভ' হোক রাজ্য জুড়ে, কেন বঞ্চিত বাকি অঞ্চল

বাংলায় করোনার পজিটিভিটি রেট ৩০ শতাংশের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। পাশাপাশি করোনা-আক্রান্তের মৃতের সংখ্যাও ক্রমশ বেড়ে চলেছে। গত কয়েক দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গড়ে ২০ হাজারের বেশি। কিন্তু এখনও সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ সচেতন নয়। উৎসব, মেলা অনেক হল, এবার সরকারি উদ্যোগেও ঘাটতি থাকা উচিত নয়। ডায়মন্ডহারবারে এক দিনে ৫০ হাজার কোভিট টেষ্ট করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে রাজ্যের অন্য সংসদীয় এলাকায়ও এমন উদ্যোগ নেওয়া হোক। একটি লোকসভা কেন্দ্রে সরকার পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে বাকি কেন্দ্রে তা হবে না তা কোনও গণতান্ত্রিক দেশে হওয়া বাঞ্ছিত নয়। এক্ষেত্রে একই রাজ্যে তো নয়ই।করোনা আমাদের সামাজিক পরিকাঠামোর সর্বনাশ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, ছোট-বড় বেসরকারি সংস্থার কর্মী, খেটে খাওয়া মানুষরা আজ বড় অসহায়। তবু করোনা বিধিকে তোয়াক্কা করছেন না একটা অংশ। কেন তাঁদের এই অনীহা এটা আজ প্রশ্ন। তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়লেও অল্প দিনে সেরে ওঠায় অনেকে হালকা ভাবে নিচ্ছেন। কিন্তু পজিটিভিটি রেট ও মৃত্যুর সংখ্যা চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসক মহলকে। অতএব করোনা নিয়ে সচেতন না হলে আগামি দিনে কী বড় বিপদ অপেক্ষা করছে তা কারও জানা নেই।বিশেষজ্ঞরা নানা আশার বানী শোনাচ্ছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের একটা অংশের দাবি, ভ্যাকসিনের কাজ করবে ওমিক্রণ। তাহলে তো অতি উত্তম। কিন্তু যে ভাইরাসটা সম্পর্কে কোনও গবেষণা সম্পূর্ণ নেই, তা সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা শ্রেষ্ঠ উপায় বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন ও শীতের উৎসবের পর তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যায়। মুখে মাস্ক ও ভিড় এড়ানোই করোনা মোকাবিলার সেরা অস্ত্র বলে আসছেন, তা কেন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না সেটাই মূল প্রশ্ন। সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষকে করোনা মোকাবিলায় শরিক হতে হবে। আজ মনে হতে পারে আমার কিছু হবে না, ঘুরিয়ে সেই বিপদ কখন নিজের বাড়িতে হাজির হয়ে যাবে তার কোনও গ্যারান্টি নেই।এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহাবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যে পজিটিভিটি রেট ৩ শতাংশের নীচে কমিয়ে আনতে হবে। ডায়মন্ডহারবার সংসদীয় কেন্দ্রে একদিনে ৫০ হাজার মানুষের করোনা টেষ্ট করা হয়েছে। খুব ভালো উদ্য়োগ। কিন্তু কেন রাজ্যের বাকি ৪১টি কেন্দ্রে এই উদ্যোগ নেওয়া হল না সেটা বড় প্রশ্ন। ওই ৫০ হাজার মানুষের করোনা টেষ্ট তো সরকারি অর্থেই হয়েছে। এমন নয় তো বেসরকারি সংস্থা সমাজেসেবা করেছে। তাহলে একই রাজ্যের অন্য সংসদীয় কেন্দ্রেও এমন উদ্যোগ নেওয়া উচিত। প্রথমত এক রাজ্যে ভিন্ন নীতি হবে কেন? অন্য় সংসদীয় কেন্দ্রের নাগরিকরা কেন বঞ্চিত হবে? সংসদীয় কেন্দ্র ভিত্তিক না হোক জেলা ভিত্তিক, মহকুমা বা ব্লক ভিত্তিক করোনা পরীক্ষার করার ব্যবস্থাও করতে পারে সরকার।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজনীতি

অভিষেকের 'ডায়মন্ডহারবার মডেল' নিয়ে তৃণমূল যুবনেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে প্রকাশ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসে বিরোধ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সোশাল মিডিয়ায় দলের সাধারণ সম্পাদকের হয়ে গলা ফাটাতে শুরু করেছেন যুবনেতারা। তৃণমূলের রাজ্য যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের পর এবার তৃণমূল যুবর রাজ্য সহসভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় আই সাপোর্ট ডায়মন্ডহারবার মডেল লিখে ফেসবুক পোষ্ট করেছেন। ওই পোস্টে ইঙ্গিতে এক সাংসদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবও দিয়েছেন শান্তনুবাবু।করোনা নিয়ে অভিষেকের কিছু ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক মহল তোলপাড়। বিরোধীরা তা নিয়ে ইতিমধ্যে সমালোচনা করেছেন। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, দলে থেকে ভালো সাজার চেষ্টা হচ্ছে। সিপিএমের বক্তব্য, এখন করোনা মোকাবিলায় ২ মাস রাজনৈতিক, ধর্মীয় সভা-সমাবেশ বন্ধ করার কথা বলছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। কিন্তু ডায়মন্ডহারবারের এমপি কাপে ভিড়ের কথা কী ভুলে গিয়েছেন তিনি। তাছাড়া পুরভোট বন্ধ নিয়ে এখনও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। এদিকে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেকের বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য কখনও ব্যক্তিগত হয় না। এটা একপ্রকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করা। তবে রাজনৈতিক মহল তৃণমূল কংগ্রেসের এসব কান্ডকে এখনই গুরুত্ব দিতে নারাজ। এটা আদি-নব্য মতানৈক্য নাকি দলের রণকৌশল তা নিয়ে জল্পনা চলছে। সময় এর জবাব দিয়ে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিকে রাজ্য তৃণমূল যুব নেতা তথা হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্য়ায় তাঁর ফেস বুক পোস্টে সরাসরি অভিষেকের ডায়মন্ডহারবার মডেলকে সমর্থন করেছেন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন-#I_Support_Diamond_Harbour_Modelরাজনীতি তে মানুষই শেষ কথা বলে।মমতা ব্যানার্জীর আদর্শে এবং তাঁর দেখানো পথে মানুষের পাশে অভিষেক ব্যানার্জী ছিল, আছে আর থাকবে। মানুষ এর আশীর্বাদ সাথে থাকলে কোনো অ-কল্যান কামি শক্তি কিছু করতে পারে না।মমতা ব্যানার্জী জিন্দাবাদ।।অভিষেক ব্যানার্জী জিন্দাবাদ।।#তফাৎছিল তফাৎআছে তফাৎ_থাকবে ।।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নামে জয়ধ্বনী দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ-কল্যান কামী শব্দটি নিয়েই রাজনৈতিক মহল তোলপাড়। কেন অকল্যান অ-কল্যান হল, তা নিয়েই গবেষণা চলছে তৃণমূলে। যদিও এনিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেননি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়া তফাৎ কার সঙ্গে কার তা নিয়েও গুঞ্জন অব্যাহত।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

Employment: রাজ্যে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান ৪২ হাজার, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

দুয়ারে রেশন প্রকল্পে রাজ্যে নতুন ৪২ হাজার কর্মসংস্থানের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে রেশন ডিলারডের গাড়ি কেনার জন্য ১ লক্ষ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার কথাও জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বাড়ির ৫ মিটারের মধ্যে রেশন পৌছানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সারা রাজ্যে ২১ হাজার রেশন ডিলার রয়েছেন। এদিন নেতাজি ইন্ডোরে রেশন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় এদিন বলেন, রেশন ডিলাররা লোক নিতে পারে না। পাড়ায় পাড়ায় রেশন পৌছবে কি করে! ২১ হাজার ডিলার ৪২ হাজার লোক নেবেন। এর জন্য রাজ্যের ১৬০ কোটি টাকা বেশি লাগবে। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার ৫ হাজার টাকা দেবে আর ৫ হাজার ডিলাররা দেবে। এর বেশি দেওয়া সম্ভব নয়। মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, কাজটা করতো দেবেন। কেউ কিন্তু বাধা দেবেন না। আমি যখন বলেছি তখন করব। অসুবিধা হলে খাদ্য দফতর তাঁদের মত ভাববে।এদিনের অনুষ্ঠানে গ্রাহকের বাড়ির কতটা কাছে গিয়ে রেশন সামগ্রী দেওয়া হবে তাও জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বাড়ির কাছাকাছি না রেশন পৌছালে দুয়ারে রেশন বলতে পারবো না। ৫০০ মিটারের মধ্যে গাড়ি দাঁড় করাবেন। ওই অঞ্চলের লোক রেশন নেবে। আগে থেকে জানিয়ে দেবেন। তাহলে গ্রাহকদের বেশি হাঁটতে হবে না। তারপর আবার পরের ৫০০ মিটারে গাড়ি দাঁড় করাবেন। যেহেতু এবার গাড়ি করে সামগ্রী নিয়ে যেতে হচ্ছে তাই গাড়ি কিনে নেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ডিলার গাড়ি কিনলে সাবসিডি পাবে। গাড়ির জন্য ১ লক্ষ টাকা ভর্তুকি দেবে সরকার। নতুন গাড়িও হয়ে যাবে ডিলারদের।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

Mamata banerjee: একে করোনা আতঙ্ক, এবার ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া নিয়ে সাবাধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

করোনা আতঙ্কে জেরবার রাজ্যবাসী। এবার তার সঙ্গে আতঙ্ক বাড়তে চলেছে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার। তবে তা যে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সেকথা জানাতে ভোলেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক থাকতে বলেছেন সাধারণ মানুষকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, এখন একটু জ্বর হয়। এত ভয় পাওয়ার কারণ নেই। মাস্কটা পড়বেন। আর ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু থেকে সাবধান থাকবেন। তবে আউট অব কন্ট্রোল নয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এখনও পর্যন্ত ম্যালেরিয়ায় ২ জন ও ডেঙ্গুতে ৫ জন মারা গিয়েছে।কলকাতা ও শহরতলিতে বরাবরই ডেঙ্গু নিয়ে একটা আতঙ্ক থাকে। তাছাড়া ম্যালেরিয়ার প্রকোপ থেকেও মুক্ত নয় এই অঞ্চল। তবে করোনা পরিস্থিতির আগে বেশ কয়েক বছর ডেঙ্গু আতঙ্কে রীতিমতো জেরবার হয়েছে মহানগর। এবার ফের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তবে মুখ্যমন্ত্রী সাবধান থাকতে বললেও নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, মশা থেকে সকলকে সকর্ত থাকতে হবে। করোনার সঙ্গে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি ভয়ানক হয়ে দাড়াতে বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন। মশা নিধনে পুরসভা ও সাধারণ মানুষকে উদ্য়োগী হতে আবেদন জানিয়েছেন চিকিৎসকমহল।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bandyopadhyay: 'আজ খুঁটি পুজো, ২৩-এ বিসর্জন', আগরতলায় হুঙ্কার অভিষেকের

নানা বিতর্কের পর হাইকোর্টের রায়ে অবশেষে ত্রিপুরায় সভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবাসরীয় এই সভায় তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য় তথা প্রাক্তনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরার মাচিতে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন সভায় অভিষেক বলেন, আজ খুঁটি পুজো করলাম। ২০২৩-এ বিসর্জন। এতো ভয় কিসের! তৃণমূলকে আটকাব, অভিষেককে ঢুকতে দেব না। যত কুৎসা করবেন তত তৃণমূলের শক্তি বাড়বে। দুমাসে ১০০ গাড়ি ভেঙেছে। আজ আমরা একটা কর্মসূচি নিয়েছি, ত্রিপুরার জন্য তৃণমূল। যে শিক্ষকদের চাকরি গিয়েছে তাঁদের চাকরি ফিরিয়ে দেব।তিন দিন আগে গোয়া সফরে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ত্রিপুরায় সভা করলেন অভিষেক। এরপর ডিসেম্বরে আগরতলায় সভা করবেন মমতা। দিপাবলীর পর ফের ত্রিপুরায় আসবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, ডিসেম্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন। আস্তাবলে মিটিং হবে। পুলিশই বলছিল, এদিনের সভায় ১০হাজার লোক আসবে। তলায় তলায় নিঃশব্দ বিপ্লব শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য চালাচ্ছে বিপ্লব দেব। তাঁর একটা ক্লাব চালানোর যোগ্যতা নেই। একটা কাউন্সিলর হওয়ারও যোগ্যতা নেই। ত্রিপুরাকে বিজেপি মুক্ত ও মা-মাটি-মানুষের সরকার গড়ার কথা ঘোষণা করেন অভিষেক।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজনীতি

Rajib Bandyopadhyay: 'আমি ভুল করেছি, আমি অনুতপ্ত,' তৃণমূলে যোগ দিয়ে বললেন বিজেপি নেতা

শেষমেশ ত্রিপুরায় তৃণমূলের জনসভায় ঘাসফুলে যোগ দিলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য রাজীব বন্দ্য়োপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে মঞ্চেই তিনি স্বীকার করেন বিজেপিতে গিয়ে অনুতপ্ত। এদিনের মঞ্চেই তিনি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিতেও ভোলেননি রাজীব। মমতাকে দেবী হিসাবে ঘোষণা করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। বারে বারে মার্জনা প্রার্থনা করেন রাজীব।অভিষেককে পাশে বসিয়ে প্রাক্তন বিজেপি নেতা বলেন, আমি বারবার বলেছিলাম পেট্রল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম কমাতে হবে। বলেছিল হবে হবে। শিল্পের কথা বলেছিলাম। ডানলপ খুলুক আর ইন্ডাস্ট্রি হবে, একথা আপনারা ঘোষণা করুন। আমাকে ভুল বুঝিয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, ডবল ইঞ্জিন সরকার ত্রিপুরায় কোনও কাজ করছে না। আমি সমালোচনা করেছিলাম দুয়ারে সরকার, স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে ভেবেছিলাম ভোটের জন্য। আমি ভুল ছিলাম। এখনও সব প্রকল্প চলছে। এখানে লক্ষ্মীর ভান্ডার আছে? তৃণমূলের ভয়ে কাঁপছেন।তৃণমূলে ফিরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজনীতি করবেন তা ঘোষণা করেন ডোমজুরের প্রাক্তন বিধায়ক। রাজীব বলেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বলেছিলাম বাংলার উন্নয়ন চায় মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ছাড়া আর কেউ নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের মা, আজ দেবী রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আমি চিনতে ভুল করেছি। আমি ভুল করেছি। স্বীকার করছি। আমি অনুতপ্ত।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
বিবিধ

'Burj Khalifa: দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর 'বুর্জ খলিফা' নিয়ে বিষ্ফোরক তণমূল সাংসদ

শ্রীভূমির বুর্জ খলিফা নিয়ে দুর্গাপুজোর শুরু থেকেই হইচই চলছে কলকাতা জুড়ে। রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজোর আয়োজন নিয়ে সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে। মন্ডপে উপচে পড়ছে দর্শনার্থী। এবার সুজিত বসুর উদ্যোগ নিয়ে তোপ দাগলেন দলীয় সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়।বিশ্বের বৃহত্তম ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। এবার লেজার লাইট সহযোগে এই বুর্জ খলিফার আদলে মন্ডপ গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে দমকলমন্ত্রীর ক্লাব শ্রীভূমি। প্রতিবছর কোনও না কোনও বিশেষ আকর্ষণ থাকে শ্রীভূমির। এবার বুর্জ খলিফা দেখতে লোকে-লোকারন্য। কলকাতা যেন ওই পুজো দেখতে ভেঙে পড়েছে। যদিও বুর্জ খলিফার লেসার লাইট নিয়ে বিমানবন্দর কতৃপক্ষ আপত্তি তোলায় তা বন্ধ রাখতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুজিত বসুর দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সুজিত এমনি খুব ভাল ছেলে। কিন্তু বিমানবন্দর এলাকা হওয়ায় আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। আইন অনুযায়ী লক্ষ্য রাখা হয়নি। কেন এত ক্রাউড ডাকব। ভিড় যাতে বেশি না হয় সেদিকে নজর রাখতে হতো। এমন একটা কাজ করা উচিত নয় যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ হাজির হয়ে গেল।কোভিড পরিস্থিতি এর ফলে বিগড়ে যেতে পারে বলেও ওই তৃণমূল সাংসদ মনে করছেন। তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্যটা এর ফলে ব্যহত হচ্ছে। খোলামেলা জায়গা চাই। যাতে ভাইরাসটা বেরিয়ে যেতে পারে। তুমি বদ্ধ জায়গায় বিপুল লোক জড় করে দিলে। এটা কোভিড নিয়ন্ত্রণের বিরোধী হয়ে যাচ্ছে। যদিও এবিষয়ে সুজিত বসুর কোনও মন্তব্য মেলেনি।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
রাজনীতি

TMC: উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক

বাংলার চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায় রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ একঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক। যাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন রয়েছেন টলিউডের তারকা। ৩০ অক্টোবরের উপনির্বাচনগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেস যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে তা এই তালিকার মাধ্যমেই প্রমানিত। দিনহাটা, গোসাবা, শান্তিপুর ও খড়দহে আগামি ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন। ইতিমধ্যে চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থীরা প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন। শুক্রবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচন কমিশনে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে তৃণমূলের ২০ জনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রয়েছেন রাজ্যের আরও ৬ জন মন্ত্রী। মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মনোজ তেওয়ারি, অরূপ বিশ্বাস ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। প্রচারে নাম রয়েছে ৬ সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, দীপক(দেব) অধিকারী, মিমি চক্রবর্তী, সুব্রত বক্সী, শতাব্দী রায়ের। বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন জুন মালিয়া, সোহম চক্রবর্তী, রাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি। রয়েছেন সায়নী ঘোষ ও সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচার তালিকায় রয়েছেন ৮ জন টলিউড তারকা। ইতিমধ্যে রাজ্যে ভবানীপুর উপনির্বাচন এবং জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে নির্বাচন হয়েছে। ৩ অক্টোবর ওই তিন কেন্দ্রের ফলপ্রকাশ হয়েছে। তিন কেন্দ্রেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবু উপনির্বাচনকে হালকা ভাবে নিতে চাইছে না ঘাসফুল শিবির, এই তালিকাই তার প্রমান বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Sabyasachi Dutta: বিধনসভায় পরিষদীয়মন্ত্রীর ঘরে সব্যসাচীর তৃণমূলে যোগ, রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে

বিধানসভায় দলবদল। বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরলেন প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত। দলবদল হল একেবারে বিধানসভা চত্বরে। বৃহস্পতিবার পরিষদীয়মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে মুকুলপন্থী বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই দলবদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, এটা একটি বিরল এবং ব্যতিক্রমী ঘটনা। দেশের অন্য কোনও বিধানসভা কখনও এমন দৃশ্য দেখেনি বা প্রত্যক্ষ করেনি। বিধানসভাকে নিজের দলীয় অফিস হিসেবে ব্যবহার করছে।বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরে আসার যেন মিছিল পড়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল আসন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য় ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূলে ফেরার হিরিক লেগেছে। একাধিক বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে এসেছেন। হেরে যাওয়া বিজেপি প্রার্থীদেরও দলে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপি গিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্ত। বিধানসভার ফল বেরনোর পর সর্বপ্রথম কৃষ্ণনগরের বিধায়ক মুকুল রায় তৃণমূলে ফেরেন। তখনও অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল মুকুলপন্থীরা ঘাসফুল শিবিরে ফিরবেন। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই আভাস দিয়েছিলেন। এদিন তা একেবারে স্পষ্ট হল।তবে সব্যসাচীর দলে ফেরা নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরেই ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সাংবাদমাধ্যমে বলেছেন, নির্বাচনে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গলমন্দ করলেন, তাঁরাই এখন দলে ফিরছেন। এতে কর্মীদের মনোবল ভেঙে যায়।এর আগে কখনও রাজ্য বিধানসভা সত্বরে দলবদল হয়েছে, এমন নজির নেই। বিরোধী নেতৃত্ব নবান্নে গিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু বিধানসভা চত্বরে এই প্রথম দলবদলের ঘটনা ঘটেছে। এবার ঘটেছে একেবারে পরিষদীয়মন্ত্রীর ঘরে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেরও বক্তব্য, বিধানসভা চত্বরে এই দলবদলের ঘটনা ঐতিহাসিক নজির হয়ে থাকবে। আবার এমন দিনে তৃণমূলে যোগ দিলেন সব্যসাচী দত্ত যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় রাজ্যপালের কাছে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

By Election: রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী কারা? ঘোষণা মমতার

ভবানীপুরের ফলপ্রকাশের পরপরই বাকি চার কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ভবানীপুরে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা। এদিন কালিঘাটে বাড়িরে বাইরে বেরিয়ে এসে সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী। বাকি চারটি উপনির্বাচেনর মধ্যে তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শান্তিপুরে প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী। দিনহাটায় উদয়ন গুহ, খড়দহে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, গোসাবার প্রার্থীর নাম একটু পড়ে ঘোষণা করব। সেখানে দুটো নাম আছে, বাপ্পাদিত্য নস্কর ও সুব্রত মন্ডল। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানিয়ে দেন।ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মে-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে কৃষিমন্ত্রী করা হয়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হয়েছিলেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুখ্যমন্ত্রী হন। ৬ মাসের মধ্যে মমতাকে বিধায়ক হতে হবে সেই কারণে ভবানীপুর আসন থেকে পদত্যাগ করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তারপর সেখানে উপনির্বাচন হয়। আর দিনহাটার তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিকের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। নিশীথ প্রামানিক পদত্যাগ করায় দিনহাটা আসনটি খালি হয়। শান্তিপুর থেকে পদত্যাগ করেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের মৃত্যুতে আসনি খালি হয়।এদিকে এদিন ভবানীপুর, জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জের নির্বাচনে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। স্বভাবতই মনোবল আরও বেড়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। বিধানসভা নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে তৃতীয় বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতা পায় তৃণমূল কংগ্রেস। বাকি চার বিধানসভা কেন্দ্রেও যে এখনও তৃণমূল বাকিদের থেকে অনেকটা এগিয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata banerjee: ভবানীপুরে বিপুল ভোটে জয় মমতার, লক্ষ্য এবার দিল্লি

প্রত্যাশামতো বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫৮,৮৩২ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওযালকে। এই জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি বলেন, কোনও ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে হারায়নি। এর আগে একটা দুটি ওয়ার্ডে হেরেছি। এই কেন্দ্রে ৪৬ শতাংশ অবাঙালি ভোটার। সবাই শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিয়েছেন। আজ আমার মন ভরে গিযেছে। ভবানীপুরের মানুষ দেখিয়ে দিল। সারা বাংলা আজ ভবানীপুরে দিকে তাকিয়ে ছিল। এর আগে বাংলা আঘাত পেয়েছিল। নন্দীগ্রামে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আদালতে মামলা চলছে। আদালতে বিচারাধীন বলে হারের কারণ বলছি না। আমার মনে পড়ে আছে জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে। ওই দুটিতেও আমরা জিতছি। মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ দেন তিনি।তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম আগেই বলেছিলেন ৫০ হাজারের ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। জয় পেলেন তার থেকেও বেশি ভোটে। তৃণমূল নেতা মদন মিত্রর বক্তব্য, এবার আমরা অবাঙালি এলাকায় বিপুল ভোট পেয়েছি। রাজনৈতিক মহলের মতে, অবাঙালি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের লীড এই নির্বাচনে বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। এবার নিজের জয়ের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন মমতা।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Banerjee: প্রায় ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেতে চলেছেন মমতা

ভবানীপুর, সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর তিন কেন্দ্রেই জয়ের পথে তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে ভবানীপুর ও জঙ্গিপুরে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ভবানীপুরে ইতিমধ্যে ১২ রাউন্ড গণনার পর প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে গিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের থেকে। এই কেন্দ্রে নামমাত্র ভোট পেয়ে জামানত খোয়াতে চলেছেন সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস। সাতসকালেই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা করেছিলেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটগণনার গতি দেখে মনে করা হচ্ছে মমতার জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ইতিমধ্যে কালিঘাটে ভিড় জমিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। আবির খেলাও শুরু হয়ে গিয়েছে। উচ্ছ্বাসে আত্মহারা তৃণমূলের সমর্থকরা। অন্যদিকে জঙ্গিপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর থেকে প্রায় ২৬ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন। সামশেরগঞ্জ কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী জইদুল ইসলামের থেকে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম ৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।এই কেন্দ্রে বিজেপি ও বামপ্রার্থী কংগ্রেস প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট থেকেও পিছিয়ে আছেন। এদিকে ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় উৎসব করতে নিষেধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবিষয়ে কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

By Election: ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সামশেরগজ্ঞ ও জঙ্গিপুরেও এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস

হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে টানটান উত্তেজনায় সকাল থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ভবানীপুরের উপনির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের গণনায় এগিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভবানীপুরে ২১ রাউন্ড গণনা হবে। প্রথমে শুরু হওয়া পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে মমতা। অন্য়দিকে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ও জলঙ্গি কেন্দ্রেও গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে গণনা কেন্দ্রগুলিতে। এর আগে নন্দীগ্রামের ভোট গণনা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। শেষমেশ বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী ওই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টে মামলা করেছেন নন্দীগ্রামের ভোটের ফল নিয়ে। সেই মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এদিকে তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছে, ভবানীপুর কেন্দ্রে ৫০ থেকে ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধান জয়ী হবেন মমতা{ জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে সামশেরগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম ও জঙ্গিপুরে জাকির হোসেন ১৩০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: এই বন্যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী নিজে, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই বন্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। বিগত বছরগুলোতে প্রাক বর্ষার যেসব কাজ হয়ে থাকে, এবার তা কিছুই করা হয়নি। আর তার কারণ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন। আর এই নির্বাচনের কারণেই বাংলার মানুষকে বানভাসি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর ম্যান মেড তত্ত্ব খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু জানান, শুধুমাত্র ডিভিসির জল ছাড়ার জন্য বন্যা হয়নি। বানভাসি এলাকার দুর্বল বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে বাঁধ মেরামতি আর করেননি। অতিবর্ষণের ফলে সেই দুর্বল বাঁধগুলো অনায়াসে ভেঙে গিয়েছে। আজ নিজের চেয়ার বাঁচাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডুবিয়েছেন।১৫ দিন ধরে পটাশপুর, সবংয়ের লোক জলের তলায়। এই সরকারের আর কিছু নেই। এই সরকার শুধু ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেন না। এই অপরাধের জন্য ঈশ্বর তাঁকে কখনও ক্ষমা করবেন না।

অক্টোবর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sanjib Banerjee : অভিনয় জীবনের গল্প বললেন অভিনেতা সঞ্জীব ব্যানার্জি

বাড়ি হাওড়া কিন্তু এমন এক জায়গায় যেখান থেকে কলকাতা ঢুকতে ৫ মিনিটও লাগে না। ফলে কলকাতায় আসা যাওয়া করতে কোনো অসুবিধা হয় না। কারণ হাওড়া হলেও এটা কলকাতাই বলা যায়। ফলে স্ট্রাগল করতে একটু সুবিধা হয়। বাড়িতে থাকেন বাবা মা এক পিসি আর আমি। জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ করার মানুষ একজনই...আমি। অভিনয় আমার প্যাশন..একদম মন থেকে প্রচণ্ড ভালোবেসে করি। বলা যেতে পারে অভিনয় আমার প্রথম গার্লফ্রেন্ড।অভিনেতা হিসাবে আমার জীবন শুরু হয়নি এমনকি কোনোদিন ভাবিও নি যে অভিনেতা হবো। কিন্তু ওটা হয়তো রক্তেই ছিলো। আমি একজন ব্যবসায়ী ছিলাম। এখনও একজন ছোট ব্যবসায়ী কিন্তু অভিনয় আমার পেশা..আমার ধ্যান, জ্ঞান সবকিছুই। শুনেছি আমার ঠাকুরদা নিজে অভিনয় করতেন না কিন্তু করাতেন। উনি নাটক লিখতেন এবং চরিত্র অনুযায়ী অভিনয় করাতেন।আমার কাজের শুরু আকাশ আটে..উমার সংসারে। আমার অতি প্রিয়, সম্মানীয় অ্যাক্টর/ডিরেক্টর অনিন্দ সরকার আমায় প্রথম সুযোগ দেন। তারপর ধিরে ধিরে অনেক জায়গায় অনেক চরিত্রে কাজ করি। কোথাও বাবা, কোথাও ডক্টর আবার কোথাও বা মুসলিম ছেলের চরিত্রে। শেষ মেগার কাজ আলোছায়া তে। একজন কেমিষ্ট হয়ে কাজ করি আলোছায়াতে। পরে আরও কিছু মেগায় যেমন রিমলি, বীণাপানি থেকে ডাক আসলেও কাজ করতে পারিনি, সেই সময় অন্য শুট থাকায়। অভ্যাস না থাকলেও লকডাউনে কিছু হোমশুট করি যেমন জনসেবা, কেষ্ট, বড়মেয়ে, মার্ডার ফর মাস্ক এবং আরও কিছু।জীবনের প্রথম টেলিফিল্ম কোন এক গাঁয়ের কথা যা মিউজিক বাংলা, ধুম মিউজিকে দেখানো হয়। পরের কাজ তরী,বাল্য বিবাহের বিরূদ্ধ্বে..যার জন্য আমি একটি অ্যাওয়ার্ড পাই। এটাও ধুম মিউজিক, মিউজিক বাংলায় দেখানো হয় এছাড়া প্রায় ১৩ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নমিনেটেড হয়। এরপর হল রিলিজের জন্য অভিনয় করি.. আদর্শ তে। একজন রিটায়ার্ড আদর্শবান মাষ্টার মশাইয়ের আদর্শ নিয়ে গল্প এবং নাম ভূমিকায় আমি।পরবর্তী ছবি একটি চিঠির গল্প যার একটা প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমি কাজ করেছি এবং এটির ট্রেলার ভারত ও বাংলাদেশে একই সঙ্গে মুক্তি পেতে চলেছে আগামী মহালয়ার দিন।বাংলাদেশের চ্যানেল ৬ এই ছবির মিডিয়া পার্টনারও। বোম্বের একটি হিন্দি ফিল্মে কাজ করেছি ছোট্ট একটি চরিত্রে। এছাড়া করেছি ওয়েব সিরিজের কাজ। যেখানে আমি ছিলাম একজন মারকুটে পুলিশ অফিসার।কথা কম। ডান্ডা চলতো বেশি। কিছু ফিল্মের কাজ ফাইনাল হয়ে আছে.. যার শুট শুরু হবে পূজোর পর। নাম বলা বারণ..তাই এখনই বলতে পারবো না। মালয়ালম ফিল্ম থেকে কাজ করার অফার আছে। ওখানকার পরিস্থিতি ঠিক হলে হয়তো কাজ করবো। কাজের অফার আছে বাংলদেশ থেকেও। নিশ্চই কাজ করবো।নিজেকে ধন্য মনে করবো যদি ডিরেক্টর সন্দীপ রায় কোনদিনও কোনো কাজের জন্য আমায় যোগ্য মনে করেন। কাজ করার খুব ইচ্ছে ডিরেক্টর কৌশিক গাঙ্গুলী, ডিরেক্টর রাজ চক্রবর্তী, গৌতম ঘোষ, অপর্ণা সেন, পরমব্রত। এনাদের মতো মানুষদের কাছে। যদিও আমি কাউকে ছোট ভাবিনা এবং কাজের ব্যপারে আমি কাজটাকেই ভালোবাসি। কে ডিরেক্ট করছেন তাকে নয়। তাই ছোট, বড়, নামি, অনামি। সব ডিরেক্টরই আমার পছন্দের। সকলের কাছেই আমি কাজ করতে চাই।কাজ করতে চাই মেগায়। স্নেহাশীষবাবু (ব্লুজ), শৈবাল বাবু (ম্যাজিক মোমেন্ট) র কাছে। আমি স্নেহাশীষ দার লেখার খুব ভক্ত। করতে চাই বেশ কিছু চ্যালেনজিং চরিত্র যেখানে অনেক শেড আছে। তবে সম্পূর্ণটাই নির্ভর করছে এবং আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, কে কি ভাবে আমায় দেখছেন এবং আমার কাছে তারা কেমন অভিনয় চাইছেন। সাংসারিক জীবনে কেউ নেই। অপেক্ষায় আছি। যাকে ভালোবাসি এখনও, সে আমায় ভুল বুঝে দূরে সরে আছে। তাকে আমি বৃষ্টি বলে ডাকি। বই পড়তে, ঘোড়ায় চড়তে আর রাইফেল চালাতে খুব ভালোবাসি।ভালোবাসি নিজে ড্রাইভ করে লং ড্রাইভে যেতে। নতুন নতুন রান্নার এক্সপেরিমেন্ট করতে খুব ভালো লাগে।ভালোবাসি সমুদ্রের উদ্দামতা, পাহাড়ের গম্ভীরতা আর জঙ্গলের গভীরতা.. তিনটেই। এই হলাম মোটামুটিভাবে। আমি। সব তো একসঙ্গে, একইদিনে বলা সম্ভব নয় তাই অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেলো। সেসব আবার পরে হবে। অন্য কোনোদিন।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজনীতি

BIG BREAKING: বিজেপি ছাড়ার হিড়িক চলছেই, তৃণমূলে যোগ বাবুলের

তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে এই খবর প্রথম প্রকাশিত করা হয়। আসানসোলের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিছুদিন ধরেই রাজনীতিতে থাকা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে আসছিলেন।Today, in the presence of National General Secretary @abhishekaitc and RS MP @derekobrienmp, former Union Minister and sitting MP @SuPriyoBabul joined the Trinamool family.We take this opportunity to extend a very warm welcome to him! pic.twitter.com/6OEeEz5OGj All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 18, 2021এমনকী, তিনি আর রাজনীতিতে থাকতে চান না বলেও জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি ভবানীপুরের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের স্টার ক্যাম্পেনার হন বাবুল। কিন্তু, আচমকাই তাঁর এমন তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত আগে থেকে কেউ পায়নি। শনিবার বাবুলের যোগদান চমক শুধু বিজেপি-র কাছেই নয়, চমক তৃণমূলের কাছেও। ভবানীপুর উপনির্বাচনের আগে এমন চমক পাওয়া যাবে, তা শাসক দলের অনেকেই আশা করেননি। সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল করলে মন্ত্রিত্ব খোয়ান বাবুল। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই এ নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আনেন মোদি মন্ত্রিসভার দুবারের মন্ত্রী। রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণার পাশাপাশি জানান তিনি সাংসদ পদও ছেড়ে দেবেন। ততক্ষণে উদ্যোগী হয়ে ওঠেন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জরুরি বৈঠকে বসেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে বাবুল জানান, তিনি রাজনীতি ছেড়ে দিলেও সাংসদ পদ ছাড়ছেন না। সঙ্গে এটাও বলেছিলেন যে, তিনি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন কাটতে না কাটতেই চমক দিলেন বাবুল।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Prantik Banerjee : 'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়

গতবছর ১৫ই নভেম্বর আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আমাদের সকলের প্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তবে তাঁর অভিনীত কয়েকটি প্রোজেক্ট এখনও রিলিজ হওয়া বাকি। যার মধ্যে রয়েছে ওয়েব সিরিজ আনন্দ আশ্রম। যেটি একটি ভৌতিক গল্পের ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে। আর এই ওয়েবেই মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় কে। আর এই ওয়েবেই প্রান্তিকের বিপরীতে দেখা যাবে বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ স্বস্তিকা দত্তকে। এটা স্বস্তিকার প্রথম ওয়েবে কাজ। আনন্দ আশ্রম এবং আগামী প্রোজেক্ট নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি প্রান্তিক।জনতার কথাঃ এই ওয়েব সিরিজে কোন ক্যারেক্টারে আমরা তোমাকে দেখতে চলেছি?প্রান্তিকঃ ক্যারেক্টারটা বেসিক্যালি ছবি বানায়। একজন ডকুমেন্ট্রি ফিল্মমেকার। সে এই ছবি বানানোর দৌড়ে একটা পুরনো বাড়ির গল্প খুঁজে পায়। এই গল্পের সার্চের সাথেই বাকি বিষয়টা আছে। ভৌতিক বিষয়টাও এখানে ইমোশনাল স্পেসে ভৌতিক। ভয়াবহ বিষয়টা নয়। এখানে ফিল্মমেকার হিসাবে আমি বাড়ির পুরো তথ্যগুলো বার করি। পাবলিকের সামনে নিয়ে আসি। জনতার কথাঃ স্বস্তিকার সঙ্গে অভিনয় করছো। প্রথম ওয়েবে কাজ করছে স্বস্তিকা। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?প্রান্তিকঃ আমার তো খুবই ভাল এক্সপিরিয়েন্স। এক্টুও দেখে মনে হয়নি যে ওর ওয়েবে ফার্স্ট কাজ। সি ইজ অ্যা ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। টেলিভিশনে তার কাজ দেখেছি। এখানেও খুবই ভাল কাজ করেছে। আমাদের দুজনের একসাথে এত ভাল বন্ডিং হয়েছে সেটা প্রচন্ডভাবেই ওয়ার্ক করেছে। জনতার কথাঃ সৌমিত্রবাবুর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? প্রান্তিকঃ প্রথমত বলতে চাই উনার মতো ব্যক্তিত্বের সাথে আমি কোনও কাজ করে উঠতে পারিনি। একটা থিয়েটারের দৌলতে তাঁর সাথে আলাপ ছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এটা আমার কাছে বিরাট প্রাপ্য তাঁর শেষ কাজটাতে অন্তত এক্টুখানি পাশে থাকতে পারছি। এরকম একজন মানুষের সান্নিধ্যে আমি কোনোওভাবে আসতে পারছি এটাই আমার কাছে একটা বড় পাওয়া। জনতার কথাঃ আপকামিং কি কি কাজ আসছে?প্রান্তিকঃ বড়পর্দার জন্য রিলিজ বলতে হৃদপিণ্ড এবং সিন্ডিকেট। হইচই তে একটা ভূতের সিরিজের ওপর কাজ আছে। সেটা নিয়ে কিছু রিভিল করা যাবেনা। পোস্টমর্টাম বলে একটা ইন্টারেস্টিং শর্ট ফিল্ম করলাম। একটা শর্ট ফিল্মের ডাবিং শেষ করলাম। প্লাস টেলিভিশনে দুটো শো চলছে। কড়ি খেলা জি তে এবং মন ফাগুন স্টারে। এদিক-ওদিক মিলিয়ে মোটামুটি চলছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Covid 19: কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

লোকাল ট্রেন বন্ধই থাকছে। আগামী ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত এরাজ্যে চলবে না লোকাল ট্রেন। বৃহস্পতিবার নবান্নে একথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতের কার্ফুর সময় ৯টা থেকে কমে হয়েছে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত। করোনাবিধি চালু থাকবে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত। কেন লোকাল ট্রেন বন্ধ রাখা হচ্ছে তার কারণও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।নানা মহল থেকে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি উঠছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অনেকেরই প্রশ্ন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি মানুষের কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ভ্যাকসিনটা এখনও সর্বত্র দেওয়া যায়নি। করোনার প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। দূরবর্তী ট্রেন চলছে, প্লেন চলছে, বাস, অটো, মেট্রো, গাড়ি সব চলছে। মমতা আরও বলেন, লোকাল ট্রেন বন্ধ রাখতে হচ্ছে কারণ সেপ্টেম্বরে থার্ড ওয়েভ আসার কথা আছে। তাই কন্ট্রোলে রাখতে হচ্ছে। কারণ থার্ড ওয়েভ দেখে নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থার্ড ওয়েভে শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে। শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। নিয়ম মেনে চলতে বললে নিয়ম মানা দূরের কথা সবাই দেখলাম গাদাগাদি করে চলে গেল। পরে সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকার ফলে অনেকের জীবীকায় টান পড়েছে। অনেকের যাতায়াতের খরচ বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর উপলব্ধি, মানুষের জীবন সব থেকে আগে। তিনি বলেন, বিশেষ করে দুই ২৪ পরগানা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, এসব এলাকা থেকেই লোকজন কাজের সূত্রে কলকাতায় বেশি যাতায়াত করে। এসব এলাকায় ৫০ শতাংশ টিকা দেওয়ার পর লোকাল ট্রেন চালু করে দেব। কোনও সমস্যা হবে না।

আগস্ট ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিতর্কে কড়া হাইকোর্ট! রাজ্যকে বেঁধে দেওয়া হল সময়

বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘ দিন ধরেই কাঁটাতার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার জমি না দেওয়ায় সীমান্তের বড় অংশ এখনও সুরক্ষিত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর করা মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই জমি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করছে না। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি নেওয়া যায়। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে কেন সেই ধারা প্রয়োগ করা হবে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, একটি রাজ্য যদি আন্তর্জাতিক সীমান্তের অংশীদার হয়, তা হলে তারা নিজেরা কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা সত্যিই আশ্চর্যের।আদালত জানায়, যে জমির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছে এবং অধিগ্রহণও হয়েছে, সেই জমি যত দ্রুত সম্ভব হস্তান্তর করতে হবে। এই ক্ষেত্রে এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।রাজ্য এখনও জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পায়নি বলে জানিয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত থাকলে জেলা শাসক সরাসরি আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবীও জানান, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে।মামলায় ২০১৬ সাল থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার রাজ্যকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্য ক্যাবিনেট কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া ৪০ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলেই রাজ্যের অবস্থান। রাজ্য আরও জানায়, যেসব জমির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। কিছু জেলায় এক-দু মাস সময় বেশি লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুন মাসে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসে জমি হস্তান্তরের কাজ শেষ হবে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ জেনারেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কাঁপছে বেজিং

চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কার্যত গোটা চিনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চিনা সেনার পরমাণু বোমা সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন নথি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চিনা সেনার এক শীর্ষ জেনারেল গোপনে সেই টপ সিক্রেট নথি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। এর ফলে চিনের পরমাণু অস্ত্র তৈরির বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নাকি পৌঁছে গিয়েছে ওয়াশিংটনের কাছে।অভিযুক্ত ওই সেনাকর্তার নাম ঝ্যাং ইউঝিয়া। বয়স ৭৫। তিনি চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ, চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প সংক্রান্ত কোর টেকনিক্যাল ডেটা তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমেরিকাকে পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, জেনারেল থেকে আরও উঁচু পদে পৌঁছতে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।একসময় ঝ্যাং ছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ ওঠায় বেজিংয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিন সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানালেও, আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, এই তদন্ত আসলে লোকদেখানো। ভিতরে ভিতরে ঝ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে বলেও জল্পনা।ঝ্যাং সেই সরকারি সংস্থার শীর্ষকর্তা ছিলেন, যারা চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পের দেখভাল করে। ওই সংস্থাই পরমাণু বোমার গবেষণা, উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের দায়িত্বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঝ্যাং এই সমস্ত গোপন তথ্য আমেরিকার হাতে তুলে দেন। সেই অর্থ আবার নিজের পদোন্নতির জন্য ঘুষ হিসেবেও ব্যবহার করতেন।চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা চিনা দূতাবাস এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বিবিসির দাবি, ঝ্যাংকে ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের ওই কমিশনে এখন নাকি মাত্র দুজন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁদের সাময়িকভাবে সরানো হয়েছে।এই কমিশনের আর এক সদস্য লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ঝ্যাং এবং লিউএই দুই শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় চিনা সেনার উচ্চমহলে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রথম শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোনও সেনাকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হল।ঝ্যাং এবং লিউ দুজনেই সত্তর ও আশির দশকে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬১ বছরের লিউ পিপলস লিবারেশন আর্মির জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন। এই বিভাগই চিনা সেনার প্রশিক্ষণ, অপারেশন এবং গোয়েন্দা কাজের দায়িত্বে থাকে।গত দুবছর ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, সেই অভিযানের ফলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয়েছে। ১৯৮০ সালে গঠিত সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ সেনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু সেই কমিশনের সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র দুজনে নেমে আসায়, তাইওয়ান প্রশ্নে চিনের সামরিক পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal