• ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest

রাজ্য

রেশন বন্টন দুর্নীতি: জ্যোতিপ্রিয়র দুই আপ্তসহায়ককে টানা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে কাবু করতে ইডির হাতে অস্ত্র মন্ত্রীরই দুই আপ্ত সহায়ক। প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস ও বর্তমান অমিত দে, এই দুজন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করে দুর্নীতির আঁতুরঘরে পৌঁছাতে চাইছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইতিমধ্যে অভিজিতের বাড়ি থেকে ডায়রি উদ্বার করেছে ইডি। এই ডায়েরিতে লেনদেনের যাবতীয় তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অমিত দের মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার ভোর রাতে সল্টলেকের বাড়ি থেকে রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী ও বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। বৃহস্পতিবার একইসঙ্গে ইডি হানা দেয় অভিজিৎ দাস ও অমিত দের বাড়িতে। বর্তমান আপ্তসহায়ক অমিত দে ওডিষার ভূবনেশ্বর থেকে তড়িঘড়ি উড়ানে কলকাতায় ফিরে আসেন। তারপর নাগেরবাজারে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে ইডির তদন্তকারীরা। পাশাপাশি অভিজিৎ দাসের হাওড়ার বাড়িতে হানা দেয় ইডি।সারদার মতো এখানেও ডায়েরির গল্প আছে। এখানেও রয়েছে রহস্য। এই হিসাবের ডায়েরি মিলেছে অভিজিৎ দাসের কাছ থেকে। ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক ছিলেন তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে যান তিনি। তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা নাগাদ বেরিয়ে যান অভিজিৎ। এখানে তার আগে সকাল ১০টা নাগাদ আসেন মন্ত্রীর বর্তমান আপ্তসহায়ক অমিত দে। অমিতের ফোন এখন ইডির হেফাজতে। ফোনে থাকা যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখছে ইডি। এদিকে জ্যোতিপ্রিয়র ১৬ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা আদালতে উল্লেখ করেছে ইডি। বাড়ি, বেআইনি সংস্থা তৈরি করে টাকা সরানোর কাজ হয়েছিল বলে সূত্রের খবর।

অক্টোবর ২৮, ২০২৩
রাজ্য

ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব আওড়ালেন জ্যোতিপ্রিয়, মন্ত্রীর নিশানায় কারা?

রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পৃরায় ২০ ঘন্টার ওপর মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চলেছে। গ্রেফতার হয়ে মন্ত্রী বলেন, গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হলাম আমি। পরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হওয়ার প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির ষড়যন্ত্রের শিকার তিনি।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছটা থেকে সল্টলেক BC ২৪৪ ও ২৪৫ নম্বর বাড়িতে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদের প্রায় একুশ ঘন্টা পর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেপ্তার করে সল্টলেক এর বাড়ি থেকে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে আনা হয়। শুক্রবার ভোর ৩.২২ মিনিট নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে বের করা হয়। ৩.৩০ মিনিট নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে আনা হয়। রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তথা বালুকে গ্রেফতার করেছে ইডি। আজ তাঁকে আদালতে তোলা হবে।যেন দুর্গাপুজো মেটার অপেক্ষা ছিল। একেবারে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সাতসকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ঐডি হানা দিয়েছে মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের বাড়িতেও। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় একযোগে ৯ জায়গায় ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডির অফিসারদের।জানা গিয়েছে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই ধৃত বাকিবুর রহমানকে জেরায় মিলেছে চাঞ্চল্যকর একাধিক তথ্য। তারই ভিত্তিতে এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে ইডির তল্লাশি।রেশন বণ্টন দুর্নীতি কাণ্ডে এর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রাহমনাকে। তদন্তে নেমে বাকিবুরের পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনকী দুবাইয়েও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মেলে। রয়েছে একাধিক হোটেল। বাকিবুর রহমানের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি সূত্রের।

অক্টোবর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

মৃত্যুর চার মাস জানা গেল পরিচয়, খুনের অভিযোগে গ্রেফতার পরিবারের চার সদস্য

বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল চার মাস আগে। এখন সেই মৃতদেহ শনাক্ত করল পরিবারের লোকেরা। ওই বৃদ্ধকে খুনের অভিযোগ উঠলো পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে পুরাতন মালদা থানায় পুলিশ মৃতের স্ত্রী, এক পুত্রবধূ, ছোট ছেলে সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতেরা পুলিশি জেরায় ওই বৃদ্ধকে খুনের কথা স্বীকার করেছে, জানিয়েছে তদন্তকারীরা। বুধবার সকালে পুরাতন মালদা থানার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সিন্ধিয়া এলাকা থেকে মৃতের ছোট ছেলে, এক পুত্রবধূ, স্ত্রী সহ চারজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত বৃদ্ধের নাম আজাহার শেখ (৫০)। চলতি বছর ২২ এপ্রিল মুচিয়ার সিন্ধিয়া এলাকার একটি কালভার্টের নীচ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতের নাম ও পরিচয় জানতে পারছিল না পুলিশকর্তারা। মৃতদেহটি মালদা মেডিকেল কলেজের মর্গে রেখে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।এদিকে বুধবার সকালে মৃত বৃদ্ধের এক ছেলে অহিদুল শেখ লোক মারফত মোবাইলে তার বাবার মৃত্যু সংবাদটি জানতে পারে। এরপরই তিনি থানায় ছুটে যান। সেখানেই পুলিশকে গিয়ে তার বাবাকে খুন করা হয়েছে বলেই অভিযোগ করেন । আর এই খুনের ঘটনায় মৃতের দুই ছেলে, পুত্রবধূ এবং স্ত্রী যুক্ত রয়েছে বলেও বড় ছেলে অহিদুল শেখের অভিযোগ।পুলিশকে অভিযোগে মৃতের বড় ছেলে ওহিদুল শেখ জানিয়েছেন, তিনি ভিন রাজ্যে কাজে গিয়েছিলেন। বাড়িতে তার ভাই এবং অন্যান্যরা তার বাবার ওপর নির্যাতন চালাচ্ছিল। সম্পত্তির বিবাদের জেরে এই খুন বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে ওই বৃদ্ধের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বলা যাবে। তবে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ওই বৃদ্ধের পরিবারের চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৩
দেশ

নিউটাউনে হিডকো জমি দুর্নীতি, যোগীরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ২

জমি দুর্নীতি কাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের মথুরা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ট্রাঞ্জিট রিমান্ডে তাদের নিয়ে আসা হচ্ছে।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিডিডি বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, হিডকো জমি দুর্নীতি নিয়ে মোট দশটি কেস হয়েছে। বেশিরভাগ কেস হয়েছেনিউটাউনের টেকনোসিটি থানায়। এছাড়া লেকটাউন থানা ও বিধাননগর দক্ষিণ থানাতেও অভিযোগ হয়েছে। এই মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে তন্ময় নায়েক নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়। এর মধ্যে এফআইআর এ নাম আছে এমন ২ জনকে ধরার জন্য বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার স্পেশাল টিমকে পাঠানো হয়। গোয়েন্দারা বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাতে চালাতে অবশেষে মথুরাতে তাঁদেরকে চিহ্নিত করে। সেখান থেকে অশোক পাত্র ওরফে আকাশ পাত্র এবং সুদীপ্ত রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়। আজকে তাদের ওখানকার কোর্টে তুলে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসার পরে এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই দুর্নীতিতপ আর কারা কারা জড়িত আছে তাদের খোঁজ চালানো হবে। এরা দুজন টেকনোসিটি থানার কেসে অভিযুক্ত ছিল কিন্তু গোটা ঘটনা এখন তদন্ত করছে বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।

আগস্ট ১২, ২০২৩
বিদেশ

দোষী সাব্যস্ত ইমরান খান গ্রেফতার, উত্তেজনা ছড়াতে পারে পাকিস্তানে

বিপাকে পিটিআই প্রধান তথা পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত। পাশাপাশি ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে পাক আদালত। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকার জরিমানা। প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ইমরান খান। ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালত ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। এই সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ আছে ইমরানের। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রায়াল কোর্টের বিচারপতি। আদালতের নির্দেশের পর ইমরানকে লাহোরের জামান পার্কের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে লাহোর থেকে ইসলামাবাদে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আদালতের নির্দেশ ইমরান খান আগামী ৫ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেও পারবেন না। ইমরান খানের বিরুদ্ধে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পদের অপব্যবহার এবং সরকারি উপহার সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষমতা অপব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়। উপহারগুলি ইমরান খান তার বিদেশ সফরের সময় পেয়েছিলেন, সেগুলোর মূল্য ছিল 635,000 ডলার। এরপর ট্রায়াল কোর্ট শুনানি শেষে ইমরান খানকে সম্পত্তির হিসাবের গড়মিল এবং সরকারি উপহার বিক্রির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে ইমরান খানের আইনজীবীরা ইতিমধ্যেই ট্রায়াল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। রায়ের বিরুদ্ধে ইমরান যেতে পারেন উচ্চ আদালতে। এই ঘটনার পর নতুন করে উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে পাকিস্তানে।

আগস্ট ০৫, ২০২৩
রাজ্য

নারায়ণপুর শুট আউটের ঘটনায় গ্রেফতার দুই, কেন গুলি চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা?

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নারায়ণপুর থানা এলাকায় শুটআউট কাণ্ডে মূল পাডাসহ দুজন গ্রেফতার হয়েছে। ধৃতের নাম সুজয় দাস (নারায়ণ পুর ) ও বিক্রম মাহাত (ইছাপুর )। আজ দুপুরে নারায়ণ পুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আগামীকাল তাঁদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে।গতকাল সন্ধ্যায় দেবজ্যোতি ঘোষ (টাক বাবাই ) প্যারোলে ছাড়া পেয়ে নারায়ণপুর থানায় হাজিরা দিয়ে বাড়ি যাওয়ার সময় নারায়ণপুর ফায়ার ব্রিগেড মোড়ের কাছে দুটি বাইকে করে চারজন যুবক এসে গাড়ি দাঁড় করিয়ে এলোপাথারি গুলি চালায়। সেই গুলিতে মৃত্যু হয় দেবজ্যোতি ঘোষ (টাক বাবাই)-এর। এরপরই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। শুরু হয় দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় দেবজ্যোতি ঘোষের গাড়ির চালোককে। এরপরই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সুজয় দাস ও বিক্রম মাহাতকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে খুনের কথা।জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে এই সুজয় এক সময় দেবজ্যোতির ঘনিষ্ট সাকরেদ ছিল। বিভিন্ন অসামাজিক কাজের টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলার কারণে আলাদা হয়ে যায়। তীব্র ক্ষোভ ছিল দেবজ্যোতির ওপর। দীর্ঘদিন ধরে খুন করার ছক কষছিল। নির্জন জায়গা খুঁজছিলো। সেই মত তারা দেবজ্যোতির ওপর নজর রাখছিল। তারা জানতে পারে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে বেলায় নারায়ণপুর থানায় হাজিরা দিতে যাবে দেবজ্যোতি। এবং থানার কাছেই একটি নির্জন অন্ধকার জায়গা রয়েছে। সেই মত সেখানে গাড়ি পৌঁছতেই গাড়ি আটকায় সুজয়, বিক্রম ও সঙ্গে থাকা আরও দুজন। গাড়ি দাঁড়াতেই এলোপাথারি গুলি চালানো হয়।বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। সূত্রের খবর, গাড়ির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সুজয়ের নাম জানতে পারে। এর পরই নারায়ণপুর থানা এলাকা থেকে সুজয় ও বিক্রমকে আজ দুপুরে গ্রেফতার করা হয়। বাকি দুজনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের বর ও বাংলাদেশের কনে, কাঁটাতার টপকে ঘর বেঁধেও হল না শেষরক্ষা

কথায় আছে বর্ধমানের বর আর বরিশালের কনে। এই জুটি ছিল নাকি সেরা জুটি। সোশাল মিডিয়ার বদান্যতায় জোরালো হয়েছে প্রেমের বাঁধন। দালাল চক্র ধরে কাঁটাতার পেরিয়ে বর্ধমানে এসে প্রেমিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রেমিকা। কিন্তু দুজনেই এখন শ্রীঘরে। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে এদেশে এসেছেন প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিম।প্রেমিকের টানে কাঁটাতার টপকে অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে বিয়েটাও সেরে ফেলেছিল পড়শি দেশের প্রেমিকা। কিন্তু সংসার আর জমে উঠল না। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বর্ধমান থানার পুলিশ প্রেমিক ও প্রেমিকা দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিম। আর প্রেমিক বর্ধমান শহরের তেঁতুলতলা এলাকার যুবক শেখ সামিম।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৮-এর প্রেমিকা নূরতাজ আক্তার মিমের বাড়ি বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জ জেলার এনায়েতনগরে। বর্ধমানের তেঁতুলতলার ২২ বছরের যুবক শেখ সামিমের সঙ্গে ফেসবুকের বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রেমের সম্পর্ক রূপ নেয়। তারপর থেকেই প্রেমিকের টানে ভারতে আসার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে নূরতাজ। মাস তিনেক আগে বাংলাদেশের এনায়েতনগর থেকে বনগাঁ বর্ডার পৌছে যায় অষ্টাদশি নূরতাজ। দালাল ধরে এর পর সে অবৈধ ভাবে বর্ডার পার হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। অভিযোগ, এই কাজেও নাকি তাঁকে সাহায্য করে প্রেমিক সামিম। বর্ডার টপকেই নূরতাজ তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে বর্ধমানের উদ্দশ্যে রওনা হয়। তেঁতুলতলায় প্রেমিকের বাড়িতেই সে ওঠে। সেখানে মুসলিম শরিয়ত অনুযায়ী তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু আইনের গেরোয় তাঁদের সংসারে আপাতত ছেদ পড়েছে।এদিন দুজনকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে বিচারক দুজনের জামিন নামাঞ্জুর করে জেল হেপাজতে পাঠিয়ে দেয়। ১ জুলাই ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

জুন ২৬, ২০২৩
রাজ্য

জিতেন্দ্র তেওয়ারির ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত, ব্যাপক বিক্ষোভ আসানসোল আদালত চত্বরে

রবিবার আসানসোল আদালতে তোলা হয় আসানসোলের বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে। গত বছর ১৪ই ডিসেম্বর আসানসোলে কম্বল বিতরণকাণ্ড পদপৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় শনিবার গ্রেফতার করা হয় জিতেন্দ্রকেl এদিন জিতেন্দ্র তেওয়ারি নিজে একজন আইনজীবী হিসেবে নিজেই নিজের মামলা মুভ করেন বলে জানা গিয়েছে। জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে আদালত থেকে বার করার আগে বিজেপি কর্মীরা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থেকে আদালত চত্বরে। তাঁদের দাবি, যে গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই গাড়ি পরিবর্তন করতে হবে। তারা অভিযোগ জানাতে থাকে অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রে পুলিশ অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসি গাড়ি ব্যবহার করে বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন জনপ্রতিনিধি জিতেন্দ্রকে নিয়ে যাওয়ার সময়ও এসি গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। এই অভিযোগে তারা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকে গাড়ির সামনে বসে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। যদিও পুলিশি তৎপরতায় আদালত চত্বর থেকে বিজেপি কর্মীদের সরিয়ে জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে বার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিন সরকারি আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ জানিয়েছেন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করা হয়েছিল আদালতে আদালত ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছে। আগামী ২৭ তারিখ পুনরায় জিতেন্দ্র তেওয়ারি পেশ করা হবে।

মার্চ ১৯, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরু পাচার তদন্তে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডলের হিসেবরক্ষক

গরু পাচার মামলায় এবার ইডি গ্রেফতার করল অনুব্রত মন্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাংলা থেকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মণীশ কোঠারিকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা। এদিকে, বুধবার দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডলের কন্য সুকন্যাকেও তলব করেছে ইডি।এর আগে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গলকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তের স্বার্থে সায়গালকে আগেই দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার ইডির জালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সূত্রের খবর, কোঠারির কাছ থেকে নয়া তথ্য় মিলেছে। গরু পাচার কাণ্ডে তদন্তে নামে-বেনামে অনুব্রত, তাঁর কন্যা, দেহরক্ষী সকলেরই বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এসব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন তাঁর হিসেবরক্ষক।বীরভূমে একাধিক চালকলের সন্ধান মিলেছে। মিলেছে মেডিক্যাল কলেজের তথ্য়। যেসব জায়গায় কোটি কোটি টাকা লগ্নি করেছে অনুব্রত মন্ডল। সেই টাকা কোথা থেকে পেলেন তিনি? সেই খোঁজ নিচ্ছে ইডি। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে কেষ্টর নামে-বেনামে থাকা অ্যাকাউন্টে কোটি-কোটি টাকার লেনদেনের তথ্যও পেয়েছে ইডি।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ গ্রেফতার, পথে নামছে দল

গ্রেফতার করা হল কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তভ বাগচিকে। শনিবার ভোররাতে কৌস্তভের ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশ। তার আগে চলে ব্যাপক তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কৌস্তভকে। রাজ্য কংগ্রেস মুখপাত্রকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় বড়তলা থানায়। গ্রেফতারের সময় কৌস্তভ দাবি করেন, হয়রানি করতেই এই গ্রেফতারি। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় বড়তলা থানার পুলিশের সঙ্গে তুমুল কথা কাটাকাটি হয় কংগ্রেসের আইনজীবী এই নেতার। সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। তারপরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অধীর চৌধুরীর মেয়ে ও গাড়িচালকের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই পাল্টা সংবাদ মাধ্যমে বলেন কৌস্তভ বাগচি। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার দীপক ঘোষের লেখা বইয়ের কপি ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। ওই বইয়ের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কৌস্তভ। এরপরেই শুক্রবার ভোররাতে কংগ্রেসের এই যুব নেতার ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় বটতলা থানার পুলিশ। সকাল ৮ টা নাগাদ গ্রেফতার করা হয় কৌস্তভ বাগচিকে। ইতিমধ্যে বড়তলা থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে কংগ্রেস। বৃহত্তর আন্দোলনের পথে পা বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

মার্চ ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়ায় গ্রেফতার তিন নাবালক, মজা পেতেই নাকি এই কান্ড

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে ঢিল ছোড়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই তিন কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও কুমারগঞ্জের ঢিল ছোড়ার ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে ধৃত কিশোরদের জবানবন্দিতে তাজ্জব পুলিশ। আরও এক অভিযুক্ত কিশোরকে খুঁজছে পুলিশ।পুলিশের কাছে জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, তারা নাকি নেহাত মজার ছলেই মঙ্গলবার আপ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছুড়েছিল। বৃহষ্পতিবার ওই তিন নাবালককে গ্রেপ্তার করেছে কিষানগঞ্জের পুঠিয়া থানার পুলিশ। অভিযোগ পুঠিয়া থানার অধীন নিমলা গ্রামের কাছে এনজেপিগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়ে এই নাবালকের দল। রেলের প্রকাশ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তিন জন ছাড়াও ঘটনাস্থলে আরও একজন ছিল। তারও খোঁজ চলছে।এই ঘটনার পরেই আরপিএফের ইন্সপেক্টর অমৃত কুমার বর্মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসঙ্গে ঢিল ছোড়ার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও সামনে নিয়ে আসে রেল। এরপরই পুলিশ ওই সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। একজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক। এইদিন বিহার পুলিশের সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের সময় মালিগাঁও থেকে আসা আরপিএফের ডিআইজি রাজেন্দ্র বাবু রূপ নবার, আরপিএফের কাটিহার জোনের কমান্ড্যান্ট কমল সিং ও পুঠিয়ার ওসি নিশিকান্ত কুমারও ছিলেন। কিষানগঞ্জের পুলিশ সুপার ডাঃ এমানুল হক মেগনু জানান, ধৃত তিনজনকে কিষানগঞ্জ জুভেনাইল কোর্টে তোলা হয়েছে।বাংলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর থেকেই সোমবার এবং মঙ্গলবার পরপর দুদিন ট্রেন লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বঙ্গ রাজনীতি। এনআইএ থেকে সিবিআই, সিআইডি তদন্তের দাবি উঠতে থাকে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে ঢিল ছোড়া ইস্যুতে। তৃণমূল এই ঘটনায় বিজেপির ষড়যন্ত্র দেখে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

এবার মাদক তৈরির কারখানার হদিশ মালদার কালিয়াচকে, কি মিলল তল্লাশিতে?

বর্ধমানে মিলেছিল হেরোইন তৈরির হদিশ। এবার কালিয়াচক এলাকায় মাদক তৈরির বেআইনি কারখানার হদিশ পেল পুলিশ। মালদার কালিয়াচক থানার শ্রীরামপুর এলাকার একটি বাঁশ বাগানের মধ্যে বিপুল পরিমাণ মাদক তৈরির সামগ্রী লুকানো ছিল। তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্রাউন জাতীয় মাদক তৈরির কারবার এই এলাকায় চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা । যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পরিষ্কারভাবে কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রীরামপুর এলাকার বাঁশবাগানের একটি পরিত্যক্ত এলাকায় মাটির নীচ থেকেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদক তৈরির ওই সামগ্রীগুলো উদ্ধার করে। যার মধ্যে অপরিশোধিত উপকরণ এসিটাইল ক্লোরাইড ৪০ বোতল, দুটি ২ পয়েন্ট ৩ মাপের প্লাস্টিকের পাত্র, সোডিয়াম সালফেট অ্যানহাইড্রাস ১৮২ কেজি , বেশ কিছু কেমিক্যাল মেশানো কাপড়, জ্যামকড ৫০০ গ্রাম বোতলের ১০ পিস , বেশ কিছু স্টিলের পাত্র, সাদা জামাকাপড়, ৮টি বাঁশের তৈরি ঝুড়ি, ১০টি প্লাস্টিকের মগ সহ আরও বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, এতদিন কালিয়াচকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র কারখানার হদিস পেয়েছে পুলিশ। কিন্তু এই প্রথম মাদক তৈরির অস্থায়ী ছোট ধরনের একটি কারখানার হদিশ পেয়েছে কালিয়াচক থানার পুলিশ । গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরেই বাঁশ বাগানের পরিত্যক্ত জায়গায় অভিযান চালায় এবং সেই জায়গার প্রায় কুড়ি মিটার এলাকা জুড়ে মাটি খোঁড়াখুঁড়ির পর একের পর এক মাদক তৈরী সামগ্রী উদ্ধার হতে থাকে। যা দপখে রীতিমতো হতবাক তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। কারা কিভাবে এই ধরনের মাদকের কারবার চালাচ্ছে, তারই খোঁজ চলছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মূলত এইসব উদ্ধার হওয়া রাসায়নিক সামগ্রী দিয়েই ব্রাউন সুগার জাতীয় নেশার জিনিস তৈরি করতো মাদক কারবারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করার লক্ষ্যে চিরুনি তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বৌমার এক ধাক্কায় পড়ে গিয়ে শাশুড়ির মৃত্যু, অভিযোগে গ্রেফতার গৃহবধূ

পারিবারিক অশান্তির জেরে মৃত্যু হল শাশুড়ির। অভিযোগ, গন্ডগোলের সময় বৌমা ধাক্কা দিলে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় শাশুড়ির। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রাজারহাট থানার পুলিশ। বৌমাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, রাজারহাট থানার গলাসিয়ার বাসিন্দা শাশুড়ি আয়তন বিবি বয়স (৬২) ও বৌমা তনুজা বিবির সঙ্গে গতকাল পারিবারিক অশান্তি চলছিল। অভিযোগ, তখন বৌমা শাশুড়িকে ধাক্কা দিলে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় শাশুড়ির। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রাজারহাট থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ইতিমধ্যেই বৌমাকে গ্রেফতার করেছে রাজারহাট থানার পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে শাশুড়িকে ধাক্কা দিলে ইটে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান শাশুড়ি। সেই আঘাত পেয়ে মৃত্যু হয়। আজ ধৃত তনুজা বিবিকে বারাসাত আদালতে তোলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
কলকাতা

নিউটাউনে গেস্ট হাউসে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার যুবক

নিউটাউনে গেস্ট হাউসে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার এক যুবক। ধৃতের নাম সোনু সরকার। বাড়ি গরফা থানা এলাকায়। গতকাল রাতে গরফার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে ইকোপার্ক থানার পুলিশ। আজ ধৃতকে বারাসাত আদালতে তোলা হবে।পুলিশ সূত্রে খবর, গত রবিবার রাতে অভিযোগকারী ওই যুবতীকে নিয়ে নিউটাউনের একটি গেস্ট হাউসে ওঠে ধৃত সোনু সরকার। এরপর যুবতীকে মাদক খাইয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ধর্ষণ করা হয় এমনটাই অভিযোগ যুবতীর। এরপর ইকোপার্ক থানায় এসে যুবকের বিরুদ্ধে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই যুবতী। ঘটনার তদন্তে নেমে গতকাল গরফা এলাকা থেকে সোনু সরকারকে গ্রেফতার করে ইকোপার্ক থানার পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে ধৃত যুবকের সাথে বেশ কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় যুবতীর। এরপরই ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং ঘনিষ্টতা বাড়ে। অভিযোগ, নিউটাউন গেস্ট হাউসে যুবতীকে নিয়ে এসে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে সোনু সরকার নামে ওই যুবক। আজ ধৃতকে ধর্ষণের অভিযোগে বারাসাত আদালতে তোলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
কলকাতা

মদ্যপদের তাণ্ডব, সিভিক ভলেন্টিয়ারদের রাস্তায় ফেলে বেধরক মারধর

পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার ভোর রাতে কেষ্টপুর-সল্টলেক যোগাযোগ স্থাপনকারী নতুন ব্রিজের সামনে ডিউটি করছিলেন দুই সিভিক কর্মী। সেই সময় সল্টলেক থেকে কেষ্টপুরের দিকে যাচ্ছিলেন ৮জন মদ্যপ যুবক। তারা সিভিককে দেখে কটূক্তি করতে থাকলে তাদের আটকায় সিভিক ভলেন্টিয়াররা। তবে তাদের আটকাতেই সিভিকদের উপর চড়াও হয় ওই ৮জন বলে পুলিশের দাবি। সেই সময় দুই সিভিক কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে ওই মদ্যপরা। এরপরই ঘটনাস্থলে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ পৌঁছালে সেখান থেকে পালিয়ে যায় তারা। তবে ওই এলাকা থেকে দুজন মদ্যপ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত দুজনের নাম প্রীতম সিং এবং কৃষ্ণ সিং, দুজনেই বিহারের বিহারের বাসিন্দা। কলকাতায় অনলাইন ডেলিভারির কাজের সঙ্গে যুক্ত। আহত সিভিক কর্মীদের বিধাননগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজ অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই যুবকদের সঙ্গে যুক্ত বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ভিনরাজ্যের ব্যক্তি সহ আট দুস্কৃতী বর্ধমান জেলা পুলিসের হাতে আটক

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে ৮ জন দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান জেলা পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের এনএইচ ২ বি র উপরে সাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে পুলিশী অভিযানে ধরা পড়ে ওই দুস্কৃতীরা।পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিসের ডিএসপি (ট্রাফিক) রাকেশ কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, এদের কাছে একটি ওয়ান শর্টার পাইপগান ও একটি গুলি পাওয়া গেছে। এছাড়াও এদের কাছে একটি পুরনো কয়েন পাওয়া গেছে। এরা কয়েনগুলিকে পুরাতন দুস্প্রাপ্য কয়েন বলে লোককে প্রতারণা করত বলে জানা গেছে। এছাড়াও এদের কোনও ডাকাতির উদ্দেশ্য ছিল বলেই পুলিশের অনুমান।দুস্কৃতীদের একজনের বাড়ি মুম্বাই, একজন বর্ধমানের, তিন জন মঙ্গলকোটের বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি বীরভুম জেলায় বলে সুত্রে জানা গেছে। এদের আজ আদালতে জেলা পুলিশ পাঠিয়েছে। এদের সাথে পুরনো কোনওঁ ঘটনার যোগ রয়েছে কিনা তাও বিশদে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

কলা বিক্রেতার সাথে বাক বিতণ্ডা! আপাতত শ্রীঘরে কলা ক্রেতা

দিন দুপুরে বর্ধমান শহরে এক কলা বিক্রেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠলো এক কলা ক্রেতার বিরুদ্ধে। এদিন বর্ধমান তিনকোনিয়া বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় ৫০ থেকে ৬০ বছরের এক বৃদ্ধা কলা বিক্রি করেন। ওই কলার দোকানে এক যুবক কলার দাম দর করার পরই চড়াও হয় কলা বিক্রেতার উপর। এবং ওই বৃদ্ধাকে মারধর করে ওই যুবক বলে অভিযোগ করে স্থানীয় বাসিন্দারা। এই কলা বিক্রেতা কে মারধর করার সময় ছুটে আসে স্থানীয় দোকানদাররা এবং ওই যুবককে আটকে রেখে বর্ধমান থানায় খবর দেয়। ঘটনাস্থলে আসে বর্ধমান থানার পুলিশ এবং ওই যুবককে আটক করে বলে জানা যায়।

নভেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

এবার অনুব্রতকে গ্রেফতার ইডির, সায়গল, সুকন্যার মতো দিল্লিতে জেরার উদ্যোগ

গরু পাচার মামলায় এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতার করল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। বৃহস্পতিবার আসানসোল জেলে গিয়ে টানা সাড়ে পাঁচ ঘন্টা অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অনুব্রত সহযোগিতা করেনি বলেই সূত্রের খবর। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে গরুপাচার মামলায় কোটি কোটি টাকার লেনদেনের কথা জানতে পারে সিবিআই। তার মেয়ের নামেও একাধিক ব্যবসা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। মিলেছে ফিক্স ডিপোডিট। একাধিক রাইস মিলের খোঁজ মিলেছে মন্ডল পরিবারের মালিকানায়। এই সব টাকা কোথা থেকে এসেছে জানতে চায় ইডি। অনুব্রত সদুত্তর দিচ্ছিল না বলে সূত্রের খবর। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ইতিমধ্যে অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরা করার জন্য দিল্লি নিয়ে গিয়েছে ইডি। সিবিআই গ্রেফতারের সময়ই অনুব্রত নিজে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারে তদন্তের জন্য। দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চাইছে ইডি।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার গভীর রাতে বর্ধমানের গুডশেড এলাকা থেকে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের নাম আলী হোসেন, সে অসমের বাসিন্দা। ধৃতের কাছ থেকে একটি রিভালবার ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত আলী হোসেন অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে বর্ধমানে এসেছিল। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃত জামালপুরের দম্পতির পরিচয়ের খোঁজে জেলায় বেঙ্গালুরু পুলিস

অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে পশ্চিম বাংলার দম্পতি জেলে বন্দি। বেঙ্গালুরু পুলিশ নগরিকত্ত্বের তথ্য যাচাই করতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে চষে বেড়ালো। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে রাজ্যের এক শ্রমিক দম্পতিকে। রেহাই পায়নি তাঁদের দেড়বছরের শিশু পুত্রও। প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী।বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার পুলিশ এখন এরাজ্যে এসে বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে ঘুরে নথি সংগ্রহ করছেন। তার মাধ্যমে তাঁরা নিশ্চিৎ হতে চাইছেন, তাঁদের করা মামলার জেরে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি থাকা দম্পতি আদৌ কি বাংলাদেশি! নাকি তারা প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক। এমনটা জেনে অধিকারী পরিবারের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, এবার হয়তো পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও পুত্র জেল থেকে মুক্তি পাবে।দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের তেলে গ্রামের বাসিন্দা। পলাশ ও তাঁর পরিবারের সবাই শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পলাশ স্ত্রী শুক্লাদেবী ও শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়ে চলতি বছরের জুন মাসের শেষের দিকে পলাশ কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরূ যান। একই উদ্দেশ্যে পলাশের বাবা পঙ্কজ অধিকারী এবং মা সবিতাদেবীও বেঙ্গালুরু যান। সেখানকার মারাথাহাল্লি (Marathahalli) মহকুমার ভারথুর (varthur) থানার সুলিবেলে (sulibela) গ্রামের কায়েন খাঁনের ডেরায় তারা ওঠেন।সেখানে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা মজুরির শর্তে তারা কায়েন খাঁনের অধীনে কাজ করা শুরু করেন।তাদের কাজ ছিল হোটেল,রেঁস্তোরা, সিনেমা হল সহ বিভিন্ন জয়গা থেকে সংগৃহীত বর্জ্যবস্তু,বোতল,প্লাস্টিক সরঞ্জাম এইসব বাছাই করা।গত ২৭ জুলাই ভারথুর (varthur) থানার পুলিশ কায়েন খাঁনের ডেরায় হানা দেয়। সেখানে যাঁরা যাঁরা বাংলাভাষী ছিল তারা সবাই নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, এমন সন্দেহে ভারথুর থানার পুলিশ তাদেরও আরো পাঁচ জনকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায়। ওই সময়ে পলাশ,তাঁর স্ত্রী,বাবা-মা সবাই ভারথুর থানার পুলিশকে জানান তাঁরা কেউই বাংলাদেশী নন। তাঁরা নিজেদেরকে ভারতীয় বলে জানিয়ে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড দেখান। সেইসব দেখে সেখানকার ভারথুর থানার পুলিশ পলাশের বৃদ্ধ বাবা,মাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশুপুত্র সহ সাত জনকে ছাড়ে না। তাদের বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে ভারথুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশুপুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছে পলাশ ও তাঁর স্ত্রী শুক্লা। ছেলে,বৌমা ও নাতি কে জেল থেকে মুক্ত করার জন্য পলাশের বাবা ও মা বেঙ্গালুরুতে থেকে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু সুরাহার কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় তাঁরাও যথেষ্ট হতাশ হয়ে পড়েছেন।বিডিও ( জামালপুর) শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, আমার ব্লকের তেলে গ্রামের বাসিন্দা এক দম্পতিকে ফরেনার্স এ্যাক্টে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সেখানকার জেলে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে বন্দি হয়ে রয়েছে। বিডিও জানান, তিন চারদিন আগে বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার তিন পুলিশ আধিকারিক তদন্তের স্বার্থে তাঁর কাছে আসে। পলাশ অধিকারী ও তাঁদের স্ত্রী প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক কিনা এবং তাদের ভোটার ও আধার কার্ডটি সঠিক কিনা, সেইসব বিষয়ে বেঙ্গালুরু পুলিশ তাঁর কাছে জানতে চায়। এছাড়াও পলাশদের পারিবারিক পরিচিতি, কতদিন ধরে তারা তেলে গ্রামে বসবাস করছে,তাদের কাস্ট স্ট্যটাস সহ নানা বিষয়ে জানতে চায়। সব তথ্য ভারথুর থারার মেইল আইডি তে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে বিডিও জানান। পশাপাশি তিনি এও বলেন, দম্পতি যে জৌগ্রামের তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সেই বিষয়ে জামালপুর থানার পুলিশও রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছে। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার আরও জানানা, ভারথুর থানার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা শুধু জামালপুর বিডিও অফিস ও থানায় এসে তথ্য যাচাই করে ফিরে গিয়েছেন, এমনটা নয়। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই পুলিশ আধিকারিক দল জামালপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি দফতরের অফিস, জৌগ্রাম পঞ্চায়েত, এমনকি বর্ধমান দক্ষিন মহকুমা শাসকের অফিসেও তথ্য যাচাইয়ের জন্য গিয়েছিল।পলাশের বোন শম্পা হালদার বলেন, বেঙ্গালুরূ পুলিশ আধিকারিক দল আমাদের তেলে গ্রামের বাড়িতে এসেছিল। বাড়ি ঘর ঘর দেখার পাশাপাশি ওই পুলিশ দল আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপোর ভারতীয় নাগরিকত্ত্ব সংক্রান্ত সব নথিও যাচাই করে। পাড়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। কোন খুঁত বেঙ্গালুরু পুলিশ বার করতে পারেননি । তাই আমরা প্রত্যাশা করছি, এবার হয়তো বেঙ্গালুরুর জেল থেকে আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপো মুক্তি পাবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বড় ডাক! স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যজুড়ে তেরঙ্গা উৎসব, জেনে নিন পুরো কর্মসূচি

স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে এবার রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি। এতদিন এই কর্মসূচি বাংলায় সরকারি উদ্যোগে পালিত হয়নি। এবার প্রথমবার রাজ্য সরকার কেন্দ্রের এই উদ্যোগে সামিল হচ্ছে। আগামী ৯ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ কর্মসূচি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবানীপুর থেকেই শুরু হবে তেরঙ্গা যাত্রা এবং তিনি নিজেও সেই মিছিলে অংশ নেবেন।বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, শুক্রবার ভবানীপুরের সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা পর্যন্ত বিশাল তেরঙ্গা মিছিল হবে। রাজ্যের সব মানুষের কাছে তিনি আবেদন করেছেন, প্রত্যেকে যেন নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। রাজ্যজুড়ে প্রায় সত্তর লক্ষ জাতীয় পতাকা বিতরণ করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে কেন এই কর্মসূচি পালন করা হয়নি, তা তিনি জানেন না। তবে এবার থেকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হবে। রাজ্যের প্রতিটি মহকুমা, ব্লক, পুরসভা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক ভবন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলোকসজ্জায় সেজে উঠবে। প্রবন্ধ লেখা, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ১০ আগস্ট বিকেল তিনটায় নেতাজির মূর্তির পাদদেশ থেকে আরও একটি বড় তেরঙ্গা মিছিল বের হবে। সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই এই মিছিলে অংশ নেবেন। ইতিমধ্যেই প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এবারের উদযাপন রাজ্যজুড়ে বিশেষ মাত্রা পাবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

পরিচয় বদলে রেলের চাকরি! পাঁচ বছর পর সিবিআইয়ের হাতে ধরা কাঁকুড়গাছি মামলার অভিযুক্ত

কাঁকুড়গাছির ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। ধৃতের নাম অরূপ দাস। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি তাঁর সন্ধান দিতে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। অবশেষে গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অসমে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, পরিচয় গোপন করে তিনি সেখানে রেলের কোচ অ্যাটেন্ড্যান্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে কলকাতায় আনা হতে পারে।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয়েছিল। ঘটনার সময় তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে সাহায্যের আবেদনও করেছিলেন। এই ঘটনায় একাধিক রাজনৈতিক নেতার নাম সামনে আসে। প্রথমে তদন্ত শুরু করে স্থানীয় পুলিশ। পরে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় আদালতের নির্দেশে মামলার দায়িত্ব যায় সিবিআইয়ের হাতে।ইতিমধ্যেই এই মামলায় দুটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে সিবিআই। প্রথমটি জমা পড়ে ২০২১ সালে এবং দ্বিতীয়টি গত বছরের জুলাই মাসে। দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে মোট আঠারো জনের নাম ছিল। সূত্রের খবর, অরূপ দাসের নামও সেই তালিকায় ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, গত পাঁচ বছর ধরে অসমে নিজের পরিচয় গোপন করে কাজ করছিলেন অরূপ। সম্প্রতি একটি ঠিকাদারি সংস্থার কর্মীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি সিবিআইকে জানানো হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অসমে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। এবার তাঁকে কলকাতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তকারীদের আশা, এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

গুণ্ডাদমন বিল নিয়ে আদালতে বড় মোড়! আবেদনকারীদের জন্য রইল নতুন সুযোগ

কলকাতা হাইকোর্টে গুণ্ডাদমন বিলের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলা আপাতত খারিজ হয়ে গেল। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়নি। তাই এই পর্যায়ে মামলার শুনানি সম্ভব নয়।আদালত জানিয়েছে, বিলটি এখনও আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। সেই কারণে এখনই তার বৈধতা নিয়ে বিচার করার সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে আবেদনকারীরা নতুন করে জনস্বার্থ মামলা করতে পারবেন। সেই সুযোগ খোলা রয়েছে বলেও আদালত স্পষ্ট করেছে।সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় গুণ্ডাদমন বিল পাশ হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ সুপার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার প্রয়োজন মনে করলে কোনও ব্যক্তিকে গুণ্ডা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে পারবে। প্রয়োজনে তাঁকে এক বছর পর্যন্ত কোনও এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা যেতে পারে।এই বিল ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এই আইনের অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এটি ব্যবহার করা হতে পারে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারের দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করা এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যেই এই বিল আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়েছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতেই এই আইন প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

আর কতদিন অপেক্ষা? আর জি কর মামলায় সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

আর জি কর মামলার তদন্ত নিয়ে ফের সিবিআইকে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা হাই কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় বিচারপতিরা স্পষ্ট প্রশ্ন তোলেন, আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৮ আগস্ট।শুনানিতে নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, গত দুবছরে সিবিআই তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে, তার কোনও স্পষ্ট চিত্র এখনও সামনে আসেনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং অতিরিক্ত হলফনামা থাকা সত্ত্বেও সেই দিকগুলি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। শেষ রাতে উপস্থিত কয়েকজনের বয়ানও এখনও সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলা হয়, যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন ছিল, তাঁদের এখনও কেন ডাকা হয়নি।এর জবাবে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, তদন্ত এখনও চলছে এবং প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আদালতকে জানান, কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর বয়ান এখনও নেওয়া বাকি রয়েছে। তাই তদন্ত শেষ করতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন।এই বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, সিবিআইয়ের আগের রিপোর্টেই তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। আদালতের আগের নির্দেশও ঠিকভাবে মানা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিচারপতি স্পষ্ট জানান, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নতুন করে সব তথ্য খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে আগের তদন্তের সীমাবদ্ধতা সরিয়ে আবার তদন্ত করতে হবে। বিচারপতির প্রশ্ন, এভাবে আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? আদালতের এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি সিবিআই।উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনায় এক অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলেও নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত। সেই কারণেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। আগামী ২৮ আগস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
দেশ

পলাতক অভিযোগের মাঝেই বড় রায়! সুমিত রায়কে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত সুমিত রায়কে আপাতত বড় স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, তদন্ত চলবে, তবে এই মুহূর্তে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই সুমিত রায়কে খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে তাঁর গ্রেফতারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল আদালত।সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সুমিত রায়কে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। তদন্তকারী সংস্থা যখনই ডাকবে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে হবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। তবে সেই সময় তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। আদালত আরও জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি নিজের আইনজীবীকে সঙ্গে রাখতে পারবেন।সুমিত রায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মামলার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।অন্যদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, বহু বছর আগে অভিযোগ উঠলেও আগের সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি আদালতে আরও বলেন, তদন্তের সময় বারবার হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে সুমিত রায়ের আইনজীবী জানান, এই মন্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক এবং মামলার মূল বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
রাজ্য

পারিশ্রমিক অনিশ্চয়তায় পূর্ব বর্ধমান জেলার ৪৫৪ জন বাংলা সহায়তা কেন্দ্র কর্মী, চরম উদ্বেগে বিএসকে কর্মীরা

রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক নির্দেশিকার জেরে সারা রাজ্যের সাথে সাথে পূর্ব বর্ধমান জেলার ২৩৯টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র (BSK)-এ কর্মরত মোট ৪৫৪ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (DEO)-এর জুন ও জুলাই, ২০২৬ মাসের পারিশ্রমিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। টানা দুই মাস বেতন না পাওয়ার আশঙ্কায় কর্মীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারও চরম উদ্বেগ ও আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।গত ৩১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Personnel Administrative Reforms (PAR) Department-এর জারি করা এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে এবং বিভাগীয় বরাদ্দ ও অনুমোদন (Allotment-cum-Sanction) না আসা পর্যন্ত জুন ও জুলাই মাসের পারিশ্রমিকের বিল প্রসেসিং বা অর্থপ্রদানের জন্য উপস্থাপন করা যাবে না। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারদের (DDO) কাছে পাঠানো হয়েছে।পূর্ব বর্ধমান জেলার গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক প্রশাসন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গ্রন্থাগার, মহকুমাশাসকের দপ্তর এবং জেলাশাসকের কার্যালয়-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে মোট ২৩৯টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এই কেন্দ্রগুলিতে কর্মরত ৪৫৪ জন বাংলা সহায়ক প্রতিদিন হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা পেতে সহায়তা করেন। অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, বার্ধক্য ভাতা, জাতিগত ও আয় শংসাপত্র, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত আবেদন, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনলাইন আবেদন থেকে শুরু করে কর প্রদাননাগরিক পরিষেবার এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁদের কাঁধেই বর্তায়।কিন্তু সেই কর্মীরাই আজ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চুক্তিভিত্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও টানা দুই মাসের পারিশ্রমিক আটকে যাওয়ার আশঙ্কায় বহু পরিবারের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাড়িভাড়া, সন্তানের পড়াশোনার খরচ, চিকিৎসা, ঋণের কিস্তি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারসব মিলিয়ে সংসারের ব্যয়ভার সামলানো অনেকের পক্ষেই কঠিন হয়ে উঠছে। অনেক কর্মী জানিয়েছেন, মাসের শেষে নির্দিষ্ট আয়ের ওপর নির্ভর করেই তাঁদের পরিবার চলে। সেই আয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় মানসিক চাপের পাশাপাশি আর্থিক সংকটও ক্রমশ বাড়ছে।কর্মীদের বক্তব্য, তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিদিন সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন। অথচ প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাঁদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তাঁরা নিজেদের অবমূল্যায়িত মনে করছেন। তাঁদের আশা, বিষয়টির মানবিক দিক বিবেচনা করে রাজ্য সরকার দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও অনুমোদনের ব্যবস্থা করবে, যাতে বিলম্ব না করে বকেয়া পারিশ্রমিক প্রদান করা যায় এবং কর্মীদের পরিবার এই অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পায়।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সরকারি নির্দেশিকায় কোথাও পারিশ্রমিক বাতিলের কথা বলা হয়নি। বরং স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত জুন ও জুলাই মাসের পারিশ্রমিকের বিল প্রসেসিং সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। ফলে কর্মীরা তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পাবেন কি না, সেই প্রশ্ন নয়; বরং কবে সেই অর্থ হাতে পৌঁছাবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এখন দিন গুনছেন শত শত বাংলা সহায়ক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal