• ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest

রাজ্য

"আরজিকরে কি হয়েছে জানেন তো?", ভাতারে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে হুমকি দিয়ে গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার

আরজিকর মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস ভাবে খুনের ঘটনায় তোলপাড়। রাজ্যজুড়ে চলছে প্রতিবাদ। তারই মাঝে এবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালের ঘটনায় আরেক হুমকির ঘটনা। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্তব্যরত এক মহিলা ডাক্তারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মদ্যপ অবস্থায় থাকা এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে শনিবার ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়ায় ভাতার হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে। ভাতার থানায় চলে বিক্ষোভ। দাবি করা হয় অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেপ্তারের। তাতে জেলার উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক(২) সূবর্ণ গোস্বামী, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সংঘমিত্রা ভৌমিক এবং মহিলা চিকিৎসকও বিক্ষোভে সামিল ছিলেন। এর পরেই অভিযুক্ত ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার আমন দীপ জানান,অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার সুশান্ত রায়কে ভাতার থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাঁকে রবিবারর বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে ।সূত্রের খবর, কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে হুমকি দেওয়ায় ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাত প্রায় ২-১৫ নাগাদ। ওইসময় হাসপাতালে কর্তব্যরত ছিলেন শিশু বিশেষজ্ঞ সুতপা নস্কর। ওইদিন বিকেল থেকেই বর্ধমান কাটোয়া সড়কে পুন্যার্থীদের প্রচুর ভিড় ছিল। কাটোয়া থেকে গঙ্গাজল নিয়ে হাজার হাজার পুন্যার্থী বর্ধমানেশ্বর মন্দিরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। প্রচুর বাইক ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছিল। ওই রাতে ভাতার এলাকায় একাধিক দুর্ঘটনাও ঘটে। তখন সেইসব দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীদের নিয়ে নাস্তানাবুদ হচ্ছিলেন হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ডাক্তার সুতপা নস্করের বক্তব্য়,রাতে তখন হাসপাতালে দুর্ঘটনাগ্রস্থ রোগীদের ভিড় ছিল। তাদের নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তখন সুশান্ত রায় নামে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার হাসপাতালে আসেন। পেটে অস্বস্তি ও মাথা ঘুরছিল বলে তিনি জানান। আমি ওই ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলাম। তবুও ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার আমার সাথে চুড়ান্ত দুর্ব্যবহার করতে থাকেন। তাঁর অভিযোগ, আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন,আর জি করে কি হয়েছে জানেন তো?জেলার উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক(২) সূবর্ণ গোস্বামী বলেন. আরজিকরে কি হয়েছে আমরা সবাই জানি। ওই ঘটনা নিয়ে সারা দেশ উত্তাল। বিভিন্ন রাজ্যে চিকিৎসকরা এই ঘটনার প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন। এই আবহে ভাতারে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার মদ্যপবস্থায় আমাদের এক মহিলা চিকিৎসকের উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেছে। ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

আগস্ট ১০, ২০২৪
রাজ্য

এবার জঙ্গি-যোগ পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের যুবকের, চেন্নাই থেকে গ্রেফতার এসটিএফের

পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার পানাগড় ও নদীয়ার নবদ্বীপ থানার মায়াপুর মোল্লাপাড়া থেকে জঙ্গি যোগে গ্রেফতারের পর চেন্নাই থেকে এদের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে আরেকজনকে গ্রেফতার করল এসটিএফ। মঙ্গলকোটের ভালুক গ্রামের বাসিন্দা শেখ আনোয়ারকে বেঙ্গল এসটিএফ-এর দল খবর পেয়ে চেন্নাই থেকে গ্রেপ্তার করে আনা হয় দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে। দুর্গাপুর মহকুমা আদালত এই জঙ্গিকে ১৪ দিনের এসটিএফ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। সূত্র মারফত জানা যায়, ৪ বছর ধরে এই নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ ছিল তার। শেখ আনোয়ার কর্মসূত্রে চেন্নাইয়ে একটি লন্ড্রিতে কাজ করতো। আর জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেই কাঁকসার পানাগড় ও নবদ্বীপ থেকে যে দুজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ তাদেরকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে পর চেন্নাইয়ে শেখ আনোয়ারের খোঁজ পায়। বেঙ্গল এসটিএফ-এর একটি দল শেখ আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করে দুর্গাপুরে নিয়ে আসে এবং আনোয়ারকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্তের গতি আরও বাড়িয়ে নিয়ে যেতে চায় এসটিএফ। এই নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে শেখ আনোয়ার যুক্ত হয়ে কি কাজ করত সেটাও জানার চেষ্টা করছে এসটিএফ।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেক-র বাড়ি ও অফিস রেইকি করার অভিযোগে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত

বাণিজ্যনগরী মুম্বই থেকে রাজারাম রেগি নামে এক ব্যক্তিকে সোমবার গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। কলকাতায় এসে এই রাজারাম রেগি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও অফিসের সামনে রেইকি করেছেন বলে খবর পুলিশ সূত্রে। জানা গিয়েছে, এই রাজারাম রেগি কলকাতায় এসে কয়েকদিন ছিলেন। তিনি শেক্সপিয়র সরণি থানা এলাকার একটি হোটেলে রুম বুক করেছিলেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। এরপর তিনি অভিষেকের বাড়ি ও অফিসের সামনের এলাকার রেইকি করেছিলেন বলেও খবর মিলেছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
দেশ

বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে বাংলা থেকে ধৃত দুই, মুখ খুললেন মমতা

বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে দুই অভিযুক্তকে নিউ দিঘার পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে এনআইএ গ্রেফতার করেছে। বাংলা থেকে জঙ্গি সন্দেহে দুজন গ্রেফতার হওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করে ময়দানে বিরোধীরা। শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করে সোচ্চার শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, বিকাশ ভট্টাচার্যেরা। এবার এই ইস্যুতেই মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে দুই সন্দেহভাজনকে কাঁথি থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। যদিও কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গেই এদিন যৌথ অপারেশন ছিল রাজ্য পুলিশও। এবিষয়ে শুক্রবার দিনহাটার নির্বাচনী সভা থেকে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বেঙ্গালুরুতে একটা বোমা ফেটেছিল। তারা কর্নাটকের বাসিন্দা। বাংলায় লুকিয়েছিল। ২ ঘণ্টার মধ্যে ধরে দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। আবার বলছে বাংলা সেফ নয়। দিল্লি-উত্তর প্রদেশ সেফ? রাজস্থান, গুজরাত সেফ? বাংলার মানুষ শান্তিতে থাকুক বিজেপি এটা চায় না।উল্লেখ্য, বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই সন্দেহভাজনকে কাঁথি থেকে গ্রেফতার করেছে NIA। বিভিন্ন সূত্র মারফত গত কয়েকদিন ধরে খবর পৌঁছেছিল তদন্তকারীদের কাছে। শেষমেশ অতর্কিতে অভিযান চালিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের সৈকতনগরী থেকে দুই সন্দেহভাজনকে NIA গ্রেফতার করেছে।দুজনকে ধরে দিতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল NIA-এর তরফে। এদিনের এই অভিযানে NIA-এর সঙ্গেই ছিল রাজ্য পুলিশও। যৌথভাবে এই অপারেশন চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের তরফে।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
দেশ

বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের ঘটনায় কাঁথি থেকে দুজনকে গ্রেফতার এনআইএ-র

বেঙ্গালুরু রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণের ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেল এনআইএ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহের দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল এনআইএ। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আব্দুল মতিন এবং মুসাভির হোসেনকে। গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর একটি ক্যাফেতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কর্ণাটকের ১৮ টি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালায় এনআইএ। এই ঘটনার সঙ্গে বড় কোনও জঙ্গি দলের সম্পর্ক রয়েছে বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।মূল অভিযুক্ত মুজ়াম্মিল শরিফকে ঘটনার ২৭ দিন পর পুলিশ গ্রেফতার করলেও, আরও দুই অভিযুক্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
কলকাতা

সোশাল মিডিয়ায় যুবতীর ছবি পোস্ট, সেক্টর ফাইভের অফিস থেকে যুবক গ্রেফতার

আইটি কর্মীর নামে ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট খুলে অশ্লীল ছবি পোস্টের অভিযোগ। আইটি কর্মী যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এর একটি আইটি সংস্থায় কাজ করতেন এক যুবতী। কিছু বছর আগে এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। সেই যুবকও তার সঙ্গে একই অফিসে কাজ করতে বলে পুলিশকে জানান তিনি। এরপরই তার সাথে একই জায়গায় থাকতে শুরু করে তারা। কেষ্টপুর এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তারা বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এরপরেই যুবতীর সঙ্গে যুবকের সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তার কিছুদিন পরে যুবতী জানতে পারে এই যুবতীর নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট তৈরি করে কেউ বা কারা তার কিছু গোপনীয় ছবি প্রকাশ করছে। ঘটনা তদন্ত শুরু করে পুলিশ লোকেশন ট্র্যাক করে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এর একটি অফিসে হানা দিয়ে বিহারের বাসিন্দা সুভাষ বলে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। আজ তাকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতের নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কি কারনে এই ধরনের ঘটনা তিনি ঘটিয়েছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
দেশ

কেজরীওয়াল: টেক্কা না পুট?

রাজনীতির পন্ডিতরা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নাকি ইন্দিরা গান্ধীর রাজনীতি থেকে পাঠ নিয়েছেন। তাই তাঁর নিশানায় সদা সর্বদা জহরলাল নেহরু থাকলেও কন্যা ইন্দিরা অনুপস্থিত। এই চর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের গ্রেফতারি। পন্ডিতদের অনেকে বলছেন, অরবিন্দ কেজরীওয়ালকে গ্রেফতার করে বিজেপি সরকার বোধহয় চরন সিং য়ের মতো ভুল করে ফেলল। ইমার্জেন্সী কালো দিন পেরিয়ে ১৯৭৫ সালে লোকসভা নির্বাচন হয়। জরুরি অবস্থার টাটকা স্মৃতি ইন্দিরার সিংহাসন টলিয়ে দেয়। কেন্দ্রে প্রথম ক্ষমতায় বসে অ-কংগ্ৰেসী সরকার। জনতা সরকার দিল্লির কুর্সি তে বসার কিছুদিন পরেই চরন সিং য়ের নির্দেশে দুর্নীতির অভিযোগে ইন্দিরা কে গ্রেফতার করে সিবিআই। পড়ে পাওয়া সুযোগ হাতছাড়া করেননি নেহরু কন্যা। এই ঘটনা কে সহানুভূতির হাওয়ায় পরিনত করেন ইন্দিরা গান্ধী। যার ফল হাতে নাতে মেলে কয়েক মাস পরে চিকমাগালু কেন্দ্রের উপনির্বাচনে। জনতা দলের প্রার্থী George Fernandes কে হারিয়ে উপনির্বাচনে জেতেন ইন্দিরা। আর ওই সহানুভূতির বিন্দু থেকেই ঘুরতে শুরু করে দেশের রাজনীতির হাওয়া। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের মুখে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের গ্রেফতারিতে অনেকে ওই রাজনৈতিক অতীতের ছায়া দেখছেন। লোকসভা ভোটের আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কে গ্রেফতার করে নিশ্চয়ই বড় লাভের আশাই করছে বিজেপি। তাই আপের কর্মী সমর্থকদের রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, বিক্ষোভকে বিশেষ আমল দিতে চাইছেনা গেরুয়া শিবির। যদিও সমাজ মাধ্যমে কেজরীওয়ালের সমর্থনে হাওয়া জোরালো হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল বোধহয়। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অন্না হাজারের আন্দোলন মনমোহন সিং সরকারের ভিত দুর্বল করে দিয়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রথম সারির সৈনিক ছিলেন কেজরীওয়াল। রাজস্ব দপ্তরের উচ্চপদের চাকরি ছেড়ে রাজনৈতিক দল গড়েন তিনি। শুরু থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই নতুন দল আপের প্রধান ঘোষিত লক্ষ। গত দশ বছরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইমেজকে আরো শাণিত করেছেন কেজরীওয়াল। কেজরীর এই ইমেজকেই বিদ্ধ করতে চাইছে বিজেপি। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কে গ্ৰেপ্তারের সিদ্ধান্ত চটজলদি নেওয়া হয়েছে বলে মনে হয় না। একবছর আগে যখন আবগারি দুর্নীতি মামলায় তাঁর ডেপুটি মনীশ সিসৌধিয়া কে গ্রেফতারি করা হয়েছিলো তখন থেকেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কে ঘিরে ফাঁদ ছোট করে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কেজরীওয়ালের বিরুদ্ধে আদালতে ইডির অভিযোগের দিকে চোখ রাখলেই তা পরিষ্কার হয়ে যায়। আদালতে ইডির দাবি আবগারি দুর্নীতির মূল চক্রান্তকারী হলেন কেজরীওয়াল। এই দুর্নীতি তে পাওয়া অর্থ গোয়া নির্বাচনে ব্যবহার করেছে আপ। দক্ষিণ ভারতীয় মদ ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতেই আবগারি নীতি তে পরিবর্তন করা হয়েছিল।আর এই সুবিধার বিনিময়ে ঘুষ নেওয়া হয়েছিল। ইডির আবগারি হাওয়ালার মাধ্যমে ঘুষের টাকা লেনদেন হয়েছিল। অর্থাৎ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের যে USP তৈরি করে ছিলো কেজরীওয়াল তার মুখটা তার দিকে ই ঘুরিয়ে দাও। মনীশ সিসৌধিয়া সঞ্জয় সিং, সত্যেন্দ্র জৈন কে আগেই গ্রেফতার করেছে ইডি। এবার কেজরীওয়াল গ্রেফতার হওয়ায় আপের শীর্ষ নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে শুন্যতা। এরা লোকসভায় প্রচারে না থাকায় দিল্লির তিন চারটি লোকসভা আসনে বিজেপি সুবিধা পেতে পারে। এবারে কংগ্রেস এবং আপের মধ্যে নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে। ফলে বাকি আসন গুলোয়ে নিশ্চিত নয় বিজেপি। ২০১৪ এবং ২০১৯ য়ের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির সাতটি আসনেই বিজেপি জিতেছিল এবার সেখানে প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেওয়ার কারণেই কি ভোটের মুখে গ্রেফতার? নাকি এর পিছনে আরো বড় কোনো কারণ রয়েছে? এই মুহূর্তে সর্বভারতীয় স্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তার কাছাকাছি কোনো নেতা বা নেত্রী নেই। অনেকেই মনে করছেন শুধু মাত্র ২০২৪ য়ের নির্বাচনে আসন বাড়ানোর জন্য ই কেজরীওয়ালকে নিশানা করা হয়নি। কেজরিওয়ালের গুরুত্ব অন্য জায়গায়। আপাতদৃষ্টিতে কেজরিওয়াল জাদু রয়েছে দিল্লি এবং পাঞ্জাবে। তার মধ্যে দিল্লি রাজ্য হয়েও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল। কিন্তু দেশের রাজধানী হওয়ায় দিল্লি সবসময় ই দেশ বিদেশের নজরে রয়েছে। এর পাশাপাশি, কেজরিওয়াল নরম হিন্দুত্বের সঙ্গে তার নতুন চলনের রাজনীতির মিশেল ঘটিয়েছেন। যে রাজনীতি ডান-বাম কোনো আদর্শের কথা বলে না। শুধু বলে জনতার জন্য কাজ। শুধু মুখে নয় এই লক্ষ্যে বিদ্যুৎ, জল, স্কুল শিক্ষা এবং মহল্লা ক্লিনিকের মাধ্যমে দিল্লিবাসীর মন জয় করেছেন।এই কেজরীওয়াল মডেল এখন দেশ বিদেশে অনেকের নজর কেড়েছে। তারওপর কেজরীওয়ালের রাজনীতিতে পারিবারিক পরম্পরার কোনো বিষয় নেই। গন আন্দোলনের মঞ্চ থেকেই রাজনীতি কেজরীওয়ালের নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠা। আপ এখন আঞ্চলিকতার গন্ডি পেরিয়ে সর্বভারতীয় স্তরে ডানা ছড়াচ্ছে। এই কারণে ই কি কেজরীওয়ালের মধ্যে গোকুলে বাড়ার ভয় পাচ্ছে বিজেপি? অদূর ভবিষ্যতে কি কেজরিওয়াল নরেন্দ্র মোদীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির?তাই এই আগ বাড়িয়ে বড় চাল দেওয়া? এখন রাজনীতির মাঠে এই চাল ইস্কাবনের টেক্কা হয়ে দেখা দেবে নাকি লুডো খেলার দানে পুট হয়ে ঝরে পড়বে তার উত্তর দিতে পারবে ভবিষ্যৎ।

মার্চ ২৫, ২০২৪
রাজ্য

দিল্লি থেকে ট্রেনে হাওড়া এসে বাংলাদেশ, দেশে ফিরতেই লক্ষ লক্ষ টাকার নকল নোটসহ গ্রেফতার

বর্ডার পোস্ট রামনগর, দক্ষিণ বঙ্গ সীমান্তের ০৮ ব্যাটালিয়নের সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা, আন্তর্জাতিক সীমান্তে জাল ভারতীয় মুদ্রা পাচারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মুদ্রার ৩১০০ পিস আটক করেছে। একজন ভারতীয় ব্যবসায়ীর সাথে এই জাল ভারতীয় মুদ্রা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের চেষ্টা করার সময় কারেন্সি নোটগুলোকে হাতেনাতে আটক করা হয়। বিএসএফ-এর গোয়েন্দা বিভাগের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে, বর্ডার পোস্ট রামনগরের বিএসএফ জওয়ানরা ১৫,৫০,০০০/- (মূল্য ৫০০৩১০০ পিস) মূল্যের ভারতীয় জাল নোট উদ্ধার করে। যার মধ্যে নোট নম্বর 8FK-986918, নোট নম্বর 8FK-এর ৭৭৯ টি নোট রয়েছে। - 986916-এর ৭৮০ টি নোট, 8FK-986913-এর ৭৭৩ টি এবং 8FK-986933-এর ৭৬৮ টি নোট রয়েছে।বিএসএফ-এর মুখপাত্রের মতে, ০৮ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি রামনগরের সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা নিজেদের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে জাল ভারতীয় মুদ্রার সম্ভাব্য পাচার সম্পর্কে খবর পান। খবর পেয়ে সৈন্যরা একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং রামনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে একটি মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করে। গোয়েন্দা অধিদপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে একটি সন্দেহজনক অটোকে থামিয়ে তাতে বসা সমস্ত ব্যক্তিকে যথাযথভাবে চেক করা হয়, চেকিংয়ের সময় তাদের কাছে কিছু সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া যায় যার কারণে অটোটি এবং এতে বসা সকল ব্যক্তিকেও আটক করা হয়। সীমান্ত চৌকি রামনগরে আটক করা হয়। এটি তল্লাশির জন্য আনা হয় এবং মালপত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশির সময় মোহাম্মদ আলীর ব্যাগে সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া যায়, যা খুললে বিপুল পরিমাণ জাল ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার করা হয়। গণনার ভিত্তিতে তাদের সংখ্যা ৩১০০ পাওয়া গেছে। এরপর জাল ভারতীয় মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করে পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত পাচারকারী মোহাম্মদ আলী, পিতা- শেখ সামশুল হক, ঠিকানা- হযরত নিজামুদ্দিন, নয়াদিল্লি।জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ আলী জানায়, বাংলাদেশে কিছু অবৈধ কাজ করার জন্য বদরপুর (নয়া দিল্লি) থেকে অজ্ঞাত কয়েকজন তার সাথে যোগাযোগ করেছিল। যার জন্য সে রাজি হয়েছিল। তিনি ১৩.০৩.২০২৪ তারিখে ট্রেনে করে হাওড়া পৌঁছান এবং বনগাঁ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের যশোরে পৌঁছান। সেখানে তিনি শান্তি নামে এক বাংলাদেশী পাচারকারীর সাথে দেখা করেন যিনি তাকে ১৫,৫০,০০০/- টাকার জাল মুদ্রা দেন এবং ভারতে পৌঁছানোর পর আব্বাস নামে একজন ব্যক্তির কাছে চালানটি হস্তান্তর করতে বলেন।২০২৪ সালের ২১-২২ মার্চ মধ্যরাতে তিনি একটি অজানা এলাকা থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে উমরপুর, পিএস-হাঁসখালীতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির বাড়িতে থাকেন এবং সকালে চালানটি নিয়ে যাওয়ার সময় বিএসএফ তাকে নকল ভারতীয়সহ ধরে ফেলে। মুদ্রা ছাড়া একই অটো থেকে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন দালাল ও অটো চালককেও আটক করা হয়েছে।এ কে আর্য, বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের জনসংযোগ আধিকারিক, এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এটি তার সৈন্যদের এবং দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা বিভাগের সতর্কতার একটি ইঙ্গিত মাত্র। তিনি জনগণকে কোনও অবস্থাতেই চোরাচালানের পথ অবলম্বন না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কড়া ভাষায় বলেন, তার সৈন্যরা কোনও অবস্থাতেই সীমান্তে চোরাচালান বা অন্য কোনও ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে দেবে না এবং এর সঙ্গে জড়িতদের রেহাই দেবে না।

মার্চ ২৩, ২০২৪
দেশ

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের গ্রেফতারে ক্ষিপ্ত মমতা, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করবে ইন্ডিয়া জোট

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির প্রতিবাদে সোচ্চার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের টার্গেট করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারকে তুলোধনা করে এক্স হ্যান্ডলে সোচ্চার হয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা জানাই। আমার অটল সমর্থন ও সংহতি জানাতে আমি ব্যক্তিগতভাবে শ্রীমতি সুনিতা কেজরিওয়ালের সঙ্গে কথা বলেছি। এটা আপত্তিজনক যে নির্বাচিত বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরে CBI-ED তদন্তের অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অসদাচরণ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এটা গণতন্ত্রের ওপর নির্মম আঘাত। আমাদের INDIA জোট নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করবে।উল্লেখ্য, প্রায় ৬০০ কোএি টাকার আবগারি দুর্নীর মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। গ্রেফতারের আগে ৯ বার তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তবে ৯ বারই সমন এড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শেষমেশ দিল্লি হাইকোর্টে আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করেন কেজরি। যদিও উচ্চ আদালত তাঁর সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। এরপরেই গতকাল সন্ধ্যেয় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। আাদালত এদিন তাঁকে ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছে।

মার্চ ২২, ২০২৪
দেশ

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার

অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার, আবগারি দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিয়ালের বাড়িতে ইডি হানা দেয় ! ভর সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘিরে ফেলে দিল্লী পুলিশের বিশাল পুলিশ বাহিনী। এর আগে ৯ বার আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির সমন এড়ান আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লী হাইকোর্ট এর আগে তাঁকে রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে। তাঁর পরিপ্রেক্ষীতে বৃহস্পতিবার সুপ্রীম কোর্টে তার আগাম জামিনের আবেদন ও খারিজ হয়ে যায়। তার পরেই দিল্লী পুলিশের ডিজি কে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কেজরিয়ালের বাসভবনে সন্ধ্যায় হাজির ইডির আধিকারিকরা।কেজরিয়াল -ই ভারতের ইতিহাসে প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, যিনি পদে থাকাকালীন গ্রেফতার হলেন। কিছুদিন আগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও গ্রেফতার করে ইডি। সেক্ষেত্রে গ্রেফতারির আগে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সোরেন। মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির পর-পরই তাঁর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আপ কর্মী-সমর্থকেরা। গোটা দিলী জুড়েই প্রতিবাদ শুরু করেন আপ সমর্থকেরা। বাজেয়াপ্ত করা হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর মোবাইল, এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা।

মার্চ ২১, ২০২৪
কলকাতা

ইডি দফতরে CISF জওয়ানের রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা, আটক তরুণী

বুধবার বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ এক মহিলাকে আটক করেছে ইডি দফতর থেকে। সূত্রের খবর বেলা সাড়ে ১২ টা নাগাদ ওই মহিলা ইডি দফতরে সিজও কমপ্লেক্সের ৭ তলায় যান। সেখানে তাঁকে নিরাপত্তা রক্ষীরা প্রশ্ন করেন কোথায় কার কাছে যাবেন?অভিযোগ সেই সময় আচমকা কর্তব্যরত CISF জওয়ান এর রাইফেল ধরে টানা হ্যাঁচড়া করেন মহিলারা। তারপরেই নিরাপত্তা রক্ষীরা তাকে ইডি দফতরে আটকে রেখে খবর দেন পুলিশ কে। পুলিশ সূত্রে খবরআটক মহিলার নাম প্রিয়াঙ্কা কুন্ডু। বাড়ি সল্টলেকে।প্রাথমিক ভাবে পুলিসের অনুমান মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন। পুলিশ মহিলার বাড়িতে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বোঝার চেষ্টা করছে কেনও তিনি ইডি দফতরে গিয়েছিলেন।

মার্চ ১৩, ২০২৪
রাজ্য

শেখ শাহজাহানের বাড়িতে-মার্কেটে সিবিআই

কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে গেল সিবিআই। এই প্রথম সন্দেশখালি গেল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এদিন সিবিআই গিয়েছে সরবেড়িয়ায় তার মার্কেটেও। ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার তদন্ত করতে সেখানে গিয়েছে সিবিআই। গতকালই আদালতের নির্দেশে সিআইডি শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে। এদিকে হামলার দিন শেখ শাহজাহান কাদের ফোন করেছিলেন? তা তদন্ত করে দেখছে সিবিআই। ইডি আধিকারিকদের কাছ থেকে সেদিনের ঘটনা জানা হচ্ছে। যে ইডি আধিকারিকের মাথা ফেটেছিল, তাঁর বয়ান নিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি ইডি কি তথ্য পেয়েছে তাও জানতে চাইছে সিবিআই। একইসঙ্গে নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে শেখ শাহজাহানকে।

মার্চ ০৭, ২০২৪
রাজ্য

শেষমেশ দীর্ঘ টালবাহানার পর সিআইডির হাত থেকে সিবিআইয়ের হেফাজতে শাহজাহান

বহু টালবাহানা, বিভ্রান্তি, শেষমেশ সন্দেশখালির তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শেখ শাহজাহনকে হেফাজতে পেল সিবিআই। কোর্টের নির্দেশে শাহজাহানকে সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তরে বাধ্য হল সিআইডি।বুধবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতেই হবে। বুধবার বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ধৃত বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তর করতেই হবে। এদিকে এদিন ইডি শেখ শাহজাহানকে হস্তান্তরে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে। তারপরই বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বুধবার বিকেল ৪.১৫-র মধ্যে শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। সেই মত এদিন ৪টের মধ্যে ভবানী ভবনে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। কিন্তু তখনও সন্দেশখালির বাঘকে হাতে পায়নি সিবিআই গোয়েন্দারা। ফলে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের দৃষ্টি আকর্ষণে ফের উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে সিবিআই।এসবের মধ্যেই সন্ধ্যার মুখে ভবানী ভবনের পিছনের দরজা দিয়ে শেখ শাহজাহানকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপরই শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় সিআইডি।সন্দেশখালি কাণ্ডে মঙ্গলবার দুপুরেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এছাড়াও, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টের মধ্যে ধৃত শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দেয় আদালত। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে, সন্দেশখালি কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চের বিশেষ তদন্তকারী দলগঠনের নির্দেশ। উচ্চ আদালতের নির্দেশ মত, বিকেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভবানী ভবনে চলে আসে কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। অবশেষে টালবাহানার পর সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে সিবিআইয়ের হাতে শাহজাহানকে তুলে দেয় পুলিশ। সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টে মামলা রয়েছে বলে সিবিআই-কে জানিয়ে দেয় পুলিশ।গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালি কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত শাহজাহান। গত বৃহস্পতিবার মিনাখাঁর বামনপুকুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে সিআইডির হেফাজতে রাখা হয়েছে বহিষ্কৃত এই তৃণমূল নেতাকে। শাহজাহানের পুলিশি হেফাজের নির্দেশের পরই ইডি তাঁকে হেফাজতে চাইতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি ছিল, সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের উপর হামলার ঘটনার তদন্ত রাজ্য পুলিশে আস্থা নেই। সিবিআই ও রাজ্য পুলিশকে নিয়ে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলেও কোনও ভরসা নেই। কারণ, রাজ্য পুলিশ এই মামলায় সহযোগিতা করবে না। তাই এই তদন্তভার শুধু সিবিআইকেই দেওয়া হোক। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন মঞ্জুর করে।আদালত সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে ইডি অফিসারদের উপর হামলার ঘটনায় ন্যাজাট থানায় দুটি এফআইআর (৮ ও ৯ নম্বর) দায়ের হয়েছিল। এছাড়া বনগাঁ থানায় আরও একটি এফআইআর (১৮ নম্বর) দায়ের হয়। ওই মামলার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানায় রাজ্য। কিন্তু, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না তাতে সাড়া দেননি। প্রক্রিয়া মেনে মামলা হবে বলে জানানো হয়। বুধবার প্রক্রিয়া মেনে আবেদন হলেও রাজ্যের আবেদনে সাড়া দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে।

মার্চ ০৬, ২০২৪
রাজ্য

গ্রেফতার হতেই শাহজাহানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ তৃণমূল কংগ্রেসের, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত

বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে। সন্দেশখালির খাঁচাবন্দি বাঘ-কে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এরপরই শাহজাহানকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা ক তৃণমূল। দলীয় সব পদ থেকে তাকে সরানো হল। ৬ বছরের এই সাসপেনশনের ঘোষণা করেন সাংসদ ডেরেক ওব্রায়ান। ওই সাংবাদি বৈঠকে ছিলেন, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও।বৃহস্পতিবার ওব্রায়েন বলেছেন, আমরা শেখ শাহজাহানকে ৬ বছরের জন্য দল থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা যা বলি তা করি। আমরা অতীতে এই নজির স্থাপন করেছি, বর্তমানেও সেটাই আবার করলাম।মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, দলের কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তৃণমূল যে পদক্ষেপ করে, এটাই তার প্রমাণ। কিন্তু বিজেপি তো আর তৃণমূল নয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, শুভেন্দু অধিকারী, হিমন্ত বিশ্বশর্মা বা নারায়ণ রাণেকে সাসপেন্ড করে দেখান উনি। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী, ব্রিজ ভূষণ বা অজয় মিশ্র টেনির ব্যাপারে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে?শাহজাহানকে তৃণমূলের সাসপেন্ড প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, এত দিন তো দোষী মানাই হচ্ছিল না ওকে। গ্রেফতার বা সাসপেন্ড সবই নাটক। মুখ বাঁচাতে শাহজাহানকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। যে ভাবে আদালতে ঢুকছিলেন তিনি, তাতে তো মনে হয়নি গ্রেফতার। মনে হচ্ছিল পুলিশকেই গ্রেফতার করেছেন শাহজাহান।সন্দেশখালিতে তৃণমূলের বাহুবলী নেতা শাহজাহান গত ৫৫ দিন ধরে ফেরার ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। বসিরহাট আদালত শাহজাহানকে ১০ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।আদালত শাহজাহানকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর পর এই তৃণমূল নেতাকে সিআইডি-র সদর দফতর কলকাতার ভবানী ভবনে নিয়ে আসে পুলিশ। সন্দেশখালি মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তরিত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সন্দেশখালিতে জমি, ভেড়ি দখল এবং মহিলাদের যৌন হেনস্থা মামলায় শেখ শাহজাহান এবং তার সাগরেদরা মূল অভিযুক্ত। গর্জে উঠেছেন সন্দেশখালির মহিলারা। তবে এদিন তাঁকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মূলত ইডি আধিকারিকদের হামলা, কাজে বাধা দেওয়ার জন্য। মুখ পুড়ছে তৃণমূলের। সঙ্গে ভোটের আগে বাড়ছে চাপ। সম্ভবত সে জন্যই এবার সাসপেন্ডের পদক্ষেপ করে শাহজাহানের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির চেষ্টায় রাজ্যের শাসক দল।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালী কাণ্ডে মাস্টারমাইন্ড শেখ শাহজাহান গ্রেফতার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন......

পুলিশের একটা ছিঁচকে মস্তান ধরতে ৫৭ দিন লাগল। তাহলে রাঘব বোয়ালদের তো পুলিশ কোনোদিন ধরবে না। নেতারা বলছেন ১ সপ্তাহ। পার্টির নেতারা ঠিক করে দিচ্ছেন কাকে কখন ধরতে হবে। ওখানকার মানুষ নিরন্তর লড়াই করেছেন। সাধারণ মানুষের দাবী অবশেষে পুলিশ মেনেছে। শুভেন্দু অধিকারী বলে দিয়েছেন। খবর ছিল। এটা সবাই জানে। সর্বভারতীয় চাপের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে। সারা দেশ জুড়ে ন্যাশনাল চ্যানেলে এই নিয়ে চর্চা হচ্ছিল। সবাই আমরা জানতাম ওখানেই আছে।কোর্টের কানমলা খেয়ে অবশেষে ধরতে বাধ্য হল। পুলিশ কেই ধরতে হতো। ইডি ওখানে জলে জঙ্গলে গিয়ে ধরতে পারত না। মুস্কিল ছিল। পুলিশের হাতেই ছিল। পুলিশই ধরেছে। আমরা গোড়া থেকেই বলছিলাম, পুলিশ জানে ও কোথায়। এখন বাধ্য হয়ে তাকে ধরা হয়েছে। এটা আগে হলে বিষয়টা বাড়ত না। এবার ওখানকার লোকেরা ঠিক করবেন তাদের জমি বাড়ি সব টাকা লুঠ হয়েছে সেগুলো তারা কীভাবে ফেরত চাইবেন। আমাদের ৪ কর্মী খুন হয়েছে। আমরা শাহাজাহানের নামে FIR করতে চেয়েছিলাম। পুলিশ তখন নেয়নি। এবার নিতে হবে। হাজার হাজার কোটি লুঠ হয়েছে। এটা প্রসেস শুরু হল। তৃণমূল জানে এবার পরপর লিস্ট আসবে। একদিন না একদিন তাদের সবাইকেই ধরতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজ্য

৫৬ দিনের মাথায় কুনাল ঘোষের ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান

অবশেষে গ্রেফতার হলেন সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। ৫৫ দিনের টালবাহানার শেষ, ৫৬ দিনের মাথায় ভোর ৫টায় নিখোঁজ শাহজাহানকে মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হল, পুলিশ সূত্রে এরকমই দাবি করা হচ্ছে।শেখ শাহজাহানকে বসিরহাট আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত তাঁকে বসিরহাট আদালতের লকআপে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই শাহজাহানকে আদালতে হাজির করানো হবে। পুলিস সুত্রে জানা গেছে, সকাল ৯ টায় রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার মিনাখাঁ থানায় সাংবাদিক বৈঠক করবেন বিশদে জানাবেন।শেখ শাহজাহানের গ্রেপ্তারী প্রসঙ্গে সন্দেশখালির প্রাক্তন বাম বিধায়ক নিরাপদ সর্দার জানান, দলনেত্রী মনে করেছেন ওঁর গ্রেফতারি প্রয়োজন তাই হয়েছে, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারনা আদালতে উপস্থিত হয়ে ইডি ও শেখ শাহজাহানকে তাঁদের হেফাজতে চাইতে পারে।বিস্তারিত আসছেঃ

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
কলকাতা

সোশ্যাল মিডিয়া চাকরির প্রলোভন, লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষধিক টাকা প্রতারণা। এই ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা রাজীব গোস্বামী বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া মারফত একটি চাকরির এসএমএস পান। সেই সূত্র ধরে তিনি যোগাযোগ করলে তাকে একটি সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে অ্যাড করা হয়। সেখানে তাকে বিভিন্ন প্রিপেড টাস্ক করতে বলা হয় যেখান থেকে তিনি রোজগার করতে পারবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তিনি সেই প্রিপেড টাস্ক করতে গিয়ে ১৬ লক্ষ টাকা দিয়ে দেন। এরপরই টাকা চাইতে গেলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় প্রতারকরা।ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে অভিযোগকারীর সেই টাকা গিয়ে পৌঁছেছিল বেশকয়েকজনের অ্যাকাউন্টে। এরপরই গতকাল নোয়াপাড়া এবং জগদ্দলে হানা দিয়ে কৌশিক বোস, সন্তোষ কুমার সাউ এবং চন্দন কুমার সাউকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদেরকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই ঘটনার মূল অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান? কুণাল ঘোষের বক্তব্যে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি

সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহান কি এবার পুলিশের জালে ধরা পড়তে চলেছে? ৫৩ দিন ধরে বেপাত্তা সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা। তবে এখনও তিনি রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে হাইকোর্ট স্পষ্ট করার পর এদিন টুইট করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এদিন শাহজাহান নিয়ে আদালতে ঘোষণার পর কুণালের টুইট, সাত দিনের মধ্যে শাহজাহান গ্রেফতার হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের এই ঘোষণায় তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। তাহলে এখন কোথায় আছেন শেখ শাহজাহান? কোন ঘেরাটোপে রয়েছেন সন্দেশখালির বাঘ? এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন।কুণালের বক্তব্য, শেখ শাজাহান গ্রেফতার নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সঠিক বলেছিলেন। আদালতের আইনি জটেই বিষয়টা আটকে ছিল। তার সুযোগে রাজনীতি করছিল বিরোধীরা। আজ হাইকোর্ট সেই জট খুলে পুলিশকে পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়ায় ধন্যবাদ। সাত দিনের মধ্যে শাজাহান গ্রেফতার হবে।কুণালের টুইট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধীরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, শেখ শাহজাহানের মত দুষ্কৃতী তৃণমূলের সম্পদ। তাই তাঁকে কেউ ধরতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এসব হচ্ছে। আসলে কাগজপত্র লোপাটের জন্য এতদিন শেখ শাহজাহানকে বাইরে রাখা হয়েছে।এদিকে সোমবার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও স্থগিতাদেশ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এছাড়া সন্দেশখালি মামলায় শেখ শাহজাহানকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সুতরাং, সন্দেশখালির একদা বেতাজ বাদশাকে গ্রেফতারে যে আইনি বাধার কথা বিভিন্ন মহল থকে বলা হচ্ছিল তা কার্যত নস্যাৎ করে দিল খোদ উচ্চ আদালতই। আগামী সাত দিনে সন্দেশখালির দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

সল্টলেকে গেস্ট হাউজের আড়ালে মধুচক্রের আসর! গ্রেফতার ৭

সল্টলেকে মধুচক্রের হদিস। গেস্ট হাউজের আড়ালে চলতো মধুচক্রের রমরমা। সেখানে হানা দিয়ে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ম্যানেজার সহ চার জন গেস্ট হাউস কর্মী, তিনজন কাস্টমারকে গ্রেফতার করলো বিধান নগর পূর্ব থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে তিনজন তরুণী ।পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছু দিন ধরে অভিযোগ আসছিল যে সল্টলেকের বিজে ব্লকের ৩০১ নাম্বার বাড়িতে গেস্ট হাউস করে সেখানে বহু মেয়ে ও ছেলেদের দিন রাত আনাগোনা চলছে। সেই খবর অনুযায়ী শনিবার রাতে ঐ গেস্ট হাউসে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখে তিনজন কাস্টমার ও সঙ্গে তিনজন মেয়ে রয়েছে। এর পরই তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সদুত্তর না পেয়ে ঐ গেস্ট হাউসের ম্যানেজার ও তিনজন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। একইসঙ্গে ওই তিনজন কাস্টমারকেও গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় ঐ তিন তরুণীকে। আজ ধৃতদের বিধান নগর কোর্টে তোলা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজ্য

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অন্যতম পান্ডা গ্রেপ্তার।

বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ থাকে নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করলো উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস চক্রের অন্যতম পান্ডাকে। ১৮ ফেব্রুয়ারি বিধান নগর সাইবার থানায় উচ্চ মাধ্যমিক কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী একটি চক্র সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করছে। অভিযোগে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ওই চক্রটি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকে ওই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তারা দিতে পারবেন অর্থের বিনিময়ে।এই অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তারা দুটি ব্যাংক একাউন্টকে আইডেন্টিফাই করে। যার মধ্যে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে। সেই অ্যাকাউন্টটি ছিল নদীয়ার বাসিন্দা প্রীতি শর্মার নামে। এরপরই বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ যোগাযোগ করে প্রীতি শর্মার সাথে। তিনি পুলিশকে জানায়, তার এটিএম কার্ডটি তার বন্ধু রুপম সাধুখা তার কাছ থেকে জোর করে নিয়ে গেছে। তিনি পুলিশকে আরও জানায় যে তিনিও ব্যাংকের থেকে পাঠানো এসএমএস মারফত জানতে পারেন, তার ব্যাংক একাউন্টে বেশ কিছু আর্থিক লেনদেন হয়েছে যেগুলো সে করেনি।এরপরই বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করে রুপম সাধুখাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, আদালতে পেশ করে ধৃত রূপমকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইবে বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্যদেরও খোঁজ পেতে চায় পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! গণধর্ষণের অভিযোগে কাঁপল বারুইপুর

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে বড় মোড় এল। খুনের মামলার সঙ্গে এবার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তে একাধিক গুরুতর ধারা যোগ হওয়ায় মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তিন অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং ফরেন্সিক বিশ্লেষণও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর তার জেরাতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ এই মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন এবং নাবালিকা অপহরণের একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

শেষমেশ নির্বাচন কমিশনে বড় চাল! ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণে বিস্ফোরক দাবি, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

আসল তৃণমূল কে, সেই প্রশ্নের জবাব এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে। সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেই নথিতে নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করেছে দল। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দাবি আইনসম্মত নয় বলেও একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে প্রতি তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, দুই হাজার ছয় সালে সংবিধান সংশোধন করে সেই মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই দুই হাজার বাইশ সালে শেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বৈধ। এই অবস্থায় তিন বছরের মেয়াদের দাবি সম্পূর্ণ ভুল এবং আইনসম্মত নয় বলেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।নথিতে আরও বলা হয়েছে, যদি ধরা হয় দুই হাজার পঁচিশ সালেই দলের সাংগঠনিক মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা পরে জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের প্রার্থীপদও প্রশ্নের মুখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নির্বাচিত হওয়াও আইনগতভাবে বৈধ হবে না। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি করা হয়েছে।কালীঘাট শিবির আরও জানিয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিজেদের একটি ব্লক হিসেবে স্পিকারের কাছে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ব্লকের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার অধিকার নেই। প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, এরপর রাজ্য স্তরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। ফলে একটি ব্লকের পক্ষে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সংবিধানবিরোধী বলেই দাবি করা হয়েছে।দলের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার আগে অন্তত দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। সেই বিজ্ঞপ্তি কোথায় প্রকাশ করা হয়েছে, তার কোনও তথ্য ঋতব্রত শিবির দেয়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে বলা হয়েছে, দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কেরা পদাধিকারবলে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সেই হিসেবে বর্তমান সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কদের মতামত ছাড়া কোনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সম্ভব নয়। অথচ সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ করা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের আরও দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা বারবার দলের সংবিধানের কথা উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ তাঁরাও কার্যত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান এবং দলের অস্তিত্ব স্বীকার করছেন। তাই নিজেদের পৃথক দাবি আইনগতভাবে টিকবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।এই নথি জমা পড়ার পর আসল তৃণমূল এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে সামনে এল নতুন সিসিটিভি ফুটেজ! মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে হাঁটছিল নাবালিকা? বাড়ছে রহস্য

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যা ঘিরে নতুন করে জোরালো হয়েছে তদন্ত। তদন্তকারীরা ফুটেজটি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার পরনে ছিল নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁর সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে, যার পরনে ছিল লাল রঙের জামা এবং মাথায় নীল রঙের টুপি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের একজন হতে পারেন। তবে ফুটেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল বা এরপর কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।নাবালিকার মা ঘটনার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর মেয়ে যে যন্ত্রণা সহ্য করে প্রাণ হারিয়েছে, অভিযুক্তদেরও আইনের মাধ্যমে সেই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু এমন ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়া যায়নি। এবার তিনি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার চান।এলাকার এক প্রতিবেশী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে যুবকের মাথায় টুপি থাকায় মুখ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর হাতে একটি খাবারের প্যাকেটও ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা ফুটেজের মান উন্নত করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই খুনের পাশাপাশি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal