• ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ১৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Durand Cup

খেলার দুনিয়া

ডার্বির রং লাল হলুদ! দিমির জোড়া গোলে মোহনবাগানকে উড়িয়ে ডুরান্ড সেমি'তে ইস্টবেঙ্গল

যুবভারতীর রং হয়ে উঠল লাল হলুদ। নৌকাডুবি ঘটিয়ে ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। আজ হাইভোল্টেজ কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে পরাস্ত করল অস্কার ব্রুজোর দল। জোড়া গোল সুপার সাব দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকসের।ম্যাচের শুরু থেকেই পজিটিভ ফুটবল খেলতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। ১৬ মিনিট নাগাদ গোলের মধ্যে থাকা মরক্কোর ফরওয়ার্ড হামিদ আহদাদ চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লে কিছুটা সমস্যায় পড়ে লাল হলুদ শিবির। হামিদ আহদাদর পরিবর্ত হিসেবে নামেন দিয়ামান্তাকস। ৩৬ মিনিটে টেকচ্যাম অভিষেক সিংয়ের ট্যাকলে পড়ে গিয়ে এডমুন্ড লালরিনডিকা অফসাইডের আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি। যদিও তার মিনিটখানেক পরেই পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। বিপিন সিংকে অবৈধভাবে বাধা দেন আশিস রাই। মোহনবাগান এসজি গোলকিপার বিশাল কাইথের নাগাল এড়িয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকস।লিস্টন কোলাসো, জেমি ম্যাকলারেন, আপুইয়া, পাসাং দোর্জি তামাংরা থাকলেও প্রথমার্ধে লাল হলুদ গোলরক্ষক প্রভসুখন গিলকে সেভাবে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়নি। তিনকাঠি লক্ষ করে একটিও শট রাখতে পারেনি হোসে মোলিনার দল, যা তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের তুলনায় যথেষ্ট বেমানান। শুধু হাফ টাইমের আগে আপুইয়ার দূরপাল্লার একটি শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বিরতির পর অবশ্য মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট খেলায় ফিরে আসে। জেসন কামিংসকে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই নামান মোলিনা। গোল শোধের মরিয়া প্রয়াস লক্ষ করা যায় হয়। তবে গোলমুখ খুলছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর মিনিট সাতেক পরেই লাল হলুদ দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে যায়। নওরেম মহেশের থেকে বল পেয়ে বাগান রক্ষণকে বোকা বানিয়ে দুরন্ত শটে গোল করেন দিয়ামান্তাকস।ম্যাচের ৬৬ মিনিট অতিক্রান্ত হওয়ার পর মরণকামড় দিতে শুরু করে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। লিস্টন কোলাসোর ফ্রি কিক থেকে প্রয়াস প্রতিহত হতে না হতেই মিনিটখানেক পর, ম্যাচের ৬৮ মিনিটে অনিরুদ্ধ থাপার গোলে ভর করে ব্যবধান কমায় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। তার আগে সাহাল আবদুল সামাদ সপ্রতিভ ছিলেন। যদিও তাঁর দুটি ভালো প্রয়াস কেভিন সিবিয়ে, আনোয়ার আলি বিপন্মুক্ত করেন। অনিরুদ্ধ গোল করার পরেই সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে লাল হলুদ রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ ঢেউয়ের মত আছড়ে পড়তে থাকে। কাঙ্ক্ষিত গোলটি হতেই মোলিনা দিমিত্রিয়স পেত্রাতস, দীপেন্দু বিশ্বাস ও দীপক টাংরিকে নামান। যেভাবে সবুজ মেরুন ইস্টবেঙ্গলের উপর চাপ তৈরি করছিল তাতে এক গোলের অগ্রগমন কতক্ষণ ধরে রাখা যাবে তাই নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত হয়ে পড়েছিল লাল-হলুদ শিবির।মোহনবাগানের আক্রমণের চাপ কাটাতে পাল্টা তিন পরিবর্ত ফুটবলার নামান ব্রুজো। সৌভিক চক্রবর্তী, পিভি বিষ্ণু ও ডেভিডকে নামিয়ে। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল লিড বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করলেও আর গোল পায়নি। দিমিও হ্যাটট্রিক করার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। মিগেল ফেরেরা, কেভিনদের লড়াইও প্রশংসা আদায় করে নিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ৬ মিনিটের ইনজুরি টাইম পেলেও সমতা ফেরাতে পারেনি বাগান শিবির। শেষ বাঁশি বাজতেই চলতি মরশুমে দ্বিতীয় ডার্বি জয় নিশ্চিত করল ইস্টবেঙ্গল। পৌঁছে গেল সেমিফাইনালে। বাবার মৃত্যুর কারণে দেশে ফেরায় রশিদকে আজ পায়নি ইস্টবেঙ্গল। এদিনের জয় রশিদের জার্সি নিয়ে তাঁকে উৎসর্গ করলেন লাল হলুদের সতীর্থরা।অন্যদিকে, মোহনবাগান এসজির কাছে লজ্জার হারের সম্মুখীন হওয়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার এফসিও পৌঁছে গিয়েছে সেমিফাইনালে। এদিন জামশেদপুরে জামশেদপুর এফসিকে ২-০ গোলে পরাস্ত করে।

আগস্ট ১৭, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে মোহনবাগান, জিতেও রক্ষণ নিয়ে চিন্তা থেকেই গেলো বাগানের

ডুরান্ড সেমিফাইনালে মোহনবাগান। মুম্বাই সিটি এফসি কে হারিয়ে ডুরান্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলো মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। সেমিফাইনালে তাঁরা ৩-১ গোলে জয়লাভ করে। মোহনবাগানের হয়ে গোল করেন জেসন কামিন্স, মনবীর সিংহ ও আনোয়ার আলি। আগস্টের ৩১ শে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ম্যাচে খেলবে মোহনবাগান। মুম্বাই সিটি এফসি হয়ে একমাত্র গোলটি করেন হর্হে দিয়াস।মুম্বাই সিটি এফসি প্রতি আক্রমনে বার বার ঝড় তুলে মোহনবাগানের রক্ষণ নিয়ে জোর প্রশ্ন চিহ্ন তুলে দিয়েছে। মাঝমাঠ ও ফরোয়ার্ড নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা গেলেও, বাগানের রক্ষণভাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই গেলো। আনোয়ার আলি দলের শেষ গোলটি করলেও তাঁর ভুলে একটি গোল মোহনবাগান খেয়ে যেতেও পারত।Anwar Air Ali 💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/epm7B6BrI3 Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) August 27, 2023মুম্বাই এফসি বরাবরই মোহনবাগানের কাছে একটা বড় গাঁট। সে জাতীয় লিগ হোক কি আইএসএল বা ডুরান্ড। রবিবার ডুরান্ড কোঃ ফাইনালে যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেলার শুরুতেই এগিয়ে যায় মোহনবাগান। খেলার সাত মিনিটের মাথাতেই পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। পেনাল্টি বক্সের ভিতরে কামিন্স মুম্বাই এফসি গোলকিপারকে টপকে গোলে বল ঠেলার মুহুর্তে মুম্বই এফসি গোলকিপার ফুর্বা লাচেনপা তাঁকে অবৈধ ভাবে বাধা দেন। সামনেই ছিলেন রেফারি, কোন বিলম্ব না করে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে মোহনবাগানের হয়ে তাঁর তৃতীয় গোলটি করেন অস্ট্রেলিয়ার স্ট্রাইকার কামিন্স।এগিয়ে যাওয়ার সেলিব্রেশন রেশ কাটতে না কাটতেই ২৮ মিনিটের মাথায় খেলায় সমতা ফেরাই মুম্বই। রক্ষণের ভুলে গোল খেয়ে বসে মোহনবাগান। বক্সের বাঁ দিকে নিজেদের ওয়ান টু ওয়ান পাস খেলে গ্রেগ স্টুয়ার্ট এবং অ্যালবার্ট নগুয়েরা, সেখান থেকে বল ধরে নগুয়েরা বক্সের মাঝামাঝি বল ভাসান। বাগান গোলরক্ষক বিশাল কাইথের বল ধরতে ঝাঁপালে তাঁর হাতে লেগে বল যায় মুম্বাই এফসি-র দিয়াসের কাছে। তিনি চেস্ট ট্রাপ করে বল জালে জড়িয়ে দেন। ফলাফল ১-১ হয়ে যায়।INTO THE SEMIS! 🔥💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/fMkhHX1wWX Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) August 27, 2023মুম্বাই এফসি ১-১ ফলাফল বেশীক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। আবার এগিয়ে যায় মোহনবাগান। কর্নার থেকে ভাসানো বল মুম্বইয় এসসি রক্ষণভাগের খেলোয়াড় বিপন্মুক্ত করার চেষ্টা করলে বল চলে যায় বাগানের হুগো বুমোসের কাছে। তিনি সে বলে ধরে বক্সে ওপর ভাসিয়ে দেন অরক্ষিত অবস্থায় থাকা মনবীরকে। হেডে বল জালে পাঠাতে কোন ভুল করেননি হুগো। এগিয়ে গিয়ে আক্রমণের ঝড় তোলে মোহনবাগান আক্রমণভাগ। প্রথমার্ধের শেষের দিকে বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যার্থ হয় তাঁরা।দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ প্রতি-আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। দুই দলই আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায়। মুম্বই এফসি খেলোরাররা মরিয়া হয়ে ওঠে গোল পরিশোধ করার জন্য। কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোল করে খেলায় সমতা ফেরাতে ব্যার্থ হয় তাঁরা। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৩ মিনিটে গোল করে আবার এগিয়ে যায় মোহনবাগান। এবার গোলদাতা আনোয়ার। মুম্বইয়ের ডিফেন্ডারকে ধোঁকা দিয়ে ডানদিকের দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন কেরলের ফুটবলার আশিক। বল গোললাইন পেরনোর আগেই ব্যাকপাস বাড়ান একেবারে অরক্ষিত যায়গায় থাকা আনোয়ারকে। নিখুঁত হেডে গোলকিপারকে কোনও সুযোগ না দিয়ে বল জালে পাঠাতে কোনও ভুল করেননি। আনোয়ার গোলটি করলেও এই গোলের ক্ষেত্রে পুর্ণ কৃতিত্ব আশিকের, তাঁর পাঠানো পাশে একেবারে ঠিকানা লেখা ছিলো বলে ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মত।মুম্বাই এফসি গোলের ব্যবধান কমানোর মরিয়া চেষ্টা করলেও মোহনবাগানের গোলমুখ খুলতে তাঁরা সমর্থ হয়নি। তাঁদের মরিয়া প্রচেষ্টায় অনেক সময় মুম্বাইয়ের রক্ষণভাগ অরক্ষিত হয়ে উঠছিলো। মোহনবাগান প্রতি-আক্রমণে সাদিকু এবং মনবীর সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত।

আগস্ট ২৭, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

সুমিতের ‘‌উপহার’‌ ‌আত্মঘাতী গোলে ডার্বি জয় এটিকে মোহনবাগানের

ডুরান্ড কাপের মরণবাঁচন ম্যাচে ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত এটিকে মোহনবাগানের। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টিকে রইল ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন। সুমিত পাসির উপহার দেওয়া আত্মঘাতী গোলে জয় পেল সবুজমেরুণ।আড়াই বছর পর কলকাতায় ডার্বি। উত্তাল কলকাতা। টিকিটের হাহাকার। যুবভারতীর গ্যালারি কানায় কানায় ভর্তি। ডার্বি নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। দুই দলের কাছেই ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে টিকে থাকার মরণবাঁচন লড়াই। দুর্দান্ত একটা ম্যাচের সবরকম রসদই মজুত ছিল। প্রথমার্ধে ম্যাড়মেড়ে ফুটবল। দ্বিতীয়ার্ধে বদলে গেল ছবিটা। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিলেন দুই দলের ফুটবলাররা।এদিন প্রথমার্ধে কোনও দলের কোচই ঝুঁকি নিতে চাননি। তার মধ্যেই আধিপত্য ছিল এটিকে মোহনবাগনের। ইমামি ইস্টবেঙ্গল তাঁর দলের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল। তা সত্ত্বেও শুরু থেকে আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি সবুজমেরুণ কোচ। প্রথমার্ধে বিক্ষিপ্ত লগ্নে আশিক কুরুনিয়ান, লিস্টন কোলাসো, হুগো বুমোসরা লালহলুদ ডিফেন্সে হানা দিলেও ইভান গঞ্জালেস, কিরিয়াকোরা সজাগ থাকায় কাজের কাজ কিছু হয়নি। ১৬ মিনিটে একটা ভাল প্রয়াস করেছিলেন আশিক কুরুনিয়ান। একক প্রচেষ্ঠায় বল ধরে ডিফেন্ডারদের চক্রব্যূহ ভেদ করে এগিয়ে গিয়ে বাঁপায়ে শট নিয়েছিলেন। তাঁর সেই শট পোস্টের অনেকদূর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২০ মিনিটেও আশিস, বুমোসদের একটা প্রয়াস ঠান্ডা মাথায় সামাল দেন কিরিয়াকোরা। ২২ মিনিটে কুরুনিয়ানারের সেন্টারে পা ছোঁয়াতে পারলে গোল পেতেন লিস্টন।৩৪ মিনিটে ইমামি ইস্টবেঙ্গলের প্রথম প্রয়াস। ইভান গঞ্জালেসের বাঁপায়ের দুরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরের মিনিটেই কর্ণার পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। হুগো বুমোসের কর্ণার বিপদমুক্ত করেন লালহলুদ গোলকিপার কমলজিৎ সিং। প্রথমার্ধে সবাই যখন ধরে নিয়ে ম্যাচ গোলশূন্য থাকতে চলেছে, তখনও সুমিত পাসির আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় এটিকো মোহনবাগান। লিস্টনের কর্ণার সুমিত পাসির বুকে লেগে গোলে ঢুকে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে একেবারে ভিন্ন ছবি। সমতা ফেরানোর জন্য শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে ইমামি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ৫ মিনিটের মধ্যে দুদুটি সুযোগও তৈরি হয়। ৪৭ মিনিটে ক্লেইটন সিলভার সেন্টার এটিকে মোহনবাগান রক্ষণে বিপদমুক্ত হয়ে ফিরলে ফিরতি বলে শট নেন অনিকেত যাদব। বল অল্পের জন্য বাইরে যায়। এক মিনিট পরেই সেই ক্লেইটন সিলভার সেন্টার এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার বিশাল কাইথকে একা পেয়েও জালে রাখতে পারেননি সুমিত পাসি। গোলটি করতে পারলে ভুলের প্রায়াশ্চিত্য হত।The only way to celebrate a Derby goal! 💚️#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon pic.twitter.com/1GyJO7VW44 ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) August 28, 2022৫৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। ইভান গঞ্জালেসের ভুলে বক্সের ঠিক মাথায় বল পেয়ে যান আশিক কুরুনিয়ান। বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে শট নেন। তাঁর সেই শট দারুণ তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান লালহলুদ গোলকিপার। ৫৬ মিনিটে বক্সের মধ্যে লুজ বল পেয়ে যান পোগবা। তাঁর শট গোললাইন থেকে বাঁচান কিরিয়াকু।দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা দারুণ জমে উঠেছিল। দুই দলই ইতিবাচক ফুটবল খেলায় গোলের সুযোগও তৈরি হয়। তবে কাজে লাগাতে পারেনি। ৭২ মিনিটে ডানদিক থেকে উঠে এসে দারুণ সেন্টার করেছিলেন ইভান গঞ্জালেস। ক্লেইটন সিলভার হেড সরাসরি সবুজমেরুণ গোলকিপার বিশাল কাইথের হাতে চলে যায়। ৭৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েও বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন এটিকে মোহনবাগানের কার্ল ম্যাকহিউ।

আগস্ট ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাগানের মতো হাল হল না লালহলুদের, প্রথম ম্যাচে ড্র ইস্টবেঙ্গলের

লালহলুদ সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতেই পারেন। মরশুমের প্রথম ম্যাচে ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে অন্তত এটিকে মোহনবাগানের মতো মুখ থুবড়ে পড়তে হল না। ডুরান্ড কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতীয় নৌ বাহিনীর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। একাধিক সুযোগ নষ্ট করে জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করলেন পিভি সুহেররা। জয় না এলেও এদিন যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছে লালহলুদ ব্রিগেড।মরশুমের প্রথম ম্যাচ যে কোনও দলের কাছেই কঠিন। তার ওপর অন্য দলগুলির তুলনায় অনেক দেরিতে প্রস্তুতিতে নেমেছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। বিদেশিরাও দলে যোগ দিয়েছেন দেরিতে। ফলে এখনও সেভাবে দলকে গুছিয়ে নিতে পারেননি স্টিফেন কনস্টানটাইন ও তাঁর সহকারী বিনু জর্জ। তার মধ্যেই যতটা সম্ভব বোঝাপড়া তৈরি করে নিয়েছেন।এদিন ভারতীয় নৌ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদেশি ছাড়াই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন কনস্টানটাইন। শুরুতেই চোট পেয়ে বেরিয়ে যান মহেশ সিং। তাঁর পরিবর্তে তুহিন দাসকে মাঠে নামান লালহলুদ কোচ কনস্টানটাইন। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে নজরকাড়া ফুটবল উপহার দিলেন এই মিডফিল্ডার। তাঁর দিক দিয়েই এদিন ইস্টবেঙ্গলের অধিকাংশ আক্রমণ গড়ে ওঠে। বলের দখল বেশি থাকলেও প্রথমার্ধে সেরকম সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ইমামি ইস্টবেঙ্গল। তার মধ্যেই ২১ মিনিটে অমরজিৎ সিং গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কাজে লাগাতে পারেননি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুটি পরিবর্তন করেন স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন। অ্যালেক্স লিমার সঙ্গে মাঠে নামান রাকিপকে। রাকিপকে রাইট ব্যাকের জায়গায় নামিয়ে সুমিত পাসিকে আক্রমণভাগে তুলে দেন। এরপর মাঠে নামান মহীতোষ রায় ও শৌভিক চক্রবর্তীকে। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে অনেকবেশি আক্রমণাত্মক ছিল ইস্টবেঙ্গল। ৫৩ মিনিটে গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন সুমিত পাসি। তাঁর শট পোস্টে লাগে। ৭৫ মিনিটে একা গোলকিপারকে সামনে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। ৮২ মিনিটে তুহিনের সেন্টার ফাঁকা গোলে ঠেলতে পারেননি সুহের। সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে জিতেই মাঠ ছাড়ত ইস্টবেঙ্গল।

আগস্ট ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডুরান্ড জয়ের স্বপ্নভঙ্গ, বাংলার সম্মান রক্ষা করতে পারল না মহমেডান

স্বপ্ন ছিল, ছিল আশাও। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে রবিবার যুবভারতীতে হাজির হয়েছিলেন মহমেডান সমর্থকরা। দীর্ঘদিন পর সর্বভারতীয় ট্রফি জয়ের হাতছানি। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হল না। ৮ বছরের পুরনো ইতিহাস স্পর্শ করতে পারল না সাদাকালো ব্রিগেড। এফসি গোয়ার কাছে ১০ ব্যবধানে হেরে ডুরান্ড কাপ জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের কাছে। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে এডু ভেদিয়ার দুরন্ত গোলে স্বপ্নভঙ্গ মহমেডান সমর্থকদের।বিকেল থেকেই যুবভারতীর পথে গাড়ি লম্বা লাইন। সাদাকালো পতাকায় সাজানো। আরোহীদের গন্তব্য যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। মহমেডান সমর্থকদের সৌজন্যে দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফুটবল ঘিরে উন্মাদনা। ডুরান্ড ফাইনালে বাংলা বনাম গোয়ার লড়াই। মহমেডান ক্লাবের হাতে ছিল বাংলার সম্মান রক্ষার ব্যাটন। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের অবর্তমানে স্পোর্টিং। ফেরাতে পারল না ২০১৩ সালের স্মৃতি। এফসি গোয়া আইএসএলের দল। ডুরান্ড কাপকে আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে নিয়েছিল। তাই পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে খেলতে এসেছিল। এইরকম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, জানতেন মহমেডান স্পোর্টিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তাই শুরু থেকেই আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। প্রতি আক্রমণভিত্তিক ফুটবলের দিকে নজর দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, এফসি গোয়া শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহমেডানের ওপর। কিন্তু মহমেডান রক্ষণ সতর্ক থাকায় তেমন সুবিধা করতে পারেনি। এফসি গোয়ার যাবতীয় আক্রমণ এসে আটকে যাচ্ছিল পেনিট্রেটিভ জোনে। প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করার মতো ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।অন্যদিনের তুলনায় মহমেডানের আক্রমণ এদিন অনেকটাই নিস্প্রভ ছিল। তার অন্যতম কারণ নিকোলা স্টোজানোভিচ। ডিফেন্সকে মজবুত করতে এদিন তাঁকে একটু পেছন থেকে ব্যবহার করেন মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ফলে বল সরবরাহ বেশি না হওয়ায় বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেননি মার্কাস জোসেফ। তার মাঝেই ৩৪ মিনিটে দুরন্ত শটে মিলন সিং এফসি গোয়ার জালে বল রাখলেও অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই বিরক্তিকর ফুটবল। কোনও দলই ঝুঁকি না নেওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের নিশ্চিত সুযোগ তৈরি হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের ফল থাকে গোলশূন্য। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল মহমেডান। নিকোলার কর্নারে ওয়েন ভাজের হেড এফসি গোয়া গোলকিপার নবীনকুমারের হাতে চলে যায়। ১০৫ মিনিটে বাজিমাত এফসি গোয়ার। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া দুরন্ত ফ্রিকিকে গোল করেন এডু ভেদিয়া। তাঁর বাঁপায়ের শট মহমেডান গোলকিপার জোথানমাইওয়ার নাগাল এড়িয়ে দ্বিতীয় পোস্টের কোন দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে নিকোলার বাঁপায়ে শট অসাধারন দক্ষতায় বাঁচান গোয়ার গোলকিপার নবীনকুমার।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammedan SC: ৮ বছর পর অতীতকে ছোঁয়ার হাতছানি মহমেডানের সামনে

দীর্ঘদিন পর আবার কলকাতার ফুটবলে প্রাণ ফিরে এসেছে মহমেডান স্পোটিং ক্লাবের দৌলতে। টিকিটের জন্য হাহাকার। এই ছবিটাই তো দেখতে চেয়েছিল ডুরান্ড কাপের আয়োজকরা। তাই দিল্লি থেকে কলকাতায় সরিয়ে নিয়ে এসেছে শতাব্দীপ্রাচীন এই প্রতিযোগিতা। দীর্ঘদিন পর ডুরান্ড কাপের এত জনপ্রিয়তা মহমেডান ক্লাবের সমর্থকদের সৌজন্যে। কেনই বা হবে না? ৮ বছর পর আবার ইতিহাসের মুখে দাঁড়িয়ে সাদাকালো ব্রিগেড। রবিবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মহমেডানের সামনে এফ সি গোয়া।২০১৩ সালে শেষবার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মহমেডান স্পোর্টিং। দীর্ঘদিন পর আবার সর্বভারতীয় ট্রফি জয়ের হাতছানি সাদাকালো ব্রিগেডের সামনে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশায় উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটছে মহমেডান শিবির। দলকে তাতানোর দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন ফুটবল সচিব দীপেন্দু বিশ্বাস। শেষবার মহমেডান যখন ডুরান্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, সেই দলে ছিলেন দীপেন্দু। ৮ বছর আগের সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে দরছেন ফৈয়াজ, আজহারউদ্দিনদের সামনে।এফসি গোয়া যথেষ্ট শক্তিশালী দল। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে না। তবে মহমেডানের বাড়তি সুবিধা ঘরের মাঠে প্রিয় দর্শকদের সামনে খেলা। সেমিফাইনালে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ম্যাচে সাদাকালো ফুটবলারদের বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছিল সমর্থকরা। রবিবারও যে মহমেডান বাড়তি অক্সিজেন নিয়ে নামবে সেকথা বলাই বাহুল্য। আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে ডুরান্ড কাপ খেলছে এফসি গোয়া। পূর্ণশক্তি নিয়ে খেলতে এসেছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষকে ভয় পাচ্ছেন না মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ফাইনাল সবসময়ই বড় ম্যাচ। আমরা ভারতের অন্যতম সেরা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামব। বিপক্ষকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে ভয় পাচ্ছি না। আমরা নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছি। এখন লক্ষ্য ফাইনালে সেরাটা দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। এফসি গোয়াকে হারানোর জন্য সেরাটা দিতে হবে, সেটা ফুটবলাররা জানে।দীপেন্দু বিশ্বাসও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, দল ভাল ছন্দে রয়েছে। যদি আগেরল ম্যাচগুলোর মতো খেলতে পারি, চ্যাম্পিয়ন হওয়া আটকাবে না। দীর্ঘদিন পর আবার কলকাতা ময়দানে উন্মাদনা ফিরে এসেছে। এমন উন্মাদনা দীর্ঘদিন দেখিনি। চ্যাম্পিয়ন হলে ষোলকলা পূর্ণ হবে। এফসি গোয়া ডিফেন্সে অনেক ফাঁকফোকর রয়েছে। সেটা কাজে লাগাতে হবে। ফুটবলারদের কাছে সেরা সুযোগ নিজেদের প্রমাণ করার।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup-Mohamedan : ৮ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপ জয়ের হাতছানি মহমেডানের সামনে

ডুরান্ড কাপ শুরুর আগে মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ বলেছিলেন, কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের থেকেও বেশি গুরুত্ব দিতে চান ডুরান্ড কাপকে। কারণ এটি সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতা। শক্তিশালী দলগুলির বিরুদ্ধে খেলে নিজেদের শক্তি যাচাই করে নিতে পারবেন। তঁার লক্ষ্য যে ডুরান্ড কাপ জয়, সেকথাও খোলসা করে দিয়েছিলেন। লক্ষ্যে পৌঁছতে আর মাত্র একধাপ বাকি। এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল সাদাকালো ব্রিগেড। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত জয় তুলে নিল মহমেডান স্পোর্টিং। ৮ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে। মহমেডান সমর্থকদের দৌলতে দীর্ঘদিন পর আবার যুবভারতীতে প্রাণ ফিরে এল। এদিন যুবভারতীতে মহমেডান ও এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের ম্যাচ দেখতে প্রায় হাজার পঁচিশেক দর্শক মাঠে হাজির ছিলেন। অন্যরকম পরিবেশে ম্যাচ শুরু হওয়ার অপেক্ষা ছিল। আর তার আগেই ঘটল বিপত্তি। সেই পুরনো রোগ। হঠাৎ করে একটি বাতিস্তম্ভের আলো নিভে যায়। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট পর খেলা শুরু হয়। আলো আসার পর তখনও দর্শকরা মাঠে ঠিকভাবে আসনে বসেননি। তার মধ্যেই ধাক্কা মহমেডান শিবিরে। ১৯ সেকেন্ডের মধ্যেই গোল। এগিয়ে যায় এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। লুকা মাসেনের পাস থেকে দুরন্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন পেড্রো মানজি। ডুরান্ড কাপে দ্রুততম গোলের নজির হয়ে গেল এদিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। তবে এই অগ্রগমন বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। ৮ মিনিটের মধ্যে সমতা ফেরায় মহমেডান। পরিত্রাতা সেই মার্কাস জোসেফ। আগের ম্যাচে গোল করে দলকে সেমিফাইনালে তুলেছিলেন। এদিন দলকে সমতায় ফেরালেন। হেডে ফৈয়াজের নামিয়ে দেওয়া বল ধরে মার্কাস ৩ জন ফুটবলারকে ড্রিবল করে জোরালো কোনাকুনি শটে গোল করে মার্কাস। ৩৮ মিনিটে মহমেডানকে এগিয়ে দেন ফয়জল আলি। এই গোলের পেছনেও মার্কাসের অবদান। তাঁর সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে মাটি ঘেঁসা শটে গোল করেন ফয়জল। সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধের ৭৮ মিনিটে সমতা ফেরায় বেঙ্গালুরু। সঞ্জু প্রধানের কর্ণার থেকে দুরন্ত সাইড ভলিতে গোল করেন কিংশুক দেবনাথ। দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্তি সময়ে হাত দিয়ে গোল করতে গিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন বেঙ্গালুরুর পেড্রো মানজি। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ২২ থাকে। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ে দুটি অর্ধে দুটি গোল করে ডুরান্ড ফাইনাল নিশ্চিত করে মহমেডান। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের ১২ মিনিটে ছোটখাটো চেহারার ব্রেন্ডন ভানলালরেমডিকার গোল করে স্বস্তি দেন সাদাকালো সমর্থদের। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নিকোলার পেনাল্টি থেকে করা গোল ডুরান্ড কাপ নিশ্চিত করে মহমেডানের। ২০১৩ সালের পর আবার ডুরান্ড জয়ের হাতছানি মহমেডানের সামনে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup : ডুরান্ডের তৃতীয় ম্যাচেই ছন্দহীন মহমেডান, হেরে গ্রুপে দ্বিতীয়

প্রথম দুই ম্যাচে দুরন্ত ফুটবল। তৃতীয় ম্যাচেই ছন্দপতন। ডুরান্ড কাপের গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে তাল কাটল সাদাকালো ব্রিগেডের। এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের কাছে ২০ ব্যবধানে হেরে গ্রুপ শীর্ষে থাকার স্বপ্ন অধরা থেকে গেল মহমেডান স্পোর্টিংয়ে কাছে। টানা ৩ ম্যাচ জিতে গ্রুপ শীর্ষে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছল এফসি বেঙ্গালুরু। গ্রুপের দ্বিতীয় হয়ে শেষ আটে মহমেডান।আরও পড়ুনঃ ঘোষিত হল সূচি, আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানএসসি ইস্টবেঙ্গল প্রথম ডার্বি ২৭ নভেম্বরদুটি দলই আগেই ডুরান্ড কাপের পৌঁছে গিয়েছিল। গ্রুপ লিগের এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড এবং মহমেডান স্পোর্টিংয়ের গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। এই নিয়মরক্ষার ম্যাচে প্রথম একাদশের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে বিশ্রাম দিয়েছিল মহমেডান স্পোটিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তাই নিজেদের সেরা ছন্দে দেখা যায়নি সাদাকালো ব্রিগেডকে। তার ওপর বৃষ্টির মধ্যে খেলা। ভেজা মাঠও মহমেডান ফুটবলারদের কাছে ভাল ফুটবল খেলাটা অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাভেজা মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই নিজেদের সেরা খেলা খেলতে পারেনি। দুই দলই প্রতি আক্রমণ ভিত্তিক খেলার দিকে নজর দিয়েছিল। বিপক্ষ বক্স পর্যন্ত উঠে এলেও কোনও দলই গোল করতে পারেনি। গোল করার মতো দুএকটা পরিস্থিতি তৈরি হলেও স্ট্রাইকাররা তিন কাঠি ভেদ করতে ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোল শূন্য।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাদ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য খেলায় কিছুটা প্রাণ ফেরে। দুই দলই আক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করে। তবে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের তুলনায় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের খেলার মধ্যে ঝাঁঝ বেশি ছিল। আক্রমণে চাপ বাড়িয়ে ম্যাচের ৬৩ মিনিটে কর্ণার আদায় করে নেয় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। রোনাল্ডোর কর্ণার থেকে হেডে গোল করে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দেন জেমস সিং। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মহমেডান স্পোর্টিং। আজহারউদ্দিন মল্লিককে মাঠে নামান সাদাকালো কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ৭৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন আজহারউদ্দিন। তাঁর দুরন্ত শট অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচান বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড গোলকিপার।আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বম্যাচের ইনজুরি সময়ে নাটক জমে ওঠে। মহমেডানের একটি পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি। এরপরই পেনাল্টি পায় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান লুকা। ৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে নক আউটে বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মহমেডান স্পোর্টিং। ডুরান্ডের অন্য গ্রুপ লিগে মোহনবাগান মাঠে খেলা ছিল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স এবং সি আর পি এফের মধ্যে। প্রবল বৃষ্টির জন্য খেলাটি পরিত্যক্ত হয়েছে। দুই দলকেই ১ পয়েন্ট করে দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Durand Cup : সিআরপিএফ–কে উড়িয়ে ডুরান্ডের নক আউটে মহমেডান

কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের তুলনায় ডুরান্ড কাপকে হয়তো বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন মহমেডান স্পোর্টিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। না হলে ডুরান্ড কাপে এইরকম দুরন্ত ফুটবল কেন উপহার দেবে সাদাকালো ব্রিগেড? একদিন আগেই কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ইউনাইটেড স্পোর্টসের কাছে আটকে গিয়েছিল মহমেডান। শুক্রবার সেই দলই ডুরান্ড কাপে সিআরপিএফকে উড়িয়ে দিল ৫১ ব্যবধানে? মাত্র ১ দিনের ব্যবধানে এইরকম ভোল বদল! ডুরান্ড কাপের গ্রুপ লিগে পরপর ২ ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল মহমেডান। মহমেডানের হয়ে ২টি করে গোল করেন আজহারউদ্দিন ও মার্কাস। একটি গোল ব্রেন্ডনের।শুক্রবার বেলা ৩টেয় কল্যানী স্টেডিয়ামে ম্যাচ ছিল মহমেডান ও সিআরপিএফএর। প্রচন্ড গরমের মধ্যেও নিজেদের দারুণভাবে মেলে ধরেন মহমেডান ফুটবলাররা। ম্যাচের ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় সাদাকালো ব্রিগেড। সিআরপিএফএর বক্সের বাঁদিকে ঢুকে মাইনাস করেন ফৈজল। বল জালে পাঠাতে ভুল করেননি আজহারউদ্দিন মল্লিক। এরপরই ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় মহমেডান। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সিআরপিএফ। বেশ চাপে পড়ে যায় মহমেডান রক্ষণ। মনে হচ্ছিল যে কোনও সময় সমতা ফেরাতে পারে সিআরপিএফ। কিন্তু অনভিজ্ঞতার জন্য গোল তুলে নিতে পারেনি।বিরতিতে কোচ আন্দ্রে চেরনিশভের পেপ টক বদলে দেয় মহমেডানকে। অনেক সতর্কভাবে শুরু করে সাদাকালো ব্রিগেড। সিআরপিএফের আক্রমণ সামলে প্রতি আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে। এইরকম প্রতি আক্রমণ থেকেই ৬৪ মিনিটে ফৈজলের পাস থেকে মার্কাস জোসেফ মহমেডানের হয়ে ব্যবধাআন বাড়ান। ২ মিনিট পর আবার গোল মার্কাস যোশেফের। আজহারউদ্দিনের মাটি ঘেঁসা পাস থেকে ৩০ করেন। ৮৬ মিনিটে ৪০ করেন আজহারউদ্দিন মল্লিক। মিনিট তিনেক পর জটলার মধ্যে বল পেয়ে সিআরপিএফের হয়ে ব্যবধান কমান দর্শপ্রীত। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে মহমেডানের হয়ে ৫১ করেন ব্রেন্ডন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন আজহারউদ্দিন। দলের খেলায় খুশি মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধে ছেলেরা দুর্দান্ত খেলেছে। এই খেলা ধরে রাখতে পারলে সেমিফাইনালে যেতে সমস্যা হবে না।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup : মমতা ব্যানার্জির পায়ে ‘‌খেলা হল’‌, জমকালো উদ্বোধন ডুরান্ডের

ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে ডুরান্ড কাপ সরে এসেছে বাংলার রাজধানী কলকাতায়। ২০১৯ সাল থেকে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৫ বছর কলকাতাতেই ডুরান্ড কাপ কলকাতায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবছর করোনার জন্য এই শতাব্দীপ্রাচীন প্রতিযোগিতা স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছিল আয়োজকরা। এবছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্বোধনে অন্যমাত্রা পেল ডুরান্ড কাপ। রবিবার পড়ন্ত বিকেলে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন হল ডুরান্ড কাপের। সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে পুস্পবৃষ্টি মোহিত করে রেখেছিল যুবভারতীকে। তারই মাঝে বলে লাথি মেরে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এরপর দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে তিনি পরিচিত হন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়াদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি এবং সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা।এবারের প্রতিযোগিতায় ১৬টি দল অংশ নিচ্ছে। ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নিয়েছিল কলকাতার মহমেডান স্পোর্টিং ও ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুরু করল মহমেডান। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে সাদা কালো ব্রিগেড। ডুরান্ড কাপ অভিযানে নামার আগে মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিসভ বলেছিলেন, তাঁর দল উপভোগ্য ফুটবল উপহার দেবে। সাদা কালো কোচ যে ভুল প্রতিশ্রুতি দেননি, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বিরুদ্ধেই প্রমাণিত।ম্যাচের শুরু থেকেই মহমেডানের আধিপত্য ছিল। দুই বিদেশি মার্কাস ও নিকোলা স্টোজানোভিচের মাঝমাঠে বোঝাপড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঝমাঠে দুর্দান্ত কর্তৃত্ব নিয়ে খেলেন ম্যাচের সেরা নিকোলা। তাঁর জন্যই মাঝমাঠে খেলা ধরতে পারেননি বায়ুসেনার ফুটবলাররা। মহমেডানের জয়ের পেছনে নিকোলার অবদান অনস্বীকার্য। ম্যাচের ১৯ মিনিটে তাঁরই বাড়ানো পাস থেকে ১৮ গজের দূরপাল্লার শটে দর্শনীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিলন সিং। ৩২ মিনিটে শেখ ফৈয়াজের মাইনাসে বক্সের ডানদিকের কোনা থেকে ডানপায়ের শটে ২০ করেন ওভারল্যাপে উঠে আসা ডিফেন্ডার অরিজিত সিং। ৩৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ত। মার্কাসের দুরন্ত শট কোনও রকমে বাঁচান এয়ারফোর্সের গোলকিপার। প্রথমার্ধের একাবারে শেষলগ্নে নিকোলাসের ডিফেন্স চেরা পাস থেকে ৩০ করেন আজহারউদ্দিন মল্লিক। প্রথমার্ধেই ৩ গোলে এগিয়ে যাওয়ায় হয়তো আত্মতুষ্টি গ্রাস করেছিল মহমেডানকে। তার খেসরতও দিতে হয় সাদাকালো ব্রিগেডকে। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে গোল হজম করতে হয় মহমেডানকে। দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে ব্যবধান কমান এয়ারফোর্সের সৌরভ সাধুখাঁ। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আবার ব্যবধান বাড়ায় মহমেডান। নিকোলার ফ্রিকিক থেকে ফ্লাইং হেডে ৪১ করেন মার্কাস জোসেফ।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup : রবিবার শুরু ডুরান্ড কাপ, উদ্বোধনে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি

দিল্লির সঙ্গে ডুরান্ত কাপ অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত ছিল। প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। কিন্তু দিল্লিতে শতাব্দীপ্রাচীন এই প্রতিযোগিতা জনপ্রিয়তা হারানোয় ২০১৯ সালে কলকাতায় সরিয়ে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়। জনপ্রিয়তা হারানোর মূল কারন ছিল কলকাতার দুই বড় ক্লাবের অংশ না নেওয়া। ডুরান্ড কাপের প্রাণ ফেরাতে এবছর কলকাতায় ডুরান্ড কাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। রবিবার যুবভারতীতে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবে। উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ১৬টি দলকে নিয়ে এবারের ডুরান্ড কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬টি দলকে ৪টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। গ্রুপ এতে রয়েছে মহমেডান, এয়ারফোর্স, সিআরপিএফ, এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। গ্রুপ বিতে রয়েছে এফসি গোয়া, সুদেভা এফসি, জামশেদপুর এফসি, আর্মি গ্রিন। গ্রুপ সিতে রয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স, দিল্লি ফুটবল ক্লাব, ইন্ডিয়ান নেভি। গ্রুপ ডিতে গত ডুরান্ডের চ্যাম্পিয়ন গোকুলাম কেরালা, হায়দরাবাদ এফসি, আসাম রাইফেল্স, আর্মি রেড। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ছাড়াও মোহনবাগান ও কল্যানী স্টেডিয়ামে ডুরান্ডের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে। যুবভারতীতে হবে ১৪টি ম্যাচ, মোহনবাগান মাঠে ৯টি এবং কল্যানীতে ৮টি ম্যাচ হবে।রবিবার ৫ সেপ্টেম্বর যুবভারতীতে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মহমেডান ও এয়ারফোর্স। ফাইনালও হবে যুবভারতীতে, ৩ অক্টোবর। বৃহস্পতিবার ফোর্ট উইলিয়ামে ক্রীড়াদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারিকে সঙ্গে নিয়ে ডুরান্ড কাপের আবরণ উন্মোচন করেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি জানান, যুবভারতীতে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে হাজির থাকবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ডুরান্ডের আয়োজক কমিটির পক্ষে লেফটেনেন্ট জেনারেল কমল রেপসওয়াল (চিফ অফ স্টাফ, হেডকোয়ার্টার ইস্টার্ন কমান্ড,এসএম, ভিএসএম) বলেন, এটিকে মোহনবাগান, এসসি ইস্টবেঙ্গল অসুবিধার জন্য এবার ডুরান্ডে অংশ নিতে পারছে না। পরে বছর যাতে তারা অংশ নেয়, সেটা দেখবেন। তবে দেশের সেরা অন্য দলগুলি অংশ নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কোভিড প্রোটোকল মেনেই প্রতিযোগিতায় খেলবে দলগুলো। শুরুতে দর্শকদের প্রবেশাধিকার না থাকলেও পরের দিকে কোভিড পরিস্থিতি বুঝে অল্পসংখ্যক দর্শক মাঠে ঢুকে খেলা দেখার অনুমতি পেতে পারেন। সেই সিদ্ধান্ত হলে টিকিটের দাম জানানো হবে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

গল টেস্টে ভয়াবহ মুহূর্ত! রাহুলের শটে হেলমেটে বল, হাসপাতালে শ্রীলঙ্কার ওপেনার

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই গলে তৈরি হল উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কেএল রাহুলের জোরালো সুইপ শটের বল সরাসরি গিয়ে আঘাত করল শ্রীলঙ্কার ওপেনার নিশান মধুশকার হেলমেটে। শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় এই আঘাত পান তিনি। ঘটনার পর দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও। কনকাশন পরীক্ষা করার পর মধুশকাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে। প্রভাত জয়াসূর্যের করা ওভারের পঞ্চম বলটি রাহুল সুইপ করেন। বলটি ব্যাটের মাঝখান থেকে প্রচণ্ড গতিতে শর্ট লেগ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মধুশকা বিপদ বুঝে দ্রুত মাথা নিচু করার চেষ্টা করলেও বলের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই বলটি তাঁর হেলমেটের মাঝামাঝি অংশে সজোরে আঘাত করে।আঘাতের পর বলটি ফাইন লেগের দিকে চলে যায়। ফলে রান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভারতের ব্যাটাররা রান সম্পূর্ণ করেন। রাহুল অবশ্য প্রথমে রান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই দৌড় শুরু করে দেওয়ায় রানটি সম্পূর্ণ করতে হয়। রান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধুশকার দিকে ছুটে যান রাহুল। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।এরপর দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও এবং চিকিৎসাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মধুশকার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার পর তাঁকে আর মাঠে রাখা হয়নি। ফিজিওর সঙ্গে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁর চোটের প্রকৃতি বা গুরুতরতা এবং তিনি পরবর্তীতে এই টেস্টে ব্যাট করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।মধুশকার চোটের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাথায় সরাসরি বল লাগার ঘটনায় ক্রিকেটে কনকাশন প্রোটোকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় দল। প্রথম উইকেটে দুজনে ৬৬ বলে ৪৭ রান যোগ করেন।তবে ১১তম ওভারের শেষ বলে ছন্দপতন ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জয়সওয়াল। ৩৭ বলে ৩২ রানের ইনিংসে তিনি মারেন পাঁচটি চার।জয়সওয়াল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। দুজনেই ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। পাড়িক্কল আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করার পাশাপাশি রাহুলও নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে প্রথম সেশনেই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।লাঞ্চের সময় ২৭ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১০১ রান। একদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট, অন্যদিকে মধুশকার চোটপ্রথম দিনের প্রথম সেশন তাই দুই দলের জন্য দুই ভিন্ন ছবি তুলে ধরল। এখন সকলের নজর নিশান মধুশকার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী আপডেটের দিকে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শতবর্ষের ঐতিহ্যে দেশপ্রেমের আবহ, দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐতিহ্যের আবহে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। শতবর্ষ প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। পতাকা উত্তোলনের পর বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল বার্তাএমনই আহ্বান জানান তিনি।বিদ্যালয়ের বরিষ্ঠ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, বিবিধের মাঝে মিলন মহানএই আদর্শকে সামনে রেখে দেশভাগ ও পরাধীনতার গ্লানি পেরিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশাত্মবোধের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।অনুষ্ঠানের সূচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর উদয়পল্লীর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। ত্রিবর্ণ পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীদের বাণী, দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পাঠের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডলের পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় অঙ্কন, প্রবন্ধরচনা, কুইজ, নৃত্য ও সঙ্গীত-সহ একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিক্ষিকা সুনীতা সাহার ব্যবস্থাপনা এবং দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রতিযোগিতাগুলিতে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় ছাত্রছাত্রীরা। কুইজে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সদস্য সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবণী ভট্টাচার্য জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকায় বিদ্যালয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।এদিন নবম শ্রেণির ছাত্রীদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় দেওয়াল পত্রিকা স্পন্দন-এর বিশেষ রঙিন সংখ্যা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সায়ন্তিকা কর্মকারের নেতৃত্বে মন্ত্রী ও সহকারীরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলায়।পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। সবুজ ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে ইকো ক্লাবের উদ্যোগে জাম গাছ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শেষপর্বে শিক্ষাকর্মী প্রদীপ বিশ্বাসের দায়িত্বে এবং তরুণ দাসের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলের মধ্যে লুচি, মিষ্টি-সহ নানা খাবার বিতরণ করা হয়। স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তাকে একসূত্রে বেঁধে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষুদিরামের ফাঁসির মঞ্চ থেকে মাতঙ্গিনীর রক্তাক্ত পতাকা, বাঙালির হৃদয়ে অমর এই পাঁচ স্বাধীনতা সংগ্রামী

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাংলার মাটি যেমন জন্ম দিয়েছে ক্ষুদিরাম বসুর মতো কিশোর বিপ্লবীকে, তেমনই তাম্রলিপ্তের মাটিতে উঠে এসেছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেতৃত্ব। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে যান ক্ষুদিরাম বসু। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে বোমা হামলার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হন। ১১ আগস্ট ১৯০৮ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর মুখেও তাঁর নির্ভীকতা ও হাসিমুখ বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।অন্যদিকে, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে পূর্ব মেদিনীপুরের মাতঙ্গিনী হাজরা হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। গান্ধীবুড়ি নামে পরিচিত এই বৃদ্ধা ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানার দিকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়েই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মবলিদান বাংলার নারীশক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুশীল ধারা-র। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তিনি সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের যুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিদ্যুৎ বাহিনী, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গঠিত এই সমান্তরাল সরকার তমলুক ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী সংগঠন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সরকারের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার পরও তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেমে থাকেনি। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান থেকে মাতঙ্গিনীর পতাকা হাতে মৃত্যুবরণ, আর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের সংগঠিত প্রতিরোধ, এই সমস্ত অধ্যায় প্রমাণ করে, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু কয়েকজন বিপ্লবীর কাহিনি নয়। এটি ছিল অসংখ্য মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের সম্মিলিত ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানের মাটিতে জন্ম বীর বিপ্লবীর, রাসবিহারী বসুর কর্মকাণ্ডে কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ শাসন

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রাসবিহারী বসু এক অনন্য নাম। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম প্রধান সংগঠক এই বিপ্লবীর জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকের সুবলদহ গ্রামে। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বিনোদবিহারী বসু ও ভুবনেশ্বরী দেবীর ঘরে জন্ম তাঁর।সুবলদহেই কেটেছে রাসবিহারী বসুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার শুরু। ঠাকুরদা কালীচরণ বসুর তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার পাশাপাশি লাঠিখেলা, সাঁতার ও নৌকা চালনার মতো শারীরিক কসরতেও দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে দানা বাঁধে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা। পরবর্তী সময়ে চন্দননগরে পড়াশোনা করার সময় বিপ্লবী চিন্তাধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয়।কর্মজীবনে দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হেডক্লার্কের কাজ করলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করা। বাংলার পাশাপাশি উত্তর ভারত ও পাঞ্জাবের বিপ্লবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলেন তিনি। ১৯১২ সালে দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের উপর বোমা হামলার ষড়যন্ত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি জাপানে পালিয়ে যান।জাপানে গিয়েও থেমে থাকেননি রাসবিহারী। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগঠিত করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগ গড়ে তোলেন। ১৯৪২ সালে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে সেই সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি টোকিওতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সুবলদহের মাটিতে জন্ম নেওয়া এই বিপ্লবীর দেশমুক্তির স্বপ্ন ও সংগ্রাম আজও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।বর্ধমান মডেল স্কুলের নৃত্য বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা প্রখ্যাত ওডিশি নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্র জানান, এবারের তাঁদের থিম The Rhythm of Togetherness এটি Dance ও Sociology বিভাগের এক অনন্য যৌথ উপস্থাপনা, যেখানে নৃত্য ও সমাজবিজ্ঞানের নিজস্ব ভাবনাগুলি সুন্দরভাবে একসূত্রে মিলিত হয়েছে। এই থিমের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরতে চেয়েছি ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের চিত্র। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতি, খাদ্য, পোশাক ,সংস্কৃতি ইত্যাদি নানান ক্ষেত্রে আমরা ভিন্ন হলেও আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়আমরা ভারতীয়। এই বৈচিত্র্যের মধ্যকার ঐক্যই আমাদের শক্তি ও গর্ব।বিভিন্ন মডেল ও চার্টের মাধ্যমে বিষয়টির ব্যাখ্যার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের লোকনৃত্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে।নৃত্যের ছন্দ এবং সমাজবিজ্ঞানের ভাবনাদুইয়ের অপূর্ব মেলবন্ধনে The Rhythm of Togetherness আমাদের মনে করিয়ে দেয় বৈচিত্র্য আমাদের পরিচয়, ঐক্য আমাদের শক্তি।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal