• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

রাজ্য

৩ দিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনদিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে সোমবার বিকেলে তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন। রাতে শিলিগুড়িতে থাকবেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার কোচবিহার যাবেন। সেখানে সার্কিট হাইসে থাকবেন তিনি। বুধবার গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।অনন্ত মহারাজের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বলে জানা গিয়েছে। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের বানেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় বীর চিলা রায়ের ৫১২তম জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা। এরপর কোচবিহার শহর সংলগ্ন শিবযজ্ঞ মন্দিরে তাঁর যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজনীতি

সভানেত্রীর পদ ছাড়া সমস্ত জাতীয় পদের অবলুপ্তি, মমতার বৈঠকে ঘোষিত ২০ জনের জাতীয় কর্মসমিতি

এক ব্যক্তি এক পদ নীতি নিয়ে দলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মতবিরোধের আবহে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যদের নাম ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৌরহিত্যে শনিবার কালীঘাটে তাঁর বাসভবনে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে কুড়ি জন সদস্যর নাম চূড়ান্ত করা হয়। সাংগঠনিক নির্বাচনের ১০ দিনের মাথাতেই ঘোষিত হলো তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন জাতীয় কর্মসমিতির। কমিটিতে যেমন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন, তেমনই রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। দলের বর্ষীয়ান নেতাদের পাশাপাশি জেলার একাধিক নেতাকেও দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়ে আসা হয়েছে। একইসঙ্গে দলের সভানেত্রীর পদ ছাড়া বাকি সব পদের অবলুপ্তি ঘটানো হয়েছে।সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া তৃণমূলে সমস্ত জাতীয় স্তরের শীর্ষপদের আপাতত অবলুপ্তি ঘটানো হল। অবলুপ্তি ঘটালেন স্বয়ং মমতাই! বদলে গড়া হয়েছে ২০ জনের জাতীয় কর্মসমিতি। যারা দলের কাজ দেখাশোনা করবে। কর্মসমিতির মাথায় রয়েছেন মমতা নিজে।তৃণমূলের অন্দরের ব্যাখ্যা, এই পদক্ষেপের মমতা আরও একবার দলের অন্দরে নিজের অবিসংবাদী কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করলেন। বস্তুত, সূত্রের দাবি, বৈঠকে উপস্থিতি নেতারা সকলেই মমতার হাতে দলের দায়িত্ব পরিপূর্ণ ভাবে অর্পণ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, মমতাই দলে শেষ কথা। নেতাদের সাক্ষর সংবলিত সেই বার্তাও দলনেত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের আরও দাবি, বৈঠকে সকলের সামনেই মমতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কদিন ধরেই পুরভোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে দলের অন্দরের ক্ষোভ যেভাবে প্রকট হয়েছে তাতে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বকে। এমনকী, এক ব্যক্তি এক পদ চালুর দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের তরুণ প্রজন্মের নেতা-নেত্রীদের লাগাতার প্রচারেও বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। কিছুটা হলেও ভুল বার্তা যাচ্ছিল সাধারণ মানুষের কাছে। পরিস্থিতি সামলাতে এদিন দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে বৈঠক চলে।বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আজকের বৈঠকে দলের নতুন জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যদের নাম চূড়ান্ত করেছেন নেত্রী। জাতীয় কর্মসমিতি গঠন সম্পূর্ণ হওয়ার পরে নির্বাচন কমিশনের কাছে জানিয়ে দেওয়া হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিত মিত্র, যশোবন্ত সিনহা, সুব্রত বক্সী, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুখেন্দুশেখর রায়, অনুব্রত মণ্ডল, গৌতম দেব, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বুলুচিক বরাইক, রাজেশ ত্রিপাঠী, অসীমা পাত্র ও মলয় ঘটক। জাতীয় কর্মসমিতির সভানেত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের বাকি পদাধিকারীদের নাম পরে ঘোষণা করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজনীতি

জরুরি ভিত্তিতে কালীঘাটের বাসভবনে বৈঠক ডাকলেন মমতা

চার পুরনিগমের ভোটগ্রহণের দিন শনিবার। এদিনই জরুরি ভিত্তিতে কালীঘাটের বাসভবনে বৈঠক ডাকলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে দলের সর্বস্তরে যে গণ্ডগোল ও মনোমালিণ্যের পালা চলছে তা নিয়েই আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। আগামিকাল কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বিকেল ৫ টা নাগাদ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুব্রত বক্সী ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার প্রার্থী তালিকা নিয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ চলছে। একাধিক জেলার নেতারা রয়েছেন দ্বিধাবিভক্ত, সেই পরিস্থিতির সামাল কীভাবে দিতে হবে তা নিয়ে বিস্তরা আলোচনা হতে পারে। এছাড়াও দলের বর্তমানে একাধিক নীতি নিয়ে চিন্তায় জেলার নেতারা। নতুন নিয়ম কার্যকর না হলেও পুরানো নিয়ম বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে বারবার সুব্রত বক্সী ও পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়ের কাছে ফোন আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে। তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। দলে আদৌ এক ব্যক্তি এক পদ নীতি বজায় থাকবে কি না তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও ইদানিং সৌগত রায়, মদন মিত্র কিংবা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিভিন্ন আভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন, তা নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তাও উঠবে এই জরুরি বৈঠকে। এছাড়াও আগামী দিনে জাতীয় স্তরে দলের সংগঠন কীভাবে এগোবে, তা নিয়েও রূপরেখা তৈরি করতে আলোচনা হবে বলেও জানা যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

মুকুল রায় বিজেপিরই বিধায়ক! জানিয়ে দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ

মুকুল রায় দলত্যাগ করেননি। দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে শুক্রবার মুকুল রায়ের দলত্যাগ মামলায় সিদ্ধান্ত জানালেন বিধানসভার অধ্যক্ষ। কোনও দলত্যাগ হয়নি বলেই এদিন জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, মুকুল রায়ের দলত্যাগ করেছেন, এমন কোনও প্রমাণ তাঁর হাতে আসেনি। এই দলত্যাগ নিয়ে বারবার বিজেপির তরফে অভিযোগ তোলা হলেও, এর সপক্ষে তেমন কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি অভিযোগকারীরা।অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মুকুল রায়ের দলত্যাগ সংক্রান্ত কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। অর্থাৎ বিজেপির টিকিটে জয়ী মুকুল রায় যে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন এর কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। তাই এই মামলা তিনি খারিজ করে দিচ্ছেন।মুকুল রায় এক দল ছেড়ে অন্য দলে গিয়েছেন, তার প্রমাণ দিতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী। শুভেন্দু অধিকারীর একটি ৬৪ পাতার পিটিশন দাখিল ঘিরেই এই মামলার শুরু। গত ১১ জুন এই পিটিশন দেন তিনি। এর পর ১২টি শুনানি হয় এই নিয়ে।কিন্তু মুকুল রায়ের আইনজীবীরা শুনানি পর্বে বারবার দাবি করেন, কোনও দলত্যাগ ঘটেনি। সে সময় মুকুল রায়ের কিছু ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল। সে কারণেই অন্য একটি রাজনৈতিক দলের দফতরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তা সৌজন্যের কারণে গিয়েছিলেন। কোনও পতাকা তিনি হাতে নেননি।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজনীতি

পুরভোটে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের আবহে '২০১৯' মনে করালেন দেবাংশু ভট্টাচার্য

রাজ্যে ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াও সম্পূর্ণ হয়েছে। এই নির্বাচনী আবহে প্রধান আলোচনায় বিষয়ে হয়ে উঠেছে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। গত কয়েকদিনে সংঘাতের যথেষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। আর এবার সেই বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দিলেন তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র তথা যুব সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু ভট্টাচার্য।একদিকে যখন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ে উৎসবে মেতেছে, তখন দেবাংশু মনে করিয়ে দিলেন, ২০১৯ কিন্তু সময়ের অপেক্ষা। বৃহস্পতিবার ফেসবুকে এক বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন তিনি। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিও জানিয়েছেন তিনি, যা দল- বিরোধী মত বলেই দাবি রাজনৈতিক মহলের। তাঁর এই পোস্ট ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুধু তাই নয়, দেবাংশু বলেছেন, আরেকবার ২০১৮ হলে আরেকটা ২০১৯ কিন্তু সময়ের অপেক্ষা.. বারবার সবটা ২০২১ এর মতো হবে না। তাঁর উল্লেখ করা এই সবকটি বছরের একটা বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।২০১৮-তে পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন জায়গায় মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বিরোধীরা। আর তারপরই ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খায় তৃণমূল শিবির। বাংলায় চমক দিয়ে ১৮ টি আসন পায় বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের দাদাগিরিই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল।আর এবার পুরভোটের ক্ষেত্রেও সেই ছায়া দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। সেই আবহেই ২০১৯-এর কথা মনে করিয়ে কোনও বিশেষ ইঙ্গিত দিয়ে রাখেলন দেবাংশু।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

ছোটদের স্কুল খোলার ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

এবার ছোটদের জন্যও স্কুল খোলার ভাবনা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে সরকারি এক অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে এ কথাই জানালেন তিনি।আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উদ্বাস্তুদের জমির দলিল বিলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। সেখান থেকেই প্রাইমারি স্কুল খোলা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিন তিনি বলেন, আপাতত কয়েকটি ক্লাস হচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় চলছে। প্রাইমারি অর্থাৎ একেবারে ছোটরা এখনও স্কুলে যাচ্ছে না। এবার সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, করোনার আরও একটা স্ট্রেন এসেছে। সে বিষয়টা ভাল করে দেখে নিয়ে স্কুল খোলা হবে।পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আপাতত ছোটদের স্কুল খোলা হলে ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ক্লাস করার চিন্তাভাবনা চলছে। রোটেশনে ক্লাস নেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্ধেক অর্ধেক করে ভাগাভাগি করে স্কুল করলে সোমবার যারা আসবে, মঙ্গলবার তারা আসবে না। আবার মঙ্গলবার যারা আসবে বুধবার তারা আসবে না। এভাবে হলে প্রাথমিকের ক্লাসগুলো অন্তত চলতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার পরিচালনায় রাহুল, অভিনয় করবে ছেলে সহজ

বাবা ও ছেলের একসঙ্গে অভিষেক হচ্ছে। বাবার পরিচালক হিসাবে আর ছেলের অভিনেতা হিসাবে। জনপ্রিয় টলিউড অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় এবার পরিচালক হিসাবে তাঁর জার্নি শুরু করছেন এবং তাঁর ছেলে সহজকে প্রথমবার দেখা যাবে অভিনেতা হিসাবে। আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই রাহুলের পরিচালনায় কলকাতা ৯৬ এর শুটিং শুরু হবে। এই ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ রাহুলের। প্রযোজনা করছেন রানা সরকার। এই ছবির বাকী কাস্টিং চূড়ান্ত না হলেও রাহুল জানিয়েছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী থাকছেন তাঁর এই ছবিতে। সহজকে এই ছবিতে অভিনেতা হিসাবে ডেবিউ করার কারণ হিসাবে রাহুল জানিয়েছেন কাহিনীতে সহজের বয়সী একটা চরিত্র রয়েছে। তাই সহজকে নেওয়ার কথা তিনি ভেবেছেন। প্রিয়াঙ্কা নিজেও খুব খুশি। বাবার ছবি দিয়েই ছেলের অভিনয়ে হাতেখড়ি হচ্ছে এটা অভিনেত্রীর জন্য দারুণ একটা ব্যাপার।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রদেশে অখিলেশকে পাশে নিয়ে যোগী-মোদিকে আক্রমণ মমতার

বাংলায় আটকেছেন মোদি-শাহদের। এ বার উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপি-কে হঠাতে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির হয়ে প্রচারে নামলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লখনউ-এর ভার্চুয়াল জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করলেন, আগামী মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বিজেপি-র বিরুদ্ধে প্রচারে যাবেন খোদ প্রধানমন্ত্রীর কেন্দ্র বারাণসীতে।লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশেও তৃণমূল লড়াই করবে, এই বার্তা আগেই দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার উত্তরপ্রদেশে গিয়ে অখিলেশ যাদবকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি দখলের বার্তা দিলেন তিনি। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বললেন, আব কি বার, অখিলেশ সরকার, একই সঙ্গে বলতে ভুললেন না, আব কি বার, দেশ কা সরকার। যোগী-রাজ্যে মমতার বার্তা, উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপিকে সরাতে পারলে, দেশ থেকেও সরবে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে প্রচার করতেই গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মঙ্গলবার লখনউয়ে বিক্রমাদিত্য মার্গে সমাজবাদী পার্টির কার্যালয় থেকে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। আর সেখান থেকেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন নেত্রী।উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও আক্রমণ করেন মমতা। তিনি বলেন, কোভিড মোকাবিলায় না কি পিএম কেয়ার্স ফান্ডের টাকা তোলা হল। আর তার কোনও হিসেব দেওয়া হল না। কেন তা দেশকে জানাতে হবে। চুপ করে থাকলে হবে না। জবাব দিতে হবেই।কেন্দ্রীয় সরকারের বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্পকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন মমতা। তিনি বলেন, এমন একটি প্রকল্প করা হয়েছে যেখানে বরাদ্দ একটি রাজ্যের নারী উন্নয়নের বরাদ্দের থেকেও কম। এবং বরাদ্দের প্রায় পুরো অর্থ বিজ্ঞাপনেই খরচ করা হচ্ছে।গঙ্গায় কোভিডে মৃতদের দেহ ভাসানো থেকে শুরু করে উন্নাও গণধর্ষণ সমস্ত বিষয় উল্লেখ করে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী লখনউয়ে যৌথ ভার্চুয়াল প্রচার শুরু করেন অখিলেশ যাদব-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অখিলেশের সমর্থনে এত তৎপর হওয়ায় তৃণমূল সুপ্রিমোকে ধন্যবাদ জানান সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো। এরপর নিজে অল্প সময় বক্তব্য শেষ করে মাইক্রোফোন এগিয়ে দেন মমতার দিকে। তৃণমূল সুপ্রিমো গোড়া থেকেই বিজেপি বিরোধিতায় চড়া সুর তোলেন। যোগীর উদ্দেশে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, আগে ক্ষমা চান, তারপর ভোট চাইবেন। এ প্রসঙ্গে তাঁর আরও আক্রমণ, বাংলা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাবেন বলে তো গিয়েছিলেন প্রচারে। কিন্তু সেখানে আপনাদের ফল কী হল, দেখলেন তো। এবার বিজেপিকে উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকে উৎখাত করার জন্য অখিলেশ যে লড়াই চালাচ্ছেন, তাতে ওর হয়ে আমিও এতে শামিল।সোমবার সন্ধ্যায় লখনউ পৌঁছন মমতা। মঙ্গলবার দুপুরে অখিলেশকে পাশে নিয়ে বক্তৃতা দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি উত্তরপ্রদেশের ভোটে লড়াই করতে আসিনি। আমি এখানে এসেছি, আমার ভাই অখিলেশকে সমর্থন জানাতে। উত্তরপ্রদেশের মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে জয়ী করুন। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেন, আমি আবার আসব। ১৫ তারিখে আবারও জনসভা করতে আসব। বারাণসীতে যাব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
কলকাতা

আসন্ন পুরভোটে পার্থ-সুব্রতর তালিকাকেই চূড়ান্ত ঘোষণা করলেন মমতা

আসন্ন পুর নির্বাচনে সুব্রত বক্সী এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই করা প্রার্থী তালিকাই চূড়ান্ত বলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে প্রচারে উত্তরপ্রদেশ রওনা হওয়ার আগে সোমবার কলকাতায় তিনি বলেন এই নিয়ে কোনও বিভ্রান্তি নেই। এইদিকে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন সবাইকে প্রার্থী করা সম্ভব নয়। সব দিক বিচার করে দল যাকে প্রার্থী করেছে তার সমর্থনে দলের সব স্তরের কর্মীদের একজোট হয়ে প্রচারে নামার বার্তা দিয়েছেন তিন।শুক্রবার তৃণমূলের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই দলের নীচুতলায় বেশ বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এর মূল কারণ ছিল দুটি তালিকা প্রকাশ হওয়ার ঘটনা। এদিন লখনউ রওয়ানা দেওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি সুব্রত বক্সির সই করা যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেই তালিকাই চূড়ান্ত। একইসঙ্গে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন, সবাইকে খুশি করা সম্ভব নয়, সবাইকে প্রার্থী করাও সম্ভব নয়। আর ক্ষোভ বিভ্রান্তি থাকা উচিত নয়। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে আরও জানান, এই ১০৮টি পুরসভা নির্বাচনে দলের হয়ে কোঅর্ডিনেটর করার জন্য দলনেত্রী জেলা ধরে ধরে কিছু নেতানেত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তাঁরা জেলা কমিটি ও পুরসভাগুলিতে থাকা দলের কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলবেন। এরপরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, পুলক রায়কে হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুভাশিষ চক্রবর্তী ও অরূপ বিশ্বাস দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা দেখবেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, পার্থ ভৌমিক ও তিনি নিজে। ফিরহাদ হাকিম দেখবেন মালদা, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুর জেলা। সুব্রত বক্সি দেখবেন কোচবিহার ও পূর্ব মেদিনীপুর এই দুই জেলা। ঝাড়গ্রাম দেখবেন তিনি নিজে। দার্জিলিং জেলার দায়িত্বে থাকছেন গৌতম দেব। শশী পাঁজা দেখবেন দক্ষিণ দিনাজপুর। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দেখবেন আলিপুরদুয়ার জেলা। জলপাইগুড়ি দেখবেন সৌরভ চক্রবর্তী। নদিয়া দেখবেন সুখেন্দু শেখর রায়, ব্রাত্য বসু ও তিনি নিজে। পশ্চিম মেদিনীপুর দেখবেন মানস ভুঁইয়া ও অজিত মাইতি। মলয় ঘটক দেখবেন পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলা। লক্ষ্যণীয় বিষয় বীরভূমের ক্ষেত্রে কিন্তু কোনও কো-অর্ডিনেটর এদিন নিয়োগ করার কথা জানানো হয়নি। অর্থাৎ সেখানে অনুব্রত মণ্ডলের হাতেই সব কিছু ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজনীতি

অখিলেশের আমন্ত্রণে উত্তরপ্রদেশে গেলেন মমতা

বিধানসভা ভোটে সমাজবাদী পার্টির প্রচার করতে উত্তরপ্রদেশে রওনা হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে দমদম বিমানবন্দর থেকে লখনউ রওনা হন তিনি। তৃণমূল সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অখিলেশ যাদবের সঙ্গে যৌথ সভা করবেন তিনি।বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা বলেন, সমাজবাদী পার্টির পক্ষে বিধানসভা ভোটে প্রচার করতে উত্তরপ্রদেশে যাচ্ছি। অখিলেশ আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি চাই উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপি বিদায় নিক। পিকে-র সংস্থা আই প্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি শেষ করা নিয়ে মমতার বক্তব্য, এ সব প্রশ্নের উত্তর এখানে দেব না।প্রসঙ্গত, এ বার উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোটে লড়ছে না তৃণমূল। দলের নেত্রী মমতা বিজেপি-কে হারানোর উদ্দেশ্যে সব আসনেই অখিলেশের দল এসপি-র নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন করেছেন। বিধানসভা ভোটের লড়াইয়ে পশ্চিমবঙ্গের সব আসনে তৃণমূলকে সমর্থন জানিয়েছিলেন অখিলেশ। এবার তার প্রতিদানের পালা।উত্তরপ্রদেশে প্রার্থী না দিলেও আর এক বিজেপি শাসিত রাজ্য গোয়ার বিধানসভা ভোটে লড়ছে তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে মমতা সোমবার কংগ্রেসের নাম না করে বলেন, আমরা চেয়েছিলাম সব রাজ্যেই বিজেপি-র বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই হোক। কিন্তু সকলে তা চায়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলা গানে নিষেধাজ্ঞা, বাংলা পক্ষের বিক্ষোভে পিছু হটল কলকাতার নামীদামী রেস্তোরাঁ

শহর কলকাতার রেস্তোঁরাতে বাংলা গান চালাতে অস্বীকার করার প্রতিবাদে মুখর সঙ্গীত জগত থেকে শুরে করে সাধারন মানুষজন। বাংলা পক্ষও এই ব্যবস্থার চরম প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সংস্থার মুখ্য পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান বাংলার রাজধানী বাঙালির রাজধানী কলকাতায় সেহগালের মালিকানাধীন ব্রডওয়ে রেস্তোঁরাতে বাংলা ভাষার গান প্রোহিবিটেড, নিষিদ্ধ। বাংলায় বহিরাগত যত বাড়বে তত কোনঠাসা হব আমরা আমাদের মাটিতে। আজ বাংলার রেস্তোরাঁয় বাংলা ভাষায় গান নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, একদিন তোমার মুখে তোমার ভাষার গান, শব্দ নিষিদ্ধ করবে।রবিবার সন্ধায় বাংলা পক্ষের সদস্যরা গণেশ চন্দ্র এভিনিউতে চাঁদনীচক মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ওই বার কাম রেস্তোঁরাতে প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে। তাঁদের অভিযোগ, ওই বারে বারাসত থেকে শ্রীকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পরিবার নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারতে এসে টানা হিন্দী গান চলছে বলে একটা বাংলা গান শোনানোর অনুরোধ জানান। তাঁকে কতৃপক্ষ জানান এখানে বাংলা গান বাজানো নিষেধ আছে। মালিকের নির্দেশ ছাড়া তাঁরা এখানে বাংলা গান চালাতে পারবেন না।বাংলা পক্ষ তাঁদের প্রতিবাদ সভা থেকে আওয়াজ তোলেন ওই রেস্তোঁরাতে বাংলা গান নিষিদ্ধ হলে বাংলার বুকে ওই রেস্তোঁরাকেও নিষিদ্ধ করা হোক। এরপর তাঁরা ওই রেস্তোঁরাতে প্রবেশ করে দ্বীজেন্দ্রলাল রায়ের ধন ধান্য পুষ্পে ভরা গানটি সমবেত ভাবে গান এবং ওই রেস্তোঁরাতে উপস্থিত সকল বাঙালিকে অনুরোধ করেন গানটি তাঁদের সঙ্গে সমবেত ভাবে গাওয়ার জন্য। এর পর তাঁরা মুক্তির মন্দির সোপান তলে, আমি বাংলায় গান গাই- গেয়ে আরও জোরালো প্রতিবাদ তোলে বাংলা পক্ষ। বাংলাপক্ষ-র প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠে সেই রেস্তোঁরাতে বেজে ওঠে এই পথ যদি না শেষ হয়...... কৌশিক মাইতি আরও জানান, তাঁদের প্রতিবাদে পিছু হঠে রেস্তোঁরা মালিকপক্ষ ক্ষমা চেয়ে নেন। কতৃপক্ষ কথা দিয়েছে সেখানে বাংলা গান বাজবে। তিনি বলেন, বাঙালি এক হলে বাংলার শত্রুরা লেজ গুটিয়ে পালাবে। তিনি বলেন এই জয় প্রতিটা বাঙালি শিল্পী, প্রতিবাদী বাঙালির জয়। এভাবেই আমরা জিতব, বাঙালি জিতবে। প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, সোয়েব আমিন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, বাংলা পক্ষর সামাজিক মাধ্যম সমন্বায়ক সায়ন মিত্র প্রমুখ।এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায় বলেন বাংলা ভাষা আমাদের নিজেদের ভাষা, আমাদের বাংলায় আমরা বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই, আবশ্যই অনান্য ভাষা যেমন হিন্দী, ইংরাজি এবং উর্দুর প্রতি আমাদের সমান শ্রদ্ধা আছে, সব ভাষাকেই সম্মান করি। বিশেষ করে নিজের মাতৃ ভাষাকে তো অবশ্যই সম্মান করি। তাই বাংলায় বসবাসকারী সকলকে আমার অনুরোধ আপনারা বাংলা গান, কবিতা, সাহিত্য, নাটক ও সিনেমাকে শ্রদ্ধা করুন ভালোবাসুন এবং আমাদের বাংলাকে আরও অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে চলুন। আরও এক সঙ্গীত শিল্পী ভুমী ব্যন্ডের সৌমিত্র রায় বলেন, আজ ওখানকার ঘটনা শুনলাম মনটা খারাপ হয়ে গেলো, আমি বিশ্বাস করি গানবাজনায় কোনও জাতি বা কোনও ভাষা থাকে না। যে ভাষায় হোক সেটা উপভোগ করি। আমরা বিদেশে মন্টেরিয় জ্যাজ ফেস্টিভ্যাল মত অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষায় গান গেয়েছি, ইউনাইটেড নেশন মত যায়গায় ভুমী বাংলায় গান করেছে, যেখানে কোনও বাঙ্গালি ছিলো না। ব্রডওয়ের মত একটা যায়গায় একটা দুটো বাংলা গান গাইলে ক্ষতিটা কি হত?এই ঘটনার প্রতিবাদ কি ভাবে করব আমি জানি না। আমার প্রতিবাদের ভাষা হচ্ছে গানকে গানের মত থাকতে দাও। ওদের গাইতে দাও। বাংলায় থেকে বাংলায় কথা বলতে দাও। বলতে দাও নয়, আপনারাও বলুন।সঙ্গীত শিল্পী ইমন সেন বলেন, বাংলায় থেকে যদি বাংলা গান না নিশিদ্ধ করা হয়ে থাকে, তাহলে ওই রেস্তোরাঁ কেই বাংলায় নিশি করা হোক। আর যদি পাব খোলা রাখতে হয় তাহলে বাংলা গান চালাতে হবে। এই প্রতিবাদ কর্মসুচীর জন্য বাংলা পক্ষ কে ধন্যবাদ জানান। জয় হৃদয় বলে তাঁদের জয় কামনা করেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

সোমবার অর্ধ দিবস ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ১৫ দিন বাজবে লতার গান

লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে সোমবার অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ১৫ দিন রাজ্যে বাজবে লতার গাওয়া গান, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার সকাল ৮টা ১২ মিনিটে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন লতা মঙ্গেশকর। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী-সহ অসংখ্য মানুষ।While offering my sincerest condolences to her family and the billions of admirers that she leaves behind all over the world, I express my deepest sadness at the demise of the genius that the Nightingale of India truly was. (2/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 6, 2022পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের তরফে জারি করা মুখ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় লেখা হয়, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে আমি গভীরতম শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ মুম্বইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে আমরা রিক্ত হলাম। সুরসম্রাজ্ঞী ও অনন্য প্রতিভাময়ী সর্বজনশ্রদ্ধেয় লতা মঙ্গেশকর দীর্ঘ আট দশক ধরে কণ্ঠের জাদুতে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রেখেছিলেন। হিন্দি, মরাঠি, বাংলা-সহ ৩৬টিরও বেশি ভারতীয় ও বিদেশি ভাষায় তাঁর গাওয়া অগণিত ক্লাসিকাল,গজল, ভজন, আধুনিক ও সিনেমার গান আজও সমান জনপ্রিয়। বাংলার সঙ্গীতজগতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগ ছিল। আমাদের নক্ষত্রদের সাধনা ও তাঁর প্রতিভা পরস্পরকে সমৃদ্ধ ও অভিষিক্ত করেছিল।I pay my heart-felt tribute to the departed icon of India, Bharatratna Lata Mangeshkar. (1/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 6, 2022ভারতরত্ন, পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, লিজিয়ন অফ অনার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড সহ অজস্র পুরস্কার ও সম্মানে তিনি ভূষিত হয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে সঙ্গীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতি হল। আমি লতা মঙ্গেশকরের আত্মীয়-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

'পুলিশের মেরুদণ্ডে আঘাত’! টুইট ক্ষুব্ধ রাজ্যপালের

রাজ্যকে নিশানা করে ফের একবার টুইট করলেন রাজ্যপাল। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অমরনাথ কে-কে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা নিয়ে এ বার সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইটারে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ট্যাগ করেছেন, আইএসএস অ্যাসোসিয়েশন, আইপিএস অ্যাসোসিয়েশন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশকে।শুক্রবার টুইটারে রাজ্যপাল লিখেছেন, কী উদ্বেগজনক দৃশ্য! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত সংবাদমাধ্যমের সামনে পূর্ব মেদিনীপুর পুলিশ সুপারের কাছে জানতে চাইছেন, রাজ্যপাল কি আপনাকে ফোন করেন! একটি গুরুতর বিষয়, যেদিকে অবিলম্বে নজর দেওয়া প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যজনক। পুলিশের মেরুদণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর আঘাত।What a worrisome scenario! CM Mamata Banerjee in full media glare pulls up Purba Medinipur SP by asking Did governor call you is serious issue needing focussed reflection @IASassociation @IPS_Association.Unfortunate- A spinal blow by CM to Police @WBPolice @KolkataPolice pic.twitter.com/dh4FPSJYsd Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) February 4, 2022বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ভর্ৎসনা করেছিলেন অমরনাথকে। তিনি বলেন, তোমার জেলা সম্পর্কে আমি অভিযোগ পাচ্ছি। কাউকে সাজিয়ে পরিকল্পিত ভাবে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অনেকদিন তোমাদের বলেছি। কিন্তু তোমরা কিছু করোনি। তার পর আমি হস্তক্ষেপ করেছি। এই মন্তব্যের পরই স্বভাবতই ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

রাজ্যপাল ফোন করেন? পুলিশ আধিকারিককে ভর্ৎসনা মুখ্যমন্ত্রীর

পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসনিক কর্তাদের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন। ওই জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন,পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পর্কে তার কাছে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে। তার ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে কি না, রাজ্যপাল তাকে ফোন করে সরাসরি কোনও নির্দেশ দিচ্ছেন কি না পুলিশ সুপারের কাছে তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনকে ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করারও তিনি নির্দেশ দেন।বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে জেলা স্তরে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক চলাকালীন হঠাৎই তিনি জানতে চান , কোথায় পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার? লুকিয়ে আছে? মুখ্যমন্ত্রীর সেই প্রশ্ন ছুঁড়ে আসন থেকে উঠে দাঁড়াতেই মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন তাঁর দিকে। বললেন, তোমার জেলা সম্পর্কে বেশ কিছু অভিযোগ পাচ্ছি। কাউকে কাউকে সাজিয়ে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে, অভিযোগ আসছে। অনেক দিন ধরে দেখছি। অনেক দিন বলেছি, কিছু করা হয়নি। তুমি কি ওখানে কাজ করতে ভয় পাচ্ছো? তোমাকে কি রাজ্যপাল ফোন করছেন? এটা কোরোনা, ওটা কোরোনা, এসব নির্দেশ দিচ্ছেন রাজ্যপাল?তোমাকে ফোন করলেও তুমি বলবে না জানি। তবে ভয় পেও না। তোমাকে অনেক আশা নিয়ে ওখানে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আমি হলদিয়া নিয়েও কমপ্লেন পেলাম। দুইজন গ্রেপ্তার হল। কিন্তু তোমরা থাকতে আমাকে কেন মাথা ঘামাতে হবে? কারও কথা না শুনে কাজ করতে হবে। ভয় পাওয়ার দরকার নেই। মনে রাখতে হবে জেলার পুলিশ সুপার রাজ্য সরকারের অফিসার। আর যদি তোমার ওখানে কাজ করতে ভয় লাগে পলিটিক্যালি প্রেশারের কারণে তাহলে আমাকে সেটা জানিও। এই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা একসময় অধিকারীদের গড় হিসাবেই পরিচিত ছিল। একুশের ভোটে বিজেপির হার ও দলবদলের জেরে নিজ জেলাতেই এখন চূড়ান্ত কোণঠাসা দশায় রয়েছে অধিকারীরা। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যপালকে কাজে লাগিয়ে পরোক্ষে প্রশাসনের উপরে তারা চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন বলে এদিন ইঙ্গিত মিলেছে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

‘দল একটাই – তৃণমূল,' সাংগঠনিক নির্বাচনের পর গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে সতর্কবাণী মমতার

দলের মধ্যে যে অন্তর্কলহ রয়েছে, তা বুধবার কার্যত বকলমে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বললেন, কথা দিতে হবে পরস্পরের মধ্যে দ্বন্দ্ব হবে না। বুধবার তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন ছিল। নেতাজি ইন্ডোরে তা নিয়ে সকাল থেকেই তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। তৃণমূলের ভিতরে আলাদা কোনও গোষ্ঠী নেই। দল একটাই। গ্রুপও একটাই।বুধবার দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের মাধ্যমে চেয়ারপার্সন পদে পুনর্নির্বাচিত হয়ে কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিলেন সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বময় নেত্রীর কথায়, নেতা জন্মায় না। নেতা তৈরি হতে হয়। অর্থাৎ, নেতাকে একটা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে তৈরি হতে হয়। কেউ জন্মেই নেতা হয় না। কিছুদিন আগে পর্যন্তও দলের মধ্যে অন্তর্কলহের এক চূড়ান্ত ছবি দেখা গিয়েছিল তৃণমূলে। এবার আর নিচু তলার কর্মীরা নন, একেবারে সামনের সারির নেতাদের মধ্যে কলহ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষের মধ্যে সেই সাম্প্রতিক দ্বন্দ্বের কথা এখনও বিরোধীদের মুখে মাঝে মধ্যেই শোনা যায়। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল, তাতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কামারহাটির বিধায়ক তথা মমতার অন্যতম প্রিয় পাত্র মদন মিত্রও সম্প্রতি দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটিকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কিছুদিন আগে। আর এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতাজি ইন্ডোর থেকে এই বার্তা যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তিনি আরও বলেন, বাংলায় আরও বাড়তে হবে। আজ আমি যখন এখানে আসছিলাম, তখন আমার কাছে খবর আসছিল, সাত-আট জন বিজেপি বিধায়ক আরও আসতে চান। তাঁরা উন্নয়নে আমাদের সঙ্গে নিশ্চয়ই কাজ করতে পারেন। আরও অনেকেই আসতে চান। তাঁরা আসুন, উন্নয়নে কাজ করুন, সেটা আমরা নিশ্চয়ই চাই। তবে জোর করে যে দলে কাউকে আনা হচ্ছে না, তাও স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে আগামী দিনে লড়াই আরও জোরদার হবে, সেই কথাও দলীয় নেতা ও কর্মীদের উদ্দেশে জানিয়ে রাখলেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
কলকাতা

ইউনেস্কোর স্বীকৃতি-উদযাপন, দুর্গাপুজোর একমাস আগে বিশেষ মিছিলের ঘোষণা মমতার

কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে। সেই কৃতিত্বকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং ইউনেস্কোকেও পাল্টা মর্যাদা দিতে শহরে বিশেষ মিছিল করা হবে। ওই মিছিল হবে দুর্গাপুজোর এক মাস আগে। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচনের শেষে মঞ্চ থেকে ওই ঘোষণা করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি জানিয়েছেন, এক মাস আগে মিছিল করা হবে। সেখানে ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে সামনে রেখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মেয়েরা শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি করবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সংখ্যালঘু মহিলারা নিজেদের মতো করে প্রার্থনা করবেন। আর বাকিরা শঙ্খধ্বনি-উলুধ্বনি করবেন। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্গাপুজোর একমাস আগে একটা মিছিল করব। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মা-বোনেরা শঙ্খ বাজাবে। সংখ্যালঘুরাও শামিল হবে। শঙ্খ উলুধ্বনি কাকে বলে বাংলা দেখবে। পাশাপাশি, সংখ্যালঘু মহিলারাও দোয়া করবেন। থাকবেন তপসিলি জাতি-উপজাতির মহিলারাও। তাঁরা সকলেই নিজের নিজের মতো করে প্রার্থনা করবেন।এর পরই দুর্গাপুজো কমিটির সদস্য ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসদের দায়িত্ব নিতে পরামর্শ দেন তিনি। দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে নির্দেশ দেন মমতা। জানিয়ে দেন আগামী কর্মসূচিও।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
কলকাতা

বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে ডোমিসাইল বি-র মাধ্যমে মেডিক্যালে ভর্তির প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ-র ডেপুটেশন

বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে অন্য রাজ্যের ছেলেমেয়ের ডোমিসাইল বি-র মাধ্যমে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজ গুলোয় রাজ্যের কোটায় ভর্তি করা যাবে না। এই দাবিতে আজ দুপুর ১ টায় স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেয় বাংলা পক্ষ।বাংলা ভাষা ও বাঙ্গালির আস্তিত্ব রক্ষায় বাংলা পক্ষ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বহু প্রতিবাদের ফসল-ও ফলতে শুরু করেছে। আজ তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের ডাক্তারি পড়ার আসনে পশ্চিমবঙ্গ কোটায় অন্য রাজ্যের ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি আটকাতে ডোমিসাইল বি বাতিলের দাবিতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়, দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, হাওড়ার সম্পাদক জয়দীপ দে, উত্তর চব্বিশ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ সামাজিক মাধ্যম সমন্বায়ক সায়ন মিত্র প্রমুখ।পাঁচ জনের প্রতিনিধি দল (গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক মাইতি, তড়িৎ দত্ত, পিন্টু রায়, প্রীতি মিত্র) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা ডঃ দেবাশীষ ভট্টাচার্য এবং স্বাস্থ্য সচিব মাননীয় নারায়ণ স্বরূপ নিগমের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং স্মারকলিপি জমা দেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

রাজ্যপালকে টুইটারে ব্লক করলেন মমতা, পালটা টুইট ধনখড়ের

সোমবারই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে টুইটারে ব্লক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক সম্মেলন করে নবান্ন থেকে একথা জানান মমতা নিজেই। সঙ্গে একগুচ্ছ অভিযোগ উগরে দেন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে। আবারও মনে করান, সিলেক্টেড আর ইলেক্টেড-এর এক্তিয়ার এক নয়। এদিকে মমতার এই ঘোষণার পরই সঙ্গে সঙ্গে টুইট রাজ্যপালের। স্বভাবসিদ্ধভাবে সংবিধানের ধারা তুলে বোঝালেন এভাবে রাজ্যপালকে ব্লক করে দেওয়াকে সংবিধান সমর্থন করে না।WB Guv : Under Article 167 it is Constitution duty of the Chief Minister to furnish such information relating to the administration of the affairs of the State and proposals for legislation as the Governor may call for.Why block information to Guv now for two years ? pic.twitter.com/aOlEN5YZGb Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 31, 2022উল্লেখযোগ্যভাবে, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্দেশে রাজ্যপালের টুইট এবং সেখানে কাউকে ট্যাগ করা নেই। নিঃসন্দেহে এ ঘটনা নজিরবিহীন। সোমবার বিকেলে নবান্নে বসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি বাধ্য হয়েছি আজ ওনাকে আমার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ব্লক করে দিতে। প্রতিদিন আমার ইরিটেশন হোত ওনার টুইটগুলো দেখে। যে কথাগুলো বলা উচিৎ নয়, এমন কথা বলতেন যা মানুষের পক্ষে মানবিক দিক থেকেও অমানবিক।Guv WB : Mandated under Article 159 of the Constitution to ensure none in the state blocks Constitutional Norms and Rules of Law and those in authority bear true faith and allegiance to the Constitution of India pic.twitter.com/gGDf3doAyJ Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 31, 2022এরপরই বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে একটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি টুইটারে লেখেন, সাংবিধানিক রীতিনীতিকে ব্লক করা যায় না। ১৫৯ ধারা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, এই ধরনের ঘটনা ভারতীয় সংবিধানের পরিপন্থী। আরেকটি টুইট করেন ৫টা ৪৫ মিনিটে। ভারতীয় সংবিধানের ১৬৭ ধারা তুলে ধরেন সেখানে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
শিক্ষা

BIG BREAKING: অবশেষে রাজ্যে খুলছে স্কুল, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অবশেষে রাজ্যে স্কুল খুলছে। ৩ ফেব্রুয়ারি অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠন-পাঠন শুরু হবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পাড়ায় শিক্ষালয়ে ক্লাস হবে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে স্কুল ,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে। আপাতত অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল পড়াশুনা চলবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়ে পঠন-পাঠন শুরু হবে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্কুল খোলার বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনায় নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় সরস্বতী পুজোয় পড়ুয়ারা হাজার থাকতে পারবেন।করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ২ বছর ধরে রাজ্যের সমস্ত বন্ধ স্কুল, কলেজসহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেক ক্ষেত্রে পঠনপাঠন চলছে অনলাইনে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পড়াশুনা বন্ধ রয়েছে। লাটে উঠেছে পড়াশুনা। গত নভেম্বর মাসে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য স্কুল খুললেও করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য ফের বন্ধ করতে হয়। করোনা সংক্রমিতের সংখ্যাও কমছে রাজ্যে। শিথিল হয়েছে করোনা বিধি। এই ঘোষণায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন তাঁদের আন্দোলনের জয় বলে দেখছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে চাকরি নয়! স্টেট ব্যাংকের নির্দেশে চরমে বিতর্ক, অবশেষে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

সর্বত্রই যখন মহিলা ক্ষমতায়নে উদ্যোগী সরকার। এই পরিস্থিতিতে দেশের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকের নির্দেশে তৈরি হয়েছে নয়া বিতর্ক। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার নয়া নির্দেশে বলা হয়েছে তিন মাসের বেশি অন্তঃসত্ত্বা মহিলারা চাকরির ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে অনুপযুক্ত। সন্তানের জন্ম দেওয়ার চার মাস পরই চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন একজন মহিলা। আর এই নয়া নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এই নোটিস প্রকাশ করার পর তীব্র বিরোধিতা করেছেন অনেকে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের কাছেও আর্জি জানিয়েছেন অনেকে, যাতে অবিলম্বে এই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়।Press release relating to news items about required fitness standards for recruitment in Bank. Revised instructions about recruitment of Pregnant Women candidates stands withdrawn.@DFS_India pic.twitter.com/QXqn3XSzKF State Bank of India (@TheOfficialSBI) January 29, 2022চরম বিতর্কের মুখে মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রত্যাহার করল স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। শনিবার সকালে থেকেই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। এরপরই তা প্রত্যাহার করে নিল এসবিআই। টুইট করে প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছে ব্যাংকের তরফে। তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, আদতে তাঁদের নির্দেশের অপব্যাখ্যা হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া যে সর্বদা মহিলাদের ক্ষমতায়নে জোর দিয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, বর্তমানে দেশ জুড়ে তাঁদের মোট কর্মীর ২৫ শতাংশই মহিলা। মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবে পুরনো নিয়মে পরিবর্তন করা হয়েছিল বলে দাবি স্টেট ব্যাঙ্কের।সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষ। অবিলম্বে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে দিল্লির মহিলা কমিশনের তরফ থেকে নোটিস দেওয়া হয়েছে এসবিআই-কে। ওই নির্দেশকে বৈষম্যমূলক ও অনৈতিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সম্প্রতি মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। সেখানে তিন মাসের বেশি অন্তঃসত্ত্বা, এমন মহিলাদের টেম্পোরারিলি আনফিট অর্থাৎ সাময়িকভাবে কাজের অনুপযুক্ত বলে দাবি করা হয়েছে। নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে সন্তানের জন্ম দেওয়ার চার মাস পর একজন মহিলা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন। নতুন যাঁরা স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় আবেদন করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • ...
  • 83
  • 84
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal