• ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Art

রাজ্য

সারদার 'লাল ডায়েরী'র পর এবার রহস্যময় 'কালো ডায়েরী', কার কার নাম আছে ওই ডায়েরীতে?

সরদা মামলায় লাল ডায়েরী পর এবার কালো ডায়েরী নিয়ে তোলপাড় রাজ্য। সারদা মামলায় লাল ডায়েরী উদ্ধার হওয়ার পর অনেকেই প্রবল উৎসুক ছিলেন কি কি বা কার কার নাম আছে এই লাল ডায়েরীতে। ইডি সুত্রে জানানো হয়েছে, পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে একটি কালো ডায়েরী ও একটি পকেট ডায়েরী উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতবর্ষের অর্থনৈতিক অপরাধের ইতিহাস ঘাঁটতে গেলে বেশ কয়েকটি ডায়েরি রহস্য সামনে আসবেই। যেমন, নব্বইয়ের দশকের হাওয়ালা কেলেঙ্কারিতে সুরেন্দ্র জৈনের রহস্যময় ডায়েরী বা ২০১৭-১৮ তে সাহারার সর্বময় কর্তা সুব্রত রায়ের ডায়েরী, ২০১১-১২তে আলোড়ন সৃষ্টিকারি সারদা কর্তার লাল ডায়েরী এবার রহস্যের কেন্দ্রে এক কালো ডায়েরী যা ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জের অভিজাত আবাসবনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি করে পাওয়া গেছে। এছাড়াও সেখানের তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মুদ্রা, বিদেশী মুদ্রা এবং গয়না উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তদন্তকারী দল।ইডি-র একটি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের নাম লেখা ওই কালো ডায়েরিতে অর্থিক লেনদেন সহ বেশ কিছু হিসাব এবং বিশেষ কয়েকজনের নামের উল্লেখ রয়েছে ওই রহস্যময় ডায়েরীতে। কয়েকদিন আগে ইডি জানিয়েছিল, তাঁদের প্রাথমিক তদন্তের শেষে মনে হচ্ছে, পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া রাশি রাশি টাকা, গহনা ও সম্পত্তির দলিলের সাথে এসএসসি-র নিয়োগে সংক্রান্ত দুর্নীতির অদৃশ্য কোনও যোগসূত্র রয়েছে। তদন্তকারী অফিসারেরা এখন ওই ডায়েরির সূত্র ধরেই সেই যোগ সূত্র খোঁজার চেষ্টা করছেন।বিশেষ সুত্রে জানা যাচ্ছে, রাজ্য শিক্ষা দফতরের ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নাম লেখা ওই কালো ডায়েরিতে অর্থিক লেনদেনের কিছু হিসাব এবং বিশেষ কিছু ব্যক্তির নামের লেখা আছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আগেই জানিয়েছিল, অর্পিতার মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া পাহাড় প্রমান টাকার সঙ্গে এসএসসি-র শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে বলে তাঁদের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। এখন রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে কালো ডায়েরী। এমনটা মনে করাই যায়, সামনের কয়েকটা দিন মানুষ অধীর আগ্রহে তাকিয়ে থাকবে ওই কালো ডায়েরীর কথা জানতে। কে বা কাদের কাদের নাম ওই রহস্যময় ডায়েরীতে লেখা আছে। মনে করা হচ্ছে ইডির তদন্তকারী দল ওই ডায়েরির সূত্র ধরেই রহস্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পৌছানোর চেষ্টা করবেন।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কলকাতায় ফিরল ইডি, আজ শুরু জেরা

ভূবনেশ্বর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কলকাতায় ফিরল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জানা গিয়েছে, এদিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে প্রথম পর্যায়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে জেরা করা হবে। পরবর্তীতে দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এদিকে আদালত পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ১০ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে তর্জা চলছেই। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রেরে করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, তিনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।) ৭২ ঘন্টা ধরে মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। আজ যেভাবে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। লক্ষ লক্ষ মেধাযুক্ত যুবক-যবুতীদের সর্বনাশ হওয়ার ব্যাপারে এমন কথা বলেছেন। সবসময় নিজেদের লোককে চাকরি দিতে হয়।এসএসসি, টেটকে প্রাইভেট অর্গানাজেশনের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সরকরি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা, মেধা প্রয়োজন। চাকরির নিয়ম সংক্রান্ত সার্ভিস রুলে আইন স্বীকৃত, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন না। দুর্নীতির প্রশ্নে যে পর্দা ফাঁস হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ফাস্ট ট্রাক করতে হবে। এসব পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে মনে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী আতঙ্কিত। তিনি ভয় পেয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজ্য

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ 'বঙ্গবিভূষণ' নিতে পারছেন না, কারণ নিয়ে তর্জা তুঙ্গে

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার গ্রহণ করতে পারছেন না নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তাঁর ঘনিষ্ট মহল সূত্রে খবর, তিনি সারা কর্মজীবনে অনেক পুরস্কার পেয়েছেন, এবার, নতুন কাউকে সেই সম্মান দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন অমর্ত্য সেন। বর্তমানে অমর্ত্য সেন বিদেশে আছেন। সোমবার রাজ্য সরকারের এই সম্মান জ্ঞাপণ অনুষ্ঠানে তিনি কলকাতায় উপস্থিত থাকবেন না। সূত্রের খবর, তাঁর মতামত জেনেই পুরস্কারপ্রাপকের চূড়ান্ত তালিকায় অমর্ত্য সেনের নাম রাখা হয়নি। নোবেলজয়ীর পরিবার সূত্রে খবর অমর্ত্য সেন কলকাতায় ফিরছেন না, তাই পুরস্কার নিতে পারছেন না।প্রসঙ্গত, অমর্ত্যের বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার নিতে না করার খবর প্রকাশ্যে আসার সময়েই রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিকে নিয়ে তৃণমূল কিছুটা অস্বস্তিতে। ফলে বিরোধী শিবিরের একাংশ (প্রধানত সিপিএম) বলতে শুরু করে যে পার্থর ঘটনার প্রতিবাদেই অমর্ত্য সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এসএসসি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির নিয়ে কলকাতা শহরে ধর্মতলায় ধর্নায় বসা ছাত্র ছাত্রীদের কাছে উপস্থিত হন, এবং সেখানে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের মন্ত্রীর পার্থ-র ইডি কর্তৃক গ্রেফতারের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দশ্য করে এই পুরস্কার না নেওয়ার আবেদন জানান। সুজনের দাবী, তাঁদের আবেদন মেনেই এই পুরস্কার না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অমর্ত্য। সিপিএম ও একাংশের দাবি, সেই ডাকে সাড়া দিয়েই সম্মান নিতে রাজি হননি অমর্ত্য। যদিও সূত্রের খবর, অমর্ত্য তার আগেই নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন।সোমবার, রাজ্য সরকারের দুই নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এবং অভিজিৎ বিনায়ক ব্যানার্জীকে বঙ্গ বিভূষণ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান জানানোর কথা ছিল। একটি সূত্রের খবর, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে ফ্রান্সে রয়েছেন। তাই তিনিও এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না।সোমবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজরুল মঞ্চে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বঙ্গভূষণ ও বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার প্রদান করবেন। ভারতীয় ফুটবলে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলার তিন প্রধান খ্যাত মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকেও বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হবে। এসএসকেএম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকেও একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে তাঁর সার্বিক সাফল্যের জন্য সম্মান দেওয়া হবে।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজ্য

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পার্থকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আদালতের

কাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ওডিষার ভুবনেশ্বরে এইমস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখন তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। একইসঙ্গে মোট ১৩ জায়গায় তল্লাশি করে ইডি আধিকারিকরা। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১কোটি টাকা ২০ টাকা উদ্ধার করে ইডি। এসএসকেএম থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে তৃণমূলের মহাসচিবকে।

জুলাই ২৪, ২০২২
রাজ্য

পার্থর প্রমীলা সঙ্গ নিয়ে বিব্রত দল! অর্পিতা, মোনালিসা... আর কে কে?

২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেপ্তারি নিয়ে দল সাংবাদিক সম্মেলন করলেও, এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য রাখেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। যদিও সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিমরা যে কথা বলেছেন, সেটি তৃণমূল নেত্রীরই বক্তব্য বলে মনে করা হচ্ছে। অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহলের ধারনা মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দল জল মাপছেন। তবে সুত্রের খবর, পার্থ ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও পর্যন্ত কিছুটা নরম। ঘনিষ্ট মহলের ধারনা, যে কোনও মানুষের বিপদ হলে তাঁর পাশে দাঁড়াতে হয় এরকমই মনে করছেন নেত্রী, তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সতীর্থ নিয়ে কিছুটা সময় দেওয়ার কথাও হয়ত ভাবছেন তিনি।শিল্পমন্ত্রীর এই ঘোর দুর্দিনে ঘনিষ্টমহলে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে বলছেন তৃণমূল নেত্রী। আদালতের নির্দেশ হাতে না পেয়ে পার্থকে সরানো উচিত হবে না বলে শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করেন। তবে দলের অনেকেই পার্থর প্রমীলা-আসক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শুক্রবার ইডি-র হানার পরই পার্থ ঘনিষ্ঠ হিসাবে নাম উঠে এসেছে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় নামে জনৈক অভিনেত্রীর নাম। রাত গড়াতে না গড়াতেই আরও এক মহিলার নাম নাম উঠে আসে। তিনি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা মোনালিসা দাস। ইডি সুত্রে জানা যায়, পার্থ ঘনিষ্ট অভিনেত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২১কোটির বেশি নগদ টাকা, সোনার গহনা ও বিদেশী নোট। অপরদিকে বিজেপি নেতাদের দাবি, বীরভূম জেলায় শান্তিনিকেতনে অধ্যাপিকা মোনালিসার কমপক্ষে ১০ থেকে ১২টি বাড়ি আছে, সে সবই পার্থের আনুকুল্যে। সেখানকার স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমে বলেন, পার্থ সহ অনেক ভিভিআইপিদের আনাগোনা ছিল এই বাড়িগুলিতে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি সরগরম।কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-র (ইডি) তদন্তকারীরা এসএসসি দুর্নীতি মামলার একেবারে মূলে পৌঁছতে চাইছেন। জনমানসে একটা প্রশ্ন বারবারই উঠে আসছে, এবং যেটি নিয়েই সবচেয়ে বড় বিতর্ক দানা বেঁধেছে, তা হল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল মহাসচিবের সঙ্গে এই দুই মহিলার পরিচয় বা ঘনিষ্ঠতা-র উৎস কি বা কে? টলিগঞ্জের বিলাসবহুল আবাসনের অন্যান্য আবাসিকরা জানান, অর্পিতার ফ্ল্যাটে লালবাতি গাড়ি চড়ে রাতে কেউ আসতেন। তবে কে বা কারা আসতেন সে বিষয়ে তাঁরা খোলসা করে কিছু বলেননি।আসানসোলের কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালের অধ্যাপিকা মোনালিসার নাম সামনে আসতেই নানা প্রশ্ন ভেসে আসছে। সুত্র মারফত জানা যায়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকোত্তর মোনালিসা প্রথম জীবনে বিদ্যালয়ে শিক্ষাকতা করতেন। ২০১৪ তে তিনি কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালের অধ্যাপিকা হিসাবে যোগদান করেন। এবং খুব স্বল্প দিনে ২০১৮ তেই তিনি অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হয়ে যান এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগীয় প্রধান হয়ে যান। তাঁর এই উল্কা গতির উত্থান তাঁর পরিচিত জনের অনেকেই ভালো চোখে নেননি। কিন্তু তৃণমূলের উচ্চস্তরের নেতাদের ঘনিষ্ট হওয়াতে কেউই এবিষয়ে মুখ খোলেননি। এই মুহুর্তে মোনালিসার আয় বহির্ভুত সম্পত্তির সাথে সাথে তাঁর শিক্ষকতা যোগ্যতা ও চাকরির সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল।

জুলাই ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)...কাদের নাম করলেন শ্রীলেখা?

এই মহুর্তে এসএসসি দুর্নীতি মামলার ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী ও বর্তমান রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এসএসকেএম হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্সেস-এর আইসিসিইউতে চিকিৎসা চলছে। ইন্টেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিটের ১৮ নম্বর কেবিনে তিনি ভর্তি আছেন। তাঁকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেন। আপাতত মন্ত্রীকে কার্ডিওলজি বিভাগের স্পেসাল কেবিনে ভর্তি করে চিকিৎসা হচ্ছে বলে জানা যায়। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে তাঁর চিকিৎসার জন্য।শনিবার সকাল তখন ১০টা নাগাদ মন্ত্রীর বাসভবন নাকতলাথেকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। । জোকা ইএসআই, সল্টলেক সিজিও কম্পলেক্স ভায়া ব্যাঙ্কশাল কোর্ট তাঁকে সাড়ে সাতটা নাগাদ আনা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে করে পার্থকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। বিগত ২৬-২৬ ঘণ্টা র জেরা ইতি হয়ে মন্ত্রী গ্রেপ্তার হতেই সামাজিক মাধ্যম ভরে যায় যা নানা সমলোচলনা ও মিমে। বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস তো আছেই। শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলের বিশিষ্ট জনেদের মন্তব্য।জনপ্রিয় চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ইডির টুইট করা ছবি দেখে তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন যা দেখছি, কেউ নায়ক ছবির remake করলে স্বপ্নদৃশ্যের জন্যে টাকার পাহাড়ের অভাব হবে না এই বাংলায় !!! তিনি আরেকটা পস্টে লিখেছেন এবার ভুঁড়িটা কমাতেই হবে। ফ্রেঞ্চ কাট বা ঘনিষ্ঠ রূপসী - বা থিম পুজো - নৈব নৈব চ। ইঙ্গিত স্পষ্ট, সাধরণ মানুষের বুঝে উঠতে খুব একটা ক্ষত করতে হয় না।বাংলা চলচিত্র অভিনেতাদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী শ্রীলেখা। চলমান জগতে কোনও গুরুত্বপূর্ন বা স্পর্শকাতর বিষয়-ই তাঁর নজর এড়িয়ে যায় না। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধার মাত্র দুই বান্ধবীর নাম সামনে এসেছে তাতেই ইতিমধ্যে ২১কোটি ২০ লক্ষ টাকা সাথে ৭৯ লক্ষ গহনার হদিস পেয়েছে ইডি। এছাড়াও বীরভুমে ও কোলকাতায় একধিক বাংলো ও ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে ইডি সুত্রে খবর। এবার সামাজিক মাধ্যমে বোমা ফাটালেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)। বলবো নাকি নাম গুলো?। শ্রীলেখা কি কিছু ইঙ্গিত দিলেন?অভিজ্ঞ মহলের ধারনা ইডি কোনও আধিকারিক যদি শ্রীলেখার সামাজিক মাধ্যম ফলো করে থাকেন অবশ্যই এই প্রশ্ন তাঁরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে রাখবেন। এবং তদন্ত করে শ্রীলেখার বক্তব্য থেকে তাঁরা সারমর্ম খুঁজে বার করার চেষ্টা করবেন-ই। তাৎপর্যপূর্ন ভাবে শুক্রবার সাত সকালে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডি-র তদন্তকারী দল পৌঁছানোর পরপরই মন্ত্রীর বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখার্জি নাম সামনে আসে, তারপরই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীর শান্তিনিকেতন (বীরভূম) যোগ নিয়ে সরব হন। আজ সারাদিন সমস্ত সার্চ লাইট বোলপুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এসে যায়। রবীন্দ্র-নজরুল মিলে মিশে একাকার।শ্রীলেখাকে আক্ষেপের সুরে বলতে দেখা যায় সেই সমস্ত (অদৃশ্য) বন্ধুদের কাছে কত কোটি দিয়েছে কে জানে। পরক্ষনেই তিনি এক অজানা কারনে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন। তাঁর ধারনা প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কিছু বলে শত্রু বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর আশঙ্কা এসব পাবলিক করলে হয়ত সুপারি কিলার-ও পিছনে লাগাতে পারে।এই মন্তব্যের পর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ফ্যান ফলোয়াররা চেপে ধরতে থাকেন নাম প্রকাশ করার জন্য, কেউ কেউ লেখেন নেশন ওন্টাস টু নো। কিন্তু অভিনেত্রী বরাবরের মতোই বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন এই বিতর্কে থেকে। এমনকি জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়,রূপা ভট্টাচার্যের মত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী দের জোরাজুরিতেও তিনি রা কারেননি। মুখ খুলেও মুখ লোকালেন শ্রীলেখা...... ভয়ে না আশঙ্কায়! নেশন ওন্টাস টু নো

জুলাই ২৪, ২০২২
রাজ্য

দোষী সাব্যস্ত হলে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দল, তবে এখনই পথে নয়

তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতারের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন ফিরহাদ হালিম, কুণাল ঘোষ, অরূপ বিশ্বাস ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেবে দল। রাজনৈতিক মহলের মতে, আপাতত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াল দল।সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল নেতৃত্ব বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস অন্যায় করে না অন্যায় সহ্য করে না। এটা বিজেপির চক্রান্ত। আইন আইনের পথে চলবে। আদালতে ভরসা আছে তৃণমূল কংগ্রেসের। আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে পার্থর বিরুদ্ধে দল ও সরকার নিশ্চিতভাবে ব্যবস্থা নেবে।পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্য, ইডি পশ্চিমবঙ্গে হানা দিলে ভাল? সেই ইডি সনিয়া, রাহুলকে ডাকলে প্রতিবাদ। এটা কী করে হয়। এদিকে বিজেপি রাজনৈতিক ভাবে পরাজিত হয়ে একাজ করছে। যার বাড়িতে টাকা মিলেছে তিনি তৃণমূলের কেউ নয়। দোষী প্রমান না হওয়ার আগে বিরোধিরা কেনও কথা বলতে পারে না। ২ মাস আগে বিজেপিতে গেলে এমন এ ঘটনা ঘটতো না। নৈতিক ভাবে আমরা মাথানত করব না। সারদা কর্তা চিঠি লেখা সত্বেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না শুভেন্দুর বিরুদ্ধ। তৃণমূলে থাকলে ব্যবস্থা নিত।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

এসএসসি দুর্নীতি মামালায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতেের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী সোমবার ফের তাঁকে ইডি-র স্পেশাল কোর্টে হাজির করা হবে। ইডি আর্থিক তছরুপের অভিযোগ এনেছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে।গ্রেফতারের পর জোকা ইএসআই হাসপাতালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তারপর তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করে ইডি। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রীকে ২ দিনের ইডি হেফাজতেের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ইতিমধ্যে পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে আটক করেছে ইডি। শুক্রবার সকালে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেই থেকে একটানা ২৭ ঘন্টা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দফায়-দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির আধিকারিকরা। ইডির সঙ্গে তদন্তে অসহযোগিতা করছিলেন বলে সূত্রের খবর। সব প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন না। শেষমেশ তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকেই নগদ ২১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এদিকে তৃণমূলের মহাসচিবকে গ্রেফতারের পর ঘণ্টাখানেক কলকাতার রাস্তায় ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় জোকায় ইএসআই হাসপাতালে।পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর বক্তব্য, ইডি রিমান্ডে নিতে চেয়েছিল। কিন্তু, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও তথ্য প্রমাণ দেখাতে পারেনি। আদালত ২ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রী শারীরিক অবস্থাও ভাল না। সেই বিষয়টিও বিবেচনার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

'নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি'- পার্থ

গ্রেফতার করার পর শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় জোকার ইএসআই হাসপাতালে। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি। একথা বলার সময় তাঁর গলায় স্পষ্ট ছিল হতাশার সুর। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সারা কলকাতার রাস্তা ঘুরিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেকার ইএসআই হাসপাতালে। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন এই তদন্তের ক্ষেত্রে কেন দায় নেবে না দল। যা বলার তদন্তে অভিযুক্ত বা তাঁর আইনজীবী বলবেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

শহর কলকাতার নানা পথ ঘুরে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কেন্দ্রীয় হাসপাতালে

কলকাতার সারা রাস্তা ঘুরিয়ে শেষমেশ জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। টানা ২৭ঘন্টা জেরা করার আজ শনিবার সকালে তৃণমূলের মহাসচিবকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর নাকতলার বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে কলকাতা শহরের নানা রাস্তা ঘুরিয়ে নিয়ে আসা হয় জোকা কেন্দ্রীয় সরকারের অধিনস্ত ইএসাআই হাসপাতালে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল সল্টলেকের সিজিও কম্পলেক্স-এ নিয়ে যাওয়া হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। সুত্রের খবর, এরপর ইডির তরফে দিল্লিতে যোগাযোগ করে সেখানকার নির্দেশেমত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রতিবেদন প্রাকাশের মুহুর্ত অবধি তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ এসএসসি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, আটক অর্পিতা

স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়ে যাওয়ার পরই তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্যে। টানা ২৭ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর শনিবার সকালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি।ইডি-র আধিরিকদের টানা ২৭ঘন্টা জেরার পর রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই মুহুর্তে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আজই তাকে আদালতে পেশ করা হবে । আদালতে ইডি পার্থকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সেরে সাক্ষীদের সই করিয়ে পার্থকে নিয়ে বাড়ি থেকে তাঁকে রওনা দেন ইডি-র তদন্তকারীরা। বাড়ির বাইরে পার্থর আইনজীবী অনিন্দ্য রাউত সংবাদমাধ্যমকে জানান, রাজ্যের শিল্পমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসএসসি মামলায় নিয়োগে দুর্নীতিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়র নাম জড়িয়ে জাওয়ার পর থেকেই সারা রাজ্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। এর আগে পার্থকে সিবিআই জেরার মুখে পড়তে হয়। এরপর পরিস্থিতি খানিক নিস্তব্দ হয়ে গেলে জনমানসে সিবিআই ও ইডি সম্বন্ধে নানারকম প্রশ্ন উঁকুঝুঁকি দিতে থাকে। শুক্রবার সাত সকালে পার্থর নাকতলার বাড়িসহ ১৩ টি জায়গায় আচমকা হানা দেয় ইডির তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর টানা ২৭ঘন্টা জেরা করেও ইডির তদন্তকারি অফিসাররা সন্তুষ্ট না হওয়াতে তাঁরা পার্থকে হেপাজতে নিয়ে জেরা করার সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁদের ধারণা পার্থ চট্টোপাধ্যায় তথ্য গোপন করছেন। বিপুল পরিমাণে অর্থ উদ্ধার হওয়া অর্পিতার সঙ্গে পার্থর কী সম্পর্ক, সে কথাও খোলসা করছিলেন না। সেকারণে পার্থকে হেফাজতে নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করা সিদ্ধান্ত নেয় তদন্তকারীরা। পার্থর সাথে সাথে অর্পিতাকেও আটক করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে টানা ২৬ ঘন্টা ইডির তদন্তকারীরা, বাড়ল ঘনিষ্ঠের বাড়িতে টাকা উদ্ধারের পরিমান

পেরিয়ে গেল ২৬ ঘন্টা। এখনও রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডির তল্লাশি চলছে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মন্ত্রীকে। রাতভর অভিযান করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এদিকে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি টাকা, ৫০ লক্ষ টাকার গহনাসহ বিভিন্ন নথি উদ্ধার করেছে। ইডি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় মিলেছে। এই টাকা ও গহনার সঙ্গে এসএসসি দুর্নীতি মামলার যোগ রয়েছে বলে মনে করছে ইডি।সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সহযোগিতা করছে না। শনিবার সকালে ফের অসুস্থ বোধ করেন মন্ত্রী। চিকিতসকদের একটা দল পার্থর বাড়িতে যায়। বাড়িতে পাহারায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রয়েছে নেতাজিনগর থানার পুলিশ। তল্লাশি চলাকালীন তদন্তকারীদের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। শেষমেশ ইডি কী সিদ্ধান্তে পৌঁছয় সেদিকে নজর রাখছে অভিজ্ঞ মহল।এদিকে তৃণমূলের মহাসচিবের বাড়িতে ইডি হানা দেওয়ায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। যদিও তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইট করে জানিয়ে দিয়েছে টাকা উদ্ধারের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এই ঘটনায় যাঁদের নাম আসছে তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীরা এর জবাব দেবেন। টুইটে কুণাল লিখেছেন, ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম এসেছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

টানা ১৫ ঘন্টা পার্থর বাড়িতে ইডি, চলছে তল্লাশি, জিজ্ঞাসাবাদ, দায় নেবে না তৃণমূল

সকাল সাড়ে ৮টায় রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ৮ জনের ইডি আধিকারিকের দল সেখানে বিভিন্ন নথি উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদ করে মন্ত্রীকে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আরেকজন ইডির আধিকারিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঢোকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়। এর পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে। আইনজীবীরা পার্থর বাড়িতে অপেক্ষা করছেন কথা বলার জন্য। এরই মাঝে দুপুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসক এসে মন্ত্রীকে পরীক্ষা করেন।ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম আসছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) July 22, 2022এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে বস্তা বস্তা টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকার পরিমান ২০ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে ইডি। মনে করা হচ্ছে এবিষয়ে মন্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডির আধিকারিকরা। টানা ১৫ ঘন্টা মন্ত্রীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম, তাঁরাই জবাব দেবে। অর্থাৎ দল এবিষয়ে দায় ঝেড়ে ফেলল বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

ইডির হানায় খাস কলকাতায় মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ মহিলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার কোটি কোটি টাকা, বিদেশি মুদ্রা

বস্তা বস্তা টাকা। টাকার পর্বত। ২,০০০ ও ৫০০ টাকার নোটের ছড়াছড়ি। ওই টাকা গুনতে ৪টে টাকা গোনার মেশিন আনতে হয়েছে। ব্যাংকের আধিকারিকদের ডাকতে হয়েছে টাকা গুনতে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দাবি টাকার পরিমান ২০ কোটি বা তার বেশি হতে পারে। এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলার তল্লাশি করতে গিয়ে খাস কলকাতায় একটি ফ্ল্যাট থেকে ওই টাকা উদ্ধার হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, অর্পিতা মুখোপাধ্যায় নামে এক মহিলার ফ্ল্যাটে এই টাকার হদিশ মিলেছে।এই অর্পিতা স্বয়ং রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। প্রেস বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ এই মহিলার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ কোটি টাকা। যা এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। ওই টাকার পাহাড়ের ছবি নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করেছে ইডি। ইডি সূত্রের খবর শুধু টাকা নয়, ২০টি মোবাইল, বিদেশি মুদ্রা, বিভিন্ন নথি, গহনাও উদ্ধার হয়েছে ইডির তল্লাশিতে।ED is carrying out search operations at various premises linked to recruitment scam in the West Bengal School Service Commission and West Bengal Primary Education Board. pic.twitter.com/i4dP2SAeGG ED (@dir_ed) July 22, 2022ইডি জানিয়েছে, এদিন টালিগঞ্জের ডায়মন্ড সিটি সাউথের অভিজাত আবাসনে তল্লাশি চালানো হয়। ইডি খতিয়ে দেখছে এত নগদ অর্থ কোথা থেকে এল অর্পিতার ঘরে। আদৌ কী এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে এই কোটি কোটি টাকার কোনও যোগ রয়েছে কিনা তা-ও দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই অসুস্থ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, এসএসসি দুর্নীতি মামলায় হানা ১৩ জায়গায়

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেখলিগঞ্জের বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি-র অফিসারদের একটি দল। ইডির অন্য একটি দল অভিযান চালায় উপেন বিশ্বাসের বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মন্ডলের বাড়িতে। পিংলায় গিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাইয়ের মামার বাড়িতেও গিয়েছে ইডি। ইডি হানা দিয়েছে এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহার বাড়িতেও, গিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যের বাড়িতও। শুক্রবার এসএসসি দুর্নীতি মামলায় মোট ১৩টি জায়গায় একযোগে ইডি অভিযান চালিয়েছে। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ইডির আধিকারিকরা অভিযানে বের হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার শহিদ দিবসের মঞ্চেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরের দিনই রাজ্যের দুই মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি করছে ইডি। এদিন সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ইডির অফিসারদের একটি দল নাকতলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। ৮-১০ জনের একটি দল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই ঢোকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। ভিতরে তল্লাশি ও মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ চলতে থাকে। গেটের সামনে পাহারায় থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ বোধ করায় বাড়িতে চিকিৎসক আনা হয়। মেখলিগঞ্জে আরেক মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর বাড়িতেও হানা দিয়েছে ইডি। যদিও মন্ত্রী তখন বাড়িতে ছিলেন না। তিনি কলকাতায় রয়েছেন। আগেই বেআইনিভাবে নিয়োগের দরুন তাঁর মেয়েকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে হাইকোর্ট।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

করোনা আক্রান্ত অমর্ত্য সেন, রাজ্যে বেড়েই চলেছে সংক্রমিতের সংখ্যা

করোনার থাবা কিছুতেই কমছে না রাজ্যে। বরং ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন নোবলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তিনি শান্তিনিকেতনের বাড়িতেই আইসোলেশনে আছেন। বাড়িতে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে। আপাতত নোবেলজয়ীর ইংল্যান্ড যাত্রা বাতিল হয়েছে।গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় সংক্রিমত হয়েছেন ২,৯৬৮ জন। গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ২,৯৫০ জন। এদিনও জেলাগুলির মধ্যে আক্রান্তের সংখ্য়ায় শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৩ জন। ঠিক পরের স্থান কলকাতার। মহানগরে আক্রান্ত হয়েছে ৭৪২জন। মোট ৯টি জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০-এর ওপর। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে চিন্তায় ফেলেছে করোনার এই বাড়বাড়ন্ত। কমার কোনও লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না।করোনা আক্রান্ত হয়ে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। এদিন মোট সুস্থ হয়েছেন ৬৬২ জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬০৪ জন। হোম আইসোলেশনে আছেন ২০,৫৫৫জন। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ১৫.৬৯।

জুলাই ০৯, ২০২২
নিবন্ধ

আহত বাক্যবন্ধরা - (অন্তিম পর্ব)

ফায়েজ আর তাঁর কবিতার মতো একই দশা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আর তাঁর বন্দেমাতরমের। ইতিহাস যে কত অজানা তথ্য এ বিষয়ে দেয় তা পৃষ্ঠা না ওল্টালে বোঝা যাবে না। স্বাধীনতার বহু আগে থেকেই এই বন্দেমাতরমকে ইসলাম-এর তৌহিদ বিরোধী বলে ধরা হতো। যদিও বন্দেমাতরম এর জনপ্রিয়তা ব্রিটিশ বিরোধী, ঔপনিবেশিকতা বাদ বিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে এক বিশেষ স্থান নিয়েছিলো--- we have evidence that it was sung in the calcutta sessions of Indian national congress in 1896-- the song was rendered by Rabindranath Tagore and the music was composed by him (Vande Mataram, Biography of a Song, Sabysachi Bhattacharya, page 19)! স্বদেশী আন্দোলনকারীরা ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময়তেও গেয়েছিলেন বন্দেমাতরম। এমন কি গান্ধীজি বলেন, প্রথমবার শুনেই তাঁর অন্তর বিগলিত হয়( Gandhi says his heart was touched when he first heard it, when he was just a lad---M K Gandhi in Harijan 1 st july 1939)! কিন্তু সে সময়তে এই গান নিয়ে বিতর্কও দেখা যায় যে এই গানটি জাতীয় সঙ্গীত হতে পারে কিনা। বিশেষত মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে এটি পৌত্তলিকতা সমর্থনের সমার্থক হয়ে দাঁড়ায়। বাংলা জার্নাল ইসলাম দর্শন ১৯২০ তে লেখে The only and Supreme Allahs kalima Allahu Akbar when combined with Hindus anthem to mother India, Vande mataram was found objectionable -- it was pushing the Muslims to idolatry.(Haram and Kafur, Abdul wadud, Islam Darshan Vol 1). একই ধরনের বক্তব্য উঠে এসেছিল ১৯২৮ এর শরিয়ত - এ- ইসলাম পত্রিকায় --We must remind you of Shariat and that chanting Vandemataram is forbidden for Muslims(Editorial on Vandemataram, Shariat- e- Islam, vol3 No 11 1335 BS. M. N. Islam,op,cit, p 245).১৯৩৭ সালে কংগ্রেসের কলকাতায় অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্কিং কমিটি মিটিং-এর আগে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস রবীন্দ্রনাথকে লেখেন, while I writing to you, I also plan to write to Jawaharlalji.... Discussions are going on in Congress circles on the subject of Vande matram. On 26 October (1937) Congress working committee at their meeting in Calcutta will address the issue. Perhaps the committee will decide to discard the song. I do not know your opinion on this matter and that is why I write to you. In Bengal and among Hindus outside of Bengal great excitement has been caused and I write to you now because many friends advised me to do so. (Subhas Bose, letter to Rabindranath Tagore, 16 October 1937)রবীন্দ্রনাথ এর উত্তরে কি বললেন? যেটা বললেন সেটা দেখে বোঝা যায় রবীন্দ্রনাথ কতখানি দূরদর্শী ছিলেন ধর্মনিরপেক্ষতা ও বহুত্ববাদ রক্ষার ব্যাপারে---To me the spirit of tenderness and devotion expressed in its first portion, the emphasis it gave to beautiful and beneficent aspects of our motherland made a special appeal, so much so that I found no difficulty in dissociating it from the rest of the poem and those portion of the book of which it is a part, with all the sentiments of which, brought up as I was in the monotheistic ideals of my father, I could have no sympathy (Rabindranath Tagore letter to J Nehru, President of Indian National Congress,, 26 0ctober 1937/ Rabindra Jeebanee, Prabhat Kumar Mukhopadhyay, Vol IV). রবীন্দ্রনাথ বন্দেমাতরম এর ভিতরের ছত্রগুলি বাতিল করার স্বপক্ষে টেনে নিয়ে এলেন তাঁর পিতার একেশ্বরবাদের প্রতি আসক্তির কথাগুলিও।শেষ মেষ ১৯৩৭ সালের কংগ্রেসের কলকাতার ওয়ার্কিং কমিটি ঠিক করে যে বন্দেমাতরম এর প্রথম দুই স্টাঞ্জাই জনসমাবেশে গাওয়া হবে, যার মধ্যে বিরক্তিকর কোনও অংশ নেই। এমন কি এই গান না গাওয়ার ক্ষেত্রে ছুট দেওয়া হয়, এমন কি অন্য কোন আপত্তিকর গান না গাওয়ার (বন্দেমাতরম এর পরিবর্তে) স্বাধীনতা দেওয়া হয়। প্রাবন্ধিক এ জি নুরানি, ফ্রন্টলাইন ম্যাগাজিনের ১৯৯৯ সালের জানুয়ারির প্রথম সংস্করনে লেখেন-- Taking all things into consideration, therefore the committee recommended, that wherever Vande mataram is sung at National gatherings, only the first two stanzas should be sung,with perfect freedom to organisers to sing any other song of an unobjectionable character in addition to or in the place of Vande mataram song.( Quoted from the article, why Muslims reject Vande Mataram, written by A. Faizur Rehman in HT Image, Aug 30 2006).কংগ্রেসের এতো ছাড়ও কোনও কাজে এলো না। জিন্না ১৯৩৮ -এর মার্চে একটি চিঠিতে নেহেরুকে বললেন, Pandit Jawaharlal Nehru cannot be unaware that Muslims all over have refused to accept the Vande mataram or any expunged edition of the anti Muslim song as a binding national anthem(M A Jinnah, letter to J Nehru 17, March 1938, P.P Documents, page 361). বন্দেমাতরম নিয়ে যে উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল, তার প্রশমনের জন্য, ১৯৩৯ এর জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্কিং কমিটি মিটিং ওয়ার্ধাতে গান্ধী লেখেন, .......in the present state of things, in local board and Assembly meetings which their members (are) obliged to attend the singing of Vande mataram should be discontinued. (Vande Mataram, the Biography of a song, page 40)দেশ স্বাধীন হয়েছে। গান্ধীজি খুন হয়েছেন। কিন্তু বন্দেমাতরম নিয়ে বিতর্ক এখনও শেষ হয়নি। স্বাধীনোত্তর কালেও যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি অংশের মধ্যে যে ক্ষোভ এখনও বিরাজমান, সেই বিষয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পোর্টালে ১৭ জুলাই ২০১৭ সংখ্যায় A history of the origin of the Vande mataram and Its journey thereafter নিবন্ধে রাধিকা আয়েঙ্গার লিখছেন, --- In 2006 General Secretary of Jamiat ulema Hind (important Islamic organisation in India) Maulana Mahmud Madani said, No Muslim can sing Vande mataram, if he consider himself to be a true believer তারপরে আরও জানালেন, Then in 2009 Muslim clerics issued fatwa against the singing of Vande mataram in Deoband! স্বাধীন ভারতে বন্দেমাতরম কতখানিক ক্ষোভ এক শ্রেনীর নাগরিক এর মাঝে তৈরি করেছে তা ২৭ শে জুলাই ২০১৭ এর মৃত্যুঞ্জয় বোসের লেখা ইংরেজি দৈনিক ডেকান হেরাল্ড এর Shot me, but still wont sing Vande mataram, says Muslim leader নিবন্ধে দেখা যায়। তিনি লিখছেন, The issue of singing Vande mataram sparked off a big political contriversy in Maharashtra with two legislators -- Abu Asim Azim of Samajwadi party and Waris Pathan of Owasi brothers led All India Majlis e Ittehedul Muslimeen saying that it can not be forced on other to prove the sense of nationalism.সাহিত্যের জন্ম হয় সময়ের গর্ভ থেকে। তা সে পাস্তারনেকের ডঃজিভাগো হোক, বা ফায়েজের আজ বাজার মে পা বা যাওলা চলো অথবা বংকিমচন্দ্রের আনন্দমঠ থেকে উঠে আসা বন্দেমাতরম। সময়ের প্রেক্ষাপটে বিচার না করলে সৃষ্টির প্রতি অন্যায় করা হয়। ঐতিহাসিক তনিকা সরকার তাঁর গ্রন্থ Birth of Goddess, Vande mataram, Ananda math and Hindu nationhood.-এ এই সময়ের উল্লেখ করেছেন যখন পুতুল নবাবদের পিছন থেকে চালাচ্ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোং। কোম্পানি রাজস্ব আদায় করতে গিয়ে দরিদ্র প্রজাদের রক্ত চোষা শুরু করেছিল। যে কোনও ভাবে রাজস্ব বৃদ্ধিই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। অত্যাচার এতটাই ভয়ংকর ছিল যে তার সাথে আসা ক্রমান্বয়িক খরা চরম দুর্ভিক্ষের জন্ম দেয়। বাংলার এক তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যান। তিনি আর ও বলেন, আনন্দমঠ উপন্যাসে দেখানো হয়েছে, কিভাবে এই দুর্যোগ দরিদ্র সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু কৃষক আর মুসলিম নবাবদের সংঘাতে পরিনত হয়--The Nawabs responsible not just for wide spread death and starvation, but also for a deliberate total destruction of Hindus, of their honour, faith, caste and women. In other words it forces a split between the agents and victim of the famine, the agents are Muslims and the striving and dying people are already identified as Hindus. (collected from the article A history of the origins of Vandemataram and Its journey thereafter written by Radhika Iyenger July 27, 2017 in the Indian Express portal)।বন্দেমাতরম এ যে পৌত্তলিকতার কথা বলা হয়, বঙ্কিমচন্দ্র কি আদতে পৌত্তলিকতার পক্ষে ছিলেন? ১৮৭৪ এ তিনি মূর্তি উপাসনা বিষয়ে একটি নিবন্ধ লেখেন----If an object which I see is made of stone or earth attracts our devotion, why can one give the same devotion to a being unseen but all- pervading in the universe?.. Idolatry is anti science. Whenever idolatry prevails, knowledge does not advance [Bankim Chandra, বঙ্গে দেব পূজা (Deity worship in Bengal), 1281 BS or AD 1874, In বঙ্কিম রচনাবলী, কলকাতা, সাহিত্য সংসদ, ১৯৫৬, ভলুউম ২, পৃষ্ঠা ৮৯৩-৮৯৬] আবার সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য তার বন্দেমাতরম, দ্য বায়োগ্রাফি অফ আ সঙ্গ গ্রন্থে ৮৩ পাতায় বলেছেন, ---while most readers naturally look upon it as the poetic representation of the country, it has also been represented as a Comtist hymn, an anti theocratic ode of nationalism free from the cult of Gods, an outcome of chatterjis patriotic doctrine of the country as the object of worship... Integrally associated with his Comtist religion .বঙ্কিমচন্দ্র এর উপর ফরাসী দার্শনিক অগস্ত ক্যঁতের প্রভাব ছিলো যথেষ্ট। অগস্ত ক্যঁতে পজিটিভিজম তত্ত্বের জনক। উইকিপিডিয়া বলছে, পজিটিভিজম হলো-- Positivism is an empirical philosophical theory that holds that all genuine knowledge is either true by definition or a positive---- meaning a posteriori facts derived by reason and logic from sensory experience. Other ways of knowing, such as theology, metaphysics, intuition or introspection are rejected or considered meaningless সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য তার উপোরক্ত গ্রন্থে (৮৫ পৃষ্ঠাতে) বলেছেন, Auguste Comte had said that for a system to rise and generally accepted it must be...in agreement with our nature and far from unfavourable to our progress. Bankim quoted this and argued that religion and Its reform must be in agreement with the nature and culture of the people. It is almost certain that this conviction influenced the discursive tone of Anandamath and the admixture of a patriotic message with religious symbolism in the expanded version of Vandemataram in 1881-82.বন্দেমাতরম কতখানি সাম্প্রদায়িক বা পৌত্তলিকতার পক্ষে এটা বিতর্কের বিষয়। তবে কাউকে জোর করে কোনও সামাজিক বা রাজনৈতিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ করা যায় না। ঠিক ও নয়। তা সে ফায়েজের বামপন্থাই হোক বা বঙ্কিমচন্দ্রের জাতীয়তাবাদই হোক। তবে এত বিতর্ক, আপত্তি, ক্ষোভের পরও পাস্তারনেক, ফায়েজ, বঙ্কিমচন্দ্ররা বেঁচে থাকবেন। পাস্তারনেক নোবেল পাবেন, ফায়েজ লেনিন অর্ডার ফর পিস পাবেন। আর বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে ২৫০০০ শ্রোতা ভোট দিয়ে বলে দেবেন বন্দেমাতরম ভারতের দুটো জনপ্রিয় সঙ্গীতের মধ্যে একটি (Indian Express 22 December 2002)! মহামান্য মাদ্রাজ হাইকোর্ট ২০১৭ এর জুলাই মাসে রুলিং জারি করেন এই মর্মে যে তামিলনাড়ুর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলিতে সপ্তাহে একদিন অন্তত বন্দেমাতরম গাইতে বলবেন। বন্দেমাতরম-- দেশ মাতাকে প্রনাম।।। সমাপ্ত ।।সুকোমল কান্তি দাশ(লেখক একজন সরকারি আধিকারিক। পড়াশুনা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে-- যথাক্রমে ইতিহাস, সাংবাদিকতা ও আইন নিয়ে।)

জুলাই ০৭, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অভুতপুর্ব সাড়া

রবিবার শিলিগুড়ির জলপাই মোড় থেকে শুরু করে পানিটাঙ্কি মোড় অবধি এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ জানাই বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই মহা মিছিলের আয়োজন। এই মিছিলে বাংলা পক্ষর বিভিন্ন জেলার সদস্যরা যোগ দেন। বাংলা পক্ষ-র তরফে তাঁদের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, প্রায় এক হাজারেরও বেশি সহযোদ্ধা এই মিছিলে পা মেলান। তিনি আরও জানান, এই মহামিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত এবং এই দীর্ঘ মিছিলে রাস্তার দুইপাশে উৎসুক বাঙালিদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বাঙ্গালী ও বাংলা প্রেমী মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে যোগ দেন।মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দোপাধ্যায়, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষ শিলিগুড়ি জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়, বাংলা পক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক অভিষেক মিত্র মজুমদার, বাংলা পক্ষর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ , বাংলা পক্ষর কোচবিহার নেতৃত্ব প্রশান্ত নাথ ও হাশিফুল হোসেন, প্রমুখ।মিছিল থেকে তাঁরা দাবী তোলেন- বাংলা ভাগ হবেনা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে দুটি এইমস-র (AIIMS) দাবী তোলেন। তাঁরা বলেন, যেখানে বিহারে দুটো এইমস হতে পারে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে একটি কেন? তাঁদের দাবী জলপাইগুড়ি অথবা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় এইমস। এছাড়াও তারা বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের রেল ব্যবস্থার উন্নতি-র দাবী করে আসছেন। কয়েকদিন আগেই এর প্রতিবাদে জন্য শিয়ালদহ তে ডিআরএম অফিসে ধর্না দেন। তাঁদের দাবী এনজেপিকে হাব করে কোচবিহার ও মালদা অবধি বিস্তৃত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক চালু করা হয়।তাঁরা বেআইনী অনুপ্রবেশের বিরিদ্ধেও সরব হয়েছেন। তাঁরা অনুপ্রবেশ রুখতে নেপাল সীমান্ত সিল করার আবেদন জানান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং সেখানে সশস্ত্র সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন করার দাবী তোলেন।

জুলাই ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আবৃত্তি শিল্পী সংস্থা'-র আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে ব্যাপক সাড়া

২৮ শে জুন মঙ্গলবার রবীন্দ্রসদনে আবৃত্তি শিল্পী সংস্থা আয়োজিত আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হল। আবৃত্তি নিয়েই আবৃত্তিশিল্পী সংস্থার পথ চলা চুরু ২০১৫ সালে। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বিশাল ভাবনা চিন্তার চাষ শুরু হয়েছিল বহু আগে থেকেই আগে। সারা বিশ্ব যখন আতিমারির কবলে আটকে পড়েছিল সেই সময় আবৃত্তিশিল্পী সংস্থা অনলাইনের মাধ্যমে শুরু করেছিল আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। ভারত তথা বিশ্বের বহুপ্রান্তীয় সংস্কৃতিমনস্ক মানুষ এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল। সংখ্যাটা ছিল ৪১৬৪ জন। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকেও বহু প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল। বিভিন্ন পর্যায়ের শেষে গত ২৮ জুন চূড়ান্ত পর্বে ছিলেন তিনটে বিভাগে মোট ১৯ জন প্রতিযোগী।এদিন চূড়ান্ত পর্বের বিচারকের আসন অলংকৃত করেছিলেন স্বনামধন্য বাচিক শিল্পী প্রণতি ঠাকুর, রত্না মিত্র, সুকুমার ঘোষ। উদ্বোধন করা হয় গাছে জল সিঞ্চন এবং কবিগুরুর বিভিন্ন কথার মালা গাঁথা হয় গাছটিতে। উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি শিল্পী সংস্থার সভাপতি সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, সহ সভাপতি মধুমিতা বসু, কর্ণধার জয়ন্ত ঘোষ এবং বিচারকরা। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই মেন্টরদের সংবর্ধনা দেওয়া হয। এছাড়াও যে সমস্ত প্রতিযোগী সেমিফাইনালে উঠেছিলেন তাঁদেরকেও সংবর্ধিত করা হয়। কবি দিধিতি চক্রবর্তী এবং কবি মনীষা যুগ্ম সম্পাদনায় আবৃত্তি শিল্পী সংস্থার নিজস্ব পত্রিকা কন্ঠকথার তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগ ছিল ক-খ-গ, ক বিভাগে প্রথম হয় তৃষিত চক্রবর্তী (চিত্তরঞ্জন), দ্বিতীয়- পরিযায়ী চ্যাটার্জী (পুরুলিয়া), তৃতীয় - প্রমীতি পন্ডা ( পাটুলী)। খ বিভাগে প্রথম হয় সৃজা রায় ( পুরুলিয়া), দ্বিতীয় - শ্রীপর্ণা সিং (মুর্শিদাবাদ), এবং তৃতীয় -সোমশ্রী দেব ( হুগলি)। গ বিভাগ প্রথম- রীতি সেন(দক্ষিণ দিনাজপুর), দ্বিতীয়- স্বাগতা মির্জা (মুর্শিদাবাদ), তৃতীয়- সুশ্বেতা চক্রবর্তী ( উত্তর ২৪ পরগণা)। অনুষ্ঠানের শেষে সমস্ত প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।এইদিন সংস্থার নিজস্ব প্রযোজনা ছিল শতাধিক শিল্পীর কন্ঠে হে মোর চিত্ত পূণ্যতীর্থ কবিতাটি। দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইন থেকে শুরু করে অফলাইনে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের আবৃত্তি প্রতিযোগিতা এবং তার গ্রান্ড ফিনালে - এই ভাবনা বাস্তবায়িত হয়েছে জয়ন্ত ঘোষের তত্বাবধানে।

জুন ৩০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

এনআইএ আদালতে বিস্ফোরক দাবি! শাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার গুলি, জামিন চাইলেন প্রাক্তন সাংসদের স্বামী

রামনবমী সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী শাকির আলিকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। শুনানির সময় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে, এই ঘটনায় শাকির আলি অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। যদিও আদালতে দাঁড়িয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি এবং যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানান।আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, রামনবমীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের উপর হামলা চালানো হয় এবং তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনায় শাকির আলি উস্কানির ভূমিকা পালন করেছিলেন। তদন্তকারীদের আরও দাবি, তাঁর বাড়ি থেকে ছত্রিশ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।তবে শুনানির সময় বিচারক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, দুই হাজার তেইশ সালে শুরু হওয়া মামলায় এতদিন পর কেন গ্রেপ্তার করা হল শাকির আলিকে। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, এতদিন পরে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কী।এর জবাবে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, আগে এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় পদক্ষেপ করা যায়নি। বর্তমানে তদন্তের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে আরও জানান, বিভিন্ন রাস্তা এবং বাড়ির নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযোগ, শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি, অথচ আশপাশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর সেই গাড়িতেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে তদন্তকারীদের দাবি। আরও অভিযোগ, পরে ওই গাড়ি বিক্রিও করে দেওয়া হয়।অন্যদিকে শাকির আলির আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল এই মামলায় এর আগেও দুবার তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়। শাকির আলিও আদালতে বলেন, যাঁরা শোভাযাত্রা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ যাঁরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মামলার অন্য অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত।শাকির আলি আদালতে জানান, তাঁর নামে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল। পরে সেই অস্ত্র বিক্রি করে দিলেও গুলি বিক্রি করা যায় না। পাশাপাশি তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও আদালতের নজরে আনেন। তাঁর দাবি, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং ক্যানসারের আশঙ্কায় চিকিৎসাধীন। সেই কারণেই যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন জানান।এই মামলায় শাকির আলিকে দুই দিনের জন্য তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলেও জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! আগাম জামিন খারিজের পর গ্রেপ্তার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী

রাজ্য রাজনীতিতে ফের বড় চাঞ্চল্য। বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন দেবরাজ। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপরই তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।দেবরাজ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। যুব তৃণমূলের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু হলেও পরে দলীয় টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধাননগর পুরনিগমের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জয়ও পান। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিও পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হন।বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের আগে বিপুল মূল্যের সম্পত্তি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তির প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু হয়।গ্রেপ্তার এড়াতে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত চার মাসের শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতি মুন্সিকে আগাম জামিন দিলেও তাঁর বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পাশাপাশি পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাগুইআটি থানা এলাকায় প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।অন্যদিকে দেবরাজ চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, মামলার তদন্তে এই গ্রেপ্তার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলকে! আগাম জামিন খারিজ, এবার কি গ্রেপ্তার?

অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা। ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানির পর বিচারক আবেদন নাকচ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আইনজীবীদের একাংশের মতে, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা নেই। ফলে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনের।তবে এখানেই আইনি লড়াই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তার আগেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর। অভিযোগ, বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয়। অভিযোগ, একশোটি ট্রাক্টরে করে সেই ইট নিয়ে যাওয়া হয়।ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল অভিযোগ করেন, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের নামও উঠে আসে। অভিযোগে তাঁকে এই ঘটনার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও সেই সময় পুলিশের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর পুরনো একাধিক মামলার তদন্তে গতি এসেছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় মামলাটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এখন সকলের নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং উচ্চ আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ের দিকে।

জুলাই ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সিএবি-তে বড় বিতর্ক! প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, পাল্টা ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব পঙ্কজ-পুত্রের

ভুয়ো ক্লাবের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে অ্যাপেক্স কাউন্সিলে আবেদন; সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি প্রাক্তন ক্রিকেটারের।বাংলা ক্রিকেটে ফের নতুন বিতর্ক। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কিংবদন্তি পঙ্কজ রায়ের পুত্র প্রণব রায়। তাঁর বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর অ্যাপেক্স কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন শ্যামল দাস নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, একটি অস্তিত্বহীন বা ভুয়ো ক্লাবের নামে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে, যার অন্যতম সহায়ক ছিলেন প্রণব রায়।তবে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর কথায়, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে।কী অভিযোগ উঠেছে?সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ পাতার অভিযোগপত্রে গত বছরের সিএবি ওম্বুডসম্যানের একটি নির্দেশিকার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মোহনলাল ক্লাব-র একটি কলকাতার বাগবাজারের ঠিকানার পাশাপাশি গৌরীবাড়ি এলাকার একই নামে একটি অস্তিত্বহীন সংস্থার কথাও উল্লেখ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ওই ক্লাবের নামে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই আর্থিক লেনদেনের একাধিক চেকে প্রণব রায়ের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অভিযোগপত্রে সেই চেক নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর দাবিপ্রণব রায়কে অবিলম্বে সিএবি-র সমস্ত কমিটি থেকে অপসারণ করতে হবে।তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অডিটের নির্দেশ দিতে হবে।আত্মসাৎ হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করতে হবে।গোটা ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হোক।অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন প্রণব রায়অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমার ব্যক্তিগত সম্মান ও পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন, তিনি মোহনলাল ক্লাবের কেবলমাত্র একজন সাধারণ সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সময়কালে ক্লাবের কোনও প্রশাসনিক পদে তিনি ছিলেন না। ফলে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।প্রণব রায়ের বক্তব্য, অভিযোগের বেশ কিছু বিষয় ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন। সেই কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি জানাবেন।নজরে সিএবিক্রীড়া মহলের ধারণা, নতুন এই অভিযোগ সামনে আসার পর ফের চাপে পড়তে পারে সিএবি প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে অ্যাপেক্স কাউন্সিল কী পদক্ষেপ করে, আদৌ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় কি না, কিংবা অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী অডিট বা এফআইআর-এর পথে হাঁটে কি না এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট মহলের।অন্যদিকে, প্রণব রায়ের স্পষ্ট দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও জটিল মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে ক্রিকেটমহল।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার জন্য নতুন ধাক্কা? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ডাকে ঋতব্রত, জোর জল্পনা রাজনীতিতে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের বড় মোড়। তৃণমূলের ভাঙনের আবহে এবার দিল্লি থেকে তলব করা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আলাদা ব্লক গঠন করেন। সেই ব্লকের নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। নতুন ব্লকের দাবি, তারাই প্রকৃত তৃণমূল এবং দলীয় প্রতীকের অধিকারও তাদের প্রাপ্য।এই দাবিকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে নতুন ব্লক। প্রতীক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন।এরপর নতুন ব্লকের কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সন্দীপন সাহা এবং জাভেদ খানের মতো নেতাদেরও রাখা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়।এরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি আরও নয়জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হবেন। এই বৈঠকের পর প্রতীক এবং দলীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal