• ২৮ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কলকাতা

কলকাতা

দুই দিনের মধ্যেই কর্মজীবন শেষ রাজীব কুমারের! রাজ্যকে কড়া নির্দেশ ক্যাটের

আগামী ৩১ জানুয়ারি রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের কর্মদিবসের শেষ দিন। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কড়া নির্দেশ দিল সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রাইবুনাল। বুধবার আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারের মামলার প্রেক্ষিতে ক্যাট জানিয়ে দেয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই স্থায়ী ডিজি নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।ক্যাটের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সরকারকে আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে ই-মেল এবং বিশেষ বাহকের মাধ্যমে ইউপিএসসির কাছে ডিজিপি বা হেড অফ পুলিশ ফোর্স পদের জন্য এমপ্যানেলমেন্টের প্রস্তাব নতুন করে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে ইউপিএসসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এমপ্যানেলমেন্ট কমিটির বৈঠক ডেকে নিয়ম মেনে প্যানেল চূড়ান্ত করতে হবে। সেই প্যানেল ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাতে হবে। প্যানেল হাতে পাওয়ার পর রাজ্য সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডিজি নিয়োগ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।অর্থাৎ কার্যত আগামী পরশুর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের ডিজি নিয়োগ নিয়ে ইউপিএসসির কাছে প্রস্তাব পাঠাতে বাধ্য রাজ্য সরকার। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে স্থায়ী ডিজি মনোজ মালব্য অবসর নেওয়ার পর থেকে রাজ্যে আর স্থায়ী ডিজি নিয়োগ হয়নি। সেই সময় কোনও প্যানেল না পাঠিয়েই রাজীব কুমারকে ভারপ্রাপ্ত ডিজির দায়িত্ব দেয় রাজ্য সরকার।এই কারণেই ইউপিএসসি এখনও ২০২৩ সালের ডিসেম্বরকেই ডেট অব ভ্যাকেন্সি হিসেবে ধরে রেখেছে। যদিও ২০২৫ সালে রাজ্য সরকার দুবার ইউপিএসসির কাছে প্যানেল পাঠিয়েছিল, কিন্তু সেই প্যানেল গ্রহণ না করে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নিতে বলে ইউপিএসসি। বিষয়টি নিয়ে নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে কেন্দ্রের অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানির দ্বারস্থ হয় কমিশন।অ্যাটর্নি জেনারেলের পরামর্শ ছিল, রাজ্য সরকারকে আগে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি নিতে হবে। শীর্ষ আদালত অনুমতি দিলে তবেই ইউপিএসসির পক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ করা সম্ভব। সেই অবস্থার মধ্যেই ক্যাটের এই নির্দেশ নতুন করে চাপ বাড়াল রাজ্য সরকারের উপর। এখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিজি নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে আইনি জটিলতা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

রাজপথ জুড়ে বেগুনি ঝড়! আশা আন্দোলনে উত্তাল কলকাতা

রাজপথ জুড়ে আজ বেগুনি রঙের ঢেউ। আশা কর্মীদের বিক্ষোভে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা। উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাতভর ট্রেনে চেপে কলকাতার দিকে রওনা দেন আশা কর্মীরা। স্বাস্থ্য ভবন অভিযান ছিল তাঁদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি। কিন্তু সেই কর্মসূচিকে ঘিরেই আরও এক লজ্জার ছবি দেখল শহর।রাতভর যাত্রা করেও বহু আশা কর্মী অভিযান তো দূরের কথা, গন্তব্য স্বাস্থ্য ভবন পর্যন্ত পৌঁছতে পারলেন না। শিয়ালদহ স্টেশনেই তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। প্ল্যাটফর্মে বসেই অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা। অন্যদিকে, যাঁরা কোনওভাবে স্বাস্থ্য ভবনের কাছে পৌঁছেছিলেন, তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিল পুলিশের তৈরি লোহার ব্যারিকেড। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি।বিক্ষোভকারীদের জন্য খাবার পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে সেই খাবার গ্রহণ করেননি আশা কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, শুভেন্দু নিজে এসে তাঁদের কথা শুনুন। এখনও পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভস্থলে আসেননি। তবে তিনি সামাজিক মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, বর্বরোচিত সরকার। অমানবিক প্রশাসন। গণতন্ত্র বিপন্ন। মাতৃশক্তি লাঞ্ছিত ও আক্রান্ত। অধিকার চাইলে রাজদ্রোহের তকমা দেওয়া হচ্ছে। এমন দমন-পীড়ন ইংরেজ আমলেও ছিল না।এদিকে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে গো ব্যাক স্লোগানের মুখে পড়তে হয়। অন্যদিকে সকালে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আশা কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে। তবে রাজনৈতিকভাবে কেউ যদি তাঁদের ব্যবহার করতে চায়, তাহলে সেই ফাঁদে পা না দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে কারও কাছে চাঁদা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি শুনেছেন, যদিও বিষয়টি নিশ্চিত নন।সব মিলিয়ে আশা কর্মীদের আন্দোলন ঘিরে রাজপথে উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভাতা বাড়েনি, বকেয়া মেলেনি! স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ফের বিস্ফোরণ আশা কর্মীদের

দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় আশা স্বাস্থ্যকর্মীরা। বুধবার তাঁদের বিক্ষোভের ঢেউ আছড়ে পড়ল স্বাস্থ্য ভবনের সামনে। মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, ডেটা প্যাকের ব্যবস্থা, বকেয়া টাকা মেটানো এবং চাকরির নিশ্চয়তার দাবিতে আবারও পথে নামলেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আশা কর্মীরা। গত কয়েক মাস ধরেই দফায় দফায় আন্দোলনে শামিল হচ্ছেন তাঁরা। কলকাতার রাজপথে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ছবিও বারবার সামনে এসেছে। এদিনও স্বাস্থ্য ভবনের সামনে উত্তেজনার ছবি দেখা যায়।এদিন স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করে ডেপুটেশন দেওয়ার কথা ছিল আশা কর্মীদের। তবে দাবি মানা না হওয়ায় বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়। বর্তমানে একজন আশা কর্মী মাসে মাত্র ৫২৫০ টাকা ভাতা পান বলে জানান পশ্চিমবঙ্গ আশা স্বাস্থ্য কর্মী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা। তাঁর দাবি, সারা দেশের নিরিখে ন্যূনতম মজুরি হওয়া উচিত ২৬ হাজার টাকা। সেই হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ১৫ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়ার দাবি তুলেছেন তাঁরা। পাশাপাশি বকেয়া টাকা কিস্তিতে নয়, একসঙ্গে মিটিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চাকরির স্থায়িত্ব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।সংগঠনের নেত্রীদের বক্তব্য, কাজ করতে গিয়ে কোনও আশা কর্মীর মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। সরকার যে মোবাইল দিয়েছে, তার জন্য ন্যূনতম সাড়ে তিনশো টাকার ৫জি ডেটা প্যাক দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং দ্রুত বকেয়া মেটানোর দাবিও তুলেছেন তাঁরা।এদিকে এদিন জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আশা কর্মীরা কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিতেই পুলিশের বাধার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক জায়গায় হোম অ্যারেস্ট করার অভিযোগও সামনে এসেছে। স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে যাওয়ার পথে দুর্গাপুরে পৌর স্বাস্থ্যকর্মী কন্ট্রাকচুয়াল ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক কেকা পালকে মহিলা থানায় আটক করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে আশা কর্মীদের আন্দোলন ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

অশান্ত বেলডাঙা নিয়ে আদালতের বড় বার্তা, প্রয়োজনে কেন্দ্র দেবে আরও বাহিনী

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী আরও সক্রিয়ভাবে মোতায়েন করার প্রয়োজন রয়েছে বলে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাই কোর্টের। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বর্তমানে এলাকায় যে পাঁচ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, জীবন ও জীবিকা রক্ষার স্বার্থে তাদের পুরোপুরি ব্যবহার করা হোক। আদালতের স্পষ্ট মন্তব্য, যদি বাহিনী পর্যাপ্ত না হয়, তা হলে রাজ্যের অনুরোধে কেন্দ্র আরও বাহিনী অনুমোদন করুক।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মঙ্গলবার মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, প্রতিবাদের নামে বেলডাঙায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা হয়েছে, সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে এবং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অশান্তি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, যা পুলিশ সুপার নিজেই স্বীকার করেছেন। অথচ এরপরেও পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ তোলা হয়।মামলাকারী আরও জানান, গত বছর জুলাই মাসে একই ধরনের পরিস্থিতিতে মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বর্তমানে সামসেরগঞ্জ ও ধুলিয়ানে বাহিনী থাকলেও, বেলডাঙায় সেই বাহিনী কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, বেলডাঙায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা অর্থাৎ ১৪৪ ধারা জারি করা হোক। পাশাপাশি দেশের শান্তি নষ্ট করার জন্য বাইরে থেকে কোনও অর্থ আসছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এনআইএ তদন্তেরও আবেদন জানানো হয়।এই অভিযোগের জবাবে রাজ্যের তরফে আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, এর আগেও মুর্শিদাবাদের ঘটনায় ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং ঘরছাড়াদের নিরাপদে ঘরে ফেরানো হয়েছে। বিচারপতিরা তখন জানতে চান, বর্তমানে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রশাসনিক স্তরে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।এরপর রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুক্রবার ঝাড়খণ্ডে আলাউদ্দিনের মৃত্যুর খবর ছড়ানোর পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ এক সাংবাদিককে মারধর করা হয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এখনও পর্যন্ত ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এলাকায় পাঁচ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে এবং তারা নিয়মিত টহল দিচ্ছে বলেও দাবি করে রাজ্য।রাজ্যের তরফে আদালতকে জানানো হয়, বর্তমানে বেলডাঙার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং বাজারও খুলেছে। এই প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, যেহেতু কেন্দ্রীয় বাহিনী ইতিমধ্যেই এলাকায় রয়েছে, তাই জীবন ও জীবিকা রক্ষার জন্য তাদের পুরোপুরি ব্যবহার করা হোক। প্রয়োজনে আরও বাহিনী চাইলে কেন্দ্র অনুমোদন দেবে।বিচারপতি পার্থসারথি সেন রাজ্যের উদ্দেশে বলেন, মামলাকারীর অভিযোগ অনুযায়ী রাজ্য প্রথম দিকে পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছিল। সেই অভিযোগের জবাবে রাজ্যের আইনজীবী জানান, এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। তাঁর বক্তব্য, মামলাকারী চান সব জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিএসএফ নামানো হোক। তবে রাজ্য ঘটনার দিন থেকেই এবং তার পরেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

ফের হাসপাতালে সৌগত রায়! অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ সাংসদ

ফের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতার একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে আপাতত চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েছিলেন সৌগত রায়। সেখানে খাওয়াদাওয়ার পর বাড়ি ফিরে তিনি অসুস্থবোধ করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, সৌগত রায়ের ডায়েরিয়া হয়েছে। পাশাপাশি আচমকাই তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগেই তাঁর বুকে পেসমেকার বসানো হয়েছিল। সেই কারণে পেসমেকারের কোনও সমস্যা হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন চিকিৎসকেরা।হাসপাতাল সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, আপাতত সাংসদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। রিপোর্টে সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দুতিন দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে সৌগত রায়কে। গত বছরের ১০ মার্চ লোকসভা অধিবেশন শেষে সংসদ ভবন থেকে বেরোনোর সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তখন সংসদের কর্মীরা তাঁকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে বাইরে নিয়ে যান।গত ৩০ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আড়িয়াদহে একটি মন্দির উদ্বোধনে যাওয়ার সময় আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন সৌগত। তড়িঘড়ি তাঁকে বেলঘরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময়ই তাঁর বুকে পেসমেকার বসানো হয়।এছাড়াও গত ২২ জুন ফের তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তখন তাঁর শরীরে ভিটামিন বি ওয়ানের ঘাটতি ধরা পড়ে। পাশাপাশি শিরদাঁড়ার নিচে ব্যথা, জটিল স্নায়ুরোগ এবং ফুসফুসের সংক্রমণও দেখা গিয়েছিল। বেশ কিছুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সে বার সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন বর্ষীয়ান এই সাংসদ।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ভিতর থেকে বন্ধ দরজা, ফোন ধরেননি দু’জনেই! মহেশতলায় রহস্যমৃত্যু

রবিবার সকালে মহেশতলায় একটি ফ্ল্যাট থেকে স্বামী-স্ত্রীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ি ফুট এলাকায়। মৃতদের নাম তন্ময় দে (৫২) এবং তাঁর স্ত্রী রুমা রক্ষিত (৪৭)। পুলিশ দরজা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুড়ি ফুট এলাকার একটি আবাসনের তিনতলায় ভাড়া থাকতেন ওই দম্পতি। রবিবার সকালে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। দীর্ঘক্ষণ ফোন না ধরায় সন্দেহ হয়। এরপর পরিবারের লোকজন ফ্ল্যাটে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া মেলেনি। দরজায় ধাক্কা দিয়েও কোনও শব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। শোওয়ার ঘরে খাটের উপর অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় স্বামী-স্ত্রীকে। তাঁদের পাশেই একাধিক ঘুমের ওষুধের খালি বাক্স পড়ে ছিল। দ্রুত দুজনকে উদ্ধার করে বেহালা বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুজনেই আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে কী কারণে এই চরম সিদ্ধান্ত, তা জানার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন ওই দম্পতি। ঋণের চাপ বা অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।দুটি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও সময় জানা যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

নিপা আতঙ্কের মাঝেই আশার খবর, কোমা কাটিয়ে সাড়া দিচ্ছেন আক্রান্ত নার্স

রাজ্যে নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর। নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত পুরুষ নার্স চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এতদিন তিনি কোমায় ছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বারাসাতের নারায়ণা হাসপাতালে ভর্তি ওই নার্সকে ধীরে ধীরে ভেন্টিলেটর থেকে বের করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।একই সময়ে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলা নার্সের শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তিনি এখনও চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে তাঁদের শরীর থেকে নেওয়া নমুনার পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নদিয়া জেলা থেকে যাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য কল্যাণী এইমস-এ পাঠানো হয়েছিল, সেই ৪৫ জনের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে প্রশাসনের।এদিকে, দুই নার্স কীভাবে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, কাটোয়ার এক নার্স ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া নদিয়া জেলার ঘুঘরাগাছি গ্রামে গিয়েছিলেন। ওই এলাকা থেকেই সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে কাঁচা খেজুরের রস ও খেজুরের গুড় তৈরির চল রয়েছে। ওই নার্স কাঁচা খেজুরের রস বা গুড় খেয়েছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্য দফতরের একটি দল ওই গ্রামে যেতে পারে।নদিয়া থেকে ফেরার পর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ওই নার্সের সর্দি-কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, তাঁর সংস্পর্শে এসেই পুরুষ নার্সের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দুজনে একই হাসপাতালে নাইট ডিউটি করেছিলেন। চিকিৎসকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কাঁচা খেজুরের রস না খাওয়াই ভাল। তবে খেজুরের গুড় বা পাটালি খেলে সমস্যা নেই।নিপা আক্রান্ত দুই নার্সের চিকিৎসার জন্য দাদরা ও নগর হাভেলি থেকে বিশেষ ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ইঞ্জেকশন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সহযোগিতায় মঙ্গলবার রাতে সেগুলি কলকাতায় পৌঁছয়। বুধবার সকালে সেই ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে।এর মধ্যেই নিপা সংক্রমণের আশঙ্কায় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আরও এক চিকিৎসক ও এক নার্সকে ভর্তি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার আক্রান্ত নার্সের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করতে গিয়েই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়। তাঁরা দুজনেই বর্ধমান জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, আক্রান্ত দুই নার্সের সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রত্যেকের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে বড় পদক্ষেপ ইডির, ডিজি রাজীব কুমারের সাসপেনশন চাইল কেন্দ্র

আইপ্যাক তল্লাশি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে আরও একধাপ এগোল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানির আগেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শীর্ষ আদালতে নতুন করে একটি আবেদন জমা দিয়েছে। সেই আবেদনে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ ডিজি রাজীব কুমারকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার দাবি জানিয়েছে ইডি।ইডির আবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ডিজি নন, আইপ্যাক তল্লাশির সময় যাঁরা যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, সেই সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ইডির অভিযোগ, তদন্ত চলাকালীন রাজ্য পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক গুরুতর অসদাচরণ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেননি। এর ফলে তদন্তের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি ইডির।ইডি আরও অভিযোগ করেছে, ডিজি রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়ার নজির এই প্রথম নয়। অতীতে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনায় বসেছিলেন, তখন কলকাতার পুলিশ কমিশনার ছিলেন রাজীব কুমার। সেই সময় তিনিও ধরনায় বসেছিলেন, যা একজন আইপিএস অফিসারের দায়িত্ব ও আচরণবিধির পরিপন্থী বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।এই আবেদনে ইডি সুপ্রিম কোর্টের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে কেন্দ্রীয় সরকারের পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং বিভাগ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য।এ বিষয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ সরকার বলেন, রাজনীতি আর প্রশাসনকে আলাদা রাখা জরুরি। কিন্তু তৃণমূলের শাসনে সেই সীমারেখা মেনে চলা হয় না। এবার তার ফল ভোগ করতে হবে।উল্লেখ্য, আইপ্যাক কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে মোট দুটি মামলা দায়ের করেছে ইডি। একটি মামলায় ইডি নিজে আবেদনকারী। অন্য মামলাটি করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে পক্ষ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তার আগেই ডিজি রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানাল ইডি।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা-নিউটাউন জুড়ে তল্লাশি, ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় সক্রিয় সিবিআই

বাংলায় আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির অভিযানের এক সপ্তাহের মধ্যেই এবার কলকাতায় তল্লাশিতে নামল সিবিআই। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় শহরের একাধিক জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতা ও নিউটাউন মিলিয়ে মোট পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি শুরু করে সিবিআই। আলিপুর নিউ রোডে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই বাড়িটি নিশা কেজরিওয়ালের। তিনি মূলত আলিপুর নিউ রোডের ২৮ নম্বর প্লটে একটি বহুতল বিলাসবহুল আবাসনে থাকেন।তল্লাশি চলাকালীন বাড়ির বাইরে ছয় জন আধা-সেনা জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। ভিতরেও রয়েছেন আরও দুই জন। সূত্রের খবর, ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কোথায় কোথায় টাকা গিয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, সেই সব তথ্য খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই সময় প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।ইডির অভিযোগ ছিল, মুখ্যমন্ত্রী সেই সময় তদন্তে বাধা দিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, কেন্দ্রীয় এজেন্সি ভোটের কৌশল সংক্রান্ত নথি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শহরে সিবিআইয়ের তল্লাশি শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

রঞ্জিত মল্লিককে জড়িয়ে ধরলেন অভিষেক, ক্যামেরার সামনে আবেগঘন মুহূর্ত

বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে যান তিনি। প্রায় দুঘণ্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান, এই সাক্ষাতে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় তাঁর দেখা প্রথম সিনেমার নাম ছিল গুরুদক্ষিণা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। অভিষেক আরও বলেন, অভিনেতার অধিকাংশ ছবি তাঁর জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে প্রয়াত কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।অভিষেক জানান, এদিন তিনি রাজনীতির কথা বলতে যাননি। তবে কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে এবং গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করেছে, সে কথাগুলি রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তিনি তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, ওকে আমার খুব ভাল লাগে। খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব। অভিনেতার এই মন্তব্যে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, উন্নয়নের পাঁচালি নামে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার কর্মসূচির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। এই প্রচারে গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলির কথা লোককথার ঢঙে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামের মহিলাদের কাছে সহজ ভাষায় সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের মামলা খারিজ

কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলার শুনানির পর জানান, তৃণমূলের অভিযোগ আদালতে টেকেনি।এ দিন কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু আদালতে জানান, ইডি কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর দাবি, আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টরের বাড়ি ও দফতরে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু সেই তল্লাশির সময় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশীস চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তা হলে তিনি যে তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে মামলা করলেন, সেই তথ্যের উৎস কী, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রের আইনজীবী।ইডির সওয়ালে আরও বলা হয়, যেসব নথির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। ফলে ইডির বিরুদ্ধে নথি বাজেয়াপ্ত করার অভিযোগ ঠিক নয়। এমনকি ইডির আইনজীবী মন্তব্য করেন, যদি কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হয়, তা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সেই মামলায় পক্ষ করা উচিত।এই যুক্তির ভিত্তিতেই বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দেন। তবে ইডির তরফে দায়ের করা আলাদা মামলাটি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।রায় ঘোষণার পর রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইডির আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, তৃণমূলের কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। সেই কারণেই আদালত এই মামলা খারিজ করেছে। অন্যদিকে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে তারা কোনও নথি নেয়নি। যে কাগজপত্র নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। আদালতে এই সব যুক্তি উঠে আসায় বিষয়টি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে বুঝেই শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে বলা হয়, নথি বাজেয়াপ্ত না হয়ে থাকলে মামলা চালিয়ে যাওয়ার অর্থ নেই। তার পরেই মামলা খারিজ হয়ে যায়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গরিবের টাকা কবে মিলবে? একশো দিনের কাজ নিয়ে হাইকোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ

একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা দ্রুত শ্রমিকদের হাতে পৌঁছনোই আদালতের প্রধান লক্ষ্যএমনই পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল স্পষ্ট জানান, যত দ্রুত সম্ভব গরিব মানুষরা যেন তাঁদের প্রাপ্য টাকা পান, সেটাই আদালতের উদ্দেশ্য। আদালতের মতে, যাঁরা মনরেগার আওতায় কাজ করেন, তাঁরা মূলত গরিব মানুষ, তাই তাঁদের টাকার ব্যবস্থা করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, কেন্দ্র যত অভিযোগই করুক না কেন, সবার আগে শ্রমিকদের টাকা দেওয়া উচিত। অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফে ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল জানান, এই প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। তাই দোষীদের শাস্তি দেওয়া ও তদন্ত চালানো জরুরি। কেন্দ্রের দাবি, গোটা দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্য প্রশাসন যুক্ত থাকায় রাজ্যের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।শুনানির সময় আইনজীবী অশোক চক্রবর্তী প্রশ্ন তোলেন, তাহলে এখন এই মামলা করার উদ্দেশ্য কী। সেই সময় বিচারপতি জানান, এই মামলার সঙ্গে আদালত অবমাননার আরও একটি মামলা একসঙ্গে শোনা হবে। আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, অগাস্ট মাস থেকে অপেক্ষা চলছে, অন্তত শ্রমিকদের স্কিমের টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। আর কতদিন দেরি হবে। তাঁর বক্তব্য শুনে বিচারপতি বলেন, আদালতও চায় শ্রমিকদের হাতে দ্রুত টাকা পৌঁছাক।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে বকেয়া টাকা কেন্দ্রকে মেটাতে হবে। তবে রাজ্যের অভিযোগ, টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র নানা শর্ত চাপাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রের লেবার বাজেটের শর্ত কোনওভাবেই মানা হবে না। মনরেগার কাজ ফের কীভাবে শুরু করা হবে, তা নিয়েও রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, অনৈতিকভাবে কেন্দ্র এই টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষ তাঁদের প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। এটা কোনও দয়া নয়, এটা তাঁদের অধিকার। অন্যদিকে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চেয়েছে গরিব মানুষ যেন টাকা পান। তবে একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট এটাও বলেছে, টাকা যেন সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায়। কেন্দ্রের দাবি, হিসাবেই গরমিল থাকায় টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ফাইল চুরির অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা, নবান্নের সামনে ধর্নায় বসতে চলেছে বিজেপি

I-PAC কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশির সময় নথি চুরির অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির অভিযোগ, তল্লাশির সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে নবান্নের সামনে ধর্নায় বসতে চায় বিজেপি। তবে প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি না মেলায় বিষয়টি গড়ায় আদালতে।এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। আদালত বিজেপিকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। ফলে নবান্ন অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বাংলায় এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কয়লা পাচার মামলায় ইডি আধিকারিকরা I-PAC কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। সেই সময় আচমকাই ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির অভিযোগ, তল্লাশির মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী নথি নিয়ে বেরিয়ে যান এবং এতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে বাধা দেওয়া হয়।এই ঘটনার প্রতিবাদে নবান্নের বাইরে ধর্নায় বসার ঘোষণা করে বিজেপি। কিন্তু অনুমতি না পাওয়ায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়।এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, যারা কোনও দিন নবান্নের ভিতরে বসতে পারবে না, তারা বাইরে বসতে চাইছে। তাঁর বক্তব্য, শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম ধর্নার ডাক দিয়েছিলেন। দেবাংশুর দাবি, বিজেপি নিজেদের সমীক্ষাতেই বুঝে গিয়েছে তারা এবার ৫০-৬০ আসনের বেশি পাবে না, তাই বাইরে বসে রাজনৈতিক উপস্থিতি জানানোর চেষ্টা করছে।এই I-PAC সংক্রান্ত মামলার রেশ গিয়ে পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টেও। ইডি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের কমিশনারের বিরুদ্ধে মোট ১৭টি ধারায় মামলা দায়েরের আবেদন জানিয়েছে। ইডির অভিযোগ, বাজেয়াপ্ত করা বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ ইডি অফিসারদের হাত থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযোগের সপক্ষে পিটিশনে ছবিও জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।ইডির আরও দাবি, পঞ্চনামা রেকর্ড করতে মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ আধিকারিকরা বাধা দিয়েছেন এবং ইডি আধিকারিকদের ভয় দেখানো হয়েছে। সেই কারণে তল্লাশির সমস্ত প্রক্রিয়া ঠিকভাবে সম্পন্ন করা যায়নি। কেন্দ্রীয় সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, কোনও অনুমতি ছাড়াই মুখ্যমন্ত্রী প্রতীক জৈনের বাড়িতে ঢুকে নিজে হাতে তথ্যপ্রমাণ নিয়ে যান।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

কবে ফিরবে ‘জিম লুক’? প্রকাশ্যে তরুণীর প্রশ্নে চমকপ্রদ জবাব অভিষেকের

অনেক আগেই নিজের ওজন কমিয়ে ছিপছিপে চেহারায় ফিরেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালো শার্ট পরে গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে র্যালি করলে অনেকের চোখেই তিনি যেন সিনেমার নায়কের মতোই। এমনকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিজেপির নেতারাও কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁকে হিরো বলেই ফেলেন। তবে রাজনীতির বাইরে তাঁর চলাফেরা, কথা বলার ভঙ্গি এবং স্টাইল ইতিমধ্যেই যুবসমাজের একাংশের মধ্যে আলাদা প্রভাব ফেলেছে।কয়েকদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অভিষেক নিজের কয়েকটি জিম লুকের ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রথমে চিনতেই পারেননি। মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই লুক নিয়ে প্রবল আলোচনা শুরু হয়। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই রাজনৈতিক কর্মসূচির মঞ্চে একেবারে অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের মুখে পড়তে হল অভিষেককে।হাওড়ার বালিতে এক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ও দেবাংশু ভট্টাচার্য। সেই সময় ভিড়ের মধ্য থেকে এক তরুণী সরাসরি প্রশ্ন করেন, দাদা, আপনি পরের জিম সেলফি কবে পোস্ট করবেন? প্রশ্ন শুনে মুহূর্তের মধ্যেই হাসির রোল ওঠে সভাস্থলে।একটুও না ভেবে অভিষেক মুচকি হেসে উত্তর দেন, ২৫০ করার পর। তৃণমূল জিতবে, ২৫০ হবে, তারপর হবে। এই কথার মধ্য দিয়েই তিনি স্পষ্ট করে দেন, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের লক্ষ্য ২৫০ আসন। রাজনীতির বার্তার সঙ্গে হালকা মেজাজে দেওয়া এই জবাব মুহূর্তে উপস্থিত সকলের মন জিতে নেয়।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা নিয়ে নতুন মোড়! এবার আবাসনের বাসিন্দাদের তলব পুলিশের

আই-প্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। একদিকে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইডি মামলা দায়ের করেছে এবং সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারও আগাম সতর্কতা হিসেবে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশির ঘটনা খতিয়ে দেখতে আবাসনের বাসিন্দা ও প্রতিবেশীদের তলব করল পুলিশ।গত বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ভোর ছটা নাগাদ লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছয় ইডি। শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি। সেই খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছু সময় পর তাঁকে একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা যায়। সেই ফাইলে কী ছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।এই ঘটনার তদন্তে নামিয়ে লাউডন স্ট্রিটের ওই আবাসনের একাধিক বাসিন্দা এবং আশপাশের প্রতিবেশীদের নোটিস পাঠিয়েছে পুলিশ। ইডি তল্লাশির সময় তাঁরা কী শুনেছিলেন, অফিসাররা বাড়িতে ঢোকার পর কীভাবে চলাফেরা করছিলেন, তল্লাশির সময় কোনও অশান্তি হয়েছিল কি নাএই সব বিষয়েই তাঁদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও ঘটনার প্রত্যক্ষ বিবরণ সংগ্রহ করতে চাইছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মামলা দায়ের করেছিলেন এবং পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে যে মামলা রুজু করা হয়েছে, এই দুই মামলার ক্ষেত্রেই প্রতীক জৈনের আবাসনের বাসিন্দা ও প্রতিবেশীদের তলব করা হয়েছে।ইডি সূত্রে খবর, তল্লাশির সময় প্রতীক জৈনের বাড়ি বা অফিস থেকে উল্লেখযোগ্য কোনও নথি বা প্রমাণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্তে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তাদের হাতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ এসেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। ইডির হাতে থাকা দুটি সিসিটিভি ফুটেজে একটিতে দেখা যাচ্ছে, এক পুলিশ অফিসার সিআরপিএফ জওয়ানকে ধাক্কা দিচ্ছেন। অন্য ফুটেজে প্রতীক জৈনের বাড়ির সামনে বচসার দৃশ্য ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • ...
  • 65
  • 66
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে ৮০ লক্ষ নাম বাদ? এসআইআর শুনানি ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার ছিল আনুষ্ঠানিক শেষ দিন, তবে শুক্রবারই শুনানি শেষ হয়েছে। এখন চলছে তথ্য আপলোড ও যাচাইয়ের কাজ।কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে নোটিস পাওয়ার পরও প্রায় ৬ লক্ষ ভোটার ইআরও-দের সামনে হাজির হননি। তাই তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া লজিক্যাল ত্রুটি এবং অ্যানম্যাপড ভোটারের তালিকা থেকেও প্রায় ১০ শতাংশ নাম বাদ যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছিল, প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ যোগ করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬৪ লক্ষ। এর সঙ্গে আরও ১০ লক্ষের বেশি অ্যানম্যাপড ও লজিক্যাল ত্রুটি থাকা নাম ধরলে মোট সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে কমিশন সূত্রের অনুমান।অনেকেই শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। তার বদলে প্যান কার্ড বা সংবাদপত্রের কাটিংয়ের মতো কাগজ জমা দিয়েছেন। সেই কারণে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে।কমিশন জানিয়েছে, কার নাম কেন বাদ গেল, তা নোটিস দিয়ে জানানো হবে। নাম বাদ গেলে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সুরাহা না হলে আরও পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন জানানো যাবে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগে স্ক্রুটিনি চলছে। সিইও-র ছাড়পত্র মিললেই প্রকাশিত হবে তালিকা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জিতে পরদিনই আওয়ামি লিগের অফিসের তালা খুললেন বিএনপি সাংসদ! পঞ্চগড়ে চমক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আবু দাউদ প্রধান। নির্বাচনে জয়ের পরদিনই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী দল আওয়ামি লিগ-এর একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলায়। আবু দাউদ প্রধান পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিএনপির সভাপতি এবং সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর দেশের নানা প্রান্তে দলটির দপ্তরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার ভিন্ন ছবি দেখা গেল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পরদিন চাকলাহাট ইউনিয়নে আওয়ামি লিগের একটি অফিস খুলে দেন আবু দাউদ।এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা। ভিডিওতে স্থানীয় আওয়ামি লিগ নেতারা বলেন, এই পদক্ষেপ মহৎ উদ্যোগ। অন্যদিকে কয়েকজন স্থানীয় নেতা শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা দেন।আবু দাউদ প্রধান বলেন, তিনি জানতে পারেন যে অফিসটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্যই তিনি তালা খুলে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এটি দলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং শান্তি বজায় রাখার উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, কোনও দলই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, অফিসটি আগে অন্য একটি গোষ্ঠী তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। এখন সেটি খুলে পরিষ্কার করা হচ্ছে। আপাতত সেখানে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম হবে না বলেই জানানো হয়েছে।বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই পদক্ষেপ নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। বিরোধী দলের দপ্তর খুলে দেওয়ার ঘটনায় দেশে সহাবস্থানের নতুন ইঙ্গিত মিলছে কি না, তা নিয়েই এখন চর্চা তুঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

মোদীর ফোন, জয়শঙ্কর কি যাচ্ছেন শপথে? কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদল স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান।যদিও এখনও সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হয়নি, তবু দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। তবে নিয়মের কিছু জটিলতার কারণে আজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে পারছেন না তারেক। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার তাঁর শপথ গ্রহণ হতে পারে।শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। সময়মতো আমন্ত্রণ এলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত। এর আগে খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তখন তাঁর সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎও হয়েছিল। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বাংলাদেশে ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সূত্রের খবর, ফোনেও কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে।গত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। শেখ হাসিনা-র সরকারের পতনের পর সেই দূরত্ব আরও বেড়েছিল বলে মনে করা হয়। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে উন্নতির পথে হাঁটতে পারে বলে আশা কূটনৈতিক মহলের। দিল্লিও সেই দিকেই নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর নথির নামে ডেকে খুন! বাদুড়িয়ায় দেহাংশ উদ্ধার, গ্রেফতার বিএলও

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-য় চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। এসআইআর সংক্রান্ত নথির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক বিএলও-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মৃত যুবকের নাম নাসির আলি (৩৬)। তাঁর বাড়ি পাপিলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বিএলও-র নাম রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টু। তিনি পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও। সাগর গাইন নামে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নাসিরের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত কারণে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স নিয়ে দেখা করতে হবে। ফোনকারী নিজেকে এইআরও বলে পরিচয় দেন। সেই ফোন পাওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নাসির। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবার বাদুড়িয়া থানার পুলিশ-এর কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে।পরদিন চাতরা এলাকার একটি খাল থেকে নাসিরের মোটরবাইক ও জুতো উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রিজওয়ান ও সাগরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বাদুড়িয়ার বিভিন্ন খাল ও সেতুর নীচে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই তিনটি প্যাকেটের মধ্যে নাসিরের দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁর মাথা উদ্ধার হয়নি।কেন এই নৃশংস খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। মৃতের স্ত্রী বিউটি খাতুন বিবি বলেন, রিজওয়ান তাঁদের পরিচিত ও বন্ধুই ছিলেন। তাঁর স্বামীর উপর এমন অত্যাচারের কঠোর শাস্তি চান তিনি।ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

ঐতিহাসিক মুহূর্ত! জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান

ঐতিহাসিক নজির গড়ল অসম। বিমানবন্দর নয়, জাতীয় সড়কের উপর জরুরি অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান। অসমের মোরানে এই ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটির পরীক্ষা করা হয়। একদিনের সফরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।চাবুয়া এয়ারফিল্ড থেকে উড়ে এসে প্রধানমন্ত্রীর সি-১৩০জে বিমান ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারিত অংশে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর প্রায় ৪০ মিনিটের এয়ার শো হয়। আকাশে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করে তেজস, সুখোই ও রাফালের মতো যুদ্ধবিমান।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে এই ধরনের অবতরণ পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সামরিক প্রয়োজনের সময় উদ্ধারকাজে এটি বড় ভূমিকা নেবে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরান বাইপাসে ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশেষ অবতরণ পথ তৈরি হয়েছে।এই পথ অসামরিক ও সামরিকদুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। জরুরি সময়ে এটি ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। ৪০ টন পর্যন্ত যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত পরিবহণ বিমান এখানে অবতরণ করতে পারবে। এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বারমেরে প্রথম এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।অসম সফরে প্রধানমন্ত্রী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর তৈরি একটি সেতুর উদ্বোধন করবেন তিনি, যা উত্তর গুয়াহাটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। এতে যানজট কমবে এবং যাতায়াতের সময়ও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।এছাড়া গুয়াহাটিতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১০০টি ইলেকট্রিক বাসেরও সূচনা করবেন তিনি। সফরের শেষে গুয়াহাটিতে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ না মেটানোয় বড় ধাক্কা! মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে আদালত অবমাননার নোটিস

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ না মেটানোয় এবার বড় আইনি চাপে রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্র-কে আদালত অবমাননার নোটিস পাঠালেন ডিএ মামলাকারীরা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দ্রুত মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশের এক সপ্তাহ পরেও বকেয়া না মেটানোয় ক্ষুব্ধ মামলাকারীরা ফের আইনি পথে হাঁটলেন।আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের মাধ্যমে পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃত ভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। যা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দ্রুত দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি ৭৫ শতাংশ কী ভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা ঠিক করতে একটি কমিটি গঠন করার কথাও বলা হয়। তবে এবার অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়নি। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, দ্রুত নির্দেশ মানতে হবে।এর আগেও গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট চার সপ্তাহের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হয় ২৭ জুন। পরে রাজ্য সরকার আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়।মামলাকারীদের আইনজীবী জানান, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি বলেই আদালত অবমাননার নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এখন রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

উড়ান থামিয়ে নামানো হল যাত্রীদের, শৌচাগার থেকে মিলল বোমা-হুমকি

সাতসকালে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ। শিলংগামী ইন্ডিগো-র 6E-7304 নম্বর বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। খবর ছড়াতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে শিলং যাওয়ার কথা ছিল ওই বিমানের। উড়ানের আগে বিমানের শৌচাগার থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেন এক ক্রু সদস্য। চিরকুটে লেখা ছিল, বিমানে বোমা রাখা আছে। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিমান কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত একে একে সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। সতর্কতাবশে বিমানটিকে আলাদা বে-তে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরো বিমান জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলংগামী ওই উড়ানটি দুপুর ১টা ১০ মিনিট নাগাদ রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত উড়ান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ঝাঁজ! ৩০ ডিগ্রির পথে কলকাতা, শীত কার্যত বিদায়

বসন্তের শুরুতেই চড়া রোদের তেজ টের পাচ্ছে কলকাতা। তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ৩০ ডিগ্রির দিকে এগোচ্ছে। শীতের আমেজ প্রায় উধাও। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া অফিস।আগেই বলা হয়েছিল, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শীত বিদায় নেবে। এখন সেই পূর্বাভাসই মিলছে। কলকাতা সহ গোটা রাজ্যেই তাপমাত্রা বাড়ছে। পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। দিনের বেলায় গরম অনুভূত হচ্ছে, রাতেও ঠান্ডা কমে আসছে।পূর্বাভাস বলছে, আগামী সপ্তাহে কলকাতার রাতের তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে আরও বাড়তে পারে পারদ। মার্চ মাস থেকে গরম পুরোপুরি দাপট দেখাতে শুরু করবে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিও ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা।আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ১৬ ডিগ্রি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৭ শতাংশ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আজ এবং আগামী কয়েক দিনে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। তবে সপ্তাহের শেষ দিক থেকে সেখানেও তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।সব মিলিয়ে, ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট। মার্চে পরিস্থিতি আরও বদলাতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal