• ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ০৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Art

বিনোদুনিয়া

কলকাতা আর্ট ফেয়ারের দ্বিতীয় বছরে সামিল দেশ-বিদেশের শিল্পীরা

শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স এর নিবেদনে এবং ইন্ডিয়ান আর্ট গ্যালারি এর আয়োজনে কলকাতা আর্ট ফেয়ার এর দ্বিতীয় পর্ব আগামী ১৫ মে (বিকেল ৫টা উদ্বোধন) থেকে ১৮মে (দুপুর ২ থেকে রাত ৮টা) কলকাতার আইসিসিআর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। নানা গ্যালারি জুড়ে আর্টের পসরা সাজিয়ে বসবেন দেশ-বিদেশের সব শিল্পী। এবছর প্রায় ৪৫০ শিল্পীর ১০০০এর কাছাকাছি আঁকা প্রদর্শিত হবে।কলকাতা আর্ট ফেয়ার আয়োজনের নেপথ্যে মূল কারণ উদীয়মান শিল্পীদের তাঁদের শিল্পের প্রদর্শনের পাশাপাশি বিক্রির একটা ব্যবস্থা করা। আজকাল খুব বড় শিল্পীর আর্ট যতটা সহজে পরিচিতি পায়, অনেক গুণী শিল্পী সেই সেই পরিচিতির সৌভাগ্যটা হয় না।এই বিশেষ আয়োজনে শিল্পের নানা আঙ্গিক থাকছে। আঁকা ছবির বিভিন্ন মাধ্যমের সঙ্গে থাকছে ফটোগ্রাফি, স্কাল্পচার। এর মধ্যে মহিলা শিল্পীদের কাজটাই বেশি জায়গা জুড়ে দেখতে পাওয়া যাবে। চীন, ইউক্রেনে থেকেছেন এখন ভারতেই পাকাপাকি ভাবে রয়েছেন এই শিল্পীদের ছবিও থাকছে।এর পাশাপাশি থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যামিনী রায়, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে যোগেন চৌধুরী, শুভাপ্রসন্ন আরো অনেকের ছবি আবার নতুনদের ছবি। ছবির পাশাপাশি এই আয়োজনের সঙ্গে জুড়ে গেছে। তাই বিশেষভাবে যুক্ত হয়েছেন বিশিষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী দেবজ্যোতি মিশ্র। ১৫ মে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছে তাঁর বিশেষ নিবেদন। এরপর আরো দুদিন থাকছে তাঁর গানের পাঠশালা বিশেষ পরিবেশনা সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে। রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে থাকবে সত্যজিতের গান, সলিল চৌধুরীর গান, ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবির অনেক সুর-গান সব মিলিয়ে সঙ্গীতের সাথে আর্ট এর এক মেলবন্ধন ঘটবে এই শিল্পের মহাকর্মযজ্ঞে।এই আয়োজনের নেপথ্যে বিশিষ্ট আর্টিস্ট মেহতাব মোল্লা। তিনি এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, অন্যান্য শহরে গিয়ে দেখেছি আর্ট ফেয়ার গুলোয় ছবির বাজার রয়েছে। কিন্তু কলকাতায় ছবি বা যে কোনো ফর্মের আর্ট বেঁচে উপার্জন করার সুযোগ অনেক কম আরো সমস্যা নতুনদের জন্য। কলকাতায় তেমনই একটা আর্ট ফেয়ার শুরু করার তাগিদ থেকেই এই আর্ট ফেয়ারের যাত্রা শুরু। দেবজ্যোতি মিশ্র উদ্যোগের বিষয়ে বলেন, এই উদ্যোগের আমিও একজন সহযোদ্ধা। নতুনদের একটা যায়গা দেওয়ার দরকার। তার সাথে সঙ্গীতের এক অসাধারণ মেলবন্ধন ঘটবে এই আর্ট ফেয়ারে।শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের কর্ণধার রূপক সাহা জানান, এই উদ্যোগের সাথে আমরা শুরুর দিন থেকেই আছি। আমরা নিজেরা গহনা শিল্পের সঙ্গে জড়িত সেটাও যেমন আর্ট যেমন গহনার ডিজাইন ঠিক একই ভাবে ফাইন আর্টের নানা দিকের প্রতিই আমরা বরাবর উৎসাহী। নতুন শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর, তাদের কাজকে সমর্থন করার জন্যই এই উদ্যোগে আমরা সামিল হোই। মাঝে এক বছর করোনার জন্য করা সম্ভব না হলেও আশা করি কলকাতা আর্ট ফেয়ারের এই দ্বিতীয় বছরের এই উদ্যোগ সবার ভালো লাগবে।

মে ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সিদ্ধার্থ শুক্লকে হারিয়েও ভেঙে পড়েননি শেহনাজ, শেয়ার করলেন সেই কাহিনী

২০২১ এর ২ সেপ্টেম্বর ৪০ বছর বয়সে আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্ল। তাঁর আকস্মিক প্রয়ানে যেমন ভক্তরা মর্মাহত হয়েছিলেন ঠিক তেমনই সিদ্ধার্থর মৃত্যু তাঁর প্রেমিকা অভিনেত্রী শেহনাজ গিলের ভালবাসা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল।সিদ্ধার্থর মৃত্যুতে শেহনাজ এতটাই ভেঙে পড়েন যে বেশ কয়েকদিন বাড়ির বাইরে পা রাখেননি। এরপর পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। শেহনাজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।সম্প্রতি নারীশক্তির সচেতনতা প্রসারে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিগ বসের খ্যাতনামা প্রতিযোগী। সেখানেই অংশগ্রহণকারী মেয়েদের শোনান নিজের জীবন-কাহিনি শোনান অভিনেত্রী। শেহনাজ বলেন বলেন, মেয়েদের নরমসরম, অসহায় ভাবার দিন ফুরিয়েছে। আমরা মোটেই বেচারি নই। আমায় দেখো, আমি মানসিক ভাবে কতটা শক্ত। জীবনের যে কোনও সমস্যার মুখোমুখি হতে চাইলে আমার থেকে শিক্ষা নিতে পারো। ধাক্কা খেলে তবেই তো মানুষ শেখে। আমারও সেটাই হয়েছে।

মে ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষের স্মৃতিচারণায় বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি

আবার একটি দুঃসংবাদ। প্রয়াত বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শনিবার সকাল ৭.৩৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন জনপ্রিয় বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ পরিবার-পরিজনেরা। গত ২৬ আগস্ট পার্থ ঘোষের স্ত্রী স্বনামধন্যা বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষ মারা যান। এবার না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন পার্থ ঘোষ। রেডিওয় উপস্থাপক হিসেবে পেশাজীবনের শুরু করেন এই আবৃত্তিকার দম্পতি। দীর্ঘ দিন তাঁরা আকাশবাণী কলকাতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কর্ণ-কুন্তী সংবাদ-এর সুবাদে এক সময় পার্থ ঘোষ এবং গৌরী ঘোষের প্রচুর জনপ্রিয় হন। কুন্তীর ভূমিকায় ছিলেন গৌরী এবং কর্ণের ভূমিকায় ছিলেন পার্থ।পার্থ ঘোষের প্রয়াণে স্মৃতিমেদুর বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে পার্থবাবুর ভালো যোগাযোগ ছিল। জনতার কথা কে রুমকি জানালেন, খবরটা শোনার পর আমার মনটা খুব খারাপ। পার্থদার যে চেহারাটা দেখেছি সেই চেহারাটাই চোখে রাখতে চাই। ২০১৮ তে পার্থদার সঙ্গে আমার ভালোভাবে পরিচয় হয়। আমার একক অনুষ্ঠানে তিনি এসেছিলেন। গাড়ি করে নিয়ে আসা হয়েছিল। ওনার শরীর তখনও ভালো ছিল না। উনি বলেছিলেন একটু সময় থেকে চলে যাবেন। আমার একক অনুষ্ঠানে পার্থদার সঙ্গে পরিচয় গাঢ় হয়। আমার ২ ঘন্টা ৩০ মিনিটের শো শেষ হওয়ার পরে যখন লাইট জ্বলেছে তখন দেখি পার্থদা প্রথম সারিতে বসেই আছেন। অত লোকের মাঝেও আমি স্টেজ থেকে নেমে এসে বললাম দাদা তুমি যাওনি কেন? বলল আমি যেতে পারলাম না। তুই আমায় আটকে দিলি। প্রতিটা কবিতার পরেই ভাবছিলাম যাব, কিন্তু তোর কবিতা শোনার পরে উঠতে পারছিলাম না। এটা আমার জীবনের বোধহয় সবথেকে বড় পাওনা। তিনি আরও জানালেন, সেদিন চলে যাওয়ার পর রাতে আমাকে ফোন করে দাদার বাড়ি যেতে বলেন। দু-তিন দিন পর আমি পার্থদার বাড়ি যাই। আমাকে বলেছিলেন তোকে দিল্লিতে একটা অনুষ্ঠান দেবো। এই জিনিস তোকে করতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে। তারপর থেকেই পার্থদার শরীর খারাপ। একটা বড় অপারেশন হল। আমি তারপর দেখতে গেছি। কি ভালোবাসতেন তৈরি করে নিয়ে গেছি দু-চারবার। এত স্নেহ করতেন। আর বলতেন আমি জানি আমি মরে গেলে আর কেউ না কাঁদলেও তুই কাঁদবি। আমি বলতাম দাদা মরার কথা বলবে না। লাস্ট দিন কুড়ি আগে দাদার বাড়ি যাই। দাদার ছেল দরজা খুলে বললেন বাবা হসপিটালে রয়েছেন। চেক আপের জন্য বাবাকে কয়েকদিন ওখানে রাখা হয়েছে। আমি উনার ছেলের ফোন নম্বরটা নিয়ে যাই। দাদা বাড়িতে আসলে কথা বলে আমি আসবো। উনি বললেন হ্যাঁ ঠিক আছে। আমি লাস্ট দু একদিন ধরে ভাবছি ফোন করে দেখাটা করে আসি। আমার কপালে নেই। আজ সকালে যে এরম একটা খবর পাবো ভাবিনি।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আবৃত্তি জগতে শূন্যতার সৃষ্টি, প্রয়াত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ

প্রয়াত হলেন প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ। আবৃত্তি জগতে ফের নক্ষত্র পতন। সৃষ্টি হল শূন্যতার। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে এই শিল্পীর কার্ডিয়াক এরেস্ট হয়। তাঁর গলায় অস্ত্রোপচার হয়েছিল। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পী মহলে। তিনি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সূত্রের খবর, হাসপাতাল থেকে মরদহে যাবে দমদমে শিল্পীর বাসভবনে। সেখান থেকে নিমতলা শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন।গতবছর অগস্টে প্রয়াত হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী আরেক প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী গৌরী ঘোষ। আবৃত্তি জগতে পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষের দ্বৈত পাঠ সাড়া জাগিয়েছিল বাংলায়। তাঁদের কন্ঠে ছিল যাদু। দুজনের নাম একসঙ্গে উচ্চারিত হত। পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষ পরবর্তী প্রজন্মের আবৃত্তিকারদের কাছে অগ্রজপ্রতিম। তাঁদের দুজনেরই অভিব্যক্তি, উচ্চারণ দক্ষতা অসাধারণ। মুগ্ধ হতেন স্রোতারা।বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জনতার কথাকে জানান আজকের সকালটা বাচিক শিল্পের সাথে জড়িত সকলের কাছে এক অন্ধকারময় সকাল। জটিলেশ্বর বাবুর কথা ধার করে বলতে হয়, এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার,ও কি সূর্য না কি স্বপনের চিতা, ও কি পাখির কুজন নাকি হাহাকার...... প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ আজ আমাদের মধ্যে নেই। প্রথাগত বাচিক শিক্ষা হয়ত কোনও দিন আমায় দেননি, কিন্তু তাঁর ও গৌরী ঘোষের অসংখ্য মঞ্চ মাতানো পরিবেশনা থেকে আমার মত বহু বাচিক শিল্পী বহু কিছু শিখেছেন। তাঁরা যেন সত্যিই কলি যুগের কর্ণ-কুন্তি ছিলেন। কুন্তি আগেই চলে গেছেন-এবার কর্ণ...। ধন্য হল পরলোক...। বাচিক শিল্পের নক্ষত্র পতন। ঘোষক / ঘোষিকা থেকে বাচিক শিল্পীর উত্তরণ যাঁদের হাত ধরে তাঁদের একজন হলেন পার্থ ঘোষ।সুদেষ্ণা আরও জানান, কয়েকটি অনুষ্ঠানে এই মহান শিল্পীর সাথে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল এই অধমের। একজন উদীয়মান শিল্পিকে যেভাবে উৎসাহ দিয়েছিলেন আমি কোন দিন ভুলতে পারবো না। আমার অবৃত্তি শেষে ওই রকম মহান শিল্পীরা (পার্থ ঘোষ - গৌরী ঘোষ) এসে আমার মত একজন উঠতি শিল্পীকে প্রসংশায় ভরিয়ে দিয়ে গেলেন। এই উৎসাহ ও প্রসংশাই আমাদের মত শিল্পীর কাছে পরম পাওয়া। আজ আর বলার মত কিছু নেই। মহান শিল্পীর আত্মার চির শান্তি কামনা করি।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নেশাগ্রস্ত শেহনাজ বার বার টাল খেয়ে সালমানের গায়ে ঢলে পড়ছেন, সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড নায়িকা

ঈদের পার্টি সেরে বেরোনোর পথে সালমানকে প্রায় বগল-দাবা করে নিয়ে বেড়িয়ে আসেন শেহনাজ। একটি বারের জন্যেও সলমনের হাত ছাড়েননি তিনি। কারনে অকারণে বারংবার জড়িয়ে ধরছেন সাল্লুমিয়া-কে। একাধিবার শেহনাজকে সলমনের দুই গলায় চুম্বন করতে দেখা যায়। শেহনাজ ভাইজানের হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে গাড়ি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, সলমন খান আমায় ছাড়তে এসেছে।সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে এই ভিডিও-র কমেন্ট বক্সে ট্রোল্ড হতে শুরু করেন শেহনাজ। তাঁকে সমর্থন করতে ময়দানে নেমে পড়েন তাঁর ভক্তকুল। তির্যক মন্তব্যকারিদের সাথে সমর্থন কারিদের বিভিন্ন বাদানুনাদে জমে ওঠে। ইনস্টাগ্রামে তাঁদের ফ্যান/ফলোয়াররা দুই দলে ভাগ হয়ে লড়াই চালাতে থাকেন।ঠিক কী ঘটেছিল ইদের পার্টিতে?পার্টি থেকে বেড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হন শেহনাজ গিল। তখন তাঁর সাথে সলমন খানও ছিলেন। শেহনাজকে বলতে শোনা যায়, সেই নাকি সলমনকে দরজা পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। শেহনাজ সলমনকে বলেন, আমায় গাড়ি পর্যন্ত ছেড়ে এসো। সলমনও তাঁর আবদার রেখে স্মিত হেঁসে শেহনাজের পাশে দাঁড়িয়ে নানা পোজে ছবি তোলেন। সেই মুহুর্তেএকটি বারের জন্যেও শেহনাজ ভাইজানের হাত ছাড়েননি। বারবার নানা আছিলায় সালমানকে আলিঙ্গন করছিলেন। একাধিবার শেহনাজকে সলমনের দুই গলায় চুম্বন করেতে দেখা যায়। শেষে সাল্লু-মিয়াঁ মিষ্টি হেসে বাই বলেন সিদ্ধার্থের প্রাক্তন প্রেমিকা। শেহনাজ ভাইজানের হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে তাঁর গাড়ি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, সলমন খান আমায় ছাড়তে এসেছে! গাড়ির কাছে এসে সালমানের গাল টিপে আদর করে শেহনাজ তাঁর নিজের গাড়িতে উঠে পড়েন। সালমন ও শেহনাজের দিকে তাকিয়ে সম্মতি সুচক স্মিত হাসি উপহার দেন।

মে ০৫, ২০২২
বিবিধ

মানুষের সঙ্গে তালে তালে নৃত্য দেশি কুকুরের, দেখুন সেই মজার ভাইরাল ভিডিও

কুকুরের ড্যান্স নিয়ে উত্তাল সোশাল মিডিয়া। যে সে কুকুর নয় একেবারে দেশি কুকুর। এই কুকুরের নৃত্য দেখে সোশাল মিডিয়ায় মানুষজন এতটাই মেতেছে যে লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়েছে এই ড্যান্সের ভিডিওর। আপনি দেখলেও মোহিত হয়ে যাবেন।ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে কোনও অনুষ্ঠান বাড়ি চলছিল। সেখানে একটু দেশি কুকুর অন্যদের সঙ্গে নিজের তালে তালে নেচে চলেছেন। কুকুরটি পিঠে কালো রং,পায়ের দিকটা লালছে। এই কুকুরের ড্যান্স দেখলে যে কেউ অবাক হতে বাধ্য। কুকুরটির নৃত্য দেখলে মনে হতে পারে সে বোধহয় নাচের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। বক্সে গান বাজছে আর আনন্দে আত্মহারা হয়ে চার পায়ের সঙ্গে দেহের তাল মিলিয়ে নেচেই চলেছে কুকুরটি। নিজেও মজা পেয়েছে। দেখুন সেই মজার ভিডিও।

মে ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিল্পীদের পাশে অভিনেতা সন্দীপ ভট্টাচার্য

ফাউন্ডার অভিনেতা সন্দীপ ভট্টাচার্যের উদ্যোগে এফবিএসি আইসিসিআরে এফবিএসসির সূচনা হল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। এখানে সুদর্শন চক্রবর্তী পারফর্ম করেন এবং গান গেয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে দেন সৌম্য শংকর রায়। উদ্যোক্তা সন্দীপ ভট্টাচার্য তার বোর্ড মেম্বার এবং তাদের সহযোগী সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাদের সঙ্গে এই পবিত্র কাজে যোগ দেয়ার জন্য। এনাদের মূল লক্ষ্য ব্যবসা সামাজিক সংস্কৃতি এক ছাতার তলায় আনা। এটাকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বললেও ভুল হবে না। যারা ব্যবসা করতে উদ্যোগী তাদের উদ্যোগ দেখে তাদেরকে সাহায্য করা আর্থিকভাবে এবং তাদেরকে ব্যবসার বিষয়ে সঠিক শিক্ষা দান করা যাতে তারা কি করে ব্যবসাটি কে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে সে বিষয়ে তারা ভীষণভাবে গুরুত্ব দিয়েছে। শুধু ব্যবসাই না সামাজিক কাজ বলতে মানুষকে শুধু টাকা দিয়ে না সমস্ত দিক থেকে সমস্ত রকম ভাবে কিভাবে সাহায্য করতে যাওয়া যায় তা খতিয়ে দেখা এবং তাদেরকে সমাজে স্বাবলম্বী করে তোলা। আরেকটি মূল বিষয় আমাদের সমাজের একটি বড় অংশ সংস্কৃতি, অর্থাৎ শিল্পীদের জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করে দেওয়া যেহেতু সন্দীপ ভট্টাচার্য নিজে একজন শিল্পী। তাই শিল্পীদের সমাজের উন্নতি কিভাবে ঘটানো যায় এবং একজন শিল্পী হিসাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এই সমাজে তার ধারণা রয়েছে সন্দীপের। তার এই ধারণা তিনি সমাজের ছোট থেকে বড় সমস্ত শিল্পীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায়। তাদের একটি মূলমন্ত্র আমি বলে কিছু হয়না এখানে আমি বলতে এখানে আমরা। এর অর্থ হলো আমরা চাইলে সমাজের অনেক কিছু বদলাতে পারি একা কিছু করা যায় না। ব্যবসা, সামাজিক কাজ এবং সংস্কৃতিকে একসূত্রে গাঁথার উদ্দেশ্য নিয়ে সমাজের মধ্যে এক নতুন রকম ঐক্য গড়ে তোলার পরিকল্পনা তারা করেছেন।

মে ০২, ২০২২
নিবন্ধ

শেষ দেখা (শেষ পর্ব) -ছোট গল্প

সুমেধা নাতির সাথে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলার পর ওকে ভিতরে যেতে বলে কাজের লোকের সাথে ভেতরে পাঠিয়ে দেন।অর্ক তনির এগজ্যাক্টলি কি হয়েছে আমাকে বল। আকুল হয়ে মাতৃ হৃদয় জানতে চায়। ডাক্তার সুমেধা নামা সুমেধা জানতে চায়।ওর বাবা তো আমাকে বরাবর বলে মেয়েটা কেন যে ওদেশে থেকে গেল আজও বুঝলাম না। আমাদেরও এত বছরের মধ্যে একবার ওখানে যেতে বলেনি। আমরা নিজেরা একবার যখন গেলাম ও এসেছিল আমাদের সাথে দেখা করতে কিন্তু ও কোথায় , কার সাথে থাকে কিছুই জানায়নি। আজ বুঝতে পারছি কেন আমাদের সাথে দূরত্ব তৈরি করেছিল। এসব কথা তন্দ্রার মা বলতে থাকেন।অর্ক,আমিই দায়ী তোমাদের জীবন নষ্ট করার জন্য। আমি তখন ডাক্তার হিসেবে না মা হিসেবে ওদের দু বোনকে বুঝতে হতো। চন্দ্রা কে বাঁচাতে আমি তন্দ্রার স্বপ্ন, আনন্দ সব বলি দিয়ে ফেললাম। আমি বুঝতেই পারিনি তোমাদের সম্পর্কটা এত গভীর ছিল। আমাকে ক্ষমা কর অর্ক।এখানে কারো কিছু করার ছিল না। যা ভবিতব্য ছিল হয়েছে।তবে ঈশ্বর মনে হয় আমাদের একটা সূযোগ দিয়েছেন।কি রকম?আজ আমার অনেক কিছু বলার আছে তোমার আর কাকুর কাছে। চন্দ্রার সাথে বিয়েটা আমি বাধ্য হয়েই করছিলাম। তোমার মুখের উপর না বলতে পারিনি যেমন, তেমন তন্দ্রার উপর অভিমানেও। আমাকে ভূল বুঝে কিছু না জানিয়ে না বলে, বলার সুযোগ না দিয়ে চলে গেল আর সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিল। জানতে দিল না কি বুঝলো আর কেন? আমাকে কিছু বলার সুযোগ ও দিল না। খুব রাগ হয়েছিল। তাই চন্দ্রা কে ভালো না বা হলেও বিয়েটা করলাম। ভাবলাম চন্দ্রা তো আমাকে ভালোবাসে ও খুশি থাক। ওর মানসিক অবস্থা দেখে তখন আমি আর কিছুই ভাবিনি। কিন্তু সব ভুল ছিল। চন্দ্রা যখন বলল শুধুমাত্র তন্দ্রার কাছ থেকে আমাকে দুরে সরাবে বলে ও এই, নাটকটা করেছে তখন আমার পায়ের তলার মাটি সরে গেছিল। আমি যে কত বড় ভুল করেছি বুঝতে পারি আর আমার সেদিন থেকে শুরু হয় নতুন একটা লড়াই। কাকীমা হয়ত কিছুটা হলেও আন্দাজ করতে পেরেছিলে। আজ তাই তন্দ্রা যখন ফিরে এসেছে আমি চাই ওর এই বিপদের সময় আমি ওর সাথে থাকি। আর বাকি জীবনটা আমি ওকেই দিতে চাই। হয়তো ভাবছো চন্দ্রা কি করবে?চন্দ্রা নিজেই আমাকে বলেছে ও এন জি ও র কাজ নিয়ে উত্তর ভারতে চলে যাবে। আর ও তো কোনো দিন এই সম্পর্কটাকে গুরুত্ব দেয়নি। আজ যখন আমি একটা প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ পেয়েছি সেটা করতে চাই।অর্কর কাছ থেকে এত কথা শোনার পর তন্দ্রার বাবা তন্ময় বাবু বলেন এতদিনে আমার কাছে পুরো চিত্রটা পরিস্কার হলো। মেয়েটা আমার কোনো দিন মুখে কিছু বলেনি, যত কষ্ট সবসময় আমাদের থেকে আড়াল করে গেছে। চুনি (চন্দ্রার ডাক নাম) ছোটবেলা থেকেই ওকে হিংসা করত। অনেক বুঝিয়েছি কিন্তু ওর কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাবলে ও যে এরকম করতে পারে আমি তো ভাবতে পারছি না। আমি তো ভেবেছিলাম ও আর অর্ক পরস্পরকে পছন্দ করে। কিন্তু কোথাও যে একটা ছন্দের অমিল রয়েছে সেটা বারবার মনে হয়েছে কিন কি সেটা বুঝতে পারিনি। আজ বুঝতে পারলাম। আমি বলছি অর্ক তুই যা তনিকে সময় দে। ও একটু শান্তি পাক। অনেক কষ্ট পেয়েছে আমার এই মেয়েটা।আচ্ছা আচ্ছা সব অর্ক যা ভালো মনে করবে হবে কিন্তু তনির ট্রিটমেন্ট কোথায় হবে? ওদেশে যদি হয় তবে তো ও একা। আমরা নাহয় মাঝে মাঝে গেলাম। কিন্তু এখানে আমরা সবাই আছি এখানে তো হতেই পারে। তুই আছিস আমি আছি আমাদের পরিচিত ডাক্তারেরা আছে, বলেন তন্দ্রার মা।দেখা যাক তন্দ্রার সাথে কথা না বলে তো কিছু করা যাবে না। ওর মতামত জানতে হবে।ওখানে কি সব ব্যবস্থা করা আছে? মানে অপারেশনের ডেট নেওয়া আছে? তন্দ্রার মা তন্দ্রার কে জিজ্ঞাসা করেন।মোটামুটি সব ঠিক করা আছে। কিছু মেডিসিন চলছে আমি স্পেশাল পারমিশন নিয়ে এসেছি। ওখানে গিয়ে দেখাবার পর ডেট ফিক্সড হবে।এখানেও তো চিকিৎসা এখন ভালো হয়,আমরা আছি, এখানে একবার কথা বললে হয় না? অর্ক তো এখন ভারতের একজন নামকরা ডাক্তার; ওর চেনা পরিচিত কতজন আছে। তুই একবার ভেবে দেখ মা।মায়ের কথা চুপ করে শোনে তন্দ্রা। কিছু বলতে পারে না গলা বন্ধ হয়ে আসে। ভাবে মা ,এইরকম ভাবে কেন এতদিন ডাকো নি। আমি চাইলেও কি এখন থাকতে পারব? আমারও যে ইচ্ছা করছে না যেতে। কতদিন পর সবাই একসাথে হয়েছি। এসব ভাবতে ভাবতে ওর চোখ ভিজে আসে। মাকে বলে তোমার কোলে মাথা দিয়ে একটু শোবো? তুমি আজ আমার কাছে থাকো।মা আদর করে কোলে টেনে নেয়। মায়ের চোখেও আজ জল।মা মেয়ের এই দৃশ্য বাইরে থেকে দেখে চন্দ্রিল। ওর খুব ভালো লাগে মায়ের এই আনন্দ দেখে। ছোটবেলা থেকেই মাকে একা সব করতে দেখছে। আনন্দ করতে মা কে দেখেনি। ওর খুব ভালো লাগছে দেখে।এখানে একা দাঁড়িয়ে কেন? কিছু লাগবে? জিজ্ঞাসা করে চন্দ্রা। না না কিছু না। আমি এমনিই দাঁড়িয়ে আছি।আমাকে বলতে পারো কোনো অসুবিধা হলে। আমি তো তোমার মাসি, মায়ের দিদি। আমাকে মামনি ও বলতে পারো।আচ্ছা ঠিক আছে। বলে ওর ঘরে চলে যায়। ওর ও আজ চোখে জল বাধা মানছে না। এত আপনজনের মাঝে ওর খুব ভালো লাগে।ও ভাবে মা যদি এখানে থেকে যায় তাহলে হয়তো মা সুস্থ হয়ে যাবে। মাকে একবার বলে দেখবে। এটাও ঠিক এতদিন গ্র্যানি আমাদের দেখে রেখেছে তাকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে মা হয়তো এরকম ডিসিশন নেবে না। তবুও একবার বলতে হবে।এইসব, ভাবছে এমন সময় দরজায় ঠকঠক আওয়াজ।বাইরে দাঁড়িয়ে অর্ক, দেখে চন্দ্রিল। প্লিজ ভেতরে আসুন।তোমার সাথে কিছু কথা ছিল।বলুন, আগে বসুন।হুমম, বলে চেয়ারটি টেনে নিয়ে বসে।তুমি বড়ো হয়েছো তোমার মতামতের একটা মূল্য আম কাছে আছে। তার আগে বলো তুমি সব জানো তো? আমি কে? তোমার আমার সম্পর্ক কী?অর্কর দিকে তাকিয়ে চন্দ্রিল বোঝার চেষ্টা করে ঠিক কি বলতে চাইছেন ওকে এই মানুষ টা। মুখে বলে হুমম্ জানি।বেশ তাহলে তো ভালোই হলো। এখন তোমাকে আমি যেটা বলব ভালো করে শুনবে। তারপর ভেবে চিন্তে উত্তর দেবে।বলুনতোমার মায়ের ডিজিজের ব্যাপারে তুমি কতটা জানো?মা আমাকে যেটুকু বলেছেন। মায়ের ব্রেইনে একটা টিউমার হয়েছে যেটা অপারেশন করা কঠিন, কিন্তু না করলে যে প্রবলেম গুলো হবে সেটা আরও ডেঞ্জারাস। অপারেশন যদি সাকসেসফুল হয় তাহলে সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকবে কিছুদিন। আমি জানি মা বেশি দিন থাকবে না। তাই তো আমাকে নিয়ে এসেছে। অসহায় ভাবে কথাগুলো বললো চন্দ্রিল।ওর কাছে এইভাবে কথা গুলো শুনে অর্কর চোখ ভরে এলো; নিজের অজান্তেই কখন যেন ছেলেকে নিজের বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরলো।এভাবে জড়িয়ে ধরাতে চন্দ্রিল হতবাক হয়ে যায়। ও তো ভাবতেই পারেনি এরকম কিছু হবে।অর্ক বলে আমি আছি তো, কোনো চিন্তা করোনা। এখন আমাদের স্টেডি হয়ে মায়ের পাশে থাকতে হবে। তুমি তো যথেষ্ট ব্রেভ বয়।এখন চলো মায়ের সাথে কিছু কথা বলি। এই বলে ছেলেকে নিয়ে তন্দ্রার ঘরে গেল।তন্দ্রা তখনও মায়ের কোলে শুয়ে আছে।চন্দ্রিল ঢুকে বলে ওয়াও মা তুমি এখনও মায়ের আদর খাচ্ছো? দারুন ব্যাপার, আমার খুব খুশি লাগছে।ওর এই কথা শুনে সবাই হেসে ওঠে।ও একটু বিস্মিত হয় এই ভেবে যে হাসির কি হলো!তখন তন্দ্রার মা বলেন দাদু ভাই ওটা হবে আমি খুব খুশি হয়েছি।ও আচ্ছা।এরপর ওরা সবাই তন্দ্রার চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। এর মধ্যে শুচি আসে। ও যোগ দেয় ঐ আলোচনায়।ঈশ্বর মনে হয় বসেই থাকে আমরা যা ভাবব তার উল্টো করার জন্য। আমাদের চিন্তা ভাবনা অনুযায়ী সব ঘটনা ঘটলে মনে হয় ঈশ্বরের আসন টলে যেতে পারে স্বয়ং ঈশ্বর তাই সব ঘটনা গুলো উল্টে পাল্টে দেয়। তাই মনে হয় জীবনের সব চাওয়া গুলো আর পাওয়া হয়ে ওঠে না;অর্ক ভাবতে থাকে।খুব কি বেশি চেয়ে ফেলেছিলাম? এত বছর পরে ,এত কিছু ঘটে যাওয়ার পরে একটু সাথে থাকতে চেয়েছি মাত্র। না আর যেন কিছু ভাবতে পারছে না অর্ক।অপারেশন টা সবার কথা মতো এখানেই হয়। তন্দ্রার শুধু একবার ওদেশে একবার যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল, ওখানে যে ও আরেক মা কে রেখে এসেছে। ফোনে তার সাথে কথা বলে সব জানায়। অর্ক তাকে বলে যদি উনি আসতে চান তাহলে ও সব ব্যবস্থা করে দেবে। সব কিছু ঠিক করে অর্ক ওর বন্ধু স্থানীয় বিখ্যাত ডাক্তারকে দিয়ে অপারেশন করায়, নিজে সঙ্গে থাকে। নিজে করেনি কারণ আপনজনের অপারেশন নিজে করা যায় না। সব ঠিক ছিল। দুদিন পর হঠাৎ জটিলতা দেখা দেয়। কিছুক্ষনের জন্য জ্ঞান আসে আর তখন ও সবাই কে একসাথে দেখতে চায়। আর তার সাথে মিসেস টেলর কে দেখতে চায়। এর পরেই জ্ঞান হারায়।ওর ইচ্ছা কে সম্মান জানিয়ে অর্ক লন্ডনে ফোন করে মিসেস টেলরকে আসতে বলে। উনি ও খুব উতলা হয়ে ওঠেন। ওনার কথা শুনে মনে হয় যেন নিজের সন্তান অসুস্থ হয়ে পরেছে। অর্ক অবাক হয়ে যায় ওনার এই রকম উৎকন্ঠা দেখে। ও সঙ্গে সঙ্গে সব ব্যবস্থা করে দেয় ওনার আসার;সাত দিনের মধ্যে যাতে উনি আসতে পারেন। এদিকে চলে তন্দ্রাকে নিয় যমে মানুষে টানাটানি। কেউ আর নিজের কাজে ফিরে যেতে পারে না। সবার মন পড়ে থাকে তন্দ্রার কাছে। সবাই মনে একটাই কথা ভাবে কেন এমন হলো? কি হবে শেষ পর্যন্ত?এরমধ্যে সবাই কে অবাক করে দিয়ে চন্দ্রা চন্দ্রিলকে নিজের কাছে টেনে নেয়। ওর দেখাশোনা, ওর ভালো থাকা সব দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেয়।তন্দ্রার মা, বাবা বয়স হলেও সারাদিন প্রায় থেকে যান হাসপাতালে। চন্দ্রা মা বাবাকেও সামলায়।অর্ক বেশি সময়টাই বসে থাকে তন্দ্রার কাছে। মনে হয় একবার যখন ফিরে পেয়েছি আর হারাতে দেব না এরকম ব্যাপার।কিন্তু বিধির বিধান মনে হয় তা যেন ছিল না। সাত দিনের মাথায় মিসেস টেলর হাসপাতালে পা দিতে জ্ঞান আসে আবার তন্দ্রার। ওনার হাত ধরে তন্দ্রা শুধু বলে চাঁদ রইলো; অর্ককে দেখিয়ে বলে ওর বাবা।অর্ক বুঝতে পারে আর সময় নেই তন্দ্রার দুই হাত চেপে ধরে যেনো যেতে দেবে না কিছুতেই। কিন্তু সেতো আর হয়না। যখন, যার, যেখানে যাবার সময় আসবে তখন, তাকে, সেখান থেকেই চলে যেতে হবে। তন্দ্রাও অর্কর হাতে হাত রেখেই পাড়ি দেয় ওপারে। যেখানে সব কষ্ট দুঃখ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, সেই রাজ্যে।যাবার আগে শেষ বারের মতো সবাই কে দেখতে পায়। সবাই কে মিলিয়ে দিয়ে যায়। দিদিকে দিয়ে যায় সন্তান সহ সংসার, যা ও পেতে পারত। মা বাবা কে সান্ত্বনা হিসেবে দেখিয়ে দেয় মিসেস টেলর কে, যে নিজের সন্তানকে হারিয়ে একা বাঁচত, আবার অজানা একজনকে নিজের সন্তানের মতো আগলে রেখে শেষ পর্যন্ত তাকেও হারালেন। অর্ককে দিয়ে গেল আত্মগ্লানি থেকে মুক্তি।নিজের জীবন থেকে নিজে মুক্তি পেলো সবার সঙ্গে শেষ বারের মত দেখা করে, যত ভুল বোঝা ছিল সব মিটিয়ে। ছেলেকে বাবার কাছে দিয়ে তন্দ্রা পাড়ি দিল আনন্দের রাজ্যে।শ্রীমতি রাখি রায়বর্ধমান-সমাপ্ত-

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দারুণ বোলিং, অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়লেন কুমার কার্তিকেয়া

আইপিলের অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়লেন কুমার কার্তিকেয়ার। জস বাটলারের মতো ব্যাটারও তাঁর বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে বড় রান করতে ব্যর্থ রাজস্থান রয়্যালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ৬ উইকেটে ১৫৮।জয়ের খোঁজে এদিন প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। জয়দেব উনাদকাতের পরিবর্তে কুমার কার্তিকেয় এবং ডিওয়াল্ড ডেভিসের জায়গায় টিম ডেভিড। এদিন টসে জিতে তিনি রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। আগের ম্যাচগুলির মতো এদিন শুরুর দিকে বিধ্বংসী মেজাজে দেখা যায়নি রাজস্থান রয়্যালসের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। ড্যানিয়েল সামস ও যশপ্রীত বুমরা জ্বলে ওঠার সুযোগ দেননি। রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দেন ঋত্ত্বিক সোকেন। তাঁর বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পাড়িক্কল। ১৫ বলে তিনি করেন ১৫। সঞ্জু স্যামসন এসে আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করেন। দুটি ছক্কা মেরে ৭ বলে ১৬ রান করে তিনি কুমার কার্তিকেয়ার বলে টিম ডেভিডের হাতে ধরা পড়েন।চোট পাওয়া মহম্মদ আর্শাদের পরিবর্তে কুমার কার্তিকেয়াকে দলে নিয়েছে মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্স। আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই দুরন্ত বোলিং করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৯ রান খরচ করে ১ উইকেট তুলে নেন। তাঁর বিরুদ্ধে জস বাটলারও ঝড় তুলতে পারেননি। যদিও বাটলারই এদিনও রাজস্থান রয়্যালসের ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান। ৫২ বলে ৬৭ রান করে তিনি হার্দিক সোকেনের বলে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।ড্যারেল মিচেলও (২০ বলে ১৭) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। আগের ম্যাচে দলকে জয় এনে দেওয়া রিয়ান পরাগও এদিন ব্যর্থ। তিনি ৩ রান করে রিলে মেরেডিথের বলে আউট হন। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকেও (৯ বলে ২১) তুলে নেন রিলে মেরেডিথ। শিমরন হেটমায়ার ১৪ বলে মাত্র ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ ওভারে রিলে মেরেডিথের বলে মাত্র ৩ রান তুলতে সমর্থ হয় রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন রিলে মেরেডিথ। ঋত্বিক সোকেন ৪৭ রানে নেন ২ উইকেট। ড্যানিয়েল সামস নেন ১ উইকেট।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গর্বে ভাসছেন সেদিনের অপমানিত কার্তিকেয়র বাবা

একসময় কিটস কেনার সামর্থ ছিল না। সেই ছেলে এখন ক্রিকেটের মহাযজ্ঞের মঞ্চে। পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে চোখে জল ঝাঁসির কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহের চোখে। ছেলের জন্য একসময় ক্রিকেট কিট কেনার টাকাও ছিল না এই কনস্টেবলের। কী ঘটেছিল শ্যামনাথ সিংয়ের সঙ্গে? বছর আষ্টেক আগেকার কথা। ছেলের জন্য ক্রিকেট কিট কিনতে গিয়েছিলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। ক্রিকেটের পুরো কিটস কেনার মতো সামর্থ্য ছিল না শ্যামনাথের। সেদিন দোকানদারকে শ্যামনাথ বলেছিলেন, কিটসের পুরো টাকা দিতে পারবেন না। নিজের অসামর্থ্যের কথা জানিয়েছিলেন। দোকানদার সটান উত্তর দিয়েছিলেন, পুরো কিটস কেনার সামর্থ্য যখন নেই, তাহলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন শ্যামনাথ দোকানদারকে কোন উত্তর দিতে পারেননি। অর্ধেক কিটস কিনে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। ছেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে সুযোগ পাওয়ার ৮ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের হেড কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। চোট পেয়ে চলতি আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মহম্মদ আর্শাদ। তাঁর জায়গায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে নিয়েছে বাঁহাতি স্পিনার কুমার কার্তিকেয় সিংহকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে সুযোগ পাওয়া কার্তিকেয়ার জন্ম ক্রীড়া পরিবারেই। বাবা শ্যামনাথ সিংহ মধ্যপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। তিনি ছিলেন একজন শ্যুটিং খেলোয়াড়। ছেলে কার্তিকেয় বাবার কাছ থেকেই খেলাধূলার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। মধ্যপ্রদেশের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন কার্তিকেয়। ২০১৮ সালে কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ২০১৯ সালে সৈয়দ মুস্তাক আলিতে অভিষেক সিকিমের বিরুদ্ধে। মহম্মদ আর্শাদ খান চোট পাওয়ায় তাঁর জায়গায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ঝাঁসি পুলিশের আধিকারিকরা যখন কার্তিকেয়র আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানতে পারেন, তখন পুলিশ ক্যাপ্টেনসহ অন্যান্য অফিসাররা শ্যামনাথকে অভিনন্দন জানান। পুলিশ লাইনে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় শ্যামনাথ বলেন, ছেলে যখন ভারতীয় দলের জার্সি পরার সুযোগ পাবে, সেদিন তিনি সবথেকে বেশি খুশি হবেন। ছেলে ফোন করে আমাকে আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। ক্যাপ্টেন স্যার, সিও স্যার এবং সমস্ত স্টাফ আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আমি জাতীয় শুটিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমাকে দেখে ছেলে খেলায় আসে। পড়াশোনাতেও খুব ভাল ছিল। খেলার প্রতি ওর বেশি আগ্রহ দেখে খেলায় মনোযোগ দিতে বলেছিলাম। আমার আত্মীয়রা আমাকে বলেছিল যে আমি ওর ভবিষ্যত নষ্ট করছি। ওকে পুলিশে ভর্তি করাতে পারতাম। কারও কথা শুনিনি। আমার দেওয়া লক্ষ্য থেকে ছেলে পিছিয়ে যায়নি। শ্যামনাথ আরও বলেন, সামনে অনেক বাধা ছিল। ছেলের সব চাহিদা মেটাতে পারিনি। একসময় ছেলে বলত, আর হয়তো খেলতে পারবে না। আমি ওকে হাল ছাড়তে নিষেধ করেছিলাম। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শ্যামনাথ। তিনি জানান, দুই ছেলের জন্য কিটস কিনতে দোকানে গিয়েছিলেন। দুটো কেনার টাকা ছিল না। তখন দোকানদার বলেছিল, শুধু একটি কিটস কিনুন। জিনিসপত্র খুব দামী। টাকা কম থাকার কারণে কিছু জিনিস কমিয়ে নিয়েছিলাম। এ নিয়ে দোকানদার বলেছিলেন, সামর্থ না থাকলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন কিছু বলতে পারিনি। কখনই সম্পূর্ণ কিটস ছেলেকে কিনে দিতে পারেনি।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সিমলার জায়তি আর্ট গ্যালারিতে ভারতবর্ষের চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যম তুলে ধরা হল

সিমলার জায়তি আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চিত্র প্রদর্শনীর। ২৭ মে এই চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। চলবে ১ মে পর্যন্ত। ১৯ জন শিল্পীর ৪টি করে ছবি অর্থাৎ মোট ৭৬টি ছবি এই চিত্র প্রদর্শনীতে দেখানো হচ্ছে। এই চিত্র প্রদর্শনী সম্পর্কে বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অশোক রায় জনতার কথা- কে জানালেন, এই চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে ভারতবর্ষের চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যম তুলে ধরা হয়েছে। কলকাতা, জয়পুর, দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু এবং অসমের শিল্পীদের ছবি আছে এই চিত্র প্রদর্শনীতে। কলকাতার ৭ জন চিত্রশিল্পীর ছবি এই চিত্র প্রদর্শনীতে রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ১৫ বছর ধরে আমার ছবি আঁকার বিষয় মাইথোলজি। জায়তি আর্ট গ্যালারিতে আমার ৪টে ছবিও মাইথোলজির ওপর ভিত্তি করেই আঁকা হয়েছে। বিভিন্ন চিত্র প্রদর্শনীর মতো এই চিত্রপ্রদর্শনীতেও যে যে আঁকাগুলো রয়েছে সেগুলো অনেকে কিনছেনও। জানা গেছে বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের অধীনে ৪-৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক চিত্রশিল্প উৎসব অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিল্পী মেয়ের অনুরোধে, গানের খাতা-র ধুলো ঝেড়ে ফের স্বমহিমায় সঙ্গীতশিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য

রাতের চোখে ঘুম যে নামে, চাঁদের পাশে মেঘ যে থামে, আমার পাশে নেই তো তুমি মা, তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা...... হ্যাঁ, ঠিক-ই ধরেছেন, মা ও মেয়ের সম্পর্কের বন্ধন নিয়ে স্টার জলসা-র জনপ্রিয় সিরিয়াল মা-এর টাইটেল সঙ্গীতের কথাই বলছি। এই মুহুর্তে বাংলা সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয়তম মধুরা ভট্টাচার্যর যেন তাঁর শিল্পী সত্ত্বার পাশে মায়ের উপস্থিতি না পেলে, তাঁর অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাচ্ছিলো।মেয়েদের বড় করে তুলতে গিয়েই সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের খাতা কবেই আলমারী তে তুলে রেখেছিলেন। তাঁর একটাই লক্ষ্য ছিলো যেভাবেই হোক সন্তানদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। আজ মধুরা সফল একজন সঙ্গীত শিল্পী ও বড় কন্যা সুমিত্রা একজন প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ডিজাইনার। মঞ্চের পাটাতন শক্ত হতেই মেয়ে মধুরা টেনে ধরলেন মা শম্পা ভট্টাচার্য-র হাত। এবার আর উপেক্ষা করতে পারলেন না মা।শম্পা ভট্টাচার্য-র সঙ্গীত শিক্ষা শুরু খুব ছোটো বয়সে। তাঁর ঠাকুমা শান্তিময়ী দেবী সেই সময়ের একজন বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ছিলেন, তিনি বেশ কয়েকটি কবিতার বই লিখেছিলেন। তদকালীন সময়ে তিনি এক বিদুষী মহিলা ছিলেন। শম্পার বাবা সাধনানন্দ মিশ্র রবীন্দ্রসঙ্গীত ও পুরাতনী গানে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ছোটো বয়স থেকেই শম্পা বাড়িতে এক সুন্দর সাংগীতিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীত ও ইতিহাসে মাস্টার্স করেন। তিনি যেকোনও ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানে অত্যন্ত পারদর্শী। তিনি ১৯৮১ সাল থেকে অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি এবং রজনীকান্তর গানের ধারায় আকাশবাণীর শিল্পী হিসেবে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। এছাড়াও তিনি পুরাতনী গানেও খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কারণ তার বাবা এবং ঠাকুমার কাছ থেকে সেই গান তিনি শিখেছিলেন। তিনি একটি আদ্যন্ত সঙ্গীতীক পরিবারের বংশধর। ১৯৮৬ তে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি-র ক্যাসেট প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানের একজন বি-হাই (B-High) শিল্পী, এবং শম্পা ১৯৮১ থেকে কলকাতা দূরদর্শনের সাথে যুক্ত।শম্পা কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন জায়গা যেমন, রবীন্দ্র সদন, মধুসূদন মঞ্চ, শিশির মঞ্চ, গিরিশ মঞ্চ, মহাজাতি সদন, অহীন্দ্র মঞ্চ, উত্তম মঞ্চ, শরৎ সদন-এ অনুষ্ঠান করেছেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় মেলা তে তাঁর মধুর কন্ঠের মুর্ছনা ছড়িয়ে দিয়েছেন। শম্পা বিষ্ণুপুর ঘরনার প্রবাদপ্রতিম শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত তারাপদ চক্রবর্তী-র পিঠস্থান বিষ্ণুপুর মেলা এবং বাংলার বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।মেয়ে মধুরা সাথে মা শম্পাশম্পা ভট্টাচার্য নীহার রঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্যের কাছ থেকে তার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি সুকুমার মিত্র, বিমান মুখোপাধ্যায়, মীরা দত্ত রায়-র কাছ থেকে নজরুল গীতি এবং বাংলা আধুনিক গান শেখেন। শম্পা অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি, রজনীকান্ত গীতি শিক্ষা লাভ করেন নীলা মজুমদার কাছে।তাঁর রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষা লাভ প্রবাদ প্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুচিত্রা মিত্র-র কাছে এবং তিনি শ্রীমতি সুমিত্রা সেনের কাছ থেকেও রবীন্দ্র সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন যখন তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতের ছাত্রী ছিলেন। শান্তিনিকেতনে থাকাকালীন তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের আরও দুই মহিরূহ শ্রীমতী কণিকা বন্দোপাধ্যায় ও শ্রীমতি নীলিমা সেন-র কাছে রবীন্দ্রসংগীত শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য সমন্ধে জনতার কথা কে কন্যা বিশিষ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা বলেন, মা বাবা সমন্ধে কি আর বলবো, আমি আজ যা কিছু, যেটুকু হতে পেরেছি সমস্তটাই মা এবং বাবার জন্য। আমার সঙ্গীত জীবনের প্রথম গুরু আমার মা। আমার খুব মনে পড়ে, আমি যখন ছোট ছিলাম, মা রেওয়াজ করতে বসলেই আমার বসার যায়গা ছিল মায়ের হারমোনিয়াম ও তবলা। সেগুলি কে চেয়ার ভেবে বসে পড়তাম। কেননা ওই দুটো যন্ত্র-ই আমার বসার উচ্চতায় থাকতো। আজ বুঝতে পারি মাকে কতটা বিরক্ত করতাম! আমার গানের হাতে খড়ি মায়ের কাছেই। তাঁর কাছেই আমার প্রথাগত শিক্ষা শুরু। এখনও যেকোনো ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গান যেমন, অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি যাঁর গানই হোক তোলার প্রয়োজন হলেই মায়ের স্মরনাপন্ন হতে হয়। আর রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্ষেত্রে বলতে গেলে তিনি চলমান গীতবিতান, যে গানই বলি সেটা তাঁর তোলা আছে। কি করে যে এত রবীন্দ্রসঙ্গীত জানেন আমি জানি না। আমরা বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীরা নিজেদের গান গাইতে গেলেই খাতা বা ট্যাব ছাড়া গাইতে ভরসা পাই না। তিনি কি করে এত রবীন্দ্রসঙ্গীতের কথা-সুর একেবারে নোটেশন মিলিয়ে অবলীলায় গাইতে পারেন, ভাবতে অবাক লাগে। হয়ত তখনকার দিনের শিক্ষা পদ্ধতিটাও সেরকমই ছিল, তাই তিনি পারেন।মেয়ে মধুরার উৎসাহে শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য আবার জনসমক্ষে। বেতার ও দুরদর্শন ক্ষ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের ডালি সাজিয়ে উপস্থিত সামাজিক মাধ্যমে। মধুরার উদ্যোগে তাঁর নতুন ফেসবুক পেজ গানে গানে শম্পা ভট্টাচার্য তে উঁকি দিলেই শোনা যাচ্ছে ঘরোয়া মেজাজে সেই উদাত্ত কণ্ঠের অতুল প্রসাদী, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদী চিত্ত দুয়ার খুলিবি কবে মা - চিত্ত-কুটীরবাসিনী মন ছুঁইয়ে যায়, নেটনাগরিক দের প্রসংশায় বোঝা যায় যে সঠিকভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করতে পারলে এই প্রজন্ম-ও ভালো গান শুনতে প্রস্তুত। কুটির বাসিনী শম্পা-র চিত্ত দুয়ার খুলতে মেয়ে মধুরা সত্যিই সফল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শুভাপ্রসন্নের উপস্থিতিতে ইন্টিরিয়র ডিজাইনিং এর প্রদর্শনী

২০২২ এর ২৯ ছপ্রিল ২০২২ এ ইনফুসিও ২০২২ শীর্ষক আইএনাইএফডি সল্টলেক বার্ষিক ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রদর্শনী হল। প্রদর্শনীটি সিআইআই- সুরেশ নেওটিয়া সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ফর লিডারশিপ, ডিসি-৩৬, সেক্টর-এ এবং প্রর্দশনীটি শুরু হয় সকাল ১০ টায়, শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টায়।সকাল ১০ প্রখ্যাত শ্রী শুভপ্রসন্ন ভট্টাচার্য এই প্রর্দশনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আইএনাইএফডি সল্টলেকের সেন্টার ম্যানেজার অর্ণব রায় সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে জানান, আইএনাইএফডি সল্টলেকের ইনফিউসিও শিক্ষার্থীদের ডিজাইন তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করে। আমাদের অভিজাত শিক্ষার্থীরা চিত্র এবং প্রোটোটাইপগুলি প্রদর্শন করে যা তাদের উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা ব্যবহার করার ক্ষমতা উপলব্ধি করতে তাদের ব্যাপকভাবে সাহায্য করে। এটি একজন ব্যক্তির প্রকৃত প্রতিভা এবং দক্ষতার সঠিক বিকাশ ঘটায়। করোনা মহামারী বিশ্বকে বদলে দিয়েছে এবং বিশ্বের নাগরিকদের নতুন প্যাটার্নে ভাবতে শিখিয়েছে। নকশা দর্শন, এইভাবে, বিকশিত হয়েছে এবং নতুন, টেকসই চিন্তার ধরণ আবির্ভূত হয়েছে। তাছাড়া এই বছর প্রদর্শনীটি ছিল ডিজাইন: ইনসাইড-আউটসাইড প্রদর্শনের একটি প্ল্যাটফর্ম। এই বিষয়টি মাথায় রেখে প্রদর্শনীটি তিনটি বিভাগে বিস্তৃত ছিল। এই প্রদর্শনীতে ডিজাইন করা দুটি সেলফি বুথ ছিল - যেমন ছিল ভারতীয় এবং মিশরীয় যুগ। শিক্ষার্থীদের দ্বারা প্রস্তুত করা বুথগুলি গতিশীল ছিল। প্রতিটি ফটোগ্রাফের জন্য স্টাইল পরিবর্তন করার সুযোগ এবং তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ও ব্যবস্থা করা হয়।শুভাপ্রসন্ন ছাড়াও বিচারক আসনে ছিলেন সমাজের প্রখ্যাত ব্যক্তিবর্গ। এঁরা হলেন দেবপম সরকার (সাংবাদিক), মিসেস সোমা কাজী (স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার), শ্রী জয়ন্ত সাহা (এসিপি, বিধাননগর) এবং আর. রাজা সিনহা।বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় গ্রামীণ নাগরিকের সুবিধার পরিবর্তনশীল চেহারা এবং ক্রমবর্ধমান মানবিক চাহিদার সাথে তাদের সম্পর্ক শীর্ষক একটি আলোচনা সভা। এই অধিবেশনের প্রধান বক্তা ছিলেন অয়ন সেন (স্থপতি); মিস শতরূপা মজুমদার (এনজিও); মিঃ সুপ্রিয় মুখার্জি (মিডিয়া প্রফেশনাল); মিস বৃন্দা সরকার (সাংবাদিক); শ্রী সুশোভন ভট্টাচার্য (বিকল্প শক্তি বিশেষজ্ঞ)। ২৯শে এপ্রিল, ২০২২-এ, প্রাক্তন ছাত্র সায়ন্তন দানার একটি উপস্থাপনা দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয় এবং তারপরে একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এর বিষয়বস্তু ছিল ডিজিটাল অঙ্কনের চেয়ে ম্যানুয়াল ড্রয়িং কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

এপ্রিল ৩০, ২০২২
নিবন্ধ

শেষ দেখা (দ্বিতীয় পর্ব) -ছোট গল্প

বেলা তখন এগারো টা হবে কলিং বেল বেজে উঠল। বিতান দরজা খুলতে গেলে তন্দ্রা ওর বিছানায় উঠে বসে; মনের কোনে আজও একটা অস্থিরতা সৃষ্টি হতে দেখে ও নিজেই খুব অবাক হয়। আজও কি তাহলে অন্তরের গভীরে রয়ে গেছে অর্কর প্রতি ভালোবাসা!ধীর পায়ে বেরিয়ে আসে ড্রয়িং রুমে। ওর পিছনে ছায়ার মত আসে চাঁদ; একটু যেন চমকে গেল অর্ক। এটা কে? নিজের মনে নিজেকে প্রশ্ন করে। এ যে আমার ছোট বেলা ভাবে অর্ক। এসব ভাবতে গিয়ে খেয়াল করে নি সামনে যে দাঁড়িয়ে আছে তন্দ্রা।কেমন আছো? জিজ্ঞাসা করে তন্দ্রা।ওর ডাকে সম্বিত ফিরে আসে অর্কর। হ্যাঁ, ভালো আছি। বলে তাকায় তন্দ্রার দিকে। তন্দ্রার শরীরের কথা শুনেছে বিতানের কাছে। তবুও চোখের সামনে দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। ভাবে সেই সুন্দর তন্বী মেয়েটা রোগের কারণে কি হয়েছে।তন্দ্রা ব্যাপারটা স্বাভাবিক করার জন্য বলে ওঠে তুমি যে সময় বের করে আসতে পেরেছ সে জন্য ধন্যবাদ।এতক্ষণে নিজের মধ্যে ফিরে আসে অর্ক, বলে আসতে তো আমাকে হতোই। আমার যে অনেক কিছু বলার ছিল যা বলার সুযোগ পাইনি।ওদের এই কথোপকথনের মধ্যে শুচি উঠে রান্না ঘরের দিকে যায় এবং বিতানকে ইশারায় ডেকে নিয়ে যায়।অর্ক বুঝতে পারে না কিভাবে শুরু করবে। তন্দ্রার কাছে এগিয়ে গিয়ে ওর হাতটা ধরে বলে আমাকে ক্ষমা করে দে।আমার প্রতি তোর অনেক অভিযোগ আছে আমি জানি। আমি যে এতগুলো বছর মনে কি গ্লানি বয়ে বেরাচ্ছি সে আমিই জানি। তুই এখন আর বিশ্বাস করবি না আমি জানি,তবু বলছি। আমি বাধ্য হয়েছিলাম সেদিন।অর্ক বলতে থাকে, তন্দ্রা আমি নিজের ইচ্ছায় বিয়েটা করিনি। আমি চাইই নি বিয়েটা করতে। আমি তো তোকে ভালোবেসেছি। আমি শুরু থেকেই তোকে ভালোবাসি, তোর সাথেই জীবন কাটাতে চেয়েছি। কিন্তু উভয়ের পড়া আর কেরিয়ারের কথা ভেবে বলা হয়ে ওঠেনি। তাই সেবার দিল্লিতে সেমিনারে্ গিয়ে যখন শুনলাম তুই বাইরে হায়ার ডিগ্রীর জন্য যাওয়ার চেষ্টা করছিস তখন তোকে আমার মনের কথা জানানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।আর বলেও দিলাম কোনো কিছু না ভেবে। আমি কিন্তু জানতাম না ঠিক কি হবে তোর উত্তর। তবে আমার উপর তোর ভরসা আর বিশ্বাস দেখে মনের কোনে একটা আশা ছিল আবার ভয়ও ছিল যদি আমার জন্য তোর মনে সেরকম কিছু না থাকে তাহলে নিজের কাছে ছোটো হয়ে যাব। তুই যদি অন্য কাউকে পছন্দ করিস। এসব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে বলেও দিলাম। তোর কাছে যখন সাড়া পেলাম তখন আমার কি অবস্থা হয়ে ছিল সেটা তো তুই সবথেকে ভালো জানিস।তার ফল যে তুই পেয়েছিস সে তো দেখলাম তোর সাথে রয়েছে।ওই রকম আনন্দ আমার আগে হয় নি; কলকাতা ফেরার পর সেদিন প্রথম বাড়ি ফিরে চন্দ্রিমাকে ফোন করে ডাকি। ওই আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু আর তোর দিদি তাই ওকে ই খবরটা প্রথম দেব ঠিক করি আর ওর মাধ্যমে আমাদের বাড়িতে জানাব এটাও ভাবি। কিন্তু ও জানার পর যেটা ঘটল সেটা আমি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি। আমি তো ভাবতাম ও কাউকে পছন্দ করে, ওর কাছে সেরকমই শুনেছিলাম। যদিও খোলাখুলি কিছু বলেনি কোনো দিন। আমি তো খুব ভালো বন্ধু ছাড়া ওকে কখনো কিছু ভাবিনি। অতি উৎসাহিত হয়ে ওকে সেদিন কথাটা বলতে যাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল। আমি ভাবিনি নিজের দিদি হয়ে এইভাবে হিংসা করতে পারে। আমার সম্বন্ধে এরকম ভাবতে পারে সেটাও বুঝিনি। ওর সাথে যখন এই নিয়ে কথা, তর্ক বিতর্ক চলছে তখন তুই এসেছিলি, আমি মায়ের কাছে পরে শুনলাম। আমি যে ভয়টা পেয়েছিলাম সেটাই ঘটল।তুই অভিমান করে চলে গেলি, কোনো রকম কোনো যোগাযোগ করলি না, করার পথ ও বন্ধ করে দিলি। আমি তখন তোর দিদির অভিনয়ের কাছে অসহায়। সবাই তখন আমাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতে লাগল। আমার মা,বাবা, তোর মা সবাই। ডাক্তার বললেন ওকে কোনো রকম মানসিক চাপ দেওয়া চলবে না। তখন বাধ্য হয়ে আমি বিয়েতে রাজি হই। ও আমাকে ভালোবেসে বিয়ে করেনি। শুধু তোর প্রতি হিংসা করে, তোর কাছ থেকে আমাকে দুরে সরিয়ে নিতে এই বিয়ে। প্রথম প্রথম তোর কথা উঠলেই সিনক্রিয়েট করত। তারপর থেকে আমি চুপচাপ থাকি। ও ওর কাজে সফল হয়েছে। ও আমাকে তোর কাছ থেকে কেড়ে নিতে চেয়েছিল সেটা পেরেছে।অর্ক ঝড়ের মতো কথাগুলো বলে গেল। এমন সময় শুচি খাবারের প্লেট হাতে নিয়ে ঢুকল।কিছু মনে করোনা তোমার শেষের কথাগুলো কিছুটা শুনেছি, তুমি আমাদের জানাতে পারতে। তুমি কিছু ই বলোনি, শুধু বারবার তন্দ্রার খোঁজ করতে।ওটা আমার খুব ভুল হয়েছে, সেসময় তোদের সব জানালে ভালো করতাম। আজ তোদের আর আমার কথা বিশ্বাস হবে না। বিশ্বাস করা না করা তোদের ব্যাপার। আমার বূকের উপর একটা পাথর চাপানো ছিল এতদিন আজ তন্দ্রাকে সব বলে কিছু টা হালকা লাগছে। হ্যাঁ, আর একটা কথা যেটা না বললে সম্পুর্ণ হবে কথা। আমাদের শুধু বিয়েটাই হয়েছে। ও চেয়েছিল তন্দ্রাকে সবার থেকে দূরে সরিয়ে দিতে, আমাকে ওর কাছ থেকে কেড়ে নিতে ও সেটা এক সপ্তাহের মধ্যেই নিজের মুখে আমাকে বলেছে। সেদিন থেকে ও আমার কাছে পৃথিবীর জঘন্যতম মানুষ। আমি চেষ্টা করি সবসময় ওর সামনে না পড়তে। আমাদের দেখা হয়না বললেই চলে। ও থাকে ওর জীবন নিয়ে। ওর কলেজ, আউটিং, পার্টি এসব নিয়ে।তবে ইদানিং যেন একটু পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। জানিনা তার মধ্যে আবার কিছু আছে কিনা!তন্দ্রা এই কথাগুলো শোনার পরে অর্কর দিকে এমন দৃষ্টিতে তাকালো যার মধ্যে কোনো ক্ষোভ, দুঃখ, রাগ কিছু তো ছিলই না বরং একটা কষ্ট, সহানুভূতি দেখতে পেল শুচি।অর্ক এবার তন্দ্রাকে বলল আমার উপর রাগ, অভিমান, ঘৃণা এসব বুকে নিয়ে চলে গেছিলি তো আমি বুঝেছিলাম তখনই যখন মা আমাকে বলেছিলেন তুই এসেছিল। কিন্তু এতবড় একটা খবর তুই আমার থেকে আড়ালে রাখলি!! এতটা অবিশ্বাস!!না না, তা নয় বলে ওঠে তন্দ্রা।তবে আজ যখন তুই এই অবস্থায়, ছেলে এতবড় হয়ে গেছে তখন তুই আসলি, কেন আগে আমাকে বলিসনি?আমি চলে গেছিলাম ঠিক। রাগ হয়েছিল নিজের উপরে। যে আবেগ আমি ধরে রেখেছিলাম এতদিন কেন সেটা ভাবলাম সেই ভেবে খুব রাগ হয়েছিল নিজের উপর। তাই ঠিক করছিলাম তোমাদের জীবন থেকে নিজেকে অনেক দুরে সরিয়ে নিয়ে যাব। তাই পরেরদিন বাড়ি থেকে দিল্লি চলে গেলাম, সাতদিনের মধ্যে লন্ডন।কিন্তু ভাগ্য আমাকে সাথ দিল না। আমি তোমাকে ভুলব ভাবলে কি হবে, ভোলার পথ তো ঈশ্বর বন্ধ করে দিয়েছে সেদিন রাতে।যেদিন বুঝতে পারলাম সেকথা প্রথমে তোমাকেই জানাবো বলে ফোন করেছিলাম। কিন্তু ফোন ধরলো তোমার স্ত্রী। সেকথা শুনে আমার কি হয়েছিল জানিনা। তবে জ্ঞান ছিল না। যখন জ্ঞান ফিরল নিজেকে হসপিটালের বেডে দেখলাম।তারপর সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফোন করে জানতে পারলাম দিদির সাথে তোমার বিয়ের কথা। মা তখন বলেছিল তোকে জানাই নি, তুই কষ্ট পাবি। আর তুই তো এখানে নেই। দু বোনের এই নিয়ে বিবাদ হোক আমি চাই নি। আমি মাকে আর কিছুই জিজ্ঞাসা করিনি। আর কিই বা জিজ্ঞাসা করতাম?আমার তখন বলার কিছু ছিলনা। আমি শুধু বলেছিলাম, তাহলে আমি দুরেই থাকি, দেশে আর ফিরে যাব না।তাই আর দেশে সেভাবে আসা হয়নি। আর তোমার জীবনে আমার জন্য যাতে কোনো অশান্তি না হয় তাই বলিনি কিছু।জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলাম নিজের মত করে।আমার এই লড়াইয়ে আমাকে সাথ দিয়েছে আমার রুমমেট আফরিন আর ছিলেন, না ছিলেন কেন আজও আছেন আমার বাড়িওয়ালা মিসেস টেলর। আমরা ভারতীয়রা ভাবি না যে ইউরোপীয় মহিলাদের মধ্যে মাতৃত্ব বোধ নেই! একদম ভুল ভাবনা। আজ পর্যন্ত উনি আমাকে এবং আমার ছেলেকে যেভাবে আগলে রেখেছেন কোনো ভারতীয় মহিলা পারবে না। আমার প্রতি ওনার স্নেহের কারণ ওনার মৃতা মেয়ে। সে নাকি আমার মতো ছিল অবশ্যই ইউরোপীয় ভার্সন বলে একটু হাসার চেষ্টা করে তন্দ্রা।আজও আমি ওনার কাছেই থাকি। মায়ার বাঁধনে বাঁধা পড়েছি আমিও।যাক সেসব কথা। আমি তোমার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে চাই নি কারণ আমি ভেবেছিলাম আমি তোমার আর দিদির মাঝে অযাচিতভাবে অনুপ্রবেশ করে ফেলেছি। সেদিন যা ঘটে ছিল সেটা সাময়িক আবেগ। আমি ভেবেছিলাম তুমি দিদিকে ই ভালোবাসো। আমি ভাবিনি দিদি আমার সাথে এরকম করতে পারে। আমার রাগ হয়েছিল মায়ের উপরে , পরে ভাবলাম মা হয়ত দিদির আর তোমার ব্যাপারটা জানত। এটা ভাবলাম কারণ আমি যখন বলেছিলাম তখন মা এমনভাবে অবাক হয়েছিল যেন আমার কথাটা অসম্ভব। তাই আমি আর কোনো কথা কাউকে জানাইনি। শুধু শুচি জানত পরে বিতান জেনেছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। বলে অসহায় ভাবে তাকালো তন্দ্রা। সেই আসতে হলো আর তোমার সামনাসামনি হতেও হলো এই ছেলের জন্য। এত কথা একসঙ্গে বলে তন্দ্রা হাঁফাতে লাগলো। শরীর খুব দুর্বল।অর্ক শুচিকে বললো ওকে ঘরে নিয়ে যা, রেস্ট নিক। অনেকক্ষন বসে আছে। আর ওর ছেলেকে পাঠিয়ে দে আমি একটু কথা বলি।শ্রীমতি রাখি রায়বর্ধমানক্রমশঃ ...

এপ্রিল ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দিল্লির বিরুদ্ধে জয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, তবু দাবি উঠল কোহলি হঠাও

বিরাট কোহলিকে তাহলে আর অপরিহার্য বলা যাবে না। তিনি রান না পেলেও যে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর যে জেতে, প্রমাণ হয়ে গেল। শুধু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধেই নয়, চলতি আইপিএলে আগেও কোহলির ব্যর্থতার দিনে জিতেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। কোহলিপ্রেমীরা এতটাই হতাশ যে, কয়েকটা ম্যাচ বিশ্রাম নেওয়ার দাবিও তুলেছেন নেট নাগরিকরা। কেউ কেউ আবার দাবি তুলেছেন, কোহলি হঠাও।কোহলি রান না পেলেও বড় ইনিংস গড়তে সমস্যা হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ১৮৯/৫ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ১৭৩/৭ রানে থেমে যায় দিল্লি। দিল্লির পরাজয় ১৬ রানে।এদিন, আইপিএলে মাইলস্টোনের ছড়াছড়ি। প্রথম লখনউ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে আইপিএলে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। তেমনই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। মহম্মদ সিরাজের কাছে আবার আইপিএলের পঞ্চাশতম ম্যাচ। লোকেশ রাহুলের মতো শততম ম্যাচ স্মরণীয় করতে রাখতে পারলেন না গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে তাঁর ব্যাটেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। আর শেষদিকে ঝড় তুলে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেড় দীনেশ কার্তিক।Some well deserved awards after a memorable game. 🔝👏🏻👏🏻#PlayBold #WeAreChallengers #IPL2022 #Mission2022 #RCB #ನಮ್ಮRCB #DCvRCB pic.twitter.com/XeuhdE1cCm Royal Challengers Bangalore (@RCBTweets) April 16, 2022টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। প্রথম একাদশে দুটি দলই একটা করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। সরফরাজ খানের জায়গায় দিল্লির প্রথম একাদশে ঢোকেন মিচেল মার্শ। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে আকাশ দীপের জায়গায় হর্ষাল প্যাটেল। বোনের মৃত্যুর জন্য জৈব সুরক্ষা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন হর্ষাল। ফিরে এসে আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে যোগ দেন ১১ এপ্রিল। তিন দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামেন।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা এদিন ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। দ্বিতীয় ওভারে ফর্মে থাকা অনূজ রাওয়াতকে (০) তুলে নেন শার্দূল ঠাকুর। পরের ওভারেই অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসিকে ফেরান খলিল আমেদ। ১১ বলে ৮ রান করে ডু্প্লেসি অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স সবথেকে বড় ধাক্কা খায় সপ্তম ওভারে। ললিত যাদবের দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হন বিরাট কোহলি। ১৪ বলে তিনি করেন ১২।এরপরই রুখে দাঁড়ান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। রীতিমতো তিনি ঝড় তোলেন কুলদীপ যাদবের এক ওভারে নেন ২৩। কুলদীপের বলেই অবশ্য তাঁকে ফিরতে হয়। ৩৪ বলে ৫৫ রান করে তিনি ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন সুয়াস প্রভুদেশাই (৬)। এরপর বাইশ গজে তান্ডবলীলা চালান দীনেশ কার্তিক। মুস্তাফিজুর রহমানের এক ওভারে চারটি ৪ ও দুটি ছক্কাসহ নেন ২৮। ২৬ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন দীনেশ কার্তিক। শেষ পর্যন্ত ৩৪ বলে ৬৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে ৬ ও ৪। শাহবাজ আমেদ ২১ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে। দারুণ শুরু করেছিসলেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও পৃথ্বী শ। ওপেনিং জুটিতে ৪.৩ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয়। এরপরই মহম্মদ সিরাজের ধাক্কা। তুলে নেন পৃথ্বীকে (১৩ বলে ১৬)। ওয়ার্নারের ঝড় অবশ্য থামানো যায়নি। ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও পরপর দুই ম্যাচে দিল্লিকে নির্ভরতা দিলেন ওয়ার্নার। দলকে ভালোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন এই অসি ওপেনার। হাসারাঙ্গার বলে এলবিডব্লু হতেই সমস্যায় পড়ে দিল্লি। ৪টি চার ও ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৩৮ বলে ৬৬ রান করে আউট হন ওয়ার্নার। দিল্লির হয়ে অভিষেক ম্যাচও স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না মিচেল মার্শ (২৪ বলে ১৪)। হাসারাঙ্গার দুরন্ত থ্রোতে রান আউট। রভম্যান পাওয়েল (০), ললিত যাদবরা (১) দ্রুত ফেরায় চাপে পড়ে যায় দিল্লি। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১৭ বলে ৩৪) ঝড় তোলার চেষ্টা করেও সফল হননি। শার্দূল ঠাকুর করেন ১৭। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ২৯ রানে ৩ উইকেট নেন জস হ্যাজেলউড। ৩১ রানে ২ উইকেট সিরাজের।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শততম ম্যাচে কী করলেন ম্যাক্সওয়েল?‌ ঝড় তুলে টেক্কা দীনেশ কার্তিকের

শনিবার আইপিএলে মাইলস্টোনের ছড়াছড়ি। এদিন প্রথম লখনউ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে আইপিএলে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। তেমনই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। মহম্মদ সিরাজের কাছে আবার আইপিএলের পঞ্চাশতম ম্যাচ। লোকেশ রাহুলের মতো শততম ম্যাচ স্মরণীয় করতে রাখতে পারলেন না গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে তাঁর ব্যাটেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। আর শেষদিকে ঝড় তুলে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেড় দীনেশ কার্তিক। তাঁর দাপটেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৯/৫ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এদিন টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। প্রথম একাদশে দুটি দলই একটা করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। সরফরাজ খানের জায়গায় দিল্লির প্রথম একাদশে ঢোকেন মিচেল মার্শ। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে আকাশ দীপের জায়গায় হর্ষাল প্যাটেল। বোনের মৃত্যুর জন্য জৈব সুরক্ষা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন হর্ষাল। ফিরে এসে আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে যোগ দেন ১১ এপ্রিল। তিন দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা এদিন ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। দ্বিতীয় ওভারে ফর্মে থাকা অনূজ রাওয়াতকে (০) তুলে নেন শার্দূল ঠাকুর। পরের ওভারেই অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসিকে ফেরান খলিল আমেদ। ১১ বলে ৮ রান করে ডু্প্লেসি অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স সবথেকে বড় ধাক্কা খায় সপ্তম ওভারে। ললিত যাদবের দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হন বিরাট কোহলি। ১৪ বলে তিনি করেন ১২।এরপরই রুখে দাঁড়ান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। রীতিমতো তিনি ঝড় তোলেন কুলদীপ যাদবের এক ওভারে নেন ২৩। কুলদীপের বলেই অবশ্য তাঁকে ফিরতে হয়। ৩৪ বলে ৫৫ রান করে তিনি ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন সুয়াস প্রভুদেশাই (৬)। এরপর বাইশ গজে তান্ডবলীলা চালান দীনেশ কার্তিক। মুস্তাফিজুর রহমানের এক ওভারে চারটি ৪ ও দুটি ছক্কাসহ নেন ২৮। ২৬ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন দীনেশ কার্তিক। শেষ পর্যন্ত ৩৪ বলে ৬৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে ৬ ও ৪। শাহবাজ আমেদ ২১ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। শুরুর ধাক্কা সামলে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৯ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মেকআপ আর্টিস্ট কনটেস্টে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা

আজ পয়লা বৈশাখ। বাংলা পরবের সূত্রপাত। আর বাংলা নববর্ষের প্রাক্কালে বেলগাছিয়ার শুভক্ষন হলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এইচডি স্টুডিওসের পরিচালনায় মেগা মেকআপ আর্টিস্ট কনটেস্ট। এখানে বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার বৈভব (সন্দীপ শীল)এর ব্র্যান্ড এস এস ট্র্যাডিশনাল স্টাইল লফ্টের ডিজাইনার পোষাক ও শিল্পী রায়ের মেকআপের ছোঁয়ায় মডেল ডোনা খান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ৫৪ জন মডেলের মধ্য থেকে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। ডোনা ও শিল্পীর হাতে সংস্থার পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় সুদৃশ্য মেমেন্টো ও সার্টিফিকেট। আগামী দিনে মডেলিং জগতে আরও শ্রীবৃদ্ধি ঘটানোই লক্ষ্য তাদের।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
রাজ্য

সিবিআইতে হাজিরাঃ ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আপতত স্বস্তিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

আপতত স্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব। এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সিবিআইতে হাজিরার হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল আজ, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসের দফতরে হাজির হতে হবে। এমনকী এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডেও ভর্তি হতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেয় আদালত। প্রয়োজনে গ্রেফতার করা যেতে পারে। আগামিকাল সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ফের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে।এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাজিরা সংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কোনও মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, কী আইনি প্রক্রিয়া চলছে তা শুনেছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। এর আগে এসএসসি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় প্রক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করুন বলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে বলেছিলেন কুণাল। সেই বক্তব্যের জের বহুদূর পর্যন্ত গড়িয়েছিল। পাল্টা কুণালের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিকে বিজেপির বক্তব্য, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা খুবই জরুরি। তা হলেই সত্যের উদ্ঘাটন হবে।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

কুণালের পাল্টা দিলেন ফিরহাদ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা

রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত চলছে। বগটুইয়ের দুটি ঘটনা, ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের পাশাপাশি এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও তদন্ত করছে সিবিআই। শুক্রবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এসএসসি নিয়ে সিবিআইয়ের তদন্ত প্রসঙ্গে বলেছেন, যা বলার পার্থদা বলবেন। তিনি সে সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁর মন্তব্যে এই শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কুণালের বক্তব্যের সঙ্গে সহমত নয় বলে শনিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।কী বলেছেন ফিরহাদ হাকিম? তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও মন্ত্রী-নেতা অন্যায় করেনি? অন্যায় করবে না{ অন্যায় হয় না{ প্রসিডিওর মিসটেক হয় কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। পার্থদার ক্যাবিনেটে আমিও মন্ত্রী। যদি কোনও জায়গায় হয়, তাহলে যতটা দায়িত্ব পার্থদার ততটা দায়িত্ব আমারও। সুতরাং একটা কালেক্টিভ পরিবার। ওটা আমরা কারও কাছে কারও দায় ঠেলতে পারি না। আমি আমার মন্তব্য বললাম।কোনও আড়াআড়ি ভাঙার ব্যাপার না। ক্যাবিনেটের মেম্বার কুণাল নয়। আমরা যৌথ দায়িত্ব পালন করি। সেই দায়িত্ব ক্যাবিনেটের, এটা পার্থদার ব্যাপার নয়। এতবড় ক্যাবিনেট চলে কোথায় কী হচ্ছে সেটা একজন মন্ত্রীর পক্ষে জানা সম্ভব? আমি কর্পোরেশনে থাকি কোথায় অ্যাসেসমেন্টে ঘুস নিলে আমার পক্ষে জানা সম্ভব? কোথাও ট্রেড লাইসেন্সে বেনিয়ম হচ্ছে সেটা আমার পক্ষে জানা সম্ভব? পার্থদার সঙ্গে কী সম্পর্ক আছে। হয় ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারি হবে। যে এনকোয়ারি হচ্ছে তা হবে।এর আগে অনুব্রত মন্ডল প্রসঙ্গেও কুণাল কটাক্ষ করেছিলেন। সেদিন তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, সিবিআই বা কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তলব করলে প্রয়োজনে ৫ মিনিট আগে গিয়েছি। অনুব্রত প্রসঙ্গে তাঁর চিকিৎসক বা আইনজীবী বলবেন বলে তিনি থেমে যাননি। শুক্রবার বলেছেন, ব্রাত্য এখন শিক্ষামন্ত্রী। তখন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যা বলার বলতে পারবেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বা মুখপাত্র মানে তিনি দলের কথাই বলছেন এটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ পার্টি লাইন বলাই তাঁর দায়-দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাহলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াতে তা পরখ করে নিতেই এমন মন্তব্য করেছেন দলের মুখপাত্র?

এপ্রিল ০৯, ২০২২
রাজ্য

২ এপ্রিল থেকে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, টোকাটুকি আটকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেবে সংসদ

২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা।এই প্রথম পরীক্ষার্থীরা নিজের স্কুলে পরীক্ষা দেবে। এ বছর ৭ লক্ষ ৪৫ হাজার পড়ুয়া পরীক্ষায় বসবে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার বেশি।দুদফায় ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হবে। সতর্কতা এবং সচেতনতা মেনেই এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি ও অলচিকি চার ভাষায় প্রশ্নপত্র করা হবে। একাদশ শ্রেণির ১১টি বিষয় এবং দ্বাদশ শ্রেণির ১১ টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র অলচিকি ভাষায় হচ্ছে। একাদশ ও বিষয় দ্বাদশ শ্রেণি মিলিয়ে মোট ২২টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র অলচিকি ভাষায় করা হচ্ছে।হোম সেন্টারে পরীক্ষা হওয়ায় এবার পরীক্ষায় কোনরকম টোকাটুকি বা অসদুপায় অবলম্বন আটকাতে সংসদ বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে।প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে স্পেশ্যাল অবজার্ভার রাখা হবে। স্পেশ্যাল অবজার্ভার হিসাবে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সরকারি আধিকারিকদের নিয়োগ করা হবে। স্পর্শকাতর কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে যখন প্রশ্ন যাবে, সেই সময়ে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পুলিশ ছাড়া কোনও প্রশ্নপত্র বিলি হবে না।প্রতি কক্ষে ২ জন করে শিক্ষিকশিক্ষিকা গার্ডের দায়িত্বে থাকবেন। নজরদারিতে কোনও গাফিলতি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে বিষয়ের পরীক্ষা যেদিন থাকবে, সেই বিষয়ের শিক্ষক সেদিন দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। কোনও স্কুল থেকে টোকাটুকি বা অন্য কোনও অসাধু কাজের অভিযোগ এলে সেই স্কুলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সভাপতি হুশিয়ারি দিয়েছেন। প্রয়োজনে স্কুলের অনুমোদন বাতিল পর্যন্ত করে দেওয়া হতে পারে। সংসদের তরফে বলা হয়েছে, কোনও স্কুলে যদি পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক না থাকেন, সেক্ষেত্রে জুনিয়র হাইস্কুল, মাধ্যমিক স্কুল থেকে শিক্ষক নেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনও সমস্যায় না পড়েন তাই সংসদের পক্ষ থেকে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। ওই হেল্প লাইনের নম্বর হল ০৩৩ ২৩৩৭০৭৯২।

মার্চ ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ফের ইডির জালে পার্থ-অর্পিতা! ১৬-১৮ মার্চেই তলব, বাড়ছে এসএসসি দুর্নীতি মামলার চাপ

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় আবারও জোর তৎপরতা শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, দোল উৎসবের পরেই ১৬ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে দুজনকে ডাকা হতে পারে।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ও গ্রেপ্তার হন। পরে দুজনেই জামিন পান। তবে তদন্ত থেমে নেই। প্রাথমিক নিয়োগ কাণ্ডের পাশাপাশি এসএসসি দুর্নীতির তদন্তও চালাচ্ছে ইডি। ইতিমধ্যেই ওই মামলায় চার্জশিট জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এসএসসি সংক্রান্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখতে গিয়ে একাধিক ক্ষেত্রে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই নতুন করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুজনকে আলাদা করে ডেকে মুখোমুখি প্রশ্ন করা হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কয়েক বছর জেলবন্দি থাকার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান। তার আগেই জামিন পেয়েছিলেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।দোলের ছুটির আবহ কাটতেই তদন্তে ফের গতি আসছে। ১৬ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে হতে পারে পার্থ ও অর্পিতাকে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে কোন তথ্য সামনে আনে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে ভয়াবহ ড্রোন হামলা! অপারেশন সিঁদুরে বিধ্বস্ত রাওয়ালপিণ্ডির নূর খান বিমানঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল আফগানিস্তান

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্ত। পাকিস্তানের রাওয়ালপিণ্ডিতে অবস্থিত নূর খান বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন। রবিবার গভীর রাতে এই হামলার কথা সরকারি ভাবে জানানো হয়।আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য, গত কয়েকদিন ধরে পাকিস্তান যেভাবে আকাশপথে লাগাতার হামলা চালাচ্ছিল, তারই জবাব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, রাওয়ালপিণ্ডির নূর খান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে সফলভাবে আকাশ অভিযান চালিয়েছে আফগান বায়ুসেনা। পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক দপ্তর ও ঘাঁটিকে নিশানা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতেও পাকিস্তান আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে একইভাবে জবাব দেওয়া হবে।পাকিস্তান আগেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। দুই পক্ষেই হতাহতের খবর মিলেছে, যদিও সরকারি ভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে পাক-আফগান উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।নূর খান বিমানঘাঁটি পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটি। ইসলামাবাদ থেকে মাত্র পঁচিশ কিলোমিটার দূরে এই ঘাঁটির অবস্থান। কৌশলগত ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় আগেও এই ঘাঁটি আক্রমণের মুখে পড়েছে। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বাহিনীর হামলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সেই ঘাঁটি মেরামত করা হয়।সাম্প্রতিক ড্রোন হামলায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তালিবান প্রশাসন সামাজিক মাধ্যমে ড্রোন উড়ানের ভিডিও এবং হামলার ছবি প্রকাশ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। নতুন করে এই হামলায় দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ল বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কায় ধস দালাল স্ট্রিটে! একদিনেই সেনসেক্স নামল ২৭০০ বেশি পয়েন্টে, কাঁপছে বাজার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কাঁপছে বিশ্ব অর্থনীতি। তার সরাসরি প্রভাব পড়ল ভারতের শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের প্রথম দিন বাজার খুলতেই বড় ধাক্কা খেল দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স এক ধাক্কায় পড়ে গেল দুই হাজার সাতশোরও বেশি পয়েন্ট। নিফটিতেও বড়সড় পতন দেখা যায়।শনিবার থেকে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। পরপর কয়েকদিন ধরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক জায়গায় আক্রমণ চলছে। সেই প্রভাব যে শেয়ার বাজারে পড়বে, তা আগেই আন্দাজ করা হয়েছিল। তবে বাজার খুলতেই এত বড় পতন হবে, তা ভাবতে পারেননি অনেক বিনিয়োগকারী।সোমবার সকালে সেনসেক্স খোলে সাতাত্তর হাজার পাঁচশোর কিছু বেশি পয়েন্টে। যা আগের বাজার বন্ধের সূচকের তুলনায় দুই হাজার সাতশোরও বেশি কম। প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ পড়ে যায় সূচক। নিফটিও পাঁচশোর বেশি পয়েন্ট হারায়। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাজার, তবুও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটেনি।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, অন্তত একমাস ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। এই ঘোষণার পর বিশ্ব জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে স্থিতি ফিরতে সময় লাগবে।ভারতই নয়, বিশ্বজুড়েই শেয়ার বাজারে ধাক্কা লেগেছে। আমেরিকার বাজারে বড় পতন দেখা গিয়েছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও দুই থেকে তিন শতাংশ পর্যন্ত সূচক নেমে গিয়েছে। হংকং ও চিনের বাজারেও একই ছবি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবু ধাবি ও দুবাইয়ের বাজার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে যুদ্ধের আবহে দ্রুত বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে গেলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তাতে ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের উপর চাপ আরও বাড়বে। বাজার বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যুদ্ধ যতদিন চলবে, ততদিন শেয়ার বাজারে অস্থিরতা থাকবেই।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal