• ১৮ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

রাজ্য

ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি বাংলা পক্ষর

ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যাতে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয় সেই আবেদন জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকেও চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে ফের এই দাবি তুলেছে বাংলা পক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরেই এই দাবি করে আসছে বাঙালির জন্য লড়াই করা এই সংগঠন।গতকাল ট্যুইটার ক্যাম্পেনও করেছিল বাংলা পক্ষ।হ্যাসট্যাগ ছিলঃ#Bengali_Regiment_in_Indian_Armyবাংলা পক্ষর দাবি, ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরির পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই। বাংলার সরকার দিল্লির যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের কাছে এই দাবি জানাক।সংগঠনের দাবি, এই ঘোষণা হলে তবেই বীর সুভাষ চন্দ্র বসু ও অসংখ্য বাঙালি বিপ্লবীদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জ্ঞাপন হবে। এদিন রাজ্য জুড়ে মহাসমারোহে বীর সুভাষের ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী পালন করে বাংলা পক্ষ। নানা জেলায় ট্যাবলো বেরিয়েছে এবং শোভাযাত্রা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

বিশ্বব্যাংকের জয়জয়কার মমতার সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামাজিক সুরক্ষা ভাতা প্রকল্পগুলিকে মান্যতা দিল বিশ্ব ব্যাংক। সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক প্রকল্প গুলি যাতে মসৃণভাবে এগোতে পারে, সে কথা মাথায় রেখে ১কোটি ২৫ লক্ষ ডলার বা ১০০০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করলো বিশ্ব ব্যাংক। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সমাজের দূর্বল মানুষের সহায়তায় মুখ্যমন্ত্রী র পরিকল্পনায় প্রায় ৪০০ টি প্রকল্প চলছে। রাজ্য সরকারের কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো উন্নয়ন কর্মসূচিতে এটি বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।এই প্রকল্প গুলি চালাতে যাতে কোনোও সমস্যা না হয়, তাই বিশ্ব ব্যাংক এই ঋণ দিচ্ছে।World Bank has appreciated excellent work being done by West #Bengal in implementation of Rashtriya Swasthya Bima Yojana Mamata Banerjee (@MamataOfficial) May 11, 2015প্রথম তৃণমূল সরকারের সময় থেকেই মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একের পর এক প্রকল্প গ্রহণ করেছে রাজ্য। সরকারের দাবি, বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী বা হালে লক্ষ্মীর ভান্ডার মহিলাদের ক্ষমতায়নের পথে সহায়ক প্রকল্প। এতে যেমন মহিলাদের আয় সুনিশ্চিত করা সম্ভব, তেমনই তা নারী শিক্ষা-স্বাস্থ্যের উন্নতি, বাল্যবিবাহ রোধ বা সামগ্রিক অর্থনীতি সচল করার পথে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে ভাতা প্রাপকদের দ্রুত চিহ্নিত করে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংক এ ব্যাপারে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া শুধু সামাজিক প্রকল্পই নয়, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে টেলি মেডিসিন পদ্ধতিতে চিকিৎসা ব্যাবস্থা র উন্নতি করা যাবে।এর আগে সামাজিক সুরক্ষার প্রশ্নে বিধবা, বিশেষ ভাবে সক্ষম মহিলাদের জন্য রাজ্যের পদক্ষেপ এবং কন্যাশ্রী, রূপশ্রীর মতো মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রকল্পগুলিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিকার প্রশংসাও করেছিল বিশ্ব ব্যাংক।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কে ডাকাতির ২৪ ঘন্টা পরেও অধরা দুস্কৃতিরা

ব্যাঙ্ক ডাকাতির পর পেরিয়ে গিয়েছে ২৪ ঘন্টা। দুস্কৃতীদের বিষয়ে এখনও অথৈ জলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। শুক্রবার বর্ধমানের বৈদ্যনাথ ক্যাটরার বাজারের দ্বিতলে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখায় হানা দিয়ে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করে পালায় সশস্ত্র ডাকাত দল। ঘটনার পর দ্রুত সিট গঠন করে পুলিশ তদন্তে নামে। দুস্কৃতিদের নাগাল পেতে শুরু হয় জেলার বিভিন্ন সড়কপথে নাকা চেকিং। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয় না। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেমালুম গায়েব হয়ে যায় দুস্কৃতীরা।জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন শনিবার জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেফতার করতে পারেনি । যদিও বর্ধমান থানার এক আধিকারিকের কথায় জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্কে লুট টালিয়ে দুস্কৃতীরা পায়ে হেটে বিসিরোড হয়ে কার্জন গেটের দিকে যায়। তারপর তারা কোন দিকে গেছে বা কোন গাড়িতে করে গেছে তার কোন তথ্য এখনও পুলিশের কাছে নেই। তবে অনুমান করা হচ্ছে দুস্কৃতিরা বাইকে চেপে বর্ধমান থেকে পালিয়েছে।বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দুস্কৃতিদের চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা চলছে সিআইডিও ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার তদন্ত শুরু করতে চলেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার দিনে দুপুরে বর্ধমানের প্রাণকেন্দ্রে থাকা ব্যাঙ্কে ঢুকে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে পালায় হিন্দিভাষী সশস্ত্র ডাকাত দল। এর আগে ২০২০ সালের ১৭ জুলাই বর্ধমানের বিসিরোড এলাকায় থাকা স্বর্ণ ঋণদান সংস্থায় ডাকাতির ঘটনা ঘটায় হিন্দিভাষী দুস্কৃতীরা। তারও আগে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে বৈদ্যনাথ ক্যাটরায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখা থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা লুট হয়।অতি সম্প্রতি এসটিএফের অভিযানে হেরোইনের আন্তারাজ্য কারবারী ডেরার হদিশ উদ্ধার হয় বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড় সংলগ্ন এলাকা থেকে। অপরাধের ঘটনা ঘটানোর জন্য কেন বারে বারে হিন্দি ভাষী দুস্কৃতিরা বর্ধমানকেই বেছে নিচ্ছে সেই প্রশ্নই এখন সবাইকে ভাবিয়ে তুলিয়েছে।পুলিশ কর্তারাও বিষয়টি নিয়ে কাঁটা ছেঁড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। দুস্কৃতিদের সঙ্গে ভিন রাজ্যের যোগ রয়েছে কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। বর্ধমানের বৈদ্যনাথ ক্যাটারার বাজারের দোতলায় থাকা ব্যাঙ্কে শুক্রবার পৌনে ১০টার আগেই ঢুকে পড়ে ৫-৬ জনের দুস্কৃতি দল। হিন্দিভাষী দুস্কৃতীদের মুখ ছিল ঢাকা। হাতে ছিল আগ্নেআস্ত্র। তাঁদের সঙ্গে ছিল স্কুল ব্যাগ। ব্যাঙ্কে যে কজন গ্রাহক ছিল তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে দুস্কৃতিরা আগ্নেআস্ত্র দেখিয়ে বসিয়ে রাখে। এরপর ব্যাঙ্কের অন্য আধিকারিকদের মারধোর করে ব্যাঙ্ক থেকে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে দুস্কৃতিরা ব্যাঙ্ক থেকে বেরিয়ে পড়ে। ব্যাঙ্কের মূল গেটের দরজায় বাইরে থেকে তালাচাবি দিয়ে দুস্কৃতিরা কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ব্যাঙ্কের সাইরেন বাজার পর এই দুস্কৃতি হানার বিষয়টি জানাজানি হয় । খবর পেয়ে জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহরায় সহ জেলা পুলিশের অন্য কর্তারা ঘটনাস্থলে পৌছান ।দ্রুত সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হলেও পুলিশ দুস্কৃতিদের টিকি এখনও পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
দেশ

ভারত-বিরোধী খবর ছড়ানোর ৩৫টি ইউইটউব চ্যানেল বন্ধের নির্দেশ কেন্দ্রের

নতুন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, ভুয়ো এবং ভারত-বিরোধী খবর ছড়ানোর জন্য ফেসবুক, টুইটার-সহ বিভিন্ন নেটমাধ্যম সংস্থাগুলিকে ৩৫টি পাকিস্তানের আর্থিক মদতে পুষ্ট অ্যাকাউন্ট ব্লক করার নির্দেশ দিল কেন্দ্র। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব বিক্রম সহায় শুক্রবার এই ঘোষণা করেন। কেন্দ্রের তরফ থেকে মোট ৪২টি চিহ্নিত করা অ্যাকাউন্ট ব্লক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই অ্যাকাউন্টগুলি মূলত মিথ্যা এবং ভারত-বিরোধী খবর ছড়ানোর জন্যই ব্যবহার করা হত।বিক্রম জানিয়েছেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ৩৫টি ইউটিউব চ্যানেল, দুটি টুইটার অ্যাকাউন্ট, দুটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট, দুটি ওয়েবসাইট এবং একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক করার জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এই সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলি পাকিস্তান থেকে পরিচালনা করা হত বলেও তিনি জানান।এই সমস্ত নেটওয়ার্কগুলির একটাই লক্ষ্য ভারত বিরোধী খবর ছড়িয়ে দেওয়া। যে চ্যানেলগুলি একটি নেটওয়ার্কের অংশ ছিল সেগুলি একটি কমন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছিল। তাদের সম্পাদন শৈলীও অনেকটা একই ধরনের। এমনকী এই ভুয়ো খবরগুলি যাতে আরও বেশি করে ছড়িয়ে পড়ে, তার জন্য একটি চ্যানেলে অন্যের কনটেন্টও দেখানো হচ্ছিল। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই ইউটিউব চ্যানেল পাকিস্তানি টিভি নিউজ চ্যানেলের সঙ্গে জড়িত একাংশের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছিল।মন্ত্রকের থেকে যে ৩৫ টি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করা হয়েছে, তাতে বিভিন্ন ধরনের ভারত বিরোধী খবর দেখানো হচ্ছিল। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, জম্মু ও কাশ্মীর এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক। উল্লেখ্য, প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াতের মৃত্যুর বিষয়টি নিয়েও এই ইউটিউব চ্যানেলগুলিতে ব্যাপক মাত্রায় ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ইউটিউব চ্যানেলগুলি পাঁচটি রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার জন্য পোস্ট করাও শুরু করেছিল।ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি নেটমাধ্যমের কিছু অ্যাকাউন্ট এবং ওয়েবসাইট ঘনিষ্ঠ ভাবে পর্যবেক্ষণ করছিল। তাদের হাতে উল্লেখযোগ্য প্রমাণ উঠে আসার পরই তারা এই বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রককে অবগত করে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

ব্যাংক ডাকাত ধরতে নাকা চেকিং, বর্ধমানে বাড়ছে অপরাধ মূলক কাজ

দিনে দুপুরে শহর বর্ধমানের প্রাণকেন্দ্রে থাকা ব্যাঙ্কে ঢুকে ৩৩ লক্ষ টাকা করে নিয়ে পালালো সশস্ত্র ডাকাত দল। দুঃসাহসিক এই ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার কথা জানাজানি হতেই শুক্রবার বেলা থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে শহর বর্ধমানে। খবর পেয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহ রায় সহ বর্ধমান থানার পুলিশ কর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছান।পুলিশ কর্তাদের নির্দেশে দুস্কৃতীদের খোঁজে জেলার বিভিন্ন সড়কপথে শুরু হয় নাকা চেকিং। একই সঙ্গে ব্যাঙ্কসহ ঘটনাস্থল এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুস্কৃতীদের চিহ্নিতকরণের কাজ দীর্ঘ সময় ধরে চলে। যদিও দুস্কৃতীদের নাগাল পাওয়া না যাওয়ায় সিট গঠন করে শুরু হয়েছে ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার তদন্ত। দুস্কৃতীরা কোথা থেকে এসেছে, কিভাবে এসেছে, কোন পথে পালালো সব প্রশ্নের উত্তর পুলিশের কাছে এখনও অধরাই রয়েছে।শহর বর্ধমানে ডাকাতির ঘটনা এই প্রথম ঘটলো এমনটা নয়। বছর দুই আগে ২০২০ সালের ১৭ জুলাই বর্ধমানের বি সি রোড এলাকায় থাকা স্বর্ণঋণ দানকারী সংস্থাতেও ঘটে ডাকাতির ঘটনা। কয়েকবছর আগে এই ব্যাংকের পাশেই আর একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে ৩৬ লক্ষ টাকা ডাকাতি হয়েছিল। ফের এদিন শহরের প্রাণকেন্দ্রে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখায় ঘটলো ডাকাতির ঘটনা। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের হেড কোয়ার্টার শহর বর্ধমানকে কেন বারবার টার্গেট করছে দুস্কৃতীরা সেই বিষয়টি পুলিশ কর্তাদের বিশেষ ভাবে ভাবিয়ে তুলেছে।বর্ধমানের বৈদ্যনাথ ক্যাটারার বাজারের দোতলায় রয়েছে ব্যাঙ্কের শাখা অফিস। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যাংকের এক আধকারিকের স্ত্রী দীপা কুমার জানান, তিনি তাঁর অসুস্থ স্বামীকে পৌনে ১০ টা নাগাদ ব্যাঙ্কে দিতে এসেছিলেন। ব্যাঙ্কে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই হিন্দিভাষী কয়েকজন যুবক ভদ্রভাবে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে বসতে বলে। তখন মনে করেছিলেন কোন শোকসভা ব্যাঙ্কে হচ্ছে। এরপরেই তাদের মোবাইল ফোন ওই যুবকরা নিয়ে নেয়। যুবকরা সংখ্যায় ৫-৬ জন ছিল।সবার হাতে আগ্নেআস্ত্র ছিল। যুবকদের মুখ ঢাকা ছিল। পিঠে ছিল স্কুল ব্যাগ। সবাইকে বসিয়ে রেখে যুবকরা ব্যাঙ্কের অন্য আধিকারিকের কাছে চাবি চাইছিল। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই অপারেশন চালিয়ে সাড়ে ১০ টার মধ্যে দুস্কৃতীরা ব্যাঙ্ক ছেড়ে পালায়। যাওয়ার সময়ে ব্যাঙ্কের মূল গেটের দরজার বাইরে তালাচাবি দিয়ে দুস্কৃতীরা চলে যায়। ঘটনার সময়ে ব্যাঙ্কের ভিতরে থাকা অপর গ্রাহক অনিতা সরকার, সুষমা মল্লিক জানান, ব্যাঙ্ক চালু হতেই ৬ জনের একটি দুস্কৃতীদল ব্যাংকে ঢোকে। তাঁদের সকলের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। মুখ ঢাকা ছিল কাপড় দিয়ে। তখন সবেমাত্র ব্যাঙ্কের শাখায় লেনদেন শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাতেগোনা ১০ - ১৫ জন গ্রাহক ব্যাংকের ভিতর। গ্রাহকদের সাবার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে দুস্কৃতীরা ব্যাঙ্ক কর্মীদের মারধর করে লুটপাট চালানো শুরু করে দেয়। দ্রুত লুটপাট চালিয়েই দুস্কৃতিরা পালিয়ে যায়। দুস্কৃতীরা চলে যাওয়ার পরেই ব্যাঙ্কের অ্যালার্ম বেজে ওঠে। এরপরেই খবর পেয়ে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা ও বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছূটো আসেন। ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের পাশাপাশি ব্যাঙ্কের ভিতরে থাকা গ্রাহকদের সঙ্গেও কথা বলেন তদন্তে আসা পুলিশ আধিকারিকরা।ব্যাঙ্কের ম্যানেজার কুন্দন কিশোর দাবি করেছেন, ব্যাঙ্কের দুজন কর্মীকে মারধর করে দুস্কৃতিরা ব্যাঙ্ক থেকে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গিয়েছে। অপর ব্যাঙ্ক কর্মীদের বক্তব্য, আগ্নেআস্ত্র দেখিয়ে দুস্কৃতীরা ব্যাঙ্কের ভল্টের চাবি কড়ে নেয়। ভল্ট থেকে টাকা বের করে একটি ব্যাগে ভরে নিয়ে দুস্কৃতীরা হেঁটে ব্যাঙ্ক থেকে বেরিয়ে যায়। দুস্কৃতিরা ব্যাঙ্কের হার্ড ডিস্ক নিয়েও পালিয়ে গিয়েছে বলে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন।পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন জানিয়েছেন, সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। দুস্কৃতিদের নাগাল পেতে বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং চালানো হয়েছে। সি সি টিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুস্কৃতীরা কোথাকার গ্যাং তা তদন্ত এগোলে জানা যাবে।এদিন যে ব্যাংকে ডাকাতি হয়েছে সেটা অত্যন্ত জনবহুল এলাকা। সেখান থেকে একেবারে কাছেই জেলা পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের অফিস। বর্ধমান থানাও অনতিদূরে। কিছু দিন আগে শহরের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাসফ্যাক্টরি থেকে দুজন হেরোইন কারবারিকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় এসটিএফ (STF)। তাঁরা ওই এলাকায় বাড়ি কিনে বেআইনি মাদকের কারবার চালাতো বলে অভিযোগ। হেরোইন তৈরি করতো অভিযুক্তরা। ক্রমশ বর্ধমান শহরে আস্তানা গড়ছে অপরাধীরা, বাড়ছে অপরাধ মূলক কারবার।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

বড়সড় ব্যাংক ডাকাতি বর্ধমানে, আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে লুঠ লক্ষ লক্ষ টাকা

বর্ধমানে ঘটে গেল বড়সড় ব্যাঙ্ক ডাকাতি। শুক্রবার সকালে ব্যাঙ্ক চালু হতেই ৬-৭ জনের একটি দুস্কৃতির দল ব্যাঙ্কে ঢোকে। তাদের প্রত্যকেরই হাতেই ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। পিঠে ছিল স্কুল ব্যাগ। ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে শহরের প্রাণ কেন্দ্র কার্জনগেটের পাশে বৈদ্যনাথ কাটরা-র ১ম তলে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায়। দুস্কৃতিদের মুখ ঢাকা ছিল কাপড় দিয়ে।তখন সবেমাত্র ব্যাঙ্কের শাখায় লেনদেন শুরু হয়েছে। হাতেগোনা ১০-১৫ জন গ্রাহক। দুস্কৃতীরা ব্যাঙ্কে ঢুকে গ্রাহকদের মোবাইল ফোন প্রথমে কেড়ে নেয়। তারপর ব্যাঙ্ক কর্মীদের মারধর করে লুটপাট চালায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ডাকাতদলটি লুটপাট করে চম্পট দেয়। লুট করে পালানোর সময় ব্যাঙ্কের গেটে তালা দিয়ে যায় দুস্কৃতীরা, যাতে কেউ বেরিয়ে পুলিশে খবর না দিতে পারে। খবর পেয়েই ব্যাঙ্কে ছুটে যায় বর্ধমান সদর থানার পুলিশ। পৌঁছান জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায়।বর্ধমান শহরে ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনায় সিট গঠনের কথা জানানো হয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন জানিয়েছেন, আনুমানিক ৩০ লক্ষ টাকা লুঠ করেছে দুস্কৃতীরা। ঘটনার পর জেলা জুড়ে নাকা চেকিং শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজনীতি

কল্যানের মন্তব্যকে জোরালো সমর্থন অভিষেকের, এবার কমতে পারে বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মন্তব্য ও ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে দলের বাইরে ঝড় উঠেছিল। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেকের মন্তব্যের কড়া সমলোচনা করেছিলেন। তবে একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী হিসাবে মানেন বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন ওই সাংসদ। শেষমেশ তা নিয়ে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় দলের বাইরে মুখ খুলতে নিষেধ করে দেন। তা নাহলে কড়া পদক্ষের করা হবে বলেও সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও হুগলির নানা জায়গায় কল্যান-অকল্যান নিয়ে পোস্টার পড়ে। বিক্ষোভ চলে হাইকোর্ট চত্বরেও। মদন মিত্রও মাঝে মুখ খোলেন দলীয় ইস্যুতে। এবার গোয়ায় গিয়ে কল্যানইস্যুতে মুখে খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিজ্ঞ রাজনীতিকের মতো মন্তব্য করলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে অভিষেককে প্রশ্ন করা হয়। অভিষেক জবাবে বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন ওনার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ছাড়া উনি কাউকে মানেন না। আমিও তো তাই বলছি। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলছেন ঠিক বলছেন। এতে অসুবিধার কী আছে? তবে এখানেই থামেননি তিনি। কল্যান ইস্যুতে কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেসকে। তাঁর বক্তব্য, কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে বলায় প্রমাণিত যে দলে হাইকমান্ড সংস্কৃতি নেই। এটা আমাদের জন্য তো ভালোই। পার্থ চট্টোপাধ্যায় সতর্ক করার পরও পোস্টার পাল্টা পোস্টার চলেছে, হাইকোর্টে চত্বরে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার হয় তো ডায়মন্ডহারবার বা কল্যান ইস্যুতে বিতর্ক কমতে পারে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাংলা আকাদেমির দায়িত্বে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী

শাঁওলি মিত্রর প্রয়াণে তাঁর জায়গায় এলেন ব্রাত্য বসু। অর্থাৎ বাংলা আকাদেমি-র দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বিশিষ্ট নাট্যকার তথা রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মহাশ্বেতা দেবীর মৃত্যুর পর বাংলা আকাদেমির দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন শাঁওলি মিত্র। ২০১৮ সালের শুরুতে পদ থেকে ইস্তফা দিলেও মাস কয়েকের মধ্যেই তিনি ফিরে আসেন, আমৃত্যু এই দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। গত রবিবার পরলোকগমন করেছেন শাঁওলি মিত্র। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব শান্তনু বসুর তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের নির্দেশ অনুসারে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সাধারণ পরিষদে শামিল করা হয়েছে আরও ১৩ জন বিশিষ্টকে। সেই আমন্ত্রিত সদস্যদের তালিকায় রয়েছেন জয় গোস্বামী, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, সুবোধ সরকার, প্রচেত গুপ্ত, অভীক মজুমদার, প্রসূন ভৌমিক, শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়, আবুল বাশার, সুধাংশু দে,ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় এবং শাঁওলি মিত্রর মানস কন্যা অর্পিতা ঘোষ।সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে এই কমিটিতে থাকবেন উচ্চশিক্ষা দফতরের প্রধান সচিব (প্রচেত গুপ্ত), অর্থ দফতরের প্রধান সচিব (অর্পিতা ঘোষ), তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব (অভীক মজুমদার) ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সচিব (প্রসূন ভৌমিক)।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসিসি–র বর্ষসেরা দলে বাংলাদেশের ৩, কেন বাদ কোহলি?‌

বর্ষসেরা দল নির্বাচন নিয়ে নিজেদের ক্রমশ হাস্যকর করে তুলছে আইসিসি। একদিন আগেই ২০২১ সালের বর্ষসেরা টি২০ দল বেছে নিয়েছে। সেই দলে জায়গা হয়নি ভারতের কোনও ক্রিকেটারের। বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে একদিনের দল। আশ্চর্যজনকভাবে সেই দলেও কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার নেই! হ্যাঁ, জায়গা হয়নি বিরাট কোহলি কিংবা যশপ্রীত বুমরার। অথচ শ্রীলঙ্কার দুষ্মন্ত চামিরা, আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং, সিমি সিংরা জায়গা পান। আইসিসির বর্ষসেরা একদিনের দলে পাকিস্তানের ২ জন ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন। এরা হলেন বাবর আজম ও ফকর জামান। টি২০ দলের মতো একদিনের আইসিসির বর্ষসেরা দলের নেতৃত্বেও বাবর আজম। বর্ষসেরা দলে শুধু ভারতীয় ক্রিকেটারদের নয়, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনও ক্রিকেটারের জায়গা হয়নি। ১১ জনের দলে সুযোগ পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুজন ক্রিকেটার, জ্যানম্যান মালান ও রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। সবথেকে বেশি ক্রিকেটার সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে। এরা হলেন সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান ও মুশফিকুর রহিম। শ্রীলঙ্কা থেকে সুযোগ পেয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরা। এছাড়া রয়েছেন আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং ও সিমি সিং।বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরা, রোহিত শর্মাদের আইসিসির বর্ষসেরা দলে সুযোগ না পাওয়ার কারণ রয়েছে। আসলে ২০২১ সালে মাত্র ৬টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে ভারত। এই ৬ ম্যাচের মধ্যে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল মাত্র ৩টি ম্যাচে খেলেছিলেন। বোলারদের মধ্যে সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৫ ম্যাচ খেলে তিনি মাত্র ৯ উইকেট পেয়েছিলেন। আর ব্যাটারদের মধ্যে সবথেকে বেশি খেলেছিলেন শিখর ধাওয়ান। ৬ ম্যাচে তিনি করেছিলেন ২৯৭ রান। পারফরমেন্সের বিচারে পল স্টার্লিং, জ্যানম্যান মালান, ফকর জামান, বাবর আজমরা ধাওয়ানের থেকে অনেক এগিয়ে। আইসিসির বর্ষসেরা দল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পারফরমেন্সকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। নামের দিকে তাকানো হয় না। একদিনের ক্রিকেট বেশি না খেলার জন্য কোনও ভারতীয় ক্রিকেটারের নাম বিবেচিত হয়নি।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজনীতি

আমলা-নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মোদিকে ফের চিঠি মমতার

আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনী প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আবারও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় তাঁকে একই সপ্তাহে দ্বিতীয় বার চিঠি লিখতে হল বলেই জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এ বারও মমতা চিঠিতে লেখেন, নয়া ক্যাডার রুল সংশোধনী প্রস্তাব আগের চেয়ে অনেক বেশি দমনমূলক এবং তা সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে মমতা লেখেন, এই প্রস্তাবিত সংশোধনী শুধু দেশেরই ক্ষতি করবে না, দেশের গণতন্ত্রকেও ধ্বংস করে দেবে।আইএএস ক্যাডার আইনে সংশোধন করতে চেয়ে কিছু দিন আগেই রাজ্যকে চিঠি দিয়েছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রস্তাব, রাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও আমলাকে তাঁর এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের অনুমতি ছাড়াই সরিয়ে দিতে পারে কেন্দ্র। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কা, এ ক্ষেত্রে আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পুরোটাই কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে। এর ফলে জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এবং আধিকারিকদেরও মনোবল ভাঙতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, আমলাদের ডেপুটেশনের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মতি থাকা প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বার্থে।আগের চিঠিতে মমতা লিখেছিলেন, আপনি নিজেও অনেক বছর একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাই আমার বক্তব্যের সত্যতা আপনি বুঝতে পারবেন। দ্বিতীয় চিঠিতেও মোদির উদ্দেশে মমতা লিখেছেন, আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা থেকে রাজ্যকে বঞ্চিত করবেন না। তা হলে ভবিষ্যতে দেশের শাসনব্যবস্থার উপর বড় প্রভাব পড়বে। এটা ভুলে গেলে চলবে না, কেন্দ্রে যে দলই ক্ষমতায় থাকবে, তারাই এই প্রস্তাবিত সংশোধনীর অপব্যবহার করবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজনীতি

'মিরাট থেকে গোরক্ষপুর পর্যন্ত ওই হিন্দি কেউ বুঝবে না', মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

সমাজবাদী পার্টির নেতা কিরন্ময় নন্দ উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারের জন্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। হিন্দি বলয়ের বিজেপি শাসিত ওই রাজ্যে প্রচারে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বুধবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর হিন্দি বলা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে গেলে বিজেপি লাভবান হবে বলেই দাবি করেছেন এই বিজেপি নেতা।মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দি বলা প্রসঙ্গে কি বলেছেন শুভেন্দু?শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে কোনও জায়গায় যেতে পারেন। তাঁকে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বহিরাগত বলবে না। এবং উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বা বিজেপি সরকার তাঁর হেলিকপ্টার নামতে বাধা দেবে না। এটুকু আমি বলতে পারি। মুখ্যমন্ত্রীর যে হিন্দি ভাষণ আমরা শুনি, এই হিন্দি যদি উত্তরপ্রদেশে ভাষণে গিয়ে বলেন, যদি দোভাষী না নিয়ে ওই হিন্দিতে বক্তৃতা করেন, তা উত্তরপ্রদেশে মিরাট থেকে গোরক্ষপুর পর্যন্ত ওই হিন্দি কেউ বুঝবে না দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি। ওই হিন্দি ওখানে একদমই চলে না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশে বিজেপি বিরোধী প্রধান মুখ বলে মন্তব্য করেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা কিরন্ময় নন্দ। শুভেন্দু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিটা একজন হিন্দু বিরোধী রাজনৈতিক নেত্রী হিসাবে হিন্দুরা মনে করেন। উত্তরপ্রদেশে গেলে বিজেপির ভোট বাড়বে বৈ কমবে না। মোদ্দা কথা উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতেও উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজনীতি

উত্তরপ্রদেশে সপা-র সমর্থনে প্রচার করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস আলাদা লড়াই করবে না। তবে বিজেপি-কে পরাস্ত করতে সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে তিনি প্রচার করবেন বলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশ্বাস দিয়েছেন। মঙ্গলবার কালীঘাটে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে সমাজবাদী পার্টির নেতা কিরণময় নন্দ একথা জানিয়েছেন।তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে গোটা দেশে বিজেপি বিরোধিতার মুখ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে মমতা ব্যানার্জির সাহায্য চেয়েছিলেন। তিনিও সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মমতা ব্যানার্জি উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের প্রচারে যাবেন বলেও কিরণময় নন্দ জানান। তিনি বলেন ৮ ফেব্রুয়ারি লখনউতে মমতা ব্যানার্জি এবং অখিলেশ যাদব যৌথ ভার্চুয়াল সভা করবেন। এরপরে তারা একসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন। লখনউইয়ের পর বারাণসীতেও অখিলেশ-মমতা ভার্চুয়াল সভা করবেন। তবে সেই সভার দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়ন।এদিকে উত্তরপ্রদেশে কোভিডবিধির দোহাই দিয়ে সমাজবাদী পার্টিকে কোনও সভা সমাবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে ওই সমাজবাদী পার্টি নেতা অভিযোগ করেন।বাধ্য হয়েই তাঁদের ভার্চুয়াল সভা আর বাড়ি বাড়ি প্রচার করতে হচ্ছে।কেন্দ্র এবং উত্তরপ্রদেশ সরকার অখিলেশের গতিবিধির উপর ক্রমাগত নজরদারি চালাচ্ছে বলেও তাঁর আরও অভিযোগ।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

স্বজনপোষণের অভিযোগ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে, ক্ষোভের আঁচ পৌঁছল হাইকোর্টেও!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তাঁর তির্যক মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জেলায় জেলায় তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কটাক্ষ চলছিলই। এবার আইনজীবী-সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আঁচ পৌঁছল কলকাতা হাইকোর্টেও। মঙ্গলবার শ্রীরামপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের সামনে বিক্ষোভ করেন তৃণমূলের আইনজীবীরা। তাঁদের অভিযোগ, স্বজনপোষণ ও দুর্নীতি করে নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করেছেন আইনজীবী কল্যাণ। এছাড়া আরও একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে স্লোগান দেন আইনজীবীরা। হাইকোর্টের সামনে এমন বিক্ষোভে স্বাভাবিকভাবেই হইচই শুরু হয়ে যায়। তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার হাইকোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ দেখালেন আইনজীবীদের একাংশ। কল্যাণের দাদাগিরি মানব না, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিপাত যাক পোস্টার হাতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁরা সকলেই তৃণমূলের লিগ্যাল সেলের সদস্য।এদিন বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আইনজীবী অচিন্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ক্রমাগত দুর্নীতি, লাঞ্চনার জন্য এই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা। তৃণমূল লিগাল সেলকে কখনও সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাহায্য করেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই আইনজীবীর কথায়, উনি বাড়ির জন্যই কাজ করে থাকেন। এমনকী অবৈধভাবে হাইকোর্টে পরিবারের সদস্যের জন্য চেম্বারও করে দিয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। তাঁদের আর্জি কল্যাণের বিরুদ্ধে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেন ব্যবস্থা নেন। এতে তাদের লিগাল সেল ভাল ভাবে এগিয়ে যাবে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচনের দিন ঘোষণা

ভোটের দামামা বেজে গেল তৃণমূলের অন্দরে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন। ৩১ মার্চ ঘোষিত হবে নতুন কার্যকরী সমিতি। ঘোষণা করলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।২ ফেব্রুয়ারি নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হবে ভোট। কারা কারা ভোট দিতে পারবেন তা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা ঘোষণা করলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে স্বাভাবিকভাবেই ভোট হবে না তৃণমূল চেয়ার পার্সন পদে।এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে পার্থবাবু বলেন, দলের সঙ্গে এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর সভাপতি সুব্রত বক্সির সঙ্গে আলোচনার পর সেই আলোচনার ভিত্তিতে ঘোষণা করছি ২ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নেতাজি ইনডোরে হবে নির্বাচন। আমায় রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করেছে। তিনি আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী চেয়ারপার্সন নির্বাচন হয় প্রথমে। তারপর সব পদে পরপর নির্বাচন হয়। ২০১৭ সালে শেষবার তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছিল। সে বার একমাত্র দলনেত্রী পদে নির্বাচন হয়। তাতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

দিল্লিতে সাধারণতন্ত্র দিবসে বাংলার ট্যাবলো বাতিলের প্রতিবাদে হাওড়ায় বাংলা পক্ষর বিক্ষোভ কর্মসূচি

দিল্লিতে ২৬ শে জানুয়ারী সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাংলার তৈরি ট্যাবলো বাতিল করেছে বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত কেন্দ্র সরকার। বিজেপি শাসিত দিল্লি সুভাষের শত্রু। বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি। এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ হাওড়া জেলার পক্ষ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি হল হাওড়ার রামরাজাতলায় কলাবাগান এলাকায় নতুন রাস্তার মোড়ে সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তির পাদদেশে।থ্রেডে যাও, ভোট দাও। #AntiNetajiBJP https://t.co/WTLVWScKpd বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) January 17, 2022বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে দাবি ওঠে, বাংলাকে বঞ্চনা করা চলবে না। বাংলার ট্যাবলোকে দিল্লির কুচকাওয়াজে স্থান দিতে হবে। সুভাষচন্দ্র বসু সারা ভারতের, কিন্তু তিনি অনেকের কাছে রাজনীতির কাঁচামাল মাত্র। কিন্তু বাংলা ও বাঙালির কাছে হৃদয় সম্রাট তিনি। স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালির অবদান সবথেকে বেশি ছিল। তাই বাংলার তৈরি সুভাষ চন্দ্র বসু ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ কেন্দ্রিক ট্যাবলোর অনুমতি দিতে হবে। না-হলে লড়াই চলবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

আরও কিছুটা শিথিল হল কোভিড বিধিনিষেধ, তবে বন্ধই থাকছে স্কুল-কলেজ

করোনা সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় রাজ্য সরকার চলতি কোভিড বিধিনিষেধে আরও কিছু ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এক সময় ৫০ শতাংশ গ্রাহক নিয়ে রাত নটা পর্যন্ত জিমগুলিকে খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানকার সমস্ত কর্মীদের দুটি ডোজ করোনা টিকা প্রাপ্ত হতে হবে অথবা আরটিপিসিআর নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। রাত নটা পর্যন্ত খোলা জায়গায় আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে যাত্রা মঞ্চস্থ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বদ্ধ জায়গায় সর্বাধিক ২০০ জন অথবা আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ যেটি কম হবে সেই সংখ্যক দর্শক নিয়ে যাত্রা মঞ্চস্থ করা যাবে বলে সোমবার নবান্ন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। কোভিড বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে পালন করে, শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে সিনেমা এবং টিভি সিরিয়ালের আউটডোর শুটিং এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।শনিবারই বাড়তি কিছু ছাড় সহ রাজ্যে কোভিড জনিত বিধি-নিষেধের মেয়াদ ১৫ জানুয়ারি থেকে বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়। এই পর্বে বিয়ে ও মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়। বিয়েবাড়ি বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে একই সময় সর্বোচ্চ ২০০ জন কিংবা অনুষ্ঠান স্থলের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক, এর মধ্যে যেটা কম, সেই সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন।খোলা আকাশের তলে মেলা করা যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কঠোর ভাবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো জিম এবং যাত্রাশিল্প।তবে এই পর্বেও সমস্ত স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকছে। অর্ধেক হাজিরা নিয়েই চলবে সরকারি অফিস। তবে আগের দেওয়া ছাড় বজায় রেখে ৫০ শতাংশ ক্রেতা নিয়ে সেলুন খোলা থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে রাত দশটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। নৈশ বিধিনিষেধের সময়সীমাও একই থাকছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
সম্পাদকীয়

মেগা কোভিড-১৯ টেস্টিং ড্রাইভ' হোক রাজ্য জুড়ে, কেন বঞ্চিত বাকি অঞ্চল

বাংলায় করোনার পজিটিভিটি রেট ৩০ শতাংশের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। পাশাপাশি করোনা-আক্রান্তের মৃতের সংখ্যাও ক্রমশ বেড়ে চলেছে। গত কয়েক দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গড়ে ২০ হাজারের বেশি। কিন্তু এখনও সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ সচেতন নয়। উৎসব, মেলা অনেক হল, এবার সরকারি উদ্যোগেও ঘাটতি থাকা উচিত নয়। ডায়মন্ডহারবারে এক দিনে ৫০ হাজার কোভিট টেষ্ট করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে রাজ্যের অন্য সংসদীয় এলাকায়ও এমন উদ্যোগ নেওয়া হোক। একটি লোকসভা কেন্দ্রে সরকার পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে বাকি কেন্দ্রে তা হবে না তা কোনও গণতান্ত্রিক দেশে হওয়া বাঞ্ছিত নয়। এক্ষেত্রে একই রাজ্যে তো নয়ই।করোনা আমাদের সামাজিক পরিকাঠামোর সর্বনাশ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, ছোট-বড় বেসরকারি সংস্থার কর্মী, খেটে খাওয়া মানুষরা আজ বড় অসহায়। তবু করোনা বিধিকে তোয়াক্কা করছেন না একটা অংশ। কেন তাঁদের এই অনীহা এটা আজ প্রশ্ন। তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়লেও অল্প দিনে সেরে ওঠায় অনেকে হালকা ভাবে নিচ্ছেন। কিন্তু পজিটিভিটি রেট ও মৃত্যুর সংখ্যা চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসক মহলকে। অতএব করোনা নিয়ে সচেতন না হলে আগামি দিনে কী বড় বিপদ অপেক্ষা করছে তা কারও জানা নেই।বিশেষজ্ঞরা নানা আশার বানী শোনাচ্ছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের একটা অংশের দাবি, ভ্যাকসিনের কাজ করবে ওমিক্রণ। তাহলে তো অতি উত্তম। কিন্তু যে ভাইরাসটা সম্পর্কে কোনও গবেষণা সম্পূর্ণ নেই, তা সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা শ্রেষ্ঠ উপায় বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন ও শীতের উৎসবের পর তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যায়। মুখে মাস্ক ও ভিড় এড়ানোই করোনা মোকাবিলার সেরা অস্ত্র বলে আসছেন, তা কেন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না সেটাই মূল প্রশ্ন। সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষকে করোনা মোকাবিলায় শরিক হতে হবে। আজ মনে হতে পারে আমার কিছু হবে না, ঘুরিয়ে সেই বিপদ কখন নিজের বাড়িতে হাজির হয়ে যাবে তার কোনও গ্যারান্টি নেই।এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহাবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যে পজিটিভিটি রেট ৩ শতাংশের নীচে কমিয়ে আনতে হবে। ডায়মন্ডহারবার সংসদীয় কেন্দ্রে একদিনে ৫০ হাজার মানুষের করোনা টেষ্ট করা হয়েছে। খুব ভালো উদ্য়োগ। কিন্তু কেন রাজ্যের বাকি ৪১টি কেন্দ্রে এই উদ্যোগ নেওয়া হল না সেটা বড় প্রশ্ন। ওই ৫০ হাজার মানুষের করোনা টেষ্ট তো সরকারি অর্থেই হয়েছে। এমন নয় তো বেসরকারি সংস্থা সমাজেসেবা করেছে। তাহলে একই রাজ্যের অন্য সংসদীয় কেন্দ্রেও এমন উদ্যোগ নেওয়া উচিত। প্রথমত এক রাজ্যে ভিন্ন নীতি হবে কেন? অন্য় সংসদীয় কেন্দ্রের নাগরিকরা কেন বঞ্চিত হবে? সংসদীয় কেন্দ্র ভিত্তিক না হোক জেলা ভিত্তিক, মহকুমা বা ব্লক ভিত্তিক করোনা পরীক্ষার করার ব্যবস্থাও করতে পারে সরকার।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

"নেতাজি" সুভাষচন্দ্র বসু-র ট্যাবলো বাতিল করলো কেন্দ্র সরকার, প্রতিবাদে মুখর 'বাংলা পক্ষ'

একদিকে যখন বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করছে এই বছর ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালন শুরু হবে, সরকার আরও জানিয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীকে মর্যাদা দিতেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া ২০১৯ এ নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার, এবং এই উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমরিয়াল হলে এক মনোজ্ঞ অনুষ্টানের আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অদ্ভুত ভাবে সেই সরকারই ২৬ শে জানুয়ারী-র সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ উপলক্ষে বীর সুভাষ ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ-কে কেন্দ্র করে তৈরি বাংলার ট্যাবলো বাতিল করেছে। একই সরকারের এই দ্বিমুখী আচরণে অবাক সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিদ্বজন।এই আচরণের তীব্র বিরোধিতা করে বাংলা পক্ষ। বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষি কোনও ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে এই বাংলা প্রেমী সংগঠন। তাঁরা তাদের টুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। জনতার কথার প্রতিনিধি কে বাংলা পক্ষ জানিয়েছে, বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত দিল্লির কেন্দ্র সরকার। বিজেপি ও হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্র সরকারের সর্বদাই বাংলা ও বাঙালি বিরোধী চরিত্র দেখি আমরা।আরও পড়ুনঃ নেতাজির জীবন নিয়ে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলেবাংলা পক্ষ-এর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যখন বাঙালি বীর সন্তানরা ভারতের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিচ্ছে তখন আরএসএস ব্রিটিশের দালালি করতো। ইতিহাসক্রমেই বিজেপি ও আরএসএস (RSS) সুভাষ বিরোধী। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসে সুভাষের নামাঙ্কিত বাংলার ট্যাবলো বাতিল হওয়ায় দিল্লির সুভাষ বিরোধিতা আরও প্রকট ভাবে প্রকাশিত হল। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাঙালি বিরোধী বিজেপি ও কেন্দ্র সরকারকে ধিক্কার জানিয়ে ট্যুইটার প্রচার শুরু করেছে বাংলা পক্ষ। যদিও এবিষয়ে আরএসএসের কোনও মন্তব্য মেলেনি।বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, বাঙালিদের তাঁরা আহ্বান জানাচ্ছেন #AntiNetajiBJP হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে ট্যুইটারে ঝড় তোলার জন্য। এছাড়াও আরও একটি হ্যাসট্যাগ #BengalNetajibannedinDelhi তাঁরা ব্যবহার করছেন এই প্রচারে। হাজার হাজার ট্যুইটের মাধ্যমে সুভাষচন্দ্রের অমর্যাদার প্রতিবাদে গর্জে ওঠার আবেদন তাঁরা রাখছেন সমগ্র ভারতীয়দের কাছে। তাঁরা জানিয়েছেন সুভাষচন্দ্র শুধু বাঙালির গর্ব নয় সমগ্র ভারতবর্ষের অলঙ্কার।কৌশিক মাইতি আরও জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলা পক্ষ এই ট্যুইটার প্রচারে আরও কয়েকটি দাবি রেখেছে সেগুলি হলঃ১. সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত সমস্ত ফাইল প্রকাশ করতে হবে।২. ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই।৩. ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

বিয়ে ও মেলায় কিছু ছাড় দিয়ে রাজ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জারি বিধিনিষেধ

করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জেরে গত ২ জানুয়ারি মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী রাজ্যে নতুন করে করোনা বিধিনিষেধ জারি করেন।বাড়তি কিছু ছাড়-সহ রাজ্যে কোভিড জনিত বিধি-নিষেধের মেয়াদ আরো ১৫ দিন বাড়ানো হলো।আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিধিনিষেধ জারি থাকবে বলে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে। তবে এ বার বিয়ে ও মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,বিয়েবাড়ি বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে একই সময় সর্বোচ্চ ২০০ জন কিংবা অনুষ্ঠান স্থলের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক, এর মধ্যে যেটা কম, সেই সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন। খোলা আকাশের তলায় মেলা করা যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কঠোরভাবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।তবে এই পর্বেও সমস্ত স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকছে। জিম, সুইমিং পুল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।অর্ধেক হাজিরা নিয়ে চলবে সরকারি অফিস। তবে আগের দেওয়া ছাড় বজায় রেখে ৫০ শতাংশ ক্রেতা নিয়ে সেলুন খোলা থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে রাত দশটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। নৈশ বিধিনিষেধের সময়সীমাও একই থাকছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্ন

পুরভোট পিছিয়ে দিতে সায় রাজ্যের। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নবান্ন। আদালতের নির্দেশের পরই রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরই শনিবার চিঠি দেয় নবান্ন। চিঠিতে রাজ্য জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য। তবে ভোট পিছিয়ে দিলে আপত্তি নেই। শনিবার দুপুরেই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভোট পিছনোর ঘোষণা করবে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাআগামি ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দনগর পুরসভার। কোভিড পরিস্থিতিতে এই পুরভোট নিয়ে আপত্তি তুলে অনেকেই আদালতে যান। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোটের তারিখ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। কোভিড আবহে জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তবেআরও পড়ুনঃ অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রেখে ইন্সটাগ্রামে ফিরলেন রাজ কুন্দ্রাশুক্রবারই হাইকোর্টের রায় নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। তারই উত্তরে শনিবার রাজ্য ভোট পিছনোর পক্ষে সায় দেয়। চিঠিতে তারা জানায়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে রাজ্য। এখন কমিশন যদি কিছু দিনের জন্য ভোট পিছিয়ে দেয়, তাতে তাদের আপত্তি নেই। যদিও এর আগে আদালতে একাধিক বার ভোট পিছনোর বিরোধিতা করেছে নবান্ন। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পর, বিকেলের মধ্যেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করতে পারে কমিশন। সূত্রের খবর, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট চাইছে নবান্ন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • ...
  • 79
  • 80
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সুখবর! বকেয়া ডিএ পেতে চলেছেন আরও হাজার হাজার কর্মী

সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আগেই মিটিয়েছে রাজ্য। এবার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ও অবসর ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে খবর।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে অর্থ দফতরের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠক থেকে জানা যাচ্ছে, নির্বাচনের আগে দ্রুত বকেয়া অর্থ মেটানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কর্মীসংখ্যা এবং বকেয়া ভাতার বিস্তারিত তথ্য দ্রুত জমা দিতে।বিশেষ করে দুই হাজার আট সালের এপ্রিল থেকে দুই হাজার উনিশ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ভাতার হিসাব সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্য হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। শিক্ষা, পুর ও নগর উন্নয়ন, পরিবহন, পঞ্চায়েত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেন। তাঁদের থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।এর আগে মার্চ মাসে রাজ্য সরকার কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বকেয়া ভাতা মেটানোর কাজ শুরু করেছিল। সেই সময় সরকারি কর্মীদের একটি অংশ বকেয়া অর্থ পেলেও, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী এই সুবিধা পাননি।এবার সেই বাকি থাকা কর্মী এবং পেনশনভোগীদেরও বকেয়া ভাতা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। ফলে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অনেকেই তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনে সংঘর্ষ! রোড শোতেই চরম অশান্তি

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনই চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে রোড শো চলাকালীন দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।ঘটনাটি ঘটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির সামনে। সেখানে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে এগিয়ে আসতে হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।এ দিন রোড শো চলাকালীন তৃণমূল সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরাও। দুই পক্ষের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অমিত শাহের কনভয় ওই এলাকায় পৌঁছয়। তখন জুতো ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। উত্তেজনার মধ্যে কনভয় এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহকে কনভয় থেকে নেমে যেতে হয়। পরে তিনি একটি ছোট গাড়িতে উঠে ওই এলাকা পার হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এই ধরনের ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় লড়াই! “মমতাকে হারাতেই হবে”—মঞ্চ কাঁপালেন অমিত শাহ

ভবানীপুর কেন্দ্রে আজ মনোনয়ন জমা দেবেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সমর্থন জানাতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাজরার সভা মঞ্চ থেকে তিনি সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন এবং পরিবর্তনের ডাক দেন।অমিত শাহ বলেন, দুই হাজার চৌদ্দ সালের পর যে সব রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। এবার বাংলাতেও সেই পরিবর্তন দরকার। তিনি ভবানীপুরের ভোটারদের উদ্দেশে আবেদন জানান, শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে। তাঁর কথায়, বাংলাকে নতুন করে গড়ে তুলতে হলে পরিবর্তন জরুরি।তিনি আরও বলেন, রাজ্যে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ বেড়ে গিয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় বিজেপি সরকার গঠন।অমিত শাহ দাবি করেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে চায়। তাঁর মতে, কোনও গুণ্ডা ভোটারদের আটকাতে পারবে না এবং সবাইকে সাহসের সঙ্গে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু পরাজিত করাই নয়, তৃণমূলকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দিতে হবে।শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তিনি বলেন, তিনি আগে অন্য জায়গা থেকে লড়তে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁকে বলা হয় ভবানীপুর থেকেই লড়াই করতে। তাঁর দাবি, এই কেন্দ্রে জয় পেলেই গোটা বাংলায় পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে যাবে।অমিত শাহ আরও বলেন, বাংলার মানুষ এখন নতুন সরকারের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য বিজেপি সরকার প্রয়োজন। তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য কিছুদিন তিনি বাংলাতেই থাকবেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।এ দিনের সভা থেকে ভবানীপুর-সহ একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থন জানান তিনি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং ভবানীপুরে লড়াই যে জমে উঠেছে, তা স্পষ্ট।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

“কালিয়াচকের ঘটনা বিজেপির গেম প্ল্যান!” জনসভা থেকে কড়া আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরদিঘির জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ এবং এর পিছনে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে যা মন্তব্য করেছে তা সঠিক। একই সঙ্গে তিনি মানুষের কাছে আবেদন জানান, কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালাতে হবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে এবং মালদহের ঘটনার বিষয়ে তাঁকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে, রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে এবং বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছে।তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যাতে নির্বাচন বাতিল করে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষকে শান্ত থাকতে হবে এবং কোনও উসকানিতে পা দেওয়া চলবে না। তিনি সকলকে বাংলার শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেওয়া যাবে নাএই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচকের পর ফের উত্তপ্ত মালদহ! জাতীয় সড়ক অবরোধে তীব্র বিক্ষোভ

কালিয়াচকের ঘটনার পর মালদহে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরাতন মালদহ ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েন স্থানীয় মানুষ। জাতীয় সড়কের উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু হয়। কয়েকটি জায়গায় বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে।এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগের দিন কালিয়াচকে একই ইস্যুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে একটি সরকারি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকরাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ঘেরাওয়ের পর গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং নতুন করে মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কার্গিল যোদ্ধার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ! তীব্র চাঞ্চল্য

দেশের জন্য প্রায় তিরিশ বছর কাজ করেছেন, অংশ নিয়েছেন কার্গিল যুদ্ধেও। সেই প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নামই এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আজাদ আলি ওই এলাকার দুইশো নয় নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁর এবং তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিও তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু নতুন পরিপূরক তালিকা প্রকাশের পর তিনি দেখেন, তাঁর এবং পরিবারের আরও এক সদস্যের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তিনি এবং তাঁর পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আজাদ আলি সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। কার্গিল যুদ্ধের পাশাপাশি অপারেশন বিজয় এবং অপারেশন পরাক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন। উনিশশো পঁচানব্বই সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি এবং গত বছরের অক্টোবর মাসে সুবেদার পদ থেকে অবসর নেন।আজাদ আলির বক্তব্য, দেশের সুরক্ষার জন্য তিনি সবসময় প্রস্তুত ছিলেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। অথচ এখন নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার পরও তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মতো যাঁদের কাছে এত নথি নেই, তাঁদের কী হবে।স্থানীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁদের কাছেও দুঃখজনক, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখন তাঁকে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক পক্ষের দাবি, প্রক্রিয়া সঠিকভাবেই চলছে এবং যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করলে সমাধান সম্ভব।এই ঘটনাকে ঘিরে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

পাথরবৃষ্টি, ভাঙা কাচ, আতঙ্কে বিচারকরা! ঘটনায় রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট

মালদহের কালিয়াচকে সাতজন বিচারককে প্রায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁদের ঘিরে রাখা হয় এবং গভীর রাতে উদ্ধার করা হলেও ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ির কাচ ভেঙে সিটের উপর পড়ে বলে জানা গেছে।এই ঘটনার পর বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, তিনি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিতে চান না, কিন্তু পুরো ঘটনাই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, বিকেল থেকেই বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছিল, অথচ রাত পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারি থাকা প্রয়োজন ছিল। তিনি আরও বলেন, কেউ দায় এড়াতে পারে না এবং বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। বিচারকদের দেওয়া নির্দেশ মানেই আদালতের নির্দেশ, সেটি রক্ষা করা জরুরি।আদালতে শুনানির সময় একাধিক আইনজীবী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগে বিচারকদের ভয় দেখানো হত, এখন তাঁদের উপর সরাসরি হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছিল। প্রশাসনকে জানানো হলেও রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর উদ্ধার সম্ভব হয়। কিন্তু তারপরও তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়।আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে বিচারকরা কাজ করছেন সেখানে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাঁদের থাকার জায়গাতেও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বিচারকদের কোনও ধরনের হুমকি থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।আদালত এই ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে জানায়, বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং তাঁদের কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্য ছিল। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে জানানো হয়েছে।শীর্ষ আদালত আরও জানায়, রাজ্য প্রশাসন তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেনি এবং কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেওয়া হতে পারে।এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের কড়া অবস্থানের পর এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

কালিয়াচক কাণ্ডে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত! জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নোটিস

মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের ঘিরে ধরে রাখার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিল দেশের শীর্ষ আদালত। এই ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছেও বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকে তিনজন মহিলা সহ মোট সাতজন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে ঘিরে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতির বেঞ্চে তা নিয়ে আলোচনা হয়। আদালত এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে, যেখানে পুরো ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়। কিন্তু সেই সময় জেলাশাসক বা পুলিশ সুপার কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি।পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিক ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়। এরপর রাত বারোটার পর বিচারকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, বাড়ি ফেরার সময়ও তাঁদের গাড়িতে হামলা করা হয় এবং পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।আদালত এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এমন ঘটনা বিচারকদের মধ্যে ভয় তৈরি করতে পারে। আদালতের মতে, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারই উদাহরণ।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, কমিশনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।আদালত আরও জানায়, আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিতে হবে।এই ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে এবং গোটা বিষয়টি এখন আদালতের কড়া নজরে রয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal