• ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

আবার বিপাকে এসসি ইস্টবেঙ্গল, পড়তে চলেছে ফেডারেশনের শাস্তির মুখে

চলতি আইএসএলে খুব খারাপ জায়গায় রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৬ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে আপাতত দশম স্থানে। মাঠের মধ্যে তো সমস্যায় রয়েছেই, এবার সমস্যা মাঠের বাইরেও। ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কড়া শাস্তির মুখে পড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৭ ফুটবলারের বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী তিনটি ট্র্যান্সফার উইন্ডোতে কোনও ফুটবলারকে সই করাতে পারবে না লালহলুদ।অতীতেও ফুটবলারদের বকেয়া না মেটানোর অভিয়োগ রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের। টাকা না মেটানোয় বেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলার ফিফার দ্বারস্থ হয়েছিলেন। লালহলুদের ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছিল। ফুটবলার সই করানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পরে ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে সে যাত্রায় শাস্তির হাত থেকে বেঁচেছিল। আবার সেই শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে চলেছে। তবে এবার ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির পক্ষ থেকে।কেভিন লোবো, কিগান পেরেরা, গিরিক খোসলা, ইউজেংসন লিংডো, অনিল চৌহান, সিকে বিনিথ, রিনো অ্যান্টো, এই ৭ ফুটবলারকে ২০২০ সালে সই করিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ওই বছর সেপ্টেম্বরে লালহলুদের দায়িত্ব নেয় শ্রী সিমেন্ট। নতুন টিম ম্যানেজমেন্ট এই ৭ ফুটবলারকে দলে রাখেনি। এমনকি চুক্তির পুরো অর্থও দেয়নি। বকেয়া অর্থের জন্য এই ৭ ফুটবলার ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির কাছে আবেদন জানায়। বুধবার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি চিঠি পাঠিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে জানিয়েছে, ৪৫ দিনের মধ্যে ফুটবলারদের বকেয়া অর্থ মেটাতে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বকেয়া অর্থ না মেটালে ট্র্যান্সফার ব্যানের মুখে পড়তে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ৭ ফুটবলারের মোট বকেয়ার পরিমান ১ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে সবথেকে বেশি বকেয়া কেভিন লোবোর। তিনি পাবেন ৪১ লক্ষ টাকা। রিনো অ্যান্টো পাবেন ২৬ লক্ষ, সিকে বিনিথ ও লিংডোর বকেয়া ২১ লক্ষ টাকা করে। কিগান পেরেরার বকেয়া ১৬.৮০ লক্ষ, অনিল চৌহানের ১০.২৮ লক্ষ, গিরিক খোসলার বকেয়া ৬.৩০ লক্ষ। ফেডারেশনের চিঠি পাওয়ার পরপরই পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। চিঠিতে শাস্তি পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে। তবে অ্যাপিল কমিটির কাছে এখনও আবেদন করেনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গলের আসল ‘‌হীরে’‌ তুলে নেওয়ার জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ক্লাব কর্তা ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে মরশুম শুরুর আগেই টানাপোড়েন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত জট কাটে। শেষ মুহূর্তে দল গড়তে নেমে ভালমানের ফুটবলার পাননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। যে কজন স্বদেশি ফুটবলারকে সই করিয়েছিলেন, তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত উজ্জ্বল হীরা মণ্ডল। চলতি আইএসএলে হীরাই লালহলুদের আসল হীরে। ইতিমধ্যেই সামনের মরশুমের জন্য তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে টানাটানি। ২০১৫ সালে পোর্ট ট্রাস্টের হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন হীরা মণ্ডল। তারপর রোনবো এসসি, টালিগঞ্জ, পিয়ারলেস হয়ে ২০১৮১৯ মরশুমে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। লালহলুদ জার্সি গায়ে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। পরের মরশুমে যোগ দেন মহমেডান স্পোর্টিংয়ে। ২০২০২১ মরশুমে সাদাকালো জার্সি গায়ে আই লিগে নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন হীরা মণ্ডল। ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন আই লিগে। লেফট ব্যাকে খেললেও দুর্দান্ত ওভারল্যাপে উঠতে পারেন। আই লিগে সাদাকালো জার্সি গায়ে দুটি গোলও করেছিলেন। এই মরশুমে আইএসএল শুরুর আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা সই করায় হীরাকে। চলতি আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ১৬টি ম্যাচ খেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এরমধ্যে ২ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি হীরা মণ্ডল। বাকি ১৪টি ম্যাচেই তিনি খেলেছেন। আদতে লেফট ব্যাক হলেও দলের প্রয়োজনে কখনও সেন্ট্রাল ডিফেন্সে, কখনও আবার রাইট ব্যাকে খেলতে হয়েছে। সব জায়গাতেই নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন। চলতি আইএসএলে ভুল যে করেননি, এমন নয়। দুদুটি ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করে ফেলেছিলেন হীরা। তবে বাকি ম্যাচে তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স ভুলত্রুটি ঢেকে দিয়েছে। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে একটা দুর্দান্ত গোললাইন সেভ করে রীতিমতো প্রশংসা কুড়িয়েছেন। চলতি আইএসএলে এসসি ইস্টেঙ্গলের স্বদেশী ফুটবলারদের রেটিংয়ে তিনি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর রেটিং ৬.০৭। স্বদেশি ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে বেশি রেটিং নওরেম মহেশ সিংয়ের। তাঁর রেটিং ৬.১১। আইএসএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা এসসি ইস্টবেঙ্গলের হীরে তুলে নেওয়ার জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই হীরা মণ্ডলকে প্রস্তাব দিয়েছেন সবুজমেরুণ কর্তারা। সূত্রের খবর, এটিকে মোহনবাগান ছাড়াও আরও কয়েকটি ক্লাব হীরাকে পেতে চায়। এই তালিকায় রয়েছে মুম্বই সিটি এফসি, হায়দরাবাদ এফসির মতো ক্লাবগুলি। তবে এখনই সামনের মরশুম নিয়ে ভাবতে চাননা হীরা। লালহলুদ জার্সি গায়ে আপাতত ভালভাবে মরশুম শেষ করাই লক্ষ্য।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অনেক অপমান সহ্য করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলে, বাতিল চিমাই ফুল ফোটাচ্ছেন

তাঁকে মাঠে দেখলেই লালহলুদ সমর্থকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন। আবার ড্যানিয়েল চিমা চুকুয়ামা কেন। ওন্য কোনও ফুটবলার ছিল না। লালহলুদ জার্সি গায়ে চূড়ান্ত ব্যর্থ। গোলের সামনে বল পেলেও তিন কাঠিতে পাঠাতে পারতেন না। অনেকেই বলাবলি করতেন চিমা নামের কলঙ্ক। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই বাতিল চিমাই ফুল ফোটাচ্ছেন জামশেদপুর এফসির জার্সি গায়ে।উইলিস প্লাজাকে মনে আছে? লালহলুদ জার্সি গায়ে আই লিগে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই চমকে দিয়েছিলেন। তাঁর টাচ সকলের মন কেড়েছিল। দুএকটা ম্যাচ যেতে না যেতেই প্লাজাকে নিয়ে মোহভঙ্গ হয়েছিল। পরের মরশুমে প্লাজাকে দলে রাখেননি লালহলুদ কর্তারা। অথচ সেই প্লাজাই আই লিগে চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে পরে ফুট ফুটিয়েছিলেন। সেই অবস্থা ড্যানিয়েল চিমা চুকুয়ামারও।লালহলুদ জার্সি গায়ে এই মরশুমে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতার পর কর্তারা চিমাকে রিলিজ দেন। হতাশায় ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিমা। দেশে রওনা আগের মুহূর্তে জামশেদপুর এফসিতে খেলার প্রস্তাব পান। জামশেদপুর এফসির প্রস্তাব পাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবেননি চিমা। দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বদলে জামশেদপুরে সই করেন। চিমার জামশেদপুরের জার্সি বেছে নেওয়ার পেছনে লালহলুদে ব্যর্থতা। চিমা চেয়েছিলেন, নিজেকে প্রমাণ করতে। তাই ভারতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিয়েছেন। তিনি যে খারাপ ফুটবলার নন, এটাই প্রমাণ করার সবচেয়ে বেশি তাগিদ ছিল। নরওয়ের প্রথম ডিভিশন ক্লাব মোল্ড এফ কেতে চুটিয়ে খেলেছেন চিমা। ক্লাবকে চ্যাম্পিয়নও করেছিলেন। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মোল্ডের কোচ ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বর্তমান কোচ গানার সোলসজায়ের। তাঁর কোচিংয়ে খেলেছেন চিমা। ২০১৩ সালে মোল্ডের জার্সি গায়ে প্রথম ডিভিশনে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন চিমা। করেছিলেন ১৩ গোল। কেন লালহলুদ জার্সি গায়ে সাফল্য পাননি? তার ব্যাখাও দিয়েছেন চিমা। তিনি বলেন, যখন আমি ভারতে আসি, কোনও সমস্যা ছিল না। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। ক্লাবের খারাপ পারফরমেন্স আমার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। নানারকম নেগেটিভ কথা বলা হত, আমাকে নিয়ে ট্রোল করা হত, এমনকি অপমানও সহ্য করতে হয়েছে। খারাপ সময়ে পরিবারকে পাশে পেয়েছিলেন চিমা। তিনি বলেন, দুঃসময়ে পরিবার আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। মানসিকভাবে আমাকে উজ্জীবিত করেছিল। না হলে এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারতাম না। জামশেদপুর এফসি যে তাঁকে দলে নেবে, ভাবতেই পারেননি চিমা। তাঁর কথায়, জামশেদপুর এফসির মতো লিগ টেবলের ওপরের দিকে থাকা দল আমাকে নেবে, ভাবতেই পারিনি। ওদের প্রস্তাব পেয়ে আমি দারুণ খুশি হয়েছিলাম। আমার মধ্যে নিশ্চয় ওরা কিছু দেখেছিল, না হলে প্রস্তাব দিত না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেই দলকে জিতিয়েছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহাবিপর্যয় লালহলুদের, সম্মানটুকুও হয়তো বাঁচবে না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এই এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যত কী? ফুটবলাররা তো দূরের কথা, কর্তারাও জানেন না। হারতে হারতে একেবারে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই কবেই শেষ। সম্মানটুকুও হয়তো বাঁচবে না। ওড়িশা এফসি-র কাছে আবার হার। তবে প্রথম পর্বের মতো ৬ গোল হজম করতে হয়নি। এটাই যা রক্ষা। তবে ২-১ ব্যবধানে হেরে প্লে-অফের লড়াইয়ে ধুকতে থাকা ওড়িশা এফসি-কে নতুন করে অক্সিজেন জোগান দিল লাল-হলুদ। এই নিয়ে ১৬ ম্যাচের মধ্যে আটটিতে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল।ঢিমেতালে ম্যাচ শুরু করেছিল দুদল। আস্তে আস্তে ম্যাচের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ওড়িশা। ২৩ মিনিটে এগিয়ে যায়। জাভি হার্নান্দেজ একের পর এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের ধার থেকে ফার পোস্টে পাস বাড়ান অরক্ষিত জোনাথাস ক্রিস্টিয়ানের লক্ষ্য করে। ছোট্ট টোকায় বল গোলে পাঠান জোনাথাস। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দায় ডিফেন্সের। কোনও ডিফেন্ডারই নিজেদের পজিশনে ছিলেন না। প্রথমার্ধে কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছলেও সমতা ফেরাতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছবি বজায় ছিল। প্রথমার্ধের প্রথম দশ মিনিট ছাড়া পুরোটাই খেলল ওড়িশা এফসি। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছিলেন জাভি-আইজ্যাকরা। প্রতি আক্রমণে এসে বিশ্বমানের গোল করে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরায় অ্যান্তোনিও পেরোসেভিচ। ফ্রাঞ্জো পর্চের লব করে দেওয়া বল ধরে বাম পায়ের দুরন্ত প্লেসিং-এ দলকে সমতায় ফেরান পেরোসেভিচ। পেরোসেভিচের গোলের কিছু আগে ড্যারেন সিডোলের প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে নেওয়া দুরন্ত ফ্রি-কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ঠ হয়।পেরোসেভিচের গোলের মর্যাদা দিতে পারেনি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ। ৭৫ মিনিটে পাঁচ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জাভি হার্নান্ডেজের উদ্দেশ্যে বল বাড়ান জোনাথাস। সতীর্থের দেওয়া শট থেকে গোল করতে ভুল করেননি স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। যদিও বলটি জালে জড়ানোর আগে লাল-হলুদের এক ফুটবলারের পায়ের চেটোয় লেগে দিক পরিবর্তন করে। এই ম্যাচে হেরে ১৬ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের দশ নম্বরে থাকল এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলা গানে নিষেধাজ্ঞা, বাংলা পক্ষের বিক্ষোভে পিছু হটল কলকাতার নামীদামী রেস্তোরাঁ

শহর কলকাতার রেস্তোঁরাতে বাংলা গান চালাতে অস্বীকার করার প্রতিবাদে মুখর সঙ্গীত জগত থেকে শুরে করে সাধারন মানুষজন। বাংলা পক্ষও এই ব্যবস্থার চরম প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সংস্থার মুখ্য পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান বাংলার রাজধানী বাঙালির রাজধানী কলকাতায় সেহগালের মালিকানাধীন ব্রডওয়ে রেস্তোঁরাতে বাংলা ভাষার গান প্রোহিবিটেড, নিষিদ্ধ। বাংলায় বহিরাগত যত বাড়বে তত কোনঠাসা হব আমরা আমাদের মাটিতে। আজ বাংলার রেস্তোরাঁয় বাংলা ভাষায় গান নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, একদিন তোমার মুখে তোমার ভাষার গান, শব্দ নিষিদ্ধ করবে।রবিবার সন্ধায় বাংলা পক্ষের সদস্যরা গণেশ চন্দ্র এভিনিউতে চাঁদনীচক মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ওই বার কাম রেস্তোঁরাতে প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে। তাঁদের অভিযোগ, ওই বারে বারাসত থেকে শ্রীকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পরিবার নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারতে এসে টানা হিন্দী গান চলছে বলে একটা বাংলা গান শোনানোর অনুরোধ জানান। তাঁকে কতৃপক্ষ জানান এখানে বাংলা গান বাজানো নিষেধ আছে। মালিকের নির্দেশ ছাড়া তাঁরা এখানে বাংলা গান চালাতে পারবেন না।বাংলা পক্ষ তাঁদের প্রতিবাদ সভা থেকে আওয়াজ তোলেন ওই রেস্তোঁরাতে বাংলা গান নিষিদ্ধ হলে বাংলার বুকে ওই রেস্তোঁরাকেও নিষিদ্ধ করা হোক। এরপর তাঁরা ওই রেস্তোঁরাতে প্রবেশ করে দ্বীজেন্দ্রলাল রায়ের ধন ধান্য পুষ্পে ভরা গানটি সমবেত ভাবে গান এবং ওই রেস্তোঁরাতে উপস্থিত সকল বাঙালিকে অনুরোধ করেন গানটি তাঁদের সঙ্গে সমবেত ভাবে গাওয়ার জন্য। এর পর তাঁরা মুক্তির মন্দির সোপান তলে, আমি বাংলায় গান গাই- গেয়ে আরও জোরালো প্রতিবাদ তোলে বাংলা পক্ষ। বাংলাপক্ষ-র প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠে সেই রেস্তোঁরাতে বেজে ওঠে এই পথ যদি না শেষ হয়...... কৌশিক মাইতি আরও জানান, তাঁদের প্রতিবাদে পিছু হঠে রেস্তোঁরা মালিকপক্ষ ক্ষমা চেয়ে নেন। কতৃপক্ষ কথা দিয়েছে সেখানে বাংলা গান বাজবে। তিনি বলেন, বাঙালি এক হলে বাংলার শত্রুরা লেজ গুটিয়ে পালাবে। তিনি বলেন এই জয় প্রতিটা বাঙালি শিল্পী, প্রতিবাদী বাঙালির জয়। এভাবেই আমরা জিতব, বাঙালি জিতবে। প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, সোয়েব আমিন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, বাংলা পক্ষর সামাজিক মাধ্যম সমন্বায়ক সায়ন মিত্র প্রমুখ।এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায় বলেন বাংলা ভাষা আমাদের নিজেদের ভাষা, আমাদের বাংলায় আমরা বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই, আবশ্যই অনান্য ভাষা যেমন হিন্দী, ইংরাজি এবং উর্দুর প্রতি আমাদের সমান শ্রদ্ধা আছে, সব ভাষাকেই সম্মান করি। বিশেষ করে নিজের মাতৃ ভাষাকে তো অবশ্যই সম্মান করি। তাই বাংলায় বসবাসকারী সকলকে আমার অনুরোধ আপনারা বাংলা গান, কবিতা, সাহিত্য, নাটক ও সিনেমাকে শ্রদ্ধা করুন ভালোবাসুন এবং আমাদের বাংলাকে আরও অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে চলুন। আরও এক সঙ্গীত শিল্পী ভুমী ব্যন্ডের সৌমিত্র রায় বলেন, আজ ওখানকার ঘটনা শুনলাম মনটা খারাপ হয়ে গেলো, আমি বিশ্বাস করি গানবাজনায় কোনও জাতি বা কোনও ভাষা থাকে না। যে ভাষায় হোক সেটা উপভোগ করি। আমরা বিদেশে মন্টেরিয় জ্যাজ ফেস্টিভ্যাল মত অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষায় গান গেয়েছি, ইউনাইটেড নেশন মত যায়গায় ভুমী বাংলায় গান করেছে, যেখানে কোনও বাঙ্গালি ছিলো না। ব্রডওয়ের মত একটা যায়গায় একটা দুটো বাংলা গান গাইলে ক্ষতিটা কি হত?এই ঘটনার প্রতিবাদ কি ভাবে করব আমি জানি না। আমার প্রতিবাদের ভাষা হচ্ছে গানকে গানের মত থাকতে দাও। ওদের গাইতে দাও। বাংলায় থেকে বাংলায় কথা বলতে দাও। বলতে দাও নয়, আপনারাও বলুন।সঙ্গীত শিল্পী ইমন সেন বলেন, বাংলায় থেকে যদি বাংলা গান না নিশিদ্ধ করা হয়ে থাকে, তাহলে ওই রেস্তোরাঁ কেই বাংলায় নিশি করা হোক। আর যদি পাব খোলা রাখতে হয় তাহলে বাংলা গান চালাতে হবে। এই প্রতিবাদ কর্মসুচীর জন্য বাংলা পক্ষ কে ধন্যবাদ জানান। জয় হৃদয় বলে তাঁদের জয় কামনা করেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাকি ৫ ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য কী?‌ কঠিন কাজ করে চলেছেন রিভেরা

সোমবার আইএসএলে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ শিবির এখন লক্ষ্যভ্রষ্ট। সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা আগেই শেষ। আইএসএলের বাকি ম্যাচ সম্মান রক্ষার। সামনের মরশুমে তাঁদের কী হবে ফুটবলাররা নিজেরাও জানেন না। শুধু ভাল খেলে পরের মরশুমের জন্য নিজেদের জায়গা খোঁজা। এই পরিস্থিতিতে ফুটবলারদের মোটিভেট করা খুবই কঠিন। সেই কঠিন কাজটাই করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। যদিও রিভেরা মুখে বলছেন ফুটবলারদের উজ্জীবিত করার কিছু নেই। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামাগ আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, ফুটবলাররা সবাই পেশাদার। জেতার জন্যই সব ম্যাচে মাঠে নামে। ভাল খেলে প্রমাণ করতে চায় ওরা কতটা যোগ্য। লিগ টেবিলে আমরা এই মুহূর্তে যে জায়গায় রয়েছি, সেখানে থাকার কথা নয়। জয়ের খিদে নিয়েই ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ফুটবলাররা। ১৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে দশম স্থানে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদের একধাপ এগিয়ে আসার পেছনে কৃতিত্ব অবশ্য তাদের নয়। নর্থইস্ট ইউনাইটেড হেরে একাদশ স্থানে নেমে গেছে। তাও আবার ১ ম্যাচ বেশি খেলেছে। বাকি ৫ ম্যাচ জিতলে লিগ টেবিলে মাঝামাঝি জায়গায় পৌঁছবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। সেসব কথা মাথায় রাখছেন না লালহলুদ কোচ রিভেরা। তিনি বলেন, লিগ টেবিলে কোথায় শেষ করব সেটা মাথায় রাখছি না। আপাতত আমাদের লক্ষ্য পরের ম্যাচ। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে চাই। আপাতত লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট। মরশুম শেষ হলে দেখা যাবে কত নম্বরে রয়েছি। আগের ম্যাচে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ১৫ মিনিটের মধ্যে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও পরে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। চেন্নাইন ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে লালহলুদ শিবিরের। রিভেরা বলেন, চেন্নাইন ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দল দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ওই ম্যাচের পারফরমেন্স ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ওডিশার বিরুদ্ধে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামব।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

৬ মে বড়পর্দায় আসছে মিমি চক্রবর্তীর 'মিনি'

আগামীকাল সরস্বতী পুজো। অর্থাৎ বাঙালিদের ভ্যালেন্টাইন্স ডে। এই বিশেষ দিনের আগে ভক্তদের খুশির খবর শোনালেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। স্মল টক আইডিয়াস, সম্পূর্ণা লাহিড়ী ও ও রাহুল ভাঞ্জার প্রযোজিত এবং মৈনাক ভৌমিকের পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি মিনি-র মুক্তির তারিখ ঘোষিত হল। এই ছবির ডাবিং ও পোস্ট প্রোডাকশনের কাজও শেষ হয়েছে। এই ছবি মুক্তি পেতে চলেছে এই বছর ৬ মে। মুখ্য চরিত্রে মিমি চক্রবর্তী ছাড়াও অভিনয় করছেন শিশুশিল্পী অয়ন্না চ্যাটার্জি। অয়ন্নার এটা প্রথম ছবি। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিঠু চক্রবর্তী, সপ্তর্ষি মৌলিক ও কমলিকা ব্যানার্জি। অয়ন্না ও তার পিসির গল্প মিনি তে তুলে ধরছেন পরিচালক। এই ছবির মধ্যে দিয়েই প্রযোজক হিসাবে আত্মপ্রকাশ হচ্ছে সম্পূর্ণা লাহিড়ীর।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
নিবন্ধ

স্মৃতিকণা (কবিতা)

স্মৃতির ধুলো উড়িয়ে খুঁজে পাওয়াকিছু মুহুর্ত, আজও সোনার চেয়ে দামী।কোথায় হারিয়ে গেল সেই সোনাঝড়াদিন, শুধু জানেন অন্তর্যামী।পৌষ সংক্রান্তির পিঠেপুলির রেশ কাটতেনা কাটতেই, মিশন দেবী সরস্বতী;চাঁদা তোলা, কবিতা মুখস্থ, নাটকের মহড়া,এতেই অর্ধেক প্রসন্ন হতেন দেবী বিদ্যাবতী।কুল না খেয়ে, উপোস থেকে,পুরুতের সঙ্গে, কজ্জল পুরিত, ব্যস;এরপর হোমের ফোঁটা কপালে ঘষে,ষোলোআনা দিয়ে হেটমুণ্ড, টেনশন শেষ।পুরুতের আঙুল ধরে অ লিখছে ছোট্ট বাবাই,মণ্ডপ সেজেছে শিউলির হাতের আলপনায়।আর পাঁচ বছরের ছোট্ট তিতলির বিড়ম্বনাষোলো ফুটের কাপড় সামলানোই মহা দায়।হলুদ গাঁদার ভীড়ে, অতি চুপিসারে,শীতের বিদায়ঘন্টা নিঃশব্দে চলেছে বেজে;একরাশ খোলাচুলে, বাসন্তী শাড়ীতে,স্মিতহাস্যে বসন্ত এসেছে সেজে।সেদিনের স্নিগ্ধ চাহনিতে, ঝাপসা হৃদয়পেয়েছিল অদম্য প্রাণের স্পন্দন;বেজেছিল বীণা, রেঙেছিল মন পলাশের সাথেএক অনন্য অনুভূতি আবিষ্ট করেছিল মন।মন আজও খুঁজে ফেরে ফেলে আসা দিন,ভাবে সেদিনের কথা, করে আঁখি বন্ধ,এক চিলতে মিঠে দখিণা বাতাসবয়ে নিয়ে আসে, ছেড়ে আসা স্কুলের গন্ধ।আজও অশোক-পলাশ মেশে গোধুলিতে,দিগন্তে গোলাপী আভা, তবু রাঙে না মন।চেতনার আকাশ ঢেকেছে উদাসী মেঘ,তাই শুধু মুঠো ফোনে বন্দী জীবন।কবিঃ দীপক কুমার মণ্ডল

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়নি, কেন এমন বললেন লালহলুদের প্রাক্তনরা?‌

একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে ওরা ঘাম ঝড়িয়েছেন। লালহলুদের ব্যর্থতায় আজও ওদের প্রাণ কাঁদে। চলতি আইএসএলে দুরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১৫ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে একেবারে শেষে। প্রিয় ক্লাবের ব্যর্থতায় যেমন হতাশ সদস্যসমর্থকরা, তেমনই হতাশ একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো প্রাক্তন ফুটবলাররা। কীভাবে ক্লাবের মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায়, সেই ব্যাপারে উদ্যোগী লালহলুদেপ প্রাক্তনরা। প্রায় বছরখানেক আগে প্রাক্তন ফুটবলাররা মিলে ১১ জনের একটা কমিটি তৈরি করেছিলেন ক্লাবকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। এই কমিটি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সচিব কল্যান মজুমদারকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠির উত্তর এখনও দেননি লালহলুদ সচিব। তাঁদের সেই চিঠির বক্তব্য বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা ক্লাবের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের কথাও প্রাক্তন ফুটবলাররা তুলে ধরেন। লালহলুদের ঘরের ছেলে হিসেবে পরিচিত মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ইস্টবেঙ্গল শুধু খেলার জন্য মাঠে নামে না, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য নামে। অতীতে আমরা সব টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এমন নয়। দলের মধ্যে জেতার মানসিকতা দরকার। জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়তে হবে। এবছর শুধু অংশগ্রহনের মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়েছে। লালহলুদের এই ব্যর্থতার জন্য কোচকে দায়ী করতে রাজি নন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, একটা দলের ৭০৮০ শতাংশ সাফল্য নির্ভর করে ফুটবলারদের ওপর। এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে সেই মানের ফুটবলার নেই। বিদেশিদের মানও যথেষ্ট খারাপ। দল গঠন ঠিক হয়নি। পরে যারা ক্লাবে লগ্নি করবে, তাদের কাছে অনুরোধ যেন জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়। পরের মরশুমে প্রাক্তনদের পরামর্শ নিয়ে দল গড়ার কথাও বলেছেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মেহতাব হোসেন, ভাস্কর গাঙ্গুলিদের মুখেও মনোরঞ্জনের কথার প্রতিধ্বনি। বিকাশ পাঁজি বলেন, ১০০ বছরের ইতিহাসে লালহলুদকে এইরকম খারাপ অবস্থার মধ্যে কখনও পড়তে হয়নি। জেতার মানসিকতা নিয়ে এবছর দল গড়া হয়নি। শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গলের সম্মান ধুলোয় মিশিয়েছে। প্রশান্ত ব্যানার্জি বলেন, এই খারাপ পারফরমেন্সের জন্য ক্লাবের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। ক্লাব আমাদের দায়িত্ব দিক, সব বিষয়েই আমরা দায়িত্ব নেব। প্রাক্তন ফুটবলারদের আবেদন, ক্লাব নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী দল গড়ে প্রতিযোগিতায় খেলুক, সেটা যে প্রতিযোগিতাতেই হোক না কেন। আইএসএল খেলার দরকার নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বেঙ্গালুরুতে কোহলির শততম টেস্ট খেলার ইচ্ছেপূরণে বাধা হতে চলেছে বোর্ড

প্রিয় মাঠ বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে কি জীবনের শততম টেস্ট খেলা হবে না বিরাট কোহলি? সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ প্রবল হয়ে উঠছে। আর কোহলিকে বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে না দেওয়ার পেছনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভুমিকা বড় হয়ে দাঁড়াতে চলেছে। অর্থাৎ বোর্ড কর্তারা ইচ্ছে করেই হয়তো বেঙ্গালুরুতে কোহলির আটকে দিতে পারেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক একেবারেই ভাল নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির গায়ে যেভাবে মিথ্যাবাদী তকমা সাঁটিয়ে দিয়েছেন, তা ভালভাবে নেননি অন্য বোর্ড কর্তারা। যার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তিনটি টেস্টেই খেললে এতদিন শততম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কিন্তু জোহানেসবার্গে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কোহলি। জোহানেসবার্গে খেললে সেটাই হত কোহলির ৯৯ তম টেস্ট। পরে কেপ টাউনে সিরিজের শেষ টেস্টে খেলেন। ফলে ৯৯তম টেস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই খেলে ফেলেছেন। ভারতের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুটি টেস্ট হবে বেঙ্গালুরু ও মোহালিতে। বেঙ্গালুরুতেই প্রথম টেস্ট হওয়ার কথা। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে খেলেন কোহলি। সেই সুবাদে বেঙ্গালুরু তাঁর ঘরে মাঠ। বেঙ্গালুরুতে প্রচুর সমর্থকও রয়েছে কোহলির। সেসব কথা মাথায় রেখে কোহলি চেয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে পরিকল্পিতভাবে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে তিনটি টি ২০ ম্যাচও হবে। টেস্ট সিরিজ শেষ হলে তিনটি টি ২০ ম্যাচ হওয়ার কথা মোহালি, ধরমশালা ও লখনউতে। যদিও এই সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দুটি টেস্ট বেঙ্গালুরু ও মোহালি। একটি টেস্ট দিনরাতের করার ব্যাপারে উদ্যোগী বোর্ড। কিন্তু মোহালিতে দিনরাতের টেস্ট আয়োজন করা সমস্যা। কারণ মোহালিতে সন্ধেবেলা খুব বেশি শিশির পড়ছে। তাই বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টের সম্ভাবনা বেশি। করোনার জন্য যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সূচিতে অদলবদল হতে পারে। বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, টি২০ সিরিজ শেষ করে তারপর টেস্ট সিরিজ হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি টি২০ ম্যাচ ধরমশালায় খেলার পর দুটি দল মোহালি আসবে। সেখানে ১টি টি২০ ও ১টি টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তারপর দ্বিতীয় টেস্ট হতে পারে বেঙ্গালুরুতে। সেক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুতে দিনরাতের টেস্ট হলেও কোহলিকে দর্শকহীন মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলের সেরা ম্যাচ খেলে চেন্নাইনকে আটকে দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল

অতীতে ডার্বিতে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস লালহলুদের রয়েছে। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে শুরুতে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন এসসি ইস্টবেঙ্গলের। নামতের শেষ মুহূর্তের গোলে আইএসএলের সেরা ম্যাচ খেলে আটকে দিল চেন্নাইনকে। ম্যাচের ফল ২২।এসসি ইস্টবেঙ্গলের গোল খাওয়ার অভ্যাস কি যাবে না? আইএসএলের প্রথম ম্যাচ থেকেই প্রশ্নটা উঠেছিল। লালহলুদের ১৫ টা ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। গোল খাওয়ার অভ্যাস এখনও কাটিয়ে উঠতে পারল না। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ১৪ ম্যাচে ২৮ গোল হজম করেছিল। এদিন আরও ২ গোল।শুরুতে গোল খেলে যে কোনও দলের মনোবল ভেঙে পড়তে বাধ্য। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে সেটা অবশ্য হয়নি। ২ মিনিটেই প্রথম ধাক্কা খায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। জেরি লালরিনজুয়ালা বাঁদিক থেকে একটা সেন্টার করেছিলেন লালহলুদ বক্সে। সুহেল পাশা হেড করার জন্য লাফিয়েছিলেন। কিন্তু বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। সেই বল হীরা মণ্ডলের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে জড়িয়ে যায়।চেন্নাইন এফসির দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও সেই হীরা মণ্ডলের অবদান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে তাঁর ভুল পাস ধরে নিনথোই মিতাই বাঁপায়ের দুরন্ত শটে চেন্নাইন এফসিকে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ১৪ মিনিটের মধ্যে ২ গোল হজম করেও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি লালহলুদ শিবির। দারুণ লড়াই করছিল। ৪৪ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংয়ের ব্যাক সেন্টার দারুণ জায়গায় পেয়েও বাইরে হেড করেন মার্সেলো রিবেইরো।ম্যাচে ফেরার জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে চেন্নাইন এফসির রক্ষণকে চাপে ফেলে দেন পেরোসেভিচ, মার্সেলো, মহেশ সিংরা। ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি পেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। রেফারি এড়িয়ে যান। ৬১ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ব্যবধান কমান ড্যারেন সিডোয়েল। বাকি সময় চেন্নাইনকে চাপে রাখে এসসি ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতা ফেরায় লালহলুদ। কর্নার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করেন নামতে। জয় নার হেড জালে জড়িয়ে যায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ক্রিকেটে বাংলার রবির উদয়, চোখে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন

তিন বছর আগে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৬ দলের ক্রিকেটারদের বয়স যাচাই প্রক্রিয়া চলছিল। হাড়ের পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি রবি কুমার। সেদিন হতাশায় ইডেন চত্বর ছেড়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছিল। তবে ভেঙে পড়েননি। নতুন উদ্যমে আবার প্রস্তুতি শুরু করে দেন। অবশেষে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বাংলার এই জোরে বোলারকে। একেবারে জাতীয় দল। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ খেলে বিশ্বকাপের আসরে।ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপের সুযোগ পেলেও প্রথম দিকে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। কোয়ার্টার ফাইনালে দুরন্ত বোলিং করে সকলের নজর কেড়েছেন রবি কুমার। তাঁর বিষাক্ত সুইংয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অ্যান্টিগুয়ার পরিবেশও সুবিধা করে দিয়েছিল রবি কুমারকে। তাঁর সুইংয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন স্বয়ং কার্লোস ব্রেথওয়েট। কমেন্ট্রি বক্সে বসে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন রবি কুমারকে।রবি কুমারের বাবা রাজেন্দ্র কুমার সিং আদতে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। সিআরপিএফে চাকরি করতেন। চাকরীসূ্ত্রে তিনি কলকাতাতেই থাকতেন। কলকাতাতেই রবির জন্ম। পরে আলিগড়ে চলে যান। সেখানেই প্রথাগত ক্রিকেটে হাতেখড়ি রবি কুমারের। সেখান থেকেই তাঁর ছোট বেলার কোচ অরবিন্দ ভদ্বরাজ রবিকে কলকাতায় পাঠান ক্লাব ক্রিকেট খেলতে। কলকাতায় এসে কাকাকাকীমার কাছে থাকতেন। হাওড়া ইউনিয়নের হয়ে কলকাতা দ্বিতীয় ডিভিশন খেলে নজরে পড়েন। এরপর বালিগঞ্জ ইউনাইটেডে যোগ দেন। সেখানে কোচ হিসেবে পেয়েছিলেন অমিতাভ রায়কে। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রবি কুমারকে।সিএবির চ্যালেঞ্জার ট্রফিতে ভাল খেলে সুযোগ করে নেন বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে। বাংলা দলে তাঁকে ঘষেমেজে তৈরি করে কোচ দেবাং গান্ধী ও বোলিং কোচ জয়ন্ত ঘোষ দস্তিদার। ছোট থেকেই হাতে সহজাত সুইং ছিল রবি কুমারের। কিন্তু হাতের পেশিতে খুব বেশি জোর ছিল না। অনূর্ধ্ব ১৯ বাংলা দলে রবি কুমারের পেশির শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর দেন দেবাং গান্ধী। তবে বোলিং ভঙ্গী বদলানোর চেষ্টা করেননি।অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের ভক্ত রবি কুমার। বালিগঞ্জ ইউনাইটেডেই হোক কিংবা বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলের অনুশীলনে, নেটে অনেকটা সময় একা একা বোলিং করতেন। কলকাতায় যখন অফ সিজন। চলে যেতেন আলিগড়ে। সেখানে অনুশীলন করতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজের কাছে। মরশুম শুরু হলেই আবার কলকাতায় চলে আসতেন রবি কুমার। আলিগড়ে নেটে একটা উইকেট পুঁতে স্পট বোলিং প্র্যাকটিস করাতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজ। এইভাবেই অনুশীলন করে লাইনলেংথে নিখুঁত হয়েছেন রবি কুমার। দেশকে সেমিফাইনালে তুলে রবির লক্ষ্য ফাইনাল। বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফিরছেন, এখন এই স্বপ্নটাই দেখছেন বাংলার রবি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লালহলুদ?‌ কী বলছেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লালহলুদ সমর্থকরা তাকিয়ে ছিলেন ডার্বির দিকে। যদি এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। ডার্বিতে হেরে সম্মান তো গেছেই, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নও শেষ এসসি ইস্টবেঙ্গলের। সোমিফাইনালের রাস্তা আগেই বন্ধ হয়েছে। এবার ওপরের দিকে ওঠার রাস্তাও ফিকে হয়ে গেছে ডার্বিতে হেরে। প্রাক্তন ফুটবলাররাও লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না।প্রাক্তন ফুটবলার শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বির আগেই বলছিলাম, এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন। যাই হোক অঘটন ঘটেনি। তবে একটা কথা বলতেই হবে, ডার্বিতে এই আইএসএলের সেরা খেলাটা খেলেছে লালহলুদ। তিনি আরও বলেন, ডার্বিতে কিন্তু জেতার মতো ফুটবল খেলেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ভাগ্য সহায় না হওয়ায় গোল পায়নি। শেষ লগ্নে এটিকে মোহনবাগান গোল করে দিয়ে চলে যায়। তবে একটা কথা বলব, ডার্বিতে ভাল খেললেও এই ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। হয়তো দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে, কিন্তু খুব বেশি ওপরে উঠতে পারবে না। দলকে জেতানোর মতো কোয়ালিটি ফুটবলার এই দলে নেই।এসসি ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না আর এক প্রাক্তন ফুটবলার সমরেশ চৌধুরিও। তিনি বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখে ভাল লেগেছে ঠিকই, কিন্তু ওপরের দিকে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বছর আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের সেরা খেলাটা ডার্বিতেই দেখেছি। কিন্তু গোল করতে না পারায় হারতে হয়েছে। প্রথমার্ধে পেরোসেভিচের গোলটা এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের গোলটা হয়ে গেলে খেলার ফল অন্যরকম হয়ে যেত। কেন লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন না? সমরেশ চৌধুরির ব্যাখ্যা, ডাটাচচ্চড়ির মশলা দিয়ে কি আর ভাল বিরিয়ানি রাঁধা যায়? এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে তো দলকে জেতানোর মতো ফুটবলারই নেই। আমার মনে হয় না এই দল খুব বেশি ওপরের দিকে যেতে পারবে। বড় জোর দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে।আর এক প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেন বলছিলেন, ডার্বিতে হারলেও এসসি ইস্টবেঙ্গল কিন্তু খুব একটা খারাপ ফুটবল খেলেনি। এই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হয়তো সম্মানজনক জায়গায় যেতে পারবে। কিন্তু বেশি ওপরের দিকে উঠতে পারবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
শিক্ষা

BIG BREAKING: অবশেষে রাজ্যে খুলছে স্কুল, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অবশেষে রাজ্যে স্কুল খুলছে। ৩ ফেব্রুয়ারি অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠন-পাঠন শুরু হবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পাড়ায় শিক্ষালয়ে ক্লাস হবে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে স্কুল ,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে। আপাতত অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল পড়াশুনা চলবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়ে পঠন-পাঠন শুরু হবে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্কুল খোলার বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনায় নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় সরস্বতী পুজোয় পড়ুয়ারা হাজার থাকতে পারবেন।করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ২ বছর ধরে রাজ্যের সমস্ত বন্ধ স্কুল, কলেজসহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেক ক্ষেত্রে পঠনপাঠন চলছে অনলাইনে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পড়াশুনা বন্ধ রয়েছে। লাটে উঠেছে পড়াশুনা। গত নভেম্বর মাসে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য স্কুল খুললেও করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য ফের বন্ধ করতে হয়। করোনা সংক্রমিতের সংখ্যাও কমছে রাজ্যে। শিথিল হয়েছে করোনা বিধি। এই ঘোষণায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন তাঁদের আন্দোলনের জয় বলে দেখছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বি হেরেও গর্বিত লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা!‌ কেন?‌

একসময় আলেজান্দ্রোকে সরিয়ে মারিও রিভেরাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁর হাত ধরেই আই লিগে দুঃসময় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এবারও আইএসএলে ঘুরে দাঁড়ানোয় আশায় সেই রিভেরার শরণাপন্ন হয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। দায়িত্ব নিয়েই এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জয়। কিন্তু পরের দুটি ম্যাচেই হার। লালহলুদ সমর্থকদের সবথেকে বেশি ধাক্কা দিয়ে গেছে ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে ৩১ ব্যবধানে পরাজয়। সারা ম্যাচে ভাল খেলেও কেন হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? ম্যাচের শেষ ২ মিনিটই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে দাবি করেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। রক্ষণ জমাট করে ডার্বিতে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ। লক্ষ্য ছিল প্রতিআক্রমণে গোল তুলে নেওয়া। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশি স্ট্রাইকারদের জ্বলে ওঠার সুযোগ দেননি আদিল খান, ফ্রাঞ্জো পর্চেরা। ড্যারেন সিডোয়েলের গোলে এগিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। হারলেও ফুটবলারদের পারফরমেন্সে খুশি লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। ডার্বিতে হারের পর তিনি বলেন, যে কোনও হারে হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক। তার ওপর ডার্বির মতো ম্যাচে হার। খুবই খারাপ লাগছে। তবে ফুটবলাররা যেভাবে গোটা ম্যাচ লড়াই করেছে, তাতে আমি গর্বিত। আমার পরিকল্পনা মতোই ওরা খেলেছে। দারুণ লড়াই করেছে।ডার্বিতে হারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দুটি কারণকে উল্লেখ করেছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, শুরুতেই অঙ্কিতের চোট সমস্যায় ফেলে দিল। রক্ষণে পরিবর্তন করা ছাড়া আমার আর অন্য কোনও উপায় ছিল না। অমরজিৎ কিয়াম দারুণ লড়াই করেছে। আমরা এগিয়ে যাওয়ার পর এটিকে মোহনবাগান সমতা ফেরায়। আমরা চেয়েছিলাম ১০ ফল ধরে রাখতে। কিন্তু ওরা দ্রুত সমতা ফেরায়। আর একটু দেরিতে প্রথম গোল করলে হয়তো আমরা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতাম। শেষ ২ মিনিটে ২ গোল করে আমার সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছিল। রিভেরা আরো বলেন, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ম্যাচটা ওপেন হয়ে গিয়েছিল। ওই সময় আমরা ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলাম। যদি ব্যবধান বাড়াতে পারতাম, তাহলে অন্যরকম ফল হত। হারলেও ফুটবলাররা গর্বিত করার খেলেছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না, ডার্বির নায়ক কিয়ানের লক্ষ্য কী?‌

ডার্বিতে দুরন্ত পারফরমেন্সের পরে অনেক ফুটবলার হারিয়ে গেছেন। অনেকেই বিস্মৃতির অন্তরালে। আসলে ফোকাসটা নড়ে যায়। শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে সতর্ক এটিকে মোহনবাগানের নতুন নায়ক কিয়ান নাসিরি। মাটিতেই পা রেখে চলতে চান সবুজমেরুণের এই নতুন স্ট্রাইকার। দলকে সাফল্য এনে দেওয়াটাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। ডার্বিতে গোল করাটা যে কোনও ফুটবলারের কাছেই স্বপ্ন থাকে। কোচ জুয়ান ফেরান্দো যখন তাঁকে মাঠে নামার জন্য ওয়ার্ম আপের কথা বলেছিলেন, স্বপ্ন দেখছিলেন মাঠে নেমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে বল ঢোকানোর। শুধু স্বপ্নপূরণই হয়নি, একেবারে হ্যাটট্রিক। কিয়ান বলেন, সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে ডার্বিতে গোল করার। আমিও মাঠে নামার আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম। সত্যি বলতে কী, ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করে আমি ঘোরের মধ্যে রয়েছি। আমি একজন উইঙ্গার ও স্ট্রাইকার। নিজের দায়িত্ব পালন করতে পেরে ভাল লাগছে।শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে তিনতিনবার বল ঢুকিয়ে ইতিহাস তৈরি করেছেন কিয়ান নাসিরি। ইতিহাস নিয়ে অবশ্য মাথা ঘামাতে নারাজ সবুজমেরুণের নতুন তারকা। তিনি বলেন, ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না। আমার কাজ হল গোল করে দলকে জেতানো। সেই কাজটা করতে পেরেছি। কোচ আমার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। সেই আস্থার মর্যাদা দিতে পেরে ভাল লাগছে। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করাটা দারুণ ব্যাপার। কিন্তু এখানেই থেমে থাকলে চলবে না। দলে জায়গা পাকা করতে হবে। দল পিছিয়ে থাকার সময় কিয়ানকে মাঠে নামিয়েছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। মাঠে নেমেই সমতা ফেরান কিয়ান। সবাই যখন ধরে নিয়েছে ম্যাচ ড্রয়ের পথে এগোচ্ছে, একেবারে অন্তিম লগ্নে গোল করে দলকে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এই গোলটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। নিজের তিনটি গোলের মধ্যে দ্বিতীয়টাকেই সেরা বেছে নিয়েছেন কিয়ান। তাঁর কথায়, আমার কাছে দ্বিতীয় গোলটাই সেরা। কারণ ওই গোলেই দল এগিয়ে গিয়েছিল। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক গোটা দলকে উৎসর্গ করেছেন কিয়ান।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভবিষ্যতে কি লালহলুদ জার্সি গায়ে চাপাবেন কিয়ান?‌ এড়িয়ে গেলেন জামশিদ নাসিরি

পড়াশোনার জন ইরান থেকে ভারতে এসেছিলেন জামশিদ নাসিরি। ভর্তি হয়েছিলেন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়ে নজরে পড়ে যান ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটারদের। লালহলুদ কর্তারা সই করিয়েছিলেন ইরানের এই ফুটবলারকে। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত দাপটের সঙ্গে খেলেছিলেন ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডানে। দুই প্রধানের জার্সি গায়ে ডার্বিতে গোলও করেছিলেন। সেই সময় বিদেশি ফুটবলার খেলানোর নিয়ম ছিল না মোহনবাগানে। ফলে ইচ্ছে থাকলেও সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে দেওয়ার সুযোগ হয়নি জামশিদের। নিজের স্বপ্নপূরণ না হলেও জামশিদ নাসিরি চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে কিয়ান নাসিরি সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলুক। সবুজমেরুণ অলিন্দেই বেড়ে ওঠা কিয়ানের। একেবারে ছোট থেকেই বাবার হাত ধরে মোহনবাগান মাঠে যাতায়াত শুরু। জামশিদ একসময় সিসিএফসির অ্যাকাডেমির কোচ ছিলেন। বাবার কাছেই ফুটবলের হাতেখড়ি কিয়ানের। ছোট থেকেই বলের ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ ছিল। ১২ বছর বয়সে জুনিয়র বাংলা দলে সুযোগ। ২০১৩ সালে মোহনবাগান যুব দলে। ২০১৬তে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের হয়ে জুনিয়র আই লিগে খেলেছিলেন কিয়ান। এরপর মোহনবাগান অনূর্ধ্ব ১৯ দল হয়ে ২০১৯২০ সালে সিনিয়র দলে। কিউ ভিকুনার কোচিংয়ে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পাননি। দীর্ঘদিন ধরে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন কিয়ান। অবশেষে ডার্বিতে মাঠে নেমেই বাজিমাত। একেবারে নায়ক। মাঠের বাইরে বসে থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন কিয়ান। তবে হতাশ হয়ে পড়েননি। যেমন হতাশ হননি কিয়ানের বাবা জামশিদ নাসিরিও। গর্বিত পিতা বলছিলেন, এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ থাকলেও ভাবতাম, হয়তো ১০১৫ মিনিট খেলার সুযোগ পাবে ছেলে। প্রতিদিন টিভির সামনে বসে ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। কিন্তু আশা ছাড়িনি। জানতাম একদিন না একদিন সুযোগ পাবে। অবশেষে প্রথম সুযোগেই হ্যাটট্রিক। তাও আবার ডার্বির মতো ম্যাচে। এর থেকে ভাল অভিষেক আর হতে পারে না। আমি যা করে দেখাতে পারিনি, ছেলে সেই কাজ করে দেখিয়েছে। প্রমাণ করেছে বড় ক্লাবের জার্সি গায়ে দেওয়ার যোগ্যতা কিয়ানের রয়েছে। সত্যিই আমি গর্বিত। ছেলের এই জায়গায় পৌঁছনোর জন্য সবথেকে বেশি কৃতিত্ব দিয়েছেন কিবু ভিকুনাকে। জামশিদ বলছিলেন, দীর্ঘদিন মোহনবাগান জুনিয়র দলে ছিল। একসময় ভিকুনা জুনিয়র দল থেকে ৪ জনকে সিনিয়র দলে নিয়েছিল। তারমধ্যে কিয়ান ছিল। ভিকুনাই ঘসেমেজে ওকে তৈরি করেছে। কিয়ানের এই জায়গায় উঠে আসার জন্য সব কোচের কাছেই আমি কৃতজ্ঞ। তবে সবথেকে বেশি কৃতজ্ঞ ভিকুনার কাছে। এই মুহূর্তে দেশে ভালমানের স্ট্রাইকারের অভাব। জামশিদের আশা কিয়ান ঠিকমতো সুযোগ পেলে দেশে স্ট্রাইকারের অভাব মেটাতে পারবে।সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে ছেলের হ্যাটট্রিক। অন্যদিকে প্রিয় ক্লাব ইস্টবেঙ্গলের হার। ভাললাগার পাশাপাশি খারাপও লাগছে জামশিদ নাসিরির। বলছিলেন, ছেলে হয়াটট্রিক করেছে, এরথেকে ভাল কিছু আর হতে পারে না। তবে ইস্টবেঙ্গল হেরে যাওয়ায় খারাপও লাগছে। ইস্টবেঙ্গলের সামনেও গোল করার মতো অনেক সুযোগ এসেছিল। গোল করতে পারলে হয়তো ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত। লালহলুদ জার্সি গায়ে অনেক ডার্বি ম্যাচ কাঁপিয়েছেন জামশিদ। সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে ডার্বি অভিষেকেই চমক কিয়ানের। ছেলেকে কি ভবিষ্যতে লালহলুদ জার্সিতে দেখতে চান জামশিদ নাসিরি? প্রশ্নটা শুনেই কেমন যেন অন্যমনস্ক হয়ে গেলেন। এড়িয়ে গেলেন প্রশ্নটা। তাহলে কি নিজের পুরনো ক্লাবের প্রতি কোনও অভিমান রয়েছে জামশিদের? জামশিদ বলছিলেন, আমি লালহলুদ জার্সি গায়ে ঘাম ঝড়িয়েছি। ও মোহনবাগানের কাছে দায়বদ্ধ। তবে আমি চাই ভবিষ্যতে কিয়ান দেশের হয়ে খেলুক।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অঙ্গন বেলঘড়িয়ার আয়োজনে মিনার্ভা থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হলো শুভেন্দু মজুমদার স্বরণ অনুষ্ঠান ও নাটক "শেষ মুঘল বাহাদুর শাহ জাফর"

সম্প্রতি কলকাতার মিনার্ভা থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হলো অঙ্গন বেলঘড়িয়ার আয়োজনে ইছাপুর আলেয়ার নাট্যদলের কর্ণধার অকাল প্রয়াত নাট্য পরিচালক ও অভিনেতা শুভেন্দু মজুমদার স্বরণ সন্ধ্যা। শুভেন্দুবাবুর নাটকের জীবন, তার কাজ,নির্দেশনা ও অভিনয় নিয়ে স্মৃতি চারণ করেন ড হৈমন্তী চট্টোপাধ্যায়, নাট্যকার মৈনাক সেনগুপ্ত, পরিচালক সঞ্জয় সেনগুপ্ত, দেবাশীষ সরকার, সৌগত মুখার্জী, জয়দীপ ভৌমিক, উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশ ভট্টাচার্য, শ্যামল চক্রবর্তী, দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ইছাপুর আলেয়ের সদস্য নিতাই গুপ্ত এবং অঙ্গন বেলঘড়িয়ার কর্ণধার অভি সেনগুপ্ত, প্রয়াত শুভেন্দু মজুমদার এর স্ত্রী সুমিতা মজুমদার ও পুত্র অনুভব মজুমদার। এই স্বরণ অনুষ্ঠান টি পরিচালনায় ছিলেন ইছা পুর আলেয়া দলের সদস্য দীপক মিত্র।এই স্বরণ অনুষ্ঠানের পর মঞ্চস্থ হয় অঙ্গন বেলঘড়িয়ার নতুন নাটক শেখ মুঘল বাহাদুর শাহ জাফর । আমরা সকলেই জানি ইংরেজ রা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী প্রতিস্থাপন করে দিনের পর দিন ভারতবর্ষ তথা এই বাংলায় অত্যাচার চালিয়ে গেছে। পাশাপাশি অন্যায় ভাবে ছল চাতুরী করে একের পর এক রাজ্য দখল করে, কাউকে হত্যা করে, গুম করে বল পূর্বক কেড়ে নিয়েছে তাদের অধিকার। ভারতের ইতিহাসের সেই রকম এক কালো অধ্যায় এর নাম বিয়োগান্ত নায়ক বাহাদুর শাহ জাফর, যিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ মুঘল বাহাদুর শাহ জাফর। তিনি এক সময় সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত দিয়েছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ইংরেজ রা এক সাজানো বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতের এই শেষ সম্রাট বাহাদুর শাহ কে নির্বাসনে পাঠায় বর্মা মুলুকে এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।সেদিন ভারতবর্ষের মানুষ চুপ করে ছিলো। এই বাহাদুর শাহ তার আপন দেশে অন্তিম শয়ানে শায়িত হবার জন্য দু গজ জমিও তার জুটলো না।এই আপেক্ষ ধোনিত হয়েছিল ভারতের শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের কণ্ঠে। এই বন্ধ্যা সময়ের প্রেক্ষাপটে একজন হতমান মানুষের জীবন যন্ত্রনা ও বোধ কে আশ্রয় করে রূপ নিয়েছে অভি সেনগুপ্ত নির্দেশনা য় অঙ্গন বেলঘড়িয়া র নতুন নাটক শেষ মুঘল বাহাদুর শাহ জাফর। এই নাটকে অসাধারণ অভিনয় করেছেন (বাহাদুর শাহ জাফর এর ভূমিকায়) অভি সেনগুপ্ত, (উজির আহসানুল্লাহ খান এর ভূমিকায়) গুঞ্জন গাঙ্গুলী, (ক্যাপ্টেন ওমানি) সুরজিৎ শর্মা, (শাহজাদা জওয়ান বখত) রজত নন্দী, (মৌলভী সরফরাজ আলী) তপন বিশ্বাস, (মুবারক উন্নিসা) শিপ্রা মুখার্জী ও (জিন্নাত বেগম) এর চরিত্রে বেবি সেনগুপ্ত।পাশাপাশি সৌমেন চক্রবর্তী-সায়ন সেনগুপ্তের আলোক ভাবনা-প্রেক্ষাপন,তপন বিশ্বাস-তিথি বিশ্বাস এর অবহ সংগীত- আবহ প্রেক্ষাপন, অশেষ কর্মকারের মঞ্চ, বাপ্পাদিত্য প্রামানিকের পোশাক ও রূপ সজ্জা যথাযথ। ভালো লাগে অনিন্দিতা দে র কণ্ঠে সংগীত। এই নাটক টি লিখেছেন শঙ্কর বসু ঠাকুর। সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অরূপ ব্যানার্জী। সব শেষে বলবো নির্দেশক অভি সেনগুপ্তর পরিচালনায় সম্পুর্ন রূপে ঐতিহাসিক পটভূমিকায় এই নাটক শেষ মুঘল বাহাদুর শাহ জাফর দর্শকদের বিশেষ ভাবে নজর কাড়বে। সাধুবাদ অঙ্গন বেলঘড়িয়া কে এই রকম একটি নাটক মঞ্চস্থ করার জন্য।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির অভিষেকে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ানের

এলেন, দেখলেন, জয় করলেন জামশিদ নাসিরির সুপুত্র কিয়ান নাসিরি। তাঁর দুরন্ত হ্যাটট্রিকে আইএসএলের ডার্বিতে উড়ে গেল লালহলুদ। তারুণ্যের কাছে বিধ্বস্ত এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও জয় তুলে নিল এটিকে মোহনবাগান। এবার ম্যাচের ফল ৩১। নতুন তারকার জন্ম হল এবারের আইএসএলের ডার্বিতে। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে বাজিমাত কিয়ান নাসিরির।ধারেভারে অনেকটাই এগিয়ে থেকে ডার্বিতে মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট থাকায় রয় কৃষ্ণাকে মাঠে নামাননি কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আক্রমণভাগে শুরু করেছিলেন হুগো বোমাস ও ডেভিড উইলিয়ামস। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগে ছিলেন দুই বিদেশি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও মার্সেলো রিবেইরো। বিদেশিদের ছাপিয়ে নায়ক এক ভারতীয় ফুটবলার।শুরু থেকেই ম্যাচ আক্রমণ প্রতিআক্রমণে জমে উঠেছিল। এটিকে মোহনবাগান মূলত বাঁদিক দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। লিস্টন কোলাসো বারবার ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন লালহলুদ ডিফেন্সকে। হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে রক্ষণের জন্য ডুবতে হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ফ্রাঞ্জো পর্চে একেবারেই নিস্প্রভ ছিলেন। ডার্বিতে পর্চেকে একেবারে অন্য মেজাজে দেখা গেল। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসদের সেভাবে জ্বলে ওঠার সুযোগ দেননি।এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণের চাপ বেশি থাকলেও প্রথম গোলের সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৪ মিনিটে নওরেম মহেশ সিংয়ের মাটি ঘেঁসা শট পোস্টের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৫ মিনিটে সামনে শুধু এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিংকে একা পেয়েও বাইরে মারেন মার্সেলো রিবেইরো। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে জমে উঠলেও প্রথমার্ধে কোনও দল গোল করতে পারেনি।গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। ৪৭ মিনিটে বাঁদিক থেকে বক্সে ঢুকে ডানপায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট বারে লেগে ফিরে আসে। ২ মিনিট পরেই গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন শুভাশিস বসু। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে হেডে বল জালে রাখতে পারেননি। ৫১ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর আরও একটি দুরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।৫৪ মিনিটে ডানদিক থেকে ঢুকে গিয়ে বাঁপায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। তাঁর শট ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং। পেরোসেভিচের কর্ণার বক্সের মধ্যে পেয়ে যান ড্যারেল সিডোয়েল। তাঁর শট মনবীরের গায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়।৬৪ মিনিটে সমতা ফেরায় এটিকে মোহনবাগান। সৌরভ দাসের ভুল ক্লিয়ারেন্স ধেরে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন কিয়াম নাসিরি। জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ামের এটাই প্রথম ডার্বি। ৬৫ মিনিটে লিস্টনকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন অমরজিৎ কিয়াম। পেনাল্টি পায় এটিকে মোহনবাগান। অবিশ্বাস্যভাবে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৮০ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংয়ের শট আটকে দেন অমরিন্দার সিং। ৮৬ মিনিটে কোলালোর শট গোল লাইন থেকে সেভ করেন হীরা মণ্ডল।ম্যাচের ইনজুরি সময়ে আবার জ্বলে ওঠেন কিয়ান। লিস্টন কোলাসোর সেন্টার ডেভিড উইলিয়ামস হেড করলে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে দুরন্ত শটে ২১ করেন কিয়ান। ১ মিনিট পরেই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ডার্বির অভিষেকেই হ্যাট্টট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন জামশিদ নাসিরির পুত্র।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

সাধারণতন্ত্রদিবস উপলক্ষে বিএসএফ এর ভিডিও বিভ্রান্তি

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিএসএফ (BSF) এর ভিডিও বার্তা নিয়ে তোলপাড় বাংলা। বিএসএফ-র সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অফিসিয়াল ভিডিওতে নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) বলে একটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাংলা ভাষা রক্ষা-র দাবিতে জোরালো আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন বাংলাপক্ষ বিএসএফ-র ভিডিও নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলে, তাহলে বিএসএফ কি বাংলা ভাগ করতে চায়? তাঁরা বলেন, সে ভিডিওতে নানা ভাষা ব্যবহৃত হলেও কেউ বাংলা ভাষায় কথা বলেনি। অথচ বাংলার বর্ডার বিএসএফের সবচেয়ে বড় এলাকা। সেই কারণে বাংলা পক্ষ-র তরফ থেকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহকে চিঠি দিয়েছে বলে কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান। এবং তাঁরা এবিষয়ে সামাজিক মাধ্যম টুইটার-এ প্রচার-ও চালাচ্ছেন হ্যাসট্যাগ- #AntiBengalBSFvideoতাদের সমবেত প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠতে বাধ্য হল বিএসএফ, চাপে পড়ে বিএসএফ কতৃপক্খ পুনরায় বাংলা সহ নতুন তিনটে ভাষায় সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানালো। এবং শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য আলাদা আরও একটা ভিডিও বের করেছে। এটা তাঁদের নৈতিক জয় বলে মনে করছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি আরও জানান সেই ভিডিও-তে রাজ্যের নাম নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) মুছে দিয়ে, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ-ই (West Bengal) লিখেছে বিএসএফ। তিনি বলেন বিএসএফ চরম প্রতিবাদের সন্মুখে পিছু হঠে ভুল স্বীকার করে নিয়েছে, কারণ বাঙালি জেগে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ দাবী তোলে, বিএসএফ কেন বারবার বাংলা ও বাঙালি ইস্যুতে বিতর্কে জড়াচ্ছে? এই ভিডিও বানানোর দায়িত্বে কে ছিল? তাঁকে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করা হোক। শুধু মাত্র বহুল শুধরে নিলেই শেষ হ্যনা। এর পিছনে কোনও চক্রান্ত আছে কিনা তা খূজে বার করা হোক। বাংলা ভাগের গুরুতর বিষয়কে ইন্ধন দেওয়া বাঙালি কখনই ভালো ভাবে নেবে না। ভবিষ্যতে এমন হলে সমস্ত বাঙালি রাস্তায় নেমে লড়াই করবে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ...
  • 58
  • 59
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কোটি কোটি টাকা থেকে বিলাসবহুল গাড়ি! টুলুর সম্পদের খতিয়ান প্রকাশ্যে

বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বিপুল সম্পত্তি নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, টুলুর নামে থাকা একাধিক সম্পত্তি, ব্যাঙ্কের অর্থ এবং দামি সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, টুলু মণ্ডলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় তিরানব্বই কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। এছাড়া তিপ্পান্ন লক্ষ টাকা নগদ, দুইশো আটষট্টি গ্রাম সোনা, চারশো গ্রাম রুপো এবং তেষট্টি গ্রাম প্ল্যাটিনাম উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীরা তিনটি টাকা গোনার মেশিন, একটি কম্পিউটার, দুটি পেনড্রাইভ, তিরাশিটি ট্রাক ও ডাম্পার এবং বিএমডব্লিউ ও অডি-সহ মোট দুইশো বিয়াল্লিশটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, টুলুর নামে মোট একুশটি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। তার মধ্যে রয়েছে সাতটি বাড়ি, একটি ফার্মহাউস, দুটি পেট্রল পাম্প, একটি পার্কিং এলাকা, দুটি স্টোন ক্রাশার এবং প্রায় তিনশো বিঘা জমি। এই সম্পত্তিগুলিও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।এই দুর্নীতির ঘটনায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এত বড় সম্পদের সাম্রাজ্য অল্প সময়ে তৈরি হওয়া সম্ভব নয় এবং গোটা বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে প্রশাসনের উচ্চস্তরের সহযোগিতা ছাড়া এমন কর্মকাণ্ড সম্ভব নয়।টুলু মণ্ডল এখনও পলাতক। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমান, চলতি বছরের মে মাসের পর তিনি বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। তবে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার বুকেই তৈরি হয়েছিল জইশের স্লিপার সেল! ধৃত হামিদের থেকে কী কী তথ্য মিলল

ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে হামিদ মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের বহু বছর পর একই এলাকার কাছাকাছি থেকে এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে তিনি বাংলায় যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিলেন।তদন্তে জানা গিয়েছে, হামিদ মণ্ডলের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। তিনি আগে একটি গেঞ্জি কারখানায় দর্জির কাজ করতেন। পরে নিউটাউনে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। এরপর কিছুদিন আগে বর্ধমানের একটি আবাসনে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন। প্রতিবেশীদের কাছে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। কেন তিনি বর্ধমানে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য কাউকে দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি।বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পূর্ব ভারতে সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর কাজে যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এই মামলায় এখনও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তকারী সংস্থা আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
দেশ

আত্মসমর্পণের পরও গুলি? ভাইরাল ভিডিওর জেরে গ্রেপ্তার পুলিশ,

এনকাউন্টারকে ঘিরে নতুন বিতর্কে উত্তাল বিহার। ভোজপুর জেলার একটি এনকাউন্টার মামলায় এক পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও সামনে আসার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। সেই ঘটনার ভিত্তিতেই প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।ঘটনাটি গত ১৭ জুন ভোজপুর জেলার শাহপুর থানা এলাকার বিলাউটি গ্রামে ঘটে। ওই ঘটনায় ভরত ভূষণ তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, অভিযানে জড়িত কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং এক বিশেষ বাহিনীর সদস্য বেআইনিভাবে গুলি চালিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়।তদন্ত চলাকালীন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ভরত ভূষণ তিওয়ারি পুলিশের দিকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছুড়ে দিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন ওঠে, তিনি আত্মসমর্পণের চেষ্টা করেছিলেন কি না। যদিও বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রশাসন। প্রথমে চার পুলিশকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে বিশেষ বাহিনীর এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে হামিদ মন্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ এবং বর্ধমান পুলিশ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃত ব্যক্তি পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, ডিজিটাল তথ্য এবং যোগাযোগের সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনও অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।তদন্তকারী সূত্রে দাবি, ধৃত ব্যক্তির কাছে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা এবং ভিআইপি চলাচল সংক্রান্ত কিছু তথ্য মিলেছে। এই তথ্য কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনও সরকারি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃত হামিদ পূর্ব ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে যুক্ত থাকতে পারে। নতুন সদস্য সংগ্রহ, যোগাযোগ রক্ষা এবং সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এদিকে অসমেও একই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেখান থেকে মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা তথ্য যাচাই করছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই নেটওয়ার্ক অনলাইনের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ, উগ্রবাদে প্রভাবিত করা, গোপন তথ্য সংগ্রহ, লজিস্টিক সহায়তা এবং স্লিপার সেল তৈরির মতো কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ ও গোয়েন্দাদের মতে, ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য এবং ডিজিটাল নথির ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী তদন্তের দিশা নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই মামলার সব দিকই খোলা রাখা হয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করার ছক? বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজনের কাছ থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর নথি, তদন্তে বড় দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

প্রায় দু’দশক পর কলকাতায় তসলিমা! বিমানবন্দরে নেমেই যা বললেন, তাতেই শুরু জোর চর্চা

শুক্রবার প্রায় দুই দশক পর কলকাতায় ফিরলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই তাঁকে শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। দীর্ঘদিন পর এই শহরে ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। হাসিমুখে শুধু বলেন, খুবই ভালো লাগছে।কলকাতায় পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন তসলিমা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আজি এ প্রভাতে কলিকাতা অভিমুখে যাত্রা করিলাম। সেই পোস্টের পর থেকেই তাঁর কলকাতায় ফেরাকে ঘিরে কৌতূহল বাড়তে থাকে।বিমানবন্দরে পৌঁছে অভ্যর্থনা গ্রহণের সময় তাঁর মুখে ছিল আনন্দের হাসি। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফিরে তিনি যে আবেগাপ্লুত, তা স্পষ্ট ধরা পড়ে। শনিবার মৌলবাদ বিরোধী কবি ও সাহিত্যিকদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।উল্লেখ্য, দুই হাজার সাত সালে তাঁর একটি বই প্রকাশকে কেন্দ্র করে কলকাতায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর তাঁকে কলকাতা ছাড়তে হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি এই শহরে ফেরেননি।দীর্ঘ বিরতির পর তসলিমা নাসরিনের কলকাতায় প্রত্যাবর্তন ঘিরে সাহিত্য ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর এই সফরকে ঘিরে আগ্রহও তুঙ্গে পৌঁছেছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফিফায় বড় বিদ্রোহ! ইনফান্তিনোর প্রস্তাব মানতে নারাজ আরও এক মহাদেশ, বিশ্বকাপ ঘিরে তীব্র জল্পনা

বিশ্বকাপ এবং ফিফার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উয়েফার আপত্তির পর এবার উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল সংস্থা কনকাকাফও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। এর ফলে ফিফার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফুটবল মহলের একাংশের আশঙ্কা, এই বিরোধ আরও বাড়লে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদিও এখনও কোনও দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা করেনি।জানা গিয়েছে, ইনফান্তিনো ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই পরিকল্পনায় ভবিষ্যতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, এই উদ্যোগ সফল হলে সদস্য দেশগুলি উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাবে। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এর ফলে বিশ্বকাপের সম্প্রচার, স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে বেসরকারি সংস্থার প্রভাব বাড়তে পারে।এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে উয়েফা জানিয়েছে, ফুটবল কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং এই খেলার নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি স্বার্থের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়। একই সুরে কনকাকাফও জানিয়েছে, প্রস্তাবটি নিয়ে আরও স্বচ্ছ আলোচনা এবং নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।এশিয়ার ফুটবল মহল থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এশিয়ান ফুটবল সংস্থার সভাপতি শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফা জানিয়েছেন, সব মহাদেশের সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা কঠিন হবে।ফলে ফিফার এই প্রস্তাব ঘিরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে সদস্য দেশগুলির অবস্থান কী হয় এবং ভোটাভুটিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্বের।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাই নিয়ে বড় ধাক্কা! আদালতে রাজ্যের রিপোর্ট দেখে ক্ষুব্ধ বিচারপতি, কড়া সতর্কবার্তা

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জমা পড়া রাজ্যের রিপোর্ট ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রিপোর্ট দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার সমাবেশ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য আদালতে রিপোর্ট জমা দেয়। শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, সমাবেশে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল কি না। কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষের আইনজীবী জানান, গোটা কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবং কোনও অশান্তি ঘটেনি।তবে রাজ্যের তরফে আদালতে জানানো হয়, সমাবেশে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলেও আদালত যে সংখ্যার সীমা বেঁধে দিয়েছিল, তা মানা হয়নি। অভিযোগ, নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষ জমায়েত হওয়ায় ক্যাথিড্রাল রোডের দুই দিকই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটি রাস্তা খোলা রাখার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি বলেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করার ঘটনা ভবিষ্যতে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতেও একুশে জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে আদালতের নির্দেশ পালন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবারও সমাবেশের আয়োজন নিয়ে আদালতে রিপোর্ট জমা পড়ার পর নতুন করে সেই বিতর্ক সামনে এল। আদালতের পর্যবেক্ষণের পর বিষয়টি রাজনৈতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal